পরীক্ষা আর্কাইভ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

পরীক্ষাশিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়22 minutes
মোট প্রশ্ন৩৮
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৫ রিভিশন পরীক্ষা (১১ - ১৪)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৮ প্রশ্ন

.
p - q = 4 এবং pq = 12 হলে (p + q)2 এর মান কত?
  1. 49
  2. 64
  3. 89
  4. 97
সঠিক উত্তর:
64
উত্তর
সঠিক উত্তর:
64
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: p - q = 4 এবং pq = 12 হলে (p + q)2 এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
p - q = 4
এবং pq = 12

∴ (p + q)2 = (p - q)2 + 4pq
= 42 + 4 × 12
= 16 + 48
= 64

.
x + (1/x) = 7 হলে {x - (1/x)}2 এর মান কত?
  1. 45
  2. 49
  3. 53
  4. 57
সঠিক উত্তর:
45
উত্তর
সঠিক উত্তর:
45
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: x + (1/x) = 7 হলে {x - (1/x)}2 এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
x + (1/x) = 7

∴ {x - (1/x)}2 = {x + (1/x)}2 - 4 . x . (1/x)
= 72 - 4
= 49 - 4
= 45

.
a + b = 15 এবং a - b = 1 হলে ab এর মান কত?
  1. 52
  2. 56
  3. 60
  4. 64
সঠিক উত্তর:
56
উত্তর
সঠিক উত্তর:
56
ব্যাখ্যা

.
p + q = 6 হলে p3 + q3 + 18pq এর মান কত? 
  1. 194
  2. 196
  3. 214
  4. 216
সঠিক উত্তর:
216
উত্তর
সঠিক উত্তর:
216
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: p + q = 6 হলে p3 + q3 + 18pq এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
p + q = 6

∴ p3 + q3 + 18pq = (p + q)3 - 3pq(p + q) + 18pq
= (6)3 - 3pq × 6 + 18pq
= 216 - 18pq + 18pq
= 216

.
x = 2 হলে 8x3 + 12x2 + 6x + 1 এর মান কত?
  1. 81
  2. 98
  3. 112
  4. 125
সঠিক উত্তর:
125
উত্তর
সঠিক উত্তর:
125
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: x = 2 হলে 8x3 + 12x2 + 6x + 1 এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
x = 2

∴ 8x3 + 12x2 + 6x + 1
= (2x)3 + 3 × (2x)2 × 1 + 3 × 2x × (1)2 + (1)3
= (2x + 1)3
= (2 × 2 + 1); [x = 2]
= 53
= 125

.
a - b = 6 এবং ab = 40 হলে a + b এর মান কত?
  1. 7
  2. ± 14
  3. 8
  4. ± 16
সঠিক উত্তর:
± 14
উত্তর
সঠিক উত্তর:
± 14
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: a - b = 6 এবং ab = 40 হলে a + b এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
a - b = 6 এবং ab = 40

∴ (a + b)2 = (a - b)2 + 4ab
= 62 + 4 × 40
= 36 + 160
= 196

∴ a + b = ± √(196)
= ± 14

.
যদি x2 + (1/x)2 = 10 হয়, তাহলে x + (1/x) এর মান কত?
  1. √5
  2. √7
  3. √10
  4. √12
সঠিক উত্তর:
√12
উত্তর
সঠিক উত্তর:
√12
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি x2 + (1/x)2 = 10 হয়, তাহলে x + (1/x) এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
x2 + (1/x)2 = 10

∴ {x + (1/x)}2 = x2 + (1/x)2 + 2 × x × (1/x)
= 10 + 2
= 12

∴ x + (1/x) = √12

.
p + q + r = 8  এবং pq + qr + rp = 19 হলে p2 + q2 + r2 = ?
  1. 26
  2. 38
  3. 52
  4. 74
সঠিক উত্তর:
26
উত্তর
সঠিক উত্তর:
26
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: p + q + r = 8  এবং pq + qr + rp = 19 হলে p2 + q2 + r2 = ?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
p + q + r = 8
pq + qr + rp = 19

আমরা জানি,
(p + q + r)2 = (p2 + q2 + r2) + 2(pq + qr + rp)

∴ p2 + q2 + r2 = (p + q + r)2 - 2(pq + qr + rp)
= 82 - 2 × 19
= 64 - 38
= 26

.
যদি (p + q)4 - (p - q)4 = kpq(p2 + q2) হয়, তবে k এর মান কত?
  1. 5
  2. 8
  3. 12
  4. 16
সঠিক উত্তর:
8
উত্তর
সঠিক উত্তর:
8
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি (p + q)4 - (p - q)4 = kpq(p2 + q2) হয়, তবে k এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
(p + q)4 - (p - q)= kpq(p2 + q2)

∴ (p + q)4 - (p - q)4
= {(p + q)2}2 - {(p - q)2}2
= {(p + q)2 + (p - q)2} {(p + q)2 - (p - q)2}
= {(p2 + 2pq + q2) + (p2 - 2pq + q2)} {(p2 + 2pq + q2) - (p2 - 2pq + q2)
= (p2 + 2pq + q2 + p2 - 2pq + q2) (p2 + 2pq + q2 - p2 + 2pq - q2)
= 2(p2 + q2) × 4pq
= 8pq(p2 + q2)
∴ 8pq(p2 + q2) = kpq(p2 + q2)
উভয়পাশ তুলনা করে পাই, k = 8

সুতরাং, k = 8

১০.
  1. 3√2
  2. 7√2
  3. 10√2
  4. 18√2
সঠিক উত্তর:
10√2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
10√2
ব্যাখ্যা

১১.
শুদ্ধ বানান কোনটি?
  1. শাড়ি
  2. মুরগি
  3. গাড়ি
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর - সবগুলোই

• অপ্রাণিবাচক শব্দ ও ইতরপ্রাণিবাচক অতৎসম শব্দের শেষে ই/ঈ-কারের মধ্যে ই-কার হবে।
যেমন:
অপ্রাণিবাচক শব্দ:
- বাড়ি, গাড়ি, শাড়ি, চাবি ইত্যাদি ।

ইতরপ্রাণিবাচক শব্দ:
- পাখি, হাতি, চড়ুই, মুরগি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১২.
শুদ্ধ বানান -
  1. কিশমিষ
  2. স্পষ্ট
  3. ষ্টিমার
  4. নাষতা
সঠিক উত্তর:
স্পষ্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পষ্ট
ব্যাখ্যা

• শুদ্ধ বানান - স্পষ্ট।

• ট-বর্গীয় ধ্বনির সঙ্গে 'ষ' যুক্ত হয়।
যথা: কষ্ট, স্পষ্ট, নষ্ট, কাষ্ঠ, ওষ্ঠ ইত্যাদি।

• বিদেশি শব্দের ক্ষেত্রে 'ষ' ব্যবহারের প্রয়োজন নেই।
যেমন:
- কিশমিশ, নাশতা, পোশাক, স্টিমার, বেহেস্ত, শখ, শয়তান, শরবত, শরম, শহর, শামিয়ানা, শার্ট, শৌখিন।

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম।

১৩.
বাংলা কৃৎ প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দ কোনটি?
  1. পড়
  2. পাঠ
  3. জয়
  4. কর্তব্য
সঠিক উত্তর:
পড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পড়
ব্যাখ্যা

বাংলা কৃৎ প্রত্যয়যোগে শব্দ গঠন:
অ:
- √কাঁদ্ + অ = কাঁদ,
- √ধর্ + অ = ধর,
- √চল্ + অ = চল,
- √পড়ু + অ = পড়

অন> ওন:
- √নাচ্ + অন = নাচন,
- √কাঁদ্ + অন = কাঁদন।

অন্যদিকে,
সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়যোগে শব্দ গঠন
১. অ(অচ্)
√পট্ + অ = পাঠ, 
√জি + অ = জয়,
Vকৃ + তব্য = কর্তব্য ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি।

১৪.
কোন পদরূপে 'কি' শব্দটি লিখতে ঈ-কার ব্যবহৃত হয়?
  1. বিশেষ্য
  2. উপসর্গ
  3. অনুসর্গ
  4. বিশেষণ
সঠিক উত্তর:
বিশেষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশেষণ
ব্যাখ্যা

• সর্বনাম, বিশেষণ, ক্রিয়া-বিশেষণ ও যোজক পদরূপে কী শব্দটি ঈ-কার দিয়ে লেখা হবে।
যেমন:
- এটা কী বই?
- কী আনন্দ!
- কী আর বলব?
- কী করছ?
- কী করে যাব?
- কী খেলে?
- কী জানি?

