পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins১৯৪ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১৯৫
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 16” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- ৫০তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট⎯১
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯৫ প্রশ্ন

.
আদিনা মসজিদ কোন শাসকের সময় নির্মিত হয়?
  1. সুলতান নাসিরউদ্দিন মাহমুদ শাহ
  2. সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
  3. সুলতান সিকান্দার শাহ
  4. সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
সঠিক উত্তর:
সুলতান সিকান্দার শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুলতান সিকান্দার শাহ
ব্যাখ্যা

⇒ আদিনা মসজিদ সুলতান সিকান্দার শাহ এর সময় নির্মিত হয়।

⇒ সিকান্দর শাহ:

- ইলিয়াস শাহের মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র সিকান্দর শাহ ১৩৫৮ খ্রিস্টাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি প্রায় ৩৪ বছর রাজত্ব করেন।
- তাঁর এ সুদীর্ঘ রাজত্বকালে বাংলাদেশে মুসলিম শাসন সুদৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- সিকান্দর শাহ সুশাসক ও বিদ্যানুরাগী ছিলেন। 
- সুফি শেখ আলাউল হক ও শেখ শরফউদ্দীন ইয়াহিয়ার সাথে সিকান্দর শাহের সৌহার্দ্য ও পত্রালাপ ছিল।
- তাঁর রাজত্বকালে স্থাপত্যশিল্পের যথেষ্ট উন্নতি হয়।

⇒ আদিনা মসজিদ:
- আদিনা মসজিদ পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলার হযরত পান্ডুয়া বা ফিরুজাবাদে অবস্থিত।
- এটি ১৩৭৩ খ্রিস্টাব্দে ইলিয়াস শাহের পুত্র সিকান্দর শাহ কর্তৃক নির্মিত হয়।
- এটি তৎকালীন সময়ে বাংলা তথা সমগ্র উপমহাদেশের বৃহত্তম মসজিদ ছিল।
- মসজিদের বাইরের আয়তন প্রায় ১৫৫ মি × ৮৭ মি এবং ভেতরের ১২২ মি × ৪৬ মি।
- বর্তমানে এটি ধ্বংসপ্রাপ্ত অবস্থায় রয়েছে, শুধু পশ্চিম দেয়ালের কিছু অংশ টিকে আছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

.
সুশীল সমাজ সরকারের কোন বিষয় নিশ্চিত করতে সচেষ্ট?
  1. কর আদায়
  2. দায়িত্বশীলতা
  3. ধর্মীয় নিয়মকানুন
  4. সামরিক শক্তি বৃদ্ধি
সঠিক উত্তর:
দায়িত্বশীলতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়িত্বশীলতা
ব্যাখ্যা

সুশীল সমাজ:
- সুশীল সমাজ চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অংশ।
- বর্তমানে সুশীল সমাজ মানব পুঁজি গঠন, সমাজসেবা এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষার উন্নয়নে গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- সুশীল সমাজ সরকারের দায়িত্বশীলতা, জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণে সচেষ্ট।
- সুশীল সমাজ সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে এবং সরকার সুশীল সমাজের বক্তব্য বা সুপারিশসমূহকে উপেক্ষা করতে পারে না।
- সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সাহায্য করা ও মানবাধিকার রক্ষায় সোচ্চার হওয়া সুশীল সমাজের দায়িত্ব।
- সরকার বা কোন কোন নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের মতাদর্শ প্রচার করা সুশীল সমাজের কাজ নয়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ১ম পত্র, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি আমন ধান উৎপাদিত হয়?
  1. দিনাজপুর
  2. রংপুর
  3. মানিকগঞ্জ
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

ধান উৎপাদন:
- বাংলাদেশের প্রায় ৮০-৮৫ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।

⇒ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

.
সংবিধানের ৪০নং অনুচ্ছেদে কোন বিষয়টির উল্লেখ রয়েছে?
  1. ধর্মীয় স্বাধীনতা
  2. পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা
  3. বাক-স্বাধীনতা
  4. সংগঠনের স্বাধীনতা
সঠিক উত্তর:
পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৩৫ - বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ।
- অনুচ্ছেদ ৩৬ - চলাফেরার স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৭ - সমাবেশের স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৮ - সংগঠনের স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৯ - চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪০ - পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪১ - ধর্মীয় স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪২ - সম্পত্তির অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৪৩ - গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ।
- অনুচ্ছেদ ৪৪ - মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ।
- অনুচ্ছেদ ৪৫ - শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে অধিকারের পরিবর্তন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

.
'Blue Chips' শব্দটি ব্যবহৃত হয় -
  1. ক্রিপ্টোকারেন্সি মার্কেটে
  2. স্টক মার্কেটে
  3. রিয়েল এস্টেটে
  4. কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণে
সঠিক উত্তর:
স্টক মার্কেটে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টক মার্কেটে
ব্যাখ্যা

⇒ 'Blue Chips' শব্দটি শেয়ার বাজার বা স্টক মার্কেটের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

Blue Chips:

- আর্থিকভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী, দীর্ঘদিন ধরে লাভজনক, বাজারে সুনামধন্য এবং স্থিতিশীল কোম্পানির শেয়ারকে Blue Chip বোঝায়।
- Blue Chip হলো শেয়ার বাজারের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও প্রতিষ্ঠিত কোম্পানির শেয়ার।
- এগুলো দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ বলে বিবেচিত হয়।
- অর্থনৈতিক মন্দা বা সংকটের সময়ও এদের শেয়ারের দাম তুলনামূলকভাবে কম ওঠানামা করে।
- আন্তর্জাতিক বাজারে Apple, Microsoft, Amazon, Coca-Cola, Google, Johnson & Johnson এর মত প্রতিষ্ঠানকে Blue Chip বলা হয়।
- বাংলাদেশে গ্রামীণফোন, ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো, স্কয়ার ফার্মা, ইউনিলিভারকে Blue Chip বলা হয়।

তথ্যসূত্র - ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও বিটানিকা।

.
দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের রাজত্বকালে কোন চৈনিক পর্যটক ভারত সফর করেন?
  1. হিউয়েন সাং
  2. ফা-হিয়েন
  3. ইতসিং
  4. মার্কো পোলো
সঠিক উত্তর:
ফা-হিয়েন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফা-হিয়েন
ব্যাখ্যা

⇒ দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের রাজত্বকালে চৈনিক পর্যটক ফা-হিয়েন ভারত সফর করেন।

দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত:

- দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত ছিলেন সমুদ্রগুপ্তের উত্তরাধিকারী।
- সেই হিসাবে তিনি এক বিশাল সাম্রাজ্য শাসন করেন।
- পশ্চিম ভারত থেকে শকদের বিতাড়ন দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের মুখ্য সামরিক কৃতিত্ব।
- এ কারণে তিনি 'শকারি' উপাধি গ্রহণ করেন।
- বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে তিনি নাগ ও বাকাটক বংশীয় রাজাদের সাথে বন্ধুত্ব স্থাপন করেন।
- তাঁর সভা অলঙ্কৃত করেছিলেন মহাকবি কালিদাসসহ অনেক জ্ঞানী-গুণী ব্যক্তি।
- শৌর্য-বীর্য, শিক্ষা-সংস্কৃতি ও অর্থনৈতিক উন্নতির পরিচয় বহন করে তাঁর রাজত্বকাল।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে একজন সংসদ সদস্য একটানা কত কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে তার আসন শূন্য হয়?
  1. ৩০ কার্যদিবস
  2. ৪৫ কার্যদিবস
  3. ৬০ কার্যদিবস
  4. ৯০ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
৯০ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে একজন সংসদ সদস্য একটানা ৯০ কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে তার আসন শূন্য হয়?

সংসদ সদস্য হবার যোগ্যতা:

- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী ২৫ বছর বয়স্ক বাংলাদেশী যেকোন নাগরিক সংসদ সদস্য হবার যোগ্যতা রাখে।
- অপ্রকৃতিস্থ, দেউলিয়া, বিদেশী নাগরিকত্ব অর্জন, কোন অপরাধে ২ বছরের জন্য সাজাপ্রাপ্ত নাগরিক সংসদ সদস্য হতে পারবেন না।
- সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
- প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে রাষ্ট্রপতির সংসদ ভেঙ্গে দেয়ার।
- সংসদে কোরাম পূর্ণ হতে ৬০ জন সংসদ সদস্যের প্রয়োজন হয়।
- সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী দল সরকারি দলের এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসনে বিজয়ী দল বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করে।
- সংসদ সদস্যগণ অনেকে একই সাথে হুইপ, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, বিভিন্ন সংসদীয় কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে থাকেন।
- একজন সংসদ সদস্য নিজের ইচ্ছায় পদত্যাগ দাখিল করলে অথবা একাধারে ৯০ কার্যদিবস সংসদে অনুপস্থিত থাকলে তাঁর সদস্যপদ বাতিল হবে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
বাংলাদেশে প্রচলিত উন্নত ও উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত কোনটি?
  1. ইরাটম
  2. চমক
  3. ড্রামহেড
  4. প্রভাতী
সঠিক উত্তর:
চমক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চমক
ব্যাখ্যা

⇒ উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উল্লেখ্য:
⇒ উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত: গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।
⇒ উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত: সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।
⇒ উচ্চ ফলনশীল কলার জাত: সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।
⇒ উচ্চ ফলনশীল গমের জাত: কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।
⇒ উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত: বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।
⇒ উচ্চ ফলনশীল আমের জাত: মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।
⇒ উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত: বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।

তথসূত্র - কৃষি তথ্য সার্ভিস।

.
কোন নদীর তীরে বাংলাদেশের প্রথম নদীনির্ভর টার্মিনাল 'পানগাঁও' নির্মাণ করা হয়?
  1. পদ্মা
  2. বুড়িগঙ্গা
  3. কর্ণফুলী
  4. তুরাগ
সঠিক উত্তর:
বুড়িগঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুড়িগঙ্গা
ব্যাখ্যা

⇒ বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে বাংলাদেশের প্রথম নদীনির্ভর টার্মিনাল 'পানগাঁও' নির্মাণ করা হয়।

পানগাঁও টার্মিনাল:

- বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে কেরানীগঞ্জে অবস্থিত দেশের প্রথম নদীনির্ভর টার্মিনাল পানগাঁও ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো (আইসিডি)।
- ২০১৩ সালের শেষ দিকে এই টার্মিনাল উদ্বোধন করা হয়।
- প্রায় ১৫৭ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ টার্মিনাল বছরে ১ লাখ ১৬ হাজার টুয়েন্টি-ফুট ইকুইভালেন্ট ইউনিটস (টিইইউএস) কনটেইনার হ্যান্ডল করার সক্ষমতা নিয়ে চালু হয়েছিল।
- তবে বর্তমানে টার্মিনালটির ব্যবহার হচ্ছে সক্ষমতার ২০ শতাংশেরও কম।
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় কনটেইনার পরিবহনকারী প্রতিষ্ঠান মেডিটেরেনিয়ান শিপিং কোম্পানি (এমএসসি) পানগাঁও আইসিডি আধুনিকায়ন ও পরিচালনার জন্য ৪০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে।

তথ্যসূত্র - দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

১০.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, জিডিপিতে সর্বোচ্চ সংখ্যক জনশক্তি কোন খাতে নিয়োজিত?
  1. শিল্প
  2. কৃষি
  3. সেবা
  4. পরিবহন
সঠিক উত্তর:
কৃষি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষি
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
⇒ অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১০.৯৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৪.৬৭%।

⇒ অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৪৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭.৩৭%।

⇒ অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.৬২%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৭.৯৬%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

১১.
ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারতে প্রথম বাণিজ্য কেন্দ্র কোথায় প্রতিষ্ঠা করে?
  1. পন্ডিচেরী
  2. চন্দননগর
  3. কালিকট
  4. সুরাট
সঠিক উত্তর:
সুরাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুরাট
ব্যাখ্যা

⇒ ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারতে প্রথম বাণিজ্য কেন্দ্র সুরাটে প্রতিষ্ঠা করে।

ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি:

- ভারতীয় উপমহাদেশে সবার শেষে আগমন ঘটে ফরাসিদের।
- ১৬৬৪ খ্রিস্টাব্দে 'ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি' গঠিত হয় এবং ভারতবর্ষে বাণিজ্য শুরু করে।
- ফরাসি মন্ত্রী কোলবার্টের পৃষ্ঠপোষকতায় এই কার্যক্রম শুরু হয়।
- ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রথমে মুম্বাইয়ের সুরাটে ও পরে পন্ডিচেরীতে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- অল্পদিনের মধ্যেই তারা বাংলার চন্দননগরে আরও একটি কুঠি স্থাপন করে।
- এছাড়া কারিকল, মসলিপট্টম, কাশিমবাজার এবং বালেশ্বরেও তাদের কুঠি ছিল।
- ফরাসিরা ভারতীয় উপমহাদেশে প্রায় একশ বছর বাণিজ্য করে।
- ইংরেজগণ ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে ফরাসিদের চন্দননগর এবং ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে পন্ডিচেরী কুঠি দখল করে নেয়।
- স্বদেশে ইংরেজ ও ফরাসিদের মধ্যে বিবাদের জের হিসেবে এখানেও বিবাদ চলতে থাকে। কিন্তু ইংরেজগণ উন্নততর সামরিক শক্তি ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে উপমহাদেশের রাজনৈতিক ক্ষমতা দখল করে নেয়।
- পরপর তিনটি কর্ণাটক যুদ্ধে ফরাসিরা পরাজিত হলে ফরাসিদের সাম্রাজ্য ও বাণিজ্য বিস্তার সফল হয়নি।
- এর ফলস্বরূপ ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে উপমহাদেশ থেকে বিদায় নিতে হয়।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
বাংলাদেশ সরকারের কার্য বণ্টন ও পরিচালনার নিয়মাবলী (Rules of Business) কে জারি করেন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. আইন মন্ত্রী
  4. স্পিকার
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সরকারের কার্য বণ্টন ও পরিচালনার নিয়মাবলী (Rules of Business) জারি করেন রাষ্ট্রপতি।

রাষ্ট্রপতি:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রধান রাষ্ট্রপতি।
- সংবিধানের চতুর্থ অংশের ৪৮-৫৪ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতি সম্পর্কিত বিধানাবলি বিধৃত হয়েছে।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত।
- রাষ্ট্রপতি জারিকৃত আইনকে অধ্যাদেশ বলে।
- সরকারের যাবতীয় নির্বাহী কার্যাদি রাষ্ট্রপতির নামে সম্পাদন করা হয়।
- সংসদ-সদস্যদের দ্বারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার জন্যে নূন্যতম বয়স ৩৫ বছর।
- রাষ্ট্রপতির পদ শূণ্য হলে মেয়াদ শেষ হওয়ার ৬০-৯০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিধান রয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।

১৩.
লবণাক্ত উপকূলীয় বনের সর্বাধিক প্রচলিত বৃক্ষ কোনটি?
  1. পশুর
  2. গেওয়া
  3. গরান
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ লবণাক্ত উপকূলীয় বনের সর্বাধিক প্রচলিত বৃক্ষ সুন্দরী, গেওয়া, গরান, কেওড়া, গোলপাতা, পশুর প্রভৃতি।

উপকূলীয় বন:

- উপকূলীয় বন হলো সমুদ্রের তীরবর্তী এলাকায় প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা বনভূমি।
- যা জোয়ারের লবণাক্ত পানিতে নিয়মিত প্লাবিত হয় বলে ম্যানগ্রোভ বন নামেও পরিচিত।
- এছাড়া সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা বনকেও উপকূলীয় বন বলা হয়।
- বাংলাদেশে এই বন খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা সহ আরো কিছু জেলায় বিস্তৃত।
- খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও পটুয়াখালী অঞ্চলের উপকূলীয় বনই সুন্দরবন নামে বিখ্যাত।
- যা পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন এবং বৃহত্তম উপকূলীয় প্রাকৃতিক বন।
- এর মোট আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার (বাংলাদেশ অংশ)।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ সুন্দরী, এছাড়া গেওয়া, গরান, কেওড়া, গোলপাতা, পশুর প্রভৃতি গাছপালা এখানে প্রচুর।
- এই বনের সবচেয়ে আকর্ষণীয় প্রাণী রয়েল বেঙ্গল টাইগার; অন্যান্য উল্লেখযোগ্য প্রাণী চিত্রা হরিণ, চিতাবাঘ, বন্য শূকর, বানর, কুমির, ঘড়িয়াল, অজগর, বিভিন্ন পাখি ও কীটপতঙ্গ।

তথ্যসূত্র - কৃষি শিক্ষা, ৭ম শ্রেণি বোর্ড বই।

১৪.
বাংলাদেশের খসড়া সংবিধান গণপরিষদে প্রথম উত্থাপিত করা হয় কত তারিখে?
  1. ১ অক্টোবর, ১৯৭২
  2. ১২ অক্টোবর, ১৯৭২
  3. ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
  4. ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
১২ অক্টোবর, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ অক্টোবর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়: ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' সংক্রান্ত প্রস্তাবটি গণপরিষদে উত্থাপন করেন যোগাযোগ মন্ত্রী এম মনসুর আলী।
- খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়: ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন: ১১ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপিত হয়: ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়: ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদের সদস্যগণ হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেনঃ ১৪ ডিসেম্বর ও ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- হস্তলিখিত সংবিধানে ৩৯৯ জন গণপরিষদ সদস্যের স্বাক্ষর রয়েছে।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর ছাড়া ৯৩ পৃষ্ঠা।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর সহ ১০৯ পৃষ্ঠা।
- বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়: ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১৫.
বাংলাদেশে দেশজাত দ্রব্যের উৎপাদন ও ব্যবহারের উপর ধার্যকৃত কর কোনটি?
  1. আবগারি শুল্ক
  2. আমদানি শুল্ক
  3. রপ্তানি শুল্ক
  4. আয়কর
সঠিক উত্তর:
আবগারি শুল্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবগারি শুল্ক
ব্যাখ্যা

আবগারি শুল্ক (Excise Duties):
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর যে কর ধার্য করা হয়, তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়।
- ‘আবগারি কর’ অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ও আমদানির ওপর সমভাবে প্রযোজ্য হলেও বাস্তবে তা শুধু অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের ওপর আরোপ করা হয়।
- রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ হ্রাস করার উদ্দেশ্যেও আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।
- বাংলাদেশে প্রধানত চা, সিগারেট, চিনি, তামাক, কেরোসিন, ওষুধ, স্পিরিট, দিয়াশলাই প্রভৃতি দ্রব্যের উপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।
- আবগারি শুল্ক মূল্যভিত্তিতে অথবা পরিমাণভিত্তিতে নির্ণয় করা হয়।
- বাংলাদেশে বর্তমানে আবগারি শুল্ক আরোপ করা হচ্ছে ২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৪, আবগারি ও লবণ আইন-এর অধীনে।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই ও বাংলাপিডিয়া।

১৬.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ২নং সেক্টরের সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত ছিল?
  1. মহেন্দ্রগঞ্জ
  2. মেলাঘর
  3. চূড়ামনকাঠি
  4. করিমগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
মেলাঘর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেলাঘর
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধে সেক্টরসমূহ:
- মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।

• ১নং সেক্টর: চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালি জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা নিয়ে গঠিত। এ সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল হরিনাতে। সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

• ২নং সেক্টর: ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে গঠিত। এ সেক্টরের বাহিনী গঠিত হয় ৪- ইস্টবেঙ্গল এবং কুমিল্লা ও নোয়াখালির ইপিআর বাহিনী নিয়ে। আগরতলার মেলাঘরে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দার।

• ৩ নং সেক্টর: উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা নিয়ে গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর কে.এম শফিউল্লাহ এবং পরে মেজর এ.এন.এম নূরুজ্জামান।

• ৪নং সেক্টর: উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা পর্যন্ত ১০০ মাইল বিস্তৃত সীমান্ত এলাকা নিয়ে গঠিত। সিলেটের ইপিআর বাহিনীর সৈন্যদের সঙ্গে ছাত্র মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে এ সেক্টর গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত এবং পরে ক্যাপ্টেন এ রব। হেডকোয়ার্টার ছিল প্রথমে করিমগঞ্জ এবং পরে আসামের মাসিমপুরে।

• ৫ নং সেক্টর: সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্বসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে গঠিত। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর মীর শওকত আলী। হেড কোয়ার্টার ছিল বাঁশতলাতে।

• ৬ নং সেক্টর: সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে গঠিত। প্রধানত রংপুর ও দিনাজপুরের ইপিআর বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার।

• ৭ নং সেক্টর: রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাংশ নিয়ে গঠিত হয়। ইপিআর সৈন্যদের নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। এই বাহিনী ক্যাপ্টেন গিয়াস ও ক্যাপ্টেন রশিদের নেতৃত্বে রাজশাহীতে প্রাথমিক অভিযান পরিচালনা করে। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর নাজমুল হক এবং পরে সুবেদার মেজর এ. রব ও মেজর কাজী নূরুজ্জামান।

• ৮ নং সেক্টর: এপ্রিল মাসে এই সেক্টরের অপারেশনাল এলাকা ছিল কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, ফরিদপুর ও পটুয়াখালী জেলা। মে মাসের শেষে অপারেশন এলাকা সঙ্কুচিত করে কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনা জেলা, সাতক্ষীরা মহকুমা এবং ফরিদপুরের উত্তরাংশ নিয়ে এই সেক্টর পুনর্গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর।

• ৯ নং সেক্টর: বরিশাল ও পটুয়াখালি জেলা এবং খুলনা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত। এই সেক্টরের হেড কোয়ার্টার ছিল বশিরহাটের নিকটবর্তী টাকিতে। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম.এ জলিল এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর ও মেজর জয়নাল আবেদীন।

• ১০ নং সেক্টর: নৌ-কমান্ডো বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। এই বাহিনী গঠনের উদ্যোক্তা ছিলেন ফ্রান্সে প্রশিক্ষণরত পাকিস্তান নৌবাহিনীর আট জন বাঙালি নৌ-কর্মকর্তা।

• ১১ নং সেক্টর: টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে গঠিত। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম. আবু তাহের। মেজর তাহের যুদ্ধে গুরুতর আহত হলে স্কোয়াড্রন লীডার হামিদুল্লাহকে সেক্টরের দায়িত্ব দেয়া হয়। মহেন্দ্রগঞ্জ ছিল সেক্টরের হেডকোয়ার্টার।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১৭.
প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের মৌলিক ভিত্তি হিসেবে কী বিবেচিত হয়?
  1. সামরিক বাহিনী
  2. প্রশাসনিক কর্মকর্তা
  3. রাজনৈতিক দল
  4. সুশীল সমাজ
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক দল
ব্যাখ্যা

⇒ প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের মৌলিক ভিত্তি হিসেবে রাজনৈতিক দল বিবেচিত হয়।

রাজনৈতিক দল:

- রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাবলির ব্যাপারে রাজনৈতিক দল গুলি নিজ-নিজ দলীয় মতাদর্শের উপর ভিত্তি করে সেসব সমস্যার সমাধানকল্পে নীতি ও কর্মসূচি নির্ধারণ করে।
- নির্ধারিত নীতি ও কর্মসূচির স্বপক্ষে জনমত গঠন করা রাজনৈতিক দলের কাজ।
- প্রতিটি রাজনৈতিক দল সভা-সমিতি, পত্র-পত্রিকা, পুস্তক-পুস্তিকা, রেডিও-টিভি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্রভৃতির মাধ্যমে প্রচারকার্য চালিয়ে নিজস্ব নীতি ও কর্মসূচির সমর্থনে জনমত গঠনের চেষ্টা করে।
- আধুনিক গণতন্ত্রে প্রতিটি স্বীকৃত রাজনৈতিক দলের প্রাথমিক উদ্দেশ্য হল নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে রাজনৈতিক ক্ষমতা অর্জন করা।
- প্রতিটি রাজনৈতিক দলের মূল লক্ষ্য হচ্ছে রাষ্ট্র সরকারি ক্ষমতা করায়ত্ব করে নিজ নীতি ও আদর্শকে বাস্তবে রূপায়িত করা। 

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮.
২০২২ সালের জনশুমারি প্রতিবেদনে সাক্ষরতার হারে সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা বিভাগ কোনটি?
  1. খুলনা
  2. রংপুর
  3. ময়মনসিংহ
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় : ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে CAPI পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে।
- CAPI এর পূর্ণরূপ: Computer Assisted Personal Interviewing.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে: মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার: ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার: ৭২.৯৪%।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ বিভাগ: ঢাকা (৭৮.২৪%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন বিভাগ: ময়মনসিংহ (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা: পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা: জামালপুর (৬১.৭০%)।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

১৯.
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ৪৯তম জাতীয় দাবা প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন কে? (জানুয়ারি, ২০২৬)
  1. শাহনেওয়াজ চৌধুরী
  2. হাসিবুর রহমান
  3. নিয়াজ মোরশেদ
  4. মিনহাদুল আবেদীন
সঠিক উত্তর:
নিয়াজ মোরশেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়াজ মোরশেদ
ব্যাখ্যা

৪৯তম জাতীয় দাবার প্রতিযোগিতা:
- ৪৯তম জাতীয় দাবা প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোরশেদ।
- শেষ রাউন্ডে নিয়াজ ফিদে মাস্টার সুব্রত বিশ্বাসকে হারান আর ফাহাদ সাকের উল্লাহ'র বিপক্ষে হেরে যান।
- এতে নিয়াজ সাড়ে দশ পয়েন্ট নিয়ে চ্যাম্পিয়ন ও ফাহাদ সাড়ে নয় পয়েন্টে রানার আপ হন।

⇒ উল্লেখ্য:
- জাতীয় দাবায় এটি নিয়াজের সপ্তম শিরোপা।
- উপমহাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ ১৯৭৯-৮২ পর্যন্ত টানা চারবার চ্যাম্পিয়ন ছিলেন জাতীয় দাবায়। এরপর ২০১২ ও ২০১৯ সালে শিরোপা জিতেছেন।
- প্রথম চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন ১৯৭৯ সালে মাত্র ১২ বছর ১১ মাস বয়সে।
- সবচেয়ে কম বয়সে জাতীয় দাবায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার রেকর্ড এখনো নিয়াজেরই।
- সর্বশেষ চ্যাম্পিয়ন হন ২০১৯ সালে। সবচেয়ে বেশি বয়সে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার রেকর্ডও তাঁর।

তথ্যসূত্র - পত্রিকা প্রতিবেদন।

২০.
কাবিখা কর্মসূচি সর্বপ্রথম কত সালে চালু করা হয়?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা

কাবিখা:
- 'কাবিখা' বা 'কাজের বিনিময়ে খাদ্য' দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচীর অন্তর্ভুক্ত।
- ১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব দেখা দিলে বিশেষ করে খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ এলাকায় বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলার মানুষ অনাহারের সম্মুখীন হলে সরকার 'ফুড ফর ওয়ার্ক' বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করে।

⇒ কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (কাবিখা) কর্মসূচীর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য:
- প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামীন অবকাঠামো নির্মাণ/পুননির্মাণ।
- স্বাভাবিক অবস্থায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য এই কর্মসূচীর আওতায় বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন।
- গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
- গ্রামীণ দরিদ্র জনগনের আয় বৃদ্ধি।
- দেশের সর্বত্র খাদ্য সরবরাহের ভারসাম্য আণয়ন এবং
- দারিদ্র বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি।

তথ্যসূত্র - সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২১.
বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন কে? (জানুয়ারি, ২০২৬)
  1. সৈয়দ রেফাত আহমেদ
  2. আহসানুল করিম
  3. জুবায়ের রহমান চৌধুরী
  4. মোবাশ্বের হোসেন
সঠিক উত্তর:
জুবায়ের রহমান চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুবায়ের রহমান চৌধুরী
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী (২৬তম)।

প্রধান বিচারপতি:
- সংবিধানের ৯৫ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- প্রধান বিচারপতিকে শপথ পড়ান মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করেই অন্যান্য বিচারপতি দের নিয়োগ দেয়া হয়।
- বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের জন্যে ন্যূনতম দশ বছর সুপ্রিমকোর্টে অ্যাডভোকেট বা দেশের বিচার বিভাগীয় পদে দশ বছর নিযুক্ত থাকার অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হয়।
- বর্তমানে বিচারপতিদের চাকরির বয়সসীমা ছিল ৬৭ বছর।
- বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির বয়সসীমা দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ হতে পরবর্তী ৫ বছর।

তথ্যসূত্র - সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।

২২.
কোন জেলায় চাক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের অধিকাংশ লোকের বসতি রয়েছে?
  1. সিলেট
  2. রাজশাহী
  3. রংপুর
  4. বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা

চাক:
- চাক বাংলাদেশের ক্ষুদ্র আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি থানার বাইশারি, নাইক্ষ্যংছড়ি, কামিছড়া, ক্রোক্ষং, বাকখালি, আলেখ্যং, ক্রোয়াংঝিড়ি ও ডুছড়ি এলাকায় চাকদের বসবাস।
- বান্দরবান বোমাং সার্কেলের বোমাং রাজপুস্তিকায় ও রাজ্য অভিষেক অনুষ্ঠানে চাকরা ‘মিঙসাক’ নামে তালিকাভুক্ত আছে।
- চাক সমাজ প্রধানত ২টি গোত্রে বিভক্ত। যা আবার কয়েকটি উপগোত্রে বিভক্ত। গোত্রীয় প্রতীক জালোয়া বা পইত্যা (পাকানো সুতার রশি)।
- চাকদের জীবনধারা বৈচিত্র্যপূর্ণ ও ঐতিহ্যমন্ডিত।
- শিশুর জন্ম ও নামকরণ সংক্রান্ত অনুষ্ঠানাদির মধ্যে নাইংছাঙাহাং-এ অবস্থান, পুতরংবুওয়ে (জন্মপরবর্তী অনুষ্ঠান), ভেগলুংশাত পো (চুংবংলংউচ্ছেং ছাহেকা) উল্লেখযোগ্য।
- বিবাহ সংক্রান্ত প্রথার মধ্যে আচাংগায়ুগা (কনে দেখা), চাঁগায়ুগা (কোষ্ঠী বিচার)-সহ আরো অনেক প্রথা পালন করা হয়।
- ১৯৫৯ সালে চাক ধর্মগুরু মহাথেরো গন্ধর্ব ওয়েংসারের প্রচেষ্টায় চাক সমাজে শিক্ষার বিস্তার ঘটে।
- চাকরা দুই ধারায় বৌদ্ধ ধর্মীয় রীতি ও বিভিন্ন দেবদেবীর পূজা (লক্ষ্মীপূজা বা ওয়াইগ্যা, ফুলপূজা, প্রদীপপূজা) করে।
- পিতৃতান্ত্রিক পরিবার কাঠামোতে চাকদের সম্পত্তির উত্তরাধিকারী শুধু ছেলেরা।
- চাকরা বাড়িকে ‘কিং’ এবং গ্রামকে ‘ঠি’ বলে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

২৩.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে বিদেশী রাষ্ট্রের খেতাব গ্রহণে রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে?
  1. ৪র্থ সংশোধনী
  2. ৮ম সংশোধনী
  3. ১২তম সংশোধনী
  4. ১৩ম সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
৮ম সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ম সংশোধনী
ব্যাখ্যা

৮ম সংশোধনী:
- ১৯৮৮ সালে এই সংশোধনী পাশ হয়।
- ১৯৮৯ আপীল বিভাগ হাইকোর্টের বেঞ্চ স্থাপন সংক্রান্ত ধারাটি অসাংবিধানিক উল্লেখ করে তা অবৈধ বলে রায় প্রদান করে।
- অষ্টম সংবিধান সংশোধন আইন দ্বারা সংবিধানের ২ক, ৩, ৫, ৩০ ও ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।
এই সংশোধনী আইনবলে-
১. ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়। 
২. ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়।
৩. সংবিধানের ৫ অনুচ্ছেদে Bengali শব্দটি পরিবর্তন করে Bangla করা হয় এবং Dacca পরিবর্তন করে Dhaka করা হয়। 
৪. সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া এদেশের কোনো নাগরিক কর্তৃক কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের প্রদত্ত কোনো খেতাব, সম্মাননা, পুরস্কার গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়।

উল্লেখ্য:
- ৪র্থ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্রের বদলে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু হয়।
- ১২তম সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা পাল্টিয়ে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি পুনরায় প্রবর্তন করা হয়।
- ১৩ম সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

২৪.
জিডিপিতে নিচের কোনটি অন্তর্ভুক্ত হয় না?
  1. দেশের অভ্যন্তরে বিদেশি কোম্পানির উৎপাদন
  2. বিদেশে অবস্থানকারী দেশীয় নাগরিকদের প্রেরিত অর্থ
  3. দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত সেবা
  4. দেশীয় নাগরিকদের দেশে উৎপাদিত আয়
সঠিক উত্তর:
বিদেশে অবস্থানকারী দেশীয় নাগরিকদের প্রেরিত অর্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদেশে অবস্থানকারী দেশীয় নাগরিকদের প্রেরিত অর্থ
ব্যাখ্যা

মোট দেশজ উৎপাদন:
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে মোট যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদিত হয়, তার বাজার দামের সমষ্টিকে মোট দেশজ উৎপাদন বা GDP বলে।
- মোট দেশজ উৎপাদনে দেশের অভ্যন্তরীণ আয় এবং দেশের অভ্যন্তরে বিদেশিদের আয় অন্তর্ভুক্ত (includes) হয় এবং দেশীয় নাগরিক যারা প্রবাসে, তাদের প্রেরিত অর্থ ধরা হয় না।
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবার বাজার মূল্য এবং উক্ত দেশে অবস্থানরত বিদেশিদের উপার্জিত আয় এর সমষ্টি (includes) থেকে বিদেশে অবস্থানকারী দেশীয় নাগরিক কর্তৃক বিদেশ হতে প্রেরিত অর্থ বাদ (excludes) দেয়ার পর অবশিষ্ট আর্থিক মূল্যকে মোট দেশজ উৎপাদন বলে।
- অর্থাৎ GDP = মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP)+ উক্ত দেশে অবস্থানকারী বিদেশিদের অর্জিত আয় বিদেশে অবস্থানকারী দেশীয় নাগরিকদের আয়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৫.
ওজোন স্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষণ বিষয়ক ভিয়েনা কনভেনশন কত সালে গৃহীত হয়?
  1. ১৯৮৫ সালে
  2. ১৯৮৭ সালে
  3. ১৯৮৮ সালে
  4. ১৯৮৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা

ভিয়েনা কনভেনশন:
- Vienna Convention-এর পূর্ণরূপ: The Vienna Convention for the Protection of the Ozone Layer.
- এটি জাতিসংঘের 'ওজোন স্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষণ' বিষয়ক চুক্তি।
- জাতিসংঘ কর্তৃক চুক্তি গৃহীত হয়: ২২ মার্চ, ১৯৮৫।
- চুক্তি কার্যকর হয়: ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৮।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ২৮টি।
- চুক্তি অনুমোদনকারী দেশ: ১৯৮টি।
- বৈশ্বিক অনুমোদন লাভ: ২০০৯ সাল।
- চুক্তি সংশ্লিষ্ট পক্ষ সমূহ ৩ বছর পর পর চুক্তির অগ্রগতি ও অন্যান্য ইস্যু নিয়ে আলোচনার উদ্দেশ্যে বৈঠকে বসে থাকে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের অনুমোদন: ২ আগস্ট, ১৯৯০ সাল।

উৎস: ⅰ) UNTC ওয়েবসাইট।
ii) Ozone Secretariat.

২৬.
CIA গঠনের পূর্বসূরী সংস্থা কোনটি?
  1. FBI
  2. OSS
  3. NSA
  4. MI6
সঠিক উত্তর:
OSS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
OSS
ব্যাখ্যা

CIA:
- CIA-এর পূর্ণরূপ: Central Intelligence Agency.
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে: ১৯৪৭ সালে।
- সদর দপ্তর: ভার্জিনিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং উচ্চপদস্থ নীতিনির্ধারকদের কাছে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করা এই সংস্থার দায়িত্ব।
- CIA মূলত বহির্বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষায় নিয়োজিত।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন সময়ে গঠিত অফিস অফ স্ট্র্যাটেজিক সার্ভিসেস (OSS)-এর উত্তরসূরী হিসেবে CIA-এর জন্ম।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪২ সালের জুন মাসে রুজভেল্ট মার্কিন বিদেশী গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের খণ্ডিত এবং অসংলগ্ন স্ট্র্যান্ডগুলিকে একক সংস্থায় একত্রিত করার জন্য OSS তৈরি করেছিলেন।
- এর কাজ ছিলো যুক্তরাষ্ট্র সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন শাখা-প্রশাখার মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করা।

উৎস: i) Britannica.
ii) CIA ওয়েবসাইট।

২৭.
সম্প্রতি চীন কোন দেশে 'জাস্টিস মিশন ২০২৫' পরিচালনা করেছে?
  1. তাইওয়ান
  2. ভিয়েতনাম
  3. দক্ষিণ কোরিয়া
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
তাইওয়ান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাইওয়ান
ব্যাখ্যা

জাস্টিস মিশন:
- সম্প্রতি (ডিসেম্বর, ২০২৫) তাইওয়ানকে ঘিরে চীন 'জাস্টিস মিশন ২০২৫' (Justice Mission 2025) নামে একটি বড় সামরিক মহড়া পরিচালনা করেছে।

⇒ সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে বড় এবং কার্যকর সামরিক মহড়া, চীনের 'জাস্টিস মিশন'। 
- দক্ষিণ চীন সাগর অঞ্চলে বেইজিংয়ের এরআগে মহড়া হলেও সেগুলোর তুলনায় জাস্টিস মিশনকে একেবারেই ভিন্ন বলছে বিশ্লেষকরা। তাদের মত, তাইওয়ানকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করার প্রস্ততি নিতেই এই যুদ্ধ প্রশিক্ষণ।
- তাইওয়ানকে নিজস্ব ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে বরাবরই হিসেব করে আসছে চীন। এমনকি, চাইলে দ্বীপটিকে পুরো বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার মতো হুঁশিয়ারিও বারবার দিয়ে গেছে বেইজিং। এক্ষেত্রে বিচ্ছিন্নতাবাদী হোক কিংবা বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপ, কোনোকিছুই দমন করতে পারবেনা চীনকে। 
- তাইওয়ান প্রণালীতে দু'দিনব্যাপী "জাস্টিস মিশন ২০২৫'' এর লক্ষ্য ছিলো- তাইওয়ানের গুরুত্বপূর্ণ বন্দরগুলো অবরোধ, বিশাল সমরাস্ত্র ও রনকৌশল প্রদর্শন ও বিদেশী হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে সতর্কতা জারি করা। নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেওয়ার মতো শক্তিশালী ইঙ্গিতও দিয়েছে বেইজিং।  
 
উৎস: Ministry of National Defense People's Republic of China.

২৮.
কিয়োটো প্রটোকলে Annex 1–এ কোন দেশগুলো অন্তর্ভুক্ত?
  1. শিল্পোন্নত দেশ
  2. পরিবেশ দূষণকারী ৩০টি দেশ
  3. উন্নয়নশীল দেশ
  4. শুধুমাত্র ইউরোপীয় দেশসমূহ
সঠিক উত্তর:
শিল্পোন্নত দেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিল্পোন্নত দেশ
ব্যাখ্যা

কিয়োটো প্রটোকল:
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত শিল্পোন্নত দেশগুলো গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন বাধ্যতামূলকভাবে হ্রাসকরণের আন্তর্জাতিক চুক্তি হচ্ছে কিয়োটো প্রটোকল।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: কিয়োটো, জাপান।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৮৩টি।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৯২টি।

⇒ কিয়োটো প্রোটোকলের উদ্দেশ্য হলো বিভিন্ন দেশের তালিকা (Annex) ভিত্তিক কাঠামো অনুসরণ করে গ্রিনহাউস গ্যাস (GHG) নির্গমন হ্রাসের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা।
- এই প্রোটোকল শুধুমাত্র উন্নত দেশগুলিকে উদ্দেশ্য করে গ্রহন করা হয়েছে যা “common but differentiated responsibility and respective capabilities” নীতির অধীনে পরিচালিত।
- এখানে শিল্পোন্নোত দেশগুলিকে উপর অধিক দায়িত্ব আরোপ হয়েছে, কারণ এই দেশগুলি বায়ুমণ্ডলে উচ্চ মাত্রায় GHG নির্গমনের জন্য দায়ী।
- UNFCCC তার কনভেনশানে সারা বিশ্বের সব দেশগুলিকে ৩টি তালিকা বা Annex এ বিভক্ত করেছে।

• Annex-I: শিল্পোন্নত ৪৩টি দেশ।
- অ্যানেক্স I হলো UNFCCC-এর একটি তালিকা, যাতে শিল্পোন্নত দেশ ও অর্থনৈতিকভাবে পরিবর্তনশীল রাষ্ট্রসমূহ অন্তর্ভুক্ত।
- এদের গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর আইনগত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট। [link]

২৯.
বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস কবে পালিত হয়?
  1. ২৮ মে
  2. ৬ জুন
  3. ৩১ মে
  4. ৭ এপ্রিল
সঠিক উত্তর:
৩১ মে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১ মে
ব্যাখ্যা

বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস:
- প্রতি বছর ৩১শে মে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালিত হয়। 

⇒ বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস হল একটি বার্ষিক বিশ্বব্যাপী উদযাপন যা তামাক ব্যবহারের ক্ষতিকারক প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিশ্বব্যাপী তামাক সেবন কমাতে নীতিমালা প্রণয়নের জন্য উৎসাহিত করে।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিএইচও) সদস্য রাষ্ট্রসমূহ ১৯৮৭ সালে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস চালু করে।
- বিশ্বজুড়ে ২৪ ঘণ্টা সময়সীমা ধরে তামাক সেবনের সব প্রক্রিয়া থেকে বিরত থাকাতে উৎসাহিত করার জন্য দিবসটি পালন করা হয়।
- এছাড়া দিবসটির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য হলো মানুষকে তামাক ব্যবহারে ব্যাপক নিরুৎসাহিতকরণ এবং স্বাস্থ্যের ওপর তামকের নেতিবাচক প্রভাবের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করানো।

অন্যদিকে,
- ২৮ মে: বিশ্ব নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস।

উৎস: Britannica.

৩০.
বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বেশি অপরিশোধিত তেলের মজুদ রয়েছে কোন দেশে?
  1. সৌদি আরব
  2. ইরান
  3. ইরাক
  4. ভেনেজুয়েলা
সঠিক উত্তর:
ভেনেজুয়েলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভেনেজুয়েলা
ব্যাখ্যা

বিশ্বের সর্বাধিক তেলের মজুদ:
- বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বেশি অপরিশোধিত তেলের মজুদ রয়েছে ভেনেজুয়েলায়।
- বৈশ্বিক জ্বালানি খাতের অন্যতম প্রভাবশালী সাময়িকী ‘অয়েল অ্যান্ড গ্যাস জার্নাল’ বলছে, ২০২৩ সালের হিসাব অনুযায়ী ভেনেজুয়েলার মজুত তেলের পরিমাণ ৩০৩ বিলিয়ন ব্যারেল।
- তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর জোট ওপেকের ‍হিসাবে, বিশ্বের মোট মজুত তেলের প্রায় ২০ শতাংশের মালিক ভেনেজুয়েলা। অর্থাৎ, বিশ্বব্যাপী মোট মজুত তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশই রয়েছে ভেনেজুয়েলার মাটির নিচে।

⇒ বিশ্বের সর্বাধিক তেলের মজুদে শীর্ষ দেশ:
১. ভেনিজুয়েলা: ৩০৩ বিলিয়ন ব্যারেল।
২. সৌদি আরব: ২৬৭ বিলিয়ন ব্যারেল।
৩. ইরান: ২০৮ বিলিয়ন ব্যারেল।
৪. কানাডা: ১৬৩ বিলিয়ন ব্যারেল।
৫. ইরাক: ১৪৫ বিলিয়ন ব্যারেল।
৬. সংযুক্ত আরব আমিরাত: ১১৩ বিলিয়ন ব্যারেল,
৭. কুয়েত: ১০১ বিলিয়ন ব্যারেল,
৮. রাশিয়া: ৮০ বিলিয়ন ব্যারেল,
৯. যুক্তরাষ্ট্র: ৫৫ বিলিয়ন ব্যারেল,
১০. লিবিয়া: ৪৮ বিলিয়ন ব্যারেল।

উৎস: i) BBC.
ii) প্রথম আলো। [link]

৩১.
মনরো ডকট্রিনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র কোন পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করে?
  1. সাম্রাজ্যবাদ
  2. বিচ্ছিন্নতাবাদ
  3. সাম্যবাদ
  4. জোট নিরপেক্ষতা
সঠিক উত্তর:
বিচ্ছিন্নতাবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচ্ছিন্নতাবাদ
ব্যাখ্যা

মনরো ডকট্রিন (Monroe Doctrine): 
- ১৮২৩ সালের ২ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জেমস মনরো ‘মনরো ডকট্রিন’ ঘোষণা করেন।
- এ নীতিতে বলা হয়েছিল যে, যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপীয় কোনো বিষয়ে আর হস্তক্ষেপ করবে না। তবে পুরো পশ্চিম গোলার্ধ তাদের প্রভাবের আওতায় থাকবে।
- প্রকৃতপক্ষে মনরো মতবাদ হলো যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র নীতির অবস্থান যা পশ্চিম গোলার্ধে ইউরোপীয় উপনিবেশবাদের বিরোধিতা করে।
- এই মতবাদের মূল কথা হলো বিদেশি শক্তি দ্বারা আমেরিকা মহাদেশের রাজনৈতিক বিষয়ে যেকোনো হস্তক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে একটি সম্ভাব্য শত্রুতামূলক কাজ।
- এই মতবাদটি বিশ শতকে আমেরিকান গ্র্যান্ড কৌশলের কেন্দ্রবিন্দু ছিল।
- এই মতবাদ ‘পলিসি অব আইসোলেশন’ নামেও পরিচিত ছিল।

⇒ মনরো ডকট্রিনের মূল বক্তব্য ছিল:
- উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার কোনো স্বাধীন দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ইউরোপের কোনো দেশ হস্তক্ষেপ করতে পারবে না।
- এই অঞ্চলে নতুন করে কোনো উপনিবেশ স্থাপন করা যাবে না।
- কোনো ইউরোপীয় হস্তক্ষেপকে আমেরিকার নিরাপত্তার ওপর সরাসরি আক্রমণ হিসেবে দেখা হবে।
- বিনিময়ে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, যুক্তরাষ্ট্র বিদ্যমান ইউরোপীয় উপনিবেশগুলোকে স্বীকৃতি দেবে এবং ইউরোপীয় দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলিতে হস্তক্ষেপ করবে না।

⇒ এই ডকট্রিনের মর্মার্থ ছিল ‘আমেরিকা আমেরিকানদের’। মনরো ডকট্রিনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র মূলত বিচ্ছিন্নতাবাদ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করে
- এতে বলা হয় যে, যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপীয় রাজনীতি ও যুদ্ধে হস্তক্ষেপ করবে না এবং ইউরোপীয় শক্তিসমূহকেও পশ্চিম গোলার্ধে (আমেরিকা মহাদেশ) হস্তক্ষেপ করতে দেবে না।
- পরবর্তীকালে প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজভেল্ট এই তত্ত্বের প্রায়োগিকতায় অবদান রাখেন। 

উল্লেখ্য,
- সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আবারও Monroe Doctrine-কে পুনর্জীবিত করার ঘোষণা দিয়েছেন, এবং এর অংশ হিসেবে ভেনেজুয়েলা, কিউবা ও নিকারাগুয়ার অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপের কথা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন। বিশেষ করে তেলসমৃদ্ধ ভেনেজুয়েলায় সরকার পরিবর্তনের প্রচেষ্টা যে কোনো সময় সামরিক সংঘাতে রূপ নিতে পারে। পাশাপাশি কলম্বিয়া, ব্রাজিল ও বলিভিয়ার সাথেও মার্কিন সম্পর্ক সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে।

উৎস: Britannica.

