পরীক্ষা আর্কাইভ

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স

পরীক্ষাব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্সতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন২৫
সিলেবাস
বাংলা সম্পূর্ণ
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স · তারিখ অনির্ধারিত · ২৫ প্রশ্ন

.
নিচের কোনটি মূর্ধন্য বর্ণ?
  1. ক) ঙ
  2. খ) ঝ
  3. গ) হ
  4. ঘ) শ
  5. ঙ) ড়
ব্যাখ্যা
‘ক’ থেকে ‘ম’ পর্যন্ত ধ্বনিগুলােকে বলা হয় স্পর্শ ব্যঞ্জনধ্বনি। এই ধ্বনিগুলাে উচ্চারণের সময় জিভ বা মুখের ভেতরে কোনাে-না-কোনাে জায়গা কিংবা এক ঠোট আরেক ঠোটকে স্পর্শ করে।
- স্পর্শ ব্যঞ্জনধ্বনির লিখিত রূপকে স্পর্শ ব্যঞ্জনবর্ণ বলে। ক থেকে ম পর্যন্ত পঁচিশটি ধ্বনিকে সাধারণভাবে স্পর্শধ্বনি বলা হলেও ঙ, ঞ, ণ, ন এবং ম বাদে বাকি কুড়িটি ধ্বনি প্রকৃত স্পর্শধ্বনি। এই কুড়িটি স্পর্শধ্বনিকে উচ্চারণ স্থানের দিক থেকে পাঁচটি গুচ্ছে বা বর্গে ভাগ করা হয়েছে।


উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী
.
“মাধুকরী” শব্দের সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয় কোনটি?
  1. ক) মধুকর + অ + ঈ
  2. খ) মধুকর + ও + ঈ
  3. গ) মাধুকর + ঈ
  4. ঘ) মধুপ + ঈ
  5. ঙ) মাধুকর + অ + ঈ
ব্যাখ্যা

মাধুকরী (বিশেষ্য)
মধুকরের নানা পুষ্প থেকে মধু আহরণের মতো নানা স্থান থেকে সংগ্রহ বৃত্তি।
মাধুকরী শব্দের সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয় -
{(তৎসম বা সংস্কৃত) মধুকর+অ(অণ্‌)+ঈ(ঙীপ্‌)}

তথ্যসূত্রঃ বাংলা একাডেমি অভিধান।

.
'মেছো' শব্দের প্রকৃতি প্রত্যয় কী?
  1. ক) মাছ + উয়া
  2. খ) মাছ + ওয়া
  3. গ) মাছ + ও + আ
  4. ঘ) মাছ + অয়া
  5. ঙ) মাছ + এ + আঃ
ব্যাখ্যা

মেছো শব্দের প্রকৃতি প্রত্যয়ঃ
মাছ + উয়া > ও = মাছুয়া > মেছো।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

মেছুয়া, মেছো (বিশেষ্য):
অর্থঃ
১. মৎসবিক্রেতা।
২. ধীরব; জেলে।
{মাছ+উয়া>}

উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান।

.
‘যোগ’ শব্দের সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয় কোনটি?
  1. ক) √যুজ্‌ + ঞ্‌
  2. খ) √যুগ + ঘঞ্‌
  3. গ) √যুঘ + ঘঞ্‌
  4. ঘ) √যুজ্‌ + ঘঞ্‌
  5. ঙ) √যুঝ + ঘঞ্‌
ব্যাখ্যা

ঘঞ্‌-প্রত্যয় (কৃদন্ত বিশেষণ গঠনে:
√বস্‌ + ঘঞ্‌ = বাস
√যুজ্‌ + ঘঞ্‌ = যোগ
√ক্রুধ্‌ + ঘঞ্‌ = ক্রোধ
√খুদ্‌ + ঘঞ্‌ = খেদ ইত্যাদি।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ বই।

.
The game is not worth the candle - এর বাংলা প্রবাদ কি?
  1. ক) পায়ের নখের যোগ্য নয়
  2. খ) খাজনার চেয়ে বাজনা বেশি
  3. গ) কপর্দকশূন্য হওয়া
  4. ঘ) অধিক শক্তি ব্যয় করে ফেলা
  5. ঙ) অসম্ভব কোনো কার্য সম্পাদনের ব্যর্থ চেষ্টা করা।
ব্যাখ্যা

