পরীক্ষা আর্কাইভ

পেট্রোবাংলা প্রিলি ও লিখিত সমন্বিত প্রস্তুতি [Archived]

পরীক্ষাপেট্রোবাংলা প্রিলি ও লিখিত সমন্বিত প্রস্তুতি [Archived]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন১৯
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১০ বিষয়: বাংলা - ৩ টপিক: উপসর্গ; পদ প্রকরণ, বাগ্‌ধারা; সমাস; এক কথায় প্রকাশ; প্রয়োগ-অপপ্রয়োগ; যতিচিহ্ন; বানান ও বাক্য শুদ্ধিকরণ; বাচ্য।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

পেট্রোবাংলা প্রিলি ও লিখিত সমন্বিত প্রস্তুতি [Archived]

পেট্রোবাংলা প্রিলি ও লিখিত সমন্বিত প্রস্তুতি [Archived] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯ প্রশ্ন

.
ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ কোনটি?
  1. কথাসর্বস্ব
  2. বীণাপানি
  3. দিল্লীশ্বর
  4. সজল
  5. নির্মল
সঠিক উত্তর:
দিল্লীশ্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিল্লীশ্বর
ব্যাখ্যা
• তৎপুরুষ সমাস:
পূর্বপদের বিভক্তি লােপ পেয়ে এবং পরপদের অর্থ প্রধানরূপে যে সমাস গঠিত হয়, তাকে বলা হয় তৎপুরুষ সমাস।
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লােপ পায় এবং উত্তরপদের অর্থ প্রধানরূপে বুঝায়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। 
- তৎপুরুষ সমাসের পূর্বপদে দ্বিতীয়া থেকে সপ্তমী পর্যন্ত যে কোনাে বিভক্তি থাকতে পারে আর পূর্বপদের বিভক্তি হিসেবে এদের নামকরণ হয়।

• ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস:
যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে ষষ্ঠী বিভক্তির (র, এর) লােপ পায় তাকে বলা হয় ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস বলা হয়।
যেমন:
- চায়ের বাগান = চাবাগান;
- রাজার পুত্র = রাজপুত্র;
- খেয়ার ঘাট= খেয়াঘাট;
- ছাত্রের সমাজ = ছাত্রসমাজ;
- দেশের সেবা = দেশসেবা;
- দিল্লীর ঈশ্বর = দিল্লীশ্বর;
- পাটের ক্ষেত = পাটক্ষেত;
- ছবির ঘর = ছবিঘর;
- বিড়ালের ছানা = বিড়ালছানা;
- মৃগীর শিশু = মৃগশিশু।

অন্যদিকে,
• কথা সর্বস্ব যার = কথাসর্বস্ব; হলো ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস।
• বীণা পাণিতে যার = বীণাপাণি; ব্যধিকরণে বহুব্রীহি সমাস।
• জলের সহিত বর্তমান = সজল; বহুব্রীহি সমাস।
• নাই মল (মন) যাতে = নির্মল; বহুব্রীহি সমাস।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
কোন বাগ্‌ধারাটি ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে?
  1. বকধার্মিক
  2. বর্ণচোর
  3. ভুঁইফোড়ঁ
  4. তুলসী বনের বাঘ
  5. বিড়াল তপস্বী
সঠিক উত্তর:
ভুঁইফোড়ঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুঁইফোড়ঁ
ব্যাখ্যা
• 'ভুঁইফোঁড়' বাগধারাটির অর্থ- 'নতুন আগমন'/ অর্বাচীন'। 
বাক্য গঠন: ভুঁইফোঁড় সাংবাদিকদের কারণে প্রকৃত সাংবাদিকের সম্মান ক্ষুণ্ন হচ্ছে।  