৩২.
প্যারিস চুক্তিতে ২০৩০ সালের মধ্যে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কত শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল?
  1. ৩০%
  2. ৪৩%
  3. ৫০%
  4. ৫৪%
সঠিক উত্তর:
৪৩%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৩%
ব্যাখ্যা

প্যারিস চুক্তি (Paris Agreement):
- প্যারিস চুক্তি মূলত জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০১৫ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ৪ নভেম্বর ২০১৬।
- স্বাক্ষর করেছে: ১৯৫টি দেশ।

⇒ বিশ্বব্যাপী গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর লক্ষ্যে প্যারিস চুক্তি (Paris Agreement) কাজ করে। 
- ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর - ১২ ডিসেম্বর প্যারিসে কপ-২১ সম্মেলনে এই চুক্তি গৃহীত হয়।
- এই চুক্তি অনুযায়ী, বিভিন্ন দেশ তাদের নিজস্ব জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (NDCs) দিয়ে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর জন্য অঙ্গীকার করে।
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি পাঁচ বছর পর পর তাদের কার্বন নিঃসরণ কমানোর পরিকল্পনা জমা দিতে হয়। প্যারিস চুক্তির অধীনে, দেশগুলো প্রতি পাঁচ বছর অন্তর নতুন করে জলবায়ু লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে জমা দেয়।

⇒ চুক্তির মূল লক্ষ্য:
- বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে সীমাবদ্ধ রাখা এবং ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার চেষ্টা করা।
- ২০৩০ সালের মধ্যে বায়ুমণ্ডলে গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমন প্রায় ৪৩ শতাংশ কমানোর ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল।
- গাছ, মাটি ও সমুদ্র প্রাকৃতিকভাবে যতটা শোষণ করতে পারে, ২০৫০ সাল থেকে ২১০০ সালের মধ্যে কৃত্রিমভাবে গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ সেই পর্যায়ে নামিয়ে আনা।
- প্রতি ৫ বছর অন্তর ক্ষতিকর গ্যাস নিঃসরণ রোধে প্রত্যেকটি দেশের ভূমিকা পর্যালোচনা করা।
- জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নিতে এবং নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করতে গরিব দেশগুলোকে ধনী দেশগুলোর ‘জলবায়ু তহবিল’ দিয়ে সাহায্য করা।

উৎস: i) UNFCCC ওয়েবসাইট।
ii) UNTC ওয়েবসাইট।

৩৩.
'অপারেশন জাস্ট কজ' কোন দেশে পরিচালিত হয়েছিল?
  1. পানামা
  2. ভেনিজুয়েলা
  3. মেক্সিকো
  4. সোমালিয়া
সঠিক উত্তর:
পানামা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানামা
ব্যাখ্যা

অপারেশন জাস্ট কজ:
- 'অপারেশন জাস্ট কজ' পরিচালিত হয়েছে পানামায়।

⇒ লাতিন আমেরিকার দেশ পানামার স্বৈরশাসক ম্যানুয়েল নরিয়েগাকে ধরতে ১৯৮৯ সালের ডিসেম্বরে ‘অপারেশন জাস্ট কজ’ পরিচালনা করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। 
- যুক্তরাষ্ট্রের ২০০টির বেশি উড়োজাহাজ পানামা অভিযানে অংশ নিয়েছিল। সেগুলোর মধ্যে ৮০টি সি-১৪১, ২২ থেকে ২৫টি সি-১৩০, ১১টি সি-৫১ স্ট্র্যাটেজিক এয়ার কমান্ড ছিল। এ ছাড়া ১৬টি এফ-১৫ ও ৪টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের কি ইস্ট থেকে ক্যারিবীয় উপকূলে ইউকাটান উপদ্বীপ ও কিউবার মধ্যে যুদ্ধকালীন টহল দিয়েছিল।
- রাতের আকাশ ভেদ করে বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা শুরু করে মার্কিন বাহিনী। পিডিএফের দুটি রাইফেল কোম্পানি ব্যারাকে দুটি ২০০০ পাউন্ড ওজনের বোমা ফেলা হয়। অ্যাপাচি হেলিকপ্টার থেকে নিখুঁত নিশানায় ‘হেলফায়ার’ ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য ছিল মার্কিনদের জীবন রক্ষা করা, পানামায় গণতন্ত্র রক্ষা করা, মাদক পাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করা এবং পানামা খাল চুক্তির অখণ্ডতা রক্ষা করা।
- বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, পানামায় মার্কিন সামরিক অভিযানে দেশটির ৫১৪ জন সেনা ও বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১৫০ থেকে ২০০ জন পিডিএফের সেনা, অন্যরা বেসামরিক নাগরিক।
- দুই সপ্তাহে সফলভাবে পানামায় জাস্ট কজ অভিযান শেষ করে যুক্তরাষ্ট্র। গ্রেপ্তারের পর যুক্তরাষ্ট্রের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ সংস্থার কর্মকর্তারা নরিয়েগাকে মায়ামিতে উড়িয়ে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁকে বিচারের মুখোমুখি করা হয়।
- ১৯৯২ সালে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে ৪০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

উৎস: Britannica.

৩৪.
অর্থনীতির ব্যাপ্তিতে বিশ্বের বৃহত্তম বাণিজ্য ব্লক কোনটি?
  1. EU
  2. USMCA
  3. RCEP
  4. CPTPP 
সঠিক উত্তর:
RCEP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
RCEP
ব্যাখ্যা

RCEP:
- RCEP-এর পূর্ণরূপ: Regional Comprehensive Economic Partnership.
- RCEP হলো Association of Southeast Asian Nations (ASEAN) এর সদস্য রাষ্ট্র। এটি বিশ্বের বৃহত্তম আঞ্চলিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৫ নভেম্বর, ২০২০।
- কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারি, ২০২২।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৫টি (চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, ব্রুনাই, সিঙ্গাপুর, কম্বোডিয়া, লাওস ও মিয়ানমার)।

⇒ অর্থনীতির ব্যাপ্তি:
- বৈশ্বিক GDP-এর প্রায় ৩০%,
- বৈশ্বিক জনসংখ্যারও প্রায় ৩০% (প্রায় ২.২ বিলিয়ন),
- বৈশ্বিক বাণিজ্যের প্রায় ২৮.৮%।

অন্যদিকে,
- EU-এর অর্থনীতির ব্যাপ্তি বৈশ্বিক GDP-এর প্রায় ১৪%।
- CPTPP-এর অর্থনীতির ব্যাপ্তি বৈশ্বিক GDP-এর প্রায় ১৫%।
- USMCA-এর অর্থনীতির ব্যাপ্তি বৈশ্বিক GDP-এর প্রায় ১৭%।
- AfCFTA-এর অর্থনীতির ব্যাপ্তি বৈশ্বিক GDP-এর প্রায় ৯%।

উৎস: i) ASEAN ওয়েবসাইট।
ii) World Economic Forum ওয়েবসাইট।

৩৫.
পরিবেশ বিষয়ক প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মেলন কত সালে এবং কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৯২ সালে, রিও ডি জেনেইরো
  2. ১৯৭২ সালে, স্টকহোম
  3. ১৯৯৭ সালে, কিয়োটো
  4. ১৯৭২ সালে, জোহানেসবার্গ
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে, স্টকহোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে, স্টকহোম
ব্যাখ্যা

পরিবেশ বিষয়ক প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মেলন:
- জাতিসংঘের উদ্যোগে ১৯৭২ সালের ৫-১৬ জুন সুইডেনের স্টকহোম শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্বের প্রথম পরিবেশ সম্মেলন।
- জাতিসংঘের মানব পরিবেশ সম্মেলন (United Nations Conference on the Human Environment) স্টকহোম সম্মেলন নামে পরিচিত।

⇒  স্টকহোম সম্মেলনে জাতিসংঘ পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচী বা United Nations Environment Programme (UNEP) গঠিত হয়।
- এই সম্মেলনটি পরিবেশ রক্ষার ক্ষেত্রে বিশ্বের প্রথম বৃহত্তম আন্তর্জাতিক উদ্যোগ ছিল এবং এতে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপনের সূচনা হয়েছিল।
- এই সম্মেলনের মাধ্যমে পরিবেশ সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যার প্রতি বিশ্ব সম্প্রদায়ের মনোযোগ আকর্ষণ করা হয় এবং পরিবেশ সুরক্ষায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা উঠে আসে।

উৎস: UNEP ওয়েবসাইট।

৩৬.
ন্যাটো কোন দেশে প্রথমবার সরাসরি সামরিক অভিযান চালায়?
  1. ইরাক
  2. বসনিয়া
  3. লিবিয়া
  4. আফগানিস্তান
সঠিক উত্তর:
বসনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বসনিয়া
ব্যাখ্যা

NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।
- দাপ্তরিকভাবে ন্যাটো গঠনের উদ্দেশ্য হচ্ছে "উত্তর আটল্যান্টিক অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ও কল্যাণ" নিশ্চিত করে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর 'স্বাধীনতা, অভিন্ন ঐতিহ্য এবং সভ্যতার' রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করা। চুক্তি অনুযায়ী, ন্যাটো ভুক্ত যে কোনো দেশের উপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটি জোটভুক্ত সব দেশের উপর হামলা বলেই গণ্য হবে এবং সব দেশ একে অন্যের সহায়তায় এগিয়ে আসবে।

⇒ ১৯৯২ সালে বসনিয়া যুদ্ধের মাধ্যমে ন্যাটো প্রথম কোনো সামরিক অভিযানে অংশ নেয়।
- এরপর ১৯৯৯ সালে কসোভো যুদ্ধে বিমান বাহিনীর মাধ্যমে দ্বিতীয় অভিযানে নামে তারা।
- আর তৃতীয় অভিযান শুরু করে ২০০১ সালে আফগানিস্তানে।
- ২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ইরাক যুদ্ধে সহায়তা কার্যক্রম চালায় ন্যাটো।

উল্লেখ্য,
- ন্যাটোর মূল উদ্দেশ্য ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের আগ্রাসনের হাত থেকে পশ্চিম বার্লিন এবং ইউরোপের নিরাপত্তা বাস্তবায়ন করা।
- ন্যাটো একটি যৌথ নিরাপত্তা চুক্তি, যে চুক্তির আওতায় জোটভুক্ত দেশগুলো পারস্পরিক সামরিক সহযোগিতা দিতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
- যুক্তরাষ্ট্রে নাইন-ইলেভেনের সন্ত্রাসী হামলার পর ন্যাটো তাদের রক্ষায় মাঠে নামে।
- এর প্রত্যেকটি সদস্য রাষ্ট্র তাদের সামরিক বাহিনীকে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখতে বদ্ধপরিকর।  

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

৩৭.
বেলেম জেন্ডার অ্যাকশন প্ল্যান কোন জলবায়ু সম্মেলনে গৃহীত হয়েছে?
  1. কপ-২১
  2. কপ-২৫
  3. কপ-২৭
  4. কপ-৩০
সঠিক উত্তর:
কপ-৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কপ-৩০
ব্যাখ্যা

'বেলেম জেন্ডার অ্যাকশন প্ল্যান' (Belem Gender Action Plan):
- ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিত কপ-৩০ সম্মেলনে 'বেলেম জেন্ডার অ্যাকশন প্ল্যান' জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন (UNFCCC)-এর অধীনে গৃহীত হয়েছে।

⇒  কপ-৩০ সম্মেলনের শেষের দিকে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো নতুন বেলেম জেন্ডার অ্যাকশন প্ল্যান (জিএপি-গ্যাপ) অনুমোদন করেছে।
- এই পরিকল্পনা ২০২৬ থেকে ২০৩৪ সাল পর্যন্ত ন্যূনতম লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে এবং পুরোনো এনহান্সড লিমা ওয়ার্ক প্রোগ্রাম অন জেন্ডার আপডেট ও শক্তিশালী করেছে।
- নতুন পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য হলো জলবায়ু নীতি, পরিকল্পনা, প্রকল্প ও অর্থায়নের প্রতিটি স্তরে লিঙ্গভিত্তিক সমতা এবং অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।
- এখানে ‘নারী’ বলতে কেবল সাধারণ নারী নয়; আদিবাসী, গ্রামীণ, কৃষিজীবী, প্রতিবন্ধী এবং অন্যান্য প্রান্তিক ও উপেক্ষিত গোষ্ঠীর নারীর অংশগ্রহণ ও প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। এ ছাড়া নারীমুখী ও কমিউনিটিভিত্তিক প্রকল্প এবং জেন্ডার সংবেদনশীল জলবায়ু অর্থায়ন (জেন্ডার রেসপন্সিভ ক্লাইমেট ফিন্যান্স) ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতিও এসেছে।

উল্লেখ্য,
- জলবায়ু আলোচনায় লিঙ্গসমতা অন্তর্ভুক্তির যাত্রা শুরু হয় ২০১৪ সালে কপ২০-এ ‘লিমা ওয়ার্ক প্রোগ্রাম অন জেন্ডার’ গ্রহণের মাধ্যমে। ২০১৭ সালে কপ২৩-এ প্রথম জেন্ডার অ্যাকশন প্ল্যান-গ্যাপ গৃহীত হয়, যা জলবায়ু নীতি ও কর্মসূচিতে নারীর অংশগ্রহণকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়। ২০১৯ সালের কপ২৫-এ এটি  ‘এনহান্সড লিমা ওয়ার্ক প্রোগ্রাম অন জেন্ডার’ হিসেবে আরও শক্তিশালী হয়। সবশেষে, বেলেমে অনুমোদিত নতুন গ্যাপ অভিজ্ঞতাকে ভিত্তি করে ভবিষ্যতের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি কাঠামো তৈরি করেছে, যা জলবায়ু নীতি ও অর্থায়নে নারীর সমতা ও অংশগ্রহণকে আরও সুসংহত করবে বলে আশা করা যায়।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

৩৮.
মায়া সভ্যতায় মায়ানরা মোট কয়টি ক্যালেন্ডার তৈরি করেছিল?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

মায়া সভ্যতা:
- মায়া সভ্যতাকে বলা হয় রহস্যময় সভ্যতা।
- মায়া সভ্যতার অবস্থান ছিল মধ্য আমেরিকায়।
- মেক্সিকো, বেলিজ, গুয়াতেমালা, এল সালভাদর ও হন্ডুরাসের রেইনফরেস্টের মধ্যে এটি অবস্থিত।
- খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ সালের প্রথম দিকে মায়ারা গ্রামে বসতি স্থাপন করেছিল।
- প্রধান শহরগুলির মধ্যে ছিল টিকাল , উয়াক্সাক্টুন , কোপান , বোনাম্পাক , ডস পিলাস , ক্যালাকমুল , প্যালেনকে , এবং রিও বেক। 
- শহরগুলোর ধ্বংসাবশেষ, জটিল হায়ারোগ্লিফিক লিপি আর চিরায়ত রহস্যের মধ্যে আটকা পড়েছে এ সভ্যতার গল্প। 
- প্রায় ৬০০ বছর ধরে মায়ার লোকেরা ঐশ্বর্যময় সভ্যতা নিয়ে টিকে ছিল।

উল্লেখ্য,
- মায়া সভ্যতা তিনটি প্রধান ক্যালেন্ডার তৈরি করেছিল:
• যোলকিন (Tzolk’in): ২৬০ দিনের ধর্মীয় ক্যালেন্ডার, ২০টি নামযুক্ত দিন এবং ১৩টি সংখ্যার সমন্বয়ে গঠিত।
• হাব (Haab): ৩৬৫ দিনের সৌর ক্যালেন্ডার, ১৮টি ২০ দিনের মাস এবং ৫ দিনের একটি অতিরিক্ত মাস (ওয়ায়েব) নিয়ে গঠিত।
• লং কাউন্ট (Long Count): দীর্ঘ সময়ের হিসাবের জন্য ব্যবহৃত, যা ৩১১৪ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে দিন গণনা করে।

⇒ এছাড়া, এই ক্যালেন্ডারগুলো একত্রে ক্যালেন্ডার রাউন্ড নামে ৫২ বছরের একটি চক্র তৈরি করে। সুতরাং, মায়ারা মোট তিনটি প্রধান ক্যালেন্ডার ব্যবহার করত।

উৎস: i) Britannica.
ii) The Daily Star Bangla.

৩৯.
Red Cross-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ভিয়েনা
  2. জেনেভা
  3. প্যারিস
  4. লন্ডন
সঠিক উত্তর:
জেনেভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনেভা
ব্যাখ্যা

Red Cross:
- ICRM-এর পূর্ণরূপ: The International Red Cross and Red Crescent Movement সংক্ষেপে রেডক্রস নামে পরিচিত।
- এটি একটি সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৮৬৩।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- প্রতিষ্ঠাতা: হেনরি ডুনান্ট।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- Red Cross-এর প্রতীক হলো সাদা পটভূমিতে লাল ক্রস, যা মানবিক সহায়তার প্রতিনিধিত্ব করে।
- বিশ্বব্যাপী দুস্থ মানুষের সেবা তথা যুদ্ধে আহত ও যুদ্ধবন্দি, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য ও দুঃখ লাঘবই রেড ক্রস/রেড ক্রিসেন্ট’র মূল লক্ষ্য।
- আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটি মোট তিনবার (১৯১৭, ১৯৪৪ ও ১৯৬৩ সালে) শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে।

উল্লেখ্য,
- হেনরি ডুনান্ট ১৮৬৩ সালে Red Cross প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি সোলফেরিনোর যুদ্ধের ভয়াবহতা প্রত্যক্ষ করে মানবিক সহায়তার জন্য এই সংগঠন গঠনের উদ্যোগ নেন। ১৮৫৯ সালে ইতালির সোলফেরিনোর যুদ্ধে আহত সৈন্যদের দুর্দশা দেখে হেনরি ডুনান্ট Red Cross গঠনের প্রেরণা পান।

উৎস: Red Cross ওয়েবসাইট

৪০.
Gulf Cooperation Council-এর সদস্য দেশ নয় কোনটি?
  1. ইরান
  2. কাতার
  3. সৌদি আরব
  4. সংযুক্ত আরব আমিরাত
সঠিক উত্তর:
ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান
ব্যাখ্যা

ইরান Gulf Cooperation Council-এর সদস্য দেশ নয়।

GCC:

- GCC-এর পূর্ণরূপ: Gulf Cooperation Council.
- Gulf Cooperation Council হলো পারস্য উপসাগর তীরবর্তী আরব উপদ্বীপের দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক ও অর্থনেতিক জোট।
- গঠিত হয়: ২৫মে, ১৯৮১ ।
- সদরদপ্তর: রিয়াদ, সৌদি আরব।
- বর্তমান মহাসচিব: জাসেম মোহাম্মদ আল বুদাইউই।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ৬টি (সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, ওমান)।
- GCC সদস্য দেশগুলো একে অপরের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, ট্যুরিজম এবং অবকাঠামো উন্নয়নে সহায়তা করে থাকে।

উল্লেখ্য,
- সুপ্রিম কাউন্সিল GCC-এর সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সত্তা, যা সদস্য রাষ্ট্রপ্রধানদের নিয়ে গঠিত এবং বার্ষিক বৈঠক করে। সিদ্ধান্তগুলো সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। এছাড়া, একটি প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা কাউন্সিল রয়েছে যা সামরিক সহযোগিতা সমন্বয় করে।
- GCC সনদের ৪ নম্বর অনুচ্ছেদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি জোটটির মূল উদ্দেশ্য স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করে। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, GCC গঠিত হয়েছিল সদস্য দেশগুলির মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করার জন্য এবং দেশগুলির নাগরিকদের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য।

উৎস: Britannica.

৪১.
ফুয়ের্তে তিউনা সামরিক ঘাঁটি কোন দেশে অবস্থিত?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. কিউবা
  3. মিয়ানমার
  4. ভেনিজুয়েলা
সঠিক উত্তর:
ভেনিজুয়েলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভেনিজুয়েলা
ব্যাখ্যা

ফুয়ের্তে তিউনা সামরিক ঘাঁটি:
- ফুয়ের্তে তিউনা সামরিক ঘাঁটি ভেনিজুয়েলায় অবস্থিত।
- এটি ভেনিজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে অবস্থিত।

উল্লেখ্য, 
- সম্প্রতি (৩ জানুয়ারি, ২০২৬) ভেনেজুয়েলায় ‘বড় পরিসরে’ হামলা চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে তুলে নিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর আগে ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর রাজধানী কারাকাসের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় বিকট বিস্ফোরণের পর ঘন ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। স্থাপনা দুটির একটি হলো শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত লা কারলোটা সামরিক বিমানঘাঁটি। অন্য সামরিক ঘাঁটি হলো ফুয়ের্তে তিউনা সামরিক ঘাঁটি। এটিতেই প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো দীর্ঘদিন ধরে থাকেন বলে মনে করা হচ্ছিল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলায় স্থল অভিযানের ব্যাপারে বারবার হুমকি দিয়ে আসছিলেন।

⇒ ভেনিজুয়েলা:
- ভেনিজুয়েলা (venezuela) দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের উত্তর উপকূলে ক্যারিবীয় সাগরের তীরে অবস্থিত ফেডারেল প্রজাতন্ত্র শাসিত একটি রাষ্ট্র।
- উত্তর প্রান্তে রয়েছে আন্দিস পর্বতমালার সুউচ্চ পর্বতাঞ্চল। 
- ভেনিজুয়েলা মোট ২১টি রাজ্য নিয়ে গঠিত। 
- সরকারি ভাষা: স্প্যানিশ। 
- মুদ্রা: ভেনেজুয়েলান বলিভার।
- রাজধানী: কারাকাস।
- বর্তমান রাষ্ট্রপতি: নিকোলাস মাদুরো।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.

৪২.
কত সালে সোমালিয়ার কাছ থেকে সোমালিল্যান্ড নিজেদের স্বাধীন ঘোষণা করে?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯৫ সালে
  3. ২০০২ সালে
  4. ২০০৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা

সোমালিল্যান্ড:
- ১৯৯১ সালে সোমালিয়ার কাছ থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিল সোমালিল্যান্ড।
- ১৯৯১ সাল থেকে সোমালিল্যান্ড কার্যত একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের মতো চলছে।
- তাদের নিজস্ব সরকার, মুদ্রা ও নিরাপত্তা বাহিনী রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- তবে সোমালিল্যান্ড এত বছরে জাতিসংঘের কোনো সদস্যদেশের কাছ থেকে স্বীকৃতি পায়নি। একসময়ের ব্রিটিশশাসিত উত্তর সোমালিয়ার উত্তর–পশ্চিম কোণে এ ভূখণ্ডের অবস্থান।
- সোমালিল্যান্ডের স্বাধীনতার ঘোষণাকে কখনোই মেনে নেয়নি সোমালিয়া। সোমালিয়া সরকার বলেছে, সোমালিল্যান্ড তাদের দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

⇒ সম্প্রতি বিচ্ছিন্ন অঞ্চল সোমালিল্যান্ডকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে ইসরায়েল।
- এটিকে হর্ন অব আফ্রিকা অঞ্চলের ভূরাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

উৎস: i) DW.
ii) প্রথম আলো।

৪৩.
২০২৫ সালের ব্যালন ডি'অর (Ballon d'Or) পুরস্কার জিতেছেন কে?
  1. লামিনে ইয়ামাল
  2. উসমান দেম্বেলে
  3. ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো
  4. লিওনেল মেসি
সঠিক উত্তর:
উসমান দেম্বেলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উসমান দেম্বেলে
ব্যাখ্যা

Ballon d'Or 2025:
- বর্ষসেরা পুরুষ খেলোয়াড়: উসমান দেম্বেলে (পিএসজি, ফ্রান্স)।
- বর্ষসেরা নারী খেলোয়াড়: আইতানা বোনমাতি (বার্সেলোনা, স্পেন)।
- বর্ষসেরা পুরুষ কোচ: লুইস এনরিকে (পিএসজি)।
- বর্ষসেরা নারী কোচ: সারিনা ভিগমান (ইংল্যান্ড)।
- বর্ষসেরা পুরুষ গোলকিপার (ইয়াসিন ট্রফি): জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মা (ম্যানচেস্টার সিটি, ইতালি)।
- বর্ষসেরা নারী গোলকিপার (ইয়াসিন ট্রফি): হান্না হাম্পটন (চেলসি, ইংল্যান্ড)।
- কোপা ট্রফি (পুরুষ): লামিনে ইয়ামাল (বার্সেলোনা)
- কোপা ট্রফি (নারী): ভিকি লোপেজ (বার্সেলোনা, স্পেন)
- সক্রেটিস অ্যাওয়ার্ড: জানা ফাউন্ডেশন।
- বর্ষসেরা পুরুষ ক্লাব: পিএসজি।
- বর্ষসেরা নারী ক্লাব: আর্সেনাল।

উল্লেখ্য,
- ফুটবলারদের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কার হলো ব্যালন ডি'অর।
- ফুটবল বিষয়ক সাময়িকী 'ফ্রান্স ফুটবল' এই সম্মাননা দিয়ে থাকে।
- ১৯৫৬ সালে সর্বপ্রথম ব্যালন ডি’অর পুরস্কার প্রবর্তিত হয়।
- ফিফা ব্যালন ডি’অর পুরস্কারটি ২০১০ সাল থেকে প্রবর্তিত হয়েছে।
- ১৯৫৬ সালে প্রবর্তিত ব্যালন ডি’অরের প্রথম পুরস্কার জেতেন স্ট্যানলি ম্যাথুস। 

উৎস: i) Britannica. [link]
ii) FIFA.

৪৪.
ইউরোপীয় ইউনিয়নের কোন দেশটি সর্বশেষ ইউরো মুদ্রা গ্রহণ করেছে?
  1. ক্রোয়েশিয়া
  2. বুলগেরিয়া
  3. স্লোভেনিয়া
  4. লিথুনিয়া
সঠিক উত্তর:
বুলগেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুলগেরিয়া
ব্যাখ্যা

ইউরো:
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহের একক মুদ্রার নাম ইউরো।
- ইউরো মুদ্রা € প্রতীক দ্বারা উপস্থাপিত হয়।
- ইউরো মুদ্রার জনক হলেন রবার্ট মুন্ডেল।
- ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১ জানুয়ারি, ১৯৯৯ তারিখে 'ইউরো' মুদ্রা চালু করে।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে 'ইউরো' মুদ্রা অভিন্ন মুদ্রা হিসেবে ২০০২ সালে কার্যকর হয়।

⇒ এখন পর্যন্ত ২১টি দেশ একক মুদ্রা হিসেবে ইউরো মুদ্রা গ্রহণ করেছে।
- দেশগুলো হল: অস্ট্রিয়া, গ্রিস, জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন, পর্তুগাল, নেদারল্যান্ড, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, আয়ারল্যান্ড, মাল্টা, সাইপ্রাস, লিথুনিয়া, লাটভিয়া, এস্তোনিয়া, স্লোভেনিয়া, স্লোভাকিয়া, ইতালি, ফিনল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া ও বুলগেরিয়া।

উল্লেখ্য,
- ১ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে বুলগেরিয়া ইউরোজোন-এর ২১তম সদস্য হিসেবে যোগদান করেছে। এর মধ্য দিয়ে দেশটির নিজস্ব মুদ্রা ‘লেভ’ বাতিল করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, ২০০৭ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগদান করেছিল বুলগেরিয়া।
- এর আগে ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে ক্রোয়েশিয়া ইউরোজোনে যোগ দিয়েছিল।
- বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে ২১টির সরকারি মুদ্রা ইউরো।

উৎস: European Union ওয়েবসাইট।

৪৫.
Alliance of Sahel States (AES)–এর সদস্য দেশ কয়টি? (জানুয়ারি, ২০২৫)
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

Alliance of Sahel States:
- Alliance of Sahel States (AES)–এর সদস্য দেশ ৩টি।

⇒ Alliance of Sahel States (AES) হলো আফ্রিকার সাহেল অঞ্চলের দেশ মালি, নাইজার এবং বুরকিনা ফাসো-এই তিনটি দেশের একটি জোট।
- এটি একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি যা সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলা এবং সামরিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। 
- ২০২৩ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর এই জোট গঠিত হয়।
-  এই তিন দেশই এখন রুশ ভাড়াটে যোদ্ধাদের সমর্থনপুষ্ট সামরিক সরকারের মাধ্যম শাসিত।
- এই আঞ্চলিক গোষ্ঠীটি বৃহত্তর পশ্চিম আফ্রিকান দেশগুলোর জোট ‘ইকোওয়াস’ (ইসিওডব্লিউএএস) থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নিয়েছে।
- এই তিন দেশের সরকারের অভিযোগ, ইকোওয়াস আফ্রিকান স্বার্থের বদলে বিদেশি স্বার্থ রক্ষা করছে।

উৎস: i) Al Jazeera.
ii) প্রথম আলো।

৪৬.
২০২৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার অর্জনের মূল কারণ কী ছিল?
  1. পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ প্রচেষ্টা
  2. গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা
  3. বিশ্বযুদ্ধ বিরতি আনয়ন
  4. গাজা যুদ্ধ বন্ধ
সঠিক উত্তর:
গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা

২০২৫ সালের শান্তিতে নোবেল পুরস্কার:
- ২০২৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ভেনেজুয়েলার রাজনীতিবিদ ও মানবাধিকারকর্মী মারিয়া কোরিনা মাচাদো।  
- অবদান: ভেনেজুয়েলার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবিরাম প্রচেষ্টা এবং একনায়কতন্ত্র থেকে ন্যায়ভিত্তিক ও শান্তিপূর্ণ গণতন্ত্রে উত্তরণের সংগ্রামের জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

⇒ ২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার:
- সাহিত্য: হাঙ্গেরিয়ান লেখক লাজলো ক্রাজনাহরকাই।
- শান্তি: ভেনেজুয়েলার রাজনীতিবিদ ও মানবাধিকারকর্মী মারিয়া কোরিনা মাচাদো।  
- চিকিৎসাবিজ্ঞান: ম্যারি ই. ব্রুনকো, ফ্রেড রামসডেল ও শিমন সাকাগুচি।
- পদার্থবিজ্ঞান: জন ক্লার্ক, মিশেল দেভরেট ও জন এম মার্টিনিস।
- রসায়ন: সুসুমু কিতাগাওয়া, রিচার্ড রবসন ও ওমর এম. ইয়াগি।
-  অর্থনীতি: ইওয়েল মোকিয়র, ফিলিপ আগিয়োঁ ও পিটার হাউইট।

উৎস: Nobel Prize ওয়েবসাইট।

৪৭.
ইউএস ওপেন-২০২৫ পুরুষ এককে কে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন?
  1. ইয়ানিক সিনার
  2. নোভাক জোকোভিচ
  3. কার্লোস আলকারাজ
  4. ড্যানিল মেদভেদেভ
সঠিক উত্তর:
কার্লোস আলকারাজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্লোস আলকারাজ
ব্যাখ্যা

ইউএস ওপেন (US OPEN) ২০২৫:
• পুরুষ একক:
- চ্যাম্পিয়ন: কার্লোস আলকারাজ ।
- রানার আপ: ইয়ানিক সিনার (ইতালি)।

• নারী একক: 
- চ্যাম্পিয়ন: আরিনা সাবালেঙ্কা (বেলারুশ)।
- রানার আপ: আমান্ডা আনিসিমোভা।

উল্লেখ্য গ্র্যান্ড স্ল্যামের মধ্যে রয়েছে:
• অস্ট্রেলিয়ান ওপেন (জানুয়ারির মাঝামাঝি),
• ফ্রেঞ্চ ওপেন (মে মাসের শেষ থেকে জুনের শুরুতে),
• উইম্বলডন (জুনের শেষ থেকে জুলাইয়ের শুরুতে),
• ইউএস ওপেন (আগস্ট-সেপ্টেম্বর)।

উৎস: International Tennis Federation ওয়েবসাইট। 

৪৮.
‘লিটল রেড বুক’ বইটির রচয়িতা কোন বিশ্বনেতা?
  1. ফিদেল কাস্ত্রো
  2. অ্যাডলফ হিটলার
  3. মাও সেতুং
  4. নেলসন মেন্ডেলা
সঠিক উত্তর:
মাও সেতুং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাও সেতুং
ব্যাখ্যা

Little Red Book:
- লিটল রেড বুক (Little Red Book) বইটির রচয়িতা মাও সেতুং।
- বইটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৬৪ সালে।
- মাও সেতুং-এর নির্বাচিত উক্তি ও রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়ে প্রকাশিত এই বইটি। 
- লিটল রেড বুকের ভেতর, মোটা লাল হরফে লেখা  জুড়ে দেওয়া হয়, কমিউনিষ্ট ম্যানিফেষ্টো-এর সেই বিখ্যাত সেই স্লোগান  "দুনিয়ার মজদুর, এক হও" (Workers of the world, unite)"। 

⇒ মাও সেতুং:
- চীনা কমিউনিষ্ট আন্দোলনের অন্যতম নেতা মাও সেতুং ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রধান স্থপতি।
- ১৯৪৯ সালের ১ অক্টোবর, এক বিপ্লবের মাধ্যমে কমিউনিস্ট বিপ্লবী মাও-সেতুং এর নেতৃত্বে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন গণচীন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মাও-সেতুং কে গণচীনের জনক বলা হয়।
- চীন বর্তমানে পৃথিবীর দ্বিতীয় প্রধান অর্থনীতির দেশ।

উৎস: Britannica.
ii) The Guardian.

৪৯.
ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) কোন দেশের প্রধান সামরিক বাহিনী?
  1. ইরান
  2. ইরাক
  3. সিরিয়া
  4. তুরস্ক
সঠিক উত্তর:
ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান
ব্যাখ্যা

ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস:
- ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (The Islamic Revolutionary Guard Corps (IRGC) ইরানের প্রধান সামরিক বাহিনী।
- একে ফারসিতে বলা হয় 'সেপাহ-এ পাশদারানে ইনকিলাব-এ ইসলামি' (ইসলামি বিপ্লবের অভিভাবক বাহিনী) এবং সাধারণভাবে ‘পাসদারান’ নামেও পরিচিত।
- ইসলামি বিপ্লব এবং শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভির পতনের পর আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি ১৯৭৯ সালের ২২ এপ্রিল এটি প্রতিষ্ঠা করেন।

⇒  ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর একটি শক্তিশালী শাখা, যার রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব দেশটির ভেতরে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- গার্ডস বাহিনী বিশেষত ইরানের পরমাণু কর্মসূচি এবং আঞ্চলিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- IRGC-এর কুদস ফোর্স মধ্যপ্রাচ্যে হামাস ও হিজবুল্লাহর মতো মিত্রদের সহযোগিতা করে। 

উৎস: i) Council on Foreign Relations ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.

৫০.
গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্পটি কোন জেলাগুলোতে বিস্তৃত রয়েছে?
  1. চট্টগ্রাম, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর
  2. সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ
  3. কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা
  4. রংপুর, দিনাজপুর, লালমনিরহাট, পঞ্চগ্রাম
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা
ব্যাখ্যা

গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প: 
- গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প (জি-কে প্রজেক্ট)  গঙ্গা নদীর দক্ষিণ তীরের বিস্তৃত অঞ্চল জুড়ে (বাংলাদেশের ভূখন্ডে) সেচের জন্য  বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক গৃহীত একটি প্রকল্প।
- কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ এবং মাগুরা জেলার ১,৯৭,৫০০ হেক্টর জমি এ  সেচ কার্যক্রমের আওতাভুক্ত।
- এর মধ্যে ১,৪২,০০০ হেক্টর জমি সেচযোগ্য।
- উল্লিখিত চারটি জেলার সর্বমোট ১৩টি উপজেলায় এ কার্যক্রম বিস্তৃত।
- উপজেলাগুলি হলো - কুষ্টিয়া সদর, কুমারখালী, খোকসা, মিরপুর, ভেড়ামারা, চুয়াডাঙ্গা সদর, আলমডাঙ্গা, ঝিনাইদহ সদর, হরিণাকুন্ড, শৈলকূপা, মাগুরা সদর, শ্রীপুর এবং দৌলতপুর।
- প্রকল্পের ভৌগোলিক সীমারেখা উত্তরে গঙ্গা ও  গড়াই নদী, পূর্বে গড়াই-মধুমতি, দক্ষিণে  নবগঙ্গা এবং পশ্চিমে মাথাভাঙ্গা নদী পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এ প্রকল্পের বিশেষত্ব হলো, গঙ্গা নদী থেকে পাম্পের সাহায্যে পানি তুলে সংযোগ  খাল ও নালার মাধ্যমে কৃষি জমিতে পানি সরবরাহ 

উল্লেখ্য,
- সমগ্র প্রকল্প এলাকাটি দুটি অঞ্চলে বিভক্ত, কুষ্টিয়া অঞ্চল এবং যশোর অঞ্চল।
- পর্ব-১ এর আওতাভুক্ত এলাকা ৮৫,০২০ হেক্টর যার মধ্যে ৪৮,৭০০ হেক্টর ভূমি সেচযোগ্য।
- পর্ব-২ এর আওতাভুক্ত এলাকা ১,১৭,৮১৪ হেক্টর যার মধ্যে ৯৩,৩০০ হেক্টর ভূমি সেচযোগ্য।
- প্রকল্পটির আওতায় সর্বমোট সেচযোগ্য ভূমির পরিমাণ ১,৪২,০০০ হেক্টর।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

৫১.
জাপানি ভাষায় 'সুনামি' শব্দের অর্থ কী?
  1. সমুদ্রের ঢেউ
  2. পোতাশ্রয়ের ঢেউ
  3. ভূমিকম্পের ঢেউ
  4. আগ্নেয়গিরির ঢেউ
সঠিক উত্তর:
পোতাশ্রয়ের ঢেউ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পোতাশ্রয়ের ঢেউ
ব্যাখ্যা

সুনামি (Tsunami): 
- সুনামি (Tsunami) একটি জাপানি শব্দ।
- জাপানি ভাষায় এর অর্থ হলো 'পোতাশ্রয়ের ঢেউ'।
- সুনামির পানির ঢেউ সমুদ্রের স্বাভাবিক ঢেউয়ের মতো নয়।
- এটা সাধারণ ঢেউয়ের চেয়ে অনেক বিশালাকৃতির।
- অতি দ্রুত ফুঁসে ফুলে ওঠা জোয়ারের মতো, যা উপকূল ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় জলোচ্ছ্বাসের সৃষ্টি করে।
- সুনামির পানির ঢেউগুলো একের পর এক উঁচু হয়ে আসতেই থাকে তাই একে ঢেউয়ের রেলগাড়ি বা 'ওয়েভ ট্রেন' বলে।
- সুনামি হলো পানির এক মারাত্মক ঢেউ যা সমুদ্রের মধ্যে বা বিশাল হ্রদে ভূমিকম্প বা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণে সৃষ্টি হয়ে থাকে।
- পানির নিচে কোনো পারমাণবিক বা অন্য কোনো বিস্ফোরণ, ভূপাত ইত্যাদি কারণেও সুনামি হতে পারে।
- সুনামির ক্ষয়ক্ষতি সমুদ্র উপকূলীয় এলাকাগুলোতে সীমাবদ্ধ থাকলেও এর আশেপাশে সুনামির ধ্বংসাত্মক লীলা সংঘটিত হয়।
- ২০০৪ সালের ২৬শে ডিসেম্বর ভারত মহাসাগরে যে সুনামি সৃষ্টি হয় তা এই মহাসাগরের আশেপাশে ১৪টি দেশে আঘাত হানে এবং মারাত্মক একটি দুর্যোগ সৃষ্টি করে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ,নবম-দশম শ্রেণি।

৫২.
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা অতিক্রম করে পূর্ব দিকে গেলে সময় কীভাবে পরিবর্তিত হয়?
  1. ২৪ ঘণ্টা কমে
  2. ১২ ঘণ্টা কমে 
  3. ১২ ঘণ্টা বাড়ে
  4. কোনো পরিবর্তন হয় না
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘণ্টা কমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘণ্টা কমে
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা (International Date Line): 
- দ্রাঘিমারেখার নিয়মানুসারে মূল মধ্যরেখা থেকে পূর্ব ও পশ্চিমে অগ্রসর হলে প্রতি ১দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য ৪ মিনিট সময়ের ব্যবধান হয়।
- আমরা জানি ০° দ্রাঘিমার ঠিক উল্টো দিকে ১৮০° পূর্ব ও পশ্চিম দ্রাঘিমারেখা।
- আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা (International Date Line—IDL) হলো উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত বিস্তৃত একটি কাল্পনিক রেখা, যা ক্যালেন্ডারের “এক দিন” এবং “পরের দিন”-কে আলাদা করে।
- এটি সাধারণভাবে ১৮০° দ্রাঘিমারেখার কাছাকাছি প্রশান্ত মহাসাগর দিয়ে গেছে, তবে দেশ/দ্বীপকে একদিনে রাখার সুবিধার জন্য কিছু জায়গায় পূর্ব-পশ্চিমে বাঁক নিয়েছে।
- কেউ যদি আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা অতিক্রম করে পূর্ব দিকে (eastbound) যায়, তাহলে তাকে ক্যালেন্ডার থেকে ১ দিন কমাতে হয়—অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টা কমে।
- আর কেউ যদি পশ্চিম দিকে (westbound) যায়, তাহলে তাকে ক্যালেন্ডারে ১ দিন যোগ করতে হয়—অর্থাৎ তারিখ একদিন এগিয়ে যায়।

উৎস:
১। ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।
২। Time and date ওয়েবসাইট। 

৫৩.
কোন ধরনের বায়ুপ্রবাহ সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়? 
  1. অয়ন বায়ু 
  2. পশ্চিমা বায়ু 
  3. মেরু বায়ু
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

নিয়ত বায়ু (Planatary Winds):
- নিয়ত বায়ুপ্রবাহ সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়।
- এই বায়ুপ্রবাহ পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- নিয়ত বায়ুকে আবার তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
- যথা-অয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু ও মেরু বায়ু ।

অয়ন বায়ু (The Trade Wind):
- বিষুবীয় অঞ্চলে সূর্যকিরণ লম্বভাবে পতিত হয় বলে বায়ুর চাপ কম থাকে তাতে বায়ু উপরে উঠে ছড়িয়ে যায়।
- এই বায়ু ক্রমাগত শীতল হয়ে নিচে নামতে না পেরে উত্তর ও দক্ষিণে ছড়িয়ে যায়।
- প্রায় ৩০০ অক্ষাংশ বরাবর এই বায়ু নিচে নেমে তা আবার বিষুবীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়।
- ফেরেলের সূত্রানুযায়ী উত্তর গোলার্ধে উত্তর-পূর্ব দিক থেকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে এই বায়ু প্রবাহিত হয়।
- এই বায়ুকেই বলা হয় অয়ন বায়ু। উত্তর গোলার্ধের অয়ন বায়ুকে উত্তর-পূর্ব অয়ন বায়ু ও দক্ষিণ গোলার্ধের অয়ন বায়ুকে দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু বলা হয়। 

