পরীক্ষা আর্কাইভ

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived

পরীক্ষা৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন৪৫
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 15” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- পরীক্ষা - ৮ পার্ট-১) বাংলাদেশ বিষয়াবলি: টপিকসমূহ ১. বাংলাদেশের জনসংখ্যা, আদমশুমারি, জাতি, গোষ্ঠী ও উপজাতি সংক্রান্ত বিষয়াদি। ২. জাতীয় পুরস্কার, বাংলাদেশের খেলাধুলাসহ চলচ্চিত্র, গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি। ৩. স্বাধীনতা ও অন্যান্য আন্দোলন সংগ্রাম সংশ্লিষ্ট সাহিত্য ও চলচ্চিত্র। পার্ট-২) পদার্থের জীববিজ্ঞান-বিষয়ক ধর্ম, টিস্যু, জেনেটিকস, জীববৈচিত্র্য, এনিম্যাল ডাইভারসিটি, প্লান্ট ডাইভারসিটি, এনিম্যাল টিস্যু, অর্গান এবং অর্গান সিস্টেম, সালোক সংশ্লেষণ, জুলোজিক্যাল নমেনক্লেচার, বোটানিক্যাল নমেনক্লেচার, প্রাণিজগৎ, উদ্ভিদ, ফুল, ফল, প্লান্ট নিউট্রেশন, পরাগায়ন ইত্যাদি। ------------------ পার্ট–১ সোর্স: বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলাপিডিয়া, সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট, দৈনিক পত্রিকা এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।] পার্ট–২ সোর্স: যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৫ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশ কত সালে প্রথম বিশ্ব অলিম্পিক গেমসে অংশগ্রহন করেছে?
  1. ১৯৮২ সালে
  2. ১৯৮৪ সালে
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ১৯৮৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৪ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশন:
- বাংলাদেশ অলিম্পিক সংস্থা (Bangladesh Olympic Association - BOA) বাংলাদেশের জাতীয় অলিম্পিক কমিটি.
- এটি আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (IOC) স্বীকৃতিপ্রাপ্ত। 
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৬ সালে।
- বিশ্ব অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশানের সদস্যপদ লাভ করে: ১৯৮০ সালে।
- সদর দপ্তর: পুরানা পল্টন, ঢাকা। 
- বর্তমান সভাপতি: জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ প্রথম বিশ্ব অলিম্পিক গেমসে অংশগ্রহন করেছে ১৯৮৪ সালে।

উৎস: Bangladesh Olympic Association ওয়েবসাইট।

.
স্বাধীন দেশে প্রথম নাটক মঞ্চায়ন করে কোন নাট্যদল?
  1. থিয়েটার
  2. নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়
  3. আরণ্যক
  4. ঢাকা থিয়েটার
সঠিক উত্তর:
আরণ্যক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরণ্যক
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মঞ্চনাটক:
- স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে বড় এক অর্জন যুক্ত হলো—মঞ্চনাটক। মুক্তিযুদ্ধের যে অসাম্প্রদায়িক চেতনা সেটা মঞ্চের মতো করে আর কোথাও সেভাবে চর্চিত হয়নি। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের মানুষের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা ও মানবিকবোধ জাগ্রত করার পেছনে নিরলস পরিশ্রম করেছেন এই অঙ্গনের যোদ্ধারা। এই সংস্কৃতিযোদ্ধাদের বেশির ভাগই ছিলেন রণাঙ্গনের যোদ্ধা। 

⇒ অস্ত্র হাতে যাঁরা স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেছিলেন। ভারতে প্রশিক্ষণ নিতে গিয়ে কলকাতায় বিভিন্ন নাট্যদলের নাটক দেখে তাঁদের মনে হলো, নাটক হতে পারে একটি নিয়মিত চর্চার শিল্পমাধ্যম। স্বাধীনতার পরপরই তাঁদের প্রত্যেকেই ঝাঁপিয়ে পড়লেন মঞ্চে। তাঁদের হাত ধরেই পরবর্তী সময়ে বেড়ে ওঠে ‘গ্রুপ থিয়েটার’ আন্দোলন।

⇒ স্বাধীনতা পাওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই গঠিত হয় বেশ কয়েকটি নাটকের দল। ১৯৭২ সালেই প্রতিষ্ঠিত হয় নামকরা কয়েকটি নাটকের দল—থিয়েটার, নাট্যচক্র, আরণ্যক, নাগরিক নাট্য সম্প্রদায় [দলটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৬৮ সালে, প্রথম নাটক মঞ্চায়ন ১৯৭২-এ]। পরের বছর গড়ে ওঠে ঢাকা থিয়েটার ও চট্টগ্রাম থিয়েটার। 

⇒ স্বাধীন দেশে প্রথম নাটক মঞ্চায়ন করে আরণ্যক নাট্যদল।
- ১৯৭২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে তারা মঞ্চস্থ করে মুনীর চৌধুরী রচিত ‘কবর’। প্রথম মঞ্চায়নের সঙ্গে জড়িয়ে ছিলেন আলী যাকের, সুভাষ দত্ত, ইনামুল হক ও মামুনুর রশীদের মতো শিল্পীরা। তবে দর্শনীর বিনিময়ে প্রথম নাটক মঞ্চায়ন হয় পরের বছর। নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়ের নাটকটির নাম ‘বাকি ইতিহাস’, মঞ্চস্থ হয় ১৯৭৩ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি।
- ‘বাকি ইতিহাস’ নতুন দিগন্তের উন্মোচন করে দেয় অন্য দলগুলোর জন্য।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) কালের কন্ঠ।

.
এখন অব্দি কতজন বাংলাদেশী ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়েছেন? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ৩ জন
  2. ৪ জন
  3. ৫ জন
  4. ৬ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা

ইংলিশ চ্যানেল:
- ইংলিশ চ্যানেল আটলান্টিক মহাসাগরের একটি অংশ।
- এটি উত্তর ফ্রান্স থেকে গ্রেট ব্রিটেনের দ্বীপকে পৃথক করে।
- এই চ্যানেল উত্তর সাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে।

⇒ ডিসেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত সর্বমোট পাঁচজন বাংলাদেশী ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়েছেন। 
-  ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রমকারী প্রথম এশীয় সাঁতারু ব্রজেন দাস। ১৯৫৮ থেকে ১৯৬১ সালের মধ্যে মোট ছয়বার চ্যানেলটি অতিক্রম করেন তিনি।
- এরপর ১৯৬৫ সালে আবদুল মালেক ও ১৯৮৭ সালে মোশাররফ হোসেন ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেন।
- সম্প্রতি  ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়েছে বাংলাদেশের দুই ব্যক্তি দুই সাঁতারু নাজমুল হক হিমেল ও মাহফিজুর রহমান সাগর। দীর্ঘ ৩৭ বছর পর ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়েছেন বাংলাদেশের এই দুই সাঁতারু। ২৯ জুলাই, ২০২৫ তারিখে ১২ ঘণ্টা ১০ মিনিট সাঁতরিয়ে তারা ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেন।

উৎস: i) The Daily Star Bangla.
ii) Britannica.

.
২০২৫ সালে মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতিতে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন কে?
  1. মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান
  2. মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ
  3. বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর
  4. জামাল নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- স্বাধীনতা পদক বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার।
- মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সরকার এ পুরস্কার প্রবর্তন করে।
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন।
- পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে পাঁচ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে।

⇒ স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ প্রাপ্ত:
- মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর),
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর),
- সাহিত্য: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর),
- সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর),
- সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর),
- শিক্ষা ও গবেষণা: বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর,
- প্রতিবাদী তারুণ্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুসারে, দেশে জনসংখ্যার ঘনত্ব কত?
  1. ১,১২১ জন
  2. ১,১১৭ জন
  3. ১,১১৯ জন
  4. ১,১২৩ জন
সঠিক উত্তর:
১,১১৯ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,১১৯ জন
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: নভেম্বর, ২০২৩। 
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।    
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%। 
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।  

উল্লেখ্য,
- মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ (৩১.৬৬%) নাগরিক এখন শহরে বাস করে; দুই-তৃতীয়াংশ (৬৮.৩৪%) গ্রামে বাস করে।

• সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।

• ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে জনসংখ্যা সর্বোচ্চ ৫৯,৯০,৭২৩ জন।
- বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে জনসংখ্যা সর্বনিম্ন ৪,১৯,৪৮৪ জন।

• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন সর্বাধিক ঘনবসতিপূর্ণ।
- রংপুর সিটি কর্পোরেশন সর্বনিম্ন ঘনবসতিপূর্ণ।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট।

.
নিম্নের কোনটি বাংলাদেশের সংবাদ সংস্থা?
  1. ENA
  2. APP
  3. AFP
  4. UNI
সঠিক উত্তর:
ENA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ENA
ব্যাখ্যা

ইস্টার্ন নিউজ এজেন্সি (ENA):
- বাংলাদেশে প্রথম ব্যক্তি মালিকানাধীন সংবাদ সংস্থা ইস্টার্ন নিউজ এজেন্সি (ENA)।
- ১৯৭০ সালের মার্চ মাসে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগেই এটি পুরোদস্তুর সংবাদ সংস্থায় পরিণত হয়।
- এই সংস্থা ঘটনাবহুল বছর ১৯৭০-৭১ সালের সংবাদ পরিবেশনের মধ্য দিয়ে জননন্দিত হয়।
- পরিণতিতে, পাকিস্তানের সামরিক জান্তার কোপানলে পড়ে সংস্থাটি বন্ধ হয়ে যায়।
- এই সংস্থার কার্যক্রম একাত্তরের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের পুরো সময়েই স্থগিত ছিল।
- স্বাধীনতার অব্যবহিত পর ১৯৭১ সালে এনা আবার কার্যক্রম শুরু করে।
- এনা সংবাদ প্রেরণের জন্য পুরোপুরি সরকারি টেলিকম্যুনিকেশন সিস্টেমের ওপর নির্ভরশীল ছিল।
- কিন্তু অর্থনৈতিক সংকটের জন্য দুই দশকের পর এর কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।
- বর্তমানে এনা শুধুমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলা সংবাদপত্র সরবারহ করে। 