অন্যদিকে,
• 'বক ধার্মিক', 'বিড়াল তপস্বী', 'বর্ণচোরা', 'তুলসী বনের বাঘ' বাগ্‌ধারার অর্থ - ভণ্ড।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
‘হাড়হদ্দ’ বাগ্‌ধারাটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়?
  1. গভীরভাবে
  2. প্রধান সহযোগী
  3. সবকিছু
  4. ভরপুর
  5. গুরুভার
সঠিক উত্তর:
সবকিছু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবকিছু
ব্যাখ্যা
• ‘হাড়হদ্দ’ বাগ্‌ধারার অর্থ - সবকিছু।

অন্যদিকে
• ‘হাড়ে হাড়ে’ অর্থ - গভীরভাবে।
• ‘দক্ষিণ হস্ত’ অর্থ - প্রধান সহযোগী।
• 'জগদ্দল পাথর' অর্থ - গুরুভার।
• ‘টইটম্বুর’ অর্থ - ভরপুর।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
বাক্যে অর্ধচ্ছেদ যতিচিহ্ন থাকলে বিরতির সময়কাল কত?
  1. এক বলার দ্বিগুণ সময়
  2. এক সেকেন্ড
  3. এক বলতে যে সময় লাগে
  4. থামার প্রয়োজন হয় না
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
এক বলার দ্বিগুণ সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক বলার দ্বিগুণ সময়
ব্যাখ্যা
• যতিচিহ্ন:
মুখের কথার লিখিত রূপ দেওয়ার সময় কম-বেশি থামা বোঝাতে যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়। বক্তব্যকে স্পষ্ট করতেও যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়। যতিচিহ্নকে বিরামচিহ্ন বা বিরতি চিহ্নও বলা হয়।

বাক্যে যতিচিহ্ন অনুসারে থামার পরিমাণ-

• কমা বা পাদচ্ছেদ থাকলে -
- 'এক' বলতে যে সময় লাগে সেই পরিমাণ সময় থামতে হয়।

• সেমিকোলন বা অর্ধচ্ছেদ থাকলে -
- 'এক' বলার দ্বিগুণ সময় থামতে হয়।

• হাইফেন, ইলেক বা লোপ চিহ্ন ও ব্র্যাকেট থাকলে -
- থামার প্রয়োজন হয় না।

• দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ, প্রশ্নবোধক চিহ্ন, বিস্ময় চিহ্ন, কোলন, কোলন ড্যাস, ড্যাস ইত্যাদি চিহ্ন থাকলে -
- 'এক' সেকেন্ড থামতে হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
অকর্মক ক্রিয়া পদ রয়েছে নিচের কোন বাক্যে?
  1. সে বই পড়ছে।
  2. সে ভালো দৌড়ায়।
  3. তপু দীপুকে বলটি দিল।
  4. বাবা আমাকে একটি কলম কিনে দিয়েছেন।
  5. শিক্ষক ছাত্রকে বই দিলেন।
সঠিক উত্তর:
সে ভালো দৌড়ায়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সে ভালো দৌড়ায়।
ব্যাখ্যা
• ক্রিয়া পদ:
বাক্যে উদ্দেশ্য বা কর্তা কী করে বা কর্তার কী ঘটে বা হয়, তা নির্দেশ করা হয় যে পদ দিয়ে তাকে ক্রিয়া বলে।
 
বাক্যের মধ্যে কর্মের উপস্থিতির ভিত্তিতে ক্রিয়া তিন প্রকার। 
যথা:
১. অকর্মক ক্রিয়া: বাক্যে ক্রিয়ার কোনাে কর্ম না থাকলে সেই ক্রিয়াকে অকর্মক ক্রিয়া বলে।
যেমন:
- সে ঘুমায়। 
- সে মাটিতে শোয়।
- সে ভালো দৌড়ায়।
[এই বাক্যেগুলোতে কোনাে কর্ম নেই।]
 
------------------------
২. সকর্মক ক্রিয়া: বাক্যের মধ্যে ক্রিয়ার কর্ম থাকলে সেই ক্রিয়াকে সকর্মক ক্রিয়া বলে।
যেমন:
- সে বই পড়ছে।
- বাবা আমাকে একটি কলম কিনে দিয়েছেন।