পশ্চিমা বায়ু:
- উত্তর গোলার্ধের দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে পশ্চিম বায়ু প্রবাহিত হয়।
- ৩০০ অক্ষাংশে কিছু বায়ু পৃথিবীর গা-ঘেষে মেরুর দিকে ৬০০ অক্ষাংশ পর্যন্ত পৌঁছালে মেরু এলাকা থেকে আগত
শীতল ও ভারী বায়ু মুখোমুখি হয়। এসময় অপেক্ষাকৃত উষ্ণ ও হালকা বায়ু উপরের দিকে উঠে গেলেও এর এক অংশ মেরুবৃত্তের নিম্নচাপে প্রবাহিত হয় বলেই একে পশ্চিমা বায়ু বলা হয়।

মেরু বায়ু:
- মেরু অঞ্চলের উচ্চচাপ বলয় থেকে অতি শীতল ও ভারী বায়ু উত্তর গোলার্ধে নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়।
- এদের উত্তর গোলার্ধে উত্তর-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত বায়ুকে সুমেরু বায়ু বা উত্তর-পূর্ব মেরু বায়ু বলা হয়।
- আবার দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণ-পূর্বদিক থেকে প্রবাহিত হয় যে বায়ু তাকে বলা হয় কুমেরু বায়ু বা দক্ষিণ-পূর্ব মেরু বায়ু।
- মূলত এভাবেই নিয়ত বায়ু প্রবাহসমূহ বিষুবরেখা ও মেরুর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয় এবং পৃথিবী উষ্ণ ও শীতল এলাকার মধ্যে তাপের ভারসাম্য রক্ষা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৪.
বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের অধিকাংশ পলল কোন নদীসমূহ থেকে উদ্ভূত?
  1. কর্ণফুলী এবং গঙ্গা 
  2. গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র সঙ্গমস্থল
  3. যমুনা এবং তিস্তা
  4. মেঘনা এবং কর্ণফুলী
সঠিক উত্তর:
গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র সঙ্গমস্থল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র সঙ্গমস্থল
ব্যাখ্যা

সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড: 
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত, যা বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানকে কৌণিকভাবে অতিক্রম করেছে।
- এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত। গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত।
- পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে এ ধরনের আরও কিছু বদ্বীপমুখী খাদ দেখতে পাওয়া যায়, যেমন সিন্ধু নদীর মোহনার অদূরে সিন্ধু খাদ, মিসিসিপি বদ্বীপের পশ্চিম পাশে মিসিসিপি খাদ।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের প্রস্থ ৫ থেকে ৭ কিলোমিটার, তলদেশ তুলনামূলকভাবে সমতল এবং পার্শ্ব দেয়াল প্রায় ১২ ডিগ্রি হেলানো।
- মহীসোপানের কিনারায় খাদের গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার।
- ধারণা করা হয়, বঙ্গোপসাগরের নিচে কান্দা ও উপ-বদ্বীপ উপত্যকার আকারে সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড সাগর অভিমুখে প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার সম্প্রসারিত হয়ে আছে।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের দিকে মুখ করে গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের মোহনার কাছে বালুচর ও শৈলশিরার অবস্থিতি এই ইঙ্গিতই বহন করে যে, এই খাদ দিয়েই পলল বঙ্গোপসাগরের গভীরতর অংশে বাহিত হয়।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের ওপর গবেষণায় দেখা গেছে যে, সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড অবক্ষেপপূর্ণ ঘোলাটে স্রোত এনে বেঙ্গল ফ্যানে ফেলছে।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের অধিকাংশ পলল গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র সঙ্গমস্থলে উদ্ভূত।
-এগুলো যথাক্রমে হিমালয়ের দক্ষিণ ও উত্তর দিক থেকে আসছে।
- বর্তমান অবস্থায় স্বল্প পরিমাণের ঘোলাটে স্রোত আর বালি সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের মাধ্যমে মহীসোপান থেকে গভীর সমুদ্রে পলল পরিবহণের প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৫৫.
নিচের কোনটিকে প্রাথমিক শিলা বলা হয়? 
  1. পাললিক শিলা 
  2. আগ্নেয় শিলা
  3. রূপান্তরিত শিলা
  4. কোনটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় শিলা
ব্যাখ্যা

আগ্নেয় শিলা: 
- জন্মের প্রথমে পৃথিবী একটি উত্তপ্ত গ্যাসপিন্ড ছিল।
- এই গ্যাসপিন্ড ক্রমান্বয়ে তাপ বিকিরণ করে তরল হয়।
- পরে আরও তাপ বিকিরণ করে এর উপরিভাগ শীতল ও কঠিন আকার ধারণ করে।
- এভাবে গলিত অবস্থা থেকে ঘনীভূত বা কঠিন হয়ে যে শিলা গঠিত হয় তাকে আগ্নেয় শিলা বলে।
- আগ্নেয় শিলা পৃথিবীর প্রথম পর্যায়ে সৃষ্টি হয় তাই এই শিলাকে প্রাথমিক শিলাও বলে।
- এ শিলায় কোনো স্তর নেই। তাই আগ্নেয় শিলার অপর নাম অন্তরীভূত শিলা।
- এই  শিলার বৈশিষ্ট্য হলো-
- (ক) স্ফটিকাকার, (খ) অন্তরীভূত, (গ) কঠিন ও কম ভঙ্গুর, (ঘ) জীবাশ্ম দেখা যায় না এবং (ঙ) অপেক্ষাকৃত ভারী।
- ব্যাসন্ট, রায়োলাইট, অ্যান্ডিসাইট , গ্রানাইট, গ্যাব্রো, ডলোরাইট, ল্যাকোলিথ, ব্যাথোলিথ, ডাইক ও সিল।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ,নবম-দশম শ্রেণি।

৫৬.
দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহল কোথায় অবস্থিত? 
  1. আদিতমারী, লালমনিরহাট
  2. পাটগ্রাম, লালমনিরহাট
  3. কালীগঞ্জ, লালমনিরহাট
  4. হাতীবান্ধা, লালমনিরহাট
সঠিক উত্তর:
পাটগ্রাম, লালমনিরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাটগ্রাম, লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা

দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহল:
- লালমনিরহাট জেলাধীন পাটগ্রাম উপজেলার সীমান্তবর্তী ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ছিটমহল ছিল দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা।
- এ ছিটমহলের সাথে তৎকালীন পাকিস্তানের মূল ভূখন্ডের যোগাযোগের জন্য একটি ‘প্যাসেজ ডোর’ এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল,
- যা বর্তমানে ‘তিন বিঘা করিডোর’ নামে পরিচিত।
- পাকিস্তান আমল পেরিয়ে বাংলাদেশ আমল পর্যন্ত তিন বিঘা হস্তান্তর প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের অনেক বৈঠক এবং চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৯৮৫ খ্রিষ্টাব্দের পর থেকে দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহল পাটগ্রাম উপজেলার একটি স্বতন্ত্র ইউনিয়ন ‘দহগ্রাম ইউনিয়ন’ হিসেবে পরিগণিত হয় এবং ১৯৮৯ খ্রিষ্টাব্দের ১৯ আগস্ট এখানে ইউনিয়ন পরিষদের শুভ উদ্বোধন ঘটে।
- ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দের ২৬ জুন ইজারার মাধ্যমে উক্ত তিন বিঘা বাংলাদেশকে প্রদান করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫৭.
বারমুডা ট্রায়াঙ্গল কোন মহাসাগরে অবস্থিত? 
  1. প্রশান্ত মহাসাগরে 
  2. ভারত মহাসাগরে 
  3. দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে 
  4. উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে 
সঠিক উত্তর:
উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে 
ব্যাখ্যা

বারমুডা ট্রায়াঙ্গল:
- ‍উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে মায়ামি, বারমুডা ও পুয়ের্তো রিকোবেষ্টিত সমুদ্রের বিস্তৃত অঞ্চলজুড়ে থাকা বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের গভীরে একটি অস্বাভাবিক পুরু শিলাস্তর শনাক্ত করেছেন বিজ্ঞানীরা।
- প্রায় ২০ কিলোমিটার পুরু শিলাস্তরটি বারমুডার নিচের টেকটোনিক প্লেটের ভেতরে অবস্থিত।
- বিজ্ঞানীরা মনে করেন, প্রাচীন প্যানজিয়া মহাদেশ ভেঙে যাওয়ার সময়কার ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়ার ফলে এই স্তরটি তৈরি হয়েছিল।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৫৮.
বাংলাদেশে প্লাইস্টোসিন সোপান এর উদাহরণ হিসেবে কোন এলাকাগুলোকে ধরা হয়?
  1. রংপুরের প্লাবনভূমি
  2. সুন্দরবন এবং চট্টগ্রাম পাহাড়
  3. মধুপুর ও বরেন্দ্রের লালাভ বাদামি দ্বীপসমূহ
  4. সিলেটের হাওর এবং কুমিল্লার সমতল 
সঠিক উত্তর:
মধুপুর ও বরেন্দ্রের লালাভ বাদামি দ্বীপসমূহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধুপুর ও বরেন্দ্রের লালাভ বাদামি দ্বীপসমূহ
ব্যাখ্যা

প্লাইস্টোসিন সোপান: 
- প্লাইসটোসিন সোপান সোপান হচ্ছে সমুদ্রতল প্রান্তে স্তরে স্তরে বেঞ্চি আকৃতির গঠন।
- প্লাইসটোসিন যুগে গঠিত এই ধরনের সোপান প্লাইসটোসিন সোপান নামে পরিচিত।
- পৃথিবীর কয়েকটি অংশেই বড় বড় বদ্বীপীয় অঞ্চলে প্লাইসটোসিন বহুমুখী পাললিক সোপান নিয়মিত গড়ে উঠেছে।
- নদীউপত্যকাসমূহ সম্মুখভাগে দ্রুত ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে বর্তমান সময়ের চেয়ে ১০০ থেকে ১৪০ মিটার নিচে একটি নতুন ভিত্তি সমতল (baselevel) লাভ করেছে।
 - মধুপুর ও বরেন্দ্র এলাকার উত্তর-দক্ষিণ প্রলম্বিত লালাভ বাদামি দ্বীপসমূহ বাংলাদেশে প্লাইসটোসিন সোপানের নমুনা বলে ধারণা করা হয়।
-  মধুপুর-বরেন্দ্র এলাকার প্রাথমিক ভূ-পৃষ্ঠ বর্ষার প্রবল বারিপাত ও অন্যান্য ক্ষয়কারী কার্যক্রমের কারণে উত্তর- প্লাইসটোসিন যুগে ব্যাপকভাবে ব্যবচ্ছেদের শিকার হয়েছে।
- যা থেকে এইসব প্লাইসটোসিন সোপান মুক্ত থেকেছে। পরবর্তীতে এই সব ব্যবচ্ছেদিত উপত্যকা উর্বর পলিমাটিতে পূর্ণ হয়ে যায় যা প্রাথমিক প্লাইসটোসিন সোপান সমূহের চেয়ে অধোভাগে সাম্প্রতিক (recent) প্লাবনভূমির সৃষ্টি করেছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৫৯.
জাতিসংঘের দুর্নীতি বিরোধী কনভেনশন বা সনদের নাম কী?
  1. UNCAC 
  2. CEDAW
  3. UNCTAD
  4. UNCLOS
সঠিক উত্তর:
UNCAC 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UNCAC 
ব্যাখ্যা

• মেরিডা কনভেনশন:
- আনুষ্ঠানিক নাম: United Nations Convention Against Corruption (UNCAC).
- জাতিসংঘের দুর্নীতি বিরোধী একমাত্র বাধ্যতামূলক আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- UNCAC-এর লক্ষ্য: দুর্নীতি প্রতিরোধ, অপরাধীকরণ, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, সম্পদ পুনরুদ্ধার এবং কারিগরি সহায়তা।
- সাধারণ পরিষদে অনুমোদন: ৩১ অক্টোবর, ২০০৩ সালে।
- স্বাক্ষরকাল: ৯-১১ ডিসেম্বর, ২০০৩ সালে।
- স্বাক্ষরস্থল: মেরিডা, ইউকাটান, মেক্সিকো।
- কার্যকর হওয়ার তারিখ: ১৪ ডিসেম্বর, ২০০৫ সালে।
- বর্তমান স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৯২টি দেশ।
- বাংলাদেশের স্বাক্ষর: ২০০৭ সালে, এবং পরবর্তীতে অনুমোদনও দিয়েছে।

অন্যদিকে, 
- CEDAW : নারীর বিরুদ্ধে সকল প্রকার বৈষম্য দূরীকরণ সংক্রান্ত কনভেনশন।
- UNCTAD : জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা। যা উন্নয়নশীল দেশগুলোকে বিশ্ব অর্থনীতিতে সমানভাবে অংশগ্রহণ করতে এবং টেকসই উন্নয়নের সুবিধা পেতে সাহায্য করে; এটি বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অর্থ এবং প্রযুক্তির মতো বিষয়গুলোতে নীতি বিশ্লেষণ, ঐকমত্য গঠন এবং কারিগরি সহায়তা প্রদান করে।
- UNCLOS: জাতিসংঘের একটি সনদ, যা সমুদ্রের আইন (Law of the Sea) বিষয়ক আন্তর্জাতিক কাঠামো।

উৎস: UNCAC ওয়েবসাইট।

৬০.
নীতিবিদ্যার মূল কথা নয় কোনটি?
  1. কর্তব্যের জন্য কর্তব্য
  2. শর্তহীন আদেশ
  3. আইনের প্রয়োগ 
  4. সৎ ইচ্ছা
সঠিক উত্তর:
আইনের প্রয়োগ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনের প্রয়োগ 
ব্যাখ্যা

- আইনের প্রয়োগ নীতিবিদ্যার মূলকথা  নয়।

নৈতিকতা:

- 'কর্তব্যের জন্য কর্তব্য'-ধারণাটির প্রবর্তক - ইমানুয়েল কান্ট।
- ইমানুয়েল কান্ট জার্মান নীতিবিজ্ঞানী।
- তাঁর নীতিবিদ্যার মূলকথা তিনটি যথা:- সৎ ইচ্ছা, কর্তব্যের জন্য কর্তব্য এবং শর্তহীন আদেশ।
- 'কর্তব্যমুখী নৈতিকতা' বা 'কর্তব্যের নৈতিকতার' দর্শন যে কোনো কর্মের ফল বা পরিণতির বদলে কর্মের ধরনকে গুরুত্ব দেয়।
- ইমানুয়েল কান্টকে 'কর্তব্যমুখী নৈতিকতার' প্রবর্তক বলা হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন- প্রথম পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬১.
’The Elements of Ethics’ গ্রন্থটি কে লিখেছেন? 
  1. ইমানুয়েল কান্ট
  2. বার্ট্রান্ড রাসেল
  3. জন স্টুয়ার্ট মিল
  4. টমাস হবস
সঠিক উত্তর:
বার্ট্রান্ড রাসেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার্ট্রান্ড রাসেল
ব্যাখ্যা

• বার্ট্রান্ড রাসেল উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো:
-The Elements of Ethics,
- Political Ideals,
- Human Society in Ethics and Politics,
- Power: A New Social Analysis,
- Introduction to Mathematical Philosophy etc.
- The Conquest of Happiness,
- The Principles of Mathematics,

অপরদিকে,
• ইমানুয়েল কান্ট গুরুত্বপূর্ণ কিছু বই:
- Groundwork for Metaphysics of Morals.
- Critique of Pure Reason.
- Critique of Practical Reason.
- Critique of Judgement.

• স্টুয়ার্ট মিলের বিখ্যাত বই: 
- On Liberty
- Representative Government.

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন এইচ এসসি প্রথম পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

৬২.
স্বাধীনতা কীসের —  ফলাফল?
  1. কর্তব্যর 
  2. অধিকারের
  3. আইনের 
  4. নৈতিক
সঠিক উত্তর:
অধিকারের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিকারের
ব্যাখ্যা

 স্বাধীনতার বিভিন্ন রূপ:
- রাষ্ট্রে একজন নাগরিকের অস্তিত্ব বিভিন্ন বিষয়ে প্রাপ্ত স্বাধীনতা থেকেই প্রকাশ পায়।
- স্বাধীনতা শব্দের ইংরেজি প্রতিশব্দ হল 'Liberty'।
- স্বাধীনতাকে শাব্দিক অর্থে বলা যায় নিজের ইচ্ছে মতো কাজ করা।
- স্বাধীনতা মানে যৌক্তিক ও আইনসিদ্ধভাবে কোন কিছু করাকেই বুঝায়।
- রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক এইচ জে লাস্কি (H.J.Laski) বলেছেন "স্বাধীনতা হল অধিকারের ফলাফল"।
- রাষ্ট্রবিজ্ঞানী টি এইচ গ্রিন (T.H. Green) বলেন, "যা উপভোগ করার এবং সম্পন্ন করার যোগ্য তা উপভোগ ও সম্পাদন
করার ক্ষমতাকে স্বাধীনতা বলে"।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৩.
অধ্যাপক হল্যান্ডের মতে আইনের উৎস নয় কোনটি? 
  1. প্রথা
  2. ন্যায়বিচার
  3. জনমত
  4. ধর্ম
সঠিক উত্তর:
জনমত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনমত
ব্যাখ্যা

- জন অস্টিনের মতে আইনের উৎস ১টি। যথা: সার্বভৌমের আদেশ। 
- অধ্যাপক হল্যান্ডের মতে আইনের উৎস ৬টি। যথা:
- প্রথা, ধর্ম, বিচারকের রায়, ন্যায়বিচার, বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা, আইনসভা।
- ওপেনহাইমের মতে আইনের উৎস ৭টি। যথা:
- প্রথা, ধর্ম, বিচারকের রায়, ন্যায়বিচার, বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা, আইনসভা, জনমত।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ - মোজাম্মেল হক।

৬৪.
বিশ্বব্যাংকের মতে, বাংলাদেশে সুশাসনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ? 
  1. শিক্ষার হার কম হওয়া
  2. আইনের শাসনের অভাব
  3. জনসংখ্যা বৃদ্ধি
  4. দুর্নীতি
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতি
ব্যাখ্যা

সুশাসন:
- সুশাসন একটি সামাজিক ধারণা। সুশাসন মানে হলো যথার্থরূপে শাসন বা ভালোভাবে শাসন।
- সুশাসনের পূর্বশর্ত হলো স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা। এগুলো ব্যতীত দুর্নীতি রোধ করা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয় না।
- অংশগ্রহণ ও ই-গভর্ন্যান্স সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
- স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি, অস্বচ্ছতা, স্বেচ্ছাচারিতা প্রভৃতি সুশাসনের অন্যতম অন্তরায়।

• বিশ্বব্যাংকের মতে, বাংলাদেশে সুশাসনের ক্ষেত্রে দুর্নীতি সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
- দুর্নীতির কারণে গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সুশাসনের পথ রুদ্ধ হয়ে পড়েছে।
- জনগণের সরকারি সুযোগ-সুবিধা কমে যাচ্ছে।
- ক্ষমতাবান কিছু ব্যক্তি ফায়দা লুটছে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক ও সিপিডি।

৬৫.
নিচের কোনটি রাজনৈতিক স্বাধীনতা? 
  1. মত প্রকাশের স্বাধীনতা 
  2. ভোটদানের স্বাধীনতা
  3. জীবন ধারণের স্বাধীনতা
  4. সম্পত্তি ভোগের স্বাধীনতা
সঠিক উত্তর:
ভোটদানের স্বাধীনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোটদানের স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতার বিভিন্ন রূপ:
• রাজনৈতিক স্বাধীনতা:
- ভোটার হবার স্বাধীনতা,
- ভোটদানের স্বাধীনতা,
- রাজনৈতিক দল গঠনের স্বাধীনতার মতো বিষয়গুলো রাজনৈতিক স্বাধীনতার অন্তর্গত।

অন্যদিকে, 
• ব্যক্তিগত স্বাধীনতা:
- এই স্বাধীনতা একান্তই ব্যক্তিগত।
- ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ভোগে অন্যের উপর কোন প্রভাব পড়ে না।
- যেমন, ধর্ম সংক্রান্ত স্বাধীনতা কিংবা মত প্রকাশের স্বাধীনতা।

• সামাজিক স্বাধীনতা:
- মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকার জন্য সামাজিক স্বাধীনতা অপরিহার্য।
- যেমন, জীবন ধারণ, সম্পত্তি ভোগ কিংবা সামাজিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণের স্বাধীনতা।

• পৌর স্বাধীনতা:
- জীবনের অধিকার, সম্পত্তির অধিকার, ধর্ম সংক্রান্ত অধিকারগুলো পৌর স্বাধীনতার অন্তর্গত।
- ব্যক্তিজীবনের পরিপূর্ণ বিকাশ ও সমাজে সখ-শান্তি নিশ্চিতকরণে এই সব স্বাধীনতা অপরিহার্য।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৬.
জাতিসংঘ মতে সুশাসনের উপাদান নয়- 
  1. অংশগ্রহণ
  2. আমলাতান্ত্রিক জটিলতা
  3. জবাবদিহিতা
  4. মতামতের উপর নির্ভরশীলতা
সঠিক উত্তর:
আমলাতান্ত্রিক জটিলতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমলাতান্ত্রিক জটিলতা
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ ও সুশাসন:
- জাতিসংঘ -প্রকাশ করে। ১৯৯৭ সালে 'শাসন ও ক্রমবর্ধমান উন্নয়ন' শীর্ষক প্রতিবেদন
- এই প্রতিবেদনে সর্বপ্রথম সুশাসন সম্পর্কে স্বীয় দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে।
-  জাতিসংঘের অভিমত অনুযায়ী, সুশাসনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে মৌলিক স্বাধীনতার উন্নয়ন।
- মৌলিক স্বাধীনতার উন্নয়ন ঘটাতে পারলে একদিকে যেমন মৌলিক অধিকারসমূহ রক্ষিত হয়।

• জাতিসংঘ সুশাসনের ক্ষেত্রে ৮টি উপাদানের কথা উল্লেখ করেছে।
• উপাদানগুলো হলো:  অংশগ্রহণ; মতামতের উপর নির্ভরশীলতা; জবাবদিহিতা; স্বচ্ছতা; দায়বদ্ধতা; কার্যকরী ও দক্ষ প্রশাসন ব্যবস্থা; ন্যাযতা; এবং আইনের শাসন।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৬৭.
জন স্টুয়ার্ট মিলের রচয়িত গ্রন্থ কোনটি? 
  1. Two Treatises of Government
  2. Utilitarianism
  3. An Essay Concerning Human Understanding.
  4. The Republic
সঠিক উত্তর:
Utilitarianism
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Utilitarianism
ব্যাখ্যা

জন স্টুয়ার্ট মিল:
• তার রচিত গ্রন্থসমূহ:
- Considerations on Representative Government,
- Examination of Sir William Hamilton's Philosophy,
- On Liberty,
- Principles of Political Economy,
- The Subjection of Women,
- Utilitarianism.

• জন লক বিখ্যাত বই:
- An Essay Concerning Human Understanding.
- Two Treatises of Government.
- আধুনিক গনতন্ত্রের জনক জন লক।

অন্যদিকে,
- প্লেটোর বিখ্যাত বই: The Republic.

উৎস: ব্রিটানিকা।

৬৮.
শিশু তার নৈতিক শিক্ষার হাতেখড়ি পায় কার কাছ থেকে?
  1. শিক্ষকের কাছ থেকে
  2. বন্ধুর কাছ থেকে
  3. পরিবারের কাছ থেকে
  4. ইন্টারনেটের কাছ থেকে
সঠিক উত্তর:
পরিবারের কাছ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবারের কাছ থেকে
ব্যাখ্যা

নৈতিক মূল্যবোধ:
- নীতি ও উচিত-অনুচিত বোধ হলো নৈতিক মূল্যবোধের উৎস।
- নৈতিক মূল্যবোধ হচ্ছে সেসব মনোভাব এবং আচরণ যা মানুষ সবসময় ভালো, কল্যাণকর ও অপরিহার্য বিবেচনা করে মানসিকভাবে তৃপ্তিবোধ করে।
- সত্যকে সত্য বলা, মিথ্যাকে মিথ্যা বলা, অন্যায়কে অন্যায় বলা, অন্যায় কাজ থেকে নিজেকে বিরত রাখা এবং অন্যকে বিরত রাখতে পরামর্শ প্রদান করা, দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো ও বিপদ থেকে উদ্ধারে তাকে সাহায্য করা, অসহায় ও ঋণগ্রস্ত মানুষকে ঋণমুক্ত হতে
- সাহায্য করাকে নৈতিক মূল্যবোধ বলা যেতে পারে। শিশু তার পরিবারেই সর্বপ্রথম নৈতিক মূল্যবোধের শিক্ষা পায়।
- সুতরাং ব্যাক্তি তার পরিবারেই সর্বপ্রথম নৈতিক মূল্যবোধের শিক্ষা পায়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

৬৯.
’’রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার লাভ করিবেন’’ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত রয়েছে? 
  1. অনুচ্ছেদ-২৮(১)
  2. অনুচ্ছেদ-২৮(২)
  3. অনুচ্ছেদ-২৮(৩)
  4. অনুচ্ছেদ- ২৮(৪)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-২৮(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-২৮(২)
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধান:
- অনুচ্ছেদ-২৮ :
ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য
- ২৮ (১):  কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারীপুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করিবেন না।
 - ২৮(২) রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার লাভ করিবেন।
 - ২৮(৩) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে জনসাধারণের কোন বিনোদন বা বিশ্রামের স্থানে প্রবেশের কিংবা কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে ভর্তির বিষয়ে কোন নাগরিককে কোনরূপ অক্ষমতা, বাধ্যবাধকতা, বাধা বা শর্তের অধীন করা যাইবে না।
 - ২৮ (৪) নারী বা শিশুদের অনুকূলে কিংবা নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান-প্রণয়ন হইতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৭০.
কীসের অভাবে ব্যাক্তি সামাজিক মূল্যবোধসম্পন্ন হতে পারে না? 
  1. সৌজন্যবোধ
  2. সহমর্মিতা 
  3. শৃঙ্খলা
  4. শালীনতা 
সঠিক উত্তর:
সহমর্মিতা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহমর্মিতা 
ব্যাখ্যা

মূল্যবোধের উপাদান: 
- মূল্যবোধ একটি অর্জিত বিষয়, যা কোন সমাজে দীর্ঘ সময় বসবাসের মধ্য দিয়ে একজন ব্যক্তির মাঝে গড়ে ওঠে।
- এক জন ব্যক্তির মূল্যবোধ কেমন হবে তা সমাজের পারিপার্শ্বিক অবস্থা বা সমাজের বিভিন্ন উপাদানের উপর নির্ভর করে।
- এই অবস্থাগুলোই হল মূল্যবোধের ভিত্তি বা উপাদান।
- নিম্নে এরকম কয়েকটি উপাদান আলোচনা করা হল-
ক. নীতিবোধ:
- নৈতিকতা মূল্যবোধের প্রধানতম বৈশিষ্ট্য যা নীতিবোধ থেকে সৃষ্টি হয়।
- যৌক্তিকতা সাধারণত নীতিবোধের উপর নির্ভরশীল।
- কেননা নৈতিক কাজ যুক্তি বিরুদ্ধ হতে পারে না। তাই যে যত বেশি নীতিবান হবে তার মূল্যবোধ তত পরিশীলিত হবে।

খ. শৃঙ্খলা:
- শৃঙ্খলা মূল্যবোধের অপরিহার্য উপাদান। শৃঙ্খলা অনুসরণ করলে উচ্চ মূল্যবোধের সৃষ্টি হয়।

গ. সহমর্মিতা:
- মূল্যবোধ ও সহমর্মিতা নিবিড়ভাবে জড়িত। সহমর্মিতা না থাকলে কেউ সামাজিক মূল্যবোধসম্পন্ন হতে পারে না।

ঘ. সৌজন্যবোধ:
- ব্যক্তির আচার-আচরণের মধ্য দিয়েই তার মূল্যবোধের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। সৌজন্যবোধ তার একটি অংশ। আচার-ব্যবহার সৌজন্য, শালীনতা মূল্যবোধ থেকে সৃষ্টি হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭১.
"Law is the passionless reason" এই বিখ্যাত উক্তিটি কার?
  1. ফ্রাঙ্কেনা 
  2. এরিস্টটল 
  3. সক্রেটিস 
  4. ম্যূর
সঠিক উত্তর:
এরিস্টটল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এরিস্টটল 
ব্যাখ্যা

আইন:
- সভ্য সমাজের মানদণ্ড হলো আইনের শাসন।
- আইন শব্দটি ফার্সি শব্দ।
- সাংবিধানিক আইন বা বিধি-বিধানে সরকার পরিচালিত হয়।
- যুক্তিসিদ্ধ আচ্ছার অভিব্যক্তিই আইন উক্তিটি করেন এরিস্টটল।
- আইন হচ্ছে নিম্নতমের প্রতি ঊর্ধ্বতন রাজনৈতিক কর্তৃত্বের আদেশ উক্তিটি করেন জন অস্টিন।
- আইনের সর্বজনগ্রাহ্য বা সর্বাপেক্ষা বিজ্ঞানসম্মত সংজ্ঞা প্রদান করেছেন জ উড্রো উইলসন।
- আইন হচ্ছে আবেগহীন যুক্ত উক্তিটি করেন- এরিস্টটল।
 - "Law is the passionless reason" উক্তিটি করেন এরিস্টটল।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক।

৭২.
তুন্দ্রা অঞ্চলের প্রধান উদ্ভিদ হিসেবে পরিচিত কোনটি?
  1. লাইকেন 
  2. পাইন 
  3. তেলাপাতা
  4. ফার্ন 
সঠিক উত্তর:
লাইকেন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাইকেন 
ব্যাখ্যা

বায়োম: 
- পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন জলবায়ুর সাথে জীবজগতের মিথস্ক্রিয়ায় ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশিয় একক বা বায়োম সৃষ্টি হয়। 
যেমন- তুন্দ্রা বায়োম, মরূ বায়োম, তৃণ ভূমি বায়োম ইত্যাদি । 
- বিভিন্ন বায়োমে বসবাসকারি জীবের বৈচিত্র্যকে বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য বলে। 
যেমন- বন, তৃণভূমি, জলাভূমি, হ্রদ, নদী, পাহাড়, সাগর, মরুভূমি প্রভৃতি বাস্তুতন্ত্রে গড়ে উঠে নিজস্ব বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ বিভিন্ন জীব সম্প্রদায়। 

তুন্দ্রা বায়োম: 

- সব থেকে উত্তরের স্থল বায়োম হলো তুন্দ্রা। 
- বাৎসরিক বৃষ্টিপাত কখনও ১৫ সে.মি. বা তারও কম, যা তুষার হিসেবে পড়ে। 
- দীর্ঘ শীতের সময় এখানে বরফ জমা থাকে। 
- ছয় থেকে আট সপ্তাহের গ্রীষ্মকাল দেখা যায় যখন উপরের কিছু বরফ গলে যায় এবং ছোট ছোট জলাভূমির সৃষ্টি হয়। 
- এখানে সূর্যের আলো তির্যকভাবে পড়ে। 
- তুন্দ্রা অঞ্চলের প্রধান উদ্ভিদ মস ও লাইকেন। 
- এখানে বৃক্ষ প্রজাতি কম। 
- উঁচু পর্বতশৃঙ্গে এরূপ অঞ্চল আছে, যাকে আলপাইন তুন্দ্ৰা বলে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৩.
অপটিক্যাল ফাইবারে দৃশ্যমান আলো ব্যবহার করা হয় না কেন?
  1. এটি রঙ পরিবর্তন করে
  2. এটি খুব শক্তিশালী
  3. এটি সরলরেখায় যায় না
  4. এটি শোষণ বেশি করে 
সঠিক উত্তর:
এটি শোষণ বেশি করে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি শোষণ বেশি করে 
ব্যাখ্যা

- অপটিক্যাল ফাইবারে দৃশ্যমান আলো ব্যবহার করা হয় না, কারণ দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য ফাইবারের জন্য উপযুক্ত নয় এবং অতিরিক্ত শোষণ (absorption) ও বিক্ষেপণের (scattering) কারণে এতে অনেক বেশি সংকেত ক্ষয় বা শোষণ (signal loss) হয়, যা দীর্ঘ দূরত্বে ডেটা প্রেরণে বাধা দেয়; তাই ইনফ্রারেড আলো ব্যবহৃত হয় যা কম শোষিত হয়, ফলে ডেটা অনেক দূরে পাঠানো যায়।

অপটিক্যাল ফাইবার: 

- বর্তমামে পৃথিবীর যোগাযোগের ক্ষেত্রে বৈদ্যুতিক তারের বদলে অত্যন্ত সরু কাচের তন্তুর ব্যবহার বেড়ে গেছে। 
- আগে যেখানে বৈদ্যুতিক সংকেত দিয়ে তথ্য পাঠানো হতো এখন সেখানে আলোর সংকেত দিয়ে তথ্য পাঠানো হয়। 
- মুক্ত অবস্থায় আলো সরলরেখায় যায় কিন্তু ফাইবারে আলো আটকা পড়ে যায় বলে সেটাকে ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে যেকোনো দিকে নেওয়া সম্ভব। 
- অপটিক্যাল ফাইবার অত্যন্ত সরু কাচের তন্তু। এর ভেতরের অংশকে বলে কোর (core) এবং বাইরের অংশকে বলে ক্ল্যাড (clad)। 
- দুটি একই কাচ দিয়ে তৈরি হলেও ভেতরের অংশের (কোর) প্রতিসরণাঙ্ক বাইরের অংশ থেকে বেশি। এ কারণে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে আলোকে কোরের মাঝে আটকে রেখে অনেক দূরে নিয়ে যাওয়া যায়। 
- অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে আলো শত শত কিলোমিটার দূরে নিয়ে যাওয়া যায় কারণ, এই কাচের তন্তুতে আলোর শোষণ হয় খুবই কম। 
- দৃশ্যমান আলো হলে শোষণ বেশি হয় বলে ফাইবারে লম্বা তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের ইনফ্রারেড বা অবলোহিত রশ্মি ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭৪.
'স্থির আয়তনে কোনো গ্যাসের চাপ তার তাপমাত্রার সাথে সমানুপাতিক' -এটি দ্বারা নিচের কোন সূত্রটিকে বুঝায়? 
  1. বয়েলের সূত্র
  2. চার্লসের সূত্র
  3. গে-লুস্যাকের সূত্র
  4. আর্গনের সূত্র
সঠিক উত্তর:
গে-লুস্যাকের সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গে-লুস্যাকের সূত্র
ব্যাখ্যা

বয়েলের সূত্র: 
- স্থির তাপমাত্রায় কোনো নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের আয়তন ঐ গ্যাসের উপর প্রযুক্ত চাপের ব্যস্তানুপাতিক। 
গাণিতিকভাবে, PV = K. 

চার্লসের সূত্র: 
- স্থির চাপে কোনো নির্দিষ্ট ভরের যেকোনো গ্যাসের আয়তন প্রতি ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি বা হ্রাসে 0°C তাপমাত্রায় তার আয়তনের 1/273 ভাগ যথাক্রমে বৃদ্ধি বা হ্রাস পায়। 
গাণিতিক ভাষায়, Vt = V0(273 + t)/273; 
- এই সূত্রকে অন্যভাবেও প্রকাশ করা যায়, “স্থির চাপে নির্দিষ্ট ভরের যে কোনো গ্যাসের আয়তন তার পরম তাপমাত্রার সমানুপাতিক”। 
গাণিতিকভাবে, V ∝ T. 

গে-লুস্যাকের চাপের সূত্র: 
- স্থির আয়তনে নির্দিষ্ট ভরের কোনো গ্যাসের চাপ তার পরম তাপমাত্রার সাথে সমানুপাতিক। 
গাণিতিকভাবে, P ∝ T. 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী ও নাগ)।

৭৫.
স্নেহ বা চর্বিজাতীয় খাদ্য মূলত কী কাজ করে? 
  1. মল নিষ্কাশনে সহায়তা করে 
  2. দেহে শক্তি ও তাপ উৎপাদন করে 
  3. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে 
  4. কোষের কার্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে 
সঠিক উত্তর:
দেহে শক্তি ও তাপ উৎপাদন করে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেহে শক্তি ও তাপ উৎপাদন করে 
ব্যাখ্যা

খাদ্য ও পুষ্টি উপাদান: 
- খাদ্য অনেকগুলো রাসায়নিক বস্তুর সমন্বয়ে গঠিত, এই রাসায়নিক বস্তুগুলোকে খাদ্য উপাদান বলে। 
- এই উপাদানগুলোর মধ্যে পুষ্টি থাকে, তাই খাদ্য উপাদানকে পুষ্টি উপাদানও বলা হয়। 
- উপাদান অনুযায়ী খাদ্যবস্তুকে প্রধাণত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা- 
আমিষ: আমিষ দেহের বৃদ্ধিসাধন ও ক্ষয়পূরণ করে থাকে। 
শর্করা: শর্করা দেহে শক্তি উৎপাদনে সহায়তা করে থাকে। 
• স্নেহ: স্নেহ বা চর্বিজাতীয় খাদ্য দেহে তাপ ও শক্তি উৎপাদন করে থাকে। 

- এছাড়া আরোও তিন ধরনের উপাদান দেহের জন্য প্রয়োজন। 
যেমন- 
ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ: ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ দেহে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায় এবং বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ায় উদ্দীপনা যোগায়। 
খনিজ লবণ: খনিজ লবণ দেহের বিভিন্ন জৈবিক কাজে অংশ নেয়। 
• পানি: দেহে পানি ও তাপের সমতা রক্ষা করে, এছাড়া কোষের কার্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে এবং কোষ ও তার অঙ্গাণুগুলোকে ধারণ করে। 

- খাদ্য উপাদানের বাইরেও একটি উপাদান রয়েছে, যেটি কোনো ধরনের পুষ্টি না জোগালেও একটি গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য উপাদান হিসেবে বিবেচিত। 
• রাফেজ: রাফেজ বা খাদ্য আঁশ (Fibre) পানি শোষণ করে এবং মলের পরিমাণ বৃদ্ধি করে ও বৃহদন্ত্র থেকে মল নিষ্কাশনে সাহায্য করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭৬.
একই মৌলের আইসোটোপগুলোর মধ্যে কোনটি ভিন্ন হয়? 
  1. প্রোটন সংখ্যা 
  2. পারমাণবিক সংখ্যা 
  3. ইলেকট্রন সংখ্যা
  4. নিউট্রন সংখ্যা 
সঠিক উত্তর:
নিউট্রন সংখ্যা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউট্রন সংখ্যা 
ব্যাখ্যা

- আইসোটোপ হল একই মৌলের পরমাণু যাদের প্রোটন সংখ্যা বা পারমাণবিক সংখ্যা একই, কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন। নিউট্রন সংখ্যার এই ভিন্নতার কারণেই আইসোটোপগুলোর ভর সংখ্যা ভিন্ন হয়। 

আইসোটোপ (Isotope): 

- ডালটনের পারমাণবিক মতবাদ অনুযায়ী একটি মৌলের সব পরমাণু সমান ভর বিশিষ্ট।
- কিন্তু পরবর্তীকালে দেখা যায় যে, একই মৌলের বিভিন্ন পরমাণুর ভিন্ন ভিন্ন ভর হতে পারে। তবে, এক্ষেত্রে প্রোটন বা ইলেকট্রনের সংখ্যা সমান থাকে, কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন হয়। 
যেমন- হাইড্রোজেনের সাতটি আইসোটোপ আছে যাদের ভর যথাক্রমে 1, 2, 3, 4, 5, 6 ও 7 । 
- এই সাতটি আইসোটোপের মধ্যে হাইড্রোজেন/প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম ও ট্রিটিয়াম এই স্থায়ী তিনটি আইসোটোপ প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। 
- যে সব পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান, কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন সেসব পরমাণুকে পরস্পরের আইসোটোপ বলা হয়। 
- আইসোটোপসমূহের মধ্যে রাসায়নিক ধর্মের কোন পার্থক্য দেখা যায় না।
- হাইড্রোজেনের স্থায়ী আইসোটোপ তিনটিতেই হাইড্রোজেনের পারমাণবিক সংখ্যা 1, কিন্তু প্রথমটির ভর সংখ্যা 1, দ্বিতীয়টির ভর সংখ্যা 2 এবং তৃতীয়টির ভর সংখ্যা 3 । 
- প্রথম আইসোটোপে কোন নিউট্রন নেই, দ্বিতীয়টিতে 1 টি নিউট্রন এবং তৃতীয়টিতে ২ টি নিউট্রন আছে। 
- প্রকৃতিতে সকল আইসোটোপের পরিমাণ সমান থাকে না। 
যেমন- এক লক্ষ হাইড্রোজেন পরমাণুর মধ্যে হাইড্রোজেনের পরিমাণ 99985 টি, ডিউটেরিয়াম পরমাণুর সংখ্যা 15 টি এবং ট্রিটিয়ামের সংখ্যা অতি নগণ্য। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৭.
মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ ও মহাজাগতিক পশ্চাৎপট বিকিরণ কোন বৈজ্ঞানিক শাখার অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক্রিপ্টোলজি 
  2. কসমোলজি
  3. জ্যোতির্বিজ্ঞান
  4. অ্যাস্ট্রোফিজিক্স
সঠিক উত্তর:
কসমোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কসমোলজি
ব্যাখ্যা

- কসমোলজি মহাবিশ্বের উৎপত্তি, বিকাশ, ইতিহাস, ভবিষ্যৎ এবং বৃহৎ আকারের গঠন ও বিবর্তন নিয়ে অধ্যয়ন করে। মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ (expansion) এবং মহাজাগতিক পটভূমি বিকিরণের মতো বিষয়গুলো কসমোলজির মূল আলোচ্য বিষয়।

মহাবিশ্বের সৃষ্টি রহস্য: 

- মহাবিশ্ব কেন সৃষ্টি হলো, কিভাবে সৃষ্টি হলো, কেনইবা এটি টিকে আছে এ সম্পর্কে আমাদের কোনো স্পষ্ট ধারণা নেই। তবে এটি কিভাবে সৃষ্টি হয়েছে এর বিবর্তনের ধারা সম্পর্কে অনেক কিছুই জানা হয়েছে। 
- রাতের আকাশে অসংখ্য তারা বা নক্ষত্র দেখতে পাওয়া যায়, এমন অসংখ্য নক্ষত্র নিয়ে গঠিত হয়েছে একটি গ্যালাক্সি। 
- সপ্তদশ শতাব্দীতে টেলিস্কোপের ব্যবহার থেকে জানা যায়, সূর্য ছায়াপথ গ্যালাক্সির (Milky way) অন্যান্য নক্ষত্রের মতোই একটি সাধারণ নক্ষত্র, তখন মনে করা হতো, সূর্য হচ্ছে গ্যালাক্সির কেন্দ্রবিন্দু। কিন্তু বিংশ শতাব্দীতে এসে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানতে পারেন, সূর্যের অবস্থান গ্যালাক্সির কেন্দ্র থেকে অনেক অনেক দূরে। এরূপ কোটি কোটি গ্যালাক্সি নিয়ে গঠিত হয়েছে এই মহাবিশ্ব। 
- ছায়াপথ গ্যালাক্সিতে নক্ষত্রের সংখ্যা প্রায় 1011 । মহাবিশ্বে এরকম প্রায় 1011 সংখ্যক গ্যালাক্সি রয়েছে আর প্রত্যেকটি গ্যালাক্সিতে রয়েছে গ্যালাক্সির প্রায় সমসংখ্যক নক্ষত্র। 

- পৃথিবী মহাবিশ্বের তুলনায় অতি অতি ক্ষুদ্র। পৃথিবী থেকে মহাকাশে নক্ষত্রদের দেখতে কাছাকাছি মনে হলেও এদের পরস্পরের মধ্যে রয়েছে অনেক আলোক বর্ষের ব্যবধান। 
- সভ্যতার সেই শুরু হতেই বিজ্ঞানীগণ এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি রহস্য এবং পরিণতি সম্পর্কে বিভিন্ন ধারণা পোষণ করে আসছেন। এসব ধারণা এবং বৈজ্ঞানিক প্রচেষ্টার ফল হিসেবে বিজ্ঞানের একটি শাখা সৃষ্টি হয়েছে, যা কসমোলজি (Cosmology) বা 'মহাজাগতিক বিজ্ঞান' নামে পরিচিত। 
- বিংশ শতাব্দীতে দুই জন বিখ্যাত বৈজ্ঞানিকের দ্বারা দুটি পরীক্ষা সংঘটিত হয়, যেগুলোর মাধ্যমে মহাবিশ্ব সম্পর্কে একটি সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক ধারণা প্রায় সকল পদার্থ বিজ্ঞানীদের মাঝে গৃহীত হয়েছে।
- পরীক্ষা দুটি হলো- ১। মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ এবং ২। মহাজাগতিক পশ্চাৎপট বিকিরণ। 

অন্যদিকে, 
- ক্রিপ্টোলজি (Cryptology): এটি গোপন তথ্য বা বার্তা সংরক্ষণ এবং নিরাপদ প্রেরণের বিজ্ঞান।
- জ্যোতির্বিজ্ঞান (Astronomy): এটি মহাকাশের বস্তু (গ্রহ, নক্ষত্র, ছায়াপথ) এবং তাদের ঘটনা নিয়ে অধ্যয়ন করে, তবে কসমোলজি মহাবিশ্বের সামগ্রিক প্রেক্ষাপট নিয়ে কাজ করে। 
- অ্যাস্ট্রোফিজিক্স (Astrophysics): এটি মহাজাগতিক বস্তু ও ঘটনার ভৌত প্রক্রিয়াগুলো ব্যাখ্যা করে, যা কসমোলজির একটি অংশ হিসেবে কাজ করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৮.
অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে গেলে কোন অবস্থা দেখা দেয়? 
  1. থ্রম্বোসাইটোসিস
  2. লিউকোসাইটোসিস
  3. পারপুরা 
  4. পলিসাইথেমিয়া
সঠিক উত্তর:
পারপুরা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারপুরা 
ব্যাখ্যা

- অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে গেলে যে অস্বাভাবিক অবস্থা দেখা দেয়, তা হলো থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া (Thrombocytopenia), যার একটি উদাহরণ হলো রক্তক্ষরণজনিত রোগ পারপুরা (Purpura)

- মানুষের রক্ত লোহিত রক্ত কণিকার উপস্থিতির কারণে লাল রঙের হয়। 
- রক্তের বিভিন্ন উপাদানের ভারসাম্য বিঘ্নিত হলে রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা তৈরি হয়। 
যেমন-
- রক্তের বিভিন্ন অস্বাভাবিক অবস্থা নিম্নে দেওয়া হলো- 
১। অ্যানিমিয়া: 
- লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা বা হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় কমে গেলে অ্যানিমিয়া হয়। 

২। লিউকেমিয়া: 
- শ্বেত রক্ত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক হারে বেড়ে গেলে, একে লিউকেমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলা হয়। 

৩। পলিসাইথেমিয়া: 
- লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বৃদ্ধি পেলে একে পলিসাইথেমিয়া বলে। 

৪। লিউকোসাইটোসিস: 
- শ্বেত রক্ত কণিকার সংখ্যা ২০,০০০-৩০,০০০ হলে একে লিউকোসাইটোসিস বলা হয়। নিউমোনিয়া, হুপিং কাশি ইত্যাদি রোগে এটি হতে পারে। 

৫। পারপুরা: 
- অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে গেলে পারপুরা হয়। ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হলে এ অবস্থা দেখা দিতে পারে। 

৬। থ্রম্বোসাইটোসিস: 
- অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে গেলে একে থ্রম্বোসাইটোসিস বলা হয়। 
- রক্তনালির অভ্যন্তরে রক্ত জমাট বাধাকে থ্রম্বোসিস বলা হয়। 
- হৃৎপিণ্ডের করোনারি রক্ত নালিতে রক্ত জমাট বাধলে তাকে করোনারি থ্রম্বোসিস এবং মস্তিষ্কের রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস বলে। 

৭। থ্যালাসেমিয়া: 
- থ্যালাসেমিয়া হলো বংশগত রক্তের রোগ, যা সাধারণত শিশু অবস্থায় শনাক্ত হয়। এ রোগে হিমোগ্লোবিনের গঠনগত ত্রুটির কারণে লোহিত রক্ত কণিকা ভেঙে যায়, ফলে রক্তশূন্যতা সৃষ্টি হয়। 
- এই রোগীকে সাধারণত প্রতি ৩ মাস অন্তর রক্ত সঞ্চালন করতে হয়, তবে বয়স বাড়ার সাথে সাথে রক্তশূন্যতার হার কমতে পারে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭৯.
কোনো দ্রবণের pH মান 7-এর বেশি হলে দ্রবণটি কী ধরনের হবে? 
  1. ক্ষারীয়
  2. এসিডীয় 
  3. নিরপেক্ষ
  4. অম্লীয়
সঠিক উত্তর:
ক্ষারীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষারীয়
ব্যাখ্যা

pH স্কেল: 
- কোনো এসিড দ্রবণের শক্তি দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর গাঢ়ত্বের উপর নির্ভর করে। একইভাবে কোনো ক্ষার দ্রবণের শক্তি দ্রবণের হাইড্রোক্সিল আয়ন (OH-) এর গাঢ়ত্বের উপর নির্ভর করে। 
- এসিড দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়নের গাঢ়ত্ব যদি বেশি হয়, তবে তা সবল এসিড, আর যদি কম হয় তবে তা দুর্বল এসিড। 
- ক্ষারের ক্ষেত্রে একই বিষয় প্রযোজ্য, তবে সেটি হাইড্রোক্সিল আয়নের ঘনমাত্রার উপর নির্ভর করে। 
- কিন্তু এসিড যদি খুবই লঘু হয় অথবা ক্ষার দ্রবণটি যদি খুবই লঘু হয়, তবে সেক্ষেত্রে H+ আয়ন অথবা OH- আয়নের ঘনমাত্রা 10 এর ঋণাত্মক ঘাত দ্বারা প্রকাশ করতে হয়। 
- বিষয়টিকে আরো সহজ করার জন্য বিজ্ঞানী সোরেনসেখ দ্রবণের H+ আয়নের ঘনমাত্রা pH দ্বারা প্রকাশ করার পদ্ধতি প্রচলন করেন। 
- pH এর অর্থ হলো Potenz of hydrogen; potenz জার্মান শব্দ, এর অর্থ ক্ষমতা। 
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদম মানকে ঐ দ্রবণের pH বলে। 
অর্থাৎ, pH = - log[H+

- pH মিটার দ্বারা দ্রবণের pH মানকে মাপা হয়, pH মিটারে pH স্কেল থাকে। 
- pH স্কেলে দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। 
- কোনো দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা কম হয় তবে দ্রবণটি হবে এসিড, 7 অপেক্ষা বেশি হলে দ্রবণটি ক্ষারীয় এবং 7 এর সমান হলে দ্রবণটি হবে প্রশমন বা নিরপেক্ষ। 
- দ্রবণের pH মান 7 অপেক্ষা কম হলে ঐ দ্রবণে নীল লিটমাস লাল বর্ণ ধারণ করে। আর যদি দ্রবণের pH মান 7 অপেক্ষা বেশি হয় তবে ঐ দ্রবণে লাল লিটমাস নীলবর্ণে পরিবর্তিত হয়। এভাবে লিটমাস কাগজ অথবা লিটমাস দ্রবণ ব্যবহার করেও ঐ দ্রবণের pH মান 7 এর উপরে না নীচে তা নির্ধারণ করা যায়। 
- তবে দ্রবণের সঠিক pH মান নির্ণয়ের ক্ষেত্রে pH মিটারের সাহায্য নেয়া হয়। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮০.
এক্স-রে কোন বেগে গমন করে?
  1. 3×104 m/s
  2. 3×106 m/s
  3. 3×108 m/s
  4. 3×109 m/s
সঠিক উত্তর:
3×108 m/s
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3×108 m/s
ব্যাখ্যা

এক্স-রে (X-rays): 
- জার্মান বিজ্ঞানী প্রফেসর উইলিয়াম রঞ্জন ১৮৯৫ সালে ক্যাথোড রশ্মি থেকে এক্স-রে (X-rays) আবিষ্কার করেন।
- প্রফেসর রঞ্জন একে "X-rays" নামে অভিহিত করেন, পরবর্তীতে একে 'রঞ্জন রশ্মি' নামেও ডাকা হয়। 
- উচ্চগতির ইলেকট্রন কোনো ধাতব প্রতিবন্ধকের সাথে সংঘর্ষে বাধাপ্রাপ্ত হলে তার গতিশক্তি এক্স-রেতে রূপান্তরিত হয়। 

এক্সরের ধর্ম: 
- এক্সরে সরল পথে গমন করে। 
- এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি (সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এক্সরের ক্ষেত্রে এমন ঘটে না)। 
- এক্সরে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ। 
- এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট। 
- এক্সরে আলোর সমবেগে (3×108 ms-1) বেগে গমন করে। 
- এক্সরেতে আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটে। 
- এক্স রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শণ করে।
- এক্সরে ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
- এক্সরে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না (এক্সরের কোন চার্জ নাই)।
- এক্স রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে।
- এক্সরে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে।
- এক্সরের ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক।
- এক্সরে জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮১.
নিচের কোনটি গ্রিন হাউস ইফেক্টের কারণে বৃদ্ধি পায়?
  1. মহাশূন্যের তাপমাত্রা
  2. সূর্যের শক্তি 
  3. মহাশূন্যে CO2-এর পরিমাণ
  4. পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের গড় তাপমাত্রা
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের গড় তাপমাত্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের গড় তাপমাত্রা
ব্যাখ্যা

- গ্রিন হাউস ইফেক্টের কারণে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়

গ্রিন হাউস ইফেক্ট: 
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধির মাধ্যমে পরিবর্তনশীল আবহাওয়ার প্রক্রিয়াকে গ্রিন হাউস ইফেক্ট বলে। 
- বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত যেসব গ্যাসীয় CO2, CFC, N2O2, CO, O3 ইত্যাদি পদার্থের আবরণ পৃথিবীকে আচ্ছাদন রূপে ঢেকে রেখে পৃথিবী পৃষ্ঠ হতে বিকিরিত তাপকে মহাশূন্যে ফিরে যেতে বাধা দেয় এবং বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত রাখে তাদেরকে গ্রিন হাউজ গ্যাস বলে। 
- পরিবেশ দূষণ এবং গাছপালা কেটে ফেলার ফলে গ্রিন হাউস গ্যাসের পরিমাণ বাড়ছে, ফলে সূর্য থেকে তাপ বিকিরিত হয়ে পৃথিবীতে ঢোকার পর যতটা আবার পৃথিবীর বাইরে বিকিরিত হওয়া উচিত তা হচ্ছে না, ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। 
- গ্রিন-হাউজ ইফেক্টের ফলে তাপ আটকে পড়ে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৮২.
নিচের কোনটি একটি মৌলিক উপাদানে গঠিত খনিজ?
  1. সোনা
  2. লবণ
  3. চুনাপাথর 
  4. জিপসাম
সঠিক উত্তর:
সোনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনা
ব্যাখ্যা

- একটি মৌলিক উপাদানে গঠিত খনিজ হচ্ছে সোনা (Au)। 

খনিজ সম্পদ: 

- মানুষ ভূগর্ভ ও ভূপৃষ্ঠ হতে যেসব বস্তু সংগ্রহ করে নিজের চাহিদা পূরণ করে তাকে খনিজ সম্পদ বলে। 
- কোনো কোনো খনিজ কেবল একটি মৌলিক উপাদানে গঠিত। 
যেমন- সোনা, রূপা, হীরা ইত্যাদি। 
- কিন্তু বেশিরভাগ খনিজ দুই বা তার বেশি মৌলিক উপাদানের রাসায়নিক যৌগের ফলে বা সংমিশ্রণে গঠিত হয়। 
- সাধারণত দুইভাবে খনিজের শ্রেণিবিভাগ করা যায়। 
যেমন- 
১। উৎপত্তি অনুসারে শ্রেণিবিভাগ: 
- কোন বস্তু থেকে খনিজের উদ্ভব ঘটেছে তার উপর ভিত্তি করে পৃথিবীর যাবতীয় খনিজ দ্রব্যকে দুইটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
(ক) জৈব খনিজ: কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস প্রভৃতি। 
(খ) অজৈব খনিজ: লোহা, নিকেল, সীসা, ম্যাঙ্গানিজ, অভ্র, জিপসাম প্রভৃতি। 

২। প্রকৃতি বা উপাদান অনুসারে শ্রেণিবিভাগ: 
- প্রকৃতি বা উপাদান অনুসারে খনিজ দ্রব্যগুলোকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- (ক) ধাতব খনিজ, (খ) অধাতব খনিজ এবং (গ) জ্বালানি খনিজ। 

অন্যদিকে, 
- চুনাপাথর একটি যৌগিক খনিজ, প্রধানত ক্যালসিয়াম কার্বনেট (CaCO3) দ্বারা গঠিত।
- লবণ মূলত সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl) নামক যৌগ দ্বারা গঠিত খনিজ।
- জিপসাম ক্যালসিয়াম সালফেট ডাইহাইড্রেট (CaSO4.2H2O) নামক যৌগ দ্বারা গঠিত একটি সালফেট খনিজ। 

উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী)।

৮৩.
বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উপাদান কোনটি? 
  1. নাইট্রোজেন 
  2. অক্সিজেন 
  3. কার্বন ডাই-অক্সাইড 
  4. জলীয়বাষ্প
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন 
ব্যাখ্যা

- বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উপাদান হচ্ছে অক্সিজেন। 

বায়ুমণ্ডলের উপাদান: 

- বায়ুমণ্ডল বিভিন্ন প্রকার গ্যাসীয় পদার্থ ও জলীয় বাষ্পের সংমিশ্রণে গঠিত। 
- বায়ুমণ্ডলের প্রধান দুটি উপাদান হলো নাইট্রোজেন (৭৮.০২%) এবং অক্সিজেন (২০.৭১%), যা মোট উপাদানগুলোর প্রায় ৯৯%। অবশিষ্ট ১% অন্যান্য উপাদান। 
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডলের উপাদানগুলো প্রায় একই রকম থাকে যা সমমণ্ডল (Homosphere) নামে পরিচিত। 
- আর ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন এই ৯০ কিলোমিটারের ঊর্ধ্বে বায়ুমণ্ডলের যে অংশ রয়েছে সেখানে বিভিন্ন গ্যাসের অনুপাত সমান থাকে না বলে তাকে বিষমমণ্ডল (Heterosphere) বলে। 
 
বায়ুমণ্ডলের উপাদান ও এর শতকরা সংযুক্তি: 
১. নাইট্রোজেন (N2) ⇒ ৭৮.০২%, 
২. অক্সিজেন (O2) ⇒ ২০.৭১%, 
৩. আর্গন (Ar) ⇒ o.৮০%, 
৪. কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) ⇒ ০.০৩%, 
৫. ওজোন (O3) ⇒ ০.০০০১%, 
৬. অন্যান্য গ্যাস ⇒ ০.০১৯৯%, 
৭. জলীয়বাষ্প ⇒ ০.৪১% এবং 
৮. ধূলিকণা ও কনিক্স ⇒ ০.০১%। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৪.
ট্রানজিস্টরের যে প্রান্তের চওড়া বেশি এবং অপদ্রব্যের অনুপাত বেসের সমান তাকে কী বলা হয়?
  1. কালেক্টর (Collector)
  2. বেস (Base)
  3. এমিটার (Emitter)
  4. ডায়োড (Diode)
সঠিক উত্তর:
কালেক্টর (Collector)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালেক্টর (Collector)
ব্যাখ্যা

ট্রানজিস্টর (Transistor): 
- ট্রানজিস্টর হলো এমন একটি ব্যবস্থা যাতে দুটি চওড়া p-টাইপ কেলাসের মধ্যে একটি সরু n-টাইপ কেলাস যুক্ত থাকে অথবা দুটি চওড়া n-টাইপ কেলাসের মধ্যে একটি সরু p-টাইপ কেলাস যুক্ত থাকে। 
- প্রকৃতপক্ষে একটি অর্ধপরিবাহী খণ্ডের দুই প্রান্তে চওড়া করে তিনযোজী পরমাণু (অপদ্রব্য) ডোপিং প্রক্রিয়ায় যুক্ত করে p-টাইপ কেলাস এবং এদের মধ্যে সরু করে পাঁচযোজী পরমাণু (অপদ্রব্য) ডোপিং প্রক্রিয়ায় যুক্ত করে n-টাইপ কেলাস গঠনের মাধ্যমে p-n-p ট্রানজিস্টর তৈরি করা হয়। 
- অপরদিকে একটি অর্ধপরিবাহী খণ্ডের দুই প্রান্তে চওড়া করে পাঁচযোজী পরমাণু (অপদ্রব্য) ডোপিং প্রক্রিয়ায় যুক্ত করে n-টাইপ কেলাস এবং এদের মধ্যে সরু করে তিনযোজী পরমাণু প্রক্রিয়ায় যুক্ত করে n-টাইপ কেলাস গঠনের মাধ্যমে n-p-n ট্রানজিস্টর তৈরি করা হয়। 
- তাই একটি ট্রানজিস্টরের দুটি ডায়োডকে পিঠাপিঠি (Back to back) যুক্ত বলে ধরা হয়। 
- একটি ট্রানজিস্টরের মধ্যকার সরু অংশকে ট্রানজিস্টরের বেস (Base) বা ভূমি বলে। 
- ট্রানজিস্টরের যে অংশের চওড়া অপর প্রান্তের চেয়ে তুলনামূলক কম এবং অপদ্রব্যের অনুপাত একটু বেশি তাকে এমিটার (Emiter) বা নিঃসারক বলে।
ট্রানজিস্টরের যে প্রান্তের চওড়া একটু বেশি এবং অপদ্রব্যের অনুপাত বেসের সমান তাকে কালেক্টর (Collector) বা সংগ্রাহক বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৫.
মানুষের দেহের ওজনের প্রায় কত শতাংশ পানি?
  1. ৩০–৪৫%
  2. ৫০–৫৫%
  3. ৬০–৭৫%
  4. ৮০–৯০%
সঠিক উত্তর:
৬০–৭৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০–৭৫%
ব্যাখ্যা

পানি: 
- পানি খাদ্যের একটি প্রধান উপাদান। 
- দেহের গঠন ও অভ্যন্তরীণ কাজ পানি ছাড়া চলতে পারে না। 
- মানুষের দৈহিক ওজনের ৬০-৭৫% হচ্ছে পানি। 
- মানুষের রক্ত, মাংস, স্নায়ু, দাঁত, হাড় ইত্যাদি প্রতিটি অঙ্গ গঠনের জন্য পানির প্রয়োজন। 
- পানি জীবদেহে দ্রাবকের কাজ করে, খাদ্য উপাদানের পরিপাক ও পরিশোষণে সাহায্য করে। 
- বিপাকের ফলে দেহে উৎপন্ন ইউরিয়া, অ্যামোনিয়া ইত্যাদি শরীরের জন্য ক্ষতিকর এবং বিষাক্ত পদার্থগুলোকে পানি মূত্র ও ঘাম হিসেবে শরীর থেকে বের করে দেয়। 
- একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক ২-৩ লিটার পানি পান করা উচিত, কারণ প্রায় ঐ পরিমাণ পানি প্রত্যেক দিনই শরীর থেকে বের হয়ে যায়। 
- পানি দেহে অম্ল ও ক্ষারের সমতা নষ্ট করে এসিডোসিস রোগের সৃষ্টি হয়। 
- শরীরে পানি ১০% কমে গেলে সংজ্ঞা লোপ পায়, এমনকি মৃত্যুও ঘটতে পারে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৮৬.
ফটোগ্রাফিক ফিল্মে কোন যৌগ আলোর সংস্পর্শে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় চিত্র তৈরি করে? 
  1. সিলভার নাইট্রেট
  2. সিলভার ব্রোমাইড
  3. সোডিয়াম ক্লোরাইড
  4. হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড
সঠিক উত্তর:
সিলভার ব্রোমাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলভার ব্রোমাইড
ব্যাখ্যা

আলোক শক্তির রূপান্তর: 
আলোক শক্তি → রাসায়নিক শক্তি: 
- ফটোগ্রাফিক ফিল্মের উপর আলো পড়লে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে চিত্র তৈরি হয়। 
- ফটোগ্রাফিক ফিল্মে সিলভার ব্রোমাইড (AgBr) বা সিলভার ক্লোরাইড (AgCl) থাকে, যা আলোর সংস্পর্শে এলে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে; ফলে আলোক শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

আলোক শক্তি → তাপ শক্তি: 
- হারিকেনের চিমনির কাচ স্পর্শ করলে গরম লাগে, কারণ আলোক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

আলোক শক্তি → যান্ত্রিক শক্তি: 
- উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে খাদ্য উৎপন্ন হলে পরে তা গ্রহণকারী প্রাণীর দেহে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

৮৭.
কোনটি Agentic AI-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য?
  1. র‍্যান্ডম সংখ্যা তৈরি
  2. উদ্দেশ্যমূলক আচরণ
  3. শুধু তথ্য সংরক্ষণ
  4. মৌলিক গাণিতিক কার্যক্রম
সঠিক উত্তর:
উদ্দেশ্যমূলক আচরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উদ্দেশ্যমূলক আচরণ
ব্যাখ্যা

• Agentic AI-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো উদ্দেশ্যমূলক আচরণ। এটি এমন ধরনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যা শুধু তথ্য সংরক্ষণ বা গাণিতিক হিসাব করার চেয়ে বেশি করে কাজ করে। Agentic AI নিজস্ব লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য অনুযায়ী পরিকল্পনা করতে পারে, সিদ্ধান্ত নিতে পারে এবং পরিবেশের সাথে ইন্টার‌্যাক্ট করে সেই লক্ষ্য অর্জনের জন্য কার্যক্রম সম্পাদন করে। উদাহরণস্বরূপ, একটি রোবট যদি নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন করতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পদক্ষেপ নেয় এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী তার কার্যপদ্ধতি সমন্বয় করে, তখন সেটি Agentic AI-এর একটি প্রমাণ। তাই এর প্রধান বৈশিষ্ট্য উদ্দেশ্যমূলক আচরণ, যা এটিকে স্বতন্ত্রভাবে সক্রিয় এবং লক্ষ্যনির্ভর করে তোলে।

- সঠিক উত্তর: খ) উদ্দেশ্যমূলক আচরণ।
 
• Agentic AI:
- Agentic AI হলো সেই ধরনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যা নিজস্ব উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে পারে।
- এটি শুধুমাত্র তথ্য সংরক্ষণ বা র‍্যান্ডম সংখ্যা তৈরি করার মতো সাধারণ কাজ করে না।
- Agentic AI বিভিন্ন পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে এবং তার উদ্দেশ্য পূরণের জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে।
- এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি উদ্দেশ্যমূলক আচরণ প্রদর্শন করে, অর্থাৎ নিজের লক্ষ্য অনুযায়ী কাজ করে।
- মৌলিক গাণিতিক কার্যক্রম বা তথ্য সংরক্ষণ Agentic AI-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য নয়, বরং এটি শুধুমাত্র কার্যকরী সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য ব্যবহার করে।

• Agentic AI-এর উদাহরণ:  
- স্বয়ংক্রিয় গাড়ি (Autonomous Cars):
- এগুলো নিজস্ব সেন্সর এবং AI ব্যবহার করে রাস্তার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে।  
- গাড়ি নিজের লক্ষ্য অনুযায়ী পথ নির্বাচন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে।  

- ডেলিভারি রোবট বা ড্রোন:  
- এগুলো নিজের পরিবেশ বুঝে এবং অর্ডার গন্তব্য পর্যন্ত পৌঁছায়।  
- প্রয়োজন হলে বাধা এড়ানোর মতো সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম।  

- ভার্চুয়াল পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট (যেমন AI পছন্দ অনুযায়ী কাজ করে):
- ব্যবহারকারীর নির্দেশ ও পূর্ববর্তী আচরণ বিশ্লেষণ করে পরিকল্পনা করে।  
- নিজের “উদ্দেশ্য” অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে পারে, যেমন কোন কাজ আগে করবে বা কীভাবে সাজাবে।  

- AI-চালিত কৌশলগত গেম প্লেয়ার: 
- যেমন চেস বা স্ট্র্যাটেজি গেমে AI বিভিন্ন অবস্থার মূল্যায়ন করে সর্বোত্তম পদক্ষেপ নেয়।  
- এর লক্ষ্য হলো জিততে বা সর্বোত্তম ফলাফল অর্জন করতে নিজের সিদ্ধান্ত কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা।  

সূত্র: IBM. [link]

৮৮.
CAPTCHA-এর একটি নতুন সংস্করণ reCAPTCHA, এটি কোন কোম্পানি তৈরি করেছে?
  1. Google 
  2. Facebook
  3. IBM
  4. Microsoft
সঠিক উত্তর:
Google 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Google 
ব্যাখ্যা

• reCAPTCHA হলো CAPTCHA প্রযুক্তির একটি উন্নত সংস্করণ, যা মূলত Google কোম্পানি তৈরি করেছে। এটি প্রথমে Luise von Ahn ও তাঁর গবেষক দল তৈরি করলেও পরে Google এটি অধিগ্রহণ করে এবং উন্নত করে। reCAPTCHA ব্যবহারকারীর মানুষ নাকি বট- তা যাচাই করার জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করে, যেমন ছবি শনাক্তকরণ, টেক্সট বিশ্লেষণ বা ব্যাকগ্রাউন্ড আচরণ পর্যবেক্ষণ। এর মাধ্যমে ওয়েবসাইটগুলো স্প্যাম, ভুয়া রেজিস্ট্রেশন ও স্বয়ংক্রিয় আক্রমণ থেকে সুরক্ষিত থাকে। বর্তমানে Google-এর বিভিন্ন সেবা ও অসংখ্য ওয়েবসাইটে reCAPTCHA ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) Google.
 
• CAPTCHA:
- CAPTCHA এর পূর্ণরূপ Completely Automated Public Turing test to tell Computers and Humans Apart।
- CAPTCHA হচ্ছে ইন্টারনেটে মানব ব্যবহারকারী এবং স্বয়ংক্রিয় বটগুলির মধ্যে পার্থক্য করতে ব্যবহৃত একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে বটগুলিকে ক্ষতিকারক বা বিঘ্নিত হতে পারে এমন কাজগুলি করা থেকে বিরত রাখতে, যেমন জাল অ্যাকাউন্ট তৈরি করা, স্প্যামিং ফর্ম বা সাইবার আক্রমণ শুরু করা।
- ক্যাপচা ব্যবহারকারীদের এমন কাজগুলি উপস্থাপন করে যা মানুষের পক্ষে সমাধান করা তুলনামূলকভাবে সহজ কিন্তু স্বয়ংক্রিয় স্ক্রিপ্ট বা বটগুলির জন্য কঠিন।
- এই কাজগুলির মধ্যে প্রায়ই বিকৃত পাঠ্য সনাক্ত করা, নির্দিষ্ট চিত্র নির্বাচন করা, ধাঁধা সমাধান করা বা সাধারণ গণিত সমস্যাগুলি সম্পূর্ণ করা জড়িত।
- ক্যাপচা চ্যালেঞ্জ সফলভাবে সম্পন্ন করার মাধ্যমে, একজন ব্যবহারকারী প্রদর্শন করে যে তারা সম্ভবত মানুষ এবং একটি স্বয়ংক্রিয় প্রোগ্রাম নয়।
- ক্যাপচা-এর প্রাথমিক উদ্দেশ্য হল অনলাইন সিস্টেমের নিরাপত্তা এবং অখণ্ডতা নিশ্চিত করা যাতে বটগুলিকে অপব্যবহার বা শোষণ করা থেকে বিরত রাখা যায়।
- CAPTCHA প্রযুক্তির বিকাশ দৃষ্টি শনাক্তকরণ (visual recognition) নামক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) একটি শাখায় গবেষণাকে উৎসাহিত করেছে, যার ব্যবহার রয়েছে অপটিক্যাল স্ক্যানিং সফটওয়্যার, রিমোট সেন্সিং, এবং রোবোটিক্স-এ।

• ক্যাপচাগুলির জন্য কিছু সাধারণ ব্যবহারের ক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্ত:
- User Registration and Login,
- Form Submissions,
- Preventing DDoS Attacks,
- Online Polls and Surveys,
- Web Scraping Prevention.

উৎস:
- ব্রিটানিকা।
- developers.google [link]

৮৯.
ডেটা ব্রিচ মানে কী?
  1. নিয়মিত সফটওয়্যার আপডেট
  2. অংশীদারদের সাথে আইনিভাবে ডেটা শেয়ার করা
  3. গোপন তথ্যের অননুমোদিত প্রবেশ 
  4. যখন কোনো কোম্পানি অফিসের ফাইল হারায়
সঠিক উত্তর:
গোপন তথ্যের অননুমোদিত প্রবেশ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোপন তথ্যের অননুমোদিত প্রবেশ 
ব্যাখ্যা

• ডেটা ব্রিচ বলতে এমন একটি পরিস্থিতিকে বোঝায় যেখানে কোনো প্রতিষ্ঠানের বা ব্যক্তির গোপন, সংবেদনশীল বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অননুমোদিত ব্যক্তি বা সিস্টেমের হাতে চলে যায়। এর ফলে ব্যক্তিগত তথ্য, আর্থিক তথ্য বা ব্যবসায়িক গোপনীয়তা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সাধারণত হ্যাকিং, দুর্বল নিরাপত্তা ব্যবস্থা বা অভ্যন্তরীণ ত্রুটির কারণে ডেটা ব্রিচ ঘটে। এটি নিয়মিত সফটওয়্যার আপডেট, আইনিভাবে ডেটা শেয়ার করা বা অফিসের ফাইল হারানোর মতো সাধারণ বিষয় নয়। সঠিক অর্থে ডেটা ব্রিচ হলো গোপন তথ্যের অননুমোদিত প্রবেশ, যা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
 
• সাইবার অপরাধ :
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।

- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্মিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)

- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল ৷
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- IBM. [link]

৯০.
NVIDIA-এর DLSS প্রযুক্তির পূর্ণরূপ কী?
  1. Deep Learning Super Sampling
  2. Deep Level Simulation Software
  3. Dynamic Lighting and Shadow System
  4. Direct Linear Shader Scaling
সঠিক উত্তর:
Deep Learning Super Sampling
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Deep Learning Super Sampling
ব্যাখ্যা

• NVIDIA-এর DLSS প্রযুক্তির পূর্ণরূপ হলো Deep Learning Super Sampling. এটি একটি উন্নত গ্রাফিক্স রেন্ডারিং প্রযুক্তি, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং মেশিন লার্নিং ব্যবহার করে গেম বা ভিজ্যুয়াল কনটেন্টের রেজোলিউশন উন্নত করে। মূলত, DLSS কম রেজোলিউশনে রেন্ডার করা ইমেজকে AI মডেলের মাধ্যমে উচ্চ রেজোলিউশনে রূপান্তরিত করে, ফলে গ্রাফিক্সের গুণগত মান বাড়ে এবং ফ্রেমরেটও উন্নত হয়। এই প্রযুক্তি বিশেষভাবে হাই-এন্ড গেমিং এবং রিয়েল-টাইম 3D রেন্ডারিংয়ে ব্যবহৃত হয়, যেখানে কম হার্ডওয়্যার রিসোর্সে চমৎকার ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করা যায়। তাই DLSS গ্রাফিক্স পারফরম্যান্স এবং ভিজ্যুয়াল কোয়ালিটির মধ্যে সঠিক ভারসাম্য তৈরি করে।

- সঠিক উত্তর: ক) Deep Learning Super Sampling.

এনভিডিয়া (NVIDIA):
- বিশ্বের প্রথম কোম্পানি হিসেবে ৪ ট্রিলিয়ন ডলার তথা ৪ লাখ কোটি ডলারের মাইলফলক ছুঁয়েছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়া।
- মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রযুক্তির চাহিদা বাড়তে থাকায় এই কোম্পানির শেয়ারদরও বেশ বেড়েছে। 
- যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এই কোম্পানিটি ২০২৩ সালের জুনে প্রথমবার ১ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজারমূল্যে পৌঁছায়।
- তারপর থেকে তাদের শেয়ারের দাম দ্রুত বাড়তে থাকে।

উল্লেখ্য,
- NVIDIA ১৯৯৩ সালে জেনসেন হুয়াং (Jensen Huang), ক্রিস মালাকোভস্কি (Chris Malachowsky), এবং কার্টিস প্রিয়েম (Curtis Priem) দ্বারা প্রতিষ্ঠিত।
- এটি বিশ্বব্যাপী কম্পিউটার গ্রাফিক্স, গেমিং, এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের (AI) ক্ষেত্রে একটি অগ্রণী প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত।
- NVIDIA-এর সবচেয়ে জনপ্রিয় পণ্য হলো GPU (Graphics Processing Unit), যা মূলত গ্রাফিক্স প্রক্রিয়াকরণে ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র-
- NVIDIA. [link]
- DLSS. [link]

৯১.
সিপিইউ ক্লক স্পিড বাড়ালে সাধারণত:
  1. সিপিইউ আর্কিটেকচার পরিবর্তিত হয়
  2. কোরের সংখ্যা কমে
  3. সিপিইউর তাপমাত্রা কমে
  4. নির্দেশের কার্যকারিতা দ্রুত হয় 
সঠিক উত্তর:
নির্দেশের কার্যকারিতা দ্রুত হয় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দেশের কার্যকারিতা দ্রুত হয় 
ব্যাখ্যা

• সিপিইউর ক্লক স্পিড বাড়ালে সাধারণত নির্দেশের কার্যকারিতা দ্রুত হয়, অর্থাৎ ঘ) সঠিক। ক্লক স্পিড হলো সিপিইউ প্রতি সেকেন্ডে কতটি ক্লক সাইকেল সম্পন্ন করতে পারে তার পরিমাপ। ক্লক স্পিড বেশি হলে সিপিইউ অল্প সময়ে বেশি নির্দেশ প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে, ফলে প্রোগ্রাম দ্রুত সম্পন্ন হয়। তবে এতে সিপিইউর আর্কিটেকচার পরিবর্তিত হয় না এবং কোরের সংখ্যাও কমে না। বরং ক্লক স্পিড বাড়লে সাধারণত তাপমাত্রা ও বিদ্যুৎ খরচ বেড়ে যায়। তাই উচ্চ ক্লক স্পিড পারফরম্যান্স বাড়ালেও তাপ নিয়ন্ত্রণ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

• ক্লক স্পিড:
- একটি কম্পিউটারের প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে কতগুলো নির্দেশনা সম্পাদন করতে পারে তার পরিমাণকে কম্পিউটারের ক্লক স্পিড বলা হয়। 

• মাইক্রোকম্পিউটারের গতি:
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড (Clock Speed) বলা হয়।
- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- Intel website. [link]

৯২.
একটি "Edge Computing" ডিভাইসের উদাহরণ কী?
  1. ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ
  2. মেইনফ্রেম সার্ভার
  3. স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট
  4. অফিসের প্রচলিত ডেস্কটপ কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো: গ) স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট।

একটি Edge Computing ডিভাইস হল এমন ডিভাইস যা ডেটা সংগ্রহ করে তাৎক্ষণিকভাবে প্রক্রিয়াকরণ করতে সক্ষম, যাতে বড় সার্ভারে সব ডেটা পাঠানোর প্রয়োজন না থাকে। স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট যেমন Nest বা Honeywell, ব্যবহারকারীর বাড়ির তাপমাত্রা, আর্দ্রতা এবং ব্যবহার প্যাটার্ন বিশ্লেষণ করে স্থানীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নেয়- উদাহরণস্বরূপ, ঘরের তাপমাত্রা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমন্বয় করা। এটি ডেটা ক্লাউডে পাঠানোর আগে স্থানেই প্রক্রিয়াকরণ করে, যা দ্রুততা বাড়ায়, ব্যান্ডউইথ কমায় এবং ব্যক্তিগত ডেটার নিরাপত্তা উন্নত করে। অন্যান্য অপশন যেমন ইউএসবি ড্রাইভ বা ডেস্কটপ কম্পিউটার সাধারণ প্রক্রিয়াকরণ বা স্টোরেজের জন্য, কিন্তু এডজ কম্পিউটিংয়ের মতো স্থানীয় সিদ্ধান্ত নেয় না। মেইনফ্রেম সার্ভার সম্পূর্ণরূপে কেন্দ্রীভূত, তাই এটি Edge Computing নয়।

• Edge computing:
- Edge computing-এর মূল লক্ষ্য হলো ডেটা উৎস (যেমন সেন্সর, IoT ডিভাইস, স্মার্টফোন) এর কাছাকাছি কম্পিউটিং প্রসেসিং করা। এতে করে ডেটা ক্লাউড বা সেন্ট্রাল সার্ভারে পাঠানোর পূর্বেই প্রাথমিক প্রসেসিং সম্পন্ন করা যায়। এর ফলে:
- Latency কমে: ডেটা দ্রুত প্রসেস হওয়ায় রিয়েল-টাইম রেসপন্স সম্ভব হয়।
- Bandwidth খরচ কমে: সব ডেটা ক্লাউডে পাঠানোর দরকার হয় না, ফলে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ কম ব্যবহার হয়।
- Security বাড়ে: লোকালি ডেটা প্রসেসিং-এর মাধ্যমে ডেটা ট্রান্সমিশনের সময় ঝুঁকি কমে।
- Cloud storage খরচ কমলেও, এটা প্রাথমিক উদ্দেশ্য নয়, বরং একটি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।

সূত্র: IBM. [link]

৯৩.
BYD-এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. Zhang Ruimin
  2. Wang Chuanfu
  3. Li Shufu
  4. Elon Musk
সঠিক উত্তর:
Wang Chuanfu
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Wang Chuanfu
ব্যাখ্যা

• BYD (Build Your Dreams) একটি চীনা বহুজাতিক কোম্পানি যা মূলত বৈদ্যুতিক যানবাহন এবং ব্যাটারি উৎপাদনের জন্য পরিচিত। BYD-এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন Wang Chuanfu। তিনি ১৯৯৫ সালে এই কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন এবং ছোট আকারের ব্যাটারি তৈরি থেকে শুরু করে এটি বৈদ্যুতিক গাড়ি ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে একটি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডে রূপান্তরিত করেছেন। Wang Chuanfu একজন উদ্ভাবনী উদ্যোক্তা এবং প্রযুক্তি-নির্ভর ব্যবসার উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। BYD আজকের দিনে বৈদ্যুতিক যানবাহন এবং সোলার এনার্জি সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এবং চীনের প্রযুক্তি শিল্পে বিশ্বমানের উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত। সুতরাং সঠিক উত্তর হল খ) Wang Chuanfu.

- উল্লেখ্য, প্রথম আলো অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বৈশ্বিক বৈদ্যুতিক গাড়ি (ইভি) বিক্রিতে চীনের বিওয়াইডি (BYD)  প্রথমবারের মতো টেসলাকে ছাড়িয়ে শীর্ষে উঠে এসেছে। টেসলার গাড়ি বিক্রি ৯% কমে ১৬.৪ লাখে নেমে গেলেও বিওয়াইডির বিক্রি ২৮% বেড়ে ২২.৫ লাখ ছাড়িয়েছে। টেসলার বিক্রি কমার পেছনে বাজারে নতুন পণ্যের মিশ্র প্রতিক্রিয়া, ইলন মাস্কের রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ, চীনা নির্মাতাদের প্রতিযোগিতা এবং যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি ভর্তুকি প্রত্যাহার বড় কারণ।

অন্যদিকে, কম দামের গাড়ির কারণে বিওয়াইডি (BYD) দ্রুত বৈশ্বিক বাজার সম্প্রসারণ করছে, বিশেষ করে ইউরোপ ও যুক্তরাজ্যে। যদিও লাভের দিক থেকে এখনো টেসলা এগিয়ে, তবু ইভি বিক্রিতে নেতৃত্ব এখন বিওয়াইডির হাতে।
 
• BYD:
- BYD হলো চীনের একটি বহুজাতিক কোম্পানি যা ইলেকট্রিক গাড়ি, ব্যাটারি, এবং নবায়নযোগ্য শক্তি প্রযুক্তিতে কাজ করে।  
- BYD-এর পুরো নাম হলো "Build Your Dreams", যা কোম্পানির লক্ষ্য ও মিশনকে প্রতিফলিত করে।  
- কোম্পানিটি 1995 সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল Wang Chuanfu দ্বারা।  
- শুরুতে BYD মূলত ব্যাটারি উৎপাদন করত, বিশেষ করে মোবাইল ফোন ও ইলেকট্রনিক্সের জন্য।  
- 2003 সালে BYD গাড়ি শিল্পে প্রবেশ করে এবং ইলেকট্রিক ও হাইব্রিড গাড়ি তৈরি করতে শুরু করে।  
- আজকের দিনে BYD বিশ্বজুড়ে ইলেকট্রিক যানবাহন উৎপাদন এবং বিক্রয়ের ক্ষেত্রে অন্যতম শীর্ষ কোম্পানি।  
- BYD শুধুমাত্র গাড়ি নয়, সৌর শক্তি, ব্যাটারি সংরক্ষণ, এবং পরিবেশ বান্ধব প্রযুক্তিতেও সক্রিয়।  

• সাফল্য ও বৈশিষ্ট্য:
- BYD-এর গাড়ি পরিবেশ বান্ধব এবং শক্তি খরচ কম।  
- কোম্পানি ইলেকট্রিক বাস, ট্রাক, এবং প্রাইভেট কার উভয় ক্ষেত্রেই বাজারে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে।  
- BYD বিশ্বজুড়ে Tesla, Nissan, এবং অন্যান্য ইভি কোম্পানির সঙ্গে প্রতিযোগিতা করছে।  

• অপশন আলোচনা:
- Zhang Ruimin হল Haier কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা।
- Li Shufu হল Geely গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা।
- Elon Musk হলো Tesla এবং SpaceX-এর প্রতিষ্ঠাতা, BYD-এর নয়।

সূত্র:
- Britannica. [link]
- prothom-alo. [link]

৯৪.
অপারেটিং সিস্টেমে কার্নেলের প্রধান ভূমিকা কী?
  1. ভাইরাস প্রতিরোধী সফটওয়্যার চালানো
  2. ব্যবহারকারীর ডেটা সংরক্ষণ করা
  3. ব্যবহারকারীর জন্য ইন্টারফেস সরবরাহ করা
  4. সিস্টেম রিসোর্স ও হার্ডওয়্যার পরিচালনা করা
সঠিক উত্তর:
সিস্টেম রিসোর্স ও হার্ডওয়্যার পরিচালনা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিস্টেম রিসোর্স ও হার্ডওয়্যার পরিচালনা করা
ব্যাখ্যা

• অপারেটিং সিস্টেমে কার্নেলের প্রধান ভূমিকা হলো সিস্টেম রিসোর্স ও হার্ডওয়্যার পরিচালনা করা (ঘ)। কার্নেল অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশ, যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। এটি প্রসেসর সময় বণ্টন, মেমোরি ব্যবস্থাপনা, ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ এবং বিভিন্ন প্রোগ্রামের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে। ব্যবহারকারী বা অ্যাপ্লিকেশন সরাসরি হার্ডওয়্যারের সাথে কাজ করতে পারে না; কার্নেল সেই কাজটি নিরাপদ ও কার্যকরভাবে সম্পন্ন করে। তাই ভাইরাস প্রতিরোধ, ডেটা সংরক্ষণ বা ইউজার ইন্টারফেস নয়, বরং রিসোর্স ও হার্ডওয়্যার ব্যবস্থাপনাই কার্নেলের মূল দায়িত্ব।

কার্নেল (Kernel):
- অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশের নাম হলো কার্নেল।
- কার্নেল হলো অপারেটিং সিস্টেমের মৌলিক এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর মধ্যে যোগদান করে অপারেটিং সিস্টেমকে চালু এবং পরিচালনা করে।

কার্নেলের কাজ:
- সিপিইউ এর শিডিউলিং এর দায়িত্ব পালন করে।
- ইনকামিং প্রক্রিয়ার অবস্থা নির্ধারণ, টাস্ক ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- মেমরি ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট এর কাজ করে।
- ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সাথে কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সংযোগ স্থাপন করে।
- এটি প্রোগ্রাম চালানো, ফাইল অ্যাক্সেস করা এবং প্রিন্টার এবং কীবোর্ডের মতো ডিভাইসের সাথে সংযোগ করার মতো কাজগুলি পরিচালনা করে।

উৎস: আইবিএম। [link]

৯৫.
CMOS প্রযুক্তিতে সাধারণত কোন ইউনিভার্সাল গেট দ্রুত কাজ করে?
  1. NOR
  2. OR
  3. AND
  4. NAND 
সঠিক উত্তর:
NAND 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NAND 
ব্যাখ্যা

• CMOS প্রযুক্তিতে সাধারণত NAND গেট সবচেয়ে দ্রুত কাজ করে। এর প্রধান কারণ হলো CMOS সার্কিটে NAND গেটের ট্রানজিস্টর বিন্যাস তুলনামূলকভাবে কার্যকর। NAND গেটে পুল-ডাউন নেটওয়ার্কে NMOS ট্রানজিস্টরগুলো সিরিজে থাকলেও পুল-আপ নেটওয়ার্কে PMOS ট্রানজিস্টরগুলো প্যারালালে থাকে, ফলে আউটপুট দ্রুত হাই লেভেলে যেতে পারে। যেহেতু ইলেকট্রনের গতিশীলতা হোলের চেয়ে বেশি, NMOS দ্রুত কাজ করে এবং সামগ্রিক ডিলে কম হয়। অন্যদিকে NOR গেটে PMOS ট্রানজিস্টর সিরিজে থাকায় গতি কমে যায়। তাই CMOS প্রযুক্তিতে NAND গেটকে বেশি দ্রুত ও কার্যকর ইউনিভার্সাল গেট হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

• সার্বজনীন গেইট:
- যেসব গেইট ব্যবহার করে AND, OR ও NOT গেইট বাস্তবায়ন করা যায়, সেগুলোকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- OR, AND এবং NOT - এই তিনটি মৌলিক গেইটের সমন্বয়ে সব ধরনের লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা যায়।
- শুধুমাত্র NAND গেইট ব্যবহার করেই যেকোনো লজিক সার্কিট তৈরি করা সম্ভব।
- এর কারণ, NAND গেইট দিয়েই OR, AND ও NOT গেইট বাস্তবায়ন করা যায়।
- একইভাবে শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়েও OR, AND ও NOT গেইট তথা যেকোনো লজিক সার্কিট তৈরি করা সম্ভব।
- তাই NAND এবং NOR গেইট - এই দুইটি গেইটকেই সার্বজনীন গেইট বলা হয়।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- sciencedirect. [link]

৯৬.
5G ব্যবহার করলে কোনটি ব্যবসায়িকভাবে সরাসরি লাভজনক?
  1. স্বয়ংক্রিয় গাড়ি
  2. আইওটি ডিভাইসের প্রয়োজন হ্রাস
  3. হাতে পরিচালিত কারখানা
  4. দীর্ঘস্থায়ী স্মার্টফোন ব্যাটারি
সঠিক উত্তর:
স্বয়ংক্রিয় গাড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বয়ংক্রিয় গাড়ি
ব্যাখ্যা

• সরাসরি ব্যবসায়িক দৃষ্টিকোণ থেকে 5G প্রযুক্তির সবচেয়ে লাভজনক ব্যবহার হলো স্বয়ংক্রিয় গাড়ি (ক)। কারণ 5G-এর উচ্চ গতি, কম লেটেন্সি এবং বড় ডিভাইস কানেকশন ক্ষমতা রিয়েল-টাইম ডেটা ট্রান্সমিশন নিশ্চিত করে, যা স্বয়ংক্রিয় গাড়ির নিরাপদ ও নির্ভুল চলাচলের জন্য অপরিহার্য। এটি যানবাহন উৎপাদন, ফ্লিট ম্যানেজমেন্ট, এবং রাইড-শেয়ারিং সেবায় ব্যবসায়িক সুযোগ তৈরি করে, ফলে সরাসরি আয় বাড়ায়। অন্য বিকল্পগুলো, যেমন আইওটি ডিভাইসের প্রয়োজন হ্রাস বা দীর্ঘস্থায়ী স্মার্টফোন ব্যাটারি, 5G-এর সরাসরি ব্যবসায়িক লাভে তেমন প্রভাব ফেলে না। হাতে পরিচালিত কারখানার ক্ষেত্রে 5G শুধুমাত্র সহায়ক, তবে তা অবিলম্বে লাভজনক নয়।
 
5G প্রযুক্তি:
- ২০১৯ সালে 5G মোবাইল প্রযুক্তি চালু হয়েছিল।
- 5G মোবাইল নেটওয়ার্ককে আরও দ্রুত, উচ্চ ব্যান্ডউইথ ও কম ল্যাটেন্সি প্রদান করে, যা বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনের কর্মক্ষমতা উন্নত করে।
- এটি স্মার্টফোনের ডাউনলোড স্পিড দ্বিগুণ করতে পারে এবং IoT ডিভাইসের কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ায়।
- 5G উন্নত ডিজিটাল অপারেশন যেমন মেশিন লার্নিং, AI, VR, AR-এর জন্য ডেটা প্রসেসিং ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা উন্নত করে।
- এটি স্বয়ংক্রিয় যানবাহন, ড্রোন এবং অন্যান্য রোবোটিক সিস্টেমকেও সমর্থন করে।
- 5G উন্নত IoT ফাংশনালিটি সমর্থন করে, যেমন উন্নত স্মার্ট হোম প্রযুক্তি, স্মার্ট মেডিকেল ডিভাইস এবং উন্নত রিটেইল অভিজ্ঞতা।
- শহর পরিকল্পনায় ট্রাফিক ম্যানেজমেন্টের জন্য AI ক্যামেরা ব্যবহার করা যায়।
- কৃষকরা দূর থেকে পানি ও মাটি পর্যবেক্ষণ করতে পারে, এবং স্থপতি ও প্রকৌশলী AR ব্যবহার করে নির্মাণ স্থান সম্পর্কে তথ্য সহজে দেখতে এবং অবদান রাখতে পারে।

5G-এর প্রধান তিনটি ধরন:
- Low-band,
- Mid-band,
- High-band।
- টেলিকম কোম্পানি MIMO অ্যান্টেনা ও স্মল সেল ব্যবহার করে সিগন্যাল প্রেরণ করে।
- 5G নেটওয়ার্ক ক্লাউড-ভিত্তিক ডেটা সংরক্ষণে নির্ভরশীল, তাই এটি ডেটা ক্ষতি, সাইবার আক্রমণ ও চুরির ঝুঁকিতে থাকে।

সোর্স:
১। এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা। 
২। International Telecommunication Union (IMT 2020 (5G) in Asia-Pacific – Key Insights).

