পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়25 minutes
মোট প্রশ্ন৩২
সিলেবাস
বাংলাদেশ বিষয়াবলী - টপিকগুলোর বিস্তারিত সিলেবাস বাটনে বা পিএসসির সিলেবাসেই পাবেন। ১) বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি ২) বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ ৩) বাংলাদেশের অর্থনীতি ৪) বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য [৭০ নাম্বার] (যারা প্যাকেজ নিয়েছেন তাদের জন্য সকল পরীক্ষা ফ্রি)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩২ প্রশ্ন

.
চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের দরবারে কৌটিল্য ছিলেন-
  1. ক) অর্থমন্ত্রী
  2. খ) সেনাপতি
  3. গ) প্রধানমন্ত্রী
  4. ঘ) পরিব্রাজক
ব্যাখ্যা
আলেকজান্ডারের মৃত্যুর অব্যহিত পরেই একের পর এক গ্রিক অধিকৃত অঞ্চলসমূহ জয়লাভ করেন মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য। তার নামানুসারে ভারতবর্ষে খ্রিস্টপূর্ব ৪র্থ শতকে যে সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয় তা মৌর্য সাম্রাজ্য নামে পরিচিত। চাণক্য ছিলেন তাঁর প্রধানমন্ত্রী। চাণক্য কৌটিল্য ছদ্মনামে ‘অর্থশাস্ত্র’ নামে এক বিখ্যাত গ্রন্থ রচনা করেন। রাষ্ট্রশাসন ও কূটনীতি কৌশলের সারসংক্ষেপ হচ্ছে এই গ্রন্থ। [সূত্র- বোর্ড বইঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়(ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি) ও বাংলাপিডিয়া]
.
হিউয়েন সাং রচিত মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহের উপর সর্ববৃহৎ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ সম্বলিত গ্রন্থ কোনটি?
  1. ক) ইন্ডিকা
  2. খ) ফো-কুয়ো-কিং
  3. গ) জিউ জি (সি-উ চি)
  4. ঘ) কিতাবুল রেহালা
ব্যাখ্যা
বিখ্যাত চৈনিক পর্যটক হিউয়েন সাং হর্ষবর্ধনের শাসনামলে ভারতবর্ষে আসেন। তাঁর রচিত ‘জিউ জি (সি-উ চি)’ মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহের উপর সর্ববৃহৎ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ সম্বলিত গ্রন্থ। চন্দ্রগুপ্তের সময়ে গ্রিক পরিব্রাজক মেগাস্থিনিস ভারতবর্ষে আগমন করে ভারতের শাসন প্রকৃতি, ভৌগোলিক বিবরণ, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ইন্ডিকাতে লিপিবদ্ধ করেন। চৈনিক পর্যটক ফা-হিয়েন ৩৯৯ খ্রিস্টাব্দে দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের আমলে ভারতে এসে এদেশে দীর্ঘদিন, প্রায় ১৫ বৎসর অতিবাহিত করেন । তাঁর রচিত ফো-কুয়ো-কিং একটি মূল্যবান গ্রন্থ। [সূত্র-বোর্ড বইঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়(ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি) ও বাংলাপিডিয়া]
.
চন্দ্র বংশের কোন রাজার উপাধি ছিল ‘মহারাজধিরাজ’?
  1. ক) শ্রীচন্দ্র
  2. খ) পূর্ণচন্দ্র
  3. গ) সুবর্ণচন্দ্র
  4. ঘ) ত্রৈলোক্যচন্দ্র
ব্যাখ্যা
চন্দ্র বংশ দশ শতকের শুরু থেকে প্রায় দেড়শত বছর দক্ষিণ-পূর্ব বাংলা (বঙ্গ ও সমতট) শাসন করে। পূর্ণচন্দ্র এবং সুবর্ণচন্দ্র হরিকেল রাজার অধীনে রোহিতাগিরির (সম্ভবত লালমাই অঞ্চল) সামন্ত ছিলেন। সুবর্ণচন্দ্রের পুত্র ত্রৈলোক্যচন্দ্র (আনুমানিক ৯০০-৯৩০ খ্রি.) ছিলেন এ বংশের প্রথম স্বাধীন রাজা। তিনি সমতটে বংশের সার্বভৌম ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করেন। দেবপর্বত ছিল তাদের ক্ষমতার কেন্দ্রস্থল। বঙ্গের অংশ বিশেষ এবং চন্দ্রদ্বীপের উপর তিনি ধীরে ধীরে তাঁর ক্ষমতার বিস্তার ঘটান এবং ‘মহারাজাধিরাজ’ উপাধি গ্রহণ করেন। [সুত্র- বাংলাপিডিয়া]
.
