পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৫১
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 14” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- ৪৭তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট⎯১
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫১ প্রশ্ন

.
ফররুখ আহমদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. সিরাজাম মুনিরা
  2. হাতেমতায়ী
  3. সাত সাগরের মাঝি
  4. মুহূর্তের কবিতা
ব্যাখ্যা

• ফররুখ আহমদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ হলো — গ) সাত সাগরের মাঝি।

-------------------------
ফররুখ আহমদ ও তাঁর সাহিত্যকীর্তি:


জন্ম ও পরিচয়:
ফররুখ আহমদ ছিলেন বাংলাদেশের একজন খ্যাতনামা মুসলিম পুনর্জাগরণবাদী কবি। তিনি ১৯১৮ সালের ১০ জুন, মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার মাঝাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। সাহিত্যজগতে তাঁর আবির্ভাব ঘটে কিশোর বয়সেই। তিনি বাংলা কবিতায় মুসলিম সংস্কৃতির পুনর্জাগরণ, ইসলামি ঐতিহ্যের চেতনা ও জাতীয়তার উন্মেষ ঘটান।

সাহিত্যজীবনের সূচনা ও খ্যাতি: 
১৯৪৪ সালে কলকাতার দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে লেখা ‘লাশ’ কবিতার মাধ্যমে ফররুখ আহমদ প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন।
একই বছর প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ সাত সাগরের মাঝি, যা তাঁকে খ্যাতির শীর্ষে নিয়ে যায়।
 
সাত সাগরের মাঝি (১৯৪৪) কাব্যগ্রন্থ:
• এটি ফররুখ আহমদের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
• রচনাকাল: ১৯৪৩–৪৪ খ্রিষ্টাব্দ।
• প্রকাশকাল: ১৯৪৪ খ্রিষ্টাব্দ।
• এতে মোট ১৯টি কবিতা সংকলিত হয়েছে।
• উল্লেখযোগ্য কবিতা:
- সিন্দবাদ, পাঞ্জেরি, লাশ, আউলাদ, দরিয়ার শেষরাত্রি, সাত সাগরের মাঝি ইত্যাদি।

কাব্যগ্রন্থটির বৈশিষ্ট্য:
- মুসলিম জাগরণের লক্ষ্যে কবিতাগুলো লেখা হয়েছে।
- বাংলা প্রচলিত শব্দ পরিত্যাগ করে কবি বহু অপ্রচলিত আরবি-ফারসি শব্দ ব্যবহার করেছেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী বিরূপ সমাজ বাস্তবতা প্রতিফলিত হয়েছে।
 
উল্লেখযোগ্য কাব্য ও গ্রন্থসমূহ:
• আজাদ কর পাকিস্তান;
• সিরাজাম মুনীরা;
• হে বন্য স্বপ্নেরা;
 ইকবালের নির্বাচিত কবিতা;
• কাফেলা;
• হাবেদা মরুর কাহিনী;
• তসবির নামা;
• দিলরুবা;
• ঐতিহাসিক অনৈতিহাসিক কাব্য;
• অনুস্বার;
• ধোলাই কাব্য।
 
নাটক, কাহিনিকাব্য ও অন্যান্য রচনা:
• নৌফেল ও হাতেম (১৯৬১) → কাব্যনাট্য।
• মুহূর্তের কবিতা (১৯৬৩) → সনেট সংকলন।
• হাতেমতায়ী (১৯৬৬) → কাহিনিকাব্য, এর জন্য তিনি আদমজি পুরস্কার পান।
• পাখির বাসা (১৯৬৫) → শিশুতোষ গ্রন্থ, এর জন্য ১৯৬৬ সালে ইউনেস্কো পুরস্কার লাভ করেন।
 
পুরস্কার ও সম্মাননা:
• বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৬০);
• প্রেসিডেন্ট পুরস্কার Pride of Performance (১৯৬১);
• আদমজি পুরস্কার (১৯৬৬);
• ইউনেস্কো পুরস্কার (১৯৬৬);
• মরণোত্তর একুশে পদক (১৯৭৭);
• স্বাধীনতা পুরস্কার (১৯৮০)।
 
কবির মৃত্যু:
১৯৭৪ সালের ১৯ অক্টোবর, ঢাকায় ফররুখ আহমদের মৃত্যু হয়।
-----------------
অন্য অপশন:

সিরাজাম মুনিরা:
- সিরাজাম মুনিরা ফররুখ আহমদের একটি বিখ্যাত কাব্য।
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯৫২ সালে।
- এই কাব্যে মোট কবিতা হচ্ছে ১৯ টি।
- এই কাব্যের প্রথম কবিতা হচ্ছে সিরাজাম মুনিরা।

• মুহূর্তের কবিতা:
- গ্রন্থটি ১৯৬৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এতে মোট ৯৩টি সনেট কবিতা রয়েছে যা শেক্সপীরিয়-পেত্রার্কীয় রীতিতে ৬৮ অক্ষর চরণ মাত্রায় রচিত।
- উল্লেখযোগ্য কবিতা: মুহূর্তের কবিতা, অশান্ত পৃথিবী, পরিচিতি, ধানের কবিতা ইত্যাদি। 

• 'হাতেমতায়ী' কাব্যগ্রন্থ:
- রচনা করেন - ফররুখ আহমদ।
- এটি ১৯৬৬ সালে প্রকাশিত হয়।

উৎস: 
১. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২. বাংলাপিডিয়া।
৩. দৈনিক পত্রিকা।
৪. সাত সাগরের মাঝি, ফররুখ আহমদ।

.
প্রাতিপদিকের সঙ্গে কোন শব্দের সম্পর্ক বিদ্যমান?
  1. অব্যয়বাচক শব্দ
  2. ক্রিয়াবাচক শব্দ
  3. বিশেষণবাচক শব্দ
  4. নামবাচক শব্দ
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) নামবাচক শব্দ।
-----------------
• প্রাতিপদিক: 
বিভক্তিহীন নাম শব্দকে বলে প্রাতিপদিক।
যেমন:
লাজ, বড়, ঘর এ শব্দগুলোর সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত হয়নি সুতরাং এগুলো প্রাতিপদিক।

উল্লেখ্য,
- ধাতু যেমন কৃৎ-প্রত্যয়ের প্রকৃতি, তেমনি প্রাতিপদিকও তদ্ধিত প্রত্যয়ের প্রকৃতি।
- প্রত্যয় যুক্ত হলে ধাতুকে বলা হয় ক্রিয়া প্রকৃতি এবং প্রাতিপদিককে বলা হয় নাম প্রকৃতি।

উদাহরণস্বরূপ:
বাংলা ব্যাকরণে প্রাতিপদিক বলতে নামবাচক শব্দের (বিশেষ্য বা সর্বনাম) মূল রূপ বোঝায়, যা বিভক্তি বা প্রত্যয় গ্রহণ করে সম্পূর্ণ শব্দ গঠন করে। উদাহরণ: ‘ঘর’ একটি প্রাতিপদিক, যার সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়ে ‘ঘরের’ হয়। প্রাতিপদিক সাধারণত নামবাচক শব্দ (বিশেষ্য বা সর্বনাম)-এর মূল অংশ হিসেবে কাজ করে।

----------------------
অপশন আলোচনা:

ক) অব্যয়বাচক শব্দ:
অব্যয়বাচক শব্দ (যেমন, আর, কিন্তু, যদি) অর্থ প্রকাশে সাহায্য করে কিন্তু বিভক্তি গ্রহণ করে না। প্রাতিপদিকের সঙ্গে এর কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই।


খ) ক্রিয়াবাচক শব্দ:
ক্রিয়াবাচক শব্দ (যেমন, যাওয়া, খাওয়া) কাজ বা অবস্থা বোঝায় এবং প্রাতিপদিকের মতো বিভক্তি গ্রহণ করে না। তাই এটি প্রাতিপদিকের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।


গ) বিশেষণবাচক শব্দ:
বিশেষণবাচক শব্দ (যেমন, সুন্দর, বড়) নামবাচক শব্দের গুণ বর্ণনা করে, কিন্তু এগুলো নিজে প্রাতিপদিক নয়। প্রাতিপদিকের সঙ্গে এর পরোক্ষ সম্পর্ক থাকলেও সরাসরি সম্পর্ক নেই।


উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ ২০২১), বাংলা ব্যাকরণ, বাংলা একাডেমি।

.
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — 'নীল-দর্পণ'কে কোন বইয়ের সাথে তুলনা করেন?
  1. Uncle Tom's Cabin
  2. Gulliver's Travels
  3. Oliver Twist
  4. Apple of Discord
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: ক) Uncle Tom's Cabin.

Uncle Tom's Cabin — এর সাথে তুলনার কারণ: 
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় দীনবন্ধু মিত্রের নাটক ‘নীল-দর্পণ’-কে আমেরিকান লেখিকা — হ্যারিয়েট বিচার স্টো-র উপন্যাস — ‘Uncle Tom's Cabin’-এর সঙ্গে তুলনা করেন। এই তুলনার কারণ হলো উভয় রচনাই — শোষণ ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিবাদের শক্তিশালী দলিল। ‘নীল-দর্পণ’ ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনকালে নীলচাষীদের উপর নীলকর সাহেবদের অত্যাচার এবং কৃষকদের দুর্দশার চিত্র তুলে ধরে, যা নীলবিদ্রোহে ইন্ধন জোগায়। একইভাবে, ‘Uncle Tom's Cabin’ — আমেরিকায় দাসপ্রথার অমানবিকতা এবং ক্রীতদাসদের দুর্দশার বিরুদ্ধে লেখা একটি প্রভাবশালী রচনা, যা আমেরিকার গৃহযুদ্ধের পটভূমিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
----------------
• 'নীল-দর্পণ' — নাটক সম্পর্কিত তথ্য:

বাংলা নাট্যসাহিত্যে দীনবন্ধু মিত্র রচিত নীল-দর্পণ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। নাটকটি প্রথম প্রকাশিত হয় — ১৮৬০ সালে ঢাকা থেকে — কস্যচিৎ পথিকস্য ছদ্মনামে।

নাটকটি রচনার প্রেক্ষাপট:
এ নাটকের মূল বিষয়বস্তু ছিলো — সমকালের নীলচাষ, নীলকর সাহেবদের প্রজাপীড়ন এবং শাসকশ্রেণীর পক্ষপাতমূলক আচরণ। নাটকটি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই সমাজে আলোড়ন তোলে এবং কৃষকদের নীলবিদ্রোহে অনুপ্রাণিত করে।

নাটকটি সম্পর্কে কিছু বিশেষ তথ্য:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় নাটকটিকে — Uncle Tom’s Cabin-এর সঙ্গে তুলনা করেন।
- এটি প্রথম বিদেশি ভাষায় অনূদিত বাংলা নাটক।
- ইংরেজি নাম: Nil Darpan or The Indigo Planting Mirror (১৮৬১)
- অনুবাদক: মাইকেল মধুসূদন দত্ত (A Native)
- প্রকাশক: পাদ্রি জেমস লং (নাটকটি প্রকাশের অভিযোগে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হন)।
- ৭ ডিসেম্বর ১৮৭২ সালে সাধারণ রঙ্গালয়-এ নাটকটির অভিনয় শুরু হয়।
----------------

সাহিত্যিক পরিচিত:
দীনবন্ধু মিত্র ছিলেন একজন প্রখ্যাত — নাট্যকার। তিনি জন্মগ্রহণ করেন — ১৮৩০ সালে — পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার চৌবেড়িয়া গ্রামে। তাঁর পিতৃদত্ত নাম ছিল — গন্ধর্বনারায়ণ। দারিদ্র্যের মধ্যেও তিনি সাহিত্যচর্চায় মন দেন। কলেজজীবনে তিনি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সংস্পর্শে আসেন এবং তাঁর অনুপ্রেরণায় কবিতা লেখা শুরু করেন। প্রথম দিকে তাঁর কবিতা প্রকাশিত হয় — সংবাদ প্রভাকর, সংবাদ সাধুরঞ্জন পত্রিকায়। তবে তিনি সর্বাধিক খ্যাতি অর্জন করেন নাটক ও প্রহসন রচনার মাধ্যমে।

দীনবন্ধু মিত্র সম্পর্কিত কিছু গুরুতপূর্ণ তথ্য:
তিনি কলেজে পড়ার সময়ই ঈশ্বর গুপ্তের সংস্পর্শে গিয়ে সংবাদ প্রভাকর, সাধুরঞ্জন প্রভৃতি পত্রিকায় কবিতা লিখতে শুরু করেন।
• শ্রেষ্ঠ নাটক: নীল-দর্পণ।
• তাঁর কাব্যগ্রন্থ- দ্বাদশ কবিতা ও সুরধুনী কাব্য।
• বিয়ে পাগলা বুড়ো ও জামাই বারিক দুটি প্রহসন।

উল্লেখযোগ্য নাটকসমূহ:
- নবীন তপস্বিনী;
- লীলাবতী;
- কমলে কামিনী।

অন্যদিকে,
খ) Gulliver's Travels: জোনাথন সুইফটের এই রচনা একটি ব্যঙ্গাত্মক কাল্পনিক ভ্রমণকাহিনী, যা ‘নীল-দর্পণ’-এর সামাজিক প্রতিবাদের সঙ্গে মেলে না।
গ) Oliver Twist: চার্লস ডিকেন্সের এই উপন্যাস দরিদ্র শিশুদের দুর্দশা ও সামাজিক অবিচার নিয়ে লেখা, কিন্তু বঙ্কিমচন্দ্র এটির সঙ্গে ‘নীল-দর্পণ’-এর তুলনা করেননি।
ঘ) Apple of Discord: মাইকেল মধুসূদন দত্ত 'পদ্মাবতী' নাটকটি গ্রীক পুরাণের প্রসিদ্ধ গল্প "Apple of Discord" এর ছায়া অবলম্বন করে রচনা করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া; ব্রিটানিকা।

.
'কথিত' শব্দটির গঠন কোনটি?
  1. উপসর্গ + মূল শব্দ
  2. উপসর্গ + ধাতু + প্রত্যয়
  3. ধাতু + প্রত্যয়
  4. দুটি শব্দের সন্ধি
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর — গ) ধাতু + প্রত্যয়।

'কথিত' শব্দের গঠন বিশ্লেষণ:
— কথ্ = ধাতু (√ কথ্ = বলা);
— ইত = প্রত্যয় (কৃত প্রত্যয়);
— কথ্ + ইত = কথিত।

ব্যাখ্যা:
'কথিত' শব্দটি 'কথ্' ধাতুর সাথে 'ইত' কৃত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে। এর অর্থ 'যা বলা হয়েছে' বা 'উক্ত'।

অনুরূপ উদাহরণ:
— লিখ্ + ইত = লিখিত (যা লেখা হয়েছে)।
— পঠ্ + ইত = পঠিত (যা পড়া হয়েছে)।
— শুোন্ + ইত = শ্রুত > শোনিত (যা শোনা হয়েছে)।
— রক্ষ্‌ + ইত = রক্ষিত (যা রক্ষা হয়েছে)।

উল্লেখ্য, 
'ইত' প্রত্যয়টি ধাতুর সাথে যুক্ত হয়ে কৃদন্ত পদ গঠন করে এবং সাধারণত অতীত কালের ভাব বা সম্পন্ন কাজ বোঝায়।
 
 উৎস: ভাষা-শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি- নবম ও দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

.
“সে দ্রুত দৌড়াল।” এখানে 'দ্রুত' শব্দটি কোন পদ?
  1. ক্রিয়া
  2. বিশেষ্য 
  3. বিশেষণ
  4. ক্রিয়া বিশেষণ 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর — ঘ) ক্রিয়া বিশেষণ।
---------------

ক্রিয়াবিশেষণ:
যে শব্দ ক্রিয়াকে বিশেষিত করে, তাকে ক্রিয়া বিশেষণ বলে।

নিচের বাক্যে নিম্নরেখ শব্দগুলাে ক্রিয়া বিশেষণের উদাহরণ:
- ছেলেটি দ্রুত দৌড়ায়।
- লোকটি ধীরে হাঁটে।
এখানে, দ্রুত, ধীরে — শব্দগুলো হলো ক্রিয়া বিশেষণ।

প্রশ্নে দেওয়া বাক্যটি হলো: “সে দ্রুত দৌড়াল।”
 — ‘দ্রুত’ শব্দের অর্থ হলো — ‘শীঘ্র’ বা ‘তাড়াতাড়ি’। এটি বাক্যে ‘দৌড়াল’ ক্রিয়াটির গতি বা পদ্ধতি বর্ণনা করছে।
এ বাক্যে, ‘দ্রুত’ — ক্রিয়া ‘দৌড়াল’- এর গুণ বা অবস্থা বিশেষিত করছে, যা ক্রিয়া-বিশেষণের বৈশিষ্ট্য।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি- নবম ও দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

.
'বাব-এল-মান্দেব' কোন ভাষার শব্দ?
  1. ফারসি 
  2. তুর্কি 
  3. আরবি 
  4. ইয়েমেনি
ব্যাখ্যা

• National Geographic Website ও Collins Dictionary অনুসারে, 
'বাব-এল-মান্দেব' -আরবি ভাষা থেকে আগত শব্দ যার অর্থ - “Gate of Tears” or “Gate of Grief”।




• Britannica অনুসারে,
The strait’s Arabic name means “the gate of tears,” so called from the dangers that formerly attended its navigation. 

Breakdown of the Arabic words: 
Bab (باب): This Arabic word means "gate".
Mandeb (مندب or منداب): This word translates to "lamentation" or "grief".

বাব এল-মান্দেব প্রণালী (Bab el-Mandeb Strait):
- বাব এল-মান্দেব প্রণালী এশিয়া থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে।
- বাব এল-মান্দেব লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরকে সংযোগকারী একটি প্রণালী।
- বাবেল মান্দেব প্রণালী আরব (উত্তরপূর্ব) এবং আফ্রিকা (দক্ষিণ-পশ্চিম) মধ্যবর্তী প্রণালী এডেন উপসাগর এবং ভারত মহাসাগর এর সাথে সংযুক্ত করে।

উৎস: Britannica, National Geographic Website, and Collins Dictionary.

.
মনোএল দা আসসুম্পসাঁউ তাঁর বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেছিলেন—
  1. একটি স্বতন্ত্র গ্রন্থ হিসেবে
  2. বাংলা-পর্তুগিজ অভিধানের ভূমিকা অংশ হিসেবে
  3. একটি সাহিত্য গ্রন্থের অংশ হিসেবে
  4. ধর্মীয় গ্রন্থের অংশ হিসেবে
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: খ) বাংলা-পর্তুগিজ অভিধানের ভূমিকা অংশ হিসেবে।

----------------------
বাংলা ব্যাকরণ রচনার ইতিহাস:


প্রথম পর্যায়:
• প্রথম বাংলা ব্যাকরণ প্রকাশিত হয় — ১৭৪৩ সালে।
• এটি পর্তুগিজ ভাষায় রচিত, লেখক ছিলেন — মনোএল দা আসসুম্পসাঁউ।
• তিনি তাঁর — বাংলা-পর্তুগিজ অভিধানের ভূমিকাংশ হিসেবে এই ব্যাকরণ রচনা করেন।
 
ইংরেজি ভাষায় বাংলা ব্যাকরণ:
• ১৭৭৮ সালে প্রকাশিত হয় — নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড প্রণীত বাংলা ব্যাকরণ।
• নাম: A Grammar of the Bengal Language. এটি ইংরেজি ভাষায় রচিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাংলা ব্যাকরণ।
• ১৮০১ সালে — উইলিয়াম কেরি ইংরেজি ভাষায় রচনা করেন — A Grammar of the Bengalee Language। এর বঙ্গানুবাদ করেন — জন রবিনসন (১৮৪৬)।
 
বাংলা ভাষায় রচিত ব্যাকরণ:
• ১৮৩৩ সালে প্রকাশিত হয় — রামমোহন রায়ের — ‘গৌড়ীয় ব্যাকরণ’।
• এটি বাংলা ভাষায় রচিত — প্রথম বাংলা ব্যাকরণ।
 
উৎস:
- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (নবম-দশম শ্রেণি, সংস্করণ ২০২১)।
- বাংলাপিডিয়া।

.
বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত সর্বপ্রথম যে পত্রিকায় প্রকাশিত হয় - 
  1. ঢাকা প্রকাশ 
  2. সমকাল 
  3. বঙ্গদর্শন 
  4. শিখা 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) বঙ্গদর্শন।
---------------------
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত: ‘আমার সোনার বাংলা’ সম্পর্কিত বিস্তারিত- 

রচনা ও প্রেক্ষাপট:
• ‘আমার সোনার বাংলা’ রচনা করেছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
• বিশ শতকের প্রথম দুই দশকে স্বদেশী আন্দোলনের সময় গানটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল।
• ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গবিরোধী রাজনীতিক, স্বদেশী কর্মী ও বিপ্লবীরা বাঙালি জনগণকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে এই গান প্রচার করেন।
• গানটি ব্রিটিশদের বঙ্গভঙ্গ প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করে রচিত।
 
সঙ্গীত ও প্রকাশনা:
• ‘আমার সোনার বাংলা’ সঙ্গীতটির — প্রথম ১০ পঙ্‌ক্তি বর্তমানে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত।
• গানটি রবীন্দ্রনাথের — ‘গীতবিতান’ এর — স্বরবিতান অংশভুক্ত।
• সুর করেছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর স্বয়ং, তবে এতে বাউল — গগন হরকরার সুরের প্রভাব পড়েছিল।
• প্রথম প্রকাশ: ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকায়, ১৩১২ বঙ্গাব্দ (১৯০৫)।
 
‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকা:
- প্রথম প্রকাশ: ১৮৭২ সালে, সম্পাদক: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
- বঙ্গদর্শনের প্রধান লেখক বঙ্কিমচন্দ্র হলেও গঙ্গাচরণ, রামদাস সেন, অক্ষয় সরকার, চন্দ্রনাথ বসু প্রমুখ পন্ডিতও এতে নিয়মিত লিখতেন।
- বঙ্কিমচন্দ্রের পরে তাঁর ভাই সঞ্জীবচন্দ্র ও শ্রীশচন্দ্র স্বল্প সময় বঙ্গদর্শন সম্পাদনা করেন।
 ------------------
অন্য আলোচনা:

• 'ঢাকা প্রকাশ' পত্রিকা: 
- 'ঢাকা প্রকাশ' হলো ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলা সংবাদপত্র।
- এটির সম্পাদক ছিলেন কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার।
- পত্রিকাটি ১৮৬১ সালের ৭ মার্চ বাবুবাজারের ‘বাঙালা যন্ত্র’ থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়। ঢাকা প্রকাশ প্রায় ১০০ বছর টিকে ছিলো।
- ঢাকা প্রকাশের প্রথম সম্পাদক ছিলেন কবি কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার। পরিচালকগণের মধ্যে প্রধান ছিলেন ব্রজসুন্দর মিত্র, দীনবন্ধু মৌলিক, ঈশ্বরচন্দ্র বসু, চন্দ্রকান্ত বসু প্রমুখ। ।

• ‘সমকাল' পত্রিকা:
- সিকান্দার আবু জাফর সম্পাদিত ১৯৫৭ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকা থেকে প্রকাশিত মাসিক সাহিত্যপত্র ‘সমকাল'।
- এর সহকারী সম্পাদক ছিলেন হাসান হাফিজুর রহমান। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান, আজকের বাংলাদেশের আধুনিক সাহিত্যের বীজতলা নির্মাণে ‘সমকালে’র ভূমিকা অনস্বীকার্য।

• 'শিখা' পত্রিকা:
- ১৯২৬ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত মুসলিম সাহিত্য-সমাজের মুখপত্র ছিল শিখা পত্রিকাটি।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি ও বাণিজ্য বিভাগের অধ্যাপক আবুল হুসেন ছিলেন শিখা পত্রিকার প্রথম সংখ্যার সম্পাদক। শিখা বছরে একবার প্রকাশিত হত।
- প্রথম সংখ্যার প্রকাশকাল চৈত্র ১৩৩৩ (৮ এপ্রিল ১৯২৭)।

• অপশনের এই পত্রিকাগুলোতে - “আমার সোনার বাংলা” প্রকাশিত হয়নি।

উৎস:
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
- বাংলাপিডিয়া।

.
"কাআ তরুবর পাঞ্চ বি ডাল।" - চর্যাপদের এই পঙ্‌ক্তিটিতে “পাঞ্চ বি ডাল” দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
  1. পঞ্চতত্ত্ব
  2. পঞ্চ প্রাণ
  3. পঞ্চশর
  4. পঞ্চ ইন্দ্রিয়
ব্যাখ্যা

• ''কাআ তরুবর পাঞ্চ বি ডাল
চঞ্চল চীএ পইঠা কাল।।'' — পঙ্‌ক্তিটির রচয়িতা: লুইপা।
 — এটি চর্যাপদের প্রথম পদ।

• পদটির আধুনিক বাংলায় রূপান্তর এরকম — 
''কায়া তরুর মত, পাঁচটি তার ডাল
চঞ্চল চিত্তে কাল প্রবেশ করেছে।।''

অন্তর্নিহিত ভাব:
মানুষের দেহকে একটি গাছের সাথে তুলনা করা হয়েছে , যার পাঁচটি শাখা হল পঞ্চ ইন্দ্রিয়। শরীরের পাঁচ ইন্দ্রিয় পাঁচটি ডালস্বরূপ। এই পঞ্চেন্দ্রিয় দ্বারা বাইরের বস্তুজগতের সঙ্গে মানুষের নিত্য জানাশোনার পালা চলছে।য় (চোখ, কান, নাক, জিহ্বা, ত্বক)।
অর্থ্যাৎ, 
চর্যাপদের গূঢ়/রহস্যমূলক ভাষায় “তরু”= দেহ, “ডাল/শাখা”= ইন্দ্রিয়। “পাঞ্চ বি ডাল” বলতে দেহ-তরুর — পাঁচটি ইন্দ্রিয় (চক্ষু, কর্ণ, ঘ্রাণ, জিহ্বা, ত্বক) বোঝানো হয়েছে।
--------------------
'লুইপা' সম্পর্কিত তথ্য:
- তিনি প্রবীণ বৌদ্ধসিদ্ধাচার্য ও চর্যাপদের কবি ছিলেন।
- মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌র অনুমান: ৭৩০ থেকে ৮১০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে লুইপা জীবিত ছিলেন।
- তিনি চর্যাপদে — দুটি পদ লিখেছেন।
- লুইপা চর্যাপদের — ১ ও ২৯ নং পদ রচনা করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, চর্যাগীতিকা, মুহম্মদ আদুল হাই ও আনোয়ার পাশা।

১০.
'ঈষৎ নীলবর্ণ' এর এক কথায় প্রকাশ কী? 
  1. নীলিম
  2. অনিল
  3. নীলাভ
  4. নীলা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) নীলাভ।

ব্যাখ্যা:
-'ঈষৎ নীলবর্ণ' অর্থ বোঝায় — সামান্য বা হালকা নীল রঙের।
- এর এক কথায় প্রকাশ হলো — 'নীলাভ'।

অন্যান্য অপশনগুলোর অর্থ:
- নীলিম — নীল বর্ণযুক্ত (সম্পূর্ণ নীল, সামান্য নয়)।
- অনিল — বাতাস।
- নীলা — মূল্যবান নীলাভ রত্নবিশেষ।

'আভ' প্রত্যয়ের ব্যবহার:
- 'আভ' প্রত্যয় যোগ করে 'সামান্য' বা 'হালকা' অর্থ প্রকাশ করা হয়।
যেমন- 
 — নীল + আভ = নীলাভ (ঈষৎ নীলবর্ণ)।
 — পীত + আভ = পীতাভ (ঈষৎ হলুদবর্ণ)।
 — শ্বেত + আভ = শ্বেতাভ (ঈষৎ সাদাবর্ণ)।

সুতরাং 'ঈষৎ নীলবর্ণ' এর সঠিক এক কথায় প্রকাশ — 'নীলাভ'।
 
অনুরূপ কিছু এক কথায় প্রকাশ:
• "ইষৎ রক্তবর্ণ" — 'আরক্ত'।
• 'ইষৎ উষ্ণ' — 'কবোষ্ণ'।
• 'ঈষৎ কম্পিত' — 'আধুত'।

উৎস:
- বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধানা, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।

১১.
'নীলকমল' — কোন সমাস?
  1. বহুব্রীহি
  2. কর্মধারয়
  3. দ্বন্দ্ব
  4. তৎপুরুষ
ব্যাখ্যা

• কর্মধারয় সমাস:
যে সমাসে পরপদের অর্থ-প্রাধান্য থাকবে এবং পূর্বপদটি পরপদের বিশেষণের মত কাজ করবে, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। 
যেমন:
নীল যে কমল = নীলকমল, এখানে পূর্বপদ 'নীল' — পরপদ কমলের বিশেষণ এবং 'নীলকমল' শব্দে কমলের‌ই অর্থ প্রাধান্য। তাই, এটি কর্মধারয় সমাস।

 অন্যদিকে, 
• বহুব্রীহি সমাস:
- যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনােটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কিছু বােঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমন:
- বউ ভাত পরিবেশন করে যে অনুষ্ঠানে = বউভাত,
- লাঠিতে লাঠিতে যে যুদ্ধ = লাঠালাঠি ইত্যাদি।

দ্বন্দ্ব সমাস:
- যে সমাসে সমস্যমান পদ্গুলোর প্রতিটিতেই অর্থ প্রাধান্য থাকে তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
যেমন:
- ভাইবোন,
- তালতমাল ইত্যাদি।

তৎপুরুষ সমাস:
- পূর্বপদের বিভক্তির লোপে যে সমাস হয় এবং যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায় তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে।
যেমন:
- ছাত্রের সমাজ = ছাত্রসমাজ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম (২০১৯ ও ২০২২ সংস্করণ)।

১২.
নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. প্রোজ্বলিত
  2. বিভিষীকা
  3. অন্তঃসত্ত্বা
  4. অন্যপুর্বা
ব্যাখ্যা

• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'অন্তঃসত্ত্বা' — শুদ্ধ বানান।



অন্যদিকে, 
• 'বিভিষীকা' এর সঠিক বানান - 'বিভীষিকা'। 
• 'প্রোজ্বলিত' এর শুদ্ধ বানান - প্রজ্বলিত।
• 'অন্যপুর্বা' এর শুদ্ধ বানান - অন্যপূর্বা।

উৎস: বাংলা বানান অভিধান, বাংলা একাডেমি।

১৩.
পুঁথি সাহিত্যের ভাষা কীরূপ?
  1. ফারসি
  2. বাংলা
  3. আরবি 
  4. মিশ্র
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) মিশ্র।
------------------
'পুথি সাহিত্য' সম্পর্কিত আলোচনা:


পরিচয়:
• ‘পুথি’ শব্দটির উৎপত্তি পুস্তিকা থেকে; সাধারণ অর্থে যেকোনো গ্রন্থকে বোঝায়, কিন্তু পুথি সাহিত্য বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়।
• পুথি সাহিত্য — আরবি, উর্দু, ফারসি ও হিন্দি ভাষার মিশ্রণে রচিত এক বিশেষ শ্রেণীর বাংলা সাহিত্য।

• এর রচয়িতা ও পাঠক উভয়ই ছিল মুসলমান সম্প্রদায়।
• ব্যাপ্তিকাল: আঠারো থেকে উনিশ শতক।
 
বৈশিষ্ট্য ও প্রচার:
- রেভারেন্ড জেমস লং এ ভাষাকে বলেছেন ‘মুসলমানী বাংলা’, আর এ ভাষায় রচিত সাহিত্যকে বলেছেন ‘মুসলমানী বাংলা সাহিত্য’।
- কলকাতার বটতলার ছাপাখানার বদৌলতে প্রচার লাভ করে বলে এগুলি ‘বটতলার পুথি’ নামেও পরিচিত হয়।
- গবেষকগণ ভাষা-বৈশিষ্ট্য ও বাক্যরীতির দিক থেকে বিচার করে প্রথমে এগুলিকে — দোভাষী পুথি এবং পরবর্তীকালে — ‘মিশ্র ভাষারীতির কাব্য’ বলে অভিহিত করেন।
 