অন্যদিকে,
- AFP ফ্রান্সের সংবাদ সংস্থা। 
- UNI ভারতের সংবাদ সংস্থা। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

.
গেরিলা চলচ্চিত্রের পটভূমি কোন উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত?
  1. আমি বীরাঙ্গনা বলছি
  2. নিষিদ্ধ লোবান
  3. জাহান্নাম হইতে বিদায়
  4. নেকড়ে অরণ্য
সঠিক উত্তর:
নিষিদ্ধ লোবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিষিদ্ধ লোবান
ব্যাখ্যা

গেরিলা চলচ্চিত্র:
- গেরিলা ২০১১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি বাংলাদেশী চলচ্চিত্র।
- নাসির উদ্দিন ইউসুফ পরিচালিত এই চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত।
- সৈয়দ শামসুল হকের 'নিষিদ্ধ লোবান' উপন্যাস অবলম্বনে নির্মাণ করা হয়েছে চলচ্চিত্রটি।
- যৌথভাবে চিত্রনাট্য রচনা করেছেন নাসির উদ্দীন ইউসুফ ও এবাদুর রহমান।
- এটি ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার' পেয়েছে।

উল্লেখ্য,
- নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাংলা স্বাধীনতার বীরমুক্তিযোদ্ধা।
- তিনি নাট্য নির্দেশক, চলচ্চিত্র নির্মাতা ও সংগঠক।
- ১৯৫০ সালের ১৫ এপ্রিল নাসিরউদ্দিন ইউসুফ জন্মগ্রহন করেন।
- তার বিভিন্ন চলচ্চিত্রের মধ্যে একাত্তরের যীশু, গেরিলা ও আলফার উল্লেখযোগ্য।
- রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সম্মান একুশে পদক (২০২০) সহ দেশি-বিদেশি অসংখ্য পুরষ্কার-সম্মাননা পেয়েছে।

উৎস:  প্রথম আলো।

.
'নজরুল পুরস্কার-২০২৫' লাভ করেন -
  1. রাজিয়া সুলতানা
  2. শবনম মুশতারী
  3. ইরশাদ আহমেদ শাহীন
  4. আবদুল হাই শিকদার
সঠিক উত্তর:
শবনম মুশতারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শবনম মুশতারী
ব্যাখ্যা

নজরুল পুরস্কার:
- ২০২২ সালে বাংলা একাডেমি নজরুল পুরস্কার চালু করে।

⇒ নজরুল পুরস্কার-২০২৫:
- বাংলা একাডেমি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন ও সৃষ্টি নিয়ে গবেষণায় বিশিষ্ট নজরুল গবেষক অধ্যাপক আনোয়ারুল হক এবং নজরুলসংগীত-চর্চায় প্রখ্যাত নজরুল সংগীতশিল্পী শবনম মুশতারীকে নজরুল পুরস্কার ২০২৫-এ ভূষিত করেছে।
- নজরুল পুরস্কারের অর্থমূল্য (প্রতিটি) ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকা। 

অন্যদিকে,
- ২০২৪ সালে নজরুল পুরস্কার লাভ করেন অধ্যাপক রাজিয়া সুলতানা।

উৎস: বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।

.
নিম্নের কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী 'সান্দ্রে' উৎসব পালন করে?
  1. খিয়াং
  2. রাখাইন 
  3. সাঁওতাল 
  4. মণিপুরী
সঠিক উত্তর:
রাখাইন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাখাইন 
ব্যাখ্যা

রাখাইন:
- রাখাইন বাংলাদেশে বসবাসরত একটি  ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী।
- আরাকান থেকে বাংলাদেশে এসে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার ও পটুয়াখালীতে বসতি স্থাপন করে। বর্তমানে বেশির ভাগ রাখাইনের বসবাস কক্সবাজার, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায়। এ ছাড়া রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায়ও কিছু রাখাইন বাস করে। চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায়ও রাখাইন সম্প্রদায়ের বসতি রয়েছে।

⇒ আদি ব্রাহ্মীলিপিতে প্রথম লিখিত আকারে পালি ভাষায় ‘আরাখা’ অর্থাৎ রক্ষ বা রক্ষিতা অথবা রক্ষক শব্দ থেকে রাখাইন শব্দটির উৎপত্তি।
- আর্য বংশোদ্ভূত রাখাইনদের প্রাচীন বাসস্থান ছিল মগধ রাজ্য।
- পরে মগধ থেকে আরাকানে এসে বসতি স্থাপন করে।
- পরিচিতি পায় মগধী বা মগ নামে।

⇒ রাখাইনরা মূলত কৃষিনির্ভর।
- রাখাইনদের রয়েছে নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি।
- তাদের ভাষা আঞ্চলিকভাবে ‘র‌্যামরা’ ও ‘মারৌও’ নামে পরিচিত। 

⇒ রাখাইনরা রক্ষণশীল জাতি।
- তাদের রয়েছে নিজস্ব আচার-প্রথা।
⇒ রাখাইদের সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসবগুলো হচ্ছে: প্রবারণা পূর্ণিমা, মাঘী পূর্ণিমা, জলকেলি (লেই খেখু), নববর্ষ প্রভৃতি।
- রাখাইন উপজাতির বর্ষবরণ উৎসবের নাম সান্দ্রে। প্রতি বছর রাখাইন সম্প্রদায়ের বর্ষবরণ উৎসব 'সাংগ্রাং পোয়ে' বা 'জলকেলি উৎসব'। উদযাপন করে থাকে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১০.
'রাইফেল রোটি আওরাত' উপন্যাসের লেখক কে?
  1. আনোয়ার পাশা
  2. সৈয়দ শামসুল হক
  3. আল মাহমুদ
  4. মমতাজউদদীন আহমদ
সঠিক উত্তর:
আনোয়ার পাশা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনোয়ার পাশা
ব্যাখ্যা

রাইফেল রোটি আওরাত:
- আনোয়ার পাশা রচিত 'রাইফেল রোটি আওরাত' মুক্তিযুদ্ধের প্রথম উপন্যাস।
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে ঘটে যাওয়া গণহত্যা এবং তার পরবর্তী দিনের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার কাহিনী উপন্যাসে বর্ণিত হয়েছে।
- যুদ্ধের ডামাডোলের মধ্যে, প্রত্যক্ষ বাস্তবতার ভেতর তিনি উপন্যাসটি লেখেন।
- যুদ্ধের এমন প্রত্যক্ষ, এমন মৌলিক ব্যাপ্তি সত্যিই বিরল।
- এ উপন্যাস শুধু বিপন্ন বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি নয়, রুখে দাঁড়ানোর প্রত্যয়ে উদ্ভাসিত এক নতুন বাংলাদেশ।
- উপন্যাসের প্রধান চরিত্র সুদীপ্ত শাহীন-ই যেন সেই বাংলাদেশ।
- তিনি ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে নিহত হন।

উৎস: প্রথম আলো।

১১.
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস): 
- দেশের জাতীয় সংবাদ সংস্থা বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) ১৯৭২ সালের ১ জানুয়ারি চালু হয়।
- অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস অফ পাকিস্তান (এপিপি) এর ঢাকা ব্যুরোকে নতুন দেশের জাতীয় সংবাদ সংস্থায় রূপান্তরিত করা হয়।
- ঢাকায় প্রধান কার্যালয় এবং চট্টগ্রামে একটি ব্যুরো দিয়ে শুরু করে বাসস এখন রাজশাহী, রংপুর, বগুড়া, খুলনা, বরিশাল, রাঙ্গামাটি এবং সিলেটেও ব্যুরো স্থাপন করেছে।
- জাতীয় সংবাদ সংস্থার দেশের ৬৪টি প্রশাসনিক জেলায় প্রতিনিধি রয়েছে।
- সংস্থাটি সারা দেশের প্রায় ৫০ জন গ্রাহকের কাছে জাতীয়, আন্তর্জাতিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, উন্নয়নমূলক এবং অন্যান্য সংবাদ পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রায় ২৪ ঘন্টা কাজ করে।
- বাসস আন্তর্জাতিক ওয়্যার সার্ভিস এএফপি-তে সাবস্ক্রাইব করে এবং প্রেস ট্রাস্ট অফ ইন্ডিয়া (পিটিআই), অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস অফ পাকিস্তান (এপিপি), চীনের সরকারী সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া, মালয়েশিয়ার বার্নামা এবং অস্ট্রেলিয়ার ট্রান্সডেটার সাথে সংবাদ বিনিময় করে।
- বাংলাদেশে বাংলা সংবাদপত্রের সংখ্যা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ১৯৯৯ সালে বাসস বাংলা সংবাদ পরিষেবা চালু করে।

উৎস: i) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১২.
কোন রাষ্ট্রপতি একুশে পদক প্রবর্তন করেন?
  1. আবদুস সাত্তার
  2. জিয়াউর রহমান
  3. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম
  4. হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
সঠিক উত্তর:
জিয়াউর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিয়াউর রহমান
ব্যাখ্যা

একুশে পদক:
- এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার।
- ১৯৭৬ সালে জিয়াউর রহমান একুশে পদক প্রবর্তন করেন।
- জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্যে এ পদক দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৬ সালে সাহিত্য, সাংবাদিকতা এবং শিক্ষায় মোট ৯ জনকে একুশে পদক প্রদান করা হয়।
- পদক প্রাপ্তরা হলেন:
• সাহিত্যে: আবদুল কাদির, কাজী নজরুল ইসলাম, কবি জসীম উদদীন এবং সুফিয়া কামাল।
• সাংবাদিকতায়: আবুল কালাম শামসুদ্দিন, তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া ও আবদুস সালাম।
• শিক্ষায় মুহম্মদ কুদরত এ খুদা ও মুহম্মদ মনসুর উদ্দিন।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

১৩.
কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস?
  1. জোছনা ও জননীর গল্প
  2. তিতাস একটি নদীর নাম
  3. নিরন্তর ঘন্টাধ্বনি
  4. আর্তনাদ
সঠিক উত্তর:
জোছনা ও জননীর গল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জোছনা ও জননীর গল্প
ব্যাখ্যা

