পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

পরীক্ষাবার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৮৩
সিলেবাস
Exam -17: Full Model Test- 02 Topic: Full Syllabus
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬ · তারিখ অনির্ধারিত · ৮৩ প্রশ্ন

.
'Judgment' এর বাংলা পরিভাষা কী?
  1. ডিক্রি
  2. রায়
  3. আদেশ
  4. বিবৃতি
সঠিক উত্তর:
রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায়
ব্যাখ্যা
Section-2(9)- "Judgment" means the statement given by the Judge of the grounds of a decree or order:
- 'রায়' (Judgment): বলতে ডিক্রি বা আদেশের ভিত্তি হিসেবে বিচারক যে বিবৃতি দেন, তা বুঝায়।

⇒ রায় বলতে বুঝায় কোন দেওয়ানী মামলায় প্রদত্ত ডিক্রি বা আদেশের যুক্তি হিসেবে বিচারক যে বর্ণনা দেন। সাধারণত, দেওয়ানী মোকদ্দমার শুনানীর পর আদালত রায় ঘোষণা করেন এবং রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করেন।
.
'মোকদ্দমার বিষয়বস্তু সম্বন্ধে বাদী যে পরিমাণ দাবী করার অধিকার রাখে, তা সম্পূর্ণ দাবী করতে হবে'- দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় বলা আছে?
  1. আদেশ ১ বিধি ২
  2. আদেশ ২ বিধি ২
  3. আদেশ ২ বিধি ৫
  4. আদেশ ২ বিধি ৮
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২ বিধি ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২ বিধি ২
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২ এর বিধি ২ অনুসারে,
মোকদ্দমার বিষয়বস্তু সম্বন্ধে বাদী যে পরিমাণ দাবী করার অধিকার রাখে, তা সম্পূর্ণ দাবী করতে হবে। কোন ক্ষেত্রে বাদী মোকদ্দমার একই বিষয়বস্তু সম্পর্কে বহু সংখ্যক প্রতিকার দাবী করার অধিকারী হলে সে সমস্ত বা তন্মধ্যে যে কোন প্রতিকার দাবী করে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারে। অবশ্য এক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত ধরণের প্রতিকারগুলোর মধ্যে কোন দাবী না করে থাকলে, পরে সেরূপ কোন প্রতিকার দাবী করা চলবে না।

• আদেশ ২ বিধি ২- 
১) সমগ্র দাবী মোকদ্দমার অন্তর্ভুক্ত করতে হবেঃ 
যেকোন মোকদ্দমার সারবস্তু সম্বন্ধে বাদি যে পরিমাণ দাবী করার অধিকার রাখে, তা সম্পূর্ণ দাবী করতে হবে। অবশ্য মোকদ্দমাটি কোন আদালতের এখতিয়ারভুক্ত রাখার উদ্দেশ্যে তার দাবী আংশিকভাবে বর্জন করার যদি দরকার হয় তাহলে তা করতে পারবে।

২) দাবীর অংশ পরিত্যাগঃ
 বাদী যদি তার দাবীর কোন অংশ উল্লেখ না করে মোকদ্দমা করে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে দাবী আংশিক বর্জন করে, তবে পরে ঐ দাবী বা দাবীর সে অংশের জন্য মোকদ্দমা করা চলবে না।

৩) একাধিক প্রতিকারের মধ্যে কোন একটির জন্য মোকদ্দমা করতে বর্জনঃ
কোন ক্ষেত্রে বাদী মোকদ্দমার একই বিষয়বস্তু সম্পর্কে বহু সংখ্যক প্রতিকার দাবী করার অধিকারী হলে সে সমস্ত বা তন্মধ্যে যে কোন প্রতিকার দাবী করে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারে। অবশ্য এক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত ধরণের প্রতিকারগুলোর মধ্যে কোন দাবী না করে থাকলে পরে সেরূপ কোন প্রতিকার দাবী করা চলবে না।

ব্যাখা- উক্ত বিধির উদ্দেশ্যে কোন বাধ্যবাধকতা এবং তা সম্পাদন করার নিমিত্তে প্রদত্ত আনুষঙ্গিক জামানত এবং উক্ত বাধ্যবাধকতা হতে উদ্ভূত আনুক্রমিক দাবীসমূহ ক্রমান্বয়ে একটি মোকদ্দমার কারণই সৃষ্টি করবে।

উদাহরণ-
'ক' বার্ষিক ১২০০ টাকা ভাড়ায় 'খ'-কে একটি বাড়ী ভাড়া দেয়। ১৯০৫, ১৯০৬ এবং ১৯০৭ সালে সম্পূর্ণ ভাড়া বাকি পড়ে। ১৯০৮ সালে 'ক' শুধুমাত্র ১৯০৬ সালে ভাড়ার দাবীতে 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করে। ১৯০৫ ও ১৯০৭ সালে ভাড়ার জন্য 'ক' পরে 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে না।
.
দেওয়ানি কার্যবিধির ২৪ ধারায় কোন আদালত মোকদ্দমা স্থানান্তর বা প্রত্যাহারের আদেশ দিতে পারে?
  1. সকল দেওয়ানি আদালত
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. জেলা জজ আদালত
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২৪ ধারায় মোকদ্দমা, আপিল বা অন্যান্য কার্যক্রম স্থানান্তরের [transfer] এবং প্রত্যাহারের [Withdrawal] সাধারণ ক্ষমতা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

• যে আদালত স্থানান্তর বা প্রত্যাহারের আদেশ দিতে পারে-
⇒ হাইকোর্ট বিভাগ এবং
⇒ জেলা জজ আদালত

• আদালত যে আদেশ দিতে পারে-
হাইকোর্ট বিভাগ বা জেলা জজ কোন পক্ষের (বাদী বা বিবাদীর) আবেদনক্রমে বা স্বপ্রণোদিত হয়ে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে [at any stage of the suit]-
⇒ কোন মোকদ্দমা, আপিল বা অন্য কার্যক্রম স্থানান্তরের [transfer] আদেশ দিতে পারে, বা
⇒ কোন মোকদ্দমা, আপিল বা অন্য কার্যক্রম প্রত্যাহারের [withdrawal] আদেশ দিতে পারে।

• যে কারণে স্থানান্তরের বা প্রত্যাহারের আদেশ দিতে পারে-
⇒ যদি মামলাকারীর মনে যুক্তিযুক্ত আশঙ্কা থাকে যে, যে আদালতে মোকদ্দমাটি বিচারাধীন আছে সেই আদালতে সে ন্যায় বিচার নাও পেতে পারে;
⇒ যে ক্ষেত্রে বিচারক কোন একপক্ষের প্রতি বেশি আগ্রহী হয়;
⇒ মামলার বহুত্ব কমানোর জন্য;
⇒ আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করতে;
⇒ পক্ষদ্বয়ের সুবিধার জন্য ইত্যাদি।
.
আরজি ফেরতের সিদ্ধান্ত একটি-
  1. আপিলযোগ্য ডিক্রি
  2. আপিলঅযোগ্য আদেশ
  3. আপিলযোগ্য আদেশ
  4. আপিলঅযোগ্য ডিক্রি
সঠিক উত্তর:
আপিলযোগ্য আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলযোগ্য আদেশ
ব্যাখ্যা
• আরজি ফেরত (Return of Plaint) অর্থ হলো এখতিয়ারবিহীন আদালতে আরজি দাখিল করলে, আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেয়া। যদি এমন কোন আদালতে আরজি দাখিল করা হয় যে আদালতে উক্ত মোকদ্দমার বিচার করার আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার নেই, তখন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজিটি দাখিলের জন্য আদালত ফেরত দিতে পারে। মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে আদালত আরজি ফেরতের আদেশ দিতে পারে। দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭ এর বিধি ১০ এ আরজি ফেরত এর বিধান উল্লেখ করা হয়েছে।

• আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার:
১. বাদী আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে পুনরায় দাখিল করতে পারে বা
২. আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে। কারণ দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৩ আদেশের ১(ক) বিধি অনুযায়ী আরজি ফেরতের সিদ্ধান্ত একটি আপিলযোগ্য আদেশ।
.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় সর্বোচ্চ কত টাকা মুলতবি খরচের আদেশ দেয়া যায়?
  1. ১০০ টাকা
  2. ২০০ টাকা
  3. ১০০০ টাকা
  4. ২০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি মোকদ্দমায় মুলতবির খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে।

• আইনে মুলতবি [Adjournment] অর্থ হলো আদালতের কার্যপ্রণালিতে কোনো মামলার শুনানি পরবর্তী কোনো তারিখ পর্যন্ত স্থগিত বা মুলতবি করা। সাধারণত কোন মোকদ্দমার শুনানী শুরু হলে তা চলমান থাকবে। কিন্তু অনিবার্য অবস্থার প্রেক্ষাপটে মোকদ্দমার কোন পক্ষ আদালতে হাজির নাও হতে পারে এবং তখন শুনানী মুলতবির আবেদন করা প্রয়োজনীয় হয়। দেওয়ানি কার্যবিধির ১৭নং আদেশে [Adjournment] বা মুলতবির বিধানসমূহ রয়েছে। আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে। ১৭নং আদেশ অনুযায়ী মুলতবির কিছু সাধারন বিধান-

⇒ আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে।
⇒ চূড়ান্ত শুনানীর আগে (Before Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচ ছাড়া সর্বোচ্চ ৬টি এবং খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি করে মোট ৯টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে।
⇒ অন্যদিকে চূড়ান্ত শুনানী পর্যায়ে (At the Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে। তবে খরচ ছাড়া আদালত কোন মুলতবি মঞ্জুর করে না।
⇒ মুলতবির খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে।
⇒ মুলতবির আবেদন মঞ্জুর করা বা না করা আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৯ ধারায় কোন আদালতে আপিল করার বিধান রয়েছে?
  1. জেলা জজ আদালত
  2. সুপ্রিম কোর্ট
  3. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত
  4. ক, খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্ট
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৯ ধারার বিধান: সুপ্রিম কোর্টে যখন আপিল করা চলবে:
দেশের আদালতসমূহের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে যে সমস্ত বিধি প্রণয়ন করবেন, তৎসাপেক্ষে এবং এই আইনের বিধানসাপেক্ষে আপিল বিভাগের নিকট নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল করা চলবে-
ক) হাইকোর্ট বিভাগ বা চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন আদালত কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি অথবা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে;
খ) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক এর মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে; এবং
গ) অতঃপর বর্ণিত বিধানানুসারে কোন মোকদ্দমা আপিল বিভাগের নিকট আপিলের যোগ্য বলে সুপারিশ করা হলে তদ্রূপ মোকদ্দমায় প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে।

Section 109- When appeals lie to the Supreme Court:
Subject to such rules as may, from time to time, be made by the Supreme Court regarding appeals from the Courts of Bangladesh, and to the provisions hereinafter contained, an appeal shall lie to the Appellate Division.
(a) from any Judgment, decree or final order passed on appeal by the High Court Division or by any other Court of final appellate jurisdiction; 
(b) from any Judgment, decree or final order passed by the High Court Division in the exercise of original civil jurisdiction; and 
(c) from any Judgment, decree or final order, when the case, as hereinafter provided, is certified to be a fit one for appeal to the Appellate Division.
.
আদেশ ১৬ বিধি ১৪ অনুসারে, কোন ব্যক্তিকে আদালত সমন দিতে পারে?
  1. মোকদ্দমার পক্ষকে
  2. মোকদ্দমার আইনজীবীকে
  3. শুধুমাত্র স্বীকৃত সাক্ষীকে
  4. মোকদ্দমার পক্ষ নয় এমন তৃতীয় ব্যক্তিকে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার পক্ষ নয় এমন তৃতীয় ব্যক্তিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার পক্ষ নয় এমন তৃতীয় ব্যক্তিকে
ব্যাখ্যা
• আদেশ-১৬ এ সাক্ষীর প্রতি সমন এবং হাজিরা সম্পর্কিত বিধি-বিধান রয়েছে। এই আদেশের বিধি-১৪ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমায় আগন্তুককে(৩য় ব্যক্তিকে) ঐচ্ছিক ক্ষমতায় সাক্ষী হিসাবে সমন দিতে পারে।

আদেশ ১৬ বিধি ১৪-
হাজিরা এবং উপস্থিতি সম্পর্কে উক্ত আইনের বিধানাবলী এবং বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইন সাপেক্ষে যেক্ষেত্রে আদালত যে কোন সময় মোকদ্দমার পক্ষ নয় এরূপ কোন ব্যক্তিকে এবং মোকদ্দমার পক্ষ কর্তৃক সাক্ষী হিসাবেও ডাকা হয়নি এরূপ কোন ব্যক্তিকে জবানবন্দি করিতে প্রয়োজন বোধ সেক্ষেত্রে আদালত স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে উক্ত ব্যক্তিকে নির্ধারিত কোন তারিখে সাক্ষ্য দানের নিমিত্ত বা তার হস্তগত কোন দলিল দাখিল করতে সাক্ষী হিসাবে ঐ ব্যক্তিকে সমন করাতে পারবে এবং তাকে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবে বা অনুরূপ দলিল দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারবে।

অর্থাৎ আদালত উল্লেখিত ক্ষেত্রে ৩য় ব্যক্তিকে সমন দিতে পারে-
১- সাক্ষ্য গ্রহণ
২- দলিল দাখিল 

Order 16 Rule 14: Court may of its own accord summon as witnesses strangers to suit-
Subject to the provisions of this Code as to attendance and appearance and to any law for the time being in force, whether the Court at any time thinks it necessary to examine any person other than a party to the suit and not called as a witness by a party to the suit, the Court may, of its own motion, cause such person to be summoned as a witness to give evidence, or to produce any document in his possession, on a day to be appointed, and may examine him as a witness or require him to produce such document
.
যেক্ষেত্রে বাদী কোর্ট ফি প্রদান না করায় বিবাদীর উপর সমন জারি করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে আদালত কী আদেশ দিতে পারে?
  1. মোকদ্দমা খারিজ
  2. মোকদ্দমা স্থগিত
  3. বিবাদীকে হাজিরা থেকে অব্যাহতি
  4. বাদী কর্তৃক ক্ষতিপূরণ প্রদান
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ
ব্যাখ্যা
• বাদী খরচ প্রদান না করার দরুন সমন জারি না হলে, আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিতে পারে।

• আদেশ ৯ বিধি-২ঃ
নির্ধারিত তারিখে যদি দেখা যায় যে,বাদী কোর্ট ফি প্রদান না করার কিংবা ঐরূপ সমন জারির জন্য প্রয়োজনীয় ডাক-মাশুল (যদি লাগে) না দেয়ায় বিবাদীর উপর সমন জারি করা হয় নাই, তবে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দান করতে পারবেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদীর উপর সমন জারি না হলেও যদি তার হাজিরা ও জবাব দানের নির্ধারিত তারিখে, যেক্ষেত্রে ব্যক্তিগত বা প্রতিনিধির মারফতে হাজিরা দেয়া যায় সেক্ষেত্রে ব্যক্তিগত বা প্রতিনিধির মাধ্যমে হাজির হলে, অনুরূপ খারিজের আদেশ প্রদান করা যাবে না।

Order 9 Rule 2: Dismissal of suit where summons not served in consequence of plaintiff's failure to pay costs-
Where on the day so fixed it is found that the summons has not been served upon the defendant in consequence of the failure of the plaintiff, to pay the court-fee or postal charges (if any) chargeable for such service, the Court may make an order that the suit be dismissed:
Provided that no such order shall be made although the summons has not been served upon the defendant, if on the day fixed for him to appear and answer he attends in person or by agent when he is allowed to appear by agent.
.
According to Order 40, Rule 5, Under what condition does the Court consider appointing a Collector as the receiver?
  1. Approval from the government
  2. Consent of the Collector
  3. Permission from a higher court
  4. Consent of the property owner
সঠিক উত্তর:
Consent of the Collector
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Consent of the Collector
ব্যাখ্যা
Order 40 Rule 5- When Collector may be appointed receiver:
Where the property is land paying revenue to the Government, or land of which the revenue has been assigned or redeemed, and the Court considers that the interest of those concerned will be promoted by the management of the Collector, the Court may, with the consent of the Collector, appoint him to be receiver of such property.

• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪০ বিধি ৫-
যখন সম্পত্তিটি সরকারের রাজস্ব প্রদানকারী জমি, অথবা এমন জমি যার রাজস্ব বরাদ্দ বা মুক্ত করা হয়েছে, এবং আদালত মনে করে যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের স্বার্থ কালেক্টরের ব্যবস্থাপনায় উন্নত হবে, তখন আদালত কালেক্টরের সম্মতিতে তাকে সেই সম্পত্তির রিসিভার হিসেবে নিয়োগ করতে পারে।
১০.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-২ অনুযায়ী, কোন পরিস্থিতিতে আদালত কমিশন প্রেরণ করতে পারে?
  1. আদালতের স্বেচ্ছায়
  2. সাক্ষীর শপথপত্রের ভিত্তিতে
  3. মামলার পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে
  4. উপরের সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উপরের সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-২: কমিশনের জন্য আদেশ: 
আদালত স্বেচ্ছা প্রণোদিত হয়ে বা মোকদ্দমার কোন পক্ষের বা যাহার সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে সে সাক্ষীর শপথপত্র সমর্থিত বা অন্যভাবে কোন আবেদনক্রমে আদালত কোন সাক্ষীর কমিশন প্রেরণ করা আদেশ প্রদান করতে পারেন।

Order-26 Rule-2. Order for commission:
An order for the issue of a commission for the examination of a witness may be made by the Court either of its own motion or on the application, supported by affidavit or otherwise, of any party to the suit or of the witness to be examined.
১১.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১১ বিধি ২১- এর অধীনে কোন ক্ষেত্রে বাদীর মোকদ্দমা খারিজ হতে পারে?
  1. প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হলে
  2. আদালতে হাজির না হলে
  3. প্রশ্নমালার উত্তর দিতে ব্যর্থ হলে
  4. অপর পক্ষের সঙ্গে আপস করতে না চাইলে
সঠিক উত্তর:
প্রশ্নমালার উত্তর দিতে ব্যর্থ হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশ্নমালার উত্তর দিতে ব্যর্থ হলে
ব্যাখ্যা
• যদি কোনো পক্ষ যাকে মামলা সম্পর্কিত কোন বিষয়ে প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার (to answer Interrogatories) বা কোন দলিল প্রকাশ (discovery of documents) বা দলিল নিরীক্ষণের (inspection of documents) আদেশ দেয়া হয়েছে, যদি সে বাদী হয় এবং সে যদি উক্ত আদেশ পালনে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত তার মামলা খারিজ (Dismissed the suit) করে দিবে এবং যদি সে বিবাদী হয় তাহলে তার আত্মপক্ষ সমর্থন (Right to defence) বাতিল করবে।

• আদেশ ১১ বিধি ২১ (আদেশ অমান্যকরণ)-
যেক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রশ্নমালার উত্তর দানের বা দলিলসমূহের উদ্ঘাটন বা পরিদর্শনের জন্য কোন আদেশ পালন করতে ব্যর্থ হয়, তদক্ষেত্রে সে বাদী হয় তবে পরিচালনার অভাবে তার মোকদ্দমা খারিজ হওয়ার জন্য সে দায়ী হবে এবং যদি বিবাদী হয় তবে তার যদি কোন জবাব থাকে, উহা কর্তন হওয়ার নিমিত্তে সে দায়ী হবে এবং সে যেন আত্মপক্ষ সমর্থন করেনি এরূপ পরিস্থিতিতে স্থিত হবে এবং প্রশ্নকারী পক্ষ কিংবা উদঘাটন বা পরিদর্শন প্রার্থনাকারী উক্ত মর্মে আদেশের জন্য আদালতে আবেদন করবে এবং তদনুযায়ী আদালত আদেশ প্রদান করতে পারবে।

Order 11 Rule-21: Non-compliance with order for discovery-
Where any party fails to comply with any order to answer interrogatories or for discovery or inspection of documents, he shall if a plaintiff be liable to have his suit dismissed for want of prosecution and if a defendant to have his defence, if any, struck out, and to be placed in the same position as if he had not defended, and the party interrogating or seeking discovery or inspection may apply to the Court for an order to that effect, and an order may be made accordingly.
১২.
দেওয়ানি আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়নে কোন ধরনের দলিলের বিষয়বস্তু বিবেচনা করতে পারে?
  1. আদালতের নিজস্ব দলিল
  2. শুধুমাত্র বাদীর দাখিলকৃত দলিল
  3. শুধুমাত্র বিবাদীর দাখিলকৃত দলিল
  4. উভয় পক্ষের দাখিলকৃত দলিল
সঠিক উত্তর:
উভয় পক্ষের দাখিলকৃত দলিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উভয় পক্ষের দাখিলকৃত দলিল
ব্যাখ্যা
• কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা আইনগত কোন বিষয় এর স্বীকার করলে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করলে বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়। দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪ নং আদেশে বিচার্য বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

• আদেশ ১৪ বিধি ৩ মতে-
আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর সকল কিংবা যে কোনটি থেকে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করতে পারেন [Materials from which issues may be framed]—

ক) পক্ষগণ কর্তৃক কিংবা তাদের পক্ষে উপস্থিত কোন ব্যক্তিগণ কর্তৃক কিংবা উত্তরূপ ব্যক্তিসমূহের উকিলগণ কর্তৃক শপথের মাধ্যমে উত্থাপিত অভিযোগসমূহ,
[allegations made on faith by the parties, or by any persons present on their behalf, or made by the pleaders of such parties]

খ) আরজি জবাবে কিংবা মোকদ্দমায় প্রদত্ত প্রশ্নমালার উত্তরে রচিত অভিযোগসমূ্‌হ,
[allegations made in the pleadings or in answers to interrogatories delivered in the suit]

গ) কোন পক্ষ কর্তৃক দাখিলকৃত দলিল পত্রের বিষয়বস্তু। 
[the contents of documents produced by either party]
১৩.
If the judgment is to be pronounced on a future day, what must the court ensure according to Order 20 Rule 1?
  1. That all parties are present
  2. That the hearing is re-opened
  3. That notice is given to the parties or their pleaders
  4. That the judgment is written beforehand
সঠিক উত্তর:
That notice is given to the parties or their pleaders
উত্তর
সঠিক উত্তর:
That notice is given to the parties or their pleaders
ব্যাখ্যা
• আদেশ ২০ বিধি ১-
মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালতে তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে ,পক্ষগণের বা তাদের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর যা সাতদিনের বেশি হবে না প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে।

Order 20 Rule 1: Judgment when pronounced-
The Court, after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court, either at once or on some future day, [not beyond seven days,] of which due notice shall be given to the parties or their pleaders.
১৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন আদেশের অধীনে আদালত বিচার্য বিষয় না থাকলে প্রথম শুনানীর দিন রায় ঘোষণা করতে পারে?
  1. আদেশ ১৪
  2. আদেশ ১৫
  3. আদেশ ১৬
  4. আদেশ ১৭
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৫
ব্যাখ্যা
• সাধারণত মোকদ্দমার শুনানী শেষ হওয়ার পর তৎক্ষনাৎ বা ৭ দিন পর আদালত রায় প্রদান করে, তবে কিছু ক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে। দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ নং আদেশ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে (DISPOSAL OF THE SUIT AT THE FIRST HEARING)। 

• দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫নং আদেশের ১নং বিধিমতে-
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন প্রতীয়মান হয় যে, পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কিংবা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় নেই আদালত তখনই রায় ঘোষণা করতে পারে।
[Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.]
১৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারা মোকদ্দমার বহুত্ব রোধ করে?
  1. ১০ ধারা
  2. ১১ ধারা
  3. ১২ ধারা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১০,১১ এবং ১২ ধারা মোকদ্দমার বহুত্ব রোধ করে।

• ১০ ধারায় মোকদ্দমা স্থগিতকরণ (stay of suit) বা res sub judice সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে পূর্বে দায়েরকৃত এবং পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই হলে, আদালত পরবর্তী মোকদ্দমার কার্যক্রম স্থগিত করবেন।

• ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি (Res Judicata) আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবে না। এই নীতির মূল কথা হলো, একবার নিষ্পত্তিকৃত কোন মোকদ্দমা, পুনরায় বিচারযোগ্য নয়।

• ধারা ১২ তে পুনরায় মোকদ্দমা করার বাধা (Bar to further suit) সম্পর্কে বিধান আছে। 
কোন বিধি অনুসারে একজন বাদীকে যখন কোন বিশেষ কারণ সম্পর্কে অতিরিক্ত মোকদ্দমা দায়ের করা হতে নিবারণ করা হয়, তখন যে আদালতের প্রতি এই কার্যবিধি প্রযোজ্য হয় সেরূপ কোন আদালতে সে একই কারণ নিয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে না। অর্থাৎ যে সকল ক্ষেত্রে আইনগতভাবে মোকদ্দমা দায়েরে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে, সেই সকল ক্ষেত্রে মোকদ্দমা দায়ের করা যায় না।
১৬.
দেওয়ানি মোকদ্দমার কোন পক্ষ আদালতে হাজির হতে পারে-
  1. শুধুমাত্র ব্যক্তিগতভাবে
  2. শুধুমাত্র আইনজীবীর মাধ্যমে
  3. শুধুমাত্র স্বীকৃত প্রতিনিধির মাধ্যমে
  4. ব্যক্তিগতভাবে, স্বীকৃত প্রতিনিধি অথবা আইনজীবীর মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগতভাবে, স্বীকৃত প্রতিনিধি অথবা আইনজীবীর মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগতভাবে, স্বীকৃত প্রতিনিধি অথবা আইনজীবীর মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৩ বিধি ১ (উপস্থিতি ইত্যাদি ব্যক্তিগতভাবে, স্বীকৃত প্রতিনিধি বা আইনজীবী মারফতে হতে পারে)-
মোকদ্দমার কোন পক্ষের আদালতে হাজিরা দেয়া, আবেদন করা বা আইন মোতাবেক অন্য যা করা কর্তব্য, প্রত্যক্ষভাবে অন্য কোন বিপরীত বিধান না থাকলে উক্ত কার্যগুলো সংশ্লিষ্ট পক্ষ ব্যক্তিগতভাবে সম্পন্ন করতে পারে, অথবা তার স্বীকৃত প্রতিনিধি কর্তৃক কিংবা তার পক্ষে [ক্ষেত্র বিশেষ উপস্থিত, দরখাস্ত কিংবা কার্যকরী] কোন উকিলের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় হাজিরা দিতে, আবেদন করতে বা অন্য কোন কাজ সমাধান করতে পারেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত নির্দেশ প্রদান করলে সংশ্লিষ্ট পক্ষের হাজিরা বা উপস্থিতি ব্যক্তিগতভাবেই দিতে হবে।

Order 3 Rule 1: Appearances, etc. may be in person, by recognized agent or by pleader-
Any appearance, application or act in or to any Court, required or authorised by law to be made or done by a party in such Court, may, except where otherwise expressly provided by any law for the time being in force, be made or done by the party in person, or by his recognized agent, or by a pleader appearing, applying or acting, as the case may be, on his behalf:
Provided that any such appearance shall, if the Court so directs, be made by the in person.
১৭.
স্বীকারোক্তির উপর রায় প্রদান করতে কোন পক্ষ দেওয়ানি আদালতে আবেদন করতে পারে?
  1. কেবলমাত্র বাদী
  2. কেবলমাত্র বিবাদী
  3. যে কোন পক্ষ
  4. কোন পক্ষই নয়
সঠিক উত্তর:
যে কোন পক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে কোন পক্ষ
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১২ বিধি ৬: স্বীকারোক্তির উপর রায়-
যখন আরজি জবাবে কিংবা অন্যপ্রকারে কোন ঘটনা সম্পর্কে স্বীকারোক্তি করা হয়েছে তদক্ষেত্রে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে কোন পক্ষ আদালতে এ মর্মে আবেদন করতে পারে যে, পক্ষগণের মধ্যে অন্য কোন প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য অপেক্ষা না করে, উপরের স্বীকারোক্তি যতদূর তার পক্ষে হয়েছে, সে পর্যন্ত রায় কিংবা আদেশ দান করা হোক। এবং আদালত অনুরূপ আবেদনক্রমে যেরূপ সঙ্গত মনে করতে পারে, সেরূপ রায় কিংবা আদেশ দিতে পারে।

Order 12 Rule 6: Judgment on admissions-
Any party may, at any stage of a suit, where admissions of fact have been made, either on the pleadings or otherwise, apply to the Court for such judgment or order as upon admissions he may be entitled to, without waiting for the determination of any other question between the parties: and the Court may upon such application make such order or give such judgment, as the Court may think just.
১৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার (Recovering possession of property) সম্পর্কিত ধারা কোন গুলো?
  1. ধারা ৮-১১
  2. ধারা ১২-১৫
  3. ধারা ২০-২৫
  4. ধারা ৩০-৩৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮-১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮-১১
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের বিষয়বস্তু (Subject matter of Specific Relief Act):
১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনটি ১০টি অধ্যায়ে (Chapter) বিভক্ত এবং এতে মোট ৫৭টি ধারা (Section) সন্নিবেশিত রয়েছে। 

অধ্যায়সমূহ:
⇒ সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার (Recovering possession of property)- ধারা (৮-১১);
⇒ চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদন (Specific performance of contract)- ধারা (১২-৩০);
⇒ দলিল সংশোধন (Rectification of Instruments)- ধারা (৩১-৩৪);
⇒ চুক্তি রদ (Rescission of a contract)- ধারা (৩৫-৩৮);
⇒ দলিল বাতিল (Cancellation of instrument)- ধারা (৩৯-৪১);
⇒ ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree)- ধারা (৪২-৪৩);
⇒ তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ (Appointment of receiver)- ধারা ৪৪;
⇒ বিলুপ্ত (Omitted)- ধারা (৪৫-৫১);
⇒ সাধারণভাবে নিষেধাজ্ঞা (Injunction generally)- ধারা (৫২-৫৩);
⇒ চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunction)- ধারা (৫৪-৫৭)।
১৯.
Under Section 20 of The Specific Relief Act, 1877, if a party in default is willing to pay the specified amount in case of breach, what can happen?
  1. The contract is canceled
  2. The party loses their rights under the contract
  3. Specific performance can still be ordered
  4. The contract becomes void
সঠিক উত্তর:
Specific performance can still be ordered
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Specific performance can still be ordered
ব্যাখ্যা
• Section 20- Liquidation of damages not a bar to specific performance:
A contract, otherwise proper to be specifically enforced, may be thus enforced, though a sum be named in it as the amount to be paid in case of its breach, and the party in default is willing to pay the same.