লক্ষ্মণ সেন কোন ধর্মে বিশ্বাসী ছিলেন?
  1. ক) শৈব
  2. খ) জৈন
  3. গ) বৈষ্ণব
  4. ঘ) শাক্ত
ব্যাখ্যা
লক্ষণ সেন(১১৭৮-১২০৬ খ্রি.) ৬০ বছর বয়সে বাংলার শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন। তিনি ছিলেন সেন বংশের শেষ রাজা। সমগ্র বাংলায় নিজ ক্ষমতা প্রতিষ্ঠিত করার পর লক্ষণ সেন ‘গৌড়েশ্বর’ উপাধি গ্রহণ করেন। তাঁর নামানুসারে গৌড়ের রাজধানী লক্ষণাবতী নেওয়া হয়। তিনি পুরী, বানারসী ও প্রয়াগে বিজয়স্তম্ভ প্রতিষ্ঠা করেন। এ ছাড়া তিনি মগধ অধিকার করেন। লক্ষণ সেন ছিলেন বৈষ্ণব ধর্মে বিশ্বাসী, যদিও তাঁর পিতা ও পিতামহ শৈব ধর্মের অনুরাগী ছিলেন। তিনি জাতিভেদপূর্ণ শৈব (হিন্দু) ধর্ম ত্যাগ করে বৈষ্ণব ধর্ম গ্রহণ করেন। তিনি ‘পরম বৈষ্ণব’ বা ‘পরম নারসিংহ’ উপাধি ধারণ করেন। [সুত্র- বাংলাপিডিয়া]
.
ভারতে মুসলিম শাসনের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন -
  1. ক) মুহম্মদ ঘোরী
  2. খ) মুহম্মদ-বিন-কাসিম
  3. গ) সুলতান মাহমুদ
  4. ঘ) বখতিয়ার খলজী
ব্যাখ্যা
ভারতে মুসলিম শাসনের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন মুহম্মদ ঘোরী। মুহম্মদ ঘোরী ভারতে অনেকগুলো অভিযান পরিচালনা করেন। মুলতান, সিন্ধু ও পাঞ্জাব জয়ের পর ভারতের হিন্দু রাজশক্তিগুলোর সাথে তাঁর যুদ্ধ হয়। তরাইনের প্রথম যুদ্ধে তিনি পৃথ্বীরাজের নিকট পরাজিত হন। কিন্তু ১১৯২ খ্রিস্টাব্দে তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধে তিনি জয়লাভ করেন। ১২০৩ খ্রিস্টাব্দে ভাইয়ের মৃত্যুর পর মুহম্মদ ঘোরী ঘোরের সুলতান হন। ১২০৬ খ্রি: মুহম্মদ ঘোরী নিহত হন। [সূত্র- বোর্ড বইঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (ইসলামের ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি)]
.
বাংলাকে ‘বুলগাকপুর’ হিসেবে সম্বোধন করার কারণ ছিল-
  1. ক) বিচিত্র সৌন্দর্য্য
  2. খ) ধন সম্পদপূর্ণ স্থান
  3. গ) বিদ্রোহের নগরী
  4. ঘ) অনেকগুলো নদী থাকার কারণে
ব্যাখ্যা
বাংলা প্রদেশ সর্বদাই দিল্লি সুলতানদের মাথা ব্যাথার কারণ ছিল। কেন্দ্রীয় শক্তির দুর্বলতা এবং বাংলার স্বতন্ত্র ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলার শাসকগণ সুযোগ পেলেই কেন্দ্রীয় শক্তির বিরুদ্ধে বিদ্রোহী হয়ে উঠতেন। যে কারণেই বাংলাকে বলা হত বিদ্রোহীর নগরী বা বুলগাকপুর। ঐতিহাসিক জিয়াউদ্দিন বারানী এই নাম দিয়েছিলেন। [সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি(বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা)]
.