৩. দ্বিকর্মক ক্রিয়া: বাক্যের মধ্যে ক্রিয়ার দুটি কর্ম থাকলে সেই ক্রিয়াকে দ্বিকর্মক ক্রিয়া বলে।
যেমন:
- তপু দীপুকে বলটি দিল।
- শিক্ষক ছাত্রকে বই দিলেন।
[এই বাক্যে ‘দিলেন একটি দ্বিকর্মক ক্রিয়া। কী দিলেন প্রশ্নের উত্তর দেয় মুখ্য কর্ম (বই), আর কাকে দিলেন প্রশ্নের উত্তর দেয় গৌণ কর্ম (ছাত্রকে)।]
 
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২২ সংস্করণ), ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।
.
'হাতের কব্জি থেকে আঙুলের ডগা পর্যন্ত' এক কথায় বলে-
  1. পাণি
  2. প্রকোষ্ঠ
  3. অঙ্গুষ্ঠ
  4. করতল
  5. মণিবন্ধ
সঠিক উত্তর:
পাণি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাণি
ব্যাখ্যা
• 'হাতের কব্জি থেকে আঙুলের ডগা পর্যন্ত' এক কথায় বলে - পাণি। 

গুরুত্বপূর্ণ কিছু এক কথায় প্রকাশ হলো:
• হাতের প্রথম আঙুল (বুড়ো আঙুল) - অঙ্গুষ্ঠ।
• হাতের কনুই থেকে কব্জি পর্যন্ত অংশ - প্রকোষ্ঠ।
• হাতের তালু - করতল।
• হাতের কব্জি - মণিবন্ধ।
• হাতের কব্জি থেকে আঙুলের ডগা পর্যন্ত - পাণি।
• হাতের পঞ্চম আঙুল - কনিষ্ঠা।
• হাতের চতুর্থ আঙুল - অনামিকা।
• হাতের তৃতীয় আঙুল - মধ্যমা।
• হাতের দ্বিতীয় আঙুল - তর্জনী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
‘লোহার কার্তিক’ বাগ্‌ধারাটি কী অর্থ প্রকাশ করে?
  1. ভাগ্যবান
  2. বাইরে পরিপাটি
  3. প্রিয়দর্শন কিন্তু গুণহীন
  4. কালো সুদর্শন
  5. নির্বিকার লোকের মনের অবস্থা
সঠিক উত্তর:
কালো সুদর্শন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালো সুদর্শন
ব্যাখ্যা
• 'লোহার কার্তিক' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - কালো সুদর্শন।

অন্যদিকে,
• ‘লগন চাঁদা’ অর্থ - ভাগ্যবান।
• ‘লেফাফা দুরস্ত’ অর্থ - বাইরে পরিপাটি।
• ‘রাঙা মুলো’ অর্থ - প্রিয়দর্শন কিন্তু গুণহীন।
• ‘শালগ্রামের শোয়া বসা’ অর্থ - নির্বিকার লোকের মনের অবস্থা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
কোনটি অশুদ্ধ বানান?
  1. অনিষ্টকারী
  2. অর্নিবান
  3. অনির্বাপিত
  4. অনির্বাচ্য
  5. খ ও ঘ
সঠিক উত্তর:
অর্নিবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্নিবান
ব্যাখ্যা
অশুদ্ধ বানান: অর্নিবান।

শুদ্ধ বানান: অনির্বাণ।
- বিশেষ্য ও বিশেষণ উভয় পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
অর্থ: 
- নর্বিাণ বা মোক্ষের অভাব।
- জ্বলন্ত।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
‘ছয় মাস অন্তর’ এক কথায় কী বলে?
  1. ছান্দসিক
  2. ষাণ্মাসিক
  3. ষষ্টিক
  4. ষষ্ঠাংশ
  5. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
ষাণ্মাসিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষাণ্মাসিক
ব্যাখ্যা
• ‘ছয় মাস অন্তর’ এক কথায় বলে- ষান্মাসিক।

