পরীক্ষা আর্কাইভ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

পরীক্ষাশিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন১৫
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১: GK - বাংলাদেশ বিষয়াবলি বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি, জলবায়ু, পরিবেশ ও দুর্যোগ।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমে অবস্থিত স্থান কোনটি?
  1. ক) জায়গীর জোত
  2. খ) ছেঁড়া দ্বীপ
  3. গ) মনাকষা
  4. ঘ) আখানইঠং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমে- চাঁপাইনবাবগ­ঞ্জ(জেলা), শিবগঞ্জ(উপজেলা), মনাকাষা(স্থান)।
বাংলাদেশের সর্ব পূর্বে- বান্দরবান(জেলা), থানচি(উপজেলা), আখানইঠং(স্থান)।
বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে- কক্সবাজার(জেলা), টেকনাফ(উপজেলা), সেন্টমার্টিন(ইউনিয়ন), ছেঁড়া দ্বীপ(স্থান)।
বাংলাদেশের সর্ব উত্তরে- পঞ্চগড়(জেলা), তেতুলিয়া(উপজেলা), বাংলাবান্ধা(ইউনিয়ন), জায়গীর জোত(স্থান)।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
আপদ (Hazard) এর প্রত্যক্ষ প্রভাব কোনটি?
  1. ক) অর্থনৈতিক
  2. খ) পরিবেশগত
  3. গ) অবকাঠামোগত
  4. ঘ) সামাজিক
ব্যাখ্যা
‘‘আপদ (Hazard) ’’ অর্থ এমন কোন অস্বাভাবিক ঘটনা যাহা প্রাকৃতিক নিয়মে, কারিগরি ত্রুটির কারণে অথবা মানুষের দ্বারা সৃষ্ট হইয়া থাকে এবং ফলস্বরূপ বিপর্যয় সংঘটনের মাধ্যমে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপদ ও হুমকির মধ্যে নিপতিত করে এবং জীবিকা নির্বাহের প্রয়োজনীয় উপাদানসমূহের ভয়াবহ ও অপূরণীয় ক্ষতিসহ দুঃখ দুর্দশার সৃষ্টি করে।
- দুর্যোগ যেমন ভূমিকম্প,বন্যা ইত্যাদির প্রাথমিক এবং প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ে অবকাঠামোর উপর যার পুনঃনির্মাণ খুব ব্যয়বহুল কাজ।

আপদ একটি অস্বাভাবিক ঘটনা - যা প্রাকৃতিক, মানব সৃষ্ট বা কারিগরি ক্রটির কারণে ঘটতে পারে এবং মানুষের জীবন ও জীবিকার ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে।
- সব চরম ঘটনাই হচ্ছে আপদ।
• প্রাকৃতিক আপদ হল- ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস, বজ্রঝড়, টর্ণেডো, বন্যা, ভূমিকম্প, সুনামি, খরা, নদী ভাঙ্গন ইত্যাদি
• মানবসৃষ্ট আপদ হল- ভবনধ্বস, নৌ ও সড়ক দুর্ঘটনা, অগ্নিকান্ড ইত্যাদি
• কারিগরি আপদ হল- বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে সৃষ্ট অগ্নিকান্ড, শিল্প ও কলকারখানায় দুর্ঘটনা, পারমানবিক দুর্ঘটনা ইত্যাদি

 
উৎস: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২।
.
বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে কোন ধরনের বন্যার প্রকোপ বেশি?
  1. ক) আকস্মিক বন্যা
  2. খ) নদীসৃষ্ট বন্যা
  3. গ) উপকূলীয় বন্যা
  4. ঘ) বৃষ্টিজনিত বন্যা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে সাধারণত চার ধরনের বন্যা সংঘটিত হয়।
এগুলো হলো:
- বৃষ্টিজনিত বন্যা
- উপকূলীয় বন্যা
- নদীসৃষ্ট বন্যা
- আকস্মিক বন্যা।

- বাংলাদেশেরে উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ী নদীর পানি উপচে পড়ে আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি করে।
- এপ্রিল-মে এবং সেপ্টেম্বর-নভেম্বর মাসে বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় পাহাড়ী নদীর উপচে পড়া পানির কারণে আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়।
- আকস্মিক বন্যায় হাওরাঞ্চলের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়।

