পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন২৩
সিলেবাস
বিষয় - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি অধ্যায়: আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক টপিকসমূহ: i) কূটনৈতিক ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি, সনদ ও সম্মেলন, কূটনৈতিক পরিভাষা। উৎস: বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, ওয়ার্ল্ড এটলাস ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।] ------------- নির্দেশিকা: ১. এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে। ২. এই পরীক্ষাটি "Award Mania: Season - 10” এর জন্য প্রযোজ্য।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৩ প্রশ্ন

.
'অকাস চুক্তি' কোন তিনটি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং ভারত
  2. যুক্তরাষ্ট্র, জাপান এবং যুক্তরাজ্য
  3. অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র
  4. অস্ট্রেলিয়া, কানাডা এবং যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
অকাস চুক্তি:
- অকাস চুক্তি হলো অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তি।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ সালে।
- এই চুক্তিটি ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সমন্বিত নিরাপত্তা ও প্রভাব নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
- মূলত বিরোধপূর্ণ দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের প্রভাব মোকাবেলার জন্যই নতুন এই অকাস জোট গঠন করা হয়েছে।
- এই চুক্তির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে 'সাইবার সক্ষমতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি এবং অতিরিক্ত জলসীমার ক্ষমতা' বিষয়ে সহযোগিতা।

তথ্যসূত্র: U.S. Department of Defense website.
.
২০২৫ সালে কত তম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ৬০তম
  2. ৬১তম
  3. ৬২তম
  4. ৬৩তম
সঠিক উত্তর:
৬১তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬১তম
ব্যাখ্যা
৬১তম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন:
- ২০২৫ সালের ১৪-১৬ ফেব্রুয়ারি ৬১তম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
- ১৪ ফেব্রুয়ারি ফেডারেল প্রেসিডেন্ট ফ্র্যাঙ্ক-ওয়াল্টার স্টেইনমায়ার-এর উদ্বোধন করবেন।
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের চেয়ারম্যান রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টোফ হিউসগেন এর সভাপতিত্ব করবেন।
- এবারের সম্মেলনে বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থা, গণতান্ত্রিক স্থিতিস্থাপকতা, জলবায়ু নিরাপত্তা এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জসমূহ নিয়ে আলোচনা করা হবে।
- সম্মেলনের শেষ দিন জেনস স্টলটেনবার্গ নতুন সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

উল্লেখ্য
- আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিষয়ে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন শুরু হয় ১৯৬৩ সালে।
- সাধারণত প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে জার্মানির মিউনিখ শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতি নিরাপত্তার বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় ও আলোচনা করেন।
- স্নায়ুযুদ্ধের অবসানের পর এই সম্মেলনকে বিশ্বজনীন রূপ দেয়া হয়।

