পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন২৫
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৬: রিভিশন পরীক্ষা - ২ Topic: The Specific Relief Act, 1878 & The Limitation Act, 1908 (পরীক্ষা ১০, ১২, ১৪) + General part (পরীক্ষা ১১, ১৩, ১৫)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৫ প্রশ্ন

.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারা অনুযায়ী ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়েরের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৩ বছর
  2. ১ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারার মোকদ্দমাকে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা বলা হয়।
- শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের তফসিলে উল্লেখ করা হয়নি।
- তাই শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হবে।

- তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-
ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ হবে ৬ বছর।
.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৩ ধারা অনুযায়ী কখন চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual Injunction) দেয়া যায়?
  1. মোকদ্দমার শুরুতে
  2. যে কোন সময়ে
  3. ডিক্রির মাধ্যমে
  4. আদেশের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৩ ধারার মতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোন পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।
 
- চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবলমাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
--------------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section-53:
- Temporary injunctions: Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.

- Perpetual injunctions: A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit, the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.
.
নিচের কোন ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৬ ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে না?
  1. আপিল
  2. দরখাস্ত দাখিল
  3. ডিক্রি জারি
  4. মোকদ্দমা দায়ের
ব্যাখ্যা
⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা বিধান হল বৈধ অপারগতা-
(১) যেক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করার কিংবা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হতে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে, সেই সময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হবার পর, অপারগতা না থাকলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় কলামে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে যা করতে পারতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারবে।

(২) যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হবার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হবার পর, অপারগতা না থাকলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে তা করতে পারতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারবে।

(৩) যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে তা করা যেতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করতে পারবে।

(৪) যেক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।

অর্থাৎ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা শুধু মোকদ্দমা, কার্যক্রম, দরখাস্ত দাখিল কিংবা ডিক্রি জারির আবেদনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। আপিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
.
In which section of the Specific Relief Act is the provision for "The effect of dismissing a Suit for Specific Performance" found?
  1. 27
  2. 28
  3. 29
  4. 30
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৯ ধারার সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ করার ফলাফল বা 'The effect of dismissing a Suit for Specific Performance' এর বিধান আছে। 

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ২৯ অনুসারে, একটি চুক্তি অথবা তার অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে তা তেমন চুক্তি বা তার অংশবিশেষ ভঙ্গ করার দায়ে ক্ষতিপূরণের জন্য বাদী কর্তৃক মামলা দায়ের করার অধিকারে প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করবে।
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section-29. Bar of suit for breach after dismissal:
-The dismissal of a suit for specific performance of a contract or part thereof shall bar the plaintiff's right to sue for compensation for the breach of such contract or part, as the case may be.
.
তামাদি আইনের কত অনুচ্ছেদের হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক আদি এখতিয়ার প্রয়োগে প্রচারিত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিলের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ আছে?
  1. ১৫০
  2. ১৫১
  3. ১৫৩
  4. ১৫৫
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১৫১ অনুচ্ছেদের বিধান: হাইকোর্ট কর্তৃক মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের তামাদি মেয়াদ ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের দিন থেকে ২০ দিন।

-অর্থাৎ তামাদি আইনের ১ম তফসিলের ১৫১ অনুচ্ছেদের হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক আদি এখতিয়ার প্রয়োগে প্রচারিত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিলের তামাদির মেয়াদ ২০ দিন উল্লেখ আছে।

-তামাদি আইনের ১৫১ অনুচ্ছেদ অনুসারে, হাইকোর্ট বিভাগের মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগ করে প্রদত্ত কোনো ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার নির্ধারিত সময়সীমা হলো ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ২০ দিন।

-অর্থাৎ, হাইকোর্ট বিভাগের আদি এখতিয়ার প্রয়োগে কোনো মামলার ক্ষেত্রে যে চূড়ান্ত রায় বা আদেশ দেওয়া হয়, সেই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে হলে আবেদনকারীকে সেই রায় বা আদেশের তারিখ থেকে ২০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। ২০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার কারণে আবেদনটি গ্রহণযোগ্য হবে না বা তামাদি হয়ে যাবে।