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম।

১৫.
নিচের কোন যুক্তবর্ণের বিশ্লেষণটি ভুল?
  1. ঞ্চ = ঙ্‌ + ঝ
  2. দ্ধ = দ্ + ধ
  3. ক্ষ = ক + ষ
  4. হ্ম = হ + ম
সঠিক উত্তর:
ঞ্চ = ঙ্‌ + ঝ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঞ্চ = ঙ্‌ + ঝ
ব্যাখ্যা

ঞ্চ = ঙ্‌ + ঝ - যুক্তবর্ণের বিশ্লেষণটি ভুল। 
- এর শুদ্ধরূপ - ঞ্চ = ঞ + চ।

অন্যদিকে,
- দ্ধ = দ্ + ধ,
- ক্ষ = ক + ষ,
- হ্ম = হ + ম।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ ২০১৯)।

১৬.
কোনটি সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়?
  1. ষ্ণিক
  2. খানা
  3. বাজ
সঠিক উত্তর:
ষ্ণিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষ্ণিক
ব্যাখ্যা

সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়:
- যে তদ্ধিত প্রত্যয় সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তাকে সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
যেমন: মনু + ষ্ণ = মানব; লোক + ষ্ণিক = লৌকিক ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়:
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত সংস্কৃত ও বিদেশি প্রত্যয় ব্যতীত বাকি প্রত্যয়গুলোকে বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
যেমন: বাঘ + = বাঘা; ঘর + আমি = ঘরামি ইত্যাদি।

বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়:
- শব্দের শেষে যেসব বিদেশি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তাদের বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
যেমন: ডাক্তার + খানা = ডাক্তারখানা, ধড়ি + বাজ = ধড়িবাজ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি।

১৭.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. ঠাণ্ডা
  2. কণ্টক
  3. ঝাণ্ডা
  4. গুণ্ডা
সঠিক উত্তর:
কণ্টক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কণ্টক
ব্যাখ্যা

• শুদ্ধ বানান - কণ্টক

মূর্ধন্য-ণ ও দন্ত্য-ন এর ব্যবহার:
- অতৎসম শব্দের বানানে ণ ব্যবহার করা হবে না।
যেমন:
- ইরান, কান, কোরান, গভর্নর, গুনতি, গোনা, ঝরনা, ধরন, পরান, রানি, সোনা, হর্ন।

- তৎসম শব্দে ট, ঠ, ড, ঢ-য়ের পূর্বে যুক্ত নাসিক্যবর্ণ ণ হয়।
যেমন:
- কণ্টক, প্রচণ্ড, লুণ্ঠন।

- কিন্তু অতৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ট ঠ ড ঢ-য়ের আগে কেবল ন হবে।
যেমন:
- গুন্ডা, ঝান্ডা, ঠান্ডা, ডান্ডা, লন্ঠন।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৮.
'ক্ষ্ম' এই যুক্তাক্ষরে কয়টি বর্ণ রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

• 'ক্ষ্ম' এই যুক্তাক্ষরে কয়টি বর্ণ রয়েছে - ৩টি
- ক্ + ষ্ + ম = ক্ষ্ম।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু যুক্তবর্ণ হলো:
- ঞ্ + জ = ঞ্জ,
- ঞ্‌ + চ = ঞ্চ,  
- হ্ + ম = হ্ম,
- ঞ্ + ছ = ঞ্ছ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, নবম-দশম শ্রেণি, (সংস্করণ ২০২১)।

১৯.
'ছিন্ন' শব্দের সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় কোনটি?
  1. √ছিন্‌ + ক্ত
  2. √ছিৎ + ক্ত
  3. √ছিদ্‌ + ক্ত
  4. √ছিধ্‌ + ক্ত
সঠিক উত্তর:
√ছিদ্‌ + ক্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
√ছিদ্‌ + ক্ত
ব্যাখ্যা

• ক্ত-প্রত্যয় পরে থাকলে ধাতুর মধ্যে বিভিন্ন রকমের পরিবর্তন হয়। এখানে এরূপ কয়েকটি প্রকৃতি- প্রত্যয়ের উদাহরণ দেওয়া হলো।

যেমন:
- √চুর্ + ক্ত = চূর্ণ,
- √ছিদ্‌ + ক্ত = ছিন্ন,
- √জন্‌ + ক্ত = জাত,
- √দা + ক্ত = দত্ত,
- √সৃজ্ + ক্ত = সৃষ্ট ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

২০.
যুক্তরাষ্ট্রের আইন সভার নাম কী? 
  1. কংগ্রেস
  2. পার্লামেন্ট
  3. ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি
  4. ফেডারেল কাউন্সিল
সঠিক উত্তর:
কংগ্রেস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কংগ্রেস
ব্যাখ্যা

- যুক্তরাষ্ট্রের আইন সভার নাম কংগ্রেস।
- হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভ হলো যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার নিম্নকক্ষ।
- হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভস ৪৩৫ জন সদস্য।
- সিনেট উচ্চ কক্ষ।
- সিনেট (৫০*২ = ১০০ জন) সদস্য।

যুক্তরাষ্ট্র (USA) :
- পূর্ণ নাম: ইউনাইটেড স্টেটস অফ আমেরিকা (United States of America).
- ৫০টি অঙ্গরাজ্য, একটি ফেডারেল জেলা (ওয়াশিংটন, ডি.সি.)।
- রাজধানী: ওয়াশিংটন, ডি.সি. (Washington, D.C.)
- স্বাধীনতা দিবস: ৪ জুলাই, ১৭৭৬ (গ্রেট ব্রিটেন থেকে)।
- সংবিধান: ১৭৮৭ সালে গৃহীত যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান বিশ্বের প্রাচীনতম লিখিত সংবিধান।
- রাজনৈতিক দল: প্রধানত দ্বিদলীয় ব্যবস্থা প্রচলিত, ডেমোক্রেটিক পার্টি এবং রিপাবলিকান পার্টি।
- সীমানা: উত্তরে কানাডা এবং দক্ষিণে মেক্সিকো।
- প্রধান নদ-নদী: মিসিসিপি, মিসৌরি, কলোরাডো, রিও গ্রান্ডে।
- বর্তমান রাষ্ট্রপতি: ডোনাল্ড ট্রাম্প (৪৭ তম ও ৪৫ তম নির্বাচিত)