যদি কোনো চুক্তিতে ভঙ্গের ক্ষেত্রে প্রদেয় অর্থের পরিমাণ উল্লেখ থাকে এবং ভঙ্গকারী পক্ষ সেই অর্থ প্রদানে রাজি থাকে, তাহলেও নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়িত হওয়ার যোগ্য চুক্তিটি বাস্তবায়িত হতে পারবে।

অর্থাৎ, চুক্তির শর্তাবলী যদি সুনির্দিষ্ট এবং নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য হয়, তাহলে চুক্তির ভঙ্গের ক্ষেত্রে বিকল্প জরিমানার বিধান থাকলেও চুক্তিটি বাস্তবায়িত হবে। এক্ষেত্রে ভঙ্গকারী পক্ষ যদি জরিমানা প্রদানে রাজি থাকে তাহলেও চুক্তি বাস্তবায়ন করানো যাবে।
২০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারায় নিচের কোন পরিস্থিতিতে চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়?
  1. চুক্তিটি অছি বা জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হলে
  2. চুক্তিভঙ্গের ফলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ অপর্যাপ্ত হলে
  3. চুক্তিভঙ্গের ফলে সৃষ্ট ক্ষতি নির্ণয়ের মানদণ্ড না থাকলে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা মতে, নিম্নলিখিত ৪টি ক্ষেত্রে কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়: যথা-

ক) চুক্তিটি অছি বা জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হলে (when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust);
খ) চুক্তিভঙ্গের ফলে সৃষ্ট ক্ষতি নির্ণয়ের মানদন্ড না থাকলে (when there exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done);
গ) চুক্তিভঙ্গের ফলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ অপর্যাপ্ত হলে (when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief); এবং
ঘ) চুক্তিভঙ্গের ফলে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে (when it is probable that pecuniary compensationcannot be got for the non-performance of the act agreed to be done)- চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়।
২১.
‘ক’ ‘খ’-এর কাছে একটি বাড়ি সুনির্দিষ্ট শর্তে এবং ভাড়ায় ভাড়া প্রদানে চুক্তিবদ্ধ হয়। 'খ' চুক্তির কার্যসম্পাদনে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করে। 'ক' ইহার পর 'খ'-এর চুক্তি অমান্যের ক্ষতিপূরণের জন্য মােকদ্দমা রুজু করে এবং ক্ষতিপূরণ লাভ করে। এক্ষেত্রে-
  1. 'ক' চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকরী করার অধিকারী হবে
  2. 'ক' চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকরী করার অধিকারী হবে না
  3. 'ক' ক্ষতিপূরণ 'খ' কে ফেরত দিবে
  4. ক্ষতিপূরণের মােকদ্দমার রায় বাতিল হবে
সঠিক উত্তর:
'ক' চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকরী করার অধিকারী হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকরী করার অধিকারী হবে না
ব্যাখ্যা
ধারা ২৪- প্রতিকারের পথে ব্যক্তি বাধাসমূহ: চুক্তির সুনির্দিষ্ট এমন ব্যক্তির পক্ষে করা যায় না-
ক) যে চুক্তি অমান্যের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে না;
খ) যে নিজ চুক্তির কোন প্রয়ােজনীয় শর্ত অমান্য করে বা শর্ত পালনে ব্যর্থ হয় এবং যদ্বরুণ তার নিজের অংশেরই কার্যসম্পাদন বাকী থাকে;
গ) যে ইতিমধ্যে তার প্রতিকার বেছে নিয়েছে এবং কথিত চুক্তি অমান্যের জন্য ক্ষতিপূরণ পেয়েছে; বা
ঘ) যে চুক্তি আগেই অবগত ছিল যে, তার বিষয়বস্তু (যদিও তা কোন মূল্যবান পণভিত্তিক নয়) বিলিবন্দোবস্ত করা হয়েছিল এবং তখন তা কার্যকরী ছিল।

উপধারা-গ এর-
‘ক’ ‘খ’-এর কাছে একটি বাড়ি সুনির্দিষ্ট শর্তে এবং ভাড়ায় ভাড়া প্রদানে চুক্তিবদ্ধ হয়। 'খ' চুক্তির কার্যসম্পাদনে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করে। 'ক' ইহার পর 'খ'-এর চুক্তি অমান্যের ক্ষতিপূরণের জন্য মােকদ্দমা রুজু করে এবং ক্ষতিপূরণ লাভ করে। 'ক' চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকরী করার অধিকারী হবে না।
২২.
'ক' 'খ' কে জমি প্রদান করে। 'খ' জমিটি 'গ' এর নামে উইল করে মারা যায়। এর পরে 'ঘ' জমির দখল গ্রহণ করে এবং এই মর্মে একটি জাল দলিল পেশ করে এই মর্মে যে, তার পক্ষে জিম্মাদার হিসাবে 'খ' কে উক্ত জমি হস্তান্তর করা হয়েছিল। 'গ' এই জাল দলিল বাতিলের জন্য আদালতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে?
  1. ৩১ ধারায়
  2. ৩৩ ধারায়
  3. ৩৫ ধারায়
  4. ৩৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারা অনুযায়ী,
আদালত নিম্নলিখিত ২টি ক্ষেত্রে দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় দলিল বাতিলের আদেশ মঞ্জুর করতে পারে-
১. কোন লিখিত দলিল বাতিল [Void] বা বাতিলযোগ্য [Voidable] হলে;
২. যদি বাদীর যুক্তিসঙ্গত আশংকা থাকে যে, এরুপ দলিল যদি অনিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হতে পারে।

উদাহরণ:
'ক' 'খ' কে জমি প্রদান করে। 'খ' জমিটি 'গ' এর নামে উইল করে মারা যায়। এর পরে 'ঘ' জমির দখল গ্রহণ করে এবং এই মর্মে একটি জাল দলিল পেশ করে এই মর্মে যে, তার পক্ষে জিম্মাদার হিসাবে 'খ' কে উক্ত জমি হস্তান্তর করা হয়েছিল। 'গ' এই জাল দলিল বাতিলের জন্য আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
২৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪১ ধারার বিধান অনুযায়ী, আদালত কোন সময় ক্ষতিপূরণের আদায়ের নির্দেশ দিতে পারে?
  1. দলিল তৈরির সময়
  2. চুক্তি স্বাক্ষর করার সময়
  3. দলিল বিলুপ্তির রায় প্রদানের সময়
  4. চুক্তি বাতিল করার সময়
সঠিক উত্তর:
দলিল বিলুপ্তির রায় প্রদানের সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিল বিলুপ্তির রায় প্রদানের সময়
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪১ ধারা: যে পক্ষের জন্য দলিল বিলুপ্ত করা হয়েছে, সে পক্ষের নিকট হতে ক্ষতিপূরণ আদায়ের ক্ষমতা:
দলিল বিলুপ্তির রায় প্রদানের সময় আদালত যে পক্ষকে তদ্রুপ প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সেপক্ষের তরফ হতে অন্য পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তা মোতাবেক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 41- Power to require party for whom instrument is cancelled to make compensation:
On adjudging the cancellation of an instrument, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.
২৪.
'ক', 'খ' কে নির্দিষ্ট জমি ভাড়া প্রদান করে এবং 'খ' সেখান থেকে বালি উত্তোলন না করার বিষয়ে 'ক' এর সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়। কিন্তু 'খ' চুক্তি লঙ্ঘন করে খনন কাজ করে। এক্ষেত্রে 'ক', 'খ' কে খনন কাজ থেকে বিরত রাখবার উদ্দেশ্যে -
  1. 'ক' এর কোনো প্রতিকার নেই
  2. ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
  3. নিষেধাজ্ঞা জারির মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
  4. চুক্তি বাতিলের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞা জারির মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞা জারির মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়:

এই অধ্যায়ে অন্তর্ভুক্ত বা উল্লিখিত অন্যান্য বিধানাধীন, আবেদনকারীর পক্ষে বিদ্যমান কোনো বাধ্যবাধকতা, সুস্পষ্ট বা গোপনীয়ভাবে ভঙ্গ প্রতিরোধ করার জন্য একটি স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা যেতে পারে।
যখন এমন বাধ্যবাধকতা চুক্তি থেকে উদ্ভূত হয়, আদালতকে এই আইনের অধ্যায় ২-এ অন্তর্ভুক্ত নিয়ম ও বিধানগুলিই অনুসরণ করতে হবে।
যখন বিবাদী পক্ষ বাদীর সম্পত্তির অধিকার বা উপভোগ আক্রমণ করে বা আক্রমণের হুমকি দেয়, তখন নিম্নলিখিত ক্ষেত্রগুলিতে আদালত একটি স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করতে পারে, যথাঃ
ক) যদি বিবাদী বাদীর জন্য সেই সম্পত্তির ট্রাস্টি হয়;
খ) যদি আক্রমণের ফলে সৃষ্ট বা সম্ভাব্য ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণের কোনো মান না থাকে;
গ) যদি আক্রমণটি এমন হয় যে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট প্রতিকার হিসেবে কাজ না করে;
ঘ) যদি আক্রমণের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকে;
ঙ) যদি বহু আদালতি কার্যক্রম এড়াতে নিষেধাজ্ঞাটি প্রয়োজন হয়।

এখানে, 'খ' চুক্তি লঙ্ঘন করে খনন কাজ করছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সুতরাং 'ক' আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করে 'খ'কে এই কাজ থেকে বিরত রাখার জন্য নিষেধাজ্ঞা চাইতে পারবেন। আদালত যথাযথ বিবেচনা করে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারবে।
২৫.
What does Section 63 of The Code of Criminal Procedure, 1898 say about discharging arrested persons?
  1. Anyone can release them.
  2. They have to be taken to court first.
  3. They can be released for any reason.
  4. They can only be released by certain methods like bond or bail.
সঠিক উত্তর:
They can only be released by certain methods like bond or bail.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
They can only be released by certain methods like bond or bail.
ব্যাখ্যা
Section 63: Discharge of person apprehended:
No person who has been arrested by a police-officer shall be discharged except on his own bond, or on bail, or under the special order of a Magistrate.

ধারা ৬৩: গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির অব্যাহতি:
যে ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক গ্রেফতার হয়েছে, তাকে তার নিজের মুচলেকা, অথবা জামিন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ আদেশ ব্যতীত অব্যাহতি দেয়া যাবে না।
২৬.
যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করতে অস্বীকার করে, তবে দায়রা আদালত ২৬৫চ ধারায় কী পদক্ষেপ নিবে?
  1. অভিযুক্তকে মুক্তি দিবে
  2. অভিযোগ খারিজ করবে
  3. সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করবে
  4. উল্লিখিত কোনো ব্যবস্থা নিবে না
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ২৬৫চ ধারা-
যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করতে অস্বীকার করে বা বিচার প্রার্থনা করে বা ২৬৫ঙ ধারায় দন্ডিত হয় না তাহলে আদালত চার্জ গঠন করে, সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করবে এবং রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে যেকোন সাক্ষীকে হাজির হতে বা কোন দলিল বা অন্য কিছু আদালতে উপস্থিত করতে বাধ্য করতে যেকোনো প্রসেস ইস্যু(সমন বা ওয়ারেন্ট জারি) করতে পারে।

Section 265F: Date for prosecution evidence
If the accused refuses to plead, or does not plead, or claims to be tried or is not convicted under section 265E, the Court shall fix a date for the examination of witnesses, and may, on the application of the prosecution, issue any process for compelling the attendance of any witness or the production of any document or other thing.
২৭.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ২৯গ ধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ _________ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারেন।
  1. ১০
  2. ১৪
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩২ ধারা অনুযায়ী প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাধারণ ক্ষমতাবলে সর্বোচ্চ ৫ বৎসরের কারাদণ্ড দিতে পারে। তবে ২৯গ  ধারায় বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে ৩৩ক ধারা অনুযায়ী প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ ৭ বৎসরের কারাদণ্ড দিতে পারে।

• ৩৩ক ধারা-
২৯গ ধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৭ বছরের বেশি কারাদণ্ড দিতে পারবে না। অতএব, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারবেন।

Section 33A: Higher powers of certain Magistrates
The Court of a Magistrate, specially empowered under section 29C, may pass any sentence authorized by law, except a sentence of death or of transportation or imprisonment for a term exceeding seven years.
২৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮২ ধারা প্রযোজ্য হবে-
  1. অপরাধী পলাতক থাকলে
  2. অপরাধে অভিযোগকারীর সম্পৃক্ততা থাকলে
  3. অপরাধ সংঘটনের স্থান অনিশ্চিত হলে
  4. বাংলাদেশের বাইরে অপরাধ সংঘটিত হলে
সঠিক উত্তর:
অপরাধ সংঘটনের স্থান অনিশ্চিত হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধ সংঘটনের স্থান অনিশ্চিত হলে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮২ ধারার বিধান অনুযায়ী, অপরাধ সংঘটন স্থান অনিশ্চিত হলে যে কোন আদালতে বিচার বা অনুসন্ধান করতে পারবে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮২ ধারা-
যখন ইহা অনিশ্চিত থাকে যে, কয়েকটি স্থানীয় এলাকার কোনটিতে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, অথবা যে ক্ষেত্রে কোন অপরাধ আংশিকভাবে একটি স্থানীয় এলাকায় এবং আংশিকভাবে অন্য একটি স্থানীয় এলাকায় সংঘটিত হয়, অথবা যেক্ষেত্রে কোন অপরাধ চলছে এমন হয়, এবং একাধিক স্থানীয় এলাকায় সংঘটিত হতে থাকে, অথবা যেক্ষেত্রে বিভিন্ন এলাকায় কৃত কতিপয় কার্যের সমষ্টি হয়, সেক্ষেত্রে এরূপ স্থানীয় এলাকায় যে কোন একটিতে এখতিয়ারবান আদালতে উহার অনুসন্ধান ও বিচার চলবে।

Section 182: Place of inquiry or trial where scene of offence is uncertain or not in one district only or where offence is continuing or consists of several acts-
When it is uncertain in which of several local areas an offence was committed, or where an offence is committed partly in one local area and partly in another, or where an offence is a continuing one, and continues to be committed in more local areas than one, or where it consists of several acts done in different local areas, it may be inquired into or tried by a Court having jurisdiction over any of such local areas.
২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারার বিধান অনুযায়ী, কে ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন ব্যক্তি বা অধীনস্থ কোন কর্মকর্তার অর্পিত ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবে?
  1. সরকার
  2. দায়রা আদালত
  3. সকল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ
  4. সকল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারার বিধান অনুযায়ী, সরকার ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন ব্যক্তি বা অধীনস্থ কোন কর্মকর্তাকে অর্পিত ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবে।

• ধারা ৪১: ক্ষমতাদি প্রত্যাহরকরণ-
(১) সরকার এই কার্যবিধি অনুসারে কোন ব্যক্তি বা ইহার অধীনস্থ কোন অফিসারকে অর্পিত সকল বা যে কোন ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে উক্তরূপ ক্ষমতা অর্পণ এই কার্যবিধি অনুসারে হয় সেক্ষেত্রে এই বিষয়ে হাইকোর্ট ডিভিশনের সাথে আলোচনা করতে হবে। এ ধরণের প্রত্যাহার সেই আদালতের সাথে আলোচনা করে ঠিক করতে হবে।

(২) যেক্ষেত্রে কোন ক্ষমতা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত হয়, সেক্ষেত্রে তা সেভাবে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রত্যায়িত হতে পারবে।

Section 41: Withdrawal of powers-
(1) The Government may withdraw all or any of the powers conferred under this Code on any person by it or by any officer subordinate to it:
Provided that where the conferring of a power is, under this code, required to be made in consultation with the High Court Division, the withdrawal thereof shall be made in consultation with that Court.

