পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
বাংলাদেশের ইতিহাসঃ ব্রিটিশ আমল থেকে ১৯৫২ পর্যন্ত
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
‘রেনেসাঁস’ যুগে বাঙালি যুব সমাজের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টিকারী ‘ইয়াং বেঙ্গল’ আন্দোলনের প্রবক্তা ছিলেন-
  1. ক) রামতনু লাহিড়ী
  2. খ) প্যারিচাঁদ মিত্র
  3. গ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. ঘ) হেনরী লুই ডিরোজিও
সঠিক উত্তর:
ঘ) হেনরী লুই ডিরোজিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হেনরী লুই ডিরোজিও
ব্যাখ্যা
রাজা রামমোহন রায়ের আন্দোলনের ধারাকে বাঁচিয়ে রেখেছিল হিন্দু কলেজের প্রতিভাবান ছাত্রবৃন্দ ইয়াং বেঙ্গল আন্দোলনের মাধ্যমে। ‘রেনেসাঁস’ যুগে বাঙালি যুব সমাজের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টিকারী ‘ইয়াং বেঙ্গল’ আন্দোলনের প্রবক্তা ছিলেন হিন্দু কলেজের তরুণ অধ্যাপক হেনরি লুইস ডিরোজিও। সূত্র- বোর্ড বইঃনবম-দশম শ্রেণি।
.
‘দানবীর’ বা ‘বাংলার হাতেম তাই’ হিসেবে পরিচিত?
  1. ক) সৈয়দ আহমদ খান
  2. খ) রাজা রামমোহন রায়
  3. গ) মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানি
  4. ঘ) হাজী মোহাম্মদ মহসীন
সঠিক উত্তর:
ঘ) হাজী মোহাম্মদ মহসীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হাজী মোহাম্মদ মহসীন
ব্যাখ্যা
হাজী মোহাম্মদ মহসীন একজন ধর্মপ্রাণ মুসলিম, চিরকুমার ও মহান জনহিতৈষী ব্যক্তি। তিনি দানশীলতার জন্য দানবীর বা বাংলার হাতেম তাই নামে পরিচিত ছিলেন। ১৭৬৯-৭০ সালের সরকারি দলিল অনুযায়ী তৎকালীন দুর্ভিক্ষের সময় তিনি অনেক লঙ্গরখানা স্থাপন করেন এবং সরকারি তহবিলে অর্থ সহায়তা প্রদান করেন। ১৮০৬ সালে তিনি ‘মহসিন ফান্ড’ নামক তহবিল গঠন করেন। সূত্র- বাংলাপিডিয়া
.
‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’ বা ‘মোহামেডান লিটারারী সোসাইটি’ প্রতিষ্ঠা করেন কে?
  1. ক) হাজী মুহম্মদ মহসীন
  2. খ) নওয়াব আবদুল লতিফ
  3. গ) সৈয়দ আহমদ খান
  4. ঘ) সৈয়দ আমির আলী
সঠিক উত্তর:
খ) নওয়াব আবদুল লতিফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নওয়াব আবদুল লতিফ
ব্যাখ্যা
বাংলার মুসলমানদের নবজাগরণে নওয়াব আবদুল লতিফের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি মুসলমানদের পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলার জন্য সচেষ্ট হন। এ ক্ষেত্রে তাঁর বড় অবদান ছিল ১৮৬৩ খ্রিস্টাব্দে ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’ বা ‘মোহামেডান লিটারারী সোসাইটি’ প্রতিষ্ঠা। সূত্র- বোর্ড বইঃনবম-দশম শ্রেণি।
.
পাকিস্তানের সংবিধানে উর্দু ও বাংলাকে পাকিস্তানের সরকারি ভাষা হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয় কবে?
  1. ক) ১৯৫২সালে
  2. খ) ১৯৫৪ সালে
  3. গ) ১৯৫৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৫৭ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৫২ সালের পর প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস হিসেবে পালিত হতে থাকে। ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের সংবিধানে উর্দু ও বাংলাকে পাকিস্তানের সরকারি ভাষা হিসেবে অনুমোদন করা হয়। সূত্র- বোর্ড বইঃনবম-দশম শ্রেণি।
.