৯৭.
রিলেশনাল ডাটাবেসে ফরেন কী কেন গুরুত্বপূর্ণ?
  1. এটি প্রাইমারি কী-এর প্রয়োজনীয়তা দূর করে
  2. এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সব কুয়েরি দ্রুত করে
  3. এটি স্টোরেজ স্পেস বাড়ায়
  4. টেবিলগুলোর মধ্যে রেফারেনশিয়াল ইন্টেগ্রিটি বজায় রাখে
সঠিক উত্তর:
টেবিলগুলোর মধ্যে রেফারেনশিয়াল ইন্টেগ্রিটি বজায় রাখে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেবিলগুলোর মধ্যে রেফারেনশিয়াল ইন্টেগ্রিটি বজায় রাখে
ব্যাখ্যা

• রিলেশনাল ডাটাবেসে ফরেন কী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি টেবিলগুলোর মধ্যে রেফারেনশিয়াল ইন্টেগ্রিটি বজায় রাখে। ফরেন কী একটি টেবিলের কলামকে অন্য টেবিলের প্রাইমারি কী-এর সাথে যুক্ত করে, ফলে ডাটার মধ্যে যৌক্তিক সম্পর্ক নিশ্চিত হয়। এর মাধ্যমে ভুল বা অসঙ্গত ডাটা প্রবেশ করা রোধ করা যায়, যেমন—যে রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত কোনো ডাটা নেই, তা ইনসার্ট হতে পারে না। এছাড়া, ডিলিট বা আপডেটের সময় সম্পর্কিত ডাটার উপর নিয়ন্ত্রণ রাখা যায়। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ), কারণ ফরেন কী ডাটাবেসকে নির্ভরযোগ্য ও সুশৃঙ্খল রাখতে সহায়তা করে।
 
• কী (Key) ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ডের সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান করা, দুই বা ততোধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা, ডাটাবেজের রেকর্ড শনাক্ত করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।
- কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে, যথা:
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key),
৩. ফরেন কী (Foreign Key).

• প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোনো একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে (Unique) শনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- কোনো ফাইলে সাধারণত এক বা একাধিক ফিল্ড থাকে।
- এই ফিল্ডগুলোর মধ্যে- একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে।
- কোনো ফাইলে যে সকল ফিল্ডের ডাটাগুলো অদ্বিতীয় হয় সে সকল ফিল্ডই প্রাইমারি কী হওয়ার যোগ্য।

• কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- কোন ডেটাবেজ ফাইলে সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী অনুপস্থিত থাকলে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যাবহার করা হয়, এই ধরনের কী ফিল্ডকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

• ফরেন কী (Foreign Key):
- রিলেশনাল টেবিলের ক্ষেত্রে, কোনো একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যখন অন্য টেবিলে ব্যবহার হয়, তখন ঐ কীকে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৮.
এমন একটি ফায়ারওয়াল নীতি যা সমস্ত ট্রাফিককে অনুমোদন করে, শুধু যে ট্রাফিককে নিষিদ্ধ করা হয়েছে তা বাদ দিয়ে, তাকে বলা হয়:
  1. Explicit allow rule
  2. Implicit deny rule
  3. Deny-all rule
  4. Permit-all rule
সঠিক উত্তর:
Permit-all rule
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Permit-all rule
ব্যাখ্যা

• এমন একটি ফায়ারওয়াল নীতি যেখানে ডিফল্টভাবে সব ধরনের নেটওয়ার্ক ট্রাফিক অনুমোদিত থাকে এবং কেবল নির্দিষ্টভাবে যেসব ট্রাফিককে নিষিদ্ধ (deny) করা হয়েছে, সেগুলোই ব্লক করা হয়- তাকে Permit-all rule বলা হয়। এই নীতিতে ফায়ারওয়াল প্রথমে ধরে নেয় যে সব ট্রাফিক নিরাপদ, যতক্ষণ না কোনো স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা দেওয়া থাকে। ফলে আলাদা করে প্রতিটি অনুমোদনের নিয়ম লিখতে হয় না, বরং শুধু ঝুঁকিপূর্ণ বা অপ্রয়োজনীয় ট্রাফিকের জন্য deny rule প্রয়োগ করা হয়। এই পদ্ধতি ব্যবহারে নেটওয়ার্ক সহজে প্রবেশযোগ্য হলেও নিরাপত্তার ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে। সঠিক উত্তর হলো ঘ) Permit-all rule.
 
• ফায়ারওয়াল:
- ফায়ারওয়াল হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের একটি সুরক্ষা ব্যবস্থা, যা নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ বা হ্যাকিং থেকে রক্ষা করে।
- ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
- অবাঞ্চিত ব্যবহারকারীর হাত হতে সিস্টেম রক্ষা করা বা সাইবার আক্রমণ এড়াতে ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়।
- ফায়ারওয়াল প্রটেক্টেড সিস্টেমে সাধারণত নেটওয়ার্কের ভিতর থেকে বাহিরের সবকিছু ব্যবহার করা যায়, তবে অন্য কোন অবাঞ্চিত ব্যবহারকারী এই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারে না। শুধুমাত্র বৈধ ব্যবহারকারীগণ এটি ব্যবহার করতে পারেন।

• অপশন আলোচনা:
- Explicit allow rule:
-  নির্দিষ্ট ট্রাফিককে অনুমোদন দেওয়া হয়।
- এটি পুরো নেটওয়ার্ককে অনুমোদন দেয় না, বরং কেবল নির্দিষ্ট ট্রাফিকের জন্য।

- Implicit deny rule:

- যা স্পষ্টভাবে অনুমোদিত নয়, তা অটোমেটিকভাবে ব্লক করা হয়।
- এটি সাধারণত "ডিফল্ট deny" নীতি, যা ট্রাফিকের অনুমোদন সীমিত করে।

- Deny-all rule:

- সমস্ত ট্রাফিককে ব্লক করে।
- এটি পূর্বনির্ধারিত ব্লক পলিসি।

- Permit-all rule:

- সমস্ত ট্রাফিককে অনুমোদন দেয়, শুধুমাত্র যে ট্রাফিককে নিষিদ্ধ করা হয়েছে তা বাদ দিয়ে।
- এটি পুরোপুরি মিলে যায় আপনার প্রশ্নের বর্ণনার সাথে।
-  সঠিক উত্তর: Permit-all rule.

উৎস:
- ব্রিটানিকা।
- Microsoft. [link]

৯৯.
সি প্রোগ্রামিং-এ, 0xC কী নির্দেশ করে?
  1. Decimal 12
  2. Decimal 14
  3. Decimal 10
  4. Decimal 13
সঠিক উত্তর:
Decimal 12
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Decimal 12
ব্যাখ্যা

• সি প্রোগ্রামিং-এ 0xC একটি হেক্সাডেসিমাল (Hexadecimal) সংখ্যা নির্দেশ করে। এখানে 0x প্রিফিক্স বোঝায় যে সংখ্যাটি বেস-১৬ পদ্ধতিতে লেখা। হেক্সাডেসিমালে ০-৯ পর্যন্ত সংখ্যা এবং A-F পর্যন্ত অক্ষর ব্যবহৃত হয়, যেখানে A=10, B=11, C=12, D=13, E=14 এবং F=15। সুতরাং 0xC মানে হলো হেক্সাডেসিমালের C, যার দশমিক মান 12। তাই সি প্রোগ্রামিং-এ 0xC আসলে দশমিক ১২ নির্দেশ করে। এই কারণে সঠিক উত্তর হলো ক) Decimal 12
 
• হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা:
- হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হলো এমন সংখ্যা যা ১৬ ভিত্তিতে লেখা হয়।
- এই সংখ্যাগুলোতে ব্যবহার করা হয় ০ থেকে ৯ পর্যন্ত ডিজিট এবং A থেকে F পর্যন্ত অক্ষর।
- এখানে A, B, C, D, E, F যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ মানে। তাই হেক্সাডেসিমাল সংখ্যায় G, H, Z অক্ষরগুলো থাকতে পারে না কারণ এগুলো হেক্সাডেসিমাল ভিত্তিতে স্বীকৃত নয়।

• সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। যথা-
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System)।

- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- sciencedirect. [link]

১০০.
মাদারবোর্ডের CPU সকেটের সাথে কোন কম্পোনেন্টের মিল থাকতে হবে?
  1. পাওয়ার সাপ্লাই
  2. হার্ডড্রাইভ
  3. প্রসেসর
  4. র‍্যাম
সঠিক উত্তর:
প্রসেসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রসেসর
ব্যাখ্যা

• মাদারবোর্ডের CPU সকেটের সাথে প্রসেসর-এর মিল থাকতে হয়। কারণ CPU সকেট এমনভাবে ডিজাইন করা হয় যে নির্দিষ্ট ধরনের ও নির্দিষ্ট পিন কনফিগারেশনের প্রসেসরই সেখানে বসানো যায়। যদি সকেট ও প্রসেসরের ধরন এক না হয়, তাহলে প্রসেসর বসানো সম্ভব হবে না এবং সিস্টেম কাজ করবে না। পাওয়ার সাপ্লাই, হার্ডড্রাইভ বা র‍্যাম মাদারবোর্ডের অন্যান্য পোর্ট বা স্লটের সাথে সংযুক্ত হয়, CPU সকেটের সাথে নয়। তাই সঠিক কম্পিউটার তৈরির জন্য মাদারবোর্ডের CPU সকেট ও প্রসেসরের মধ্যে সামঞ্জস্য থাকা অত্যন্ত জরুরি।
 
• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড একটি কম্পিউটারের মূল ও কেন্দ্রীয় অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের ভেতরে সংযুক্ত থাকে।
- এটি সিস্টেমের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থল হিসেবে কাজ করে এবং একে সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ডও বলা হয়।
- কম্পিউটারের প্রধান প্রসেসর বা CPU মাদারবোর্ডেই স্থাপিত থাকে, যা কম্পিউটারের "মস্তিষ্ক" হিসেবে পরিচিত।
- মাদারবোর্ডে কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি সংযুক্ত করার জন্য বিভিন্ন পোর্ট ও সংযোগ ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারের প্রতিটি যন্ত্রাংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকে, যা মাদারবোর্ডকে কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে।
- বর্তমানে বাজারে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ড জনপ্রিয়।

• মাদারবোর্ডের স্লট:
1. AGP slot,
2. RAM slot,
3. PCI slot ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০১.
ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে ফ্লিপ-ফ্লপ কী?
  1. একটি সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিট
  2. একটি কম্বিনেশনাল সার্কিট
  3. একটি পাওয়ার সাপ্লাই ডিভাইস
  4. একটি লজিক গেট
সঠিক উত্তর:
একটি সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিট
ব্যাখ্যা

• ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে ফ্লিপ-ফ্লপ হলো একটি সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিট, তাই সঠিক উত্তর হলো ক)। ফ্লিপ-ফ্লপ এমন একটি মৌলিক মেমোরি উপাদান যা এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে। এটি শুধু বর্তমান ইনপুটের উপর নির্ভর করে না, বরং আগের অবস্থার (previous state) উপরও নির্ভরশীল। সাধারণত ক্লক সিগনালের সাহায্যে ফ্লিপ-ফ্লপ কাজ করে এবং ডেটা সংরক্ষণ, কাউন্টার, রেজিস্টার ও মেমোরি ডিজাইনে ব্যবহৃত হয়। কম্বিনেশনাল সার্কিটের মতো এটি তাৎক্ষণিক আউটপুট দেয় না এবং এটি পাওয়ার সাপ্লাই বা সাধারণ লজিক গেটও নয়।
 
ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।

ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

অন্যদিকে, 
- বাকি তিনটি অপশন ফ্লিপ-ফ্লপের বৈশিষ্ট্য নয়। 

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

১০২.
√10 এবং 7 এর মধ্যে কয়টি পূর্ণসংখ্যা আছে?
  1. 5টি
  2. 2টি
  3. 4টি
  4. 3টি
সঠিক উত্তর:
3টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3টি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: √10 এবং 7 এর মধ্যে কয়টি পূর্ণসংখ্যা আছে?

সমাধান: 
পূর্ণসংখ্যা: পূর্ণসংখ্যা হলো এমন সব সংখ্যা যার কোনো ভগ্নাংশ বা দশমিক অংশ নেই। এতে ধনাত্মক সংখ্যা, ঋণাত্মক সংখ্যা এবং শূন্য অন্তর্ভুক্ত থাকে। পূর্ণসংখ্যার সেট অসীম এবং এটিকে সাধারণত 'Z' অক্ষর দিয়ে বোঝানো হয়। 
যেমন, ....- 2, - 1, 0 , 1, 2, ......

আমরা জানি, 
√10 = 3.162

সুতরাং, √10 এবং 7 এর মাঝে থাকা পূর্ণসংখ্যাগুলো হলো, 
4, 5, 6

অর্থাৎ মোট 3টি পূর্ণসংখ্যা আছে।

১০৩.
যদি 43x + 8 = 16 হয়, তবে x এর মান কত?
  1. 1
  2. 1/2
  3. 2
  4. 1/3
সঠিক উত্তর:
1/2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1/2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি 43x + 8 = 16 হয়, তবে x এর মান কত? 

সমাধন: 
দেওয়া আছে, 
43x + 8 = 16
⇒ 43x = 16 - 8
⇒ 43x = 8
⇒ (22)3x = 23
⇒ 26x = 23
⇒ 6x = 3
⇒ x = 3/6
∴ x = 1/2

১০৪.
1 থেকে 20 পর্যন্ত স্বাভাবিক সংখ্যাগুলোর মধ্যে একটি সংখ্যা দৈবভাবে নির্বাচন করা হলো। সংখ্যাটি 3 এর গুণিতক এবং মৌলিক হওয়ার সম্ভাবনা কত?
  1. 3/5
  2. 1/2
  3. 13/20
  4. 1/20
সঠিক উত্তর:
1/20
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1/20
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 1 থেকে 20 পর্যন্ত স্বাভাবিক সংখ্যাগুলোর মধ্যে একটি সংখ্যা দৈবভাবে নির্বাচন করা হলো। সংখ্যাটি 3 এর গুণিতক এবং মৌলিক হওয়ার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
1 থেকে 20 এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো,
2, 3, 5, 7, 11, 13, 17, 19

আবার,
3 এর গুণিতক 1 থেকে 20 এর মধ্যে,
3, 6, 9, 12, 15, 18

শুধুমাত্র 3 সংখ্যাটিই একই সাথে 3-এর গুণিতক এবং মৌলিক।

সুতরাং, অনুকূল ফলাফল = 1টি
মোট সম্ভাব্য ফলাফল = 20টি

∴ সম্ভাবনা = 1/20

১০৫.
3x - 4y - 3 = 0 রেখার ঢাল কত? 
  1. - 4/3
  2. 3/4
  3. 3/2
  4. - 2/3
সঠিক উত্তর:
3/4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3/4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 3x - 4y - 3 = 0 রেখার ঢাল কত?  

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
3x - 4y - 3 = 0
রেখার সমীকরণকে প্রথমে y = mx + c আকারে লিখতে হবে।
এখানে m = ঢাল (slope)

এখন, 
3x - 4y - 3 = 0
⇒ - 4y = - 3x + 3
⇒ 4y = 3x - 3
⇒ y = (3/4)x - (3/4)

অতএব, ঢাল, m = 3/4

সুতরাং, রেখাটির ঢাল 3/4

১০৬.
একটি সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজের দৈর্ঘ্য 20 সে.মি.। ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত বর্গ সে.মি.? 
  1. 200 বর্গ সে.মি
  2. 175.75 বর্গ সে.মি
  3. 98.25 বর্গ সে.মি
  4. 100 বর্গ সে.মি
সঠিক উত্তর:
100 বর্গ সে.মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
100 বর্গ সে.মি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজের দৈর্ঘ্য 20 সে.মি.। ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত বর্গ সে.মি.?

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজের দৈর্ঘ্য 12 সে: মি:

ধরি, সমকোণ সংলগ্ন প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য = x সে.মি.

এখন,
⇒ x2 + x2 = 202
⇒ 2x2 = 400
⇒ x2 = 200
⇒ x = √200
⇒ x = √(100 × 2)
∴ x = 10√2

আমরা জানি, 
ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল = (1/2) × (10√2) × (10√2)
= (1/2) × (200)
= 100 বর্গ সে.মি

১০৭.
একটি ব্যাংক বছরে ৫% চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ প্রদান করে, যা প্রতি ৬ মাস অন্তর হিসাব করা হয়। একজন গ্রাহক ১লা জানুয়ারি এবং ১লা জুলাই তারিখে প্রতিবার ১৬০০ টাকা করে জমা করেন। বছরের শেষে তিনি সুদ হিসেবে মোট কত টাকা পাবেন?
  1. ১২১ টাকা
  2. ৩২০ টাকা
  3. ১৮১ টাকা
  4. ২২১ টাকা
সঠিক উত্তর:
১২১ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২১ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি ব্যাংক বছরে ৫% চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ প্রদান করে, যা প্রতি ৬ মাস অন্তর হিসাব করা হয়। একজন গ্রাহক ১লা জানুয়ারি এবং ১লা জুলাই তারিখে প্রতিবার ১৬০০ টাকা করে জমা করেন। বছরের শেষে তিনি সুদ হিসেবে মোট কত টাকা পাবেন?

সমাধান:
১ম ১৬০০ টাকার ক্ষেত্রে চক্রবৃদ্ধি মূলধন = ১৬০০ × {১ + ৫/(২ × ১০০)}  
= ১৬০০ × (৪১/৪০)  × (৪১/৪০) 
= ১৬৮১

২য় ১৬০০ টাকার ক্ষেত্রে চক্রবৃদ্ধি মূলধন = ১৬০০ × {১ + ৫/(২ × ১০০)}  
=  ১৬০০ × (৪১/৪০) 
= ১৬৪০

∴ মোট চক্রবৃদ্ধি মূলধন = ১৬৮১ + ১৬৪০ 
= ৩৩২১ 

∴ মোট মুনাফা = ৩৩২১ - (১৬০০ + ১৬০০)
= ৩৩২১ - ৩২০০
= ১২১ 

অতএব, বছর শেষে সুদ বাবদ তিনি ১২১ টাকা পাবে। 

১০৮.
log√232 + log39√3 = ?
  1. 23/2
  2. 27/4
  3. 5
  4. 25/2
সঠিক উত্তর:
25/2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
25/2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: log√232 + log39√3 = ?

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
log√232 + log39√3
= log√225 + log3(32 × 31/2)
= 5 log√22 + log33(2 + 1/2)
= 5 log√2(√2)2 + log33(5/2)
= 10 log√2(√2) + (5/2)log33.   ; [logaa = 1]
= 10 + (5/2)
= (20 + 5)/2
= 25/2

১০৯.
'ENGINEERING' শব্দের বর্ণগুলোকে কতভাবে সাজানো যাবে যাতে তিনটি E একসাথে পাশাপাশি থাকে? 
  1. 60480 
  2. 15120
  3. 20160
  4. 90720
সঠিক উত্তর:
15120
উত্তর
সঠিক উত্তর:
15120
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 'ENGINEERING' শব্দের বর্ণগুলোকে কতভাবে সাজানো যাবে যাতে তিনটি E একসাথে পাশাপাশি থাকে? 

সমাধান: 
ENGINEERING শব্দটিতে মোট বর্ণ আছে,  11টি 
যেখানে, E আছে 3টি, N আছে 3টি, G আছে 2টি, I আছে 2টি এবং R আছে 1টি
তিনটি E-কে একসাথে রাখতে হলে তাদের একটা একক ইউনিট বা 'ব্লক' হিসেবে ধরতে হবে। 
অর্থাৎ, EEE কে একটা বর্ণের মতো বিবেচনা করা হবে। 

সুতরাং, মোট বর্ণ হবে = 11 - 3 + 1 = 9 ; [EEE, N, N, N, G, G, I, I, R]
যেখানে, N আছে 3টি, G আছে 2টি এবং I আছে 2টি। 

সুতরাং বিন্যাসের সংখ্যা হবে = 9!/(3! × 2! × 2!)
= (9 × 8 × 7 × 6 × 5 × 4 × 3 × 2)/(3 × 2 × 2 × 2)
= 9 × 8 × 7 × 6 × 5
= 15120

১১০.
x2 + 4y2 + 4y - 4xy - 2x - 8 এর উৎপাদকে বিশ্লেষণ নিচের কোনটি? 
  1.  (x - y - 2)(x + 2y + 2)
  2. (x - 2y - 4)(x - 2y + 2)
  3. (x + 2y - 4)(x + 2y + 2)
  4. (x + 2y - 4)(x - 2y + 2) 
সঠিক উত্তর:
(x - 2y - 4)(x - 2y + 2)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(x - 2y - 4)(x - 2y + 2)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: x2 + 4y2 + 4y - 4xy - 2x - 8 এর উৎপাদকে বিশ্লেষণ নিচের কোনটি? 

সমাধান:
x2 + 4y2 + 4y - 4xy - 2x - 8
= x2 - 4xy + 4y2 - 2x + 4y - 8
= {x2 - 2 . x . 2y + (2y)2} - 2(x - 2y) - 8
= (x - 2y)2 - 2(x - 2y) - 8

ধরি,
x - 2y = t
এখন, 
t2 - 2t - 8
= t2 - 4t + 2t - 8
= t(t - 4) + 2(t - 4)
= (t - 4)(t + 2)
= (x - 2y - 4)(x - 2y + 2) [t এর মান বসিয়ে]

১১১.
একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য এর প্রস্থের চেয়ে ২৫% বেশি। যদি একটি বর্গক্ষেত্রের পাশের দৈর্ঘ্য হয় আয়তক্ষেত্রের প্রস্থের সমান, তবে আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ও সেই বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফলের অনুপাত কত হবে?
  1. ৬ : ৫
  2. ৪ : ৩ 
  3. ৭ : ৫
  4. ৫ : ৪
সঠিক উত্তর:
৫ : ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ : ৪
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য এর প্রস্থের চেয়ে ২৫% বেশি। যদি একটি বর্গক্ষেত্রের পাশের দৈর্ঘ্য হয় আয়তক্ষেত্রের প্রস্থের সমান, তবে আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ও সেই বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফলের অনুপাত কত হবে?
 
সমাধান: 
ধরি, 
আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = ক একক
তাহলে, আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ক + ২৫% এর ক = ক + (২৫/১০০)ক
= ক + (ক/৪) 
= ৫ক/৪ একক
∴ আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ৫ক/৪ একক

আমরা জানি, 
আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (দৈর্ঘ্য × প্রস্থ) বর্গ একক 
= {(৫ক/৪) × ক} = ৫ক/৪ বর্গ একক

আবার, 
বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ক বর্গ একক ; [প্রস্থ = ক একক] 

∴ অনুপাত(আয়তক্ষেত্র : বর্গক্ষেত্র) = (৫ক/৪) : ক = ৫/৪ : ১ 
= ৫ : ৪ 

সুতরাং, আয়তক্ষেত্র ও বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফলের অনুপাত ৫ : ৪। 

১১২.
এক হালি ডালিম ২০০ টাকায় ক্রয় করে অপর এক ব্যক্তির কাছে প্রতিটি ডালিম ৪০ টাকা করে বিক্রয় করলে প্রতিটি ডালিম বিক্রিতে শতকরা কত টাকা লাভ বা ক্ষতি হবে?
  1. ২৫% লাভ 
  2. ৩৩.৩৩% ক্ষতি
  3. ২০% ক্ষতি
  4. ১৬.৬৭% লাভ
সঠিক উত্তর:
২০% ক্ষতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০% ক্ষতি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: এক হালি ডালিম ২০০ টাকায় ক্রয় করে অপর এক ব্যক্তির কাছে প্রতিটি ডালিম ৪০ টাকা করে বিক্রয় করলে প্রতিটি ডালিম বিক্রিতে শতকরা কত টাকা লাভ বা ক্ষতি হবে?

সমাধান: 
আমরা জানি, 
হালি = ৪টি 
৪টি ডালিম ক্রয়মূল্য = ২০০ টাকা
∴ ১টি ডালিমের ক্রয় মূল্য = ২০০/৪ = ৫০ টাকা

১টির বিক্রয়মূল্য = ৪০ টাকা

∴ প্রতিটি ডালিমে ক্ষতি = ৫০ - ৪০ = ১০ টাকা

∴ ৫০ টাকায় ক্ষতি হয় = ১০ টাকা 
∴ ১ টাকায় ক্ষতি হয় = ১০/৫০ = ১/৫ টাকা
∴ ১০০ টাকায় ক্ষতি হয় = ১০০/৫ = ২০ টাকা

সুতরাং, প্রতিটি ডালিম বিক্রয় করলে ২০% ক্ষতি হয়।

শর্টকাট:
শতকরা ক্ষতি = (ক্ষতির পরিমাণ/ক্রয় মূল্য) × ১০০
= (১০/৫০) × ১০০
= ০.২ × ১০০
= ২০%

১১৩.
3 + 3√3 + 9 + ............ধারাটির কোন পদ 243 হবে?
  1. 9ম পদ
  2. 7ম পদ
  3. 10ম পদ
  4. 8ম পদ
সঠিক উত্তর:
9ম পদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
9ম পদ
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 3 + 3√3 + 9 + ............ধারাটির কোন পদ 243 হবে?

সমাধান:
এটি একটি গুণোত্তর ধারা।

দেওয়া আছে
প্রথম পদ, a = 3​
অনুপাত, r = 3√3/3​ = √3

আমরা জানি, 
গুণোত্তর ধারা n- তম পদ = arn - 1
arn - 1 = 243
⇒ 3 × (√3)n - 1 = 243
⇒ (√3)n - 1 = 243/3
⇒ (√3)n - 1 = 81
⇒ (√3)n - 1 = (√3)8
⇒ n - 1 = 8
⇒ n = 8 + 1
∴ n = 9

সুতরাং, ধারাটির 9ম পদ হবে 243.

১১৪.
যদি, f(x) = (1 + x2 + x4)/x2 হয়, তবে f(1/2) =?
  1. 5/2 
  2. 7/4
  3. 9/4
  4. 21/4
সঠিক উত্তর:
21/4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
21/4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি, f(x) = (1 + x2 + x4)/x2 হয়, তবে f(1/2) =? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
f(x) = (1 + x2 + x4)/x2 
f(1/2) = {1 + (1/2)2 + (1/2)4}/(1/2)2 
= {1 + (1/4) + (1/16)}/(1/4)
= {(16 + 4 + 1)/16}/(1/4)
= (21/16)/(1/4)
= (21/16)/(4/1)
= 21/4

১১৫.
যদি x = 997, y = 998 এবং z = 999 হয়, তাহলে x2 + y2 + z2 - xy - yz - zx = ?
  1. 0
  2. 3
  3. - 1
  4. 2
সঠিক উত্তর:
3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি x = 997, y = 998 এবং z = 999 হয়, তাহলে x2 + y2 + z2 - xy - yz - zx = ?

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
x = 997, y = 998 এবং z = 999

প্রদত্ত রাশি, 
x2 + y2 + z2 - xy - yz - zx
= (1/2)[2x2 + 2y2 + 2z2 - 2xy - 2yz - 2zx]
= (1/2)[(x - y)2 + (y - z)2 + (z - x)2]
= (1/2)[(997 - 998)2 + (998 - 999)2 + (999 - 997)2]
= (1/2)[(- 1)2 + (- 1)2 + (2)2]
= (1/2)[1 + 1 + 4]
= (1/2) × 6
= 3

১১৬.
একটি গোলকের আয়তনকে তার পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল দ্বারা ভাগ করলে ভাগফল 12 মি. হয়। গোলকটির ব্যাসার্ধ কত?
  1. 12 মি.
  2. 48 মি.
  3. 24 মি.
  4. 36 মি.
সঠিক উত্তর:
36 মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
36 মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি গোলকের আয়তনকে তার পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল দ্বারা ভাগ করলে ভাগফল 12 মি. হয়। গোলকটির ব্যাসার্ধ কত?
 
সমাধান:
ধরি,
গোলকটির ব্যাসার্ধ = r 

আমরা জানি, 
গোলকটির আয়তন = (4/3)πr3
এবং গোলকটির পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল = 4πr2 

প্রশ্নানুসারে, 
{(4/3)πr3}/(4πr2) = 12
⇒ r/3 = 12
⇒ r = 12 × 3
∴ r = 36

অতএব, গোলকটির ব্যাসার্ধ 36 মি.

১১৭.
একটি শ্রেণিতে ৩৫ জন ছাত্র ও ২৫ জন ছাত্রী আছে। বনভোজনে খিচুরি খাওয়ার জন্য প্রত্যেক ছাত্র ও ছাত্রীর প্রদত্ত চাল ও ডালের অনুপাত যথাক্রমে ৩ : ১ এবং ৫ : ২ হলে, মোট চাল ও মোট ডালের অনুপাত কত?
  1. ৪৬ : ১৭
  2. ৪৫ : ১৭
  3. ১৮ : ৪৫
  4. ৪৬ : ১৮
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি শ্রেণিতে ৩৫ জন ছাত্র ও ২৫ জন ছাত্রী আছে। বনভোজনে খিচুরি খাওয়ার জন্য প্রত্যেক ছাত্র ও ছাত্রীর প্রদত্ত চাল ও ডালের অনুপাত যথাক্রমে ৩ : ১ এবং ৫ : ২ হলে, মোট চাল ও মোট ডালের অনুপাত কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
ছাত্র সংখ্যা = ৩৫ জন
ছাত্রী সংখ্যা = ২৫ জন
প্রত্যেক ছাত্রের চাল : ডাল = ৩ : ১
প্রত্যেক ছাত্রের চালের পরিমাণ = ৩/৪ অংশ 
প্রত্যেক ছাত্রের ডালের পরিমাণ = ১/৪ অংশ 

প্রত্যেক ছাত্রীর চাল : ডাল = ৫ : ২
প্রত্যেক ছাত্রীর চালের পরিমাণ = ৫/৭ অংশ 
প্রত্যেক ছাত্রীরডালের পরিমাণ = ২/৭ অংশ 

∴ মোট চাল = ৩৫ × (৩/৪) + ২৫ × (৫/৭)
= (১০৫/৪) + (১২৫/৭) 
= (৭৩৫ + ৫০০)/২৮
= ১২৩৫/২৮

মোট ডাল = ৩৫ × (১/৪) + ২৫ × (২/৭) 
= (৩৫/৪) + (৫০/৭) 
= (২৪৫ + ২০০)/২৮
= ৪৪৫/২৮

 সুতরাং, মোট চাল : মোট ডাল = ১২৩৫/২৮ : ৪৪৫/২৮
=  ১২৩৫ : ৪৪৫
= ২৪৭ : ৮৯

অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো। 

১১৮.
12 + 17 + 22 + 27 + …...+ 207 = কত? 
  1. 4350
  2. 4400
  3. 4380
  4. 4410
সঠিক উত্তর:
4380
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4380
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 12 + 17 + 22 + 27 + …...+ 207 = কত? 

সমাধান:
এটি একটি সমান্তর ধারা। যার, 
প্রথম পদ, a = 12
সাধারণ অন্তর, d = 17 - 12 = 5

আমরা জানি,
n-তম পদ, an = a + (n - 1)d 
⇒ 12 + (n - 1)5 = 207
⇒ (n - 1)5 = 207 - 12
⇒ (n - 1)5 = 195
⇒ n - 1 = 195/5
⇒ n - 1 = 39
⇒ n = 39 + 1
∴ n = 40

আমরা জানি, 
সমান্তর ধারার সমষ্টি, Sn = (n/2) × (প্রথম পদ + শেষ পদ)
S40 = (40/2) × (12 + 207)
= 20 × 219
= 4380

১১৯.
76, 65, 98, 79, 64, 68, 56, 73, 83, 57, 55, 92, 45, 77, 87, 46, 32, 75, 89, 48, 97, 88, 65, 39, 84, 73, 34, 75, 82, 67, 62 উপাত্তগুলোর পরিসর কত?
  1. 67
  2. 59
  3. 61
  4. 66
সঠিক উত্তর:
67
উত্তর
সঠিক উত্তর:
67
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 76, 65, 98, 79, 64, 68, 56, 73, 83, 57, 55, 92, 45, 77, 87, 46, 32, 75, 89, 48, 97, 88, 65, 39, 84, 73, 34, 75, 82, 67, 62 উপাত্তগুলোর পরিসর কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
সর্বোচ্চ মান = 98
সর্বনিম্ন মান = 32

আমরা জানি, 
পরিসর = (সর্বোচ্চ মান - সর্বনিম্ন মান) + 1
= (98 - 32) + 1
= 66 + 1
= 67

সুতরাং, উপাত্তগুলোর পরিসর 67। 

১২০.
|5x + 2| ≤ 8 এর সমাধান হবে নিচের কোনটি?
  1. - 2 < x < (6/5)
  2. (- 5/6) ​≤ x ≤ 2
  3. - 2 ≤ x ≤ (6/5)
  4. x ≤ - 2 অথবা x ≥ (6/5)
সঠিক উত্তর:
- 2 ≤ x ≤ (6/5)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- 2 ≤ x ≤ (6/5)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: |5x + 2| ≤ 8 এর সমাধান হবে নিচের কোনটি?

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
|5x + 2| ≤ 8
⇒ - 8 ≤ 5x + 2 ≤ 8
⇒ - 8 - 2 ≤ 5x ≤ 8 - 2
⇒ - 10 ≤ 5x ≤ 6
⇒ - 2 ≤ x ≤ (6/5)

১২১.
নিচের চিত্রে ∠POR = 150° যেখানে O বৃত্তের কেন্দ্র, তাহলে ∠PQR কত?
  1. 105°
  2. 100°
  3. 75°
  4. 180°
সঠিক উত্তর:
105°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
105°
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের চিত্রে ∠POR = 150° যেখানে O বৃত্তের কেন্দ্র, তাহলে ∠PQR কত?

সমাধান:
কেন্দ্রীয় কোণ প্রধান বৃত্তীয় কোণের দ্বিগুণ।
এবং বৃত্তীয় চতুর্ভুজে বিপরীত কোণগুলির সমষ্টি 180° 

 এখন, 
∠POR = 2 × ∠PSR
⇒ ∠PSR = 150°/2 = 75°

আবার,
 ∠PQR + ∠PSR = 180°
⇒ ∠PQR + 75° = 180°
⇒ ∠PQR = 180° - 75°
∴ ∠PQR = 105°

∴ সঠিক উত্তর 105°

১২২.
Aeroplane : Cockpit :: Train : ?
  1. Wagon
  2. Coach
  3. Engine
  4. Station
সঠিক উত্তর:
Engine
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Engine
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: Aeroplane : Cockpit :: Train : ?

সমাধান:
এখানে সম্পর্কটি হচ্ছে 'যানবাহন : চালকের কক্ষ'। 
- উড়োজাহাজ বা বিমান চালনা করার জন্য চালকের বসার বিশেষ স্থান বা কক্ষকে Cockpit বলা হয়।
- একইভাবে, ট্রেন চালনা করার জন্য চালক যেখানে অবস্থান করেন বা যে অংশটি ট্রেনকে গতিশীল করে, তাকে Engine (বা Driver's Cab) বলা হয়।

অন্যান্য অপশন:
- Wagon: মালবাহী ট্রেনের বগি বা মালপত্র বহনকারী কামরাকে বোঝায়।
- Coach: যাত্রীবাহী ট্রেনের বগি বা কামরাকে নির্দেশ করে।
- Station: একটি বিশদ এলাকা যেখানে ট্রেন থামে, এটি ট্রেনের চালকের বসার নির্দিষ্ট কক্ষ নয়।

১২৩.
নিচের প্রশ্নবোধক (?) চিহ্নিত স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
7, 26, 63, 124, 215, 342, ?
  1. 395
  2. 511
  3. 481
  4. 615
সঠিক উত্তর:
511
উত্তর
সঠিক উত্তর:
511
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের প্রশ্নবোধক (?) চিহ্নিত স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
7, 26, 63, 124, 215, 342, ?

সমাধান:
প্যাটার্নটি হলো: n3 - 1
এখানে,
(23 - 1) = 7
(33 - 1) = 26
(43 - 1) = 63
(53 - 1) = 124
(63 - 1) = 215
(73 - 1) = 342
(83 -1) = 511

∴ পরবর্তী সংখ্যাটি হবে 511

১২৪.
ভারসাম্য বজায় রাখতে A প্রান্তে কত কেজি ভরের বস্তু স্থাপন করতে হবে?
  1. 23 Kg
  2. 25 Kg
  3. 27 Kg
  4. 30 Kg
সঠিক উত্তর:
27 Kg
উত্তর
সঠিক উত্তর:
27 Kg
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ভারসাম্য বজায় রাখতে A প্রান্তে কত কেজি ভরের বস্তু স্থাপন করতে হবে?


সমাধান:
ধরি,
A প্রান্তে ভর স্থাপন করতে হবে = x কেজি

প্রশ্নমতে,
36 × 15 = 20x
⇒ 20x = 540
⇒ x = 540/20
⇒ x = 27

অতএব লিভার টি তে ভারসাম্য বজায় রাখতে A প্রান্তে 27 কেজি ভরের বস্তু স্থাপন করতে হবে।

১২৫.
রহিম কিছু কলম ও পেন্সিল ক্রয় করলো। প্রতিটি কলমের মূল্য ৮ টাকা এবং প্রতিটি পেন্সিলের মূল্য ৩ টাকা। সে যদি এই উপকরণগুলোর জন্য মোট ৪৯ টাকা ব্যয় করে, তবে সে সর্বোচ্চ কয়টি কলম ক্রয় করতে পেরেছিলো?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: রহিম কিছু কলম ও পেন্সিল ক্রয় করলো। প্রতিটি কলমের মূল্য ৮ টাকা এবং প্রতিটি পেন্সিলের মূল্য ৩ টাকা। সে যদি এই উপকরণগুলোর জন্য মোট ৪৯ টাকা ব্যয় করে, তবে সে সর্বোচ্চ কয়টি কলম ক্রয় করতে পেরেছিলো?

সমাধান:
ধরি,
কলমের সংখ্যা = x
পেন্সিলের সংখ্যা = y

প্রশ্নমতে,
৮x + ৩y = ৪৯

যেহেতু কলমের দাম বেশি, তাই সর্বোচ্চ কলম কিনতে হলে আমাদের x এর সর্বোচ্চ মান বের করতে হবে। যেখানে y ≥ 0 এবং উভয়ই পূর্ণ সংখ্যা।

x = ৬ হলে,
⇒ ৮(৬) + ৩y = ৪৯
⇒ ৪৮ + ৩y = ৪৯
⇒ ৩y = ১
⇒ y = ১/৩ (সম্ভব নয়, পেন্সিল পূর্ণ সংখ্যা হতে হবে)

x = ৫ হলে,
⇒ ৮(৫) + ৩y = ৪৯
⇒ ৪০ + ৩y = ৪৯
⇒ ৩y = ৯
⇒ y = ৩ (সম্ভব)

x = ৪ হলে,
⇒ ৮(৪) + ৩y = ৪৯
⇒ ৩২ + ৩y = ৪৯
⇒ y = ১৭/৩ (সম্ভব নয়)

x = ২ হলে,
⇒ ৮(২) + ৩y = ৪৯
⇒ ১৬ + ৩y = ৪৯
⇒ y = ১১ (সম্ভব), কিন্তু এখানে কলমের সংখ্যা কম।

∴ রহিম সর্বোচ্চ ৫টি কলম ক্রয় করতে পেরেছিলো।

১২৬.
প্রশ্নবোধক (?) চিহ্নিত স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
  1. 80
  2. 195
  3. 240
  4. 285
সঠিক উত্তর:
195
উত্তর
সঠিক উত্তর:
195
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক (?) চিহ্নিত স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?


সমাধান:
চিত্রগুলোর প্যাটার্ন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, চারপাশের সংখ্যাগুলোর যোগফলের বর্গের সাথে ১ বিয়োগ করলে মাঝের সংখ্যাটি পাওয়া যায়।

প্রথম চিত্রের ক্ষেত্রে,
(2 + 6 + 2 + 3)2 - 1
= (13)2 - 1
= 169 - 1 = 168

দ্বিতীয় চিত্রের ক্ষেত্রে,
(3 + 5 + 1 + 2)2 - 1 
= (11)2 - 1 
= 121 - 1 = 120

তৃতীয় চিত্রের ক্ষেত্রে,
(2 + 3 + 5 + 4)2 - 1 
= (14)2 - 1
= 196 - 1 = 195

∴ প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে 195 বসবে।

১২৭.
এলোমেলো বর্ণগুলো সাজিয়ে কোনটি পর্তুগীজ শব্দ নয় সেটি খুঁজে বের করুন। 
  1. র আ না স
  2. উ টি পা রু
  3. ন স মা আ
  4. ন পি ল আ
সঠিক উত্তর:
ন স মা আ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন স মা আ
ব্যাখ্যা

• 'আসমান' একটি ফারসি শব্দ, তাই এটি পর্তুগীজ শব্দ নয়।
অন্যদিকে, 
- আনারস, পাউরুটি, আলপিন পর্তুগীজ শব্দ।

পর্তুগিজ ভাষার কিছু শব্দ:
আনারস, কামরা, গির্জা, গুদাম, চাবি, জানালা, তোয়ালে, পাউরুটি, পাদ্রি, পেয়ারা, বালতি, বোতল, বোতাম ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
ফরাসি ভাষার কিছু শব্দ:
কার্নিশ, কার্টিজ, কার্পেট, কার্বুরেটর, কুপন, ডিপো, ফসিল, লিস্ট, রেস্টুরেন্ট, রেস্তোরাঁ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১২৮.
SUPERVISOR শব্দটির আয়নায় প্রতিফলিত রূপটি হবে-
    সঠিক উত্তর:
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: SUPERVISOR শব্দটির আয়নায় প্রতিফলিত রূপটি হবে-

    সমাধান:
    সঠিক উত্তর: (ক)

    ১২৯.
    একটি সাংকেতিক ভাষায় WORLD কে UMPJB এবং BREAD কে ZPCYB লেখা হয়। একই নিয়মে CHAIR কে কীভাবে লেখা হবে?
    1. AFYGP
    2. AFGPY
    3. AYFGP
    4. ZYFBC
    সঠিক উত্তর:
    AFYGP
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    AFYGP
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: একটি সাংকেতিক ভাষায় MIND কে KGLB এবং ARGUE কে YPESC লেখা হয়। একই নিয়মে DIAGRAM কে কীভাবে লেখা হবে?

