পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৯তম বিসিএস ⎯ জেনারেল পার্ট [Archived]

পরীক্ষা৪৯তম বিসিএস ⎯ জেনারেল পার্ট [Archived]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
পরীক্ষা – ২৩ বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি - ৫ টপিক: i) বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা: (আইন, শাসন ও বিচার বিভাগসমূহ, আইন প্রণয়ন, নীতি নির্ধারণ, জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা কাঠামো, প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস ও সংস্কার)। ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা: (রাজনৈতিক দলসমূহের গঠন, ভূমিকা ও কার্যক্রম, ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের পারস্পরিক সম্পর্কাদি, সুশীল সমাজ ও চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীসমূহ এবং এদের ভূমিকা। জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান এবং ২০২৪ পরবর্তী সংস্কার প্রস্তাবনা)। উৎস: পৌরনীতি ও সমাজবিজ্ঞান বিষয়ক বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া ও যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৯তম বিসিএস ⎯ জেনারেল পার্ট [Archived]

৪৯তম বিসিএস ⎯ জেনারেল পার্ট [Archived] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের শর্ত অনুযায়ী, সর্বনিম্ন কতটি উপজেলা বা মেট্রোপলিটন থানায় কার্যালয় থাকতে হবে?
  1. ৯০টি
  2. ১০০টি
  3. ১২০টি
  4. ২০০টি
সঠিক উত্তর:
১০০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০টি
ব্যাখ্যা

রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন:
- ২০০৮ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে এটিএম শামছুল হুদার নির্বাচন কমিশন ভোটে অংশ নিতে রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের বিধান চালু করে।
- ওই বছরই প্রথম দফায় বিএনপি, আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, জামায়াতে ইসলামীসহ ৩৯টি রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন।

এছাড়াও,
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, কোনো রাজনৈতিক দল নিবন্ধন পেতে চাইলে তিনটি শর্তের যেকোনো একটি পূরণ করতে হবে।
- প্রথমত, স্বাধীনতার পর অনুষ্ঠিত কোনো সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রতীকে কমপক্ষে একটি আসনে বিজয়;
- দ্বিতীয়ত, ওই সব নির্বাচনে দলটির প্রার্থীরা যেসব আসনে অংশ নিয়েছেন, সেসব আসনে মোট ভোটের পাঁচ শতাংশ ভোট প্রাপ্তি;
- তৃতীয়ত, কেন্দ্রীয় কমিটিসহ একটি সক্রিয় কেন্দ্রীয় অফিস থাকতে হবে। দেশের অন্তত এক-তৃতীয়াংশ জেলায় জেলা অফিস থাকতে হবে। আর অন্তত ১০০টি উপজেলা বা মেট্রোপলিটন এলাকার থানায় অফিস থাকতে হবে, যার প্রতিটিতে সদস্য হিসেবে কমপক্ষে ২০০ জন ভোটার থাকবে।

উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন এবং BBC পত্রিকা রিপোর্ট। 

.
‘কৃষক প্রজা পার্টি’ কার নেতৃত্বে গড়ে উঠেছিল?
  1. এ.কে. ফজলুল হক
  2. আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  3. নবাব স্যার সলিমুল্লাহ
  4. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
সঠিক উত্তর:
এ.কে. ফজলুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ.কে. ফজলুল হক
ব্যাখ্যা

