পরীক্ষা আর্কাইভ

Science Expert

পরীক্ষাScience Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৫
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৫ বলবিদ্যা (গতির সূত্র সমূহ, জড়তা, বল, ব্যাংকিং, ভরবেগ) এবং মহাকর্ষ ও অভিকর্ষ কেপলারের সূত্র, ভর, ওজন [ক্লাস ৭ ও ৮]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

Science Expert

Science Expert · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫ প্রশ্ন

.
নিচের কোনটি মৌলিক বল?
  1. ক) মহাকর্ষ বল
  2. খ) তাড়িতচৌম্বক বল
  3. গ) দুর্বল নিউক্লিয় বল
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
মৌলিক বল:
- যে সকল বল মূল বা স্বাধীন অর্থাৎ যে সকল বল অন্য কোনো বল থেকে উৎপন্ন হয় না বা অন্য কোনো বলের কোনো রূপ নয় বরং অন্যান্য বল এই সকল বলের কোনো না কোনো রূপের প্রকাশ তাদেরকে মৌলিক বল বলে। 

মৌলিক বল চারটি। যথা- 
১. মহাকর্ষ বল;
২. তাড়িতচৌম্বক বল; 
৩. সবল নিউক্লিয় বল; 
৪. দুর্বল নিউক্লিয় বল; 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
জড়তার ধারণা পাওয়া যায় নিউটনের কোন সূত্র থেকে?
  1. ক) ১ম সূত্র
  2. খ) ২য় সূত্র
  3. গ) ৩য় সূত্র
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) ১ম সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১ম সূত্র
ব্যাখ্যা
নিউটনের প্রথম সূত্র:
- বাহ্যিক বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকবে এবং গতিশীল বস্তু সুষম দ্রুতিতে সরলপথে চলতে থাকবে।
- সূত্রটি জড়তার ধারণা দেয়। 
উদাহরণ: চলন্ত বাস হঠাৎ ব্রেক করলে যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে।

নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র:
বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার তার উপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যেদিকে ক্রিয়া করে বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনও সেদিকে ঘটে।

নিউটনের তৃতীয় সূত্র:
প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীত্মুখী প্রতিক্রিয়া থাকে। অর্থাৎ, যখন একটি বস্তু অন্য একটি বস্তুর ওপর বল প্রয়ােগ করে, তখন সেই বস্তুটিও প্রথম বস্তুটির ওপর বিপরীত দিকে সমান বল প্রয়ােগ করে।
উদাহরণ:
বন্দুক থেকে গুলি ছোঁড়া হলে পেছনের দিকে বন্দুক চালনাকারীকে ধাক্কা দিবে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
পৃথিবীতে কোনো বস্তুর ওজন ৯৮ নিউটন, বৃহস্পতি গ্রহে ঐ বস্তুর ভর কত হবে?
  1. ক) ৯৮ কেজি
  2. খ) ৬০৮ কেজি
  3. গ) ১০ কেজি
  4. ঘ) অনির্ণেয়
সঠিক উত্তর:
গ) ১০ কেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১০ কেজি
ব্যাখ্যা
আমরা জানি, কোন বস্তুর ওজন = বস্তুর ভর × অভিকর্ষজ ত্বরণ
ভর = ওজন / অভিকর্ষজ ত্বরণ
= ৯৮ / ৯.৮
= ১০ কেজি

সুতরাং, পৃথিবীতে বস্তুর ভর ১০ কেজি। 

যেহেতু বস্তুর ভর অপরিবর্তিত থাকে, তাই বৃহস্পতি গ্রহেও বস্তুর ভর ১০ কেজি হবে।
.
ভরবেগের মাত্রা কোনটি?
  1. ক) M
  2. খ) MLT-1
  3. গ) MLT-2
  4. ঘ) ML2T-2
সঠিক উত্তর:
খ) MLT-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) MLT-1
ব্যাখ্যা
ভর হচ্ছে ভর ও বেগের গুণফল। ভর m ও বেগ v হলে,
ভরবেগ, p = mv

