পরীক্ষা আর্কাইভ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

পরীক্ষাগুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভারতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন১১
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৪ বিষয়: ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ---------------- টপিক: i) বাংলাদেশের পরিবেশ: প্রকৃতি ও সম্পদ ii) ভৌগোলিক বিষয়সমূহ (জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নদ-নদী, খাল, চ্যানেল, হাওড় ইত্যাদির উৎপত্তি ও অবস্থান), iii) আন্তর্জাতিক সীমানা, সাগর-মহাসাগর, দ্বীপ, বিশ্বের বৃহত্তম, ক্ষুদ্রতম ইত্যাদি। iv) প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা, আবহাওয়া, জলবায়ু, জোয়ার-ভাটা, আধুনিক ভূগোল সংক্রান্ত বিষয়াবলি। [নম্বর কাভার - ৭]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার · তারিখ অনির্ধারিত · ১১ প্রশ্ন

.
নিচের কোনটি উপসাগর নয়?
  1. পারস্য সাগর
  2. বঙ্গোপসাগর
  3. মেক্সিকো সাগর
  4. ভূমধ্যসাগর
ব্যাখ্যা
উপসাগর:
তিনদিকে স্থলভাগ দ্বারা পরিবেষ্টিত এবং একদিকে জল তাকে উপসাগর (Bay) বলে।
- যথা- বঙ্গোপসাগর, পারস্য উপসাগরমেক্সিকো উপসাগর ইত্যাদি।

উল্লেখ্য,
⇒ মহাসাগর অপেক্ষা স্বল্প আয়তনবিশিষ্ট জলরাশিকে সাগর (Sea) বলে।
- যথা- ভূমধ্যসাগর, লোহিত সাগর, ক্যারিবিয়ান সাগর, জাপান সাগর ইত্যাদি।
⇒ চারদিকে স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত জলভাগকে হ্রদ (Lake) বলে।
- যথা- রাশিয়ার বৈকাল হ্রদ, আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সীমান্তে অবস্থিত সুপিরিয়র হ্রদ ও আফ্রিকার ভিক্টোরিয়া হ্রদ ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।
.
'ভেঙ্গী ভ্যালি' কোথায় অবস্থিত?
  1. মৌলভীবাজার
  2. খাগড়াছড়ি
  3. রাঙামাটি
  4. কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বিভিন্ন উপত্যকা বা ভ্যালি:
- কাপ্তাই থেকে প্লাবিত উপত্যকা বা ভ্যালি 'ভেঙ্গি ভ্যালি' নামে পরিচিত।
-এটি রাঙামাটি জেলার কাপ্তাইয়ে অবস্থিত।

অন্যদিকে,
- হালদা ভ্যালি : খাগড়াছড়ি
- সাজেক ভ্যালি : রাঙামাটি
- বালিশিরা ভ্যালি : মৌলভীবাজার।
- সাঙ্গু ভ্যালি - চট্টগ্রাম
- নাপিত খালি ভ্যালি - কক্সবাজার

সূত্র:  জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক যুগান্তর পত্রিকা। লিঙ্ক 
.
কোনটি জোয়ার-ভাটা সৃষ্টির কারণ?
  1. পৃথিবীর কেন্দ্রমুখী বল
  2. বৃষ্টিপাত
  3. পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ বল
  4. বায়ুপ্রবাহ
ব্যাখ্যা
জোয়ার-ভাটার:
প্রধানত দুটি কারণে জোয়ার-ভাটার সৃষ্টি হয়। এগুলো হলো- 
(১) চাঁদ ও সূর্যের মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব এবং 
(২) পৃথিবীর আবর্তনের ফলে উৎপন্ন কেন্দ্রাতিগ শক্তি।

উল্লেখ্য,
⇒ জোয়ার ও ভাটা (High Tide and Low Tide): সমুদ্র এবং উপকূলবর্তী নদীর জলরাশি প্রতিদিনই কোনো একটি সময়ে ঐ জলরাশি ধীরে ধীরে ফুলে উঠছে এবং কিছুক্ষণ পরে আবার তা ধীরে ধীরে নেমে যাচ্ছে।
- জলরাশির এরকম নিয়মিত স্ফীতি এবং ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।

তথ্যসূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী।
.
বাংলাদেশের কোন নদীকে ‘চর উৎপাদী’ নদী বলা হয়?
  1. মেঘনা
  2. যমুনা
  3. পদ্মা
  4. তিস্তা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নদীখাতের ধরান অনুযায়ী শ্রেণীবিভাগ:
- নদীতে নিয়মিত পানি সরবরাহ, ঋতুভেদে পানি সরবরাহের হ্রাসবৃদ্ধি, ভূমিরূপ, মাটির গঠন ও বুনন এবং ভূমির ঢালের তারতম্যের কারণে পৃথিবীর বিভিন্ন অংশসহ বাংলাদেশে প্রধানত তিন প্রকার নদী ব্যবস্থা গড়ে উঠে, যেমন- ক) সরল নদীখাত, খ) সর্পিল নদীখাত এবং গ) বিনুনি নদীখাত। 