তথ্যসূত্র: Munich Security Conference ওয়েবসাইট।
.
'ডলার কূটনীতি' প্রধানত কোন দেশের কৌশল হিসেবে পরিচিত?
  1. চীন
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. যুক্তরাজ্য
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
ডলার কূটনীতি (Dollar Diplomacy):
- ডলার কূটনীতি একটি কূটনৈতিক কৌশল, যা মূলত অর্থনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে একটি দেশের রাজনৈতিক বা কৌশলগত লক্ষ্য অর্জনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এই শব্দটি প্রথমত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবহৃত হয়।
- ডলার কূটনীতি প্রধানত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি কৌশল হিসেবে পরিচিত।
- প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম হাওয়ার্ড ট্যাফট এবং তার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফিল্যান্ডার নক্স এ কৌশল প্রয়োগ করেছিলেন।
- ডলার কূটনীতি অর্থনৈতিক প্রভাবের মাধ্যমে অন্য দেশগুলোর ওপর রাজনৈতিক প্রভাব সৃষ্টি করার চেষ্টা করে।
- ১৯০০ থেকে ১৯১০ সাল পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কিউবা, হন্ডুরাস এবং ডোমিনিকান রিপাবলিক এর মতো দেশগুলিতে ডলার কূটনীতি ব্যবহার করেছিল।
- পরবর্তীতে ২৮তম প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন আগ্রাসী এই নীতি থেকে সরে আসেন।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
.
নানকিং চুক্তির ফলে কোন যুদ্ধের অবসান ঘটে?
  1. চীনের গৃহযুদ্ধ
  2. দ্বিতীয় আফিম যুদ্ধ
  3. প্রথম আফিম যুদ্ধ
  4. ইয়োম কিপুর যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
প্রথম আফিম যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম আফিম যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
নানকিং চুক্তি:
- আফিমের চোরাচালানকে কেন্দ্র করে চীন ও ব্রিটেনের মধ্যে যে সংঘটিত যুদ্ধ হয়েছিল, তা আফিম যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- প্রথম আফিম যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৮৩৯ থেকে ১৮৪২ সাল পর্যন্ত।
- এই যুদ্ধে পরাজয়ের পর চীনের শাসকগোষ্ঠী ব্রিটিশদের সাথে একটি অপমানজনক 'অসম চুক্তি' স্বাক্ষর করতে বাধ্য হয়।
- এই চুক্তির নাম নানকিং চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ২৯ আগস্ট, ১৮৪২ সালে।
- এই চুক্তিই প্রথম আফিম যুদ্ধের অবসান ঘটায়।