- ভরবেগের একক kgms-1
- ভরবেগের মাত্রা MLT-1 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম - দশম শ্রেণি।
.
কেপলারের কোন সূত্র গ্রহের কক্ষপথের আকৃতি সম্পর্কে ধারণা দেয়?
  1. ক) ১ম সূত্র
  2. খ) ২য় সূত্র
  3. গ) ৩য় সূত্র
  4. ঘ) ৪র্থ সূত্র
সঠিক উত্তর:
ক) ১ম সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১ম সূত্র
ব্যাখ্যা
কেপলারের সূত্র:
• কেপলারের প্রথম সূত্র -
- সূর্যকে ফোকাসে রেখে প্রতিটি গ্রহ উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে


কেপলারের দ্বিতীয় সূত্র -
প্রতিটি গ্রহ এমনভাবে ঘুরছে যে, সূর্য ও ঐ গ্রহের কেন্দ্র সংযোজক কাল্পনিক রেখা সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে।

কেপলারের তৃতীয় সূত্র -
সূর্যের চারিদিকে প্রতিটি গ্রহের আবর্তনকালের বর্গ এর কক্ষপথের অর্ধপরাক্ষের ঘনফলের সমানুপাতিক।

- মহাকর্ষ - যে বল মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তু কণাকে পরস্পরের দিকে আকর্ষণ করে তার নাম মহাকর্ষ বল।
- নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র - মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তুকণা একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। এই আকর্ষণ বলের মান বস্তুকণাদ্বয়ের ভরের গুণফলের সামানুপাতিক,এদের মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক এবং এই বল বস্তুকণাদ্বয়ের কেন্দ্র সংযোজক সরলরেখা বরাবর ক্রিয়া করে।
- বিশ্বজনীন মহাকর্ষীয় ধ্রুবক, G-এর মান 6.673×10 -11 Nm2kg2 এবং G-এর মাত্রা LMT-2 । আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে G-এর একক Nm2kg2.

তথ্যসূত্র: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'প্রত্যেক ক্রিয়ার সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে' - নিউটনের কোন সূত্রকে সমর্থন করে?
  1. ক) ১ম সূত্র
  2. খ) ২য় সূত্র
  3. গ) ৩য় সূত্র
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) ৩য় সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩য় সূত্র
ব্যাখ্যা
নিউটনের প্রথম সূত্র:
বাহ্যিক বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকবে এবং গতিশীল বস্তু সুষম দ্রুতিতে সরলপথে চলতে থাকবে।
উদাহরণ: চলন্ত বাস হঠাৎ ব্রেক করলে যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে।

নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র:
বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার তার উপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যেদিকে ক্রিয়া করে বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনও সেদিকে ঘটে।

নিউটনের তৃতীয় সূত্র:
প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীত্মুখী প্রতিক্রিয়া থাকে। অর্থাৎ, যখন একটি বস্তু অন্য একটি বস্তুর ওপর বল প্রয়ােগ করে, তখন সেই বস্তুটিও প্রথম বস্তুটির ওপর বিপরীত দিকে সমান বল প্রয়ােগ করে।
উদাহরণ:
বন্দুক থেকে গুলি ছোঁড়া হলে পেছনের দিকে বন্দুক চালনাকারীকে ধাক্কা দিবে।
একজন মাঝি নৌকা চালানোর সময় নিউটনের তৃতীয় সূত্র প্রয়োগ করে।
মহাকাশযান উৎক্ষেপিত হয় নিউটনের তৃতীয় সূত্রের নীতিতে।
মহাকাশযানকে উৎক্ষেপ করার জন্য যে নীতির উপর ভিত্তি করে রকেট নির্মিত হয় তা নিউটনের তৃতীয় গতিসূত্র।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
বলের একক -
  1. ক) জুল
  2. খ) নিউটন
  3. গ) বেকেরেল
  4. ঘ) ওয়াট
সঠিক উত্তর:
খ) নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নিউটন
ব্যাখ্যা
- বলের একক - নিউটন। 
- ক্ষমতার একক - ওয়াট। 
- তেজস্ক্রিয়তার একক - বেকরেল।
- কাজের একক - জুল ।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই। 
.
৮ নিউটন বল কোন বস্তুর ২ সেকেন্ড ব্যপী ক্রিয়া করলে, ভরবেগের পরিবর্তন কত হবে?
  1. ক) ৪ kgms-1
  2. খ) ৮ kgms-1
  3. গ) ১৬ kgms-1
  4. ঘ) ৩২ kgms-1
সঠিক উত্তর:
গ) ১৬ kgms-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৬ kgms-1
ব্যাখ্যা
আমরা জানি, 
বল = ভরবেগের পরিবর্তন / সময় 
⇒ ভরবেগের পরিবর্তন = বল × সময় 
= ৮ × ২ kgms-1
= ১৬ kgms-1

