পরীক্ষা আর্কাইভ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes১৬ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১৭
সিলেবাস
"পরীক্ষা – ১৬ টপিক: রিভিশন – সম্পূর্ণ সিলেবাস [Live Class – 1 to 20] ক্লাস মেন্টর: তপন ভট্টাচার্য"
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৭ প্রশ্ন

.
সংবিধানের অলংকরণ করেন কে?
  1. শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন
  2. একেএম আব্দুর রউফ
  3. আমিনুজ্জামান
  4. মোস্তফা কামাল
সঠিক উত্তর:
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান: 
- ১৯৭২ সালে প্রণীত হয় বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান।
- মরহুম একেএম আব্দুর রউফ প্রথম এটি হাতে লিখেন।
- এটি মুদ্রিত হয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীন মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণাধীন বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়ে (বিজি প্রেস)।
- মহান সংবিধানের অলংকরণ করেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন এবং তাঁর সহকারী হিসেবে কাজ করেন শিল্পী হাশেম খান।
- এতে সহযোগিতা দেন বিজি প্রেসের প্রাক্তন রীডার মরহুম আমিনুজ্জামান।
- প্রথম সংবিধান মুদ্রণে ব্যবহুত যন্ত্রটির নাম Crabtree Double Demy Two Colour, যা আমদানী করা হয় ১৯৫২ সালে এবং এটি মুদ্রণ কাজে ব্যবহৃত হয় ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ৩৫ বছর। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
.
বাংলাদেশের সংবিধানে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ কোনটি?
  1. ২১ নং অনুচ্ছেদ
  2. ২২ নং অনুচ্ছেদ
  3. ২৩ নং অনুচ্ছেদ
  4. ২৫ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
২৫ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি: 
- পররাষ্ট্রনীতি রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নীতির সম্প্রসারণ।
- পররাষ্ট্রনীতি হলো কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্রের গৃহীত সেসব নীতি যা রাষ্ট্র তার রাষ্ট্রীয় স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে যোগাযোগ রক্ষার ক্ষেত্রে সম্পাদন করে থাকে।
- অন্য রাষ্ট্রের মতো বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে রাষ্ট্রের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতাকে তুলে ধরে।
- ১৯৭১ সালে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা।
- স্বাধীনতা লাভের পরবর্তী সময়ে ভৌগোলিক অবস্থান, স্বল্প পরিসরের ভূখন্ড এবং সীমিত অর্থনৈতিক সম্পদ ইত্যাদি বিভিন্ন নিয়ামক বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণের সুযোগকে সীমাবদ্ধ করে দেয়।
- বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি মূলত বহিঃশক্তির প্রভাব থেকে  দেশের সাবভৌমত্ব ও ভূখন্ডকে রক্ষা করার মতো বিষয়েই সীমাবদ্ধ থেকে গেছে।
- পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কীয় সাংবিধনিক বিধান বাংলাদেশের সংবিধানের বিভিন্ন অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির নির্দেশনা রয়েছে।
- এই নির্দেশনাসমূহ বাংলাদেশ সংবিধানের ২৫ নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে।