.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় দলিল সংশোধনের মূলনীতির বিধান আছে?
  1. ৩১
  2. ৩২
  3. ৩৩
  4. ৩৪
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারায় দলিল সংশোধনের মূলনীতি সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- এ ধারা অনুযায়ী দলিল সংশোধনের সময় আদালত নিম্নের বিষয় অনুসন্ধান করতে পারেন:
- দলিলের উদ্দেশ্য কী ছিল এবং দলিলের ফলাফল কী।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারার বিধান: সংশোধনের মূলনীতিসমূহ:
- লিখিত দলিল সংশোধন করার সময় আদালত অনুসন্ধান করতে পারেন, কি অর্থ বহন করা দলিলের অভিপ্রেত ছিল এবং চুক্তির বৈধ ফলাফল সম্পর্কে অভিপ্রায় কি ছিল, কেবল মাত্র সে ব্যাপারেই অনুসন্ধান সীমিত থাকবে না।
------------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section-33: Principles of rectification:
-In rectifying a written instrument, the Court may inquire what the instrument was intended to mean, and what were intended to be its legal consequences, and is not confined to the inquiry what the language of the instrument was intended to be.
.
'ক', 'খ'-এর সাথে চুক্তিবদ্ধ হয় যে, 'খ' কর্তৃক ১,০০০/- টাকা প্রদানের বিনিময়ে সে 'খ'-এর জন্য একটি ছবি আঁকবে; উক্ত চুক্তিটি-
  1. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে
  2. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
  3. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করতে বাধ্য করা যাবে
  4. আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা প্রতিকার মঞ্জুর করা যাবে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ২১ ধারা মতে আটটি ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে আদেশ দিবে না।
যথা- 
১। চুক্তি কার্যকর না করা হলে অর্থ দ্বারা ক্ষতিপূরণ সম্ভব। 
২। যে-সব চুক্তির শর্ত অস্পষ্ট, জটিল বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল; যার ফলে চুক্তির শর্ত সমূহ নির্ণয় করা সম্ভব না এবং শর্ত সমূহ সুনির্দিষ্ট ভাবে  সম্পাদন করা যায় না। 
৩। যে চুক্তি তার প্রকৃতির কারণে বাতিলযোগ্য। 
৪। ট্রাস্টিগণ কর্তৃক সম্পাদিত চুক্তি যা তাদের ক্ষমতা বহির্ভূত। 
৫। বিশেষ উদ্দেশ্যে গঠিত কোনো কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানির চুক্তি যা তাদের ক্ষমতার অতিরিক্ত। 
৬। যে চুক্তির শর্ত আদালত যুক্তিসংগত ভাবে নির্ণয় করতে পারেনা। 
৭। যে চুক্তি সম্পাদন করতে গেলে শুরুর তারিখ হতে তিন বছরেরও বেশি সময় কাজ করতে হয়। 
৮। যে চুক্তির বিষয়বস্তু স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বেই বিলুপ্ত হয়েছে। 
 
উল্লিখিত প্রশ্নে 'ক', 'খ'-কে বিয়ে করার চুক্তিতে আবদ্ধ হয়; উক্ত চুক্তিটি-সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না। কারণ ২১ ধারায় বলা আছে কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে; তা আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে আদেশ দিবে না।
 
-যেহেতু  চুক্তিটি ব্যক্তিগত যোগ্যতার উপর নির্ভরশীল তাই সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না। 
-------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section-21. Contracts not specifically enforceable:
The following contracts cannot be specifically enforced:–
(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief;
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms;
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty;
(d) a contract which is in its nature revocable;
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust;
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers;
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date;
(h) a contract of which a material part of the subject- matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist.
 
And, save as provided by the Arbitration Act, 1940, no contract to refer present or future differences to arbitration shall be specifically enforced; but if any person who has made such a contract other than an arbitration agreement to which the provisions of the said Act apply and has refused to perform it sues in respect of any subject which he has contracted to refer, the existence of such contract shall bar the suit.
.
তামাদি আইন অনুযায়ী স্বল্প এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত প্রদত্ত রায় পুনঃনিরীক্ষণের জন্য দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ-
  1. ১৫ দিন
  2. ২০ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের  ১৬১ অনুচ্ছেদের বিধান: [Court of Small Causes] স্বল্প এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতের রায় অথবা স্বল্প এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত হিসাবে বিচার ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন আদালত কর্তৃক অনুরূপ এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত রায় পুনঃনিরীক্ষণের [Review] জন্য দরখাস্ত দাখিলের তামাদি মেয়াদ ডিক্রি বা আদেশের প্রদানের তারিখ হতে ১৫ দিন।