উল্লেখ্য,
- এই চুক্তির মাধ্যমে ব্রিটিশদের হংকংয়ের নিয়ন্ত্রণ দেওয়া হয়েছিল।
- এছাড়া চীন কর্তৃক ব্রিটেনকে বিভিন্ন বাণিজ্যিক সুযোগ-সুবিধা প্রদানে বাধ্য হয়।
- পরবর্তীতে ১৮৯৮ সালে চীন সরকার ৯৯ বছরের জন্যে হংকংকে ব্রিটেনের নিকট লিজ দেয় এবং ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই লিজের মেয়াদ শেষে ব্রিটেন পুনরায় চীনের নিকট হংকং কে হস্তান্তর করে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
.
সম্প্রতি, ইরান এবং রাশিয়া কত বছর মেয়াদি প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করে? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ১০ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৪০ বছর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
ব্যাখ্যা
ইরান-রাশিয়া প্রতিরক্ষা চুক্তি:
- ১৭ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে রাশিয়া-ইরান ২০ বছর মেয়াদি কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।
- মস্কোতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এ চুক্তি স্বাক্ষর করেন।
- স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় আগামী ২০ বছর প্রতিরক্ষা, সামরিক মহড়া, যৌথ সামরিক প্রশিক্ষণ, যুদ্ধজাহাজ তৈরিসহ নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন খাতে পারস্পারিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করবে দুই দেশ।
- এই চুক্তির ফলে শুধু নিরাপত্তা খাতই নয়, বরং অর্থনীতি ও বাণিজ্যখাতেও দুই দেশের সহযোগিতামূলক তৎপরতা অনেক বৃদ্ধি পাবে।
-কারণ, এই কৌশলগত চুক্তির একটি শর্ত হলো এখন থেকে উভয় দেশের যাবতীয় অর্থনৈতিক আদান-প্রদান দুই দেশের নিজ নিজ মুদ্রায় হবে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি নিউজ।
.
'Extradition Treaty' কী?
  1. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চুক্তি
  2. সামরিক সহযোগিত চুক্তি
  3. অপরাধী প্রত্যাবর্তন চুক্তি
  4. সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান চুক্তি
সঠিক উত্তর:
অপরাধী প্রত্যাবর্তন চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধী প্রত্যাবর্তন চুক্তি
ব্যাখ্যা
Extradition Treaty (প্রত্যর্পণ চুক্তি):
- প্রত্যর্পণ চুক্তি হলো দুটি বা একাধিক দেশের মধ্যে একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি, যার মাধ্যমে এক দেশ (অনুরোধকারী দেশ) অপর দেশে (অনুরোধ প্রাপ্ত দেশ) অবস্থানরত একটি অপরাধী বা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ জানায়।
- এই চুক্তি আন্তর্জাতিক আইন এবং ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে করা হয়।
- সাধারণত গুরুতর অপরাধ (যেমন হত্যা, সন্ত্রাসবাদ, মাদক চোরাচালান, অর্থনৈতিক অপরাধ) এই চুক্তির আওতায় আসে।
- প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া কার্যকর করতে চুক্তির দুই পক্ষের সম্মতি প্রয়োজন।
- চুক্তি অনুযায়ী প্রত্যর্পণ কার্যকর করার জন্য সংশ্লিষ্ট দেশের আদালতের অনুমোদন প্রয়োজন হতে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ শর্তসমূহ:
- প্রত্যর্পণের জন্য অপরাধটি উভয় দেশে অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে হবে।
- রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে করা অপরাধ বা রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থীদের সাধারণত প্রত্যর্পণ করা হয় না।
- যদি অনুরোধকারী দেশে অভিযুক্ত ব্যক্তির প্রতি অমানবিক আচরণ বা মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকি থাকে, তবে সাধারণত প্রত্যর্পণ করা হয় না।
- অপরাধীর বিরুদ্ধে যথাযথ প্রমাণ থাকতে হবে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
.
কোন চুক্তির ফলে মিশরকে আরব লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিলো?
  1. ডেটন চুক্তি
  2. অসলো চুক্তি
  3. উই রিভার চুক্তি
  4. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
ব্যাখ্যা
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি:
- ইসরাইল ও মিশর এই দুইটি দেশের মধ্যে ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৯৭৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডে অবস্থিত অবকাশ যাপন কেন্দ্ৰ ক্যাম্প ডেভিডে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরে মধ্যস্থতা করেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।
- এই চুক্তির ফলে মিশরকে আরব লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিলো।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
.
'গানবোট কূটনীতি' সাধারণত কোন পরিস্থিতিতে ব্যবহৃত হয়?
  1. শান্তি আলোচনা
  2. সামরিক আগ্রাসন প্রতিরোধ
  3. মানবিক সহায়তা প্রদান
  4. চাপ সৃষ্টি করে সুবিধা অর্জন
সঠিক উত্তর:
চাপ সৃষ্টি করে সুবিধা অর্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাপ সৃষ্টি করে সুবিধা অর্জন
ব্যাখ্যা
গানবোট কূটনীতি:
- এটি সাধারণত সামরিক শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে কূটনৈতিক আলোচনা বা চুক্তি অর্জনের একটি মাধ্যম।
- এই কূটনৈতিক নীতিতে একটি রাষ্ট্র তার সামরিক শক্তি, বিশেষ করে নৌবাহিনীর শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে অন্য রাষ্ট্রের ওপর চাপ সৃষ্টি করে নিজের স্বার্থ উদ্ধার করে।
- এটি মূলত সমুদ্রপথে সংশ্লিষ্ট দেশটির সীমানার আশেপাশে বিভিন্ন যুদ্ধ জাহাজ ও নৌবহর পাঠিয়ে চাপে রাখার একটি কৌশল।
- প্রাথমিকভাবে ঔপনিবেশিক শক্তিগুলো দ্বারা দুর্বল দেশগুলোর ওপর চাপ প্রয়োগের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- উনিশ ও বিশ শতকে যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক সামরিক শক্তিধর দেশ এই ধরনের আচরণের মাধ্যমে নিজেদের চাহিদা পূরণের চেষ্টা করেছে।