    সমাধান:
    এখানে প্রতিটি অক্ষরের জন্য কোডিং প্যাটার্নটি হলো: ইংরেজি বর্ণমালায় প্রতিটি অক্ষর তার অবস্থান থেকে ২ ঘর পিছিয়ে যাচ্ছে (Position - 2)।

    ১. WORLD → UMPJB:
    W (- 2) = U
    O (- 2) = M
    R (- 2) = P
    L (- 2) = J
    D (- 2) = B

    ২. BREAD → ZPCYB:
    B (- 2) = Z (B-এর আগে A, তার আগে Z)
    R (- 2) = P
    E (- 2) = C
    A (- 2) = Y (A-এর আগে Z, তার আগে Y)
    D (- 2) = B

    ৩. একইভাবে CHAIR-এর ক্ষেত্রে:
    C (- 2) = A
    H (- 2) = F
    A (- 2) = Y
    I (- 2) = G
    R (- 2) = P

    ∴ CHAIR-এর কোড হবে AFYGP

    ১৩০.
    একজন মহিলার চাকরির বয়স শেষ হয়ে আসায় তিনি বেকারত্বের অভিশাপ থেকে বাঁচতে একটি অপছন্দের চাকরিতে যোগ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। এটি কোন ধরনের মানসিক দ্বন্দ্ব?
    1. আকর্ষণ-আকর্ষণ দ্বন্দ্ব
    2. বিকর্ষণ-বিকর্ষণ দ্বন্দ্ব
    3. আকর্ষণ-বিকর্ষণ দ্বন্দ্ব
    4. দ্বিগুণ আকর্ষণ-বিকর্ষণ দ্বন্দ্ব
    সঠিক উত্তর:
    বিকর্ষণ-বিকর্ষণ দ্বন্দ্ব
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বিকর্ষণ-বিকর্ষণ দ্বন্দ্ব
    ব্যাখ্যা

    • মনোবিজ্ঞানে যখন কোনো ব্যক্তিকে এমন দুটি পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয় যার উভয়টিই তার কাছে অপ্রীতিকর বা নেতিবাচক, তখন তাকে বিকর্ষণ-বিকর্ষণ দ্বন্দ্ব (Avoidance-Avoidance Conflict) বলা হয়। 
    - এখানে মহিলার জন্য 'অপছন্দের চাকরিতে যোগ দেওয়া' এবং 'আজীবন বেকার থাকা'- উভয়ই নেতিবাচক পরিস্থিতি। তিনি কোনোটিই চাইছেন না, কিন্তু একটির সমাধান করতে গেলে অন্যটির সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

    • দ্বন্দ্ব (Conflict):
    - পরস্পর বিরোধী দুটি বা দু'এর অধিক প্রেষণা একই সাথে উপস্থিত হলে ব্যক্তির মধ্যে উভয়মুখী যে মানসিক অস্থিরতার সৃষ্টি হয় তাকে দ্বন্দ্ব বলে।

    • দ্বন্দ্বের প্রকারভেদ (Types of Conflict):
    - কার্ট লিউয়িন (Kurt Lewin, 1935) মূলত বিভিন্ন প্রকার দ্বন্দ্বের বর্ণনা করেন। নীল মিলার (Neal Miller. 1959) তিন প্রকার দ্বন্দ্বের বিস্তারিত বিশ্লেষণ করেন এবং কীভাবে তা সমাধান করা যায় তা আলোচনা করেন। দ্বন্দুসমূহকে প্রধানত ৪টি ন প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
    ১। আকর্ষণ-আকর্ষণ দ্বন্দ্ব, 
    ২। বিকর্ষণ-বিকর্ষণ দ্বন্দ্ব, 
    ৩। আকর্ষণ-বিকর্ষণ দ্বন্দ্ব, 
    ৪। দ্বিগুণ আকর্ষণ-বিকর্ষণ দ্বন্দ্ব।

    • বিকর্ষণ-বিকর্ষণ দ্বন্দ্বের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
    - বিকর্ষণ-বিকর্ষণ দ্বন্দ্বে ঋণাত্মক লক্ষ্যবস্তু থাকে, যার একটি গ্রহণ করতে হবে। যখন দুটি অপ্রীতিকর লক্ষ্যবস্তুই থাকে এবং ইচ্ছার বিরুদ্ধে হলেও একটি গ্রহণ না করে উপায় থাকে না তখন যে দ্বন্দ্বের উদ্ভব ঘটে, তাকে বিকর্ষণ-বিকর্ষণ দ্বন্দ্ব বলে।
    - এ ধরনের দ্বন্দ্বের মূল কথা "জলে কর্মীর ডাঙায় বাঘ।" 
    - এ ধরনের দ্বন্দ্ব সবচেয়ে বেশি হতাশার সৃষ্টি করে।
    - উদাহরণস্বরূপ, দাঁতের ব্যথা বনাম চিকিৎসা: রোগী দাঁতের অসহ্য ব্যথাও সইতে পারছেন না (নেতিবাচক), আবার ব্যথার ভয়ে দাঁত তুলতেও যেতে চাচ্ছেন না (নেতিবাচক)।
    - অপছন্দের চাকরি বনাম বেকারত্ব: একজন মহিলার চাকরির বয়স শেষ হতে চলায় তিনি এমন একটি চাকরিতে যোগ দিতে বাধ্য হচ্ছেন যা তিনি পছন্দ করেন না, কারণ যোগ না দিলে তাকে আজীবন বেকারত্বের অভিশাপ সইতে হবে। এ ধরনের পরিস্থিতি বিকর্ষণ-বিকর্ষণ দ্বন্দ্বের উদ্ভব ঘটায়।
    - বিকর্ষণ-বিকর্ষণ দ্বন্দ্বে দু'ধরনের আচরণ লক্ষ করা যায়। প্রথমত আচরণ ও চিন্তার দোদুল্যমানতা দেখা দেয়। একটি লক্ষ্যবস্তু যতই কাছাকাছি আসতে থাকে ততই ব্যক্তির বিতৃষ্ণা বাড়তে থাকে। ব্যক্তি তখন এটা ছেড়ে অন্য লক্ষ্যবস্তুর প্রতি ধাবিত হয় এবং যতই এর কাছাকাছি হতে থাকে ততই বিরক্তির সীমা ছাড়িয়ে যেতে থাকে।
    - এই পরিস্থিতিতে মানুষ সবচেয়ে বেশি সিদ্ধান্তহীনতা এবং মানসিক চাপে ভোগে।

    অন্যান্য অপশন:  
    - আকর্ষণ-আকর্ষণ দ্বন্দ্ব: এখানে দুটি আকর্ষণীয় বা লাভজনক বিষয় থেকে একটি বেছে নিতে হয়।
    - আকর্ষণ-বিকর্ষণ দ্বন্দ্ব: এখানে একটি নির্দিষ্ট বিষয়েরই ভালো ও মন্দ উভয় দিক থাকে।
    - দ্বিগুণ আকর্ষণ-বিকর্ষণ দ্বন্দ্ব: এখানে দুটি ভিন্ন বিষয়েরই ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় বৈশিষ্ট্য মিশ্রিত থাকে।

    উৎস: মনোবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, প্রফেসর যোগেন্দ্র কুমার মণ্ডল, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

    ১৩১.
    নিচের চিত্রে মোট কয়টি ত্রিভুজ আছে?
    1. 8
    2. 12
    3. 15
    4. 10
    সঠিক উত্তর:
    12
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    12
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: নিচের চিত্রে মোট কয়টি ত্রিভুজ আছে? 


    সমাধান:

    1টি ফাঁকা স্থান নিয়ে গঠিত ত্রিভুজগুলো হলো: AEH, EHI, EBF, EFI, FGC, IFG, DGH এবং HIG = 8টি
    2টি ফাঁকা স্থান নিয়ে গঠিত ত্রিভুজগুলো হলো: HEF, EHG, HFG এবং EFG = 4টি

    ∴ চিত্রে মোট ত্রিভুজের সংখ্যা = 8 + 4 = 12টি

    ১৩২.
    একটি ছবির দিকে ইঙ্গিত করে এক মহিলা রাকিবকে বললেন, "আমি এই মহিলার একমাত্র কন্যা এবং উনার ছেলে তোমার মামা।" বক্তা রাকিবের বাবার সম্পর্কে কী?
    1. বোন
    2. স্ত্রী
    3. মা
    4. ফুফু
    সঠিক উত্তর:
    স্ত্রী
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    স্ত্রী
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: একটি ছবির দিকে ইঙ্গিত করে এক মহিলা রাকিবকে বললেন, "আমি এই মহিলার একমাত্র কন্যা এবং উনার ছেলে তোমার মামা।" বক্তা রাকিবের বাবার সম্পর্কে কী?

    সমাধান: 
    - বক্তা ছবির মহিলার একমাত্র কন্যা এবং সেই মহিলার ছেলেই হলো রাকিবের মামা।
    -  যেহেতু বক্তার ভাই-ই রাকিবের মামা, তাই নিশ্চিতভাবেই বক্তা রাকিবের মা।
    - সুতরাং, বক্তা রাকিবের বাবার স্ত্রী।

    ১৩৩.
    'P' গিয়ারটি ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে ঘুরলে 'S' গিয়ারটি কোন দিকে ঘুরবে-
    1. ঘড়ির কাটার দিকে ঘুরবে
    2. ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে ঘুরবে
    3. প্রতি ঘূর্ণনে দিক পরিবর্তন করবে
    4. স্থির থাকবে
    সঠিক উত্তর:
    ঘড়ির কাটার দিকে ঘুরবে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ঘড়ির কাটার দিকে ঘুরবে
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: 'P' গিয়ারটি ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে ঘুরলে 'S' গিয়ারটি কোন দিকে ঘুরবে-


    সমাধান:
    - 'P' গিয়ারটি ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে ঘুরলে,
    - 'Q' গিয়ারটি ঘড়ির কাটার দিকে ঘুরবে,
    - 'R' গিয়ারটি ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে ঘুরবে,
    - 'S' গিয়ারটি ঘড়ির কাটার দিকে ঘুরবে।

    ১৩৪.
    নিচের কোন বানানটি সঠিক নয়?
    1. Exaggeration 
    2. Questionnaire 
    3. Pusillanimous
    4. Miscelleneous
    সঠিক উত্তর:
    Miscelleneous
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Miscelleneous
    ব্যাখ্যা

    • Incorrect: Miscelleneous
    • Correct: Miscellaneous

    - Exaggeration (অতিরঞ্জন): কোনো কিছুকে বাস্তবে যা তার চেয়ে বড় বা ভালো করে বর্ণনা করা।
    - Questionnaire (প্রশ্নমালা): তথ্য সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত লিখিত প্রশ্নের তালিকা।
    - Pusillanimous (ভীরু/দুর্বলচিত্ত): যার সাহসের অভাব আছে এবং সিদ্ধান্ত নিতে ভয় পায়।
    - Miscellaneous (বিবিধ): বিভিন্ন উৎস বা ধরনের জিনিসের মিশ্রণ যা নির্দিষ্ট কোনো শ্রেণিতে পড়ে না।

    উৎস: Accessible dictionary

    ১৩৫.
    একটি ক্লাসে ১৮ জন বালক আছে যাদের উচ্চতা ১৬০ সেমি এর বেশি। যদি এই সংখ্যাটি মোট বালকের তিন-চতুর্থাংশ এবং মোট বালকের সংখ্যা ক্লাসের মোট শিক্ষার্থীর দুই-তৃতীয়াংশ হয়, তবে ক্লাসে বালিকার সংখ্যা কত?
    1. ৬ জন
    2. ৯ জন
    3. ১২ জন
    4. ১৮ জন
    সঠিক উত্তর:
    ১২ জন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১২ জন
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: একটি ক্লাসে ১৮ জন বালক আছে যাদের উচ্চতা ১৬০ সেমি এর বেশি। যদি এই সংখ্যাটি মোট বালকের তিন-চতুর্থাংশ এবং মোট বালকের সংখ্যা ক্লাসের মোট শিক্ষার্থীর দুই-তৃতীয়াংশ হয়, তবে ক্লাসে বালিকার সংখ্যা কত?

    সমাধান:
    মনে করি, ক্লাসে মোট বালকের সংখ্যা = ক
    প্রশ্নমতে, বালকদের তিন-চতুর্থাংশ = ১৮
    ∴ (৩/৪) × ক = ১৮
    ∴ ৩ক = ১৮ × ৪
    ∴ ক = ৭২/৩ = ২৪
    অর্থাৎ, বালকের সংখ্যা = ২৪ জন।

    আবার, মনে করি ক্লাসে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা = খ
    প্রশ্নমতে, মোট বালকের সংখ্যা মোট শিক্ষার্থীর দুই-তৃতীয়াংশ।
    ∴ (২/৩) × খ = ২৪
    ∴ ২খ = ২৪ × ৩
    ∴ খ = ৭২/২ = ৩৬
    অর্থাৎ, ক্লাসে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা = ৩৬ জন।

    সুতরাং, বালিকার সংখ্যা = (মোট শিক্ষার্থী - মোট বালক)
    = ৩৬ - ২৪ = ১২ জন।

    ∴ ক্লাসে ১২ জন বালিকা আছে।

    ১৩৬.
    হাসান তার বাড়ি থেকে উত্তর-পশ্চিম দিকে ৩০ মিটার এবং তারপর দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে ৩০ মিটার হাঁটল। এরপর সে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ৩০ মিটার হাঁটল। এখন সে তার বাড়ির দিকে ফিরে যেতে চাইলে কোন দিকে যাচ্ছে?
    1. উত্তর-পশ্চিম
    2. দক্ষিণ-পূর্ব
    3. উত্তর-পূর্ব
    4. দক্ষিণ-পশ্চিম
    সঠিক উত্তর:
    উত্তর-পূর্ব
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    উত্তর-পূর্ব
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: হাসান তার বাড়ি থেকে উত্তর-পশ্চিম দিকে ৩০ মিটার এবং তারপর দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে ৩০ মিটার হাঁটল। এরপর সে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ৩০ মিটার হাঁটল। এখন সে তার বাড়ির দিকে ফিরে যেতে চাইলে কোন দিকে যাচ্ছে?

    সমাধান:


    - হাসান প্রথমে উত্তর-পশ্চিম দিকে ৩০ মিটার হাঁটলে সে ছবিতে দেখানো উপরের বাম দিকের 'A' অবস্থানে পৌঁছায়।
    - সেখান থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে ৩০ মিটার যাওয়ার ফলে সে 'B' বিন্দুর (পশ্চিম দিকে) সাপেক্ষে একটি অবস্থানে আসে।
    - এরপর দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ৩০ মিটার হাঁটলে সে নিচের দিকের বা দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের 'C' বিন্দুতে পৌঁছায়।
    - বর্তমানে হাসান যে অবস্থানে আছে, সেখান থেকে বাড়ির দিকে যেতে হলে তাকে সরাসরি উত্তর-পূর্ব (North-East) দিকে অর্থাৎ ছবির 'D' বিন্দুর অভিমুখের কোণাকুণি দিকে যাত্রা করতে হবে।

    ∴ বাড়িতে ফিরে যেতে হলে তাকে উত্তর-পূর্ব দিকে যেতে হবে।

    ১৩৭.
    'বস্ত্র' এর সমার্থক শব্দ- 
    1. বসন
    2. সারঙ্গ
    3. কুনকি
    4. কোনোটিই নয় 
    সঠিক উত্তর:
    বসন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বসন
    ব্যাখ্যা

    • 'বস্ত্র' শব্দের সমার্থক শব্দ:
    - বসন, বাস, পরিধেয়, কাপড়, পরিচ্ছদ, পোশাক, আচ্ছাদন।

    অন্যদিকে,
    • 'হরিণ' এর সমার্থক শব্দ: মৃগ, কুরঙ্গ, সারঙ্গ, সুনয়ন  

    • 'হাতি' এর সমার্থক শব্দ: গজ, করেণু, কুনকি। 

    উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

    ১৩৮.
    "তার _______ ছিল শিক্ষা অর্জন, তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের _______ যাত্রা করল।" - বাক্যটির শূন্যস্থানে যথার্থ শব্দদ্বয় যথাক্রমে - 
    1. উদ্দেশ্য, উদ্দেশ্য
    2. উদ্দেশে, উদ্দেশে
    3. উদ্দেশ্য, উদ্দেশে
    4. উদ্দেশে, উদ্দেশ্য
    সঠিক উত্তর:
    উদ্দেশ্য, উদ্দেশে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    উদ্দেশ্য, উদ্দেশে
    ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: গ) উদ্দেশ্য, উদ্দেশে।

    পূর্ণ বাক্য:
    "তার উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষা অর্জন, তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশে যাত্রা করল।"

    ব্যাখ্যা:
    তার উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষা অর্জন;
    - এখানে “উদ্দেশ্য” একটি বিশেষ্য (noun)।
    অর্থ: লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, goal/purpose। “ছিল” ক্রিয়ার সঙ্গে বিশেষ্য বসে।

    তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশে যাত্রা করল।
    - এখানে “উদ্দেশে” একটি অব্যয়।
    অর্থ: - এর উদ্দেশ্যে, - এর লক্ষ্যে। “যাত্রা করল” ক্রিয়ার সঙ্গে গতি/উদ্দেশ্য বোঝাতে “উদ্দেশে” বসে।

    সুতরাং, যথার্থ শব্দদ্বয়: উদ্দেশ্য (বিশেষ্য) + উদ্দেশে (অব্যয়)।

    উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

    ১৩৯.
    "দাঁও মারা" দ্বারা কী নির্দেশ করে?
    1. দায়িত্ব নেওয়া 
    2. কর্ণ মর্দন করা
    3. অপরাধ গণনা করা
    4. সুযোগ বুঝে লাভজনক কাজ করা
    সঠিক উত্তর:
    সুযোগ বুঝে লাভজনক কাজ করা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সুযোগ বুঝে লাভজনক কাজ করা
    ব্যাখ্যা

    • বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
    - "দাঁও মারা" দ্বারা বোঝায় - সুযোগ বুঝে লাভজনক কাজ করা।




    অন্যদিকে, 
    - মনে ধরা = পছন্দ হওয়া।
    - কান ধরা = কর্ণ মর্দন করা।
    - দোষ ধরা = অপরাধ গণনা করা।

    উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

    ১৪০.
    নঞ্‌ অর্থের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে কোন উপসর্গটি?
    1. অজ
    2. সম্‌
    সঠিক উত্তর:
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ব্যাখ্যা

    উত্তর: খ) স।

    --------------------
    • নঞ্‌ (না-বাচক) উপসর্গ:
    অ, অন্, অনা, আ = নেই, নাই অর্থে (নেতিবাচক);
    উদাহরণ:
    অজ্ঞ (জ্ঞান নেই),
    অশান্তি (শান্তি নেই)।

    • "স" উপসর্গ:
    নঞ্‌ এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে = আছে, সহিত, সমেত অর্থে (ইতিবাচক); 
    উদাহরণ:
    - সজ্ঞান = জ্ঞান আছে (অজ্ঞান এর বিপরীত)।
    - সশস্ত্র = শস্ত্র সহ (অস্ত্রহীন এর বিপরীত)।
    - সশব্দ = শব্দ সহ (নিঃশব্দ এর বিপরীত)।


    উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান; ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

    ১৪১.
    'Hygiene' - এর বাংলা পরিভাষা কোনটি?
    1. স্বাস্থ্যবিজ্ঞান
    2. স্বাস্থ্যবিধি
    3. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা
    4. উপরের সবকটি
    সঠিক উত্তর:
    উপরের সবকটি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    উপরের সবকটি
    ব্যাখ্যা

    • 'Hygiene' এর বাংলা পরিভাষা:
    – স্বাস্থ্যবিজ্ঞান; 
    - স্বাস্থ্যবিধি;
    - পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা।

    • কিছু গুরুত্বপূর্ণ পারিভাষিক শব্দ:
    - Diplomacy - কূটনীতি, 
    - Embargo- নিষেধাজ্ঞা, 
    - Principle- নীতি, 
    - Oath- শপথ, 
    - Hygiene- স্বাস্থ্যবিধি, 
    - Nutrition- পুষ্টি, 
    - Republic- প্রজাতন্ত্র।

    উৎস: প্রশাসনিক পরিভাষা, বাংলা একাডেমি।

    ১৪২.
    "আজ যদি পারি, একবার সেখানে যাব।" - বাক্যে কী ধরনের অব্যয়ের ব্যবহার ঘটেছে?
    1. সংযোজক অব্যয়
    2. বিয়োজক অব্যয়
    3. সংকোচক অব্যয়
    4. অনুগামী সমুচ্চয়ী অব্যয়
    সঠিক উত্তর:
    অনুগামী সমুচ্চয়ী অব্যয়
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    অনুগামী সমুচ্চয়ী অব্যয়
    ব্যাখ্যা

    • অনুগামী সমুচ্চয়ী অব্যয়:
    যে, যদি, যদিও, যেন প্রভৃতি কয়েকটি শব্দ সংযোজক অব্যয়ের কাজ করে থাকে। তাই তাদের অনুগামী সমুচ্চয়ী অব্যয় বলে।
    যেমন-

    ১. তিনি এত পরিশ্রম করেন যে তার স্বাস্থ্যভঙ্গ হওয়ার আশঙ্কা আছে।
    ২. আজ যদি (শর্ত বাচক) পারি, একবার সেখানে যাব।
    ৩. এভাবে চেষ্টা করবে যেন কৃতকার্য হতে পার।

    • "আজ যদি পারি, একবার সেখানে যাব।" - এখানে 'যদি'- অনুগামী সমুচ্চয়ী অব্যয়।

    অন্যদিকে,
    • সংযোজক অব্যয়:
    - ও, আর, তাই, অধিকন্তু, সুতরাং।
    যেমন: তিনি সৎ, তাই সকলেই তাঁকে শ্রদ্ধা করে।

    • বিয়োজক অব্যয় - বা, অথবা, নতুবা, নয়তো।

    • সংকোচক অব্যয় - অথচ।

    উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

    ১৪৩.
    উষ্মধ্বনি এর মধ্যে কোনটি ঘোষ মহাপ্রাণ?
    সঠিক উত্তর:
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ব্যাখ্যা

    • উষ্মধ্বনি:
    "শ, ষ, স, হ " এ চারটি বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনি উচ্চারণের সময় আমরা শ্বাস যতক্ষণ খুশি রাখতে পারি। এগুলোকে বলা হয় উষ্মধ্বনি বা শিশধ্বনি।
    - এ বর্ণগুলোকে বলা হয় উষ্মবর্ণ।

    • এসব ধ্বনিগুলোর মধ্যে,
    - শ, ষ, স- এ তিনটি বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনি অঘোষ অল্পপ্রাণ,
    - আর — 'হ' ঘোষ মহাপ্রাণ ধ্বনি।

    উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।

    ১৪৪.
    খাঁটি বাংলা শব্দের সাথে তৎসম শব্দের সন্ধি করলে কী দোষ হয়?
    1. বাক্যালঙ্কারগত দোষ
    2. অর্থগত দোষ
    3. গুরুচণ্ডালী দোষ
    4. বাহুল্য দোষ
    সঠিক উত্তর:
    গুরুচণ্ডালী দোষ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    গুরুচণ্ডালী দোষ
    ব্যাখ্যা

    উত্তর: গ) গুরুচণ্ডালী দোষ।

    গুরুচণ্ডালী দোষ হলো -
    - ভিন্ন উৎসের শব্দের অসংগত মিশ্রণজনিত ত্রুটি।
    - যখন খাঁটি বাংলা (দেশি/তদ্ভব) শব্দের সাথে তৎসম (সংস্কৃত) শব্দের সন্ধি করা হয়, তখন ভাষাগত বিশুদ্ধতা নষ্ট হয় এবং গুরুচণ্ডালী দোষ হয়।

    উদাহরণ:
    ভুল নিয়ম: "হাত + অর্পণ = হাতার্পণ" (হাত = খাঁটি বাংলা, অর্পণ = তৎসম)।
    সঠিক নিয়ম: "হস্ত + অর্পণ = হস্তার্পণ" (উভয়ই তৎসম)।
    --------------------
    • 'সন্ধি' শব্দের অর্থ - মিলন।

    • সন্ধি প্রধানত দুই প্রকার:
    - খাঁটি বাংলা শব্দের সন্ধি,
    - তৎসম শব্দের সন্ধি।
     
    • খাঁটি বাংলা শব্দের সন্ধি দুই রকমের
    - স্বরসন্ধি,
    - ব্যঞ্জন সন্ধি।
     
    • তৎসম শব্দের সন্ধি তিন প্রকার।
    - স্বরসন্ধি,
    - ব্যঞ্জন সন্ধি,
    - বিসর্গ সন্ধি। 
    ------------------------------- 
    • সন্ধির কতিপয় উদ্দেশ্য:
    - সন্ধি মাধ্যমে ধ্বনির মিলন হয়।
    - নতুন শব্দ তৈরি করা হয়।
    - উচ্চারণে সহজতা আসে।
     
    • সন্ধির ক্ষেত্রে বর্জনীয়:
    - বাংলা ক্রিয়াপদের সাথে সন্ধি করা যায় না।
    - খাঁটি বাংলা শব্দের সাথে বিসর্গ সন্ধি করা যায় না।
    - খাটি বাংলা শব্দের সাথে তৎসম শব্দের সন্ধি করা যায় না। এতে গুরুচণ্ডালী দোষ হয়। 
     
    উৎস: ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

    ১৪৫.
    'মারফত' শব্দটির সঠিক অর্থ কী? 
    1. লোক সাধনা 
    2. গুণের সাধনা 
    3. মরমি সাধনা
    4. প্রবল সাধনা
    সঠিক উত্তর:
    মরমি সাধনা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মরমি সাধনা
    ব্যাখ্যা

    • বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
    'মারফত' শব্দের অর্থ- মরমি সাধনা।



    উল্লেখ্য,
    'মারফত' শব্দের ভিন্ন অর্থ - মাধ্যম, দ্বারা।

    উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

    ১৪৬.
    'স্তাবক' - এর বিপরীত শব্দ কোনটি?
    1. অস্তাবর
    2. নির্লিপ্ত
    3. নিকৃষ্ট
    4. নিন্দুক
    সঠিক উত্তর:
    নিন্দুক
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    নিন্দুক
    ব্যাখ্যা

    • 'স্তাবক' এর বিপরীতার্থক শব্দ - নিন্দুক।

    উল্লেখ্য,
    - 'স্তাবক' শব্দের অর্থ - চাটুকার।

    অন্যদিকে,
    - 'প্রকৃষ্ট' এর বিপরীত শব্দ - নিকৃষ্ট।
    - 'মত্ত' শব্দের বিপরীত শব্দ - নির্লিপ্ত।

    কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিপরীতার্থক শব্দ হলো:
    - মত্ত = নির্লিপ্ত।
    - মৃত = জীবিত।
    - সাকার = নিরাকার।
    - বিষাদ = প্রসাদ।
    - তোয়াজ = তাচ্ছিল্য।

    উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

    ১৪৭.
    পূর্ববর্তী ধ্বনির প্রভাবে পরবর্তী ধ্বনিটির পরিবর্তন ঘটলে, তাকে কী বলে?
    1. প্রগত সমীভবন
    2. পরাগত সমীভবন
    3. অন্যোন্য সমীভবন
    4. অপিনিহিতি
    সঠিক উত্তর:
    প্রগত সমীভবন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    প্রগত সমীভবন
    ব্যাখ্যা

    • প্রগত সমীভবন:
    - পূর্ব ধ্বনির প্রভাবে পরবর্তী ধ্বনির পরিবর্তনকে প্রগত সমীভবন বলে।

    যেমন:
    - চক্র > চক্ক,
    - পক্ব > পক্ক।

    অন্যদিকে,
    পরাগত সমীভবন:
    - পরবর্তী ধ্বনির প্রভাবে পূর্ববর্তী ধ্বনির পরিবর্তন কে পরাগত সমীভবন বলে।

    যেমন:
    - তৎ + জন্য > তজ্জন্য,
    - তৎ + হিত >তদ্ধিত।

    অন্যোন্য সমীভবন:
    - যখন পরস্পরের প্রভাবে দুটো ধ্বনিই পরিবর্তিত হয় তখন তাকে বলে অনন্যান্য সমীভবন।

    যেমন:
    - সংস্কৃত সত্য > প্রাকৃত সচ্চ।
    - সংস্কৃত বিদ্যা > প্রাকৃত বিজ্জা ইত্যাদি।

    অপিনিহিতি:
    - পরে উচ্চারিত হওয়া ‘ই/উ’ আগে উচ্চারিত হওয়াকে অপিনিহিতি বলে।

    যেমন:
    - চারি > চাইর,
    - মারি > মাইর।

    উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।

    ১৪৮.
    “তুমি আমার সঙ্গে প্রপঞ্চ করেছো।” - বাক্যটি কোন দোষে দুষ্ট?
    1. বাগ্‌ধারার শব্দ পরিবর্তন
    2. উপমার ভুল প্রয়োগ
    3. আকাঙ্ক্ষার অভাব
    4. দুর্বোধ্যতা
    সঠিক উত্তর:
    দুর্বোধ্যতা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    দুর্বোধ্যতা
    ব্যাখ্যা

    উত্তর: ঘ) দুর্বোধ্যতা:
    ----------------
    বাক্যটি: “তুমি আমার সঙ্গে প্রপঞ্চ করেছো।”
    - “প্রপঞ্চ করা” বলে বাংলায় কোনো প্রচলিত প্রয়োগ নেই।
    - “প্রপঞ্চ” শব্দের অর্থ: জগৎ, সংসার, মায়া, ছলনা, প্রতারণা ইত্যাদি।

    কিন্তু এই বাক্যে বক্তা বলতে চাইছেন: “তুমি আমার সঙ্গে ছলনা করেছ / ধোঁকা দিয়েছ / প্রতারণা করেছ”।
    এখানে “প্রপঞ্চ” শব্দটি একটি অত্যন্ত গুরুগম্ভীর, দার্শনিক / সাহিত্যিক শব্দ। কিন্তু বাক্যের ভাব খুবই সাধারণ, লৌকিক ও দৈনন্দিন — “ধোঁকা দেওয়া” বা “ছল করা”।

    একটি গুরুতর (গুরু) শব্দকে অতি সাধারণ ভাবের জন্য ব্যবহার করায় → গুরুচণ্ডালী দোষ হয়। কিন্তু বিকল্পে “গুরুচণ্ডালী দোষ” নেই, আছে “বাহুল্য দোষ”।

    উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯); ভাষা শিক্ষা - ড. হায়াৎ মামুদ।

    ১৪৯.
    ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস সাধিত শব্দের উদাহরণ কোনটি?
    1. জনাকীর্ণ
    2. মধুমাখা
    3. খেয়াঘাট
    4. রক্তসিক্ত
    সঠিক উত্তর:
    খেয়াঘাট
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    খেয়াঘাট
    ব্যাখ্যা

    ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস:
    - পূর্বপদে যষ্ঠী বিভক্তির (র, এর) লোপ হয়ে যে সমাস হয়, তাকে যষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস বলে।

    যথা:
    - চায়ের বাগান = চাবাগান,
    - রাজার পুত্র = রাজপুত্র,
    - খেয়ার ঘাট = খেয়াঘাট।

    অন্যদিকে,
    তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস :
    যে সমাসে পূর্বপদে তৃতীয়া বিভক্তির (দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক, তে ইত্যাদি) লোপ পায়, তাকে বলা হয় তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস।
    যেমন:
    - জন দ্বারা আকীর্ণ = জনাকীর্ণ;
    - ঈশ্বর কর্তৃক দত্ত = ঈশ্বরদত্ত;
    - মধু দিয়ে মাখা = মধুমাখা;
    - শ্রম দ্বারা লব্ধ = শ্রমলব্ধ;
    - লাঠি দ্বারা খেলা = লাঠিখেলা;
    - রক্ত দ্বারা সিক্ত = রক্তসিক্ত;
    - ধামা দ্বারা চাপা = ধামাচাপা;
    - অস্ত্র দ্বারা উপচার = অস্ত্রোপাচার;
    - স্বনাম দ্বারা ধন্য = স্বনামধন্য ইত্যাদি।

    উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।

    ১৫০.
    'অন্ন' শব্দের দ্বারা 'মিষ্টান্ন' না বুঝিয়ে 'ভাত' বোঝালে অর্থের কী ধরনের পরিবর্তন হয়?
    1. অর্থ বদল
    2. অর্থ প্রসার 
    3. অর্থ সংকোচ
    4. অর্থের ভাবার্থ
    সঠিক উত্তর:
    অর্থ সংকোচ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    অর্থ সংকোচ
    ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর- গ) অর্থ সংকোচ।
    -------------

    অর্থসংকোচ: 
    অর্থসংকোচের ফলে একটি শব্দের পূর্ববর্তী অর্থের ব্যাপ্তি কমে। যেমন এক সময়ে 'মৃগ' শব্দের দ্বারা সকল পশুকে বোঝানো হতো । এর উদাহরণ পাওয়া যায়-
    'মৃগয়া', 'মৃগরাজ' প্রভৃতি শব্দের অর্থে । শব্দ দুটির অর্থ যথাক্রমে পশুশিকার ও পশুদের রাজা ৷ কিন্তু অর্থ সংকোচনের ফলে 'মৃগ'র অর্থ দাড়িয়েছে কেবল হরিণ।

    আবার,
    এক সময়ে 'অন্ন' বলতে বোঝানো হতো যে-কোনো খাদ্য (মিষ্টান্ন, পলান্ন) ৷ কিন্তু এখন 'অন্ন' বলতে বোঝানো হয় ভাত।

    উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

    ১৫১.
    কোন বানানটি অশুদ্ধ?
    1. নির্নিমেষ
    2. পটিয়সী
    3. ভস্মীভূত
    4. ইতঃপূর্বে
    সঠিক উত্তর:
    পটিয়সী
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    পটিয়সী
    ব্যাখ্যা

    • বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
    'পটিয়সী' - অশুদ্ধ বানান।

    • 'পটিয়সী' এর শুদ্ধ বানান: পটীয়সী।
    -----------------------
    • 'পটীয়ান' শব্দের অর্থ:
    - অত্যন্ত পটু, সুদক্ষ।

    • 'পটীয়ান' এর স্ত্রীবাচক শব্দ - পটীয়সী।
    ----------------

    অন্যদিকে,
    কণ্ঠস্থ, ভস্মীভূত, ইতঃপূর্বে - বানানগুলো শুদ্ধ।

    উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

    ১৫২.
    কাজী নজরুল ইসলাম 'মানুষ' কবিতায় কোন তিন ঐতিহাসিক চরিত্রের নাম স্মরণ করেছেন?
    1. আকবর, শাহজাহান, আওরঙ্গজেব
    2. গজনি মামুদ, চেঙ্গিস, কালাপাহাড়
    3. নেপোলিয়ন, সিকান্দার, চেঙ্গিস
    4. তৈমুর লং, বাবর, হুমায়ুন
    সঠিক উত্তর:
    গজনি মামুদ, চেঙ্গিস, কালাপাহাড়
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    গজনি মামুদ, চেঙ্গিস, কালাপাহাড়
    ব্যাখ্যা

    • ‘মানুষ’ কবিতায় কবি কাজী নজরুল ইসলাম — 'গজনি মামুদ', 'চেঙ্গিস', 'কালাপাহাড়' এর নাম স্মরণ করেছেন।
    - এখানে কবি কালা পাহাড়কে প্রচলিত ধর্ম ও সংস্কার-বিদ্বেষী ছিলেন বলে স্মরণ করেছেন।

    মানুষ- কবিতা,
    – কাজী নজরুল ইসলাম।

    ‘আশিটা বছর কেটে গেল, আমি ডাকিনি তোমায় কভু,
    আমার ক্ষুধার অন্ন তা’বলে বন্ধ করনি প্রভু!
    তব মসজিদ-মন্দিরে প্রভু নাই মানুষের দাবি,
    মোল্লা-পুরুত লাগায়েছে তার সকল দুয়ারে চাবি!’
    কোথা চেঙ্গিস, গজনি-মামুদ, কোথায় কালাপাহাড়?
    ভেঙে ফেল ঐ ভজনালয়ের যত তালা-দেওয়া-দ্বার!
    খোদার ঘরে কে কপাট লাগায়, কে দেয় সেখানে তালা?
    সব দ্বার এর খোলা রবে, চালা হাতুড়ি-শাবল চালা!

    --------------------------------
    • কাজী নজরুল ইসলাম:
    - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
    - কাজী নজরুল ইসলাম ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
    - নজরুলের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’।
    - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’।
    - কাজী নজরুল ইসলাম আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।

    কাজী নজরুলের কাব্যগ্রন্থ -
    - অগ্নিবীণা
    - সঞ্চিতা
    - চিত্তনামা
    - মরুভাস্কর
    - প্রলয় শিখা
    - নির্ঝর
    - ভাঙার গান
    - সর্বহারা
    - ফণি-মনসা
    - চক্রবাক
    - সাম্যবাদী
    - ছায়ানট
    - পুবের হাওয়া
    - জিঞ্জির
    - বিষের বাঁশি
    - দোলনচাঁপা
    - চন্দ্ৰবিন্দু
    - সিন্ধু হিন্দোল
    - নতুন চাঁদ ইত্যাদি

    উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, এবং ‘মানুষ’ কবিতা।

    ১৫৩.
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়-এর 'কেউ কথা রাখেনি' কবিতায় “চন্দ্রভূক অমাবস্যা” দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
    1. মানসিক শূন্যতা
    2. প্রাচুর্যের দিন 
    3. দীর্ঘ সময়ের প্রতীক্ষা
    4. পূজার আয়োজন
    সঠিক উত্তর:
    দীর্ঘ সময়ের প্রতীক্ষা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    দীর্ঘ সময়ের প্রতীক্ষা
    ব্যাখ্যা

    • সঠিক উত্তর: গ) দীর্ঘ সময়ের প্রতীক্ষা।

    ব্যাখ্যা:
    • “চন্দ্রভূক অমাবস্যা” সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘কেউ কথা রাখেনি’ কবিতায় একটি অত্যন্ত শক্তিশালী রূপক। এটি কবির সৃষ্ট এক কাব্যিক শব্দবন্ধ, যা জ্যোতির্বিদ্যা ও পুরাণের উপাদানকে গভীর আবেগের সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছে।

    • চন্দ্রভূক: সংস্কৃত জাত শব্দ, যার অর্থ — "যে চাঁদকে ভক্ষণ করে"। এটি রাহু-কে নির্দেশ করে, যা পুরাণ অনুযায়ী  চাঁদকে গ্রাস করে (যেমন চন্দ্রগ্রহণে)।
    • অমাবস্যা: চাঁদহীন রাত, অন্ধকার, অভাব, শেষ — এই সবের প্রতীক।

    অর্থাৎ, “চন্দ্রভূক অমাবস্যা” হলো এমন অমাবস্যা যেখানে চাঁদ শুধু নেই, তা-ই নয় বরং তা গ্রাস করা হয়েছে — অর্থাৎ আশা নিঃশেষিত, প্রত্যাশা ধ্বংসপ্রাপ্ত।

    কবিতার প্রেক্ষাপট:
    “কেউ কথা রাখেনি, তেত্রিশ বছর কাটলো, কেউ কথা রাখেনি
    ছেলেবেলায় এক বোষ্টুমী তার আগমনী গান হঠাৎ থামিয়ে বলেছিল
    শুক্লা দ্বাদশীর দিন অন্তরাটুকু শুনিয়ে যাবে,
    তারপর কত চন্দ্রভূক অমাবস্যা চলে গেলো, কিন্তু সেই বোষ্টুমী আর এলোনা
    পঁচিশ বছর প্রতীক্ষায় আছি। "

    • এখানে কথক বহু বছর ধরে একটি প্রতিশ্রুতির জন্য অপেক্ষা করছে — যে প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি। অর্থাৎ, বোষ্টুমীর প্রতিশ্রুত গানের অন্তরা শোনার জন্য কবি অপেক্ষা করছেন, কিন্তু অনেক অমাবস্যা (অর্থাৎ অনেক মাস বা বছর) পার হয়ে গেলেও সে আসেনি। প্রতিটি অমাবস্যা যেন আশাকে আরও গ্রাস করে ফেলছে, অন্ধকারকে আরও ঘন করে তুলছে।

    • রূপকটি কবিতার মূল থিমের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত: যেখানে শৈশব থেকে যৌবন পর্যন্ত (তেত্রিশ বছর) একের পর এক প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের মধ্যে দীর্ঘ-নিষ্ফল প্রতীক্ষা এবং তার ফলে জমে ওঠা নিরাশা প্রকাশ পেয়েছে। এই “চন্দ্রভূক অমাবস্যা” দ্বারা কবি সেই অন্ধকার, নিরাশা ও দীর্ঘ প্রতীক্ষার বার্তা দিচ্ছেন। প্রতিটি অমাবস্যা যেন আশাকে গ্রাস করে ফেলছে — তবুও সে অপেক্ষা করে যাচ্ছে। এটি কেবল মানসিক শূন্যতা" নয়, কারণ শূন্যতার চেয়ে এখানে সময়ের দীর্ঘ যাত্রা ও প্রতীক্ষার ব্যর্থতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ — যেখানে প্রতিটি চক্র আলোর পরিবর্তে আরও অন্ধকার নিয়ে আসে, তবু কথক অপেক্ষা করে যান।

    • এই পঙ্‌ক্তিতে স্পষ্টভাবে দীর্ঘকাল ধরে প্রতীক্ষা করেও কিছু না পাওয়ার বেদনা প্রকাশ পেয়েছে। তাই এখানে “চন্দ্রভূক অমাবস্যা” রূপক হিসেবে দীর্ঘকালীন প্রতীক্ষা নির্দেশ করছে।

    উৎস: 'কেউ কথা রাখেনি' কবিতা সাহিত্য পাঠ।

    ১৫৪.
    "নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা।" - এটা কোন ধরনের পল্লীসাহিত্য?
    1. প্রবাদবাক্য
    2. ছড়ার গান
    3. খনার বচন
    4. ডাকের কথা
    সঠিক উত্তর:
    প্রবাদবাক্য
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    প্রবাদবাক্য
    ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: ক) প্রবাদবাক্য।

    ব্যাখ্যা:
    “নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা” একটি প্রবাদবাক্য (প্রবাদ)।

    এটি গ্রামীণ/পল্লী জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে উদ্ভূত একটি লোকোক্তি যা লোকমুখে প্রচলিত।
    অর্থ: কোনো কাজে দক্ষতা না থাকলে দোষটা কাজের বা পরিবেশের ওপর চাপানো হয় (যেমন: নাচতে না পারলে দোষ উঠানের বাঁকা হওয়ার)।
    এ ধরনের বাক্য সংক্ষিপ্ত, ব্যঙ্গাত্মক এবং জীবনের সত্যকে ধরিয়ে দেয় — যা প্রবাদের মূল বৈশিষ্ট্য।

    অন্য অপশন বিশ্লেষণ:
    খ) ছড়ার গান → এগুলো শিশুতোষ, ছন্দোবদ্ধ, গানের মতো করে গাওয়া হয় (যেমন: আকাশে চাঁদ উঠেছে রে...)। এটা গান নয়।

    গ) খনার বচন → খনা নামে পরিচিত একজন নারীর নামে প্রচলিত কৃষি-সম্পর্কিত উপদেশমূলক বচন (যেমন: 'কলা রুয়ে না কেটো পাত, তাতেই কাপড় তাতেই ভাত')

    ঘ) ডাকের কথা → ডাক (লোককবি ডাক) নামে পরিচিত একজনের নামে প্রচলিত কৃষি-আবহাওয়া-সম্পর্কিত লোককথা/উক্তি।

    সুতরাং এটি পল্লীসাহিত্যের প্রবাদবাক্য। 

    উৎস: 
    বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; 
    বাংলাপিডিয়া।

    ১৫৫.
    রামরাম বসুর 'রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র' গ্রন্থটি কেন ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহন করে?
    1. বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস লেখার প্রচেষ্টা
    2. বাংলা গদ্যের প্রথম দিকের পাঠ্যপুস্তক
    3. প্রথম জীবনী গ্রন্থ
    4. প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ
    সঠিক উত্তর:
    বাংলা গদ্যের প্রথম দিকের পাঠ্যপুস্তক
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বাংলা গদ্যের প্রথম দিকের পাঠ্যপুস্তক
    ব্যাখ্যা

    • রামরাম বসু:
    - রামরাম বসু- ১৭৫৭ সালে হুগলির চুঁচুড়ায় জন্মগ্রহণ করেন।
    - কেরী সাহেবের মুনশি হিসাবে খ্যাত ছিলেন রামরাম বসু।
    - 'লিপিমালা' রচনা করেছেন- রামরাম বসু।
    - ১৮০১ সালের মে মাসে ফোর্ট উইলিয়ম কলেজে কেরীর অধীনে বাংলা বিভাগের সূচনা হলে, রামরাম সেখানে সহকারী মুন্সি হিসেবে নিযুক্ত হন।
    - রামরাম বসু রচিত গ্রন্থ 'রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র' (১৮০১)।