অন্যদিকে,
• ‘ছন্দে নিপুন যিনি’ এক কথায় - ছান্দসিক।
• ‘৬০ দিনে পাকে এমন (ধান)’ এক কথায় - ষষ্টিক।
• ‘চয় ভাগের এক ভাগ’ এক কথায় - ষষ্ঠাংশ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১০.
‘আদায়-কাঁচকলায়’ কোন ধরনের দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ?
  1. বিরোধার্থক দ্বন্দ্ব
  2. অলুক দ্বন্দ্ব সমাস
  3. বহুপদবিশিষ্ট দ্বন্দ্ব
  4. সমার্থক দ্বন্দ্ব
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অলুক দ্বন্দ্ব সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অলুক দ্বন্দ্ব সমাস
ব্যাখ্যা
• অলুক দ্বন্দ্ব সমাস:
যে দ্বন্দ্ব সমাসে সমস্যমান পদগুলোর বিভক্তি সমস্ত পদেও যুক্ত থাকে বা বিভক্তি লোপ পায় না তাকে অলুক দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
অর্থাৎ কিছু দ্বন্দ্ব সমাসে পূর্বপদ ও পরপদের বিভক্তি সমাসবদ্ধ হলেও বিদ্যমান থাকে। এই ধরনের দ্বন্দ্ব সমাসের নাম অলুক দ্বন্দ্ব সমাস।
যেমন:
- আদায় ও কাঁচকলায় = আদায়-কাঁচকলায়;
- কোলে ও পিঠে = কোলেপিঠে;
- দুধে ও ভাতে = দুধেভাতে;
- ধীরে ও সুস্থে = ধীরেসুস্থে;
- জলে ও স্থলে = জলেস্থলে;
- হাতে ও কলমে = হাতেকলমে ইত্যাদি।

---------------------
• দ্বন্দ্ব সমাস:
দ্বন্দ্ব শব্দের অর্থ সংঘাত বা বিবাদ হলেও সমাসের ক্ষেত্রে ‘দ্বন্দ্ব’ শব্দটি মিলন, জোড়া ও যুগল অর্থেই ব্যবহৃত হয়। সুতরাং যে সমাসে সমস্যমান প্রত্যেক পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে।

- এ সমাসে পূর্বপদ ও পরপদের সম্বন্ধ বোঝানোর জন্য ব্যাসবাক্যে ও, এবং, আর- এ তিনটি অব্যয়পদ সংযোজক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
 
দ্বন্দ্ব সমাস নিম্নোক্ত কয়েক প্রকার হতে পারে-
- মিলনার্থক দ্বন্দ্ব,
- বিরোধার্থক দ্বন্দ্ব,
- বিপরীতার্থক দ্বন্দ্ব,
- অঙ্গবাচক দ্বন্দ্ব,
- বহুপদবিশিষ্ট দ্বন্দ্ব,
- সংখ্যাবাচক দ্বন্দ্ব,
- সমার্থক দ্বন্দ্ব,
- একশেষ দ্বন্দ্ব,
- অলুক দ্বন্দ্ব,
- নিপাতনে সিদ্ধ দ্বন্দ্ব।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১১.
“কেউ-কোথাও” কোন ধরনের সর্বনাম পদের উদাহরণ?
  1. নির্দেশক সর্বনাম
  2. পারস্পরিক সর্বনাম
  3. সাকুল্যবাচক সর্বনাম
  4. অনির্দিষ্ট সর্বনাম
  5. সাপেক্ষ সর্বনাম
সঠিক উত্তর:
অনির্দিষ্ট সর্বনাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনির্দিষ্ট সর্বনাম
ব্যাখ্যা
• সর্বনাম পদ:
 বিশেষ্য পদের পরিবর্তে যে পদ ব্যবহৃত হয়, তাকেই সর্বনাম পদ বলে। সর্বনাম পদগুলোকে মূলত ৯ ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
১. ব্যক্তিবাচক বা পুরুষবাচক সর্বনাম: ব্যক্তিবাচক সর্বনাম ব্যক্তি নামের পরিবর্তে বসে।
যেমন- আমি, আমরা, তুমি, তোমরা, সে, তারা, তাহারা, তিনি, তাঁরা, এ, এরা, ও, ওরা।