অর্থাৎ, যদি কেউ স্বল্প এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত বা Small Causes Court এর রায় বা আদেশের পুনঃবিবেচনা (Review) চায়, তাহলে তাকে ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে।
.
তামাদি আইনের কোন ধারায় দলিলে বর্ণিত সময়ের হিসাব করার বিধান বর্ণিত আছে?
  1. ২১
  2. ২৫
  3. ২৭
  4. ২২
ব্যাখ্যা
⇒ দলিলে উল্লিখিত সময়ের গণনা (Computation of Time mentioned in instruments )- তামাদি আইনের ২৫ ধারায় দলিলে উল্লিখিত সময় গণনার বিধান রয়েছে। তামাদি আইনের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে যাবতীয় দলিল গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জি (Gregorian calendar) অনুসারে প্রণীত বলে বিবেচিত হবে।
-----------------
-The Limitation Act, 1908, Section-25. Computation of time mentioned in instruments:
-All instruments shall, for the purposes of this Act, be deemed to be made with reference to the Gregorian calendar.
১০.
What is the provision of Section 36 of the Specific Relief Act,1877?
  1. Effect of declaration
  2. Rescission for mistake
  3. When rescission may be adjudged
  4. Principles of rectification
ব্যাখ্যা
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section-36. Rescission for mistake:
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake, unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.
----------------------------
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারার বিধান: ভুলের জন্য রদ:
-কেবলমাত্র ভুলের জন্য বিচারপূর্বক লিখিত চুক্তি রদ করা যায় না, যদি না যে পক্ষের বিরুদ্ধে রায় প্রদান করা হচ্ছে সে পক্ষকে উল্লেখযোগ্যভাবে একই মর্যাদায় পুনরুদ্ধার করা যায়, যেন কখনও চুক্তিই করা হয় নাই।
১১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারা অনুযায়ী আদালত Solatium মঞ্জুর করতে পারেন?
  1. ২০ ধারা
  2. ২১ ধারা
  3. ২২ ধারা
  4. ২১ক ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ২২ অনুযায়ী, চুক্তি বলবৎকরণের মোকদ্দমায় যদি বিবাদী দেখাতে পারে যে, বিবাদির প্রতি বাদীর অন্যায় সুবিধা আছে এবং যেক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণ বিবাদির প্রতি কষ্ট বা কঠোরতা hardship সৃষ্টি করবে কিন্তু চুক্তি বলবৎ না করলে বাদীকে এমন ধরনের কোন কঠোরতায় জড়াবে না,
সেই ক্ষেত্রে আদালত চুক্তি বলবৎকরণের ডিক্রি না দিতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে এবং চুক্তি বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে বিবাদীকে ক্ষতিপূরণ (solatium) মঞ্জুর করতে পারে।

অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২২ ধারার অনুযায়ী আদালত Solatium মঞ্জুর করতে পারেন।
--------------------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section-22: Discretion as to decreeing specific performance:
-The jurisdiction to decree specific performance is discretionary, and the Court is not bound to grant such relief merely because it is lawful to do so; but the discretion of the Court is not arbitrary but sound and reasonable, guided by judicial principles and capable of correction by a Court of appeal.
 
The following are cases in which the Court may properly exercise a discretion not to decree specific performance:-
I. Where the circumstances under which the contract is made are such as to give the plaintiff an unfair advantage over the defendant, though there may be no fraud or misrepresen-tation on the plaintiff's part.
II. Where the performance of the contract would involve some hardship on the defendant which he did not foresee, whereas its non-performance would involve no such hardship on the plaintiff.
III. Where the plaintiff has done substantial acts or suffered losses in consequence of a contract capable of specific performance.
১২.
তামাদি আইনে সুনির্দিষ্টভাবে কোন কার্যক্রমের জন্য তামাদির নির্দিষ্ট মেয়াদ উল্লেখ নেই?
  1. দরখাস্ত
  2. আপিল
  3. রিভিউ
  4. রিভিশন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের কোথাও রিভিশনের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ নেই।

- তফসিলে মোকদ্দমা, আপিল এবং আবেদন দায়েরের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে। তফসিলে মোট ১৮৩টি অনুচ্ছেদ বলবৎ আছে। তফসিলের ৩টি বিভাগে ৩ ধরনের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে-
১. মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits]- অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯।
২. আপিল, রিভিউ দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]- অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭।
৩. বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]- অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩।

⇒ সাধারণত আদালতে, আপিলের তামাদি মেয়াদকেই রিভিশনের তামাদি হিসেবে গণ্য করা হয়।
- হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন দায়ের করতে হবে- ৯০ দিনের মধ্যে।
- জেলা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করতে হবে- ৩০ দিনের মধ্যে।
১৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুযায়ী কোন ধরনের মোকদ্দমায় আদালত তার ডিক্রির কপি নিবন্ধন কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন?
  1. দলিল বাতিলের
  2. চুক্তি বাতিলের
  3. দলিল সংশোধনের
  4. চুক্তি সংশোধনের
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-৩৯ ধারার বিধান: যখন বাতিলের আদেশ প্রদানযোগ্য:
-যেকোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত চুক্তি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য, যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা রয়েছে যে, তেমন দলিল নিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দিলে তা তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হবে, তবে সে তা বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তেমন রায় প্রদান করতে এবং চুক্তি বিলুপ্তি হিসাবে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।

