পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

পরীক্ষাবার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়22 minutes
মোট প্রশ্ন৪২
সিলেবাস
Exam - 32 The Code of Civil Procedure, 1908: Test-9 Topic ➝ • Appeals (Sections 96-99, 104-112 & Orders 41-44) • Application for Restitution (Section 144) • Inherent power of the Court (Section 151) • Miscellaneous (Section 132-155)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ] · তারিখ অনির্ধারিত · ৪২ প্রশ্ন

.
রায় একবার স্বাক্ষরযুক্ত হয়ে গেলে, তা দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারা ব্যতীত সংশোধন করা যাবে না?
  1. ১৫১ ধারা
  2. ১৫২ ধারা
  3. ১৫৩ ধারা
  4. ১৫৮ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানি কার্যবিধির ২০নং আদেশের বিধি ৩ অনুযায়ী-
- রায় ঘোষণা করার সময় বিচারক কর্তৃক তা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনরীক্ষণ ব্যতীত তা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি, আদেশ সংশোধন (Amendment of judgement, decree & order) করার বিধান রয়েছে।
এই ধারামতে, আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে-
- করনিক বা গানিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes),
- আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির (accidental slip or omission) কারণে রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করতে পারেন।

- উল্লেখ্য যে, দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারায় আদালতের দেওয়ানি মামলার কার্য ধারার ত্রুটি সংশোধন করার ক্ষমতা রয়েছে। ১৫৩ ধারামতে আদালত যে কোন সময় মোকদ্দমার কোন প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের জন্য মামলার কার্য ধারার ত্রুটি (any defect or error in any proceeding in a suit) সংশোধন করতে পারেন।
---------
⇒ CPC Section: 152. Amendment of judgments, decrees or orders:
-Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.
.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ এর বিধান কী?
  1. আদেশ হতে আপীল
  2. রিসিভার
  3. মূল ডিক্রী হতে আপীল
  4. আদেশ হতে রিভিশন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১  এর মাঝে মূল ডিক্রী হতে আপীল বিষয় বিধান আছে।
⇒ আদেশ ৪১-৪৫ এবং ধারা ৯৬-১১২ পর্যন্ত আপীল সংক্রান্ত বিধান আছে।

আপীল (Appeal)- মোকদ্দমার কোন পক্ষ বিচারিক আদালতের (Trial court) সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হলে উক্ত সিদ্ধান্ত বাতিল বা সংশোধনের জন্য ঐ সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে উচ্চ আদালতে যে আবেদন করে, তাকে আপীল বলে।
- আপীল হলো সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির মামলার রায় অনুমোদনযোগ্য কিনা তা পুনরায় নির্ধারণের জন্য নিম্ন আদালত থেকে উচ্চ আদালতে প্রেরণের অধিকার।
- অর্থাৎ আপীল হলো উচ্চ আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তের বিচারিক পুনঃমূল্যায়ন।

দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ থেকে ১১২ ধারা পর্যন্ত দেওয়ানী মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আপীলের বিধান উল্লেখ রয়েছে। নিম্নে দেওয়ানী মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আপীলের বিধানসমূহ আলোচনা করা হলো-

ⅰ) মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল: ধারা-৯৬ থেকে ৯৯, আদেশ-৪১;

ii) আদেশের বিরুদ্ধে আপিল: ধারা-১০৪ থেকে ১০৬, আদেশ-৪৩;

iii) আপীলের সাধারণ বিধানমসূহ: ধারা-১০৭ থেকে ১০৮;

iv) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল: ধারা-১০৯ থেকে ১১২; এবং

v) নিঃস্ব ব্যক্তির আপিল: আদেশ-৪৪।
.
একটি ডিক্রি বা আদেশ কখন সংশোধনের আদেশ দেয়া যেতে পারে?
  1. আকস্মিক কোন বিচ্যুতি থাকলে
  2. করণিক ভুল থাকলে
  3. গানিতিক ভুল থাকলে
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি, আদেশ সংশোধন (Amendment of judgement, decree & order) করার বিধান রয়েছে।
এই ধারামতে, আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে-
- করনিক বা গানিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes),
- আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির (accidental slip or omission) কারণে রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করতে পারেন।
---------
⇒ CPC Section: 152. Amendment of judgments, decrees or orders:
-Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.
.
দেওয়ানি আপিলের মেমোতে কোন একটি হেতু উল্লেখ না করলে, শুনানীকালে তাহা উত্থাপন করা যাবে শুধুমাত্র-
  1. বিচারিক আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
  2. সরকারি কৌসুলির অনুমতি সাপেক্ষে
  3. আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
  4. হাইকোর্টের আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-২ এর বিধান  আপীলে যে সকল সঙ্গত কারণ গ্রহণ করা যাবে: আপিলের স্মারকলিপিতে প্রকাশ করা হয়নি এমন কোন বিষয় আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে উত্থাপন করা যাবে।
- আদেশ ৪১ বিধি-২ হল আপীলে যে সকল সঙ্গত কারণ গ্রহণ করা যাবেঃ
আপীলের স্মারকলিপিতে প্রকাশ করা হয়নি, আপত্তির এরূপ কারণের সমর্থনে আদালতের অনুমতি ব্যতিত আপীলকারীর বক্তব্য পেশ করতে পারবে না বা তাকে শ্রবণ করা যাবে না;
কিন্তু আপীল আদালত আপীল নিষ্পত্তিকালে আপীলের স্মারকলিপিতে প্রকাশিত আপত্তির সঙ্গত কারণসমূহ বা অত্র বিধির অধীনে আদালতের অনুমতি ক্রমে গৃহীত কারণসমূহের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবেন না,
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কোন কারণের উপর ইহার সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন না, যদি না, যে পক্ষ উহা দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ হবে সেই পক্ষ উক্ত কারণের উপর মামলায় প্রতিদ্বন্দিতা করার যথেষ্ট সুযোগ পেয়ে থাকে।

- আপীলের স্মারকলিপিতে বা মেমোতে উল্লেখ করা হয়নি, এরুপ কোন কারণ বা হেতু সম্পর্কে আপীলকারী তার বক্তব্য আদালতের অনুমতি ব্যতীত পেশ করবেনা। অর্থাৎ একমাত্র আপীল আদালতের অনুমতি নিয়ে আপীলকারী এমন হেতুসমূহ [grounds] শুনানীকালে উত্থাপন করা যেতে পারে।
--------------
⇒ CPC Order-41 Rule-2. Grounds which may be taken in appeal:
- The appellant shall not, except by leave of the Court, urge or be heard in support of any ground of objection not set forth in the memorandum of appeal; but the Appellate Court, in deciding the appeal, shall not be confined to the grounds of objection set forth in the memorandum of appeal or taken by leave of the Court under this rule: 

- Provided that the Court shall not rest its decision on any other ground unless the party who may be affected thereby has had a sufficient opportunity of contesting the case on that ground.
.
আদি এখতিয়ার দ্বারা হাইকোর্ট ডিভিশনের দেয়া কোন রায় ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে কোথায় আপিল করতে হবে?
  1. আপিল করা যাবে না
  2. সুপ্রিম কোর্টে
  3. আপিল বিভাগে
  4. হাইকোর্ট বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৯ ধারার বিধান: সুপ্রিম কোর্টে যখন আপিল করা চলবে:
দেশের আদালতসমূহের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে যে সমস্ত বিধি প্রণয়ন করবেন, তৎসাপেক্ষে এবং এই আইনের বিধানসাপেক্ষে আপিল বিভাগের নিকট নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল করা চলবে-
ক) হাইকোর্ট বিভাগ বা চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন আদালত কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি অথবা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে;
খ) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক এর মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে; এবং
গ) অতঃপর বর্ণিত বিধানানুসারে কোন মোকদ্দমা আপিল বিভাগের নিকট আপিলের যোগ্য বলে সুপারিশ করা হলে তদ্রূপ মোকদ্দমায় প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে।
-----------------
⇒ CPC Section: 109. When appeals lie to the Supreme Court.
- Subject to such rules as may, from time to time, be made by the Supreme Court regarding appeals from the Courts of Bangladesh, and to the provisions hereinafter contained, an appeal shall lie to the Appellate Division.
(a) from any Judgment, decree or final order passed on appeal by the High Court Division or by any other Court of final appellate jurisdiction; 
(b) from any Judgment, decree or final order passed by the High Court Division in the exercise of original civil jurisdiction; and 
(c) from any Judgment, decree or final order, when the case, as hereinafter provided, is certified to be a fit one for appeal to the Appellate Division.
.
দেওয়ানী মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্যমান ন্যূনতম কত হলে আপিল বিভাগে আপিল দায়ের করা যায়?
  1. ২০ হাজার টাকা
  2. ৫০ হাজার টাকা
  3. ২০ লক্ষ টাকা
  4. ২৫ লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১১০ ধারার বিধান: বিষয়বস্তুর মূল্য:
- ১০৯ ধারার (ক) এবং (খ) দফায় উল্লেখিত প্রত্যেক ক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য প্রথম বিচারিক আদালতে বিশ হাজার টাকা বা তদূর্ধ্ব হতে হবে এবং সুপ্রিম কোর্টের নিকট আপিলেও বিরোধীয় বিষয়বস্তুর মূল্য অবশ্যই তার সমপরিমাণ বা তদূর্ধ্বে হতে হবে;
অথবা রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অবশ্যই অনুরূপ পরিমাণ অর্থের দাবি কিংবা অনুরূপ মূল্যের সম্পত্তি জড়িত থাকতে হবে;
এবং যে রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে, তা দ্বারা যদি অব্যবহিত অধঃস্তন আদালতের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়ে থাকে, তবে আপিলে অবশ্যই আইনগত একটি বড় প্রশ্ন নিহিত থাকতে হবে।

