পরীক্ষা আর্কাইভ

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স

পরীক্ষাব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্সতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
"Exam - 42 Bangla: Topic: কারক-বিভক্তি, ক্রিয়ার কাল ও ক্রিয়াপদ, বাচ্য ও উক্তি।"
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
কোনটি কর্তৃ সম্বন্ধের উদাহরণ?
  1. বাঘের ভয়
  2. সাধুর দর্শন
  3. রাজার হুকুম
  4. প্রভুর সেবা
সঠিক উত্তর:
রাজার হুকুম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজার হুকুম
ব্যাখ্যা
সম্বন্ধ পদ:
- ক্রিয়াপদের সঙ্গে সম্পর্ক না রেখে যে নামপদ বাক্যস্থিত অন্য পদের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হয়, তাকে সম্বন্ধ পদ বলে।
যেমন-
- মতিনের ভাই বাড়ি যাবে।
- এখানে 'মতিনের' সঙ্গে 'ভাই'-এর সম্পর্ক আছে, কিন্তু 'যাবে' ক্রিয়ার সাথে সম্বন্ধ নেই।
- জ্ঞাতব্য: ক্রিয়ার সঙ্গে সম্বন্ধ পদের সম্বন্ধ নেই বলে সম্বন্ধ পদকে কারক বলা হয় না।

কারক সম্বন্ধ:
(১) কর্তৃ সম্বন্ধ: রাজার হুকুম।
(২) কর্ম সম্বন্ধ: প্রভুর সেবা, সাধুর দর্শন।
(৩) করণ সম্বন্ধ: চোখের দেখা, হাতের লাঠি।
(৪) অপাদান সম্বন্ধ: বাঘের ভয়, বৃষ্টির পানি।
(৫) অধিকরণ সম্বন্ধ: ক্ষেতের ধান, দেশের লোক।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
বুকের রক্তে লিখেছি একটি নাম, বাংলাদেশ। - বাক্যের ক্রিয়াটি কোন কালের?
  1. পুরাঘটিত বর্তমান
  2. পুরাঘটিত অতীত
  3. ঘটমান বর্তমান
  4. সাধারণ বর্তমান
সঠিক উত্তর:
পুরাঘটিত বর্তমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুরাঘটিত বর্তমান
ব্যাখ্যা
পুরাঘটিত বর্তমান কাল:
- যে ক্রিয়ার কার্য কিছুক্ষণ পূর্বে ঘটেছে। কিন্তু এর ফর বা প্রভাব এখনও বর্তমান, এরূপ অর্থে পুরাঘটিত বর্তমান কাল হয়।

যেমন:
- বৃষ্টি আমাদের বড়োই উপকার করেছে।
- ঝড় আমাদের ভীষণ ক্ষতি করেছে।
- তারা বাড়িতে ফিরেছে।
- বুকের রক্তে লিখেছি একটি নাম, বাংলাদেশ

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
.
চণ্ডীদাস বলেন, ‘সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই’ - এটি কোন কালের বাক্য?
  1. পুরাঘটিত অতীত
  2. পুরাঘটিত বর্তমান
  3. সাধারণ বর্তমান
  4. সাধারণ অতীত
সঠিক উত্তর:
সাধারণ বর্তমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাধারণ বর্তমান
ব্যাখ্যা
• সাধারণ বর্তমান কাল:
- যে ক্রিয়া বর্তমানে সাধারণভাবে ঘটে, তার কালকে সাধারণ বর্তমান কাল বলে।
যেমন -
- সে ভাত খায়।
- আমি বাড়ি যাই।

সাধারণ বর্তমান কালের বিশিষ্ট প্রয়োগ:

ক. অনুমতি প্রার্থনায় (ভবিষ্যৎ কালের অর্থে): এখন তবে আসি।
খ. প্রাচীন লেখকের উদ্ধৃতি দিতে (অতীত কালের অর্থে): চণ্ডীদাস বলেন, ‘সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই’।
গ. বর্ণিত বিষয় প্রত্যক্ষীভূত করতে (অতীতের স্থলে): আমি দেখেছি, বাচ্চাটি রোজ রাতে কাঁদে।
ঘ. ‘নেই’, ‘নাই’ বা ‘নি’ শব্দযোগে অতীত কালের ক্রিয়ায়: তিনি গতকাল হাটে যাননি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
সমাপিকা ও অসমাপিকা ক্রিয়া যুক্ত হয়ে যে ক্রিয়া গঠন করে তাকে কী বলে?
  1. নাম ক্রিয়া
  2. যৌগিক ক্রিয়া
  3. সংযোগ ক্রিয়া
  4. প্রযোজক ক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
যৌগিক ক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যৌগিক ক্রিয়া
ব্যাখ্যা
যৌগিক ক্রিয়া:
- অসমাপিকা ক্রিয়ার সঙ্গে সমাপিকা ক্রিয়া যুক্ত হয়ে যখন একটি ক্রিয়া গঠন করে, তখন তাকে যৌগিক ক্রিয়া বলে।
যেমন:
- মরে যাওয়া, কমে আসা, এগিয়ে চলা, হেসে ওঠা, উঠে পড়া, পেয়ে বসা, সরে দাঁড়ানাে, বেঁধে দেওয়া, বুঝে নেওয়া, বলে ফেলা, করে তােলা, চেপে রাখা ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
প্রযোজক ক্রিয়া:
- কর্তা অন্যকে দিয়ে কাজ করালে তাকে প্রযোজক ক্রিয়া বলে।
যেমন:
- তিনি আমাকে অঙ্ক করাচ্ছেন।
- রাখাল গরুকে ঘাস খাওয়ায়।