-যদি দলিল নিবন্ধন আইন অনুসারে নিবন্ধিকৃত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি কপি সে কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন, যার কার্যালয়ে উক্ত দলিল নিবন্ধন করা হয়েছে এবং তেমন কর্মকর্তা তার বইতে দলিলের নকলে তার বিলুপ্তির বিষয়াবলী লিপিবদ্ধ করবেন।

-অর্থাৎ দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় আদালত তার ডিক্রির কপি নিবন্ধন কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন।
-----------------
⇒The Specific Relief Act, 1877-Section-39: When cancellation may be ordered:
-Any person against whom a written instrument is void or voidable, who has reasonable apprehension that such instrument, if left outstanding, may cause him serious injury, may sue to have it adjudged void or viodable; and the Court may, in its discretion, so adjudge it and order it to be delivered up and cancelled.
If the instrument has been registered under the Registration Act, 1908, the Court shall also send a copy of its decree to the officer in whose office the instrument has been so registered; and such officer shall note on the copy of the instrument contained in his books the fact of its cancellation.
১৪.
Just stay out of his way as much as possible, and don't engage _____ him.
  1. at
  2. in
  3. with
  4. no preposition
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে to বসবে।
----------------
• Engage এর বাংলা অর্থ:
- নিয়োগ করা,
- শপথ বা চুক্তিদ্বারা আবদ্ধ হওয়া।

• Engage with:

English Sentence: Just stay out of his way as much as possible, and don't engage with him.
বাংলা অর্থ: যতটা সম্ভব তার পথ থেকে দূরে থাকুন, এবং তার সাথে জড়িত হবেন না।

Source:
- Accessible dictionary by Bangla Academy,
- Cambridge Dictionary.
১৫.
There were _______ of people at the pool today.
  1. hundred
  2. hundreds
  3. a hundreds
  4. hundredth
ব্যাখ্যা
বাক্যটি হলো:
"There were _______ of people at the pool today."

এই বাক্যে সঠিক উত্তর "hundreds" হবে।
The complete sentence would be:
There were hundreds of people at the pool today. (আজ পুকুরে শত শত লোক ছিল।)

কারণ,
ইংরেজিতে "hundreds of" বলতে বোঝানো হয় "অনেক শত" বা "অসংখ্য," যা কোনো আনুমানিক সংখ্যার ধারণা দেয়।

অন্য অপশন, 

• "hundred" ব্যবহারের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যা দরকার হয়, যেমন "a hundred" বা "one hundred"।
• "a hundreds" ব্যাকরণগতভাবে ভুল, কারণ "hundreds" এর আগে "a" ব্যবহার করা যায় না।
• "hundredth" একটি ক্রমিক সংখ্যা নির্দেশ করে, যা পজিশন বোঝায় (যেমন একশতম), কিন্তু এখানে আমরা অসংখ্য মানুষের সংখ্যা বোঝাতে চাচ্ছি।

তাই সঠিক উত্তর হবে, "hundreds", যা অসংখ্য মানুষকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
১৬.
Which of the following is a synonym for "forestall"?
  1. Inducement
  2. Thwart
  3. Encourage
  4. Promote
ব্যাখ্যা
Forestall:
(verb-transitive)
Synonyms:
Block (প্রতিবন্ধক), Prevent (নিবৃত্ত করা), Intercept (মাঝপথে পাকড়াও করা), Thwart (ব্যহত করা), Avert (নিবারণ করা)।

Antonyms:
Encourage (উৎসাহিত করা), Aid (সাহায্য/সহায়তা করা), Assist (সাহায্য/সহায়তা করা), Promote (প্রচার), Support (সমর্থন)।

English Meaning: To prevent something from happening by acting first.
Bangla Meaning: কোনো কাজ আগেই সম্পন্ন করে অন্য কাউকে তা করা থেকে বিরত রাখা; কোনোকিছু অপ্রত্যাশিতভাবে আগেভাগে সম্পন্ন করে কাউকে বিপর্যস্ত করা কিংবা পরিকল্পনা ইত্যাদি বানচাল করা; আগাম বানচাল বা পণ্ড করা: forestall a competitor.

Other Forms: Forestaller (noun); Forestallment (noun).