বাংলাকে জান্নাতাবাদ বলে আখ্যায়িত করেছিলেন-
  1. ক) বাবর
  2. খ) জাহাঙ্গীর
  3. গ) হুমায়ুন
  4. ঘ) আকবর
ব্যাখ্যা
মুঘল সাম্রাজ্যের দ্বিতীয় সম্রাট ছিলেন নাসির উদ্দিন মুহাম্মদ হুমায়ুন। ১৫৩০ খ্রিস্টাব্দে হুমায়ুন ভারতীয় উপমহাদেশের মুঘল ভূখণ্ডের শাসক হিসেবে দিল্লির সিংহাসনে তাঁর বাবার উত্তরাধিকারী হন। তিনি ১৫৩৯ খ্রিস্টাব্দে চৌসা এবং ১৫৪০ খ্রিস্টাব্দে কনৌজের যুদ্ধে শেরশাহ সুরির কাছে পরাজিত হয়ে মুঘল সাম্রাজ্য হারিয়েছিলেন। কিন্তু সাফাভি রাজবংশর সহায়তায় ১৫ বছর পরে ১৫৫৫ খ্রিস্টাব্দে সেগুলি পুনরুদ্ধার করেন। বাংলাকে জান্নাতাবাদ বলে আখ্যায়িত করেছিলেন হুমায়ুন। সূত্র- বোর্ড বইঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়(ইসলামের ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি) ও বাংলাপিডিয়া।
.
সম্রাট আকবর বাংলা বিজয় করেন-
  1. ক) ১৫৫৬ সালে
  2. খ) ১৫৬০ সালে
  3. গ) ১৫৭৬ সালে
  4. ঘ) ১৫৮৭ সালে
ব্যাখ্যা
মুঘল সাম্রাজ্যের তৃতীয় সম্রাট আকবর ছিলেন ভারতবর্ষের সর্বশ্রেষ্ঠ শাসক। পৃথিবীর ইতিহাসে মহান শাসকদের অন্যতম মহামতি আকবর নামেও পরিচিত তিনি। পিতা সম্রাট হুমায়ুনের মৃত্যুর পর ১৫৫৬ সালে মাত্র ১৩ বছর বয়সে আকবর ভারতের শাসনভার গ্রহণ করেন। তিনি মনসবদারী প্রথার প্রচলন করেন, জিজিয়া কর ও তীর্থকর রহিত করেন, বুলান্দ দরওয়াজ ও অমৃতসর স্বর্ণমন্দির নির্মাণ করেন। সম্রাট আকবর বাংলা বিজয় করেন ১৫৭৬ সালে। তাঁর সময়ে সমগ্র বঙ্গ দেশ ‘সুবহ-ই-বাঙ্গালাহ’ নামে পরিচিত ছিল। বাংলায় বার ভূঁইয়াদের অভ্যুত্থান ঘটে আকবরের আমলে। তিনি বাংলা সনের প্রবর্তক ছিলেন। সূত্র- বোর্ড বইঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়(ইসলামের ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি) ও বাংলাপিডিয়া।
.
কোন যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলায় মুঘল শাসনের সূত্রপাত হয়?
  1. ক) চৌসার যুদ্ধ
  2. খ) কণৌজের যুদ্ধ
  3. গ) গিরিয়ার যুদ্ধ
  4. ঘ) রাজমহলের যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
সম্রাট হুমায়ুন ১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দে বাংলার রাজধানী গৌড় অধিকার করে মুঘল শাসনের সূচনা করেন। কিন্তু বাংলায় তাঁর অধিকার বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। ১৫৩৯ খ্রিস্টাব্দে চৌসার যুদ্ধে পরাজয়ের পর বিজয়ী আফগান নেতা শের খান গৌড় দখল করেন এবং বাংলায় আফগান শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। ১৫৭৬ সালে সম্রাট আকবরের শাসনামলে বাংলার প্রবেশ পথ রাজমহলের নিকটে বাংলার শেষ আফগান শাসক দাউদ খান ও মুঘল বাহিনীর তুমুল যুদ্ধ হয়। যা রাজমহলের যুদ্ধ নামে পরিচিত। এই যুদ্ধে দাউদ খান পরাজিত ও বন্দি হলে বাংলায় মুঘল শাসনের সূত্রপাত হয়। সূত্র- বোর্ড বইঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়(ইসলামের ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি) ও বাংলাপিডিয়া।
১০.