অন্যদিকে,
- বৃহত্তর খুলনা ও যশোর অঞ্চলে বৃষ্টিজনিত বন্যা দেখা যায়।
- উপকূলীয় অঞ্চলে উপকূলীয় বন্যা দেখা দেয়।
- নদী সংলগ্ন জেলাসমূহে নদীসৃষ্ট বন্যা দেখা যায়।

উৎস: বন্যা সাড়াদান ও প্রস্তুতি পরিকল্পনা : বাংলাদেশ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর।
.
বাংলাদেশের কোন বনভূমি শালবনের জন্য বিখ্যাত?
  1. ক) মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি
  2. খ) সিলেট অঞ্চলের বনভূমি
  3. গ) উপকূলীয় বনভূমি
  4. ঘ) পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বনভূমিকে প্রধানত ক্রান্তীয় পতনশীল পত্রযুক্ত বৃক্ষের বনভূমি, ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পতনশীল পত্রযুক্ত বৃক্ষের বনভূমি ও গরান বা স্রোতজ বনভূমি (সুন্দরবন) এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি ক্রান্তীয় পতনশীল পত্রযুক্ত বৃক্ষের বনভূমির অন্তর্ভুক্ত। এর আয়তন প্রায় ৮৭৫ বর্গ কিলোমিটার।
- শাল জাতীয়
এক ধরনের গজারী এ বনভূমির প্রধান বৃক্ষ।
• পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমির প্রধান বৃক্ষ গর্জন, জারুল, শিমুল, গামার ইত্যাদি।
• উপকূলীয় অঞ্চল যেমন -  খুলনা, বরিশাল ও পটুয়াখালীর বনভূমির প্রধান বৃক্ষ গেওয়া, ধুন্দল, কেওড়া ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাদেশ বন বিভাগের ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের পাহাড়গুলো স্থানীয় ভাবে টিলা নামে পরিচিত?
  1. ক) উত্তর
  2. খ) দক্ষিণ
  3. গ) পূর্ব
  4. ঘ) পশ্চিম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের পাহাড়গুলো স্থানীয় ভাবে টিলা নামে পরিচিত।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ: বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব, উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। 
পাহাড়গুলাে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগােত্রীয়। এ পাহাড়গুলাে বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত। এ অঞ্চলের পাহাড়গুলােকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যথা-
(ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ ও
(খ) উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

(ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ: রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- দক্ষিণ-পূর্বের এ পাহাড়গুলাের গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।
- বান্দরবানের একটি শৃঙ্গের নাম তাজিনডং (বিজয়), যার উচ্চতা ১.২৮০ মিটার। এটিই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।।

(খ) উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ : ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার ৫ উত্তর ও উত্তর-পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলাের গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।
- উত্তরের পাহাড়গুলাে স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত।
- এগুলাের উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 
.
বাংলাদেশের পরিবেশ আন্দোলনের নাম কী?
  1. ক) সবুজ বনায়ন
  2. খ) সবুজায়ন
  3. গ) গ্রিন পিস
  4. ঘ) বাপা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (BAPA) 2000 সালে বাংলাদেশের পরিবেশ রক্ষার জন্য একটি দেশব্যাপী, ঐক্যবদ্ধ এবং শক্তিশালী নাগরিক আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য চালু করা হয়েছিল।
- বাংলাদেশের পরিবেশ দ্রুত নষ্ট হচ্ছে। শহুরে বাতাসের মান হ্রাস পাচ্ছে। ভূগর্ভস্থ পানি দূষিত। ভূ-পৃষ্ঠের জলাশয়গুলি দূষিত, সীমাবদ্ধ এবং অবক্ষয়িত হচ্ছে। কঠিন, তরল, বায়বীয় এবং বিপজ্জনক বর্জ্য উপচে পড়ছে। উধাও হয়ে যাচ্ছে বন ও খোলা জায়গা। কোলাহল বাড়ছে। বিলুপ্ত হচ্ছে জীববৈচিত্র্য। দূষণের কারণে স্বাস্থ্যের অবস্থা খারাপ হচ্ছে।
- এই অবক্ষয়ের প্রক্রিয়াগুলোকে ধীরগতি ও প্রত্যাবর্তন না করা হলে দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মানবিক অগ্রগতি ধীরে ধীরে বাধাগ্রস্ত হবে এবং বাংলাদেশ দীর্ঘমেয়াদে বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়বে।