উল্লেখ্য,
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৯ ধারার বিধান: সুপ্রিম কোর্টে যখন আপিল করা চলবে:
দেশের আদালতসমূহের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে যে সমস্ত বিধি প্রণয়ন করবেন, তৎসাপেক্ষে এবং এই আইনের বিধানসাপেক্ষে আপিল বিভাগের নিকট নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল করা চলবে-
ক) হাইকোর্ট বিভাগ বা চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন আদালত কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি অথবা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে;
খ) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক এর মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে; এবং
গ) অতঃপর বর্ণিত বিধানানুসারে কোন মোকদ্দমা আপিল বিভাগের নিকট আপিলের যোগ্য বলে সুপারিশ করা হলে তদ্রূপ মোকদ্দমায় প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে। 
---------------
⇒ CPC Section-110. Value of subject-matter.
 In each of the cases mentioned in clauses (a) and (b) of section 109, the amount or value of the subject-matter of the suit in the Court of first instance must be twenty thousand Taka or upwards, and the amount or value of the subject-matter of the suit in the Court of first instance must be twenty thousand Taka or upwards, and the amount or value of the subject-matter in dispute on appeal to the Appellate Division must be the same sum or upwards, 
or the Judgment, decree or final order must involve, directly or indirectly, some claim or question to or respecting property of like amount or value, 
and where the Judgment, decree or final order appealed from affirms the decision of the Court immediately below the Court passing such Judgment, decree or final order, the appeal must involve some substantial question of law.
.
দেওয়ানী মোকদ্দমায় কোন ধারার বিধান অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত সংশোধনের আবেদন করতে হয়?
  1. ১৫২ ধারা
  2. ১৫৩ ধারা
  3. ১৪৪ ধারা
  4. ১৫৫ ধারা
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী মোকদ্দমায় ১৫৩ ধারার বিধান অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত সংশোধনের আবেদন করতে হয়।

⇒ ১৫৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের সংশোধনের সাধারণ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। আদেশ ৬ রুল ১৭ অনুসারে আরজি ও লিখিত বর্ণনা সংশোধনের বিধান আছে। অন্যান্য দরখাস্ত ১৫৩ ধারার ক্ষমতাবলে সংশোধন করা যায়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারার বিধান সংশোধন করার সাধারণ ক্ষমতা: আদালত যে - কোন সময় এবং খরচ সম্পর্কে উপযুক্ত যেকোন শর্ত দিয়ে সংশোধন করতে পারেন, এবং প্রয়োজনীয় যাবতীয় কোন মোকদ্দমার কার্যক্রম সংক্রান্ত যেকোন ভুল ত্রুটি সংশোধন মোকদ্দমার সংশ্লিষ্ট প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের উদ্দেশ্যে করা হবে।

অর্থাৎ আদালত যেকোনো সময় (At any stage), যেকোনো শর্তে, প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারণের উদ্দেশ্যে, কোন মোকদ্দমার কার্যক্রম সংক্রান্ত যে কোন ভুলত্রুটি সংশোধন করতে পারেন।
----------------
⇒ CPC Section: 153. General power to amend:
The Court may at any time, and on such terms as to costs or otherwise as it thinks fit, amend any defect or error in any proceeding in a suit; and all necessary amendments shall be made for the purpose of determining the real question or issue raised by or depending on such proceeding.
.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪২ ধারার বিধান কী?
  1. Language of subordinate Courts.
  2. Application for restitution.
  3. Miscellaneous proceedings.
  4. Orders and notices to be in writing.
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪২ ধারার বিধান:- আদেশ ও নোটিশ লিখিত হতে হবে:
- এই আইনের বিধানানুযায়ী কোন ব্যক্তির প্রতি জারি বা প্রদত্ত সকল আদেশ এবং নোটিশ লিখিতভাবে হবে।
-------------------
⇒ CPC Section:142: Orders and notices to be in writing.
- All orders and notices served on or given to any person under the provisions of this Code shall be in writing.
.
দেওয়ানি মামলায় রিভিউ দরখাস্ত মঞ্জুর আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. আপিল
  2. রিভিশন
  3. রেফারেন্স
  4. কোনো প্রতিকার নেই
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৪৩ বিধি ১ অনুযায়ী ৪৭ আদেশের ৪ বিধির অধীন রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করে কোন আদেশ দিলে তার বিরুদ্ধে আপীল করা যায়। 
- দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৪৩ বিধি ১ তে মোট ২৫টি আদেশ রয়েছে যেগুলার বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।

- দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৪ ধারায় ও ৪৩ আদেশে  "আদেশ হতে আপীল" এর বিধান আছে । এইখানে বলা আছে ৪৭ আদেশের ৪ বিধির আধিনে রিভিউ আবেদন বা দরখাস্ত মনঞ্জুর হলে তার বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে। 
- দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৭ এবং ধারা ১১৪ তে রিভিউর বিধান আছে ।
আদালত রিভিউ আবেদন মনঞ্জুর করলে এর বিরুদ্ধে আপীল চলে , তবে রিভিউ না-মনঞ্জুর করলে তার বিরদ্ধে রিভিশন চলবে।
১০.
দেওয়ানি মামলায় কোন পক্ষের অনুরোধে বিনা খরচে সর্বোচ্চ কতবার আপিল শুনানি মুলতুবি আদেশ দেয়া যায়?
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-১২ক অনুযায়ী আপিল মুলতুবি (Adjournment in appeal): আপিলের ক্ষেত্রে কোন পক্ষের অনুরোধে আপিল আদালত ৩ বারের অধিক সময় মঞ্জুর করবেন না । ৩ বারের বেশি মুলতবি করলে আদালত নূন্যতম ২০০ টাকা ও অনধিক ১০০০ টাকা খরচ অপর পক্ষকে প্রদানের নির্দেশ দিবেন।
   •আপিলকারী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- আপিল খারিজ হবে।
   •প্রতিবাদী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- একতরফা নিষ্পত্তি হবে।
- একতরফাভাবে কোন আপিল খারিজ বা নিষ্পত্তি করা হলে তা শুনানির জন্য পুনরুজ্জীবিত করতে হলে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে এবং নূন্যতম ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ দিতে হবে। তবে খরচ সহ কয়টি মুলতুবি মঞ্জুর করা হবে তা উল্লেখ করা হয়নি।
-কোন পক্ষ আপিল পুনরুজ্জীবিত করার সুযোগ একবারই পাবেন।
- কোন কারণ লিপিবদ্ধ না করে আপিল আদালত নিজ উদ্যোগে কোন আপিল শুনানির স্তরে মুলতুবির আদেশ দিবেন থা
- অর্থাৎ যে পক্ষের খরচ প্রদানের ব্যর্থতায় আপীল খারিজ হয়েছে বা একতরফা নিষ্পত্তি হয়েছে, সে পক্ষ উক্ত আপীল পুনরুজীবিত করার আবেদন করতে পারে খারিজ আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে। আদালত সর্বনিম্ন ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ প্রদানের শর্তে প্রত্যেক পক্ষে সর্বোচ্চ একবার এরকম আবেদন মঞ্জুর করে থাকেন।
--------------------
⇒ CPC Order-41 Rule-12A .Adjournment in appeal:
(1) The Appellate Court shall not grant more than three adjournments for hearing of an appeal at the instance of either party to the appeal, and any adjournment granted to a party beyond the aforesaid limit shall make such party liable to pay such cost which shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka to the other party as the Court may deem appropriate and determine, non-compliance with which, by the appellant shall render the appeal liable to be dismissed and, by the respondent shall render the appeal liable to be disposed of ex parte.

(2) An appeal dismissed or disposed of ex parte under sub-rule (1) shall not be revived for hearing unless the party, for whose non-compliance the appeal was dismissed or  disposed of ex parte, makes, within thirty days of such dismissal or ex parte disposal, an application to the court for such revival; and upon such application being made, the Court shall award such cost as shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka as it may deem appropriate and determine, and the cost being deposited, the appeal shall be revived for hearing without any further proceeding; and the cost deposited in the Court shall be paid by it to the other party:
Provided that no appeal shall be revived more than once at the instance of the same party under this rule.

(3) The Appellate Court shall not, of its own, order any adjournment at the stage of hearing of appeal without recording reasons therefor.
১১.
কোন ডিক্রি বা আদেশে করণিক বা গাণিতিক ভুল বা আকষ্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির কারণে কোন ভুল হলে আদালত তাহা সংশোধন করতে পারে-
  1. মোকদ্দমার শুরুতে
  2. শুনানি কালে
  3. যে কোন সময়
  4. বিচার্য বিষয় গঠনের আগে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫২ ধারার বিধান রায়, ডিক্রি বা আদেশসমূহের সংশোধন। রায়, ডিক্রি বা আদেশে করণিক বা গাণিতিক ভুল অথবা কোন আকষ্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির কারণে তথায় কোন ভুল থাকলে যে কোন সময় আদালত নিজস্ব উদ্যোগে কিংবা কোন পক্ষের আবেদনে তা শুদ্ধ করতে পারে।
----------------
⇒ Section 152 Amendment of judgments, decrees or orders: Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.
১২.
একতরফা নিষ্পত্তিকৃত আপিল সরাসরি পুনঃশুনানির জন্য সর্বোচ্চ কত টাকা খরচা জমা দিতে হয়?
  1. ১০০০
  2. ২০০০
  3. ৩০০০
  4. ৬০০০
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-২১ক এর বিধান: সরাসরি আপিল পুনঃশুনানি:
প্রতিবাদীর বিরুদ্ধে একতরফা ডিক্রি হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে অ্যাফিডেভিটসহ পুনঃশুনানির জন্য আবেদন করলে আদালত সরাসরি পুনঃশুনানির আবেদন গ্রহণ করতে পারেন।
- তবে এক্ষেত্রে আদালত প্রতিবাদীকে অনধিক ৩০০০ টাকা পরিশোধের আদেশ দিতে পারেন।
------------------
CPC Order-41 Rule-21A. Direct re-hearing of appeal:
(1) Notwithstanding anything contained in rule 21 or any other law, the Court may, in order to avoid delay and expedite disposal, directly re-hear an appeal which is heard ex parte, without requiring the respondent to adduce evidence to satisfy it about sufficient causes as required under rule 21, but requiring him to pay such cost not exceeding three thousand taka as it may deem appropriate and determine:

