পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

পরীক্ষাবার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন২৮
সিলেবাস
Exam - 41 The Code of Civil Procedure, 1908: Test-9 Topic: • Appeals (Sections 96-99, 104-112 & Orders 41-44) • Application for Restitution (Section 144) • Inherent power of the Court (Section 151) • Miscellaneous (Section 132-155)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৮ প্রশ্ন

.
আপিলকারী যদি আপিল শুনানির দিনে উপস্থিত না থাকে, তবে আদালত কী করতে পারে?
  1. মামলাটি মুলতবি রাখতে পারে
  2. পুনঃশুনানির নির্দেশ দিতে পারে
  3. আপিল খারিজ করে দিতে পারে
  4. রায় ঘোষণা স্থগিত রাখতে পারে
সঠিক উত্তর:
আপিল খারিজ করে দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল খারিজ করে দিতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি ১৭(১) অনুসারে, যদি আপিলকারী নির্ধারিত দিনে বা পরবর্তী শুনানির দিনে উপস্থিত না থাকে, তাহলে আদালত আপিল খারিজ করে দিতে পারে। এটি "Dismissal of appeal for appellant's default" নামে পরিচিত।

⇒ আদেশ ৪১ বিধি-১৭: আপিলকারীর বরখেলাপের জন্য আপিল খারিজ করা:
১) যেক্ষেত্রে নির্ধারিত দিনে অথবা অন্য যে দিনের জন্য শুনানি মূলতবী হতে পারে ঐ দিনে আপিল শুনানির জন্য ডাক পড়লে আপিলকারী অনুপস্থিত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত আপিল খারিজের আদেশ দিতে পারবে।
২) একতরফা ভাবে আপিল শুনানিঃ যেক্ষেত্রে আপিলকারী হাজির হয়, কিন্তু রেসপন্ডেন্ট উপস্থিত হয় না, সেক্ষেত্রে একতরফাভাবে আপিলের শুনানি হবে।

অর্থাৎ আদেশ-৪১ বিধি-১৭(১) অনুযায়ী, যদি আপিলকারী শুনানির নির্ধারিত দিনে বা মুলতবি হওয়া অন্য কোনো দিনে উপস্থিত না থাকেন, তবে আদালত আপিলটি খারিজ করে দিতে পারে।
- সঠিক উত্তর: গ) আপিল খারিজ করে দিতে পারে।
.
আদেশ ৪১-এর বিধি ১৯ক অনুযায়ী, কত দিনের মধ্যে পুনঃশুনানির আবেদন করলে প্রমাণ ছাড়াই আপিল পুনঃশুনানি করা যায়?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি ১৯ক (Order 41, Rule 19A) অনুযায়ী বলা হয়েছে, যদি আপিল খারিজের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে হলফনামাসহ আবেদন করা হয়, তাহলে আদালত সাক্ষ্যগ্রহণের প্রয়োজন ছাড়াই সরাসরি আপিল পুনঃগ্রহণ করতে পারে।
- এই বিধি অনুযায়ী, যদি কোনো আপিল ডিফল্টের কারণে খারিজ হয়, তবে প্রমাণ প্রদান ছাড়াই পুনঃশুনানির আবেদন করা যাবে,
- শর্ত হলো, আবেদনটি ৩০ দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে এবং আবেদনটির সঙ্গে শপথপত্র (affidavit) দিতে হবে।
- এছাড়া, আবেদন মঞ্জুর হলে আদালত ব্যয়ভার (cost) নির্ধারণ করে তা অন্য পক্ষকে দিতে নির্দেশ দেয়।
- সঠিক উত্তর: খ) ৩০ দিন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-১৯ক এর বিধান আপিল সরাসরি পুনঃগ্রহণ:
- বিলম্ব এড়ানো ও বিচার ত্বরান্বিত করার উদ্দেশ্যে আপিলকারীকে পর্যাপ্ত কারণ বিষয়ে সন্তুষ্ট করার উদ্দেশ্যে সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ প্রদান না করেই সরাসরি আপিল পুনঃগ্রহণ করতে পারেন; এজন্য খারিজের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে অ্যাফিডেভিটসহ আবেদন করতে হবে।
- এই বিধির অধীন সর্বোচ্চ ১ বার আপিল পুনঃগ্রহণের আবেদন করা যাবে।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Order-41 Rule-19A. Direct readmission of appeal:
(1) Notwithstanding anything contained in rule 19 or any other law, the Court may, in order to avoid delay and expedite disposal, directly re-admit without requiring the appellant to adduce evidence to satisfy it about sufficient causes as required under rule 19:
Provided that the appeal under this rule shall not be readmitted unless an application, supported by affidavit, praying for such re-admission is made to the Court within thirty days of the date on which the appeal is dismissed for default:
Provided further that no appeal shall be re-admitted more than once under this rule.
(2) As soon as an order under sub-rule (1) is made to readmit an appeal, the Court shall cause notice thereof to be served at the cost of the appellant upon the respondent who appeared in the appeal.
.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় কতিপয় নারীর ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতির বিধান রয়েছে?
  1. ১২৮ ধারা
  2. ১৩০ ধারা
  3. ১৩২ ধারা
  4. ১৩৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৩২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩২ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ১৩২ ধারায় বলা হয়েছে যেসব নারীকে দেশের প্রথা অনুযায়ী জনসমক্ষে আনতে বাধ্য করা উচিত নয়, সেই নারীরা ব্যক্তিগতভাবে আদালতে হাজিরা থেকে অব্যাহতি পাবেন।
- এই বিধান মূলত "পর্দানশীন নারী" বা ধর্মীয় ও সামাজিক রীতিনীতির ভিত্তিতে জনসমক্ষে হাজির হওয়া যাদের জন্য সামাজিকভাবে অগ্রহণযোগ্য, তাদের সুরক্ষার জন্য প্রণীত।
- তবে, এই ধারা নারীদের গ্রেফতার থেকে অব্যাহতি দেয় না, বরং কেবল ব্যক্তিগত হাজিরা (personal appearance) থেকে অব্যাহতি দেয়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩২ ধারার বিধান: কতিপয় মহিলার ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি:-
১) দেশের প্রথা ও রীতি অনুযায়ী যে সকল মহিলাকে জনসমক্ষে উপস্থিত হওয়ার জন্য বাধ্য করা উচিত নয়, উক্তরূপ মহিলা ব্যক্তিগতভাবে আদালতে হাজির হতে অব্যাহতি পাবে।
২) এই আইন অনুসারে কোন মহিলাকে গ্রেফতারের ব্যাপারে যেক্ষেত্রে কোন নিষিদ্ধতা নেই, সেক্ষেত্রে দেওয়ানি পরোয়ানা জারিতে গ্রেফতার হতে উক্তরূপ মহিলা অব্যাহতি পাবে বলে এখানে উল্লেখিত কোন কিছু হতে বিবেচনা করা যাবে না।
------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section: 132. Exemption of certain women from personal appearance.
(1) Women who, according to the customs and manners of the country, ought not to be compelled to appear in public shall be exempt from personal appearance in Court. 
(2) Nothing herein contained shall be deemed to exempt such women from arrest in execution of civil process in any case in which the arrest of women is not prohibited by this Code.
.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১০৭ অনুযায়ী, আপীল আদালতকে নিম্নের কোন ক্ষমতা প্রদান করা হয়নি?
  1. নতুন মামলা গ্রহণ করার ক্ষমতা
  2. অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করার ক্ষমতা
  3. মোকদ্দমা চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করার ক্ষমতা
  4. মোকদ্দমা পুনর্বিচারের জন্য নিম্ন আদালতে প্রেরণ করার ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
নতুন মামলা গ্রহণ করার ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নতুন মামলা গ্রহণ করার ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১০৭ অনুযায়ী, আপীল আদালতকে চারটি প্রধান ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে:
- মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করার ক্ষমতা (Clause a)
- মোকদ্দমা পুনঃবিচারের জন্য নিম্ন আদালতে প্রেরণ করার ক্ষমতা (Clause b)
- বিচার্য বিষয় গঠন ও সেগুলো বিচারের জন্য প্রেরণ করার ক্ষমতা (Clause c)
- অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ বা এমন সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য তলব করার ক্ষমতা (Clause d)
 উপরোক্ত চারটি ক্ষমতার কোনো একটিও "নতুন মামলা গ্রহণ" করার ক্ষমতা নয়।
 "নতুন মামলা গ্রহণ করার ক্ষমতা" (Institution of suit) শুধু আদি আদালতের (Court of original jurisdiction) থাকে, আপীল আদালতের নয়।