উদাহরণ:
- ১৮৫৩ সালে জাপানে মার্কিন নৌবাহিনীর Commodore Matthew Perry-এর নেতৃত্বে জাহাজ প্রদর্শনের মাধ্যমে বাণিজ্য চুক্তি আদায়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
.
'Vienna Convention on Diplomatic Relations, 1961' কত সালে কার্যকর হয়?
  1. ১৯৬১ সালে
  2. ১৯৬২ সালে
  3. ১৯৬৩ সালে
  4. ১৯৬৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৪ সালে
ব্যাখ্যা
• ভিয়েনা কনভেনশন, ১৯৬১ (Vienna Convention):
⤇ পূর্ণনাম: Vienna Convention on Diplomatic Relations.
⤇ উদ্দেশ্য: কূটনীতিকদের অধিকার, নিরাপত্তা, কূটনৈতিক সম্পর্ক ও দায়মুক্তি নিশ্চিত করা।
⤇ স্বাক্ষর: ১৮ এপ্রিল, ১৯৬১ সাল।
⤇ স্থান: অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা।
⤇ চুক্তি কার্যকর: ২৪ এপ্রিল, ১৯৬৪ সাল।
⤇ অনুচ্ছেদ: ৫৩টি।
⤇ বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে: ১৯৭৮ সালে।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১০.
'সানশাইন পলিসির' মূল লক্ষ্য কী ছিল?
  1. উত্তর কোরিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়ন
  2. দক্ষিণ কোরিয়ার আঞ্চলিক বাণিজ্য বৃদ্ধি
  3. উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র নির্মাণ বন্ধ
  4. দক্ষিণ ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন
ব্যাখ্যা
Sunshine Policy:
• প্রবক্তা: দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট কিম দায়ে জং।
• সম্পর্কিত দেশ: উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া।
• বাস্তবায়নকাল: ১৯৯০-এর দশক।
• লক্ষ্য: দুই কোরিয়ার মধ্যকার সম্পর্ক উন্নয়ন এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করা।

বিশেষ তথ্য:
- Sunshine Policy বাস্তবায়নের কারনে ২০০০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান- কিং দায়ে জং।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১১.
কোন যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে 'আটলান্টিক সনদ' স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
  2. ফ্রান্স-ব্রিটেন শতবর্ষ যুদ্ধ
  3. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
  4. আমেরিকা-ভিয়েতনাম যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
ব্যাখ্যা
আটলান্টিক সনদ: 
- এটি একটি ঐতিহাসিক দলিল যা আটলান্টিক মহাসাগরে, দুটি প্রধান মিত্র শক্তি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইংল্যান্ড কর্তৃক স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- ১৪ আগস্ট, ১৯৪১ সালে আটলান্টিক সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- ৮ দফার এই সনদ স্বাক্ষরিত হয় উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের বুকে প্রিন্স অব ওয়েলস নামক একটি যুদ্ধ জাহাজে।
- এই সনদের মূল উদ্দেশ্য ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে পৃথিবীতে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করা।
- এই সনদের ফলে পরবর্তীতে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়, যা বিশ্বব্যাপী শান্তি ও সহযোগিতা নিশ্চিত করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করতে শুরু করে।
- সনদটি স্বাক্ষর করেছিলেন তৎকালীন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ফ্রাংকলিন ডি রুজভেল্ট এবং ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল।

তথ্যসূত্র: Britannica.
১২.
দাঁতাত (Detente) কী?
  1. দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি
  2. দুই দেশের মধ্যে স্নায়ুযুদ্ধ
  3. দুটি দেশের মধ্যকার সীমান্ত বিরোধ
  4. দুই দেশের মাঝে কঠোর মনোভাব হ্রাসের প্রচেষ্টা
সঠিক উত্তর:
দুই দেশের মাঝে কঠোর মনোভাব হ্রাসের প্রচেষ্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই দেশের মাঝে কঠোর মনোভাব হ্রাসের প্রচেষ্টা
ব্যাখ্যা
দাঁতাত (Detente):
- 'দাঁতাত' ফরাসি শব্দ।
- এর অর্থ উত্তেজনা প্রশমন ও বন্ধুত্বের পুনঃপ্রতিষ্ঠা।
- এটি সাধারণত দুটি দেশের মধ্যে উত্তেজনা বা শত্রুতা কমিয়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ এবং সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে গৃহীত হয়।
- বিশেষ করে শীতল যুদ্ধের সময়, যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন যেমন পরমাণু অস্ত্রের প্রতিযোগিতা হ্রাস করার জন্য SALT চুক্তি এবং হেলসিংকি চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল।
- দাঁতাতের মাধ্যমে দুটি দেশ একে অপরের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য আলোচনার সুযোগ সৃষ্টি করে, সামরিক উত্তেজনা হ্রাস করে এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করে।

