পরীক্ষা আর্কাইভ

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

পরীক্ষাভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৪ টপিক: রিভিশন (পরীক্ষা ১, ২ ও ৩) [Live Class – 1 to 6]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
কোন গ্রহের আকার এবং আকৃতি অনেকটা পৃথিবীর সাথে মেলে?
  1. মঙ্গল
  2. শুক্র
  3. ইউরেনাস
  4. নেপচুন
ব্যাখ্যা
শুক্র (Venus):
- শুক্র গ্রহকে পৃথিবীর যমজ গ্রহ হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
- কারণ এটির আকার এবং আকৃতি অনেকটা পৃথিবীর সাথে মেলে।
- এটির গঠনও অনেকটা একই রকমের।
- শুক্র গ্রহে বিশাল পাহাড়, সমতল ভূমি ও অনেক আগ্নেয়গিরি রয়েছে বলে বিজ্ঞানীরা জানতে পেরেছেন।

উল্লেখ্য,
- সূর্যের চারিদিকে ঘুরে আসতে শুক্রের সময় লাগে ২২৫ দিন।
- সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১০.৮ কোটি কিলোমিটার।
- ভোর রাতে পূর্ব আকাশে শুক্র গ্রহকে বলা হয় শুকতারা।
- সন্ধ্যাবেলায় পশ্চিম আকাশে একে বলা হয় সন্ধ্যাতারা।
- শুক্র গ্রহেরও কোনো উপগ্রহ নেই।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
        ii) প্রথম আলো।
.
সূর্য তার নিজ কক্ষপথে কত দিনে একবার আবর্তন করে?
  1. প্রায় ২১
  2. প্রায় ২৫
  3. প্রায় ৩৮
  4. প্রায় ৬৫
ব্যাখ্যা
সূর্য (Sun):
- সৌরজগতের কেন্দ্রে অবস্থিত মাঝারি আয়তনের নক্ষত্র সূর্য।
- পৃথিবীর ব্যাস প্রায় ১৩,০০০ কিলোমিটার এবং সূর্যের ব্যাস প্রায় ১৪,০০০০০ কিলোমিটার।
- সূর্যের আয়তন পৃথিবী অপেক্ষা প্রায় ১৩ লক্ষ গুণ বড়।
- পৃথিবীর থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫০ মিলিয়ন কিলোমিটার।
- সূর্য তার নিজস্ব গ্যালাক্সির চর্তুদিকে বৃত্তাকার পথে ২০ কোটি বছরে একবার প্রদক্ষিণ করে এবং নিজ কক্ষপথে প্রায় ২৫ দিনে একবার আবর্তন করে।
- সূর্যের কেন্দ্রভাগে তাপমাত্রা ৮ মিলিয়ন থেকে ৪০ মিলিয়ন ডিগ্রী সেলসিয়াস এবং পৃষ্ঠদেশের তাপমাত্রা প্রায় ৫,৭০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস।
- সূর্যের বিকিরণকৃত তাপের মাত্র ২০০ কোটি ভাগের ১ ভাগ পৃথিবীতে আসে। যার দরুন ভূ-পৃষ্ঠে উদ্ভিদ ও প্রাণী বেঁচে থাকে।

তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ঢাকা শহর ও আমেরিকার টেক্সাস শহরের সময়ের পার্থক্য ১১ ঘণ্টা হলে, এই দুই স্থানের দ্রাঘিমার পার্থক্য কত?
  1. ১৪৫° দ্রাঘিমা
  2. ১৬৫° দ্রাঘিমা
  3. ১৫৫° দ্রাঘিমা
  4. ১৭৫° দ্রাঘিমা
ব্যাখ্যা
দ্রাঘিমা নির্ণয়:
১। যেহেতু ১° দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য দুটি স্থানের স্থানীয় সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট। এ কারণে স্থান দুটির সময়ের পার্থক্য যা হয় তাকে ৪ দিয়ে ভাগ করে দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়।

সমাধান:
আমরা জানি, ৪ মিনিট সময়ের পার্থক্য হলে দ্রাঘিমার পার্থক্য হবে ১° ।
∴ ১১ ঘণ্টা (৬৬০ মিনিট) সময়ের পার্থক্য হলে দ্রাঘিমার পার্থক্য হবে (৬৬০/৪)= ১৬৫° ।