(2) Any powers conferred by the Chief Judicial Magistrate or the District Magistrate may be withdrawn by the chief Judicial Magistrate or the District Magistrate respectively.
৩০.
'ক' এর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১২৪(ক) ধারায় রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ আনা হয়। আদালত কার নির্দেশে তৈরীকৃত অভিযোগ অনুযায়ী উক্ত মামলা আমলে নিতে পারে?
  1. সরকার বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের
  2. হাইকোর্ট বিভাগের
  3. হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃক্ষের
  4. দায়রা আদালতের
সঠিক উত্তর:
সরকার বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৫ থেকে ১৯৯ ধারায় অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যতিক্রম আলোচনা করা হয়েছে।

• ১৯৬ ধারা অনুযায়ী-
রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপরাধসমূহ যেমন রাষ্ট্রদ্রোহিতা, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা, বা দণ্ডবিধির ১০৮ক, ১৫৩ক, ২৯৪ক, ২৯৫ক বা ৫০৫ ধারার অপরাধসমূহ বিচারক এবং সরকারী কর্মকর্তার বিচার সরকারের বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তৈরীকৃত অভিযোগ অনুযায়ী আমলে নিতে পারে।

• ১৯৭ ধারা অনুযায়ী-
বিচারক এবং সরকারী কর্মকর্তার বিচার সরকারের অনুমতি ছাড়া অভিযোগ আমলে নেয়া যাবেনা।

• ১৯৮ ধারা অনুযায়ী-
দণ্ডবিধির ৪৯৩ থেকে ৪৯৬ পর্যন্ত বিবাহ সম্পর্কিত অপরাধ, যেমন মুসলিম নারী কর্তৃক বিবাহ বলবৎ থাকাবস্থায় পুনরায় বিবাহ করা বা দ্বিগামিতা [bigamy] শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নেয়া যাবে।

• ১৯৯ ধারা অনুযায়ী-
দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারার অধীন ব্যভিচার [Adultery] বা ৪৯৮ ধারায় অপরাধজনক উদ্দেশ্যে বিবাহিত নারীকে প্ররোচিত করে নিয়ে যাওয়া অপরাধের ক্ষেত্রে বিবাহিত নারীর স্বামী কর্তৃক বা স্বামীর অনুপস্থিতিতে উক্ত অপরাধ সংঘটনের সময় যে সকল লোকজন উক্ত মহিলাকে দেখাশোনা করতো, তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে আমলে নেয়া যাবে।
৩১.
If a section of The Code of Criminal Procedure,1898 mentions "Magistrate" without any qualifiers, what type of Magistrate is being referred to?
  1. Executive Magistrate
  2. Judicial Magistrate
  3. Special Magistrate
  4. None of the above
সঠিক উত্তর:
Judicial Magistrate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Judicial Magistrate
ব্যাখ্যা
• Code of Criminal Procedure,1898-এ কোথাও শুধু 'Magistrate' শব্দ থাকলে তা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (Judicial Magistrate) নির্দেশ করবে।

• ৪ক ধারায় বলা আছে যে-
Without any qualifying word, a Magistrate shall be construed as a reference to a Judicial Magistrate.
অর্থাৎ কোন ম্যাজিস্ট্রেট বলতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ করবে এবং সহকারী দায়রা জজ বলতে যুগ্ম দায়রা জজকে নির্দেশ করবে।
৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯ক ধারার অধীন সরকার কর্তৃক সংবাদপত্র বাজেয়াপ্তির আদেশ বাতিলের জন্য কয় দিনের মধ্যে আবেদন করতে হয়?
  1. ১ মাসের মধ্যে
  2. ২ মাসের মধ্যে
  3. ৩ মাসের মধ্যে
  4. ৬ মাসের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
২ মাসের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন সরকার কর্তৃক প্রকাশনা (সংবাদপত্র/পুস্তক/দলিল) বাজেয়াপ্তির আদেশ বাতিলের জন্য ২ মাসের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করতে হবে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯খ ধারা:
৯৯ক ধারামতে বাজয়াপ্তকরণের ঘোষণা করা হয়েছে যে সংবাদপত্র, পুস্তক বা অন্য দলিল সম্পর্কে, তাতে স্বার্থ সম্পন্ন যে কোন ব্যক্তি সরকারী আদেশের ঐরূপ আদেশ প্রকাশিত হওয়ার তারিখের ২(দুই) মাসের মধ্যে ঐ আদেশ বাতিলের জন্য হাইকোর্ট ডিভিশনে দরখাস্ত পেশ করতে পারেন এই কারণ দর্শিয়ে যে, সংবাদপত্রের ঐ খন্ডে বা পুস্তকে বা অন্য কোন দলিলে, যার সম্পর্কে ঐ আদেশ করা হয়েছে, ৯৯ক ধারার উপধারা (১) এ বর্ণিত কোন বিষয়বস্তু বিধৃত ছিল না।

Section 99B: Application to High Court Division to set aside order of forfeiture-
Any person having any interest in any newspaper, book or other document, in respect of which an order of forfeiture has been made under section 99A, may, within two months from the date of such order, apply to the High Court Division to set aside such order on the ground that the issue of the newspaper, or the book or other document, in respect of which the order was made, did not contain any such matter, word or visible representation, as is referred to in sub-section (1) of section 99A.
৩৩.
Who can present the petition of appeal according to Section 419 of The Code of Criminal Procedure, 1898?
  1. The court
  2. The respondent
  3. A police officer
  4. The appellant or his pleader
সঠিক উত্তর:
The appellant or his pleader
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The appellant or his pleader
ব্যাখ্যা
Section 419- Petition of appeal:
Every appeal shall be made in the form of a petition in writing presented by the appellant or his pleader, and every such petition shall (unless the Court to which it is presented otherwise directs) be accompanied by a copy of the judgment or order appealed against.

ধারা ৪১৯:
প্রত্যেকটি আপীল দায়ের করতে হবে পিটিশন বা দরখাস্ত আকারে। আপীলের পিটিশন আপীলকারী বা তার উকিল দাখিল করবে। যে রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা হচ্ছে তার কপি আপীলের পিটিশনের সাথে দাখিল করতে হবে।
৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারা অনুযায়ী, কোন শর্তে একজন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট নিজে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট মামলার বিচার করতে পারবেন?
  1. অপরাধের গুরুত্ব কম হলে
  2. মামলার সকল পক্ষ সম্মত হলে
  3. উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি থাকলে
  4. শুধুমাত্র সরকারের অনুমতি সাপেক্ষে
সঠিক উত্তর:
উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি থাকলে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৫৬: যে সকল মামলায় জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটের ব্যক্তিগত স্বার্থ থাকে-
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারা অনুসারে যে মামলায় কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট নিজে একজন পক্ষ বা ব্যক্তিগত ভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট, উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সে মামলার বিচার করবেন না। কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজের প্রদত্ত রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শ্রবণ করবেন না।

Section 556: Case in which Judge or Magistrate is personally interested
No Judge or Magistrate shall, except with the permission of the Court to which an appeal lies from his Court, try for trial any case to or in which he is a party, or personally interested, and no Judge or Magistrate shall hear an appeal from any judgment or order passed or make himself.

এই ধারায় 'Principles of natural justice' এর দ্বিতীয় নীতি nemo judex in causa sua in propria causa বা nemo debet esse judex in propria causa অর্থাৎ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না। তবে উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে বিচার করতে পারবে।
৩৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৩ ধারার আওতায় আদালত অনধিক কত টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করলে, দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবেন না?
  1. ৫০ টাকা
  2. ১০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১২ থেকে ৪১৪ ধারায় যে সকল ক্ষেত্রে আপিল দায়ের করা যাবে না তা উল্লেখ করা হয়েছে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৩ ধারা অনুসারে,
কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।

অন্যদিকে,
যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে, আদালত দণ্ড আরোপ করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
৩৬.
Can a police officer act without prior authorization under Section 152 of The Code of Criminal Procedure, 1898?
  1. No, they must wait for a court order
  2. Yes, but only after informing the local magistrate
  3. No, they need permission from a superior officer
  4. Yes, the officer can act on their own authority
সঠিক উত্তর:
Yes, the officer can act on their own authority
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Yes, the officer can act on their own authority
ব্যাখ্যা
• Section 152: Prevention of injury to public property:
A police-officer may of his own authority interpose to prevent any injury attempted to be committed in his view to any public property, movable or immovable, or the removal or injury of any public landmark or buoy or other mark use for navigation.

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৫২: সরকারী সম্পত্তির ক্ষতি নিবারণ:
কোন পুলিশ অফিসার তার নিজের কর্তৃত্ব বলে তার দৃষ্টিগোচরে কোন স্থাবর বা অস্থাবর সরকারী সম্পত্তির ক্ষতির প্রচেষ্টা অথবা কোন সরকারী চিহ্ন বা বয় (buoy) বা নৌ চলাচলের জন্য ব্যবহৃত অন্য কোন সরকারী চিহ্ন অপসারণের বা ক্ষতির চেষ্টা রোধ করার জন্য হস্তক্ষেপ করতে পারবেন।
৩৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৬১-এর অধীনে কোন ধরনের ম্যাজিস্ট্রেট ধর্ষণের অভিযোগ আমলে নিতে পারবেন না?
  1. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. সকল ম্যাজিস্ট্রেট আমলে নিতে পারেন
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৬১ (স্বামীর দ্বারা ধর্ষণের অপরাধ সম্পর্কে বিশেষ বিধান)-
(১) এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট  ছাড়া অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট -
(ক) ধর্ষণের অপরাধ আমলে গ্রহণ করবেন না, যদি যৌন সংগমটি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সহিত করে থাকে, কিংবা
(খ) ব্যক্তিকে উক্ত অপরাধের বিচার করার জন্য প্রেরণ করবেন না ।

(২) এবং এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট যেক্ষেত্রে (১) উপধারায় উল্লেখিত অপরাধ সম্পর্কে কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক তদন্তের নির্দেশ দেওয়া প্রয়োজন মনে করবেন, সেক্ষেত্রে উক্ত তদন্তের জন্য বা তদন্তে অংশগ্রহণের জন্য পুলিশ ইন্সপেক্টর পদের নিম্ন পদস্থ কোন অফিসারকে নিয়োগ করা যাবে না।

Section 561: Special provisions with respect to offence of rape by a husband
(1) Notwithstanding anything in this Code, no Magistrate except the Chief Metropolitan Magistrate or a Chief Judicial Magistrate shall-
(a) take cognizance of the offence of rape where the sexual intercourse was by a man with is wife, or
(b) send the man for trial for the offence.

(2) And, notwithstanding anything in this Code, if the Chief Metropolitan Magistrate or a Chief Judicial Magistrate deems it necessary to direct an investigation by a police-officer, with respect to such an offence as is referred to in sub-section (1), no police-officer of a rank below that of police-inspector shall be employed either to make, or to take part in, the investigation.
৩৮.
'ম' এক ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত হয়। এক্ষেত্রে দণ্ডাদেশ দণ্ডবিধির দুইটি ধারার মধ্যে কোন ধারার অন্তর্ভুক্ত, সে সম্পর্কে সন্দেহ বিদ্যমান। এক্ষেত্রে আদালত-
  1. মামলা বাতিল করবে
  2. বিকল্প রায় প্রদান করবে
  3. রায় প্রদান স্থগিত রাখবে
  4. সম্পূর্ণ মামলা স্থগিত করবে
সঠিক উত্তর:
বিকল্প রায় প্রদান করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিকল্প রায় প্রদান করবে
ব্যাখ্যা
• এক্ষেত্রে আদালত বিকল্প রায় প্রদান করবে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৭(৩) ধারায় বিকল্প রায় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

• ধারা ৩৬৭(৩)-
যখন দণ্ডাদেশ দণ্ডবিধির অধীনে হয় এবং এটি নিয়ে সন্দেহ থাকে যে অপরাধটি দণ্ডবিধির কোন দুটি ধারার মধ্যে বা একই ধারা দুইটি ভাগের মধ্যে পড়ে, তখন আদালত এই বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করবে এবং বিকল্পভাবে রায় প্রদান করবে।

Section 367(3)-
When the conviction is under the Penal Code and it is doubtful under which of two sections, or under which of two parts of the same section, of that Code the offence falls, the Court shall distinctly express the same, and pass judgment in the alternative.
৩৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারায় পাবলিক প্রসিকিউটর কীভাবে মামলা প্রত্যাহার করতে পারেন?
  1. অভিযুক্তের অনুরোধে
  2. আদালতের অনুমতি ছাড়া
  3. আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
  4. অভিযোগকারির আবেদন সাপেক্ষে
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪৯৪: মামলা প্রত্যাহারের ফল-
পাবলিক প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচ্ছে, তার যেকোন এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারবেন এবং উক্ত প্রত্যাহারের দরুন-
(ক) অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে তা করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দান করতে হবে; এবং
(খ) অভিযোগ প্রণয়নের পর তা করা হলে বা এই বিধির অধীন কোন অভিযোগ প্রণয়ন প্রয়োজন না হলে, উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে খালাস দিতে হবে।

Section 494: Effect of withdrawal from prosecution-
Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal-
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences;
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.
৪০.
According to Section 205(2) of The Code of Criminal Procedure, 1898, at what point can a Magistrate direct the personal attendance of the accused?
  1. Only at the beginning of the trial
  2. At any stage of the proceedings
  3. Only if the accused requests it
  4. After the case has been decided
সঠিক উত্তর:
At any stage of the proceedings
উত্তর
সঠিক উত্তর:
At any stage of the proceedings
ব্যাখ্যা
Section 205: Magistrate may dispense with personal attendance of accused:
(1) Whenever a Magistrate issues a summons, he may, if he sees reason so to do, dispense with the personal attendance of the accused, and permit him to appear by his pleader. 
(2) But the Magistrate inquiring into or trying the case may, in his discretion, at any stage of the proceedings, direct the personal attendance of the accused, and, if necessary, enforce such attendance in manner hereinbefore provided.