তথ্যসূত্র: Britannica.
১৩.
'ANZUS' চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে কী নামে পরিচিত?
  1. Allied Defense Treaty
  2. Pacific Security Treaty
  3. Transatlantic Security Treaty
  4. Alliance Defense Treaty
সঠিক উত্তর:
Pacific Security Treaty
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pacific Security Treaty
ব্যাখ্যা
আনজুস (ANZUS) চুক্তি:
- ANZUS পূর্ণরূপ- The Australia, New Zealand and United States Security Treaty.
- এই নিরাপত্তা চুক্তি অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই ৩টি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- এই চুক্তি ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১ সালে সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্ডে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- এই চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রশান্ত মহাসাগরীয় নিরাপত্তা চুক্তি (Pacific Security Treaty) নামে পরিচিত।
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য ছিল আগ্রাসনের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহায়তা প্রদান এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তি করা। 

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১৪.
বার্লিন প্রাচীর নির্মাণের কারণ কী ছিল?
  1. পশ্চিমা আধিপত্য বজায় রাখা
  2. কমিউনিজমের প্রভাব দূর করা
  3. পশ্চিমা পুঁজিবাদের প্রভাবকে ঠেকানো
  4. অভিবাসন কর্মসূচীকে উৎসাহ দেয়া
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমা পুঁজিবাদের প্রভাবকে ঠেকানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমা পুঁজিবাদের প্রভাবকে ঠেকানো
ব্যাখ্যা
বার্লিন প্রাচীর (১৯৬১ - ১৯৮৯):
• উদ্দেশ্য:
১/ পশ্চিম জার্মানির পুঁজি
বাদের প্রভাবকে ঠেকানো এবং
২/ পূর্ব জার্মানদের পশ্চিমে পালিয়ে যেতে বাধা দেয়া।
• নির্মাণ শুরু: ১৩ আগস্ট, ১৯৬১ সালে।
• প্রাচীরের দৈর্ঘ্য: ১৫৫ কি.মি।
• বার্লিন প্রাচীরের পতন: ৯ নভেম্বর, ১৯৮৯ সালে।
• দুই জার্মানি একত্রিত হয়: ৩ অক্টোবর, ১৯৯০ সালে।