→ অর্থাৎ আপীল আদালত পূর্বে দায়েরকৃত মামলার বিষয়ে বিচার ও পর্যালোচনার ক্ষমতা রাখে, কিন্তু নতুন মামলা গ্রহণ করার এখতিয়ার রাখে না।
তাই সঠিক উত্তর: ক) নতুন মামলা গ্রহণ করার ক্ষমতা।

 ⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৭ ধারার বিধান: আপিল আদালতের ক্ষমতা:-
১) যে সকল শর্ত ও নিয়ন্ত্রণ বিধি দ্বারা হতে পারে, তৎসাপেক্ষে আদালতের নিম্নলিখিত ক্ষমতাবলী থাকবে-
ক) কোন মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করার;
খ) কোন মোকদ্দমা পুনর্বিচারে প্রেরণ করার;
গ) বিচার্য বিষয় গঠন এবং সেগুলো বিচারার্থে প্রেরণ করার; 
ঘ) অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ বা অনুরূপ সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য তলব করতে ক্ষমতা।

২) এই আইনে কোন মৌলিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের উপর তথাকার মোকদ্দমার ব্যাপারে যেরূপ ক্ষমতা প্রদত্ত এবং কর্তব্য আরোপিত হয়ে থাকে, উল্লেখিত শর্তসাপেক্ষে আপিল আদালতের উপরও এরূপ ক্ষমতা এবং প্রায় একইরূপ কর্তব্য বর্তাবে।
-------------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section 107. Powers of Appellate Court:
(1) Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, an Appellate Court shall have power- 
(a) to determine a case finally; 
(b) to remand a case; 
(c) to frame issues and refer them for trial; 
(d) to take additional evidence or to require such evidence to be taken. 
 