    • "রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র" রচনার প্রেক্ষাপট:

    - ১৮০১ সালের মে মাসে ফোর্ট উইলিয়ম কলেজে কেরীর অধীনে বাংলা বিভাগের সূচনা হলে, রামরাম বসু সেখানে সহকারী মুন্সি হিসেবে নিযুক্ত হন। ৭ আগস্ট ১৮১৩ সালে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত রামরাম এ কাজে নিযুক্ত ছিলেন।

    - কলেজে নিযুক্ত হওয়ার মাত্র দুমাস পরেই ছাত্রদের পাঠ্যপু্স্তক হিসেবে তিনি বারো ভুঁইয়াদের একজন - প্রতাপাদিত্যের জীবন নিয়ে একটি গ্রন্থ রচনা করেন। এর নাম রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র। ১৮০১ সালের জুলাই মাসে গ্রন্থটি শ্রীরামপুর প্রেস থেকে প্রকাশিত হয়। এ গ্রন্থের জন্যে তিনি কলেজের কাউন্সিল থেকে পুরস্কৃত হয়েছিলেন।

    পরের বছর তিনি বিভিন্ন কাজের উপযোগী চিঠিপত্রের একটি আদর্শ সংকলন প্রকাশ করেন। এর নাম লিপিমালা। এ দুটি গ্রন্থ ছাড়া, তিনি গদ্যে-পদ্যে আরও কয়েকটি পুস্তিকা লিখেছিলেন, যেগুলিকে এক কথায় বলা যায়, খ্রিস্টীয় সাহিত্য।

    উৎস: বাংলাপিডিয়া।

    ১৫৬.
    'আমি কোনো আগন্তুক নই'- কবিতায় কবির অস্তিত্বে কী গাঁথা আছে? 
    1. জলজ বাতাস
    2. ধু ধু নদীর কিনার
    3. স্নিগ্ধ মাটির সুবাস
    4. কার্তিকের ধান
    সঠিক উত্তর:
    ধু ধু নদীর কিনার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ধু ধু নদীর কিনার
    ব্যাখ্যা

    আহসান হাবীব:
    - তিনি ১৯১৭ সালে পিরোজপুর জেলার শঙ্করপাশা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
    - তিনি মূলত কবি ও সাংবাদিক ছিলেন।
    - তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের নাম 'রাত্রিশেষ' (১৯৪৭)।

    'আমি কোন আগন্তুক নই' কবিতা:
    - 'আমি কোন আগন্তুক নই' কবিতাটি আহসান হাবীব রচনা করেন।
    - কবিতাটি 'দু'হাতে দুই আদিম পাথর' (১৯৮০) কাব্যগ্রন্থের শেষ কবিতা।
    - কবিতাতে শহুরে মানুষের গ্রামে ফেরার কথা আছে। গ্রামীণ অনুষঙ্গসমূহ এই শহুরে মানুষকে সন্দেহ না করলেও সেই মানুষ সাক্ষী মানছে গ্রামীণ নানা কিছু।
    - 'আমি কোন অভ্যাগত নই' একথা বোঝাতে শহুরে মানুষ তাই বলছে: 'আসমানের তারা সাক্ষী, সাক্ষী এই জমিনের ফুল .....' ইত্যাদি।

    তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
    - মেঘ বলে চৈত্রে যাবো,
    - দু'হাতে দুই আদিম পাথর,
    - ছায়া হরিণ,
    - সারা দুপুর,
    - বিদীর্ণ দর্পণে মুখ।

    কবিতাটির কিছু অংশ- 

    আমাকে বিশ্বাস করো, আমি কোনো আগন্তুক নই।
    দু’পাশে ধানের ক্ষেত
    সরু পথ
    সামনে ধু ধু নদীর কিনার আমার অস্তিত্বে গাঁথা।
    আমি এই উধাও নদীর
    মুগ্ধ এক অবোধ বালক।

    অর্থ্যাৎ, 'আমি কোনো আগন্তুক নই'- কবিতায় কবির অস্তিত্বে - ধু ধু নদীর কিনার গাঁথা আছে।

    উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; 'আমি কোন আগন্তুক নই' কবিতা।

    ১৫৭.
    বাংলা সাহিত্যের সর্বকনিষ্ঠ শাখা কোনটি?
    1. কাব্য
    2. নাটক
    3. ছোটোগল্প
    4. উপন্যাস
    সঠিক উত্তর:
    ছোটোগল্প
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ছোটোগল্প
    ব্যাখ্যা

    • বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের অন্যতম উপাদান ও আধুনিকতম/সর্বকনিষ্ঠ শাখা হলো — ছোটোগল্প।

    • 'ছোটগল্প' সম্পর্কিত আরো কিছু তথ্য:
    - ছোটগল্প বিশেষ গদ্যরচনা, যা কথা সাহিত্যের অন্তর্গত। 
    - বাংলা সাহিত্যে এর আবির্ভাব উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে।
    - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের হাত ধরে বাংলা সাহিত্যে ছোটগল্প স্থান লাভ করে বিধায় তাকে ছোটগল্পের জনক বলা হয়।
    - ছোটগল্প বলতে সাধারণত তাকেই বোঝায় যা আধঘণ্টা থেকে এক বা দুঘণ্টার মধ্যে এক নাগাড়ে পড়ে শেষ করা যায়।
    - তবে আকারে ছোট হলেই তাকে ছোটগল্প বলা যাবে না।
    - কারণ ছোটগল্পের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এতে বিন্দুতে সিন্ধুর বিশালতা থাকতে হবে, অর্থাৎ অল্প কথায় অধিক ভাব ব্যক্ত করতে হবে।

    রবীন্দ্রনাথ ছোটগল্পের বিষয় ও রীতি সম্বন্ধে তাঁর 'বর্ষাযাপন' কবিতায় বলেছেন—

    “ছােটো প্রাণ, ছােট ব্যথা ছােটো ছােটো দুঃখ কথা
    নিতান্তই সহজ সরল,
    সহস্র বিস্মৃতি রাশি প্রত্যহ যেতেছে ভাসি
    তারি দু-চারিটি অশ্রুজল।
    নাহি বর্ণনার ছটা ঘটনার ঘনঘটা
    নাহি তত্ত্ব, নাহি উপদেশ।
    অন্তরে অতৃপ্তি রবে, সাঙ্গ করি মনে হবে
    শেষ হয়ে হইল না শেষ।”

    উল্লেখ্য,
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত ছোটগল্পের নাম ভিখারিণী। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম ছোটগল্প।
    আবার, বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ছোটগল্প দেনা পাওনা।

    অন্যদিকে,
    • বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রাচীনতম শাখা কাব্য।
    - 'চর্যাপদ' বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যগ্রন্থ/কবিতা সংকলন/ গানের সংকলন। যা বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন।
    - এটি বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন।

    • নাটক - মধ্যযুগ থেকে (যাত্রা, পালা ইত্যাদি)।

    • উপন্যাস - ১৮৫২-৫৮ সালে (হানা ক্যাথারিন ম্যালেন্স রচিত "ফুলমণি ও করুণার বিবরণ" বা প্যারীচাঁদ মিত্রের "আলালের ঘরের দুলাল")।

    উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।

    ১৫৮.
    ‘চরিত্রহীন’ উপন্যাসের নায়িকা চরিত্র কোনটি?
    1. ভারতী
    2. কিরণময়ী
    3. রাজলক্ষ্মী
    4. অচলা
    সঠিক উত্তর:
    কিরণময়ী
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কিরণময়ী
    ব্যাখ্যা

    • 'চরিত্রহীন' উপন্যাস:
    - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত 'চরিত্রহীন' উপন্যাসটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯১৭ সালে। প্রথা বহির্ভূত প্রেম ও নারীপুরুষের সম্পর্ক নিয়ে এটি রচিত। উপন্যাসের নামকরণ তাই চরিত্রহীন।

    - গল্পটিতে চারটি নারী চরিত্র রয়েছে। প্রধান দুটি নারী চরিত্রের নাম — সাবিত্রী ও কিরণময়ী। 
    - ছোট দুটি নারী চরিত্রের নাম সুরবালা ও সরোজিনী। সাবেক দুই চরিত্রহে (চরিত্রহীন) হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। উপন্যাসের সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হচ্ছে যে চারটি চরিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন।

    উপন্যাসের চরিত্রগুলোর বর্ণনা:
    সাবিত্রী চরিত্রটি বিশুদ্ধ, সে তার ভালবাসার মানুষ সতীশ-এর প্রতি অনুগত। সুরবালা উপেন্দ্রনাথের স্ত্রী। তিনি বয়সে তরুণ, ধর্মীয় গ্রন্থগুলিতে অন্ধবিশ্বাসের কারণে তার চরিত্রও চিত্তাকর্ষক। সরোজিনী পাশ্চাত্য শৈলীতে শিক্ষিত এবং চিন্তা-ভাবনায় অগ্রসর কিন্তু পারিবারিক পরিস্থিতিত এবং একটি জাদরেল মা দ্বারা তার জীবনযাপন অবরুদ্ধ। সরোজিনী শেষতক সতীশকে বিয়ে করেন। উপন্যাসের সবচেয়ে আকর্ষণীয় চরিত্র কিরণময়ী। তরুণ এবং অত্যন্ত সুন্দরী, বুদ্ধিমতী। তবে তার আবেগ ও আকাঙ্ক্ষাগুলি সর্বদা বিবাহিত বিষয়গুলির তুলনায় স্বামীকে শিক্ষাদান করার জন্য এবং স্বামী ও শাশুড়ীর দ্বারা সর্বদা দমিত হয়।

    অন্যদিকে,
    • 'পথের দাবী' উপন্যাসের চরিত্র - ভারতী, সব্যসাচী ওরফে ডাক্তার সাহেব।
    • 'শ্রীকান্ত' উপন্যাসের চরিত্র- ইন্দ্রনাথ, রাজলক্ষ্মী, অভয়া, গহর প্রমুখ।
    • 'গৃহদাহ' উপন্যাসের চরিত্র- অচলা, মহিম, সুরেশ।

    উৎস: "চরিত্রহীন" উপন্যাস এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

    ১৫৯.
    বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন চর্যাপদে মোট কতটি পদ পাওয়া গেছে? 
    1. সাড়ে ৪৭টি
    2. সাড়ে ৪৪টি
    3. সাড়ে ৪৬টি
    4. সাড়ে ৪৮টি
    সঠিক উত্তর:
    সাড়ে ৪৬টি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সাড়ে ৪৬টি
    ব্যাখ্যা

    • চর্যাপদে মোট - সাড়ে ৪৬টি (একটি পদের ছেঁড়া বা খণ্ডিত অংশসহ) পদ পাওয়া গেছে।

    -----------------
    • 'চর্যাপদ' সম্পর্কিত কিছু তথ্য:
    - বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনযুগের একমাত্র নিদর্শনের নাম চর্যাচর্যবিনিশ্চয় বা চর্যাগীতিকোষ বা চর্যাগীতি বা চর্যাপদ।
    - চর্যাপদ গানের সংকলন।
    - চর্যাপদের বিষয়বস্তু বৌদ্ধ ধর্ম মতে সাধনভজনের তত্ত্ব প্রকাশ।
    - চর্যাগুলো বৌদ্ধ সহজিয়াগণ রচনা করেন।
    - মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কর্তৃক নেপালের রয়েল লাইব্রেরি থেকে, ১৯০৭ সালে আবিষ্কৃত হয় বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ।

    আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
    • চর্যাপদে মোট সাড়ে ছেচল্লিশটি (একটি পদের ছেঁড়া বা খণ্ডিত অংশসহ) পদ পাওয়া গেছে।
    - চর্যাপদে ২৩নং পদটি খণ্ডিত আকারে পাওয়া গেছে।
    - চর্যাপদের সর্বোচ্চ পদ রচয়িতা - কাহ্নপা। তাঁর রচিত পদের সংখ্যা (১৩টি)।
    - চর্যাপদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদ রচয়িতা - ভুসুকুপা। তাঁর রচিত পদের সংখ্যা (৮টি)।
    - চর্যাপদের তৃতীয় সর্বোচ্চ পদ রচয়িতা - সরহপা। তাঁর রচিত পদের সংখ্যা (৪টি)।
    - চর্যাপদের চতুর্থ সর্বোচ্চ পদ রচয়িতা - কুক্কুরীপা। তাঁর রচিত পদের সংখ্যা (৩টি)।

    উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলাপিডিয়া।

    ১৬০.
    কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা নয়?
    1. চতুরঙ্গ
    2. চয়নিকা
    3. জীবনস্মৃতি
    4. সংস্কৃতির সংকট
    সঠিক উত্তর:
    সংস্কৃতির সংকট
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সংস্কৃতির সংকট
    ব্যাখ্যা

    • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
    - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫শে বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
    - তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
    - তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
    - তিনি ছিলেন প্রকৃত অর্থেই অসামান্য প্রতিভাধর ব্যক্তি। বাল্যকালেই তাঁর কবি প্রতিভার উন্মেষ ঘটে।
    - মাত্র পনের বছর বয়সে তাঁর 'বনফুল' কাব্য প্রকাশিত হয় এবং এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের জন্য ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
    - ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২শে শ্রাবণ, ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ) জোড়াসাঁকোর বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

    'চতুরঙ্গ' উপন্যাস:
    -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত উপন্যাস- চতুরঙ্গ।
    - এটি প্রকাশিত হয় ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে।
    - এটি সাধু ভাষায় লিখিত রবীন্দ্রনাথের সর্বশেষ উপন্যাস।

    • 'চয়নিকা' রচনা সংকলন:
    - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম রচনা সংকলন 'চয়নিকা'। 
    - প্রকাশিত হয় ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে। 
    - এলাহবাদের ইন্ডিয়ান প্রেস থেকে পাঁচকরি মিত্র কর্তৃক মুদ্রিত এবং শ্রীচারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় কর্তৃক প্রকাশিত। 
    - প্রথম সংস্করণে ১৩০ টি কবিতা ছিল। 

    • 'জীবনস্মৃতি' আত্মজীবনী:
    - 'জীবনস্মৃতি' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত আত্মজীবনী। 
    - এটি প্রকাশিত হয় ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দে। 
    - এখানে রবীন্দ্রনাথের বাল্যকাল থেকে পঁচিশ বছর বয়স পর্যন্ত কালের কাহিনি ও ঘটনা বর্ণনা করা হয়েছে। 
    - আত্মজীবনী রচনার প্রচলিত নিয়ম ভেঙ্গে রবীন্দ্রনাথ এ গ্রন্থে নতুন ধারা সৃষ্টি করেছেন।

    অন্যদিকে,
    • 'সংস্কৃতির সংকট' — বদরুদ্দীন উমর রচিত একটি প্রবন্ধ ও গবেষণা গ্রন্থ। 
    - গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৬৭ সালে।  

    উৎস:
    ১. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
    ২. বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
    ৩. বাংলাপিডিয়া।

    ১৬১.
    কপোতাক্ষ নদ- কবিতায় "সতত, হে নদ তুমি পড় মোর মনে" এ পঙ্‌ক্তিটির মধ্যে কোন ভাবটি ফুটে উঠেছে?
    1. ভ্রান্তির ছলনা
    2. স্মৃতিকাতরতা
    3. মায়ের স্লেহডোর
    4. স্বদেশপ্রেম
    সঠিক উত্তর:
    স্মৃতিকাতরতা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    স্মৃতিকাতরতা
    ব্যাখ্যা

    • 'কপোতাক্ষ নদ’ কবিতা সম্পর্কিত কিছু তথ্য: 
    - কপোতাক্ষ নদ’ কবিতাটি কোন কাব্য গ্রন্থ মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'চতুর্দশপদী কবিতাবলী' কাব্য গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।
    - কপোতাক্ষ নদ’ কবিতাটি সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা।
    - কপোতাক্ষ নদ’ কবিতাটি রচনা কালে কবি ফ্রান্সে অবস্থান করেছিলেন।
    -‘কপোতাক্ষ নদ’ এর মূলভাব হলো স্মৃতিকাতরতা, এই স্মৃতিকাতরতা যদি কেন্দ্রিক হলেও তা আসলে স্বদেশপ্রেমের সঙ্গে যুক্ত।

    - ফ্রান্সে বসে দেশের নদী কপোতাক্ষের কথা কবির মনে পড়ে। বহু দেশের বিচিত্র নদী কবি দেখেছেন। কিন্তু ওই নদীর তুলনা আর কোথাও পাননি। 

    - এ কবিতায় কবির শৈশবে দেখা কপোতাক্ষ নদের প্রতি ভালোবাসার অন্তরালে স্বদেশপ্রেমের বিষয়টি প্রকাশিত হয়েছে। সাময়িক মোহে পাশ্চাত্য সাহিত্যে আত্মপ্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হয়ে প্রবাস জীবনে স্বদেশের প্রতি অনুরাগের স্বরূপ তাঁর স্মৃতি বিজড়িত বর্ণনায় স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। কবির আকূল আকুতি কপোতাক্ষ নদ যেন তাঁর স্বদেশের প্রতি হৃদয়ের কাতরতা বঙ্গবাসীর নিকট ব্যক্ত করে।

    কপোতাক্ষ নদ- কবিতা,
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত। 

    সতত, হে নদ তুমি পড় মোর মনে
    সতত তোমার কথা ভাবি এ বিরলে।
    সতত যেমনি লোক নিশার স্বপনে
    শোনে মায়া যন্ত্র ধ্বনি তব কলকলে
    জুড়াই এ কান আমি ভ্রান্তির ছলনে। (সংক্ষেপিত)। 
    -------------------

    • সতত, হে নদ তুমি পড় মোর মনে- লাইনটিতে, 
    এটি স্পষ্টভাবে স্মৃতিকাতরতা প্রকাশ করে — অর্থাৎ অতীতের স্মৃতিতে বিহ্বল হয়ে ওঠা, বারবার মনে পড়া, আকুলতা ও বেদনার সঙ্গে স্মৃতির পুনরাবৃত্তি।

    উল্লেখ্য,
    ঘ) স্বদেশপ্রেম → কবিতার সামগ্রিক ভাবে স্বদেশপ্রেম আছে ঠিকই, কিন্তু এই নির্দিষ্ট পঙক্তিটিতে প্রধানত স্মৃতিকাতরতা ফুটে উঠেছে।

    সুতরাং এই পঙ্‌ক্তিতে সবচেয়ে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে: স্মৃতিকাতরতা।

    উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

    ১৬২.
    'ইন্দিরা' উপন্যাসটি - কার রচনা?
    1. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    2. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    3. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় 
    4. বুদ্ধদেব বসু
    সঠিক উত্তর:
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    ব্যাখ্যা

    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
    - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক, বাংলার নবজাগরণের অন্যতম প্রধান পুরুষ।
    - ১৮৩৮ সালে চবিবশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
    - বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে।
    - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম উপন্যাস 'রাজমোহনস ওয়াইফ'। উপন্যাসটি ইংরেজিতে লেখা।
    - তাঁর রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী' প্রকাশিত হয় ১৮৬৫।

    'ইন্দিরা' উপন্যাস সম্পর্কিত আলোচনা:
    - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস - ইন্দিরা।
    - ইন্দিরা ছোট উপন্যাস, অনেকে বলেন বড়ো গল্প।
    - ১৮৭২ সালে 'বঙ্গদর্শনে' প্রথম প্রকাশিত এবং 'উপকথা' (১৮৭৭) গ্রন্থে সংকলিত।
    - ১৮৯৩ সালে পুনর্লিখিত এবং পরিবর্ধিত হয়।

    এই উপন্যাসের কাহিনিটি উত্তমপুরুষের বয়ানে রচিত। কৌতুক-পরিহাসপূর্ণ উপভোগ্য কাহিনি 'ইন্দিরা'। অনেকের মতে, বঙ্কিমচন্দ্রের কালে শিল্পমাধ্যম হিসেবে ছোটগল্পের অস্তিত্ব ছিলো না বলে তিনি একটি গল্পের বিষয়কে উপন্যাসে রূপ দিতে গিয়েছেন। তাঁদের মতে, 'ইন্দিরা' বাংলা ছোটগল্পের ইঙ্গিত, সূচনার বার্তাবহ।
    -------------

    তাঁর রচিত উপন্যাস:
    - কপালকুণ্ডলা,
    - মৃণালিনী,
    - বিষবৃক্ষ,
    - যুগলাঙ্গুরীয়,
    - চন্দ্রশেখর,
    - রাধারানী,
    - রজনী,
    - কৃষ্ণকান্তের উইল,
    - রাজসিংহ।

    উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

    ১৬৩.
    'বড়র পিরীতি বালির বাঁধ! ক্ষণে হাতে দড়ি, ক্ষনেকে চাঁদ।' - মধ্যযুগের কোন লেখক এই বিখ্যাত উক্তিটি করেছেন?
    1. বিদ্যাপতি
    2. চণ্ডীদাস 
    3. জ্ঞানদাস
    4. ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
    সঠিক উত্তর:
    ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
    ব্যাখ্যা

    • 'বড়র পিরীতি বালির বাঁধ! ক্ষণে হাতে দড়ি, ক্ষনেকে চাঁদ।' — এই বিখ্যাত উক্তিটির রচয়িতা ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ।

    -------------------
    • 'অন্নদামঙ্গল' কাব্য:
    - নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্ররে আদেশে ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যটি রচনা করেন।
    - ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর বেশ কিছু গ্রন্থ রচনা করলেও তাঁর শ্রেষ্টসৃষ্টি 'অন্নদামঙ্গল' (১৭৫২-৫৩ সালে) রচনা করেন ও এই কাব্যের দ্বিতীয়ংশ 'বিদ্যাসুন্দর'।
    - 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যের বৈশিষ্ট্য হলো ছন্দ ও অলঙ্কারের সুদক্ষ প্রয়োগ।
    - সমালোচক অধ্যাপক অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে: 'অন্নদামঙ্গলকাব্য অষ্টদশ শতাব্দীর সর্বশ্রেষ্ঠ কাব্য, সমগ্র বাংলা সাহিত্যের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের অন্যতম।

    • অন্নদামঙ্গল কাব্য ৩টি খণ্ডে বিভক্ত। 
    যথা:
    শিবনারায়ণ, কালিকামঙ্গল এবং মানসিংহ-ভবানন্দ খণ্ড।

    • এই কাব্যের প্রধান চরিত্র:
    - মানসিংহ,
    - ভবানন্দ,
    - বিদ্যাসুন্দর,
    - মালিনী,
    - ঈশ্বরী পাটনী ইত্যাদি।

    • অন্নদামঙ্গল কাব্যের কিছু বিখ্যাত উক্তি হলো:
    - 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে।'
    - 'মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন।'
    - 'হাভাতে যদ্যপি চায় সাগর শুকায়ে যায়।'
    - 'নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়?'
    - 'না রবে প্রাসাদগুণ না হবে রসাল, অতএব কহি ভাষা যাবনী মিশাল।'
    - 'বড়র পিরীতি বালির বাঁধ! ক্ষণে হাতে দড়ি, ক্ষনেকে চাঁদ।'

    উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

    ১৬৪.
    উনিশ শতকের পত্রিকা নয় কোনটি?
    1. বঙ্গদর্শন
    2. তত্ত্ববােধিনী
    3. সংবাদ প্রভাকর
    4. কল্লোল
    সঠিক উত্তর:
    কল্লোল
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কল্লোল
    ব্যাখ্যা

    • 'কল্লোল'  উনিশ শতকের পত্রিকা নয়।
    - এটি বিশ শতকের পত্রিকা। 

    • 'কল্লোল' পত্রিকা:
    - ১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দে আধুনিক লেখকদের সাহিত্যিক মুখপত্র হিসেবে কলকাতা থেকে মাসিক ‘কল্লোল’ প্রকাশিত হয়।
    - এ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ।
    - 'কল্লোল' পত্রিকায় নিয়মিত লিখতেন অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত, শৈলজানন্দ মুখােপাধ্যায়, বুদ্ধদেব বসু, প্রেমেন্দ্র মিত্র, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ।
    - এই পত্রিকাকে কেন্দ্র করে স্বতন্ত্র সাহিত্যিক বলয় তৈরী হয়েছিল এবং ‘কল্লোল যুগ’ নামে আলাদা একটি যুগের সৃষ্টি হয়।

    ------------------
    অন্যদিকে,
    বঙ্গদর্শন পত্রিকা:
    - ১৮৭২ সালে  বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৩৮-১৮৯৪) কর্তৃক 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
    - উনিশ শতকের  বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, বিশেষত বাংলা গদ্যের গঠনে এর অবদান অবিস্মরণীয়।
    - পত্রিকাটি ১৮৭৬ পর্যন্ত মাত্র চার বছর প্রকাশিত হয়।
    ------------------
    • তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা:
    - তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা ব্রাহ্মসমাজের তত্ত্ববোধিনী সভার মুখপত্র।
    - ১৮৪৩ সালের ১৬ আগস্ট দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের পৃষ্ঠপোষকতায় ও অক্ষয়কুমার দত্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা।
    - এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর।
    -----------------
    • সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা:
    - 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত।
    - তিনি ১৮৩১ সালে সংবাদ প্রভাকর (সাপ্তাহিক) পত্রিকা প্রতিষ্ঠা করেন।
    - ১৮৩৯ সাল থেকে এটি দৈনিক পত্রিকায় হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

    ------------------
    সুতরাং, দেখা যাচ্ছে,
    - 'কল্লোল' পত্রিকা পত্রিকাটি - বিশ শতকে প্রকাশিত হয়।

    অন্যদিকে, 
    বঙ্গদর্শন, তত্ত্ববোধিনী ও সংবাদ প্রভাকর - উনিশ শতকের পত্রিকা।

    উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, এবং বাংলাপিডিয়া।

    ১৬৫.
    শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে কোন লোকসঙ্গীতের লক্ষণ সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যায়?
    1. ভাটিয়ালি
    2. ভাওয়াইয়া
    3. ঝুমুর গান
    4. বাউল গান
    সঠিক উত্তর:
    ঝুমুর গান
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ঝুমুর গান
    ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: গ) ঝুমুর গান।

    উল্লেখ্য,
    শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে রাধা-কৃষ্ণের প্রণয়লীলা ও বিরহ-মিলনের বর্ণনা ঝুমুর গানের ছন্দ, ভাষা, লয় ও লোকজীবনের সরলতার সঙ্গে অত্যন্ত মিলে যায়।
    - ঝুমুর হলো বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, মেদিনীপুর, মানভূম অঞ্চলের প্রধান লোকসঙ্গীত।
    - এই গানের বৈশিষ্ট্য: সরল ভাষা, দ্রুত লয়, প্রেম-বিরহের আবেগ, রাধা-কৃষ্ণের লীলা-কেন্দ্রিক বিষয়, পয়ার-ত্রিপদীর সঙ্গে মিল।

    ------------------------
    • "শ্রীকৃষ্ণকীর্তন" কাব্য:
    বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম কাব্য হিসেবে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন স্বীকৃত। ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রামের শ্রী দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের বাড়ির গোয়ালঘর থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের পুথি আবিষ্কার করেন।

    - ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে বসন্তরঞ্জন রায়ের সম্পাদনায় পুথিটি 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
    - পুথির প্রথম দুটি এবং শেষপৃষ্ঠা পাওয়া যায় নি বলে এর নাম ও কবির নাম স্পষ্ট করে জানা যায় নি। কবির ভণিতায় 'চণ্ডীদাস' এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে 'বড়ু চণ্ডীদাস' পাওয়া যাওয়ায় এই গ্রন্থের কবি হিসেবে বড়ু চণ্ডীদাসকে গ্রহণ করা হয়।

    - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন গীতি-আলেখ্য। রাধাকৃষ্ণের প্রণয়লীলা এর বিষয়বস্তু। এই গ্রন্থের প্রধান তিনটি চরিত্র হচ্ছে- কৃষ্ণ, রাধা, বড়ায়ি।
    - কাব্যের চরিত্র-মধ্যে ঘাত-প্রতিঘাত আছে; বাক-বিতণ্ডতা, রাগ-দ্বেষ ইত্যাদি আছে। ফলে কাব্যটি গতিশীল ও নাট্যরসাশ্রিত হয়েছে।
    - এতে গীতিরসেরও উপস্থিতি লক্ষণীয়। কাব্যটি শৃঙ্গাররসপ্রধান এবং ঝুমুর গানের লক্ষণাক্রান্ত। এটি পয়ার ও ত্রিপদী ছন্দে রচিত।

    - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে খণ্ডিতপদসহ মোট পদের সংখ্যা ৪১৮টি। পুঁথিতে সংস্কৃত শ্লোক আছে ১৬১টি।
    - পুঁথির পাতার সংখ্যা ২২৬, অতএব পৃষ্ঠা সংখ্যা ৪৫২; এর মধ্যে মাঝের মোট ৪৫ পৃষ্ঠা পাওয়া যায় নি। ৪৫ পৃষ্ঠা বাদ গেলে পুঁথির প্রাপ্ত পৃষ্ঠার সংখ্যা ৪০৭।
    - পুঁথির লিপি তিন হাতের লেখা। ৪১৮টি পদের মধ্যে কবির ভণিতা আছে ৪০৯টি।

    - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য মোট তের খণ্ডে বিভক্ত।

    শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যেের খণ্ডগুলো হলো-
    - জন্মখণ্ড, 
    - তাম্বুলখণ্ড,
    - দানখণ্ড,
    - নৌকাখণ্ড, 
    - ভারখণ্ড, 
    - ছত্রখণ্ড, 
    - বৃন্দাবনখণ্ড,
    - কালিয়দমনখণ্ড, 
    - যমুনাখণ্ড, 
    - হারখণ্ড, 
    - বাণখণ্ড,
    - বংশীখণ্ড ও 
    - রাধাবিরহ।

    উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহবুবুল আলম।

    ১৬৬.
    ‘কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’— ভাষা আন্দোলনভিত্তিক এই কবিতাটি কে লিখেছেন?
    1. শামসুর রাহমান 
    2. হেলাল হাফিজ 
    3. হাসান হাফিজুর রহমান 
    4. মাহবুব উল আলম চৌধুরী
    সঠিক উত্তর:
    মাহবুব উল আলম চৌধুরী
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মাহবুব উল আলম চৌধুরী
    ব্যাখ্যা

    মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী:
    - মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী কবি, সাংবাদিক, লেখক, ভাষা সৈনিক এবং ভাষা আন্দোলনের প্রথম কবিতার রচয়িতা।
    - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চত্তরে (২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২) আন্দোলনকারী ভাষা সৈনিকদের ওপর পুলিশের গুলি এবং ছাত্র নিহত হওয়ার তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ স্বরূপ কবি মাহবুব উল আলম চৌধুরী  ’একুশে’ শিরোনামে রচনা করেন তাঁর বিখ্যাত কবিতা ’কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবী নিয়ে এসেছি’ যা ভাষা আন্দোলনের প্রথম কবিতা হিসেবে স্বীকৃত।
    - মাহবুব উল আলম চৌধুরীর জন্ম ৭ নভেম্বর ১৯২৭, চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার গহিরা গ্রামের আসাদ চৌধুরীর বাড়িতে। 
    --------------- 
    • কবিতাটি রচনার প্রেক্ষাপট সম্পর্কে আলোচনা:   
    - ‘কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’ কবিতাটির রচিয়তা মাহাবুব-উল-আলম চৌধুরী।
    - এটি ভাষা আন্দোলন নিয়ে প্রথম কবিতা।
    - মাহাবুব-উল-আলম চৌধুরী প্রগতিশীল মাসিক সীমান্ত পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন এবং চট্টগ্রামের রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন।
    - ২২ ফেব্রুয়ারিতে একটি ১৭ পৃষ্ঠার পুস্তিকায় কবিতাটি ছাপা হয়।
    - বইটির দাম রাখা হয় দুই আনা।
    - ২২ ফেব্রুয়ারিতেই চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে রাজনৈতিক কর্মী হারুনুর রশীদ কবিতাটি আবৃত্তি করে শোনান।

    ---------------
    কবিতাটির কিছু অংশ:

    এখানে যারা প্রাণ দিয়েছে
    রমনার ঊর্ধ্বমুখী কৃষ্ণচূড়ার তলায়
    যেখানে আগুনের ফুলকির মতো
    এখানে-ওখানে জ্বলছে অসংখ্য রক্তের ছাপ
    সেখানে আমি কাঁদতে আসিনি।
    আজ আমি শোকে বিহ্বল নই
    আজ আমি ক্রোধে উন্মত্ত নই
    আজ আমি প্রতিজ্ঞায় অবিচল।
    যে শিশু আর কোনোদিন তার
    পিতার কোলে ঝাঁপিয়ে পড়ার
    সুযোগ পাবে না। (সংক্ষেপিত)

    উৎস:
    ১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
    ২) বাংলাপিডিয়া।
    ৩) ‘কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’ কবিতা।

    ১৬৭.
    The gender of ‘Colt’-
    1. Neuter
    2. Feminine
    3. Masculine
    4. Common
    সঠিক উত্তর:
    Masculine
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Masculine
    ব্যাখ্যা

    • ‘Colt’ is a Masculine gender.

    • Colt: [masculine gender]
    - English Meaning: a male foal; a young male horse under the age of four; a young untried person.
    - Bangla Meaning: ঘোড়ার বাচ্চা; অশ্বশাবক; (লাক্ষণিক) প্রায় অনভিজ্ঞ তরুণ।।

    - এর feminine gender হলো- Filly (বাচ্চা ঘোটকী).

    Source:
    1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
    2. Cambridge Dictionary.
    3. Merriam-Webster Dictionary.

    ১৬৮.
    Select the correctly spelt word:
    1. Supersede
    2. Supercede
    3. Superceed
    4. Superseed
    সঠিক উত্তর:
    Supersede
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Supersede
    ব্যাখ্যা

    • The correctly spelt word is- ক) Supersede.

    • Supersede (verb)
    - English Meaning: to take the place or position of; to replace something, especially something older or more old-fashioned.
    - Bangla Meaning: স্থান অধিকার করা; (কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর) স্থলাভিষিক্তি বা স্থলে ব্যবহার করা; নিরাকৃত/অপসারিত করা।

    • Other Forms: 
    - Supersession (noun)
    - Supersedeas (noun)
    - Supersedure (noun)
    - Superseder (noun)

    • Example Sentences: 
    - Buses have superseded carriages for long-distance travel.
    - Wireless broadband could supersede satellite radio one day.

    Source:
    1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
    2. Cambridge Dictionary.
    3. Merriam-Webster Dictionary.

    ১৬৯.
    Fill in the blank with the correct determiner:
    She eats _______ fruit.
    1. fewer
    2. either of
    3. too many
    4. a lot of
    সঠিক উত্তর:
    a lot of
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    a lot of
    ব্যাখ্যা

    • Complete sentence: She eats a lot of fruit.
    - Bangla Meaning: সে অনেক ফল খায়।

    • a lot of:
    - English Meaning: a large number or amount of (things, people, etc.)
    - Bangla Meaning: প্রচুর; প্রচুর পরিমাণ।

    - প্রচুর/অনেক অর্থে countable এবং uncountable উভয় প্রকার noun এর পূর্বে a lot of/lots of/plenty of বসে।
    - প্রদত্ত বাক্যে fruit যেহেতু একটি uncountable noun তাই এর পূর্বে সঠিক determiner হিসেবে a lot of বসবে।

    - সুতরাং, শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে- ঘ) a lot of.

    • Other options:
    ক) fewer → 'বেশি নয়; স্বল্প' অর্থে countable noun -এর পূর্বে ব্যবহৃত হয় (fewer apples, fewer books).

    খ) either of → 'দুয়ের যেকোনো একটি' বুঝাতে either of + plural noun ব্যবহৃত হয় (either of the two boys).

    গ) too many → 'অত্যন্ত বেশি' অর্থে countable noun -এর পূর্বে ব্যবহৃত হয়।

    ১৭০.
    Which of the following 'down' is an adverb?
    1. Tears ran down her face.
    2. Please write it down now.
    3. The down escalator isn't working.
    4. We all have ups and downs in life.
    সঠিক উত্তর:
    Please write it down now.
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Please write it down now.
    ব্যাখ্যা

    • Please write it down now.
    - In this sentence, 'down' is an adverb.

    - এই বাক্যে, "down" একটি adverb হিসেবে কাজ করছে যা "write" - verb টিকে modify করছে।
    - অর্থাৎ, কোথায় লেখা হবে 'where to write (on paper or record)' তা বুঝাচ্ছে।

    • Down (Adverb):
    - English Meaning: in writing or on paper.
    - Bangla Meaning:কাগজে লিখিত রূপে।

    • Other options:
    ক) Tears ran down her face.
    - এখানে, 'down' (নিচের দিকে) হলো preposition কারণ এটি noun phrase 'her face' -এর পূর্বে বসে অন্যান্য অংশের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করছে। 

    গ) The down escalator isn't working.
    - এখানে down হচ্ছে adjective, কারণ এটি escalator (noun) -এর পূর্বে বসে এটিকে modify করছে।
    - সাধারণত article এবং noun এর মাঝের word টি adjective হয়।

    ঘ) We all have ups and downs in life.
    - এখানে, 'downs' হলো noun (part of the compound noun "ups and downs").
    - 'downs' (দুঃখ/খারাপ সময়) এখানে ups-এর বিপরীত অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

    Source:
    1. Oxford Dictionary.
    2. Cambridge Dictionary.

    ১৭১.
    William Wordsworth introduced the readers ______ a new kind of poetry.
    1. with
    2. to
    3. by
    4. in
    সঠিক উত্তর:
    to
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    to
    ব্যাখ্যা

    • Complete sentence: William Wordsworth introduced the readers to a new kind of poetry.
    - Bangla Meaning: উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ পাঠকদের এক নতুন ধরণের কবিতার সাথে পরিচয় করিয়ে দেন।

    • Introduce somebody/something to somebody/something
    - English Meaning: To show someone something or tell them about it for the first time.
    - Bangla Meaning: (কিছু) প্রবর্তন/প্রচলিত/চালু করা; (কাউকে কিছুর সঙ্গে) পরিচিত করা।

    আবার,
    • Introduce something to/into something
    - English Meaning: to bring a type of thing somewhere for the first time
    - Bangla Meaning: ঢোকানো, প্রবিষ্ট করা; সূচনা/সূত্রপাত করা।

    - যেমন: The grey squirrel was introduced into Britain from North America.

    Source:
    1. Oxford Dictionary.
    2. Longman Dictionary.

    ১৭২.
    "One who betrays under the guise of friendship"-
    1. False Friend
    2. Twelve Apostles
    3. Peephole
    4. Judas
    সঠিক উত্তর:
    Judas
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Judas
    ব্যাখ্যা

    • "One who betrays under the guise of friendship"- Judas.

    • Judas (noun)
    - English Meaning: Traitor; especially: one who betrays under the guise of friendship.
    - Bangla Meaning: (যিশুখ্রিস্টের অন্যতম শিষ্য, যে যিশুকে প্রতারণা করে ধরিয়ে দিয়েছিল) বিশ্বাসঘাতক; বেইমান।

    - “One who betrays under the guise of friendship” বলতে Judas বোঝানো হয়।
    - কারণ বাইবেলের চরিত্র Judas Iscariot বন্ধুত্বের ভান করে যিশুকে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল।

    অন্যদিকে,
    ক) False Friend - এটি একটি সাধারণ ইংরেজি phrase.
    - বিশ্বাসঘাতকের idiomatic অর্থে ব্যবহৃত হয় না। 

    খ) Twelve Apostles
    - এটি যীশুর ১২ জন শিষ্যকে বোঝায় (The Twelve Apostles)।
    - এরা সবাই যীশুর অনুসারী ছিলেন, কিন্তু শুধুমাত্র একজন (Judas) বিশ্বাসঘাতকতা করেছিলেন।

    গ) Peephole
    - এটি দরজায় লাগানো ছোট ছিদ্র বা "চোখের ছিদ্র" (Judas hole বা Judas window নামেও পরিচিত কিছু ক্ষেত্রে)।

    Source: 
    1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
    2. Merriam-Webster Dictionary.

    ১৭৩.
    The active form of: A lion may be helped even by a little mouse.
    1. A little mouse may even help a lion.
    2. Even a little mouse ought to help a lion.
    3. Even a little mouse may help a lion.
    4. A little mouse can even help a lion.
    সঠিক উত্তর:
    Even a little mouse may help a lion.
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Even a little mouse may help a lion.
    ব্যাখ্যা

    → (30th BCS Preli)
    - Passive Voice: A lion may be helped even by a little mouse.
    - Active Voice: Even a little mouse may help a lion.

    • Modal Auxiliary + be যুক্ত Passive Voice কে Active Voice করতে হলে-
    - Passive voice এর object‌ টি Active Voice এর subject হয়।
    - 'be' উঠে গিয়ে Modal Auxiliary verb টি বসে।
    - মূল Verb টি বসে।
    - Passive voice এর subject টি Active voice এর Object হয়ে Verb এর পরে বসবে।
    - তার পূর্বে Preposition (By, with, at, to, in) উঠে যাবে।

    - নিয়মানুসারে সঠিক Active Voice হলো- Even a little mouse may help a lion.
    - Even যেহেতু a little mouse এর সাথে সম্পর্কিত, তাই এটা a little mouse এর আগে বসবে।

    ১৭৪.
    Singing songs is a sign of joy.
    Here, 'Singing' is-
    1. Gerund
    2. Participle
    3. Infinitive
    4. Verb
    সঠিক উত্তর:
    Gerund
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Gerund
    ব্যাখ্যা

    • Singing songs is a sign of joy.
    - Here, 'Singing' is- Gerund.

    - 'Singing' এখানে বাক্যের Subject হিসেবে বসে noun এর কাজ করছে।
    - It tells us what is a sign of joy. (Singing songs)
    - 'Singing' এখানে Participle নয়, কারণ এটি noun "songs" -কে modify করছে না।
    - "Singing" এর object হলো "songs" (Gerund verb-এর মতো object নিতে পারে), 'Singing songs' একটি Gerundial/noun phrase.

    • Gerund:
    - Verb -এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি noun -এর কাজ করে অর্থাৎ, একই সাথে Verb ও noun -এর কাজ করে, তখন তাকে Gerund বলে।
    - সহজে → Gerund = Verb + ing = noun = Verb + noun -এর কাজ করে।
    - Gerunds don’t describe action—they act as nouns.

    অন্যদিকে,
    • Present participle:
    - Verb -এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি adjective -এর কাজ করে অর্থাৎ, একই সাথে Verb ও adjective -এর কাজ করে, তাহলে তাকে present participle বলে।
    - সহজ ভাষায় → present participle হলো Verb + ing = adjective = Verb + adjective কাজ করে।
    - Present participle দ্বারা চলমান sense বোঝায়।
    - যেমন: The singing bird is beautiful.
    - এখানে 'Singing' noun 'bird' -কে modify করছে।

    • Infinitive:
    - Infinitive হচ্ছে verb এর base form অথবা to + base form.
    - যেমন: To sing songs is joyful.

    • Verb:
    - এখানে Singing কোনো action সম্পন্ন করছে না, বরং একটি বিষয় (subject) হিসেবে কাজ করছে, তাই এটি verb নয়।

    Source: 
    1. High School English Grammar and Composition by Wren And Martin.
    2. A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

    ১৭৫.
    Fill in the blank: When I'm on holiday, I enjoy not ______ to get up early.
    1. to have
    2. have
    3. having
    4. have been
    সঠিক উত্তর:
    having
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    having
    ব্যাখ্যা

    • Complete sentence: When I'm on holiday, I enjoy not having to get up early.
    - Bangla meaning: যখন আমি ছুটিতে থাকি, তখন সকালে তাড়াতাড়ি না উঠতেই আমার ভালো লাগে।

    - উপভোগ করা; আনন্দলাভ করা অর্থে Verb 'enjoy' এর পরে সাধারণত gerund (verb + ing) form ব্যবহৃত হয়।
    - এগুলোর পরে infinitive/base form ব্যবহৃত হয় না।
    - Structure: enjoy + gerund (verb+ing).
    - Negative form: not + (verb+ing).

    - কিছু কিছু verb এর পরে সাধারণত gerund (verb + ing) ব্যবহৃত হয়।
    - যেমন: enjoy, mind, suggest, stop, delay, fancy, consider, admit, miss, involve, finish, postpone, imagine, avoid, deny, risk, practise, etc.

    Source: 
    1. A Text Book of Higher English Grammar by P. K. De Sarkar. 
    2. High School English Grammar and Composition by Wren And Martin.

    ১৭৬.
    "I recognized that the job was not plain sailing" means-
    1. recognizing that the job was finished
    2. recognizing that the job was not easy to do
    3. recognizing that the job was easy to do
    4. recognizing that the job was unnecessary
    সঠিক উত্তর:
    recognizing that the job was not easy to do
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    recognizing that the job was not easy to do
    ব্যাখ্যা

    • The correct answer- খ) recognizing that the job was not easy to do.

    • Be plain sailing (idiom) [US also be smooth sailing]
    - English Meaning: to be very easy to do or achieve; to be easy and without problems.
    - Bangla Meaning: (লাক্ষণিক) সহজ ও নির্বিঘ্ন কার্যক্রম; নিষ্কণ্টক যাত্রা।

    •  
    "I recognized that the job was not plain sailing" → আমি মেনে নিয়েছিলাম যে কাজটি করা মোটেও সহজ ছিল না।
    - 'not plain sailing' = সহজ নয়, অর্থাৎ, কাজটি করা খুব কঠিন বুঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।

    Source:
    1. Cambridge Dictionary.
    2. Longman Dictionary.