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫ অনুসারে-
(১) যখন কোন ম্যাজিস্ট্রেট সমন জারি করেন তখন যুক্তিসংগত কারণ থাকলে তিনি আসামিকে ব্যক্তিগত হাজিরা হতে রেহাই দিয়ে, তাকে উকিলের মাধ্যমে হাজির হওয়ার অনুমতি দিতে পারবেন।
(২) কিন্তু তদন্ত বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট তার বিচারিক ক্ষমতায় মামলার যে কোন পর্যায়ে আসামিকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারবেন এবং প্রয়োজনবোধে ইতোপূর্বে বর্ণিত পদ্ধতিতে তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে পারবেন।
৪১.
বিকৃত মস্তিষ্কের কোন ব্যক্তিকে অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া সরিয়ে নিয়ে গেলে দণ্ডবিধির কোন ধারায় অপরাধ হবে?
  1. ধারা ৩৫৯
  2. ধারা ৩৬০
  3. ধারা ৩৬১
  4. ধারা ৩৬৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৬১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৬১
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান- আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:
কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

Section 361- Kidnapping from lawful guardianship:
Whoever takes or entices any minor under fourteen years of age if a male, or under sixteen years of age if a female, or any person of unsound mind, out of the keeping of the lawful guardian of such minor or person of unsound mind, without the consent of such guardian, is said to kidnap such minor or person from lawful guardianship.
৪২.
নারীর সম্মতি ছাড়া গর্ভপাত করানোর সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ৭ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৫ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩১৩ ধারার বিধান- স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া গর্ভপাত করণ:
কোন ব্যক্তি যদি পূর্ববর্তী ধারায় বর্ণিত অপরাধটি সংশ্লিষ্ট স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া সম্পাদন করে স্ত্রীলোকটি আসন্ন প্রসবা হোক বা না হোক- তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 313⇒ Causing miscarriage without women's consent:
Whoever commits the offence defined in the last preceding section without the consent of the woman, whether the woman is quick with child or not, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৪৩.
যদি কেউ অন্য ব্যক্তির চলার পথ অবরোধ করে, তবে এটি কোন অপরাধের অধীনে আসে?
  1. ভীতি প্রদর্শন
  2. আক্রমণ
  3. অন্যায়ভাবে আটকানো
  4. অপরাধমূলক বল প্রয়োগ
সঠিক উত্তর:
অন্যায়ভাবে আটকানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্যায়ভাবে আটকানো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারা অনুযায়ী,
অন্যায়ভাবে আটকে রাখা (Wrongful Restraint) হলো, যখন কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য কোনো ব্যক্তির পথ অবরুদ্ধ করে, যাতে সেই ব্যক্তি সেই পথে চলাচল করতে না পারে, যেখানে তার আইনত চলার অধিকার রয়েছে।

এই ধারার ব্যতিক্রম:
যদি কেউ সৎভাবে বিশ্বাস করে যে, তার নির্দিষ্ট ভূমি বা জলের ওপর পথ অবরুদ্ধ করার অধিকার আছে, তাহলে সেই অবরোধ অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না।

উদাহরণ:
A এমন একটি পথ বন্ধ করে দেয়, যেটি Z-এর পক্ষে চলাচল করার অধিকার রয়েছে, এবং A বিশ্বাস করে না যে তার পথ বন্ধ করার অধিকার আছে। ফলে Z ওই পথ দিয়ে যেতে পারে না। সুতরাং, A অন্যায়ভাবে Z-কে আটকে রেখেছে।
৪৪.
Which of the following must accompany robbery or child-stealing for a person to be considered a "Thug" under Section 310 of The Penal Code, 1860?
  1. Extortion
  2. Murder
  3. Kidnapping
  4. Physical assault
সঠিক উত্তর:
Murder
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Murder
ব্যাখ্যা
Section 310- Thug:
Whoever, at any time after the passing of this Act, shall have been habitually associated with any other or others for the purpose of committing robbery or child-stealing by means of or accompanied with murder, is a thug.

⇒ দণ্ডবিধির ৩১০ ধারা- ঠগ:
কোন ব্যক্তি যদি এই আইন পাস হওয়ার পরে কোন সময় খুনের মাধ্যমে বা খুন সহ দস্যুতা সাধন বা শিশু অপহরণের জন্য অপর এক বা একাধিক ব্যক্তির সাথে অভ্যাসগতভাবে সংশ্লিষ্ট হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি একজন ঠগ।
৪৫.
যদি একজন ব্যক্তি এমন কাজ করেন যার ফলে অপর ব্যক্তি মারা যায়, কিন্তু তার উদ্দেশ্য ছিল অন্য কেউকে মারার, তাহলে তা ______________ হিসেবে গণ্য হবে।
  1. আইনত বৈধ হত্যা
  2. শাস্তিযোগ্য নরহত্যা
  3. অনিচ্ছাকৃত হত্যা
  4. দুর্ঘটনা হিসেবে গণ্য করা হবে
সঠিক উত্তর:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩০১ ধারা- যার মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছিল তাকে ব্যতীত অপর ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাইয়া শাস্তি যোগ্য নরহত্যা সংঘটন:
কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন কার্য করে যা কর্তৃক মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য তার ছিল অথবা যার দরুণ মৃত্যু সংঘটন হতে পারে বলে তার জানা ছিল এবং এই কার্য কর্তৃক সে এমন কোন ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা করে, যার মৃত্যু সে কামনা করে নাই বা যার মৃত্যু হতে পারে বলে তার জানা ছিল না, তবে অপরাধী যে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা করেছিল, কিংবা যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে বলে জানত সে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করলে তার অপরাধটি যেরূপ হত, এই ক্ষেত্রেও সেরূপ হবে।

Section 301- Culpable homicide by causing death of person other than person whose death was intended:
If a person, by doing anything which he intends or knows to be likely to cause death, commits culpable homicide by causing the death of any person, whose death he neither intends nor knows himself to be likely to cause, the culpable homicide committed by the offender is of the description of which it would have been if he had caused the death of the person whose death he intended or knew himself to be likely to cause.
৪৬.
দণ্ডবিধির ৮৩ ধারা অনুযায়ী, কোন বয়সের অপরিণত বুদ্ধিসম্পন্ন শিশু দ্বারা সম্পাদিত কাজ অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. ৫ থেকে ১০ বছর
  2. ৬ থেকে ৯ বছর
  3. ৯ থেকে ১২ বছর
  4. ১০ থেকে ১৪ বছর
সঠিক উত্তর:
৯ থেকে ১২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ থেকে ১২ বছর
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৮৩ ধারা- নয় বৎসরের অধিক কিন্তু বার বৎসরের কম বয়সের অপরিণত বুদ্ধিসম্পন্ন শিশু দ্বারা সম্পাদিত কাজ:
নয় বৎসর অপেক্ষা বেশি কিন্তু বার বৎসর অপেক্ষা কম বয়সের এমন কোন শিশুর কোন কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না, যে শিশু সংশ্লিষ্ট কাজটি করার সময় উহার প্রকৃতি ও ফলাফল বিচার করার পক্ষে পর্যাপ্ত বুদ্ধির পরিপক্কতা লাভ করে নাই।

Section 83- Act of a child above nine and under twelve of immature understanding:
Nothing is an offence which is done by a child above nine years of age and under twelve, who has not attained sufficient maturity of understanding to judge of the nature and consequences of his conduct on that occasion.

এই ধারায় বলা হয়েছে,
নয় থেকে বারো বছর বয়সের মধ্যে থাকা শিশু কোনো অপরাধ সংঘটিত করলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না, যদি প্রমাণিত হয় যে শিশুটি সংশ্লিষ্ট কাজের প্রকৃতি এবং ফলাফল বিচার করার মতো বুদ্ধিমত্তা অর্জন করে নি। অর্থাৎ, যদি শিশুটি কাজের গুরুতর পরিণতি বোঝার মতো পরিপক্কতা না পায়, তাহলে তাকে অপরাধের জন্য দায়ী করা হবে না।
৪৭.
নিম্নের কোনটি বেআইনি সমাবেশের উদ্দেশ্য?
  1. সরকারী কর্মচারীর ওপর অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন
  2. কোন আইনের কার্যকরীকরণে বাধা সৃষ্টি করা
  3. অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা- বেআইনী সমাবেশ:
পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনী সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-

প্রথম: বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারী কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা

দ্বিতীয়: কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরীকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা

তৃতীয়: কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা

চতুর্থ: কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্টা করা; কিংবা

পঞ্চম: অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনতঃ বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।

ব্যাখ্যা: যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনী ছিল না তা পরে বেআইনী সমাবেশ হতে পারে।
৪৮.
অপরাধ সংঘটনের সময় অপরাধীর অপরাধী মন বা উদ্দেশ্যকে কী বলা হয়?
  1. Actus reus
  2. Corpus delicti
  3. Mens rea
  4. Nulla poena
সঠিক উত্তর:
Mens rea
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mens rea
ব্যাখ্যা
কোন ব্যক্তিকে ফৌজদারী অপরাধে অভিযুক্ত করতে প্রধানত ২টি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হয়।
(i) দোষযুক্ত মন বা অপরাধী মন [Mens Rea] এবং
(ii) দোষাবহ কার্য বা অপরাধজনক কার্য [Actus Rea]।

⇒ 'Actus reas' এর আভিধানিক অর্থ 'দোষাবহ কার্য'। এটি অপরাধের একটি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান যা কাউকে দোষী সাব্যস্ত করার পূর্বে অবশ্যই প্রমাণ করতে হয়। 'Actus reas' অভিযুক্ত ব্যক্তির মানসিক অবস্থার তুল্য নয়; অধিকাংশ ক্ষেত্রে এটা হবে নিছক একটি কার্য, যেমন- সম্পত্তি আত্মসাৎ করা চুরিরূপ কার্য এবং এর সাথে সুনির্দিষ্ট পরিস্থিতি- যেমন, সম্পত্তিটির মালিক ব্যতীত অন্য কেউ যুক্ত থাকবে।

⇒ 'Mens rea' শব্দের অর্থ ‘অপরাধী মন বা দোষযুক্ত মন' (guilty mind). অপরাধ সংঘটনের সময়ে আসামীর মনের অবস্থা “Mens rea' নামে পরিচিত। এটা ‘অপরাধীর দুষ্টমন' নামেও পরিচিত। একজন অপরাধী শুধু তার অপরাধজনক কার্যের জন্যই দায়ী হয় না বরং সে তার কার্যের সাথে তার অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছা বা উদ্দেশ্যের জন্যই বিশেষভাবে দায়ী হয়ে থাকে। এই অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছাকে বলা হয় mens rea বা guilty mind.

অন্যদিকে,
⇒ Corpus delicti:
এটি ল্যাটিন শব্দ, যার অর্থ "অপরাধের দেহ" বা "body of the crime"। এটি মূলত সেই প্রমাণকে নির্দেশ করে, যা প্রমাণ করে যে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, হত্যার মামলায় Corpus delicti হলো মৃতদেহ এবং অন্যান্য প্রমাণ যা প্রমাণ করে যে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।

⇒ Nulla poena:
Nulla poena sine lege ল্যাটিন ভাষায় একটি আইনি নীতি, যার অর্থ "কোনো শাস্তি ছাড়া আইন নয়" বা "no penalty without a law"। এর মানে হলো, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে এমন অপরাধের জন্য শাস্তি দেওয়া যাবে না, যা ঘটনার সময় কোনো বিদ্যমান আইন দ্বারা শাস্তিযোগ্য ছিল না। এটি আইনের শাসনকে নিশ্চিত করে এবং রেট্রোস্পেকটিভ বা পূর্ববর্তী অপরাধের শাস্তির বিরুদ্ধে সুরক্ষা প্রদান করে।
৪৯.
দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারা কোন অপরাধ সংশ্লিষ্ট?
  1. সরকারী নথি জাল করা
  2. সরকারী সম্পত্তি ধ্বংস করা
  3. সরকারী কর্মচারীর প্রতি অশালীন আচরণ
  4. সরকারী কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদান
সঠিক উত্তর:
সরকারী কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারী কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদান
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারা- সরকারী কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি:
কোন সরকারী কর্মচারী হিসেবে তার সরকারী কর্তব্য সম্পাদনের সাথে সংশ্লিষ্ট কোন কাজ করতে প্রবৃত্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন কাজ করা হতে বিরত হওয়ার বা করতে বিলম্ব করার জন্য বাধ্য করার উদ্দেশ্যে, কোন ব্যক্তি যদি উক্ত সরকারী কর্মচারীকে অথবা অন্য যে কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত সরকারী কর্মচারীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট, সে অন্য ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 189- Threat of injury to public servant:
Whoever holds out any threat of injury to any public servant, or to any person in whom he believes that public servant to be interested, for the purpose of inducing that public servant to do any act, or to forbear or delay to do any act, connected with the exercise of the public functions of such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৫০.
According to Section 38 of The Penal Code, 1860, if several persons are involved in a criminal act, they may be guilty of:
  1. No offence
  2. The same offence
  3. Different offences
  4. Only one person will be guilty
সঠিক উত্তর:
Different offences
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Different offences
ব্যাখ্যা
Section 38- Persons concerned in criminal act may be guilty of different offences:
Where several persons are engaged or concerned in the commission of a criminal act, they may be guilty of different offences by means of that act. 
 
Illustration-
A attacks Z under such circumstances of grave provocation that his killing of Z would be only culpable homicide not amounting to murder. B having ill-will towards Z and intending to kill him, and not having been subject to the provocation, assists A in killing Z. Here, though A and B are both engaged in causing Z's death, B is guilty of murder, and A is guilty only of culpable homicide.