Provided that an appeal under this rule shall not be reheard unless an application, supported by affidavit, praying for such re-hearing is made to the Court within thirty days of the date on which the ex parte decree is passed against the respondent:

Provided further that no appeal shall be re-heard more than once under this rule. (2) As soon as an order under sub-rule (1) is made to rehear an appeal, the Court shall cause notice thereof to be served at the cost of the respondent upon the appellant.
১৩.
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৫১ ধারা আদালতের ক্ষমতাকে বলা হয়-
  1. আপিল ক্ষমতা
  2. সাধারণ ক্ষমতা
  3. বিশেষ ক্ষমতা
  4. সহজাত ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫১ ধারায় আদালতের সহজাত ক্ষমতা রক্ষণের বিধান রয়েছে। ১৫১ ধারামতে দেওয়ানী আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।

- ন্যায়বিচারের জন্য অথবা আদালতের পরোয়ানার অবমাননা প্রতিরোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ দানের ব্যাপারে আদালতের যে অনন্তর্নিহিত ক্ষমতা রয়েছে, এই বিধির কোন বিধান দ্বারা তা সীমাবদ্ধ বা কোনভাবে প্রভাবিত হবে না।

- ১৫১ ধারার ক্ষমতা বলে দেওয়ানী আদালত অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা inherent power প্রয়োগ করতে পারেন।

- এই ধারা আদালতকে একটি বিপুল ক্ষমতা দিয়েছে। ন্যায়বিচার করার জন্য বা আদালতের ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করার জন্য আদালত তার সহজাত ক্ষমতাবলে যেকোন আদেশ দেওয়ার অধিকার রাখেন। আইন সমস্ত পরিস্থিতির মোকবেলা করার পূর্ণ বিধান দিতে পারে না। আইন যে সময় প্রণীত হয় সেই সময়ের পরিস্থিতি আইন প্রয়োগ হওয়ার সময় বদলে যেতে পারে; আইন প্রয়োগ হওয়ার পরে এমন অবস্থার উদ্ভব হতে পারে, যা আইনপ্রণেতাগণ আইন প্রণয়নের সময় ভাবতেও পারেন নাই; এই সমস্ত কারণে এই ধারায় বলা হয়েছে, আদালত তার নিজস্ব বিবেচনায় সবিচারের জন্য যেকোন আদেশ দিতে পারেন।
-----------
⇒ CPC Section: 151. Saving of inherent powers of Court:
- Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.
১৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধান মতে আপিল আদালত পুনঃবিচারের নিমিত্তে মোকদ্দমা প্রেরণ করতে পারেন?
  1. ৪১ আদেশের ১২ নিয়ম মতে
  2. ৪১ আদেশের ২০ নিয়ম মতে
  3. ৪১ আদেশের ২৩ নিয়ম মতে
  4. ৪১ আদেশর ৩১ নিয়ম মতে
ব্যাখ্যা
- ১০৭ ধারায় আপীল আদালতকে কোন মোকদ্দমা পুনঃপ্রেরণ করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
- কোন কোন প্রেক্ষাপটে আপীল আদালত এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে তা আদেশ ৪১ এর ২৩ বিধি এবং ২০ বিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
- মামলা বিচারের সময়ে নিম্ন আদালত কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উপেক্ষা করে থাকলে তা বিবেচনা করার জন্য বা প্রাথমিক প্রশ্নে (Preliminary points) মামলা নিষ্পত্তি ক থাকলে, আপীলে সেই সিদ্ধান্ত বাতিল হলে, আপীল আদালত মামলাটি পুনর্বিচারের জন্য ৪১ আদেশের ২০ বিধির অধীন নিম্ন আদালতে পুনঃপ্রেরণ করতে পারবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-২৩ বিচারের নিমিত্তে আপিল আদালত কর্তৃক মোকদ্দমা পুনঃপ্রেরণ:
- যেক্ষেত্রে যে আদালতের ডিক্রী হতে আপিল দায়ের করা হয়েছে, সে আদালত যদি মোকদ্দমাটি কোন প্রাথমিক বিষয়ের উপর নিস্পত্তি করে থাকেন এবং আপিলে উক্ত ডিক্রী রদ হয় সেক্ষেত্রে আপিল আদালত উপযুক্ত মনে করলে মোকদ্দমাটি পুনঃপ্রেরণের আদেশ দিতে পারেন এবং অনুরূপে পুনঃপ্রেরিত মোকদ্দমায় কোন্ কোন বিষয় বা বিষয়াবলীর বিচার করতে হবে তৎসম্পর্কে আরো নির্দেশ দিতে পারেন এবং এটির রায়ের ও আদেশের একটি নকল যে আদালতে ডিক্রী হতে আপিল করা হয়েছে, অনুরূপ আদালতে দেওয়ানি মোকদ্দমার রেজিস্ট্রারে সেটির মূল নম্বরের অধীনে মোকদ্দমাটি বিচারার্থে পুনঃগ্রহণ করার এবং মোকদ্দমা নিস্পত্তি করার নির্দেশাবলীসহ প্রেরণ করতে হবে এবং মূল বিচারকালে লিপিবদ্ধকৃত সাক্ষ্য (যদি কোন) যাবতীয় সঙ্গত ব্যতিক্রম সাপেক্ষে ঐগুলোও পুনরায় প্রেরণের পর বিচারকালে সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে।
------------
⇒ CPC Order-41 Rule-23. Remand of case by Appellate Court:
- Where the Court from whose decree an appeal is preferred has disposed of the suit upon a preliminary point and the decree is reversed in appeal, the Appellate Court may, if it thinks fit, by order remand the case, and may further direct what issue or issues shall be tried in the case so remanded, and shall send a copy of its judgment and order to the Court from whose decree the appeal is preferred, with directions to re-admit the suit under its original number in the register of civil suits, and proceed to determine the suit; and the evidence (if any) recorded during the original trial shall, subject to all just exceptions, be evidence during the trial after remand. 
১৫.
একটি দেওয়ানি মামলার যুগ্ম জেলা জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন হবে কোন আদালতে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. আপিল বিভাগ
  3. জেলা জজ
  4. অতিরিক্ত জেলা জজ
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিশন (Revision)- রিভিশন হলো উচ্চতর আদালতের পুনর্বিবেচনামূলক প্রতিকার। উচ্চতর আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত নিম্নতর আদালতের উপর তদারকি ক্ষমতা হলো রিভিশন। দেওয়ানী ও ফৌজদারি উভয় মামলার বিচারকার্যে রিভিশন প্রযোজ্য। রিভিশনের ক্ষমতাকে তদারকি ক্ষমতা বা ন্যায়বিচার সম্পন্ন করার ক্ষমতা বা নথিপত্র তলব করার ক্ষমতাও বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারায় রিভিশনের বিধান রয়েছে।
- ১১৫ ধারার বিধান মোতাবেক হাইকোর্ট ও জেলা জজ আদালতের রিভিশন ক্ষমতা আছে।
- দেওয়ানী মামলায় রিভিশনের দায়েরের স্থান-
১) জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে- হাইকোর্ট বিভাগে।
২) যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে- হাইকোর্ট বিভাগে।
৩) যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন আদেশের বিরুদ্ধে - জেলা জজ আদালতে।
- ১১৫ ধারার বিধান মোতাবেক হাইকোর্ট ও জেলা জজ আদালতের রিভিশন ক্ষমতা আছে।

- অর্থাৎ দেওয়ানি মামলার যুগ্ম জেলা জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন করতে হবে- জেলা জজ আদালতে।

অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে সরাসরি রিভিশন দায়ের করা যায় না, জেলা জজ আদালতে কোন রিভিশন দায়ের করলে জেলা জজ এটি অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে প্রেরণ করেন। 
১৬.
প্রত্যেকটি আপিল মেমোতে উল্লেখ থাকবে_____।
  1. ডিক্রির আপিলের প্রয়োজনীয়তা;
  2. ডিক্রির যুক্তিতর্ক এবং বর্ণনা;
  3. যুক্তিতর্ক এবং বর্ণনা ব্যতীত আপিলকৃত ডিক্রির আপত্তির কারণসমূহ;
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, এর আদেশ ৪১ বিধি ১ মতে:
-প্রত্যেকটি আপিল স্মারকলিপির আকারে আদালতে দাখিল করতে হবে। যে ডিক্রি বা রায় হতে আপিল করা হচ্ছে তার একটি নকল স্মারকলিপির সঙ্গে প্রদান করতে হবে।
- প্রত্যেক আপিল আপিলকারী বা তার উকিল দ্বারা স্বাক্ষরিত হতে হবে।
- যে ডিক্রি হতে আপিল করা হচ্ছে, সেই ডিক্রি সম্পর্কে আপত্তির কারণগুলি সংক্ষেপে এবং স্পষ্ট শিরোনামে ব্যাখ্যা করতে হবে এবং কারণগুলি ধারাবাহিক নম্বর যুক্ত হতে হবে।
- অর্থাৎ আপিল মেমোতে আপীলকৃত ডিক্রির আপত্তির কারণসমূহ যুক্তিতর্ক এবং বর্ণনা ব্যতীত সংক্ষেপে এবং স্বতন্ত্র শিরোণামে উল্লেখ থাকতে হবে।
--------------
CPC Order-41 Rule-1.Form of appeal. What to accompany memorandum:
(1) Every appeal shall be preferred in the form of a memorandum signed by the appellant or his pleader and presented to the Court or to such officer as it appoints in this behalf. The memorandum shall be accompanied by a copy of the decree appealed from and (unless the Appellate Court dispenses therewith) of the Judgment on which it is founded. 