    ১৭৭.
    If you had tried, you ___________ won.
    1. will have
    2. had been
    3. must have
    4. would have
    সঠিক উত্তর:
    would have
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    would have
    ব্যাখ্যা

    • Complete Sentence: If you had tried, you would have won.
    - Bangla Meaning: যদি তুমি চেষ্টা করতে, তাহলে তুমি জিততে।

    - প্রশ্নটি Third Conditional -এর উপর ভিত্তি করে করা হয়েছে। 
    - একটি Conditional sentence-এর দু'টি clause: subordinate clause -টি শর্ত বোঝায় এবং principal clause-টি ফলাফল বোঝায়। 

    • Third conditional -এর নিয়মানুযায়ী:
    - If clause (শর্তযুক্ত অংশে)-এ যদি (had + V3) হয়, তবে পরবর্তী clause -এ would/could/might + have + V3 + extension হয়। 

    • Structure: If + Past Perfect (had +V3) + Subject + would/could/might + have + verb-এর past participle. 

    • Note: If না থাকলে Condition part টি Had দ্বারা শুরু হতে পারে। 

    • More Examples: 
    - If he had not helped me, I would have failed the test. 
    - If I had studied harder, I would have passed the exam.

    ১৭৮.
    Tell me frankly why you refused the offer.
     The underlined part is a/an-
    1. Adjective clause
    2. Noun clause
    3. Adverbial clause
    4. Co-ordinate clause
    সঠিক উত্তর:
    Noun clause
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Noun clause
    ব্যাখ্যা

    • Tell me frankly why you refused the offer.
     The underlined part is a Noun clause.

    - প্রদত্ত sentence টিতে 'why you refused the offer' clause টি বাক্যের মধ্যে transitive verb (Tell) এর object হিসেবে কাজ করছে (tell me why/how…), তাই এটি noun clause.
    - Noun clause এর নিয়ম অনুযায়ী Wh word (why) দ্বারা শুরু হয়ে এটি noun এর কাজ করছে। 
    - সাধারণত যে সকল Verb এর পরে "it" বসানো যায়, অর্থাৎ transitive verb এর পরে That/ Wh Word দ্বারা শুরু হয়ে যদি কোনো Clause বসে তখন সেই Clause টি Noun Clause হয়।

    • Noun clause:
    - যে সব subordinate clause noun এর কাজ করে থাকে অর্থাৎ, subject, object, compliment, বা case in apposition- এর কাজ করে থাকে তাদেরকে বলে noun clause.
    - Noun clauses are used when a single word isn't enough.

    • একটি বাক্যের যেসব স্থানে Noun clause  বসতে পারে -

    1. Verb এর subject হিসেবে। 
    - যেমন: That he has much money is known to all.

    2. Verb এর object হিসেবে।
    - যেমন: I know that he has done it.

    3. Verb এর complement হিসেবে।
    - যেমন: This is what I said.

    4. Preposition এর object হিসেবে;
    - যেমন: I cannot understand the meaning of what he said.

    5. Noun/ pronoun - এর apposition হিসেবে।
    - যেমন: The fact that he is a thief is clear to all.

    অন্যদিকে,
    • Adjective clause:
    - যে sub-ordinate clause কোনো noun/pronoun এর পরে বসে ঐ noun/pronoun কে modify করে তাকে Adjective Clause বলে। 
    - অর্থাৎ noun এর post modifier হিসাবে adjective clause বসে।

    • Adverbial clause:
    - যে subordinate clause একটি বাক্যে একটি adverb হিসেবে কাজ করে এবং একটি verb,বা একটি adjective-clause বা অন্য একটি adverbial clause-কে modify করে তাকে Adverbial Clause বলে।
     - Adverb এর মতো এরা - time, place, cause, effect, purpose ইত্যাদি বুঝায়।

    • Co-ordinate clause:
    - দুটি সমজাতীয় independent or principal  clause যদি কোন সময় Co-ordinating conjunctions (yet, but, or, otherwiaw, and) দ্বারা যুক্ত থাকে তখন তাকে co-ordinate clause  বলে।
    - যেমন: Listen carefully, or you will miss the instructions.

    Source:
    1. A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.
    2. Advanced Learner's Communicative English Grammar and Composition by Chowdhury and Hossain.

    ১৭৯.
    Farjana speaks English fluently; _________ she knows Spanish.
    1. as such
    2. although
    3. moreover
    4. however
    সঠিক উত্তর:
    moreover
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    moreover
    ব্যাখ্যা

    • Complete sentence: Farjana speaks English fluently; moreover, she knows Spanish.
    - Bangla meaning: ফারজানা খুব সাবলীলভাবে ইংরেজি বলতে পারে; এছাড়াও সে স্প্যানিশ জানে।

    - এখানে দুটি positive (ইতিবাচক) তথ্য দেওয়া হয়েছে। যথা-
    - Farjana খুব সাবলীলভাবে ইংরেজি বলতে পারে।
    - সে স্প্যানিশও জানে।
    - দুটি ইতিবাচক বা সমর্থনমূলক তথ্য যুক্ত করার জন্য 'এছাড়াও, তাছাড়া, অধিকন্তু' ইত্যাদি অর্থে 'moreover' ব্যবহৃত হয়।

    • Moreover (adverb)
    - English Meaning: (used to add information) also and more importantly.
    - Bangla Meaning: এছাড়াও; অধিকন্তু; তদুপরি; তার উপর; তাছাড়া।

    অন্যদিকে,
    ক) As such → এর অর্থ "প্রকৃত/সত্যিকার অর্থে"।
    - Example: The new job is not a promotion as such, but it has good prospects.

    খ) Although → এর অর্থ " যদিও; যদ্যপি"।
    - যদিও; কোনো কিছু সত্ত্বেও অর্থে Although/though ব্যবহৃত হয়। সাধারণত দুটি clause এর কাজের বিপরীতমুখিতা বুঝাতে ব্যবহৃত হয়।
    - এরা অবশ্যই clause এর পূর্বে বসে।
    - Example: They are good friends, although they don't see each other very often.

    ঘ) However → এর অর্থ "যত; যতই/তা সত্ত্বেও; তবুও/যাই হোক"।
    - এটিও সাধারণত contrast বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
    - Example: She couldn't convince him, however hard she tried.

    ১৮০.
    Identify the correct sentence.
    1. I intends to go to Rajshahi.
    2. I intend to go to Rajshahi.
    3. I intends going to Rajshahi.
    4. I intend to going Rajshahi.
    সঠিক উত্তর:
    I intend to go to Rajshahi.
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    I intend to go to Rajshahi.
    ব্যাখ্যা

    • Correct sentence: I intend to go to Rajshahi.
    - Bangla Meaning: আমি রাজশাহী যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করছি।

    - Intend-এর পর infinitive অর্থাৎ, to + verb-এর base form বসে।

    • Intend (somebody/something) to do something
    - English Meaning: to have something in your mind as a plan or purpose.
    - Bangla Meaning: ইচ্ছা/মনস্থ/সংকল্প করা; উদ্দেশ্য/অভিপ্রায় থাকা।

    - তবে, British English -এ 'intend doing something' ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এটি কম প্রচলিত।
    - যেমন: I don't intend staying long.

    - সাধারণত, সঠিক হিসেবে প্রচলিত form হলো- Intend to + verb-এর base form.
    - তাই সঠিক বাক্যটি হবে- খ) I intend to go to Rajshahi.

    Source:
    1. Oxford Dictionary.
    2. Longman Dictionary.

    ১৮১.
    Who composed the elegiac poem 'Adonais'?
    1. Percy Bysshe Shelley
    2. Thomas Gray
    3. Matthew Arnold
    4. John Keats
    সঠিক উত্তর:
    Percy Bysshe Shelley
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Percy Bysshe Shelley
    ব্যাখ্যা

    • The elegiac poem 'Adonais' was composed by Percy Bysshe Shelley.

    • Adonais:
    - এটি P. B. Shelley রচিত একটি বিখ্যাত pastoral elegy.
    - ১৮২১ সালে এই elegy টি রচিত এবং প্রকাশিত হয়েছিল।
    - P.B. Shelley তাঁর প্রিয় friend and fellow poet John Keats -এর মৃত্যুকে স্মরণ করে এই কবিতাটি রচনা করেছিলেন, যিনি ওই বছরেই মারা যান।
    - Adonis হলেন গ্রীক পুরাণের এক সুদর্শন তরুণ, যিনি একটি বন্য শুকরের আঘাতে নিহত হন।
    - এই কবিতার শিরোনাম সম্ভবত Bion’s Lament for Adonis থেকে নেওয়া হয়েছে, যা Shelley ইংরেজিতে অনুবাদ করেছিলেন।
    - কবিতায় কিটসের মৃত্যুর শোক এবং মৃত্যুর অবশ্যম্ভাবী প্রকৃতি তুলে ধরা হয়েছে।
    - "Adonais" কবিতায় তিনি Keats -এর জীবন, তার শিল্প এবং কবিতার মহত্ত্ব নিয়ে আলোচনা করেছেন।
    - P. B. Shelley বিশ্বাস করেন যে একজন কবির শিল্প মৃত্যুর পরেও বেঁচে থাকে এবং তা মানুষের মনে চিরকালীন প্রভাব ফেলে।

    • P. B. Shelley (1792-1822):
    - তার পুরো নাম Percy Bysshe Shelley.
    - P. B. Shelley ছিলেন একজন প্রখ্যাত ইংরেজি কবি এবং রোমান্টিক আন্দোলনের প্রধান ব্যক্তিত্ব। তাকে ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে গণ্য করা হয়।
    - তিনি বিশ্বাস করতেন সমাজের পরিবর্তনের জন্য একটি গুনগত বিপ্লবের প্রয়োজন।
    - এজন্য তাকে ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম একজন Revolutionary poet হিসেবে গণ্য করা হয়।
    - তাঁর নিরন্তর লক্ষ্য ছিল ভবিষ্যতের জন্য একটি গৌরবময় স্বর্ণযুগ নিয়ে আসা।

    • Notable Works (poem):
    - Ode to the West Wind,
    - Ozymandias,
    - Queen Mab,
    - Adonais,
    - Rosalind and Helen,
    - The Witch of Atlas,
    - The Cloud,
    - Mont Blanc,
    - The Revolt of Islam,
    - To a Skylark,
    - Hymn to Intellectual Beauty,
    - Alastor; or The Spirit of Solitude, etc.

    • Drama:
    - Prometheus Unbound,
    - The Cenci.

    - A Defence of Poetry (essay),
    - A Philosophical View of Reform (book),
    - The Masque of Anarchy (book),
    - The Necessity of Atheism (essay),

    Source: Britannica.

    ১৮২.
    "What's in a name? that which we call a rose
    By any other name would smell as sweet."
    In which play of Shakespeare do you find this quote?
    1. Macbeth
    2. Romeo and Juliet
    3. Othello
    4. Twelfth Night
    সঠিক উত্তর:
    Romeo and Juliet
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Romeo and Juliet
    ব্যাখ্যা

    • "What's in a name? that which we call a rose
    By any other name would smell as sweet."
    - This quote is taken from Shakespeare's play Romeo and Juliet.

    • Romeo and Juliet:
    - ‘Romeo and Juliet’ William Shakespeare -এর লেখা একটি জনপ্রিয় ট্র্যাজেডি।
    - এটি প্রথম প্রকাশিত হয় 1597 সালে।
    - এ নাটকটির প্রেক্ষাপট হলো ইতালির Verona.
    - দুটি শত্রু পরিবার (Montague এবং Capulet) -এর সন্তান Romeo ও Juliet -এর করুণ প্রেমকাহিনি নিয়ে রচিত।
    - রোমিও হচ্ছে Montague এবং জুলিয়েট Capulet পরিবারের সদস্য। এই দুই পরিবারের মাঝে শত্রুতা বিদ্যমান।
    - তারা গোপনে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়, কিন্তু ভুল বোঝাবুঝি ও দুর্ভাগ্যের কারণে গল্পটি দুঃখজনক পরিণতির দিকে এগিয়ে যায়।
    - শেষ পর্যন্ত, প্রেমিক-প্রেমিকা দুজনেই আত্মহত্যা করে, যা তাদের পরিবারের মধ্যে শত্রুতার অবসান ঘটায়।
    - এই নাটকটি প্রেম, ভাগ্য, প্রতিশোধ এবং ট্র্যাজিক পরিণতির এক অনন্য উদাহরণ।
    - এটি বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রেমের গল্প হিসেবে বিবেচিত হয়।

    • এই tragedy -এর বিখ্যাত উক্তিসমূহ-
    - "What's in a name? That which we call a rose by any other name would smell as sweet?"

    - "Good night, good night! Parting is such sweet sorrow. That I shall say good night till it be morrow"
    - "Wisely and slow; they stumble that run fast."
    - "Too swift arrives as tardy as too slow."
    - “My only love sprung from my only hate!”

    • William Shakespeare (1564-1616):
    - William Shakespeare একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
    - তাকে 'English National Poet' বলা হয়।
    - Stratford-upon-Avon -এ জন্মগ্রহণ করেছেন বলে তাকে Bard of Avon বা Swan of Avon বলা হয়।
    - তাকে অনেকেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে বিবেচনা করেন।
    - Shakespeare occupies a unique position in world literature.
    - William Shakespeare মূলত তাঁর Drama and Sonnet -এর জন্য পরিচিত।
    - তিনি মোট ১৫৪ টি sonnet এবং ৩৭ টি play লিখেছেন।
    - এছাড়া তিনি Long narrative poem ও লিখেছেন।

    Source:
    1. Britannica.
    2. SparkNotes.

    ১৮৩.
    A two-act drama, 'The Homecoming' was written by-
    1. T. S. Eliot
    2. Tom Stoppard
    3. Harold Pinter
    4. Samuel Beckett
    সঠিক উত্তর:
    Harold Pinter
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Harold Pinter
    ব্যাখ্যা

    • A two-act drama, 'The Homecoming' was written by Harold Pinter.

    • The Homecoming:
    - The Homecoming হলো Harold Pinter রচিত একটি two-act drama.
    - এটি ১৯৬৫ সালে প্রথম প্রকাশিত ও মঞ্চস্থ হয়।
    - It is one of Pinter's most well-known and widely studied works, showcasing his signature style of sparse dialogue, tension, and ambiguous characters.
    - নাটকটি ক্ষমতা, পারিবারিক সম্পর্ক এবং মানব সম্পর্কের জটিলতা নিয়ে রচিত।
    - গল্পের কেন্দ্র লন্ডনের একটি পুরুষশাসিত পরিবার।
    - নাটকের সংলাপ সংক্ষিপ্ত, অর্থবহ নীরবতা ও অস্পষ্টতা দিয়ে পূর্ণ—যা Pinteresque style নামে পরিচিত।

    • Harold Pinter (1930-2008):
    - তিনি একজন ইংরেজ নাট্যকার ছিলেন।
    - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সবচেয়ে জটিল এবং চ্যালেঞ্জিং নাট্যকারদের একজন হিসেবে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।
    - ২০০৫ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরুষ্কার লাভ করেন।

    • Pinter's notable plays include:
    - Moonlight,
    - The Homecoming,
    - The Birthday Party,
    - The Caretaker,
    - The Dumb Waiter,
    - The Room,
    - No Man’s Land,
    - Betrayal, etc.

    Source: Britannica.

    ১৮৪.
    "Death is the end of life; ah, why
    Should life all labour be?"
    This quote is extracted from-
    1. Thyrsis
    2. Locksley Hall
    3. Ozymandias
    4. The Lotos-Eaters
    সঠিক উত্তর:
    The Lotos-Eaters
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    The Lotos-Eaters
    ব্যাখ্যা

    • "Death is the end of life; ah, why
    Should life all labour be?"
    - This quote is extracted from- The Lotos-Eaters.

    • The Lotos-Eaters:
    - Lord Alfred Tennyson রচিত একটি কবিতা। 
    - Homer এর 'Odyssey' মহাকাব্যের নবম খণ্ডের একটি ঘটনার উপর ভিত্তি করে এটি রচিত।
    - এতে একদল নাবিকের কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে।

    • Alfred, Lord Tennyson (1809-1892):
    - Also Known As: Alfred Tennyson, 1st Baron Tennyson of Aldworth and Freshwater.
    - Alfred Tennyson হলেন Victorian Period এর অন্যতম কবি যাকে এই যুগের Chief Representative হিসাবে ধরা হয়।
    - He was a representative/ Lyric poet of the Victorian Age.
    - তিনি 1850 সালে ইংল্যান্ডের Poet Laureate (রাজকবি) হিসেবে নিযুক্ত হন এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এই পদে ছিলেন।
    - Tennyson তার গভীর জীবনদর্শন, অতুলনীয় ভাষার সৌন্দর্য এবং আবেগময় কাব্যিক ধারা দিয়ে ইংরেজি সাহিত্যে এক বিশেষ স্থান অধিকার করে আছেন।

    • Famous Quotations:
    - Dreams are true while they last, and do we not live in dreams?
    - He makes no friend who never made a foe.
    - I am a part of all that I have met.
    - I cannot rest from travel; I will drink
    Life to the lees.
    - 'Tis better to have loved and lost
    Than never to have loved at all.

    • Notable Works:
    - Morte D'Arthur,
    - Ulysses,
    - Oenone,
    - The Lotos-Eaters,
    - In Memoriam (Elegy),
    - Locksley Hall,
    - Crossing the Bar,
    - Tithonus,
    - Mariana,
    - Enoch Arden,
    - The Princess,
    - The Two Voices,
    - The Lady of the Shalott,
    - Idylls of the King (poetic treatment), etc.

    • Comedies:
    - The Falcon,
    - Queen Mary,
    - Harold.

    Source:
    1. Britannica.
    2. Poetry Foundation.

    ১৮৫.
    Who authored the finest novel 'A Passage to India'?
    1. D. H. Lawrence
    2. E. M. Forster
    3. Graham Greene
    4. John Dryden
    সঠিক উত্তর:
    E. M. Forster
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    E. M. Forster
    ব্যাখ্যা

    • The author of the finest novel 'A Passage to India' is E. M. Forster.

    • A Passage to India:
    - এটি E.M. Forster রচিত একটি বিখ্যাত novel.
    - ১৯২৪ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
    - বইটিতে ব্রিটিশ ও ইন্ডিয়ানদের মধ্যকার সম্পর্ক তুলে ধরা হয়েছে।
    - The tensions that arise when a visiting Englishwoman, Adela Quested, accuses a well-respected Indian man, Dr. Aziz, of having attacked her during an outing.

    • Main Characters:
    - Dr. Aziz,
    - Adela Quested,
    - Mrs. Moore,
    - Rony Hislop,
    - Cyril Fielding, etc.

    • E.M. Forster (1879-1970):
    - তিনি একজন British writer.
    - তিনি একাধারে একজন British novelist, essayist এবং social ও literary critic.
    - His fame rests largely on his novels Howards End and A Passage to India and on a large body of criticism.

    • Notable works:
    - A Passage to India,

    - A Room with a View,
    - Aspects of the Novel (literary lectures),
    - Maurice,
    - Howards End,
    - The Hill of Devi,
    - The Longest Journey,
    - Where Angels Fear to Tread,
    - Marianne Thornton (a biography of his great-aunt), etc.

    • উল্লেখ্য যে,
    - 'A Passage to India' শিরোনামে American poet - Walt Whitman এর একটি কবিতা রয়েছে।

    Source:
    1. Britannica.
    2. SparkNotes.

    ১৮৬.
    "A Christmas Carol" is a __________ short novel.
    1. Victorian
    2. Modern
    3. Romantic
    4. Neo-classical
    সঠিক উত্তর:
    Victorian
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Victorian
    ব্যাখ্যা

    • "A Christmas Carol" is a Victorian short novel.
    - Victorian period এর বিখ্যাত ঔপন্যাসিক Charles Dickens -এর লেখা উপন্যাস।

    • A Christmas Carol:
    - A Christmas Carol হলো Charles Dickens এর লেখা একটি Short Novel.
    - এটি ১৮৪৩ সালে প্রকাশিত হয়।
    - Novella হচ্ছে Short Novel যা ছোট গল্প থেকে বড় কিন্তু Novel থেকে ছোট।
    - It essentially marks the invention of the Christmas book genre. 

    • Short-Summary:
    - A Christmas Carol হলো চার্লস ডিকেন্স রচিত একটি সংক্ষিপ্ত উপন্যাস (novella), যা একজন বৃদ্ধ কৃপণ লোক এবেনেজার স্ক্রুজ (Ebenezer Scrooge)-কে নিয়ে লেখা। বড়দিনের আগের রাতে, ক্রুজের সামনে কয়েকজন ভূতের আবির্ভাব ঘটে।
    - প্রথমে আসে তার মৃত ব্যবসায়িক অংশীদার জ্যাকব মার্লে (Jacob Marley)-এর আত্মা। এরপর আসে তিনটি আত্মা।
    - এই আত্মারা ক্রুজকে দেখায়, তার কৃপণতা ও নির্মম আচরণ কীভাবে তার চারপাশের মানুষদের প্রভাবিত করেছে এবং তারা কতটা কষ্ট পেয়েছে।
    - শেষ অংশে, ক্রুজ বুঝতে পারে এখনো নিজেকে পরিবর্তনের সুযোগ আছে।
    - সে সত্যিই বদলে যায় এক কৃপণ ও আত্মকেন্দ্রিক মানুষ থেকে হয়ে ওঠে উদার, দয়ালু ও সহানুভূতিশীল একজন ব্যক্তি।

    • Charles Dickens (1812-1870):
    - তার পুরো নাম Charles John Huffam Dickens.
    - He was an English novelist and generally considered the greatest of the Victorian era.
    - তিনি মূলত তাঁর A Christmas Carol, David Copperfield, Bleak House, A Tale of Two Cities, Great Expectations, Our Mutual Friend ইতাদি উপন্যাসের জন্য তাঁর জীবদ্দশায়ই জনপ্রিয়তা লাভ করেছিলেন।

    • ​Notable Works (novel):
    - A Tale of Two Cities,
    - Great Expectations,
    - A Christmas Carol,
    - David Copperfield,
    - The Pickwick Papers,
    - Oliver Twist,
    - Bleak House,
    - Little Dorrit,
    ​- Hard Times,
    - Our Mutual Friend, etc.

    Source:
    1. Britannica.
    2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

    ১৮৭.
    Who was the writer of the essay "A Room of One’s Own"?
    1. E. M. Forster
    2. George Orwell
    3. Virginia Woolf
    4. Oscar Wilde
    সঠিক উত্তর:
    Virginia Woolf
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Virginia Woolf
    ব্যাখ্যা

    • The writer of the essay "A Room of One’s Own" is- Virginia Woolf.

    • A Room of One’s Own:
    - A Room of One’s Own ইংরেজ লেখিকা Virginia Woolf-এর একটি প্রখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ।
    - এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৯ সালে।
    - এই রচনায় তিনি নারীর সৃজনশীলতা, শিক্ষা ও স্বাধীনতা নিয়ে গভীর চিন্তা প্রকাশ করেছেন।

    - Woolf যুক্তি দেন যে একজন নারীর লেখক হতে হলে প্রয়োজন নিজস্ব একটি ঘর (ব্যক্তিগত স্বাধীনতা) এবং আর্থিক স্বচ্ছলতা। সমাজ ও ইতিহাসে নারীদের সুযোগের অভাবই তাদের সাহিত্যচর্চাকে বাধাগ্রস্ত করেছে—এই সত্য তিনি নানা উদাহরণের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন।

    • Virginia Woolf (1882-1941):
    - Also Known As- Adeline Virginia Stephen.
    - Virginia Woolf ছিলেন একজন ইংরেজ ঔপন্যাসিক এবং প্রখ্যাত সাহিত্যিক, যিনি আধুনিক সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব।
    - তিনি ছিলেন একজন বিপ্লবী লেখক, যিনি নারীদের অধিকার, আধুনিক সমাজ এবং মানবীয় অনুভূতির জটিলতা নিয়ে গভীর চিন্তা করেছেন।
    - She is best known for her novels, especially Mrs. Dalloway (1925) and To the Lighthouse (1927).
    - তাকে one of the most important modernists from 20th-century authors হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

    • Notable works:
    - The Voyage Out (first novel),
    - A Room of One’s Own (essay),
    - Between the Acts,
    - Mrs. Dalloway,
    - To the Lighthouse,
    - Mr. Bennett and Mrs. Brown,
    - The Waves,
    - Flush,
    - Freshwater,
    - Jacob’s Room,
    - Kew Gardens,
    - Three Guineas,
    - Modern Fiction,
    - Orlando,
    - The Art of Fiction,
    - The Common Reader, etc.

    Source: Britannica.

    ১৮৮.
    Eliza Doolittle, a famous character created by-
    1. T. S. Eliot
    2. Emily Bronte
    3. Ernest Hemingway
    4. G. B. Shaw
    সঠিক উত্তর:
    G. B. Shaw
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    G. B. Shaw
    ব্যাখ্যা

    • Eliza Doolittle, a famous character created by G. B. Shaw.

    • Pygmalion:
    - It is a romantic comedy play in five acts written by G. B Shaw.
    - এই নাটকটি ১৯১৩ সালে প্রকাশিত হয়।
    - The play is a humane comedy about love and the English class system.
    - অর্থাৎ, ইংল্যান্ডের তৎকালীন সমাজ ব্যবস্থা এবং প্রেম ভালোবাসা এই নাটকের বিষয়বস্তু।

    • Short-Summary:
    - নাটকের প্রধান চরিত্র Henry Higgins, একজন ভাষাবিদ, যিনি দরিদ্র ফুল বিক্রেতা এলিজা Eliza Doolittle কে উচ্চবিত্তের মতো কথা বলতে শেখানোর চ্যালেঞ্জ নেন। Henry বিশ্বাস করেন, ভাষা পরিবর্তনের মাধ্যমে মানুষের সামাজিক অবস্থানও পরিবর্তন করা সম্ভব। Eliza Doolittle এর পরিবর্তন ধীরে ধীরে ঘটে, কিন্তু তার আত্মসম্মানবোধও বাড়তে থাকে। নাটকটি ভাষার প্রভাব, শ্রেণী ব্যবধান, এবং ব্যক্তিত্ব বিকাশের বিষয়গুলোকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়।

    • Major Characters:
    - Alfred Doolittle,
    - Mrs. Higgins,
    - Henry Higgins,
    - Eliza Doolittle,
    - Ezra D. Wannafeller,
    - Colonel Pickering,
    - Clara Eynsford Hill,
    - Freddy Eynsford Hill, etc.

    • G. B. Shaw (1856-1950):
    - George Bernard Shaw হলো 'Modern period' -এর একজন প্রভাবশালী আইরিশ নাট্যকার, সমালোচক এবং সামাজিক সংস্কারক।
    - He is best known for his witty and thought-provoking plays that often challenged societal norms and conventions.
    - George Barnard Shaw is the greatest dramatist of modern English literature.
    - তিনি ১৯২৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান।
    - G.B. Shaw ছিলেন Fabian Society এর একজন সদস্য।
    - Shaw ছিলেন Irish Literary Revival -এর একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব এবং আধুনিক নাটকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।

    • Famous Plays of Shaw:
    - Candida,
    - Man and Superman; (Comedy play),
    - Arms and the Man (Romantic comedy),
    - Pygmalion (Romantic play),
    - Major Barbara (Social satire),
    - Caesar and Cleopatra; (play/tragedy),
    - Mrs. Warrens' Profession,
    - The Devil’s Disciple,
    - Too True to Be Good,
    - Widowers’ Houses,
    - The Doctor's Dilemma; (satire drama/play, Epilogue),
    - St. Joan of Arc, etc.

    Source: Britannica.

    ১৮৯.
    Which historical event serves as the primary backdrop for the novel "War and Peace"?
    1. Crimean War
    2. Napoleon's invasion of Russia
    3. French Revolution
    4. Russian Civil War
    সঠিক উত্তর:
    Napoleon's invasion of Russia
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Napoleon's invasion of Russia
    ব্যাখ্যা

    • The correct answer is- Napoleon's invasion of Russia.
    - Leo Tolstoy's epic novel "War and Peace" is set primarily during the period of the Napoleonic Wars, with a central focus on Napoleon's invasion of Russia in 1812.

    • War and Peace:
    - এটি Leo Tolstoy রচিত একটি historical novel.
    - রাশিয়ার St. Petersburg -এ উপন্যাসের কাহিনীর গোড়াপত্তন হয়।
    - এটি মূলত "Voyna i mir" নামে ১৮৬৫-৬৯ সালে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়।
    - বই আকারে প্রকাশিত হয় ১৮৬৯ সালে।
    - ১৯ শতকের রাশিয়ার সমাজের একটি সম্যক চিত্র ফুটে উঠেছে এই উপন্যাসটিতে।
    - বাস্তবধর্মী বিশদ বর্ণনা এবং গভীর মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণের জন্য বিখ্যাত এই উপন্যাসটি রুশ সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্মগুলোর মধ্যে অন্যতম এবং বিশ্বের অন্যতম সেরা উপন্যাস হিসেবে গণ্য করা হয়।

    • The Main themes:
    - War and Peace explores themes of war, peace, love, and family through the lives of aristocratic Russian families during the Napoleonic Wars. 

    • Leo Tolstoy (1828-1910):
    - তিনি একজন বিশ্ববিখ্যাত রুশ লেখক, দার্শনিক ও সমাজসংস্কারক।
    - তাঁর পুরো নাম Lev Nikolayevich, Graf (count) Tolstoy.
    - তাকে a master of realistic fiction বলা হয়।
    - তিনি "War and Peace"এবং "Anna Karenina" -এর মতো কালজয়ী সাহিত্যকর্মের জন্য পরিচিত।
    - একটি অভিজাত রাশিয়ান পরিবারে জন্মগ্রহণকারী, টলস্টয় আরও নৈতিক ও আধ্যাত্মিক কাজে স্থানান্তরিত হওয়ার আগে বাস্তববাদী কথাসাহিত্য এবং আধা-আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস লিখেছেন।

    • His Notable works:
    - Anna Karenina,
    - War and Peace,
    - Resurrection,
    - My Confession,
    - Boyhood,
    - Childhood,
    - The Death of Ivan Ilyich,
    - The Kreutzer Sonata,
    - Father Sergius,
    - Sevastopol in August, etc.

    Source: Britannica.

    ১৯০.
    Who wrote the famous satirical play 'Rape Upon Rape'?
    1. William Congreve
    2. Christopher Marlowe
    3. Henry Fielding
    4. Samuel Richardson
    সঠিক উত্তর:
    Henry Fielding
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Henry Fielding
    ব্যাখ্যা

    • The famous satirical play 'Rape Upon Rape' was written by Henry Fielding.

    • Rape Upon Rape:
    - In full, Rape upon Rape; Or, The Justice Caught in his own Trap, A Comedy.
    - বিখ্যাত Satirical play "Rape Upon Rape" হলো আঠারো শতকের ইংরেজি লেখক ও নাট্যকার Henry Fielding -এর রচিত একটি নাটক।
    - নাটকের কাহিনী একটি ধর্ষণ মামলাকে কেন্দ্র করে, যেখানে বিচার, নৈতিকতা, এবং সমাজে নারীদের ভূমিকা পরীক্ষা করা হয়।
    - Henry Fielding হাস্যরস ও ব্যঙ্গের মাধ্যমে যৌন সহিংসতা এবং আইন ব্যবস্থার বৈপরীত্যকে তুলে ধরেন।
    - এটি একটি Rape মামলার মাধ্যমে মানব সম্পর্কের জটিলতাগুলি সমালোচনার মাধ্যমে প্রকাশ করে।
    - নাটকের শিরোনাম “Rape Upon Rape”-এর মাধ্যমে Fielding মূলত বিচারব্যবস্থা ও সামাজিক ন্যায়ের অভাবকে তীব্রভাবে সমালোচনা করেছেন। তিনি প্রহসনের মাধ্যমে দেখান, আইন ও ন্যায় শুধু ক্ষমতাধরদের জন্য কার্যকর, সাধারণ মানুষের জন্য নয়।

    • Henry Fielding (1707-1754):
    - Henry Fielding একজন ইংলিশ উপন্যাসিক এবং নাট্যকার ছিলেন, যিনি Samuel Richardson -এর সঙ্গে ইংরেজি উপন্যাসের founder হিসেবে বিবেচিত হন।
    - তিনি মূলত কমেডি এবং সামাজিক সমালোচনা নিয়ে লেখা তার কাজের জন্য পরিচিত।
    - Fielding ইংরেজি সাহিত্যে উপন্যাসের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
    - He is famous for the Picaresque Novel.
    - তার ছদ্মনাম (pen name) হলো Captain Hercules Vinegar.

    • Famous plays of Henry Fielding:
    - The Author’s Farce
    - Rape Upon Rape,
    - The Temple Beau,
    - The Miser,
    - The Tragedy of Tragedies,
    - The Modern Husband,
    - Historical Register for the Year 1736, etc.

    • Famous Novels of Henry Fielding:
    - Amelia,
    - An Apology for the Life of Mrs. Shamela Andrews,
    - The History of the Adventures of Joseph Andrews,
    - The History of Tom Jones, a Foundling,
    - The Life of Mr. Jonathan Wild the Great, etc.

    Source:
    1. Britannica.
    2. SparkNotes.

    ১৯১.
    "Where are the songs of spring? Aye, where are they?"
    This quotation is taken from-
    1. Wordsworth's poem
    2. Shelley's poem
    3. Keats's poem
    4. Byron's poem
    সঠিক উত্তর:
    Keats's poem
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Keats's poem
    ব্যাখ্যা

    • "Where are the songs of spring? Aye, where are they?"
    - This quotation is taken from Keats's poem.
    - এটি John Keats -এর কবিতা 'To Autumn' থেকে নেওয়া হয়েছে।

    • To Autumn:

    - John Keats রচিত একটি বিখ্যাত কবিতা। কবিতাটি ১৮২০ সালে প্রকাশিত হয়।
    - এই কবিতাটিকে কবির one of the last major poems হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
    - এটি একটি three 11-line stanzas বিশিষ্ট কবিতা।
    - Written shortly before the poet died, the poem is a celebration of autumn blended with an awareness of the passing of summer and of life’s ephemerality.
    - শরৎকালের আগমনে কবির মনের অভিব্যক্তি প্রকাশ পেয়েছে এই কবিতে।
    - কবিতায় Autumn কে দেখানো হয়েছে উর্বরতা এবং পরিপক্কতার প্রতীক হিসেবে।

    • John Keats (1795-1821):
    - John Keats একজন বিখ্যাত English Romantic lyric poet ছিলেন।
    - তিনি প্রকৃতি, সৌন্দর্য, কল্পনা ও মানব জীবনের নশ্বরতা নিয়ে গভীরভাবে লিখেছেন।
    - তিনি মাত্র ২৬ বছর বয়সে মারা গেলেও, তার লেখা কবিতা তাকে চিরস্মরণীয় কবি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
    - তার সাহিত্যকর্মের মধ্যে আছে, sonnets, odes, and epics ইত্যাদি।
    - তার কাব্য সৌন্দর্য, কল্পনা ও মানব অভিজ্ঞতার গভীর উপলব্ধির জন্য আজও বিশ্ব সাহিত্যে অনন্য স্থান অধিকার করে আছে।

    • John Keats's famous quotations:
    - "A thing of beauty is a joy forever:
    Its loveliness increases; it will never
    Pass into nothingness."
    - "Where are the songs of spring? Aye, where are they?"
    - “Beauty is truth, truth beauty,”—that is all
     Ye know on earth, and all ye need to know."
    - "Heard melodies are sweet, but those unheard Are sweeter."
    - "My heart aches, and a drowsy numbness pains
    My sense, as though of hemlock I had drunk"
    - "Ever let the Fancy roam,
    Pleasure never is at home."

    • Keats's famous poems:
    - To Autumn,
    - Bright Star,
    - Ode to Psyche,
    - Ode on Melancholy,
    - Ode to a Nightingale,
    - Lamia,
    - Isabella,
    - Hyperion,
    - The Eve of St.
    - On First Looking into Chapman's Homer (sonnet),
    - La Belle Dame Sans Merci, etc.

    Source:
    1. Britannica.
    2. Poetry Foundation.

    ১৯২.
    The greatest satirist, Jonathan Swift belongs to-
    1. Elizabethan Age
    2. Augustan Age
    3. Victorian Age
    4. Modern Age
    সঠিক উত্তর:
    Augustan Age
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Augustan Age
    ব্যাখ্যা

    • The greatest satirist, Jonathan Swift, belongs to the Augustan Age.

    • Jonathan Swift (1667-1745):
    - Jonathan Swift হলো Augustan Age-এর অন্যতম প্রধান সাহিত্যিক।
    - তিনি একজন Anglo-Irish author এবং clergyman ছিলেন।
    - Jonathon Swift, an Anglo-Irish author, who was the foremost prose satirist in the English language.
    - অর্থাৎ, ইংরেজি সাহিত্যের সবচেয়ে বিখ্যাত ব্যঙ্গরচয়িতা বা satirist হলেন Jonathan Swift.
    - তার রচিত বিখ্যাত satire হলো ‘Gulliver’s Travels’.

    • Notable works:
    - Gulliver's Travels (Novel),
    - A Tale of a Tub (Prose Satire),
    - A Modest Proposal (Satiric Essay),
    - Argument Against Abolishing Christianity (Essay),
    - Verses on the Death of Dr. Swift (poem),
    - The Conduct of the Allies (political pamphlet),
    - Drapier’s Letters (pamphlet),
    - The Battle of Books (the mock-heroic satirical work),
    - A Journey to Stella (Collection of letters from Swift to Stella).

    Source:
    1. Britannica.
    2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

    ১৯৩.
    Horatio is _____.
    1. Hamlet’s friend
    2. Ophelia's brother
    3. Othello’s friend
    4. Macbeth’s friend
    সঠিক উত্তর:
    Hamlet’s friend
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Hamlet’s friend
    ব্যাখ্যা

    • Horatio is a good friend and confidant of 'Hamlet'.
    - Hamlet নাটকে Horatio ছিলেন Hamlet এর একমাত্র বন্ধু এবং বিশ্বস্ত ব্যক্তি।

    • Hamlet:
    - Shakespeare রচিত tragedy গুলোর মধ্যে Hamlet is one of the most celebrated tragedies in English literature.
    - ১৫৯৯-১৬০১ সালের মধ্যে লেখা এবং ১৬০৩ সালে প্রকাশিত এটি একটি 5acts বিশিষ্ট ট্র্যাজিডি।
    - এর কেন্দ্রীয় চরিত্র Hamlet ছিলেন prince of Denmark যিনি  জার্মানি থেকে নিজ দেশে ফিরে আসে তাঁর বাবার শেষকৃত্যে অংশগ্রহণ  করতে এবং জানতে পারে যে তার চাচা Claudius তার মাকে বিয়ে করেছে এবং এই চাচাই তার বাবার খুনী।
    - সত্য উদঘাটনের পর বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহের মধ্যে দিয়ে tragedy এর কাহিনী সামনে এগিয়ে যায় এবং শেষাংশে Hamlet এর মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে এর সমাপ্তি ঘটে।

    • The main characters of Hamlet:
    - Hamlet (Prince of Denmark),
    - Ophelia (Heroine, Hamlet’s love interest),
    - Claudius (Hamlet’s uncle),
    - Queen Gertrude (Hamlet’s Mother),
    - Horatio (Loyal and Best friend of Hamlet),
    - Polonius (Ophelia's Father),
    - Laertes (Ophelia's Brother), etc.

    • William Shakespeare (1564-1616):
    - William Shakespeare একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
    - তাকে 'English National Poet' বলা হয়।
    - Stratford-upon-Avon -এ জন্মগ্রহণ করেছেন বলে তাকে Bard of Avon বা Swan of Avon বলা হয়।
    - তাকে অনেকেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে বিবেচনা করেন।
    - Shakespeare occupies a unique position in world literature.
    - William Shakespeare মূলত তাঁর Drama and Sonnet -এর জন্য পরিচিত।
    - তিনি মোট ১৫৪ টি sonnet এবং ৩৭ টি play লিখেছেন।
    - এছাড়া তিনি Long narrative poem ও লিখেছেন।

    • Notable Works (Plays):
    - Hamlet,
    - Julius Caesar,
    - Othello,
    - King Lear,
    - Macbeth,
    - A Midsummer Night’s Dream,
    - All’s Well That Ends Well,
    - Antony and Cleopatra,
    - As You Like It,
    - Measure for Measure,
    - Much Ado About Nothing,
    - Richard III,
    - The Taming of the Shrew,
    - The Tempest, etc.

    Source: Britannica.

    ১৯৪.
    Who wrote the famous short story “The Last Leaf”?
    1. Ernest Hemingway
    2. Joseph Conrad
    3. William Sydney Porter
    4. William Somerset Maugham
    সঠিক উত্তর:
    William Sydney Porter
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    William Sydney Porter
    ব্যাখ্যা

    • The famous short story “The Last Leaf” was written by William Sydney Porter.

    • The Last Leaf:
    - The Last Leaf হলো আমেরিকান কথাসাহিত্যিক O. Henry (pen name)-এর একটি বিখ্যাত ছোটগল্প।
    - It was published in 1907 in his collection 'The Trimmed Lamp and Other Stories'.

    • Summary:
    - গল্পটির মূল বিষয় আশা, আত্মত্যাগ ও মানবিকতা।
    - গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র Johnsy, এক তরুণী শিল্পী, যিনি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুভয়ে ভুগছেন। সে বিশ্বাস করে যে জানালার বাইরে আইভি লতার (ivy vine) শেষ পাতাটি ঝরে পড়লেই তার জীবন শেষ হয়ে যাবে। তার বন্ধু সু তাকে বাঁচাতে চেষ্টা করে, কিন্তু Johnsy মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে।

    - পাশের ঘরে থাকা বৃদ্ধ শিল্পী Behrman জনসিকে বাঁচানোর জন্য এক মহৎ আত্মত্যাগ করেন। প্রবল ঝড়ের রাতে তিনি দেয়ালে এমন নিখুঁতভাবে একটি পাতা আঁকেন যে তা আসল পাতা বলে মনে হয়। সেই “শেষ পাতা” কখনো ঝরে পড়ে না, ফলে Johnsy-র মনে আশা ফিরে আসে এবং সে সুস্থ হয়ে ওঠে।

    - কিন্তু পরদিন জানা যায়, Behrman সেই রাতে ঠান্ডায় ভিজে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তার আঁকা পাতাটিই ছিল তার শ্রেষ্ঠ শিল্পকর্ম।

    • O. Henry (1862-1910):
    - O. Henry -এর প্রকৃত নাম ছিল William Sydney Porter.
    - “O. Henry” হলো তার pen name.
    - O. Henry is best known for his short stories.
    - তিনি নিউ ইয়র্ক সিটির সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে তিনি ছোটগল্প লিখতেন।
    - তার গল্পগুলোতে হাস্যরস, কাকতালীয়তা এবং চমকপ্রদ উপসংহার ছিল।
    - এই চমকপ্রদ সমাপ্তিই তার গল্পের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

    • Notable Short Stories:
    - The Gift of the Magi,
    - Heart of the West,
    - The Last Leaf,
    - Roads of Destiny,
    - The Furnished Room,
    - The Trimmed Lamp,
    - The Ransom of Red Chief,
    - The Four Million,
    - Whirligigs,
    - The Voice of the City.

    Source: Britannica.

    ১৯৫.
    "As your hours do, and dry Away,
    Like to the summer's rain;
    Or as the pearls of morning's dew,
    Ne'er to be found again."
    These lines taken from the poem of ______. 
    1. Lord Byron
    2. Robert Herrick
    3. William Wordsworth
    4. Thomas Gray
    সঠিক উত্তর:
    Robert Herrick
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Robert Herrick
    ব্যাখ্যা

    • These lines taken from the poem of Robert Herrick. 
    - এই লাইনগুলো Robert Herrick-এর বিখ্যাত কবিতা "To Daffodils" থেকে নেওয়া হয়েছে।

    • To Daffodils:
    - এটি Robert Herrick রচিত একটি বিখ্যাত কবিতা।
    - In “To Daffodils,” the speaker mourns how quickly life fades.
    - কবিতায় তিনি বুঝাতে চেয়েছেন এ পৃথিবীতে মানব জীবনও ড্যাফোডিল ফুলের মতো ক্ষণস্থায়ী।

    • 'To Daffodils' এর প্রথম দুই লাইন-
    - "Fair Daffodils, we weep to see
    You haste away so soon"

    - কবিতার শেষ লাইনগুলো হলো-
    - "As your hours do, and dry
    Away,
    Like to the summer's rain;
    Or as the pearls of morning's dew,
    Ne'er to be found again."

    • Robert Herrick (1591-1674):
    - He was an English cleric and poet.
    - তিনি Caroline যুগের একজন বিখ্যাত কবি।
    - Cavalier poet দের অন্যতম ছিলেন Robert Herrick.

    • Notable poems:
    - To Daffodils,
    - Delight in Disorder,
    - The Night Piece of Julia,
    - The Slitany to the Holy Spirit.

    উল্লেখ্য যে,
    - Daffodils নিয়ে ইংরেজি সাহিত্যের বিভিন্ন কবিরা কবিতা লিখেছেন।
    • 'To Daffodils' - Robert Herrick.
    • 'Daffodils' - Ted Hughes.
    • 'The Daffodils' - William Wordsworth ('The Daffodils' is also called ' I wandered Lonely as a Cloud').

    Source:
    1. Poetry Foundation.
    2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.