কৃষক-প্রজা পার্টি:
- শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক এর নেতৃত্বে ‘কৃষক প্রজা পার্টি’ গড়ে উঠেছিল।
- কৃষক প্রজা পার্টি আর্থ-সামাজিক কর্মসূচি সম্বলিত একটি রাজনৈতিক দল।
- দলটি ১৯৩৬ থেকে ১৯৪৩ পর্যন্ত বাংলার রাজনীতিতে যথেষ্ট প্রভাব বিস্তার করেছিল।
- ১৯৩৬ সালে প্রতিষ্ঠিত কৃষক প্রজা পার্টি ছিল নিখিল বঙ্গ প্রজা সমিতির ফসল।
- বিভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের মুসলমান নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে নিখিলবঙ্গ প্রজা সমিতি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২৯ সালে।
- স্যার আব্দুর রহিম এ সমিতির সভাপতি এবং আরও পাঁচজন সহ-সভাপতি ছিলেন।
- এ.কে ফজলুল হক ছিলেন এ পাঁচজনের মধ্যে প্রথম সহ-সভাপতি।
- ১৯৩০ দশকের মন্দার প্রেক্ষাপটে পূর্ব বঙ্গের প্রায় সকল জেলায় প্রজা সমিতি গঠিত হয়।
- এ. কে. ফজলুল হক পূর্ব বাংলায় তার সমর্থকদের নিয়ে প্রজা সমিতি ত্যাগ করলেন এবং ১৯৩৬ সালের জুলাই মাসে ঢাকায় কৃষক-প্রজা পার্টি প্রতিষ্ঠিত করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

.
বর্তমানে মন্ত্রিসভার কত ভাগ টেকনোক্রেট মন্ত্রী রাখা যায়?
  1.  ৯%
  2. ৮%
  3.  ১০%
  4.  ১২%
সঠিক উত্তর:
 ১০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 ১০%
ব্যাখ্যা

টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী:
- প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন
- সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হতে ৯০ শতাংশ মন্ত্রী নিযুক্ত হবেন।
- নির্বাচিত সদস্য সংসদ সদস্যদের বাইরে থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে পরিচিত।
- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায় এক-দশমাংশ।
- অর্থাৎ ১০ শতাংশ সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

.
নিম্নের কোন বিভাগ অধ্যাদেশ জারি করতে পারে?
  1. বিচার বিভাগ
  2. আইন বিভাগ
  3. শাসন বিভাগ
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
শাসন বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাসন বিভাগ
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রপতি:
- অধ্যাদেশ জারি করেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- বাংলাদেশ সংবিধানে মােট ১১টি ভাগ রয়েছে।
- এর মধ্যে পঞ্চম ভাগে আইনসভা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- পঞ্চম ভাগের ৩য় পরিচ্ছেদের ৯৩ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগের সর্বোচ্চ পদাধিকারী ব্যক্তি হলেন রাষ্ট্রপতি।
- তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সকল সন্মানের উৎস।
- সংসদীয় পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ পদমর্যাদার অধিকার রাষ্ট্রপতি।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আইন অনুসারে সংসদ সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হবেন।

• সুতরাং অধ্যাদেশ জারি করতে পারে শাসন বিভাগ। 

উৎস:  বাংলাদেশের সংবিধান এবং পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
CPD-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Council for Public Development
  2. Centre for Planning and Development
  3. Committee for Political Discussion
  4. Center for Policy Dialogue
সঠিক উত্তর:
Center for Policy Dialogue
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Center for Policy Dialogue
ব্যাখ্যা

CPD:
- CPD-এর পূর্ণরূপ: Center for Policy Dialogue.
- CPD হলো বাংলাদেশের একটি বেসরকারি গবেষণা সংস্থা যা সরকারি বিভিন্ন বাণিজ্যিক পদক্ষেপের বিষয়ে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কাজ করে।
- এটি ১৯৯৩ সালে অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে এর সদর দপ্তর ঢাকার ধানমন্ডিতে অবস্থিত।
- সিপিডির লক্ষ্য বাংলাদেশের নাগরিক সমাজের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের জন্য একটি চাহিদা-চালিত এবং জবাবদিহিমূলক উন্নয়ন প্রক্রিয়া গড়ে তোলা, তথ্যবহুল বিতর্ক উদ্দীপিত করা, জ্ঞান তৈরি করা এবং গবেষণা, সংলাপ, প্রচার এবং সমর্থনের মাধ্যমে নীতি নির্ধারণকে প্রভাবিত করা।

উৎস -  CPD ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।

.
সুশীল সমাজের মৌলিক উপাদান কী কী?
  1. গোপনীয়তা
  2. বৈধতা
  3. জনমত প্রকাশের অবাধ স্বাধীনতা
  4. উপরোক্ত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো
ব্যাখ্যা