উল্লেখ্য,
• দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানি প্রধানত চারভাগে বিভক্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও সোভিয়েত ইউনিয়নের অধীনে চলে যায়।
• স্নায়ুযুদ্ধের ফলে ফ্রান্স, ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্রের অধীনের অংশগুলো একত্রিত করে গঠিত হয় ফেডারেল রিপাবলিক অব জার্মানি (পশ্চিম জার্মানি);
• অপরদিকে সোভিয়েত ইউনিয়নেরে অধীনের অংশে গঠিত হয় ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব জার্মানি (পূর্ব জার্মানি)।
• পুঁজিবাদী শাসনব্যবস্থার ফলে পশ্চিম জার্মানি সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে ওঠে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১৫.
'সিমলা চুক্তি' কোন ধরনের চুক্তি ছিল?
  1. শর্তহীন অস্ত্রবিরতি চুক্তি
  2. নিরাপত্তা সহযোগিতা চুক্তি
  3. আঞ্চলিক বাণিজ্য চুক্তি
  4. শান্তি ও সম্পর্ক উন্নয়ন চুক্তি
সঠিক উত্তর:
শান্তি ও সম্পর্ক উন্নয়ন চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শান্তি ও সম্পর্ক উন্নয়ন চুক্তি
ব্যাখ্যা
• সিমলা চুক্তি (Simla Agreement):
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে ভারত - পাকিস্তানের মধ্যে পরবর্তী সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এবং যুদ্ধবন্দীদের হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ২ জুলাই, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - সিমলা, হিমাচল প্রদেশ, ভারত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী পক্ষ - ভারত ও পাকিস্তান।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী - ভারতের পক্ষে - প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী এবং পাকিস্তানের পক্ষে প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো।
- চুক্তির লক্ষ্য - ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ বিষয়াবলীর শান্তিপূর্ণ সমাধান, বন্ধুত্বপূর্ণ পারস্পারিক সহাবস্তান, যুদ্ধবন্দী বিনিময়, লাইন অব কন্ট্রোলকে বিরোধপূর্ণ কাস্মীরের সীমানা হিসাবে পুনঃনির্ধারণ ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং হিস্টরি.কম।
১৬.
কমনওয়েলথভুক্ত রাষ্ট্রসমূহের সর্বোচ্চ শ্রেণির কূটনীতিককে কী বলা হয়?
  1. রাষ্ট্রদূত
  2. অ্যাম্বাসেডর
  3. হাইকমিশনার
  4. চার্জ দ্য অ্যাফেয়ারস
সঠিক উত্তর:
হাইকমিশনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকমিশনার
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রদূত:
→ এক রাষ্ট্র কর্তৃক অন্য দেশে প্রেরিত সর্বোচ্চ শ্রেণীর কূটনৈতিক।

• হাইকমিশনার:

→ কমনওয়েলথভুক্ত রাষ্ট্র সমূহের সর্বোচ্চ শ্রেণির কূটনীতিক।

• অ্যাম্বাসেডর:

→ জাতিসংঘভুক্ত রাষ্ট্রসমূহের সর্বোচ্চ কূটনৈতিক ব্যক্তিকে অ্যাম্বাসেডর বলে।

• চার্জ দ্য অ্যাফেয়ারস:
→ রাষ্ট্রদূতের অনুপস্থিতিতে নিযুক্ত অস্থায়ী প্রধান।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
১৭.
ব্রিটেন কোন দেশের সাথে 'Good Friday Agreement' স্বাক্ষর করেছিল?
  1. চীন
  2. ফ্রান্স
  3. আয়ারল্যান্ড
  4. সোভিয়েত ইউনিয়ন
সঠিক উত্তর:
আয়ারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়ারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
বেলফাস্ট চুক্তি (Belfast Agreement):
- বেলফাস্ট চুক্তির অপর নাম 'Good Friday Agreement'.
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ: ১০ এপ্রিল, ১৯৯৮ সাল।
- চুক্তি কার্যকরের তারিখ: ডিসেম্বর, ১৯৯৯ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী পক্ষ: ব্রিটিশ সরকার, আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের কয়েকটি রাজনৈতিক দল।

প্রেক্ষাপট:
১৯২১ সালে যুক্তরাজ্যের অংশ হিসেবে নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের যাত্রা শুরু হয়। সে সময় আয়ারল্যান্ডের বাকি অংশ স্বাধীন সার্বভৌম দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ফলে অঞ্চলটির জনগণ দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। এক দল আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে একত্রিত হতে চেয়েছিল, আরেক দল মানুষ চেয়েছিল যুক্তরাজ্যের অংশ হয়েই থাকতে। বিষয়টি নিয়ে প্রায় ৩০ বছরের সহিংস সংঘর্ষের অবসান ঘটেছিল গুড ফ্রাইডে চুক্তির মাধ্যমে।

তথ্যসূত্র: হিস্টোরি এবং ব্রিটানিকা।
১৮.
কত তম জেনেভা কনভেনশন যুদ্ধকালে বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তার বিধান নিশ্চিত করে?
  1. চতুর্থ
  2. তৃতীয়
  3. দ্বিতীয়
  4. প্রথম
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
ব্যাখ্যা
জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- ১৯৪৯ সালের ১২ আগস্ট সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় 'জেনেভা কনভেনশন' স্বাক্ষর হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে জেনেভা কনভেনশন এবং ১৯৮০ সালে প্রটোকল ১ ও ২ অনুসমর্থন করে।