২. আত্মবাচক সর্বনাম: কর্তা নিজেই কোনো কাজ করেছে, এ ভাবটি জোরদিয়ে বোঝানোর জন্য এ ধরণের সর্বনাম ব্যবহার করা হয়।
যেমন- স্বয়ং, নিজ, খোদ, আপনি।

৩. নির্দেশক সর্বনাম: যে সর্বনাম নৈকট্য বা দূরত্ব নির্দেশ করে, তাকে  নির্দেশক সর্বনাম বলে।
যেমন:
নিকট নির্দেশক- এ, এই, এরা, ইহারা, ইনি।
দূর নির্দেশক- ও, ওই, ওরা, উনি। 

৪. অনির্দিষ্ট সর্বনাম: অনির্দষ্ট বা পরিচয়হীন কিছু বোঝাতে যে সর্বনাম ব্যবহৃত হয় তাকে অনির্দিষ্ট সর্বনাম বলে।
যেমন- কেউ, কোথাও, কিছু, একজন।

৫. প্রশ্নবাচক সর্বনাম: প্রশ্ন তৈরির জন্য প্রশ্নবাচক সর্বনাম প্রয়োগ করা হয়।
যেমন- কে, কারা, কাকে, কার, কী ইত্যাদি।

৬. সাপেক্ষ সর্বনাম: পরস্পর নির্ভরশীল দুটি সর্বনামকে সাপেক্ষ সর্বনাম বলে।
যেমন- যারা-তারা, যে-সে, যেমন-তেমন ইত্যাদি।

৭. পারস্পরিক সর্বনাম: দুই পক্ষের সহযোগিতা বা নির্ভরতা বোঝাতে পারস্পরিক সর্বনাম ব্যবহৃত হয়।
যেমন- পরস্পর, নিজেরা নিজেরা ইত্যাদি।

৮. সকলবাচক/সাকুল্যবাচক সর্বনাম: ব্যক্তি, বস্তু বা ভাবের সমষ্টি বোঝাতে সকলবাচক সর্বনাম ব্যবহৃত হয়।
যেমন- সব, সকল, সমুদয়, তাবৎ, সমস্ত ইত্যাদি।

৯. অন্যবাচক সর্বনাম: নিজ ভিন্ন অন্য কোনো অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বোঝাতে অন্যবাচক সর্বনাম ব্যবহৃত হয়।
যেমন: অন্য, অপর, পর, অমুক ইত্যাদি।

- তবে পুরাতন বই অনুযায়ী সর্বনাম ১০ প্রকার। ১০ নম্বরটি হলো- ব্যতিহারিক সর্বনাম।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৩ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
১২.
ভাববাচ্যের উদাহরণ রয়েছে নিচের কোন বাক্যে?
  1. এ পথে চলা যায় না।
  2. শিকারি কর্তৃক ব্যাঘ্র নিহত হয়েছে।
  3. চোরটা ধরা পড়েছে।
  4. শিক্ষক ছাত্রদের পড়ান।
  5. রোগী পথ্য সেবন করে।
সঠিক উত্তর:
এ পথে চলা যায় না।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ পথে চলা যায় না।
ব্যাখ্যা
• ভাববাচ্য:
যে বাচ্যে কর্ম থাকে না এবং বাক্যে ক্রিয়ার অর্থই বিশেষভাবে ব্যক্ত হয় তাকে ভাববাচ্য বলে।

১. ভাববাচ্যের ক্রিয়া সর্বদাই নাম পুরুষের হয়। ভাববাচ্যের কর্তায় ষষ্ঠী, দ্বিতীয়া অথবা তৃতীয়া বিভক্তি প্রযুক্ত হয়।
যেমন-
(ক) আমার (কর্তায় ষষ্ঠী) খাওয়া হলো না। (নাম পুরুষের ক্রিয়া)
(খ) আমাকে (কর্তায় দ্বিতীয়া) এখন যেতে হবে। (নাম পুরুষের ক্রিয়া)
(গ) তোমার দ্বারা (কর্তায় তৃতীয়) এ কাজ হবে না। (নাম পুরুষের ক্রিয়া)

২. কখনো কখনো ভাববাচ্যে কর্তা উহ্য থাকে, কর্ম দ্বারাই ভাববাচ্য গঠিত হয়।
যেমন-
- এ পথে চলা যায় না।
- এবার ট্রেনে ওঠা যাক।
- কোথা থেকে আসা হচ্ছে?