উল্লেখ্য,
- ২০২৬ সাল যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি ঐতিহাসিক বছর, কারণ এই বছর দেশটি তার স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তি  উদযাপন করবে।
- মহাকাশ গবেষণা: নাসা (NASA)-র মাধ্যমে চাঁদে মানুষের পদার্পণ (অ্যাপোলো মিশন) এবং মঙ্গলে রোভার প্রেরণ। আর্টেমিস প্রোগ্রামের মাধ্যমে ২০২৬ সালের দিকে পুনরায় চাঁদে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা চলমান রয়েছে।

উৎস: যুক্তরাষ্ট্র পার্লামেন্ট এবং ব্রিটানিকা।

২১.
আয়তন ও জনসংখ্যায় এশিয়ার ক্ষুদ্রতম দেশ কোনটি? 
  1. ভুটান
  2. মালদ্বীপ 
  3. নেপাল
  4. শ্রীলংকা
সঠিক উত্তর:
মালদ্বীপ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালদ্বীপ 
ব্যাখ্যা

এশিয়া মহাদেশ:
- বিশ্বের বৃহত্তম মহাদেশ।
- সর্বোচ্চ শৃঙ্গ: মাউন্ট এভারেস্ট (৮,৮৪৮.৮৬ মিটার)। এটি নেপাল ও চীনের সীমান্তে অবস্থিত।
- সর্বনিম্ন বিন্দু: মৃত সাগর (Dead Sea)। এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪৩০ মিটার নিচে।
- বৃহত্তম দেশ: এশিয়ার নিজস্ব সীমানায় চীন বৃহত্তম।
- ক্ষুদ্রতম দেশ: মালদ্বীপ (আয়তন ও জনসংখ্যা উভয় দিক থেকে)।
- বৃহত্তম হ্রদ: কাস্পিয়ান সাগর (এটি লোনা পানির হ্রদ)।
- গভীরতম হ্রদ: বৈকাল হ্রদ (রাশিয়া), এটি পৃথিবীর বৃহত্তম মিষ্টি পানির আধার।
- দীর্ঘতম নদী: ইয়াংসি নদী (চীন), দৈর্ঘ্য প্রায় ৬,৩০০ কিমি।
- সর্বাধিক জনবহুল দেশ: ভারত (বর্তমানে চীনকে অতিক্রম করেছে)।
- জনবহুল শহর: টোকিও, জাপান (বিশ্বের বৃহত্তম মেট্রোপলিটন এলাকা)।
- শীতলতম স্থান: উত্তর এশিয়ার সাইবেরিয়া অঞ্চলের ওময়াকন (Oymyakon) পৃথিবীর সবচেয়ে শীতলতম জনবসতি।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

২২.
পানি প্রবাহের দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম নদী কোনটি? 
  1. নীল নদ
  2. আমাজন নদী
  3. ভলগা নদী
  4. ইয়াংসি নদী
সঠিক উত্তর:
আমাজন নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমাজন নদী
ব্যাখ্যা

দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ:
- সর্বোচ্চ শৃঙ্গ: মাউন্ট অ্যাকনকাগুয়া (৬,৯৬১ মিটার)।
- এটি আর্জেন্টিনায় অবস্থিত এবং এশিয়ার বাইরে বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।
- সর্বনিম্ন বিন্দু: লেগুনা ডেল কার্বন। এটি আর্জেন্টিনায় অবস্থিত এবং সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১০৫ মিটার নিচে।
- বৃহত্তম দেশ: ব্রাজিল (এটি মহাদেশের প্রায় অর্ধেক ভূখণ্ড দখল করে আছে)।
- ক্ষুদ্রতম দেশ: সুরিনাম।
- বৃহত্তম নদী: আমাজন নদী (Amazon River)। এটি জলপ্রবাহের দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম নদী।
- দীর্ঘতম পর্বতমালা: আন্দিজ পর্বতমালা। এটি বিশ্বের দীর্ঘতম মহাদেশীয় পর্বতমালা।
- শুষ্কতম স্থান: আতাকামা মরুভূমি (চিলি)। এটি পৃথিবীর অন্যতম শুষ্কতম অঞ্চল।
- সর্বাধিক জনবহুল দেশ: ব্রাজিল।
- অ্যাঞ্জেল জলপ্রপাত (ভেনিজুয়েলা): বিশ্বের সর্বোচ্চ নিরবচ্ছিন্ন জলপ্রপাত (উচ্চতা ৯৭৯ মিটার)।

এছাড়াও,
- পৃথিবীর ফুসফুস: আমাজন রেইনফরেস্টকে পৃথিবীর ফুসফুস বলা হয়।
- স্থলবেষ্টিত দেশ: দক্ষিণ আমেরিকায় মাত্র দুটি স্থলবেষ্টিত (Landlocked) দেশ রয়েছে—বলিভিয়া এবং প্যারাগুয়ে।
- পানামা খাল: এটি দক্ষিণ আমেরিকাকে উত্তর আমেরিকা থেকে পৃথক করেছে এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যের একটি প্রধান পথ।

উৎস: WorldAtlas.com.

২৩.
পানামা খাল কোন দুটি মহাসাগরকে যুক্ত করেছে?
  1. আটলান্টিক মহাসাগর এবং ভূমধ্যসাগর
  2. প্রশান্ত মহাসাগর এবং আরব সাগর 
  3. ভারত মহাসাগর এবং আটলান্টিক মহাসাগর 
  4. আটলান্টিক মহাসাগর এবং প্রশান্ত মহাসাগর 
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর এবং প্রশান্ত মহাসাগর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর এবং প্রশান্ত মহাসাগর 
ব্যাখ্যা

পানামা খাল:
- এটি বিশ্বের দুটি সবচেয়ে কৌশলগত কৃত্রিম জলপথের মধ্যে একটি, যা পানামা প্রজাতন্ত্রের মালিকানাধীন ও পরিচালিত।
- এটি আটলান্টিক মহাসাগর এবং প্রশান্ত মহাসাগর সংযুক্ত করে।
- উপকূল থেকে উপকূল পর্যন্ত এর দৈর্ঘ্য: প্রায় ৪০ মাইল (৬৫ কিমি)।
- উদ্বোধন: আগস্ট, ১৯১৪।
• নিয়ন্ত্রণ ও প্রশাসন:
- ১৯১৪-১৯৭৯: খালটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃত্বে পরিচালিত।
- ১৯৭৯: পানামা খাল কমিশন নামে মার্কিন ও পানামার যৌথ সংস্থা নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ।
- ৩১ ডিসেম্বর ১৯৯৯: খালের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ পানামা সরকারের কাছে হস্তান্তরিত।
- বর্তমান প্রশাসন: পানামা খাল কর্তৃপক্ষ, যা কেবল পানামা সরকারের কাছে জবাবদিহি করে।

উৎস: Britannica.