• ড. আনিসুজ্জামান তাঁর রচিত — 'মুসলিম মানস ও বাংলা সাহিত্য' গ্রন্থে এই শ্রেণির কাব্যের নাম সম্পর্কে বলেছেন - 
"কলকাতার সস্তা ছাপাখানা থেকে মুদ্রিত হয়ে এইধারার কাব্য দেশময় প্রচারিত হয়েছিল বলে — বটতলার পুঁথি নামেও একে চিহ্নিত করার প্রচেষ্টা চলেছে।"
 
উৎস:
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম;
- বাংলাপিডিয়া।

১৪.
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক রচনা নয় কোনটি?
  1. কবর
  2. আরেক ফাল্গুন
  3. যাপিত জীবন
  4. কী চাহ শঙ্খচিল
ব্যাখ্যা

• ভাষা আন্দোলনভিত্তিক রচনা:
- কবর;
- আরেক ফাল্গুন;
- যাপিত জীবন।

অন্যদিকে,
'কী চাহ শঙ্খচিল' - মমতাজউদদীন আহমদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক।
--------------------------
বিস্তারিত আলোচনা:

• 'কবর' নাটক:
- 'কবর' নাটকের পটভূমি হলো ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন।
- এটি ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম নাটক।
- জেলে বন্দি থাকা অবস্থায় ১৯৫৩ সালে বামপন্থী রণেশ দাশগুপ্ত জেলখানাতে ২১ ফেব্রুয়ারি উদযাপনের লক্ষে মুনীর চৌধুরীকে একটি নাটক লেখার অনুরোধ জানান।
- এই অনুরোধের ভিত্তিতে তিনি এ নাটকটি রচনা করেন।
- নাটকটি লেখক জেলে থাকা অবস্থায় রচনা করেন এবং ১৯৫৩ সালে জেলের রাজবন্দিদের দ্বারা নাটকটি প্রথম অভিনীত হয়।
- নাটকটি ১৯৬৬ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।

• 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাস:
- ভাষা আন্দোলন নিয়ে বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন'।
- এটি ১৯৫৫ সালের ভাষা দিবস ২১ ফেব্রুয়ারি পালনের অভিজ্ঞতায় লেখা।
- পুলিশ ভাষা দিবস পালনকারী অনেককে গ্রেপ্তার করলে একজন বলে - ‘আসছে ফাল্গুনে আমরা দ্বিগুণ হবো'।
- চরিত্র: মুনিম, আসাদ, রসুল, সালমা ইত্যাদি।
- এই উপন্যাসে বাঙালির জাতীয় ঐতিহাসিক ঘটনাকে রূপায়িত করা হয়েছে।
- 'কবর' মুনীর চৌধুরী রচিত ভাষা আন্দোলনের উপর রচিত প্রথম বাংলা নাটক।

• 'যাপিত জীবন' উপন্যাস:
- ভাষা-আন্দোলনের পটভূমিতে সেলিনা হোসেনের লেখা উপন্যাস 'যাপিত জীবন'।
- উপন্যাসের নায়ক জাফর জীবনের কথা বলে জীবনেরই বিনিময়ে।
- সেলিনা হোসেন জাফরের স্বচ্ছ প্রতীকচিত্রে বাঙালির শেকড় আর অস্তিত্বের কথা ঘোষণা করে তাঁর 'যাপিত জীবন'-এ ।
- জাফর প্রতিটি অণুমুহূর্তে ঘোষণা করে বেড়ায় তাঁর বাঙালি অস্তিত্ব। তাঁর শেকড়। নিজের মৃত্তিকারসে জারিত স্বকীয় বিকাশের সমস্ত প্রয়াস ভর করে বাঙালি জাতিসত্তার প্রতিনিধি জাফরের মাঝে। জাফর বাঙালি কণ্ঠের বলিষ্ঠ উৎসারণ।

• 'কী চাহ শঙ্খচিল' নাটক:
- মমতাজউদদীন আহমদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক।
- ১৯৮৩-৮৪ সালে এসে 'কী চাহ শঙ্খচিল' নাটকে মমতাজউদদীন আহমদ যেমন লিখলেন এক অনন্য প্রেম, স্বাধীনতা আর প্রতিবাদের কথা।
- যেখানে শঙ্খচিল আসলে হয়ে উঠলো সেই একাত্তরের শকুন।
- যে ছিল স্বাধীনতাকালীন সময়ের অশুভ শক্তি।
- যেখানে আমরা দেখি নাটকের প্রধান চরিত্র রৌশনারা হানাদারদের দ্বারা লাঞ্ছিত হওয়ার আগেই সন্তানসম্ভবা হয়।
- আর লোভী স্বামী বীরাঙ্গনা স্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে হয় অর্থের মালিক।
- নাটকটির মাধ্যমে বোঝা যায় কতখানি আত্মত্যাগের বিনিময়ে এসেছে স্বাধীনতা, এসেছে বাংলার এই মুক্তি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৫.
কাজী নজরুল ইসলাম রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুর স্মরণে কলকাতা বেতারে কোন কবিতার আবৃত্তি করেছিলেন?
  1. অস্তরবি
  2. রবিহারা
  3. ঘুমাইতে দাও শ্রান্ত রবিরে
  4. কবিগুরুর প্রয়াণ
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) রবিহারা।
-----------------
প্রেক্ষাপট ও তথ্য বিশ্লেষণ:
• ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮) রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুতে শোকাহত নজরুল তাৎক্ষণিকভাবে রচনা করেন,
—‘রবিহারা’ ও ‘সালাম অস্তরবি’ কবিতা;
— ‘ঘুমাইতে দাও শ্রান্ত রবিরে’ শোকসঙ্গীত।

• এর মধ্যে,
“রবিহারা” কবিতাটি নজরুল স্বকণ্ঠে কলকাতা বেতারে এবং গ্রামোফোন রেকর্ডে আবৃত্তি করেছিলেন। এই কবিতাটি রবীন্দ্রনাথের প্রতি নজরুলের গভীর শ্রদ্ধা ও শোকের প্রকাশ এবং বাংলা সাহিত্যে একটি ঐতিহাসিক রচনা।

উল্লেখ্য,
• ‘ঘুমাইতে দাও’ গানটিও কয়েকজন শিল্পীকে নিয়ে স্বকণ্ঠে গেয়েছিলেন। 
-------------
'রবিহারা' কবিতার অংশবিশেষ:
দুপুরের রবি পড়িয়াছে ধলে অস্ত- পথের কোলে
শ্রাবনের মেঘ ছুটে এল দলে দলে
উদাস গগন-তলে
বিশ্বের রবি, ভারতের কবি,
শ্যাম বাংলার হৃদয়ের ছবি
তুমি চলে যাবে বলে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৬.
আলাওল কোন শতকের কবি?
  1. ১৫ শতক
  2. ১৬ শতক
  3. ১৭ শতক
  4. ১৮ শতক
ব্যাখ্যা

• আলাওল:
- আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ কবি।
- আলাওল — ১৭শতক/ মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ মুসলিম কবি ছিলেন।
- আনুমানিক ১৬০৭ খ্রিস্টাব্দে ফরিদপুর জেলার ফতেয়াবাদ পরগনার জালালপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- 'পদ্মাবতী' তার প্রথম ও শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য, মাগন ঠাকুরের উৎসাহে তিনি এই কাব্য রচনা করেন। কবি মালিক মুহম্মদ জায়সির হিন্দি কাব্য পদুমাবৎ অবলম্বনে তিনি এটি রচনা করেন।
- কবি আলাওল আরাকান-রাজা উমাদারের রাজদেহরক্ষী অশ্বারোহীর পেশায় নিয়োজিত ছিলেন।

তাঁর রচিত গ্রন্থসমূহ:
- সিকান্দার নামা,
- তোহ্‌ফা,
- সপ্তপয়কর, 
- সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল,
- রাগতালনামা। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলাপিডিয়া।

১৭.
নিচের কোনটি উপসর্গযুক্ত শব্দ?
  1. পঙ্কজ 
  2. মাজরা 
  3. কদবেল 
  4. চর্মকার
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) কদবেল।

ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ হলো এমন শব্দাংশ যা কোনো ধাতু বা মূল শব্দের আগে যুক্ত হয়ে শব্দের অর্থ পরিবর্তন বা পরিবর্ধন করে। উপসর্গ সাধারণত ধাতু বা শব্দের সঙ্গে মিলে নতুন শব্দ গঠন করে।

‘কদবেল’ শব্দের গঠন বিশ্লেষণ:
কদবেল শব্দটি দুটি অংশে বিভক্ত করা যায়: কদবেল = কদ্ + বেল (কদ্ উপসর্গ + বেল)
এখানে, "কদ্" একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ যা নিন্দিত অর্থে ব্যবহৃত হয়।

অন্যান্য অপশনগুলো বিশ্লেষণ:
ক) পঙ্কজ - এটি একটি সমাসবদ্ধ শব্দ ('পঙ্কে জন্মে যে = পঙ্কজ'- বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ); উপসর্গযুক্ত নয়।

খ) মাজরা - এটি একটি দেশি শব্দ, উপসর্গযুক্ত নয়।

ঘ) চর্মকার - এটি একটি তদ্ভব শব্দ (চর্ম + কার = চর্মকার; সন্ধিজাত), উপসর্গযুক্ত নয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, (২০১৯ সংস্করণ); প্রমিত বাংলা ব্যবহারিক ব্যাকরণ, বাংলা একাডেমি।

১৮.
বাউল গান কী ধরনের সাহিত্য?
  1. মুখ্য সাহিত্য 
  2. গৌণ সাহিত্য
  3. তত্ত্ব সাহিত্য
  4. বজ্রযান সাহিত্য
ব্যাখ্যা

• বাউল গানকে — তত্ত্ব সাহিত্য বলা হয়।
---------------
বাউল গান ও বাউল সম্প্রদায়:

বাউল গান:
• বাউলদের আধ্যাত্মিক গানকে বাউল গান বা বাউল সংগীত বলা হয়।
• বাউলরা ধর্মীয় তত্ত্ব, দর্শন, জীবনবোধ ও আদর্শ গানেই প্রকাশ করেন।
• মৌখিক ধারার গান হওয়ায় এটি মূলত লোক-সাহিত্য।
• বাউলরা তাঁদের গানকে ধর্মের অঙ্গ বলে মনে করেন।

বাউল সম্প্রদায়:
• বাউল একটি ধর্মীয় লোক-সম্প্রদায়।
• তাঁরা দেহতত্ত্বাশ্রিত ও অধ্যাত্মমুখী লৌকিক ধর্মমত পোষণ করেন।
• এ ধর্মমতকে ‘বাউল ধর্মমত’ বলা হয়।
• এ সম্প্রদায়ের কোনো লিখিত সাহিত্য বা শাস্ত্র নেই।

গান পরিবেশনের উপলক্ষ:
- ধর্মীয় আসর
- ওরস উৎসব
- ভিক্ষোপজীবিকা
- অন্যান্য আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক ক্ষেত্র।

বাউল সাধনা ও তত্ত্ব:
• তাঁরা ‘দেহতত্ত্ব’-এর সাধনা দ্বারা পরমাত্মার সন্ধান করেন।
• মানুষের দেহেই পরমাত্মার অবস্থান আছে বলে তাঁরা বিশ্বাস করেন।
• মানুষ, মনের মানুষ, অচিন পাখি, মনুরায় প্রভৃতি প্রতীকের মাধ্যমে তাঁরা পরমাত্মাকে বোঝান।
• মানবাত্মা ও পরমাত্মার মিলন সাধনই তাঁদের সাধনার মূল লক্ষ্য।
• এই মিলন অধ্যাত্মপ্রেম ও ভক্তি দ্বারা সম্ভব।

বাউল গানের মূল তত্ত্বসমূহ
• আত্মতত্ত্ব → মনের প্রস্তুতি;
• দেহতত্ত্ব → সাধনার রীতি-পদ্ধতি;
• গুরুতত্ত্ব → গুরুর চরণে শরণ;
• প্রেমতত্ত্ব → ভক্তি ও ভালোবাসা;
• সৃষ্টিতত্ত্ব → জীবসৃষ্টির রহস্য;
• মানুষতত্ত্ব → পরমাত্মার মিলনাকাঙ্ক্ষা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৯.
নিচের কোনটি স্বরসন্ধির নিয়মে গঠিত?
  1. ণিজন্ত
  2. অত্যধিক
  3. ষড়ানন
  4. তদবধি
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) অত্যধিক।

ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে স্বরসন্ধি হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে দুটি স্বরধ্বনি পাশাপাশি এসে মিলিত হয় এবং নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসারে একটি নতুন শব্দ বা ধ্বনি গঠিত হয়।

স্বরসন্ধির সূত্র:
ই বা ঈ ধ্বনির পর যদি অন্য স্বরধ্বনি থাকে তবে ই/ঈ এর জায়গায় য হয়।
যেমন: 
- অতি + অধিক = অত্যধিক,
- আদি + অন্ত = আদ্যন্ত,
- ইতি + আদি = ইত্যাদি,
- অতি + আচার = অত্যাচার,
- প্রতি + ঊষ = প্রত্যুষ।

অন্যদিকে,
ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে গঠিত:
- ষট্ + আনন = ষড়ানন।
- ণিচ্ + অন্ত = ণিজন্ত।
- তৎ + অবধি = তদবধি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১- সংস্করণ); ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।

২০.
কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জন উচ্চারণের সময় বায়ু কোথা থেকে বের হয়? 
  1. মুখগহ্বর থেকে
  2. নাসিকা থেকে
  3. ধ্বনিদ্বার থেকে কণ্ঠনালি হয়ে সরাসরি
  4. তালু থেকে
ব্যাখ্যা

• বাংলা বর্ণমালায় — ১টি কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জনধ্বনি রয়েছে।
যেমন,
- কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জনধ্বনি - হ।

• কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জন:
- কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জন উচ্চারণের সময়ে ধ্বনিদ্বার থেকে বায়ু কণ্ঠনালি হয়ে সরাসরি বের হয়ে আসে।
যেমন, 
- 'হাতি' শব্দের 'হ' কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

২১.
বিষমীভবন কী?
  1. দুটি ব্যঞ্জনধ্বনি একই রকম হওয়া
  2. দুটো সমবর্ণের একটির পরিবর্তন
  3. দুটি স্বরধ্বনি একই রকম হওয়া
  4. স্বরধ্বনির প্রভাবে পরিবর্তন
ব্যাখ্যা

• বিষমীভবন:
দুটো সমবর্ণের একটির পরিবর্তনকে বিষমীভবন বলে।
শরীর > শরীল, 
লাল > নাল, 
লাঙ্গল > নাঙ্গল ইত্যাদি।

অন্য অপশনগুলো:
• সমীভবন:
উচ্চারণের সময় পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ব্যঞ্জনধ্বনি একই রকম হয়ে যাওয়াকে বলে সমীভবন।
যেমন- 
জন্ম > জম্ম,
কাঁদনা > কান্না,
স্বর্ণ > সন্ন ইত্যাদি।

স্বরসঙ্গতি:
একটি স্বরধ্বনির প্রভাবে শব্দে অপর স্বরের পরিবর্তন ঘটলে তাকে বরসঙ্গতি বলে।
যেমন,
– দেশি > দিশি, বিলাতি > বিলিতি, মুলা > মুলাে ইত্যাদি।

ব্যঞ্জন বিকৃতি:
- শব্দের মধ্যে কোনো কোনো ব্যঞ্জনধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে নতুন ব্যঞ্জন ধ্বনিতে পরিণত হওয়াকে বলে ব্যঞ্জন বিকৃতি।
উদাহরণ: কবাট > কপাট, ধোবা > ধোপা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

২২.
পরাশ্রয়ী বর্ণযুক্ত শব্দ কোনটি?
  1. গল্প 
  2. আকাঙ্ক্ষা 
  3. চাঁদ 
  4. হট্টগোল 
ব্যাখ্যা

• পরাশ্রয়ী বর্ণ:
যেসব বর্ণ স্বাধীনভাবে স্বতন্ত্র বর্ণ হিসেবে ভাষায় ব্যবহৃত হয় না। এবং বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনি অন্য ধ্বনির সঙ্গে মিলিত হয়ে একত্রে উচ্চারিত হয়, সে বর্ণগুলোকে বলা হয় পরাশ্রয়ী বর্ণ।

• বাংলা বর্ণমালায় তিনটি পরাশ্রয়ী বর্ণ রয়েছে।
যথা- ং, ঃও ঁ।

এই তিনটি বর্ণের বৈশিষ্ট্য:
- এরা স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হয় না।
- অন্য ধ্বনির সাথে মিলিত হয়ে উচ্চারিত হয়।
- এদের কোনো কার বা ফলা নেই।

প্রশ্নের অপশনগুলো:
ক) গল্প - কোনো পরাশ্রয়ী বর্ণ নেই। 
খ) আকাঙ্ক্ষা - কোনো পরাশ্রয়ী বর্ণ নেই।
গ) চাঁদ - এতে ঁ (চন্দ্রবিন্দু) রয়েছে। এখানে ( ঁএকটি পরাশ্রয়ী বর্ণ।)
ঘ) হট্টগোল - কোনো পরাশ্রয়ী বর্ণ নেই।

সুতরাং সঠিক উত্তর - গ) চাঁদ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, নবম - দশম শ্রেণি (সংস্করণ ২০২১)।

২৩.
কোন বর্গীয় ধ্বনির আগে সবসময় 'ণ' ব্যবহৃত হয়?
  1. ক-বর্গীয়
  2. চ-বর্গীয়
  3. ট-বর্গীয়
  4. ত-বর্গীয়
ব্যাখ্যা

• "ণ-ত্ব বিধান": 
- বাংলা ভাষায় বহু তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে মূর্ধন্য-ণ এবং দন্ত্য-ন এর ব্যবহার রয়েছে। এগুলো বাংলা বানানেও অবিকৃতভাবে রক্ষিত হয়।

এখানে,
- তৎসম শব্দের বানানে ণ-এর সঠিক ব্যবহারের নিয়মই ণ-ত্ব বিধান। 
- ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে তৎসম শব্দে সব সময় 'ণ' ব্যবহৃত হয়। 
- ঋ, র, ষ - এর পরে 'ণ' বসে। 

যেসকল ক্ষেত্রে ণ-ত্ব বিধান প্রযোজ্য নয়: 
১. সমাসবদ্ধ শব্দে সাধারণত ণ-ত্ব বিধান খাটে না। এরূপ ক্ষেত্রে ‘ন’ হয়। 
যেমন- ত্রিনয়ন, সর্বনাম ইত্যাদি। 

২. ত-বর্গীয় বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয় ন কখনো (ণ) হয় না। 
যেমন- অন্ত, গ্রন্থ ইত্যাদি। 

৩. বাংলা (দেশি), তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের বানানে 'ণ' লেখার প্রয়োজন হয় না। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ ২০১৯)।

২৪.
কোন মঙ্গলকাব্যে চাঁদ সওদাগরের বাণিজ্যিক অভিযান ও সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের জীবনধারা বর্ণিত হয়েছে?

  1. ধর্মমঙ্গল
  2. চণ্ডীমঙ্গল
  3. কালিকামঙ্গল
  4. মনসামঙ্গল
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) মনসামঙ্গল।

------------------
মঙ্গলকাব্য সম্পর্কিত আলোচনা:

মঙ্গলকাব্য বাংলা সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা, যা মধ্যযুগে (প্রায় ১৩শ থেকে ১৮শ শতাব্দী) রচিত হয়েছিল। এই কাব্যগুলো সাধারণত দেব-দেবীর গুণকীর্তন ও তাঁদের পূজার প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত হলেও এতে সমকালীন সমাজ, সংস্কৃতি, এবং জীবনযাত্রার প্রতিফলন দেখা যায়। 

অপশন আলোচনা:
ক) ধর্মমঙ্গল:
ধর্মমঙ্গল কাব্য ধর্মঠাকুর বা ধর্মরাজের পূজা ও তাঁর গুণকীর্তন নিয়ে রচিত। এই কাব্যে মূলত ধর্মঠাকুরের ভক্তি ও আধ্যাত্মিক বিষয়বস্তু প্রাধান্য পায়। এতে চাঁদ সওদাগরের কোনো উল্লেখ নেই।

খ) চণ্ডীমঙ্গল:
চণ্ডীমঙ্গল কাব্য দেবী চণ্ডীর পূজা ও গুণকীর্তন নিয়ে রচিত। এই কাব্যে কালকেতু ও ফুল্লরার গল্প প্রধান, যেখানে সমাজের সাধারণ মানুষের জীবন ও দেবী চণ্ডীর প্রভাব বর্ণিত হয়। তবে, চাঁদ সওদাগর এই কাব্যের চরিত্র নন।

গ) কালিকামঙ্গল:
কালিকামঙ্গল নামে অভিহিত কাব্যধারাকে 'বিদ্যাসুন্দর' বা 'বিদ্যাসুন্দর কাহিনি' বলা হয়। দেবী কালির মাহাত্ম বর্ণনা করা হয়েছে এই মঙ্গল কাব্যে। কালিকামঙ্গল কাব্যের আদি কবি- কবি কঙ্ক। এছাড়া সাবিরিদ খান ও রমাপদ সেন কালিকা মঙ্গল কাব্য রচনা করেছেন।

ঘ) মনসামঙ্গল:
মনসামঙ্গল কাব্য দেবী মনসার পূজা ও গুণকীর্তন নিয়ে রচিত। এই কাব্যের প্রধান চরিত্র চাঁদ সওদাগর, একজন বণিক, যিনি তাঁর বাণিজ্যিক অভিযানের জন্য বিখ্যাত। মনসামঙ্গল কাব্যে চাঁদ সওদাগরের সমুদ্রযাত্রা, বাণিজ্য, এবং তাঁর সঙ্গে মনসা দেবীর দ্বন্দ্বের বর্ণনা রয়েছে। এই কাব্যে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের ভূমিকা, যেমন বণিক, নৌকার মাঝি, সাধারণ গ্রামবাসী, এবং ধর্মীয় বিরোধিতার প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন চরিত্রের জীবনযাত্রা ফুটে উঠেছে।

মনসামঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্র গুলো হলো:
- সাপের দেবী মনসা,
- চাঁদ সওদাগর,
- বেহুলা,
- লখিন্দর,
- সনকা।

মনসামঙ্গল কাব্যের বিশেষত্ব:

চাঁদ সওদাগরের বাণিজ্যিক অভিযান: মনসামঙ্গল কাব্যে চাঁদ সওদাগর একজন ধনী বণিক হিসেবে সমুদ্রযাত্রার মাধ্যমে বাণিজ্য করেন। তাঁর বাণিজ্যিক অভিযান, সমুদ্রযাত্রার বিপদ, এবং তাঁর সম্পদ ও প্রভাব বর্ণিত হয়েছে, যা মধ্যযুগীয় বাংলার বাণিজ্য ও অর্থনীতির চিত্র তুলে ধরে।

• সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ: এই কাব্যে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের ভূমিকা উঠে এসেছে। উদাহরণস্বরূপ, চাঁদ সওদাগর একজন ধনী বণিক (উচ্চবর্গ), তাঁর স্ত্রী সনকা ও পুত্র লখিন্দর পারিবারিক জীবনের প্রতিনিধিত্ব করে, এবং মাঝি, কৃষক, ও অন্যান্য চরিত্র সমাজের নিম্নস্তরের জীবনযাত্রা প্রকাশ করে। এছাড়া, মনসা দেবীর পূজার প্রচার ও ধর্মীয় দ্বন্দ্ব সমাজের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক দিক তুলে ধরে।

উৎস:
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
- বাংলাপিডিয়া।
- মনসামঙ্গল কাব্যের বিভিন্ন সংস্করণ (যেমন, বিজয় গুপ্তের ‘পদ্মাপুরাণ’)।

২৫.
"মরুপ্রান্তরে নদীর কলকল ধ্বনি শোনা যায়।" - বাক্যটিতে কী ধরনের ভুল আছে?
  1. আকাঙ্ক্ষা জনিত
  2. আসত্তি জনিত
  3. যোগ্যতা জনিত
  4. গুরুচণ্ডালী জনিত
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) যোগ্যতা জনিত।
------------------
একটি সার্থক বা আদর্শ বাক্য গঠনের ক্ষেত্রে তিনটি গুণ থাকে।
যথা- 
১. আকাঙ্ক্ষা,
২. আসত্তি এবং
৩. যোগ্যতা।

• আকাঙ্ক্ষা:
বাক্যের অর্থ স্পষ্টকরণে এক পদের পর অন্য পদ শোনার যে ইচ্ছা বা প্রয়াস তাকে আকাঙ্ক্ষা বলে।
উদাহরণ:
- কাজল নিয়মিত লেখাপড়া।
- উপরের বাক্যটি অসম্পূর্ণ। অর্থাৎ বাক্যে আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হয়নি।
- বাক্যটিকে এভাবে পরিপূর্ণ করা যায়- কাজল নিয়মিত লেখাপড়া করে।

• আসত্তি:
বাক্যের অর্থসঙ্গতি রক্ষায় সুনির্দিষ্ট পদবিন্যাসই হলো আসত্তি।
উদাহরণ:
নিয়মিত করে হাসান লেখাপড়া।
- বাক্যটির পদগুলো সন্নিবেশ না হওয়ায় অন্তর্নিহিত ভাব প্রকাশ হয়নি। তাই এটি আদর্শ বাক্য নয়।
- পরিপূর্ণ বাক্য গঠনে বাক্যের পদগুলো সাজাতে হবে- হাসান নিয়মিত লেখাপড়া করে।

• যোগ্যতা:
বাক্যের অন্তর্গত পদসমূহের বিশ্বাসযোগ্য ভাবসম্মিলনের নাম হল যোগ্যতা।
উদাহরণ:
বর্ষার রৌদ্র প্লাবনের সৃষ্টি করে।
- বাক্যটি ভাব প্রকাশের যোগ্যতা হারিয়েছে। কেননা রোদ কখনো প্লাবন সৃষ্টি করতে পারে না।
- তাই যোগ্যতাসম্পন্ন বাক্যটি হবে- ‘বর্ষার বৃষ্টি প্লাবনের সৃষ্টি করে’।
-------------------
প্রশ্নে দেওয়া বাক্যটি হলো: “মরুপ্রান্তরে নদীর কলকল ধ্বনি শোনা যায়।”

উল্লেখ্য, মরুপ্রান্তরে সাধারণত নদী থাকে না, কারণ মরুভূমি শুষ্ক এলাকা এবং সেখানে পানির প্রবাহ বা নদী অত্যন্ত বিরল। তাই “মরুপ্রান্তরে নদীর কলকল ধ্বনি” শোনার কথা বাস্তবসম্মত নয়। এটি বাক্যের অর্থগত বা যুক্তিগত ত্রুটি নির্দেশ করে।
 
তাই, এটি যোগ্যতা জনিত ভুল।
------------------
অন্যদিকে,

• গুরুচণ্ডালী দোষ:
তৎসম শব্দের সঙ্গে দেশীয় শব্দের প্রয়ােগ ঘটলে যে দোষের সৃষ্টি হয়, তাকে বলা হয় গুরুচণ্ডালী দোষ।

- তৎসম শব্দের সঙ্গে দেশীয় শব্দের প্রয়ােগ কখনও কখনও গুরুচণ্ডালী দোষ সৃষ্টি করে। এ দোষে দুষ্ট শব্দ তার যােগ্যতা হারায়।
যেমন:
গরুর গাড়ি, শবদাহ, মড়াপােড়া প্রভৃতি হলাে তৎসম শব্দ।

• গঠন ও অর্থের দিক থেকে এসব শব্দের কোনাে সমস্যা নেই। কিন্তু যদি বলা হয় যথাক্রমে- গরুর শকট, শবপােড়া, মড়াদাহ; তাহলে দেশীয় শব্দের সঙ্গে তৎসম শব্দের মিলন ঘটে এবং তাতে শব্দ গুরুচণ্ডালী দোষে দুষ্ট হয়।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৬.
'জীবন বিনিময়' কবিতাটির লেখক কে?
  1. গোলাম মোস্তফা
  2. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত 
  3. কাজী আবদুল ওদুদ 
  4. কায়কোবাদ
ব্যাখ্যা

• 'জীবন বিনিময়' কবিতাটির লেখক  'গোলাম মোস্তফা'।
- কবিতাটি 'বুলবুলিস্তান' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।

জীবন বিনিময়- কবিতা,
– গোলাম মোস্তফা।

বাদশা বাবর কাঁদিয়া ফিরিছে, নিদ নাহি চোখে তাঁর-
পুত্র তাঁহার হুনায়ন বুঝি বাঁচে না এবার আর!
চারিধারে তার ঘনায়ে আসিছে মরন-অন্ধকার।

রাজ্যের যত বিজ্ঞ হেকিম কবিরাজ দরবেশ
এসেছে সবাই, দিতেছে বসিয়া ব্যবস্থা সবিশেষ,
সেবাযত্নের বিধিবিধানের ত্রুটি নাহি এক লেশ।
------------------------ 
• গোলাম মোস্তফা: 
 - ১৮৯৭ সালে যশোর (বর্তমান ঝিনাইদহ) জেলার শৈলকুপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে তাঁর জন্ম।
- ১৯৪৯ সালে গঠিত পূর্ববঙ্গ সরকারের ভাষা সংস্কার কমিটির সচিব হিসেবে তিনি কাজ করেন।
- তিনি পাকিস্তানি আদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন এবং ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় উর্দুর প্রতি সমর্থন জ্ঞাপন করেন। 
- তিনি গদ্য ও পদ্য রচনায় সমান দক্ষ ছিলেন, তবে কবি হিসেবেই তাঁর মুখ্য পরিচয় ছিল।

তাঁর সম্মাননা ও উপাধি:
‘কাব্য সুধাকর’ — যশোর সংঘ কর্তৃক (১৯৫২)।
‘সিতারা-ই-ইমতিয়াজ’ — পাকিস্তান সরকার কর্তৃক (১৯৬০)।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- রক্তরাগ,
- খোশরোজ,
- কাব্যকাহিনী,
- গীতি সঞ্চয়ন,
- সাহারা,
- হাসনাহেনা,
- বুলবুলিস্তান,
- বনি আদম ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত অনুবাদকাব্য:
- মুসাদ্দাস-ই-হালী,
- কালামে ইকবাল,
- শিকওয়া ও জওয়াব-ই-শিকওয়া (১৯৬০)।

• তাঁর রচিত গদ্যগ্রন্থ:
- বিশ্বনবী,
- ইসলাম ও জেহাদ,
- ইসলাম ও কমিউনিজম,
- আমার চিন্তাধারা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; জীবন বিনিময়- কবিতা ও বাংলাপিডিয়া।

২৭.
‘গুপী গাইন বাঘা বাইন’ - কার রচনা?
  1. সত্যজিৎ রায়
  2. উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
  3. দক্ষিণারঞ্জন মিত্রমজুমদার
  4. সুকুমার রায়
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী।

• ‘গুপী গাইন বাঘা বাইন’:
‘গুপী গাইন বাঘা বাইন’ বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত শিশুতোষ গল্প, যা — উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী রচনা করেন। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় তাঁর সম্পাদিত শিশু-সাহিত্য পত্রিকা ‘সন্দেশ’-এ ১৯১৫ সালে। এই গল্পটি পরবর্তীতে সুকুমার রায়ের পুত্র সত্যজিৎ রায়ের চলচ্চিত্র ‘গুপী গাইন বাঘা বাইন’ (১৯৬৯) এর মাধ্যমে আরও জনপ্রিয়তা লাভ করে।

• উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী:
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১৮৬৩-১৯১৫) প্রখ্যাত শিশুসাহিত্যিক, চিত্রশিল্পী, বাংলা মুদ্রণশিল্পের অন্যতম পথিকৃৎ।
- তরুণ বয়সেই উপেন্দ্রকিশোরের সাহিত্যচর্চায় হাতেখড়ি ঘটে এবং তৎকালীন শিশুকিশোর পত্রিকা সখা, বালক, সাথী, সখা ও সাথী, মুকুল ইত্যাদির সঙ্গে যুক্ত ছিলে
- ১৮৮৩ সালে ছাত্রাবস্থায় সখা পত্রিকায় তাঁর প্রথম রচনা প্রকাশিত হয়। ন।
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর সম্পাদনায় ১৯১৩ সালে বিখ্যাত শিশুতোষ মাসিক পত্রিকা সন্দেশ প্রথম প্রকাশিত হয় যা আজও কলকাতা থেকে প্রকাশিত একটি জনপ্রিয় শিশুকিশোর সাহিত্য পত্রিকা।