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোনটি সঠিক নয়?
  1. ক) পৃথিবীর কেন্দ্রে g এর মান শূন্য
  2. খ) মেরু অঞ্চলে g এর মান বিষুব অঞ্চল থেকে কম
  3. গ) 45° অক্ষাংশে সমুদ্র সমতলে g-এর মানকে আদর্শ ধরা হয়
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
খ) মেরু অঞ্চলে g এর মান বিষুব অঞ্চল থেকে কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মেরু অঞ্চলে g এর মান বিষুব অঞ্চল থেকে কম
ব্যাখ্যা
অভিকর্ষজ ত্বরণ g-এর মান: 
- বিষুব রেখা বরাবর g-এর মান সর্ব নিম্ন প্রায় 9.78 ms-2, 
- মেরু বিন্দুতে সর্বোচ্চ 9.83 ms-2 
- এভারেষ্ট শৃঙ্গে g-এর মান 9.81ms-2 
-  সমুদ্র সমতলে প্রাপ্ত g-এর মান 9.75 ms-2
- ভূ-পৃষ্ঠে বিভিন্ন স্থানে g-এর মান বিভিন্ন বলে 45° অক্ষাংশে সমুদ্র সমতলে g-এর মানকে আদর্শ ধরা হয়। 
- এই মান হচ্ছে 9.80665 ms-2 । 
- হিসাবের সুবিধার্থে আদর্শমান ধরা হয় 9.81 ms-2।
 
উৎস: এইচএসসি প্রোগ্রাম; পদার্থ বিজ্ঞান ১ম পত্র; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
পৃথিবীতে কোন বস্তুর মুক্তিবেগের মান কত?
  1. ক) 1.7 kms-1
  2. খ) 5.4 kms-1
  3. গ) 11.2 kms-1
  4. ঘ) 21.9 kms-1
সঠিক উত্তর:
গ) 11.2 kms-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 11.2 kms-1
ব্যাখ্যা
সংজ্ঞা:
- সর্বাপেক্ষা কম যে বেগে কোনো বস্তুকে খাড়া ওপরের দিকে নিক্ষেপ করলে তা আর পৃথিবীতে ফিরে আসে না সে বেগকে মুক্তিবেগ বলে।