অর্থাৎ ঢাকা শহর ও আমেরিকার টেক্সাস শহরের দ্রাঘিমার পার্থক্য ১৬৫°।

উত্তর: এই দুই স্থানের দ্রাঘিমার পার্থক্য ১৬৫° দ্রাঘিমা।
.
জ্যোতির্বিদ জোহান কেপলার সূর্যের চারদিকে গ্রহগুলোর গতি সম্পর্কিত কয়টি সূত্র প্রদান করেন?
  1. একটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. চারটি
ব্যাখ্যা
কেপলারের সূত্র:
- ডেনমার্কের জ্যোতির্বিদ জোহান কেপলারের (Johann Kepler) গ্রহ সম্পর্কিত সূত্র সূর্যের চারদিকে গ্রহগুলোর গতি ব্যাখ্যা করে।
- ১৬১৮ সালে কেপলার বলেন, গ্রহগুলো কোনো এক বলের প্রভাবে সূর্যকে কেন্দ্র করে অবিরাম ঘুরছে।
- এই সম্পর্কে তিনি তিনটি সূত্র প্রদান করেন।
- তার নাম অনুসারে এই তিনটি সূত্রকে কেপলার এর গ্রহ সম্পর্কীয় গতিসূত্র বলা হয়।

- সূত্র তিনটি:
প্রথম সূত্র (উপবৃত্ত সূত্র):- সূর্যকে ফোকাসে রেখে প্রতিটি গ্রহ উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে।
দ্বিতীয় সূত্র (ক্ষেত্রফল সূত্র):- প্রতিটি গ্রহ এমনভাবে ঘুরছে যে, সূর্য ও ঐ গ্রহের কেন্দ্র সংযোজক কাল্পনিক রেখা সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে।
তৃতীয় সূত্র (আবর্তনকালের সূত্র): - সূর্যের চারিদিকে প্রতিটি গ্রহের আবর্তনকালের বর্গ এর কক্ষপথের অর্ধপরাক্ষের ঘনফলের সমানুপাতিক।

উৎস: পদার্থ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
২১শে জুন সূর্য কোন অক্ষাংশে বরাবর লম্বভাবে কিরণ দেয়?
  1. ০° অক্ষাংশে
  2. ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশ
  3. ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশ
  4. ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশ
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর বার্ষিক গতির ফল ও দিবারাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধি:
⇒ পৃথিবী নিজ কক্ষপথে ঘুরতে ঘুরতে ২১শে জুন তারিখে এমন অবস্থানে আসে যে, ঐ দিন উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশ বরাবর সূর্য রশ্মি লম্বভাবে পতিত হয়।
- অর্থাৎ সূর্য ২১শে জুন তারিখে ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশ বরাবর লম্বভাবে কিরণ দেয়।
- ২১ শে জুন তারিখে উত্তর গোলার্ধে সর্বাপেক্ষা বড় দিন (১৪ ঘণ্টা) ও সর্বাপেক্ষা ছোট (১০ ঘণ্টা) রাত হয়ে থাকে।
- সূর্যের এই অবস্থানকে সূর্যের উত্তরায়ণ বলে।
- এ সময়ে উত্তর গোলার্ধ সূর্যের দিকে হেলে থাকায় দীর্ঘ দিবাভাগ ও অপেক্ষাকৃত কম দীর্ঘ রাত্রি সংঘটিত হয়।
- এ সময়ে সূর্যের কিরণ দীর্ঘ সময় যাবৎ ভূ-পৃষ্ঠ ও তৎসংলগ্ন বায়ুস্তরকে অত্যন্ত উত্তপ্ত করে তোলে।
- ফলে এপ্রিল মাসের প্রথম ভাগ থেকে জুন মাসের শেষ ভাগ পর্যন্ত উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল বিরাজ করে।
- অপরদিকে দক্ষিণ গোলার্ধ সূর্য থেকে অধিক দূরত্বে অবস্থান করায় সে সময়ে ঐ গোলার্ধে শীতকাল বিরাজ করে।
- সূর্য উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা বা কর্কটক্রান্তি রেখা পর্যন্ত লম্বভাবে কিরণ দিতে পারে।
- অতএব ২১ শে জুন ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখায় সূর্যের উত্তরায়ণকে কর্কট সংক্রান্তি বলা হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
জাপানের টোকিও শহর ও ঢাকা শহরের দ্রাঘিমার পার্থক্য ৪৫° হলে এই দুই শহরের স্থানীয় সময়ের পার্থক্য কত?
  1. ১.৫ ঘণ্টা
  2. ২.৫ ঘণ্টা
  3. ৩ ঘণ্টা
  4. ৩.৫ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা
দ্রাঘিমা নির্ণয়:
১। যেহেতু ১° দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য দুটি স্থানের স্থানীয় সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট। এ কারণে স্থান দুটির সময়ের পার্থক্য যা হয় তাকে ৪ দিয়ে ভাগ করে দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়।
-একই ভাবে দুই স্থানের দ্রাঘিমার পার্থক্যের সাথে ৪ গুণ করে দুই স্থানের স্থানীয় সময়ের পার্থক্য নির্ণয় করা যায়।