• এগুলি হলো:
i) জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা,
ii) অপর রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা,
iii) আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং
iv) আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা। 
- এ সকল নীতিই হবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
.
২০২২ সালে কততম জনশুমারি ও গৃহগণনা কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়?
  1. ৫ম
  2. ৬ষ্ঠ
  3. ৭ম
  4. ৮ম
সঠিক উত্তর:
৬ষ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ষ্ঠ
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশে স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭৪ সালে প্রথম জনশুমারি ও গৃহগণনা করা হয়। 
- স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ছয়টি আদম শুমারি ও গৃহগণনা শুমারি পরিচালিত হয় যার সর্বশেষটি হয় ২০২২ সালে।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) কর্তৃক প্রথমবারের মতো ডিজিটাল পদ্ধতিতে ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর মূল তথ্যসংগ্রহ কার্যক্রম ১৫-২১ জুন ২০২২ সময়ে সম্পন্ন করা হয়।
- আকস্মিক বন্যাজনিত কারণে সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও নেত্রকোনা জেলার তথ্যসংগ্রহ কার্যক্রমের সময়সীমা ২৮ জুন ২০২২ পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়।
- শুমারিতে জিআইএস (Geographic Information System) বেইজড ডিজিটাল ম্যাপ ব্যবহার করে CAPI (Computer Assisted Personal Interviewing) পদ্ধতিতে ট্যাবলেট এর মাধ্যমে তথ্যসংগ্রহ করা হয়।
- এ শুমারিতে প্রথমবারের মতো একটি ওয়েবভিত্তিক Integrated Census Management System (ICMS) প্রবর্তন করা হয়েছে যা ব্যবহার করে সদর দপ্তরে স্থাপিত Network Operations Centre (NOC) এর ডিজিটাল ডিসপ্লের মাধ্যমে শুমারিকালীন সকল গণনা এলাকা, গ্রাম, ইউনিয়ন, উপজেলা পর্যায়ের গণনা কার্যক্রম তদারকি সম্ভব হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
.
নিচের কোনটি ভুট্টার জাত?
  1. শুভ্রা
  2. কানাইবাশি
  3. সোনালিকা
  4. ইরাটম
সঠিক উত্তর:
শুভ্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুভ্রা
ব্যাখ্যা
ভুট্টার জাত: 
- খৈ ভুট্টা
- বর্ণালি
- মোহর
- শুভ্রা: জাতটি রবি মৌসুমে ১৩৫-১৪৫ দিনে এবং খরিফ মৌসুমে ৯৫-১১০ দিনে পাকে। ফলন প্রতি হেক্টরে রবি মৌসুমে ৪.৫-৫.৫ টন এবং খরিফ মৌসুমে ৩.৫-৪.৫ টন।
- বারি হাইব্রিড ভুট্টা-১
- বারি হাইব্রিড ভুট্টা-২
- বারি হাইব্রিড ভুট্টা-৩
- বারি হাইব্রিড ভুট্টা-৪
- বারি হাইব্রিড ভুট্টা-৫
- বারি হাইব্রিড ভুট্টা-৬

উৎস: কৃষি বাতায়ন। 
.
ইপিজেডগুলিতে বিদেশী বিনিয়োগ প্রচার, আকর্ষণ এবং সহজতর করার জন্য সরকারী সংস্থা কোনটি?
  1. BEPZA
  2. BEZA
  3. BSEZ
  4. BJRI
সঠিক উত্তর:
BEPZA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BEPZA
ব্যাখ্যা
BEPZA: 
- বেপজা হল ইপিজেডগুলিতে বিদেশী বিনিয়োগ প্রচার, আকর্ষণ এবং সহজতর করার জন্য সরকারের সরকারী সংস্থা।
- বাংলাদেশ সরকার দ্রুত শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে ‘ওপেন ডোর পলিসি’ গ্রহণ করেছে, যার মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করা হয়।
- BEPZA বিদেশি বিনিয়োগের মাধ্যমে শিল্পায়নকে ত্বরান্বিত করে দেশকে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে কাজ করে যাচ্ছে।