- Contents of memorandum:
(2) The memorandum shall set forth, concisely and under distinct heads, the grounds of objection to the decree appealed from without any argument or narrative; and such grounds shall be numbered consecutively. 
১৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির Order 11 rule 21 অনুসারে আদালত কোনো আদেশ প্রচার করলে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির প্রতিকার-
  1. Order 9 অনুসারে ছানি মামলা করা
  2. Order 43 rule 1 অনুসারে বিবিধ আপীল করা
  3. Section 96 এর বিধান অনুসারে আপীল দায়ের করা
  4. Section 115 এর বিধান অনুসারে রিভিশন দায়ের করা
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১১ বিধি ২১ অনুযায়ী,
প্রশ্নকারীপক্ষ অথবা দলিলসমূহ উদ্‌ঘাটন বা পরিদর্শন প্রার্থনাকারী আদালতে আবেদন করলে, আদালত অপরপক্ষকে নিম্নোক্ত আদেশ দিবেন-
- প্রশ্নমালার উত্তরদান (answer to interrogatories)- এর আদেশ, বা
- দলিলসমূহ প্রকাশ/উদঘাটন [discovery of documents]- এর আদেশ, বা
- দলিলসমূহ পরিদর্শন [inspection of documents]- এর আদেশ।

সংশ্লিষ্ট পক্ষ উপরিউক্ত আদেশ পালন করতে ব্যর্থ হলে বা অমান্য করলে (তার ফলাফল)-
- বাদীর ব্যর্থ হলে- বাদীর মোকদ্দমা খারিজ আদেশ দিবে এবং
- বিবাদী ব্যর্থ হলে- আত্মপক্ষ সমর্থন বাতিল (To strike out defence) আদেশ দিবে।

প্রতিকার: The Code of Civil Procedure, 1908 এর ৪৩ আদেশে যেসকল আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে, সে সম্পর্কে বলা আছে। আদেশ ১১ বিধি ২১ অনুযায়ী, আদালত কোনো আদেশ দিলে তা আপিলযোগ্য আদেশ বলে গণ্য হবে।
- Order 43 rule 1(f) এর অধীন এই আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ পক্ষ আপিল করতে পারবে।
১৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় কোন জজ, ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্যান্য বিচারিক কর্মকর্তাকে দেওয়ানী প্রক্রিয়ায় গ্রেফতার হতে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে?
  1. ১৩২ ধারায়
  2. ১৩৫ক ধারায়
  3. ১৩৫ ধারায়
  4. ১৩৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩৫ ধারার বিধান: দেওয়ানি পরোয়ানার অধীনে গ্রেফতার হতে অব্যাহতি:-
১) কোন জজ, ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্যান্য বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাকে আদালতে গমনের সময়, আদালতে মোকদ্দমা পরিচালনা করতে বা তার আদালত থেকে প্রত্যাবর্তন করার সময় কোন দেওয়ানি পরোয়ানার অধীনে গ্রেফতার হবে না।

২) এখতিয়ারসম্পন্ন কিংবা এরূপ এতিয়ার আছে হিসাবে সরলভাবে বিশ্বাস করেন, এরূপ কোন ট্রাইব্যুনালে কোন বিষয় বিচারাধীন থাকলে তৎবিষয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ তাদের উকিলগণ, মোক্তারগণ, রেভিনিউ এজেন্ট, অনুমোদিত এজেন্ট এবং সমনপ্রাপ্ত সাক্ষীগণ সংশ্লিষ্ট ব্যাপারে ট্রাইব্যুনালের সমীপে গমনকালে, উপস্থিত থাকাকালীন সময়ে বা ঐ স্থল থেকে প্রত্যাবর্তনের প্রাক্কালে আদালত অবমাননার দোষে উক্ত ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জারিকৃত পরওয়ানা ব্যতীত অন্য কোন দেওয়ানি পরোয়ানাধীনে গ্রেফতার থেকে অব্যাহতি পাবেন।

৩) যদি কোন রায়সিদ্ধ দেনাদারকে অবিলম্বে গ্রেফতারের আদেশ প্রদান করা হয়ে থাকে বা ডিক্রি জারির জন্য তাকে কেন জেলে সোপর্দ করা হবে না, তার কারণ দর্শাতে বলা হয়ে থাকে, তখন ঐ ব্যক্তি (২) উপ-ধারানুসারে অব্যাহতি দাবি করতে সমর্থ হবে না।
------------
⇒ CPC Section: 135. Exemption from arrest under civil process:
(1) No Judge, Magistrate or other judicial officer shall be liable to arrest under civil process while going to, presiding in, or returning from, his Court. 
 
(2) Where any matter is pending before a tribunal having jurisdiction therein, or believing in good faith that it has such jurisdiction, the parties thereto, their pleaders, mukhtars, revenue-agents and recognised agents, and their witnesses acting in obedience to a summons, shall be exempt from arrest under civil process other than process issued by such tribunal for contempt of Court while going to or attending such tribunal for the purpose of such matter, and while returning from such tribunal. 
 
(3) Nothing in sub-section (2) shall enable a judgment-debtor to claim exemption from arrest under an order for immediate execution or where such judgment-debtor attends to show cause why he should not be committed to prison in execution of a decree.
১৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির Order XLI, Rule 12A অনুযায়ী আপিল পুনজ্জীবিত করার আদেশ প্রত্যেক পক্ষের অনুকুলে সর্বোচ্চ কয়টি মঞ্জুর করা হয়?
  1. ১ টি
  2. ২ টি
  3. ৩ টি
  4. ৬ টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-১২ক অনুযায়ী আপিল মুলতুবি (Adjournment in appeal): আপিলের ক্ষেত্রে কোন পক্ষের অনুরোধে আপিল আদালত ৩ বারের অধিক সময় মঞ্জুর করবেন না । ৩ বারের বেশি মুলতবি করলে আদালত নূন্যতম ২০০ টাকা ও অনধিক ১০০০ টাকা খরচ অপর পক্ষকে প্রদানের নির্দেশ দিবেন।
   •আপিলকারী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- আপিল খারিজ হবে।
   •প্রতিবাদী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- একতরফা নিষ্পত্তি হবে।
- একতরফাভাবে কোন আপিল খারিজ বা নিষ্পত্তি করা হলে তা শুনানির জন্য পুনরুজ্জীবিত করতে হলে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে এবং নূন্যতম ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ দিতে হবে। তবে খরচ সহ কয়টি মুলতুবি মঞ্জুর করা হবে তা উল্লেখ করা হয়নি।
-কোন পক্ষ আপিল পুনরুজ্জীবিত করার সুযোগ একবারই পাবেন।
- কোন কারণ লিপিবদ্ধ না করে আপিল আদালত নিজ উদ্যোগে কোন আপিল শুনানির স্তরে মুলতুবির আদেশ দিবেন থা
- অর্থাৎ যে পক্ষের খরচ প্রদানের ব্যর্থতায় আপীল খারিজ হয়েছে বা একতরফা নিষ্পত্তি হয়েছে, সে পক্ষ উক্ত আপীল পুনরুজীবিত করার আবেদন করতে পারে খারিজ আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে। আদালত সর্বনিম্ন ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ প্রদানের শর্তে প্রত্যেক পক্ষে সর্বোচ্চ একবার এরকম আবেদন মঞ্জুর করে থাকেন।
--------------------
⇒ CPC Order-41 Rule-12A .Adjournment in appeal:
(1) The Appellate Court shall not grant more than three adjournments for hearing of an appeal at the instance of either party to the appeal, and any adjournment granted to a party beyond the aforesaid limit shall make such party liable to pay such cost which shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka to the other party as the Court may deem appropriate and determine, non-compliance with which, by the appellant shall render the appeal liable to be dismissed and, by the respondent shall render the appeal liable to be disposed of ex parte.

(2) An appeal dismissed or disposed of ex parte under sub-rule (1) shall not be revived for hearing unless the party, for whose non-compliance the appeal was dismissed or  disposed of ex parte, makes, within thirty days of such dismissal or ex parte disposal, an application to the court for such revival; and upon such application being made, the Court shall award such cost as shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka as it may deem appropriate and determine, and the cost being deposited, the appeal shall be revived for hearing without any further proceeding; and the cost deposited in the Court shall be paid by it to the other party:
Provided that no appeal shall be revived more than once at the instance of the same party under this rule.

(3) The Appellate Court shall not, of its own, order any adjournment at the stage of hearing of appeal without recording reasons therefor.
২০.
চূড়ান্ত ডিক্রি প্রচারের পর সংক্ষুব্ধ পক্ষ নিম্নের কোন পদক্ষেপ নিতে পারবে?
  1. প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল
  2. প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে রিভিশন
  3. প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে রিভিউ
  4. চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৭ ধারানুযায়ী, প্রদত্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিলের বিধান:
প্রাথমিক ডিক্রিতে যে বিরোধের নিষ্পত্তি হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আপিল করা না হলে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল হলে তখন উক্ত আপিলে প্রাথমিক ডিক্রির যথার্থতা/বৈধতা অস্বীকার করা যাবে না।
- অর্থাৎ প্রাথমিক ডিক্রি দেওয়া হলে, প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে। প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা না হলে- যখন চূড়ান্ত ডিক্রি দেওয়া হবে তখন প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না অথবা চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা হলেও প্রাথমিক ডিক্রির বৈধতা নিয়ে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না।