সমাধান:
আমরা জানি, পৃথিবীতে প্রতি ১ ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট।
∴৪৫° দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য হবে (৪৫ × ৪)=১৮০ মিনিট বা ৩ ঘণ্টা।

অর্থাৎ জাপানের টোকিও শহর ও ঢাকা শহরের স্থানীয় সময়ের পার্থক্য ১৮০ মিনিট বা ৩ ঘণ্টা।

উত্তর: এই দুই শহরের স্থানীয় সময়ের পার্থক্য ৩ ঘণ্টা।
.
পৃথিবীর কোন অক্ষাংশতে আহ্নিক গতির বেগ সর্বাপেক্ষা কম?
  1. ০° অক্ষাংশ
  2. ২৩.৫° অক্ষাংশ
  3. ৬৬.৫° অক্ষাংশ
  4. ৯০° অক্ষাংশ
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর আহ্নিক গতি ও অক্ষরেখা:
- আহ্নিক গতি নিরক্ষরেখায় সর্বাপেক্ষা বেশি। নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখার মান ০°।
- অন্যদিকে ৯০° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশে আহ্নিক গতি সর্বাপেক্ষা কম। 
- পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে নিজ অক্ষে অনবরত পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে আবর্তন করছে।
- পৃথিবীর এই আবর্তনকে আহ্নিক গতি বা দৈনিক গতি বলা হয়।
- নিজ অক্ষে একবার ঘুরতে পৃথিবীর মোট ২৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড বা ২৪ ঘন্টা সময় প্রয়োজন।
- এই সময়কে সৌরদিন বলা হয়।
- পৃথিবী গোলাকার হলেও এর ব্যাস সর্বত্র সমান নয়।
- নিরক্ষরেখা বরাবর পৃথিবীর ব্যাস সর্বাপেক্ষা বেশি হওয়ায় এই অঞ্চলে পৃথিবীর আহ্নিক গতির বেগও সর্বাপেক্ষা বেশি (ঘন্টা প্রতি ১৭০০ কি.মি. প্রায়)।
- অন্যদিকে ৯০° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশে পৃথিবীর ব্যাস সর্বাপেক্ষা কম তাই এই অঞ্চলে পৃথিবীর আহ্নিক গতির বেগও সর্বাপেক্ষা কম। 

