পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়34 minutes
মোট প্রশ্ন৪৭
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১ বাংলাদেশ বিষয়াবলি (সম্পূর্ণ সিলেবাস)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৭ প্রশ্ন

.
‘সেকেন্ডারি মার্কেট’ কিসের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. স্টক মার্কেট
  2. কৃষি মার্কেট
  3. শ্রম বাজার
  4. ফার্নেস মার্কেট
সঠিক উত্তর:
স্টক মার্কেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টক মার্কেট
ব্যাখ্যা
• পুঁজি বাজার:
- পুঁজি বাজার বা স্টক মার্কেটকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। 
- বাংলাদেশে ২টি স্টক এক্সচেঞ্জ রয়েছে।
এগুলো হলো -
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৫৪),
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৯৫)।
• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ১৯৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে ১৯৫৬ সালে নারায়ণগঞ্জে এবং ১৯৫৮ সালে ঢাকার মতিঝিলে স্থানান্তরিত হয়। 
• বাংলাদেশে শেয়ার মার্কেট নিয়ন্ত্রণ করে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন (BSEC) যা ১৯৯৩ সালের ৮ জুন প্রতিষ্ঠিত।
• গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।

উৎস: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও BSEC ওয়েবসাইট।
.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সত্য নয়?
  1. বহুদলীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা
  2. রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকবে
  3. এককেন্দ্রিক সরকার ব্যবস্থা
  4. এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকবে
ব্যাখ্যা
সরকার ব্যবস্থা:
 - বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- এই ব্যবস্থায় সরকারের প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের নির্বাহী প্রধান।
- তার নেতৃত্বেই নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হয়।

এছাড়াও,
- তবে ১৯৭৫ থেকে ১৯৯১ সময়ে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রচলিত ছিলো।
- প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকবে।
- বাংলাদেশের আইনসভা জাতীয় সংসদ নামে পরিচিত যা এককক্ষ বিশিষ্ট।
- বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা এককেন্দ্রিক এবং রাজনৈতিক ব্যবস্থা বহুদলীয়।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম  শ্রেণি এবং যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট।
.
জাতীয় শোক দিবস পালিত হয় -
  1. ১৫ আগস্ট
  2. ২১ আগস্ট
  3. ১৪ ডিসেম্বর
  4. ২৫ মার্চ
সঠিক উত্তর:
১৫ আগস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ আগস্ট
ব্যাখ্যা
• জাতীয় শোক দিবস:
- জাতীয় শোক দিবস বাংলাদেশে পালিত একটি জাতীয় দিবস।
- প্রতিবছরের ১৫ আগস্ট জাতীয় ও রাষ্ট্রীয়ভাবে এ দিবসটি শোকের সাথে পালন করা হয়।
- এ দিবসে কালো পতাকা উত্তোলন ও বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়।
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তারিখে বাংলাদেশ ও স্বাধীনতার স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়।
- তাই এই দিন জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়।

অন্যদিকে -
- ২৫ মার্চ জাতীয় গণহত্যা দিবস।
- ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা হলেন-
  1. অ্যার্টনি জেনারেল
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধানমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
অ্যার্টনি জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যার্টনি জেনারেল
ব্যাখ্যা
অ্যাটর্নি-জেনারেল:
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল, রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা।
- বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন পরামর্শক।
- বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী।
- অ্যাটর্নি জেনারেল সাধারণত সম্মানিত জেষ্ঠ আইনানুজ্ঞদের মধ্য থেকে শাসিত সরকার কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত হন।

উল্লেখ্য,
- দেশের বর্তমান অ্যাটর্নি-জেনারেল জনাব আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন।
- অ্যাটর্নি জেনারেল তার পদাধিকার বলে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- অ্যাটর্নি জেনারেলকে কিছু সংখ্যক যুগ্ম অ্যাটর্নি জেনারেল, উপ অ্যাটর্নি জেনারেল, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সহায়তা করেন।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে সুযোগের সমতার কথা বলা হয়েছে?
  1. ১৯ নং অনুচ্ছেদে
  2. ২৯ নং অনুচ্ছেদে
  3. ২৮ নং অনুচ্ছেদে
  4. ২৭ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১৯ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- সংবিধানের ১৯ নং অনুচ্ছেদে সুযোগের সমতার কথা বলা হয়েছে।
- ১৯(৩) নং দফায় বলা হয়েছে “জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করিবেন।”

অন্যদিকে,
- ২৭ নং অনুচ্ছেদ : আইনের দৃষ্টিতে সমতা
- ২৮ নং অনুচ্ছেদ : ধর্ম প্রভৃতি কারণে বৈষম্য না করা
- ২৯ নং অনুচ্ছেদ : সরকারি নিয়োগ লাভে সুযোগের সমতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২ অনুযায়ী, কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি আলু উৎপাদন হয়?
  1. ঝিনাইদহ
  2. ফরিদপুর
  3. বগুড়া
  4. নওগাঁ
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২ অনুযায়ী,

- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ - খুলনা।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - ঝিনাইদহ।

- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - ঠাকুরগাঁও।
- মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - ময়মনসিংহ।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - বগুড়া।

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২।
.
নিচের কোন ব্যাক্তি মুজিবনগর মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন না?
  1. অধ্যাপক এম ইউসুফ আলী
  2. এএইচএম কামরুজ্জামান
  3. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. এম মনসুর আলী
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক এম ইউসুফ আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক এম ইউসুফ আলী
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন না - অধ্যাপক এম ইউসুফ আলী।

• মুজিবনগর সরকার: 
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশে প্রথম সরকার গঠিত হয়।
- এটি ‘অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার’ নামে পরিচিত। ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ এই সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- রাষ্ট্রপতি শাসিত মুজিবনগর সরকারের সদস্য সংখ্যা ছিলো ছয়জন।