৩. মূল ক্রিয়ার সঙ্গে সহযোগী ক্রিয়ার সংযোগ ও বিভিন্ন অর্থে ভাববাচ্যের ক্রিয়া গঠিত হয়।
যেমন-
- এ ব্যাপারে আমাকে দায়ী করা চলে না।
- এ রাস্তা আমার চেনা নেই।


অন্যদিকে,
--------------------
• কর্মবাচ্য:

যে বাক্যে কর্মের সাথে ক্রিয়ার সম্বন্ধ প্রধানভাবে প্রকাশিত হয়, তাকে কর্মবাচ্য বলে।
যেমন:
- শিকারি কর্তৃক ব্যাঘ্র নিহত হয়েছে।
- চোরটা ধরা পড়েছে।

• কর্তৃবাচ্য:
যে বাক্যে কর্তার অর্থ-প্রাধান্য রক্ষিত হয় এবং ক্রিয়াপদ কর্তার অনুসারী হয়, তাকে কর্তৃবাচ্যের বাক্য বলে।

• কর্তৃবাচ্যে কর্তায় প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি এবং কর্মে দ্বিতীয়া, ষষ্ঠী বা শূন্য বিভক্তি হয়।
যথা -
- শিক্ষক ছাত্রদের পড়ান।
- রোগী পথ্য সেবন করে

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৩.
কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. সতীন
  2. হাসিখুসী
  3. টাঙ্গানো
  4. সতর্কীকৃত
  5. মনঃস্থ
সঠিক উত্তর:
সতর্কীকৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সতর্কীকৃত
ব্যাখ্যা
শুদ্ধ বানান: সতর্কীকৃত,
- শব্দটি বিশেষণ পদ,
অর্থ: সাবধান করে দেওয়া হয়েছে এমন।


অন্যদিকে, অশুদ্ধ বানানগুলোর শুদ্ধরূপ হলো:

• টাঙানো (বিশেষ্য ও ক্রিয়া-বিশেষণ),
অর্থ: খাটানো, ঝুলিয়ে রাখা, ঝোলানো।

• মনস্থ (বিশেষ্য ও বিশেষণ),
অর্থ: ইচ্ছা, মনে স্থির, অভিপ্রায়।

• হাসিখুশি (বিশেষণ),
অর্থ: আনন্দে পরিপূর্ণ।

• সতিন (বিশেষ্য),
অর্থ: স্বামীর অন্য পত্নী।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৪.
বাহুল্যজনিত অপপ্রয়োগ ঘটেছে নিচের কোন শব্দে?
  1. অহর্নিশ
  2. উৎকর্ষতা
  3. দিবারাত্র
  4. নির্দোষ
  5. নিরভিমান
সঠিক উত্তর:
উৎকর্ষতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উৎকর্ষতা
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, 
• উৎকর্ষ,
- শব্দটি বিশেষ্য। 
- (উৎ + √কৃষ্ + অ) প্রত্যয় সাধিত শব্দ।

• আর এর সাথে 'তা’ (বিশেষ্য) প্রত্যয় যুক্ত করলে ‘উৎকর্ষতা’ হয় যা বিশেষ্যের দ্বিত্ব প্রয়োগ অর্থাৎ বাহুল্য দোষ। 
• ‘উৎকর্ষতা’ শব্দের এর শুদ্ধ প্রয়োগ হবে- 'উৎকর্ষ বা উৎকৃষ্টতা'। 