Example Sentence:
1. I put up a hand to forestall him and said, 'It's working quite well, thank you.'
2. His comments were meant to forestall criticism of his proposal.
১৭.
What does the word "gregarious" mean?
  1. Preferring to be alone
  2. Disliking interaction
  3. Liking to be with other people
  4. Being indifferent to others
ব্যাখ্যা

Gregarious:
- (adjective).
- English Meaning: Liking to be with other people.
- Bangla Meaning: দলবদ্ধভাবে বাস করে এমন; সঙ্গলিপ্স।

Synonyms:
Sociable (সঙ্গপ্রিয়; মিশুক), Companionable (সঙ্গী হওয়ার যোগ্য; মিশুক), Hospitable (অতিথিপরায়ণ; অতিথিবৎসল; অতিথিপ্রিয়), Friendly (বন্ধুবৎসল), Amicable (সৌহার্দ্যপূর্ণ)।

Antonyms:
Unsociable (অসামাজিক), Reserved (গুরুগম্ভীর; চাপা স্বভাবের), Unfriendly (বন্ধুত্বহীন), Introverted (অন্তর্মুখী), Introspective (চাপা স্বভাবের)।

Other Forms:
- Gregariously (adverb)
- Gregariousness (noun)

Example Sentence:
1. He is naturally gregarious, and the work obviously suits him.
2. He is a gregarious person who avoids solitude.

Source:
- Accessible dictionary by Bangla Academy,
- Cambridge Dictionary.
- Live MCQ lecture.

১৮.
Identify the correct spelling:
  1. Efflorascence
  2. Efflorescence
  3. Effloresence
  4. Efflorecence
ব্যাখ্যা
• The correct spelling is - Efflorescence.
-----------------
• Efflorescence:
Bangla Meaning - কুসুমের কাল; পুষ্পবিকাশ; ফুল-ফোটা।
English Meaning - Flowering, or state of flowering; the blooming of flowers; blowth.

Source:
- Accessible Dictionary by Bangla Academy.
১৯.
‘আয়েশা ও বিমলা‘ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত কোন উপন্যাসের চরিত্র?
  1. বিষবৃক্ষ
  2. দুর্গেশনন্দিনী
  3. মৃণালিনী
  4. যুগলাঙ্গুরীয়
ব্যাখ্যা
• দুর্গেশনন্দিনী:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম বাংলা উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী'।
- দুর্গেশনন্দিনী শব্দের অর্থ প্রধানের কন্যা।
- এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী'।
- উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৮৬৫ খ্রিষ্টাব্দে।
- এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র: তিলোত্তমা।

উপন্যাসের অন্যান্য উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো:
- বীরেন্দ্র সিংহ,
- ওসমান,
- জগৎসিংহ,
- তিলোত্তমা,
- আয়েশা,
- বিমলা প্রমুখ।

অন্যদিকে,
• ‘মৃণালিনী’ চরিত্র: হেমচন্দ্র, মৃনালিনী, পশুপতি, মনোরমা।
• ‘বিষবৃক্ষ’ চরিত্র: কুন্দনন্দিনী, নগেন্দ্রনাথ।

-------------------
• বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক, বাংলার নবজাগরণের অন্যতম প্রধান পুরুষ।
- ১৮৩৮ সালে চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম উপন্যাস 'রাজমোহনস ওয়াইফ'। উপন্যাসটি ইংরেজিতে লেখা।
- তাঁর রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী' প্রকাশিত হয় ১৮৬৫। এটি তাঁর রচিত প্রথম বাংলা উপন্যাসও।
- 'ললিতা তথা মানস' (১৮৫৬) কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। এটি তাঁর রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
- 'কপালকুণ্ডলা' তাঁর রচিত দ্বিতীয় বাংলা উপন্যাস (১৮৬৬)।
- আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরানী ও সীতারাম তাঁর ত্রয়ী উপন্যাস।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- কপালকুণ্ডলা,
- মৃণালিনী,
- বিষবৃক্ষ,
- ইন্দিরা,
- যুগলাঙ্গুরীয়,
- চন্দ্রশেখর,
- রাধারানী,
- রজনী,
- কৃষ্ণকান্তের উইল,
- রাজসিংহ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর।
২০.
‘শনিবারের চিঠি’ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন-
  1. অক্ষয়কুমার দত্ত
  2. দীনেশরঞ্জন দাশ
  3. রণেশ দাশগুপ্ত
  4. যোগানন্দ দাস
ব্যাখ্যা
• ‘শনিবারের চিঠি’ পত্রিকা:
- শনিবারের চিঠি  স্যাটায়ার ধর্মী সাহিত্যিক পত্রিকা। প্রথম দিকে এটি সাপ্তাহিক পরে মাসিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হয়।
- এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল হাস্য কৌতুকের মাধ্যমে সমসাময়িক সাহিত্য-চর্চাকে আক্রমণ করা।
- প্রথম প্রকাশিত হয় - ১৯২৪ সালে।
- পত্রিকাটি ১৯৩০ - ৪০ এর দশকে কলকাতা কেন্দ্রিক বাংলা সাহিত্যের জগতে বেশ আলোড়ন তুলেছিলো। এই পত্রিকার সঙ্গে কল্লোল গোষ্ঠীর দ্বন্দ ছিলো আক্রমণাত্মক; তবে তৎকালীন সাহিত্যকে বিশেষভাবে পত্রিকাটি অনুপ্রাণিত করেছিল।
- পত্রিকার প্রাণপুরুষ ছিলেন সজনীকান্ত দাস। তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত পত্রিকাটির প্রকাশনার সাথে জড়িত ছিলেন। এছাড়া তিনি দীর্ঘদিন পত্রিকাটি সম্পাদনা করেন।