ইসলাম ধর্মের বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা ও ইসলামের অতীত গৌরবের কথা তুলে ধরে গ্রন্থ লিখেছেন-
  1. ক) নওয়াব আবদুল লতিফ
  2. খ) এ.কে. ফজলুল হক
  3. গ) স্যার সলিমুল্লাহ
  4. ঘ) সৈয়দ আমীর আলী
সঠিক উত্তর:
ঘ) সৈয়দ আমীর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সৈয়দ আমীর আলী
ব্যাখ্যা
বাংলার মুসলিম সমাজকে আলোর পথে টেনে তুলতে যাঁদের অবদান মূল্যবান বলে বিবেচিত হয় সৈয়দ আমীর আলী তাঁদেরই একজন। শুধুমাত্র পাশ্চাত্য শিক্ষাই নয়, মুসলমানদের রাজনৈতিক শিক্ষার গুরুত্বও তিনি অনুভব করেছেন এবং সে কারণে তিনি ‘সেন্ট্রাল ন্যাশনাল মোহামেডান এসোসিয়েশন’ নামে একটি সংগঠন গড়ে তোলেন। তাঁর বিখ্যাত দুটি গ্রন্থ হচ্ছে-‘The Spirit of Islam’ ও ‘A Short History of Saracens’ । এতে ইসলাম ধর্মের বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা ও ইসলামের অতীত গৌরবের কথা তুলে ধরা হয়েছে। সূত্র- বোর্ড বইঃনবম-দশম শ্রেণি।
.
বাঙালি মুসলিম নারী আন্দোলনের পথিকৃৎ কাকে বলা হয়?
  1. ক) মাদার তেরেসা
  2. খ) বেগম রোকেয়া
  3. গ) সুলতানা রাজিয়া
  4. ঘ) বেগম ফয়জুন্নেসা
সঠিক উত্তর:
খ) বেগম রোকেয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বেগম রোকেয়া
ব্যাখ্যা
মুসলিম নারী মুক্তি আন্দোলনের আগ্রদূত হলেন বেগম রোকেয়া। সমাজের কুসংস্কার, নারী সমাজের অবহেলা ও বঞ্চনার করুণ চিত্র তিনি তাঁর গ্রন্থ অবরোধ বাসিনী, পদ্মরাগ, মতিচুর, সুলতানার স্বপ্ন প্রভৃতিতে ফুটিয়ে তুলেছেন। বেগম রোকেয়া নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে কোলকাতায় আঞ্জুমানে খাওয়াতিনে ইসলাম (মুসলিম মহিলা সমিতি) প্রতিষ্ঠা করেন। সূত্র- বোর্ড বইঃনবম-দশম শ্রেণি।
.
পূর্ববঙ্গের মুসলমানরা কার নেতৃত্বে বঙ্গভঙ্গকে স্বাগত জানায়?
  1. ক) আগা খান
  2. খ) নবাব সলিমুল্লাহ
  3. গ) মহসীন-উল-হক
  4. ঘ) নবাব আব্দুল লতিফ
সঠিক উত্তর:
খ) নবাব সলিমুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নবাব সলিমুল্লাহ
ব্যাখ্যা
লর্ড কার্জন ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দের অক্টোবরে পূর্ববঙ্গ ও আসাম নামে নতুন একটা প্রদেশ সৃষ্টি করেন। এ প্রদেশের রাজধানী ছিল ঢাকা। বাংলার মুসলমানরা নবাব সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে বঙ্গভঙ্গকে স্বাগত জানায়। পূর্ববঙ্গের মুসলমানরা এতে খুশী হলেও বাংলার বর্ণ হিন্দুরা এর বিরুদ্ধে প্রবল আন্দোলন গড়ে তোলে। ব্রিটিশ সরকার আন্দোলনকারীদের দমন করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত ১৯১১ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গভঙ্গ রহিত করে। রাজা পঞ্চম জর্জ ভারত সফরে এসে দিল্লির দরবারে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন। সূত্র- বোর্ড বইঃনবম-দশম শ্রেণি।
.
‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’ গানটি রবীন্দ্রনাথ কখন রচনা করেন?
  1. ক) সিপাহী বিদ্রোহের সময়
  2. খ) স্বদেশী আন্দোলনের সময়
  3. গ) তেভাগা আন্দোলনের সময়
  4. ঘ) সত্যাগ্রহ আন্দোলনের সময়
সঠিক উত্তর:
খ) স্বদেশী আন্দোলনের সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্বদেশী আন্দোলনের সময়
ব্যাখ্যা
স্বদেশী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বাংলা ভাষায় বাঙালি জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধকারী শ্রেষ্ঠ দেশাত্মবোধক গানগুলো রচনা করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, মুকুন্দ দাস এবং রজণীকান্ত সেন প্রমুখ। আমাদের জাতীয় সঙ্গীত ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’ গানটি রবীন্দ্রনাথ ঐ সময় রচনা করেন। সূত্র- বোর্ড বইঃনবম-দশম শ্রেণি।
.