• তাঁর উলে­খযোগ্য গ্রন্থ:
- ছোটদের রামায়ণ,
- ছোটদের মহাভারত,
- সেকালের কথা,
- মহাভারতের গল্প,
- ছোট্ট রামায়ণ,
- টুনটুনির বই এবং
- গুপী গাইন বাঘা বাইন। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২৮.
মীর মশাররফ হোসেন কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. নদীয়া
  2. বরিশাল
  3. কুষ্টিয়া
  4. পাবনা
ব্যাখ্যা

মীর মশাররফ হোসেন (১৮৪৭–১৯১১):
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে মীর মশাররফ হোসেন ছিলেন এক অনন্য ব্যক্তিত্ব। তিনি ছিলেন ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। উনিশ শতকের বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের মধ্যে তিনি পথিকৃৎ হিসেবে পরিচিত। বঙ্কিমচন্দ্রের যুগে তিনি গদ্যশিল্পে অসাধারণ প্রতিভার পরিচয় দেন।

জীবনপরিচয়:
জন্ম: ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর — কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়া গ্রামে।
কর্মজীবন শুরু: ছাত্রাবস্থায় সংবাদ প্রভাকর ও কুমারখালির গ্রামবার্তা প্রকাশিকা-য় মফঃস্বল সংবাদদাতা হিসেবে।
সাহিত্যগুরু: গ্রামবার্তা প্রকাশিকার সম্পাদক — ‘কাঙাল হরিনাথ’।
সম্পাদনা করেছেন: আজিজননেহার ও হিতকরী নামের পত্রিকা।

তাঁর রচিত সাহিত্যকর্ম:
• নাটক:
- বসন্তকুমারী, 
- জমীদার দর্পণ, 
- বেহুলা গীতাভিনয়।

• প্রহসন:
- টালা অভিনয়,
- এর উপায় কি,
- ফাঁস কাগজ,
- ভাই ভাই এইতো চাই।

• উপন্যাস:
- বিষাদ-সিন্ধু।

• আত্মজীবনীমূলক রচনা:
- উদাসীন পথিকের মনের কথা, 
- গাজী মিয়াঁর বস্তানী,
- আমার জীবনী,
- কুলসুম জীবনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

২৯.
দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার মূলত কোন পরিচয়ে খ্যাত?
  1. নাট্যকার
  2. শিশুসাহিত্যিক ও লোকসংগ্রাহক
  3. কবি
  4. প্রবন্ধকার
ব্যাখ্যা

• দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার:
- ১৮৭৭ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত শিশুসাহিত্যিক ও লোক সংগ্রাহক। 
- তিনি 'সুধা' নামক পত্রিকাটি প্রকাশ করেন।

• দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার সম্পাদিত উল্লেখযোগ্য কয়েকটি গ্রন্থ:
- ঠাকুরমার ঝুলি,
- ঠাকুরদাদার ঝুলি,
- দাদামশায়ের থলে,
- ঠানদিদির থলে,
- খোকা বাবুর খেলা, 
- আমাল বই, 
- কিশোরদের মন, 
- বাংলার সোনার ছেলে, 
- পৃথিবীর রূপকথা ও 
- সবুজ লেখা। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৩০.
'কালকূট' — কার ছদ্মনাম?
  1. সতীনাথ ভাদুড়ী
  2. মণীশ ঘটক
  3. সমরেশ বসু
  4. বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা

• সমরেশ বসুর ছদ্মনাম- 'কালকূট'।

অন্যদিকে,
- সতীনাথ ভাদুড়ীর ছদ্মনাম- চিত্রগুপ্ত।
- মণীশ ঘটকের ছদ্মনাম - যুবনাশ্ব।
- বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম - যাযাবর।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

৩১.
'বেদান্তগ্রন্থ' - কে লিখেছেন?
  1. মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
  2. রাজা রামমোহন রায়
  3. রামরাম বসু
  4. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা

• বেদান্তগ্রন্থ:
- 'বেদান্তগ্রন্থ' (১৮১৫) রামমোহন রায় কর্তৃক ব্রহ্মসূত্রের অনুবাদ ও টীকা।
- বাংলাগদ্যের ইতিহাসে গ্রন্থটির ঐতিহাসিক মূল্য অসামান্য।
- পৌত্তলিকতা যে হিন্দু ধর্মের মুখ্য ব্যাপার নয়, ব্রহ্মই একমাত্র তত্ত্ব ও উপাস্য তা প্রমাণের উদ্দেশ্যেই এই গ্রন্থ তিনি রচনা করেন।
- এই গ্রন্থ অবলম্বন করে উনবিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে প্রবল বাকবিতর্ক হয়।

---------------------
রাজা রামমোহন রায়:
- বাংলার নবজাগরণের আদি পুরুষ রাজা রামমোহন রায় এর জন্ম — ১৭৭২ সালের ২২শে মে হুগলী জেলার রাধানগর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত ও ব্রাহ্মণ পরিবারে ।
- ১৮৩০ সালে খেতাবসর্বস্ব মুগল সম্রাট দ্বিতীয় আকবর (১৮০৬-১৮৩৭) রামমোহন রায়কে ‘রাজা’ উপাধিতে ভূষিত করেন এবং তাঁর পক্ষে ব্রিটিশ রাজ ও পার্লামেন্টে ওকালতি করার জন্য ইংল্যান্ডে পাঠান।
- রামমোহন রায় কলকাতায় ২০ আগস্ট, ১৮২৮ সালে প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুরের সহায়তায় — 'ব্রাহ্মসমাজ' স্থাপন করেন।
- রাজা রামমোহন রায় শিব প্রসাদ রায় ছদ্মনামে একটি মাসিক পত্রিকা প্রকাশ করতেন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনা:
- বেদান্তগ্রন্থ,
- বেদান্তসার,
- ভট্টাচার্যের সহিত বিচার,
- গোস্বামীর সহিত বিচার,
- সহমরন বিষয়ক প্রবর্তক ও নিবর্তকের সম্বাদ,
- গৌড়ীয় ব্যাকরণ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

৩২.
Choose the correct spelling.
  1. Harrassment
  2. Embarrasment
  3. Fulfilment
  4. Denoument
ব্যাখ্যা

The correct spelling is - গ) Fulfilment.

• Fulfilment:
English meaning: the feeling of being happy and satisfied with what you are doing or have done.
Bangla meaning: সিদ্ধি; সংসিদ্ধি; পূরণ; পরিতৃপ্তি।

অন্য অপশন গুলো Harrassment, Embarrasment, Denoument এর বানান ভুল। 

অন্য অপশন গুলোর সঠিক বানান হলো - 

ক) Harassment: 
English meaning: behaviour that annoys or upsets someone.
Bangla meaning: হয়রানি; উৎপীড়ন।

খ) Embarrassment:
English meaning: the feeling of being embarrassed, or something that makes you feel embarrassed.
Bangla meaning: অস্বস্তি।

ঘ) Denouement:
English meaning: the final part of a work of literature, after the climax (= the most important or exciting part).
Bangla meaning: (ফরাসি) গল্প, নাটক ইত্যাদির বিকাশের অন্তিম স্তর, যেখানে সবকিছু স্পষ্ট হয়ে ওঠে; গ্রন্থিমোচন।

Source: Cambridge & Accessible Dictionary.

৩৩.
Identify the passive form of the following sentence: Let him repair the computer.
  1. Let the computer to be repaired by him.
  2. Let the computer be repaired by him.
  3. Let the computer been repaired by him.
  4. Let the computer repaired by him.
ব্যাখ্যা

Active: Let him repair the computer.
Passive: Let the computer be repaired by him.

• Let যুক্ত Imperative sentence এর Active voice কে passive voice এ পরিণত করার নিয়ম:
- প্রথমে Let বসে।
- Object টির subject রূপে বসে।
- be বসে।
- মূল verb এর past participle form বসে।
- by বসে।
- Active voice এর subject টির Object রূপে বসে।

• Structure: Let + Object টির subject বসে + be বসে + মূল verb এর past participle form বসে + by + subject টির Object রূপে বসে।

অন্য অপশনগুলো ভুল:

ক) Let the computer to be repaired by him.
 → এখানে to be বসানো হয়েছে, যা ভুল। সঠিক গঠনে to বসবে না।

গ) Let the computer been repaired by him.
→ “been” ভুল ব্যবহার, এখানে “be” লাগবে।

ঘ) Let the computer repaired by him.
→ এখানে “be” নেই, তাই অসম্পূর্ণ।

Source: Advancer Learner's HSC Communicative English by Chowdhury & Hussain.

৩৪.
Vlad the Impaler was notorious in history because he would impale his enemies.
Here, "impale" means:
  1. To imprison
  2. To pierce
  3. To skin alive
  4. To whip
ব্যাখ্যা

Vlad the Impaler was notorious in history because he would impale his enemies.
Here, "impale" means: To pierce.

• Impale:

English meaning: to push a sharp object through something, especially the body of an animal or person.
Bangla meaning: বর্শাবিদ্ধ করা; শূলবিদ্ধ করা; শূলে ফুঁড়ানো।

Example:
- The dead deer was impaled on a spear. 
- Walruses sometimes use their tusks to impale seals for food.
 
Other options,
ক) To imprison:
→ কারাগারে রাখা।

খ) To pierce:
 → (কোনো সূচ্যগ্র বস্তুর সাহায্যে) বিদ্ধ করা; ভেদ করা।

গ) To skin alive:
 → জীবন্ত অবস্থায় চামড়া ছাড়ানো।

ঘ) To whip:
 → চাবুক মারা।

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, সঠিক উত্তর - খ) To pierce.

Source: Cambridge Dictionary and Accessible Dictionary.

৩৫.
I'm ______ cleaning up after you all the time.
  1. fed up with
  2. fed up in
  3. fed up on
  4. fed up by
ব্যাখ্যা

Complete sentence: I'm fed up with cleaning up after you all the time.

• fed up with:

English meaning: If you are fed up with something, you are bored, annoyed, or disappointed because you have experienced it for too long.
Bangla meaning: বিরক্ত / অতিষ্ঠ / ক্লান্ত হয়ে যাওয়া

Example:
- I'm fed up with cleaning up after you all the time.
- He quit his job because he was fed up with the long hours.

উল্লিখিত অন্য অপশন গুলো অপ্রাসঙ্গিক। 

Source: Cambridge Dictionary.

৩৬.
She was very tired, _______ she continued working till midnight.
  1. therefore
  2. hence
  3. because
  4. yet
ব্যাখ্যা

উল্লিখিত অপশনগুলো হলো - 

ক) therefore:
- সেই কারণে; সুতরাং।

খ) hence:
-  এখান থেকে; এখন থেকে/ সুতরাং; অতএব; এ কারণে; এই হেতু।

গ) because:
- সে-কারণে; কেননা; যেহেতু।

ঘ) yet:
- তবুও।

অপশন বিবেচনা করে বোঝা যায়, সঠিক উত্তর - yet.

• এখানে দুটি বিপরীতমুখী তথ্য আছে:সে ক্লান্ত ছিল (tired).
- সে কাজ চালিয়ে গেল (continued working).
- "Yet" - contrast/opposition দেখায়।

Complete sentence: She was very tired, yet she continued working till midnight.
Bangla: সে খুব ক্লান্ত ছিল, তবুও সে মধ্যরাত পর্যন্ত কাজ চালিয়ে গেল।

Source: Accessible Dictionary.

৩৭.
I don't read ______ Forbes.
  1. a
  2. an
  3. the
  4. Zero article
ব্যাখ্যা

• Article:
- Articles মূলত Noun, Pronoun এর আগে বসে তাদের সংখ্যা এবং নির্দিষ্টতা, অনির্দিষ্টতা জ্ঞাপন করে।
- Articles কে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করে যায়।
• Indefinite Article: A, An-এরা Indefinite Article.
• Definite Article: The হলো Definite Article.

• Article এর নিয়মানুযায়ী - 
• সংবাদপত্রের নামের আগে the বসলেও ম্যাগাজিনের পূর্বে the বসে না। 

Complete sentence: I don't read Forbes.

Source: Advanced Learner’s by Chowdhury & Hossain.

৩৮.
"Come down on" means -
  1. to have a flu
  2. stopping by somewhere
  3. to punish a person
  4. to admit defeat
ব্যাখ্যা

• Come down on
English Meaning: to punish or criticize a person or activity very strongly.
Bangla Meaning: তীব্র সমালোচনা করা, শাস্তি দেওয়া।

Ex. Sentence: They're coming down heavily on people for not paying their license fees.
Bangla Meaning: লাইসেন্স ফি না দেওয়ায় কর্তৃপক্ষ জনগণের উপর খুব কড়াকড়ি আরোপ করছে।

অন্য অপশনগুলো ভুল:

ক) to have a flu:
→ “come down with” ব্যবহার হয়, যেমন: He came down with the flu.

খ) stopping by somewhere:
→ “come by” বা “drop by” ব্যবহৃত হয়।

ঘ) to admit defeat:
→ “give in” বা “surrender” ব্যবহৃত হয়।
 
• Come down with something (phrasal verb with come verb)
English Meaning: to start to suffer from an illness, especially one that is not serious: To begin to suffer from an illness
Bangla Meaning: "অসুস্থ হওয়া" বা "রোগে আক্রান্ত হওয়া"।

Source: Live MCQ Lecture & Cambridge Dictionary.

৩৯.
 I hate ___ pen from other people. 
  1. to be borrowing
  2. borrow
  3. borrowing
  4. having borrowed
ব্যাখ্যা

• Hate এর পরে সাধারণত gerund (verb + ing) আসে যখন কোন কাজের অভ্যাস বা অভিজ্ঞতার প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করা হয়।

Example: I hate waiting.
তাই এখানে Complete sentence: I hate borrowing pen from other people.
 
Other options,

ক) to be borrowing:
- Continuous passive, এখানে প্রয়োজন নেই।

খ) borrow:- “I hate borrow money” → grammatically ভুল। “to borrow” বা “borrowing” হবে।

ঘ) having borrowed:
- Perfect participle tense, এখানে ব্যবহার হয় না।

Note: "Hate" এর পরে infinitive (to + verb) ও ব্যবহার হতে পারে, কিন্তু এই অপশনে সেটি নেই।

৪০.
Which of the following is the correct plural form?
  1. Apex
  2. Apices
  3. Apexices
  4. Apexies
ব্যাখ্যা

Answer - খ) Apices.

• Apex: [singular]
English Meaning: The top or highest part of something. 
Bangla Meaning: উচ্চতম বিন্দু; শীর্ষবিন্দু: the apex of a triangle; the apex of one’s career/fortunes.

- এর plural form হচ্ছে - Apexes অথবা Apices.

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.

৪১.
Five months have passed since they ____ their new car.
  1. buy
  2. brought
  3. bought
  4. had bought
ব্যাখ্যা

• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - bought.
- Complete sentence: Five months have passed since they bought their new car.

• সাধারণত Since দ্বারা দুটি Clause যুক্ত থাকলে এবং Since-এর আগের অংশ Present Indefinite/Present perfect tense হলে পরের অংশ Past Indefinite tense হয়।

Example:
- Ten years have passed since they started their own business.
- Five years have passed since she adopted her dog from the shelter.

Other options,
ক) buy:
→ present tense, এখানে ভুল।

খ) brought:
→ bring-এর past tense কিন্তু “bought” ব্যবহার হয়।

ঘ) had bought:
→ past perfect, এখানে দরকার নেই, since + past simple যথেষ্ট।

৪২.
I think we've met before. Here 'before' is -
  1. Noun
  2. Adjective
  3. Adverb
  4. Preposition
ব্যাখ্যা

I think we've met before. Here 'before' is - adverb.
- এখানে before → সময় নির্দেশ করছে, অর্থাৎ previously / আগে।
- সময় নির্দেশ করা শব্দ সাধারণত adverb হয়।
- It modifies the verb "met" by indicating when the action occurred.

• Before (adverb)
English meaning: at an earlier time; in the past; already.
Bangla Meaning: আগে; পূর্বে; অতীতে; ইতিমধ্যে।

• Example sentence: 
- You should have told me so before.
- It had been fine the week before (= the previous week).
- That had happened long before (= a long time earlier).
- I think we've met before.

Source: Oxford Learner's Dictionary.

৪৩.
She is proud of his helping the poor.
Here 'helping' is used as -
  1. Participle
  2. Gerund
  3. Finite verb
  4. Main verb
ব্যাখ্যা

She is proud of his helping the poor. Here 'helping' is used as - Gerund.
• Possessive adjective এর পর gerund বসে৷
- preposition এবং gerund (verb + ing) এর মাঝে Possessive Adjective বসে।
- structure: preposition + Possessive Adjective + gerund (verb + ing).
- যেমন- প্রশ্ন প্রদত্ত বাক্যে his হলো possessive adjective; তাই এরপর gerund হিসাবে helping বসেছে।

• Gerund: 
- Verb এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি noun এর কাজ করে অর্থাৎ Verb ও noun এর কাজ করে, তাহলে তাকে Gerund বলে।
- A Gerund is a double part of speech - a Noun and Verb combined. 

• Gerund ব্যবহৃত হয়: 
- Subject অথবা object হিসেবে; 
- Preposition এর object হিসেবে; 
- Verb এর complement হিসেবে; 
- Compound noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

৪৪.
Because of the rain, the match was postponed. [complex]
  1. Since it rains, the match was postponed.
  2. Despite it rained, the match was postponed.
  3. Since it rained, the match was postponed.
  4. At the time of rained, the match was postponed.
ব্যাখ্যা

• Because of যুক্ত Simple Sentence কে Complex Sentence এ পরিণত করার নিয়ম:

• প্রথমে since বসে,
- subject বসে,
- verb বসে,
- Adjective/noun বসে,
- Comma বসে,
- অপর বাক্যটি বসে।

Simple: Because of his hard work, he passed the exam.
Complex: Since he worked hard, he passed the exam.

Simple: Because of the rain, the match was postponed.
Complex: Since it rained, the match was postponed.

Other options,
ক) Since it rains, the match was postponed.
- ভুল, কারণ এখানে "it rains" (Present tense) ব্যবহার হয়েছে। অথচ মূল বাক্যে কাজটি অতীতে হয়েছে (was postponed).

খ) Despite it rained, the match was postponed.
- "Despite" মানে "সত্ত্বেও"। এটি বিপরীত অর্থ দেয়। এর মানে দাঁড়ায় "বৃষ্টি হওয়া সত্ত্বেও ম্যাচ postpone হয়েছিল" - যা অযৌক্তিক। তাছাড়া 'Despite' simple sentence এ ব্যবহৃত হয়। 

ঘ) At the time of rained, the match was postponed.
- এটি grammatically ভুল। "At the time of" এর পরে noun বা gerund (-ing form) ব্যবহার হয়, verb এর past form নয়। তাছাড়া 'At the time of' simple sentence এ ব্যবহৃত হয়।

Source: Advanced Learners Communicative English by Chowdhury and Hossain.

৪৫.
His belief that honesty is the best policy is admirable. 
Here 'that honesty is the best policy' is an example of -
  1. Noun clause
  2. Adverb clause 
  3. Adjective clause
  4. Prepositional phrase
ব্যাখ্যা

His belief that honesty is the best policy is admirable.

Here 'that honesty is the best policy' is an example of - Noun clause.
- Noun বা pronoun এর apposition হিসেবে- News, Belief, Fact, Rumour ইত্যাদি এরপর Noun in apposition হিসেবে Noun Clause হয়।
- Noun in apposition হিসেবে Clause টি that দ্বারা শুরু হয়। তাই 'that honesty is the best policy' একটি Noun clause.

• উল্লেখ্য, Apposition হলো কোন Noun/ pronoun সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য প্রদান করা।
- এই অতিরিক্ত তথ্য noun/pronoun কে modify করে না। তাই তা adjective clause হবে না।

• Noun clause:
- যে সব subordinate clause noun এর কাজ করে থাকে অর্থাৎ, subject, object, compliment, বা case in apposition- এর কাজ করে থাকে তাদেরকে বলে noun clause.
- Nouns clauses are used when a single word isn't enough.

• Noun clause বিভিন্নভাবে ব্যবহার হতে পারে। যেমন:
- Verb এর Subject হিসেবে।
- Transitive verb এর object হিসেবে।
- Linking verb এর পরে complement হিসেবে।
- Preposition এর object হিসেবে।
- Noun বা pronoun এর apposition হিসেবে।

৪৬.
Select the synonym of 'Noxious':
  1. Confuse
  2. Harmful
  3. Wise
  4. Flexible
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: খ) Harmful.

Noxious:
English meaning: poisonous or harmful.
Bangla meaning: অনিষ্টকর; ক্ষতিকর; অপকারী।

Options,
ক) Confuse:
- গুলিয়ে ফেলা; বিশৃঙ্খল করা; বিভ্রান্ত বা কিংকর্তব্যবিমূঢ় হওয়া বা করা।

খ) Harmful:
- ক্ষতিকর

গ) Wise:
- জ্ঞানী; প্রাজ্ঞ; অভিজ্ঞ; বিচক্ষণ।

ঘ) Flexible:
- নমনশীল; আনম্য; নম্য; নমনীয়।

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, the synonym of 'Noxious': Harmful.

Source: Accessible Dictionary.

৪৭.
Choose the antonym of 'Aberrant':
  1. Normal
  2. Generous
  3. Selfish
  4. Steady
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ক) Normal.

Aberrant:

English meaning: different from what is typical or usual, especially in an unacceptable way.
Bangla meaning: বিপথগামী; স্বাভাবিক, যথাযথ বা ঈপ্সিত পথ বা লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত; উন্মার্গগামী; অস্বাভাবিক।

Options,
ক) Normal:
- নিয়মমাফিক; স্বাভাবিক; নৈয়মিক।

খ) Generous:
- উদার; সহৃদয়।

গ) Selfish:
- স্বার্থপর; স্বার্থিক; স্বার্থপরায়ণ; স্বার্থচিন্তক; স্বার্থসাধক; আত্মপরায়ণ; আত্মগ্রাহী।

ঘ) Steady:
- দৃঢ়ভাবে স্থাপিত বা প্রতিষ্ঠিত; সুষম।

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, the antonym of Aberrant: ক) Normal.

Source: Accessible Dictionary.

৪৮.
Corruption is pernicious ____ the development of a nation.
  1. on
  2. in
  3. off
  4. to
ব্যাখ্যা

Complete sentence: Corruption is pernicious to the development of a nation.

• Pernicious (to):
Meaning: ক্ষতিকর; ধ্বংসকর।

• Appropriate preposition এর ক্ষেত্রে,
- 'ক্ষতিকর' অর্থে pernicious এর সাথে to বসে।
- তাই শূন্যস্থানে to বসালে বাক্যটি পরিপূর্ণ হয়।

উল্লিখিত অন্য অপশন গুলো অপ্রাসঙ্গিক। 

Source: Accessible Dictionary.

৪৯.
Choose the meaning of Defenestrate:
  1. Cowardly or lacking courage
  2. To argue endlessly
  3. To throw someone out of a window
  4. Extremely old-fashioned
ব্যাখ্যা

Answer - To throw someone out of a window.

Defenestrate:

English meaning: to throw or push someone out of a window.
Bangla meaning: “জানালা দিয়ে ফেলে দেওয়া” বা “বাহিরে ছুড়ে ফেলা”।

Example:
- They threatened to defenestrate him.

Other options,
ক) Cowardly or lacking courage → ভীরু বা সাহসহীন।
খ) To argue endlessly → অবিরাম তর্ক করা।
ঘ) Extremely old-fashioned → অত্যন্ত পুরনো বা অপ্রচলিত।

Source: Cambridge Dictionary.

৫০.
Who betrays Othello, leading to his downfall?
  1. Cassio
  2. Iago
  3. Roderigo
  4. Desdemona
ব্যাখ্যা

Answer - Iago.

Shakespeare রচিত “Othello” নাটকে Iago হলো মূল প্রতিপক্ষ।

- সে Othello কে প্রতারণা করে, Desdemona ও Cassio সম্পর্কিত মিথ্যা তথ্য দিয়ে Othello কে বিভ্রান্ত করে।
- এর ফলে Othello তার স্ত্রী Desdemona কে হত্যা করে এবং নিজেও শেষ পর্যন্ত ধ্বংস হয়।
 
• Othello:

- এটি Shakespeare রচিত একটি Tragedy.
- It tells the story of Othello, A moor of Venice.
- নাটকটির মূল চরিত্র Othello. সে ছিল ভেনিসের একজন সেনাপতি।
- এই tragedy এর কেন্দ্রীয় চরিত্র Othello এবং Othello এর Desdemona হচ্ছে নায়িকা।
- Villan চরিত্রে ছিল Iago.
- নাটকে Othello তাঁর নিজ স্ত্রী Desdemona কে সন্দেহ করে এবং তাকে হত্যা করে।
- In this tragedy, Othello, the hero, was affected by Othello Syndrome (a mental disorder of excessive jealousy) যার বর্শবর্তী হয়ে villain Iago এর প্ররোচনায় Othello Desdemona কে হত্যা করে।

• Important characters:
- Othello,
- Desdemona,
- Brabantio,
- lago,
- Cassio,
- Emilia etc.

• William Shakespeare:
- William Shakespeare was born on 23 April 1564 AD and died on 23 April 1616 AD.
- তার জন্মস্থান Stratford Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- তাকে 'Bard of Avon' বা Swan of Avon বলা হয়।
- Shakespeare wrote a total of 37 plays and 154 sonnets.

• Notable works: 
• Tragedy:
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Julius Caesar.

• Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- A Midsummer Night's Dream etc.

• Famous poem:
- Shall I Compare Thee to a Summer Day/Sonnet 18,
- The Rape of Lucrece,
- Venus and Adonis.

Source: britannica.com

৫১.
The famous poem "London, 1802" was written by -
  1. W.B. Yeats
  2. William Blake
  3. William Wordsworth
  4. T.S. Eliot
ব্যাখ্যা

• London, 1802:
- এটি William Wordsworth রচিত একটি কবিতা।
- In "London, 1802," Wordsworth addresses the soul of the dead poet John Milton.
- Wordsworth ১৮০২ সালে ফ্রান্স থেকে লন্ডনে ফিরে আসার পরপরই কবিতাটি রচনা করেছিলেন, যেখানে তিনি ফরাসি বিপ্লবের পরের ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছিলেন।
- এখানে বক্তা মৃত কবি John Milton এর আত্মাকে সম্বোধন করে বলেছেন যে ইতিহাসের এই মুহুর্তে তার বেঁচে থাকা উচিত, কারণ ইংল্যান্ডের তাকে প্রয়োজন।
- The poem depicts the degradation of societal values, and his hope for Milton to restore England to its former glory.

• William Wordsworth:
- তিনি জন্মগ্রহণ করেন April 7, 1770, Cockermouth, Cumberland, England.
- তাকে 'Poet of Nature' বলা হয়।
- তাকে Lake poet বলা হয়, কারণ তিনি North England এর Lake District এ জন্মগ্রহণ করেন।
- Wordsworth was born in the Lake District of northern England, that's why he is called Lake Poet.

• তাঁর বিখ্যাত কবিতা:
- The Solitary Reaper,
- Tintern Abbey,
- Rainbow,
- The Daffodils,
- The Excursion,
- Michael etc.

• উল্লেখ্য যে, William Wordsworth এবং William Blake দুজনেরই 'London' নামে কবিতা রয়েছে, কিন্তু William Wordsworth এর কবিতাটির নাম হচ্ছে London 1802 এবং William Blake এর কবিতাটির নাম 'London'.
- কবিতা দুটির বিষয়বস্তু প্রায় একই।

Source: Britannica.

৫২.
Who created the famous character Dorian Gray?
  1. Charlotte Bronte
  2. George Bernard Shaw
  3. Thomas Hardy
  4. Oscar Wilde
ব্যাখ্যা

Dorian Gray হলো একটি কাল্পনিক চরিত্র, যা মূলত “The Picture of Dorian Gray” নামের উপন্যাসে আছে।
এই উপন্যাসটি লিখেছেন Oscar Wilde, একজন বিখ্যাত সাহিত্যিক।

• The Picture of Dorian Gray:

- Oscar Wilde এর একমাত্র Novel.
- লেখক রচিত একমাত্র উপন্যাস "The Picture of Dorian Gray" এর কেন্দ্রীয় চরিত্র এটি এবং তাকে নিয়েই উপন্যাসটির নামকরণ করা হয়েছে।
- এটি একটি philosophical/moral fantasy/gothic novel.
- ১৮৯০ সালে এই উপন্যাসটি Novella রূপে American periodical Lippincott's Monthly Magazine এ প্রকাশিত হয়েছিল যা পরবর্তীতে ১৮৯১ সালে অতিরিক্ত ৬টি চ্যাপ্টার যুক্ত হয়ে উপন্যাস রূপে প্রকাশিত হয়।
- Dorian Gray হচ্ছে একজন তরুণ যুবক, যে তাঁর আত্না বিক্রয়ের মাধ্যমে অনন্ত যৌবন ক্রয় করে এবং ফলাফল স্বরূপ শেষ পর্যন্ত যাকে চরম মূল্য দিতে হয়।
- কাহিনীর শুরু হয় Basil Hallward নামক এক স্টুডিও থেকে যেখানে Dorian কে তাঁ বন্ধু Lord Henry Wotton সাথে একটি বর্তমান চিত্রকর্ম নিয়ে আলোচনা করতে দেখা যায়।
- Knowing that his beauty will eventually fade, he wishes that only his portrait should age, allowing him to maintain his youth.
- Dorian কে কুমন্ত্রনা দেয় এবং অপকর্মের প্রতি প্রভাবিত এবং উৎসাহিত করে এই Henry Wotton.
- শেষ পর্যন্ত যিখ তিনি নিজের আত্না বিক্রয়ের ভয়াবহতা উপলব্ধি করেন এবং বুঝতে পারেন তিনি শয়তানের কাছে আত্না বিক্রি করে ভুল করেছেন তখন তিনি তার portrait টি ছিঁড়ে ফেলেন এবং এর ফলেই তাঁর মৃত্যু হয়।

• Characters:
- Dorian Gray;
- Lord Henry Wotton;
- Basil Hallward;
- Sibyl Vane;
- James.

• Oscar Wilde:

- He was a poet, novelist, dramatist/Playwright.
- This Irish-born poet became London’s most popular playwright in the early 1890s.
- His full name was Oscar Fingal O’Flahertie Wills Wilde.

• Notable Works:
- The Picture of Dorian Gray,
- Lady Windermere’s Fan,
- The Importance of Being Earnest.

Source: Britannica.com

৫৩.
Who created the literary creation 'Pygmalion'?
  1. Charles Dickens
  2. Virginia Woolf
  3. John Webster
  4. G.B Shaw
ব্যাখ্যা

• Pygmalion:
- Pygmalion হলো George Bernard Shaw-এর লেখা পাঁচ অঙ্কের একটি রোমান্টিক নাটক।
- এটি প্রথমে ১৯১৩ সালে ভিয়েনায় জার্মান ভাষায় মঞ্চস্থ হয় এবং ১৯১৪ সালে ইংল্যান্ডে Eliza Doolittle চরিত্রে Mrs. Patrick Campbell অভিনয় করেন।
- নাটকটির মূল বিষয়: প্রেম এবং ইংরেজ সমাজের শ্রেণিব্যবস্থা।

• George Bernard Shaw:
- Irish comic dramatist, literary critic, and socialist propagandist.
- George Bernard Shaw is considered to be the greatest modern English dramatist.
- The Nobel Prize in Literature 1925 was awarded to George Bernard Shaw.

• Famous Plays of G.B. Shaw:
- Pygmalion,
- Mrs. Warren's Profession,
- Arms and the Man,
- Heartbreak House,
- Caesar and Cleopatra,
- Man and Superman,
- The Doctor's Dilemma,
- St. Joan of Arc etc.