২৪.
’গ্রিনল্যান্ড’ ভৌগোলিকভাবে কোন মহাদেশে অবস্থিত? 
  1. উত্তর আমেরিকা
  2. দক্ষিণ আমেরিকা
  3. আফ্রিকা
  4. ইউরোপ
সঠিক উত্তর:
উত্তর আমেরিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর আমেরিকা
ব্যাখ্যা

উত্তর আমেরিকা মহাদেশ:
- উত্তর আমেরিকা পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম মহাদেশ।
• সর্বোচ্চ শৃঙ্গ: ডেনালি (Denali), যার উচ্চতা ৬,১৯০ মিটার।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কায় অবস্থিত (পূর্বে মাউন্ট ম্যাককিনলি নামে পরিচিত ছিল)।
• সর্বনিম্ন বিন্দু: ডেথ ভ্যালি (Death Valley)।
- এটি ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত এবং সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৮৬ মিটার নিচে।
- বৃহত্তম দেশ: কানাডা (এটি আয়তনে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ)।
- ক্ষুদ্রতম দেশ: সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস।
- বৃহত্তম হ্রদ: সুপিরিয়র হ্রদ (Lake Superior)। এটি আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম মিষ্টি পানির হ্রদ।
- দ্বীপ: গ্রিনল্যান্ড (Greenland) বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ, যা ভৌগোলিকভাবে উত্তর আমেরিকায় অবস্থিত।
- কিন্তু গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা ডেনমার্ক।

উৎস: WorldAtlas.com.

২৫.
নীল নদ কোন সাগরে পতিত হয়েছে?
  1. লোহিত সাগর
  2. কৃষ্ণ সাগর
  3. ভূমধ্যসাগর
  4. আরব সাগর
সঠিক উত্তর:
ভূমধ্যসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমধ্যসাগর
ব্যাখ্যা

নীল নদ:
পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী নীল নদ।
- নীল নদ আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- নীল নামটি গ্রীক নিলোস থেকে এসেছে, যার অর্থ একটি উপত্যকা বা নদী উপত্যকা।
- আফ্রিকার লেক ভিক্টোরিয়া নীল নদের উৎস।
- নীল নদ ভূমধ্যসাগরে পতিত হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- নীল নদের দৈর্ঘ্য ৬৮০০ কি.মি (৪,১৩৫ মাইল)।
- বিভিন্ন দেশ হয়ে ভূ-মধ্যসাগরে নীল নদ পতিত হয়।
- নীলনদ ১১টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- নীল নদের অববাহিকা মিশর, সুদান, দক্ষিণ সুদান, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, বুরুন্ডি, রুয়ান্ডা, উগান্ডা এবং তানজানিয়া জুড়ে বিস্তৃত।
এর সবচেয়ে দূরবর্তী উৎস বুরুন্ডির কাগেরা নদী।
- নীল নদ তিনটি প্রধান স্রোত দ্বারা গঠিত।
- নীল নীল এবং আতবারা যা ইথিওপিয়ার উচ্চভূমি থেকে প্রবাহিত হয় এবং সাদা নীল যার প্রধান স্রোত ভিক্টোরিয়া এবং আলবার্ট হ্রদে প্রবাহিত হয়।

উৎস: World atlas.

২৬.
গ্রিনল্যান্ড ও বাফিন দ্বীপকে পৃথক করেছে কোন প্রণালী? 
  1. ডেভিস প্রণালী
  2. ফ্লোরিডা প্রণালী 
  3. হাডসন প্রণালী
  4. ইউক্যাটান প্রণালী
সঠিক উত্তর:
ডেভিস প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেভিস প্রণালী
ব্যাখ্যা

ডেভিস প্রণালী (Davis Strait)
- অবস্থান: গ্রিনল্যান্ড এবং কানাডার বাফিন দ্বীপের মাঝে অবস্থিত।
- পৃথক করেছে: গ্রিনল্যান্ড ও বাফিন দ্বীপকে।
- সংযুক্ত করেছে: উত্তরে বাফিন উপসাগর এবং দক্ষিণে ল্যাব্রাডর সাগরকে (আটলান্টিক মহাসাগরের অংশ)।

• ফ্লোরিডা প্রণালী (Straits of Florida)
- অবস্থান: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্য এবং কিউবার মাঝে অবস্থিত।
- পৃথক করেছে: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা ও কিউবাকে।
- সংযুক্ত করেছে: মেক্সিকো উপসাগর এবং আটলান্টিক মহাসাগরকে।

• হাডসন প্রণালী (Hudson Strait)
- অবস্থান: কানাডার কুইবেক প্রদেশ এবং বাফিন দ্বীপের মাঝে অবস্থিত।
- পৃথক করেছে: বাফিন দ্বীপ ও কানাডার মূল ভূখণ্ডকে (কুইবেক/ল্যাব্রাডর)।
- সংযুক্ত করেছে: পশ্চিমে হাডসন উপসাগর এবং পূর্বে ল্যাব্রাডর সাগরকে (আটলান্টিক মহাসাগর)।

• ইউক্যাটান প্রণালী
- মেক্সিকো এবং কিউবাকে পৃথক করেছে ইউক্যাটান প্রণালী (Yucatan Channel)।
- এটি মেক্সিকোর ইউক্যাটান উপদ্বীপ এবং কিউবা দ্বীপের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত।
- সংযুক্ত করেছে: মেক্সিকো উপসাগর এবং আটলান্টিক মহাসাগরকে।
- বিশেষত্ব: এটি বিখ্যাত 'গাল্ফ স্ট্রিম' সমুদ্রস্রোতের প্রধান প্রবেশপথ।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২৭.
দক্ষিণ আফ্রিকার প্রশাসনিক রাজধানী কোনটি?
  1. কেপ টাউন
  2. প্রিটোরিয়া
  3. ব্লোয়েমফন্টেইন
  4. জোহানেসবার্গ
সঠিক উত্তর:
প্রিটোরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রিটোরিয়া
ব্যাখ্যা

- দক্ষিন আফ্রিকার রাজধানী ৩টি। যথা:
- নির্বাহী বা প্রশাসনিক রাজধানী: প্রিটোরিয়া।
- সংসদীয় রাজধানী: কেপ টাউন।
- বিচার বিভাগীয় রাজধানী: ব্লোয়েমফন্টেইন।

• দক্ষিণ আফ্রিকা:

- দক্ষিণ আফ্রিকা আফ্রিকা মহাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত রাষ্ট্র।
- দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রীয়/প্রশাসনিক নাম Republic of South Africa.
- দেশটির দক্ষিণে ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- দুই মহাসাগর মিলিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার উপকূলীয় তটরেখার দৈর্ঘ্য প্রায় ১৭৩৯ মাইল।
- দেশটির আইনসভার নাম পার্লামেন্ট।
- দেশটির আইনসভা ২ কক্ষ বিশিষ্ট।
- যথা: উচ্চকক্ষ National Council, নিম্নকক্ষ National Assembly.
- মুদ্রার নাম: র‍্যান্ড।

উৎস: Worldatlas ও Britannica.

২৮.
ভেনেজুয়েলা কোন মহাদেশে অবস্থিত? 
  1. উত্তর আমেরিকা
  2. দক্ষিণ আমেরিকা
  3. আফ্রিকা
  4. ইউরোপ
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ আমেরিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ আমেরিকা
ব্যাখ্যা

ভেনেজুয়েলা:
- দক্ষিণ আমেরিকার উত্তর উপকূলে অবস্থিত।
- যা বিশ্বের বৃহত্তম তেলের মজুদ জন্য পরিচিত।
- অফিসিয়াল নাম: বোলিভারিয়ান রিপাবলিক অফ ভেনেজুয়েলা (Bolivarian Republic of Venezuela)।
- রাজধানী: কারাকাস (Caracas)।
- বৃহত্তম শহর: কারাকাস।
- সরকার পদ্ধতি: রাষ্ট্রপতি শাসিত প্রজাতন্ত্র।
- রাষ্ট্রপতি: ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী/ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হলেন ডেলসি রদ্রিগেজ (Delcy Rodríguez),
- তিনি দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট থেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
- মুদ্রা: বলিভার সোবেরানো (VES)।
- ভাষা: স্প্যানিশ।