ক) সরল নদী:
- যে সব নদ-নদী প্রবাহ পথে কোন বাধা বা প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই মোটামুটি সোজাপথে প্রবাহিত হয় তাদেরকে সরল নদী বলা হয়।
- কঠিন শিলায় গঠিত অঞ্চল ভূ অভ্যন্তরে ভৌত পানি প্রবাহ এবং নদীতীর বাঁধা দিয়ে নদী খাত সরল করা হয়। যেমন- তিস্তা।

খ) সর্পিল নদীখাত:
- সমভূমি বিশেষ করে পলি গঠিত সমভূমি অঞ্চলে বাক বহুল নদী দৃষ্টিগোচর হয়।
- এ সব নদীর প্রবাহ পথ বেশ গভীর, আঁকাবাঁকা প্রবাহপথ, পুনঃপুন খাতের দিক পরিবর্তন, বাঁকে ভাঙন ক্রিয়া বিপরীতে চর গঠন এবং প্রবাহ পথ এক খাতে প্রবাহিত হয়। যেমন- পদ্মা।

গ) বিনুনি নদীখাত/চর উৎপাদী নদী: 
- যে সকল নদী একাধিক শাখায় বিভক্ত হয়ে প্রবাহিত হয় তাদেরকে বিনুনী বা চর উৎপাদী নদী বলা হয়।
- বিনুনি সদৃশ বলে একে বিনুনি এবং প্রবাহ পথে চর উৎপাদিত হয় বলে চর উৎপাদী নদী বলা হয়।
- নদীতে শেষ পর্যায়ে অতিরিক্ত সঞ্চয়জাত পললের কারণে চর পড়ে মূল স্রোত ধারাকে দ্বিধা বা বহুধা খাতে বিভক্ত করে প্রবাহিত হয়।
- এসব নদীর প্রশস্ততা বেশি, গভীরতা কম, প্রবাহ পথে চর গঠন এবং পরিশেষে একাধিক খাতে প্রবাহিত হয়ে থাকে। যেমন- যমুনা নদী।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ পরিচিতি, বি.এ/বি.এস.এস. প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'আড়িয়াল খাঁ' কোন নদীর শাখা নদী?
  1. পদ্মা নদী
  2. কর্ণফুলী নদী
  3. মেঘনা নদী
  4. যমুনা নদী
ব্যাখ্যা
পদ্মা নদী:
- কুমার, মাথাভাঙা, ভৈরব, গড়াই, মধুমতী, আড়িয়াল খাঁ ইত্যাদি পদ্মা নদীর প্রধান শাখা নদী। 
- পুনর্ভবা, নাগর, পাগলা, কুলিক মহানন্দার উপনদী।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম নদী পদ্মা। গঙ্গা নদী হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।
- এরপর প্রথমে দক্ষিণ-পশ্চিম ও পরে দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত হয়ে ভারতের হরিদ্বারের নিকট সমভূমিতে পড়েছে।
- এরপর ভারতের উত্তর প্রদেশ ও বিহার রাজ্যের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার ধুলিয়ান নামক স্থানে ভাগীরথী (হুগলি নদী) নামে এর একটি শাখা বের হয়ে পশ্চিমবঙ্গের মধ্য দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে।
- গঙ্গা নদীর মূল প্রবাহ রাজশাহী অঞ্চলের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে প্রায় ১৪৫ কিলোমিটার পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের সীমানা বরাবর এসে কুষ্টিয়ার উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- এরপর দৌলতদিয়ার নিকট যমুনা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- গঙ্গার মূল ধারা হওয়াতে দৌলতদিয়া পর্যন্ত এই নদীটি গঙ্গা নদী নামেই পরিচিত।
- তবে বাংলাদেশে প্রবেশের পর থেকেই স্থানীয়ভাবে অনেকে একে পদ্মা নামে চেনে।
- গঙ্গা ও যমুনার মিলিত ধারা পদ্মা নামে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে চাঁদপুরের কাছে মেঘনার সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- এই তিন নদীর মিলিত প্রবাহ মেঘনা নামে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- বাংলাদেশে গঙ্গা-পদ্মা বিধৌত অঞ্চলের আয়তন হচ্ছে ৩৪,১৮৮ বর্গকিলোমিটার।

সূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি।
.
দুর্যোগপূর্ব প্রস্তুতির মূল লক্ষ্য কী?
  1. দুর্যোগ প্রতিহত করা
  2. দুর্যোগের পরে দ্রুত পুনর্বাসন করা
  3. দুর্যোগের ফলে সৃষ্ট ক্ষতি পূরণ করা
  4. দুর্যোগের ঝুঁকি ও ক্ষতি হ্রাস করা
ব্যাখ্যা
দুর্যোগপূর্ব প্রস্তুতি:
- দুর্যোগের ফলে ঝুঁকি ও ক্ষতি হ্রাসের লক্ষ্যে দুর্যোগপূর্বকালে গৃহীত কার্যক্রমকে দুর্যোগপূর্ব প্রস্তুতি বলে। 
- অর্থাৎ দুর্যোগপূর্ব সময়ে গৃহীত ব্যবস্থাপনা যা দুর্যোগের ঝুঁকি ও ক্ষতি কমাতে সাহায্য করে তাকেই দুর্যোগপূর্ব প্রস্তুতি বলা যায়।

অন্যদিকে,
- দুর্যোগের পরপরই সাড়াদান করা প্রয়োজন। সাড়াদান বলতে নিরাপদ স্থানে অপসারণ, তল্লাশি ও উদ্ধার, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমকে বোঝায়।
- দুর্যোগের ফলে জৈব ও অজৈব সকল সম্পদ, প্রাকৃতিক পরিবেশ, সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো ইত্যাদি খাতে যে ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়, পুনঃনির্মাণের মাধ্যমে দুর্যোগপূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে আনাকেই পুনরুদ্ধার বলা হয়।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি এবং এইচ.এস.সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ভ্লাদিমির কোপেন জলবায়ু অঞ্চলকে কয়টি ভাগে ভাগ করেন?
  1. ৪টি
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
ভ্লাদিমির কোপেনের জলবায়ু শ্রেণিবিভাগ:
- প্রতি মাসের এবং বছরের গড় আবহাওয়া এবং শীত ও গ্রীষ্মের তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত ও শুষ্কতার মাত্রার উপর ভিত্তি করে ভ্লাদিমির কোপেন ১৯০১ সালে প্রথম পৃথিবীর জলবায়ুর শ্রেণিবিভাগ প্রকাশ করেন।
- পরবর্তীতে ১৯৩৬ সালে সংশোধনের পর চূড়ান্তভাবে এই শ্রেণিবিভাগ প্রকাশিত হয়।
- প্রাকৃতিক উদ্ভিদকে সামগ্রিক জলবায়ুর বহিঃপ্রকাশ হিসেবে ধরে এই শ্রেণিবিভাগ করা হয়।
- গড় মাসিক তাপমাত্রা ও প্রধান উদ্ভিজ্জ অঞ্চলকে মূল্যায়ন করে কোপেন জলবায়ু অঞ্চলকে ৫ ভাগে ভাগ করে ইংরেজি বর্ণমালার A থেকে E পর্যন্ত নাম দেন।

তথ্যসূত্র: (পৃষ্ঠা নং ১৪৯) ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাদনাতলী পর্বত শৃঙ্গে উৎপন্ন হয়েছে কোন নদী?
  1. কর্ণফুলী
  2. মাতামুহুরী
  3. সাংগু
  4. হালদা
ব্যাখ্যা
পাহাড়ি নদী ব্যবস্থা:
 হালদা:
- হালদা নদী পার্বত্য খাগড়াছড়ি জেলার বাদনা তলী পর্বতশৃঙ্গে উৎপন্ন হয়েছে এবং ফকিটছড়ি থানার উত্তর পূর্ব কোন দিয়ে চট্টগ্রাম জেলায় প্রবেশ করেছে।
 - এ নদী চট্টগ্রামের কালুর ঘাটের কাছে কর্ণফুলী নদীতে পড়েছে।

মাতামুহুরী:
- পার্বত্য বান্দরবন জেলার মইনভার পর্বতে এই নদীর উৎপত্তি।
- উৎপত্তি স্থল থেকে প্রবাহিত হয়ে পশ্চিম দিকে এসে মহেশখালী ঘাটের সাথে মিশেছে।
- এর দৈর্ঘ্য প্রায় ১২০ কিমি।

কর্ণফুলী:
- পাহাড়ি নদী হিসেবে কর্ণফুলী নদী বিখ্যাত।
- লুসাই পাহাড়ের লংলেহ নামক স্থানে এ নদীর উৎপত্তি।এ নদী খুবই খরস্রোতা। 
- নদীর গতিবেগ উপত্যকার ঢালের সমানুপাতিক।
- এই নদী ভারত বাংলাদেশের প্রায় ৫ কিমি সীমা নির্দেশ করে।
- এ নদী সীমান্ত থেকে প্রবেশ করে রাঙামাটির সমভূমিতে প্রবাহিত হয় এবং পরে কাপ্তাই হ্রদে মিশে।
- কাপ্তাই হ্রদের দক্ষিণ পশ্চিম দিক থেকে বেরিয়ে পতেঙ্গার কাছে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে।