The game is not worth the candle (প্রবাদ) - খাজনার চেয়ে বাজনা বেশি।
can’t / is not fit to hold a candle to (প্রবচন) - তুলনার যোগ্য নয়; পায়ের নখের যোগ্য নয়।
go bust (প্রবাদ) - (ব্যক্তি বা ব্যবসায়ী সম্বন্ধে) ব্যর্থ হওয়া; কপর্দকশূন্য হওয়া; লালবাতি জ্বালানো।
banging or nocking one’s head against a brick wall (প্রবাদ) - অসম্ভব কোনো কার্য সম্পাদনের ব্যর্থ চেষ্টা করা।
burn the candle at both ends (প্রবাদ) - অধিক শক্তি ব্যয় করে ফেলা; খুব ভোর থেকে অধিক রাত পর্যন্ত কাজ করা।

উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান।

.
‘দুহিল দুধু কি বেন্টে সামায়’ এর অর্থ -
  1. ক) দোহন করা দুধ কি বাটে প্রবেশ করানো যায়?
  2. খ) হাতের কাঁকন দেখার জন্য দর্পন প্রয়োজন হয় না।
  3. গ) হাড়িতে ভাত নেই তবু প্রতিদিন অতিথি আসে।
  4. ঘ) দুষ্ট গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভাল।
  5. ঙ) অন্য চাহিতে, অন্য বিনষ্ট।
ব্যাখ্যা

চর্যাপদে প্রবাদ বাক্য রয়েছে ৬ টি।
এগুলো হল-
→ আপণা মাংসে হরিণা বৈরী
→ দুহিল দুধু কি বেন্টে সামায়
→ হাতের কাঙ্কণ মা লোউ দাপন
→ হাড়ীত ভাত নাহি নিতি আবেশী
→ বর সুন গোহালী কি মো দুঠ্য বলংদেঁ
→ আন চাহন্তে আন বিনধা

অর্থ –
1. হরিণের মাংসই তার জন্য শত্রু।
2. দোহন করা দুধ কি বাটে প্রবেশ করানো যায়?
3. হাতের কাঁকন দেখার জন্য দর্পন প্রয়োজন হয় না।
4. হাড়িতে ভাত নেই তবু প্রতিদিন অতিথি আসে।
5. দুষ্ট গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভাল।
6. অন্য চাহিতে, অন্য বিনষ্ট।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

.
"Discretion is the better part of valour" - এর বাংলা প্রবাদ কোনটি?
  1. ক) প্রয়োজন উদ্ভাবনের প্রসূতি
  2. খ) অধিকার দায়িত্ব আরোপ করে
  3. গ) নিজের স্বরূপ প্রকাশ করা
  4. ঘ) জ্ঞাতিত্বের বন্ধনই প্রকৃত বন্ধন
  5. ঙ) অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকি না-নেওয়াই সাহসের পরিচয়
ব্যাখ্যা
Discretion is the better part of valour (প্রবাদ) - অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকি না-নেওয়াই সাহসের পরিচয় (পরিহাসমূলক অর্থ)।

উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান।
.
নিচের কোনটি পর্তুগিজ শব্দ?
  1. ক) চাকর
  2. খ) চাকু
  3. গ) তোপ
  4. ঘ) চাবি
  5. ঙ) কাঁচি
ব্যাখ্যা

পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দ - আনারস, আলপিন, আলমারি, গির্জা, গুদাম, চাবি, পাউরুটি, পাদ্রি, বালতি ইত্যাদি। চশমা ফারসি শব্দ।

তুর্কি শব্দ - কোর্মা, বাবুর্চি, উজবুক , কাঁচি, কাবু, কুলি, চাকর, চাকু, তোপ, দারোগা, বন্দুক , বাবা, মুচলেকা, বারুদ, কুর্নিশ, লাশ, রেনেসাঁ, চকমক, বেগম।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর

.
নিচের কোনটি ফারসি শব্দ?
  1. ক) তসবি
  2. খ) যাকাত
  3. গ) বেহেশত
  4. ঘ) জান্নাত
  5. ঙ) হাদিস
ব্যাখ্যা