সুশীল সমাজ:
- সুশীল সমাজের ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Civil Society.
- সুশীল সমাজ হলো এমন এক ধরনের গোষ্ঠী, যারা সবসময় জনগণের কল্যাণের জন্য কাজ করে।
- সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গ স্বতন্ত্র কোন রাজনীতি করে না, কারণ এরা কোন দলের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত থাকে না, হোক সরকারি বা বিরোধী কোন দল।
- সুতরাং সুশীল সমাজ হলো এমন এক ধরনের গোষ্ঠী যারা কোন রাজনৈতিক দলের সাথে সংযুক্ত না থেকে সবসময় জনগণের কল্যাণে কাজ করে।

• সুশীল সমাজের রয়েছে চারটি মৌলিক উপাদান -
১. বহুত্ববাদ বা বহুদলীয় গণতন্ত্র বা উদার গণতন্ত্র,
২. জনমত প্রকাশের অবাধ স্বাধীনতা,
৩. গোপনীয়তা ও
৪. বৈধতা।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ১ম পত্র, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং ব্রিটানিকা।

.
কোন পরিস্থিতিতে একটি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাতিল করা হতে পারে?
  1. দলটি যদি পরপর দুইটি সাধারণ নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে
  2. দলটি যদি দেশের আইন লঙ্ঘন করে
  3. দলটি যদি নির্বাচনে জয়ী না হয়
  4. দলটি যদি নির্বাচন কমিশনকে বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন জমা না দেয়
সঠিক উত্তর:
দলটি যদি পরপর দুইটি সাধারণ নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলটি যদি পরপর দুইটি সাধারণ নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে
ব্যাখ্যা

নিবন্ধন বাতিল:
- কোন নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন নিম্নোক্ত কারণে বাতিল হবে, যথা:
- দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কমিটি কর্তৃক দলকে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হলে কিংবা নিবন্ধন বাতিলের জন্য দলের প্রধান ও সাধারণ সম্পাদক বা মহাসচিবদের সমপর্যায়ের পদাধিকারী কর্তৃক দলীয় সিদ্ধান্তের কার্যবিবরণীসহ কমিশন বরাবর আবেদন করা হলে;
- নিবন্ধিত কোন রাজনৈতিক দল সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত হলে;
- এই আইন ও বিধিমালার অধীন কমিশনে প্রেরিতব্য কোন তথ্য পরপর তিন বছর প্রেরণ করতে ব্যর্থ হলে;
- রাজনৈতিক দলটি পরপর দুইটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলে;

এছাড়াও,
- কমিশন নিবন্ধন বাতিলের পূর্বে নির্ধারিত পদ্ধতিতে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলকে শুনানীর সুযোগ প্রদান করবেন।
- বিলুপ্ত ঘোষিত নিবন্ধিত কোন রাজনৈতিক দলের নাম অনুযায়ী অপর কোন দলকে নিবন্ধিত করা হবে না।
- বিলুপ্ত ও বাতিলকৃত নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের নাম সরকারি গেজেটে প্রকাশ করা হবে।

উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।

.
বাংলাদেশে কোন ধরনের রাজনৈতিক ব্যবস্থা বিদ্যমান?
  1. সমাজতান্ত্রিক গণতন্ত্র
  2. বহুদলীয় গণতন্ত্র ব্যবস্থা
  3. নিয়মতান্ত্রিক রাজতন্ত্র
  4. তত্ত্বাবধায়ক গণতন্ত্র ব্যবস্থা
সঠিক উত্তর:
বহুদলীয় গণতন্ত্র ব্যবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বহুদলীয় গণতন্ত্র ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক ব্যবস্থা:
- বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রিক ব্যবস্থা বিদ্যমান। বিভিন্ন সময়ে একাধিক রাজনৈতিক দল জাতীয় সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে।
- স্বাধীন বাংলাদেশের সূচনালগ্নেই এ দেশে বহুদলীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৫ সালে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে জাতীয় প্রয়োজনে বাকশাল নামে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয় যা ১ সেপ্টেম্বর ১৯৭৫ থেকে কার্যকর হওয়ার কথা ছিল।
- ১৯৭৯ সালের এপ্রিলে সংবিধান থেকে বাকশাল ব্যবস্থা বাতিল করে বহুদলীয় ব্যবস্থা পুনঃস্থাপন করা হয়।
- ১৯৭৫ থেকে ১৯৯১ সময়ে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রচলিত ছিলো।
- বাংলাদেশের আইনসভা জাতীয় সংসদ নামে পরিচিত যা এককক্ষ বিশিষ্ট।- বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা এককেন্দ্রিক ।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
.
জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রধান কে?
  1. আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী
  2. সফর রাজ হোসেন
  3. ড. ইফতেখারুজ্জামান
  4. অধ্যাপক আলী রিয়াজ
সঠিক উত্তর:
আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
 জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন:
- ২০২৪ সালের ৩ অক্টোবর আট সদস্যের জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়।
- পরে কমিশনের সদস্যসংখ্যা আরও তিনজন বাড়ানো হয়।
- এ কমিশনের প্রধান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের চেয়ারম্যান ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী।
- জনমুখী, জবাবদিহিমূলক, দক্ষ ও নিরপেক্ষ জনপ্রশাসন ব্যবস্থা করে তুলতে এ কমিশন গঠন করা হয়।
- ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ১২টায় প্রধান উপদেষ্টার কাছে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়।

• অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কমিশনের নাম ও প্রধান কমিশনার: 
• নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন- ড. বদিউল আলম মজুমদার;
• পুলিশ প্রশাসন সংস্কার কমিশন- সফর রাজ হোসেন;
• বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন- বিচারপতি শাহ আবু নাঈম মমিনুর রহমান;
• দুর্নীতি দমন সংস্কার কমিশন- ড. ইফতেখারুজ্জামান;
• সংবিধান সংস্কার কমিশন- অধ্যাপক আলী রিয়াজ।

উৎস: সংস্কার কমিশনের ওয়েবসাইট বিবিসি প্রতিবেদন।
১০.
বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর প্রথম স্তর কী?
  1. সুপ্রিম কোর্ট
  2. দপ্তর
  3. সচিবালয়
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
সচিবালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সচিবালয়
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক কাঠামো:
- বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর প্রথম স্তর হলো কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক কাঠামো (সচিবালয়) যা বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তর/অধিদপ্তর নিয়ে গঠিত।
- সচিবালয় হলো প্রশাসনিক কার্যাবলি এবং সমস্ত সরকারি কার্যক্রমের মূল কেন্দ্র।
- সংবিধানের ৫৫ (৬) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত Rules of Business এর নিয়ম অনুসারে মন্ত্রণালয় ও বিভাগসমূহের কার্যাদি নির্ধারণ করা হয়।
- এছাড়াও সচিবালয়ের নির্দেশাবলী (Secretariate Instructions) নামে আলাদা একটি ডকুমেন্টও কেন্দ্রীয় প্রশাসনের কার্যাবলি নির্ধারণ করে থাকে।
- সচিবালয় মূলত প্রশাসনিক নীতিমালা ও পরিকল্পনা প্রণয়ন, পরিকল্পনার মূল্যায়ন, সংসদে মন্ত্রীদের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা, শীর্ষ স্তরের প্রশাসন পরিচালনা, প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য বিষয়াদি সম্পাদন করার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১.
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নয় কোনটি?
  1. সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করা
  2. জাতীয় মর্যাদা বৃদ্ধি করা
  3. অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি
  4. নিজস্ব মতবাদে দৃঢ় থাকা
সঠিক উত্তর:
সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করা
ব্যাখ্যা

সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করা বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নয়।