ব্রিটিশ বিরোধী সন্ত্রাসী আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিলেন না-
  1. ক) সূর্যসেন
  2. খ) ইলা মিত্র
  3. গ) প্রীতিলতা
  4. ঘ) কল্পনা দত্ত
সঠিক উত্তর:
খ) ইলা মিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইলা মিত্র
ব্যাখ্যা
ব্রিটিশ বিরোধী সন্ত্রাসী আন্দোলনের দুঃসাহসী বিপ্লবী ছিলেন চট্টগ্রামের মাস্টারদা, যার আসল নাম সূর্যসেন (১৮৯৪-১৯৩৪)। ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দের এপ্রিল মাসে তাঁর নেতৃত্বে চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুন্ঠিত হয়। এই আন্দোলনে সূর্য সেনের বিপ্লবী বাহিনীতে নারী যোদ্ধাও ছিলেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কল্পনা দত্ত ও প্রীতিলতা। প্রীতিলতা তার যোগ্যতার জন্য চট্টগ্রাম ‘পাহাড়তলী ইউরোপিয়ান ক্লাব’ আক্রমণের নেতৃত্ব দেন। এই সশস্ত্র আন্দোলন চলে ১৯৩৪ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত। ইলা মিত্র তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী ছিলেন। সূত্র- বোর্ড বইঃনবম-দশম শ্রেণি।
১০.
পাকিস্তানের মোট জনগোষ্ঠীর শতকরা কত ভাগ লোকের মুখের ভাষা উর্দু ছিল?
  1. ক) ৫৬.৪০%
  2. খ) ৩.২৭%
  3. গ) ৪০.২৩%
  4. ঘ) ৩২.৩৫%
সঠিক উত্তর:
খ) ৩.২৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩.২৭%
ব্যাখ্যা
১৯৪৭ সালের আগস্ট মাসে পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকেই পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালির অধিকার হরণের চেষ্টায় লিপ্ত হয়। পাকিস্তানের মোট জনগোষ্ঠীর শতকরা ৫৬.৪০ ভাগের মুখের ভাষা বাংলা হওয়া সত্ত্বেও সংখ্যালঘিষ্ট মাত্র ৩.২৭% জনগোষ্ঠীর ভাষা উর্দুকে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপিয়ে দিতে চেয়েছিল। ১৯৪৮ সালে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মতামত উপেক্ষা করে উর্দু ভাষাকেই রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। সূত্র- বোর্ড বইঃনবম-দশম শ্রেণি।
১১.
‘উর্দুই এবং একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা’ বলে ঘোষণা করেন?
  1. ক) খাজা নাজিমুদ্দিন
  2. খ) লিয়াকত আলী খান
  3. গ) নুরুল আমিন
  4. ঘ) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
সঠিক উত্তর:
ঘ) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
ব্যাখ্যা
১৯৪৮ সালের ১৯ মার্চ পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ্ ঢাকায় আসেন। ২১ মার্চ রমনার রেসকোর্স ময়দানে এক জনসভায় এবং ২৪ মার্চ কার্জন হলে অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ঘোষণা করেন ‘উর্দুই এবং একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা’। উপস্থিত ছাত্ররা ‘না না’ ধ্বনি দিয়ে এর প্রতিবাদ জানায়। সূত্র- বোর্ড বইঃনবম-দশম শ্রেণি।
১২.
আরবি হরফে বাংলা লেখার ষড়যন্ত্রের প্রচেষ্টা হিসেবে পাকিস্তানি শাসকগণ কোনটি গঠন করে?
  1. ক) রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ
  2. খ) পূর্ববাংলা ভাষা কমিটি
  3. গ) সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা পরিষদ
  4. ঘ) পূর্ববাংলা ভাষা সংস্কার কমিটি
সঠিক উত্তর:
খ) পূর্ববাংলা ভাষা কমিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পূর্ববাংলা ভাষা কমিটি
ব্যাখ্যা
আরবি হরফে বাংলা লেখার ষড়যন্ত্রের প্রচেষ্টা হিসেবে বাংলা ভাষা সংস্কারের নামে ১৯৪৯ সালের মার্চ মাসে আকরাম খানকে সভাপতি করে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ‘পূর্ববাংলা ভাষা কমিটি’ গঠন করে। এই কমিটি গঠনের প্রতিবাদ জানায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯৫০ সালের ১১ মার্চ আবদুল মতিনকে আহব্বায়ক করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। সূত্র- বোর্ড বইঃনবম-দশম শ্রেণি।
১৩.
২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয় কখন?
  1. ক) ১৯৯৬ খ্রি:
  2. খ) ১৯৯৭ খ্রি:
  3. গ) ১৯৯৯ খ্রি:
  4. ঘ) ২০০০ খ্রি.
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯৯ খ্রি:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯৯ খ্রি:
ব্যাখ্যা
১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এই স্বীকৃতি ভাষা আন্দোলনের গুরুত্ব এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে বাংলা ভাষার মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে। সূত্র- বোর্ড বইঃনবম-দশম শ্রেণি।