উল্লেখ্য:
- পৃথিবীর দুই মেরু হতে সমান দূরত্বে (পৃথিবীর মাঝখানে) পূর্ব-পশ্চিমে পৃথিবীকে ঘিরে থাকা কল্পিত বৃত্তকে বলা হয় নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা বলে।
- নিরক্ষরেখার সমান্তরালে উত্তরে ও দক্ষিণে কতকগুলো রেখা কল্পনা করা হয়। এই রেখাগুলোকে অক্ষরেখা বা সমাক্ষরেখা বলে।
- অক্ষরেখাসমূহের দূরত্ব সর্বত্র সমান। নিরক্ষেরেখা থেকে উত্তরে বা দক্ষিণে কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বের মানকে ডিগ্রিতে প্রকাশ করলে তাকে অক্ষাংশ বলে। 
- নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখার মান ০°। নিরক্ষরেখা থেকে ৯০° উত্তর অক্ষাংশকে বলা হয় সুমেরু এবং ৯০° দক্ষিণ অক্ষাংশকে বলা হয় কুমেরু।
- এছাড়া ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশকে বলা হয় যথাক্রামে- কর্কটক্রান্তি এবং ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশে বলা হয় মকরক্রান্তি।
- ৬৬.৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশকে বলা হয় যথাক্রমে সুমেরু বৃত্ত এবং কুমেরু বৃত্ত।
- বিষুবরেখা বা নিরক্ষরেখাকে বলা হয় মহাবৃত্ত।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
পৃথিবীর ০ ডিগ্রি অক্ষাংশকে বলা হয়-
  1. বিষুবরেখা
  2. নিরক্ষরেখা
  3. মহাবৃত্ত বা গুরুবৃত্ত
  4. উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
বিষুবরেখা/ নিরক্ষরেখা/মহাবৃত্ত:
- পৃথিবীর দুই মেরু হতে সমান দূরত্বে (পৃথিবীর মাঝখানে) পূর্ব-পশ্চিমে পৃথিবীকে ঘিরে থাকা কল্পিত বৃত্তকে বলা হয় নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা বলে।
- বিষুবরেখা বা নিরক্ষরেখাকে বলা হয় মহাবৃত্ত বা গুরুবৃত্ত। অর্থাৎ পৃথিবীর মহাবৃত্ত বা গুরুবৃত্ত এর মান ০°।
- আহ্নিক গতি নিরক্ষরেখায় সর্বাপেক্ষা বেশি। নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখার মান ০°। 
- তাহলে আমরা বলতে পারি যে, পৃথিবীর ০ ডিগ্রি অক্ষাংশকে বিষুবরেখা বা নিরক্ষরেখা এবং মহাবৃত্ত বা গুরুবৃত্ত বলা হয়।
- নিরক্ষরেখার সমান্তরালে উত্তরে ও দক্ষিণে কতকগুলো রেখা কল্পনা করা হয়। এই রেখাগুলোকে অক্ষরেখা বা সমাক্ষরেখা বলে।
- অক্ষরেখাসমূহের দূরত্ব সর্বত্র সমান। নিরক্ষেরেখা থেকে উত্তরে বা দক্ষিণে কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বের মানকে ডিগ্রিতে প্রকাশ করলে তাকে অক্ষাংশ বলে। 
- নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখার মান ০°। নিরক্ষরেখা থেকে ৯০° উত্তর অক্ষাংশকে বলা হয় সুমেরু এবং ৯০° দক্ষিণ অক্ষাংশকে বলা হয় কুমেরু।
- এছাড়া ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশকে বলা হয় যথাক্রামে- কর্কটক্রান্তি এবং ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশে বলা হয় মকরক্রান্তি।
- ৬৬.৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশকে বলা হয় যথাক্রমে সুমেরু বৃত্ত এবং কুমেরু বৃত্ত।
- নিরক্ষরেখা বরাবর পৃথিবীর ব্যাস সর্বাপেক্ষা বেশি হওয়ায় এই অঞ্চলে পৃথিবীর আহ্নিক গতির বেগও সর্বাপেক্ষা বেশি (ঘন্টা প্রতি ১৭০০ কি.মি. প্রায়)।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোন জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো আছে?
  1. চাঁদ
  2. শুক্র
  3. ডিমোস
  4. লুব্ধক
ব্যাখ্যা
সৌরজগৎ ও ভূ-মন্ডল:
⇒মহাবিশ্বের মহাকাশে গ্রহ, উপগ্রহ, নক্ষত্র, ধূমকেতু, নীহারিকা, ছায়াপথ, গ্যালাক্সি ও উল্কা ইত্যাদিকে জ্যোতিষ্ক বলে।
-যে সকল জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো আছে তাদেরকে নক্ষত্র বলে। যেমন: সূর্য, লুব্ধক, প্রক্সিমা সেন্টরাই।
- পৃথিবীর আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম হল লুব্ধক। লুব্ধক একটি জোড়া বা যুগ্মতারা।
উল্লিখিত প্রশ্ন অনুসারে শুধু লুব্ধক এর নিজস্ব আলো আছে,
-বাকি অপশনের শুক্র একটি গ্রহ এবং চাঁদ ও ডিমোস দুইটি উপগ্রহ যারদের  নিজস্ব আলো নেই।


উল্লেখ্য,
-আলোকবিহীন জ্যোতিষ্ককে গ্রহ বলে। যেমন-পৃথিবী, সূর্যের আলোতে আলোকিত হয়।
- গ্রহসমূহের চারিদিকে ঘূর্ণায়মান নিজস্ব আলোকবিহীন জ্যোতিষ্ককে উপগ্রহ বলে। যেমন- চাঁদ, পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ। 
- ডিমোস এবং ফোবোস নামক মঙ্গলের দুটি উপগ্রহ রয়েছে।
- মহাকাশে কখনও কখনও কোন জ্যোতিষ্ক কিছু দিনের জন্য দেখা যায় আবার অদৃশ্য হয়ে যায়। এসব জ্যোতিষ্ক কে ধূমকেতু বলে। যেমন- হ্যালির ধূমকেতু।
- সুদূর আকাশে স্বল্প আলোকিত মেঘের মত আস্তরণকে নীহারিকা বলে। এগুলো আসলে হালকা গ্যাসের অতিকায় পিণ্ড।
- একটি নীহারিকার মাঝে কোটি কোটি নক্ষত্র থাকতে পারে।
- মেঘমুক্ত রাতের আকাশে কোটি কোটি নক্ষত্রকে উত্তর দক্ষিণে বিস্তৃত দীপ্তমান পথের মত দেখায় বলে একে ছায়াপথ বলে।
- মহাশূন্যের কোটি কোটি নক্ষত্র, ধূলিকণা ও বিশাল বাষ্পকুন্ডসহ নীহারিকার এক একটি দলকে বলা হয় গ্যালাক্সি।
- একটিমাত্র গ্যালাক্সিতেই প্রায় ত্রিশ হাজার কোটি নক্ষত্র রয়েছে বলে বিজ্ঞানীরা অনুমান করেছেন।
- বিজ্ঞানীরা বিশ্বভ্রহ্মান্ডে কয়েক হাজার কোটি গ্যালাক্সির আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছেন।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।