১.
‘বাংকার-বাস্টার’ কী?
ব্যাখ্যা
‘বাংকার-বাস্টার’
- বিস্ফোরণের আগে ভূগর্ভে প্রবেশ করতে পারে ‘বাংকার–বাস্টার’ বোমা।
- নির্ভুল আঘাত হানার একটি নির্দেশিকা ব্যবস্থা যুক্ত থাকে এই বোমায়।
- বোমাটি ৩০ মিটার গভীরে লক্ষ্যে পৌঁছে বিস্ফোরিত হতে পারে।
- জিবিইউ-২৮ মডেলের বোমাটির ডিজাইন করেছিলেন আলবার্ট এল ওয়েইমর্টস।
- যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াটারভিলিয়েট কোম্পানি বোমাটি তৈরি করে। ২০০৩ সালে অপারেশন ডেজার্ট স্টর্মের সময় যুক্তরাষ্ট্র প্রথম এ বোমার ব্যবহার করে।
- সম্পূর্ণ লেজার গাইডেড বোমাটির ওজন ২০০০ থেকে ৪০০০ হাজার (৯০০-১৮০০ কেজি) পাউন্ড হয়ে থাকে।
সূত্র- বিবিসি রিপোর্ট।
- বিস্ফোরণের আগে ভূগর্ভে প্রবেশ করতে পারে ‘বাংকার–বাস্টার’ বোমা।
- নির্ভুল আঘাত হানার একটি নির্দেশিকা ব্যবস্থা যুক্ত থাকে এই বোমায়।
- বোমাটি ৩০ মিটার গভীরে লক্ষ্যে পৌঁছে বিস্ফোরিত হতে পারে।
- জিবিইউ-২৮ মডেলের বোমাটির ডিজাইন করেছিলেন আলবার্ট এল ওয়েইমর্টস।
- যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াটারভিলিয়েট কোম্পানি বোমাটি তৈরি করে। ২০০৩ সালে অপারেশন ডেজার্ট স্টর্মের সময় যুক্তরাষ্ট্র প্রথম এ বোমার ব্যবহার করে।
- সম্পূর্ণ লেজার গাইডেড বোমাটির ওজন ২০০০ থেকে ৪০০০ হাজার (৯০০-১৮০০ কেজি) পাউন্ড হয়ে থাকে।
সূত্র- বিবিসি রিপোর্ট।