Source: An ABC of English Literature, Dr M Mofizar Rahman; Encyclopedia Britannica

৫৪.
The famous poem Rabbi Ben Ezra was written by -
  1. John Keats
  2. Robert Browning
  3. Alfred Tennyson
  4. John Donne
ব্যাখ্যা

• Rabbi Ben Ezra:
- এটি Robert Browning রচিত একটি কবিতা।
- এটি একটি dramatic monologue ধর্মী কবিতা।
- Rabbi Ben Ezra হচ্ছেন একজন ইহুদী পন্ডিত।
- এই কবিতায় মূলত কবির ধর্মীয় দর্শন সম্বন্ধে বর্ণনা করা হয়েছে।

• কবিতাটির প্রথম স্তবক:
"Grow old along with me!
The best is yet to be,
The last of life, for which the first was made:
Our times are in His hand
Who saith, 'A whole I planned,
Youth shows but half; trust God: see all, nor be
afraid!"

------- 'Rabbi Ben Ezra' by Robert Browning.

• Robert Browning:
- তিনি একজন British poet.
- তিনি Victorian age এর।
- He is noted for his mastery of dramatic monologue.

• Notable Works:
• Poems:
- My Last Duchess.
- The Pied Piper of Hamelin.
- Fra Lippo Lippi.
- Andrea del Sarto.

• Plays: 
- Browning's first play, Strafford (1837), closed after only five performances.

Source: Britannica.com

৫৫.
Which war influenced the themes and characters of The Sun Also Rises?
  1. The American Civil War
  2. World War I
  3. World War II
  4. The Spanish-American War
ব্যাখ্যা

Answer - World War I.

• The Sun Also Rises:

- Ernest Hemingway রচিত প্রথম সার্থক বা গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস।
- এটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯২৬ সালে। উপন্যাসটির অপর নাম Fiesta, এই নামে এটি লন্ডনে প্রকাশিত হয়েছিল।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধোত্তর পরবর্তী সময়ে ‘’Lost Generation’’ বা সেসময়ের তরুণ প্রজন্মের কাছে যুদ্ধের প্রভাব কেমন ছিল তা আঁচ করা যায় এই উপন্যাসটি থেকে।
- কাহিনী স্পেন এবং প্যারিসের বিভিন্ন স্থানকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে।

• Ernest Hemingway:
- Ernest Hemingway ছিলেন একজন আমেরিকান ঔপন্যাসিক এবং ছোটগল্প লেখক।
- তার পুরো নাম Ernest Miller Hemingway.
- তার লেখার সহজ ও সংক্ষিপ্ত গদ্যশৈলী এবং বাস্তবধর্মী চরিত্রচিত্রণ তাকে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লেখক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
- The Sun Also Rises তার প্রথম novel যা Novelist হিসেবে ইংরেজি সাহিত্যে তাকে প্রতিষ্ঠিত হতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
- সাহিত্যে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি 1954 সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- এছাড়া The Old Man and the Sea উপন্যাসের জন্য 1953 সালে পুলিৎজার পুরস্কার লাভ করেন।

• Notable works (Novel):
- The Sun Also Rises,
- The Old Man and the Sea,
- For Whom the Bell Tolls,
- A Farewell to Arms,
- Green Hills of Africa,
- Across the River and Into the Trees,
- The Fifth Column,
- In Our Time,
- Islands in the Stream,
- To Have and Have Not, etc.

- উল্লেখ্য যে, 'The Sun Rising' হলো John Donne লিখিত একটি কবিতা।

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

৫৬.
"I have a dream that one day this nation will rise up and live out the true meaning of its creed." - Who quoted it?
  1. Martin Luther King Jr.
  2. Barack Obama
  3. Nelson Mandela
  4. Abraham Lincoln
ব্যাখ্যা

"I have a dream that one day this nation will rise up and live out the true meaning of its creed. We hold these truths to be self-evident that all men are created equal."
— Martin Luther King Jr.

এই উক্তিটি বিখ্যাত আফ্রিকান-আমেরিকান নেতা Martin Luther King Jr.-এর ১৯৬৩ সালের "I Have a Dream" শীর্ষক বক্তৃতা থেকে নেওয়া। তিনি তখন বর্ণবৈষম্য, অন্যায় ও সামাজিক অসাম্যের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছিলেন।

• Martin Luther King Jr.
- তিনি ১৫ জানুয়ারী ১৯২৯ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ায় জন্মগ্রহন করেন।
- Martin Luther King Jr. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন সমাজকর্মী ও বর্ণবাদবিরোধী নেতা ছিলেন।
- তিনি আজীবন বর্ণবাদ ও আমেরিকার নিপীড়িত মানুষের অধিকার আদায়ের জন্যে সংগ্রাম করে গেছেন।
- ১৯৬৩ সালের ২৮ আগস্ট Martin Luther King Jr. তার বিখ্যাত 'I Have a Dream' ভাষণটি প্রদান করেন।
- ভাষণটি সবাই এখন 'I have a dream' শিরোনামে জানে।
- এই ভাষণে উঠে এসেছে নিগ্রোদের প্রতি অত্যাচারের কথা, তাদের বৈষম্যের শিকার হওয়ার কথা।
- সেখানে তিনি এমন একটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বপ্নের কথা বলেছিলেন যা বিচ্ছিন্নতা এবং বর্ণবাদ মুক্ত।
- স্বপ্ন দেখেছেন সাম্যের, স্বপ্ন দেখেছেন শোষণমুক্ত এক সমাজের।
- ১৯৬৪ সালে তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৮ সালের ৪ এপ্রিল তিনি যুক্তরাষ্ট্রের মেম্ফিস শহরে আততায়ীর গুলিতে তিনি মারা যান।

Source: Britannica.

৫৭.
A famous ode, 'Ode to the West Wind' was written by -
  1. W.B. Yeats
  2. P.B. Shelley
  3. T.S. Eliot
  4. John Keats
ব্যাখ্যা

• Ode to the West Wind:
- এটি রচনা করেন P.B. Shelley.

- কবিতাটি প্রকাশিত হয় ১৮২০ সালে। 
- এই কবিতাকে গণ্য করা হয়, কবির passionate language and symbolic imagery ব্যবহারের একটি অনন্য দৃষ্টান্ত রুপে।
- Shelley এখানে West Wind এর কাছে সাহায্য আহবান করছেন। 
- কবিতাটি লেখা হয় Cascine wood near Florence, Italy তে।
- কারো কারো মতে, কবিতাটি Shelley তার পুত্র William এর মৃত্যুশোকে লিখেছিলেন। 
- কবি West Wind এর প্রলয়ংকারী ক্ষমতাকে সমাদর করেছেন এবং একইভাবে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন এভাবেই যেন বৈপ্লবিক চিন্তাগুলো সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে যায়। 

• “If Winter comes, can Spring be far behind?” এটি এই কবিতার আরেকটি বিখ্যাত লাইন।

• P.B. Shelley:
- তিনি একজন English Romantic poet.
- Her passionate search for personal love and social justice was gradually channeled from overt actions into poems that rank with the greatest in the English language.
 
Best works:
Poem:
- Ode to the West Wind,
- Queen Mab,
- Alastor,
- Adonais,
- Ozymandias,
- To a Skylark.
 
Drama:
- Prometheus Unbound,
- The Cenci.

Source: Britannica.

৫৮.
Sir Philip Sidney was -
  1. Elizabethan author
  2. Restoration author
  3. Victorian author
  4. Middle English period author
ব্যাখ্যা

• Sir Philip Sidney:
- তিনি একাধারে Elizabethan courtier, statesman, soldier, poet.
- After Shakespeare’s sonnets, Sidney’s Astrophel and Stella is considered the finest Elizabethan sonnet cycle.

• Famous works:
- Arcadia,
- Astrophel and Stella,
- The Defence of Poesy/ An Apology for Poetry.

Source: Britannica.

৫৯.
The Bluest Eye is a/an -
  1. poem
  2. novel
  3. play
  4. short story
ব্যাখ্যা

• The Bluest Eye:
- এটি Toni Morrison রচিত।
- এটি একটি novel.
- এটি ১৯৭০ সালে প্রকাশিত হয়।

• Toni Morrison ছিলেন একজন আমেরিকান Novelist, essayist এবং Editor.
- তাছাড়া তিনি Princeton University এর প্রফেসর ছিলেন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম গুলো - 
- Beloved,
- Song of Solomon,
- The Bluest Eye.

Source: Britannica.

৬০.
What is an Epigram?
  1. A lyric poem mourning for death
  2. The direct or lexical meaning of any word
  3. The Repetition of a vowel at the beginning 
  4. Self-contradictory brief and witty statement
ব্যাখ্যা

• Epigram:
- A brief and witty statement which is apparently self-contradictory.
- It leads the reader to think and discover the meaning of the paradox in a statement.
- It provides the intended pleasure,
- They sometimes offer humor, attack the target subject and create lasting impression on the readers.

Example: 'Our sweetest songs are those that tell the saddest thought.' (Shelley: ''To a Skylark'')

• Epigram also means a short and witty poem.

Source: An ABC of English Literature - Dr M Mofizar Rahman

৬১.
The Love Song of J. Alfred Prufrock was written by -
  1. Irish-English poet
  2. French-English poet
  3. American-English poet
  4. Russian-English poet
ব্যাখ্যা

“The Love Song of J. Alfred Prufrock” হলো T.S. Eliot-এর একটি বিখ্যাত কবিতা।
T.S. Eliot একজন American-English poet.

• The Love Song of J. Alfred Prufrock:

- It is written by T.S Eliot.
- আধুনিক যুগের অন্যতম সেরা কবিতা এটি।
- এটা মূলত একটি Dramatic Monologue. এটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল Poetry ম্যাগাজিনে, ১৯১৫ সালে।
- এখানে দেখায়, J. Alfred Prufrock যে কিনা একজন মধ্যবয়সী মানুষ, তার ফেলে আসা অতীতের স্মরণ করছে। চাপা দীর্ঘশ্বাস ফেলে সে তার ভগ্ন শরীর ও হৃদয়ের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে।
- সে বুঝতে পারে, সে তার যৌবন এবং সুখ দুটোই হারিয়েছে।

• এই কবিতার বিখ্যাত লাইন,
- “I have measured out my life with coffee spoons."

• T.S. Eliot: 
- তার পুরো নাম Thomas Stearns Eliot.
- তিনি একাধারে  American-English poet, playwright, literary critic এবং editor.
- He is a leader of the Modernist movement in poetry in such works as The Waste Land and Four Quartets.
- তিনি ১৯৪৮ সালে সাহিত্যে Nobel Prize পান।

• Best works:
•  Poems
- The Waste Land (1922),
- Four Quartets,
- The Hollow Men,
- The Love Song of J. Alfred Prufrock,
- Ash Wednesday (Poem).

• His well-known plays:
- The Confidential Clerk,
- Murder in the Cathedral,
- The Cocktail Party,
- The Elder Statesman,
- The Trail of a Judge etc.

Source: An ABC of English Literature, Dr M Mofizar Rahman and Britannica.

৬২.
যদি n একটি স্বাভাবিক সংখ্যা হয়, তবে নিচের কোনটি অবশ্যই বিজোড় সংখ্যা হবে?
  1. 3n + 2 
  2. n + 1 
  3. 2n + 1 
  4. কোনটিই নয় 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি n একটি স্বাভাবিক সংখ্যা হয়, তবে নিচের কোনটি অবশ্যই বিজোড় সংখ্যা হবে?

সমাধান:
যেহেতু n একটি স্বাভাবিক সংখ্যা, সুতরাং 2n অবশ্যই জোড় স্বাভাবিক সংখ্যা হবে। 

∴ 2n + 1 হবে বিজোড় পূর্ণসংখ্যা। 

উদাহরণ:
2 × 3 + 1 = 6 + 1 = 7
2 × 4 + 1 = 8 + 1 = 9

৬৩.
(x + 7)(x - 3) + 9 এর উৎপাদকে বিশ্লেষণ কোনটি?
  1. (x - 3)(x + 7)
  2. (x - 1)(x -7)
  3. (x + 4)(x - 8)
  4. (x + 6)(x - 2)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (x + 7)(x - 3) + 9 এর উৎপাদকে বিশ্লেষণ কোনটি?

সমাধান:
(x + 7)(x - 3) + 9
= x2 - 3x + 7x - 21 + 9
= x2 + 4x - 12
= x2 + 6x - 2x - 12
= x(x + 6) - 2(x + 6)
= (x + 6)(x - 2)

৬৪.
কোনো সমান্তর ধারার 19-তম পদ 188 এবং সাধারণ অন্তর 10 হলে প্রথম পদ কত?
  1. 4
  2. 6
  3. 8
  4. 12
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোনো সমান্তর ধারার 19-তম পদ 188 এবং সাধারণ অন্তর 10 হলে প্রথম পদ কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
সমান্তর ধারাটির 19 তম পদ = 188
সাধারণ অন্তর, d = 10
প্রথম পদ, a = ? 

আমরা জানি,
সমান্তর ধারার n তম পদ = a + (n - 1)d
∴ 19 তম পদ = a + (19 - 1)d
⇒ 188 = a + (18 × 10) 
⇒ 188 = a + 180
⇒ a = 188 - 180 
⇒ a = 8

৬৫.
দুইটি সংখ্যার ল.সা.গু. ৩০ এবং গ.সা.গু. ৫। একটি সংখ্যা অপর সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ হলে সংখ্যাদ্বয়ের অন্তর কত?
  1. ১২
  2. ১৫
  3. ২০
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: দুইটি সংখ্যার ল.সা.গু. ৩০ এবং গ.সা.গু. ৫। একটি সংখ্যা অপর সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ হলে সংখ্যাদ্বয়ের অন্তর কত?

সমাধান:
ধরি,
বড় সংখ্যাটি = ক
∴ ছোট সংখ্যাটি = ২ক/৩ 

প্রশ্নমতে,
ক × (২ক/৩) =  ৩০ × ৫
⇒ ২ক = ৩০ × ৫ × ৩
⇒ ক = ৪৫০/২
⇒ ক = ২২৫
⇒ ক = ১৫

∴ বড় সংখ্যাটি = ১৫ 
ছোট সংখ্যাটি = (২ × ১৫)/৩ = ৩০/৩ = ১০ 

∴ সংখ্যাদ্বয়ের অন্তর = ১৫ - ১০ = ৫

৬৬.
x2 - 6x + 8 < 0 হলে -
  1. 1 < x < 6
  2. 2 < x < 4
  3. 2 < x < 3
  4. 1 < x < 4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: x2 - 6x + 8 < 0 হলে -

সমাধান:
x2 - 6x + 8 < 0
x2 - 4x - 2x + 8 < 0
x(x - 4) - 2(x - 4) < 0
∴ (x - 4)(x - 2) < 0

x2 - 6x + 8 < 0 সত্য হবে যদি x - 2 < 0 এবং x - 4 > 0 হয়।
এখন, x - 2 < 0 এবং x - 4 > 0
অর্থাৎ,  x < 2 এবং x > 4
2 এর চেয়ে ছোট এবং 4 এর চেয়ে বড় x এর কোন মান নাই।
এক্ষেত্রে অসমতাটির কোন সমাধান পাওয়া যাবে না।

আবার,
x2 - 6x + 8 < 0 সত্য হবে যদি x - 2 > 0 এবং x - 4 < 0 হয়।
এখন,  x - 2 > 0 এবং x - 4 < 0
অর্থাৎ x > 2 এবং x < 4
x এর মান 2 এর চেয়ে বড় এবং 4 এর চেয়ে ছোট।
সুতরাং অসমতাটির সমাধান পাওয়া যাবে.  

সুতরাং নির্ণেয় সমাধানঃ 2 < x < 4

৬৭.
সরল মুনাফায় কোনো আসল ৮ বছরে মুনাফা-আসলে দ্বিগুণ হলে বার্ষিক মুনাফার হার কত?
  1. ৭.৫%
  2. ১০%
  3. ১২.৫%
  4. ১৫%
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: সরল মুনাফায় কোনো আসল ৮ বছরে মুনাফা-আসলে দ্বিগুণ হলে বার্ষিক মুনাফার হার কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
সময়, n = ৮ বছর

মনে করি,
আসল = P
মুনাফা-আসল = ২P

∴ মুনাফা  = ২P - P = P টাকা।

আমরা জানি,
I = Pnr/১০০
⇒ P = (P × r × ৮)/১০০
⇒ r = ১০০/৮
⇒ r = ১২.৫

∴ মুনাফার হার ১২.৫%

৬৮.
একটি বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ৩২ বর্গমিটার হলে বর্গক্ষেত্রের পরিবৃত্তের ব্যাস কত?
  1. ২√২ মিটার 
  2. ৪√২ মিটার 
  3. ৮ মিটার 
  4. ১৬ মিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ৩২ বর্গমিটার হলে বর্গক্ষেত্রের পরিবৃত্তের ব্যাস কত?

সমাধান:

দেওয়া আছে,
বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ৩২ বর্গমিটার 

বর্গক্ষেত্রের বাহু = √৩২
= √(১৬ ×২)
= ৪√২ মিটার 

বর্গক্ষেত্রের কর্ণ = বাহু × √২
= (৪√২× √২) মিটার
= ৮ মিটার 

∴ বর্গক্ষেত্রের পরিবৃত্তের ব্যাস = বর্গক্ষেত্রের কর্ণ = ৮ মিটার 

৬৯.
log2√5 400 = x হলে x এর মান কত? 
  1. 2√5 
  2. 4
  3. 8
  4. 10
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: log2√5 400 = x হলে x এর মান কত? 

সমাধান:
log2√5 400 = x
⇒ (2√5)x = 400
⇒ (2√5)x = (20)2
⇒ (2√5)x = (4 × 5)2
⇒ (2√5)x = {(2)2 × (√5)2}2
⇒ (2√5)x = 24 × (√5)4
⇒ (2√5)x = (2√5)4
⇒ x = 4

৭০.
2, 8, এবং 32 এর গুণোত্তর গড় কত?
  1. 8
  2. 6
  3. 16
  4. 14
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 2, 8, এবং 32 এর গুণোত্তর গড় কত?

সমাধান:
আমরা জানি,
n সংখ্যক সংখ্যার গুণোত্তর গড় 
 

সুতরাং, 2, 8, এবং 32 এর গুণোত্তর গড় = ( 2 × 8 × 32 )1/3  
= (512)1/3
= (83)1/3
= 8

৭১.
a + 3 + (1/a) = 0 হলে a3 + (1/a)3 এর মান কত?
  1. 14
  2. - 16
  3. - 18
  4. 27
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: a + 3 + (1/a) = 0 হলে a3 + (1/a)3 এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
a + 3 + (1/a) = 0
⇒ a + (1/a) = - 3

এখন,
a3 + (1/a)3 
= {a + (1/a)}3 - 3.a.(1/a){a + (1/a)}
= (- 3)3 - 3(- 3)
= - 27 + 9
= - 18

৭২.
a1x + b1y + c1 = 0 এবং a2x + b2y + c2 = 0 সরলরেখাদ্বয় পরস্পর লম্ব হওয়ার শর্ত কী?
  1. a1b1 + a2b2 = 0
  2. a1b2 + a2b1 = 0
  3. a1a2 + b1b2 = 0
  4. a2b1 = 0
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: a1x + b1y + c1 = 0 এবং a2x + b2y + c2 = 0 সরলরেখাদ্বয় পরস্পর লম্ব হওয়ার শর্ত কী?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
a1x + b1y + c1 = 0 ................... (১)
a2x + b2y + c2 = 0 ................... (২) 

(১) নং সরলরেখার ঢাল = - (a1/b1)
(২) নং সরলরেখার ঢাল = - (a2/b2

দুইটি সরলরেখা লম্ব হওয়ার শর্ত,
ঢালদ্বয়ের গুণফল = - 1 
⇒ {- (a1/b1)} × {- (a2/b2)} = - 1
⇒ (a1a2)/(b1b2) = - 1
⇒ a1a2 = - b1b2
⇒ a1a2 + b1b2 = 0

৭৩.
TRIANGLE শব্দটির স্বরবর্ণগুলোকে একত্রে রেখে মোট কতভাবে সাজানো যাবে?
  1. 1024
  2. 3600
  3. 4320
  4. 5440
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: TRIANGLE শব্দটির স্বরবর্ণগুলোকে একত্রে রেখে মোট কতভাবে সাজানো যাবে?

সমাধান:
TRIANGLE শব্দটিতে,
মোট অক্ষর = 8 টি 
স্বরবর্ণ = A, E, I অর্থাৎ 3 টি 

স্বরবর্ণ গুলোকে নিজেদের মধ্যে সাজানো যায় = 3! উপায়ে 

∴ স্বরবর্ণ গুলোকে একত্রে একটি অক্ষর ধরে TRIANGLE শব্দটির মোট বিন্যাস সংখ্যা,
= 6! × 3!
= 6 × 5 × 4 × 3 × 2 × 3 × 2
= 4320

৭৪.
একটি সামান্তরিকের দুইটি সন্নিহিত বাহুর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে 7 সেন্টিমিটার এবং 30 মিলিমিটার। সামান্তরিকটির পরিসীমা কত?
  1. 15 সেন্টিমিটার
  2. 20 সেন্টিমিটার
  3. 21 সেন্টিমিটার
  4. 42 সেন্টিমিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সামান্তরিকের দুইটি সন্নিহিত বাহুর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে 7 সেন্টিমিটার এবং 30 মিলিমিটার। সামান্তরিকটির পরিসীমা কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
সামান্তরিকের এক বাহু = 7 সেন্টিমিটার 
অপর বাহু = 30 মিলিমিটার
= (30/10) সেন্টিমিটার
= 3 সেন্টিমিটার

∴ সামান্তরিকের পরিসীমা = 2(দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) একক 
= 2(7 + 3) সেন্টিমিটার
= (2 × 10) সেন্টিমিটার
= 20 সেন্টিমিটার 

৭৫.
নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. গণণা
  2. গনণা
  3. গণনা
  4. গননা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?

সমাধান:  
গণন, গণনা (বিশেষ্য)
- সংখ্যা গণনার কাজ; অঙ্ক করা বা কষা।
- অবধারণ; নিরূপণ; নির্ধারণ (বিচারে দোষী বলে গণনা)।
- হিসাব (বৎসর গণনা)।
- গ্রাহ্য বা স্বীকারকরণ (শ্রদ্ধেয় বলে গণনা)।
- উল্লেখ; বর্ণনা; নির্দেশ (শয়তান হিসাবে গণনা)।
- (জ্যোশা) রাশি-ক্ষেত্রের সাহায্যে ভবিষ্যৎ শুভাশুভ স্থিরীকরণ।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

৭৬.
নিচের কোনটি সবচেয়ে ছোট? 
  1. ৭/৩
  2. ১/৩
  3. ১/২
  4. ৩/৪
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের কোনটি সবচেয়ে ছোট? 

সমাধান:
৭/৩ = ২.৩৩
১/৩ = ০.৩৩৩
১/২ = ০.৫ 
৩/৪ = ০.৭৫

∴ সবচেয়ে ছোট ০.৩৩৩ = ১/৩ 

৭৭.
নিচের ধারাবাহিকতায় প্রশ্নবোধক স্থানে কোনটি হবে?
T → 3 → Q → 6 → N → 9 → K → 12 → H → 15 → E → 18 → ?
  1. 21
  2. 24
  3. A
  4. B
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের ধারাবাহিকতায় প্রশ্নবোধক স্থানে কোনটি হবে?
T → 3 → Q → 6 → N → 9 → K → 12 → H → 15 → E → 18 → ?

সমাধান:
এখানে,
সংখ্যার ধারাবাহিকতা: 3 → 6 → 9 → 12 → 15 → 18
বর্ণের ধারাবাহিকতা:
T → Q → N → K → H → E → B
20 → 17→14→11→ 8 → 5 → 2

৭৮.
‘সীমানা ছাড়িয়ে’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
  1. আনিস চৌধুরী
  2. সৈয়দ শামসুল হক
  3. সৈয়দ মুজতবা আলী
  4. জহির রায়হান
ব্যাখ্যা

• সৈয়দ শামসুল হক:
- তিনি ১৯৩৫ সালে কুড়িগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত লেখক হিসেবে সমধিক পরিচিত।
- সীমানা ছাড়িয়ে (১৯৬৪) উপন্যাসের রচিয়তা তিনি। 

• তাঁর রচিত কাব্যনাট্য:
- পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়।
- নুরুলদীনের সারাজীবন।
- এখানে এখন।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- তাস।
- শীত বিকেল।
- আনন্দের মৃত্যু।
- প্রাচীন বংশের নিঃস্ব সন্তান।
- জলেশ্বরীর গল্পগুলো।

• সৈয়দ শামসুল হকের কবিতা:
- একদা এক রাজ্যে।
- বৈশাখে রচিত পঙ্‌ক্তিমালা।
- পরানের গহীন ভিতর।
- বেজান শহরের জন্য কোরাস।
- কাননে কানে তোমারই সন্ধানে।
- আমি জন্মগ্রহণ করিনি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।

৭৯.
AC = BC হলে নিচের চিত্রে x এর মান  কত?
  1. 100°
  2. 110°
  3. 120°
  4. 90°
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: AC = BC হলে নিচের চিত্রে x এর মান  কত?


সমাধান:

চিত্রে, ∠CAB = 180° - x 
দেওয়া আছে,
AC = BC 
∴ ∠ABC = 180° - x 

আমরা জানি,
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি 180°
∴ 180° - x  + 180° - x  + 40° = 180°
⇒ 400° - 2x = 180°
⇒ - 2x = 180° - 400°
⇒ - 2x = - 220°
⇒ x = (- 220°)/(- 2)
∴ x = 110°

৮০.
যদি গুণ অর্থ ÷, বিয়োগ অর্থ ×, ভাগ অর্থ + এবং যোগ অর্থ - হয়, তবে
(3 - 15 ÷ 19) × 8 + 5 = কত?
  1. 3
  2. 2
  3. 5
  4. 4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি গুণ অর্থ ÷, বিয়োগ অর্থ ×, ভাগ অর্থ + এবং যোগ অর্থ - হয়, তবে
(3 - 15 ÷ 19) × 8 + 5 = কত?

সমাধান: 
গুণ অর্থ ÷, বিয়োগ অর্থ ×, ভাগ অর্থ + এবং যোগ অর্থ -

প্রদত্ত তথ্য অনুসারে (3 - 15 ÷ 19) × 8 + 5  এর চিহ্ন পরিবর্তন করে পাই
(3 × 15 + 19) ÷ 8 - 5  
= (45 + 19) ÷ 8 - 5
= 64  ÷ 8 - 5
= 8 - 5
= 3 

৮১.
একটি ছেলেকে দেখিয়ে রিমি বলল, "সে আমার মামার বাবার একমাত্র মেয়ের ছেলে।" ছেলেটি রিমির কী হয়?
  1. ভাই
  2. বাবা
  3. মামা
  4. নানা
ব্যাখ্যা

 
প্রশ্ন: একটি ছেলেকে দেখিয়ে রিমি বলল, "সে আমার মামার বাবার একমাত্র মেয়ের ছেলে।" ছেলেটি রিমির কী হয়?

সমাধান: 
রিমির মামার বাবা হলো রিমির নানা 
রিমির নানার একমাত্র মেয়ে রিমির মা 
রিমির মায়ের ছেলে হলো রিমির ভাই 

- ছেলেটি রিমির ভাই হয়।

৮২.
ভারসাম্য রক্ষার জন্য প্রশ্নবোধক চিহ্নিত অংশের দূরত্ব কত হবে?
  1. 12 ft
  2. 8 ft
  3. 10 ft
  4. 14 ft
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ভারসাম্য রক্ষার জন্য প্রশ্নবোধক চিহ্নিত অংশের দূরত্ব কত হবে?



সমাধান:
আমরা জানি,
ভারসাম্য রক্ষার সূত্র,
ডান পাশের ওজন × ফালক্রম থেকে দূরত্ব = বাম পাশের ওজন × ফালক্রম থেকে দূরত্ব
বা, 78 × ফালক্রম থেকে দূরত্ব = (60 × 5) + (80 × 6)
বা, ফালক্রাম থেকে দূরত্ব = 780/78
∴ ফালক্রাম থেকে দূরত্ব = 10 ft

৮৩.
নিচের চিত্রে কতটি আয়তক্ষেত্র আছে? 
  1. ১০টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের চিত্রে কতটি আয়তক্ষেত্র আছে? 

সমাধান:

প্রদত্ত চিত্রে আয়তক্ষেত্র আছে ৯টি 
আয়তক্ষেত্র গুলো হলো =  BCDI, DIEF, ABHI, HIFG, BCEF, DEHG, ABFG, CDAH, AGEC.

৮৪.
তাহের সাহেব পূর্ব দিকে 1 কিমি হেঁটে যায় এবং তারপর তিনি দক্ষিণে ঘুরে 5 কি.মি. হাঁটে। আবার তিনি পূর্ব দিকে মোড় নেয় এবং 2 কিমি হেঁটে যায়। এর পরে তিনি উত্তর দিকে ঘুরে 9 কিমি হাঁটে। এখন তাহের সাহেব তাঁর যাত্রাস্থান থেকে কত দূরে আছে?
  1. 12 কি.মি.
  2. 4 কি.মি.
  3. 5 কি.মি.
  4. 17 কি.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: তাহের সাহেব পূর্ব দিকে 1 কিমি হেঁটে যায় এবং তারপর তিনি দক্ষিণে ঘুরে 5 কি.মি. হাঁটে। আবার তিনি পূর্ব দিকে মোড় নেয় এবং 2 কিমি হেঁটে যায়। এর পরে তিনি উত্তর দিকে ঘুরে 9 কিমি হাঁটে। এখন তাহের সাহেব তাঁর যাত্রাস্থান থেকে কত দূরে আছে?

সমাধান: 
যাত্রাস্থান A এবং গন্তব্য স্থান E 

সরাসরি দূরত্ব AE  = √(AF2 + EF2)
= √(32 + 42)
=√(9 + 16) 
= √25
= 5 কি.মি.

৮৫.
LOADSHEDDING শব্দটির সমতল দর্পণের প্রতিবিম্ব কোনটি?
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: LOADSHEDDING শব্দটির সমতল দর্পণের প্রতিবিম্ব কোনটি? 

    সমাধান: 

    ৮৬.
    যদি NUMBER দিয়ে UNBMRE, CAMERA দিয়ে ACEMAR বোঝায়, তাহলে CUSTOM দিয়ে নিচের কোনটি বোঝাবে?
    1. MOUCST
    2. SMOUCT
    3. UCMOTS
    4. UCTSMO
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: যদি NUMBER দিয়ে UNBMRE, CAMERA দিয়ে ACEMAR বোঝায়, তাহলে CUSTOM দিয়ে নিচের কোনটি বোঝাবে?

    সমাধান: 
    প্রদত্ত শব্দগুলোর জোড়ায় জোড়ায় বর্ণগুলো তাদের পাশাপাশি অবস্থান পরিবর্তন করে বসেছে। 
    NU - UN
    MB - BM
    ER  - RE  

    CA - AC
    ME - EM
    RA - AR

    CUSTOM - UCTSMO

    ৮৭.
    কোনটি অক্টাল সংখ্যা (24)8 এর সঠিক বাইনারি রূপ?
    1. (111 100)2
    2. (101 010)2
    3. (111 101)2
    4. (010 100)2
    ব্যাখ্যা
    • অক্টাল সংখ্যা (24)8 এর সঠিক বাইনারি রূপ হচ্ছে : (010 100)2


    অক্টাল থেকে বাইনারিতে রূপান্তর:

    - যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ৮টি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
    - অক্টাল থেকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের ক্ষেত্রে প্রতিটি অক্টাল অংক কে তিন বিট বিশিষ্ট বাইনারি রূপান্তর করলে বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যায়। যেমন-
    ১ = ০০১
    ২ = ০১০
    ৩ = ০১১
    ৪ = ১০০

    ∴ (২৪) = (010 100)2

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৮৮.
    কোনটি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের অন্তর্ভুক্ত নয়?
    1. Google
    2. Instagram
    3. Twitter
    4. Facebook
    ব্যাখ্যা

    • সোশ্যাল মিডিয়া হলো এমন একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম যেখানে ব্যবহারকারীরা তথ্য শেয়ার, ছবি বা ভিডিও পোস্ট, বন্ধু বা অনুসারীদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং মতামত বিনিময় করতে পারে। এর মধ্যে Instagram, Twitter এবং Facebook মূলত সোশ্যাল মিডিয়া হিসেবে পরিচিত, কারণ এদের মূল কাজই ব্যবহারকারীদের সংযোগ এবং কনটেন্ট শেয়ার করা। অন্যদিকে Google একটি সার্চ ইঞ্জিন এবং প্রযুক্তি কোম্পানি যা মূলত তথ্য অনুসন্ধান, ইমেইল, ক্লাউড স্টোরেজ এবং বিজ্ঞাপন সেবা প্রদান করে। যদিও Google-এর কিছু সেবা যেমন YouTube বা Google Meet সামাজিক যোগাযোগের সুযোগ দেয়, তবুও Google নিজেই একটি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত নয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) Google.