ধর্মসংক্রান্ত আরবি শব্দঃ আল্লাহ, ইসলাম, ঈমান, ওযু, কোরবানি, কোরআন, কিয়ামত, জান্নাত, জাহান্নাম, তওবা, তসবি, যাকাত, হজ, হাদিস, হারাম, হালাল ইত্যাদি।
ধর্মসংক্রান্ত ফারসি শব্দঃ নামাজ, রোজা, বেহেশত, দোজখ, ফেরেশতা ইত্যাদি।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী।

১০.
‘সেমাই’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত?
  1. ক) তুর্কি
  2. খ) পাঞ্জাবি
  3. গ) গুজরাটি
  4. ঘ) গ্রিক
  5. ঙ) ফারসি
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষায় গ্রিক ভাষার শব্দগুলো হলো দাম, কমা, সুড়ং, ইউনানি, সেমাই ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১১.
নিচের কোনটি মিশ্র শব্দ?
  1. ক) কার্তুজ
  2. খ) রেস্তোরা
  3. গ) হারিকিরি
  4. ঘ) বেতার
  5. ঙ) খ্রিস্টাব্দ
ব্যাখ্যা

দেশি ও বিদেশি শব্দের মিলনে যে শব্দদ্বৈত সৃষ্টি হয়ে থাকে, তাকে মিশ্র শব্দ বলে।
খ্রিস্টাব্দ একটি মিশ্র শব্দ। এটি ইংরেজি ও তৎসম শব্দের মিলনে গঠিত।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী।

১২.
Emancipation - এর পারিভাষিক শব্দ কোনটি?
  1. ক) বাজেয়াপ্ত
  2. খ) মুচলেকা
  3. গ) মুক্তি
  4. ঘ) আটকাদেশ
  5. ঙ) মুক্তিপণ
ব্যাখ্যা

গুরুত্বপূর্ণ কিছু পারিভাষিক শব্দ হচ্ছেঃ
Armoury - অস্ত্রাগার
Bond - মুচলেকা।
Calorie - তাপাঙ্ক।
Confiscated - বাজেয়াপ্ত।
Emancipation - মুক্তি।
Freight - মাল ভাড়া।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

১৩.
Posthumous শব্দটির পারিভাষিক শব্দ কোনটি?
  1. ক) ভোজসভা
  2. খ) অবরোধ
  3. গ) ফরিয়াদি
  4. ঘ) আনুতোষিক
  5. ঙ) মরণোত্তর
ব্যাখ্যা

Posthumous শব্দের পারিভাষিক শব্দ হচ্ছে মরণোত্তর।

গুরুত্বপূর্ণ পারিভাষিক শব্দঃ
Plebiscite - গণভোট
Ombudsman - ন্যায়পাল
Plaintiff - বাদি, ফরিয়াদি
Nomads - যাযাবর।
Cabinet - মন্ত্রিসভা
Banquet - ভোজসভা
Embargo - অবরোধ
Gratuity - আনুতোষিক
Invoice - চালান
Provident fund - ভবিষ্য - তহবিল
Ransom - মুক্তিপণ

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

 
১৪.
বাক্‌স > বাস্‌ক কীসের উদাহরণ?
  1. ক) ধ্বনি বিপর্যয়
  2. খ) ব্যঞ্জন চ্যুতি
  3. গ) ব্যঞ্জন বিকৃতি
  4. ঘ) অন্তর্হতি
  5. ঙ) র-কার লোপ
ব্যাখ্যা

শব্দের মধ্যে দুটি ব্যঞ্জনের পরস্পর পরিবর্তন ঘটলে তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে।
যেমনঃ বাক্‌স > বাস্‌ক, রিক্‌সা > রিস্‌কা।
এরূপ- পিশাচ > পিচাশ, লাফ > ফাল।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী

১৫.
'Petty Trader' - এর সঙ্গে সম্পর্কিত হলো -
  1. ক) আদার ব্যাপারী
  2. খ) মালের ব্যাপারী
  3. গ) ভুষি মালের ব্যাপারী
  4. ঘ) ভুয়া ব্যবসায়ী
  5. ঙ) চালাক ব্যবসায়ী
ব্যাখ্যা

আদার ব্যাপারী - Petty Trader
(figurative) One who does not count in public affairs.