(2) Subject as aforesaid, the appellate Court shall have the same powers and shall perform as nearly as may be the same duties as are conferred and imposed by this Code on Courts of original jurisdiction in respect of suits instituted therein.
.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৫৩ অনুযায়ী আদালত কী সংশোধন করতে পারেন?
  1. সাক্ষ্য প্রমাণ বাদ দিতে
  2. পক্ষগণের আইনজ্ঞান
  3. মামলার কার্য ধারার ত্রুটি
  4. বিচারকের অপারগতা
সঠিক উত্তর:
মামলার কার্য ধারার ত্রুটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার কার্য ধারার ত্রুটি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) মামলার কার্য ধারার ত্রুটি।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৫৩ অনুযায়ী, আদালত যেকোনো সময়, যেকোনো মামলার কার্যধারায় ত্রুটি বা ভুল সংশোধন করতে পারেন, যেন মামলার প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণ ও বিচার সম্ভব হয়।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারায় আদালতের দেওয়ানি মামলার কার্য ধারার ত্রুটি সংশোধন করার ক্ষমতা রয়েছে। ১৫৩ ধারামতে আদালত যে কোন সময় মোকদ্দমার কোন প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের জন্য মামলার কার্য ধারার ত্রুটি (any defect or error in any proceeding in a suit) সংশোধন করতে পারেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৫৩ বলছে আদালত যেকোনো সময়, এবং যেমন শর্তে প্রয়োজন মনে করে, একটি মোকদ্দমার কার্যধারায় কোনো ভুল বা ত্রুটি সংশোধন করতে পারে। এই সংশোধনটি মামলার প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় হলে তা করা হবে।
---------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Section-153. General power to amend:
-The Court may at any time, and on such terms as to costs or otherwise as it thinks fit, amend any defect or error in any proceeding in a suit; and all necessary amendments shall be made for the purpose of determining the real question or issue raised by or depending on such proceeding.
.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারায় অধস্তন আদালতের ভাষা নির্ধারণের বিধান আছে?
  1. ১৩২ ধারায়
  2. ১৩৮ ধারায়
  3. ১৩৭ ধারায়
  4. ১৩৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৩৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩৭ ধারায় সরকারকে অধস্তন আদালতের ভাষা নির্ধারণ করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, যখন এই আইন কার্যকর হয়, তখন হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন যে কোনো আদালতের ভাষা তখনকার মতোই চলবে, যতক্ষণ না সরকার অন্য ভাষা নির্ধারণ করে।
এ ধারায় তিনটি মূল বিষয় আছে:
১. আইনটি কার্যকর হওয়ার সময় অধস্তন আদালতের ভাষা যেটা ছিল, সরকার অন্য নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেটাই চলবে।
২. সরকার যে কোনো অধস্তন আদালতের ভাষা এবং সেখানে দরখাস্ত ও কার্যধারা কিভাবে লিখিত হবে তা ঘোষণা করতে পারবে।
৩. যদি আদালতে কোনো কার্যধারা লিখিতভাবে ইংরেজীতে হয়, আর পক্ষ বা তার আইনজীবী ইংরেজীতে অপরিচিত হয়, তখন তার অনুরোধে সেই ইংরেজি লেখার আদালতের ভাষায় অনুবাদ সরবরাহ করতে হবে এবং এর খরচের বিষয়ে আদালত যথাযথ আদেশ দিতে পারে।
- এই বিধানের ফলে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের অধস্তন আদালতের ভাষাগত বৈচিত্র্য বজায় রাখা যায় এবং পাশাপাশি ইংরেজি ভাষায় কার্যধারা হলে পক্ষের সুবিধার জন্য অনুবাদ দেওয়ার বন্দোবস্ত থাকে।
- সুতরাং, ১৩৭ ধারাই অধস্তন আদালতের ভাষা সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ বিধান বহন করে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩৭ ধারার বিধান: অধস্তন আদালতে ভাষা:
১) এই আইন কার্যকর হওয়ার সময় কোন হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন কোন আদালতে ভাষা যা ছিল, সরকার অন্যভাবে নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেটাই উক্ত অধস্তন আদালতে ভাষা হিসাবে চলতে থাকবে।
২) অনুরূপ আদালতের ভাষা কি হবে এবং কোন রীতিতে অনুরূপ আদালত সমীপে দরখাস্ত এবং আদালতে কার্যধারা লিখিত হবে তা সরকার ঘোষণা করতে পারবে।
৩) যখন অনুরূপ কোন আদালতে সাক্ষীর জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা ব্যতীত অন্য কিছু লিখিতরূপে নিরূপণ করার জন্য এই আইন আদেশ প্রদান করে বা অনুমতি প্রদান করে, তখন অনুরূপ লিখন ইংরেজীতে হতে পারে; কিন্তু কোন পক্ষ বা তার আইনজীবী যদি ইংরেজীর সঙ্গে অপরিচিত হন, তবে তার অনুরোধে আদালতের ভাষায় উক্ত ইংরেজীর অনুবাদ তাকে সরবরাহ করা হবে, এবং এরূপ ক্ষেত্রে আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, অনুবাদের খরচ প্রদানের ব্যাপারে সেরূপ আদেশনামা প্রদান করবে।
---------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Section: 137. Language of subordinate Courts:
(1) The language which, on the commencement of this Code, is the language of any Court subordinate to the High Court Division shall continue to be the language of such subordinate Court until the Government otherwise directs. 
(2) The Government may declare what shall be the language of any such Court and in what character applications to and proceedings in such Courts shall be written. 
(3) Where this Code requires or allows anything other than the recording of evidence to be done in writing in any such Court, such writing may be in English; but if any party or his pleader is unacquainted with English a translation into the language of the Court shall, at his request, be supplied to him; and the Court shall make such order as it thinks fit in respect of the payment of the costs of such translation.
.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১৫৩ অনুযায়ী সংশোধনের ক্ষমতা কাকে দেওয়া হয়েছে?
  1. আদালতকে
  2. সরকারকে
  3. আইনজীবীকে
  4. বাদীপক্ষকে
সঠিক উত্তর:
আদালতকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতকে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১৫৩ অনুযায়ী, আদালতকে “সাধারণ সংশোধনের ক্ষমতা” (general power to amend) দেওয়া হয়েছে।
- এ ধারা অনুযায়ী, আদালত যেকোনো সময়, এবং প্রয়োজন অনুযায়ী খরচ বা অন্য শর্ত আরোপ করে, মোকদ্দমার কার্যক্রমে যে কোনো ভুল বা ত্রুটি সংশোধন করতে পারে।
- এই সংশোধনের উদ্দেশ্য হলো মামলার প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারণে সহায়তা করা।
অতএব, সংশোধনের ক্ষমতা সরকার বা পক্ষসমূহের নয়, বরং শুধুমাত্র আদালতের।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারার বিধান সংশোধন করার সাধারণ ক্ষমতা: আদালত যে কোন সময় এবং খরচ সম্পর্কে উপযুক্ত যেকোন শর্ত দিয়ে সংশোধন করতে পারেন, এবং প্রয়োজনীয় যাবতীয় কোন মোকদ্দমার কার্যক্রম সংক্রান্ত যেকোন ভুল ত্রুটি সংশোধন মোকদ্দমার সংশ্লিষ্ট প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের উদ্দেশ্যে করা হবে।
অর্থাৎ আদালত যেকোনো সময় (At any stage), যেকোনো শর্তে, প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারণের উদ্দেশ্যে, কোন মোকদ্দমার কার্যক্রম সংক্রান্ত যে কোন ভুলত্রুটি সংশোধন করতে পারেন।
----------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section: 153. General power to amend:
The Court may at any time, and on such terms as to costs or otherwise as it thinks fit, amend any defect or error in any proceeding in a suit; and all necessary amendments shall be made for the purpose of determining the real question or issue raised by or depending on such proceeding.
.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-১২ক অনুযায়ী আপিল শুনানিতে কতবার পক্ষের অনুরোধে মুলতবি দেওয়া যাবে?
  1. সর্বোচ্চ ১ বার
  2. সর্বোচ্চ ৩ বার
  3. সর্বোচ্চ ৪ বার
  4. সর্বোচ্চ ৬ বার
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ৩ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ৩ বার
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি ১২ক (Order XLI, Rule 12A) অনুযায়ী, আপিলের শুনানি চলাকালে, কোনো পক্ষ যদি মুলতবির আবেদন করে, তাহলে সর্বোচ্চ ৩ বার পর্যন্ত আদালত শুনানি স্থগিত/মুলতবি দিতে পারেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ এর বিধি ১২ক অনুসারে, আপিল শুনানির ক্ষেত্রে আদালত কোনো পক্ষের অনুরোধে সর্বোচ্চ ৩ (তিন) বার মুলতবি (adjournment) দিতে পারবেন।
- তবে ৩ বারের বেশি মুলতবি দেওয়া হলে, আদালত ন্যূনতম ২০০ টাকা এবং সর্বাধিক ১০০০ টাকা খরচ অপর পক্ষকে প্রদানের নির্দেশ দেবেন।
- যদি আপিলকারী এই খরচ প্রদান করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তার আপিল খারিজ হয়ে যাবে।
- আর যদি প্রতিবাদী খরচ প্রদান করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আপিল একতরফাভাবে নিষ্পত্তি হবে।
- একতরফাভাবে আপিল খারিজ বা নিষ্পত্তি হলে, সংশ্লিষ্ট পক্ষ খারিজের তারিখ থেকে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে পুনরুজ্জীবনের আবেদন করতে পারবে।
- এই আবেদনের সঙ্গে আদালতের নির্ধারিত ন্যূনতম ২০০ টাকা ও সর্বাধিক ১০০০ টাকা খরচ দিতে হবে।
- প্রত্যেক পক্ষ এইরকম পুনরুজ্জীবনের সুযোগ একবারই পাবে।
- তবে আদালত যদি নিজে থেকে আপিল শুনানি মুলতবি করতে চান, তাহলে তাকে অবশ্যই কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে, নইলে মুলতবির আদেশ দেবেন না।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-41 Rule-12A .Adjournment in appeal:
(1) The Appellate Court shall not grant more than three adjournments for hearing of an appeal at the instance of either party to the appeal, and any adjournment granted to a party beyond the aforesaid limit shall make such party liable to pay such cost which shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka to the other party as the Court may deem appropriate and determine, non-compliance with which, by the appellant shall render the appeal liable to be dismissed and, by the respondent shall render the appeal liable to be disposed of ex parte.
(2) An appeal dismissed or disposed of ex parte under sub-rule (1) shall not be revived for hearing unless the party, for whose non-compliance the appeal was dismissed or disposed of ex parte, makes, within thirty days of such dismissal or ex parte disposal, an application to the court for such revival; and upon such application being made, the Court shall award such cost as shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka as it may deem appropriate and determine, and the cost being deposited, the appeal shall be revived for hearing without any further proceeding; and the cost deposited in the Court shall be paid by it to the other party:
Provided that no appeal shall be revived more than once at the instance of the same party under this rule.
(3) The Appellate Court shall not, of its own, order any adjournment at the stage of hearing of appeal without recording reasons therefor.
.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৯৬(৩) অনুযায়ী, নিচের কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না?
  1. Ex-parte decree
  2. Contesting decree
  3. Ex-parte dismissal
  4. Compromise decree
সঠিক উত্তর:
Compromise decree
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Compromise decree
ব্যাখ্যা
⇒  দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৯৬(৩) অনুযায়ী যদি আদালত পক্ষগুলোর সম্মতিতে কোনো ডিক্রি (Compromise decree) প্রদান করে, তাহলে সেই ডিক্রির বিরুদ্ধে কোনো আপীল করা যায় না।
- Compromise decree হলো দুই বা ততোধিক পক্ষের মধ্যে আপস, সমঝোতা বা সমঝোতার ভিত্তিতে আদালত কর্তৃক দেওয়া একটি ডিক্রি, যা পক্ষগুলো সম্মত হয়।
- অর্থাৎ পক্ষগণের সম্মতিতে (Compromise Decree) আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে আপিল চলে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৩ (৩) বিধির অধীন সোলে বা আপস ডিক্রি [compromise] বা সম্মতিসূচক [consent decree] ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না কিন্তু রিভিশন করা যায়। কিন্তু ৮৯ক ধারার অধীন মধ্যস্থতার [Mediation] মাধ্যমে পক্ষগণের মধ্যে মীমাংসা অনুযায়ী আদালত যে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করে, উক্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বা রিভিশন কোনটি করা যায় না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৬ ধরার অধীন মূল ডিক্রি হতে আপিল:
(১) এই আইনের কোন কোন অংশে অথবা বর্তমানে প্রচলিত অন্য কোন আইনে স্পষ্টতঃ অন্যরূপ বিধান না থাকলে, আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রি হতে আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে।
(২) একতরফা মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে।
(৩) পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section-96. Appeal from original decree:
- (1) Save where otherwise expressly provided in the body of this Code or by any other law for the time being in force, an appeal shall lie from every decree passed by any Court exercising original jurisdiction to the Court authorised to hear appeals from the decisions of such Court. 
- (2) An appeal may lie from an original decree passed ex parte. 
- (3) No appeal shall lie from a decree passed by the Court with the consent of parties.
১০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৩ এর কোন বিধি অনুসারে আপিলযোগ্য আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করলে আদেশ-৪১ এর নিয়ম প্রযোজ্য হয়?
  1. বিধি-১
  2. বিধি-২
  3. বিধি-৩
  4. বিধি-৪
সঠিক উত্তর:
বিধি-২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি-২
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৩, বিধি-২ হলো সেই বিধান যেখানে বলা হয়েছে যে আদেশের বিরুদ্ধে আপিলে আদেশ-৪১ প্রযোজ্য হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৩, বিধি-২ (Order XLIII, Rule 2) অনুযায়ী: "The rules of Order XLI shall apply, so far as may be, to appeals from orders."
- অর্থাৎ, আদেশ-৪৩ এর আওতাভুক্ত আপিলযোগ্য আদেশের বিরুদ্ধে যখন আপিল করা হয়, তখন আদেশ-৪১ (Order XLI)–এর নিয়মাবলি প্রযোজ্য হয়, যতদূর প্রয়োগযোগ্য হয়।
১১.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় সংসদ সদস্যদের দেওয়ানি পরোয়ানায় গ্রেফতার ও আটক থেকে অব্যাহতির বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ১৩২
  2. ধারা ১৩৫
  3. ধারা ১৩৫ক
  4. ধারা ১৩৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩৫ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩৫ক
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৩৫ক (Section 135A) অনুযায়ী, সংসদের সদস্যদের দেওয়ানি পরোয়ানায় গ্রেফতার ও আটক থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়।
- সংসদের অধিবেশন চলাকালীন সময় সংসদের কোনো সদস্যকে গ্রেফতার বা আটক রাখা যাবে না।
- একইভাবে, সংসদের কোনো কমিটির অধিবেশন চলাকালীন সময় এবং সেই অধিবেশনের পূর্ব ও পরবর্তী ১৪ দিন পর্যন্ত সদস্যদের গ্রেফতার বা আটক রাখা যাবে না।
- যদি কোনো সদস্যকে এই সময় আটক থেকে মুক্তি দেয়া হয়, তবে তিনি মুক্ত না হলে যতদিন আটক থাকতে হত, ততদিন তাকে আটক রাখা যেতে পারে এবং প্রয়োজন হলে পুনঃগ্রেফতার করা যাবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩৫ক ধারার বিধান: দেওয়ানি পরোয়ানায় আটক ও গ্রেফতার হতে সংসদ সদস্যদের অব্যাহতি:
-১) নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তিকে দেওয়ানি পরোয়ানাধীনে গ্রেফতার অথবা জেলে আটক রাখা যাবে না-
ক) যদি উক্ত ব্যক্তি সংসদের সদস্য হন, তবে সংসদের অধিবেশন চলাকালীন সময়ে; খ) যদি উক্ত ব্যক্তি সংসদের কোন কমিটির একজন সদস্য হন, তবে এরূপ কমিটির অধিবেশন চলাকালীন সময়ে; এবং এরূপ অধিবেশন বা বৈঠকের পূর্বের বা পরের চৌদ্দ দিন সময় পর্যন্ত।
২) উপ-ধারা (১) অনুসারে আটকাদেশ হতে মুক্ত কোন ব্যক্তিকে এই উপ-ধারায় উল্লেখিত 7 বিধান সাপেক্ষে পুনঃ গ্রেফতার করা যাবে এবং তিনি (১) উপ-ধারার বিধানের অধীনে মুক্ত না হলে আরও যতদিন আটক থাকতে হত, ততদিন তাকে আটক রাখা যাবে।
-------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 Section: 135A. Exemption of members of legislative bodies from arrest and detention under civil process:
(1) No person shall be liable to arrest or detention in prison under civil process-
(a) if he is a member of Parliament during the continuance of any meeting of Parliament;
(b) if he is a member of any committee of Parliament, during the continuance of any meeting of such committee;
and during the fourteen days before and after such meeting or sitting.