⇒ দণ্ডবিধির ৩৮ ধারার বিধান- অপরাধমূলক কার্যে জড়িত ব্যক্তিগণ বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হন:
 কোন অপরাধমূলক কাজ সংঘটনে কতিপয় ব্যক্তি ব্যাপৃত থাকলে অথবা উহা সংঘটনের সাথে তারা জড়িত থাকলে, উক্ত কাজের জন্য তারা বিভিন্ন অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হতে পারে।

উদাহরণ-
ক এমন উগ্র প্ররোচনায় ক্ষিপ্ত হয়ে চ-কে আক্রমণ করে যে, তার এই আক্রমণে চ নিহত হলে তা কেবল অপরাধমূলক প্রাণনাশ হবে, যা খুন বলে পরিগণিত হবে না। চ-এর প্রতি খ-এর বিদ্বেষ থাকায় এবং চ-কে হত্যা করার জন্য খ-এর অভিপ্রায় থাকায়, খ বিনা প্ররোচনায় চ-কে হত্যার কার্যে ক কে সহায়তা করে। এই দৃষ্টান্তে ক ও খ উভয়েই চ-কে হত্যার কার্যে ব্যাপৃত থাকলেও, খ খুনের অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে এবং ক শুধু অপরাধমূলক প্রাণনাশের অপরাধে অপরাধী হবে।
৫১.
যদি কোন ব্যক্তি কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কাজ করতে বাধ্য করে, তাহলে সর্বাধিক কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ছয় মাস
  2. এক বছর
  3. দুই বছর
  4. তিন বছর
সঠিক উত্তর:
এক বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৪ ধারা- বেআইনী শ্রমে বাধ্য করা:
(১) কোন ব্যক্তি যদি কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রম দান করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

(২) কোন ব্যক্তি যদি কোন যুদ্ধবন্দী বা অপর কোন আশ্রিত ব্যক্তিকে বাংলাদেশ সশ্রম বাহিনীতে কার্য করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা:- এই “যুদ্ধবন্দী" এবং "আশ্রিত ব্যক্তি" অভিব্যক্তিসমূহ যথাক্রমে ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধবন্দীর ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের-৪ দফা এবং ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধকালে বেসামরিক ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের ৪ দফা মোতাবেক তৎসমূহের প্রতি আরোপিত অর্থের অনুরূপ অর্থ দ্যোতক হবে।
৫২.
দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারার আওতাধীন দস্যুতার অপরাধের জন্য মূল শাস্তি কী?
  1. সশ্রম কারাদণ্ড
  2. বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড
সঠিক উত্তর:
সশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারা- দস্যুতার সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি দস্যুতা সংঘটন করে তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে। এবং যদি সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় রাজপথে দস্যুতা অনুষ্ঠিত হয়, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে।

⇒ Section 392- Punishment for robbery:
Whoever commits robbery shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if the robbery be committed on the highway between sunset and sunrise, the imprisonment may be extended to fourteen years.
৫৩.
দণ্ডবিধির ১০০ ধারায়, কোন পরিস্থিতিতে আক্রমণকারীর মৃত্যু ঘটানো যেতে পারে?
  1. বিনা কারণে আক্রমণ করলে
  2. কোন অপরাধমূলক কাজের জন্য
  3. অপকৃত কাম লালসার অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ করলে
  4. উল্লিখিত কোন ক্ষেত্রেই নয়
সঠিক উত্তর:
অপকৃত কাম লালসার অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপকৃত কাম লালসার অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ করলে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১০০ ধারা অনুযায়ী ছয়টি ক্ষেত্রে দেহ বা শরীরকে প্রতিরক্ষার জন্য আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়। যথা:  
(i) এমন আক্রমণ যা মৃত্যু ঘটাতে পারে।
(ii) এমন আক্রমণ যা গুরুতর আঘাত তৈরি করতে পারে।
(iii) ধর্ষণের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ।
(iv) অপকৃত কাম লালসার অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ।
(v) মনুষ্যহরণ বা অপহরণের চেষ্টায় আক্রমণ।
(vi) আইনের আশ্রয় নিতে বাধা দিতে অবৈধভাবে আটক রাখলে।
৫৪.
দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারায়, কোন পরিস্থিতিতে বল প্রয়োগকে 'অপরাধমূলক' বলা হবে?
  1. যখন এটি শান্তিপূর্ণ হয়
  2. যখন এটি সম্মতির ভিত্তিতে হয়
  3. যখন এটি কোনো প্রভাব সৃষ্টি না করে
  4. যখন এটি জখম বা ভয় সৃষ্টি করে
সঠিক উত্তর:
যখন এটি জখম বা ভয় সৃষ্টি করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন এটি জখম বা ভয় সৃষ্টি করে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারার বিধান- অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

Section 350- Criminal force:
Whoever intentionally uses force to any person, without that person's consent, in order to the committing of any offence, or intending by the use of such force to cause, or knowing it to be likely that by the use of such force he will cause injury, fear or annoyance to the person to whom the force is used, is said to use criminal force to that other. 
৫৫.
রাষ্ট্রদ্রোহিতা সংঘটিত করতে হলে, কোন ধরনের উক্তি বা প্রকাশ ব্যবহার করা যেতে পারে?
  1. মৌখিক উক্তি
  2. লিখিত উক্তি
  3. দৃশ্যমান প্রতীক
  4. উপরের সবই
সঠিক উত্তর:
উপরের সবই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবই
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারার বিধান- রাষ্ট্রদ্রোহিতা:
কোন ব্যক্তি যদি উচ্চারিত বা লিখিত কথা বা উক্তি দ্বারা, অথবা চিহ্নাদি দ্বারা, অথবা দৃশ্যমান প্রতীকের সহায়তায় অথবা অপর কোনভাবে বাংলাদেশে আইনানুসারে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা করার চেষ্টা করে অথবা বৈরিতা উদ্রেক করে বা করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন অথবা যে কোন কম মেয়াদের কারাদণ্ডে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে অথবা তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে, অথবা তাকে অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

ব্যাখ্যা ১: ‘বৈরিতা' বলতে রাজানুগত্যহীনতা এবং সর্বপ্রকার শত্রুতার ভাব বুঝায়।

ব্যাখ্যা ২: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করা বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই আইনসম্মত উপায়ে পরিবর্তন বা সংশোধনের উদ্দেশ্যে সরকারের গৃহীত ব্যবস্থাসমূহের প্রতি অসমর্থন প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।

ব্যাখ্যা ৩: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করার বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই সরকারের কোন শাসন পরিচালন বিষয়ক বা অন্যরূপ কার্য সম্পর্কে অসমর্থনমূলক অভিমত বা মন্তব্য প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না। 
৫৬.
'প্রতারণা' সংঘটিত হলে প্রতারিত ব্যক্তির কি ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা থাকতে পারে?
  1. দেহের ক্ষতি
  2. সম্পত্তির ক্ষতি
  3. খ্যাতির ক্ষতি
  4. উল্লিখিত সকল
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারা- প্রতারণা:
যদি কেউ কোন ব্যক্তিকে ছলনা করে প্রবঞ্চনামূলকভাবে বা অসাধুভাবে সে ব্যক্তিকে অন্য কাউকে কোন সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা কোন ব্যক্তির কোন সম্পত্তি রেখে দেওয়াতে সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে বা উদ্দেশ্যমূলকভাবে অনুরূপ প্রতারিত ব্যক্তিকে এমন কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে প্ররোচিত করে যে কাজ সে ব্যক্তি অনুরূপভাবে প্রতারিত না হলে করত না বা করা হতে বিরত থাকত না এবং যে কাজ করার বা করা হতে বিরত থাকার ফলে তার দেহের, মনের, খ্যাতির বা সম্পত্তির দিক হতে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, তবে অনুরূপ ছলনাকারী 'প্রতারণা' করেছে বলে গণ্য হয়।

ব্যাখ্যা:- অসাধুভাবে তথ্য গোপন করা এই ধারার তাৎপর্যাধীনে ছলনা বলে পরিগণিত হবে।

Section 415- Cheating:
Whoever, by deceiving any person, fraudulently or dishonestly induces the person so deceived to deliver any property to any person, or to consent that any person shall retain any property, or intentionally induces the person so deceived to do or omit to do anything which he would not do or omit if he were not so deceived, and which act or omission causes or is likely to cause damage or harm to that person in body, mind, reputation or property, is said to "cheat". 
 
Explanation. A dishonest concealment of facts is a deception within the meaning of this section.
৫৭.
'অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে'- The Penal Code, 1860 এর কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ৬৩ ধারায়
  2. ৬৫ ধারায়
  3. ৬৭ ধারায়
  4. ৭০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৭০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭০ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৭০ ধারার বিধান- অর্থদও ছয় বৎসরের মধ্যে বা কারাদণ্ড চলতে থাকাকালে আদায়যোগ্য: মৃত্যুর ফলে সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না:
অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে, এবং উক্ত দণ্ডাদেশবলে অপরাধী যদি ছয় বৎসর হতেও দীর্ঘতর মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তবে অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে আদায় করা হবে; অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনতঃ দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না।

Section 70- Fine leviable within six years, or during imprisonment Death not to discharge property from liability:
The fine, or any part thereof which remains unpaid, may be levied at any time within six years after the passing of the sentence, and if, under the sentence, the offender be liable to imprisonment for a longer period than six years, then at any time previous to the expiration of that period; and the death of the offender does not discharge from the liability of any property which would, after his death, be legally liable for his debts.
৫৮.
দণ্ডবিধির ২০১ ধারার অধীনে, ১০ বছরের কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে সাক্ষ্য নষ্ট করলে অপরাধীর জন্য শাস্তির পরিমাণ হবে:
  1. মূল কারাদণ্ডের এক তৃতীয়াংশ
  2. মূল কারাদণ্ডের এক চতুর্থাংশ
  3. মূল কারাদণ্ডের দুই চতুর্থাংশ
  4. কোন শাস্তি হবে না
সঠিক উত্তর:
মূল কারাদণ্ডের এক চতুর্থাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল কারাদণ্ডের এক চতুর্থাংশ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২০১ ধারা মতে, অপরাধীকে বাঁচানোর জন্য অপরাধের সাক্ষ্য নষ্ট করার শাস্তি হতে পারে-
(i)  মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে- অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
(ii)  যাবজ্জীবন বা অন্যূন ১০ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে- অনধিক ৩ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
(iii) ১০ বছরের কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে- মূল কারাদণ্ডের এক চতুর্থাংশ কারাদণ্ড বা  অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
৫৯.
'A' puts jewels into a box belonging to 'Z', with the intention that they may be found in that box, and that this circumstance may cause 'Z' to be convicted of theft. What crime did 'A' commit?
  1. Theft
  2. Cheating
  3. Criminal conspiracy
  4. Fabricating false evidence
সঠিক উত্তর:
Fabricating false evidence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Fabricating false evidence
ব্যাখ্যা
Section 192⇒  Fabricating false evidence:
Whoever causes any circumstance to exist or makes any false entry in any book or record, or makes any document containing a false statement, intending that such circumstance, false entry or false statement may appear in evidence in a judicial proceeding, or in a proceeding taken by law before  a public servant as such, or before an arbitrator, and that such  circumstance, false entry or false statement, so appearing in evidence, may cause any person who in such proceeding is to form an opinion upon the evidence, to entertain an erroneous opinion touching any point material to the result of such proceeding, is said "to fabricate the evidence.” 
 
Illustrations-
(a) A puts jewels into a box belonging to Z, with the intention that they may be found in that box, and that this circumstance may cause Z to be convicted of theft. A has fabricated false evidence.

(ক) A, Z এর মালিকানাধীন একটি বাক্সে রত্নপাথর রেখে দেয়, এই উদ্দেশ্যে যে সেই বাক্সে রত্নপাথর পাওয়া গেলে Z-কে চুরির অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করা যাবে। এই কাজের মাধ্যমে A মিথ্যা প্রমাণ তৈরি করেছে। এখানে A ইচ্ছাকৃতভাবে প্রমাণ তৈরির জন্য Z এর বাক্সে রত্নপাথর রেখে দেয়, যাতে Z-এর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা যায়। এটি আইনত মিথ্যা প্রমাণ বা false evidence তৈরির অপরাধ।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯২ ধারার বিধান: মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবন করা:
কোন ব্যক্তি যদি কোন অবস্থার অস্তিত্ব সৃষ্টি বা উদ্ভাবন করে, অথবা কোন বইতে বা রেকর্ডে মিথ্যা কথা লিপিবদ্ধ করে অথবা মিথ্যা বিবরণ সাক্ষ্য হিসেবে কোন বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমে অথবা সরকারী কর্মচারীর সম্মুখে সরকারী কর্মচারী হিসেবে কোন আইনগত কার্যক্রমে অথবা কোন সালিসের সম্মুখে উত্থাপন করার উদ্দেশ্যেই যদি তা করা হয়ে থাকে এবং অনুরূপ অবস্থা বা মিথ্যা দলিল বা মিথ্যা বিবৃতি যদি এমন প্রকৃতির হয় যে, উক্ত কার্যক্রমে যিনি সাক্ষ্যের উপর ভিত্তি করে তাঁর মতামত গঠন করবেন, তিনি উক্ত অবস্থা বা মিথ্যা দলিল বা মিথ্যা বিবৃতিজনিত সাক্ষ্যে প্রভাবিত হয়ে অনুরূপ কার্যক্রমের সাথে গুরুত্বপূর্ণভাবে জড়িত কোন বিষয় সম্পর্কে ভুল ধারণা বা মত পোষণ করবেন, তবে সে ব্যক্তি 'মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করেছে' বলে পরিগণিত হয়।
৬০.
সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারায় 'অভিন্ন অভিপ্রায়' দ্বারা কী বোঝায়?
  1. একক ব্যক্তির উদ্দেশ্য
  2. সাক্ষীর মতামত
  3. একাধিক ব্যক্তির যৌথ উদ্দেশ্য
  4. আদালতের সিদ্ধান্ত
সঠিক উত্তর:
একাধিক ব্যক্তির যৌথ উদ্দেশ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একাধিক ব্যক্তির যৌথ উদ্দেশ্য
ব্যাখ্যা
• 'অভিন্ন অভিপ্রায়' বলতে বুঝানো হয় যে, একাধিক ব্যক্তি একসঙ্গে কোনো উদ্দেশ্যে বা লক্ষ্যে কাজ করছে।

ধারা ১০: অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ:

যখন যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে বিশ্বাস করার যে দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একত্রে একটি অপরাধ বা একটি নালিশযোগ্য অন্যায় কার্য করতে ষড়যন্ত্র করেছে, তখন তাদের মধ্যে যেকোনো একজনের দ্বারা উক্ত সময়ের পর যেকোনো কিছু বলা, করা বা লেখা, যা তাদের সাধারণ উদ্দেশ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত, তা প্রতিটি ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রাসঙ্গিক সত্য হিসেবে বিবেচিত হবে। এটি ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য এবং দেখানোর জন্য যে ঐ ব্যক্তিগণ ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত ছিল, উভয়ের উদ্দেশ্যে প্রযোজ্য।

⇒ যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি মিলে কোন অপরাধ সংঘটন করে এবং সেই অভিন্ন অভিপ্রায়ের লক্ষ্যে করা কোন এক জনের কথা, কাজ বা বিবৃতি প্রাসঙ্গিক। অর্থাৎ অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য প্রাসঙ্গিক হবে।

