উত্তর
ব্যাখ্যা
শুদ্ধ বাক্যটি হলো - বৃক্ষটি সমূল উৎপাটিত হয়েছে।
অন্যান্য বাক্যের শুদ্ধরূপ হলো:
- তােমার মতাে এমন হীনচরিত্র লােক আমার প্রয়ােজন নেই।
- ব্যাপারটা আমার আয়ত্ত নয় ।
- তিনি সস্ত্রীক ঢাকায় থাকেন।
সূত্রঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মাহমুদ
১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৩ প্রশ্ন
শুদ্ধ বাক্যটি হলো - বৃক্ষটি সমূল উৎপাটিত হয়েছে।
অন্যান্য বাক্যের শুদ্ধরূপ হলো:
- তােমার মতাে এমন হীনচরিত্র লােক আমার প্রয়ােজন নেই।
- ব্যাপারটা আমার আয়ত্ত নয় ।
- তিনি সস্ত্রীক ঢাকায় থাকেন।
সূত্রঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মাহমুদ
‘বিধি লঙ্ঘন হয়ছে।’ - এই বাক্যটি বাচ্যজনিত কারণে ভুল। এর শুদ্ধরূপ - বিধি লঙ্ঘিত হয়েছে।
‘সকল ছাত্রগণ পাঠে মনোযোগী নয়’ - এই বাক্য বহুবচনের অপপ্রয়োগজনিত কারণে অশুদ্ধ। এর শুদ্ধরূপ - সকল ছাত্র পাঠে মনোযোগী নয়।
‘শুধুমাত্র এই কটা টাকা দিলে?’ - এই বাক্য বাহুল্য জনিত কারণে অশুদ্ধ। এর শুদ্ধরূপ - শুধু এই কটা টাকা দিলে?
‘দশচক্রে ঈশ্বর ভূত।’ -এই বাক্যটি প্রবাদ-প্রবচনের বিকৃতিজনিত কারণে ভুল। এর শুদ্ধরূপ - দশচক্রে ভগবান ভূত।
সূত্রঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মাহমুদ
উৎকর্ষ একটি বিশেষ্য পদ। যার বিশেষণ হলাে উৎকৃষ্টতা যা দ্বারা বস্তুর, ভাবের বা রুচির উৎকর্ষ বুঝায়।
সুতারাং উৎকর্ষতা এখানে প্রত্যয় জনিত অশুদ্ধ। এর শুদ্ধ রূপ হবে - উৎকর্ষ অথবা উৎকৃষ্টতা।
সূত্রঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
সমাসের প্রতীতি ৫ টি।
এগুলো হচ্ছে, সমস্তপদ, পূর্বপদ, পরপদ, ব্যাসবাক্য ও সমস্যমান পদ।
সূত্রঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
উপকথা = কথার সদৃশ্য (সাদৃশ্য অর্থে)
উপনগরী = নগরীর সমীপে (সামীপ্য অর্থে)
উপকণ্ঠ = কণ্ঠের সমীপে (সামীপ্য অর্থে)
উপকূল = কূলের সমীপে (সামীপ্য অর্থে)
এগুলো অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ।
সূত্রঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
ইতর + আমি = ইতরামি (ভাব অর্থে)
জেঠা + আমি = জেঠামি (নিন্দা জ্ঞাপন)
ঘর + আমি = ঘরামি (বৃত্তি অর্থে)
ঠক + আমি = ঠকামি (বৃত্তি অর্থে)
সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী।
‘ঘোড়াশকট’ শব্দটি গুরুচণ্ডালী দোষে দুষ্ট।
তৎসম শব্দের সঙ্গে দেশীয় শব্দের প্রয়োগ কখনো কখনো গুরুচণ্ডালী দোষ সৃষ্টি করে। এ দোষে দুষ্ট শব্দ তার যোগ্যতা হারায়।
শব্দটির সঠিক প্রয়োগ হবে ঘোড়াগাড়ি অথবা অশ্বশকট।
সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
সরল বাক্যকে যৌগিক বাক্যে পরিণত করতে হলে সরল বাক্যের কোন অংশকে নিরপেক্ষ বাক্যে রূপান্তর করতে হয়। এবং যথাসম্ভব সংযোজক বা বিয়োজক অব্যয়ের প্রয়োগ করতে হয়।
বাক্যটির যৌগিক রূপ হবে - “তিনি আমাকে পাঁচশত টাকা দিলেন এবং বাড়ি যেতে বললেন।”
সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী।
বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার যে ইচ্ছা তা-ই আকাঙ্ক্ষা।
যেমন- ‘চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে’ - এটুকু বললে বাক্যটি সম্পূর্ণ মনোভাব প্রকাশ করে না, আরও কিচ্ছু ইচ্ছা থাকে। বাক্যটি এভাবে পূর্ণাঙ্গ করা যায় : চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে ঘোরে। এখানে আকাঙ্ক্ষা নিবৃত্তি হয়েছে বলে এটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য।
সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী।
বাক্যের অন্তর্গত পদসমূহের বিশ্বাসযোগ্য ভাবসম্মিলনের নাম যোগ্যতা। সাধারণত গদ্যের ক্ষেত্রে যোগ্যতা বিচার হয়, কাব্যের ক্ষেত্রে নয়।
“হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে” - এ পঙ্ক্তি কবিতায় মান্য হলেও গদ্যে যোগ্যতাহীন বলে বিবেচিত।
সূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
যে বিশেষ্য দ্বারা কোন বস্তুর দোষ বা গুণের নাম বুঝায় তা-ই গুণবাচক বিশেষ্য।
যেমনঃ তরল দ্রব্যের গুণ - তারল্য ; মধুর মিষ্টত্বের গুণ - মধুরতা ইত্যাদি।
- ‘লবণ’ বস্তুবাচক বা দ্রব্য বাচক বিশেষ্য।
- ‘ভোজন’ ভাববাচক বিশেষ্য।
- ‘বহর’ সমষ্টি বাচক বিশেষ্য।
সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী।
একই অব্যয় শব্দের বিভিন্ন অর্থে ব্যবহার হয়ে থাকে।
এই বাক্যে ‘না’ শব্দটি সম্ভাবনা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী।
যে ক্রিয়া প্রযোজনা করে, তাকে প্রযোজক কর্তা এবং
যাকে দিয়ে ক্রিয়াটি অনুষ্ঠিত হয় তাকে, প্রযোজ্য কর্তা বলে।
এখানে, ‘মা’ প্রযোজক কর্তা এবং ‘শিশুকে’ প্রযোজ্য কর্তা।
সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী।
বাংলা শব্দ গঠনের কয়েকটি উপায় হলাে সন্ধির মাধ্যমে, সমাসের মাধ্যমে, বহুবচনের মাধ্যমে, উপসর্গ যােগে, প্রত্যয় সহযােগে ইত্যাদি।
লিঙ্গ পরিবর্তন এর মাধ্যমে নতুন শব্দ গঠিত হয় না।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
সমাসনিষ্পন্ন যেসব শব্দ তার ব্যাসবাক্যের কোনাে অর্থ প্রকাশ না করে, তৃতীয় কোনাে অর্থ প্রকাশ করে, সেসব শব্দকে বলা হয় যােগরূঢ় শব্দ।
যেমনঃ
জলদ - মূল অর্থ যে জল দেয়, ব্যবহারিক অর্থ হলাে মেঘ,
পঙ্কজ - শব্দের অর্থ যা পঙ্কে জন্মে যা, কিন্তু ব্যবহারিক অর্থ পদ্ম,
মহাযাত্রা - মহাসমারােহে যাত্রা অর্থ পরিত্যাগ করে যােগরূঢ় শব্দরূপে অর্থ মৃত্যু,
রাজপুত - রাজার পুত্র অর্থ পরিত্যাগ করে যােগরূঢ় শব্দরূপে অর্থ জাতি বিশেষ,
তুরঙ্গম- যা তাড়াতাড়ি যায় অর্থ পরিত্যাগ করে যােগরূঢ় শব্দরূপে অর্থ ঘােড়া।
এরূপ আরও উদাহরণ হলাে- মন্দির, জলদ, অন্ন, জলধি, সরােজ ইত্যাদি।
সূত্র- এসএসসি বাংলা দ্বিতীয় পত্র(উন্মুক্ত) এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা (ড. সৌমিত্র শেখর)।
প্রশ্নে উল্লেখিত গ) তারিখ - শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।
উৎসঃ বাংলাএকাডেমি অভিধান
অন্যদিকে,
চশমা, নামাজ ও মৌলভী শব্দ দুটি - ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।