BEPZA-এর ভূমিকা ও কার্যক্রম: 
- বাংলাদেশের রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (EPZs) এ বিদেশি বিনিয়োগ প্রচার, আকর্ষণ ও সহায়তা প্রদান।
- শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর সামাজিক ও পরিবেশগত মান, নিরাপত্তা এবং কর্মক্ষেত্রের সুরক্ষা পর্যবেক্ষণ।
- EPZ-এ শ্রম-ব্যবস্থাপনা ও শিল্প সম্পর্ক সমন্বয়ে সহায়তা করা।
- সহজ বিনিয়োগ পরিবেশ নিশ্চিত করা, যা জটিল প্রশাসনিক প্রক্রিয়াগুলো এড়িয়ে বিনিয়োগকারীদের অনুকূল পরিবেশ প্রদান করে।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি কে ছিলেন?
  1. বিচারপতি আব্দুস সাত্তার
  2. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম
  3. কামালউদ্দিন হোসেন
  4. সৈয়দ রেফাত আহমেদ
সঠিক উত্তর:
আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম
ব্যাখ্যা
বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম: 
- বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম (১৯১৬-১৯৯৭) বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি।
- বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম। 
- ১৯৭০-৭১ সালে তিনি নির্বাচন কমিশনের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি তিনি বাংলাদেশ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি নিযুক্ত হন।
- ওই বছর ১৭ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট গঠিত হলে তিনি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- ১৯৭৫ সালের ৬ নভেম্বর বিচারপতি সায়েম বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
- রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের পরই তিনি সংসদ ও মন্ত্রী পরিষদ ভেঙে দিয়ে সারা দেশে সামরিক আইন জারী করেন এবং নিজেকে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক ঘোষণা করেন।
- ১৯৭৬ সালের ২৯ নভেম্বর তিনি প্রধান সামরিক আইন প্রশাসকের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেন এবং ১৯৭৭ সালের ২১ এপ্রিল তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব থেকে অবসর গ্রহণ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
প্রাচীন বাংলার কবি সন্ধ্যাকর নন্দী রচিত কাব্য থেকে কার জীবনকথা জানা যায়?
  1. দেবপাল
  2. ধর্মপাল
  3. রামপাল
  4. মহীপাল
সঠিক উত্তর:
রামপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রামপাল
ব্যাখ্যা
রামপাল: 
- বরেন্দ্র যখন কৈবর্তদের দখলে, তখন পাল বংশের শেষ প্রতাপশালী শাসক রাজা রামপাল (১০৮২-১১২৪ খ্রিষ্টাব্দ) পাল সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- প্রাচীন বাংলার কবি সন্ধ্যাকর নন্দী রচিত 'রামচরিত' কাব্য থেকে রামপালের জীবনকথা জানা যায়।
- রামপাল রাজ্যভার গ্রহণ করেই বরেন্দ্র উদ্ধার করতে সচেষ্ট হন।
- রামপালকে সৈন্য, অস্ত্র আর অর্থ দিয়ে সাহায্যে এগিয়ে আসেন উচ্ছল, ঢেক্করি, মগধ, রাঢ় দেশসহ চৌদ্দটি রাজ্যের রাজা।
- যুদ্ধে কৈবর্ত্যরা পরাজিত হলে রামপাল বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মালদহের কাছাকাছি 'রামাবতী' নামে নতুন রাজধানী স্থাপন করেন।
- পরবর্তী পাল রাজাদের শাসনকালে রামাবতীই সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল।
- পিতৃভূমি বরেন্দ্রে কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার পর তিনি মগধ, উড়িষ্যা ও কামরূপের ওপর দখলদারিত্ব প্রতিষ্ঠা করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
.
পর্তুগিজদের মধ্যে কোন দুঃসাহসী নাবিক প্রথম সমুদ্রপথে ভারতের কালিকট বন্দরে এসে উপস্থিত হন?
  1. কাউন্ট লালী
  2. আলবুকার্ক
  3. ভাস্কো-ডা-গামা
  4. ফ্রান্সিসকো ডি আলমেদা
সঠিক উত্তর:
ভাস্কো-ডা-গামা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাস্কো-ডা-গামা
ব্যাখ্যা
ইউরোপীয়দের আগমন: 
- ১৪৫৩ সালে কনস্টান্টিনোপল তুর্কিরা দখল করে নেয়।
- ফলে ভারতীয় উপমহাদেশের সাথে জলপথে ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যায়।
- সুতরাং প্রাচ্যের সাথে পাশ্চাত্যের ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য ভিন্ন জলপথ আবিষ্কারের প্রয়োজন হয়ে পড়ে।
- মূলত এ কারণেই ইউরোপীয় শক্তিগুলো সমুদ্রপথে উপমহাদেশে আসার অভিযান শুরু করে।
- পর্তুগিজদের মধ্যে যে দুঃসাহসী নাবিক প্রথম সমুদ্রপথে এদেশে আসেন, তাঁর নাম ভাস্কো-ডা-গামা।
- তিনি ১৪৯৮ সালের ২৭শে মে ভারতের পশ্চিম-উপকূলের কালিকট বন্দরে এসে উপস্থিত হন।
- উপমহাদেশে তাঁর এ আগমন ব্যবসা-বাণিজ্য এবং যোগাযোগ ক্ষেত্রে এক নতুন যুগের সূচনা করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
.
কার নেতৃত্বে তমদ্দুন মজলিস গড়ে ওঠে?
  1. আবদুল হক
  2. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  3. ড. মুহাম্মদ এনামুল হক
  4. আবুল কাশেম
সঠিক উত্তর:
আবুল কাশেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুল কাশেম
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রভাষা ও তমদ্দুন মজলিস: 
- ১৯৪৭ সালের ১৭ই মে চৌধুরী খলীকুজ্জামান এবং জুলাই মাসে আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. জিয়াউদ্দিন আহমদ উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব দেন।
- তাদের প্রস্তাবের বিরুদ্ধে আবদুল হক, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, আবুল মনসুর আহমদ এবং ড. মুহাম্মদ এনামুল হকসহ বেশ কজন বুদ্ধিজীবী প্রবন্ধ লিখে প্রতিবাদ জানান।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে ২রা সেপ্টেম্বর ১৯৪৭ তমদ্দুন মজলিস নামক একটি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে।
- ৬-৭ই সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত উক্ত সংগঠনের যুবকর্মী সম্মেলনে 'বাংলাকে শিক্ষা ও আইন আদালতের বাহন' করার প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১০.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
  1. নিকোলাই পদগোর্নি
  2. লিওনিদ ব্রেজনেভ
  3. ইউরি আন্দ্রোপভ
  4. মিখাইল গর্বাচেভ
সঠিক উত্তর:
নিকোলাই পদগোর্নি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিকোলাই পদগোর্নি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে সোভিয়েত ইউনিয়নের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ছিলেন নিকোলাই পদগোর্নি। 