    গুগল (Google):
    - ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
    - বর্তমান CEO: Sundar Pichai. (তথ্য: আগস্ট, ২০২৫ পর্যন্ত)
    - গুগল শব্দটির উৎপত্তি 'গুগোল' (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম।
    - গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
    - গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
    - গুগলের সার্ভিসসমূহ: Google Nest, Drive, Google Maps, Google Workspace, Chrome, Gmail, Android, Google Assistant, YouTube, Google Keep, Google Meet, Google Photos, Chromebook, AdSense প্রভৃতি।

    ইনস্টাগ্রাম:
    - ইনস্টাগ্রাম চালু হয় ২০১০ সালের ৬ অক্টোবর।
    - ইনস্টাগ্রাম প্রতিষ্ঠা করেন কেভিন সাইস্ট্রম ও মাইক ক্রিঞ্জার।
    - ২০১২ সালে Instagram কিনে নিয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্ট Facebook।
    - বর্তমানে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপ মেটার অধীনে পরিচালিত হচ্ছে।

    ফেসবুক:
    - বর্তমান CEO: মার্ক জাকারবার্গ
    - প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৪
    - বাণিজ্যিক নাম: মেটা
    - সদরদপ্তর: ম্যানলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
    - মেটার অধীনস্ত কোম্পানিগুলো হলো- ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটস্ অ্যাপ, ফেসবুক, ম্যাসেঞ্জার ইত্যাদি।

    X (Twitter):
    - X এর পূর্বনাম টুইটার।
    - অক্টোবর, ২০২২ সালে ইলন মাস্ক টুইটার কিনে নেয়।
    - জুলাই, ২০২৩ সালে ইলন মাস্ক Twitter এর নাম পরিবর্তন করেন এবং নতুন নাম দেন X.
    - X এ সর্বোচ্চ ২৮০ অক্ষরের বার্তা পোস্ট করা যায়।
    - প্রতিষ্ঠাকাল: ২১ মার্চ ২০০৬ এবং চালু হয় ১৫ জুলাই ২০০৬ সালে।
    - সদরদপ্তর: San Francisco, California, United States.
    - প্রতিষ্ঠাতা: Jack Dorsey, Evan Williams, Biz Stone, Noah Glass.
    - বর্তমান CEO: Linda Yaccarino. (তথ্য: আগস্ট, ২০২৫ পর্যন্ত)

    উৎস: ব্রিটানিকা এ সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

    ৮৯.
    GPRS মূলত কোন ধরনের নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত হয়?
    1. স্যাটেলাইট নেটওয়ার্ক
    2. ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক
    3. সেলুলার নেটওয়ার্ক
    4. ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক
    ব্যাখ্যা

    • GPRS বা General Packet Radio Service মূলত সেলুলার নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত হয়। এটি জিএসএম (GSM) মোবাইল নেটওয়ার্কের একটি প্রযুক্তি, যা ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। GPRS ডেটা প্যাকেট আকারে প্রেরণ করে, তাই এটি ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ইমেইল এবং মেসেজিং-এর মতো সার্ভিসে দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য সংযোগ প্রদান করতে সক্ষম। এটি মূলত সেলুলার মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্য ব্যবহৃত হয়, যাদের স্থায়ী বা ওয়্যারড ইন্টারনেট সংযোগ নেই। স্যাটেলাইট, ফাইবার অপটিক বা ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে GPRS সরাসরি ব্যবহৃত হয় না, কারণ এগুলো আলাদা ধরণের যোগাযোগ প্রযুক্তি। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) সেলুলার নেটওয়ার্ক।

    • মোবাইল ফোন প্রযুক্তির প্রকারভেদ:
    - বর্তমানে প্রচলিত মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

    ১. GSM [Global System for Mobile Communication):
    - GSM হলো TDMA এবং FDMA এর সম্মিলিত একটি চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি।
    - এই প্রযুক্তিতে মোবাইল ডেটা ট্রান্সমিশনের ক্ষেত্রে উচ্চগতির প্রযুক্তি GPRS (General Packet Radio Service), EDGE(Enhanced Data Rate for GSM Evolution) ব্যবহৃত হয়।
    - সেল কভারেজ এরিয়া ৩৫ কি.মি.।
    - এতে আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা আছে।

    ২. CDMA (Code Division Multiple Access):
    - এই প্রযুক্তিতে ডেটা পাঠানো হয় ইউনিক কোডিং পদ্ধতিতে।
    - যে পদ্ধতিতে ডেটা আদান-প্রদান করে তাকে স্প্রেড স্পেকট্রাম বলা হয়।
    - মোবাইল অপারেটর সিটিসেল এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
    - সেল কভারেজ এরিয়া ১১০ কি.মি.।
    - আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা নেই।

    উৎস:
    ১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
    ২. ব্রিটানিকা।

    ৯০.
    CPU-তে রেজিস্টারের মূল কাজ কী?
    1. ডেটা ও ইনস্ট্রাকশন সাময়িকভাবে রাখা
    2. CPU-কে I/O ডিভাইসের সাথে যুক্ত করা
    3. CPU-এর পাওয়ার নিয়ন্ত্রণ করা
    4. ডেটা স্থায়ীভাবে রাখা
    ব্যাখ্যা

    • CPU-তে রেজিস্টারের মূল কাজ হল ডেটা ও ইনস্ট্রাকশন সাময়িকভাবে রাখা। রেজিস্টারগুলো হলো ছোট, অত্যন্ত দ্রুত মেমরি ইউনিট যা প্রসেসরের ভিতরে থাকে। যখন CPU কোনো প্রোগ্রাম চালায়, তখন তা চলাকালীন তথ্য এবং নির্দেশাবলী রেজিস্টারে সংরক্ষণ করা হয়, যাতে প্রসেসর সেগুলো খুব দ্রুত অ্যাক্সেস করতে পারে। এটি ডেটা প্রক্রিয়াকরণকে দ্রুততর করে, কারণ RAM-এর তুলনায় রেজিস্টারে তথ্য পড়া এবং লেখা অনেক দ্রুত হয়। রেজিস্টার CPU-এর অস্থায়ী স্টোরেজ হিসেবে কাজ করে, এবং এটি মূলত সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য তথ্য ধারণ করে, স্থায়ীভাবে নয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো (ক) ডেটা ও ইনস্ট্রাকশন সাময়িকভাবে রাখা।

    রেজিস্টার (Register):
    - মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
    - রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ- ফ্লপের সাহায্যে।
    - এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
    - মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন: অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।

    মেমরির ধারণক্ষমতা, দাম ও গতির ক্রম:

    - পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করা রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা কম হলেও এর গতি যেমন সবচেয়ে বেশি, খরচও তেমনি সবচেয়ে বেশি।
    - আবার পিরামিডের একদম পাদদেশে অবস্থিত অপটিক্যাল ডিস্কের ধারণক্ষমতা বেশি হলেও গতি কম এবং দামও তুলনামূলক কম।

    এছাড়াও, 
    - RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি।
    - RAM হলো অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি এবং ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
    - অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হলো হার্ড ডিস্ক।
    - হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা যায়।
    - সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।

    উৎস:
    ১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ২. ব্রিটানিকা।
    ৩. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ৯১.
    "Distributed Computing"-এর প্রধান উদ্দেশ্য কী?
    1. একাধিক কম্পিউটার ব্যবহার করে সমস্যা দ্রুত সমাধান
    2. একটি মেশিনের মেমোরি ব্যবহার কমানো
    3. সিপিইউ ক্লক স্পিড বাড়ানো
    4. সব ক্লাউড সার্ভারকে একটি কম্পিউটারে প্রতিস্থাপন করা
    ব্যাখ্যা

    • "Distributed Computing" বা বিতরণকৃত কম্পিউটিং-এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো জটিল সমস্যা সমাধান বা বড় ডেটা প্রসেসিং কাজকে একাধিক কম্পিউটারে ভাগ করে দ্রুত এবং কার্যকরভাবে সম্পন্ন করা। এতে কাজগুলো সমান্তরালভাবে চলে, ফলে একটি একক কম্পিউটারের সীমাবদ্ধতা যেমন কম মেমোরি বা প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতার সমস্যা এড়ানো যায়। এছাড়া, সিস্টেমের নির্ভরযোগ্যতা ও স্কেলেবিলিটিও বৃদ্ধি পায়, কারণ কোনো একটি কম্পিউটার ব্যর্থ হলেও অন্যগুলো কাজ চালিয়ে যেতে পারে। তাই Distributed Computing-এর মূল লক্ষ্য হলো একাধিক কম্পিউটার ব্যবহার করে সমস্যা দ্রুত সমাধান করা, যা অপশন গুলোর মধ্যে ক) একাধিক কম্পিউটার ব্যবহার করে সমস্যা দ্রুত সমাধান।

    ক্লাউড কম্পিউটিং:
    - ক্লাউড কম্পিউটিং এমন একটি কম্পিউটিং প্রযুক্তি, যা ইন্টারনেট ও কেন্দ্রীয় রিমোট সার্ভার ব্যবহারের মাধ্যমে ডেটা এবং অ্যাপ্লিকেশনসমূহ নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করতে সক্ষম।
    - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST) অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনকে কোনো সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল, যাতে ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে। যথা:

    ১. Resurce Flexibility/Scalability (যত চাহিদা ক্ষত সার্ভিস):
    - ক্রেতা যত চাইবে, সেবাদাতা ততই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

    ২. On Demand (যখন চাহিদা তখন সার্ভিস):
    - ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে।
    - ক্রেতা তার ইচ্ছায় যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে কমাতে পারবে।

    ৩. Pay as you go (যখন ব্যবহার তখন মূল্যশোধ):
    - ক্রেতাকে আগে থেকে কোনো সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না।
    - ক্রেতা যা ব্যবহার করবে, শুধুমাত্র তার জন্য পেমেন্ট করতে হবে।
    - বৈশিষ্ট থেকে বলা যায় গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী, ইউটিলিটি-ভিত্তিক কম্পিউটিং পরিষেবা প্রদানের জন্য কোন প্রযুক্তিটি Distributed Computing এর একটি দৃষ্টান্ত হলো ক্লাউড কম্পিউটিং।

    উৎস:
    ১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
    ২. ব্রিটানিকা।

    ৯২.
    যদি আপনার ইন্টারনেট স্পিড 50 Mbps হয়, তাহলে তাত্ত্বিকভাবে আপনি 1 সেকেন্ডে কত মেগাবিট ডাউনলোড করতে পারবেন?
    1. 500 Mb
    2. 5 Mb
    3. 50 Mb
    4. 0.5 Mb
    ব্যাখ্যা

    • যদি আপনার ইন্টারনেট স্পিড 50 Mbps হয়, তাহলে “Mbps” মানে হলো মেগাবিট প্রতি সেকেন্ড। এটি নির্দেশ করে যে এক সেকেন্ডে আপনার ডিভাইস কত মেগাবিট ডেটা ডাউনলোড করতে সক্ষম। এখানে স্পিড 50 Mbps, অর্থাৎ তাত্ত্বিকভাবে 1 সেকেন্ডে আপনি 50 মেগাবিট ডেটা ডাউনলোড করতে পারবেন। এটি একটি সরাসরি সম্পর্ক: স্পিড যত বেশি, ডাউনলোড ক্ষমতাও তত বেশি। অতএব, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো গ) 50 Mb। বাস্তব জীবনে কিছুটা কম হতে পারে কারণ নেটওয়ার্ক ল্যাটেন্সি বা সার্ভার পারফরম্যান্স ডাউনলোড স্পিডকে প্রভাবিত করতে পারে, তবে তাত্ত্বিক হিসাব অনুযায়ী এটি সঠিক।

    - 'MbPS' এর পূর্ণরূপ Megabits per second.
    - এক স্থান হতে অন্য স্থানে অথবা এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে ডেটা স্থানান্তরের হারকে ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড বলে।
    - এই ট্রান্সমিশন স্পীডকে অনেক সময় ব্যান্ডউইডথও বলা হয়।
    - এই ব্যান্ডউইডথ সাধারণত bit per second (bps) এ হিসাব করা হয়।
    - অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ বিট ট্রান্সমিট করা হয় তাকে bit per second (bps) বা ব্যান্ডউইডথ বলে।

    • bps অর্থ হলো bit per second (1) বিট = 1 বা 0)
    - kbps হলো kilobits per second (1000 বিট =1 কিলোবিট)
    - Mbps হলো megabits per second (1000 কিলোবিট = 1 মেগাবিট)
    - Gbps হলো gigabits per second (1000 মেগাবিট = 1 গিগাবিট)
    - Tbps হলো Terabits per second (1000 গিগাবিট =1 টেরাবিট)
    - Pbps হলো Petabits per second (1000 টেরাবিট=1 পেটাবিট

    • MBps vs Mbps:
    - নোট: এখানে MBps দ্বারা মেগা বাইট পার সেকেন্ড এবং Mbps দ্বারা মেগা বিট পার সেকেন্ড বোঝানো হয়ে থাকে।
    - অর্থাৎ বড় হাতের B থাকলে সেটি হবে মেগা বাইট পার সেকেন্ড এবং ছোটো হাতের b থাকলে সেটি হবে মেগা বিট পার সেকেন্ড।

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

    ৯৩.
    কম্পাইলারের প্রেক্ষিতে কোনটি সঠিক বিবৃতি?
    1. এটি একবারে পুরো প্রোগ্রাম অনুবাদ করে
    2. এটি মেশিন প্রোগ্রামকে সোর্স প্রোগ্রামে রূপান্তর করে
    3. এটি প্রতি লাইন প্রোগ্রাম পড়ে এবং অনুবাদ করে
    4. এটি Interpreter-এর চেয়ে অনুবাদ করতে বেশি সময় লাগে
    ব্যাখ্যা

    • কম্পাইলারের প্রেক্ষিতে সঠিক বিবৃতিটি হলো ক) এটি একবারে পুরো প্রোগ্রাম অনুবাদ করে। কম্পাইলার হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা সম্পূর্ণ সোর্স কোডকে একসাথে নিয়ে মেশিন কোডে রূপান্তর করে। এটি পুরো প্রোগ্রামটি একবারে বিশ্লেষণ করে সিনট্যাক্স ও সেমান্টিক ত্রুটি চেক করে, এরপর একসাথে একটি এক্সিকিউটেবল ফাইল তৈরি করে। এর ফলে প্রোগ্রাম চালানোর সময় দ্রুত কার্যকর হয়। কম্পাইলার প্রতি লাইনে কোড পড়ে না (যা Interpreter করে) এবং এটি সোর্স কোডকে মেশিন প্রোগ্রামে রূপান্তর করে, সোর্স কোডে নয়। এছাড়াও, সাধারণত Interpreter-এর তুলনায় কম্পাইলার প্রারম্ভিকভাবে বেশি সময় নিলেও একবার অনুবাদের পর কার্যকরী সময় কম হয়।

    অনুবাদক প্রোগ্রাম:
    - যে প্রোগ্রামের মাধ্যমে উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে পরিণত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে।

    - অনুবাদক প্রোগ্রাম তিন ধরনের হয়ে থাকে। যথা:
    ১. কম্পাইলার,
    ২. ইন্টারপ্রেটার ও
    ৩. অ্যাসেম্বলার।

    কম্পাইলার:
    - কম্পাইলার হলো এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রাম একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।
    - এখানকার এক্সিকিউশন ফাইল অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এক্সিকিউট হয়ে থাকে।
    - ফলে প্রোগ্রামিং প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুততর হয় এবং প্রোগ্রামারকে নিজ হাতে কোন অনুবাদকের কাজ করতে হয় না।
    - কোন নির্দিষ্ট কম্পাইলার একটি মাত্র উচ্চতর ভাষার প্রোগ্রামকে কম্পাইল করতে পারে।
    - কম্পাইলার অনুবাদ করা ছাড়াও উৎস প্রোগ্রামের গুণাগুণও বিচার করতে পারে।

    কম্পাইলারের প্রধান কাজ:
    - উৎস প্রোগ্রামকে অনুবাদ করে অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করা।
    - সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটিকে একসাথে অনুবাদ করা এবং সবগুলো ভুল একসাথে প্রদর্শন করা।
    - প্রোগ্রামের সঙ্গে প্রয়োজনীয় রুটিন যোগ করা।
    - রুটিন হলো প্রোগ্রামের ছোট অংশ যাতে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য নির্দেশ দেয়া থাকে।
    - প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে তা জানানো।

    উৎস:
    ১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ২. কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি, ভোকেশনাল।

    ৯৪.
    কোন প্রযুক্তির কারণে আধুনিক ফেস রিকগনিশনের নির্ভুলতা অনেক বেড়েছে?
    1. Optical Character Recognition (OCR)
    2. Fourier Transform
    3. Convolutional Neural Networks (CNNs)
    4. QR Code Scanning
    ব্যাখ্যা

    • আধুনিক ফেস রিকগনিশনের নির্ভুলতা সবচেয়ে বেশি বেড়েছে Convolutional Neural Networks (CNNs) প্রযুক্তির কারণে। CNN হলো একটি ধরনের ডীপ লার্নিং মডেল, যা মূলত চিত্র বা ভিজ্যুয়াল ডেটা থেকে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য (features) স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করতে সক্ষম। এটি মুখের বিভিন্ন অংশ যেমন চোখ, নাক, মুখ, এবং তাদের সম্পর্কিত প্যাটার্ন বিশ্লেষণ করে মুখের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য চিনতে পারে। CNN-এর স্তরগুলো ধীরে ধীরে সহজ থেকে জটিল বৈশিষ্ট্য শিখে এবং বিভিন্ন কোণ, আলো বা অভিব্যক্তি থাকা সত্ত্বেও সঠিকভাবে মুখ সনাক্ত করতে পারে। ফলে, ফেস রিকগনিশন সিস্টেমের নির্ভুলতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

    সঠিক উত্তর: গ) Convolutional Neural Networks (CNNs).


    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence):
    - কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
    - মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে।
    - AI-এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।
    - কম্পিউটার কীভাবে মানুষের মতো চিন্তা করবে, কিভাবে অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্তে পৌঁছবে, কিভাবে সমস্যা সমাধান করবে, কীভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে ইত্যাদি বিষয়গুলোর জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর আরো গবেষণা করা হচ্ছে।

    Artificial Intelligence-এর ব্যবহার:
    - Face Recognition System,
    - Speech Recognition System,
    - Natural Language Processing ইত্যাদি।

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ৯৫.
    নিচের কোনটি সার্চ ইঞ্জিন নয়?
    1. Ecosia
    2. Google
    3. Safari
    4. AOL
    ব্যাখ্যা

    • সার্চ ইঞ্জিন হলো এমন একটি সফটওয়্যার বা ওয়েবসাইট যা ব্যবহারকারীর অনুসন্ধানের ভিত্তিতে ইন্টারনেট থেকে তথ্য খুঁজে দেয়। প্রদত্ত বিকল্পগুলির মধ্যে Ecosia, Google এবং AOL হলো সার্চ ইঞ্জিন। Ecosia একটি পরিবেশবান্ধব সার্চ ইঞ্জিন যা ব্যবহারকারীর সার্চের মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ করে, Google হলো বিশ্বখ্যাত সার্চ ইঞ্জিন যা অগণিত ওয়েবসাইটের তথ্য সংগ্রহ ও প্রদর্শন করে, এবং AOL-ও মূলত একটি সার্চ ইঞ্জিন হিসেবে কাজ করে। অন্যদিকে, Safari হলো একটি ওয়েব ব্রাউজার, যা ইন্টারনেটে ভ্রমণ করতে ব্যবহৃত হয় কিন্তু সরাসরি তথ্য খোঁজার জন্য সার্চ ইঞ্জিন নয়। তাই এখানে সার্চ ইঞ্জিন নয় Safari.

    সার্চ ইঞ্জিন:
    - ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা আন্তর্জালের দুনিয়াতে যেকোনো তথ্য বা ছবি খুঁজে বের করার প্রযুক্তি মাধ্যম।
    - সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রদর্শন করা হয়ে থাকে।
    - ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন ক্রোলার বট এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে।
    - বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন Archie.
    - গুগল, চরকি, খুঁজুন.কম, পিপীলিকা, ইয়াহু, নাভের, ইয়াণ্ডেক্স, বিং, এওএল, বাইডু, ডাকডাকগো, কিওওয়ান্ট হলো পরিচিত ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন।
    - Bing মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন সার্চ ইঞ্জিন।

    ওয়েব ব্রাউজার:
    - ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়‍্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়।
    - ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে।
    - safari হলো অ্যাপলের মালিকানাধীন একটি ওয়েব ব্রাউজার।
    - ক্রোম হলো প্রধান আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. দ্বারা প্রকাশিত একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার।
    - ২০১৩ সাল নাগাদ ক্রোম প্রভাবশালী ব্রাউজারে পরিণত হয়েছিল, জনপ্রিয়তায় মাইক্রোসফটের ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার এবং মজিলার ফায়ারফক্সকে ছাড়িয়ে যায়।
    - কিছু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারের হলো Google Chrome, Mozilla Firefox, Safari, Opera, Microsoft Edge, Maxthon, Brave, UC Browser.

    উৎস: ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

    ৯৬.
    নিচের কোন নেটওয়ার্কটির কভারেজ সবচেয়ে বিস্তৃত?
    1. MAN
    2. PAN
    3. LAN
    4. WAN
    ব্যাখ্যা

    • অপশন গুলোর মধ্যে WAN (Wide Area Network) এর কভারেজ সবচেয়ে বিস্তৃত। কারণ WAN দেশের মধ্যে বা দেশের বাইরে, এমনকি মহাদেশ জুড়ে ডিভাইস ও নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করতে পারে। অন্যদিকে, LAN (Local Area Network) সাধারণত একটি অফিস, বাড়ি বা স্কুলের মধ্যে সীমিত থাকে। MAN (Metropolitan Area Network) একটি শহর বা শহরতলি জুড়ে সীমাবদ্ধ থাকে। PAN (Personal Area Network) ব্যক্তিগত ডিভাইসের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে এবং খুব ছোট এলাকা, যেমন একটি ঘর বা ব্যক্তিগত স্পেস পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। তাই, বিস্তৃত নেটওয়ার্ক কভারেজের দিক থেকে WAN শীর্ষে থাকে।

    WAN:
    - WAN এর পূর্ণরূপ Wide Area Network.
    - অনেক বড় ভৌগোলিক বিস্তৃতিতে অবস্থিত LAN, MAN, কম্পিউটার ও বিভিন্ন ডিভাইসের সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে WAN বলা হয়।
    - WAN এর বিস্তৃতি সারা দেশ বা সমগ্র পৃথিবী জুড়ে হতে পারে।
    - পৃথিবীর সবচেয়ে বর WAN এর উদাহরণ হলো ইন্টারনেট।
    - এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ই-মেইল আদান-প্রদান করা, বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্রাউজ করা, ফাইল ডাউনলোড, অনলাইন শপিং ইত্যাদি করা যায়।

    LAN:
    - LAN এর পূর্ণরূপ হলো Local Area Network.
    - LAN এর মাধ্যমে 1Km বা তার কম দূরত্বের ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়।

    PAN:
    - PAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Personal Area Network.
    - কোনো ব্যক্তির নিকটবর্তী ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান প্রদানের নেটওয়ার্ক সিস্টেমকে পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান বলে।
    - প্যান এর বিস্তৃতি সাধারণত কয়েক মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।

    MAN:
    - MAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Metropolitan Area Network
    - একই শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কম্পিউটারসমূহ বিভিন্ন ডিভাইস ও LAN গুলোর সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে MAN বলা হয়।
    - MAN এর ক্ষেত্রে ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে সাধারণত টেলিফোন লাইন, মডেম বা মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করা হয়।

    উৎস:
    ১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
    ২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

    ৯৭.
    এআর (AR) কীভাবে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) থেকে আলাদা?
    1. এআর বাস্তবে ডিজিটাল তথ্য যোগ করে, ভিআর সম্পূর্ণ ভার্চুয়াল জগৎ গড়ে।
    2. এআর বাস্তবতাকে আড়াল করে, ভিআর তাকে উন্নত করে।
    3. এআর ও ভিআর একই প্রযুক্তি, শুধু আলাদা নাম।
    4. এআর কেবল কম্পিউটারভিত্তিক, ভিআর কেবল ফোনভিত্তিক।
    ব্যাখ্যা

    • এআর (Augmented Reality) এবং ভিআর (Virtual Reality) দু’টো প্রযুক্তি হলেও তাদের কাজের ধরন সম্পূর্ণ আলাদা। এআর বাস্তব জগতের সঙ্গে ডিজিটাল উপাদান যোগ করে, যেমন ফোন বা হেডসেটের মাধ্যমে বাস্তব দৃশ্যে তথ্য, গ্রাফিক্স বা অ্যানিমেশন overlay করা হয়। ফলে ব্যবহারকারী বাস্তবের সঙ্গে ভার্চুয়াল উপাদান একসাথে দেখতে পারে। বিপরীতে, ভিআর সম্পূর্ণ একটি ভার্চুয়াল পরিবেশ তৈরি করে, যেখানে ব্যবহারকারী বাস্তব জগত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে কেবল ডিজিটাল জগতে প্রবেশ করে। তাই এআর বাস্তবকে উন্নত বা সমৃদ্ধ করে, আর ভিআর বাস্তবকে পুরোপুরি প্রতিস্থাপন করে। সঠিক পার্থক্য বোঝাতে হলে উত্তর হলো: ক) এআর বাস্তবে ডিজিটাল তথ্য যোগ করে, ভিআর সম্পূর্ণ ভার্চুয়াল জগৎ গড়ে।
     
    ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
    - ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা ।
    - প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা কৃত্রিম বাস্তবতা কিংবা কল্পবাস্তবতা বলে।
    - একে সংক্ষেপে VR বলা হয়ে থাকে ।
    - ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
    - এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- Vizard, VRToolkit, 3d Studio Max, Maya ইত্যাদি।
    - ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয় ।
    - ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
     
    অগমেন্টেড রিয়েলিটি (Augmented Reality):
    - অগমেন্টেড রিয়েলিটি হলো এমন একটি অবস্থা, যেখানে চারপাশের জগতেই ভার্চুয়ালি কোন বস্তু যোগ করা হয়ে থাকে।
    - অগমেন্টেড রিয়েলিটি (Augmented Reality) মূলত বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের কোনকিছুর সাথে আমাদের মস্তিষ্কের স্নায়বিক অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আর কম্পিউটার সিমুলেশন ব্যবহার করে দুটি ভিন্ন ঘটনাকে মিলিয়ে দেবার একটি উপায়।
    - উদাহরণস্বরূপ, বিদেশের কোন নতুন শহরে গিয়ে সে শহরের কোন কিছুই যদি ভাষার কারণে পড়তে পারা না যায়, তখন অগমেন্টেড রিয়েলিটির স্মার্টফোনটি ওপেন করে বিভিন্ন বিল্ডিং বা হেডলাইনগুলোর দিকে তাক করলেই তা ত্রিমাত্রিকভাবে জানিয়ে দেবে কোন দোকান কীসের এবং রাস্তাটি কোনদিকে গেছে।
    - ইদানীং স্মার্টফোনে ভিডিও কলিং-এর সময় আমাদের ফেস-এ যে বিভিন্ন ধরনের মাস্ক বা ইফেক্ট যুক্ত হয়, সেটিও অগমেন্টেড রিয়েলিটির একটি ক্ষুদ্র উদাহরণ।
    - অগমেন্টেড রিয়েলিটি কাজ করে মূলত ক্যামেরার মাধ্যমে।
    - বিশেষ ধরনের ক্যামেরার সেন্সরের মাধ্যমে চারপাশের বস্তুগুলোর দূরত্ব ত্রিমাত্রিকভাবে নির্ণয় করা হয়। তারপর সে দূরত্ব প্রসেস করে সেখানে ত্রিমাত্রিক অগমেন্টেড এলিমেন্ট যুক্ত হয়।

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।

    ৯৮.
    কোনটি কম্পিউটার সিস্টেমের কর্মক্ষমতায় কোনো ভূমিকা রাখে না?
    1. Size of Register
    2. Size of Cache Memory
    3. Size of RAM
    4. Size of ROM
    ব্যাখ্যা

    • কম্পিউটার সিস্টেমের কর্মক্ষমতায় বিভিন্ন হার্ডওয়্যার উপাদান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যেমন, রেজিস্টারের আকার (Size of Register) প্রসেসরের গতি ও ডেটা প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতায় প্রভাব ফেলে, ক্যাশ মেমোরির আকার (Size of Cache Memory) দ্রুত ডেটা অ্যাক্সেস নিশ্চিত করে এবং র‌্যামের আকার (Size of RAM) একই সময়ে কত ডেটা বা প্রোগ্রাম চালানো যায় তা নির্ধারণ করে। তবে, রোমের আকার (Size of ROM) সরাসরি সিস্টেমের কর্মক্ষমতায় প্রভাব ফেলে না, কারণ রোমে সাধারণত স্থায়ী প্রোগ্রাম বা ফার্মওয়্যার থাকে যা চালু হওয়ার সময় লোড হয়, কিন্তু সাধারণ প্রোগ্রাম চালানো বা প্রসেসরের গতি বৃদ্ধি করে না। সুতরাং, ROM-এর আকার কর্মক্ষমতার সাথে সম্পর্কিত নয়।

    RAM:
    - RAM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Random Access Memory.
    - মাদারবোর্ডের সাথে সরাসরি সংযুক্ত যে মেমোরিতে পঠন এবং লিখন দুটি কাজই সম্পন্ন করা যায় সে মেমোরিকে RAM বলা হয়।
    - এটি একটি অস্থায়ী মেমোরি।
    - কম্পিউটারের যতক্ষণ বিদ্যুৎপ্রবাহ চালিত থাকে ততক্ষণ RAM এ তথ্যসমূহ সংরক্ষিত থাকে।
    - বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে RAM তার সমস্ত তথ্য মুছে ফেলে।
    - এজন্য RAM কে কম্পিউটারের অস্থায়ী মেমোরিও বলা হয়।

    ROM:
    - এটি হচ্ছে ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস (যেমন কম্পিউটার) এর স্টোরেজ সিস্টেম।
    - এটিকে স্থায়ী স্টোরেজ হিসেবে ডিভাইসে ব্যবহার করা হয়।
    - RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি।
    - তবে ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
    - বিদ্যুৎ চলে গেলে ROM এর তথ্য মুছে যায় না তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি।

    Cache Memory:
    - কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি করার জন্য ব্যবহৃত একটি মেমরি।
    - সাধারনত RAM ও CPU এর মাঝখানে অবস্থান করে।
    - কম্পিউটার যেসব ডাটাগুলো বারংবার ব্যবহার করে সেই ডাটা গুলো RAM থেকে এসে Cache তে অবস্থান করে।
    - Cache এর গতি বেশি হওয়ায় এখান থেকে ডাটা প্রোসেসিং এ যেতে সময় কম লাগে।

    Register:
    - মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
    - রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ-ফ্লপের সাহায্যে।
    - এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
    - মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়।
    - অর্থাৎ মাইক্রোপ্রসেসর যখন হিসাব-নিকাশের কার্যাবলি সম্পাদন করে তখন ডেটাকে সাময়িকভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টারসমূহ ব্যবহৃত হয়

    উৎস:
    ১. ব্রিটানিকা
    ২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ৯৯.
    এইচআইভি ভাইরাস প্রধানত কোন কোষকে আক্রমণ করে?
    1. বি-লসিকা কোষ
    2. অণুচক্রিকা
    3. বেসোফিল
    4. T4 লসিকা কোষ
    ব্যাখ্যা