• এরা হলেন:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, 
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দীন আহমদ, 
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম,
- অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী : এম মনসুর আলী,  
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী : এএইচএম কামরুজ্জামান,
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মুশতাক আহমেদ।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।
.
জাতিসংঘের কত তম সাধারণ অধিবেশনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন?
  1. ২৭তম
  2. ২৮তম
  3. ২৯তম
  4. ৩০তম
সঠিক উত্তর:
২৯তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯তম
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের অধিবেশনে বঙ্গবন্ধুর বাংলায় ভাষণ:
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে ১৯৭৪ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে সদস্যপদ লাভ করে।
- বঙ্গবন্ধু জাতিসংঘের কেবল ২৯তম অধিবেশনেই অংশগ্রহণ করেন।
- তার এক সপ্তাহ পরেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘের সাধারন পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে প্রথমবারের মতো বাংলায় ভাষন প্রদান করেন।
- উল্লেখ্য, ২৯তম অধিবেশনে বাংলাদেশের সাথেই গ্রানাডা ও গিনি বিসাউ যথাক্রমে ১৩৭ ও ১৩৮তম সদস্য হিসাবে জাতিসংঘের সদস্য হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
.
অশোক কোন বংশের সম্রাট ছিলেন?
  1. পাল
  2. সেন
  3. গুপ্ত
  4. মৌর্য
সঠিক উত্তর:
মৌর্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌর্য
ব্যাখ্যা
সম্রাট অশোক:
- সম্রাট অশোক ভারতের মৌর্য সাম্রাজ্যের তৃতীয় শাসক ছিলেন।
- খ্রিস্টপূর্ব ২৭৩ অব্দে তিনি সিংহাসনে বসেন। এর তের বছর পর খ্রিস্টপূর্ব ২৬১ অব্দে অশোক পার্শ্ববর্তী কলিঙ্গ রাজ্য আক্রমণ করেন।
- ভয়াবহ কলিঙ্গ ‍যুদ্ধে সাধারণ মানুষসহ প্রায় লক্ষাধিক মানুষ মারা যায়। এ ভয়াবহতা সম্রাট অশোকের মনে গভীর প্রভাব ফেলে। এতে করে তিনি বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেন এবং যুদ্ধ পরিহার করে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির নীতি গ্রহণ করেন।

উৎস: ইতিহাস প্রথমপত্র, স্নাতক শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
 
১০.
ত্রিপুরা নৃগোষ্ঠী কোন ভাষায় কথা বলে?
  1. কুড়ুঁখ
  2. ককবোরক
  3. সাদরি
  4. আচিক খুসিক
সঠিক উত্তর:
ককবোরক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ককবোরক
ব্যাখ্যা
উপজাতি:
- ককবোরক ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের ভাষা।
- ককবোরক অর্থ মানুষের ভাষা।
- এই ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা নেই।
- বাংলা ও রোমান হরফে লেখা হয়।

অন্যদিকে,
- আচিক খুসিক : গারোদের ভাষা।
- সাদরি ও কুড়ুঁখ : ওরাঁও ও মুন্ডা নৃগোষ্ঠীর ব্যবহৃত ভাষা।

সূত্র: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেনি।
১১.
বিজিবির বর্তমান মহাপরিচালক কে?
  1. আশরাফুজ্জামান চৌধুরী
  2. কে এম নাজমুল হক
  3. আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী
  4. কাজী গোলাম দস্তগীর
সঠিক উত্তর:
আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী
ব্যাখ্যা
এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।

বিজিবি:
- বিজিবি-এর পূর্ণরূপ: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ।
- মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, ওএসপি, বিএসপি, এসইউপি, এনডিসি, পিএসসি, এমফিল (Major General Mohammad Ashrafuzzaman, OSP, BSP, SUP, ndc, psc, M Phil) বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর নতুন মহাপরিচালক হিসেবে যোগদান করেছেন।
- তিনি ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ তারিখ বিদায়ী মহাপরিচালক মেজর জেনারেল এ কে এম নাজমুল হাসান, বিজিবিএম, বিএএম, এনডিসি, পিএসসি (Major General A K M Nazmul Hasan, BGBM, BAM, ndc, psc)-এর নিকট হতে বিজিবি মহাপরিচালকের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
- বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এ যোগদানের পূর্বে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদর দপ্তর, ঢাকায় সামরিক প্রশিক্ষণ পরিদপ্তরের পরিচালক ও সেনা ক্রীড়া নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। 

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১২.
শ্রী চৈতন্যের আবির্ভাব ঘটেছিল যে সুলতানের শাসনামলে -
  1. নাসিরউদ্দিন মাহমুদ শাহ
  2. সম্রাট হুমায়ুন
  3. গিয়াস উদ্দিন খলজি
  4. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
ব্যাখ্যা
আলাউদ্দীন হোসেন শাহ:
- বাংলাদেশে হাবশি শাসনের অবসান ঘটিয়ে হোসেন শাহী বংশ প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৪৯৩ সালে হোসেন শাহ ‘আলাউদ্দীন হোসেন শাহ' উপাধি গ্রহণ করে সিংহাসনে আরোহণ করেন। 
- আলাউদ্দীন হোসেন শাহ এর শাসনকালে শ্রী চৈতন্যদেবের আবির্ভাব বাংলার ইসলামের ইতিহাস আলোচনা প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য ঘটনা।
- চৈতন্যদেব হুসেন শাহের আমলে বৈষ্ণব ধর্ম প্রচারের অবাধ সুযোগ লাভ করেন। হুসেন শাহ শ্রী চৈতন্য দেবকে যথেষ্ট সম্মান করতেন।
-  চৈতন্যদেবের গৌড়ে আগমনের সময় হুসেন শাহ তার কর্মচারীদের চৈতন্যদেবের প্রতি সম্মান প্রদর্শন ও সহযোগিতা করার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন।
- আলাউদ্দিন হোসেন শাহ নিঃসন্দেহে মধ্যযুগীয় বাংলার ইতিহাসে একজন শ্রেষ্ঠ নরপতি ছিলেন।
- আলাউদ্দিন হোসেন শাহ এর শাসনকালকে মুসলমান শাসনের ইতিহাসে 'স্বর্ণযুগ' বলা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং সমকাল পত্রিকা রিপোর্ট।
১৩.
নিচের কোন দুইজন খেতাবধারী মহিলা মুক্তিযোদ্ধা?
  1. ক্যাপ্টেন সুফিয়া বেগম ও পরিজন বিবি
  2. ক্যাপ্টেন সেতারা বেগম ও তারামন বিবি
  3. ক্যাপ্টেন সেতারা বেগম ও জাহানারা বেগম
  4. ক্যাপ্টেন হালিমা ও তারামন বিবি
সঠিক উত্তর:
ক্যাপ্টেন সেতারা বেগম ও তারামন বিবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যাপ্টেন সেতারা বেগম ও তারামন বিবি
ব্যাখ্যা
তারামন বিবি ও ডা. সেতারা বেগম:
- বাংলাদেশের দুইজন 'বীরপ্রতীক' খেতাব প্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধার একজন কুড়িগ্রামের তারামন বিবি।
- তারামন বিবির আসল নাম ছিল তারাবানু। 
- মুক্তিযুদ্ধের সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৩ বছর।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি কুড়িগ্রাম জেলায় নিজ গ্রাম শংকর মাধবপুরে ছিলেন।
- মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পরে ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু সরকার তাকে স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য 'বীরপ্রতীক' উপাধিতে ভূষিত করে। 
- তিনি ২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। 
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য অন্য আরেকজন মহিলা মুক্তিযুদ্ধাকে 'বীরপ্রতীক' উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- তিনি হলেন-ক্যাপ্টেন ডা. সেতারা বেগম।
- ডা. সেতারা বেগম ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধে ২নং সেক্টরের অধীনে যুদ্ধ করেন।


উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং ডেইলি স্টার পত্রিকা।
১৪.
বাংলাদেশের সরকারি ইপিজেডের সংখ্যা কত?
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা
ইপিজেড:
- বাংলাদেশে ১৯৮০ সালে সংসদ প্রণীত একটি আইনের ভিত্তিতে ১৯৮৩ সালে প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়।
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯টি।
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি।
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড হচ্ছে চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- চট্টগ্রাম ইপিজেড যাত্রা শুরু - ১৯৮৩ সালে।
- 'কোরিয়ান ইপিজেড' চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় অবস্থিত দেশের একমাত্র বেসরকারি ইপিজেড।

উৎস: বেজা ওয়েবসাইট।
১৫.
পলাশীর যুদ্ধে কে নবাব সিরাজউদ্দৌলার সাথে বিশ্বাস ঘাতকতা করেনি?
  1. উমিচাঁদ
  2. ইয়ার লতিফ
  3. মোহনলাল
  4. রায় দুর্লভ
সঠিক উত্তর:
মোহনলাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহনলাল
ব্যাখ্যা
পলাশীর যুদ্ধ:
- ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর প্রান্তরে নবাব সিরাজ-উ-দ্দৌলার সাথে ইংরেজদের যুদ্ধ হয়।
- যুদ্ধক্ষেত্রে নবাবের সেনাপতি মীরজাফর, জগৎশেঠ, রায় দুর্লভ, ইয়ারলতিফ, উমিচাঁদ প্রমূখ তাদের সৈন্যবাহিনীসহ নিস্ক্রিয় ভূমিকা পালন করে ইংরেজদের জয়ের সুযোগ করে দেয়।
- মীরমদন, মোহনলাল প্রমুখ দেশপ্রেমিক সৈনিকগণ ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রাণপণে যুদ্ধ করেন এবং ইংরেজদের গোলার আঘাতে মীরমদনের মৃত্যু হয়।
- নবাব পরাজিত ও নিহত হওয়ার মধ্য দিয়ে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়।
- পলাশীর যুদ্ধে ফরাসি সেনাদের একটি দল 'সিনফ্রে'র সেনাপতিত্বে ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা - নবম দশম শ্রেণি।
১৬.
বাংলাদেশের সংবিধানে 'আইনের ব্যাখ্যা' দেওয়া আছে -
  1. ১৫০ নং অনুচ্ছেদে
  2. ১৫১ নং অনুচ্ছেদে
  3. ১৫২ নং অনুচ্ছেদে
  4. ১৫৩ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১৫২ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫২ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
• বাংলাদেশের সংবিধানে আইনের ব্যাখ্যা দেওয়া ১৫২ নং অনুচ্ছেদে।
- বিষয় বা প্রসঙ্গের প্রয়োজনে অন্যরূপ না হইলে এই সংবিধানে “অধিবেশন” ( সংসদ-প্রসঙ্গে) অর্থ এই সংবিধান-প্রবর্তনের পর কিংবা একবার স্থগিত হইবার বা ভাঙ্গিয়া যাইবার পর সংসদ যখন প্রথম মিলিত হয়, তখন হইতে সংসদ স্থগিত হওয়া বা ভাঙ্গিয়া যাওয়া পর্যন্ত বৈঠকসমূহ।

এছাড়াও,
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধানে অনুচ্ছেদ রয়েছে ১৫৩ টি।
- বাংলাদেশ সংবিধানের মূলনীতি ৪টি।
- বাংলাদেশের সংবিধান দুষ্পরিবর্তনীয় পরিবর্তন সহজ নয় বলে।
- বাংলাদেশের সংবিধানে ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মূলনীতি ৪টি।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৭.
‘জাতীয় পাট দিবস ২০২৪’ এর প্রতিপাদ্য কী?
  1. ‘বঙ্গবন্ধুর সোনার দেশ, স্মার্ট পাটশিল্পের বাংলাদেশ’
  2. 'সোনালী আঁশের বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধুর সোনার দেশ'
  3. 'বঙ্গবন্ধুর সোনার দেশ, সোনালী আঁশের বাংলাদেশ'
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
‘বঙ্গবন্ধুর সোনার দেশ, স্মার্ট পাটশিল্পের বাংলাদেশ’
উত্তর
সঠিক উত্তর:
‘বঙ্গবন্ধুর সোনার দেশ, স্মার্ট পাটশিল্পের বাংলাদেশ’
ব্যাখ্যা
এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।