উল্লেখ্য,
- ঐতিহাসিকভাবে দীর্ঘসময় ধরে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট ছিলেন নিকোলাস মাদুরো   কিন্তু ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক আটক হওয়ার পর ডেলসি রদ্রিগেজ অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে রয়েছে।

উৎস: ব্রিটানিকা, রয়টার্স এবং বিবিসি নিউজ।

২৯.
রাশিয়ার মুদ্রার নাম কী? 
  1. ইউরো 
  2. পাউন্ড
  3. রুবল
  4. ডলার
সঠিক উত্তর:
রুবল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রুবল
ব্যাখ্যা

রাশিয়া:
- রাশিয়া আয়তনে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ, যা পূর্ব ইউরোপ এবং উত্তর এশিয়া জুড়ে বিস্তৃত।
- রাজধানী: মস্কো (Moscow).
- মুদ্রা: রাশিয়ান রুবল।
- আইনসভা (Federal Assembly): এটি দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট।
- স্টেট ডুমা (State Duma): নিম্নকক্ষ।
- ফেডারেশন কাউন্সিল (Federation Council): উচ্চকক্ষ।
• রাশিয়া ১১টি টাইম জোন বা সময় অঞ্চলের ওপর দিয়ে বিস্তৃত।
- আয়তন: প্রায় ১৭.১ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার।

• সীমানা: রাশিয়ার স্থল সীমানা বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ।
- এটি নরওয়ে, ফিনল্যান্ড, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, পোল্যান্ড, বেলারুশ, ইউক্রেন, জর্জিয়া, আজারবাইজান, কাজাখস্তান, চীন, মঙ্গোলিয়া এবং উত্তর কোরিয়ার সাথে সংযুক্ত।

• প্রধান নদ-নদী ও হ্রদ: ভলগা (ইউরোপের দীর্ঘতম নদী), বৈকাল হ্রদ (বিশ্বের গভীরতম এবং বৃহত্তম স্বাদু পানির হ্রদ)।
• ভূ-প্রকৃতি: পশ্চিমে বিশাল সমভূমি, উরাল পর্বতমালা (যা ইউরোপ ও এশিয়াকে বিভক্ত করেছে), এবং সাইবেরিয়ার বিশাল বনাঞ্চল ও তুন্দ্রা অঞ্চল।

উৎস: Official Portal of the Russian Government এবং Britannica.

৩০.
নিচের কোনগুলো রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত প্রধান হরমোন?
  1. থাইরক্সিন ও অ্যাড্রেনালিন
  2. ইনস্যুলিন ও গ্লুকাগন
  3. সিক্রেটিন ও গ্যাস্ট্রিন
  4. মেলাটোনিন ও কর্টিসল
সঠিক উত্তর:
ইনস্যুলিন ও গ্লুকাগন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনস্যুলিন ও গ্লুকাগন
ব্যাখ্যা

• ইনস্যুলিন ও গ্লুকাগন হলো অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত প্রধান হরমোন, যা রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে মূল ভূমিকা পালন করে।

• অগ্ন্যাশয় (Pancreas):
- অগ্ন্যাশয় পাকস্থলীর পিছনে আড়াআড়িভাবে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ মিশ্রগ্রন্থি।
- এটি একাধারে বহিঃক্ষরা ও অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির মতো কাজ করে।
- বহিঃক্ষরা গ্রন্থি হিসেবে অগ্ন্যাশয় থেকে অগ্ন্যাশয়রস নিঃসৃত হয়।
- অগ্ন্যাশয়রসে ট্রিপসিন, লাইপেজ ও অ্যামাইলেজ নামক এনজাইম থাকে।
- এসব এনজাইম যথাক্রমে আমিষ, স্নেহজাতীয় খাদ্য ও শর্করা পরিপাকে সহায়তা করে।
- অগ্ন্যাশয় দেহের অম্ল-ক্ষারের সাম্যতা, পানির সাম্যতা ও দেহতাপ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।
 
• অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি হিসেবে অগ্ন্যাশয়:
- অগ্ন্যাশয়ের একটি অংশ অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি হিসেবে কাজ করে।
- এই অংশ থেকে ইনস্যুলিন ও গ্লুকাগন হরমোন নিঃসৃত হয়।
- ইনস্যুলিন রক্তে অতিরিক্ত গ্লুকোজকে কোষে প্রবেশে সহায়তা করে এবং রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমায়।
- গ্লুকাগন যকৃতে সঞ্চিত গ্লাইকোজেনকে গ্লুকোজে রূপান্তর করে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়ায়।
- এই দুই হরমোনের সম্মিলিত ক্রিয়ায় রক্তের গ্লুকোজের স্বাভাবিক মাত্রা বজায় থাকে।
- গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি এরা বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কার্যাবলিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
 
• অন্যান্য অপশন:
- থাইরক্সিন ও অ্যাড্রেনালিন → বিপাক ও জরুরি প্রতিক্রিয়ায় জড়িত হরমোন।
- সিক্রেটিন ও গ্যাস্ট্রিন → পরিপাক প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন।
- মেলাটোনিন ও কর্টিসল → ঘুমচক্র ও স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন।

উৎস: জীববিজ্ঞান, ৯ম- ১০ম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।

৩১.
জিহ্বার কোন অংশে স্বাদ গ্রহণের জন্য স্বাদ কোরক থাকে?
  1. জিহ্বার পেশিতে
  2. জিহ্বার নিচের অংশে
  3. জিহ্বার উপরের আস্তরণে
  4. জিহ্বার অগ্রপ্রান্তের নিচে
সঠিক উত্তর:
জিহ্বার উপরের আস্তরণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিহ্বার উপরের আস্তরণে
ব্যাখ্যা

• জিহ্বার উপরের আস্তরণে স্বাদ কোরক থাকে, যেগুলোর মাধ্যমে আমরা খাদ্যের বিভিন্ন স্বাদ অনুভব করি।

• জিহ্বা (Tongue):
- জিহ্বা হলো মুখগহ্বরে অবস্থিত একটি লম্বা পেশিবহুল অঙ্গ।
- এটি মানুষের স্বাদ ইন্দ্রিয় হিসেবে কাজ করে।
- জিহ্বা দিয়ে আমরা টক, ঝাল, মিষ্টি ও তিতা স্বাদ গ্রহণ করি।
- জিহ্বার উপরিভাগে একটি বিশেষ আস্তরণ (epithelium) থাকে।
- এই আস্তরণের মধ্যে বিভিন্ন স্থানে স্বাদ কোরক (Taste buds) অবস্থান করে।
- স্বাদ কোরক রাসায়নিক উদ্দীপনার মাধ্যমে মস্তিষ্কে স্বাদের অনুভূতি পৌঁছে দেয়।
- জিহ্বার বিভিন্ন অংশে স্বাদের সংবেদন তুলনামূলকভাবে ভিন্ন হতে পারে।
 
• জিহ্বার কাজ:
- খাদ্যের স্বাদ গ্রহণ করা।
- খাদ্য গিলতে সাহায্য করা।
- খাদ্যবস্তুকে নেড়েচেড়ে দাঁতের নিকট পৌঁছে দেওয়া।
- খাদ্যবস্তুকে লালার সাথে মিশ্রিত করতে সহায়তা করা।
- কথা বলতে সাহায্য করা।
 