উৎস: বাংলা একাডেমি অভিধান

১৬.
রোজনামচা শব্দের অর্থ -
  1. ক) দিনের কার্যসূচি
  2. খ) দিন যাপন প্রণালী
  3. গ) দিনলিপি
  4. ঘ) দিবস নাম
  5. ঙ) রোজ যাপন
ব্যাখ্যা
রোজনামচা (বিশেষ্য):
শব্দের অর্থঃ যে বইতে প্রতিদিনের বিবরণ লেখা হয়; দিনলিপি।
উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান
১৭.
‘বাস্তুহারা’ কোন সমাস নিষ্পন্ন শব্দ?
  1. ক) মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস
  2. খ) উপপদ তৎপুরুষ সমাস
  3. গ) প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি
  4. ঘ) সমানাধিকরণ বহুব্রীহি
  5. ঙ) অব্যয়ীভাব
ব্যাখ্যা

কৃদন্ত পদের সাথে উপপদের যে সমাস হয় তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে।
যেমন : জলে চড়ে যা - জলচর ; জল দেয় যে - জলদ ; পঙ্কে জন্মে যা - পঙ্কজ।

কৃদন্ত পদ: কৃৎ প্রত্যয় যোগে যে শব্দ তৈরি হয় তাকে কৃদন্ত পদ বলে।
যেমন : √চর্‌ > চর (বিচরণ করা অর্থে) ; √ধর্‌ > ধর (ধরা অর্থে)

উপপদ: কোন শব্দকে বিশ্লেষণ করলে যদি একটি পৃথক শব্দ, এরপর ধাতু, এরপর প্রত্যয় পাওয়া যায় (শব্দ + ধাতু + প্রত্যয়) এবং সেই প্রত্যয়টি হয় কৃৎ প্রত্যয় তাহলে প্রাপ্ত বিশিষ্ট শব্দকে উপপদ বলা হয়।
যেমন : বাস্তুহারা = বাস্তু + √হার্‌ + আ ; খেচর = খ + √চর্‌ + অ।

সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর

১৮.
নিচের কোনটি উপমিত কর্মধারয় সমাস?
  1. ক) পদ্মাসন
  2. খ) কমলমুখ
  3. গ) বিষাদ-সিন্ধু
  4. ঘ) জ্ঞানবৃক্ষ
  5. ঙ) ক ও খ
ব্যাখ্যা

যে কর্মধারয় সমাসে উপমান ও উপমেয় পদের সমাস হয় তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে।
এ সমাসে দুটো পদই বিশেষ্য হয়।
যেমনঃ
বাহুলতা = বাহু লতার ন্যায়।
এখানে বাহু ও লতা দুটো বিশেষ্য পদ।
চন্দ্রমুখ = চন্দ্রের ন্যায় মুখ।
পদ্মাসন = আসন পদ্মের ন্যায়।
পুরুষসিংহ = পুরুষ সিংহের ন্যায়।
উৎসঃ ভাষা - শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।

যে কর্মধারয় সমাসে উপমান ও উপমেয়কে অভিন্ন কল্পনা করা হয় এবং উপমান ও উপমেয় বা উপমিত পদে সমাস হয় তাকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে।
কমল রূপ মুখ = কমলমুখ, বিষাদ রূপ সিন্ধু = বিষাদ-সিন্ধু, মন রূপ মাঝি = মনমাঝি, জ্ঞান রূপ বৃক্ষ = জ্ঞানবৃক্ষ এগুলো রূপক কর্মধারয় সমাস।
তুষারশুভ্র রুপক কর্মধারয় সমাস নয়। এটি উপমান কর্মধারয় সমাস যার ব্যাসবাক্যঃ তুষারের ন্যায় শুভ্র।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী

১৯.
‘নয় দুয়ারে দুয়ারে না ঘুরে এবার সংসারী হও’ বাক্যটিতে কী ধরনের অশুদ্ধি আছে?
  1. ক) বিভক্তি জনিত
  2. খ) বচন জনিত
  3. গ) বাগধারা জনিত
  4. ঘ) দ্বিরুক্তি জনিত
  5. ঙ) বানান জনিত
ব্যাখ্যা