মুক্তিবেগের মান:
- কোনো বস্তুকে এমন গতিশক্তি দিতে হবে যাতে সেটি পৃথিবীর আকর্ষণ কাটিয়ে মহাশূন্যে চলে যেতে পারে।
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে কোনো বস্তুকে অসীমে নিয়ে যেতে যে কাজ করতে হবে বস্তুটিকে নিক্ষেপের সময় সে গতিশক্তি প্রদান করতে হবে। এরূপ গতিশক্তি অর্জন করতে যে বেগ দিতে হবে তাই মুক্তিবেগ Ve
- পৃথিবীর মুক্তিবেগের মান 11.2 kms-1
অর্থাৎ, কোন বস্তুকে এই বেগে নিক্ষেপ করলে তা পৃথিবীর আকর্ষণ কাটিয়ে মহাশূন্যে চলে যাবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, ড. শাহজাহান তপন। 
১১.
পদার্থ যেই অবস্থায় আছে চিরকাল সেই অবস্থায় থাকতে চাওয়ার যেই প্রবণতা তাকে কি বলে?
  1. ক) বেগ
  2. খ) জড়তা
  3. গ) ভরবেগ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) জড়তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জড়তা
ব্যাখ্যা
জড়তা: 
- পদার্থ যেই অবস্থায় আছে চিরকাল সেই অবস্থায় থাকতে চাওয়ার যেই প্রবণতা, তাকে জড়তা বলে
- জড়তা দুই প্রকার: 

১। স্থিতি জড়তা:
- স্থির বস্তুর চিরকাল স্থির থাকতে চাওয়ার যেই ধর্ম বা প্রবণতা তাকে স্থিতি জড়তা বলে।

২। গতি জড়তা:
- গতিশীল বস্তুর চিরকাল স্থির থাকতে চাওয়ার যেই ধর্ম বা প্রবণতা তাকে স্থিতি জড়তা বলে।

গতিশীল গাড়ি হঠাৎ থেমে গেলে গাড়িতে বসা যাত্রী সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে বা হুমড়ি খেয়ে পড়ে। গাড়ি যখন গতিশীল ছিল তখন যাত্রীর শরীরের উপরের অংশ এবং নিচের অংশ উভয়ই গতিশীল ছিল। কিন্তু গাড়ি হঠাৎ থেমে যাওয়ায় গাড়ি সংলগ্ন শরীরের নিচের অংশ সর্বপ্রথম থেমে যায় বা স্থির হয়। কিন্তু উপরের অংশ তখনও গতিশীল থাকায় তা গতিশীলই থাকতে চায়। ফলে আরোহী বা যাত্রী সামনের দিকে ঝুঁকে পরে। এটি গতি জড়তা এর উদাহরণ।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
গাছের একটি আপেল পৃথিবীকে f বলে আকর্ষণ করছে। পৃথিবী আপেলকে F বলে আকর্ষণ করছে। সুতরাং-
  1. ক) F >> f
  2. খ) f >> F
  3. গ) F < f
  4. ঘ) F = f
সঠিক উত্তর:
ঘ) F = f
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) F = f
ব্যাখ্যা
মহাকর্ষ বল: 
- মহাবিশ্বের যেকোন দুইটি বস্তুর মধ্যকার আকর্ষণ বলকে মহাকর্ষ বল বলে।

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র: 
’মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তুকণা একে অপরকে নিজ দিকে আকর্ষণ করে এবং এই আকর্ষণ বলের মান বস্তু কণাদ্বয়ের ভরের গুনফলের সমানুপাতিক এবং এদের মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক এবং এই বল বস্তু কণাদ্বয়ের সংযোজক সরলরেখা বরাবর ক্রিয়া করে।

আপেলের আকর্ষণ বল f, পৃথিবীর আকর্ষণ বল F হলে,
F = f = GMm/R2
এখানে,
M = পৃথিবীর ভর,
m = আপেলের ভর,
R = মধ্যবর্তী দূরত্ব

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, ড. শাহজাহান তপন।
১৩.
কোন বলের কারণে গ্যালাক্সির ভেতরে নক্ষত্ররা ঘুরপাক খায়?
  1. ক) বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল
  2. খ) মহাকর্ষ বল
  3. গ) দুর্বল নিউক্লীয় বল
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) মহাকর্ষ বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মহাকর্ষ বল
ব্যাখ্যা
বল: 
- যা স্থির বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তাকে গতিশীল করে বা করতে চায় অথবা যা গতিশীল বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তার গতির পরিবর্তন করে বা করতে চায় তাকে বল বলে। 
- বল সবসময় জোড়ায় জোড়ায় ক্রিয়া করে। 
- প্রকৃতিতে মাত্র চার ধরনের মৌলিক বল আছে। 
যথা- 
১। মহাকর্ষ বল, 
২। তড়িৎ চৌম্বক বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল, 
৩। দুর্বল নিউক্লীয় বল এবং 
৪। সবল নিউক্লীয় বল। 