(2) A person released from detention under sub-section (1) shall, subject to the provisions of the said sub-section, be liable to re-arrest and to the further detention to which he would have been liable if he had not been released under the provisions of sub-section (1).
১২.
"Enlargment of Time" সংক্রান্ত বিধান দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারায় রয়েছে?
  1. ধারা ১৪৬
  2. ধারা ১৪৭
  3. ধারা ১৪৮
  4. ধারা ১৪৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪৮
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪৮ ধারার বিধান সময় বাড়ানো (Enlargement of time)- আইনে অনুমোদিত কোন কাজ করার জন্য আদালত কোন সময় নির্ধারণ করে দেয়ার পরও (এমনকি নির্ধারিত সময় পার হলেও) ১৪৮ ধারা অনুযায়ী আদালত তার সুবিবেচনামূলক ক্ষমমতাবলে সময়ে সময়ে উক্ত সময়কাল বাড়াতে পারে।
- ১৪৮ ধারার বিধান মোতাবেক কোনো নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হয়ে গেলে আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত উক্ত কাজ সম্পাদনের জন্য পক্ষদেরকে সময় মনজুর করতে পারেন। এটি আদেশ ১৭- এর adjournments সংক্রান্ত বিধান থেকে আলাদা। adjournments আদেশে শুধু শুনানী মূলতবীর জন্য সময় দেওয়ার বিধান আছে। কিন্তু ১৪৮ ধারার বিধান মোতাবেক যে কোনো কাজের জন্য নির্ধারিত সময় বৃদ্ধির আবেদন করা যায়। 
---------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section: 148. Enlargement of time:
Where any period is fixed or granted by the Court for the doing of any act prescribed or allowed by this Code, the Court may, in its discretion, from time to time, enlarge such period, even though the period originally fixed or granted may have expired.
১৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধান রিভিউ আবেদনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত?
  1. আদেশ-৪১ এবং ধারা-১০৪
  2. আদেশ-৪৭ এবং ধারা-১১৪
  3. আদেশ-৪৩ এবং ধারা-১০৪
  4. আদেশ-৪৪ এবং ধারা-১১৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৪৭ এবং ধারা-১১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৪৭ এবং ধারা-১১৪
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৪ এবং আদেশ ৪৭ সরাসরি রিভিউ আবেদন (Review of Judgment)-এর সঙ্গে সম্পর্কিত।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি
- এমন কোনো ডিক্রি বা আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত হন যার বিরুদ্ধে আপীল করা যেত কিন্তু করা হয়নি,
- অথবা এমন আদেশ যার বিরুদ্ধে আপীলের সুযোগ নেই,
- অথবা Small Causes Court থেকে Reference এর ভিত্তিতে সিদ্ধান্তে ক্ষতিগ্রস্ত হন,
 তাহলে তিনি সেই আদালতে রিভিউ আবেদন করতে পারবেন, যিনি সেই আদেশ বা ডিক্রি দিয়েছেন।

⇒ আদেশ ৪৭ হলো ধারা ১১৪-এর অধীনে রিভিউ আবেদনের নিয়ম ও প্রক্রিয়া বর্ণনাকারী বিধান।
এখানে বলা হয়েছে, রিভিউ তখনই করা যাবে যদি:
- নতুন তথ্য বা গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ পাওয়া যায় যা আগে পাওয়া সম্ভব ছিল না, রেকর্ডে স্পষ্ট ভুল বা ত্রুটি থাকে, অথবা অন্য কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে।
এছাড়া আদেশ ৪৭-এ বলা আছে- রিভিউ মঞ্জুর বা নামঞ্জুরের পদ্ধতি, কোন আদালতে আবেদন করতে হবে, শুনানির আগে নোটিশ দেওয়া, কিভাবে পুনঃশুনানি হবে ইত্যাদি।

অর্থাৎ রিভিউ করার ক্ষেত্রে দুটি বিধান সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ:
- ধারা ১১৪ → রিভিউয়ের অধিকার দেয়।
- আদেশ ৪৭ → রিভিউ করার নিয়ম ও পদ্ধতি নির্ধারণ করে।
 তাই সঠিক উত্তর: খ) আদেশ ৪৭ এবং ধারা ১১৪।
১৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৫২ অনুযায়ী কোন ভুল সংশোধন করা যায়?
  1. সাক্ষীর ভুল বক্তব্য
  2. আইনগত ব্যাখ্যার ভুল
  3. করনিক বা গানিতিক ভুল এবং আকস্মিক ভ্রান্তি
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
করনিক বা গানিতিক ভুল এবং আকস্মিক ভ্রান্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
করনিক বা গানিতিক ভুল এবং আকস্মিক ভ্রান্তি
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) করনিক বা গানিতিক ভুল এবং আকস্মিক ভ্রান্তি।

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির ২০নং আদেশের বিধি ৩ অনুযায়ী, রায় ঘোষণা করার সময় বিচারক কর্তৃক তা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনরীক্ষণ ব্যতীত তা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি, আদেশ সংশোধন (Amendment of judgement, decree & order) করার বিধান রয়েছে।
- এই ধারামতে, আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে করনিক বা গানিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes), আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির (accidental slip or omission) কারণে রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করতে পারেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৫২ অনুযায়ী Judgment, decree বা order-এ clerical বা arithmetical mistakes অথবা accidental slip বা omission সংশোধন করা যেতে পারে, আদালত কর্তৃক নিজ উদ্যোগে (suo motu) অথবা পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে, যেকোনো সময়।
---------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section: 152. Amendment of judgments, decrees or orders:
-Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.

১৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি ১ অনুসারে আপীল কীভাবে দাখিল করতে হবে?
  1. মৌখিকভাবে আদালতে উপস্থাপন করে
  2. একটি স্বাক্ষরিত স্মারকলিপির আকারে
  3. সরাসরি বিচারকের কাছে জমা দিয়ে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
একটি স্বাক্ষরিত স্মারকলিপির আকারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি স্বাক্ষরিত স্মারকলিপির আকারে
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি ১ অনুযায়ী, আপীল একটি স্মারকলিপির আকারে (memorandum of appeal) দাখিল করতে হয়, যা আপীলকারী বা তার উকিল কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে এবং নির্ধারিত আদালত বা আদালতের নিযুক্ত কর্মচারীর কাছে পেশ করতে হয়। এটি মৌখিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়।
- স্মারকলিপির সঙ্গে অবশ্যই ডিক্রির নকল এবং প্রয়োজন হলে রায়ের নকলও দিতে হবে।

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি ১ এর বিধান আপীলের নমুনা স্মারকলিপির সঙ্গে যা থাকতে হবে:
-(১) প্রত্যেকটি আপীল আপীলকারী বা তার উকিল কর্তৃক স্বাক্ষরিত একটি স্বারকলিপির আকারে পেশকরতে হবে এবং আদালত বা এতদুদ্দেশ্যে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মচারীর নিকট দাখিল করতে হবে। যে ডিক্রি হতে আপীল করা হচ্ছে এবং (যদি না আপীল আদালত ইহার প্রয়োজনীয়তা শেষ করেন) যে রায়ের উপর উহা প্রতিষ্ঠিত, তার একটি নাকল স্বারকলিপির সঙ্গে প্রদান করতে হবে।
(২) স্মারকলিপির সারমর্ম: যে ডিক্রি হতে আপীল করা হচ্ছে, সেই ডিক্রি সম্পর্কে আপত্তির সঙ্গত কারণগুলি সংক্ষেপে এবং স্পষ্ট শিরোনামে স্বারকলিপিতে কোন তর্ক বা ধারাবাহিক বর্ণনা ব্যতিত ব্যাখ্যা করতে হবে, এবং এরূপ সঙ্গত কারণগুলি ধারাবাহিক নম্বর যুক্ত হতে হবে।
--------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-41 Rule-1.Form of appeal. What to accompany memorandum:
(1) Every appeal shall be preferred in the form of a memorandum signed by the appellant or his pleader and presented to the Court or to such officer as it appoints in this behalf. The memorandum shall be accompanied by a copy of the decree appealed from and (unless the Appellate Court dispenses therewith) of the Judgment on which it is founded. 
-Contents of memorandum:
(2) The memorandum shall set forth, concisely and under distinct heads, the grounds of objection to the decree appealed from without any argument or narrative; and such grounds shall be numbered consecutively.
১৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ এর কোন বিধিতে আপিলের রায় ঘোষণা সংক্রান্ত নিয়ম বর্ণিত আছে?
  1. বিধি-২৮
  2. বিধি-৩০
  3. বিধি-৩১
  4. বিধি-৩৫
সঠিক উত্তর:
বিধি-৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি-৩০
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-৩০ এর বিধান আপিল আদালতের রায় কখন এবং কোথায় ঘোষিত হয়: আপিল আদালত পক্ষগণ বা তাদের উকিলদের শুনানির পর এবং আপিলের বা যে আদালতের ডিক্রি হতে আপিল করা হয়েছে সে আদালতের কার্যধারার কোন অংশ রেফারেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় বলে বিবেচিত হলে সেটা উল্লেখ করে তৎক্ষণাৎ বা পরবর্তী তারিখ সম্পর্কে যার নোটিশে পক্ষগণকে বা উকিলগণকে প্রদান করতে হবে, প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষিত হবে।
- অর্থাৎ,আদেশ ৪১, বিধি ৩০–তে বলা হয়েছে, আপিল আদালত পক্ষসমূহ বা তাদের আইনজীবীকে শুনে এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করে খোলামেলা আদালতে রায় ঘোষণা করবে, তা তাৎক্ষণিক হোক বা পরে নির্ধারিত কোনো তারিখে হোক।
- ২০২৫ সালের সংশোধনী অনুযায়ী বিধি ৩০(২) উপবিধিতে আরও বলা হয়েছে যে, উভয় পক্ষ অনুপস্থিত থাকলেও বিচারক চাইলে মামলার নথির ভিত্তিতে রায় ঘোষণা করতে পারেন।
- তাই, সঠিক উত্তর: খ) বিধি-৩০।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-41 Rule-30: Judgment in Appeal: 
- Judgment. When and where pronounced: The Appellate Court after hearing the parties or their pleaders and referring to any part of the proceedings, whether on appeal or in the Court from whose decree the appeal is preferred, to which reference may be considered necessary, shall pronounce judgment in open Court, either at once or on some future day of which notice shall be given to the parties or their pleaders.
(2) Notwithstanding anything contained in sub-rule (1), if neither party nor his pleader appears when the appeal is called on for hearing, the Appellate Court may, for reasons to be recorded in writing, if considers the materials on record are sufficient to dispose of the appeal on merits, pronounce judgment in open Court immediately or on a date to be fixed by it.
১৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪১ এর বিধি-৩১ অনুযায়ী, আপিলের রায়ে কোনটি বাধ্যতামূলক নয়?
  1. নির্ধারণের বিষয় উল্লেখ
  2. সিদ্ধান্তের কারণ উল্লেখ
  3. বিচারকের ব্যক্তিগত মতামত
  4. বিচারকের স্বাক্ষর
সঠিক উত্তর:
বিচারকের ব্যক্তিগত মতামত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারকের ব্যক্তিগত মতামত
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪১ এর বিধি-৩১ অনুযায়ী, আপিলের রায়ে অবশ্যই থাকতে হবে:
- নির্ধারণের বিষয় (Points for determination)
- সিদ্ধান্তের কারণ (Reasons for the decision)
- বিচারকের স্বাক্ষর (Signature)
কিন্তু বিচারকের ব্যক্তিগত মতামত বাধ্যতামূলক নয়, এটি শুধুমাত্র তখন প্রদান করা হয় যখন কোনো বিচারক রায়ে দ্বিমত প্রকাশ করেন। তাই ব্যক্তিগত মতামত রায়ের অপরিহার্য অংশ নয়।