‘নয় দুয়ারে দুয়ারে না ঘুরে এবার সংসারী হও’ বাক্যটিতে বাগধারা জনিত অশুদ্ধি আছে।
শুদ্ধ বাক্য হবে - নয়-দুয়ারি হয়ে না ঘুরে এবার সংসারী হও।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর

২০.
নিচের কোন যতি চিহ্নের ক্ষেত্রে কোনাে বিরামের প্রয়ােজন হয় না?
  1. ক) সেমিকোলন
  2. খ) হাইফেন
  3. গ) কোলন
  4. ঘ) ড্যাস
  5. ঙ) কোলন ড্যাস
ব্যাখ্যা

যতি বা ছেদ চিহ্নের বিরতি কালঃ
কমা- ১ (এক) বলতে যে সময় প্রয়োজন।
সেমিকোলন- ১ বলার দ্বিগুণ সময়।
দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ- এক সেকেন্ড।
প্রশ্নবোধক চিহ্ন- এক সেকেন্ড।
বিস্ময় ও সম্বোধন চিহ্ন- এক সেকেন্ড।
কোলন- এক সেকেন্ড।
ড্যাস- এক সেকেন্ড।
কোলন ড্যাস- এক সেকেন্ড।
হাইফেন - থামার প্রয়োজন নেই।
ইলেক বা লোপ চিহ্ন- থামার প্রয়োজন নেই।
একক উদ্ধৃতি চিহ্ন- 'এক' উচ্চরণে যে সময় লাগে।
যুগল উদ্ধৃতি চিহ্ন- 'এক' উচ্চরণে যে সময় লাগে।
ব্র্যাকেট (বন্ধনি চিহ্ন)- থামার প্রয়োজন নেই।
ধাতু দ্যোতক চিহ্ন- থামার প্রয়োজন নেই।

সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী।

২১.
‘সমাস’ কোন তত্ত্বের আলোচ্য বিষয়?
  1. ক) ধ্বনি তত্ত্ব
  2. খ) রূপ তত্ত্ব
  3. গ) বাক্য তত্ত্ব
  4. ঘ) অর্থ তত্ত্ব
  5. ঙ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

- যতি ও ছেদ চিহ্ন বাক্য তত্ত্বে আলোচিত হয়।
- এছাড়া পদক্রম, বাক্যের গঠনপ্রণালি, বাগধারা বাক্য তত্ত্বে আলোচিত হয়।
- অর্থ তত্ত্বে বিপরীতার্থক শব্দ, শব্দ ও বাক্যের অর্থবিচার আলোচিত হয়।
- ধ্বনি, সন্ধি ও ণত্ব-ষত্ব বিধান ধ্বনি তত্ত্বে আলোচিত হয়।
- রূপ তত্ত্বে পুরুষ, বচন, প্রত্যয়, সমাস প্রভৃতি আলোচিত হয়।

সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী

২২.
নিচের কোনটি কর্ম বাচ্যের উদাহরণ?
  1. ক) এ পথে চলা যায় না
  2. খ) এবার ট্রেনে ওঠা যাক
  3. গ) কোথা থেকে আসা হচ্ছে?
  4. ঘ) চোরটা ধরা পড়েছে
  5. ঙ) এ রাস্তা আমার চেনা নেই
ব্যাখ্যা

কর্ম বাচ্য: যে বাক্যে কর্মের সাথে ক্রিয়ার সম্বন্ধ প্রধানভাবে প্রকাশিত হয়, তাকে কর্ম বাচ্য বলে।
যেমন: চোরটা ধরা পড়েছে।

ভাববাচ্যঃ
যে বাচ্যে কর্ম থাকে না এবং বাক্যের ক্রিয়ার অর্থই বিশেষভাবে ব্যক্ত হয়, তাকে ভাববাচ্য বলে।
যেমন - আমার খাওয়া হলো না। (কর্তায় ষষ্ঠী)

উৎসঃ মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বই।

২৩.
“কাজটা ভালো দেখায় না” - কোন বাচ্যের উদহারণ?
  1. ক) কর্তৃবাচ্য
  2. খ) কর্ম বাচ্য
  3. গ) ভাব বাচ্য
  4. ঘ) কর্মকর্তৃবাচ্য
  5. ঙ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