কোন সুবাদারের আমলকে বাংলায় মুঘলদের ‘স্বর্ণযুগ’ বলে অভিহিত করা হয়-
  1. ক) মীর জুমলা
  2. খ) শায়েস্তা খান
  3. গ) শাহ সুজা
  4. ঘ) ইসলাম খান
ব্যাখ্যা
১৬৬৩ খ্রিস্টাব্দে মীরজুমলার মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান বাংলার সুবাহদার নিযুক্ত হন। তিনি চট্টগ্রাম জয় করে এর নাম রাখেন ইসলামাবাদ। ঢাকায় অনেক ইমারত নির্মাণ করে তিনি খ্যাতি অর্জন করেছেন। স্থাপত্য শিল্পের বিকাশের জন্য এ যুগকে বাংলায় মুঘলদের ‘স্বর্ণযুগ’ বলে অভিহিত করা হয়। তন্মধ্যে ছোট কাটরা, হোসেনী দালান, চকবাজার মসজিদ, লালবাগ দুর্গের পরী বিবির মাজার, রায়ের বাজারের সন্নিকটে সাত গম্বুজ মসজিদ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি(বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা)।
১১.
মুর্শিদ কুলী প্রবর্তিত রাজস্ব ব্যবস্থার নাম ছিল-
  1. ক) নানকর
  2. খ) ভূমিকর
  3. গ) জিজিয়া
  4. ঘ) মালজামিনী
ব্যাখ্যা
বাংলার প্রথম নবাব মুর্শিদকুলী খান। ১৭১৭ খ্রিস্টাব্দে মুর্শিদকুলী বাংলার সুবাদার হন। কার্যত এ সময় থেকেই বাংলার নবাবী আমলের শুরু। তিনি বাংলার রাজধানী ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন। মুর্শিদকুলী কর্তৃক প্রবর্তিত রাজস্ব ব্যবস্থার নাম ছিল ‘মাল জামিনী'। সূত্র- বোর্ড বইঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়(ইতিহাস, এসএসএইচএল)।
১২.
বাংলায় হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে সহযোগিতা ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে কোন চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) শান্তি চুক্তি
  2. খ) লাহোর চুক্তি
  3. গ) বেঙ্গল প্যাক্ট চুক্তি
  4. ঘ) বসু-সোহরাওয়ার্দী চুক্তি
ব্যাখ্যা
দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাসের উদ্যোগে ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে সহযোগিতা ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে একটি চুক্তি হয়। এ চুক্তিই বেঙ্গল প্যাক্ট বা বাংলা চুক্তি নামে পরিচিত। সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি(বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা)।
১৩.
ভাষা আন্দোলনের সময়কালে পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন-
  1. ক) খাজা নাজিমুদ্দিন
  2. খ) লিয়াকত আলী খান
  3. গ) নূরুল আমীন
  4. ঘ) আইয়ুব খান
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনের সময়কালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমুদ্দিন এবং মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নূরুল আমীন। সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি(বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা)।
১৪.
কোন ভাষা শহীদ ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি তারিখে শহীদ হননি?