- এ ধারার সারমর্ম হচ্ছে-
প্রাথমিক ডিক্রি এবং চূড়ান্ত ডিক্রি উভয় ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে। তবে প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল না করলে চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে দায়েরকৃত আপিলে প্রাথমিক ডিক্রি নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।
---------------
⇒ CPC Section-97. Appeal from final decree where no appeal from preliminary decree:
 - Where any party aggrieved by a preliminary decree passed after the commencement of this Code does not appeal from such decree, he shall be precluded from disputing its correctness in any appeal which may be preferred from the final decree.
২১.
দেওয়ানি মামলায় কোন পক্ষের অনুরোধে ৩ বারের অধিক সময়ের জন্য আপিল শুনানি মুলতুবির আবেদন করা হলে, আদালত অনধিক কত টাকা খরচ অপর পক্ষকে প্রদানের নির্দেশ দিবেন?
  1. ২০০
  2. ১০০০
  3. ৩০০০
  4. ২০০০
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-১২ক অনুযায়ী আপিল মুলতুবি: আপিলের ক্ষেত্রে কোন পক্ষের অনুরোধে আপিল আদালত ৩ বারের অধিক সময় মঞ্জুর করবেন না । ৩ বারের বেশি মুলতবি করলে আদালত নূন্যতম ২০০ টাকা ও অনধিক ১০০০ টাকা খরচ অপর পক্ষকে প্রদানের নির্দেশ দিবেন।
   - আপিলকারী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- আপিল খারিজ হবে।
   - প্রতিবাদী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- একতরফা নিষ্পত্তি হবে।
- একতরফাভাবে কোন আপিল খারিজ বা নিষ্পত্তি করা হলে তা শুনানির জন্য পুনরুজ্জীবিত করতে হলে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে এবং নূন্যতম ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ দিতে হবে। তবে খরচ সহ কয়টি মুলতুবি মঞ্জুর করা হবে তা উল্লেখ করা হয়নি।
-কোন পক্ষ আপিল পুনরুজ্জীবিত করার সুযোগ একবারই পাবেন।
- কোন কারণ লিপিবদ্ধ না করে আপিল আদালত নিজ উদ্যোগে কোন আপিল শুনানির স্তরে মুলতুবির আদেশ দিবেন থা
- অর্থাৎ যে পক্ষের খরচ প্রদানের ব্যর্থতায় আপীল খারিজ হয়েছে বা একতরফা নিষ্পত্তি হয়েছে, সে পক্ষ উক্ত আপীল পুনরুজীবিত করার আবেদন করতে পারে খারিজ আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে। আদালত সর্বনিম্ন ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ প্রদানের শর্তে প্রত্যেক পক্ষে সর্বোচ্চ একবার এরকম আবেদন মঞ্জুর করে থাকেন।
--------------------
⇒ CPC Order-41 Rule-12A .Adjournment in appeal:
(1) The Appellate Court shall not grant more than three adjournments for hearing of an appeal at the instance of either party to the appeal, and any adjournment granted to a party beyond the aforesaid limit shall make such party liable to pay such cost which shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka to the other party as the Court may deem appropriate and determine, non-compliance with which, by the appellant shall render the appeal liable to be dismissed and, by the respondent shall render the appeal liable to be disposed of ex parte.

(2) An appeal dismissed or disposed of ex parte under sub-rule (1) shall not be revived for hearing unless the party, for whose non-compliance the appeal was dismissed or  disposed of ex parte, makes, within thirty days of such dismissal or ex parte disposal, an application to the court for such revival; and upon such application being made, the Court shall award such cost as shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka as it may deem appropriate and determine, and the cost being deposited, the appeal shall be revived for hearing without any further proceeding; and the cost deposited in the Court shall be paid by it to the other party:
Provided that no appeal shall be revived more than once at the instance of the same party under this rule.

(3) The Appellate Court shall not, of its own, order any adjournment at the stage of hearing of appeal without recording reasons therefor.
২২.
দেওয়ানী আদালত কোন ক্ষেত্রে অন্তর্নিহিত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না?
  1. ন্যায়বিচার নিশ্চিতের ক্ষেত্রে
  2. তামাদির বাধা অতিক্রম করতে
  3. আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধের ক্ষেত্রে
  4. আদালতের কার্যক্রমে কোনো পক্ষকে অন্যায় সুবিধা নেওয়া থেকে বিরত রাখতে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী আদালত তামাদির বাধা অতিক্রম করাতে অন্তর্নিহিত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫১ ধারায় আদালতের সহজাত ক্ষমতা রক্ষণের বিধান রয়েছে। 
- ১৫১ ধারামতে দেওয়ানী আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।

⇒  ন্যায়বিচারের জন্য অথবা আদালতের পরোয়ানার অবমাননা প্রতিরোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ দানের ব্যাপারে আদালতের যে অনন্তর্নিহিত ক্ষমতা রয়েছে, এই বিধির কোন বিধান দ্বারা তা সীমাবদ্ধ বা কোনভাবে প্রভাবিত হবে না।
⇒  ১৫১ ধারার ক্ষমতা বলে দেওয়ানী আদালত অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা inherent power প্রয়োগ করতে পারেন।

⇒ এই ধারা আদালতকে একটি বিপুল ক্ষমতা দিয়েছে। ন্যায়বিচার করার জন্য বা আদালতের ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করার জন্য আদালত তার সহজাত ক্ষমতাবলে যেকোন আদেশ দেওয়ার অধিকার রাখেন। আইন সমস্ত পরিস্থিতির মোকবেলা করার পূর্ণ বিধান দিতে পারে না। আইন যে সময় প্রণীত হয় সেই সময়ের পরিস্থিতি আইন প্রয়োগ হওয়ার সময় বদলে যেতে পারে; আইন প্রয়োগ হওয়ার পরে এমন অবস্থার উদ্ভব হতে পারে, যা আইনপ্রণেতাগণ আইন প্রণয়নের সময় ভাবতেও পারেন নাই; এই সমস্ত কারণে এই ধারায় বলা হয়েছে, আদালত তার নিজস্ব বিবেচনায় সবিচারের জন্য যেকোন আদেশ দিতে পারেন।
-------------
⇒ CPC Section: 151. Saving of inherent powers of Court:
- Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.
২৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারায় হলফনামা শপথ পরিচালনা হওয়ার বিধান আছে?
  1. ১৩৭ ধারা
  2. ১৩৯ ধারা
  3. ১৪৪ ধারা
  4. ১৪২ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১৩৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, কোন আদালত বা ম্যাজিষ্ট্রেট বা কোন ব্যক্তি বা অফিসার বা সরকার কর্তৃক নিযুক্ত ব্যক্তি হলফনামা শপথ করবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩৯ ধারার বিধান হলফনামার শপথ যার দ্বারা পরিচালিত হবে: এই আইন মোতাবেক কোন এফিডেভিটের ক্ষেত্রে-
ক) যে কোন আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট; অথবা
খ) যে কোন অফিসার বা অন্য কোন ব্যক্তি যাকে সুপ্রিমকোর্ট এতদুদ্দেশ্যে নিয়োগ করতে পারেন; অথবা
গ) সরকার কর্তৃক সাধারণ বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন আদালতে যে ব্যক্তিকে এই কার্যের জন্য নিযুক্ত করতে পারেন, তিনি শপথ গ্রহণকারীর প্রতি শপথ পরিচালনা করতে পারবেন।
------------
⇒ CPC Section: 139. Oath on affidavit by whom to be administered:
 In the case of any affidavit under this Code- 
(a) any Court or Magistrate, or 
(b) any officer or other person whom 107[the Supreme Court] may appoint in this behalf, or 
(c) any officer appointed by any other Court which the Government has generally or specially empowered in this behalf,
may administer the oath to the deponent.
২৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় 'Miscellaneous proceedings' এর বিধান আছে?
  1. ১৩৯ ধারায়
  2. ১৪০ ধারায়
  3. ১৪১ ধারায়
  4. ১৪২ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪১ ধারার বিধান: বিবিধ কার্যক্রমসমূহ: এই আইনে মোকদ্দমা সম্পর্কে উল্লেখিত কার্যপ্রণালী দেওয়ানি এখতিয়ারসম্পন্ন যে কোন আদালতে যাবতীয় কার্যক্রমের ক্ষেত্রে যথাসম্ভব প্রযোজ্য: অনুসরণ করতে হবে।
---------------
⇒ CPC Section: 141. Miscellaneous proceedings:
- The procedure provided in this Code in regard to suits shall be followed, as far as it can be made applicable, in all proceedings in any Court of civil jurisdiction.
২৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির Order-XXI rule 92 অনুসারে প্রদত্ত "Setting aside or refusing to set aside a sale" আদেশটি-
  1. রিভিশনযোগ্য
  2. আপিলযোগ্য
  3. ১৫১ ধারার বিধান মতে রদ ও রহিতযোগ্য
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
⇒ আপিলযোগ্য আদেশ:
 সাধারনত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলে না, তবে আদেশটি যদি আপিলযোগ্য আদেশ হয় তাহলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়। যে সকল আদেশ আপিলযোগ্য, সে সকল আদেশ সম্পর্কে Order 43 এ বিধান রয়েছে। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) রয়েছে।

-Order 43, Rule 1(J) অনুসারে:
২১ অর্ডারের ৭২ অথবা ৯২ রুল-এর অধীন ডিক্রি জারিতে বিক্রয় বাতিল করার আদেশ বা বিক্রয় বাতিলের আবেদন প্রত্যাখ্যান করার আদেশ (setting aside or refusing to set aside)- একটি আপিলযোগ্য আদেশ।
২৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমায় আদেশের বিরূদ্ধে আপিলের বিধান আছে?
  1. ৯৬ ধারায়
  2. ১০৪ ধারায়
  3. ১০৭ ধারায়
  4. ৯৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒  দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১০৪ ধারায় বলা হয়েছে যে, যে ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট বিধান রয়েছে সেই ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য কোন আদেশ হতে আপীল চলবেনা।
- কোন কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে তার বর্ণনা আছে আদেশ ৪৩ তে।
- দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৪ ধারায় এবং ৪৩ আদেশে আপীলযোগ্য আদেশ  এর তালিকা উল্লেখ করা হয়েছে।
- দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন আদালত কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ যদি ১০৪ ধারায় বা ৪৩ আদেশে উল্লেখিত কোন আপীলযোগ্য আদেশ হয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।
--------------------------------
⇒ CPC Section-104. Orders from which appeal lies.
(1) An appeal shall lie from the following orders, and save as otherwise expressly provided in the body of this Code or by any law for the time being in force, from no other orders:
(ff) an order under section 35A;
(g) an order under section 95; 
(h) an order under any of the provisions of this Code imposing a fine or directing the arrest or detention in the civil prison of any person except where such arrest or detention is in execution of a decree; 
(i) any order made under rules from which an appeal is expressly allowed by rules: 
 
Provided that no appeal shall lie against any order specified in clause (ff) save on the ground that no order, or an order for the payment of a less amount, ought to have been made. 
 