২৪.
“চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে” - বাক্যটিতে কী ধরনের ভুল আছে?
  1. ক) আকাঙ্ক্ষা
  2. খ) আসত্তি
  3. গ) যোগ্যতা
  4. ঘ) গুরুচণ্ডালী দোষ
  5. ঙ) উপমার ভুল প্রয়োগ
ব্যাখ্যা

ভাষার বিচারে বাক্যের তিনটি গুণ থাকা আবশ্যক। যথা- আকাক্সক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা।
আকাঙ্ক্ষা : বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার যে ইচ্ছা তা-ই আকাঙ্ক্ষা।
যেমন: ‘চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে’ বলে শেষ করলে আরও শোনার আকাঙ্ক্ষা থাকে। বাক্যটি হবে ‘চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে ঘোরে’।
আসত্তি : বাক্যের অর্থসঙ্গতি রক্ষার জন্য সুশৃঙ্খল পদবিন্যাসই আসত্তি।
যেমন: কাল বিতরণী হবে উৎসব স্কুলে আমাদের পুরস্কার অনুষ্ঠিত। বাক্যটি যথাযথ হয়নি কারণ, এখানে আসত্তির অভাব রয়েছে। বাক্যটি হবে ‘কাল আমাদের স্কুলে পুরস্কার বিতরণী উৎসব অনুষ্ঠিত হবে’।
যোগ্যতা : বাক্যস্থিত পদসমূহের অন্তর্গত ও ভাবগত মিলবন্ধনের নাম যোগ্যতা।
বর্ষার বৃষ্টি প্লাবনের সৃষ্টি হয়-বাক্যটি যোগ্যতাসম্পন্ন। কিন্তু ‘বর্ষার রোদ্র প্লাবনের সৃষ্টি করে’ বললে বাক্যটি যোগ্যতা হারাবে। কারণ, রোদ্র প্লাবনের সৃষ্টি করে না।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ - নবম-দশম শ্রেণি।

২৫.
শরৎচন্দ্রের কোন উপন্যাসটি ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করে?
  1. ক) গৃহদাহ
  2. খ) বৈকুণ্ঠের উইল
  3. গ) নিষ্কৃতি
  4. ঘ) দত্তা
  5. ঙ) পথের দাবী
ব্যাখ্যা

শরৎচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস বড়দিদি (১৯০৭) ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সাহিত্যজগতে তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে।
এরপর তিনি একে একে বিন্দুর ছেলে ও অন্যান্য (১৯১৪), পরিণীতা (১৯১৪), বৈকুণ্ঠের উইল (১৯১৬), পল্লীসমাজ (১৯১৬), দেবদাস (১৯১৭), চরিত্রহীন (১৯১৭), নিষ্কৃতি (১৯১৭), শ্রীকান্ত (৪ খন্ড, ১৯১৭-৩৩), দত্তা (১৯১৮), গৃহদাহ (১৯২০), দেনা-পাওনা (১৯২৩), পথের দাবী (১৯২৬), শেষ প্রশ্ন (১৯৩১) ইত্যাদি গল্প-উপন্যাস এবং নারীর মূল্য (১৯২৩), স্বদেশ ও সাহিত্য (১৯৩২) প্রবন্ধগ্রন্থ রচনা করেন।

এগুলির মধ্যে শ্রীকান্ত, চরিত্রহীন, গৃহদাহ, দেনা-পাওনা এবং পথের দাবী খুবই জনপ্রিয়তা লাভ করে। তাঁর পথের দাবী উপন্যাসটি বিপ্লববাদীদের প্রতি সমর্থনের অভিযোগে ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করে।

শরৎচন্দ্রের মৃত্যুর পর শরৎচন্দ্র ও ছাত্রসমাজ, ছেলেবেলার গল্প, শুভদা (১৯৩৮), শেষের পরিচয় (১৯৩৯), শরৎচন্দ্রের গ্রন্থাবলী (১৯৪৮) এবং শরৎচন্দ্রের অপ্রকাশিত রচনাবলী (১৯৫১) প্রকাশিত হয়।

সোর্স: বাংলাপিডিয়া