নিয়ম:
‘তা’ ‘ত্ব’ এবং ‘য’ হলো বিশেষ্যবাচক প্রত্যয়। যা কেবল বিশেষণ শব্দকে বিশেষ্য করে। তাই বিশেষ্য শব্দের সঙ্গে আবারো ‘তা’ ‘ত্ব’ বা য যুক্ত করলে তা ভুল হবে। যেমন: কৃপণ বিশেষণ শব্দের সাথে তা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কৃপণতা হয়েছে।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান ও ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৫.
সংস্কৃত উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ কোনটি?
  1. আড়নয়নে
  2. পাতিলেবু
  3. গরমিল
  4. পরাজয়
  5. দরপত্তনী
সঠিক উত্তর:
পরাজয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরাজয়
ব্যাখ্যা
• ‘পরা’ সংস্কৃত উপসর্গটি বিপরীত অর্থে-  পরাজয় ও পরাভাব শব্দদ্বয় গঠিত।

অন্যদিকে,
• অভাব অর্থে ‘গর’ আরবি উপসর্গযোগে অন্যান্য শব্দ - গরহাজির, গররাজি, গরমিল।
• ক্ষুদ্র অর্থে বাংলা উপসর্গ ‘পাতি’ যোগে গঠিত- পাতিলেবু।
• বক্র অর্থে বাংলা উপসর্গ ‘পাতি’ যোগে গঠিত- আড়নয়নে, আড়চোখে।
• অমধ্যস্থ অর্থে ফারসি উপসর্গ ‘দর্’ যোগে গঠিত- দরপত্তনী, পরপাট্টা, দরদালান।

--------------------
• উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসব শব্দখণ্ড বা শব্দাংশ ধাতুর পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে বলে উপসর্গ। 

• বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. খাঁটি বাংলা উপসর্গ,
২. সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ এবং
৩. বিদেশি উপসর্গ।

• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজস্ব উপসর্গকে খাঁটি বাংলা উপসর্গ বলা হয়। খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি।
যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

[বাংলা উপসর্গের মধ্যে আ, সু, বি, নি এই চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়।]

• সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসকল সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহার করা হয় তাদের সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলে। সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০টি।
যথা:  প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।

• বিদেশি উপসর্গ:
আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি এসব ভাষার বহু শব্দ দীর্ঘকাল ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত আছে।
এছাড়া কিছু বিদেশি উপসর্গও বাংলায় চালু আছে।

• বিদেশি উপসর্গ অনির্দিষ্ট বা অনির্ণেয়।
যেমন:
- আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা, গর, বাজে এবং খয়ের।
- ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
- উর্দু উপসর্গ: হর।
- ইংরেজি উপসর্গ: হেড, সাব, ফুল, হাফ।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ এবং মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
১৬.
‘গভীর রাত্রি’ এক কথায় কী বলে?
  1. ত্রিযামা
  2. অমাবস্যা
  3. তমিস্রা
  4. নিশীথ
  5. সৌপ্তিক
সঠিক উত্তর:
নিশীথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিশীথ
ব্যাখ্যা
• ‘গভীর রাত্রি’ এক কথায় বলে - নিশীথ।

• গুরুত্বপূর্ণ কিছু এক কথায় প্রকাশ হলো:
- 'কৃষ্ণপক্ষের শেষ তিথি' - অমাবস্যা।
- ‘ঘোর অন্ধকার রাত্রি’ - তামসী, তমিস্রা।
- ‘রাত্রির তিন ভাগ একত্রে’ - ত্রিযামা।
- ‘রাতের শিশির’ - শবনম।
- ‘রাত্রির প্রথম ভাগ’  -পূর্বরাত্র।
- ‘রাত্রির মধ্যভাগ’ - মহানিশা। 
- ‘রাত্রিকালীন যুদ্ধ’ - সৌপ্তিক।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৭.
বিশেষণ কোন পদের গুণ, দোষ, সংখ্যা, পরিমাণ, অবস্থা ইত্যাদি প্রকাশ করে?
  1. সর্বনাম ও অব্যয়
  2. ক্রিয়া ও বিশেষ্য
  3. বিশেষ্য ও সর্বনাম
  4. বিশেষ্য ও ক্রিয়াবিশেষণ
  5. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
ব্যাখ্যা
• বিশেষণ:
যে পদ সাধারণত বিশেষ্য, সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের গুণ, দোষ, সংখ্যা, পরিমাণ, অবস্থা ইত্যাদি প্রকাশ করে তাকে বিশেষণ পদ বলে।