সংযোগ ক্রিয়া:
- বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক শব্দের পরে করা, কাটা, হওয়া, দেওয়া, ধরা, পাওয়া, খাওয়া, মারা প্রভৃতি ক্রিয়া যুক্ত হয়ে সংযোগ ক্রিয়া গঠিত হয়।
যেমন:
- গরম করা, গান করা, মার খাওয়া, উদয় হওয়া, ঠনঠন করা ইত্যাদি।

নাম ক্রিয়া:
- বিশেষ্য, বিশেষণ ও ধ্বনাত্মক শব্দের শেষে ‘আ' বা 'আনো' প্রত্যয় যোগ করে যে যে ক্রিয়া গঠিত হয় তাকে নামক্রিয়া বলে।
যেমন:
- বিশেষ্য চমক শব্দের সঙ্গে - 'আনো' প্রত্যয় যুক্ত করে হয় 'চমকানো'; আকাশে বিদ্যুৎ চমকায়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, নবম দশম শ্রেণি, (সংস্করণ ২০২১)।
.
বিদ্বান সকলের দ্বারা আদৃত হন। - এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
  1. কর্মবাচ্য
  2. কর্তৃবাচ্য
  3. ভাববাচ্য
  4. কর্মকর্তৃবাচ্য
সঠিক উত্তর:
কর্মবাচ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্মবাচ্য
ব্যাখ্যা
কর্মবাচ্য:
- যে বাক্যের ক্রিয়া কর্মকে অনুসরণ করে, তাকে কর্মবাচ্য বলে।
যেমন:
- পুলিশ কর্তৃক ডাকাত ধৃত হয়েছে।
- বিদ্বান সকলের দ্বারা আদৃত হন।
- চিঠিটা পড়া হয়েছে।

অন্যদিকে,
কর্তৃবাচ্য:
- যে বাক্যে কর্তার অর্থ-প্রধান্য রক্ষিত হয় এবং ক্রিয়াপদ কর্তার অনুসারী হয়, তাকে কর্তৃবাচ্য বলে।
যেমন:
- ছাত্ররা অঙ্ক করছে।

ভাববাচ্য:
- যে বাক্যে কর্ম থাকে না এবং বাক্যে ক্রিয়ার অর্থই বিশেষভাবে ব্যক্ত হয় তাকে ভাববাচ্য বলে।
যেমন:
- আমার খাওায়া হলো না।

কর্মকর্তৃবাচ্য:
- এছাড়াও বাংলায় আরো এক ধরনের প্রকাশভঙ্গির বাক্য দেখা যায়। এ ধরনের বাক্যের বাচ্যকে বলা হয় কর্মকর্তৃবাচ্য।
- এ ধরনের বাক্যে কর্তাপদ উহ্য থাকে, তবে কর্মপদ থাকে। আর ওই কর্মপদই কর্তার কাজ করে।
- অর্থাৎ, যে বাক্যে কর্তা থাকে না, কর্মই কর্তার কাজ করে, তাকে কর্মকর্তৃবাচ্য বলে।
যেমন:
- কাজটা ভাল দেখায় না।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
এ দেহে প্রাণ নেই। - বাক্যের ‘দেহে' শব্দটিতে কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. অধিকরণে ৭মী
  2. করণে ৩য়া
  3. অপাদানে ৫মী
  4. কর্মে ৭মী
সঠিক উত্তর:
অধিকরণে ৭মী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিকরণে ৭মী
ব্যাখ্যা
অধিকরণ কারক:
- যে কারকে স্থান, কাল, বিষয় ও ভাব নির্দেশিত হয়, তাকে অধিকরণ কারক বলে।
- এই কারকে সাধারণত এ, য়, য়ে, তে ইত্যাদি বিভক্তি শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়।
যেমন:
- কাননে কুসুমকলি সকলি ফুটিল।
- এ দেহে প্রাণ নেই। (অধিকরণে সপ্তমী)।

অন্যদিকে:
অপাদান কারক:
- যে কারকে ক্রিয়ার উৎস নির্দেশ করা হয়, তাকে অপাদান কারক বলে।
- এই কারকে সাধারণত ‘হতে’, ‘থেকে’ ইত্যাদি অনুসর্গ শব্দেরে পরে বসে।
যেমন:
- জমি থেকে ফসল পাই।