‘জাতীয় পাট দিবস ২০২৪’:
- বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘জাতীয় পাট দিবস ২০২৪’ উদ্‌যাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পাটক্ষেত উন্নয়নে গবেষণা কার্যক্রম, পাটবীজ উৎপাদনে স্বয়ম্ভরতা অর্জন, প্রচলিত ও বহুমুখী পাটজাত পণ্যের উৎপাদন ও রপ্তানি বৃদ্ধি ইত্যাদি কার্যক্রমের মাধ্যমে সরকারের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে এ বছর পাট দিবসে ১১ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার দেওয়া হয়।
- জাতীয় পাট দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—‘বঙ্গবন্ধুর সোনার দেশ, স্মার্ট পাটশিল্পের বাংলাদেশ’.
- জেডিপিসির নিবন্ধিত উদ্যোক্তারা ২৮২ ধরনের দৃষ্টিনন্দন পাটজাত পণ্য উৎপাদন করছেন, যার অধিকাংশই বিদেশে রপ্তানি করা হচ্ছে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১৮.
ইউরোপ থেকে ভারতে আসার জলপথ আবিষ্কার করেন -
  1. আলবুকার্ক
  2. ক্রিস্টোফার কলম্বাস
  3. লুই বার্থামেলু
  4. ভাস্কো-দ্য-গামা
সঠিক উত্তর:
ভাস্কো-দ্য-গামা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাস্কো-দ্য-গামা
ব্যাখ্যা
• পর্তুগিজ:
- বাণিজ্যকে মূলধন করে পর্তুগাল থেকে পর্তুগিজরা এ উপমহাদেশে আসলেও ক্রমে তাঁরা সাম্রাজ্য বিস্তারের স্বপ্ন দেখে।
- ইউরোপ থেকে ভারতে আসার জলপথ আবিষ্কার করেন -  ভাস্কো-দ্য-গামা।
- পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো-দ্য-গামার উপমহাদেশে আসার পরপরই পর্তুগিজরা এ দেশে আসতে শুরু করে।
- এরপর ১৪৮৭ খ্রিস্টাব্দে বার্থলমিউ দিয়াজ, আলভারেঞ্জ ক্যাব্রাল ও ১৫০৯ খ্রিস্টাব্দে আলবুকার্ক গোয়াতে আগমন করেন।
- আলবুকার্ক উপমহাদেশে পর্তুগিজ-শক্তির প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।

সূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
জাতীয় অর্থ তহবিলের নিয়ন্ত্রক কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. জাতীয় সংসদ
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. স্পিকার
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদের অর্থ সংক্রান্ত ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
- জাতীয় সংসদ সরকারের অর্থ সংক্রান্ত কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। 
- সংসদের আইন বা উহার কর্তৃত্ব ব্যতীত কর আরোপ বা সংগ্রহ করা যায় না (অনু: ৮৩)।
- সরকার প্রতি বছর আয়-ব্যয়ের অনুমিত হিসাব সংবলিত একটি বাজেট সংসদে উপস্থাপন করবে এবং সংসদের অনুমোদন ব্যতীত উক্ত বাজেট কার্যকর হবে না (অনু: ৮৭)।
- সকল সরকারি অর্থের রক্ষণাবেক্ষণ, নিয়ন্ত্রণ সংসদের আইন দ্বারা করা হবে (অনু: ৮৫)। 
সুতরাং, জাতীয় সংসদ হচ্ছে জাতীয় অর্থের অভিভাবক ও নিয়ন্ত্রণকারী।

সূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক ও বাংলাদেশ সংবিধান।
২০.
পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ সংক্রান্ত বিধান বাংলাদেশের সংবিধানে কততম সংশোধনীর মাধ্যমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়?
  1. একাদশ সংশোধনী
  2. দ্বাদশ সংশোধনী
  3. চতুর্দশ সংশোধনী
  4. পঞ্চদশ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী:
- সংবিধান আইন ২০১১ (পঞ্চদশ সংশোধনী) সংসদে পাস হয় ২০১১ সালের ২৫ জুন এবং তা রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ করে ৩ জুলাই এই সংশোধনীর মাধ্যমে যে অনুচ্ছেদ ও বিষয়গুলো পরিবর্তিত হয়, সেগুলো হচ্ছে -
১. সংবিধানের প্রস্তাবনায় সংশোধন,
২. ২ক অনুচ্ছেদে পরিমার্জন।
৩. ৪ক অনুচ্ছেদ প্রতিস্থাপন (জাতির পিতার প্রতিকৃতি সংক্রান্ত)
৪. ৭ক ও ৭খ অনুচ্ছেদের সন্নিবেশ।
৫. সংবিধানের ৮ নং অনুচ্ছেদের সংশোধন (রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সংক্রান্ত)।
৬. সংবিধানের ৯, ১০, ১২ নং অনুচ্ছেদের সংযোজন ও পরিমার্জন।
৭. সংবিধানে ১৮ক অনুচ্ছেদের সন্নিবেশ (পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ সংক্রান্ত বিধান)।
৮. সংবিধানে ২৩ক অনুচ্ছেদের সন্নিবেশ (ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্পর্কিত)।
৯. ৪২ নং অনুচ্ছেদের সংশোধন ও ৪৪ নং অনুচ্ছেদের প্রতিস্থাপন।
১০. ৫৮ক অনুচ্ছেদের বিলোপ (তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা)।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট।
২১.
মণিপুরী ললিতকলা একাডেমি কোথায় অবস্থিত?
  1. নেত্রকোণা
  2. মৌলভীবাজার
  3. কক্সবাজার
  4. রাঙামাটি
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা
• মণিপুরী ললিতকলা একাডেমি:
- মণিপুরী ললিতকলা একাডেমি ১৯৭৭ খ্রিস্টাব্দে বৃহত্তর সিলেটের মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের শিববাজারে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ২০১০ সালে মণিপুণি ললিতকলা একাডেমি একটি পূর্ণাঙ্গ স্বায়ত্তশাসিত সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে রাজস্বখাতে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- বর্তমানে মণিপুরী ললিতকলা একাডেমীতে নৃত্য, নাটক, সংগীত, বাদ্যযন্ত্র ও উপজাতীয় সংগীত (মণিপুরী সংগীত) এই পাঁচটি বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

উৎস: মণিপুরী ললিতকলা একাডেমি, কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার।
২২.
মুজিবনগর দিবস কত তারিখে?
  1. ১০ এপ্রিল
  2. ১৭ এপ্রিল
  3. ১১ এপ্রিল
  4. ১৮ এপ্রিল
সঠিক উত্তর:
১৭ এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর দিবস:
- মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- ১৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস।