Section 10- Things said or done by conspirator in reference to common design:
Where there is reasonable ground to believe that two or more persons have conspired together to commit an offence or an actionable wrong, anything said, done or written by any one of such persons in reference to their common intention, after the time when such intention was first entertained by any one of them, is a relevant fact as against each of the persons believed to be so conspiring, as well for the purpose of proving the existence of the conspiracy as for the purpose of showing that any such person was a party to it.
৬১.
সাক্ষ্য আইনে 'আদালত' বলতে কাদের বোঝায়?
  1. শুধুমাত্র বিচারক
  2. শুধুমাত্র বিচারক এবং আইনজীবী
  3. সকল জজ, ম্যাজিস্ট্রেট এবং সালিশকারী
  4. সালিশকারী ব্যতীত সকল জজ, ম্যাজিস্ট্রেট এবং সাক্ষ্য গ্রহণে আইনত ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের
সঠিক উত্তর:
সালিশকারী ব্যতীত সকল জজ, ম্যাজিস্ট্রেট এবং সাক্ষ্য গ্রহণে আইনত ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালিশকারী ব্যতীত সকল জজ, ম্যাজিস্ট্রেট এবং সাক্ষ্য গ্রহণে আইনত ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা ৩:
আদালত (Court): বলতে সকল জজ, ম্যাজিস্ট্রেট এবং সালিশকারী ব্যতীত সাক্ষ্য গ্রহণে আইনত ক্ষমতাপ্রাপ্ত সকল ব্যক্তিকে অন্তর্ভূক্ত করবে।

Section 3⇒ Interpretation-clause:
"Court" includes all Judges and Magistrates and all persons, except arbitrators, legally authorized to take evidence.
৬২.
সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারা অনুসারে কোন ধরনের বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই?
  1. সাক্ষ্য প্রমাণে প্রমাণিত বিষয়
  2. কোনো পক্ষের দাবি করা নতুন তথ্য
  3. প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণিত ঘটনা
  4. আদালতের বিচারিক দৃষ্টিগোচরে থাকা বিষয়
সঠিক উত্তর:
আদালতের বিচারিক দৃষ্টিগোচরে থাকা বিষয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের বিচারিক দৃষ্টিগোচরে থাকা বিষয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারা- বিচারিক দৃষ্টিগোচরে যে সকল বিষয় নেয়ার যোগ্য সেগুলো প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই:
যে বিষয়ে আদালত বিচারিক দৃষ্টিগোচর হিসেবে অবগত হবেন তা প্রমাণ করার অবশ্যকতা নেই। 

Section 56⇒ Fact judicially noticeable need not be proved:
No fact of which the Court will take judicial notice need be proved.
৬৩.
What must be true for a statement to be relevant under Section 32(3) of The Evidence Act, 1872?
  1. It must be made under oath
  2. It must be made in front of a judge
  3. It must be made for public interest
  4. It must be against the maker's proprietary interest
সঠিক উত্তর:
It must be against the maker's proprietary interest
উত্তর
সঠিক উত্তর:
It must be against the maker's proprietary interest
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-

৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);
- যখন বিবৃতিটি উক্ত ব্যক্তির অর্থনৈতিক বা স্বত্ব সম্পর্কিত স্বার্থের বিরুদ্ধে হয়, অথবা যখন এটি সত্য হলে, তা তাকে বা তার বিরুদ্ধে কোন অপরাধমূলক মামলা বা ক্ষতিপূরণের মামলা করার জন্য উন্মুক্ত করবে বা করেছিল।

[When the statement is against the pecuniary or proprietary interest of the person making it, or when, if true, it would expose him or would have exposed him to a criminal prosecution or to a suit for damages.]

এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি একজন ব্যক্তি কোনো বিবৃতি দেন যা তার আর্থিক বা স্বত্ব সম্পর্কিত স্বার্থের বিরুদ্ধে থাকে, অথবা সত্য হলে তা তাকে অপরাধের মুখোমুখি করতে পারে, তাহলে ওই বিবৃতি প্রাসঙ্গিক হতে পারে।
৬৪.
একটি হারিয়ে যাওয়া দলিলের বিষয়বস্তু মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা 'ক' প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। দলিলাটি যে হারিয়ে গিয়েছে, তা কে প্রমাণ করবে?
  1. 'ক'
  2. সাক্ষী
  3. আদালত
  4. দলিলের মালিক
সঠিক উত্তর:
'ক'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক'
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারা- যে ঘটনা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য করার জন্য প্রমাণ করতে হবে তা প্রমাণের দায়িত্বঃ
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি অন্য কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে পারে, তজ্জন্য বিষয় প্রমাণ করা আবশ্যক, সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানে ইচ্ছুক তার উপর উপরে বর্ণিত বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত।

উদাহরণ:
(ক) 'ক' 'খ'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে অবশ্যই 'খ'-এর মৃত্যু 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।
(খ) একটি হারিয়ে যাওয়া দলিলের প্রসঙ্গের মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা 'ক' প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। দলিলাটি যে হারিয়ে গিয়েছে, অবশ্যই তা 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।

Section-104. Burden of proving fact to be proved to make evidence admissible:
The burden of proving any fact necessary to be proved in order to enable any person to give evidence of any other fact is on the person who wishes to give such evidence.

(a) A wishes to prove a dying declaration by B. A must prove B's death.
(b) A wishes to prove, by secondary evidence, the contents of a lost document. A must prove that the document has been lost.
৬৫.
'মামলায় কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন হইবে না।'- সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ১১৪ ধারার
  2. ১২৪ ধারার
  3. ১৩৪ ধারার
  4. ১৫৪ ধারার
সঠিক উত্তর:
১৩৪ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৪ ধারার
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের  ১৩৪ ধারার বিধান- সাক্ষীর সংখ্যা:
মামলায় কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন হইবে না।

Section 134: Number of witnesses
No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.
৬৬.
According to Section 133 of The Evidence Act, 1872, an accomplice is considered a:
  1. Biased witness
  2. Incompetent witness
  3. Competent witness
  4. Unreliable witness
সঠিক উত্তর:
Competent witness
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Competent witness
ব্যাখ্যা
Section 133- Accomplice:
An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান: দুষ্কর্মের সহযোগীঃ
আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনি হবে না।
৬৭.
আদালত যখন ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে অভিমত তৈরি করে, তখন কোনটি প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. স্বাক্ষীর বক্তব্য
  2. অভিযোগকারীর অভিযোগ
  3. প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত
  4. অভিযুক্তের স্বীকারোক্তি
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারা- ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত যেখানে প্রাসঙ্গিক:
যখন আদালতকে কোনও ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে অভিমত তৈরি করতে হয়, তখন ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ জারি করা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা।

Section 47A- Opinion as to digital signature where relevant:
When the Court has to form an opinion as to the digital signature of any person, the opinion of the Certifying Authority which has issued the Digital Signature Certificate is a relevant fact.
৬৮.
মৌখিক সাক্ষ্যের ক্ষেত্রে কোনটি গ্রহণযোগ্য নয়?
  1. যা সাক্ষী নিজে শুনেছে
  2. যা সাক্ষী নিজে দেখেছে
  3. যা সাক্ষী অন্যের কাছ থেকে শুনেছে
  4. যা সাক্ষী নিজে অনুভব করেছে
সঠিক উত্তর:
যা সাক্ষী অন্যের কাছ থেকে শুনেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যা সাক্ষী অন্যের কাছ থেকে শুনেছে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৬০ ধারায় বলা হয়েছে:
"Oral evidence must, in all cases whatsoever, be direct."
অর্থাৎ, যেকোনো ক্ষেত্রেই মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে।

ধারা ৬০ মতে-
মৌখিক সাক্ষ্যকে সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে ( oral evidence must be direct)। অর্থাৎ এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয়, যা দেখা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলবে যে, সে এটি দেখেছে তার সাক্ষ্যই দিতে হবে; এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয় যা শোনা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলে যে, সে এটি শুনেছে, তার সাক্ষ্যই দিতে হবে। অর্থাৎ, অন্যের কাছ থেকে শোনা সাক্ষ্য প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।
৬৯.
What type of information is not assumed to be correct in a Digital Signature Certificate?
  1. Date of issue
  2. Verified subscriber information
  3. Information about the certificate authority
  4. Subscriber information that has not been verified
সঠিক উত্তর:
Subscriber information that has not been verified
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Subscriber information that has not been verified
ব্যাখ্যা
⇒ Section 85C- Presumption as to Digital Signature Certificates:
The Court shall presume, unless contrary is proved, that the information listed in a Digital Signature Certificate is correct, except for information specified as subscriber information which has not been verified, if the certificate was accepted by the subscriber.

সাক্ষ্য আইনের ৮৫গ ধারা- ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ সম্পর্কে অনুমান:
বিপরীত কিছু প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আদালত অবশ্যই অনুমান করবে যে, গ্রাহকের যে সুনির্দিষ্ট তথ্য যাচাই করা হয়নি তা ব্যতীত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের উল্লেখিত তথ্য সঠিক, যদি সনদটি গ্রাহক দ্বারা গৃহিত হয়। গ্রাহকের তথ্য হিসেবে নির্ধারিত তথ্য যাচাই করা না হলে তা সঠিক বলে আদালত অনুমান করবে না।
৭০.
______ ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি রেজিস্ট্রি করা হয়ে থাকে এবং সম্পাদনকারী যদি সম্পাদনের কথা নির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করা না হয়, তা হলে সত্যায়নকারী সাক্ষীকে তলব করা প্রয়োজন হবে না।
  1. উইল
  2. বিক্রয় চুক্তি
  3. দানপত্র
  4. কবলা
সঠিক উত্তর:
উইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উইল
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারা- যে দলিল সত্যায়িত করা আইনত প্রয়োজন, তা সম্পাদনের প্রমাণ:
 যে দলিল আইনে সত্যায়ন করার জন্য নির্দেশিত সেই দলিল প্রমাণ করার জন্য অন্ততপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষী তলব না করা পর্যন্ত দলিলটি সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না।
তবে শর্ত থাকে যে, উইল ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি রেজিস্ট্রি করা হয়ে থাকে এবং সম্পাদনকারী যদি সম্পাদনের কথা নির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করা না হয়, তা হলে সত্যায়নকারী সাক্ষীকে তলব করা প্রয়োজন হবে না।
 
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৬৮ অনুযায়ী,
যেসব দলিল আইনের অধীনে সত্যায়ন করা প্রয়োজন, সেগুলোর জন্য অন্ততপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষীকে তলব করা বাধ্যতামূলক। তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হল: উইল ছাড়া অন্য কোনো রেজিস্ট্রি করা দলিল যদি সম্পাদনকারী দ্বারা অস্বীকার করা না হয়, তাহলে সত্যায়নকারী সাক্ষী তলব করার প্রয়োজন নেই।

উইলের ক্ষেত্রে, যদিও দলিলটি রেজিস্ট্রি করা হয়েছে, তারপরও অন্ততপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষীকে আদালতে তলব করা বাধ্যতামূলক। উইলের প্রমাণের জন্য এই বাধ্যবাধকতা রয়েছে, কারণ উইলের ক্ষেত্রে সম্পাদনকারী সাধারণত মৃত থাকেন এবং তার ইচ্ছার যথাযথ প্রমাণের জন্য সত্যায়নকারী সাক্ষীর জবানবন্দী অপরিহার্য বলে ধরা হয়।
৭১.
What does Section 108 of The Evidence Act, 1872 state about a person who has not been heard from for seven years?
  1. They are presumed alive
  2. They are presumed dead
  3. Their status is irrelevant
  4. They must be declared missing
সঠিক উত্তর:
They are presumed dead
উত্তর
সঠিক উত্তর:
They are presumed dead
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারা অনুযায়ী,
৭ বৎসর যাবৎ খবর পাওয়া যায় না এমন ব্যক্তিকে আদালত মৃত অনুমান করতে বাধ্য; এক্ষেত্রে যে ব্যক্তি দাবী করে যে উক্ত ব্যক্তি জীবিত আছে, তাকেই প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত ব্যক্তি জীবিত আছে।

Section 108- Burden of proving that person is alive who has not been heard of for seven years:
Provided that when the question is whether a man is alive or dead, and it is proved that he has not been heard of for seven years by those who would naturally have heard of him if he had been alive, the burden of proving that he is alive is shifted to the person who affirms it.
৭২.
কে সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করে জেরা করার জন্য আদালতের অনুমতির চেয়ে আবেদন করে?
  1. সাক্ষী নিজেই
  2. প্রতিপক্ষ
  3. সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ
  4. মোকদ্দমা সংশ্লিষ্ট যে কেউ
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ তার সাক্ষীকে পরীক্ষা করলে তা জবানবন্দি বলে গণ্য হয়। এরপর বিরুদ্ধ পক্ষ সেই সাক্ষীকে জেরা করে। তবে ১৫৪ ধারার অধীন যদি সাক্ষী আনয়নকারী পক্ষ তার নিজের সাক্ষীকে আদালতের অনুমতি নিয়ে জেরা করা শুরু করে তখন সেই সাক্ষীকে বৈরী সাক্ষী বলে। বৈরী সাক্ষী যে সাক্ষ্য দেয় সেটা হল বৈরী সাক্ষ্য। সাধারণত জেরা করার উদ্দেশ্য হলো প্রতিপক্ষের সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা। এরূপ কাজ কোন মামলার বিরুদ্ধ পক্ষ করে থাকে, তবে ১৫৪ ধারার অধীন সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে নিজের সাক্ষীকে জেরা করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করতে পারে।

⇒  যখন সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা হয়:
১) সাক্ষী যদি নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়;
২) সাক্ষী যদি বিরুদ্ধ পক্ষের সমর্থনে সাক্ষ্য দেয়;
৩) সাক্ষী যদি তার পূর্বের সাক্ষ্য থেকে সরে এসে বিপরীত সাক্ষ্য দেয়।

এরূপ ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ নিজ সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করে জেরা করার জন্য আদালতের অনুমতির জন্য দরখাস্ত/ আবেদন দেয়। আদালত উক্ত আবেদন গ্রহণ করলে সাক্ষী বৈরী হয় এবং নিজপক্ষের অ্যাডভোকেট তাকে জেরা করতে পারে।
৭৩.
তামাদি আইনের ২৩ ধারার আওতায় অবিরাম চুক্তিভঙ্গের ক্ষেত্রে কি ঘটে?
  1. তামাদির মেয়াদ একবার শুরু হয়
  2. তামাদির মেয়াদ প্রভাবিত হয় না
  3. প্রতি মুহূর্তে তামাদির মেয়াদ নতুন করে শুরু হয়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
প্রতি মুহূর্তে তামাদির মেয়াদ নতুন করে শুরু হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতি মুহূর্তে তামাদির মেয়াদ নতুন করে শুরু হয়
ব্যাখ্যা
• The Limitation Act, 1908 এর ২৩ ধারা: অবিরাম চুক্তিভঙ্গ-
যেক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় এবং যেক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি নিরপেক্ষভাবে অন্যায় করা হয়, সেক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন সময়ের প্রতি মুহূর্তেই নতুন করে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে শুরু করে।

Section 23: Continuing breaches and wrongs-
In the case of a continuing breach of contract and in the case of a continuing wrong independent of contract, a fresh period of limitation begins to run at every moment of the time during which the breach or the wrong, as the case may be, continues.