• জিহ্বার যত্ন:
- দাঁত ব্রাশ করার সময় নিয়মিত জিহ্বা পরিষ্কার করা উচিত।
- শিশুদের জিহ্বা পরিষ্কার না করলে ছত্রাকের সংক্রমণ হতে পারে।
- জ্বর বা কিছু রোগে জিহ্বার উপর সাদা বা হলদে পর্দা পড়তে পারে।
- এ সময় পানিতে লবণ গুলে কুলকুচি করলে উপকার পাওয়া যায়।
- জিহ্বায় ঘা বা অস্বাভাবিক দাগ দেখা দিলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হয়।
 
• অন্যান্য অপশন:
- জিহ্বার পেশিতে → পেশি জিহ্বার নড়াচড়া নিয়ন্ত্রণ করে।
- জিহ্বার নিচের অংশে → লালাগ্রন্থির নালির অবস্থান থাকে।
- জিহ্বার অগ্রপ্রান্তের নিচে → রক্তনালি ও স্নায়ুর উপস্থিতি বেশি থাকে।

উৎস: বিজ্ঞান, ৬ষ্ঠ শ্রেণি।

৩২.
চোখের জন্য উপকারী ভিটামিন কোনটি, যা সবুজ শাকসবজি ও রঙিন ফলমূলে পাওয়া যায়?
  1. ভিটামিন এ
  2. ভিটামিন বি
  3. ভিটামিন সি
  4. ভিটামিন ডি
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন এ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন এ
ব্যাখ্যা

• ভিটামিন এ চোখের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, যা দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে এবং রাতকানা রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

• চোখের যত্ন:
- চোখ মানুষের একটি কোমল ও গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ।
- সঠিকভাবে যত্ন না নিলে চোখে বিভিন্ন ধরনের রোগ ও সংক্রমণ হতে পারে।
- চোখ সুস্থ রাখতে নিয়মিত কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস অনুসরণ করা জরুরি।
 
• চোখের যত্ন নেওয়ার উপায়:
- ঘুম থেকে উঠে এবং বাইরে থেকে আসার পর পরিষ্কার পানি দিয়ে চোখ ধোয়া উচিত।
- চোখ মোছার সময় অবশ্যই পরিষ্কার কাপড় ব্যবহার করতে হবে।
- নিয়মিত সবুজ শাকসবজি ও রঙিন ফলমূল খেতে হবে।
- এসব খাদ্যে প্রচুর ভিটামিন এ থাকে, যা চোখের জন্য উপকারী।
- ভিটামিন এ চোখের দৃষ্টিশক্তি বজায় রাখতে সাহায্য করে।
- পর্যাপ্ত ভিটামিন এ গ্রহণ করলে রাতকানা রোগ এড়ানো যায়।
 
• ভিটামিন এ:
- ভিটামিন এ চোখের রেটিনা সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।
- এটি অল্প আলোতে দেখার ক্ষমতা উন্নত করে।
- ভিটামিন এ-এর অভাবে রাতকানা ও চোখ শুষ্ক হওয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে।
 
• অন্যান্য অপশন:
- ভিটামিন বি → স্নায়ু ও শক্তি উৎপাদনে সহায়ক।
- ভিটামিন সি → রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
- ভিটামিন ডি → হাড় ও দাঁত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ।
 
 উৎস: বিজ্ঞান, ৬ষ্ঠ শ্রেণি।

৩৩.
শিশুদের খাদ্যে প্রোটিনের অভাব হলে কোন রোগ হয়?
  1. রাতকানা
  2. স্কার্ভি
  3. কোয়াশিয়রকর
  4. রিকেট
সঠিক উত্তর:
কোয়াশিয়রকর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোয়াশিয়রকর
ব্যাখ্যা

• শিশুদের খাদ্যে প্রোটিনের অভাব হলে কোয়াশিয়রকর রোগ হয়, যার ফলে দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও গঠন বাধাগ্রস্ত হয়।

• প্রোটিন বা আমিষ:
- প্রোটিন দেহের একটি অত্যাবশ্যক পুষ্টি উপাদান।
- উৎসের উপর ভিত্তি করে প্রোটিনকে প্রাণিজ প্রোটিন ও উদ্ভিজ্জ প্রোটিন—এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়।
- মাছ, মাংস, ডিম ও দুগ্ধজাত খাদ্য প্রাণিজ প্রোটিনের উৎস।
- ডাল, বাদাম, শিম ও বরবটির বীজ উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের উৎস।
 
• প্রোটিনের কাজ:
- দেহের বৃদ্ধির জন্য কোষ গঠন করা।
- দেহের পেশি, হাড় বা অস্থি, রক্ত কণিকা ইত্যাদি প্রোটিন দ্বারা গঠিত।
- দেহে শক্তি উৎপন্ন করতে সহায়তা করা।
- প্রোটিন থেকে দেহে রোগ প্রতিরোধকারী এন্টিবডি তৈরি হয়।
 
• প্রোটিনের অভাব ও কোয়াশিয়রকর:
- শিশুদের খাদ্যে প্রোটিনের অভাব হলে কোয়াশিয়রকর রোগ দেখা দেয়।
- এ রোগে দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও গঠন বাধাগ্রস্ত হয়।
- শিশুর শারীরিক বিকাশ ঠিকভাবে না হওয়ায় শিশু পুষ্টিহীনতা বা অপুষ্টিতে ভোগে।
- কোয়াশিয়রকর সাধারণত দীর্ঘদিন প্রোটিনসমৃদ্ধ খাদ্য না পেলে হয়।
 
• অন্যান্য অপশন:
- রাতকানা → ভিটামিন এ-এর অভাবে সৃষ্ট রোগ।
- স্কার্ভি → ভিটামিন সি-এর অভাবে হয়।
- রিকেট → ভিটামিন ডি-এর অভাবে হাড় দুর্বল হয়।

 উৎস: বিজ্ঞান, ৬ষ্ঠ শ্রেণি।

৩৪.
জীবদেহে বিপাকীয় কাজের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি প্রধানত কোন খাদ্য জারণের ফলে উৎপন্ন হয়?
  1. কার্বোহাইড্রেট
  2. প্রোটিন
  3. স্নেহজাতীয় খাদ্য
  4. ভিটামিন
সঠিক উত্তর:
কার্বোহাইড্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বোহাইড্রেট
ব্যাখ্যা

• জীবদেহে বিপাকীয় কাজের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি প্রধানত কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাদ্য জারণের ফলে উৎপন্ন হয়।

• পুষ্টিগত গুরুত্ব (শর্করা/কার্বোহাইড্রেট):
- শর্করা দেহের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং তাপশক্তি উৎপাদনে প্রধান ভূমিকা রাখে।
- জীবদেহে বিপাকীয় (Metabolic) কাজ চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি কার্বোহাইড্রেট জারণে পাওয়া যায়।
- রক্তে অক্সিজেন কোষে পৌঁছে গ্লুকোজের সাথে বিক্রিয়া করে শক্তি নির্গত করে।
- এই শক্তিই দেহের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় মূল শক্তির উৎস।
 
• গ্লাইকোজেন ও সেলুলোজ:
- গ্লাইকোজেন প্রাণীদেহে খাদ্যঘাটতি বা অধিক পরিশ্রমের সময় শক্তি সরবরাহ করে।
- সেলুলোজ একটি অপাচ্য শর্করা এবং আঁশযুক্ত খাদ্য।
- সেলুলোজ মলত্যাগে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ করে।
 