এছাড়াও,
- মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ মেহেরপুর জেলায় অবস্থিত।
- ১৯৭৩ সালের ৩১ আগস্ট সরকার মুজিবনগরে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণের নির্দেশ দেয়।
- ১৯৭৪ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর দিবসে মুক্তিযুদ্ধকালীন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম এ প্রকল্পের কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও মেহেরপুর জেলা ওয়েবসাইট।
২৩.
মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে ‘যৌথ কমান্ড’ গঠিত হয় কখন?
  1. ২৩ নভেম্বর
  2. ২৭ নভেম্বর
  3. ২১ নভেম্বর
  4. ২৪ নভেম্বর
সঠিক উত্তর:
২১ নভেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ নভেম্বর
ব্যাখ্যা
মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী:
- ১৯৭১ সালের ২১শে নভেম্বর মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে ‘যৌথ কমান্ড’ গঠন করেছিল।
- পাকিস্তান ৩রা ডিসেম্বর ভারত আক্রমণ করলে যুদ্ধের তীব্রতা বৃদ্ধি পায় এবং ভারতীয় বাহিনী সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করে।
- ৬-১৬ই ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে ভারতের সেনা, নৌ, বিমানবাহিনীও পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে যােগ দেয়।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী যৌথ কমান্ডের নিকট আত্মসমর্পণ করে।

সূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
২৪.
জাতিসংঘের বাংলাদেশের সদস্যপদ লাভের বিরুদ্ধে ভেটো প্রদানকারী রাষ্ট্র কোনটি?
  1. সোভিয়েত ইউনিয়ন
  2. চীন
  3. ফ্রান্স
  4. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ:
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- জাতিসংঘের বর্তমান সদস্য ১৯৩টি। 
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ৮ আগস্ট জাতিসংঘের সদস্যপদের জন্য আবেদন করে।
- ১৯৭২ সালে চীন বাংলাদেশের সদস্যপদের বিরুদ্ধে ভেটো প্রদান করে
- স্থায়ী সদস্য হওয়ার পর এটি ছিল চীনের প্রথম ভেটো।
- ১৯৭২ সালের ১৭ অক্টোবর জাতিসংঘে পর্যবেক্ষকের মর্যাদা লাভ করে।
- বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সাল।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য। 
- বাংলাদেশকে প্রথম জাতিসংঘ সংস্থায় সদস্যরূপে স্বাগত জানায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
- ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
২৫.
মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?
  1. তাজউদ্দিন আহমদ
  2. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. এম মনসুর আলী
  4. শেখ মুজিবুর রহমান
সঠিক উত্তর:
শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- মুক্তিযুদ্ধকালীন গঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অর্থাৎ স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত।
- মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল। 
- মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল। 
- এ শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী। 
- মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলের - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

সূত্র: - ইতিহাস তৃতীয় পত্র, BA & BSS প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬.
’প্রভাতী’ কোন ফসলের জাত?
  1. বেগুন
  2. আলু
  3. বাধাঁকপি
  4. পেয়াজ
সঠিক উত্তর:
বাধাঁকপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাধাঁকপি
ব্যাখ্যা
• উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস,
- ড্রামহেড,
- গোল্ডেন ক্রস,
- প্রভাতী,
- অগ্রদূত, 
- এটলাস ৭০,
- টোকিও প্রাইড,
- লিও ৮০ ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র:- কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
২৭.
ন্যাশনাল কার্ড স্কিম 'টাকা পে' উদ্বোধন করা হয় -
  1. ৬ নভেম্বর, ২০২৩
  2. ৩ নভেম্বর, ২০২৩
  3. ৫ নভেম্বর, ২০২৩
  4. ১ নভেম্বর, ২০২৩
সঠিক উত্তর:
১ নভেম্বর, ২০২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ নভেম্বর, ২০২৩
ব্যাখ্যা
পে কার্ড:
- ১ নভেম্বর, ২০২৩ তারিখে এই ডেবিট কার্ডের উদ্বোধন হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে চালু হয়েছে ‘টাকা পে’ কার্ড।
- এটি ভিসা, মাস্টারকার্ড ও অ্যামেক্সের মতো আন্তর্জাতিক কার্ড সেবার একটি স্থানীয় বিকল্প।
- প্রাথমিকভাবে রাষ্ট্রমালিকানাধীন সোনালী ব্যাংক, বেসরকারি খাতের দি সিটি ব্যাংক ও ব্র্যাক ব্যাংক টাকা পে কার্ড সেবা চালু করেছে।
- টাকা পে কার্ডের লেনদেন নিষ্পত্তি হবে শুধু বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীন ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ অব বাংলাদেশ (এনপিএসবি)–এর মাধ্যমে। 
- ভবিষ্যতে টাকা পে কার্ড ভারতেও ব্যবহার করা যাবে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা।
- শুরু থেকেই দেশের সব এটিএম, পয়েন্টস অব সেলস ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এই কার্ড ব্যবহার করা যাবে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
২৮.
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো রিপোর্ট অনুযায়ী একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার কোন দেশ?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. জার্মানি
  3. যুক্তরাজ্য
  4. চীন
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
• দেশভিত্তিক রপ্তানি:
- দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র। 
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে। 

তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, জুলাই-ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত।
২৯.
দেশের একমাত্র ‘ফসফেটিক‘ সার কারখানা হচ্ছে -
  1. ঘোড়াশাল সার কারখানা
  2. আশুগঞ্জ সার কার‌খানা
  3. টিএসপি সার কারখানা
  4. শাহজালাল সার কারখানা
সঠিক উত্তর:
টিএসপি সার কারখানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টিএসপি সার কারখানা
ব্যাখ্যা
• টিএসপি সার কারখানা:
- অবস্থান - পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।
- এটি দেশের একমাত্র ফসফেটিক সার কারখানা।
- টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ এর স্থাপনা তৎকাতলীন পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইপিআইডিসি’র) সময়ে আরম্ভ হলেও ১৯৭৬ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যায়।
- এ ফ্যাক্টরীর বার্ষিক উত্‍পাদন ক্ষমতা ১,০০,০০০  মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
৩০.
মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর কোন সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিলো?
  1. ১১ নং সেক্টর
  2. ৮ নং সেক্টর
  3. ৫ নং সেক্টর
  4. ৬ নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
৮ নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুুদ্ধের সেক্টর:
- ১৯৭১ সালে ‍মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রবাসী সরকার সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে।
- এর মধ্যে বৃহত্তর কুষ্টিয়া ও যশোর জেলা এবং ফরিদপুর ও খুলনা জেলার অংশ বিশেষ নিয়ে ৮ নং সেক্টর গঠিত হয়।
- বর্তমান মেহেরপুর জেলা ও মুজিবনগর ৮ নং সেক্টরের অধীন ছিলো।
- ৮ নং সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন আবু ওসমান চৌধুরী এবং এম এ মঞ্জুর।

সূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া
৩১.
'মুক্তিযোদ্ধা দিবস' পালিত হয়-
  1. ১ ডিসেম্বর
  2. ৭ মার্চ
  3. ৩ ডিসেম্বর
  4. ২১ নভেম্বর
সঠিক উত্তর:
১ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
দিবস:
 - বাংলাদেশে মুক্তিযোদ্ধা দিবস পালিত হয় ১ ডিসেম্বর।

এছাড়াও-
- সশস্ত্রবাহিনী দিবস: ২১ নভেম্বর,
- জাতীয় ঐতিহাসিক দিবস: ৭ মার্চ,
- বিজয় দিবস: ১৬ ডিসেম্বর,
- জাতীয় দিবস: ২৬ মার্চ।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৩২.
ঐতিহাসিক 'ছয় দফায়' কোন বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিলো না?
  1. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
  2. বিচার ব্যবস্থা
  3. শাসনতান্ত্রিক কাঠামো
  4. স্বতন্ত্র মুদ্রাব্যবস্থা
সঠিক উত্তর:
বিচার ব্যবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
ঐতিহাসিক ছয় দফার স্বাধীন বিচার ব্যবস্থার কথা উল্লেখ ছিল না।

• ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫ - ৬ ফেব্রুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান লাহোরে বিরোধী দলের একটি সম্মেলনে ছয় দফা দাবী পেশ করেন।
- আর এটি ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হয়।
- ঐতিহাসিক ছয় দফার খসড়া প্রণেতা - রুহুল কুদ্দুস। 

• দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও মূলধারা ’৭১।
৩৩.
বিশ্বের কততম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট চালু করেছে?
  1. ১২১ তম
  2. ১২০ তম
  3. ১১৯ তম
  4. ১১৮ তম
সঠিক উত্তর:
১১৯ তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৯ তম
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের অর্জন:
- বিশ্বে প্রথম ই-পাসপোর্ট চালু করে মালয়েশিয়া ১৯৯৮ সালে।
- বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট প্রদানের ঘোষণা দেয়া হয় ২৪ এপ্রিল, ২০১৬ সালে।
- বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয় ২২ জানুয়ারি, ২০২০ সালে।
- বাংলাদেশ বিশ্বের ১১৯তম দেশ হিসাবে ই-পাসপোর্ট চালু করে
- বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট নিয়ে কাজ করেছে জার্মান কোম্পানি Veridos GbmH.

উৎস: বণিক বার্তা নিউজ।
৩৪.
শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় কোনটি?
  1. সার
  2. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
  3. মূলধন যন্ত্রসামগ্রী
  4. সূতা
সঠিক উত্তর:
সার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার
ব্যাখ্যা
আমদানি পরিস্থিতি:
২০২২-২৩ (জুলাই - ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৫২,৭১৩.১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, 

→ একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - সার।
→ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ – পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী এবং
→ তৃতীয় সর্বোচ্চ – মূলধন যন্ত্রসামগ্রী। 

→ শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - সার।
→ প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - তুলা।
→ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ - গম।

উৎস: পরিসংখ্যান বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক, জুলাই- ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত।
৩৫.
'আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার' আসামীদের মধ্যে কাকে গুলি করে হত্যা করা হয়?
  1. কৃষ্ণ প্রসীদ
  2. জহুরুল হক
  3. আজাদ বসু
  4. আমজাদ হক
সঠিক উত্তর:
জহুরুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জহুরুল হক
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- মামলার নাম 'রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য'।
- তবে এটি 'আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা' হিসেবেই বেশি পরিচিত।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- 'আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার' আসামীদের মধ্যে প্রথম সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সালে বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৬.
‘খটখটিয়া‘ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. ধান
  2. বেগুন
  3. সরিষা
  4. গম
সঠিক উত্তর:
বেগুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগুন
ব্যাখ্যা
• বেগুনের জাত:
- বাংলাদেশে বেগুনের বহু জাত রয়েছে। এক জাত থেকে অন্যজাতে গাছের প্রকৃতি, ফলের রং, আকার, আকৃতি প্রভৃতি বিষয়ে বেশ পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়।
- বাংলাদেশে প্রধানতঃ লম্বা ফল, গোলাকর ফল ও গোলাকার এই তিন ধরণের বেগুনের চাষ বেশী হয়ে থাকে।

• কিছু বেগুনের উন্নত জাত হলো:
- খটখটিয়া, ইসলামপুরী, নয়ন কাজল, কেজি বেগুন, শিংনাথ, ঝুমকো, মুক্তকেশী, শুকতারা, তারাপুরী (বারি বেগুন ২), কাজলা, নয়নতারা, বিজয়, চমক এফ১, লাফাফা,  