  1. ক) আবুল বরকত
  2. খ) আবদুস সালাম
  3. গ) রফিক উদ্দিন আহমদ
  4. ঘ) আবদুল জব্বার
ব্যাখ্যা
১৯৫২ সালে ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষার দাবি জানাতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে ঘটনাস্থলে শহীদ হন আবুল বরকত, রফিক উদ্দিন আহমদ, আবদুল জব্বার। আবদুস সালাম ঐদিন গুলিবিদ্ধ হয়ে ৭ই এপ্রিল শহীদ হন। ২২ শে ফেব্রুয়ারি ছাত্র-জনতা শহীদদের জন্য শোক মিছিল বের করে। আবারও মিছিলের ওপর পুলিশ ও মিলিটারি লাঠি, গুলি ও বেয়োনেট ব্যবহার করে। এতে শফিউর রহমানসহ আরও কয়েকজন শহীদ হন। অনেকে গ্রেফতার হন। সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি(বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা)।
১৫.
নির্বাচনে মুসলিম লীগকে পরাজিত করার কৌশল হিসেবে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়-
  1. ক) ১৯৫২ সালে
  2. খ) ১৯৫৩ সালে
  3. গ) ১৯৫৪ সালে
  4. ঘ) ১৯৫৫ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে সদ্য প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলগুলো মুসলিম লীগকে পরাজিত করার কৌশল হিসেবে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণের পরিকল্পনা নেয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে ‘যুক্তফ্রন্ট’ গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। চারটি বিরোধী রাজনৈতিক দল নিয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়। দলগুলো ছিল আওয়ামী মুসলিম লীগ, কৃষক-শ্রমিক পার্টি, নেজাম- ই-ইসলামী এবং বামপন্থী গণতন্ত্রী দল। এ কে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও মাওলানা ভাসানী ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর যুক্তফ্রন্ট গঠন করেন। সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি(বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা) এবং প্রথম আলো।
১৬.
‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য’ মামলা প্রত্যাহার করা হয়-
  1. ক) ১৯৬৮ সালের ১৮ জানুয়ারি
  2. খ) ১৯৬৮ সালের ২০ জানুয়ারি
  3. গ) ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি
  4. ঘ) ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
বিচারকার্য চলার সময় পাকিস্তানের উভয় অংশে আইয়ুববিরোধী আন্দোলন দানা বাঁধতে থাকে। পূর্ব পাকিস্তানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তি ও আগরতলা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জোরদার হয়। প্রতিবাদী মানুষ আসামীদের মুক্তি এবং মামলা প্রত্যাহারের জন্য চাপ দিতে থাকে। অচিরেই এই আন্দোলন আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে রূপ লাভ করে। আন্দোলনে নতজানু হয়ে আইয়ুব সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি মামলা প্রত্যাহার করে এবং সকল গ্রেফতারকৃত নেতাকে মুক্তি দেয়। ২৩ ফেব্রুয়ারি মুক্তিপ্রাপ্ত নেতা শেখ মুজিবুর রহমানকে রেসকোর্স ময়দানে এক বিরল গণসংবর্ধনায় ‘বঙ্গবন্ধু’ খেতাবে ভূষিত করা হয়। সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি(বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা)।
১৭.
বাঙালির মুক্তির সনদ বা ম্যাগনাকার্টা বলা হয় কোনটিকে?
  1. ক) ৬ দফাকে
  2. খ) ২১ দফাকে
  3. গ) ১১ দফাকে
  4. ঘ) ৩৫ দফাকে
ব্যাখ্যা
ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ অবসানের পর পূর্ব পাকিস্তানের নিরাপত্তার প্রতি পশ্চিম পাকিস্তানি সরকারের চরম অবহেলা এবং সীমাহীন বৈষম্যের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধু সোচ্চার হন। তিনি ১৯৬৬ সালে ঘোষণা করেন পূর্ব পাকিস্তানের মুক্তির সনদ ঐতিহাসিক ছয় দফা। তিনি ছয় দফাকে ‘আমাদের বাঁচার দাবি’ বলে আখ্যায়িত করেন। সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি(বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা)।
১৮.