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ও বিশ্ব পরাশক্তিগুলোর ভূমিকা: 
- যুক্তরাষ্ট্র: পাকিস্তানকে কূটনৈতিকভাবে সমর্থন করেছিল।
- চীন: পাকিস্তানের প্রতি নৈতিক সমর্থন দিলেও সামরিক হস্তক্ষেপ করেনি।
- ভারত: সামরিক, কূটনৈতিক ও মানবিক সহায়তা প্রদান করে।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন (রাশিয়া): ভারতের পাশে দাঁড়িয়ে কূটনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সহায়তা দিয়েছিল।
- ২৫ মার্চ ১৯৭১: পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার পর সোভিয়েত ইউনিয়ন উদ্বেগ প্রকাশ করে।
- ২ এপ্রিল ১৯৭১: সোভিয়েত প্রেসিডেন্ট পদগোর্নি ইয়াহিয়া খানকে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পরামর্শ দেন।
- জুলাই ১৯৭১: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জারের গোপন চীন সফর, যা ভারতকে উদ্বিগ্ন করে তোলে।
- ৯ আগস্ট ১৯৭১: ভারত-সোভিয়েত মৈত্রী চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা ভারতকে কূটনৈতিক ও সামরিক নিরাপত্তা প্রদান করে।
- ডিসেম্বর ১৯৭১: ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ শুরু হলে, সোভিয়েত ইউনিয়ন কূটনৈতিকভাবে ভারতের পক্ষে শক্ত অবস্থান নেয়।
- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১: বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে, যেখানে ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়নের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
- সোভিয়েত কূটনৈতিক শক্তি এবং ভারতীয় সামরিক সহায়তার ফলে পাকিস্তান পরাজিত হয়।

উৎস:  বিবিসি বাংলা (১৩ মার্চ ২০২২)
১১.
বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার শপথ গ্রহণ করে কবে?
  1. ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল
  2. ১৯৭১ সালের ৭ই এপ্রিল
  3. ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল
  4. ১৯৭১ সালের ১১ই এপ্রিল
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সূচনা এবং মুজিবনগর সরকারের কার্যক্রম: 
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে মুজিবনগর সরকার গঠন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে শপথ গ্রহণের মাধ্যমে এ সরকারের কার্যক্রম শুরু হয়।
- মুক্তিযুদ্ধকে সঠিকভাবে পরিচালনা, নির্দেশনা সুসংহত করা এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশ্বজনমত গঠনের লক্ষ্যে ১৯৭০-এর সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচিত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের প্রতিনিধিদের নিয়ে ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল 'মুজিবনগর সরকার' গঠন করা হয়।
- এটি ছিল প্রথম বাংলাদেশ সরকার।
- ঐ দিনই আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হয় 'বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা আদেশ'।
- মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল।
- শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১২.
অবিভক্ত বাংলার প্রথম প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. এ. কে ফজলুল হক
  3. মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
  4. মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ
সঠিক উত্তর:
এ. কে ফজলুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ. কে ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
এ. কে ফজলুল হক: 
- অবিভক্ত বাংলার জাতীয় নেতা আবুল কাশেম ফজলুল হক তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা এবং দূরদর্শিতার জন্য ছিলেন সুপরিচিতি।
- তিনি ছিলেন অবিভক্ত বাংলার প্রথম প্রধানমন্ত্রী।
- সর্বভারতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন ফজলুল হক।
- তাঁর আপোষহীন ন্যায়নীতি ও অসামান্য বাকপটুতার কারণে রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের কাছে তিনি বেশি পরিচিত ছিলেন শেরে বাংলা (বাংলার বাঘ) নামে।
- ১৯৩৫ সালে কলকাতা কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন তিনি। তিনিই ছিলেন এ পদে অধিষ্ঠিত প্রথম বাঙালি মুসলমান।
- অবিভক্ত বাংলা প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন পাবার পর ১৯৩৭ সালে সেখানে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- ওই নির্বাচনে বঙ্গীয় প্রাদেশিক পরিষদে তাঁর দল কৃষক-প্রজা পার্টি তৃতীয় বৃহত্তম দল হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে।
- বঙ্গীয় প্রাদেশিক মুসলিম লীগ এবং নির্দলীয় সদস্যদের সঙ্গে জোট গঠন করেন মি. হক এবং এ. কে ফজলুল হক হন অবিভক্ত বাংলার প্রথম নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী।