⇒ জেনেভা কনভেনশনসমূহ:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

তথ্যসূত্র: Britannica.com & History.com
১৯.
"শীতল যুদ্ধ" (Cold War) শব্দটি কী বোঝায়?
  1. পারমাণবিক যুদ্ধ
  2. আদর্শিক দ্বন্দ্ব
  3. সামরিক সংঘাত
  4. হিমশীতল অঞ্চলের যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
আদর্শিক দ্বন্দ্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদর্শিক দ্বন্দ্ব
ব্যাখ্যা
শীতল যুদ্ধ বা স্নায়ুযুদ্ধ (Cold War):
- শীতল যুদ্ধ বা স্নায়ুযুদ্ধ হলো একটি রাজনৈতিক, আদর্শিক এবং কৌশলগত দ্বন্দ্ব।

- ১৯৪০ দশকের মাঝামাঝি থেকে ১৯৮০ দশকের শেষ অব্দি যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে স্নায়ু যুদ্ধ চলমান থাকে।
- যুক্তরাষ্ট্র একটি গণতান্ত্রিক দেশ এবং মূলত পুঁজিবাদী অর্থনীতি ও পশ্চিমা শিবিরের নেতৃস্থানীয় শক্তি হিসেবে পরিচিত ছিল।
- অন্যদিকে, সোভিয়েত ইউনিয়ন একটি সমাজতান্ত্রিক দেশ এবং মূলত কমিউনিস্ট অর্থনীতি ও পূর্ব শিবিরের নেতৃস্থানীয় শক্তি হিসেবে পরিচিত ছিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তী সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে এই নিয়ে টানাপোড়া শুরু হয়।
- সেই সময়কালে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংঘাত, রাজনৈতিক চাপ, এবং সামরিক প্রতিযোগিতা শীতল যুদ্ধের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।
- অবশেষে ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের মাধ্যমে স্নায়ু যুদ্ধের অবসান ঘটে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা
২০.
কূটনৈতিক পরিভাষায় "Good Offices" কী বোঝায়?
  1. কোনো দেশের সামরিক শক্তি প্রদর্শন
  2. আন্তর্জাতিক আদালতের রায়
  3. দুটি দেশের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি
  4. তৃতীয় পক্ষের সহায়তায় আলোচনা প্রক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় পক্ষের সহায়তায় আলোচনা প্রক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় পক্ষের সহায়তায় আলোচনা প্রক্রিয়া
ব্যাখ্যা
"Good Offices":
কূটনৈতিক পরিভাষায় "Good Offices" হলো এমন একটি প্রক্রিয়া বা কার্যক্রম যার মাধ্যমে একটি নিরপেক্ষ তৃতীয় পক্ষ দুই পক্ষের (যারা কোনো বিরোধ বা সংঘাতে জড়িত) মধ্যে মধ্যস্থতা করার জন্য সহায়তা প্রদান করে। তৃতীয় পক্ষটি নিজে কোনো সিদ্ধান্ত আরোপ করে না, বরং আলোচনার পথ প্রশস্ত করে এবং পক্ষগুলোকে সমঝোতায় আসার জন্য সহযোগিতা করে।
সহজ কথায় বলতে গেলে, কোনো বিরোধ বা দু'টি দেশের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়ে গেলে তৃতীয় কোনো দেশ যদি এগিয়ে বিরোধ মিমাংসার জন্য কাজ করে, তাহলে ঐ তৃতীয় দেশ Good offices

এক্ষেত্রে,
- তৃতীয় পক্ষকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকতে হয়।
- এই প্রক্রিয়া দুই পক্ষের সম্মতিতে পরিচালিত হয়।