• শর্করার অতিরিক্ত ও ঘাটতির প্রভাব:
- খাদ্যে শর্করার অভাবজনিত রোগ থেকে বাঁচতে প্রতিদিন প্রয়োজনীয় শর্করা গ্রহণ জরুরি।
- শর্করা চাহিদার তুলনায় বেশি হলে অতিরিক্ত অংশ মেদ হিসেবে জমা হয়।
- এতে স্থূলকায়তা এবং কখনো কখনো বহুমূত্র রোগ দেখা দিতে পারে।
- খাদ্যে প্রোটিন বা ফ্যাটের অভাব হলে শর্করা থেকে এগুলো সংশ্লেষ হতে পারে।
 
• খাদ্য ক্যালরি ও শক্তিমূল্য:
- খাদ্যের শক্তি ক্যালরি বা কিলোক্যালরি (kcal) এককে মাপা হয়।
- ১ ক্যালরি হলো ১ গ্রাম পানির তাপমাত্রা ১° সেলসিয়াস বাড়াতে প্রয়োজনীয় তাপশক্তি।
- ১০০০ ক্যালরি = ১ কিলোক্যালরি (Food Calorie).
- শর্করা ও প্রোটিনের শক্তিমূল্য প্রায় ৪ kcal/g.
- স্নেহজাতীয় খাদ্য (ফ্যাট)-এর শক্তিমূল্য সবচেয়ে বেশি, ৯ kcal/g.
- একজন পূর্ণবয়স্ক পুরুষের দৈনিক প্রায় ২৫০০ kcal এবং নারীর প্রায় ২০০০ kcal প্রয়োজন।
 
• অন্যান্য অপশন:
- প্রোটিন → দেহগঠন, বৃদ্ধি ও এন্টিবডি তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ।
- স্নেহজাতীয় খাদ্য → উচ্চ শক্তিমূল্যসম্পন্ন, সঞ্চিত শক্তির উৎস।
- ভিটামিন → শক্তি উৎপাদন নয়, দেহীয় কার্যাবলির সহায়ক।

উৎস: বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি। 

৩৫.
ভিটামিন B12 (কোবালামিন)-এর অভাবে প্রধানত কোন সমস্যা দেখা দেয়?
  1. রক্ত জমাট বাঁধতে বিলম্ব
  2. রক্তশূন্যতা
  3. ত্বক খসখসে হওয়া
  4. রাতকানা
সঠিক উত্তর:
রক্তশূন্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রক্তশূন্যতা
ব্যাখ্যা

• ভিটামিন B12 (কোবালামিন)-এর অভাবে রক্তশূন্যতা (অ্যানিমিয়া) দেখা দেয়, কারণ এটি রক্তকণিকা তৈরিতে অপরিহার্য।

• ভিটামিন B কমপ্লেক্স:
- ভিটামিন B কমপ্লেক্স হলো পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিনের একটি গোষ্ঠী।
- এদের মধ্যে B1, B2, B3, B6, B9 ও B12 গুরুত্বপূর্ণ।
- এসব ভিটামিন দেহের বিপাক, স্নায়ু কার্যক্রম ও রক্তগঠন–এ ভূমিকা রাখে।
 
• কোবালামিন বা সায়ানোকোবালামিন (ভিটামিন B12):
- ভিটামিন B12 দেহে লাল রক্তকণিকা গঠনে গুরুত্বপূর্ণ।
- এটি স্নায়ুতন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে সহায়তা করে।
- ভিটামিন B12-এর অভাবে দেহে রক্তশূন্যতা (অ্যানিমিয়া) দেখা দেয়।
- দীর্ঘদিন অভাব থাকলে শারীরিক দুর্বলতা ও ক্লান্তি অনুভূত হতে পারে।
 
• ভিটামিন B12-এর অভাবজনিত প্রভাব:
- রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমে যায়।
- অক্সিজেন পরিবহন ব্যাহত হয়।
- ফলে দেহের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে শক্তির ঘাটতি দেখা দেয়।
- এ অবস্থাকে রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া বলা হয়।
 
• অন্যান্য অপশন:
- রক্ত জমাট বাঁধতে বিলম্ব → এটি প্রধানত ভিটামিন K-এর অভাবে ঘটে।
- রাতকানা → ভিটামিন A-এর অভাবে হয়।
- ত্বক খসখসে হওয়া → ভিটামিন B3-এর অভাবে দেখা যায়।

উৎস: বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি। 

৩৬.
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর সংজ্ঞা অনুযায়ী ড্রাগ বলতে কী বোঝায়?
  1. শুধুমাত্র অবৈধ মাদকদ্রব্য
  2. এমন পদার্থ যা গ্রহণে স্বাভাবিক আচরণের পরিবর্তন ঘটে
  3. কেবল নেশাজাতীয় দ্রব্য
  4. রোগ নিরাময়ের ওষুধ
সঠিক উত্তর:
এমন পদার্থ যা গ্রহণে স্বাভাবিক আচরণের পরিবর্তন ঘটে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এমন পদার্থ যা গ্রহণে স্বাভাবিক আচরণের পরিবর্তন ঘটে
ব্যাখ্যা

• বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর মতে, ড্রাগ হলো এমন পদার্থ যা জীবিত প্রাণী গ্রহণ করলে তার এক বা একাধিক স্বাভাবিক আচরণে পরিবর্তন ঘটে।

• মাদকাসক্তি (Drug Addiction):
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ড্রাগের একটি আনুষ্ঠানিক সংজ্ঞা দিয়েছে।
- WHO-এর সংজ্ঞা অনুযায়ী, ড্রাগ এমন পদার্থ যা গ্রহণ করলে জীবের স্বাভাবিক আচরণে পরিবর্তন ঘটে।
- ড্রাগ মানেই সবসময় মাদক নয়, তবে সাধারণ ভাষায় ড্রাগকে মাদক বলা হয়।
- ড্রাগ গ্রহণের ফলে শারীরিক, মানসিক বা আচরণগত পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।
 
• মাদকাসক্তি বা ড্রাগ নির্ভরতা:
- যখন কোনো ব্যক্তি ক্রমাগত ড্রাগ সেবন করে।
- তখন ড্রাগের সাথে তার একটি দৈহিক ও মানসিক সম্পর্ক তৈরি হয়।
- নিয়মিত ড্রাগ গ্রহণ না করলে সে ব্যক্তি শারীরিক ও মানসিক সমস্যায় পড়ে।
- এই অবস্থাকেই বলা হয় মাদকাসক্তি বা ড্রাগ নির্ভরতা।
 
• আসক্তি সৃষ্টি করে এমন উল্লেখযোগ্য ড্রাগ:
- বিড়ি ও সিগারেট,
- আফিম ও আফিমজাত পদার্থ,
- হেরোইন,
- মদ,
- পেথিড্রিন,
- বারবিচুরেট,
- কোকেন,
- ভাং, চরস ও ম্যারিজুয়ানা,
- এলএসডি।
- এদের মধ্যে হেরোইন একটি মারাত্মক ড্রাগ।
 
• ড্রাগে আসক্ত হওয়ার কারণ:
- কৌতূহল,
- সঙ্গদোষ,
- হতাশা দূর করার প্রচেষ্টা,
- মানসিক যন্ত্রণা ভুলে থাকার চেষ্টা,
- নিজেকে বেশি কার্যক্ষম মনে করার আকাঙ্ক্ষা,
- পারিবারিক অশান্তি থেকে মুক্তির ইচ্ছা,
- পারিবারিক অভ্যাসগত প্রভাব,
- বাবা বা মা মাদকে আসক্ত হলে সন্তানের আসক্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।
 