অর্থাৎ আদেশ-৪১, বিধি-৩১ অনুযায়ী, বিচারকের ব্যক্তিগত মতামত বাধ্যতামূলক নয়।
- সঠিক উত্তর: গ) বিচারকের ব্যক্তিগত মতামত।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি ৩১: আপিল রায়ের বিষয়বস্তু, তারিখ ও স্বাক্ষর:
- আপিল আদালতের রায় লিখিত হতে হবে এবং তাতে নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ উল্লেখ করতে হবে:
(ক) বিচার্য বিষয়ের (points for determination) উল্লেখ,
(খ) উক্ত বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত,
(গ) উক্ত সিদ্ধান্তের কারণ,
(ঘ) আপিলকৃত ডিক্রি যদি বাতিল বা পরিবর্তন করা হয়, তবে আপিলকারী কী ধরণের প্রতিকার (relief) পাবে, তার উল্লেখ।
রায়টি ঘোষণার সময় বিচারক বা সম্মত হওয়া বিচারকেরা তা স্বাক্ষর ও তারিখসহ প্রদান করবেন।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-41 Rule-31: Contents, date and signature of Judgment:
- The judgment of the Appellate Court shall be in writing and shall state (a) the points for determination; (b) the decision thereon; (c) the reasons for the decision; and, (d) where the decree appealed from is reversed or varied, the relief to which the appellant is entitled; and shall at the time that it is pronounced be signed and dated by the Judge or by the Judges concurring therein.
১৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৯ ধারা অনুযায়ী, কোন ধরনের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আপিল করা যায়?
  1. অস্থায়ী আদেশ
  2. জামিন সংক্রান্ত আদেশ
  3. চূড়ান্ত আদেশ, ডিক্রি বা রায়
  4. আদালতের কার্যধারা স্থগিতের আদেশ
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত আদেশ, ডিক্রি বা রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত আদেশ, ডিক্রি বা রায়
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: চূড়ান্ত আদেশ, ডিক্রি বা রায়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১০৯ অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগ অথবা অন্য কোনো চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের প্রদত্ত চূড়ান্ত রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আপিল করা যায়।
এখানে চূড়ান্ত বলতে বোঝানো হয়েছে, যে আদেশ বা রায় দ্বারা মামলার বিষয়বস্তু নিষ্পত্তি হয়ে যায়।
অস্থায়ী আদেশ বা অন্তর্বর্তী আদেশের বিরুদ্ধে এই ধারায় আপিলের সুযোগ নেই।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৯ ধারার বিধান: সুপ্রিম কোর্টে যখন আপিল করা চলবে:
দেশের আদালতসমূহের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে যে সমস্ত বিধি প্রণয়ন করবেন, তৎসাপেক্ষে এবং এই আইনের বিধানসাপেক্ষে আপিল বিভাগের নিকট নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল করা চলবে-
ক) হাইকোর্ট বিভাগ বা চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন আদালত কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি অথবা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে;
খ) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক এর মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে; এবং
গ) অতঃপর বর্ণিত বিধানানুসারে কোন মোকদ্দমা আপিল বিভাগের নিকট আপিলের যোগ্য বলে সুপারিশ করা হলে তদ্রূপ মোকদ্দমায় প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে।
-----------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section: 109. When appeals lie to the Supreme Court.
- Subject to such rules as may, from time to time, be made by the Supreme Court regarding appeals from the Courts of Bangladesh, and to the provisions hereinafter contained, an appeal shall lie to the Appellate Division.
(a) from any Judgment, decree or final order passed on appeal by the High Court Division or by any other Court of final appellate jurisdiction; 
(b) from any Judgment, decree or final order passed by the High Court Division in the exercise of original civil jurisdiction; and 
(c) from any Judgment, decree or final order, when the case, as hereinafter provided, is certified to be a fit one for appeal to the Appellate Division.
১৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশে দরিদ্র ব্যক্তির আপিল (Pauper Appeals) করার বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ XL
  2. আদেশ XLI
  3. আদেশ XLIV
  4. আদেশ XXXIII
সঠিক উত্তর:
আদেশ XLIV
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ XLIV
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-XLIV (Order 44) এ দরিদ্র ব্যক্তির আপিল (Pauper Appeals)–এর বিধানাবলী উল্লেখ আছে।
- এই আদেশ অনুযায়ী, যে ব্যক্তি আপিল করার অধিকার রাখেন কিন্তু আবশ্যকীয় কোর্ট ফি প্রদান করতে অক্ষম, তিনি দরখাস্তের মাধ্যমে pauper হিসেবে আপিল করতে পারেন।
- এ ক্ষেত্রে, আদেশ-৪৪ বলেছে যে আদেশ-৩৩ (Order XXXIII) এর দরিদ্র বাদীর মামলা সংক্রান্ত বিধানাবলীও প্রযোজ্য হবে।

- অতএব, দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-XLIV (Order 44) = Pauper Appeals এর করার বিধান রয়েছে।
- সঠিক উত্তর: গ) আদেশ XLIV.
২০.
Enlargement of Time এর মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. মামলা দীর্ঘায়িত করা
  2. সরকারি রাজস্ব আদায়
  3. আদালতের কাজের চাপ কমানো
  4. ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পক্ষগুলিকে পর্যাপ্ত সময় দেওয়া
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পক্ষগুলিকে পর্যাপ্ত সময় দেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পক্ষগুলিকে পর্যাপ্ত সময় দেওয়া
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১৪৮ অনুযায়ী, যদি আদালত কোনো নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য সময় নির্ধারণ করে দেয় এবং সেই সময় অতিক্রান্ত হয়ে যায়, তাহলেও আদালত তার সুবিবেচনায় সময় বাড়াতে পারেন, যেন পক্ষগুলো ন্যায়বিচারের জন্য যথাযথ প্রস্তুতি ও সুযোগ পায়।
এটি কোনো পক্ষকে হয়রানি করার জন্য নয় বরং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের একটি ব্যবস্থা।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪৮ ধারার বিধান সময় বাড়ানো (Enlargement of time)- আইনে অনুমোদিত কোন কাজ করার জন্য আদালত কোন সময় নির্ধারণ করে দেয়ার পরও (এমনকি নির্ধারিত সময় পার হলেও) ১৪৮ ধারা অনুযায়ী আদালত তার সুবিবেচনামূলক ক্ষমমতাবলে সময়ে সময়ে উক্ত সময়কাল বাড়াতে পারে।
- ১৪৮ ধারার বিধান মোতাবেক কোনো নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হয়ে গেলে আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত উক্ত কাজ সম্পাদনের জন্য পক্ষদেরকে সময় মনজুর করতে পারেন। এটি আদেশ ১৭- এর adjournments সংক্রান্ত বিধান থেকে আলাদা। adjournments আদেশে শুধু শুনানী মূলতবীর জন্য সময় দেওয়ার বিধান আছে। কিন্তু ১৪৮ ধারার বিধান মোতাবেক যে কোনো কাজের জন্য নির্ধারিত সময় বৃদ্ধির আবেদন করা যায়। 
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section: 148. Enlargement of time.
Where any period is fixed or granted by the Court for the doing of any act prescribed or allowed by this Code, the Court may, in its discretion, from time to time, enlarge such period, even though the period originally fixed or granted may have expired.
২১.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪১ এর কোন বিধি অনুসারে আপিল আদালত নতুন ইস্যু নির্ধারণ করে বিচারিক আদালতে পাঠাতে পারে?
  1. বিধি-২৩
  2. বিধি-২৪
  3. বিধি-২৫
  4. বিধি-২৬
সঠিক উত্তর:
বিধি-২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি-২৫
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি ২৫ অনুযায়ী, যদি আপিল আদালত মনে করে যে মূল আদালত কোনো প্রয়োজনীয় ইস্যু নির্ধারণ বা বিচার করতে ব্যর্থ হয়েছে, এবং সে ইস্যুটি মামলার মেরিট বিচার করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তাহলে আপিল আদালত নিজেই নতুন ইস্যু নির্ধারণ করতে পারে এবং সেই ইস্যুগুলোর বিচার করার জন্য মামলাটি আবার মূল আদালতে পাঠাতে পারে।
- এই বিধির আওতায় আপিল আদালত ইস্যু নির্ধারণ করে; সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো বিচার করার জন্য আদেশ দেয়; বিচার শেষে সেই আদালত তার মতামত সহ প্রমাণাদি আপিল আদালতে ফেরত পাঠায়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি-২৫ অনুযায়ী যদি সেই আদালত, যার রায় থেকে আপিল করা হয়েছে, কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নির্ধারণ বা বিচার না করে থাকে যা মামলার মূল বিবেচনার জন্য অপরিহার্য, তাহলে আপিল আদালত সেই ইস্যুগুলো নির্ধারণ করে মামলা ফের সেই আদালতে বিচারার্থে পাঠাতে পারে।
এই ক্ষেত্রে আপিল আদালত প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারে।
বিচারিক আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করে তার রায় ও কারণসহ আপিল আদালতে ফেরত পাঠাবে।
অতএব, নতুন ইস্যু নির্ধারণ ও মামলাকে ফেরত পাঠানোর বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি-২৫-এ রয়েছে।
সুতরাং সঠিক উত্তর: গ) বিধি-২৫।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-41 Rule-25. Where Appellate Court may frame issues and refer them for trial to Court whose decree appealed from:
Where the Court from whose decree the appeal is preferred has omitted to frame or try any issue, or to determine any question of fact, which appears to the Appellate Court essential to the right decision of the suit upon the merits, the Appellate Court may, if necessary, frame issues, and refer the same for trial to the Court from whose decree the appeal is preferred,
and in such case shall direct such Court to take the additional evidence required; and such Court shall proceed to try such issues, and shall return the evidence to the Appellate Court together with its findings thereon and the reasons therefor.
২২.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪১, বিধি-২ অনুসারে আপীলের স্মারকলিপিতে উল্লেখ না থাকা কোনো কারণ কখন উত্থাপন করা যাবে?
  1. বিপক্ষ পক্ষের সম্মতিতে
  2. আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
  3. আপীলকারীর ইচ্ছানুসারে যেকোনো সময়
  4. কোনো কারণ উত্থাপন করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-২ এর বিধান  আপীলে যে সকল সঙ্গত কারণ গ্রহণ করা যাবে: আপিলের স্মারকলিপিতে প্রকাশ করা হয়নি এমন কোন বিষয় আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে উত্থাপন করা যাবে।
- আদেশ ৪১, বিধি ২ অনুযায়ী, স্মারকলিপিতে উল্লেখ না করা কোনো আপত্তির কারণ শুধুমাত্র আদালতের অনুমতি পেলে শুনানির সময় উত্থাপন করা যাবে। তবে আদালত সেই কারণের ওপর রায় দেবে না, যদি না বিপক্ষ পক্ষকে সেই কারণের ওপর প্রতিদ্বন্দ্বিতার যথাযথ সুযোগ দেওয়া হয়।

- আদেশ ৪১ বিধি-২ হল আপীলে যে সকল সঙ্গত কারণ গ্রহণ করা যাবে:
আপীলের স্মারকলিপিতে প্রকাশ করা হয়নি, আপত্তির এরূপ কারণের সমর্থনে আদালতের অনুমতি ব্যতিত আপীলকারীর বক্তব্য পেশ করতে পারবে না বা তাকে শ্রবণ করা যাবে না;
কিন্তু আপীল আদালত আপীল নিষ্পত্তিকালে আপীলের স্মারকলিপিতে প্রকাশিত আপত্তির সঙ্গত কারণসমূহ বা অত্র বিধির অধীনে আদালতের অনুমতি ক্রমে গৃহীত কারণসমূহের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবেন না,
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কোন কারণের উপর ইহার সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন না, যদি না, যে পক্ষ উহা দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ হবে সেই পক্ষ উক্ত কারণের উপর মামলায় প্রতিদ্বন্দিতা করার যথেষ্ট সুযোগ পেয়ে থাকে।
- আপীলের স্মারকলিপিতে বা মেমোতে উল্লেখ করা হয়নি, এরুপ কোন কারণ বা হেতু সম্পর্কে আপীলকারী তার বক্তব্য আদালতের অনুমতি ব্যতীত পেশ করবেনা। অর্থাৎ একমাত্র আপীল আদালতের অনুমতি নিয়ে আপীলকারী এমন হেতুসমূহ [grounds] শুনানীকালে উত্থাপন করা যেতে পারে।
--------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-41 Rule-2. Grounds which may be taken in appeal:
- The appellant shall not, except by leave of the Court, urge or be heard in support of any ground of objection not set forth in the memorandum of appeal; but the Appellate Court, in deciding the appeal, shall not be confined to the grounds of objection set forth in the memorandum of appeal or taken by leave of the Court under this rule: 
- Provided that the Court shall not rest its decision on any other ground unless the party who may be affected thereby has had a sufficient opportunity of contesting the case on that ground.
২৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৯ ধারা কোন আদালতে আপিলের বিধান করে?
  1. জেলা জজ আদালত
  2. দায়রা জজ আদালত
  3. সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ
  4. 'ক' অথবা 'খ'
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১০৯ অনুযায়ী, নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে হাইকোর্ট বিভাগ অথবা অন্য কোন চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল করা যায়।
- এই ধারা সুপ্রিম কোর্টে আপিলের জন্য সরাসরি আইনি ভিত্তি প্রদান করে এবং এটি জেলা বা দায়রা আদালতের আপিল সংক্রান্ত নয়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৯ ধারার বিধান: সুপ্রিম কোর্টে যখন আপিল করা চলবে:
দেশের আদালতসমূহের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে যে সমস্ত বিধি প্রণয়ন করবেন, তৎসাপেক্ষে এবং এই আইনের বিধানসাপেক্ষে আপিল বিভাগের নিকট নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল করা চলবে-
ক) হাইকোর্ট বিভাগ বা চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন আদালত কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি অথবা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে;
খ) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক এর মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে; এবং
গ) অতঃপর বর্ণিত বিধানানুসারে কোন মোকদ্দমা আপিল বিভাগের নিকট আপিলের যোগ্য বলে সুপারিশ করা হলে তদ্রূপ মোকদ্দমায় প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে।
-----------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section: 109. When appeals lie to the Supreme Court.
- Subject to such rules as may, from time to time, be made by the Supreme Court regarding appeals from the Courts of Bangladesh, and to the provisions hereinafter contained, an appeal shall lie to the Appellate Division.
(a) from any Judgment, decree or final order passed on appeal by the High Court Division or by any other Court of final appellate jurisdiction; 
(b) from any Judgment, decree or final order passed by the High Court Division in the exercise of original civil jurisdiction; and 
(c) from any Judgment, decree or final order, when the case, as hereinafter provided, is certified to be a fit one for appeal to the Appellate Division.
২৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি ১২ক অনুযায়ী, অতিরিক্ত স্থগিতাদেশের ক্ষেত্রে ন্যূনতম খরচ কত হতে পারে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ২০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি ১২A অনুযায়ী, কোনো পক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে তিনটির বেশি স্থগিতাদেশ (adjournment) গ্রহণ করলে, অতিরিক্ত প্রতিটি স্থগিতাদেশের জন্য তাকে অপর পক্ষকে ন্যূনতম ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা পর্যন্ত খরচ প্রদান করতে হয়।
- যদি আবেদনকারী খরচ প্রদান না করে, তবে আপিলকারী হলে আপিল খারিজ হতে পারে, প্রতিবাদকারী হলে আপিল একতরফাভাবে নিষ্পত্তি হতে পারে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর: খ) ২০০ টাকা। 