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৩৭.
সেমুতাং গ্যাসক্ষেত্রটি কোথায় অবস্থিত?
  1. বান্দরবান
  2. খাগড়াছড়ি
  3. রাঙ্গামাটি
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
• সেমুতাং গ্যাসক্ষেত্র:
- সেমুতাং গ্যাসক্ষেত্র বাংলাদেশে খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছরি উপজেলায় অবস্থিত একটি গ্যাসক্ষেত্র।
- এই গ্যাস কুপটি ছিল পরিত্যাক্ত। ১৯৬০-এর দশকে মানিকছড়িতে সেমুতাং গ্যাস ফিল্ড আবিষ্কৃত হওয়ার পর তখনকার পাকিস্তান অয়েল এন্ড গ্যাস ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি চারটি কূপ খনন করে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন এন্ড প্রোডাকশন কোম্পানী লিঃ।
৩৮.
বাংলাদেশের কোন জেলায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত সৈনিকদের স্মরণে কমনওয়েলথ যুদ্ধ সমাধি (War Cemetery) রয়েছে?
  1. কুমিল্লা
  2. চট্টগ্রাম
  3. কক্সবাজার
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
কমনওয়েলথ সমাধি:
- ২য় বিশ্বযুদ্ধে মিয়ানমারে (তৎকালীন বার্মা) সংঘটিত যুদ্ধে যে ৪৫ হাজার কমনওয়েলথ সৈন্য নিহত হন তাদের স্মৃতি রক্ষার্থে মিয়ানমার, আসাম এবং বাংলাদেশে মােট ৯টি সমাধিক্ষেত্র তৈরি করা হয়েছে।
- এর মধ্যে বাংলাদেশে ২টি কমনওয়েলথ সমাধিক্ষেত্র রয়েছে।
- যার একটি কুমিল্লার ময়নামতিতে এবং অন্যটি চট্টগ্রামে অবস্থিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩৯.
১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ এ ঢাকার রেসকোর্সে আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন-
  1. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা ও জেনারেল আবদুল্লাহ নিয়াজী
  2. জেনারেল জেকব সিং ও জেনারেল নিয়াজী
  3. জেনারেল বলবীর সিং অরোরা ও জেনারেল আবদুল্লাহ নিয়াজী
  4. জেনারেল মানেকশ ও জেনারেল নিয়াজী
সঠিক উত্তর:
জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা ও জেনারেল আবদুল্লাহ নিয়াজী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা ও জেনারেল আবদুল্লাহ নিয়াজী
ব্যাখ্যা
পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে ঢাকা রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) মিত্রবাহিনীর কাছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী নিঃশর্তভাবে আত্মসমর্পণ করে।
- তাদের এ আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে ২৬ মার্চ শুরু হওয়া মুক্তিযুদ্ধের সফল পরিসমাপ্তি ঘটে।
- ১৫ ডিসেম্বর ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল স্যাম মানেকশ পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে অস্ত্র সংবরণ করে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানান। 
- ১৬ ডিসেম্বর সকাল সোয়া নয়টার সময় মানেকশ ভারতের পূর্বাঞ্চল বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ মেজর জেনারেল জে এফ আর জেকবকে আত্মসমর্পণের দলিল ও আনুষ্ঠানিকতা চূড়ান্ত করার জন্য ঢাকায় পাঠান।
- অবশেষে মুক্তিযুদ্ধের জয়ী ও পরাজিত দুই পক্ষের মধ্যে ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের ঐতিহাসিক দলিল স্বাক্ষরিত হয়। 
- শেষ পর্যন্ত জেনারেল আবদুল্লাহ নিয়াজী ১৬ ডিসেম্বর রেসকোর্সের যে স্থানে বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন সেখানে ৯৩ হাজার সৈন্য ও অফিসারসহ আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করেন।
- যৌথবাহিনীর পক্ষে স্বাক্ষর করেন লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা, জিওসি এবং পূর্বাঞ্চলীয় ভারতীয় বাহিনী ও বাংলাদেশ বাহিনীর সর্বাধিনায়ক। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণি এবং  প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৪০.
কোন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সরকার ‘ট্রেজারি বিল’ ইস্যু করে?
  1. কৃষি ব্যাংক
  2. কেন্দ্রীয় ব্যাংক
  3. সোনালী ব্যাংক
  4. অর্থ মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
কেন্দ্রীয় ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেন্দ্রীয় ব্যাংক
ব্যাখ্যা
• ট্রেজারি বিল:
- ট্রেজারি বিল এক ধরনের স্বল্পমেয়াদি শর্তহীন সরকারি ঋণপত্র।
- স্বল্পকালীন বাজেট ঘাটতি মেটানো অথবা অন্যান্য প্রয়োজনে স্বল্পকালীন তহবিল সংগ্রহের উদ্দেশ্যে সরকার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে ট্রেজারি বিল ইস্যু ও বিক্রয় করে।
- সরকার এ বিলে মেয়াদান্তে তার ধারককে নিঃশর্তভাবে অভিহিত মূল্য ফেরত প্রদানের জন্য অঙ্গীকার করে।
- ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকার তিন প্রকারের ৯০ দিন মেয়াদি ট্রেজারি বিল ইস্যু ও বিক্রয় করে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৪১.
তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী ছিলেন-
  1. ইলামি মিত্র
  2. মহাশ্বেতা দেবী
  3. ইলা মিত্র
  4. সুমিত্রা দেবী
সঠিক উত্তর:
ইলা মিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলা মিত্র
ব্যাখ্যা
তেভাগা আন্দোলন:
- তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী ছিলেন ইলা মিত্র।
- তেভাগা আন্দোলন বাংলায় সংঘটিত বর্গাচাষীদের একটি কৃষক আন্দোলন।
- ১৯৪০-৫০ সময়ে এই আন্দোলন সংঘটিত হয়।
- তেভাগা আন্দোলন যখন স্তিমিত হওয়ার পথে তখন নাচোলের রাণী ইলা মিত্র এই আন্দোলন পুনরুজ্জীবিত করেন।
- এই আন্দোলনের আরেকজন নেতা হলেন হাজী দানেশ।
- তেভাগা আন্দোলনের দাবী ছিলো বর্গাচাষীরা তাদের উৎপন্ন ফসলের এক ভাগ দিবে মালিকপক্ষকে এবং দুই ভাগ পাবে তারা।
- রংপুর, দিনাজপুর, যশোর, চব্বিশ পরগণা প্রভৃতি জেলায় তেভাগা আন্দোলন সংঘটিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪২.
বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা কোথায় অবস্থিত?
  1. নারায়নগঞ্জ
  2. চট্টগ্রাম
  3. খুলনা
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুলনা
ব্যাখ্যা
• খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড:
খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড (KSY) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বাধীন সরকারি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান যা বাংলাদেশ নৌবাহিনী দ্বারা পরিচালিত ও পরিচালিত হয়।
- অবস্থান - খুলনার রূপসা নদীর পশ্চিম তীরে।
- ইস্ট পাকিস্তান ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন (ইপিআইডিসি) এর তত্ত্বাবধানে ১৯৫৪ সালে কেএসওয়াই-এর নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
- জাহাজ নির্মাণ ও মেরামতের লক্ষ্যে ২৭ নভেম্বর ১৯৫৭ সালে চালু করা হয়।