• অন্যান্য অপশন:
- শুধুমাত্র অবৈধ মাদকদ্রব্য → WHO-এর সংজ্ঞার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
- কেবল নেশাজাতীয় দ্রব্য → ড্রাগের ব্যাপ্তি এর চেয়ে বেশি।
- রোগ নিরাময়ের ওষুধ → সব ওষুধ ড্রাগ হলেও সব ড্রাগ রোগ নিরাময়ের জন্য নয়।

উৎস: বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

৩৭.
কোনো অঞ্চলের জীব ও জড় উপাদানের পারস্পরিক নির্ভরশীলতার সম্পর্ককে কী বলা হয়?
  1. জীবমণ্ডল
  2. পরিবেশ
  3. বাস্তুতন্ত্র
  4. খাদ্যশৃঙ্খল
সঠিক উত্তর:
বাস্তুতন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাস্তুতন্ত্র
ব্যাখ্যা

• কোন অঞ্চলের জীব ও জড় উপাদানের পারস্পরিক নির্ভরশীল সম্পর্ককে বাস্তুতন্ত্র (Ecosystem) বলা হয়।

• পরিবেশ ও এর উপাদান:
- পরিবেশ গঠিত হয় জীব উপাদান ও জড় উপাদান নিয়ে।
- জীব উপাদানের মধ্যে উদ্ভিদ, প্রাণী ও অণুজীব অন্তর্ভুক্ত।
- জড় উপাদানের মধ্যে বায়ু, পানি, মাটি, আলো, তাপ ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত।
- পরিবেশে জীব ও জড় উপাদান সবসময় পারস্পরিক ক্রিয়া ও আদান-প্রদানে যুক্ত থাকে।
 
• বাস্তুতন্ত্র (Ecosystem):
- কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলে জীব ও জড় উপাদানের পারস্পরিক নির্ভরশীল সম্পর্ককে বাস্তুতন্ত্র বলা হয়।
- বাস্তুতন্ত্রে জীব উপাদান জড় উপাদানের উপর নির্ভরশীল।
- একইভাবে জীব উপাদানও একে অপরের উপর নির্ভরশীল।
- এই নির্ভরশীলতার মাধ্যমেই জীবের বেঁচে থাকা ও পরিবেশের ভারসাম্য বজায় থাকে।
 
• জীব ও জড় উপাদানের পারস্পরিক সম্পর্ক:
- উদ্ভিদ খাদ্য তৈরির জন্য সূর্যালোক, পানি ও কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে।
- প্রাণী খাদ্য ও অক্সিজেনের জন্য উদ্ভিদের উপর নির্ভরশীল।
- বায়ু, পানি ও মাটি ছাড়া কোনো জীবের জীবনধারণ সম্ভব নয়।
- এ সম্পর্ক কখনো সহজ, আবার কখনো জটিল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
 
• বাস্তুতন্ত্রে প্রক্রিয়াসমূহ:
- সালোকসংশ্লেষণ উদ্ভিদ ও জড় উপাদানের সম্পর্কের প্রধান প্রক্রিয়া।
- শ্বসন উদ্ভিদ ও প্রাণীর শক্তি উৎপাদনের প্রক্রিয়া।
- এই দুই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিবেশে গ্যাস ও শক্তির প্রবাহ বজায় থাকে।
- ফলে জীবমণ্ডলে একটি সামগ্রিক ভারসাম্য সৃষ্টি হয়।
 
• অন্যান্য অপশন:
- জীবমণ্ডল → পৃথিবীর সকল বাস্তুতন্ত্রের সমষ্টি।
- পরিবেশ → জীব ও জড় উপাদানের সামগ্রিক অবস্থা।
- খাদ্যশৃঙ্খল → জীবের মধ্যে খাদ্যনির্ভর সম্পর্কের ধারা।

 উৎস: বিজ্ঞান, ৬ষ্ঠ শ্রেণি।

৩৮.
উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ ও প্রাণীর শ্বসন প্রক্রিয়া পরিবেশে কীভাবে পারস্পরিক নির্ভরশীলতা সৃষ্টি করে?
  1. একে অপরের শক্তির চাহিদা পূরণ করে
  2. অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের আদান-প্রদানের মাধ্যমে সম্পর্ক বজায় রাখে
  3. শুধুমাত্র উদ্ভিদের খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করে
  4. কেবল প্রাণীর বেঁচে থাকা নিশ্চিত করে
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের আদান-প্রদানের মাধ্যমে সম্পর্ক বজায় রাখে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের আদান-প্রদানের মাধ্যমে সম্পর্ক বজায় রাখে
ব্যাখ্যা

• সালোকসংশ্লেষণ ও শ্বসন প্রক্রিয়ায় অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের আদান-প্রদানের মাধ্যমে উদ্ভিদ ও প্রাণীর মধ্যে পারস্পরিক নির্ভরশীলতা সৃষ্টি হয়।

• পরিবেশের উপাদানের আন্তঃসম্পর্ক:
- পরিবেশে জীব উপাদান ও জড় উপাদান সবসময় পরস্পরের সাথে ক্রিয়া ও আদান-প্রদানে যুক্ত থাকে।
- জীব উপাদানের মধ্যে উদ্ভিদ ও প্রাণী অন্তর্ভুক্ত।
- জড় উপাদানের মধ্যে বায়ু, পানি, মাটি, আলো ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত।
- জীব ও জড় উপাদানের এই পারস্পরিক নির্ভরশীল সম্পর্ককে বাস্তুতন্ত্র (Ecosystem) বলা হয়।
 
• সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া:
- উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সূর্যালোকের উপস্থিতিতে খাদ্য তৈরি করে।
- এ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ কার্বন ডাই-অক্সাইড ও পানি ব্যবহার করে।
- সালোকসংশ্লেষণের ফলে গ্লুকোজ ও অক্সিজেন উৎপন্ন হয়।
- উৎপন্ন গ্লুকোজ উদ্ভিদের খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- উৎপন্ন অক্সিজেন পরিবেশে মুক্ত হয়।
 
• শ্বসন প্রক্রিয়া:
- শ্বসন প্রক্রিয়া উদ্ভিদ ও প্রাণী উভয়ের মধ্যেই ঘটে।
- শ্বসনে অক্সিজেন ব্যবহার করে দেহে শক্তি উৎপন্ন হয়।
- শ্বসন প্রক্রিয়ায় কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন হয়।
- এই কার্বন ডাই-অক্সাইড পুনরায় পরিবেশে ফিরে যায়।
 
• সালোকসংশ্লেষণ ও শ্বসনের পারস্পরিক সম্পর্ক:
- সালোকসংশ্লেষণে উৎপন্ন অক্সিজেন শ্বসনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- শ্বসনে উৎপন্ন কার্বন ডাই-অক্সাইড সালোকসংশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়।
- এভাবে উদ্ভিদ ও প্রাণী একে অপরের উপর নির্ভরশীল হয়ে পরিবেশে ভারসাম্য বজায় রাখে।
- এই পারস্পরিক নির্ভরশীলতার মাধ্যমেই জীবমণ্ডলে শক্তি ও গ্যাসের প্রবাহ সচল থাকে।
 
• অন্যান্য অপশন:
- একে অপরের শক্তির চাহিদা পূরণ করে → শক্তি উৎপাদন সরাসরি নয়, গ্যাসের আদান-প্রদান মূল বিষয়।

 উৎস: বিজ্ঞান, ৬ষ্ঠ শ্রেণি।