জোছনা ও জননীর গল্প:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস জোছনা ও জননীর গল্প।
- জোছনা ও জননীর গল্প বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের উপর ভিত্তি করে হুমায়ুন আহমেদ রচিত একটি উপন্যাস।

উল্লেখ্য,
- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক হুমায়ুন আহমেদ রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ: শ্যামল ছায়া (১৯৭৪), আগুনের পরশমণি (১৯৮৬), অনিল বাগচীর একদিন (১৯৯২), ১৯৭১ (১৯৯৩), জোছনা ও জননীর গল্প (২০০৪) প্রভৃতি। 

অন্যদিকে,
- তিতাস একটি নদীর নাম অদ্বৈত মল্লবর্মণ রচিত বিখ্যাত উপন্যাস। এই উপন্যাসে গ্রামের দরিদ্র মালো শ্রেণীর লোকজনের দুঃখ-দুর্দশার কাহিনী ফুটিয়ে তুলেছেন।
- কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক উপন্যাস 'নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি'।
- শওকত ওসমান রচিত 'আর্তনাদ' উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু হলো ভাষা আন্দোলন। 

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো।

১৪.
২০২৫ সালে বাংলা একাডেমির ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ পেয়েছেন কে?
  1. ভীষ্মদেব চৌধুরী
  2. লাইসা আহমদ
  3. শীলা মোমেন
  4. মহীউজজামান চৌধুরী ময়না
সঠিক উত্তর:
মহীউজজামান চৌধুরী ময়না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহীউজজামান চৌধুরী ময়না
ব্যাখ্যা

রবীন্দ্র পুরস্কার:
- বাংলা একাডেমি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ২০১০ সাল থেকে রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তন করে।
- রবীন্দ্রসাহিত্যের গবেষণা ও সমালোচনা এবং রবীন্দ্রসংগীতের আজীবন সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- এ পুরস্কারের অর্থমূল্য এক লক্ষ টাকা।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালে বাংলা একাডেমির ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ পেয়েছেন ড. অসীম দত্ত ও শিল্পী এ এম এম মহীউজজামান চৌধুরী ময়না।
- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৪তম জন্মবার্ষিকী উদ্‌যাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁদের এ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।
- রবীন্দ্রসাহিত্যের গবেষণায়  ড. অসীম দত্ত এবং রবীন্দ্রসংগীতচর্চায় শিল্পী এ এম এম মহীউজজামান চৌধুরী ময়না  ‘রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২৫’—এ ভূষিত হয়েছেন।
- অসীম দত্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। অন্যদিকে মহীউজ্জামান চৌধুরী দেশবরেণ্য রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী হিসেবে বেশ সমাদৃত।


অন্যদিকে,
- ২০২৪ সালে বাংলা একাডেমির ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ পেয়েছেন অধ্যাপক ভীষ্মদেব চৌধুরী ও শিল্পী লাইসা আহমদ।
- রবীন্দ্র গবেষণায় সামগ্রিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশিষ্ট শিল্পী শীলা মোমেনকে বাংলা একাডেমি প্রবর্তিত রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২৩ দেওয়া হয়।

উৎস: i) বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

১৫.
প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত শ্রেষ্ঠ ছায়াছবি কোনটি?
  1. লাঠিয়াল
  2. সুজন সখি
  3. মেঘের অনেক রং
  4. গোলাপী এখন ট্রেনে
সঠিক উত্তর:
লাঠিয়াল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাঠিয়াল
ব্যাখ্যা

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার:
- চলচ্চিত্র শিল্পের বিকাশ ও উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য সরকার ব্যক্তিবিশেষকে এবং শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র ও প্রামাণ্যচিত্রকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করে থাকে।
- ১৯৭৬ সালের ২৪ মার্চ প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ঘোষণা করেন তথ্যসচিব এ বি এম গোলাম মোস্তফা।
- প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করা হয় ১৯৭৬ সালে। ১৯৭৬ সালের ৪ এপ্রিল জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম।

⇒ ১৯৭৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমার নির্মাতা, শিল্পী ও কলাকুশলীদের ১২ শাখায় মোট ১৩ জনকে পুরস্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়।
- ১৯৭৫ সালে প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত শ্রেষ্ঠ ছায়াছবি: লাঠিয়াল ও শ্রেষ্ঠ পরিচালক: নারায়ণ ঘোষ মিতা (লাঠিয়াল)।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। [link]

১৬.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম ত্রিমাত্রিক (3D) চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. স্ফুলিঙ্গ
  2. অলাতচক্র
  3. নরকের লাল গোলাপ
  4. আলোর মিছিল
সঠিক উত্তর:
অলাতচক্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অলাতচক্র
ব্যাখ্যা

অলাতচক্র:
- দেশের প্রথম ত্রিমাত্রিক (3D) সিনেমা ‘অলাতচক্র’।
- প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক আহমদ ছফার উপন্যাস অবলম্বনে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিকায় সিনেমাটি নির্মিত হয়েছে।
- এটি পরিচালনা করেছেন হাবিবুর রহমান।

⇒ ‘অলাতচক্র’ ২০১৭-১৮ অর্থবছরে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত সিনেমা।
- মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এ ছবিতে তায়েবা চরিত্রে অভিনয় করেছেন জয়া আহসান ও দানিয়েল চরিত্রে আহমেদ রুবেল।

উৎস: i) The Daily Star Bangla.
ii) দৈনিক ইত্তেফাক।

১৭.
সর্বশেষ জনশুমারি অনুযায়ী, পার্বত্য চট্টগ্রামে কয়টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বসবাস করে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
১৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩টি
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী:
- সর্বশেষ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, দেশে দেশে ৫০টি ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী রয়েছে।
- এর মধ্যে চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে শতকরা হিসাবে যা ২৯.২৯ শতাংশ।
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে সবচেয়ে কম সংখ্যায় ভিল জনগোষ্ঠীর।

⇒ বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করে রাঙামাটিতে। এ জেলায় এসব জাতিগোষ্ঠীর মানুষের সংখ্যা ৩ লাখ ৭২ হাজার ৮৬৪।  জেলার দিক দিয়ে -দ্বিতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এ অঞ্চলে বসবাস করে ১৩টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষ। তাদের মধ্যে চাকমা, ত্রিপুরা, ম্রো, খুমি, লুসাই, মারমা, রাখাইন, চাক, বম, খেয়াং, পাঙ্খোয়া জাতিগোষ্ঠী উল্লেখযোগ্য।

⇒ চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। সংখ্যার দিক দিয়ে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য চট্টগ্রামেরই দুই জাতিগোষ্ঠী মারমা ও ত্রিপুরা। সংখ্যার দিক থেকে চতুর্থ স্থানে থাকা সমতলের সাঁওতালদের সংখ্যা ১ লাখ ২৯ হাজার ৪৯ জন।
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে সবচেয়ে কম সংখ্যায় ভিল জনগোষ্ঠীর। এই জনগোষ্ঠীর মাত্র ৯৫ জন রয়েছে বাংলাদেশে। এরপর গুর্খা জনগোষ্ঠী সংখ্যা ১০১ জন বাংলাদেশে বসবাস করছে। আর হো জনগোষ্ঠীর মানুষ আছে ২২৪ জন।

উৎস: i) জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
ii) প্রথম আলো।

১৮.
বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান কে?
  1. সাকিব আল হাসান 
  2. তামিম ইকবাল
  3. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
  4. নাইমুর রহমান
সঠিক উত্তর:
আমিনুল ইসলাম বুলবুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমিনুল ইসলাম বুলবুল
ব্যাখ্যা

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে।
- বাংলাদেশ টেস্ট ম্যাচে প্রথম জয় লাভ করে ২০০৫ সালে।

উল্লেখ্য,
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেন মুশফিকুর রহিম।
- টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তামিম ইকবাল।
- টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।

⇒ বাংলাদেশ তার শততম টেস্ট খেলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।
- ২০১৭ সালে শ্রীলঙ্কার কলম্বোয় ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়।

• শ্রীলঙ্কা: ৩৩৮ ও ৩১৯
• বাংলাদেশ: ৪৬৭ ও ১৯১/৬
• ফল: বাংলাদেশ ৪ উইকেটে জয়ী।

উৎস: ESPNcricinfo.

১৯.
১৯৪৭ সালের দেশভাগ নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. চিত্রা নদীর পারে
  2. নদীর নাম মধুমতি
  3. বাঙলা
  4. শ্যামল ছায়া
সঠিক উত্তর:
চিত্রা নদীর পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিত্রা নদীর পারে
ব্যাখ্যা

চিত্রা নদীর পারে:
- 'চিত্রা নদীর পারে' চলচ্চিত্রটির পরিচালক তানভীর মোকাম্মেল।
- ১৯৯৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এ চলচ্চিত্রটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের মানদণ্ডে সাতটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত হয়েছিল।
- ১৯৪৭ সালের দেশ বিভাজন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের হিন্দুদের জীবনে যে প্রভাব ফেলেছিল, সেসব কাহিনি নিয়ে নির্মাতা তানভীর মোকাম্মেলের অন্যতম চলচ্চিত্র 'চিত্রা নদীর পারে'।
- কাহিনির শুরু ১৯৪৭ দিয়ে এবং শেষ হয় ১৯৬০-এর দশকে।

⇒ ভারতবর্ষ বিভাজন বৃহত্তর স্বার্থে হলেও এই বিভাজনকে পুঁজি করে তৎকালীন সরকারের শোষণের বলি হয়েছিল এ দেশেরই মানুষ।
- নিজস্ব ভিটেমাটি থাকা সত্ত্বেও অনেককে পাড়ি জমাতে হয়েছিল পার্শ্ববর্তী দেশে। বেদখল হয়ে যায় অনেকের নিজস্ব সম্পদ।
- এ রকম কিছু স্পর্শকাতর ব্যাপারই স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন তানভীর মোকাম্মেল তার 'চিত্রা নদীর পারে' চলচ্চিত্রে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯৯ সালে চলচ্চিত্রটি ৭টি ক্যাটাগরিতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে।