- উল্লেখ্য, যোগানন্দ দাস ছিলেন একাধারে উক্ত পত্রিকার প্রথম সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর। এছাড়াও, নীরদ চন্দ্র চৌধুরীও এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।

- শনিবারের চিঠির প্রায় সব রচনা বেনামে প্রকাশিত হয়েছে।
- লেখকদের মধ্যে উলে­খযোগ্য ছিলেন,  অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, রামানন্দ চট্টপাধ্যায়,  সুনীতিকুমার চট্টপাধ্যায়, অশোক চট্টপাধ্যায়, সুবিমল রায়, মোহিতলাল মজুমদার, সজনীকান্ত দাস, যোগানন্দ দাস, নীরদচন্দ্র চৌধুরী প্রমুখ।

অন্যদিকে,
• ‘তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকা প্রকাশিত হয় ১৮৪৩ সালে। মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর পত্রিকাটির প্রতিষ্ঠিতা এবং অক্ষয়কুমার দত্ত ছিলেন এর সম্পাদক। 
• ‘ক্রান্তি’ পত্রিকার প্রথম সংখ্যার সম্পাদক ছিলেন রণেশ দাশগুপ্ত।
• 'কল্লোল' প্রথম সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও সাহিত্য বিষয়ক সাময়িকী।
২১.
রংপুর সাহিত্য পরিষদ থেকে ‘কবিশেখর’ উপাধি লাখ করেন কে?
  1. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
  2. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
  3. কালিদাস রায়
  4. সুকুমার সেন
ব্যাখ্যা
• কালিদাস রায়:
- কালিদাস রায় ছিলেন রবীন্দ্রানুসারী কবি ও সমালোচক।
- ১৮৮৯ সালের ২২ জুন পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার কড়ুই গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা যোগেন্দ্রনাথ রায় ছিলেন কাশিমবাজার রাজ এস্টেটের কর্মচারী। বৈষ্ণব কবি লোচনদাস ঠাকুর ছিলেন তাঁর পূর্বপুরুষ।

- কালিদাস ‘রসচক্র’ নামে একটি সাহিত্য সংসদ প্রতিষ্ঠা করেন এবং রবীন্দ্র-ভাবধারায় উজ্জীবিত হয়ে তিনি কাব্যচর্চা শুরু করেন। - রোমান্টিকতা, প্রেম, পল্লিজীবন, সমাজ, ঐতিহ্যপ্রীতি এবং বৈষ্ণবভাব তাঁর কবিতার প্রধান বিষয়।
- তাঁর মোট কাব্যগ্রন্থ ১৯টি; তন্মধ্যে কুন্দ (১৯০৭) তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্য।
- ‘বেতালভট্ট’ ছদ্মনামে রচিত তাঁর রম্যরচনাগুলি পাঠকসমাজে খুবই সমাদৃত হয়েছে।

তারঁ সাহিত্যকর্মসমূহ (কাব্যগ্রন্থ):
- পর্ণপুট,
- ঋতুমঙ্গল,
- রসকদম,
- হৈমন্তী,
- লাজাঞ্জলি,
- ব্রজবেণু,
- চিত্তচিতা,
- পূর্ণাহুতি ইত্যাদি।

• তিনি কালিদাসের শকুন্তলা, কুমারসম্ভব এবং মেঘদূতের অনুবাদ করেন। প্রাচীন বঙ্গ সাহিত্য পরিচয়, প্রাচীন বঙ্গ সাহিত্য, পদাবলী সাহিত্য, শরৎ-সাহিত্য ও সাহিত্য প্রসঙ্গ তাঁর সমালোচনা গ্রন্থ।