(2) No appeal shall lie from any order passed in appeal under this section.
২৭.
বাদীর অনুকূলে মামলার ডিক্রি হওয়ার পর আদালতের প্রস্তুতকৃত ডিক্রিতে ভুল থাকলে করণীয় কী?
  1. আপীল আদালতে আপীল করবে।
  2. ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে রিভিশান করবে।
  3. বাদী ১৫২ ধারার অধীনে ডিক্রি সংশোধনের জন্য আবেদন করবে।
  4. ডিক্রি প্রদানকারী বিচারিক আদালতে আপীল করবে।
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় কোন দেওয়ানি মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি, আদেশ সংশোধন করার বিধান রয়েছে। সাধারণত রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ একবার আদালত কর্তৃক স্বাক্ষরিত ও ঘোষিত হওয়ার পর কেবলমাত্র ১৫২ ধারা বা রিভিউ ব্যতীত কোনভাবে সংশোধন করা যাবে না।

- দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫২ ধারায় আদালতের রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করার ক্ষমতা রয়েছে। ১৫২ ধারামতে আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে করনিক বা গানিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes), আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির (accidental slip or omission ) কারণে রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করতে পারে।

- বাদীর অনুকূলে মামলার ডিক্রি হওয়ার পর আদালতের প্রস্তুতকৃত ডিক্রিতে ভুল থাকলে বাদী ১৫২ ধারার অধীনে ডিক্রি সংশোধনের জন্য আবেদন করতে পারেন। 
----------------------
⇒ CPC Section: 152. Amendment of judgments, decrees or orders:
-Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.
২৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় পার্লামেন্ট সদস্যকে পার্লামেন্ট সভা চলাকালীন দেওয়ানী প্রক্রিয়ায় গ্রেফতার হতে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে?
  1. ১৩৩ ধারায়
  2. ১৩৫ ধারায়
  3. ১৩৫ক ধারায়
  4. ১৩৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩৫ক ধারার বিধান: দেওয়ানি পরোয়ানায় আটক ও গ্রেফতার হতে সংসদ সদস্যদের অব্যাহতি:
-১) নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তিকে দেওয়ানি পরোয়ানাধীনে গ্রেফতার অথবা জেলে আটক রাখা যাবে না-

ক) যদি উক্ত ব্যক্তি সংসদের সদস্য হন, তবে সংসদের অধিবেশন চলাকালীন সময়ে; খ) যদি উক্ত ব্যক্তি সংসদের কোন কমিটির একজন সদস্য হন, তবে এরূপ কমিটির অধিবেশন চলাকালীন সময়ে; এবং এরূপ অধিবেশন বা বৈঠকের পূর্বের বা পরের চৌদ্দ দিন সময় পর্যন্ত।

২) উপ-ধারা (১) অনুসারে আটকাদেশ হতে মুক্ত কোন ব্যক্তিকে এই উপ-ধারায় উল্লেখিত 7 বিধান সাপেক্ষে পুনঃ গ্রেফতার করা যাবে এবং তিনি (১) উপ-ধারার বিধানের অধীনে মুক্ত না হলে আরও যতদিন আটক থাকতে হত, ততদিন তাকে আটক রাখা যাবে।
--------------------------------
⇒ CPC Section: 135A. Exemption of members of legislative bodies from arrest and detention under civil process:
(1) No person shall be liable to arrest or detention in prison under civil process- 
(a) if he is a member of Parliament during the continuance of any meeting of Parliament; 
(b) if he is a member of any committee of Parliament, during the continuance of any meeting of such committee; 
 and during the fourteen days before and after such meeting or sitting.

(2) A person released from detention under sub-section (1) shall, subject to the provisions of the said sub-section, be liable to re-arrest and to the further detention to which he would have been liable if he had not been released under the provisions of sub-section (1).
২৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধানে আপিলযোগ্য আদেশগুলির তালিকা আছে?
  1. ৯৬ ধারা
  2. ১০৬ ধারা
  3. আদেশ ৪১ বিধি ১
  4. আদেশ ৪৩ বিধি ১
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ বিধি ১ তে আপিলযোগ্য আদেশগুলির তালিকা আছে।
- সাধারনত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলে না, তবে আদেশটি যদি আপিলযোগ্য আদেশ হয় তাহলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়। যে সকল আদেশ আপিলযোগ্য, সে সকল আদেশ সম্পর্কে Order 43 এ বিধান রয়েছে।আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) রয়েছে।

অর্থাৎ সাধারণত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলে না তবে আদেশ ৪৩ বিধি ১ তে মোট ২৫ টি আদেশ উল্লেখ আছে যেগুলার বিরুদ্ধে আপীল চলে। 
৩০.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় 'Application for restitution' এর বিধান আছে?
  1. ১৪০
  2. ১৪১
  3. ১৪৪
  4. ৪৪
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪৪ ধারার বিধান: প্রত্যর্পণের দরখাস্ত: 
(১) যে ক্ষেত্রে কোন - ডিক্রির পরিবর্তন বা রদ করা হয়, সে ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়ার অধিকারী কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, প্রাথমিক আদালত -(ডিক্রি প্রদানকারী আদালত) এরূপ প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা - করবেন, যাতে উক্ত ডিক্রি আদৌ প্রদত্ত না হলে পক্ষগণ যে অবস্থায় থাকতেন তাদেরকে সেই অবস্থায় স্থাপন করবেন এবং এই উদ্দেশ্যে আদালত ডিক্রি রদবদলের দরুন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রার্থীকে তার প্রাপ্য মোকদ্দমার খরচ, সুদ, ক্ষতিপূরণ ও অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা পরিশোধসহ আদালত যথোপযুক্ত আদেশ দান করতে পারেন।

(২) উপধারা (১) অনুসারে আবেদন করে প্রত্যর্পণ বা অন্য কোন প্রতিকার পাওয়া গেলে, এই উদ্দেশ্যে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা চলবে না।
-----------------------
⇒ CPC Section: 144. Application for restitution.
(1) Where and in so far as a decree is varied or reversed, the Court of first instance shall, on the application of any party entitled to any benefit by way of restitution or otherwise, cause such restitution to be made as will, so far as may be, place the parties in the position which they would have occupied but for such decree or such part thereof as has been varied or reversed; and, for this purpose, the Court may make any orders, including orders for the refund of costs and for the payment of interest, damages, compensation and mesne profits, which are properly consequential on such variation or reversal. 
(2) No suit shall be instituted for the purpose of obtaining any restitution or other relief which could be obtained by application under sub-section (1).
৩১.
আপিল খারিজ আদেশের কত দিনের মধ্যে আবেদন করা হলে তা সরাসরি পুনঃগ্রহণ (Re-admit) করা যায়?
  1. ১৫
  2. ৩০
  3. ৬০
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-১৯ক এর বিধান আপিল সরাসরি পুনঃগ্রহণ:
- বিলম্ব এড়ানো ও বিচার ত্বরান্বিত করার উদ্দেশ্যে আপিলকারীকে পর্যাপ্ত কারণ বিষয়ে সন্তুষ্ট করার উদ্দেশ্যে সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ প্রদান না করেই সরাসরি আপিল পুনঃগ্রহণ করতে পারেন; এজন্য খারিজের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে অ্যাফিডেভিটসহ আবেদন করতে হবে।
- এই বিধির অধীন সর্বোচ্চ ১ বার আপিল পুনঃগ্রহণের আবেদন করা যাবে।
--------------------------------------
CPC Order-41 Rule-19A. Direct readmission of appeal:
(1) Notwithstanding anything contained in rule 19 or any other law, the Court may, in order to avoid delay and expedite disposal, directly re-admit without requiring the appellant to adduce evidence to satisfy it about sufficient causes as required under rule 19:

Provided that the appeal under this rule shall not be readmitted unless an application, supported by affidavit, praying for such re-admission is made to the Court within thirty days of the date on which the appeal is dismissed for default:

Provided further that no appeal shall be re-admitted more than once under this rule.

(2) As soon as an order under sub-rule (1) is made to readmit an appeal, the Court shall cause notice thereof to be served at the cost of the appellant upon the respondent who appeared in the appeal.
৩২.
দেওয়ানি কার্যধারার কোনো ত্রুটি সংশোধনের জন্য আদালত এখতিয়ার প্রয়োগ করেন The Code of Civil Procedure, 1908 এর-
  1. ১৫১ ধারায়
  2. ১৫২ ধারায়
  3. ১৫৩ ধারায়
  4. ১১৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারার বিধান সংশোধন করার সাধারণ ক্ষমতা: আদালত যে - কোন সময় এবং খরচ সম্পর্কে উপযুক্ত যেকোন শর্ত দিয়ে সংশোধন করতে পারেন, এবং প্রয়োজনীয় যাবতীয় কোন মোকদ্দমার কার্যক্রম সংক্রান্ত যেকোন ভুল ত্রুটি সংশোধন মোকদ্দমার সংশ্লিষ্ট প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের উদ্দেশ্যে করা হবে।