 সাংগু:
- বান্দরবানের দক্ষিণে মউডাক পর্বতমালায় এ নদীর উৎপত্তি এ নদী এঁকেবেঁকে উত্তর পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হচ্ছে।
- এর দৈর্ঘ্য প্রায় ২৪৪ কিমি। কর্ণফুলী নদীর মোহনা থেকে কয়েক কিমি দক্ষিণে সাংগু নদী বঙ্গোপসাগরে পড়েছে।
- এ নদীর উঁচু পাহাড়ি অংশে ছোট ছোট জলপ্রপাত ও নদীপ্রপাত দেখা যায়।


উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ পরিচিতি, বি.এ/বি.এস.এস. প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
দুর্যোগের আগাম বার্তা মোবাইলে আইভিআর (Interactive Voice Response) পদ্ধতিতে জানতে কোন কোড ডায়েল করতে হয়?
  1. ১০৯০
  2. ১০৯৮
  3. ১৬৪৩০
  4. ৯৯৯
ব্যাখ্যা
দুর্যোগের আগাম বার্তা এবং ইন্টারেকটিভ ভয়েস রেসপন্স (IVR):

- দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে মোবাইর ফোনের মাধ্যমে দুর্যোগের আগাম বার্তা চাহিদা মোতাবেক অবহিতকরেণর জন্য টোল ফ্রি Interactive Voice Response (IVR) পদ্ধতি চালু করা হয়েছে।
- যে কোন মোবাইল ফোন হতে ১০৯০ টোল ফ্রি নম্বরে ডায়াল করে, 
১ ডায়াল করলে সমুদ্রগামী জেলেদের জন্য আবহাওয়া বার্তা;
২ ডায়াল করলে নদী বন্দরসমূহের জন্য সতর্ক সংকেত;
৩ ডায়াল করলে দৈনন্দিন আবহাওয়া বার্তা;
৪ ডায়াল করলে ঘূর্ণিঝড়ের সতর্ক সংকেত;
৫ ডায়াল করলে দেশের বন্যা তথা বিভিন্ন নদ/নদীর পানি হ্রাসবৃদ্ধি অবস্থা সম্পর্কিত তথ্য অবহিত হওয়া যাবে।

এছাড়াও কিছু জরুরি সেবা নম্বর- 
জরুরি সেবা - ৯৯৯
শিশু সহায়তা- ১০৯৮
নারী ও শিশু নির্যাতন- ১০৯
জাতীয় পরিচয়পত্র-১০৫
সরকারি আইন সেবা-১৬৪৩০
দুদক হটলাইন- ১০৬

তথ্যসূত্র: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর। লিঙ্ক 
১০.
'কিউসু দ্বীপ' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. জাপান
  2. শ্রীলঙ্কা
  3. মালদ্বীপ
  4. উত্তর কোরিয়া
ব্যাখ্যা
দ্বীপরাষ্ট্র জাপান:
- জাপান একটি দ্বীপরাষ্ট্র।
- জাপানের প্রধান চারটি রয়েছে।
- এগুলো হলো: শিকোকু, কিউসু, হনসু ও হোক্কাইডো।
- আয়তনে জাপানের বৃহত্তম দ্বীপ হনসু।
- রাজধানী টোকিও হনসু দ্বীপে অবস্থিত।
- হনসু জাপানের মূল ভূখণ্ড হিসেবে গণ্য হয়। 
- জাপানের সর্বোচ্চ পর্বত মাউন্ট ফুজি এবং এর বৃহত্তম হ্রদ, বিওয়া হ্রদ হনসু দ্বীপে অবস্থিত।

উৎস: Britannica.
১১.
জলবায়ু ও মাটির গুণাগুণের তারতম্যের কারণে বাংলাদেশের বনভূমিকে কয় শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়?
  1. দুই শ্রেণিতে
  2. তিন শ্রেণিতে
  3. চার শ্রেণিতে
  4. ছয় শ্রেণিতে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বনাঞ্চল (Forest of Bangladesh):
বনভূমি থেকে যে সম্পদ উৎপাদিত হয় বা পাওয়া যায় তাকে বনজ সম্পদ বলে।
- কোনো দেশের পারস্পরিক ভারসাম্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য মোট ভূমির ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন।
- জলবায়ু ও মাটির গুণাগুণের তারতম্যের কারণে বাংলাদেশের বনভূমিকে তিন শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়।

⇒ বাংলাদেশের বনভূমি:
১)ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
২) ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
৩) স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন।

সূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি।