পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
বিষয় - সাধারণ বিজ্ঞান টপিক - ভৌত বিজ্ঞান: পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ক ১. ভৌত রাশি এবং এর পরিমাপ, ভৌত বিজ্ঞানের উন্নয়ন, আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান, পদার্থের চৌম্বকত্ব, তড়িৎ চৌম্বক ও তাড়িত চৌম্বকীয় আবেশ, তরঙ্গ এবং শব্দ, শক্তি। ২. কাজ, শক্তি ও ক্ষমতা; তাপ ও তাপগতি বিদ্যা, পদার্থের গ্যাসীয় ধর্ম, আলোর প্রকৃতি, স্থির এবং চল তড়িৎ, আলোক বিজ্ঞান ও আলোক যন্ত্রপাতি, ট্রান্সফরমার, এক্সরে, তেজস্ক্রিয়তা। ----------------------- [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
বিদ্যুৎ পরিমাপক যন্ত্রের নাম কী? 
  1. অ্যামিটার
  2. ভোল্ট মিটার
  3. ট্রান্সফরমার
  4. গ্যালভানোমিটার
সঠিক উত্তর:
অ্যামিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যামিটার
ব্যাখ্যা
- বিদ্যুৎ প্রবাহ পরিমাপক যন্ত্র হলো অ্যামিটার। 

অন্যদিকে, 
- তড়িৎ বিভব পার্থক্য নির্ণয়ের যন্ত্র হলো ভোল্টমিটার। 
- ট্রান্সফরমার একটি গতিহীন নিশ্চল বৈদ্যুতিক যন্ত্র। 
- গ্যালভানোমিটার দিয়ে তড়িৎ প্রবাহের অস্তিত্ব মাপা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
.
টমাস আলফা এডিসন কোনটি আবিষ্কার করেন? 
  1. বিদ্যুৎ
  2. রকেট
  3. ফনোগ্রাফ
  4. ডায়নামো
সঠিক উত্তর:
ফনোগ্রাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফনোগ্রাফ
ব্যাখ্যা
- টমাস আলফা এডিসন ফনোগ্রাফ এবং বৈদ্যুতিক বাতি আবিষ্কার করেন। 

অন্যদিকে, 
- মাইকেল ফ্যারাডে ডায়নামো আবিষ্কার করেন। 
- উইলিয়াম গিলবার্ট বিদ্যুৎ আবিষ্কার করেন। 
- ডব্লিউ কনগ্রিড রকেট আবিষ্কার করেন। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
.
পোলার ডাইইলেকট্রিক পদার্থের উদাহরণ কোনটি? 
  1. পানি
  2. ক্লোরিন
  3. অক্সিজেন
  4. হাইড্রোজেন
সঠিক উত্তর:
পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানি
ব্যাখ্যা
ডাইইইেলেকট্রিক পদার্থ: 
- তড়িৎ ক্ষেত্রের প্রভাবে যাদের মধ্য দিয়ে আধান মুক্তভাবে চলাচল করতে পারে তাদেরকে বলা হয় পরিবাহী পদার্থ। 
- আবার যাদের মধ্য দিয়ে আধান চলাচল করতে পারে না তাদের বলা হয় অপরিবাহী বা অন্তরক বা ডাইইলেকট্রিক বা পরাবৈদ্যুতিক মাধ্যম। 
যেমন- রাবার, অ্যাম্বার, কাঁচ ইত্যাদি। 
- অপরিবাহীতে মুক্ত ইলেকট্রন থাকে না, সে কারণে অপরিবাহী তড়িৎ পরিবহন করতে পারে না। 
- পদার্থের অণুসমূহ পরমাণু দ্বারা তৈরি, পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াসে থাকে ধনাত্মক আধান আর নিউক্লিয়াসকে ঘিরে থাকে ঋণাত্মক আধানযুক্ত ইলেকট্রন। 
- কোনো অপরিবাহীকে তড়িৎ ক্ষেত্রের মধ্যে স্থাপন করলে পরমাণুগুলোর ধনাত্মক আধান তড়িৎ ক্ষেত্রের দিকে এবং ঋণাত্মক আধান তড়িৎ ক্ষেত্রের বিপরীত দিকে সামান্য সরে যায়। ফলে প্রতিটি অণু এক একটি তড়িৎ দ্বিমেরুতে পরিণত হয়। এভাবে সৃষ্ট দ্বিমেরু আবেশ প্রক্রিয়াকে পোলারায়ন (Polarization) বলে। 
- সকল ডাইইলেকট্রিক অপরিবাহী, কিন্তু সকল অপরিবাহী ডাইইলেকট্রিক নয়। 
- যে সকল অপরিবাহী পদার্থকে তড়িৎ ক্ষেত্রে স্থাপন করলে পোলারায়ন ঘটে তাদেরকে ডাইইলেকট্রিক বলে। 
যেমন- কাঁচ, অভ্র, প্লাস্টিক, রবার, সিরামিক ইত্যাদি। 
- অপরিবাহী তড়িৎ অপরিবাহী তাই তড়িৎ প্রবাহে বাঁধা সৃষ্টি করতে অপরিবাহী ব্যবহার করা হয়। 
- আর ডাইইলেকট্রিক হচ্ছে উচ্চ পোলারায়িত অপরিবাহী তাই শক্তি সঞ্চয়ের জন্য ডাইইলেকট্রিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়। 
- ডাইইলেকট্রিক পদার্থ দুই ধরনের হয়। 