অন্যদিকে,
- নদীর নাম মধুমতী ১৯৯৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র। 
- শহীদুল ইসলাম খোকনের 'বাঙলা' ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে তৈরি একটি আধুনিক চলচ্চিত্র।

উৎস: i) সময় নিউজ।
ii) বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

২০.
বাংলাদেশে প্রথম রঙিন টেলিভিশন সম্প্রচার শুরু হয় কত সালে?
  1. ১৯৮০ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮৬ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ টেলিভিশন:
- বাংলাদেশ টেলিভিশন বাংলা ভাষায় বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন।
- ১৯৬৪ সালের ২৫শে ডিসেম্বর একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে এর যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৬৭ সালে তৎকালীন পাকিস্তান টেলিভিশন কর্পোরেশন ও ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশে (পি.ও নং-১১৫) বাংলাদেশ টেলিভিশন নামে রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলে পরিণত হয়।
- ১৯৭৫ সালের ৯ই ফেব্রুয়ারি বিটিভি স্থানান্তরিত হয় রামপুরার নিজস্ব টিভি ভবনে।
- ৬ই মার্চ ১৯৭৫ সাল হতে রামপুরা টিভি ভবনে নতুন আঙ্গিকে শুরু হয় বিটিভির সম্প্রচার কার্যক্রম।
- ১৯৮০ সালের ১ ডিসেম্বর তারিখে রামপুরা টিভি কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে প্রথম রঙিন টেলিভিশন সম্প্রচার শুরু হয়।
- বিটিভি ওয়ার্ল্ডের সম্প্রচার শুরু হয় ১১ এপ্রিল ২০০৪ তারিখে।
- ২০১৩ সাল থেকে আইপিটিভি, মোবাইল টিভি ও ওয়েবটিভি এর মাধ্যমেও বিটিভির অনুষ্ঠানমালা দেশে ও বিদেশে দেখার সুযোগ পাচ্ছেন দর্শকরা।
- ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর সংবাদভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ টেলিভিশন চ্যানেল হিসেবে “বিটিভি নিউজ” নামে যাত্রা শুরু করে।

উৎস: i) বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

২১.
২০২৫ সালে কত জন ব্যক্তিকে 'বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪' প্রদান করা হয়েছে?
  1. ৭ জন
  2. ১০ জন
  3. ১১ জন
  4. ১৭ জন
সঠিক উত্তর:
৭ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ জন
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার:
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের সমসাময়িক জীবিত লেখকদের সামগ্রিক মৌলিক অবদান চিহ্নিত করে তাঁদের সৃজনী প্রতিভাকে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে শিক্ষা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে অনুকুল পরিবেশ সৃষ্টি করাই বাংলা একাডেমির সাহিত্য পুরস্কার প্রদানের উদ্দেশ্য।
- প্রতি বছর মাসব্যাপী আয়োজিত অমর একুশে গ্রন্থমেলা ও অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পুরস্কার প্রাপ্তদের পুস্কারের অর্থমূল্যের চেক, সম্মাননা পত্র ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন।
 - ১৯৬০ সাল থেকে প্রবর্তন করা হয় বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার।

⇒ বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪:
• ফেব্রুয়ারি, ২০২৫-এ ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে 'বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪' প্রদান করা হয়। তারা হলেন—
- কবিতায়: মাসুদ খান,
- নাটক ও নাট্যসাহিত্যে: শুভাশিস সিনহা,
- প্রবন্ধ/গদ্যে: সলিমুল্লাহ খান,
- অনুবাদে: জি এইচ হাবীব,
- গবেষণায়: মুহম্মদ শাহজাহান মিয়া,
- বিজ্ঞানে: রেজাউর রহমান,
- ফোকলোরে: সৈয়দ জামিল আহমেদ।

উৎস: i) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

২২.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, নারী সাক্ষরতার হার কত?
  1. ৭২.৮০%
  2. ৭২.৯৪%
  3. ৭৪.৮০%
  4. ৭৪.৯৪%
সঠিক উত্তর:
৭২.৯৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭২.৯৪%
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।    
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%। 
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
- দেশে পুরুষ ও নারীর অনুপাত: ৯৯.০৮ : ১০০.৯০।

⇒ সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%। 
- পুরুষ সাক্ষরতার হার: ৭৬.৭১%। 
- নারী সাক্ষরতার হার: ৭২.৯৪%। 
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি পিরোজপুর জেলায়।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম জামালপুর জেলায়।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২।

২৩.
‘আমার বন্ধু রাশেদ’ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
  1. মুহম্মদ জাফর ইকবাল
  2. নাসির উদ্দিন ইউসুফ
  3. মোরশেদুল ইসলাম
  4. আলমগীর কবির
সঠিক উত্তর:
মোরশেদুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোরশেদুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

আমার বন্ধু রাশেদ:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘আমার বন্ধু রাশেদ’।
- চলচ্চিত্রটির পরিচালক মোরশেদুল ইসলাম।
- মুহম্মদ জাফর ইকবালের কিশোর উপন্যাস অবলম্বনে সরকারি অনুদানে সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন মোরশেদুল ইসলাম।
- ২০১১ সালে মুক্তি পেয়েছিল সিনেমাটি। 

⇒ প্রেক্ষাপট হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে মফস্বলের ছোট্ট একটা শহর। আর চরিত্রগুলো কয়েকজন স্কুলছাত্রকে কেন্দ্র করে।
- যার মূল চরিত্র রাশেদ।
- এ ছাড়া ছবিতে দেখা যায়, একাত্তরের উত্তাল দিনগুলো যখন ছোট ছেলেরা বুঝতে পারছে না, রাজনীতি সচেতন রাশেদ তখন ঠিক তার মতো করে সেটা সবাইকে বুঝিয়ে দিচ্ছে।
- একসময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী দেশটির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং ওই ছোট্ট শহরেও তারা এসে হাজির হয়।
- ভয়ংকর এক ধ্বংসলীলার সাক্ষী হয়ে থাকে রাশেদ।

উৎস: প্রথম আলো।

২৪.
বাংলাদেশ প্রথম অনলাইনভিত্তিক নিউজ এজেন্সি হলো -
  1. বিডি নিউজ
  2. বাংলাদেশ নিউজ সার্ভিস
  3. ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশ
  4. প্রোব নিউজ এজেন্সি
সঠিক উত্তর:
বিডি নিউজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিডি নিউজ
ব্যাখ্যা

সংবাদ সংস্থা:
- সংবাদ সংস্থা সংবাদ সংগ্রহ করে সংবাদপত্র, সাময়িকী ও ইলেট্রনিক্স সম্প্রচার কেন্দ্রগুলির মধ্যে বণ্টন করার প্রতিষ্ঠান।
- এদেশের সংবাদ সংস্থাগুলির কার্যক্রম শুরু হয়েছিল বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অভ্যুদয়ের আগেই।

⇒ বিডিনিউজ বাংলাদেশের প্রথম অনলাইনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম।
- Bdnews24.com বাংলাদেশে ভিত্তিক একটি ইংরেজি এবং বাংলা ভাষার নিউজ পোর্টাল। 
- ২০০৫ সালে ওয়েবভিত্তিক বার্তা সংস্থা হিসেবে এর যাত্রা শুরু।

উৎস: i) Bdnews24.com
ii) বাংলাপিডিয়া।

২৫.
বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন কে?
  1. লিটন দাস
  2. নাজমুল হোসেন শান্ত
  3. মেহেদী হাসান মিরাজ
  4. মুশফিকুর রহিম
সঠিক উত্তর:
মুশফিকুর রহিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুশফিকুর রহিম
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট ম্যাচ:
- বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন মুশফিকুর রহিম। 

⇒ প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট খেলেছেন মুশফিকুর রহিম।
- বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ড সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে এই মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। 
- আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১০৬ রানের ইনিংস খেলেন মুশফিক।
- এতে বিশ্বের ১১তম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্টে সেঞ্চুরির মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি।  
- ভেন্যু: মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়াম।
- সময়: ২০ নভেম্বর, ২০২৫।

উল্লেখ্য,
- টেস্ট ইতিহাসের অষ্টম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করে জয় পেয়েছেন তিনি। মুশফিকের আগে এই তালিকায় নাম লিখিয়েছেন গর্ডন গ্রিনিজ, ইনজামাম উল হক, রিকি পন্টিং, গ্রায়েম স্মিথ, হাশিম আমলা, জো রুট ও ডেভিড ওয়ার্নার।

উৎস: প্রথম আলো।

২৬.
'মাটির ময়না' চলচ্চিত্রের পরিচালক কে? 
  1. তারেক মাসুদ
  2. আলমগীর কবীর
  3. তানভীর মোকাম্মেল
  4. মুস্তফা মনোয়ার
সঠিক উত্তর:
তারেক মাসুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তারেক মাসুদ
ব্যাখ্যা

মাটির ময়না:
- ১৯৬০-এর দশকের শেষভাগে, স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রাক্কালে পূর্ব পাকিস্তানের পটভূমিতে নির্মিত চলচ্চিত্র মাটির ময়না।
- এটি একটি পরিবারের গল্প, যেখানে ধর্মীয় গোঁড়ামি, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, এবং মানবিকতার সংঘাত ও সমন্বয় অপূর্ব নান্দনিকতায় উঠে এসেছে।
- এর পরিচালক তারেক মাসুদ।
- চলচ্চিত্রটি ২০০২ সালে মুক্তি পায়।
- কান চলচ্চিত্র উৎসবে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার জিতেছিল চলচ্চিত্রটি।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত হলেও মাদ্রাসা শিক্ষা, ধর্মানুভূতি-ধর্মান্ধতার মতো বিষয় উঠে আসায় একুশ শতকেও ছবিটি অনেক বেশি প্রাসঙ্গিক।

⇒ ‘মাটির ময়না’ (২০০২) তারেক মাসুদের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।
- এ ছবির জন্য তিনি ২০০২ সালে কান চলচ্চিত্র উৎসবে ডিরেক্টরস ফোর্থনাইটসহ বেশ কিছু আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছিলেন।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো

২৭.
'সোহরাই' বাংলাদেশের কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর উৎসব?
  1. গারো
  2. সাঁওতাল
  3. ত্রিপুরা 
  4. খাসিয়া
সঠিক উত্তর:
সাঁওতাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাঁওতাল
ব্যাখ্যা

সাঁওতাল:
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- তাদের বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে। 
- সাঁওতালদের প্রধান উৎসব সোহরাই।
- সোহরাই উৎসব সাঁওতালদের একপ্রকার জাতীয় উৎসব যা পৌষ সংক্রান্তির দিন অত্যন্ত জাঁকজমকের সঙ্গে উদ্যাপিত হয়।
- সাওতালদের সমাজ হলো পিতৃতান্ত্রিক।
- সাঁওতালদের প্রধান উপাস্য সূর্য।
- সাঁওতাল সমাজ প্রধানত কৃষিনির্ভর। 
- সাঁওতালি ভাষা অস্ট্রিক ভাষার পরিবারভুক্ত। 
- সাঁওতালদের নিজস্ব ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই।
- সাঁওতালদের মধ্যে এখনও ১২টি গোত্রবিভাগ রয়েছে। 
- সাঁওতাল গ্রামগুলো দিশাম নামে পরিচিত।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।

২৮.
দেশে খানার আকার কত? [জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২]
  1. ৩.৮৪
  2. ৩.৯৮
  3. ৪.০২
সঠিক উত্তর:
৩.৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩.৯৮
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: নভেম্বর, ২০২৩। 
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।    
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- দেশে পুরুষ ও নারীর অনুপাত: ৯৯.০৮ : ১০০.৯০।
- খানার আকার: ৩.৯৮।

উল্লেখ্য,
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।

২৯.
সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার উপ-উৎপাদ কোনটি? 
  1. গ্লুকোজ
  2. পানি 
  3. কার্বন ডাই-অক্সাইড
  4. অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন
ব্যাখ্যা

সালোকসংশ্লেষণ (Photosynthesis): 
- সালোকসংশ্লেষণ হলো এমন একটি জৈব প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে সবুজ উদ্ভিদ নিজস্ব ক্লোরোফিল নামক রঞ্জকের সাহায্যে সূর্যালোকের শক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- এই শক্তির সাহায্যে তারা বায়ু থেকে গ্রহণকৃত কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) এবং মাটি থেকে আহরিত পানি (H2O) কে ব্যবহার করে শর্করা জাতীয় খাদ্য (গ্লুকোজ) তৈরি করে। এ প্রক্রিয়ায় উপ-উৎপাদ হিসেবে অক্সিজেন (O2) নির্গত হয়
- বার্নেস সর্বপ্রথম ১৮৯৮ সালে ফটোসিনথেসিস শব্দটি ব্যবহার করেন। 
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার রাসায়নিক বিক্রিয়াটি নিম্নরূপ-

- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়াটি উদ্ভিদের সবুজ অঙ্গ যেমন- পাতা, কচিকান্ড, ফুলের বৃত্যংশ, বৃত্তপ্রভৃতিতে সংঘটিত হয়। 
- তবে পাতাকে উদ্ভিদের প্রধান সালোকসংশ্লেষণ অঙ্গ বলা হয়। 
- ক্লেরোপ্লাস্টকে বলা হয় সালোকসংশ্লেষণকারী অঙ্গাণু। 
- এ প্রক্রিয়াটির প্রধান উপাদান হলো- কার্বন ডাই-অক্সাইড, পানি, ক্লোরোফিল ও আলো। 
- উদ্ভিদ প্রধানত পত্ররন্ধ্রের সাহায্যে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করলেও লেন্টিসেল ও পাতলা কিউটিকল দিয়েও কিছু গ্যাস গ্রহণ করে। 
- শ্বসনে উৎপন্ন কার্বন ডাই-অক্সাইডও সালোকসংশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়। 
- গ্যাসটি ব্যাপনের মাধ্যমে মেসোফিল টিস্যুর কোষে প্রবেশ করে এবং সেখান থেকে ক্লোরোপ্লাস্টে প্রবেশ করে তারপর শর্করা তৈরি প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে। 
- উদ্ভিদ মূল দিয়ে মাটি থেকে পানি সংগ্রহ করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩০.
উদ্ভিদের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ বৃদ্ধিতে কোন টিস্যু ভূমিকা রাখে?
  1. স্থায়ী টিস্যু
  2. ভাজক টিস্যু
  3. ক্ষরণকারী টিস্যু
  4. জটিল টিস্যু
সঠিক উত্তর:
ভাজক টিস্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাজক টিস্যু
ব্যাখ্যা

উদ্ভিদ টিস্যু: 
- উদ্ভিদ দেহ বিভিন্ন প্রকার টিস্যু দ্বারা গঠিত। 
- একেক ধরনের টিস্যু একেক ধরনের কাজ সম্পন্ন করে। 
- বিভাজন ক্ষমতা অনুসারে টিস্যু প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা- 
ক) ভাজক টিস্যু: 
- উদ্ভিদের দেহে যেসব টিস্যুর কোষের বিভাজন ক্ষমতা রয়েছে সেগুলোকে ভাজক টিস্যু বলে।
- ভাজক টিস্যু উদ্ভিদের বর্ধনশীল অঙ্গে অবস্থান করে, বিশেষত কাণ্ড ও মূলের অগ্রভাগে অবস্থান করে। 
- ভাজক টিস্যুর কাজ হলো- ক্রমাগত বিভাজনের ফলে ভাজক টিস্যু নতুন নতুন কোষ ও টিস্যু সৃষ্টি করে; এটি উদ্ভিদের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের বৃদ্ধি ঘটায় এবং ভাজক টিস্যু টিস্যুর উৎপত্তি ঘটায়। 

খ) স্থায়ী টিস্যু: 
- ভাজক টিস্যু থেকে উৎপন্ন বিভাজন ক্ষমতাহীন নির্দিষ্ট আকৃতিযুক্ত পরিণত টিস্যুকে স্থায়ী টিস্যু বলে। 
- উদ্ভিদের প্রায় সর্বত্র স্থায়ী টিস্যু দেখা যায়। 
- স্থায়ী টিস্যু তিন প্রকার। 
যথা- সরল টিস্যু (যেমন: প্যারাকাইমা, কোলেনকাইমা, স্ক্লেরেনকাইমা), জটিল টিস্যু (জাইলেম ও ফ্লোয়েম) এবং ক্ষরণকারী টিস্যু। 
- স্থায়ী টিস্যুর কাজ হচ্ছে- খাদ্য প্রস্তুত ও পরিবহন করা এবং দেহ গঠন ও উদ্ভিদকে দৃঢ়তা প্রদান করা। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

৩১.
কোনটি মসবর্গীয় উদ্ভিদের উদাহরণ? 
  1. টেরিস
  2. স্পাইরোগাইরা
  3. ব্রায়াম
  4. এগারিকাস
সঠিক উত্তর:
ব্রায়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রায়াম
ব্যাখ্যা

অপুষ্পক উদ্ভিদ: 
- যেসব উদ্ভিদে ফুল, ফল ও বীজ উৎপন্ন হয় না তাদেরকে অপুষ্পক উদ্ভিদ বলে। 
যেমন: মস, ফার্ন ইত্যাদি। 
- এরা স্পোর বা রেনুর মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে থাকে। 
- অপুষ্পক উদ্ভিদকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যেমন- 
১। মসবর্গীয় উদ্ভিদ: 
- এদের দেহ কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায়। 
- কিন্তু মসবর্গীয় উদ্ভিদের মূল নেই, মূলের পরিবর্তে রাইজয়েড নামক সূত্রাকার অঙ্গ থাকে। 
- সাধারণত এরা পুরানো ভেজা দেয়ালে কার্পেটের মতো নরম আস্তরণ করে জন্মায়। 
যেমন: ব্রায়াম। 

২। সমাঙ্গবর্গীয় উদ্ভিদ: 
- এসব উদ্ভিদের দেহ মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায় না। 
- এদের মধ্যে যাদের ক্লোরোফিল আছে, ফলে নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে, তারা শৈবাল। 
যেমন: স্পাইরোগাইরা। 
- আর যাদের দেহে ক্লোরোফিল নেই, ফলে নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে না, তারা ছত্রাক। 
যেমন: এগারিকাস। 

৩। ফার্নবর্গীয় উদ্ভিদ: 
- ফার্নবর্গীয় উদ্ভিদের দেহ মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত। 
- এদের দেহে পরিবহণ টিস্যু রয়েছে ও কচি পাতাগুলো কুণ্ডলীত থাকে। 
- বাড়ির পাশে স্যাতস্যাতে ছায়াযুক্ত স্থানে এবং পুরানো দালানের প্রাচীরে এদের জন্মাতে দেখা যায়। 
যেমন: টেরিস। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

৩২.
একটি পূর্ণবয়স্ক দেহকোষ থেকে ক্লোন করা পৃথিবীর প্রথম স্তন্যপায়ী প্রাণী কোনটি? 
  1. ইঁদুর 
  2. খরগোস 
  3. ভেড়া 
  4. গরু 
সঠিক উত্তর:
ভেড়া 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভেড়া 
ব্যাখ্যা