অর্থাৎ আদালত যেকোনো সময় (At any stage), যেকোনো শর্তে, প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারণের উদ্দেশ্যে, কোন মোকদ্দমার কার্যক্রম সংক্রান্ত যে কোন ভুলত্রুটি সংশোধন করতে পারেন।
----------------
⇒ CPC Section: 153. General power to amend:
The Court may at any time, and on such terms as to costs or otherwise as it thinks fit, amend any defect or error in any proceeding in a suit; and all necessary amendments shall be made for the purpose of determining the real question or issue raised by or depending on such proceeding.
৩৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারার বিধান মতে আপিল আদালত পুনর্বিচারের নিমিত্তে মোকদ্দমা প্রেরণ করতে পারেন?
  1. ১০৪
  2. ১০৭
  3. ১৪০
  4. ১৪৪
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৭ ধারায় আপিল আদালতকে চারটি ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে- 
১)  আপিলে মোকদ্দমাটি চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করা [To determine a case finally];
২) পুনঃবিচারের নিমিত্তে নিম্ন আদালতে মোকদ্দমা প্রেরণ করা [To remand a case]; অর্থাৎ- মোকদ্দমাটি পুনঃবিচারের জন্য নিম্ন আদালতে প্রেরণ করা/ফেরত পাঠানো;
৩) পুনঃবিচারে প্রেরণের জন্য বিচার্য বিষয় গঠন [To frame issues and refer them for trial]; অর্থাৎ, শুনানির পর্যায়ে যদি প্রতীয়মান হয় যে, যেসব ইস্যুর উপর মূল মামলাটি নিষ্পত্তি করা হয়েছে তার অতিরিক্ত আরও বিচার্য বিষয় (issues) প্রণয়ন করা প্রয়োজন, তখন বিচার্য বিষয় গঠন/প্রণয়ন করা এবং সেইগুলো বিচারের জন্য প্রেরণ করা।
8) প্রয়োজনে অতিরিক্ত সাক্ষ্য প্রমাণ গ্রহণ করা বা অনুরূপ সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য তলব করা [To take additional evidence or to require such evidence to be taken]।

------------------------------
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৭ ধারার বিধান: আপিল আদালতের ক্ষমতা:-
১) যে সকল শর্ত ও নিয়ন্ত্রণ বিধি দ্বারা হতে পারে, তৎসাপেক্ষে আদালতের নিম্নলিখিত ক্ষমতাবলী থাকবে-
ক) কোন মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করার;
খ) কোন মোকদ্দমা পুনর্বিচারে প্রেরণ করার;
গ) বিচার্য বিষয় গঠন এবং সেগুলো বিচারার্থে প্রেরণ করার;
ঘ) অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ বা অনুরূপ সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য তলব করতে ক্ষমতা।

২) এই আইনে কোন মৌলিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের উপর তথাকার মোকদ্দমার ব্যাপারে যেরূপ ক্ষমতা প্রদত্ত এবং কর্তব্য আরোপিত হয়ে থাকে, উল্লেখিত শর্তসাপেক্ষে আপিল আদালতের উপরও এরূপ ক্ষমতা এবং প্রায় একইরূপ কর্তব্য বর্তাবে।
-------------------------
⇒ CPC Section 107. Powers of Appellate Court:
(1) Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, an Appellate Court shall have power- 
(a) to determine a case finally; 
(b) to remand a case; 
(c) to frame issues and refer them for trial; 
(d) to take additional evidence or to require such evidence to be taken. 
 
(2) Subject as aforesaid, the appellate Court shall have the same powers and shall perform as nearly as may be the same duties as are conferred and imposed by this Code on Courts of original jurisdiction in respect of suits instituted therein.
৩৪.
আপোষমূলক ডিক্রির [Compromise Decree] বিরুদ্ধে প্রতিকার পাওয়া যায়-
  1. আপীলে
  2. রিভিউতে
  3. রেফারেন্সে
  4. রিভিশনে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ (৩) ধারায় বলা হয়েছে, আদালত পক্ষদ্বয়ের সম্মতিতে আপোষমূলক বা সোলে ডিক্রি [Compromise Decree] দিলে তার বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে না।
- অন্যদিকে ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে মূল মোকদ্দমায় বা আপীলে প্রদত্ত যে সকল আদেশ বা ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না, সেই সকল ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যায়। যেহেতু আপোষমূলক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল দায়ের করা যায় না তাই এর বিরুদ্ধে ১১৫ ধারায় রিভিশন দায়ের করা যায়।
--------------
⇒ CPC Section-96. Appeal from original decree:
- (1) Save where otherwise expressly provided in the body of this Code or by any other law for the time being in force, an appeal shall lie from every decree passed by any Court exercising original jurisdiction to the Court authorised to hear appeals from the decisions of such Court. 
- (2) An appeal may lie from an original decree passed ex parte. 
- (3) No appeal shall lie from a decree passed by the Court with the consent of parties.

⇒ CPC Section-115.Revision:
(1) The High Court Division may, on the application of any party aggrieved, call for the record of any suit or proceedings, in which a decree or an order has been passed by a Court of District Judge or Additional District Judge, or a decree has been passed by a Court of Joint District Judge, Senior Assistant Judge or Assistant Judge, from which no appeal lies; and if such Court appears to have committed any error of law resulting in an error in such decree or order occasioning failure of justice, the High Court Division may, revise such decree or order and, make such order in the suit or proceedings, as it thinks fit. 
 
(2) The Court of District Judge may, on the application of any party aggrieved, call for the record of any suit or proceeding, in which an order has been passed by a Court of Joint District Judge, Senior Assistant Judge or Assistant Judge, from which no appeals lies; and if such Court appears to have committed any error of law resulting in an error in such order occasioning failure of justice, the Court of District Judge may, revise such order and, make such order as it thinks fit. 
 
(3) A Court of Additional District Judge shall have all the powers of the District Judge under sub-section (2) in respect of revision case which may be transferred to it by the District Judge.
৩৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির Order XLIII এ আপীলযোগ্য আদেশের তালিকায় মোট কয়টি আদেশের সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ২৩টি
  2. ২৪টি
  3. ২৫টি
  4. ২৬টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর বিধান হলো- আদেশের বিরুদ্ধে আপীল।
⇒ আদেশ ৪৩ এবং ধারা ১০৪ এর মধ্যে আপীলযোগ্য আদেশ সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে।
⇒ সাধারনত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলে না, তবে আদেশটি যদি আপীলযোগ্য আদেশ হয় তাহলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।
⇒ আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) রয়েছে।
৩৬.
কয়টি ক্ষেত্রে দেওয়ানী আদালত সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫১ ধারায় আদালতের সহজাত ক্ষমতা রক্ষণের বিধান রয়েছে।
- ১৫১ ধারামতে দেওয়ানী আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।

⇒  ন্যায়বিচারের জন্য অথবা আদালতের পরোয়ানার অবমাননা প্রতিরোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ দানের ব্যাপারে আদালতের যে অনন্তর্নিহিত ক্ষমতা রয়েছে, এই বিধির কোন বিধান দ্বারা তা সীমাবদ্ধ বা কোনভাবে প্রভাবিত হবে না।
⇒  ১৫১ ধারার ক্ষমতা বলে দেওয়ানী আদালত অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা inherent power প্রয়োগ করতে পারেন।

⇒ এই ধারা আদালতকে একটি বিপুল ক্ষমতা দিয়েছে। ন্যায়বিচার করার জন্য বা আদালতের ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করার জন্য আদালত তার সহজাত ক্ষমতাবলে যেকোন আদেশ দেওয়ার অধিকার রাখেন। আইন সমস্ত পরিস্থিতির মোকবেলা করার পূর্ণ বিধান দিতে পারে না। আইন যে সময় প্রণীত হয় সেই সময়ের পরিস্থিতি আইন প্রয়োগ হওয়ার সময় বদলে যেতে পারে; আইন প্রয়োগ হওয়ার পরে এমন অবস্থার উদ্ভব হতে পারে, যা আইনপ্রণেতাগণ আইন প্রণয়নের সময় ভাবতেও পারেন নাই; এই সমস্ত কারণে এই ধারায় বলা হয়েছে, আদালত তার নিজস্ব বিবেচনায় সবিচারের জন্য যেকোন আদেশ দিতে পারেন।
-------------
⇒ CPC Section: 151. Saving of inherent powers of Court:
- Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.
৩৭.
আদি এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতের একতরফা ডিক্রির বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ পক্ষের প্রতিকার হতে পারে-
  1. আপিল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. রেফারেন্স
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ থেকে ১১২ ধারা পর্যন্ত দেওয়ানী মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আপীলের বিধান উল্লেখ রয়েছে।
- আপিল (Appeal)- মোকদ্দমার কোন পক্ষ বিচারিক আদালতের (Trial court) সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হলে উক্ত সিদ্ধান্ত বাতিল বা সংশোধনের জন্য ঐ সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে উচ্চ আদালতে যে আবেদন করে, তাকে আপিল বলে। আপিল হলো সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির মামলার রায় অনুমোদনযোগ্য কিনা তা পুনরায় নির্ধারণের জন্য নিম্ন আদালত থেকে উচ্চ আদালতে প্রেরণের অধিকার। অর্থাৎ আপিল হলো উচ্চ আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তের বিচারিক পুনঃমূল্যায়ন।

- দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদি (মূল) এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত ( সহকারী জজ, সিনিয়র সহকারী জজ, এবং যুগ্ম জেলা জজ) প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল শ্রবণের জন্য ক্ষমতা প্রাপ্ত আদালতে ( জেলা জজ বা হাইকোর্টে) আপীল দায়ের করা যাবে। আপীলে প্রদত্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে পুনরায় আপীল করা যায়না। কারণ দেওয়ানী কার্যবিধিতে দ্বিতীয় আপীলের কোন বিধান নেই।
⇒  দেওয়ানি মোকদ্দমার আপিল আদালত দুটি। ১) জেলা জজ আদালত ২) হাইকোর্ট বিভাগ।
--------------
- দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৬ ধরার অধীন মূল ডিক্রি হতে আপিল:
(১) এই আইনের কোন কোন অংশে অথবা বর্তমানে প্রচলিত অন্য কোন আইনে স্পষ্টতঃ অন্যরূপ বিধান না থাকলে, আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রি হতে আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে।
(২) একতরফা মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে।
(৩) পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না।
------------
⇒ CPC Section-96. Appeal from original decree:
- (1) Save where otherwise expressly provided in the body of this Code or by any other law for the time being in force, an appeal shall lie from every decree passed by any Court exercising original jurisdiction to the Court authorised to hear appeals from the decisions of such Court. 
- (2) An appeal may lie from an original decree passed ex parte. 
- (3) No appeal shall lie from a decree passed by the Court with the consent of parties.
৩৮.
একটি দেওয়ানি মামলার অতিরিক্ত জেলা জজ প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন হবে কোন আদালতে?
  1. জেলা জজ
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. অতিরিক্ত জেলা জজ
  4. আপিল বিভাগ
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিশন (Revision)- রিভিশন হলো উচ্চতর আদালতের পুনর্বিবেচনামূলক প্রতিকার। উচ্চতর আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত নিম্নতর আদালতের উপর তদারকি ক্ষমতা হলো রিভিশন। দেওয়ানী ও ফৌজদারি উভয় মামলার বিচারকার্যে রিভিশন প্রযোজ্য। রিভিশনের ক্ষমতাকে তদারকি ক্ষমতা বা ন্যায়বিচার সম্পন্ন করার ক্ষমতা বা নথিপত্র তলব করার ক্ষমতাও বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারায় রিভিশনের বিধান রয়েছে।
- ১১৫ ধারার বিধান মোতাবেক হাইকোর্ট ও জেলা জজ আদালতের রিভিশন ক্ষমতা আছে।
- দেওয়ানী মামলায় রিভিশনের দায়েরের স্থান-
১) জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে- হাইকোর্ট বিভাগে।
২) যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে- হাইকোর্ট বিভাগে।
৩) যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন আদেশের বিরুদ্ধে -জেলা জজ আদালতে।
-  ১১৫ ধারার বিধান মোতাবেক হাইকোর্ট ও জেলা জজ আদালতের রিভিশন ক্ষমতা আছে।

- অর্থাৎ দেওয়ানি মামলার অতিরিক্ত জেলা জজ প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন করতে হবে- হাইকোর্ট বিভাগে।
৩৯.
সোলে ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল চলে না, বিধানটি দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় রয়েছে?
  1. ৯৭
  2. ৯৬(১)
  3. ৯৬(২)
  4. ৯৬(৩)
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ (৩) ধারা অনুযায়ী পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি প্রদান করে থাকলে তার হতে কোন আপীল চলবে না।
⇒   অর্থাৎ পক্ষগণের সম্মতিতে (Compromise Decree) আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে আপিল চলে না। যেহেতু আপীল চলবে না তাই রিভিশেন করা যাবে।
⇒  আদেশ ২৩ (৩) বিধির অধীন সোলে বা আপস ডিক্রি [compromise] বা সম্মতিসূচক [consent decree] ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না তবে রিভিশন করা যায়। কিন্তু ৮৯ক ধারার অধীন মধ্যস্থতার [Mediation] মাধ্যমে পক্ষগণের মধ্যে মীমাংসা অনুযায়ী আদালত যে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করে, উক্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীল বা রিভিশন কোনটি করা যায় না। যা ৮৯ক(১২) ধারায় উল্লেখ করা আছে।

⇒  দেওয়ানি মোকদ্দমার আপিল আদালত দুটি। ১) জেলা জজ আদালত ২) হাইকোর্ট বিভাগ।
--------------
- দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৬ ধরার অধীন মূল ডিক্রি হতে আপিল:
(১) এই আইনের কোন কোন অংশে অথবা বর্তমানে প্রচলিত অন্য কোন আইনে স্পষ্টতঃ অন্যরূপ বিধান না থাকলে, আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রি হতে আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে।
(২) একতরফা মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে।
(৩) পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না।
------------
⇒ CPC Section-96. Appeal from original decree:
- (1) Save where otherwise expressly provided in the body of this Code or by any other law for the time being in force, an appeal shall lie from every decree passed by any Court exercising original jurisdiction to the Court authorised to hear appeals from the decisions of such Court. 
- (2) An appeal may lie from an original decree passed ex parte. 
- (3) No appeal shall lie from a decree passed by the Court with the consent of parties.
৪০.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন ধারায় রায়, ডিক্রী বা আদেশ সংশোধন বিষয়ে বিধান রয়েছে?
  1. ১৪৮ ধারা
  2. ১৫২ ধারা
  3. ১৫৩ ধারা
  4. ১৫১ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১৫২ ধারায় বলা হয়েছে যে, রায়, ডিক্রী ও আদেশের করণিক বা গাণিতিক ভূল অথবা কোন আকষ্মিক ভ্রান্তির কারনে কোন ভুল হলে যে কোন সময় আদালত নিজ উদ্যোগে বা কোন পক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে তা সংশোধন করতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি, আদেশ সংশোধন (Amendment of judgement, decree & order) করার বিধান রয়েছে।
এই ধারামতে, আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে-
- করনিক বা গানিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes),
- আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির (accidental slip or omission) কারণে রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করতে পারেন।

- উল্লেখ্য যে, দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারায় আদালতের দেওয়ানি মামলার কার্য ধারার ত্রুটি সংশোধন করার ক্ষমতা রয়েছে। ১৫৩ ধারামতে আদালত যে কোন সময় মোকদ্দমার কোন প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের জন্য মামলার কার্য ধারার ত্রুটি (any defect or error in any proceeding in a suit) সংশোধন করতে পারেন।
---------
⇒ CPC Section: 152. Amendment of judgments, decrees or orders:
-Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.
৪১.
No ___________ shall lie from any order passed in appeal under section 104 of The Code of Civil Procedure, 1908.
  1. revision
  2. appeal
  3. review
  4. reference
ব্যাখ্যা
⇒  দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১০৪ ধারায় বলা হয়েছে যে, যে ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট বিধান রয়েছে সেই ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য কোন আদেশ হতে আপীল চলবেনা।
- কোন কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে তার বর্ণনা আছে আদেশ ৪৩ তে।
- দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৪ ধারায় এবং ৪৩ আদেশে আপীলযোগ্য আদেশ  এর তালিকা উল্লেখ করা হয়েছে।
- দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন আদালত কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ যদি ১০৪ ধারায় বা ৪৩ আদেশে উল্লেখিত কোন আপীলযোগ্য আদেশ হয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১০৪(২) অনুসারে আপিলে প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে পুনরায় আপিল চলবে না। অর্থাৎ ২য় আপিলের সুযোগ নেই।
--------------------------------
⇒ CPC Section-104. Orders from which appeal lies.
(1) An appeal shall lie from the following orders, and save as otherwise expressly provided in the body of this Code or by any law for the time being in force, from no other orders:
(ff) an order under section 35A;
(g) an order under section 95; 
(h) an order under any of the provisions of this Code imposing a fine or directing the arrest or detention in the civil prison of any person except where such arrest or detention is in execution of a decree; 
(i) any order made under rules from which an appeal is expressly allowed by rules: 
Provided that no appeal shall lie against any order specified in clause (ff) save on the ground that no order, or an order for the payment of a less amount, ought to have been made. 
 
(2) No appeal shall lie from any order passed in appeal under this section.
৪২.
আপিলযোগ্য ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের পূর্বেই উক্ত ডিক্রি স্থগিতের দরখাস্ত কোন আদালতে দাখিল করা যাবে?
  1. আপিল আদালত
  2. উক্ত ডিক্রি প্রচারকারী আদালত
  3. রিভিশন আদালত
  4. রেফারেন্স আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৪১ নং আদেশের ৫ ও ৬ নং বিধিতে ডিক্রি জারি স্থগিত রাখা সংক্রান্ত বিধান আলোচনা করা হয়েছে। কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা হলেই ডিক্রিটির জারি কর্ম স্থগিত থাকবেনা, তবে নিম্নলিখিত কারণে আদালত ডিক্রি জারির কাজ স্থগিত রাখতে পারে। যথা-
i) আবেদনকারীর গুরুতর ক্ষতির আংশকা;
ii) যথাসময়ে আবেদন করলে;
iii) আবেদনকারী চূড়ান্ত ডিক্রির জন্য যথাযথ জামানত দাখিল করেছে;
iv) আবেদনকারীর শুনানী সাপেক্ষে আদালত একতরফাভাবেও ডিক্রি জারি স্থগিত রাখতে পারে।

- আদেশ ৪১ বিধি-৫ মতে আপিল আদালত কর্তৃক স্থগিত রাখা (Stay by appellate Court): আপিল চললে বা আপিল করা হলেই কোন ডিক্রির কার্যকারিতা স্থগিত হবে না। বরং ডিক্রি প্রদানকারী আদালত বা আপিল চলাকালে আপিল আদালতে ডিক্রি জারি স্থগিত রাখার জন্য প্রার্থনা করা হলে তখন উল্লেখিত আদালত ডিক্রি জারি স্থগিত রাখতে পারে।

- এছাড়া ২১ আদেশের ২৬ থেকে ২৯ বিধিমতেও ডিক্রি প্রদানকারী আদালত ডিক্রি জারি কার্যক্রম স্থগিত রাখতে পারে। ২৬ বিধি অনুসারে শুধুমাত্র দেনাদার ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে বা আপিল আদালতে কোন ডিক্রি জারি স্থগিত রাখার জন্য আবেদন করতে পারেন। দেনাদার আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারলে, আদালত ডিক্রি জারি স্থগিত রাখার নির্দেশ দিতে পারেন।

- যে ক্ষেত্রে আপীল করার জন্য নির্ধারিত সময় উত্তীর্ণ হওয়ার আগেই কোন আপীলযোগ্য ডিক্রি জারি স্থগিত রাখার আবেদন করা হয়, তখন উপযুক্ত কারণ থাকলে ডিক্রিদানকারী আদালত ডিক্রি জারি স্থগিত করার আদেশ দিতে পারে।

সুতরাং আপীলযোগ্য ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল দায়েরের পূর্বেই উক্ত ডিক্রি স্থগিতের দরখাস্ত উক্ত ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে দাখিল করা যাবে।