মহাকর্ষ বল: 
- এই সৃষ্টিজগতের সকলবস্তু তাদের ভরের কারণে একে অপরকে যে বল দিয়ে আকর্ষণ করে, সেটাই হচ্ছে মহাকর্ষ বল। 
- এই মহাকর্ষ বলের কারণে গ্যালাক্সির ভেতরে নক্ষত্ররা ঘুরপাক খায় কিংবা সূর্যকে ঘিরে পৃথিবী ঘোরে, পৃথিবীকে ঘিরে চাঁদ ঘোরে। 
- পৃথিবীর মহাকর্ষ বল যখন আমাদের ওপর কাজ করে, তখন তাকে মধ্যাকর্ষণ বল বলে। 
- এই মধ্যাকর্ষণ বল আমাদেরকে নিচের দিকে (পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে) টেনে রেখেছে এবং এর কারণেই আমরা নিজেদের ওজনের অনুভূতি পাই। 
- ভর আছে সেরকম যেকোন বস্তু অন্য বস্তুকে মহাকর্ষ বল দিয়ে আকর্ষণ করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪.
দুইটি বস্তুর মধ্যকার দূরত্ব দ্বিগুন করা হলে তাদের মহাকর্ষ বল পূর্বের কতগুণ হবে?
  1. ক) ৪ গুণ
  2. খ) ৮ গুণ
  3. গ) ১/৪ গুণ
  4. ঘ) ১/৮ গুণ
সঠিক উত্তর:
গ) ১/৪ গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১/৪ গুণ
ব্যাখ্যা
মহাকর্ষ বল: 
- মহাবিশ্বের যেকোন দুইটি বস্তুর মধ্যকার আকর্ষণ বলকে মহাকর্ষ বল বলে।

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র: 
- দুইটি বস্তুর মধ্যকার আকর্ষণ বল বস্তু দুইটির ভরের গুণফলের সমানুপাতিক।
- মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক।

অতএব, দূরত্ব দ্বিগুণ করা হলে, মহাকর্ষ বল ১/৪ গুণ হবে। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
ঘূর্ণায়মান কোনো বস্তুকণার অবস্থান ভেক্টর এবং কণাটির ওপর প্রযুক্ত বলের ভেক্টর গুণফলকে বলা হয়-
  1. ক) টর্ক
  2. খ) দ্বন্দ্ব
  3. গ) কেন্দ্রমুখী বল
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) টর্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) টর্ক
ব্যাখ্যা
দ্বন্দ্ব:
- সমান, সমান্তরাল ও বিপরীতমুখী দুটি বল যদি একই বস্তুর দুটি ভিন্ন বিন্দুতে ক্রিয়া করে তখন উক্ত বলদ্বয়কে দ্বন্দ্ব বলে।

টর্ক:
- ঘূর্ণায়মান কোনো বস্তুকণার অবস্থান ভেক্টর এবং কণাটির ওপর প্রযুক্ত বলের ভেক্টর গুণফলকে টর্ক বলে

কেন্দ্রমুখী বল:
- কোনো বৃত্তের ব্যাসার্ধ বৃত্তপথের কোনো বিন্দুতে স্পর্শক বা বস্তুর বেগের দিকের সাথে লম্ব। সুতরাং সরল রৈখিক গতির প্রবণতা প্রতিরোধ করে বস্তুকে বৃত্তপথে ঘূর্ণনশীল রাখার জন্য বৃত্তের ব্যাসার্ধ বরাবর কেন্দ্রের দিকে একটি বল ক্রিয়া করে । এই বলই কেন্দ্রমুখী বল। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।