ক্লোনিং পদ্ধতি: 
- প্রাকৃতিক ক্লোন বলতে একটি জীব অথবা এক দল জীবকে বুঝানো হয়, যাদের উদ্ভব ঘটে অযৌন অঙ্গজ প্রজননের দ্বারা। এগুলোর প্রকৃতি হয় পুরোপুরি তার মাতৃজীবের মত। 
- একটি কোষ বা একগুচ্ছ কোষ যখন একটিমাত্র কোষ থেকে উৎপত্তি হয় এবং সেগুলোর প্রকৃতি মাতৃকোষের মতো হয়, তখন তাকেও ক্লোন বলে। 
- প্রকৃতিতে ব্যাকটেরিয়া, অনেক শৈবাল, বেশির ভাগ প্রোটোজোয়া এবং ইস্ট ছত্রাক ক্লোনিং পদ্ধতিতে বংশবৃদ্ধি করে। 
- জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যবহার করে তিন ধরনের ক্লোনিং করা হয়। 
যথা- 
১। জিন ক্লোনিং: একই জিনের অসংখ্য নকল তৈরি করাকে জিন ক্লোনিং বলে। জিন ক্লোনিং রিকম্বিন্যান্ট ডিএনএ টেকনোলজির সাহায্যে ঘটানো হয়। 
২। সেল ক্লোনিং: একই কোষের অসংখ্য হুবহু একই রকমের কোষ সৃষ্টি করাকে সেল ক্লোনিং বলে। 
৩। জীব ক্লোনিং: দুটির পরিবর্তে একটিমাত্র জীব থেকে জিনগত হুবহু এক বা একাধিক জীব তৈরির পদ্ধতিকে জীব ক্লোনিং বলে। 
- ডলি নামক ভেড়া হচ্ছে পৃথিবীর প্রথম স্তন্যপায়ী প্রাণী, যা একটি পূর্ণবয়স্ক দেহকোষ থেকে ক্লোন করা হয়েছে। এক্ষেত্রে ডিম্বাণু থেকে যে প্রাণী সৃষ্টি হয়, তা হুবহু তার মাতার মতো হয়। 
- এই ক্লোনিং পদ্ধতি ব্যবহার করে ইঁদুর, খরগোস, গরু ও শকুর এমনকি বানর পর্যন্ত ক্লোন করা হয়েছে। 
- সম্পূর্ণ প্রাণীর ক্লোনিংকে বলে রিপ্রোডাকটিভ ক্লোনিং বলে। যেমন- ‘ডলি’ নামক ভেড়া তার উদাহরণ। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩৩.
নিম্নের কোন প্রাণীটি জীবন্ত জীবাশ্মের উদাহরণ?
  1. বানর 
  2. ইকুইজিটাম 
  3. মানুষ 
  4. প্ল্যাটিপাস
সঠিক উত্তর:
প্ল্যাটিপাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্ল্যাটিপাস
ব্যাখ্যা

জীবন্ত জীবাশ্ম: 
- কতগুলো জীব সুদূর অতীতে উৎপত্তি লাভ করেও কোনোরকম পরিবর্তন ছাড়াই এখনো পৃথিবীতে বেঁচে আছে, অথচ তাদের সমগোত্রীয় এবং সমসাময়িক অনেক জীবনের বিলুপ্তি ঘটেছে। এই জীবদের জীবন্ত জীবাশ্ম বলে। 
- লিমুলাস বা রাজকাঁকড়া নামক সন্ধিপদ প্রাণী, স্ফোনোডন নামক সরীসৃপ প্রাণী, প্লাটিপাস নামক স্তন্যপায়ী প্রাণী জীবন্ত জীবাশ্মের উদাহরণ। - অন্যদিকে ইকুইজিটাম, নিটাম ও পিঙ্কো বাইলোবা নামের উদ্ভিদগুলো উদ্ভিদের জীবন্ত জীবাশ্মের উদাহরণ। 
- প্রায় ৪০০ মিলিয়ন বছর আগের লিমিউলাস জীবাশ্ম পাওয়া গিয়েছে। এর সমসাময়িক অন্যান্য আর্থ্রোপোডাগুলো বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে, কিন্তু এরা আজও বেঁচে আছে। তাই এদের জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩৪.
কাণ্ডের সাথে পাতা যে কোণ সৃষ্টি করে তাকে কী বলে? 
  1. পর্ব 
  2. পর্বমধ্য
  3. পত্রকক্ষ
  4. সন্ধি
সঠিক উত্তর:
পত্রকক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পত্রকক্ষ
ব্যাখ্যা

কাণ্ডের বিভিন্ন অংশ: 
- উদ্ভিদের যে অংশ থেকে শাখা-প্রশাখা পাতা উৎপন্ন হয়, তাই কাণ্ড। 
- এতে পর্ব, পর্বমধ্য ও মুকুল থাকে।
১। পর্ব: 
- কাণ্ডের যে স্থান থেকে পাতা বের হয় তাকে পর্ব বা সন্ধি বলে। 

২। পর্বমধ্য: 
- পাশাপাশি দুটি পর্বের মধ্যবর্তী অংশটি পর্বমধ্য। 
- পর্বমধ্য গাছকে খাড়া রাখতে ও বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। 
- পর্বমধ্য থেকে কোনো ধরনের মূল, পাতা বা শাখা সৃষ্টি হয় না। 

৩। মুকুল: 
- কাণ্ডের সাথে পাতা যে কোণ সৃষ্টি করে তাকে পত্রকক্ষ বলে। 
- সাধারণত মুকুল এ পত্রকক্ষে জন্মে। 
- তবে শাখার অগ্রভাগেও মুকুল সৃষ্টি হয়। 
- কাক্ষিক মুকুল পত্রকক্ষে এবং শীর্ষ মুকুল কাণ্ড বা শাখার অগ্রভাগে জন্মে। 

কাণ্ডের শ্রেণিকরণ: 
- কাণ্ড বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, তবে এদের প্রাথমিকভাবে দুইভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা-১) সবল কাণ্ড ও ২) দুর্বল কাণ্ড। 

কাণ্ডের কাজ: 
১। কাণ্ড পাতা, ফুল ও ফল এবং শাখা-প্রশাখার ভারবহন করে। 
২। কাণ্ড শাখা-প্রশাখা ও পাতাকে আলোর দিকে তুলে ধরে যাতে সূর্যের আলো যথাযথভাবে পায়। 
৩। কাণ্ড শোষিত পানি ও খনিজ লবণ শাখা-প্রশাখা, পাতা, ফুলে এবং ফলে পরিবহন করে। 
৪। পাতায় প্রস্তুত খাদ্য কাণ্ডের মাধ্যমে দেহের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। 
৫। কচি অবস্থায় সবুজ কাণ্ড সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে কিছু পরিমাণ খাদ্য প্রস্তুত করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

৩৫.
কোন প্লাস্টিড সূর্যের আলো ব্যবহার করে সরল শর্করা উৎপন্ন হয়?
  1. ক্লোরোপ্লাস্ট
  2. লিউকোপ্লাস্ট
  3. ক্রোমোপ্লাস্ট
  4. ক্রোমাটোপ্লাস্ট
সঠিক উত্তর:
ক্লোরোপ্লাস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লোরোপ্লাস্ট
ব্যাখ্যা

প্লাস্টিড: 
- প্লাস্টিড উদ্ভিদ কোষের একটি গুরত্বপূর্ণ অঙ্গাণু।
- প্লাস্টিডের প্রধান কাজ খাদ্য প্রস্তুত করা, খাদ্য সঞ্চয় করা এবং উদ্ভিদদেহকে বর্ণময় ও আকর্ষণীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করা। 
প্লাস্টিড তিন ধরনের। 
যথা- 
১। ক্লোরোপ্লাস্ট: 
- সবুজ রঙের প্লাস্টিডকে ক্লোরোপ্লাস্ট বলে। 
- পাতা, কচি কান্ড ও অন্যান্য সবুজ অংশে এদের পাওয়া যায়। 
- প্লাস্টিডের গ্রানা অংশ সূর্যালোককে আবদ্ধ করে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। 
- এই আবদ্ধ সৌরশক্তি স্ট্রোমাতে অবস্থিত উৎসেচক সমষ্টি, বায়ু থেকে গৃহীত কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং কোষের ভেতরকার পানি ব্যবহার করে সরল শর্করা তৈরি করে। 
- এতে ক্যারোটিনয়েড নামে এক ধরনের রঞ্জকও থাকে। 

২। ক্রোমোপ্লাস্ট: 
- এগুলো রঙিন প্লাস্টিড তবে সবুজ নয়। 
- এসব প্লাস্টিডে জ্যান্থফিল, ক্যারোটিন, ফাইকোএরিথ্রিন, ফাইকোসায়ানিন ইত্যাদি রঞ্জক থাকে, তাই কোনটিকে হলুদ, কোনটিকে নীল আবার কোনটিকে লাল দেখায়। 
- এদের মিশ্রণজনিত কারণে ফুল, পাতা এবং উদ্ভদের অন্যান্য অংশ আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। রঙিন ফুল, পাতা এবং গাজরের মূলে এদের পাওয়া যায়। 
- ফুলকে আকর্ষণীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করা ক্রোমোপ্লাস্টের প্রধান কাজ। 
- এরা বিভিন্ন ধরনের রঞ্জক পদার্থ সংশ্লেষণ করে জমা করে রাখে। 

৩। লিউকোপ্লাস্ট: 
- যেসব প্লাস্টিডে কোনো রঞ্জক পদার্থ থাকে না, তাদের লিউকোপ্লাস্ট বলে। 
- যেসব কোষে সূর্যের আলো পৌঁছায় না (যেমন: মূল, ভ্রূণ, জনন কোষ ইত্যাদি) সেখানে এদের পাওয়া যায়। 
- এদের প্রধান কাজ খাদ্য সঞ্চয় করা। 
- আলোর সংস্পর্শে এলে লিউকোপ্লাস্ট ক্লোরোপ্লাস্টে রূপান্তরিত হতে পারে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩৬.
শ্রেণিবিন্যাসের জনক বলা হয় কাকে? 
  1. অ্যারিস্টটল
  2. জোহান মেন্ডেল
  3. ক্যারোলাস লিনিয়াস
  4. জন রে 
সঠিক উত্তর:
ক্যারোলাস লিনিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যারোলাস লিনিয়াস
ব্যাখ্যা