সঠিক বানানে লিখা শব্দগুচ্ছ হলো - সূচ্যগ্র, শ্মশ্রু, ত্যাজ্য।
অন্যান্য শব্দগুচ্ছে ‘তড়িৎ (বিদ্যুৎ) / ত্বরিত (দ্রুত)’, ‘জ্যোতিষী’, ও ‘ব্যভিচার’ বানান ভুল লিখা আছে।
উল্লেখ্য, শ্মশ্রু - গোঁফদাড়ি এবং শ্বশ্রূ - শাশুড়ি
সূত্রঃ বাংলা একাডেমি প্রণীত অভিগম্য অভিধান।
বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি ৭ টি। যথা- অ, আ, ই, উ, এ, ও, অ্যা।
যৌগিক স্বরধ্বনি - ২৫ টি।
যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ রয়েছে দুটি। যথা – ঐ, ঔ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, ৯ম-১০ম শ্রেণি
বর্ণঃ ভাষার ধ্বনিকে লিখিতরূপ দানের জন্য যে প্রতীক ব্যবহার করা হয় তাকে বর্ণ বা হরফ বলে।
অক্ষরঃ অল্প প্রয়াসে যে ধ্বনি বা ধ্বনি গুচ্ছ একবারে উচ্চারিত হয় তাকে অক্ষর বলে।
এর ইংরেজি পরিভাষা সিলেবল, তাই একে শব্দাংশ ও বলা হয়। এক বা একাধিক বর্ণ নিয়ে একটি অক্ষর তৈরী হয়।
‘চিতল’ শব্দে ২টি অক্ষর আছে। (চিত্ + অল্)
সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ।
জ + ঞ = জ্ঞ
ঞ + জ = ঞ্জ
সূত্র: ভাষা শিক্ষা, বাংলা ভাষার ব্যকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মাহমুদ।
বাংলা বর্ণমালায় অন্তঃস্থ বর্ণ চারটি।
য, র, ল, ব – হলাে অন্তঃস্থ বর্ণ। এ সব বর্ণ বাংলা ব্যঞ্জন বর্ণমালা তালিকায় স্পর্শ ও উষ্মবর্ণের মধ্যে স্থান পেয়েছে বলে এদের অন্তঃস্থ বর্ণ বলে।
অন্তঃস্থ 'ব' ধ্বনি উচ্চারিত হয় না।
যেমনঃ বিশ্ব, অশ্ব, চত্বর, ধ্বনি ইত্যাদি।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
সঠিক বানানটি - ব্যবচ্ছেদ
অন্যান্য বানান গুলোর সঠিকরূপ - হতভম্ব ; অশ্বত্থ ; জীবাশ্ম।
সূত্রঃ বাংলা একাডেমি প্রণীত অভিগম্য অভিধান।
‘উর্মি’ শব্দের সমার্থক শব্দ - লহরী, ঢেউ, বীচি, তরঙ্গ, কল্লোল ইত্যাদি।
প্রভা শব্দের সমার্থক শব্দ - আভা, দীপ্তি, কিরণ, আলোক ইত্যাদি।
তরঙ্গিনী শব্দের সমার্থক শব্দ - নদী, স্রোতস্বিনী, তটিনী, প্রবাহিনী, শৈবালিনী ইত্যাদি।
সূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
আদিত্য : রবি, সূর্য, তপন, দিবাকর, ভাস্কর, ভানু, মার্তণ্ড, সবিতা, ইত্যাদি।
চপলা : বিদ্যুৎ; তড়িৎ; চঞ্চলা; চপলা; সৌদামিনী, ইত্যাদি।
অভ্র : আকাশ, অম্বর, গগন, নভ, আসমান, অন্তরীক্ষ, ব্যোম, ইত্যাদি।
অচল : পাহাড়, গিরি, শৈল, অদ্রি, ভূধর, শৈল, নগ, ইত্যাদি।
সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি ও অভিগম্য অভিধান।
ভেদ (বিশেষ্য) : বিদারণ; ছেদন (লক্ষ্যভেদ)।
অভেদ (বিশেষ্য) : ভেদের অভাব।
অভেদনীয়, অভেদ্য (বিশেষণ) : ভেদ করা যায় না এমন।
বিভেদ (বিশেষ্য) : বিভিন্নতা; প্রভেদ; পার্থক্য।
বিবাদ (বিশেষ্য): ঝগড়া; বিরোধ; কলহ।
সুতরাং, ‘ভেদ’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ ‘অভেদ’।
সূত্র: বাংলা একাডেমি প্রণীত অভিগম্য অভিধান।
'Agoraphobia' এর পারিভাষিক শব্দ মুক্তস্থানাতঙ্ক; মুক্ত স্থান সম্বন্ধে আতঙ্ক।
সূত্র: বাংলা একাডেমি প্রণীত অভিগম্য অভিধান।