করণ কারক:
- 'করণ' শব্দটির অর্থ যন্ত্র, সহায়ক বা উপায়।
- ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ককেই করণ কারক বলে।
- বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সঙ্গে 'কীসের দ্বারা' বা কী উপায়ে' প্রশ্ন করলে যে উত্তরটি পাওয়া যায়, তা- ই করণ কারক।
যেমন:
- নীরা কলম দিয়ে লেখে। (উপকরণ = কলম),
- 'জগতে কীর্তিমান হয় সাধনায়।' (উপায় = সাধনা),
- 'এ সাবানে কাপড় কাচা চলবে না'। (উপকরণ = সাবান)।

কর্ম কারক:
- যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে কর্ম কারক বলে।
- বাক্যের মুখ্য কর্ম ও গৌণ কর্ম – উভয় ধরনের কর্মই কর্ম কারক হিসেবে গণ্য হয়।
- সাধারণত মুখ্য কর্ম কারকে বিভক্তি হয় না, তবে গৌণ কর্ম কারকে ‘কে’ বিভক্তি হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২১ সংস্করণ) ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
তিনি বললেন যে বইটা তাঁর দরকার। - বাক্যটি কীসের উদাহরণ?
  1. পরোক্ষ উক্তির
  2. কর্তৃবাচ্যের
  3. প্রত্যক্ষ উক্তির
  4. কর্মবাচ্যের
সঠিক উত্তর:
পরোক্ষ উক্তির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরোক্ষ উক্তির
ব্যাখ্যা
প্রত্যক্ষ উক্তি:
- যে বাক্যের সাহায্যে বক্তার কথা সরাসরি বর্ণনা করা হয় তাকে বলা হয় প্রত্যক্ষ উক্তি।
যেমন:
- ইব্রাহীম বলল, 'আমি কাজটি শেষ করতে পারিনি'।
- এ বাক্যের বক্তা হলো ইব্রাহীম। ইব্রাহীমের কথাই এখানে সরাসরি বর্ণনা করা হয়েছে।
- অতএব এটি হলো প্রত্যক্ষ উক্তির উদাহরণ।

পরোক্ষ উক্তি:
- যে বাক্যে বক্তার বক্তব্য সরাসরি বর্ণনা করা হয় না, অন্যের দ্বারা বর্ণনা করা হয় সে উক্তিকে বলা হয় পরোক্ষ উক্তি।
যেমন:
- তিনি বললেন যে, বইটা তার দরকার।

উৎস: বাংলা দ্বিতীয় পত্র, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
অনেকগুলো বন্য হাতি বাগান নষ্ট করে দিলো। - বাক্যে নিম্নরেখ শব্দবর্গটি কোন কারক?
  1. অপাদান কারক
  2. কর্তা কারক
  3. কর্ম কারক
  4. করণ কারক
সঠিক উত্তর:
কর্তা কারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্তা কারক
ব্যাখ্যা
কর্তা কারক:
- ক্রিয়া যার দ্বারা সম্পাদিত হয়, তাকে কর্তাকারক বলে।
- বাক্যের কর্তা বা উদ্দেশ্যই কর্তা কারক।

যেমন -
- আমরা নদীর ঘাট থেকে রিকশা নিয়েছিলাম।
- অনেকগুলো বন্য হাতি বাগান নষ্ট করে দিল।

- কর্তা কারকে কখনো কখনো -এ বিভক্তি যুক্ত হয়।
যেমন
- পাগলে কিনা বলে, ছাগলে কিনা খায়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
প্রত্যক্ষ উক্তির 'আগামীকাল' পরোক্ষ উক্তিতে কী হবে?
  1. আগেরদিন
  2. পরদিন
  3. পূর্বদিন
  4. সেদিন
সঠিক উত্তর:
পরদিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরদিন
ব্যাখ্যা
উক্তি:
- বক্তার কথা উপস্থাপনের ধরনকে উক্তি বলে।
- উক্তি দুই প্রকার: প্রত্যক্ষ উক্তি ও পরোক্ষ উক্তি।
যেমন:
→ প্রত্যক্ষ উক্তি: ছেলেটি বলেছিল, "আজ আমি অনেক পড়েছি।"
→ পরোক্ষ উক্তি: ছেলেটি বলেছিল যে, সেদিন সে অনেক পড়েছে।

প্রত্যক্ষরূপ - পরোক্ষরূপ:
• আগামীকাল - পরদিন,
• এই - সেই,
• ইহা - তাহা,
• গতকাল - আগেরদিন,
• আজ - সেদিন,
• গতকল্য - পূর্বদিন,
• এখানে - সেখানে,
• ওখানে - ঐখানে,
• এখন - তখন,
• এ - সে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯, ২০২২ সংস্করণ)।