দ্বিপদ নামকরণ: 
- বিপুল সংখ্যক প্রাণীর গঠন ও প্রকৃতি সম্বন্ধে জ্ঞান অর্জনের সঠিক উপায় হলো শ্রেণিবিন্যাস। 
- প্রাণীদেহে বিদ্যমান বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য ও বিভিন্ন প্রাণীর মধ্যে মিল, অমিল ও পরস্পরের মধ্যে যে সম্পর্ক রয়েছে তার উপর ভিত্তি করে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়। 
- জীবজগতকে ধাপে ধাপে বিন্যস্ত করার এই পদ্ধতিকে শ্রেণিবিন্যাস বলে। 
- বর্তমানে প্রয়োজনের তাগিতে জীববিজ্ঞানের একটী স্বতন্ত্র শাখা গড়ে উঠেছে যার নাম শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যা। 
- শ্রেণিবিন্যাসের ইতিহাসে অ্যাারিস্টটল, জন রে এবং ক্যারোলাস লিনিয়াসের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। 
- প্রকৃতিবিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস প্রথম প্রজাতির বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করেন, যা শ্রেণিবিন্যাসের সর্বনিম্ন মৌলিক একক। 
- তিনি প্রাণিজগতের দ্বিপদ নামকরণ বা দুই অংশবিশিষ্ট নামকরণের নিয়ম প্রবর্তন করেন; তাই শ্রেণিবিন্যাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য ক্যারোলাস লিনিয়াসকে শ্রেণিবিন্যাসের জনক বলা হয়। 
- একটি জীবের বৈজ্ঞানিক নাম দুই অংশ বা পদবিশিষ্ট হয়, এই নামকরণকে দ্বিপদ নামকরণ বা বৈজ্ঞানিক নামকরণ বলে। 
যেমন- মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম- Homo Sapiens. 
- বৈজ্ঞানিক নাম ল্যাটিন বা ইংরেজি ভাষায় লিখতে হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৩৭.
নিচের কোনটি ফাইটোহরমোনের উদাহরণ?
  1. লিগনিন
  2. অক্সিন
  3. ক্লোরোফিল
  4. কার্বোহাইড্রেট
সঠিক উত্তর:
অক্সিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিন
ব্যাখ্যা

ফাইটোহরমোন: 
- যে জৈব রাসায়নিক পদার্থ উদ্ভিদদেহে উৎপন্ন হয়ে উদ্ভিদের বৃদ্ধি এবং বিকাশ, বিভিন্ন অঙ্গ সৃষ্টি ইত্যাদি কাজ নিয়ন্ত্রণ করে, তাকে হরমোন বা প্রাণরস বলে। 
- উদ্ভিদ হরমোনকে ফাইটোহরমোন (Phytohormones) বলা হয়, কেউ কেউ ফাইটোহরমোনকে উদ্ভিদ বৃদ্ধিকারক বস্তু (Plant growth substances) হিসেবেও আখ্যায়িত করেছেন। 
- অধিকাংশ বিজ্ঞানীদের মতে, যে রাসায়নিক বস্তুটি কোষে উৎপন্ন হয় এবং উৎপত্তিস্থল থেকে বাহিত হয়ে দূরবর্তী স্থানের কোষ বা কোষপুঞ্জের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে, সেটাই হচ্ছে হরমোন (Hormone)। 
- উদ্ভিদের প্রতিটি কোষই হরমোন উৎপন্ন করতে পারে। 
- এরা কোনো পুষ্টিদ্রব্য নয় তবে ক্ষুদ্রমাত্রায় উৎপন্ন হয়ে উদ্ভিদের বিভিন্ন জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 
যেমন: অক্সিন (Auxin), জিবেরেলিন (Gibberellin), সাইটোকাইনিন (Cytokinin), অ্যাবসিসিক এসিড (Abscisic acid), ইথিলিন (Ethylene) ইত্যাদি। 

- এসব হরমোন ছাড়াও উদ্ভিদে আরও কিছু হরমোন রয়েছে, যাদের আলাদা করা বা শনাক্ত করা যায়নি, এদের পসটুলেটেড হরমোন (Postulated hormones) বলে। এরা প্রধানত উদ্ভিদের ফুল ও জনন সংশ্লিষ্ট অঙ্গের বিকাশে সাহায্য করে, যেমন- ফ্লোরিজেন (Florigen) এবং ভার্নালিন (Vernalin) প্রধান। 
- ধারণা করা হয়, ফ্লোরিজেন পাতায় উৎপন্ন হয় এবং তা পত্রমূলে স্থানান্তরিত হয়ে পত্রমুকুলকে পুষ্পমুকুলে রূপান্তরিত করে। তাই দেখা যায়, ফ্লোরিজেন উদ্ভিদে ফুল ফোটাতে সাহায্য করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩৮.
অপুষ্পক উদ্ভিদ মূলত কোন উপায়ে প্রজনন সম্পন্ন করে? 
  1. দ্বিভাজন প্রক্রিয়া দ্বারা
  2. ফল দ্বারা
  3. খণ্ডায়ন দ্বারা 
  4. স্পোর বা রেণু দ্বারা
সঠিক উত্তর:
স্পোর বা রেণু দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পোর বা রেণু দ্বারা
ব্যাখ্যা

অপুষ্পক উদ্ভিদ: 
- উদ্ভিদের মধ্যে কিছুসংখ্যক উদ্ভিদে ফুল ও ফল হয় না।
- এরা স্পোর বা রেণু সৃষ্টির মাধ্যমে প্রজনন সম্পন্ন করে, এদের অপুষ্পক উদ্ভিদ বলে। 
- এদের অনেকের দেহকে মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায় না। 
যেমন- অ্যাগারিকাস ও স্পাইরোগাইরা, মস, ফার্ণ ইত্যাদি। 

সপুষ্পক উদ্ভিদ: 
- সপুষ্পক উদ্ভিদে ফুল উৎপন্ন হয়। 
যেমন- আম, কাঁঠাল, শাপলা, জবা ইত্যাদি। 
- এদের দেহ সুস্পষ্টভাবে মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত। 
- কোনো উদ্ভিদ ফল উৎপন্ন করে আবার কোনটি ফল উৎপন্ন করে না, তাই বীজগুলো অনাবৃত থাকে। 
- এরা প্রধানত দুই ধরনের। 
যথা: নগ্নবীজী উদ্ভিদ ও আবৃতবীজী উদ্ভিদ। 
- এদের দেহে অত্যন্ত উন্নত ধরনের পরিবহন কলা উপস্থিত থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

৩৯.
নিম্নের কোনটি ফুলের প্রজনন অঙ্গ হিসেবে সরাসরি কাজ করে? 
  1. দল ও বৃন্ত
  2. পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক
  3. দল ও বৃতি
  4. বৃন্ত ও পুষ্পাধার
সঠিক উত্তর:
পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক
ব্যাখ্যা

প্রজনন অঙ্গ: ফুল 
- প্রজননের জন্য রূপান্তরিত বিশেষ ধরনের বিটপ (Shoot) হলো ফুল। 
- ফুল উচ্চশ্রেণির উদ্ভিদের প্রজনন অঙ্গ। 
- একটি আদর্শ ফুলের পাঁচটি স্তবকের মধ্যে দুটি স্তবক (পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক) প্রজননের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ যারা সরাসরি প্রজননে অংশ নেয়, কিন্তু অন্য স্তবকগুলো সরাসরি অংশ না নিলেও প্রজননে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা প্রদান করে। 
- যে ফুলে এই পাঁচটি স্তবকই উপস্থিত থাকে তাকে সম্পূর্ণ ফুল বলে। যেমন- জবা, ধুতুরা। 
- এই পাঁচটি স্তবকের যেকোনো একটি স্তবক না থাকলে সে ফুলকে অসম্পূর্ণ ফুল বলে। যেমন- লাউ, কুমড়া। 
- বৃন্তযুক্ত ফুলকে সবৃন্তক যেমন- জবা, কুমড়া এবং বৃন্তহীন ফুলকে অবৃন্তক ফুল বলে যেমন- হাতীশুঁড়। 
- যখন কোনো ফুলে পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক দুটোই উপস্থিত থাকে, তাকে উভলিঙ্গ ফুল (Bisexual flower) যেমন- জবা, ধুতুরা। 
- পুংস্তবক বা স্ত্রীস্তবকের যেকোনো একটি অনুপস্থিত থাকলে তাকে একলিঙ্গ ফুল (Unisexual flower) যেমন লাউ, কুমড়া এবং দুটোই অনুপস্থিত থাকলে ক্লীব ফুল (Neuter flower) বলে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪০.
কোন খনিজ উদ্ভিদের পানি শোষণ ও পত্ররন্ধ্র নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে?
  1. পটাশিয়াম
  2. ফসফরাস
  3. আয়রন
  4. ম্যাগনেসিয়াম 
সঠিক উত্তর:
পটাশিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটাশিয়াম
ব্যাখ্যা

উদ্ভিদের পুষ্টিতে বিভিন্ন খনিজ উপাদানের ভূমিকা: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন খনিজ পুষ্টি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 
- কিছু ম্যাক্রো নিউট্রিয়েন্টের ভূমিকা নিম্নে বর্ণনা করা হলো- 
১। নাইট্রোজেন: 
- নাইট্রোজেন নিউক্লিক অ্যাসিড, প্রোটিন আর ক্লোরোফিলের অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। 
- উদ্ভিদের সাধারণ দৈহিক বৃদ্ধিতে নাইট্রোজেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং কোষ কলায় পানির পরিমাণ বৃদ্ধি করে। 
- নাইট্রোজেনের অভাব হলে ক্লোরোফিল সৃষ্টি ব্যাহত হয়, আর ক্লোরোফিল সৃষ্টি ব্যাহত হলে খাদ্য প্রস্তুত বাঁধাপ্রাপ্ত হয়। 
- খাদ্যপ্রস্তুত বাঁধাপ্রাপ্ত হলে শ্বসন প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটে এবং শক্তি নির্গমন হ্রাস পায়। 

২। ম্যাগনেসিয়াম: 
- ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরোফিল অণুর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান এবং শ্বসন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে। 
- এর অভাব হলে ক্লোরোফিল অণু সৃষ্টি এবং সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য প্রস্তুত ব্যাহত হবে। 

৩। পটাশিয়াম: 
- উদ্ভিদের বহু জৈবিক ক্রিয়া-বিক্রিয়ায় পটাশিয়াম সহায়ক হিসেবে কাজ করে। 
- পত্ররন্ধ্র খোলা এবং বন্ধ হওয়ার ক্ষেত্রে পটাশিয়ামের গুরুত্ব অপরিসীম। 
- পটাশিয়াম উদ্ভিদের পানি শোষণে সাহায্য করে। 
- কোষবিভাজনের মাধ্যমে উদ্ভিদের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে পটাশিয়াম। 
- এটি মূল, ফুল ও ফল উৎপাদন এবং বর্ধনেও সাহায্য করে। 