সাহিত্যকর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ কালিদাস বহু সম্মানে ভূষিত হয়েছেন-
- তিনি রংপুর সাহিত্য পরিষদের ‘কবিশেখর’ উপাধি (১৯২০),
- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘জগত্তারিণী স্বর্ণপদক’ (১৯৫৩) ও ‘সরোজিনী স্বর্ণপদক’,
- বিশ্বভারতীর ‘দেশিকোত্তম’ উপাধি,
- পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ (১৯৬৩) এবং
- রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানসূচক ডিলিট ডিগ্রি (১৯৭১) লাভ করেন। 

অন্যদিকে,
• ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ 'জ্ঞানতাপস' হিসেবে অধিক পরিচিত। তাঁকে 'চলিষ্ণু অভিধান' বলা হয়।

• সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ে বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় ৩৮০টিরও বেশি গ্রন্থ রচনা করেন। তাঁর বিখ্যাত রচনা হলো অরিজিন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অব দি বেঙ্গলি ল্যাংগুয়েজ, দি (ওডিবিএল, ১৯২৬)। এটি প্রকাশিত হওয়ার পরপরই তাঁর খ্যাতি দেশবিদেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং রবীন্দ্রনাথ তাঁকে ‘ভাষাচার্য’ উপাধিতে ভূষিত করেন। 

• সুকুমার সেন রবীন্দ্রচর্চা কেন্দ্র থেকে পান 'রবীন্দ্র তত্ত্বাচার্য' উপাধি। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২২.
"তোরা কোথায় গেলি? সব ঘুমিয়ে নাকি? উঠে আয়।“ আহ্বানটি মুনীর চৌধুরী রচিত কোন নাটকের?
  1. রক্তাক্ত প্রান্তর
  2. দণ্ডকারণ্য
  3. কেউ কিছু বলতে পারে না
  4. কবর
ব্যাখ্যা
• ‘কবর’ নাটক:
- ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে মুনীর চৌধুরী রচিত নাটক 'কবর'।
- নাটকটি লেখক জেলে থাকা অবস্থায় রচনা করেন এবং ১৯৫৩ সালে জেলের রাজবন্দিদের দ্বারা নাটকটি প্রথম অভিনীত হয়।
- নাটকটি ১৯৬৬ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।

• ‘কবর’ নাটকের কাহিনি সংক্ষেপ:
- মার্কিন নাট্যকার Irwin Shaw রচিত 'Bury The Dead' (১৯৩৬) নাটকের অনুসরণে এদেশীয় ঘটনা কেন্দ্র করে 'কবর' নাটক লেখা হয়েছে।
- 'কবর' নাটকে মিছিলে পুলিশ গুলিবর্ষণ করে শহরে কারফিউ দিয়ে লাশ গুম করতে গভীর রাতে কবরস্থানে নিয়ে যায়। পুলিশ ইন্সপেক্টর হাফিজ এবং নেতা (নাটকে তার নাম নেই) যৌথভাবে এ দায়িত্ব নেয়। কিন্তু লাশগুলো ছিন্নভিন্ন দেখে তারা ধর্মীয় প্রথা অনুসারে কবরস্থ না করে একত্রে মাটিচাপা দেবার সিদ্ধান্ত নেয়। এতে বাধা দেয় গোর-খোদক। কবরস্থানে আশ্রয় নেয়া আরেক স্বজনহারা পাগল মুর্দা ফকিরও প্রতিবাদ জানায়।
বলে: এ লাশগুলো আন্দোলনকারীর। এরা এভাবে কবরে যাবে না। লাশগুলোও তখন উঠে দাঁড়ায় এবং বলে: আমরা কবরে যাবো না। এসব দেখে মদ্যপ ইন্সপেক্টর ও নেতা ভয় পেয়ে যায়।

- 'কবর' নাটকটির কাহিনি রাতের মাত্র কয়েক ঘন্টার। মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত এর কাহিনি।
- মুর্দা ফকির কবরের বাসিন্দা। সে মৃত মানুষের সাথে অহরহ কথা বলে।
- মুর্দা ফকির সব মৃতদের উঠে আসতে আহ্বান করেন, বলেন- "তোরা কোথায় গেলি? সব ঘুমিয়ে নাকি? উঠে আয়। তাড়াতাড়ি উঠে আয়। সব মিছিল করে উঠে আয়। গুলি, গুলি হবে। ফুর্তি করে উঠে আয়। কবর খালি করে উঠে আয়।'

----------------------
• মুনীর চৌধুরী:
- মুনীর চৌধুরী ছিলেন একজন বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক ও বাগ্মী।
- ১৯২৫ সালের ২৭ নভেম্বর মানিকগঞ্জ শহরে তাঁর জন্ম।
- মুনীর চৌধুরী শিক্ষা ও পেশাগত জীবনে বামপন্থী রাজনীতি ও প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