মুজিবনগর সরকারের চিফ অব স্টাফ এর দায়িত্বে ছিলেন-
  1. ক) খন্দকার মোশতাক আহমেদ
  2. খ) ক্যাপ্টেন এম.মনসুর আলী
  3. গ) লে. কর্নেল(অব.) আবদুর রব
  4. ঘ) গ্রুফ ক্যাপ্টেন এ.কে. খন্দকার
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০ ই এপ্রিল গঠিত মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উপ-রাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমদ, পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন খন্দকার মোশতাক আহমেদ, অর্থমন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এম.মনসুর আলী, স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এ এইচ এম কামরুজ্জামান, প্রধান সেনাপতি ছিলেন কর্নেল (অব.) এম. এ. জি. ওসমানী, চিফ অব স্টাফ ছিলেন লে. কর্নেল(অব.) আবদুর রব এবং ডেপুটি চিফ অব স্টাফ ছিলেন গ্রুফ ক্যাপ্টেন এ.কে. খন্দকার। সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি(বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা)।
১৯.
বৃহত্তর রংপুর জেলা মুক্তিযুদ্ধে কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?
  1. ক) চার নম্বর
  2. খ) ছয় নম্বর
  3. গ) আট নম্বর
  4. ঘ) নয় নম্বর
ব্যাখ্যা
সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে ৬ নং সেক্টর গঠিত হয়েছিল। প্রধানত রংপুর ও দিনাজপুরের ইপিআর বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার। সূত্র- বাংলাপিডিয়া।
২০.
‘শতাব্দী’ ও ‘প্রদীপ’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. ক) পাট
  2. খ) কলা
  3. গ) গম
  4. ঘ) ভুট্টা
ব্যাখ্যা
কয়েকটি উন্নত জাতের গম – অগ্রনী, শতাব্দী, প্রদীপ, সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, আনন্দ, আকবর, কাঞ্চন, বরকত, জোপাটিবাদ, ইনিয়া ৬৬। বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত’বিডব্লিউএমআরআই গম ১’ একটি আগাম এবং উচ্চ ফলনশীল গমের জাত। এটি শতাব্দী এবং প্রদীপ জাতের মধ্যে বাংলাদেশে সংকরায়ন করে উদ্ভাবন করা হয়েছে। সূত্র- বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
২১.
‘কিরণ’ ও ‘দিশারি’ কোন ফসলের জাত?
  1. ক) গম
  2. খ) ধান
  3. গ) আলু
  4. ঘ) ভুট্টা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে তিন জাতের ধান আছে।
১। স্থানীয় জাত : টেপি, গিরবি, দুধসর, বতিশাইল ইত্যাদি।
২। স্থানীয় উন্নত জাত : হবিগঞ্জ, কটকতারা, পাজাম, কালিজিরা, হাসিকলমি, নাইজারশাইল, লতিশাইল, বিনাশাইল ইত্যাদি।
৩। উচ্চ ফলনশীল জাত : মুক্তা, ময়না, শাহজালাল, মঙ্গল, নিজামী ইত্যাদি।
বন্যার শেষে ধান চাষের জন্য বিলম্ব জাত হিসেবে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট ‘কিরণ ও দিশারি’ নামে দুইটি ধানের জাত উদ্ভাবন করে।
সূত্র- বোর্ড বই(কৃষিশিক্ষা): উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ৮ম শ্রেণি।

২২.
কোনটি বেগুনের জাত নয়?
  1. ক) কাজলা
  2. খ) শুকতারা
  3. গ) উত্তরা
  4. ঘ) কাবুলী
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক বেগুনের কিছু জাত উদ্ভাবিত হয়েছে। সেগুলো হলো বারি বেগুন-১ (উত্তরা),
বারি বেগুন-২ (তারাপুরী), বারি বেগুন-৪ (কাজলা), বারি বেগুন-৫ (নয়নতারা), বারি বেগুন-৬, বারি বেগুন-৭, বারি
বেগুন-৮, বারি বেগুন-৯, বারি বেগুন-১০। এছাড়াও খটখটিয়া, ইসলামপুরী, মুক্তকেশী, চিত্রা, পুরাক্রান্তি, শিংনাথ বিভিন্ন জাতের বেগুন রয়েছে।
খাটো জাতের কলাঃ সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর (জয়েন্ট গর্ভারনার)এগুলো খাটো জাত দলভুক্ত কলা।
মাঝারি আকার বিশিষ্ট জাতঃ অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী এ দলভুক্ত জাত।
কাঁঠালি, আনাজি ও অন্যান্য তরকারি কলাসহ বীচিকলা, বাংলা কলা, গেঁড়া কলা লম্বা জাত দলভুক্ত। সূত্র- কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)ওয়েবসাইট।

২৩.