১। পোলার ডাইইলেকট্রিক পদার্থ: 
- যদি ডাইইলেকট্রিক পদার্থের কোনো অণুর ঋণাত্মক আধানের কেন্দ্র ধনাত্মক আধানের কেন্দ্রের সাথে সমাপতিত না হয় তাহলে সেই ডাইইলেকট্রিক পদার্থকে পোলার ডাইইলেকট্রিক পদার্থ বলে। 
যেমন- পানি, হাইড্রোক্লোরিক এসিড ইত্যাদি পোলার ডাইইলেকট্রিক পদার্থ।

২। অ-পোলার ডাইইলেকট্রিক পদার্থ: 
- ডাইইলেকট্রিক পদার্থের কোনো অণুর ঋণাত্মক আধানের কেন্দ্র যদি ধনাত্মক আধানের কেন্দ্রের সাথে সমাপতিত হয় তাহলে সেই ডাইইইেলেকট্রিক পদার্থকে অ-পোলার ডাইইইেলেকট্রিক পদার্থ বলে।
যেমন- হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, ক্লোরিন ইত্যাদি অ-পোলার ডাইইলেকট্রিক পদার্থ। 
- অ-পোলার ডাইইইেলেকট্রিক পদার্থের দ্বিমেরু ভ্রামক শূন্য হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।
.
নিচের কোন রাশির ধারণা নিউটনের গতি বিষয়ক প্রথম সূত্র থেকে পাওয়া যায়?
  1. কাজ
  2. শক্তি
  3. জড়তা
  4. ভরবেগ
সঠিক উত্তর:
জড়তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জড়তা
ব্যাখ্যা
- বিজ্ঞানী স্যার আইজ্যাক নিউটান ১৬৮৭ খ্রিষ্টাব্দে গতি সম্পর্কে তিনটি সূত্র প্রদান করেন। 
- এই সূত্রগুলোর মধ্যে গতির মূল তথ্যগুলো নিহিত আছে। 
- এ তিনটি সূত্রকে নিউটনের গতিসূত্র বলা হয়। 

নিউটনের গতি বিষয়ক প্রথম সূত্র: 
প্রথম সূত্র: “বাহ্যিক বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির অবস্থায় থাকবে এবং গতিশীল বস্তু সুষম গতিতে সরল পথে চলতে থাকবে”। 
অর্থাৎ, বাইরে থেকে বল ক্রিয়া না করলে- 
(১) স্থির বস্তু স্থির থাকবে এবং 
(২) গতিশীল বস্তু সুষম গতিতে চলতে থাকবে। 
- সুতরাং দেখা যায় যে, গতির প্রথম সূত্র বস্তুর জড়তার ধর্ম বিবৃত করে এবং বলের সংজ্ঞা প্রদান করে। 
- স্থির বস্তু সর্বদাই স্থির থাকতে চায় এবং গতিশীল বস্তু সর্বদাই গতিশীল থাকতে চায়, বস্তুর এ প্রবণতাকে জড়তা বলে। এজন্য এই সূত্রকে জড়তার সূত্রও বলা হয়। 
- সূত্রটিকে অন্যভাবেও বলা যায়, যদি কোনো বস্তুর উপর বল প্রয়োগ না করা হয় তাহলে তার গতির পরিবর্তন বা স্থিতি অবস্থার পরিবর্তন হবে না। 
অর্থাৎ, বল প্রয়োগ না করলে বস্তুর ত্বরণ শূন্য হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ কত? 
  1. 0
  2. 332 km/s
  3. 3×105 m/s
  4. 3×108 m/s
সঠিক উত্তর:
3×108 m/s
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3×108 m/s
ব্যাখ্যা
আলোক: 
- আলো এক প্রকার বিকীর্ণ শক্তি তরঙ্গ। 
- এ বিকীর্ণ শক্তি তরঙ্গ সৃষ্টি করে স্পন্দন সহকারে উৎস থেকে সর্বদিকে ছড়িয়ে পড়ে। 
- আলোর গতিবেগ মাধ্যমের উপর নির্ভরশীল। 
- শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ প্রায় 3×108 m/s বা 3×105 km/s
- বিজ্ঞানী ম্যাক্সওয়েল (Maxwell) প্রমাণ করেন যে, সব ধরনের দৃশ্য ও অদৃশ্য আলোর উৎপত্তি বিদ্যুৎ ও চুম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবে হয়। 
- এজন্য সব ধরনের আলোককে একত্রে বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বিকিরণ রশ্মি বলা হয়। 
- দৃশ্যমান আলো হল বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বিকিরণ রশ্মির সামান্য অংশ মাত্র। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
.
তেজস্ক্রিয়তার এস. আই. লব্ধ একক কোনটি? 
  1. ওহম
  2. কুরী
  3. বেকেরেল
  4. রন্টজেন
সঠিক উত্তর:
বেকেরেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেকেরেল
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয় পদার্থ: 
- কয়েকটি বিশেষ ধরনের নিঃসরণ করে ভারী নিউক্লিয়াসগুলো স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভেঙ্গে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে। 
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে হেনরি বেকারেল তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন। 
- তেজস্ক্রিয়তার এসআই লব্ধ একক হলো বেকেরেল (Bq), যা আবিষ্কারকের নামানুসারে করা হয়। 
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ যেমন: রেডন (Rn), রেডিয়াম (Ra), থোরিয়াম (Th), ইউরেনিয়াম (U) ইত্যাদি। 
- উচ্চমাত্রায় তেজস্ক্রিয়তার ফলে গাছপালা মরে যায়। এছাড়া অন্যান্য খাদ্যশৃংখলের মাধ্যমে এরা প্রাণীদেহে প্রবেশ করে ভয়াবহ রোগ সৃষ্টি করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।