মুনীর চৌধুরীর মৌলিক নাটক:
- রক্তাক্ত প্রান্তর,
- চিঠি,
- কবর,
- দণ্ডকারণ্য।

অনুবাদ নাটক:
- কেউ কিছু বলতে পারে না,
- রূপার কৌটা ও
- মুখরা রমণী বশীকরণ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
২৩.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পতাকায় কতটি তারকা রয়েছে?
  1. ১৩টি
  2. ৪০টি
  3. ৫০টি
  4. ৫১টি
ব্যাখ্যা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:
- উত্তর আমেরিকা মহাদেশের বৃহৎ রাষ্ট্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- ১৭৭৬ সালের ৪ জুলাই ১৩টি ব্রিটিশ উপনিবেশ স্বাধীনতা ঘোষণা করে এবং একত্রিত হয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নামে একটি প্রজাতন্ত্র গঠন করে।
- স্বাধীনতা ঘোষণার পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে আরো ৩৭টি রাজ্য এদেশের সাথে যুক্ত হয়।
- বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৫০টি রাজ্য এবং একটি স্বাধীন জেলা ডিস্ট্রিক্ট অব কলম্বিয়া নিয়ে গঠিত।
- এছাড়া শাসনাধীন অঞ্চলগুলো হলো পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জের নিকটবর্তী পোর্টোরিকো দ্বীপ, প্রশান্ত মহাসাগরের ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ, পানামা খাল অঞ্চল, সামোয়া ও গুয়াম টেরিটরি।
- এদেশের পতাকায় ৫০টি তারকা রয়েছে যা ৫০টি রাজ্যের প্রতিনিধিত্ব করছে এবং
- ১৩টি সমান্তরাল রেখা (লাল ও সাদা রংয়ের) রয়েছে যা দেশটির প্রতিষ্ঠাকালীন ১৩টি উপনিবেশকে নির্দেশ করে।

উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪.
অস্ট্রেলিয়ার কোন অংশে 'গ্রেট ব্যারিয়ার রীফ' অবস্থিত?
  1. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলে
  2. উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলে
  3. দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে
  4. উত্তর-পশ্চিম উপকূলে
ব্যাখ্যা
অস্ট্রেলিয়া:
- অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব অংশে অস্ট্রেলিয়ার অবস্থান।
- এর চতুর্দিক ভারত মহাসাগর এবং প্রশান্ত মহাসাগর দ্বারা বেষ্টিত।
- এটি একসময় ব্রিটিশ উপনিবেশ ছিল।
- অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরা। 
- এটি আয়তনে অস্ট্রেলিয়া মহাদেশ তথা দক্ষিণ গোলার্ধের বৃহত্তম দেশ এবং বিশ্বে ষষ্ঠ।
- এদেশের সঙ্গে কোনো দেশের স্থল সীমান্ত নেই।
- অস্ট্রেলিয়ার দীর্ঘতম নদী মারে ডার্লিং (২,৩৭৫ কিলোমিটার)।  পূর্ব পাবর্ত্য অঞ্চলটি অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব উপকূলের সমান্তরাল।
- দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলে পাবর্ত্য অঞ্চলটি 'গ্রেট ব্যারিয়ার রীফ' নামে পরিচিত।

উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫.
যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের নিম্ন কক্ষের নাম কী?
  1. সিনেট
  2. হাউজ অব লর্ডস
  3. হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভ
  4. হাউজ অব কমন্স
ব্যাখ্যা
যুক্তরাজ্যের শাসন ব্যবস্থা:
- যুক্তরাজ্যে সাংবিধানিক রাজতন্ত্র এবং সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- দেশটিতে দুইকক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্ট রয়েছে।
- উচ্চ কক্ষের নাম হলো হাউস অব লর্ডস। 
- নিম্ন কক্ষের নাম হাউস অব কমন্স।
- হাউস অব লর্ডস এর সদস্য সংখ্যা ৮১৫ এবং হাউস অব কমন্স এর সদস্য সংখ্যা ৬৫০।
- একসময় যুক্তরাজ্যের অনেকগুলো উপনিবেশ ছিল।
- বর্তমান উপনিবেশসমূহের মধ্যে রয়েছে ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ, সেন্ট হেলেনা, দিয়াগো গার্সিয়া, বারমুডা কেইম্যান দ্বীপ, চ্যানেল দ্বীপপুঞ্জ, দক্ষিণ স্যান্ডউইচ দ্বীপপুঞ্জ প্রভৃতি।
- যুক্তরাজ্যকে এগারটি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে।

উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।