    ◉ এইচআইভি (Human Immunodeficiency Virus) মূলত CD4+ T lymphocytes বা T4 লসিকা কোষ-কে আক্রমণ করে। এই কোষগুলো মানবদেহের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার (immune system) একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা অন্যান্য প্রতিরক্ষা কোষকে সক্রিয় করে সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে।

    ​AIDS:
    - AIDS হলো Acquired (অর্জিত) Immune (ইমিউন বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা) Deficiency (ডেফিসিয়েন্সি বা হ্রাস) Syndrome (সিনড্রোম বা অবস্থা) এর সংক্ষিপ্ত রূপ। অর্থাৎ, বিশেষ কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়াকে এইডস (AIDS) বলে।
    Human Immunodeficiency Virus, সংক্ষেপে HIV নামক ভাইরাস দ্বারা এ রোগ সৃষ্টি হয়।
    - HIV ভাইরাসের আক্রমণে মানুষের শ্বেত রক্তকণিকার ম্যাক্রোফেজ ও T4 লিম্ফোসাইট ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।
    - এতে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা একেবারে নষ্ট হয়ে যায়। ফলে অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হয়ে মানুষ মারা যায়।
    - বর্তমান বিশ্বে AIDS একটি মারাত্মক রোগ। এইডস বিশ্বব্যাপি বিস্তৃত (pandemic) একটি ভয়াবহ যৌন রোগ যা প্রতিনিয়ত আরো বিস্তৃত হচ্ছে।

    ​আক্রমণের ধাপ:
    - HIV ভাইরাসের envelope এ থাকা gp120 প্রোটিনের মাধ্যমে এটি CD4 receptor-এর সাথে যুক্ত হয়।
    - ভাইরাস কোষে প্রবেশ করে এবং নিজের প্রতিলিপন করে।
    - ধীরে ধীরে T4 লিম্ফোসাইট ধ্বংস হয়ে যায়।
    - রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে, এর ফলে চূড়ান্ত অবস্থায় সাধারণ রোগেও মৃত্যু হতে পারে।

    ​প্রতিরোধ:
    - নিরাপদ যৌনমিলন করা এবং ধর্মীয় ও সামাজিক বিধি-বিধান মেনে চলা।
    - যৌনমিলনের সময় কনডম ব্যবহার করা।
    - অস্বাভাবিক যৌনমিলন, বহুগামিতা, সহকামিতা এবং পতিতাগামিতা পরিহার করা।
    - যৌনসঙ্গী নির্বাচনে সতর্ক থাকা।
    - HIV আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে যৌনমিলন থেকে বিরত থাকা।
    - এইডস আক্রান্ত মায়ের সন্তান ধারণ অথবা সন্তানকে বুকের দুগ্ধ পান করানো থেকে বিরত রাখা।
    - রক্ত গ্রহণের আগে HIV সংক্রমিত কিনা তা পরীক্ষা করা।
    - ইনজেকশন গ্রহণের সময় পরিশোধিত বা নতুন সিরিঞ্জ ও সুঁই ব্যবহার করা।

    উৎস: জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল।

    ১০০.
    নিচের কোনটি পরিবেশ বান্ধব শক্তির উৎস?
    1. কয়লা
    2. প্রাকৃতিক গ্যাস
    3. ভূ-তাপীয় শক্তি
    4. পারমাণবিক শক্তি
    ব্যাখ্যা

    ◉ ভূ-তাপীয় শক্তি: পৃথিবীর অভ্যন্তরের তাপ থেকে উৎপন্ন শক্তি। এটি অবিরামভাবে পাওয়া যায় এবং পরিবেশের ক্ষতি করে না। তাই এটি একটি পরিবেশ বান্ধব নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস।

    ​শক্তির উৎস:
    - শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার।

    নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস:
    - নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়।
    - নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়।
    যেমন- সমুদ্রস্রোত, বায়ুপ্রবাহ, সৌর শক্তি, ভূ-তাপীয় শক্তি ইত্যাদি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস।

    অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস:
    - অন্যদিকে অনবায়নযোগ্য শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না।
    - প্রকৃতিতে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস সীমিত।
    - আমাদের দেশে চাহিদার তুলনায় অনবায়নযোগ্য শক্তির মজুদের পরিমাণ খুব বেশি নয়।
    - অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদনের খরচ বেশি এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ বান্ধব নয়।
    যেমন- কয়লা, খনিজ তেল, নিউক্লিয় শক্তি, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস।

    উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১০১.
    সিমেন্ট তৈরিতে প্রধান কাঁচামাল কী?
    1. চুনাপাথর
    2. কয়লা
    3. সালফার
    4. বালি 
    ব্যাখ্যা

    চুনাপাথর (Limestone) সিমেন্ট তৈরির প্রধান কাঁচামাল। এতে ক্যালসিয়াম কার্বনেট (CaCO3) থাকে, যা পোড়ালে ক্যালসিয়াম অক্সাইড (CaO) তৈরি হয় এবং অন্যান্য উপাদানের সঙ্গে বিক্রিয়া করে সিমেন্ট তৈরি করে।

    ​সিমেন্ট উৎপাদন: 
    ​- সিমেন্ট উৎপাদনের জন্য দু'ধরনের কাঁচামাল ব্যবহৃত হয়। যথা-
    ১। ক্যালকেরিয়াস (Calcareous): চুনাপাথর, সিমেন্ট রক, মার্বেল, চক ইত্যাদি।
    ২। আরজিলেসিয়াস (Argillaceous): সিলিকা (SiO2), অ্যালুমিনা (Al2O3), আয়রন অক্সাইড (Fe2O3) ইত্যাদি।

    সাধারণভাবে পোর্টল্যান্ড সিমেন্টের শতকরা সংযুক্তি নিম্নরূপ:
    • চুন (CaO) → 60-70%, 
    • ​সিলিকা (SiO2) → 20-25%, 
    ​• অ্যালুমিনা (Al2O3) → 5-10%,  
    ​• ফেরিক অক্সাইড (Fe2O3) → 2-3%, 
    ​• ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইড (MgO) → 1-5%,  
    ​• ক্ষার → 1%.

    ​উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

    ১০২.
    রেশম পোকা পালনকে কী বলা হয়?
    1. এপিকালচার
    2. সেরিকালচার
    3. পিসিকালচার
    4. ভিটিকালচার
    ব্যাখ্যা

    ◉ রেশম পোকা পালন ও রেশম সুতো উৎপাদনের প্রক্রিয়াকে সেরিকালচার (Sericulture বলে। 

    ​সেরিকালচার:
    - বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে রেশম পোকার চাষ পদ্ধতিকে বলে সেরিকালচার।
    - রেশম পকার ইংরেজি নাম Silk Worm.
    - বৈজ্ঞানিক নাম: Bombyx Mori.
    - তুঁতজাত রেশম মথের প্রতিপালন এবং এর গুটি থেকে অপরিশোধিত রেশম নিষ্কাশন ও পরিশোধন করে ব্যবহারোপযোগী পণ্যে পরিণত করার সার্বিক পদ্ধতিই সেরিকালচার নামে পরিচিত।

    ​অন্যান্য অপশনসমূহ, 
    ​এপিকালচার (Apiculture): মৌমাছি পালনকে বোঝায়, মূলত মধু সংগ্রহের জন্য।
    পিসিকালচার (Pisciculture): মাছ চাষ বা পালনকে বোঝায়।
    ভিটিকালচার (Viticulture): মদ তৈরীর জন্য আঙ্গুর চাষ করার প্রক্রিয়া।

    ​উৎস: ব্রিটানিকা।

    ১০৩.
    স্থায়ী চুম্বক কোথায় সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয়?
    1. কলিং বেল
    2. ট্রান্সফরমারে
    3. কম্পাসে
    4. জেনারেটরে
    ব্যাখ্যা

    কম্পাসে দিক নির্ণয়ের জন্য ছোট ও হালকা স্থায়ী চুম্বক ব্যবহার করা হয়, যেটি পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের সাথে সমান্তরালভাবে অবস্থান করে।

    ​স্থায়ী চুম্বক: 
    ​- চৌম্বক ক্ষেত্র অপসারিত করলেও যে কৃত্রিম চুম্বকের চুম্বকত্ব সহজে বিলুপ্ত হয় না তাকে স্থায়ী চুম্বক বলে। 
    ​- চৌম্বক কম্পাস, মাইক্রোফোন, স্পিকার ইত্যাদিতে ​স্থায়ী চুম্বক ব্যব অহার করা হয়। 

    ​অস্থায়ী চুম্বক:
    - চৌম্বক পদার্থকে কোন চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে আনলে সেটি চুম্বকে পরিণত হয়।
    - চৌম্বক ক্ষেত্র অপসারিত হবার সাথে সাথে যে কৃত্রিম চুম্বকের মত চুম্বকত্ব বিলুপ্ত হয় তাকে অস্থায়ী চুম্বক বলে।
    - মোটর, জেনারেটর, ট্রান্সফরমার ইত্যাদি তৈরিতে অস্থায়ী চুম্বক ব্যবহার করা হয়। 

    ​তড়িৎ চুম্বক: 
    - একটি বৃত্তাকার কুন্ডলী বা সলিনয়েডে তড়িৎ প্রবাহিত হলে এর মধ্যে চৌম্বক ক্ষেত্র সৃষ্টি হয় এবং এটি একটি চুম্বকে পরিণত হয়।
    - তড়িৎ প্রবাহের ফলে এ চুম্বক সৃষ্টি হয় বলে একে তড়িৎ চুম্বক বলে। 
    ​- কলিং বেলে ​তড়িৎ চুম্বক ব্যবহার করা হয়। 

    ​উৎস: 
    ​১। পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
    ​২। পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১০৪.
    ক্ষারীয় দ্রবণকে কীভাবে শনাক্ত করা যায়?
    1. এটি লাল লিটমাস কাগজকে নীল করে
    2. এটি নীল লিটমাস কাগজকে লাল করে
    3. এটি হলুদ লিটমাস কাগজকে বাদামী করে
    4. এটি সবুজ লিটমাস কাগজকে কালো করে
    ব্যাখ্যা

    ক্ষারীয় (alkaline) দ্রবণ হলো এমন জলীয় দ্রবণ যার pH ৭-এর উপরে থাকে। যেমন— সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NaOH), পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড (KOH) ইত্যাদি। ক্ষারীয় দ্রবণের একটি বৈশিষ্ট্য হলো এটি লাল লিটমাস কাগজকে নীল রঙে পরিবর্তন করে।

    ​ক্ষার:
    - ধাতু বা ধাতুর ন্যায় ক্রিয়াশীল যৌগমূলকের যে সব হাইড্রোক্সাইড পানিতে দ্রবণীয় তাদেরকে ক্ষার বলে।
    - ক্ষার বা ক্ষারক এসিডকে প্রশমিত করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে থাকে।
    - ক্ষার জলীয় দ্রবণে হাইড্রোক্সিল আয়ন (OH-) দান করে।
    ​- ক্ষারের জলীয় দ্রবণ লাল লিটমাসকে নীল করে।
    - ক্ষারের জলীয় দ্রবণকে স্পর্শ করলে সাবানের ন্যায় পিচ্ছিল মনে হয়। 

    মৃদু ক্ষার:
    - যে সব ক্ষার জলীয় দ্রবণে আংশিক আয়নিত হয় তাদেরকে মৃদু ক্ষার বলা হয়।
    যেমন: অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NH4OH), আয়রন (¡¡) হাইড্রোক্সাইড Fe(OH)2, আয়রন (¡¡¡) হাইড্রোক্সাইড Fe(OH)3, অ্যালুমিনিয়াম (¡¡¡) হাইড্রোক্সাইড Al(OH)3 ইত্যাদি।
    - ক্ষার পানিতে দ্রবণীয়।

    তীব্র ক্ষার:
    - যে সব ক্ষার জলীয় দ্রবণে সম্পূর্ণভাবে আয়নিত হয় তাদেরকে তীব্র ক্ষার বলা হয়।
    যেমন: সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NaOH), পটাসিয়াম হাইড্রোক্সাইড (KOH), ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড Ca(OH)2 ইত্যাদি।

    উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১০৫.
    উদ্ভিদের পুরুষ জনন অঙ্গ কোনটি?
    1. গর্ভদণ্ড
    2. পুংকেশর
    3. গর্ভাশয়
    4. পাপড়ি
    ব্যাখ্যা

    পুংকেশর (Stamen) উদ্ভিদের পুরুষ জনন অঙ্গ। এটি অন্তরা (Anther) ও পুংদণ্ড (Filament) দ্বারা গঠিত। অন্তরায় পরাগধানু (Pollen grain) থাকে, যা পুরুষ গ্যামেট বহন করে।

    ​ফুল হলো উদ্ভিদের বংশবিস্তারের (প্রজননের) জন্য বিশেষভাবে রূপান্তরিত বিটপ (shoot)। অর্থাৎ উদ্ভিদের প্রজনন অঙ্গ হলো ফুল।
    ফুল প্রধানত পাঁচটি মূল অংশে বিভক্ত, যথা: 
    ​- পুষ্পাক্ষ (Receptacle) - এটি ফুলের দণ্ড বা বোঁটার উপর অবস্থিত একটি অংশ। 
    - বৃতি (Calyx) – ফুলকে রক্ষা করে।
    - পত্রমন্ডল (Corolla) – পোকামাকড় আকৃষ্ট করে।
    - পুংকেশর (Androecium) – পুরুষ প্রজনন অঙ্গ (পরাগ উৎপন্ন করে)।
    - স্ত্রীকেশর (Gynoecium) – স্ত্রী প্রজনন অঙ্গ (ডিম্বাণু বহন করে)।

    উৎস:
    ১।  জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
    ​২। জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি। 

    ১০৬.
    উদ্ভিদের খাদ্য তৈরির জন্য কোনটি আবশ্যক নয়?
    1. সূর্যালোক
    2. কার্বন ডাই-অক্সাইড
    3. পানি
    4. অক্সিজেন
    ব্যাখ্যা

    ◉ সালোকসংশ্লেষণ (Photosynthesis) হলো একটি জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া, যেখানে উদ্ভিদ, শৈবাল ও কিছু ব্যাকটেরিয়া সূর্যালোকের উপস্থিতিতে পানি (H2O) ও কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) ব্যবহার করে গ্লুকোজ (C₆H₁₂O₆) এবং অক্সিজেন (O2) উৎপন্ন করে। অক্সিজেন খাদ্য তৈরির জন্য আবশ্যক নয়, বরং এটি সালোকসংশ্লেষণের উপজাত (by-product)।

    সালোকসংশ্লেষণ:
    - যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে তাকে বলা হয় সালোকসংশ্লেষণ।
    - এটি একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া।
    - উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্লাস্টিডে ঘটে।
    - সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ খাদ্য প্রস্তুত করে।
    - সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া সংঘটিত হতে হলে অবশ্যই সূর্যালোক ও ক্লোরোফিল থাকতে হবে।
    - পানি, আলো, কার্বন-ডাই-অক্সাইড, ক্লোরোফিল প্রধান উপকরণ।
    - কার্বোহাইড্রেট, পানি ও অক্সিজেন তৈরি করে।
    - পাতার মেসোফিল টিস্যু সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার প্রধান স্থান।
    - সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় পানি জারিত হয় এবং কাবন ডাইঅক্সাইড বিজারিত হয়।
    - তাই একে একটি জারণ বিজারণ প্রক্রিয়া বলা হয়।
    - জলজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণের হার স্থলজ উদ্ভিদ থেকে বেশি।
    - লাল আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে বেশি হয়।

    উৎস:
    ১. জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
    ২. উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

    ১০৭.
    কোনটি জৈব যৌগের সমগোত্রীয় শ্রেণির বৈশিষ্ট্য নয়? 
    1. অভিন্ন মৌল দ্বারা গঠিত
    2. সাধারণ সংকেত দ্বারা প্রকাশ করা যায়
    3. রাসায়নিক ধর্মে সাদৃশ্য বিদ্যমান
    4. আণবিক ভর অভিন্ন
    ব্যাখ্যা

    ◉ সমগোত্রের যৌগের আণবিক ভর ভিন্ন হয় (প্রতিটি পরবর্তী যৌগে –CH2– গ্রুপ বৃদ্ধি পায়, ফলে আণবিক ভরও বাড়ে)।

    ​জৈব যৌগের সমগোত্রীয় শ্রেণি (Homologous Series): 
    ​- কার্বনের ক্যাটেনেশন ধর্মের কারণে কার্বন যৌগ তথা জৈব যৌগের সংখ্যা আট মিলিয়নের অধিক। এ বিপুল সংখ্যক জৈব যৌগ আলাদাভাবে অধ্যয়ন করা কষ্টসাধ্য ব্যাপার।
    ​- আলোচনার সুবিধার্থে জৈব যৌগসমূহকে গঠন ও ধর্মের সাদৃশ্যের ভিত্তিতে কতিপয় সমধর্মী যৌগ শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়। এ সব সমধর্মী যৌগ শ্রেণির নাম সমগোত্রীয় শ্রেণি। 
    ​- অভিন্ন মৌল দ্বারা গঠিত সমধর্মী যৌগসমূহকে ক্রমবর্ধমান আণবিক ভর অনুসারে সাজালে যদি পাশাপাশি দুটি যৌগের মধ্যে মিথিলিন -CH2-মূলকের পার্থক্য থাকে এবং এদের সংযুক্তি একটি সাধারণ সংকেত দ্বারা প্রকাশ করা যায়, তবে এরূপ নিকট সম্পর্কযুক্ত যৌগসমূহকে সমগোত্রক বলে এবং এদের শ্রেণিকে সমগোত্রীয় শ্রেণি বলা হয়। 
    ​- যেমন- অ্যালকেন (CnH2n + 2) একটি সমগোত্রীয় শ্রেণি। মিথেন (CH4), ইথেন (C2H6), প্রোপেন (C3H8) ইত্যাদি অ্যালকেন শ্রেণির সমগোত্রক। 

    ​সমগোত্রীয় শ্রেণির বৈশিষ্ট্য: 
    ​সাধারণভাবে সমগোত্রীয় শ্রেণির যৌগসমূহের বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপ:
    (i) এরা অভিন্ন মৌল দ্বারা গঠিত।
    (ii) একটি সাধারণ সংকেত দ্বারা এদেরকে প্রকাশ করা যায়।
    (iii) আণবিক ভরের ভিত্তিতে পাশাপাশি দুটি সমগোত্রকের মধ্যে-CH2- মূলকের পার্থক্য বিদ্যমান।
    (iv) প্রত্যেক সমগোত্রীয় শ্রেণির একটি নির্দিষ্ট কার্যকরীমূলক থাকে।
    (v) এদের ভৌত ধর্মে নিয়মিত ক্রম লক্ষ্য করা যায়। আণবিক ভর বৃদ্ধির সাথে এদের ভৌত ধর্ম যেমন-গলনাংক, স্ফুটনাংক ও ঘনত্ব বৃদ্ধি পায় এবং দ্রাব্যতা হ্রাস পায়।
    (vi) এদের রাসায়নিক ধর্মে সাদৃশ্য বিদ্যমান।
    (vii) একই সাধারণ নিয়মে এদের প্রস্তুত করা যায়।

    ​উৎস: ​রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

    ১০৮.
    নিচের কোনটি কৃত্রিম গ্রিনহাউস গ্যাস?
    1. মিথেন
    2. নাইট্রাস অক্সাইড
    3. ক্লোরোফ্লোরোকার্বন
    4. কার্বন ডাই-অক্সাইড
    ব্যাখ্যা

    ◉ সঠিক উত্তরটি হলো গ) ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (CFCs), এটি সম্পূর্ণ কৃত্রিম গ্যাস, মানুষের তৈরি। ফ্রিজ, এয়ার কন্ডিশনার, অ্যারোসল স্প্রে ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।

    ​গ্রিনহাউস গ্যাস:
    - যেসব গ্যাস পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে থেকে তাপ শোষণ করে এবং তা পুনরায় বিকিরণ করে, ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় সেসব গ্যাস কে গ্রিনহাউস গ্যাস বলা হয়।

    ​কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) হলো অন্যতম প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস।
    - জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ালে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়। প্রতি বছর জীবাশ্ম জ্বালানি পুড়িয়ে ২১.৩ বিলিয়ন টন কার্বন ডাই-অক্সাইড তৈরি হয়।
    - এছাড়া এটি বন উজাড়ের কারণে ও শিল্পকারখানা থেকে নির্গত গ্যাসের কারণেও সৃষ্টি হয়।

    ​কার্বন ডাই-অক্সাইড ছাড়া অন্য গ্রিনহাউস গ্যাস গুলো হলো -
    - মিথেন (CH4),
    - নাইট্রাস অক্সাইড (N2O),
    - জলীয় বাষ্প (H2O vapor),
    - ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (CFCs)।

    উৎস:
    ১। মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
    ২। ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।

    ১০৯.
    রেডিওঅ্যাক্টিভিটি আবিষ্কার করেন কে?
    1. মেরি কুরি
    2. পিয়ের কুরি
    3. হেনরি বেকেরেল
    4. আইনস্টাইন
    ব্যাখ্যা

    ◉ হেনরি বেকেরেল (Henri Becquerel) ১৮৯৬ সালে ইউরেনিয়াম লবণের উপর গবেষণা করতে গিয়ে রেডিওঅ্যাক্টিভিটির আবিষ্কার করেন।

    তেজস্ক্রিয়তা:
    - প্রকৃতিতে এমন কতকগুলি পরমাণু পাওয়া যায় যারা স্বতঃস্ফুর্তভাবে উচ্চ ভেদনদক্ষমতা সম্পন্ন গামা রশ্মি, বিটা কণিকা ও আলফা কণিকা বিকিরণ করে।
    - ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম, রেডিয়াম প্রভৃতি এ ধরণের পরমাণু।
    - ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে ফরাসী বিজ্ঞানী হেনরী বেকেরেল (Henry Becquerel) আকস্মিকভাবে তেজস্ক্রিয় রশ্মি আবিষ্কার করেন।
    - তাঁর নাম অনুসারে এই রশ্মির নাম দেয়া হয় "বেকেরেল রশ্মি”।
    - পরবর্তিতে মাদাম কুরী (Madame Marie Curie) এবং তাঁর স্বামী পিয়ারে কুরী (Pierre Curie) নানা পদার্থের তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে গবেষণা শুরু করেন।
    - এই রশ্মি বর্তমানে তেজস্ক্রিয় রশ্মি (Radioactive rays) নামে পরিচিত।
    - পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে।
    - তেজস্ক্রিয়তা দুই প্রকার। যথাঃ- প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তা ও কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা।

    উৎস: Britannica.

    ১১০.
    কোন রাজার শাসনামলে নালন্দা মহাবিহার প্রতিষ্ঠিত হয়?
    1. প্রথম কুমারগুপ্ত
    2. হর্ষবর্ধন
    3. ধর্মপাল
    4. গোপাল
    ব্যাখ্যা

    নালন্দা মহাবিহার:
    - প্রাচীন ভারতের খ্যাতনামা বৌদ্ধ মহাবিহার নালন্দা।
    - বিহার প্রদেশের পাটনা থেকে ৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে এবং বিহার শরিফ শহরের কাছে এর অবস্থান।
    - সাত শতকে নালন্দা মহাবিহার প্রসিদ্ধি অর্জনকারী বৌদ্ধ শিক্ষা ও সংস্কৃতির কেন্দ্র।
    - ধারণা করা হয়, গুপ্ত সম্রাটরা এ মহাবিহারের নির্মাতা।
    - নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় গুপ্ত সাম্রাজ্যের প্রথম কুমারগুপ্তের রাজত্বকালে (৪১৫-৪৫৫ খ্রিষ্টাব্দ) ৪২৭ খ্রিষ্টাব্দে বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
    - নালন্দার নাম ব্যাখ্যা করে অভয় কে বলেছিলেন, এটি 'নালম' (পদ্ম যা জ্ঞানের প্রতীক) এবং 'দা' (যার অর্থ দেওয়া)-র সংমিশ্রণ থেকে এসেছে। এর অর্থ হলো জ্ঞানের সম্প্রসারণ।
    - স্কন্দগুপ্তের রাজত্বকালে (৪৫৫-৪৬৭ খ্রিষ্টাব্দ) মিহিরকুলের নেতৃত্বে হুনরা নালন্দাকে প্রথমবার ধ্বংস করে। 

    ⇒ পঞ্চম শতাব্দী থেকে ১২০০ শতাব্দী পর্যন্ত এটি ছিল একটি বিখ্যাত শিক্ষাকেন্দ্র। 
    - বিহারটি সম্পর্কে জানা যায় পর্যটক জুয়ান জাং ও ইজিংয়ের লেখা ভ্রমণ-বিবরণী থেকে।
    - তাঁরা সপ্তম শতাব্দীতে নালন্দায় ভ্রমণ করেন।
    - চৈনিক তীর্থযাত্রী হিউয়েন-সাং পড়াশোনার জন্য এখানে কয়েক বছর অতিবাহিত করেন।
    - নালন্দার পন্ডিতগণ ছিলেন স্ব স্ব ক্ষেত্রে বিখ্যাত।
    - হিউয়েন-সাং যখন নালন্দায় ছিলেন তখন বাঙালি বৌদ্ধ ভিক্ষু শীলভদ্র ছিলেন এর অধ্যক্ষ।
    - শীলভদ্র ছিলেন সর্বপ্রথম বাঙালি বৌদ্ধ শিক্ষক যিনি বাংলার বাইরে এরূপ দুর্লভ সম্মান অর্জন করেন।

    উল্লেখ্য,
    - বর্তমানে বিহারটি ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান।

    উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
    ii) BBC.

    ১১১.
    বাংলাদেশে ব্যাংকিং কোম্পানি আইন কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
    1. ১৯৯০ সালে 
    2. ১৯৯১ সালে
    3. ১৯৯৮ সালে 
    4. ১৯৯৯ সালে
    ব্যাখ্যা

    ব্যাংক-কোম্পানী আইন:
    - বাংলাদেশে ব্যাংক-কোম্পানী আইন ১৯৯১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এটি ১৯৯১ সালের ২৪শে ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।
    - এই আইনটি ব্যাংকিং কোম্পানি সম্পর্কিত বিধান প্রণয়নের জন্য তৈরি করা হয়েছে।

    ⇒ ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ বাংলাদেশে ব্যাংকিং খাতের নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা এবং কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রণীত একটি আইন।
    - এটি ব্যাংক-কোম্পানীগুলোর কার্যক্রম, শেয়ার, পরিচালনা পর্ষদ, লাইসেন্স, নিরীক্ষা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্ষমতার বিষয়ে বিধান প্রদান করে।
    - উদ্দেশ্য: ব্যাংক-কোম্পানীগুলোর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং জনস্বার্থ রক্ষা এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি। 

    উল্লেখ্য,
    - ২০২৩ সালে এই আইনের অধিকতর সংশোধন করা হয়েছে, যাতে ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও স্বচ্ছ করা হয়।

    উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

    ১১২.
    গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে ‘গ্রামাঞ্চলে বৈদ্যুতীকরণের ব্যবস্থা’ বিষয়টিকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়?
    1. অনুচ্ছেদ ১৬
    2. অনুচ্ছেদ ১৭
    3. অনুচ্ছেদ ১৮
    4. অনুচ্ছেদ ১৯
    ব্যাখ্যা

    গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের ১৬ নং অনুচ্ছেদে ‘গ্রামাঞ্চলে বৈদ্যুতীকরণের ব্যবস্থা’ বিষয়টিকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

    গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান:
    - সংবিধানের ১৬ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু: গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব।
    - সংবিধানের ১৬ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, "নগর ও গ্রামাঞ্চলের জীবনযাত্রার মানের বৈষম্য দূর করার জন্য গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুতায়ন, কৃষি বিপ্লব, এবং কুটির শিল্প ও অন্যান্য শিল্পের বিকাশসহ গ্রামাঞ্চলে আমূল রূপান্তরসাধনের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।" 

    অন্যদিকে,
    - সংবিধানের ১৯ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু : সুযোগের সমতা।
    - সংবিধানের ১৮ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু : জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা।
    - সংবিধানের ১৭ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু : অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা

    উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

    ১১৩.
    কালনা সেতু কোন নদীর উপর অবস্থিত? 
    1. যমুনা নদী 
    2. আত্রাই নদী 
    3. করতোয়া নদী 
    4. মধুমতী নদী
    ব্যাখ্যা

    কালনা সেতু:
    - কালনা সেতু যা মধুমতী সেতু নামেও পরিচিত।
    - এটি দেশের প্রথম ৬ লেনবিশিষ্ট সেতু। 
    - সেতু নির্মাণে মোট ব্যয় হয় ৯৫৯ দশমিক ৮৫ কোটি টাকা।
    - সেতুর দৈর্ঘ্য ৬৯০ মিটার ও প্রস্থ ২৭ দশমিক ১০ মিটার।
    - উভয় পাশে সংযোগ সড়ক ৪ দশমিক ২৭৩ কিলোমিটার, যার প্রস্থ ৩০ দশমিক ৫০ মিটার।
    - সেতুর মধ্যখানে বসানো হয়েছে ১৫০ মিটার স্টিলের দীর্ঘ স্প্যান।
    - সেতু নির্মাণে মোট ব্যয় হয় ৯৫৯ দশমিক ৮৫ কোটি টাকা।
    - সওজের ক্রস বর্ডার রোড নেটওয়ার্ক ইমপ্রুভমেন্ট প্রকল্পের আওতায় জাইকার অর্থায়নে এ সেতু নির্মিত হয়েছে।

    ⇒ নড়াইল, খুলনা, মাগুরা, সাতক্ষীরা, চুয়াডাঙ্গা, যশোর, ঝিনাইদহসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১০টি জেলার সঙ্গে রাজধানী ঢাকাকে সরাসরি সংযুক্ত করছে এই সেতু।
    - নিয়েলসন-লোহসে আর্চ ডিজাইন পদ্ধতি ব্যবহার করে নির্মিত হয়েছে। জাপানে এই নকশা অত্যন্ত কার্যকর এবং সুপরিচিত। এই নকশার মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর ইস্পাতনির্মিত খিলান সুপারস্ট্রাকচার, যা সেতুকে একটি স্বতন্ত্র এবং দৃষ্টিনন্দন রূপ দেয়।

    উৎস: প্রথম আলো।

    ১১৪.
    '৩৬শে জুলাই' তথ্যচিত্রটির নির্মাতা কে?
    1. দেবাশীষ বিশ্বাস
    2. মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
    3. অনম বিশ্বাস
    4. শঙ্খ দাশগুপ্ত
    ব্যাখ্যা

    ৩৬শে জুলাই:
    - ৩৬শে জুলাই তথ্যচিত্রটি ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলন নিয়ে নির্মিত।
    - ৩৬শে জুলাই তথ্যচিত্রটির নির্মাতা দেবাশীষ বিশ্বাস।
    - ‘তথ্যচিত্রটিতে কোমলমতি ছাত্রদের চিন্তা-চেতনা প্রকাশ করা হয়েছে।

    এছাড়া, 
    - জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে একটি তথ্যচিত্র নির্মাণ করেছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নির্মাতা সৌমিত্র দস্তিদার। ‘৩৬ জুলাই’ নামের তথ্যচিত্রে কথা বলেছেন বাংলাদেশের প্রবীণ বুদ্ধিজীবী বদরুদ্দিন উমর, সাংবাদিক তাসনিম খলিল, অভিনেত্রী কাজী নওশাবা আহমেদ, তাজউদ্দীন আহমদের মেয়ে শারমিন আহমেদ, ছাত্রনেতা মেঘমল্লার বসু ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম কর্মী উমামা ফাতেমা।

    উৎস: কালের কন্ঠ।

    ১১৫.
    গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে ‘নির্ভরযোগ্য বাংলা পাঠ এবং অনুমোদিত ইংরেজি পাঠের মধ্যে বাংলা পাঠই প্রাধান্য পাবে’?
    1. ১৫৩ নং
    2. ১৫২ নং 
    3. ১৫১ নং 
    4. ১৫০ নং
    ব্যাখ্যা

    বাংলাদেশের সংবিধান:
    - সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।