‘জাপোনিকা জাতের’ ধান চাষের প্রমাণ পাওয়া গেছে-
  1. ক) সুনামগঞ্জে
  2. খ) ময়মনসিংহে
  3. গ) জয়দেবপুরে
  4. ঘ) উয়ারী-বটেশ্বরে
ব্যাখ্যা
নরসিংদীর উয়ারী-বটেশ্বরে আড়াই হাজার বছর আগের জাপোনিকা জাতের ধান চাষের প্রমাণ পেয়েছেন গবেষকেরা। জাপান, থাইল্যান্ড, চীনে এই জাতের ধান এখনো চাষ হয়। কিছুটা আঠালো এই ধানের ভাত পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোয় জনপ্রিয়। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ ও যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের (ইউসিএল) পাঁচ গবেষকের যৌথ গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে। সূত্র- প্রথম আলো পত্রিকা(০৭ ডিসেম্বর ২০১৯)।
২৪.
আফ্রিকা মহাদেশ থেকে আনা খরা সহনশীল ধানের জাত-
  1. ক) নেরিকা
  2. খ) পূর্বাচী
  3. গ) ইরাটম
  4. ঘ) পাজাম
ব্যাখ্যা
আফ্রিকা থেকে আনা খরা সহনশীল ধানের জাত ‘নেরিকা’ (নিউ রাইস ফর আফ্রিকা)। স্বল্প জীবনকাল ও প্রতিকূলতা-সহিষ্ণু ফসল আবাদ করে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য আফ্রিকা মহাদেশের উগান্ডা থেকে এর বীজ নিয়ে আসা হয়। সূত্র-বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) ওয়েবসাইট।
২৫.
দেশের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) পঞ্চগড়
  2. খ) সিলেট
  3. গ) মৌলভীবাজার
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
দেশের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত। দেশের প্রথম আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত। সূত্র-thedailystar পত্রিকা.
২৬.
ইস্টার্ন মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেডের পরিবর্তিত নাম কী?
  1. ক) আল বারাকা ব্যাংক লিমিটেড
  2. খ) আরব বাংলাদেশ ব্যাংক লিমিটেড
  3. গ) রূপালী ব্যাংক লিমিটেড
  4. ঘ) পূবালী ব্যাংক লিমিটেড
ব্যাখ্যা
The Bank was initially emerged in the Banking scenario of the then East Pakistan as Eastern Mercantile Bank Limited at the initiative of some Bangalee entrepreneurs in the year 1959 under Bank Companies Act 1913 for providing credit to the Bangalee entrepreneurs who had limited access to the credit in those days from other financial institutions. After independence of Bangladesh in 1972 this Bank was nationalized as per policy of the Government and renamed as Pubali Bank. Subsequently due to changed circumstances this Bank was denationalized in the year 1983 as a private bank and renamed as Pubali Bank Limited. সূত্র- পূবালী ব্যাংক ওয়েবসাইট।
২৭.
দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর আরোপিত সরকারি কর বা শুল্ককে বলা হয়-
  1. ক) Excise Duties
  2. খ) Customs Duties
  3. গ) Value Added Tax
  4. ঘ) Supplymentary Duties
ব্যাখ্যা
দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর সরকারি যে কর বা শুল্ক আরোপ করা হয়, তাকে আবগারি শুল্ক (Excise Duties) বলে। সূত্র- অর্থনীতি নবম-দশম শ্রেণি।
২৮.
রূপকল্প ২০২১ অনুযায়ী, ২০২১ সালে জাতীয় আয়ে শিল্পখাতের অবদান হবে-
  1. ক) ৩৫ শতাংশ
  2. খ) ৪৫ শতাংশ
  3. গ) ৩০ শতাংশ
  4. ঘ) ৪০ শতাংশ
ব্যাখ্যা
রূপকল্প ২০২১ অনুযায়ী ২০২১ সালে একটি শক্তিশালী শিল্পখাত গড়ে উঠবে যেখানে জাতীয় আয়ে শিল্পখাতের অবদান হবে ৪০ শতাংশ এবং মোট কর্মসংস্থানে অবদান হবে ২৫ শতাংশ। সূত্র- অর্থনীতি নবম-দশম শ্রেণি।
২৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯ অনুসারে, বাংলাদেশের মোট বাণিজ্যিক ব্যাংক কতটি?