উৎস: বিবিসি বাংলা (১৪ মার্চ ২০২০)
১৩.
পানাম নগরের অবস্থান কোথায়?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. নারায়নগঞ্জ
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
নারায়নগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারায়নগঞ্জ
ব্যাখ্যা
পানাম নগর: 
- পানাম নগরের অবস্থান নারায়নগঞ্জ এর সোনারগাঁয়ে। 
- পানাম বাংলাদেশের চারশত বছর প্রাচীন বাংলাদেশের নগর ভিত্তিক একটি প্রাচীন নগরীর মডেল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
- ‘‘পাইনাম’’ ফার্সি শব্দ। পাইনাম থেকে পানাম। অর্থ আশ্রয়।
- ধারনা করা যেতে পারে ঐতিহাসিক ‘‘সড়কে-ই-আযম’’ গ্রান্ড ট্রাংঙ্ক রোডের সমাপ্তি এ পানাম নগরেই হয়েছিল।
- সে সুবাদে পানাম নগরী ‘‘সরকার-ই-সোনারগাঁওয়ের’’ পরগনার হেড কোয়ার্টার হিসেবে ও বিবেচিত।
- পানামের প্রাচীনত্ব বহন করে ট্রেজারার হাউস, সেতু, কোস্পানীর কুঠি এবং প্রাচীন বনেদি ইমারত সমূহ।
- সোনারগাঁয়ের নান্দনিক চারু ও কারু শিল্পের জন্যে বিখ্যাত মসলিনের আড়ং ছিল পানাম নগর।
- পানাম নগরের বিভাশিত বর্নাঢ্য-ইমারত সমূহ স্বাক্ষ্য দেয় একসময় সোনারগাঁয়ের অভিজাত নাগরিকদের বসবাসের কেন্দ্র ছিল।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
১৪.
একুশে পদক- ২০২৫ পাচ্ছেন কতজন ব্যক্তি?
  1. ১০ জন
  2. ১২ জন
  3. ১৪ জন
  4. ২১ জন
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
- ৯ তারিখ সন্ধ্যার পর "একুশে পদক ২০২৫" এর পুরস্কার প্রাপ্তির তালিকায় পরিবর্তন এসেছে। প্রশ্নের অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।  একুশে পদক- ২০২৫ পাচ্ছেন দেশের বিশিষ্ট ১৭ ব্যক্তিত্ব ও ১ প্রতিষ্ঠান।
 

একুশে পদক ২০২৫: 

- একুশে পদক- ২০২৫ পাচ্ছেন দেশের বিশিষ্ট ১৭ ব্যক্তিত্ব ও ১ প্রতিষ্ঠান। 
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের ১৪ নাগরিককে একুশে পদক ২০২৫ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
- এ বছর ক্রীড়ায় একুশে পদক পাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল।
- এছাড়া, গবেষণায় মঈদুল হাসান (মূলধারা ৭১ এর রচয়িতা),
- ভাষা ও সাহিত্যে শহীদুল জহির (মো. শহীদুল হক) (মরণোত্তর) ও হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর),
- সংস্কৃতি ও শিক্ষায় ড. শহীদুল আলম (ফটোগ্রাফার, মানবাধিকার কর্মী এবং দৃকের প্রতিষ্ঠাতা),
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে মেহেদী হাসান খান (অভ্র'র জনক) ও রিফাত নবী, তানবিন ইসলাম সিয়াম ও শাবাব মুস্তাফা,
- সাংবাদিকতায় মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর), 
- সাংবাদিকতা ও মানবাধিকারে মাহমুদুর রহমান,
- শিল্পকলার চলচ্চিত্রে আজিজুর রহমান (মরণোত্তর) (ছুটির ঘণ্টা এবং আরও অনেক ছবির পরিচালক),
- সংগীতে উস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া (মরণোত্তর) ও ফেরদৌস আরা,
- আলোকচিত্রে নাসির আলী মামুন, 
- চিত্রকলায় রোকেয়া সুলতানা,
- শিক্ষায় ড. নিয়াজ জামান এবং
- সমাজসেবায় মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী (মরণোত্তর)।