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ এর বিধি ১২ক অনুসারে, আপিল শুনানির ক্ষেত্রে আদালত কোনো পক্ষের অনুরোধে সর্বোচ্চ ৩ (তিন) বার মুলতবি (adjournment) দিতে পারবেন।
- তবে ৩ বারের বেশি মুলতবি দেওয়া হলে, আদালত ন্যূনতম ২০০ টাকা এবং সর্বাধিক ১০০০ টাকা খরচ অপর পক্ষকে প্রদানের নির্দেশ দেবেন।
- যদি আপিলকারী এই খরচ প্রদান করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তার আপিল খারিজ হয়ে যাবে।
- আর যদি প্রতিবাদী খরচ প্রদান করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আপিল একতরফাভাবে নিষ্পত্তি হবে।
- একতরফাভাবে আপিল খারিজ বা নিষ্পত্তি হলে, সংশ্লিষ্ট পক্ষ খারিজের তারিখ থেকে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে পুনরুজ্জীবনের আবেদন করতে পারবে।
- এই আবেদনের সঙ্গে আদালতের নির্ধারিত ন্যূনতম ২০০ টাকা ও সর্বাধিক ১০০০ টাকা খরচ দিতে হবে।
- প্রত্যেক পক্ষ এইরকম পুনরুজ্জীবনের সুযোগ একবারই পাবে।
- তবে আদালত যদি নিজে থেকে আপিল শুনানি মুলতবি করতে চান, তাহলে তাকে অবশ্যই কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে, নইলে মুলতবির আদেশ দেবেন না।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-41 Rule-12A .Adjournment in appeal:
(1) The Appellate Court shall not grant more than three adjournments for hearing of an appeal at the instance of either party to the appeal, and any adjournment granted to a party beyond the aforesaid limit shall make such party liable to pay such cost which shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka to the other party as the Court may deem appropriate and determine, non-compliance with which, by the appellant shall render the appeal liable to be dismissed and, by the respondent shall render the appeal liable to be disposed of ex parte.
(2) An appeal dismissed or disposed of ex parte under sub-rule (1) shall not be revived for hearing unless the party, for whose non-compliance the appeal was dismissed or disposed of ex parte, makes, within thirty days of such dismissal or ex parte disposal, an application to the court for such revival; and upon such application being made, the Court shall award such cost as shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka as it may deem appropriate and determine, and the cost being deposited, the appeal shall be revived for hearing without any further proceeding; and the cost deposited in the Court shall be paid by it to the other party:
Provided that no appeal shall be revived more than once at the instance of the same party under this rule.
(3) The Appellate Court shall not, of its own, order any adjournment at the stage of hearing of appeal without recording reasons therefor.
২৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারায় “General power to amend” এর বিধান আছে?
  1. ১৫১ ধারা
  2. ১৫২ ধারা
  3. ১৫৩ ধারা
  4. ১৫৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৩ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারা-তে আদালতের জন্য "General power to amend" বা "সাধারণ সংশোধনের ক্ষমতা" প্রদান করা হয়েছে।
- এই ধারায় বলা হয়েছে, আদালত যেকোনো সময় এবং উপযুক্ত শর্তে, মোকদ্দমার কার্যক্রমে যেকোনো ভুল বা ত্রুটি সংশোধন করতে পারবে, যাতে মামলার প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করা যায়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারার বিধান সংশোধন করার সাধারণ ক্ষমতা: আদালত যে - কোন সময় এবং খরচ সম্পর্কে উপযুক্ত যেকোন শর্ত দিয়ে সংশোধন করতে পারেন, এবং প্রয়োজনীয় যাবতীয় কোন মোকদ্দমার কার্যক্রম সংক্রান্ত যেকোন ভুল ত্রুটি সংশোধন মোকদ্দমার সংশ্লিষ্ট প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের উদ্দেশ্যে করা হবে।
- অর্থাৎ আদালত যেকোনো সময় (At any stage), যেকোনো শর্তে, প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারণের উদ্দেশ্যে, কোন মোকদ্দমার কার্যক্রম সংক্রান্ত যে কোন ভুলত্রুটি সংশোধন করতে পারেন।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section: 153. General power to amend:
The Court may at any time, and on such terms as to costs or otherwise as it thinks fit, amend any defect or error in any proceeding in a suit; and all necessary amendments shall be made for the purpose of determining the real question or issue raised by or depending on such proceeding.
২৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১৫১ অনুসারে আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতার মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা
  2. আদালতের প্রক্রিয়ার অপব্যবহার রোধ করা
  3. মামলার পক্ষগুলোর মধ্যে সমঝোতা বাধ্যতামূলক করা
  4. 'ক' এবং 'খ'
সঠিক উত্তর:
'ক' এবং 'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' এবং 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১৫১ অনুযায়ী, আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা একটি সহজাত বা অলিখিত ক্ষমতা যা আদালত প্রয়োগ করতে পারে যখন-
(১) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা প্রয়োজন হয়, অথবা
(২) আদালতের কার্যপ্রণালীর অপব্যবহার প্রতিরোধ করতে হয়।
এই ক্ষমতা তখনই ব্যবহৃত হয় যখন দেওয়ানী কার্যবিধির কোনো নির্দিষ্ট বিধান সেই পরিস্থিতির জন্য যথেষ্ট নয় বা কোনো সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা নেই। তবে আদালত এই ক্ষমতা আইনের সীমার মধ্যে থেকে সতর্কতার সঙ্গে প্রয়োগ করবে, যেন তা স্বেচ্ছাচারিতা বা ক্ষমতার অপব্যবহারে পরিণত না হয়।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section:151. Saving of inherent powers of Court:
- Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.
২৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১১০ ধারা অনুযায়ী, আপিল বিভাগের নিকট আপিল করার জন্য দেওয়ানী মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর সর্বনিম্ন মূল্য কত টাকা হতে হবে?
  1. ১০,০০০ টাকা
  2. ১৫,০০০ টাকা
  3. ২০,০০০ টাকা
  4. ২৫,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানী কার্যবিধির ১১০ ধারা অনুযায়ী,ধারা ১০৯ এর (ক) ও (খ) দফার অধীনে আপিল বিভাগের নিকট আপিল করতে হলে:
- প্রথম আদালতে (Court of First Instance) মামলার বিষয়বস্তুর মূল্য কমপক্ষে ২০,০০০ টাকা হতে হবে;
- এবং আপিলেও বিরোধীয় বিষয়বস্তুর মূল্য ২০,০০০ টাকা বা তদূর্ধ্ব হতে হবে;
- অথবা আপিলযোগ্য রায়, ডিক্রি বা আদেশের সাথে পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষভাবে ২০,০০০ টাকার দাবি বা সম্পত্তি সংক্রান্ত প্রশ্ন জড়িত থাকতে হবে।
যদি আপিলযোগ্য আদেশ নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে, তাহলে আপিলে অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ আইনগত প্রশ্ন (substantial question of law) থাকতে হবে।

অর্থাৎ আপিল বিভাগের নিকট দেওয়ানী আপিল করার জন্য ২০,০০০ টাকা বা তদূর্ধ্ব মূল্য সংবলিত বিষয়বস্তু থাকা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: গ) ২০,০০০ টাকা। 

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১১০ ধারার বিধান: বিষয়বস্তুর মূল্য:
- ১০৯ ধারার (ক) এবং (খ) দফায় উল্লেখিত প্রত্যেক ক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য প্রথম বিচারিক আদালতে বিশ হাজার টাকা বা তদূর্ধ্ব হতে হবে এবং সুপ্রিম কোর্টের নিকট আপিলেও বিরোধীয় বিষয়বস্তুর মূল্য অবশ্যই তার সমপরিমাণ বা তদূর্ধ্বে হতে হবে;
অথবা রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অবশ্যই অনুরূপ পরিমাণ অর্থের দাবি কিংবা অনুরূপ মূল্যের সম্পত্তি জড়িত থাকতে হবে;
এবং যে রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে, তা দ্বারা যদি অব্যবহিত অধঃস্তন আদালতের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়ে থাকে, তবে আপিলে অবশ্যই আইনগত একটি বড় প্রশ্ন নিহিত থাকতে হবে।

উল্লেখ্য,
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৯ ধারার বিধান: সুপ্রিম কোর্টে যখন আপিল করা চলবে:
দেশের আদালতসমূহের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে যে সমস্ত বিধি প্রণয়ন করবেন, তৎসাপেক্ষে এবং এই আইনের বিধানসাপেক্ষে আপিল বিভাগের নিকট নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল করা চলবে-
ক) হাইকোর্ট বিভাগ বা চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন আদালত কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি অথবা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে;
খ) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক এর মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে; এবং
গ) অতঃপর বর্ণিত বিধানানুসারে কোন মোকদ্দমা আপিল বিভাগের নিকট আপিলের যোগ্য বলে সুপারিশ করা হলে তদ্রূপ মোকদ্দমায় প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে। 
---------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section-110. Value of subject-matter:
 In each of the cases mentioned in clauses (a) and (b) of section 109, the amount or value of the subject-matter of the suit in the Court of first instance must be twenty thousand Taka or upwards, and the amount or value of the subject-matter of the suit in the Court of first instance must be twenty thousand Taka or upwards, and the amount or value of the subject-matter in dispute on appeal to the Appellate Division must be the same sum or upwards, 
or the Judgment, decree or final order must involve, directly or indirectly, some claim or question to or respecting property of like amount or value, 
and where the Judgment, decree or final order appealed from affirms the decision of the Court immediately below the Court passing such Judgment, decree or final order, the appeal must involve some substantial question of law.
২৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৩ এর বিধি-২ অনুযায়ী আদেশ থেকে আপিলের ক্ষেত্রে কোন আদেশের বিধান প্রযোজ্য হবে?
  1. আদেশ ৪৭ এর বিধান
  2. আদেশ ৪৫ এর বিধান
  3. আদেশ ৪১ এর বিধান
  4. আদেশ ৩৯ এর বিধান
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪১ এর বিধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪১ এর বিধান
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৩, বিধি-২ (Order XLIII, Rule 2) এ বলা হয়েছে:
- "The rules of Order XLI shall apply, so far as may be, to appeals from orders."
- অর্থাৎ, আদেশ-৪৩ এর অধীনে যেসব আদেশ আপিলযোগ্য, সেগুলোর বিরুদ্ধে আপিল করলে আদেশ-৪১ (Order XLI) এর আপিল সংক্রান্ত সাধারণ বিধিগুলো প্রযোজ্য হবে।

- দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৩, বিধি-১: যেসব আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়, তার তালিকা দেয়।
- দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৩, বিধি-২: তে বলা আছে এসব আদেশের বিরুদ্ধে আপিলে আদেশ-৪১ প্রযোজ্য।