শব্দটি কীভাবে গঠিত, কোন শ্রেণির শব্দকে বিশেষিত করে এবং বাক্যের মধ্যে বিশেষণের অবস্থান কোথায় এসব বিবেচনায় বিশেষণকে নানা নামে উপস্থাপন করা যেতে পারে। যেমন:
- বর্ণবাচক বিশেষণ,
- গুণবাচক বিশেষণ,
- অবস্থানবাচক বিশেষণ,
- ক্রমবাচক বিশেষণ,
- পূরণবাচক বিশেষণ,
- পরিমাণবাচক বিশেষণ,
- উপাদানবাচক বিশেষণ,
- প্রশ্নবাচক বিশেষণ,
- নির্দিষ্টতাবাচক বিশেষণ,
- ভাববাচক বিশেষণ,
- বিধেয় বিশেষণ ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-১৯ সংস্করণ)।
১৮.
‘দানের বিপরীত’ ব্যাসবাক্যটি কোন সমাস নির্দেশ করে?
  1. নিত্য সমাস
  2. তৎপুরুষ সমাস
  3. কর্মধারয় সমাস
  4. বহুব্রীহি সমাস
  5. অব্যয়ীভাব সমাস
সঠিক উত্তর:
অব্যয়ীভাব সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অব্যয়ীভাব সমাস
ব্যাখ্যা
• অব্যয়ীভাব সমাস:
অব্যয় পদ পূর্বে বসে যে-সমাস হয় এবং যেখানে পূর্বপদের অর্থ প্রাধান্য পায় তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়ের অর্থযোগে ব্যাসবাক্য গঠিত হয়। উপসর্গ একপ্রকার অব্যয়।  তাই উপসর্গযোগে গঠিত সব শব্দই অব্যয়ীভাব সমাস। এ সমাসের ব্যাসবাক্যে অব্যয়ের নাম বা প্রকৃতির উল্লেখ করা হয় না। কেবল অব্যয়ের অর্থ সহযোগে ব্যাসবাক্য গঠিত হয়।

অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ:
- শ্রীর অভাব = বিশ্রী;
- মরণ পর্যন্ত = আমরণ;
- দানের বিপরীত = প্রতিদান;
- জেলার সদৃশ = উপজেলা;
- বিঘ্নের অভাব = নির্বিঘ্ন;
- ঈষৎ নত = আনত;
- অন্য মত = মতান্তর;
- আমিষের অভাব = নিরামিষ;
- একটি লোক = লোকটি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৯.
‘বাস্তঘুঘু’ বাগ্‌ধারাটি কী অর্থ প্রকাশ করে?
  1. ক্রোধী লোক
  2. সুসময়ের বন্ধু
  3. অতি ধূর্ত লোক
  4. বিচক্ষণ ব্যক্তি
  5. নিষ্ঠুর ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
অতি ধূর্ত লোক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতি ধূর্ত লোক
ব্যাখ্যা
• ‘বাস্তঘুঘু’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ - অতি ধূর্ত লোক।

অন্যদিকে,
• ‘ফোঁস মনসা’ অর্থ - ক্রোধী লোক।
• ‘দুধের মাছি’ অর্থ - সুসময়ের বন্ধু।
• ‘ভূষণ্ডির কাক’ অর্থ - বিচক্ষণ ব্যক্তি।
• ‘যমের দোসর’ অর্থ - নিষ্ঠুর ব্যক্তি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।