উৎস: The Daily Star বাংলা  ও প্রথম আলো [লিঙ্ক]
১৫.
মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অংশগ্রহণ ও অসামান্য অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার উইলিয়াম এ এস ওডারল্যান্ডকে কোন সম্মাননায় ভূষিত করে?
  1. বীরশ্রেষ্ঠ
  2. বীরউত্তম
  3. বীরবিক্রম
  4. বীরপ্রতীক
সঠিক উত্তর:
বীরপ্রতীক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বীরপ্রতীক
ব্যাখ্যা
উইলিয়াম এ এস ওডারল্যান্ড:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক উইলিয়াম আব্রাহাম সাইমন ওডারল্যান্ড বাংলাদেশে ছিলেন।
- তিনি বাটা সু কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন।
- মেজর হায়দারের দেওয়া এক সনদপত্রে উল্লেখ পাওয়া যায়, ওডারল্যান্ড মুক্তিযুদ্ধে যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ, পরামর্শ, নগদ অর্থ, চিকিৎসা সামগ্রী, গরম কাপড় ও অস্ত্র দিয়ে সাহায্য করেছেন।
- মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অংশগ্রহণ ও অসামান্য অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার উইলিয়াম এ এস ওডারল্যান্ডকে 'বীরপ্রতীক' সম্মাননায় ভূষিত করে
- উইলিয়াম এ এস ওডারল্যান্ডই একমাত্র বিদেশি যিনি এ স্বীকৃতি পেয়েছিলেন।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরপ্রতীক পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকায় তার নাম ২ নম্বর সেক্টরের যোদ্ধাদের তালিকায় ৩১৭ নম্বর।
- ১৯৯৮ সালের ৭ মার্চ খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে ওডারল্যান্ডকে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
- কিন্তু অসুস্থ থাকায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পারেননি তিনি।
- বীরপ্রতীক পদকের সম্মানীর টাকা তিনি দান করে গেছেন মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টে।

উৎস: The Daily Star বাংলা (ডিসেম্বর ২০, ২০২২)
১৬.
কুমিল্লার ময়নামতিতে সন্ধান পাওয়া প্রাচীন নিদর্শন কোনটি?
  1. নালন্দা বিহার
  2. সোমপুর বিহার
  3. শালবন বিহার
  4. জগদল বিহার
সঠিক উত্তর:
শালবন বিহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শালবন বিহার
ব্যাখ্যা
সমতট:
- পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় বঙ্গের পাশাপাশি সমতটের অবস্থান।
- সমতটের রাজধানী বড় কামতা এবং দেবপর্বত কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ে অবস্থিত।
- গঙ্গা-ভাগীরথীর পূর্ব তীর থেকে শুরু করে মেঘনার মোহনা পর্যন্ত সমুদ্রকূলবর্তী এলাকা এবং বর্তমান ভারতের ত্রিপুরার প্রাচীন অংশই সমতট।
- কুমিল্লার ময়নামতিতে কয়েকটি প্রাচীন নিদর্শনের সন্ধান পাওয়া গেছে।
- শালবন বিহার এদের অন্যতম।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
১৭.
ঢাকা সিটি করপোরেশনের প্রথম মেয়র (মনোনীত) হিসেবে দায়িত্ব পান কে?
  1. আবুল হাসনাত
  2. মোহাম্মদ হানিফ
  3. অলিউল ইসলাম
  4. সাদেক হোসেন খোকা
সঠিক উত্তর:
আবুল হাসনাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুল হাসনাত
ব্যাখ্যা
- ১৯৯০ সালে ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের নাম পরিবর্তন করে ঢাকা সিটি করপোরেশন নামকরণ করা হয়।
- ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত সিটি করপোরেশনের প্রথম মেয়র (মনোনীত) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। 
- ঢাকা সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯৪ সালে এবং ভোটারদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন মোহাম্মদ হানিফ।
- অবিভক্ত ঢাকা সিটিতে ভোটারদের প্রত্যক্ষ ভোটে দ্বিতীয় মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হন সাদেক হোসেন খোকা।
- ২০১২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন যাত্রা শুরু করে।
- বিভক্ত দুই সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল।
- এই ভোটে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন জনাব মোহাম্মদ সাঈদ খোকন।

উৎস: ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।