  1. ক) ৬০টি
  2. খ) ৫৭টি
  3. গ) ৫৯টি
  4. ঘ) ৫২টি
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯ অনুসারে, বাংলাদেশের মোট বাণিজ্যিক ব্যাংক ৫৯টি এবং বাংলাদেশে ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান ৩৪টি।
নতুন তফসিলি ব্যাংকের অনুমোদনঃ ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ বাংলাদেশ ব্যাংক এর ৪০২ তম পরিচালনা পর্ষদ সভায় দেশের ৬০ তম তফসিলি ব্যাংক হিসেবে চুড়ান্তভাবে অনুমোদন পায় বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড। এর প্রধান উদ্যোক্তা হলেন বেঙ্গল গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিন। বর্তমানে দেশে ৬০টি তফসিলি ব্যাংকের মধ্যে ৬টি রাষ্ট্রায়ত্ব বাণীজ্যিক ব্যাংক, ৩টি সরকারি বিশেষায়িত ব্যাংক এবং বাকি ৫১টি বেসরকারি ব্যাংক যার মধ্য়ে ৯টি বিদেশি মালিকানাধীন।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ।
৩০.
বাংলাদেশে প্রথম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড) প্রতিষ্ঠিত হয়-
  1. ক) ১৯৮০ সালে
  2. খ) ১৯৮৩ সালে
  3. গ) ১৯৯৩ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
দেশের ইপিজেডগুলো ব্যবস্থাপনাকারী কর্তৃপক্ষ হলো বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেপজা)। এটি সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন। ইপিজেড প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৮০ সালে বেপজা গঠন করা হয়। বেপজা গঠনের পর শুরু হয় ইপিজেড প্রতিষ্ঠার কাজ। প্রথম ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রাম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (সিইপিজেড) প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর তিন দশক ধরে সরকারি ইপিজেডের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে আটটি। চট্টগ্রাম ইপিজেড প্রতিষ্ঠার ১০ বছর পর ১৯৯৩ সালে এসে গড়ে ওঠে ঢাকা ইপিজেড। এরপর পর্যায়ক্রমে ১৯৯৯ সালে মংলা, ২০০০ সালে কুমিল্লা, ২০০১ সালে ঈশ্বরদী ও নীলফামারীতে উত্তরা, ২০০৬ সালে নারায়ণগঞ্জে আদমজী ও চট্টগ্রামে কর্ণফুলী ইপিজেডের যাত্রা শুরু হয়। সূত্র-প্রথম আলো এবং বেপজা ওয়েবসাইট।
৩১.
১০০০ টাকার নোটে স্বাক্ষর থাকে-
  1. ক) অর্থ মন্ত্রীর
  2. খ) অর্থ সচিবের
  3. গ) প্রধানমন্ত্রীর
  4. ঘ) গভর্নরের
ব্যাখ্যা
ব্যাংক নোট গুলো হলঃ ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট। বর্তমানে বাংলাদেশে ব্যাংক নোটের সংখ্যা ৭ টি। এগুলোতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে। সরকারি নোটে অর্থ সচিবের স্বাক্ষর থাকে। সূত্র-প্রথম আলো পত্রিকা।
৩২.
‘সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা’ অনুযায়ী গবেষণা ও উন্নয়ন ব্যয়ের জন্য জিডিপি-র কত শতাংশ বরাদ্দ রাখার কথা বলা হয়েছে?
  1. ক) ১%
  2. খ) ২%
  3. গ) ৩%
  4. ঘ) ৪%
ব্যাখ্যা
‘সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা’ অনুযায়ী গবেষণা ও উন্নয়ন ব্যয়ের জন্য জিডিপি-র ১ শতাংশ বরাদ্দ রাখার কথা বলা হয়েছে। সূত্র-পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।