ব্যাখ্যা
সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৮ প্রশ্ন
স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে গণপরিষদ গঠিত হয় যার প্রথম স্পীকার ছিলেন - শাহ আবদুল হামিদ ও ডেপুটি স্পীকার ছিলেন মোহাম্মদউল্লাহ।
শাহ আবদুল হামিদ ১ মে, ১৯৭২ সাল পর্যন্ত স্পীকার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন (তখন এই সংসদ 'গণপরিষদ নামেই পরিচিত ছিল)।
পরবর্তীতে ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশনে মোহাম্মদ উল্লাহ কে স্পিকার এবং মোহাম্মদ বায়তুল্লাহ কে ডেপুটি স্পিকার নিযুক্ত করা হয়।।
উল্লেখ্য, ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বরের আগে পর্যন্ত সংসদের নাম - 'গণপরিষদ' ছিল। এর প্রথম অধিবেশন বসে - ১০ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে এবং এতে সভাপতিত্ব করেন মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ।
বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয় এবং তখন থেকে সংসদ 'জাতীয় সংসদ' নামে অভিহিত হয়। ওইদিন থেকেই 'গণপরিষদ' বিলুপ্ত হয়।
জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের পর জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসে - ৭ এপ্রিল, ১৯৭৩ সালে এবং তখন এর স্পীকার নির্বাচিত হন - মোহাম্মদউল্লাহ।
উপরোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে এটা বলা যায় -
গণপরিষদ/স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সংসদের (গণপরিষদ) - এর প্রথম স্পীকার - শাহ আবদুল হামিদ ও ডেপুটি স্পীকার - মোহাম্মদউল্লাহ।
জাতীয় সংসদের প্রথম স্পীকার - মোহাম্মদউল্লাহ ও ডেপুটি স্পীকার - মুহম্মদ বায়তুল্লাহ।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইটে - প্রথম স্পীকার হিসাবে 'শাহ আবদুল হামিদ' - এর নাম দেওয়া রয়েছে।
উৎসঃ জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট, বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান।
১৮ এপ্রিল ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকারের কেবিনেট মিটিংয়ে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক স্বহস্তে লিখিত মন্ত্রিসভার দপ্তর বন্টন পত্র অনুযায়ী মুজিবনগর সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব অর্পিত হয় প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদের উপর।
পরবর্তীতে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১২ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাষ্ট্রপতির পদ ত্যাগ করে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে যোগদান করায় তিনিই হয়ে যান স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রতিরক্ষা মন্ত্রী।
উৎস: বাংলাদেশ সরকার ১৯৭১, এইচ টি ইমাম, পৃষ্ঠা-১৪২,৩৫২,৩৭৯।
কোনো মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক প্রধান হচ্ছেন সচিব এবং মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী প্রধান হচ্ছেন মন্ত্রী।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
ঢাকা ওয়াসা ঢাকা সিটি এবং নারায়ণগঞ্জের পানি সরবরাহ, পয়ঃনিষ্কাশন এবং ড্রেনেজ সুবিধার পরিকল্পনা, অবকাঠামো উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য দায়ী।
সুত্রঃ স্থানীয় সরকার বিভাগের ইতিহাস (lgd.gov.bd)
এক নজরে ঢাকা পানি সরবরাহ ও পয়:নিষ্কাশন কর্তৃপক্ষ - dwasa.org.bd
Dhaka Water Supply & Sewerage Authority (DWASA) was established on 1963 as an independent organization with the mandate of Water Supply and Sewage disposal to the city dwellers of Dhaka. In 1990, Water Supply service of Narayangonj city also came under the purview of DWASA. Its activities have been reorganized by ‘WASA Act, 1996’ and according to this act, DWASA is now operating as an autonomous body with corporate culture in its management & operation.
The Constitution of the People's Republic of Bangladesh gives the legislature the name Jatiyo Shangsad in Bengali and House of the Nation in English.
It is commonly known as Parliament.
Source: parliament.gov.bd
যেকোনো দেশের আইন পরিষদ এক কক্ষ অথবা দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট হয়ে থাকে। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ এক কক্ষ বিশিষ্ট। আর পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমার ও ভারতের আইনসভা দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট।
উৎসঃ জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট।
আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে জাতীয় সংসদ বা আইন বিভাগ সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী। বাংলাদেশ সংবিধানের এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভার প্রবর্তন করা হয়।
বাংলাদেশের আইনসভার নাম 'জাতীয় সংসদ'। সংবিধান বলা হয়েছে যে, 'জাতীয় সংসদ' নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকবে এবং এ সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা সংসদে ওপর ন্যস্ত হবে।
রাজধানী ঢাকায় জাতীয় সংসদের স্থায়ী আসন রয়েছে। জাতীয় সংসদের কার্যকাল ৫ বছর হবে।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
প্রস্তাবনা এবং অনুচ্ছেদ ৮ অনুযায়ী বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতি চারটি।
যথা- জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্র।
বাংলাদেশের সংবিধানে ১১ টি অধ্যায়, ১৫৩টি অনুচ্ছেদ, ৭ টি তফসিল, ১৩ টি পরিচ্ছেদ আছে।
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
মৌলিক অধিকারের কথা সংবিধানের তৃতীয় ভাগে উল্লেখ আছে।
এছাড়া,
দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি;
চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগ
এবং পঞ্চম ভাগে আইনসভা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে ১৭ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষাকে সন্নিবেশিত করা হয়েছে।
অন্যদিকে ১৪ নং অনুচ্ছেদে কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি, ১৫ নং অনুচ্ছেদে মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা এবং ১৮ নং অনুচ্ছেদে জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতাকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে সন্নিবেশন করা হয়েছে।
সূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান
ভুটানের সিভিল সার্ভিসের নামঃ রয়েল সিভিল সার্ভিস কমিশন (RCSC)
প্রতিষ্ঠাঃ ১৯৮২ সাল
- ১ জন চেয়ারম্যান ও ৪ জন সদস্য নিয়ে কমিশন গঠিত। সর্বশেষ, ২০১০ সালে ভুটান সিভিল সার্ভিস রুলস অ্যান্ড রেগুলেশন অ্যাক্ট প্রণয়ন করে।
১৯৭৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সিভিল সার্ভিস কমিশন Civil Service Reform Act অনুসারে পুনর্গঠিত হয়। এই পুনর্গঠনের সময় বিকেন্দ্রীকরণ করা হয় এবং ৩টি আলাদা সংস্থায় সিভিল সার্ভিস কমিশনকে ভাগ করা হয়। তিনটি সংস্থা হচ্ছে –
- Office of Personnel Management - বিধিমালা বাস্তবায়ন এবং ফেডারাল এক্সিকিউটিভ ওয়ার্কফোর্স পরিচালনার তদারকি।
- Merit Systems Protection Board - কর্মসংস্থান সম্পর্কিত শুনানি এবং আবেদনগুলি প্রক্রিয়া করণ।
- Federal Labor Relations Authority - গাইডলাইন স্থাপন এবং সম্মিলিত দর কষাকষির সাথে সম্পর্কিত সমস্যাগুলি সমাধান করুন।