    ⇒ সংবিধানের ১৫৩ নং অনুচ্ছেদ: প্রবর্তন, উল্লেখ ও নির্ভরযোগ্য পাঠ
    - ১৫৩ (১) এই সংবিধানকে "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান" বলে উল্লেখ করা হবে এবং ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর মাসের ১৬ তারিখে এটি বলবৎ হবে, যাকে এই সংবিধানে "সংবিধান-প্রবর্তন" বলে অভিহিত করা হয়েছে।

     - ১৫৩ (২) বাংলায় এই সংবিধানের একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ ও ইংরাজীতে অনুদিত একটি নির্ভরযোগ্য অনুমোদিত পাঠ থাকবে এবং উভয় পাঠ নির্ভরযোগ্য বলে গণপরিষদের স্পীকার সার্টিফিকেট প্রদান করবেন।

     - ১৫৩ (৩) এই অনুচ্ছেদের (২) দফা-অনুযায়ী সার্টিফিকেটযুক্ত কোন পাঠ এই সংবিধানের বিধানাবলীর চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে গণ্য হবে;  তবে শর্ত থাকে যে, বাংলা ও ইংরাজী পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাবে।

    উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

    ১১৬.
    প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে কোনটি প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে সমৃদ্ধ জনপদ ছিল?
    1. পুণ্ড্র
    2. বঙ্গ
    3. গৌড়
    4. হরিকেল
    ব্যাখ্যা

    পুণ্ড্র জনপদ:
    - পুণ্ড্র ছিল পূর্বাঞ্চলের জনপদসমূহের মধ্যে খুব সম্ভবত প্রাচীনতম।
    - খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতকের (আনুমানিক) মহাস্থান ব্রাহ্মী লিপিতে উল্লিখিত পুদনগল (পুণ্ড্র নগর) এবং বগুড়া যে অভিন্ন তা একাধিক উৎস থেকে প্রমাণ করা যায়। প্রাচীন এই জনপদের সীমানা চিহ্নিত করে ড. নীহাররঞ্জন রায় লিখেছেন, "পুণ্ড্রবর্ধনের কেন্দ্র বা হৃদয়স্থানের একটি নতুন নাম পাইতেছি দশম শতক হইতে; এ নাম বরেন্দ্র অথবা বরেন্দ্রী।" অর্থাৎ এই প্রাচীন জনপদটি ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায়ে দুটো ভিন্ন নামে পরিচিতি লাভ করেছিল। কতিপয় লিপি প্রমাণে এ কথা বলা যায় যে, বরেন্দ্র পুণ্ড্রবর্ধনেরই অংশবিশেষ। মধ্যযুগের মুসলিম ঐতিহাসিকরা বরেন্দ্রিকে বলতেন বরীন্দ্র।

    ⇒ বগুড়া, রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অবস্থানভূমিকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠে পুণ্ড্র জনপদ। প্রাচীন পুণ্ড্র রাজ্যের রাজধানী ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর। এর বর্তমান নাম মহাস্থানগড়। বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত। সম্ভবত মৌর্য সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে (খ্রি. পু. ২৭৩-২৩২ অব্দ) প্রাচীন পুণ্ড্র রাজ্য স্বাধীনসত্তা হারায়। গুপ্ত যুগে (৪র্থ- ৬ষ্ঠ শতকে) পুণ্ড্র নগর ছিল গুপ্তদের প্রাদেশিক রাজধানী।
    - প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ড্রই ছিল বাংলাদেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ রাজ্য।
     
    উৎস: i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
    ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    iii) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম।

    ১১৭.
    Bangladesh Institute of Development Studies (BIDS)-এর প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
    1. আগারগাঁও
    2. মিরপুর
    3. ফার্মগেট
    4. সেগুনবাগিচা
    ব্যাখ্যা

    BIDS:
    - BIDS-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Institute of Development Studies বা বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
    - এটি একটি স্বায়ত্তশাসিত পাবলিক মাল্টি-ডিসিপ্লিনারি সংস্থা যা বাংলাদেশ এবং অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলির মুখোমুখি উন্নয়ন সমস্যাগুলির উপর নীতি-ভিত্তিক গবেষণা পরিচালনা করে।
    - প্রতিষ্ঠিত হয়: জুন, ১৯৪৭ সাল (পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অফ ডেভেলপমেন্ট ইকোনমিক্স (পিআইডিই) নামে)।
    - প্রধান কার্যালয়: আগারগাঁও , ঢাকা।

    উলেখ্য,
    - ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর, ইনস্টিটিউটটির নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ উন্নয়ন অর্থনীতি ইনস্টিটিউট (BIDE)।
    - পরবর্তীতে, ১৯৭৪ সালে একটি সংসদীয় সনদ প্রদান করা হয় এবং উন্নয়ন গবেষণার বহুমুখী কেন্দ্রবিন্দু প্রতিফলিত করার জন্য ইনস্টিটিউটটির নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ উন্নয়ন অধ্যয়ন ইনস্টিটিউট (BIDS)। 

    ⇒ লক্ষ্য: নির্ভরযোগ্য গবেষণা পরিচালনা, নীতি সংলাপ প্রচার, নীতিগত বিকল্পগুলি প্রচার এবং তথ্যবহুল নীতি নির্ধারণের জন্য জোট তৈরির মাধ্যমে উন্নয়ন সমাধানগুলিতে শেখার সুবিধা প্রদান করা।
    - ইনস্টিটিউট গবেষণা পদ্ধতির উপর প্রশিক্ষণও পরিচালনা করে এবং উন্নয়নমূলক হস্তক্ষেপের মূল্যায়নও করে।
    - এই লক্ষ্যে, বিআইডিএস বর্তমান অর্থনৈতিক ও সামাজিক সমস্যাগুলির উপর বিশ্লেষণাত্মক এবং নীতিনির্ধারিত গবেষণা পরিচালনার জন্য আর্থ-সামাজিক তথ্য সংগ্রহ এবং তৈরিতে জড়িত এবং নীতি নির্ধারণে সহায়তা করার জন্য উন্নয়নমূলক উদ্বেগের উপর গবেষণার ফলাফল এবং জ্ঞান প্রচার করে।

    উৎস: BIDS ওয়েবসাইট।

    ১১৮.
    বর্তমানে দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় কত? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
    1. ২৮২০ মার্কিন ডলার
    2. ২৮৪০ মার্কিন ডলার
    3. ২৭২০ মার্কিন ডলার 
    4. ২৭৪০ মার্কিন ডলার
    ব্যাখ্যা

    মাথাপিছু আয়:
    - দেশের অভ্যন্তরের আয়ের পাশাপাশি প্রবাসী আয়সহ যত আয় হয়, তা একটি দেশের মোট জাতীয় আয়। সেই জাতীয় আয়কে মাথাপিছু ভাগ করে মাথাপিছু আয় হিসাব করা হয়।
    - বাংলাদেশের মানুষের বর্তমান মাথাপিছু আয় ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
    - মাথাপিছু জিডিপি ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
    - সর্বশেষ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব প্রকাশ করেছে।

    ⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব অনুযায়ী -
    - সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩.৯৭%।
    - সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কৃষি খাতের প্রাক্কলিত প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ১.৭৯%।
    - সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে শিল্প খাতের প্রাক্কলিত প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৪.৩৪%।
    - সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সেবা খাতের প্রাক্কলিত প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৪.৫১%।

    - ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাব অনুযায়ী জিডিপির সাথে বিনিয়োগ, দেশজ সঞ্চয় এবং জাতীয় সঞ্চয়-এর অনুপাত দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ২৯.৩৮%, ২৩.২৫% এবং ২৯.০১%।
    - ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাব অনুযায়ী মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে ৩৩৯,২১১ টাকা (২,৮২০ ইউএস ডলার)। 

    অন্যদিকে,
    - ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ৩০৪,১০২ টাকা (২,৭৩৮ ইউএস ডলার)। 

    উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট।

    ১১৯.
    বাংলাদেশ থেকে কত সালে জমিদারি প্রথা উচ্ছেদ হয়?
    1. ১৯৫০ সালে
    2. ১৯৫৪ সালে
    3. ১৯৫৮ সালে
    4. ১৯৬০ সালে
    ব্যাখ্যা

    বাংলাদেশে জমিদারি প্রথা ১৯৫০ সালে উচ্ছেদ হয় এবং এটি ১৯৫০ সালের পূর্ববঙ্গ রাজ্য অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের মাধ্যমে বিলুপ্ত হয়। এই আইনের মাধ্যমে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত বিলুপ্ত করে কৃষকদের জমির মালিকানা নিশ্চিত করা হয়।

    The State Acquisition and Tenancy Act, 1950: 
    - 'রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ (১৯৫১ সনের ২৮নং আইন' যা ১৯৫০ সালে প্রণয়ন করা হয়।
    - এই আইনে পূর্ববাংলায় জমিতে খাজনা সংগ্রাহক ও অন্যান্য স্বার্থধারীদের তালুক অধিগ্রহণের বিধান, তালুকে প্রজাদের সঙ্গে সম্পর্ক এবং এর সঙ্গে সম্পর্কিত আরও অন্যান্য বিষয়ের আইনগত সম্পর্ক সংজ্ঞায়িত করার বিধান রয়েছে।
    - আইনটি পাশের আগে এদেশের কৃষিসংক্রান্ত আইন বলতে প্রধানত ছিল ১৭৯৩ সালের বঙ্গীয় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবিধান ও বঙ্গীয় প্রজাস্বত্ব আইন, ১৮৮৫। 
    - দেশ বিভাগের পর পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব বিল প্রণয়ন করে ১৯৪৮ সালের ৩১ মার্চ তা প্রকাশ করা হয়।
    - তারপর এই বিলটিকে আইন পরিষদের বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হয়।
    - এই পরিপ্রেক্ষিতে বিলটি পাস হওয়ার পর ১৬ মে ১৯৫১ সালে বিলে প্রয়োজনীয় অনুমোদনমূলক সম্মতি পাওয়া যায়।

    উল্লেখ্য,
    - এই আইনের আওতায় সরকার দেশের একমাত্র জমিদারে পরিণত হয় এবং সরকার পর্যায়ক্রমে জমিতে সকল খাজনা-আদায়ি স্বার্থ অধিগ্রহণ করে।
    - এই আইনের ৩ নং ধারা বলবৎ হওয়ায় জমির সকল মালিক সরকারের প্রত্যক্ষ প্রজায় পরিণত হয়।
    - এই আইনবলে সরকার হাটবাজার, ফেরি ও মাছ উৎপাদনমূলক জলভাগের মালিক ও ব্যবস্থাপক হয়।
    - এই আইনে ১৫২টি ধারা রয়েছে।
    - এগুলি পাঁচটি অংশ ও উনিশটি অধ্যায়ে বিভক্ত।

    উৎস: ভূমি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

    ১২০.
    ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালে ‘Annihilate These Demons' শিরোনামের পোস্টারটি কে এঁকেছিলেন?
    1. জয়নুল আবেদিন
    2. কামরুল হাসান
    3. এস এম সুলতান
    4. আনোয়ারুল হক
    ব্যাখ্যা

    কামরুল হাসান:
    - কামরুল হাসান একজন চিত্রশিল্পী।
    - প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
    - ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন। 
    - কামরুল হাসান বাংলাদেশের স্বাধিকার ও অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন (১৯৬৯-৭০) এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
    - তিনি ‘পটুয়া কামরুল হাসান’ নামে পরিচিতি লাভ করেন।
    - তিনি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকারি মনোগ্রাম তৈরি করার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। 
    - কামরুল হাসানের 'তিন কন্যা' ও 'নাইওর' চিত্রকর্ম অবলম্বনে যুগোস্লাভ সরকার (১৯৮৫) ও বাংলাদেশ সরকার (১৯৮৬) ডাকটিকেট প্রকাশ করেছে।

    ⇒ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে "ANNIHILATE THESE DEMONS (এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে)" শিরোনামের পোস্টারটি এঁকেছিলেন শিল্পী কামরুল হাসান।
    - ১৯৭১-এর ২৫ মার্চ থেকে নয় মাসব্যাপী বাংলাদেশজুড়ে পাকিস্তানি বাহিনী যে নির্মম গণহত্যাযজ্ঞ, ধ্বংসযজ্ঞ ও নারীর প্রতি নিগ্রহযজ্ঞ চালায়, তার মূল নির্দেশদাতা ও পরিকল্পনাকারী ছিলেন পাকিস্তানের খোদ প্রেসিডেন্ট অর্থাৎ জেনারেল ইয়াহিয়া। 
    - সুতরাং শিল্পী কামরুল হাসান তাঁর ব্যঙ্গাকৃতির মুখাবয়বে ফুটিয়ে তোলেন ১৯৭১-এর সব নিষ্ঠুরতা, অমানবিকতা ও ধ্বংসের প্রতীকী রূপ। 
    - মুক্তিযুদ্ধের মতো এক বিশাল প্রতিরোধযজ্ঞে একটি পোস্টার বা একটি শিল্পকর্মও কত শক্তিশালী হয়ে উঠেছিল, এটাই তার বাস্তব প্রমাণ। 
    - এই পোস্টার ১৯৭১ সালের মে মাসে প্রথমে কলকাতা থেকে জয় বাংলা পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। তারপর ওই মাসেই বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার এক রঙে এর লক্ষাধিক কপি ছাপিয়ে মুক্তাঞ্চলে বিলি করে।
    - কিছুদিন পরে বিদেশিদের উদ্দেশে প্রচারিত এই পোস্টারের ইংরেজি ভাষ্যের বক্তব্য ছিল: Annihilate the Demons।

    উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
    ii) প্রথম আলো। 

    ১২১.
    বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কতজন নারী উপদেষ্টা রয়েছে?
    1. ২ জন 
    2. ৩ জন 
    3. ৪ জন 
    4. ৫ জন
    ব্যাখ্যা

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকার:
    - ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে।
    - নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে আগস্ট, ২০২৪ সালে দেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে।
    - এই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

    ⇒ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
    - শপথ গ্রহণের স্থান: বঙ্গভবন।
    - প্রধান উপদেষ্টা: ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
    - মোট উপদেষ্টা: ২৩ জন।
    - নারী উপদেষ্টা রয়েছে ৪ জন। এরা হলেন: ফরিদা আখতার, নূরজাহান বেগম, সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, শারমীন এস মুরশিদ।

    উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

    ১২২.
    সরাসরি ভোটে কতবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়?
    1. ১ বার 
    2. ২ বার 
    3. ৩ বার 
    4. ৪ বার
    ব্যাখ্যা

    সরাসরি ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন:
    - প্রত্যক্ষ বা সরাসরি ভোটে বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় তিন বার।
    - এগুলো হলো ১৯৭৮ সাল, ১৯৮১ সাল ও ১৯৮৬ সাল। 

    উলেখ্য,
    - জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত প্রথম রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।
    - বাকি দুজন হলেন বিচারপতি আব্দুস সাত্তার ও হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।
    - এই তিনজন সরাসরি ভোটে নির্বাচিত বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি।

    ⇒ ১৯৭২ সালের সংবিধানের দ্বিতীয় তফসিল মোতাবেক রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতেন সংসদ সদস্যদের গোপন ভোটে।
    - পরবর্তী সময়ে সংবিধানে চতুর্থ সংশোধনী অনুসারে প্রত্যক্ষ নির্বাচন পদ্ধতিতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান প্রবর্তিত হয়।
    - সংবিধানের ১২তম সংশোধনী আইন ১৯৯১ অনুসারে সংসদীয় পদ্ধতি চালু হলে পরোক্ষ পদ্ধতিতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান করা হয়।
    - বর্তমানে অনুচ্ছেদ ৪৮ অনুসারে সংসদ-সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

    ⇒ বাংলাদেশে ১৯৯০ সালে প্রবল গণআন্দোলনে সামরিক শাসক হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের পতনের পর ১৯৯১ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত সংসদে সংবিধান সংশোধন করে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থার বদলে সংসদীয় ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।

    উৎস: i) BBC.
    ii) যুগান্তর।

    ১২৩.
    সংবিধান সংস্কার কমিশন সংবিধানের মূলনীতি থেকে কোন শব্দটি বাদ দেওয়ার সুপারিশ করেছে?
    1. জাতীয়তাবাদ
    2. বহুত্ববাদ
    3. সাম্য
    4. গণতন্ত্র
    ব্যাখ্যা

    সংবিধান সংস্কার কমিশন:
    - ‘সংবিধান সংস্কার কমিশন’ গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
    - ৯ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিশন গঠন করা হয়েছে।
    - সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজ।

    ⇒ সংবিধানের মূলনীতি:
    - কমিশন সুপারিশ করছে যে, সংবিধানের মূলনীতি হিসেবে সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ এবং গণতন্ত্রকে অন্তর্ভুক্ত করা হোক।

    ⇒ সংবিধান সংস্কার কমিশনের সুপারিশ:
    - সংবিধান সংস্কার কমিশন সংবিধান সংশোধনের জন্য গণভোটের বিধান পুনর্বহালের সুপারিশ করেছে। 
    - এছাড়াও, কমিশন সংবিধানের প্রস্তাবনায় জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে বাদ দিয়ে সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার, বহুত্ববাদ ও গণতন্ত্র অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করেছে। 
    - কমিশন সংবিধানের মূলনীতি হিসেবে সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ এবং গণতন্ত্রকে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করেছে।
    - বিদ্যমান সংবিধানের দ্বিতীয় ও তৃতীয় ভাগের অধিকারসমূহ সমন্বিত করে ‘মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতা’ নামে একটি একক সনদ গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা আদালতে বলবৎযোগ্য হবে এবং অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক অধিকার ও নাগরিক, রাজনৈতিক অধিকারের মধ্যে বিদ্যমান তারতম্য দূর করবে।
    - পাশাপাশি, কমিশন দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভার প্রস্তাব করছে, যেখানে একটি নিম্নকক্ষ জাতীয় সংসদ (ন্যাশনাল এ্যাসেম্বলি) এবং একটি উচ্চকক্ষ (সিনেট) থাকবে এবং এখানে উভয় কক্ষের মেয়াদ হবে চার বছর।
    - রাষ্ট্রীয় কার্যাবলীতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আনয়ন এবং রাষ্ট্রীয় অঙ্গ ও প্রতিষ্ঠান সমূহের মধ্যে ভারসাম্য নিশ্চিত করার জন্য একটি জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিল (এনসিসি) গঠন এবং আইনসভার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে কিংবা আইনসভা ভেঙে গেলে পরবর্তী নির্বাচিত সরকার শপথ না নেওয়া পর্যন্ত, সর্বোচ্চ ৯০ (নব্বই) দিন মেয়াদের একটি অন্তর্বর্তী সরকার নিয়োগের সুপারিশ করেছে।

    উৎস: i) লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ।
    ii) সংবিধান সংস্কার কমিশন।

    ১২৪.
    নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে কত সালে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
    1. ১৯৮১ সালে 
    2. ১৯৮৬ সালে 
    3. ১৯৯১ সালে 
    4. ১৯৯৬ সালে 
    ব্যাখ্যা

    পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন-১৯৯১:
    - নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে ১৯৯১ সালে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
    - যদিও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন সংবিধানের অংশ ছিল না, কিন্তু সবগুলো রাজনৈতিক দলের সম্মতির ভিত্তিতে সেটি করা হয়েছিল।
    - ১৯৯১ সালের ২৭শে ফেব্রুয়ারি পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

    উল্লেখ্য,
    - অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনার লক্ষে সুপ্রীমকোর্টের তিনজন বিচারপতির সমন্বয়ে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন এবং তিন জোটের মনোনীত ব্যক্তিদের মধ্য হতে ১৭ জন উপদেষ্টা নিয়োগ করেন।
    - এই নির্বাচনে বিজয়ী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি। 
    - ১৯৯১ সালের ২০শে মার্চ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করে খালেদা জিয়া।

    এছাড়াও,
    - স্বাধীনতা-উত্তর একমাত্র পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনটি পরিচালিত হয় একটি নিরপেক্ষ অন্তর্বতীকালীন সরকারের অধীনে। ফলে নির্বাচনী ফলাফলে দলীয় কোন প্রভাব পড়েনি।
    - এই নির্বাচন ছিল ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে গণতন্ত্র রক্ষার ঐক্যবদ্ধ সংকল্পের ফসল।

    উৎস: i) বিবিসি।
    ii) ইতিহাস ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১২৫.
    KAFCO-এর পূর্ণরূপ কী?
    1. Karnaphuli Agro Fertilizer Company Organization
    2. Karnaphuli Fertilizer Company Limited
    3. Karnafuli Ammonia Fertilizer Corporation
    4. Karnaphuli Agrochemical Fertilizer Corporation
    ব্যাখ্যা

    KAFCO:
    - KAFCO- এর পূর্ণরূপ: Karnaphuli Fertilizer Company Limited.

    ⇒ কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) দেশের সর্ববৃহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ বহুজাতিক যৌথউদ্যোগ প্রকল্প।
    - এটি অ্যামোনিয়া/ইউরিয়া সার প্রস্ত্ততের রপ্তানিমুখী কারখানা।
    - এটি একটি ১০০% রপ্তানিমুখী আন্তর্জাতিক যৌথ উদ্যোগ কোম্পানি।
    - এটি চট্টগ্রামের রাঙ্গাদিয়া, কর্ণফুলী, চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর ঠিক পাশে অবস্থিত। 
    - বাংলাদেশ, জাপান, ডেনমার্ক এবং নেদারল্যান্ডসের সরকার এবং বেসরকারি খাতের শেয়ারহোল্ডিং এবং সহায়তায় বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত, কাফকো বাংলাদেশের বৃহত্তম যৌথ উদ্যোগ বিনিয়োগ।
    - কাফকো বিশ্বের অনেক দেশে তার পণ্য বাজারজাত করে।
    - KAFCO কমপ্লেক্স উচ্চ-গ্রেডের দানাদার ইউরিয়া এবং অ্যানহাইড্রাস অ্যামোনিয়া তৈরি করে।

    উল্লেখ্য,
    - কাফকোর কর্পোরেট অফিস বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত।

    উৎস: KAFCO ওয়েবসাইট।

    ১২৬.
    দেশের প্রথম পতাকা ভাস্কর্য 'পতাকা ৭১' কোথায় অবস্থিত?
    1. ঢাকা
    2. গাজীপুর 
    3. রাজশাহী 
    4. মুন্সীগঞ্জ
    ব্যাখ্যা

    ভাস্কর্য 'পতাকা ৭১':
    - দেশের প্রথম পতাকা ভাস্কর্য 'পতাকা ৭১' মুন্সীগঞ্জে অবস্থিত। 

    ⇒ ভাস্কর্যটি মুন্সিগঞ্জ শহরের দক্ষিণ কোটগাঁও এলাকার লিচুতলায় অবস্থিত। 
    - মুষ্টিবদ্ধ ছয়টি হাতের চারটি ধরে রেখেছে পতাকাদণ্ড। সেটির মাথায় যে পতাকাটি উড়ছে তা মুক্তিযুদ্ধের সময়কার; বাংলাদেশের মানচিত্রখচিত ঐতিহাসিক পতাকা তবে রংহীন। এটিই পতাকা একাত্তর ভাস্কর্য।
    - নকশা করেছেন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ঘাটশীলার ভাস্কর ইমরান হোসেন।

    উৎস: প্রথম আলো।

    ১২৭.
    কত সালে বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক অনুমোদন করা হয়?
    1. ১৯৭২ সালে 
    2. ১৯৭৩ সালে 
    3. ১৯৭৪ সালে 
    4. ১৯৭৫ সালে 
    ব্যাখ্যা

    বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক ১৯৭২ সালে অনুমোদিত হয়।

    বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক:
    - ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পরপরই বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক গ্রহণ করা হয়।
    - এ প্রতীক হলো পানিতে ভাসমান জাতীয় ফুল শাপলা এবং এর উভয় পার্শ্বে একটি করে ধানের শীষ, চূড়ায় পাটগাছের পরস্পরযুক্ত তিনটি পাতা এবং পাতার উভয় পার্শ্বে দুটি করে মোট চারটি তারকাট
    - পানি, ধান ও পাট প্রতীকে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হয়েছে বাংলাদেশের নিসর্গ ও অর্থনীতি। এ তিনটি উপাদানের ওপর স্থাপিত জলজ প্রস্ফুটিত শাপলা হল অঙ্গীকার, সৌন্দর্য ও সুরুচির প্রতীক।
    - তারকাগুলোতে ব্যক্ত হয়েছে জাতির লক্ষ্য ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা।
    - জাতীয় প্রতীকের ডিজাইনার পটুয়া কামরুল হাসান।
    - জাতীয় প্রতীকের জন্য মোহাম্মদ ইদ্রিস আঁকেন ভাসমান একটি শাপলা, শিল্পী শামসুল আলম শাপলার দুই পাশে ধানের শীষবেষ্টিত পাটপাতা ও চারটি তারকা সেঁটে দিয়ে প্রতীকটির পরিপূর্ণতা নিয়ে আসেন।
    - কামরুল হাসান ও তাঁর দলের করা এই প্রতীকটি জাতীয় প্রতীক হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয় ১৯৭২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি।

    ⇒ জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা বাংলাদেশের সংবিধানের চারটি মূলনীতি।
    - জাতীয় প্রতীকের চারটি তারকা চিহ্ন দিয়ে এই চারটি মূলনীতিকেই বোঝানো হয়েছে।

    উলেখ্য,
    - সংবিধানের প্রথম ভাগ (প্রজাতন্ত্র) অনুচ্ছেদে : ৪ (৩)-এ জাতীয় প্রতীক সম্পর্কে বর্ণনা করা আছে।

    উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
    ii) কালের কন্ঠ।

    ১২৮.
    'Singeing the King of Spain's Beard' নামে পরিচিত কে ছিলেন?
    1. ক্রিস্টোফার কলম্বাস
    2. ফ্রান্সিস ড্রেক
    3. আলবুকার্ক
    4. ভাস্কো-ডা-গামা
    ব্যাখ্যা
    ফ্রান্সিস ড্রেক:
    - তিনি ছিলেন ইংরেজ নৌ-অভিযাত্রী।
    - ১৫৮৭ সালে তিনি ক্যাডিজের যুদ্ধে স্প্যানিশ নৌবহরের উপর আক্রমণ করেন।
    - সেখানে তিনি 'Singeing the King of Spain's Beard' হিসেবে পরিচিত পান।
    - ১৫৯৬ সালের জানুয়ারিতে তিনি আমাশয়ে মারা যান।

    অন্যদিকে
    - ক্রিস্টোফার কলম্বাস ১৪৯২ সালে আমেরিকা আবিষ্কার করেন।
    - পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো ডা গামা প্রথম ইউরোপীয় হিসেবে ১৪৯৮ সালে ভারতে আসার জলপথ আবিষ্কার করেন। 
    - আলবুকার্ক উপমহাদেশে পর্তুগিজ-শক্তির প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।

    উৎস: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি ডট কম। [লিঙ্ক] [লিঙ্ক]
    ১২৯.
    'দি মিডিয়াম ইজ দি মেসেজ' (the medium is the message) এর প্রবক্তা কে?
    1. হেনরি এডওয়ার্ড রবার্ট
    2. চার্লস ব্যাবেজ
    3. হার্বার্ট মার্শাল ম্যাকলুহান
    4. কোনটি নয়
    ব্যাখ্যা
    মার্শাল ম্যাকলুহান:
    - মার্শাল ম্যাকলুহান 'দি মিডিয়াম ইজ দি মেসেজ' (the medium is the message) এবং 'গ্লোবাল ভিলেজ' (Global village) এর প্রবক্তা বা উদ্ভাবক হিসাবে পরিচিত।
    - তিনি ১৯৬২ সালে তার প্রকাশিত গ্রন্থ 'The Gutenberg: The Making of Typographic Man' এবং ১৯৬৪ সালে তার প্রকাশিত গ্রন্থ 'Understanding Media' এ গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম এর ধারণা দেন।

    অন্যদিকে,
    - পার্সোনাল কম্পিউটারের জনক হেনরি এডওয়ার্ড রবার্ট।
    - বাণিজ্যিকভাবে তৈরিকৃত প্রথম পার্সোনাল কম্পিউটার Altair 8800 আবিষ্কার করেন হেনরি এডওয়ার্ড রবার্ট।
    - আধুনিক কম্পিউটারের জনক চার্লস ব্যাবেজ।

    উৎস: ব্রিটানিকা এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
    ১৩০.
    নিচের কোনটির মাধ্যমে ব্রিটিশ কমনওয়েলথ অব নেশনস-এর গোড়াপত্তন হয়?
    1. আটলান্টিক সনদ
    2. ওয়েস্টমিনস্টার ঘোষণা
    3. বেলফোর রিপোর্ট
    4. মনরো ঘোষণা
    ব্যাখ্যা
    বেলফোর রিপোর্ট: 
    - ১৯ নভেম্বর, ১৯২৬ সালে 'বেলফোর রিপোর্ট' (Balfour Declaration) এর মাধ্যমে ব্রিটিশ কমনওয়েলথ অব নেশনস (British Cmmonwealth of Nations) ধারণার গোড়াপত্তন হয়।
    - ১১ ডিসেম্বর, ১৯৩১ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক 'স্ট্যাটিউট অব ওয়েস্ট মিনিস্টার' (Statute of Westminster) আইন অনুমোদিত হয়।
    - এ আইনের মাধ্যমে উপনিবেশগুলোর পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয় এবং আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিটিশ কমনওয়েলথ স্বতন্ত্র মর্যাদা লাভ করে।
    - ২৮ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে 'লন্ডন ঘোষণা'র (Landon Declaration) মাধ্যমে কমনওয়েলথ আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।
    - তবে এ সময় সংস্থাটি থেকে ব্রিটিশ শব্দটি বাদ দিয়ে 'কমনওয়েলথ অব নেশনস' (Commonwealth of Nations) করা হয়।

    অন্যদিকে,
    - মনরো ঘোষণা আমেরিকায় ইউরোপীয় হস্তক্ষেপ নিষিদ্ধ করা হয়।
    - আটলান্টিক সনদ যুদ্ধ-পরবর্তী বিশ্বশান্তি পরিকল্পনা করা হয়।
    - ওয়েস্টমিনস্টার আইন বালফোর ঘোষণার আইনগত বাস্তবায়ন হয়।

    সূত্র: Commonwealth ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা। [লিঙ্ক]
    ১৩১.
    জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা কতটি?
    1. ৪টি
    2. ৫টি
    3. ৬টি
    4. ৭টি
    ব্যাখ্যা

    জাতিসংঘ:
    - বিশ্বের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সংস্থা হলো জাতিসংঘ।
    - এটি জাতিপুঞ্জের (League of Nations) উত্তরসূরী।
    - ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
    - ২৬ জুন ১৯৪৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
    - জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
    - বর্তমান সদস্য ১৯৩টি।[জুলাই - ২০২৫]
    - জাতিসংঘের সর্বশেষ সদস্য: দক্ষিণ সুদান।
    - বর্তমান মহাসচিব: আন্তোনিও গুতেরেস।(সেপ্টেম্বর - ২০২৫)
    - সদর দপ্তর: ম্যানহাটন, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
    - দাপ্তরিক ভাষা ৬টি: ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ, চীনা, রুশ, স্প্যানিশ এবং আরবি।
    - কার্যকরী দাপ্তরিক ভাষা ২টি - ইংরেজি ও ফ্রেঞ্চ।

    জাতিসংঘের ছয়টি মূল অঙ্গসংস্থা (Principal Organs) হলো:
    → সাধারণ পরিষদ (General Assembly),
    → নিরাপত্তা পরিষদ (Security Council),
    → অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (Economic and Social Council - ECOSOC),
    → আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত (International Court of Justice - ICJ),
    → অছি পরিষদ (Trusteeship Council),
    → জাতিসংঘ সচিবালয় (UN Secretariat).