• পররাষ্ট্রনীতি:
- পররাষ্ট্রনীতি হলো কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্রের গৃহীত সেসব নীতি যা রাষ্ট্র তার রাষ্ট্রীয় স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে যোগাযোগ রক্ষার ক্ষেত্রে সম্পাদন করে থাকে।
- অন্য রাষ্ট্রের মতো বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে রাষ্ট্রের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতাকে তুলে ধরে।
- বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি মূলত বহিঃশক্তির প্রভাব থেকে দেশের সাবভৌমত্ব ও ভূখন্ডকে রক্ষা করার মতো বিষয়েই সীমাবদ্ধ থেকে গেছে।

• বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
১. আত্বরক্ষা,
২. অর্থনৈতিক অগ্রগতি,
৩. অন্য রাষ্ট্রের তুলনায় নিজের জাতীয় শক্তিকে রক্ষা ও প্রয়োজনবোধে বৃদ্ধি করা,
৪. নিজস্ব মতবাদে দৃঢ় থাকা, ও
৫. জাতীয় মর্যাদা বৃদ্ধি করা।

উৎস: সিভিক এডুকেশন-২, বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
৫ আগস্ট ২০২৫, প্রকাশিত জুলাই ঘোষণাপত্রে কয়টি ধারা (clause) অন্তর্ভুক্ত রয়েছে?
  1. ২৭টি
  2. ৩০টি
  3. ২৮টি
  4. ২৫টি
সঠিক উত্তর:
২৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮টি
ব্যাখ্যা

জুলাই ঘোষণাপত্রে ২৮টি ধারা (clause) অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, এটি রাজনৈতিক, সাংবিধানিক ও শাসন কাঠামোর সংস্কারের পাশাপাশি ছাত্র-জনতা ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের স্বীকৃতি ও আইনি সুরক্ষা বিষয়গুলোকে সংজ্ঞায়িত করে। 

জুলাই ঘোষণাপত্র: 
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ৫ আগস্ট ২০২৫ আনুষ্ঠানিকভাবে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করেছে।
- জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এই ঘোষণাপত্র পাঠ করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।  

ঘোষণাপত্রের মূল বিষয়গুলো:
- জুলাই অভ্যুত্থানে নিহতদের জাতীয় বীর ঘোষণা।
-  ছাত্র-জনতাকে আইনি সুরক্ষা প্রদান করা হবে।
-  এই ঘোষণাপত্র সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
-  মুক্তিযুদ্ধ ও রাজনৈতিক সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে।

সূত্র - পত্রিকা রিপোর্ট ও জুলাই ঘোষণাপত্র। 

১৩.
প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি হলো - 
  1. নিকার
  2. সরকারি কর্ম কমিশন 
  3. একনেক
  4.  জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
নিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিকার
ব্যাখ্যা

NICAR:
- NICAR-এর পূর্ণরূপ: National Implementation Committee for Administrative Reform.
- প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি হলো নিকার।
- ১৯৮২ সালের প্রশাসনিক পুনর্গঠন/সংস্কার কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে গঠিত একটি স্থায়ী কমিটি।
- ১৯৮২ সালের আগস্ট মাসে তৎকালীন উপ-প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক রিয়ার এডমিরাল এম.এ খানকে সভাপতি করে এ কমিটি গঠিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

১৪.
Almond ও Powel চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে কতটি ভাগে ভাগ করেছেন?
  1. ৩ ভাগে
  2. ৭ ভাগে
  3. ৬ ভাগে
  4. ৪ ভাগে
সঠিক উত্তর:
৪ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ ভাগে
ব্যাখ্যা
চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী:
• যে গোষ্ঠীর সদস্যগণ একই মনোভাব ও স্বার্থের ভিত্তিতে গড়ে ওঠে এবং
- স্বার্থের ভিত্তিতেই তারা পরস্পরের সাথে আবদ্ধ হয় তাকে চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী বলে।

• Almond ও Powel চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে ৪ ভাগে ভাগ করেছেন।
যথা-
- The Associational Interest Groups,
- Institutional Interest Groups,
- Anomic Interest Groups and
- Non-Associational Interest Groups.

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।