তথ্যসূত্র: KSY ওয়েবসাইট।
৪৩.
স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলিত হয়েছিল -
  1. ৩ মার্চ, ১৯৭১ সালে
  2. ২৬ মার্চ, ১৯৭১ সালে
  3. ২ মার্চ, ১৯৭১ সালে
  4. ২১ মার্চ, ১৯৭১ সালে
সঠিক উত্তর:
২ মার্চ, ১৯৭১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মার্চ, ১৯৭১ সালে
ব্যাখ্যা
• পতাকা:
- প্রথম পতাকা উত্তোলন ২ মার্চ, ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্র জনতার সমাবেশে তৎকালীন ঢাকসুর ভিপি আ.স.ম আব্দুর রব স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করেছিল।
- গৃহীত হয় ৬ মার্চ।
- সংবিধানের ৪ নং অনুচ্ছেদের জাতীয় পতাকার কথা বলা হয়েছে।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- প্রথম নকশাকার – শিব নারায়ণ দাস (৬ জুন ১৯৭০)
- প্রথম আনুষ্ঠানিক উত্তোলন – ২৩ মার্চ ১৯৭১, বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে এবং একই দিনে সারা বাংলাদেশে।
- বাংলাদেশের বাহিরে প্রথম উত্তোলন – কলকাতাস্থ পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনারে।
- জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত – ১০:৬ (৫:৩)।

উৎস: স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস।
৪৪.
ওয়াকআউট কী?
  1. সাময়িক সময়ের জন্য বিরোধী দলের সংসদ অধিবেশন ত্যাগ
  2. সাময়িক সময়ের জন্য বিরোধী দলের বেইলআউট
  3. সাময়িক সময়ের জন্য চিপ হুইপের ওয়াকআউট
  4. সাময়িক সময়ের জন্য স্পিকারের সংসদ অধিবেশন ত্যাগ
সঠিক উত্তর:
সাময়িক সময়ের জন্য বিরোধী দলের সংসদ অধিবেশন ত্যাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাময়িক সময়ের জন্য বিরোধী দলের সংসদ অধিবেশন ত্যাগ
ব্যাখ্যা
• ওয়াকআউট:
- জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলাকালে সাময়িক সময়ের জন্য বিরোধী দলের সংসদ অধিবেশন ত্যাগ করাকে “ওয়াকআউট” বলে
- এটি সাধারণত বিরোধী দলের সদস্যরা সরকারি কোনো সিদ্ধান্ত কিংবা স্পীকারের রুলিং-এর প্রতিবাদে সংসদ থেকে বের হয়ে আসা। এ কারণে ওয়াকআউট হলো একটি বৈপরীত্যকারী সংসদ অধিবেশন।

- ওয়াকআউটের কারণ: সাধারণত বিরোধী দলের সদস্যরা সরকারের কোনো সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করতে, কোনো সদস্যের অধিকার বিচারে পূর্বসুরে কোনো সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে, বা স্পীকারের রুলিং বা আদেশে অসন্তোষ প্রকাশ করতে ওয়াকআউট করতে পারেন।
-  সংসদের বৈঠকে সরকারি দলের সদস্যরাও ওয়াকআউট করতে পারেন।
- সংসদীয় গণতন্ত্রে ওয়াকআউট সদস্যদের অধিকার হিসেবে স্বীকৃত এবং তাদের বিচারের একটি উপায় হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৪৫.
বাংলার চুঁচুড়া ও বাকুঁড়ায় বাণিজ্য কুঠি নির্মাণ করে কারা?
  1. ওলন্দাজরা
  2. ফরাসিরা
  3. ইংরেজরা
  4. পর্তুগিজরা
সঠিক উত্তর:
ওলন্দাজরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওলন্দাজরা
ব্যাখ্যা
• ওলন্দাজ বা ডাচ:
- হল্যান্ডের অধিবাসীদের ওলন্দাজ বা ডাচ বলা হয়।
- ১৬০২ খ্রিস্টাব্দে ওলন্দাজরা জলপথে উপমহাদেশে আসে।
- প্রাচ্য বাণিজ্যে আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে হল্যান্ডের একদল বণিক ‘ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি’ গঠন করে।
- তারা কালিকট, নাগাপট্টম, বাংলার চুঁচুড়া ও বাঁকুড়ায় বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- এছাড়া বালেশ্বর, কাশিমবাজার এবং বরানগরেও তাদের কুঠি ছিল।
- প্রথমে ওলন্দাজগণ ইংরেজদের সাথে রেশমী সূতা, সুতি কাপড় চাল, ডাল সোরা ও তামাক এদেশ থেকে রপ্তানি করত এবং অন্যদেশ থেকে এদেশে মসলা আমদানি 
- এ বিরোধ বেশি বেড়ে গেলে ইংরেজগণ ওলন্দাজ কুঠিগুলো দখল করে ফেলে।
- বর্তমান ইন্দোনেশিয়া ওলন্দাজদের কাছ থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করে। 

সূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৬.
চাকমারা প্রধানত কোন ধর্মাবলম্বী?
  1. খ্রীষ্টান
  2. হিন্দু
  3. মানব পূজারি
  4. বৌদ্ধ
সঠিক উত্তর:
বৌদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৌদ্ধ
ব্যাখ্যা
চাকমা:
- চাকমারা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী
- তাদের অধিকাংশ গ্রামে ‘কিয়াং’ বা বৌদ্ধ মন্দির রয়েছে।
- চাকমারা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় বাস করে। শিক্ষা-দীক্ষায়ও এরা সবচেয়ে অগ্রসর জনগোষ্ঠী।
- চাকমাদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বৈশাখী পূর্ণিমা। গৌতম বুদ্ধের জন্ম, মৃত্যু ও বুদ্ধত্ব প্রাপ্তির দিন এটি।
- তাছাড়া ‘মাঘী পূর্ণিমার' রাতে কিয়াং বা প্যাগোডার প্রাঙ্গণে গৌতম বুদ্ধের সম্মানে ফানুস উড়ায়।
- চাকমা সমাজে মৃতদেহ দাহ করা অর্থাৎ পোড়ানো হয়।

উৎস:- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
৪৭.
সম্প্রতি ‘বঙ্গবন্ধু অ্যাপ’ উদ্বোধন করেছেন কে?
  1. শেখ রেহানা
  2. সায়মা ওয়াজেদ পুতুল
  3. শেখ হাসিনা
  4. সজীব ওয়াজেদ জয়
সঠিক উত্তর:
শেখ হাসিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেখ হাসিনা
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু অ্যাপ:
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘বঙ্গবন্ধু অ্যাপ’ উদ্বোধন করেছেন।
- এতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী এবং বাংলাদেশ সৃষ্টির ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে।
- একই সাথে আমাদের মহান স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস জনগণের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়ার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরি হয়েছে।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অ্যাপটি তৈরির মহতী উদ্যোগের সাথে জড়িত সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।

উৎস:বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।