    উৎস: UN ওয়েবসাইট।

    ১৩২.
    কত সালে সর্বপ্রথম 'ধরিত্রী দিবস' পালন করা হয়?
    1. ১৯৬৯ সালে
    2. ১৯৭০ সালে
    3. ১৯৭১ সালে
    4. ১৯৭২ সালে
    ব্যাখ্যা
    ধরিত্রী দিবস:
    - পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা তৈরিতে প্রতিবছর ২২ এপ্রিল বিশ্ব ধরিত্রী দিবস পালন করা হয়।
    - এটি জাতিসংঘ কর্তৃক নির্ধারিত একটি দিবস।
    - সর্বপ্রথম ১৯৭০ সালে দিবসটি পালিত হয়।
    - বর্তমানে আর্থ ডে নেটওয়ার্ক কর্তৃক বিশ্বব্যাপি এ দিবসটি পালন করা হয়।
    - ১৯৯০ সালে বাৎসরিক পঞ্জিকায় দিবসটিকে স্থান দেয় জাতিসংঘ।
    - জাতিসংঘের অন্তর্ভুক্ত দেশসমূহকে তা পালনের জন্য উৎসাহ দেওয়া হয়।
    - এরপর দিবসটি ‘বিশ্ব ধরিত্রী দিবস’ নামে আন্তর্জাতিক ভাবে পালিত হচ্ছে।
    - বর্তমানে ১৯৩টি দেশে প্রতি বছর ধরিত্রী দিবস পালিত হয়।

    সূত্র: United Nations Foundation ও Earth Day 2025 ওয়েবসাইট।
    ১৩৩.
    নিচের কোনটি পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা খর্বাকার জাতি হিসেবে পরিচিত?
    1. পিগমি
    2. জুলু
    3. তাতার
    4. মাউরি
    ব্যাখ্যা
    পিগমি জাতি (Pygmy):
    - পিগমি জাতি পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা খর্বাকৃতি জাতি হিসেবে পরিচিত।
    - এদের প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষদের গড় উচ্চতা ১৫০ সেন্টিমিটারের (৫৯ ইঞ্চি) কম হয়ে থাকে।
    - যাদের উচ্চতা কিছুটা বেশি, তাদের বলা হয় পিগময়েড (Pygmoid)।
    - সবচেয়ে পরিচিত পিগমি গোষ্ঠী পাওয়া যায় মধ্য আফ্রিকার ইটুরি বনাঞ্চলে (বর্তমান কঙ্গো)।
    - কঙ্গো নদীর দক্ষিণের জলাভূমিতে এদের বসবাস।
    - অধিকাংশ পিগমি জনগোষ্ঠী শিকার ও সংগ্রহকৃত খাদ্য-নির্ভর জীবন যাপন করে।

    এছাড়া,
    - দক্ষিণ আফ্রিকার প্রধান অধিবাসীদের বলা হয় - জুলু।
    - নিউজিল্যান্ডের আদিবাসীদের বলা হয় - মাউরি।
    - তাতার জাতি হলো তুর্কি জাতিগোষ্ঠির অন্তর্ভুক্ত একটি উপজাতি, যারা প্রধানত ইউরোপ ও এশিয়ায় বসবাস করে। 

    উৎস: ব্রিটানিকা।
    ১৩৪.
    সাভাক (SAVAK) কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা ছিল?
    1. ইরান
    2. ইসরায়েল
    3. পাকিস্তান
    4. রাশিয়া
    ব্যাখ্যা
    সাভাক (SAVAK):
    - সাভাক (SAVAK) ইরানের একটি গোয়েন্দা সংস্থা ছিল।
    - এটি ইরানের মোহাম্মদ রেজা শাহ'র শাসনামলে গঠিত হয় এবং ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর বিলুপ্ত হয়ে যায়।

    ⇒ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা:
    - যুক্তরাষ্ট্র: Central Intelligence Agency (CIA), Defense Intelligence Agency (DIA), Fairfax, Federal Bureau of Investigation (FBI)।
    - বাংলাদেশ: National Security Intelligence (NSI), Criminal Investigation Department (CID), Detective Branch (DB).
    - পাকিস্তান: Inter-Services Intelligence (ISI), Federal Investigation Agency (FIA).
    - রাশিয়া: Federal Security Service (FSB).
    - যুক্তরাজ্য: SIS/MI6 - Secret Intelligence Service (SIS) and Military Intelligence, Section 6 (MI6).
    - ইসরায়েল: MOSSAD, Shin Bet (Shabak), Aman.

    উৎস: Britannica.
    ১৩৫.
    প্যাটাগোনিয়ান মরুভূমি কোথায় অবস্থিত?
    1. যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোতে
    2. আর্জেন্টিনা ও চিলিতে
    3. দক্ষিণ আফ্রিকা এবং নামিবিয়া
    4. আর্জেন্টিনা ও নামিবিয়া
    ব্যাখ্যা
    • প্যাটাগোনিয়ান মরুভূমি:
    - প্যাটাগোনিয়ান মরুভূমি অবস্থিত আর্জেন্টিনা ও চিলিতে।
    - এটি আর্জেন্টিনার বৃহত্তম এবং বিশ্বের অষ্টম বৃহত্তম মরুভূমি।

    অন্যদিকে,
    - কালাহারি মরুভূমির অবস্থান আফ্রিকা মহাদেশের অন্তর্গত দক্ষিণ আফ্রিকা, বতসোয়ানা এবং নামিবিয়া জুড়ে।
    - পৃথিবীর সর্ববৃহৎ উষ্ণ মরুভূমি সাহারা মরুভূমি। সাহারা মরুভূমিকে আফ্রিকার দুঃখ বলা হয়।
    - সোনোরান মরুভূমি যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোতে অবস্থিত।

    উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস এবং সংশ্লিষ্ট দেশের ওয়েবসাইট।
    ১৩৬.
    'Left-Wing Communism: An Infantile Disorder' বইটি কার লেখা?
    1. কার্ল মার্কস
    2. ভি. আই. লেনিন
    3. কার্ল মাব
    4. টমাস হবস
    ব্যাখ্যা
    • ভি. আই. লেনিন:
    - রুশ বিপ্লবের মহানায়ক ভ্লাদিমির ইলিচ উলিয়ানভ লেনিন ১৮৭০ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
    - লেলিনের নেতৃত্বে বলশেভিক পার্টি রুশ বিপ্লবের নেতৃত্ব দেয়।
    - তিনি ১৯২৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
    - মস্কোর রেড স্কোয়ারে লেনিন জুদুঘরে বিপ্লবী লেনিনের মরদেহ সংরক্ষিত আছে।

    তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
    - Left-Wing Communism: An Infantile Disorder.
    - 'Imperialism, the Highest Stage of Capitalism'.
    - The Development of Capitalism in Russia.

    উৎস: ব্রিটানিকা।
    ১৩৭.
    বিশ্বব্যাংক সংশ্লিষ্ট কোন সংস্থাটি উন্নয়নশীল দেশে বেসরকারি খাতে আর্থিক সহায়তা ও উপদেশ দিয়ে থাকে?
    1. IBRD
    2. MIGA
    3. ICSID
    4. IFC
    ব্যাখ্যা
    • IFC:
    - IFC (International Finance Corporation) বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।
    - IFC এটি প্রধানত উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বেসরকারি বা ব্যক্তিমালিকানা খাতের উন্নয়নে কাজ করে।
    -  প্রতিষ্ঠা লাভ করে - ২০ জুলাই, ১৯৫৬ সালে।
    - এর সদস্য সংখ্যা ১৮৬টি।
    - IFC এর সদর দপ্তর ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
    - প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য - ৪৫টি।
    - বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে - ১৮ জুন, ১৯৭৬ সালে।

    উৎস: IFC ওয়েবসাইট।
    ১৩৮.
    'The Virgin of the Rocks' ও 'Treatise on Painting'  চিত্রকর্মটি কার?
    1. ভিনসেন্ট ভ্যান
    2. মাইকেল এঞ্জেলো
    3. লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি
    4. কোনটি নয়
    ব্যাখ্যা
    লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি:
    - লিওনার্দো দা ভিঞ্চি ইতালির চিত্রশিল্পী।
    - তিনি ১৫ এপ্রিল, ১৪৫২ সালে জন্ম গ্রহন করেন।
    - তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত পেইন্টিংগুলি হল -
    - “The Virgin of the Rocks” “Treatise on Painting” Battle of Anghiari” “Last Supper” “Leda” “Mona Lisa” “Portrait of Ginevra de’ Benci” “St. Jerome” “The Benois Madonna”
    - ২মে, ১৫১৯ সালে ৬৭ বছর বয়সে, লিওনার্দো দা ভিঞ্চি মারা যান।

    উৎস - ব্রিটানিকা।
    ১৩৯.
    ফকল্যান্ড দ্বীপ কোন মহাদেশে অবস্থিত?
    1. উত্তর আমেরিকা
    2. অস্ট্রেলিয়া
    3. দক্ষিণ আমেরিকা
    4. ইউরোপ
    ব্যাখ্যা
     দক্ষিণ আমেরিকা (South America):
    - আয়তনে চতুর্থ বৃহত্তম মহাদেশ দক্ষিণ আমেরিকা।
    - এ মহাদেশ দেখতে ত্রিকোণোকৃতির ।
    - এ মহাদেশের সর্বোচ্চ স্থান আকাঙ্কাগুয়া ।
    - দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ ১৪টি দেশ নিয়ে গঠিত।
    - এর মধ্যে আয়তনে বৃহত্তম ব্রাজিল এবং ক্ষুদ্রতম সুরিনাম।
    - ফকল্যান্ড দ্বীপ এ মহাদেশে অবস্থিত।
    - এই দ্বীপ নিয়ে বিরোধের জেরে আর্জেন্টিনা ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে যুদ্ধ হয়।
    - দক্ষিণ আমেরিকার দীর্ঘতম এবং পৃথিবীর প্রশস্ততম নদী আমাজান।
    - এ মহাদেশের অন্তর্গত ইকুয়েডরকে 'চির বসন্তের দেশ বলা হয়।
    - নিরক্ষরেখা দেশটির উপর দিয়ে অতিক্রম করেছে।

    উৎস: Britannica. Com
    ১৪০.
    কোন দেশ পানামা খালের খনন কাজে তত্ত্বাবধান করেছিল?
    1. জার্মানি
    2.  যুক্তরাজ্য
    3. পানামা
    4. যুক্তরাষ্ট্র
    ব্যাখ্যা
    • পানামা খাল:
     - পানামা খালটির নির্মাণ কাজ ১৯০৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে শুরু হয়ে ১৯১৪ সালে শেষ হয়েছিল।
    - ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত পানামা খালটি আমেরিকার নিয়ন্ত্রণে ছিল।
    - ১৯৭৯ সালের পর থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পানামা প্রজাতন্ত্রের যৌথ সংস্থা খালটির নিয়ন্ত্রণ করে।
    -  ১৯৯৯ সালের ৩১ শে ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র পানামার কাছে খালটি পুরোপুরি হস্তান্তর করে।
    - খালটি উত্তর আমেরিকার দেশ পানামাতে অবস্থিত।
    - আটালান্টিক মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে পানামা খাল।
    - উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে।

    উৎস:- ব্রিটানিকা।
    ১৪১.
    সম্প্রতি দক্ষিণ এশিয়ার কোন দেশ জাতিসংঘ পানি কনভেনশনে যুক্ত হয়েছে?
    1. ভুটান
    2. পাকিস্তান
    3. বাংলাদেশ 
    4. ভারত 
    ব্যাখ্যা

    UN Water Convention:
    - UN Water Convention-এর পূর্ণনাম: Convention on the Protection and Use of Transboundary Watercourses and International Lakes.
    - গৃহীত হয়: ১৯৯২ সালে।
    - কার্যকর হয়: ২০০০ সালে।

    • মূল উদ্দেশ্য:
    - সীমান্তবর্তী নদী ও হ্রদের যৌথ ব্যবস্থাপনা,
    -পানির ন্যায্য ও টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করা,
    - জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সৃষ্ট পানি সংকট মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি।
    - প্রথম দক্ষিণ এশিয়ার দেশ হিসেবে জাতিসংঘ পানি কনভেনশনে যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ।
    - বাংলাদেশ ২০ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘের ‘প্রোটেকশন অ্যান্ড ইউজ অফ ট্রান্সবাউন্ডারি ওয়াটারকোর্সেস অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল লেকস ইউএন ওয়াটার কনভেনশন’-এ যোগ দিয়েছে।
    - এর মাধ্যমে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম এবং বিশ্বে ৫৬তম দেশ হিসেবে এ চুক্তিতে যুক্ত হলো।

    উৎস: The Global Liveability Index-2025.

    ১৪২.
    ২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক বুকার পুরস্কার অর্জনকারী বইয়ের নাম কী?
    1. হার্ট নেমেসিস
    2. নট এ রিভার
    3. হার্ট ল্যাম্প
    4. হোয়াইট নাইট
    ব্যাখ্যা
    বুকার পুরস্কার:
    - বুকার পুরস্কার (Booker Prize) একটি সাহিত্য পুরস্কার। 
    - এটি যুক্তরাজ্য থেকে প্রদান করা হয়।
    - পুরস্কারটির পূর্বনাম ছিল: Booker–McConnell Prize ও Man Booker Prize।
    - শুরুতে পুরস্কারটি শুধু ব্রিটিশ লেখকদের প্রদান করা হত।
    - পরবর্তীতে তা কমনওয়েলথ দেশ সমূহের ইংরেজি ভাষার লেখক এবং ২০১৪ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী ইংরেজি ভাষার লেখকদের প্রদান করা হয়ে আসছে।
    - ১৯৬৯ সাল থেকে প্রতিবছর এই পুরস্কার দেওয়া হয়।
    - বুকারজয়ের শর্ত হলো, উপন্যাসটি ইংরেজিতে লেখা হতে হবে এবং যুক্তরাজ্যে বা আয়ারল্যান্ডে প্রকাশিত হতে হবে।

    • ২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক বুকার পুরস্কার জিতেছেন ভারতীয় লেখক, আইনজীবী ও অধিকারকর্মী বানু মুশতাক।
    - ছোটগল্পের সংকলন ‘হার্ট ল্যাম্প/ Heart Lamp’–এর জন্য তাঁকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। 
    - ৭৭ বছর বয়সী এই লেখকের ছোটগল্পের সংকলন কান্নাড়া ভাষা থেকে ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন দীপা ভাস্তি।
    - এ ভাষার লেখকদের মধ্যে তিনি প্রথমবারের মতো মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারটি পেলেন।
    -  ‘হার্ট ল্যাম্প’-এ ১২টি গল্প সংকলিত হয়েছে, যেগুলো ১৯৯০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে প্রকাশিত হয়। গল্পগুলোতে দক্ষিণ ভারতের মুসলিম সমাজের দৈনন্দিন জীবনের চিত্র ফুটে উঠেছে। গল্পগুলোতে বিশেষ করে নারী ও কিশোরীদের অভিজ্ঞতা গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

    উৎস: The Booker Prizes ওয়েবসাইট।

    ১৪৩.
    BCCSAP-এর পূর্ণরূপ কী?
    1. Bangladesh Climate Change Strategy and Action Plan
    2. Bangladesh Climate Change System and Action Plan
    3. Bangladesh Coastal Climate Strategy and Action Plan
    4. Bangladesh Climate Control Strategy and Action Plan
    ব্যাখ্যা

    ◉ BCCSAP এর পূর্ণরূপ হলো Bangladesh Climate Change Strategy and Action Plan. এটি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশের জাতীয় কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা।

    BCCSAP: 
    ​- BCCSAP-এর পূর্ণরূপ হলো Bangladesh Climate Change Strategy and Action Plan.
    ​- এটি বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় কর্তৃক ২০০৯ সালে প্রণীত একটি নীতিগত দলিল, এর উদ্দেশ্য জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় একটি সুসংগঠিত কৌশল নির্ধারণ করা। 
    ​- এই কর্মপরিকল্পনা ছয়টি মূল ক্ষেত্রকে কেন্দ্র করে গঠিত: খাদ্য নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, অবকাঠামো উন্নয়ন, গবেষণা ও জ্ঞান ব্যবস্থাপনা, কম-কার্বন উন্নয়ন এবং প্রতিষ্ঠানগত সক্ষমতা বৃদ্ধি।
    ​- BCCSAP-এর আওতায় ৪৪টি কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে, এগুলো স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়। 
    ​- এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হলো দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।  

    ​সূত্র: International Climate Finance Cell ওয়েবসাইট।

    ১৪৪.
    বাংলাদেশের কোন নদী প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত?
    1. সাঙ্গু
    2. কর্ণফুলী
    3. হালদা
    4. মাতামুহুরী
    ব্যাখ্যা

    ◉ বাংলাদেশের হালদা নদী প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত, এটি চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত। 

    প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র: 
    - বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হলো হালদা নদী।
    - খাগড়াছড়ির বাদনাতলী পর্বতশৃঙ্গে উৎপত্তি লাভ করা হালদা নদী কর্ণফুলী নদীর একটা উপনদী।
    - এটি চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত যা মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ঘোষিত একটি মৎস্য অভয়াশ্রম।
    - এছাড়া সম্প্রতি সরকার হালদা নদীকে বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণা করেছে।
    - হালদা নদী বিশ্বের একমাত্র জোয়ার-ভাটার নদী এবং এশিয়ার একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র, যেখান থেকে সরাসরি রুই জাতীয় মাছের নিষিক্ত ডিম সংগ্রহ করা হয়।

    সূত্র: চট্টগ্রাম জেলা ও মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো। 

    ১৪৫.
    বর্তমানে বাংলাদেশে কয়টি কয়লা ক্ষেত্র বিদ্যমান? [আগস্ট - ২০২৫]
    1. ৪টি
    2. ৩টি
    3. ৫টি
    4. ৬টি
    ব্যাখ্যা

    ◉ বাংলাদেশে মোট ৫টি কয়লা ক্ষেত্র বিদ্যমান: বড়পুকুরিয়া, দীঘিপাড়া, ফুলবাড়ি, খালাশপীর ও জামালগঞ্জ। 

    কয়লা ক্ষেত্র:

    - বাংলাদেশে আবিস্কৃত মোট কয়লা ক্ষেত্র ৫টি।
    - ১৯৬২ সালে জয়পুরহাট জেলার জামালগঞ্জে দেশের সর্বপ্রথম কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
    - দেশে একমাত্র দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে কয়লা উত্তোলিত হচ্ছে।
    - গভীরতা বেশি হওয়ায় জামালগঞ্জ খনি থেকে এখনো কয়লা উত্তোলন শুরু হয়নি।

    দেশের কয়লা খনিসমূহ হলো:
    • ফুলবাড়ী: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৮৯।
    • খালাসপীর: রংপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: বি.এইচ.পি মিনারেলস, ১৯৯৭।
    • জামালগঞ্জ: আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জয়পুরহাট, জিএসবি, ১৯৬২।
    • বড়পুকুরিয়া: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৮৫।
    • দীঘিপাড়া: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৯৫।

    সূত্র: খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।

    ১৪৬.
    বাংলাদেশের সীমানার কোন দিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য অবস্থিত?
    1. পূর্ব ও পশ্চিম
    2. উত্তর ও পূর্ব
    3. উত্তর ও পশ্চিম
    4. শুধু পশ্চিম
    ব্যাখ্যা

    ◉ বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও মেঘালয় রাজ্য অবস্থিত। এছাড়াও পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য রয়েছে।

    বাংলাদেশের সীমানা: 
    - বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য হচ্ছে ৫টি।
    এগুলো হলো -
    → ত্রিপুরা,
    → আসাম,
    → মিজোরাম,
    → মেঘালয় ও
    → পশ্চিমবঙ্গ।

    সীমান্তবর্তী স্থান:
    - বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও মেঘালয় রাজ্য অবস্থিত।
    - পশ্চিম দিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সীমানা রয়েছে।
    - পূর্ব দিকে ভারতের আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম রাজ্য এবং মিয়ানমার রয়েছে।
    - দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং ভারতীয় আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের সীমানা রয়েছে, পাশাপাশি মিয়ানমারেরও অবস্থান রয়েছে।

    উল্লেখ্য,
    - বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা মোট ৩২টি।
    - এর মধ্যে বাংলাদেশের সাথে ভারতের সীমান্তবর্তী জেলার সংখ্যা ৩০টি, এবং মিয়ানমারের সাথে সীমান্তবর্তী জেলার সংখ্যা ৩টি। বাংলাদেশের রাঙামাটি জেলা হলো একমাত্র জেলা, যেটা ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমানার সঙ্গে সংযুক্ত।

    সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

    ১৪৭.
    নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে সাধারণত কোন প্রকার বৃষ্টিপাত দেখা যায়?
    1. ঘূর্ণি বৃষ্টি
    2. বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টি
    3. পরিচলন বৃষ্টি
    4. শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি
    ব্যাখ্যা

    ◉ নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে সাধারণত বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টি (Frontal Rain) দেখা যায়, এটি শীতল ও উষ্ণ বায়ুর সংঘর্ষে সৃষ্টি হয়।  

    বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টি (Frontal Rain):

    - শীতল ও উষ্ণ বায়ু মুখোমুখি উপস্থিত হলে উষ্ণ বায়ু এবং শীতল বায়ু একে অপরের সঙ্গে মিশে না গিয়ে তাদের মধ্যবর্তী এলাকায় অদৃশ্য বায়ুপ্রাচীরের (Front) সৃষ্টি করে।
    - বায়ুপ্রাচীর সংলগ্ন এলাকায় শীতল বায়ুর সংস্পর্শে উষ্ণ বায়ুর তাপমাত্রা হ্রাস পায় ফলে শিশিরাঙ্কের সৃষ্টি হয়।
    - ফলে উভয় বায়ুর সংযোগস্থলে বৃষ্টিপাত ঘটে, একে বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টি বলে।
    - এ প্রকার বৃষ্টিপাত নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে দেখা যায়।

    ঘূর্ণি বৃষ্টি (Cyclonic Rain):
    - কোনো অঞ্চলে বায়ুমণ্ডলে নিম্নচাপ কেন্দ্রের সৃষ্টি হলে জলভাগের উপর থেকে জলীয়বাষ্পপূর্ণ উষ্ণ এবং স্থলভাগের উপর থেকে শুষ্ক শীতল বায়ু ঐ একই নিম্নচাপ কেন্দ্রের দিকে অনুভূমিকভাবে ছুটে আসে। শীতল বায়ু ভারী বলে উষ্ণ বায়ু শীতল বায়ুর উপর ধীরে ধীরে উঠতে থাকে। জলভাগের উপর থেকে আসা উষ্ণ বায়ুতে প্রচুর জলীয়বাষ্প থাকে। ঐ বায়ু শীতল বায়ুর উপরে উঠলে তার ভিতরে জলীয়বাষ্প ঘনীভূত হয়ে বৃষ্টিপাত ঘটায়। এরূপ বৃষ্টিপাতকে ঘূর্ণি বৃষ্টি বলে। 

    শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি (Orographic Rain):
    - জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু স্থলভাগের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় যদি গমনপথে কোনো উঁচু পর্বতশ্রেণিতে বাধা পায়, তাহলে ঐ বায়ু উপরের দিকে উঠে যায়। তখন জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু ক্রমশ প্রসারিত হয় এবং পর্বতের উঁচু অংশে শীতল ও ঘনীভূত হয়ে পর্বতের প্রতিবাত ঢালে (Windward slope) বৃষ্টিপাত ঘটায়। এরূপ বৃষ্টিপাতকে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি বলে। 

    পরিচলন বৃষ্টি (Convectional Rain):
    - দিনের বেলায় সূর্যের কিরণে পানি বাষ্পে পরিণত হয়ে সোজা উপরে উঠেযায় এবং শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে ঐ জলীয়বাষ্প প্রথমে মেঘ ও পরে বৃষ্টিতে পরিণত হয়ে সোজাসুজি নিচে নেমে আসে। এরূপ বৃষ্টিপাতকে পরিচলন বৃষ্টি বলে।

    সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।

    ১৪৮.
     দুর্যোগের সময় উদ্ধার, চিকিৎসা, খাদ্য ও আশ্রয় প্রদানের কার্যক্রম কোন ধাপে সম্পন্ন হয়?
    1. পূর্বপ্রস্ততি
    2. প্রশমন
    3. সাড়া প্রদান
    4. উন্নয়ন
    ব্যাখ্যা

    ◉ সাড়া প্রদান কার্যক্রমসমূহের মধ্যে রয়েছে উদ্ধার, চিকিৎসা, খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, আশ্রয়, বস্ত্র, ধ্বংসস্তুপ অপসারণ, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ, পুনর্বাসন কার্যক্রম প্রভৃতি।

    • দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র:
    - দুর্যোগ মোকাবিলার জন্যে দুর্যোগ-পূর্ব প্রস্তুতির কাজ সম্পন্ন করা আবশ্যক, যা মূলত আক্রান্ত অঞ্চলের অধিবাসীদেরকে দুর্যোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সহায়তা করে।
    - দুর্যোগ কালীন সময়ে ও সংঘটনের অব্যবহিত পরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদান যেমন- সাড়াদান, পুনরুদ্ধার, প্রশমন উন্নয়ন, প্রতিরোধ, পূর্বপ্রস্তুতি কার্যক্রম সম্পাদন করা প্রয়োজন।

    সাড়া প্রদান (Response):
    - দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রে সাড়াপ্রদান গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম।
    - দুর্যোগ সংঘটিত হওয়ার পর নিজের এবং অন্যের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করাকে সাড়া প্রদান বলে।
    - সাড়া প্রদান কার্যক্রমসমূহের মধ্যে রয়েছে উদ্ধার, চিকিৎসা, খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, আশ্রয়, বস্ত্র, ধ্বংসস্তুপ অপসারণ, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ, পুনর্বাসন কার্যক্রম প্রভৃতি।
    - উপযুক্ত সাড়া প্রদানের মাধ্যমে দুর্যোগ আক্রান্ত এলাকার লোকজন দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে পারে।
    - এসব কারণে দুর্যোগের পরপরই উপযুক্ত সাড়া প্রদান প্রয়োজন হয়। 

    অন্যদিকে:  
    প্রশমন (Mitigation):
    - দীর্ঘ সময়ব্যাপী বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে দুর্যোগ সংঘটনের হার হ্রাস করা এবং দুর্যোগ পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহণ করাকে প্রশমন বলে।

    পূর্ব প্রস্তুতি (Preparedness):
    - প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস করার লক্ষ্যে দুর্যোগ পূর্ব সময়ে যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়, সেগুলোকে পূর্ব প্রস্তুতি বলে। 

    সূত্র: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৪৯.
    নীতিবিদ ম্যুর নৈতিকতাকে কীভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন?
    1. ন্যায় প্রতিষ্ঠা ও অন্যায় দমন
    2. জ্ঞানের চর্চাই নৈতিকতার মূল ভিত্তি
    3. শুভর প্রতি অনুরাগ ও অশুভর প্রতি বিরাগ
    4. ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই নৈতিকতার সারমর্ম
    ব্যাখ্যা

    ◉ নীতিবিদ জি. ই. ম্যুর নৈতিকতাকে সংজ্ঞায়িত করেছেন এইভাবে: “শুভর প্রতি অনুরাগ ও অশুভর প্রতি বিরাগই হচ্ছে নৈতিকতা”। তাঁর মতে, নৈতিকতা মানে হলো ভালো ও মন্দের প্রতি মানুষের অন্তর্নিহিত অনুভূতির প্রকাশ।

    নৈতিকতা:

    - গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিস, প্লেটো এবং এরিস্টটল সর্বপ্রথম নৈতিকতার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন।
    - নৈতিকতা হলো মানুষের অন্তর্নিহিত ধ্যান-ধারণার সমষ্টি যা মানুষকে সুকুমার বৃত্তি অনুশীলনে অনুপ্রাণিত করে।
    - সক্রেটিস বলেছেন, 'সৎ গুণই জ্ঞান' (Virtue is knowledge)।
    - তিনি বিশ্বাস করতেন যে, জ্ঞানী-গুণী ব্যক্তিরা অন্যায় করতে পারেন না এবং ন্যায় বোধের উৎস হচ্ছে 'জ্ঞান' (knowledge) এবং অন্যায়বোধের উৎস হচ্ছে 'অজ্ঞতা' (ignorance)।
    - নৈতিকতা বা নীতিবোধ একান্তভাবেই মানুষের হৃদয়-মন থেকে উৎসারিত।
    - নৈতিকতা বা নীতিবোধের বিকাশ ঘটে মানুষের ন্যায়-অন্যায়, ভালো-মন্দ, উচিত-অনুচিত বোধ বা অনুভূতি থেকে।

    নৈতিকতার সংজ্ঞা:
    - নৈতিকতার সংজ্ঞা দিতে গিয়ে Collins English Dictionary-তে বলা হয়েছে যে, 'Morality is concerned with on negating to human behaviour, esp. the distinction between good and bad and right and wrong behaviour,
    - নীতিবিদ ম্যুর বলেছেন, 'শুভর প্রতি অনুরাগ ও অশুভর প্রতি বিরাগই হচ্ছে নৈতিকতা।'
    - Cambridge International Dictionary of English-তে বলা হয়েছে যে, নৈতিকতা হলো 'ভালো-মন্দ আচরণ, স্বচ্ছতা, সততা ইত্যাদির সাথে সম্পর্কযুক্ত একটি গুণ, যা প্রত্যেক ব্যক্তিই আইন কিংবা অন্য কোনো বিষয়ের থেকে বেশি গুরুত্ব প্রদান করে থাকে।'

    সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক।

    ১৫০.
    সুশাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান কোনটি?
    1. স্বৈরাচার
    2. গোপনীয়তা
    3. দমন-পীড়ন
    4. স্বচ্ছতা
    ব্যাখ্যা

    ◉ সুশাসনের প্রধান উপাদানগুলোর মধ্যে স্বচ্ছতা অন্যতম। এটি সুশাসন প্রতিষ্ঠার মূল চাবিকাঠি ।   

    সুশাসনের উপাদান:
    - সাধারণ অর্থে সুশাসন হলো এমন এক প্রক্রিয়া যা একটি দেশের রাজনৈতিক,অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
    - এই শাসন প্রক্রিয়ায় জনগণের আত্মনির্ভরশীলতা বৃদ্ধি পায়।
    - সরকারের স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতার সঙ্গে নিশ্চিত হয় সামাজিক ন্যায় বিচার ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক বহুত্ববাদ।
    - সুশাসনের মূল ভিত্তি হলো আইনের শাসন।

    নিম্নে সুশাসনের উপাদানসমূহ:
    - গণতন্ত্র, নৈতিক মূল্যবোধ, স্বচ্ছতা, বৈধতা, দায়িত্বশীলতা, জবাবদিহিতা, জনগণের নিকট গ্রহণযোগ্যতা, স্বাধীন প্রচার মাধ্যম, অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়া, আইনের শাসন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, জনবান্ধব প্রশাসন, সততা, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা, সুশীল সমাজ দক্ষতা, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, বিকেন্দ্রীকরণ, লিঙ্গ বৈষম্যের অনুপস্থিতি, প্রচার মাধ্যমের স্বাধীনতা ইত্যাদি।

    সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।

    ১৫১.
    জাতিসংঘের মতে সুশাসনের কয়টি উপাদান রয়েছে?
    1. চারটি
    2. পাঁচটি
    3. সাতটি
    4. আটটি
    ব্যাখ্যা

    ◉ জাতিসংঘের মতে সুশাসনের ৮টি উপাদান হলো: অংশগ্রহণ, আইনের শাসন, স্বচ্ছতা, সহানুভূতিশীলতা, ঐক্যমতাভিত্তিক, ন্যায়বিচার, কার্যকারিতা ও জবাবদিহিতা।

    • সুশাসনের উপাদান:
    - এডিবির মতে সুশাসনের মূল উপাদান ৪টি।
    - জাতিসংঘের মতে সুশাসনের উপাদান ৮টি।
    - UNDP এর মতে সুশাসনের উপাদান ৯টি।
    - আফ্রিকান উন্নয়ন ব্যাংকের (AFDB) মতে সুশাসনের উপাদান ৫টি।
    - UNHCR মতে সুশাসনের মূল উপাদান ৫টি।
    - বিশ্বব্যাংকের মতে সুশাসনের উপাদান ৬টি। 
    - আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সমিতির (IDA) মতে সুশাসনের উপাদান ৬টি।
    - প্রাচীন অর্থশাস্ত্রবিদ কৌটিল্য সুশাসনের ৪টি উপাদানের কথা বলেছেন।

    সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।