৪। ফসফরাস: 
- মূল বর্ধনের জন্য ফসফরাস অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপাদান। 
- ফসফরাস জীবকোষের DNA, RNA, NADP, ATP প্রভৃতির গাঠনিক উপাদান। 
- কাজেই এটি ছাড়া উদ্ভিদের পুষ্টি একেবারেই সম্ভব নয়। 
- উদ্ভিদের মূল বৃদ্ধির জন্য ফসফরাস অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপাদান। 

৫। আয়রন: 
- আয়রন সাইটোক্রোমের সাংগঠনিক উপাদান, কাজেই বায়বীয় শ্বসন এর উপর নির্ভরশীল। 
- ক্লোরোফিল সৃষ্টিতেও আয়রনের ভূমিকা অপরিসীম। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪১.
উদ্ভিদের কোন অংশে শ্বসন ক্রিয়ার হার অনেক বেশি?
  1. অঙ্কুরিত বীজে
  2. মূল ও কাণ্ডের অগ্রভাগে
  3.  ফুল ও পাতার কুঁড়িতে
  4. সবগুলোতেই 
সঠিক উত্তর:
সবগুলোতেই 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোতেই 
ব্যাখ্যা

শ্বসন: 
- জীবের জীবন ধারণ অর্থাৎ চলন, ক্ষয়পুরণ, বৃদ্ধি, জনন প্রভৃতি জৈবিক কাজগুলো সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য শক্তির প্রয়োজন হয়, এ শক্তির প্রধান উৎস হলো সূর্যালোক। 
- সালোকসংশ্লেষণের সময় উদ্ভিদ সৌরশক্তিকে শর্করা জাতীয় খাদ্যবস্তুর মধ্যে স্থিতি শক্তিরূপে (Potential energy) সঞ্চয় করে রাখে। 
- খাদ্যের মধ্যে সঞ্চিত এই ধরনের শক্তি জীব তার জীবন ধারণের জন্য সরাসরি ব্যবহার করতে পারে না। 
- শ্বসনের সময় জীবদেহে এই স্থিতি শক্তি রাসায়নিক শক্তি (ATP) হিসেবে তাপরূপে মুক্ত হয় এবং জীবের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি যোগায়। 
- শর্করাজাতীয় খাদ্যবস্তু ছাড়াও প্রোটিন, ফ্যাট এবং বিভিন্ন জৈব এসিড শ্বসনিক বস্তুরূপে ব্যবহৃত হয়। 
- জীবদেহে এই জটিল যৌগগুলো প্রথমে ভেঙে সরল যৌগে পরিণত হয় এবং পরে জারিত হয়ে রাসায়নিক শক্তিতে (ATP) রূপান্তরিত হয়। 
- সাধারণ তাপমাত্রায় জীবদেহের প্রতিটি কোষে দিবারাত্রি ২৪ ঘণ্টাই শ্বসন চলতে থাকে। 
- তবে উদ্ভিদের বর্ধিষ্ণু অঞ্চলে (ফুল ও পাতার কুঁড়ি, অঙ্কুরিত বীজ, মূল ও কাণ্ডের অগ্রভাগ) শ্বসন ক্রিয়ার হার অনেক বেশি। 
- সজীব কোষের সাইটোপ্লাজম ও মাইটোকন্ড্রিয়াতে শ্বসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। 
- এ জৈব-রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় জীবদেহ যৌগিক খাদ্যদ্রব্য জারিত করে সরল দ্রব্যে পরিণত করে এবং শক্তি উৎপন্ন করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪২.
উদ্ভিদের অত্যাবশ্যকীয় মাইক্রো উপাদান কোনটি?
  1. অক্সিজেন
  2. ক্যালসিয়াম
  3. মোলিবডেনাম
  4. ফসফরাস
সঠিক উত্তর:
মোলিবডেনাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোলিবডেনাম
ব্যাখ্যা

অত্যাবশ্যকীয় উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয় ১৬টি পুষ্টি উপাদানকে সমষ্টিগতভাবে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান বলা হয়। 
- এই উপাদানগুলো সব ধরনের উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, শারীরবৃত্তীয় কাজ এবং প্রজননের জন্য প্রয়োজন। 
- অত্যাবশ্যকীয় ১৬টি উপাদানের মধ্যে উদ্ভিদ কোনো কোনো উপাদান বেশি পরিমাণে গ্রহণ করে,আবার কোনো কোনো উপাদান সামান্য পরিমাণে গ্রহণ করে। 
- উদ্ভিদ কর্তৃক গৃহীত অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টির পরিমাণের উপর ভিত্তি করে এদেরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যেমন: ম্যাক্রো নিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান এবং মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান। 

ম্যাক্রো নিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান বলা হয়। 
- ম্যাক্রো উপাদান ৯ টি। 
যথা: ম্যাগনেসিয়াম (Mg), কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), নাইট্রোজেন (N), পটাশিয়াম (K), ফসফরাস (P), ক্যালসিয়াম (Ca), অক্সিজেন (O) এবং সালফার (S)। 

মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান অত্যন্ত সামান্য পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান বলে। 
- মাইক্রো উপাদান ৭ টি। 
যথা: বোরন (B), তামা বা কপার (Cu) এবং ক্লোরিন (Cl), লৌহ (Fe), দস্তা বা জিংক (Zn), ম্যাংঙ্গানিজ (Mn), মোলিবডেনাম (Mo)। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪৩.
স্তন্যপায়ী প্রাণীদের হৃৎপিণ্ড কত প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট?
  1. ২ প্রকোষ্ঠ
  2. ৪ প্রকোষ্ঠ
  3. ৩ প্রকোষ্ঠ
  4. ৫ প্রকোষ্ঠ
সঠিক উত্তর:
৪ প্রকোষ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ প্রকোষ্ঠ
ব্যাখ্যা

স্তন্যপায়ী প্রাণী: 
- স্তন্যপায়ী প্রাণীদের বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নে দেওয়া হলো- 
১. এদের দেহ রোমে আবৃত থাকে। 
২. পরিণত স্ত্রী প্রাণীরা সন্তান প্রসব করে। 
৩. এরা উষ্ণ রক্তবিশিষ্ট প্রাণী। 
৪. এদের শিশুরা মাতৃদুগ্ধ পান করে বড় হয়। 
৫. এদের হৃৎপিণ্ড চার প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট। 
৬. এদের চোয়ালে বিভিন্ন ধরনের দাঁত থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৪৪.
জটিল টিস্যুর অপর নাম কী?
  1. প্যারেনকাইমা টিস্যু 
  2. ক্ষরণকারী টিস্যু
  3. সরল টিস্যু
  4. পরিবহন টিস্যু
সঠিক উত্তর:
পরিবহন টিস্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবহন টিস্যু
ব্যাখ্যা

জটিল টিস্যু: 
- বিভিন্ন ধরনের কোষের সমন্বয়ে যে স্থায়ী টিস্যু তৈরি হয়, তাকে জটিল টিস্যু বলে। 
- এরা উদ্ভিদে পরিবহনের কাজ করে, তাই এদের পরিবহন টিস্যুও বলা হয়। 
- এ টিস্যু দুই ধরনের। যথা- জাইলেম এবং ফ্লোয়েম। 
- জাইলেম এবং ফ্লোয়েম একত্রে উদ্ভিদের পরিবহন টিস্যুগুচ্ছ গঠন করে। 

জাইলেম টিস্যু: 
- জাইলেম দুই ধরনের। 
যেমন- প্রাথমিক ও গৌণ জাইলেম। 
- প্রোক্যাম্বিয়াম থেকে সৃষ্ট জাইলেমকে প্রাথমিক জাইলেম বলে। 
- প্রাথমিক বৃদ্ধি শেষে যেসব ক্ষেত্রে গৌণবৃদ্ধি ঘটে, সেখানে গৌণ জাইলেম সৃষ্টি হয়। 
- প্রাথমিক জাইলেম আবার দুই ধরনের। 
- প্রাথমিক অবস্থায় একে প্রোটোজাইলেম এবং পরিণত অবস্থায় মেটাজাইলেম বলে। 
- মেটাজাইলেমে অভ্যন্তরীণ ফাঁকা গহ্বরটি বড় থাকে। 
- জাইলেমে কয়েক ধরনের কোষ থাকে। 
যেমন: ট্রাকিড, ভেসেল জাইলেম প্যারেনকাইমা ও জাইলেম ফাইবার। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪৫.
ধানের বৈজ্ঞানিক নাম কী? 
  1. Mangifera indica
  2. Corchorus capsularis
  3. Oryza sativa
  4. Artocarpus heterophyllus
সঠিক উত্তর:
Oryza sativa
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Oryza sativa
ব্যাখ্যা

- কয়েকটি জীবের দ্বিপদ নাম নিচে দেওয়া হলো- 
সাধারণ নাম ⇔ বৈজ্ঞানিক নাম: 
ধান ⇔ Oryza sativa.
• পাট ⇔ Corchorus capsularis.
• আম ⇔ Mangifera indica.
• কাঁঠাল ⇔ Artocarpus heterophyllus.
• শাপলা ⇔ Nymphaea nouchali.
• জবা ⇔ Hibiscus rosa-sinensis.
• কলেরা জীবাণু ⇔ Vibrio cholerae.
• ম্যালেরিয়া জীবাণু ⇔ Plasmodium vivax.
• আরশোলা ⇔ Periplaneta americana.
• মৌমাছি ⇔ Apis indica.
• ইলিশ ⇔ Tenualosa ilisha.
• কুনো ব্যাঙ ⇔ Duttaphrynus melanostictus (Bufo melanostictus).
• দোয়েল ⇔ Copsychus saularis.
• রয়েল বেঙ্গল টাইগার ⇔ Panthera tigris.
• মানুষ ⇔ Homo sapiens ইত্যাদি। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং লাইভ লেকচার।