২৩ ধারাটি বিশ্লেষণ করলে প্রতীয়মান হয় যে,
এমন কিছু চুক্তির অস্তিত্ব রয়েছে যা লংঙ্ঘন করা হলে প্রতি মুহূর্তেই নালিশের কারণ উদ্ভব হয়ে থাকে। এছাড়া চুক্তি বহির্ভূত এমন কিছু ক্ষতি বা লোকসান রয়েছে যা প্রতি মুহূর্তেই নালিশের কারণের উদ্ভব ঘটায়। এ সকল ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ নতুন করে বৃদ্ধি পায়। অর্থাৎ, কোন চুক্তি ক্রমাগত ভঙ্গ করা হতে থাকলে বা অবিরত অন্যায় আচরণ অব্যাহত রাখা হলে, সেক্ষেত্রে উক্ত অপরাধ সংঘটনের প্রতি মুহূর্তেই নতুন ভাবে মামলার কারণ উদ্ভব হবে।
৭৪.
তামাদি আইনের ২৮ ধারার বিধান অনুসারে, কোনো সম্পত্তি দখল প্রাপ্তির জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে তামাদি আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে ___________________।
  1. বিবাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে
  2. বাদীর অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে
  3. বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে
  4. বাদীর অধিকার বহাল থাকবে
সঠিক উত্তর:
বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ২৮ ধারার বিধানে Adverse possession বা জবর দখলের কথা বলা হয়েছে।

ধারা ২৮ (সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্তি)-
কোনো সম্পত্তি দখল প্রাপ্তির জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে এই আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে

Section 28: Extinguishment of right to property-
At the determination of the period hereby limited to any person for instituting a suit for possession of any property, his right to such property shall be extinguished.
৭৫.
জনাব 'ক' এবং জনাব 'খ' -এর মধ্যে একটি জমি বিক্রির লিখিত এবং নিবন্ধিত চুক্তি হয় ১ জানুয়ারি, ২০১৫ তারিখে। এই লিখিত চুক্তিভঙ্গের জন্য জনাব 'খ' যদি ক্ষতিপূরণের মামলা করতে চান, তাহলে তাকে কয় বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে?
  1. ৬ মাসের মধ্যে
  2. ১ বছরের মধ্যে
  3. ৩ বছরের মধ্যে
  4. ৬ বছরের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৬ বছরের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
The Limitation Act, 1908 এর ১ম তফসিল- অনুচ্ছেদ ১১৬:
লিখিত এবং নিবন্ধিত চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা:
তামাদি সময়সীমা: ৬ বছর।
তামাদি সময়সীমা গণনা শুরু হবে: যখন চুক্তি নিবন্ধিত না হয় এবং মেয়াদ অতিবাহিত হতে শুরু করে।

এক্ষেত্রে, জনাব খ যদি ক্ষতিপূরণের মামলা করতে চান, তাহলে তাকে ৬ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে।
৭৬.
ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইন কোথায় প্রযোজ্য হয়?
  1. আপিলের ক্ষেত্রে
  2. অভিযোগ দাখিলের ক্ষেত্রে
  3. এজাহার দাখিলের ক্ষেত্রে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
আপিলের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ৩ ধারায় বলা হয়েছে,
বাদীর করা কোন মামলায় বিবাদী যদি আদালতে তামাদির প্রশ্ন নাও তুলে তারপরেও মামলা খারিজ হবে যদি বাদী এই আইনের ধারা ৪-২৫ এবং ১ম তফসিলের নির্ধারিত সময়ের মাঝে আদালতে মামলা উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়।

- তামাদি আইন, ১৯০৮ ফৌজদারি মূল মামলা অর্থাৎ এজাহার, এফ আই আর বা অভিযোগ/নালিশ (complaint) দায়েরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
- তামাদি আইন দ্বারা ফৌজদারী মামলা বাধাপ্রাপ্ত হয় না।
- তামাদি আইন ফৌজদারি মূল মামলার ক্ষেত্রে সাধারণত প্রয়ােগ হয় না। তবে ফৌজদারি মামলার আপিলের ক্ষেত্রে প্রযােজ্য হয়। যেমন- মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ ৭ দিন।

Section-3: Dismissal of suits, etc., instituted, etc., after period of limitation:
Subject to the provisions contained in sections 4 to 25 (inclusive), every suit instituted, appeal preferred, and application made, after the period of limitation prescribed therefor by the first schedule shall be dismissed, although limitation has not been set up as a defence.

Explanation.-
A suit is instituted, in ordinary cases, when the plaint is presented to the proper officer; in the case of a pauper, when his application for leave to sue as a pauper is made; and, in the case of a claim against a company which is being wound up by the Court, when the claimant first sends in his claim to the official liquidator.
৭৭.
'ক','খ' ও 'গ' একটি ফার্মের অংশীদার এবং 'ঘ' উক্ত ফার্মের নিকট ঋণগ্রস্থ হয়। 'খ' উন্মাদ এবং 'গ' নাবালক। 'খ' এবং 'গ'-এর সম্মতি ব্যতীত 'ক', দেনাদার 'ঘ'-কে ঋণমুক্ত করতে পারে না। এক্ষেত্রে-
  1. সকলে তামাদির মেয়াদ হতে অব্যাহতি পাবে
  2. শুধুমাত্র 'ক' এর বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে থাকবে
  3. 'খ', এবং 'গ' এর বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হবে না
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
সকলে তামাদির মেয়াদ হতে অব্যাহতি পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকলে তামাদির মেয়াদ হতে অব্যাহতি পাবে
ব্যাখ্যা
• এক্ষেত্রে 'ক','খ' ও 'গ' সকলে তামাদি আইন,১৯০৮ এর ৭ ধারার অধীন তামাদির মেয়াদ হতে অব্যাহতি পাবে।

• তামাদি আইনের ৬, ৭,৮ এবং ৯ ধারায় আইনগত অপারগতার নিয়ম বর্ণনা করা হয়েছে। যে ব্যক্তির মামলা করার অধিকার সৃষ্টি হয়েছে সে যদি উক্ত সময় মামলা করতে আইনগতভাবে অপারগ থাকে, তাহলে তার মামলা করার তামাদির মেয়াদ কিভাবে গণনা করা হবে তা ৬ থেকে ৯ ধারা পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়েছে। 

• ধারা ৭ (একাধিক বাদী অথবা দরখাস্তকারীর মধ্যে একজনের অপারগতা)-
যে ক্ষেত্রে একাধিক ব্যক্তি মামলা বা কার্যধারা দায়ের করার অধিকারী হয় বা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিল করার অধিকারী হয় এবং তাদের সকলেই আইনগত অক্ষম হলে তাদের কারোর বিরুদ্ধে তামাদি অতিবাহিত হবে না। কিন্তু যদি এমন হয় যে, তাদের মধ্যে এক বা একাধিক ব্যক্তি আইনগতভাবে অক্ষম কিন্তু বাকিরা আইনগতভাবে সক্ষম বা সুস্থ, সেই ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ সকলের বিরুদ্ধে অতিবাহিত হবে। কি হবে না তা নিম্নলিখিত ভাবে নির্ধারণ করতে হবে-

⇒ যে সকল ব্যক্তি আইনগতভাবে অপারগ তাদের সম্মতি ছাড়া যে ব্যক্তি আইনগতভাবে অপারগ না সে যদি দায়মুক্তি বা ঋণ পরিশোধ করতে পারে তাহলে সকলের বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হবে।
⇒ কিন্তু আইনগতভাবে সক্ষম ব্যক্তি আইনগত অপারগ ব্যক্তিদের সম্মতি ছাড়া দায়মুক্তি বা ঋণ পরিশোধ করতে না পারলে, তাদের কারোর বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হবে না।
৭৮.
'A' is forcibly dispossessed by 'B' from his house. Within how many days can 'A' file a suit for recovery of possession with title?
  1. 6 months
  2. 6 years
  3. 3 years
  4. 12 years
সঠিক উত্তর:
12 years
উত্তর
সঠিক উত্তর:
12 years
ব্যাখ্যা
• 'ক' তার বাড়ি থেকে 'খ' কর্তৃক জোরপূর্বক বেদখল হয়। 'ক' ১২ বছরের মধ্যে স্বত্বসহ দখল পুনরুদ্ধারের মামলা দায়ের করতে পারবে।

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন,১৮৭৭ এর ধারা ৮ অনুযায়ী, সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি তা দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে নির্ধারিত পন্থায় পুনরুদ্ধার করতে পারে।এক্ষেত্রে,
⇒ বাদীকে স্বত্ব প্রমাণ করতে হবে
⇒ বেদখল হওয়ার দিন থেকে পরবর্তী ১২ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা করতে হবে (তামাদি আইনের ১৪২ ও ১৪৪ অনুচ্ছেদ)
⇒ সরকার বাদী হলে ৬০ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে (অনুচ্ছেদ-১৪৯)

• তামাদি আইন,১৯০৮ অনুচ্ছেদ ১৪২-
যখন বাদী স্থাবর সম্পত্তির দখলে, তখন বাদী বেদখল হলে অথবা বাদী তার দখল ত্যাগ করলে সেই সম্পত্তির দখল লাভের জন্য দখলের তারিখ হতে ১২ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হয়।
৭৯.
তামাদি আইন সর্বশেষ সংশোধিত হয়-
  1. ২০০০ সালে
  2. ২০০১ সালে
  3. ২০০২ সালে
  4. ২০০৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৪ সালে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন সর্বশেষ ২০০৪ সালে সংশোধিত হয়।

⇒ এই সংশোধনী দ্বারা ১১৩ ও ১১৪ অনুচ্ছেদ সংশোধিত হয়।
⇒ চুক্তি প্রবলের মামলার তামাদি কাল ছিলো ৩ বছর, এখন ১ বছর করা হয়েছে। (১১৩ অনুচ্ছেদ)
⇒ চুক্তি প্রত্যাহারের তামাদি কাল আগে ছিলো ৩ বছর, এখন ১ বছর করা হয়েছে। (১১৪ অনুচ্ছেদ)
৮০.
According to Section 25 of The Limitation Act, 1908, for the purposes of the Act, how is time to be computed in all instruments?
  1. Based on the fiscal year
  2. Based on the lunar calendar
  3. With reference to the local time
  4. With reference to the Gregorian calendar
সঠিক উত্তর:
With reference to the Gregorian calendar
উত্তর
সঠিক উত্তর:
With reference to the Gregorian calendar
ব্যাখ্যা
Section-25. Computation of time mentioned in instruments:
All instruments shall, for the purposes of this Act, be deemed to be made with reference to the Gregorian calendar. 

তামাদি আইন ১৯০৮ এর ২৫ ধারায় বলা হয়েছে যে,
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সব দলিলে উল্লেখিত সময় গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার (Gregorian calendar) অনুসারে প্রণীত হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হবে।

এর অর্থ হচ্ছে, তামাদি আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোন দলিলে হিজরি, বাংলা বা অন্য কোন ক্যালেন্ডার অনুযায়ী সময় উল্লেখ থাকলেও, আইনগতভাবে তা গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারে রূপান্তরিত হয়েছে বলে গণ্য করা হবে। উদাহরণস্বরূপ, কোন দলিলে হিজরি সনে কোন তারিখ উল্লেখ থাকলেও, তামাদি আইনের প্রয়োজনে সেটি গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী গণনা করে নির্ধারণ করতে হবে।
৮১.
বার কাউন্সিল ট্রাইবুনাল কত জন সদস্যের সমন্বয়ে গঠন হবে?
  1. ৩ জন
  2. ৫ জন
  3. ৭ জন
  4. ৯ জন
সঠিক উত্তর:
৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ জন
ব্যাখ্যা
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল:
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৩৩ থেকে ৩৮ এ বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের গঠন, এখতিয়ার এবং কার্যপদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

অনুচ্ছেদ ৩৩ অনুযায়ী, বার কাউন্সিল এক বা একাধিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারে। বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের গঠনকারী প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো-
১. বার কাউন্সিল ট্রাইবুনাল গঠন হবে ৩ জন সদস্যের সমন্বয়ে।
২. তিনজন সদস্যদের মধ্যে ২ জন থাকবে বার কাউন্সিলের সদস্য যারা বার কাউন্সিলের অন্যান্য সদস্য দ্বারা নির্বাচিত হবে।
৩. অপর একজন সদস্য হবে বার কাউন্সিলের তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের মধ্যে থেকে একজন যাকে মনোনয়ন দিবে বার কাউন্সিল।
৪. তিন সদস্যদের মধ্যে যিনি বয়োঃজ্যেষ্ঠ্য হবেন তিনি হবেন ট্রাইবুনালের চেয়ারম্যান।
৫. বাংলাদেশের এটর্নি জেনারেল কোনো ট্রাইব্যুনালের সদস্য হতে পারবেন না।
৮২.
"পেশাগত আচরণ ও শিষ্ঠাচার বিধিমালা" এর ১ম অধ্যায়ের বিধি ১০ মূলত কোন বিষয়ের উপর গুরুত্ব দেয়?
  1. মক্কেল এবং আইনজীবীদের মধ্যে সম্পর্ক
  2. বিচারক এবং আইনজীবীদের মধ্যে সম্পর্ক
  3. আইনজীবী সহকারী এবং আইনজীবীদের মধ্যে সম্পর্ক
  4. জুনিয়র এবং নবীন সদস্যদের সিনিয়র এবং প্রবীণ সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা
সঠিক উত্তর:
জুনিয়র এবং নবীন সদস্যদের সিনিয়র এবং প্রবীণ সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুনিয়র এবং নবীন সদস্যদের সিনিয়র এবং প্রবীণ সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা
ব্যাখ্যা
পেশাগত আচরণ ও শিষ্ঠাচার বিধিমালা: ১ম অধ্যায়: অন্যান্য আইনজীবীর সাথে আচরণ (Conduct with advocates):
বিধি ১০: জুনিয়র এবং নবীন আইনজীবীরা সর্বদা সিনিয়র এবং প্রবীন আইনজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবে।

Rule 10:
Junior and younger members should always be respectful to senior and older members.
৮৩.
আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির যোগ্যতাসমূহ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 এর কত অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২১
  2. অনুচ্ছেদ ২৭
  3. অনুচ্ছেদ ৩২
  4. অনুচ্ছেদ ৩৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৭
ব্যাখ্যা
আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির যোগ্যতাসমূহ:
আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির যোগ্যতাসমূহ অনুচ্ছেদ ২৭ এ আলোচনা করা আছে। অনুচ্ছেদ ২৭ অনুযায়ী-
১. তাকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে;
২. ২১ বছর বয়স পূর্ণ হতে হবে;
৩. বাংলাদেশের কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজ থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করতে হবে;
৪. বাংলাদেশের বাহিরে বার কাউন্সিল স্বীকৃত কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করতে হবে, অথবা তাকে ব্যারিস্টার হতে হবে;
৫. তাকে বার কাউন্সিল নির্ধারিত পরীক্ষায় কৃতকার্য হতে হবে;
৬. নির্ধারিত পন্থায় বার কাউন্সিল নির্ধারিত ফি প্রদান করতে হবে;
৭. যিনি ন্যূনতম ৭ (সাত) বছর মোক্তার হিসেবে কাজ করেন, তিনি ২৭ অনুচ্ছেদের দফা ১ এর উপ দফা (ক), (খ), (ঘ), এবং (ঙ) দফার শর্তসমূহ পালন করে আইনজীবী হিসেবে কাজ করতে পারবেন।