উদাহরণ:
১৯৬৬ সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে তাসখন্দ চুক্তির জন্য সোভিয়েত ইউনিয়ন Good Offices হিসেবে কাজ করেছিল।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
২১.
'Warsaw Pact' কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. রাশিয়া
  2. হাঙেরি
  3. পোল্যান্ড
  4. পূর্ব জার্মানি
সঠিক উত্তর:
পোল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পোল্যান্ড
ব্যাখ্যা
Warsaw Pact:
- Warsaw Pact বলতে বোঝায় Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance.
- উদ্দেশ্য: মূলত, আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও কূটনীতিতে সোভিয়েত প্রভাব বৃদ্ধিই ছিলো এর মূল উদ্দেশ্য।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের ৮টি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি।
- সদস্য: ৮টি; সোভিয়েত ইউনিয়ন, আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লাভিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙেরি, পোল্যান্ড ও রোমানিয়া।
- স্বাক্ষর: ১৪ মে, ১৯৫৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়ারশ, পোল্যান্ড।
- বিলুপ্ত: ১ জুলাই, ১৯৯১।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
২২.
'North Atlantic Treaty'- এর ৫নং অনুচ্ছেদে এ কী বলা হয়েছে?
  1. ধর্মীয় সহিষ্ণুতা প্রতিষ্ঠা
  2. সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান
  3. যৌথ নিরাপত্তা
  4. অর্থনৈতিক সহযোগিতা
সঠিক উত্তর:
যৌথ নিরাপত্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যৌথ নিরাপত্তা
ব্যাখ্যা
North Atlantic Treaty:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর তৎকালীন সোভিয়েত প্রভাব ও সমাজতন্ত্রকে প্রতিহত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে একটি সামরিক বা নিরাপত্তা জোট গঠন করা হয় যা North Atlantic Treaty Organization বা ন্যাটো নামে পরিচিত।
- ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে ১২টি দেশের মধ্যে NATO চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এটি Washington Treaty নামেও পরিচিত।
- NATO চুক্তিপত্রে মোট ১৪টি অনুচ্ছেদ (Article) রয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ হলো 'আর্টিকেল - ৫'।

• অনুচ্ছেদ/আর্টিকেল - ৫: Collective Security বা যৌথ নিরাপত্তা:
➝ অনুচ্ছেদ- ৫ এ বলা হয়েছে -
যদি জোটভুক্ত কোন সদস্য দেশ আক্রান্ত হয়, তাহলে এই জোটের সকল সদস্য দেশ আক্রান্ত হয়েছে বলে গণ্য হবে এবং সকল সদস্য দেশ আক্রান্ত দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এগিয়ে আসবে।

তথ্যসূত্র: NATO ওয়েবসাইট।
২৩.
'পারসোনা নন গ্রাটা (Persona Non Grata)' এর অর্থ কী?
  1. বৈধ ব্যক্তি
  2. সম্মানিত ব্যক্তি
  3. অবাঞ্ছিত ব্যক্তি
  4. গ্রহণযােগ্য ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
অবাঞ্ছিত ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবাঞ্ছিত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
পারসােনা নন গ্রাটা (Persona non grata):
- এটি একটি বিখ্যাত কূটনৈতিক পরিভাষা।
- এর আক্ষরিক অর্থ অবাঞ্ছিত বা অগ্রহণযােগ্য ব্যক্তি।
- কূটনৈতিক ভাষায়, Persona-non-grata বলতে অগ্রহণযোগ্য কূটনীতিক প্রতিনিধিকে বোঝায়।
- যখন একটি দেশ কোনো বিদেশি কূটনীতিকের কার্যক্রমকে অনাকাঙ্ক্ষিত মনে করে, তখন সেই ব্যক্তিকে পারসোনা নন গ্রাটা ঘোষণা করে।
- ১৯৬১ সালের ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপ্লোম্যাটিক রিলেশনস অনুযায়ী এটি বৈধ একটি পদক্ষেপ।
- এই ঘোষণার ফলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সেই দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।