- এই প্রেক্ষাপটে, বাংলাদেশের পরিবেশ-পন্থী শক্তিরা বাংলাদেশের পরিবেশগত সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে এবং ভবিষ্যতের জন্য করণীয় নির্ধারণের জন্য জানুয়ারী 2000 সালে বাংলাদেশ পরিবেশ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে (ICBEN) একত্রিত হয়। সম্মেলনে বাংলাদেশ পরিবেশ 2000-এর উপর ঢাকা ঘোষণাপত্র গৃহীত হয় এবং দেশের সকল আন্তরিক পরিবেশ-পন্থী শক্তিকে যোগদান ও একসঙ্গে কাজ করার জন্য একটি ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম গঠনের পরামর্শ দেওয়া হয়
- ICBEN 2000 এর সিদ্ধান্ত অনুসরণ করে, BAPA গঠিত হয়।

উৎস: BAPA ওয়েবসাইট। 
.
সাইক্লোনে বাতাসের গতিবেগ ঘন্টায় কত থাকে?
  1. ক) ৫০ কিলোমিটার বা তার বেশি
  2. খ) ৫৩ কিলোমিটার বা তার বেশি
  3. গ) ৬০ কিলোমিটার বা তার বেশি
  4. ঘ) ৬৩ কিলোমিটার বা তার বেশি
ব্যাখ্যা
সাইক্লোন সৃষ্টির পেছনে ‍গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে নিম্নচাপ এবং উচ্চ তাপমাত্রা।
- সাধারণভাবে সাগরের তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলে তা সাইক্লোন সৃষ্টির জন্যে উপযোগী হয়।
- বঙ্গোসাগরে প্রায় সারাবছর এই পরিমাণ তাপমাত্রা থাকার কারণে বাংলাদেশ সাইক্লোনের জন্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ।
- বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬৩ কিলোমিটার বা তার বেশি হলে একে সাইক্লোন হিসেবে গণ্য করা হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
SPARSO এর পূর্ণ রূপ কোনটি?
  1. ক) Space Resource and Remote Sensing Organisation
  2. খ) Special Resource and Remote Sensing Organisation
  3. গ) Space Research and Regulatory Sensing Organisation
  4. ঘ) Space Research and Remote Sensing Organisation
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের একমাত্র ঘূর্ণিঝড় ও দুর্যোগের পূর্বাভাস কেন্দ্র হলো SPARRSO (Space Research and Remote Sensing Organisations)।
- এটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান যা ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।

উৎস: SPARSO ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশের তামাবিল সীমান্তের সাথে ভারতের কোন শহরটি অবস্থিত?
  1. ক) ডাউকি
  2. খ) করিমগঞ্জ
  3. গ) জাফলং
  4. ঘ) চেরাপুঞ্জি
ব্যাখ্যা
গোয়াইনঘাট উপজেলাধীন সীমান্তবর্তী এলাকা - তামাবিল।
- তামাবিল স্থল শুল্ক বন্দর দিয়েই ভারত থেকে কয়লা আমদানী করা হয়।
- তামাবিলের অপর প্রান্তে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের - ডাউকি বাজার।
- তামাবিল থেকে মেঘালয় রাজ্যের শিলং পাহাড়ের অপূর্ব দৃশ্য উপভোগ করা যায়। সিলেট থেকে তামাবিলের দূরত্ব ৫৫ কি.মি.।

উৎস: গোয়াইনঘাট উপজেলা ওয়েবসাইট
১০.
বাংলাদেশে খরার জন্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল কোনটি?
  1. ক) উত্তরাঞ্চল
  2. খ) উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল
  3. গ) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল
  4. ঘ) দক্ষিণাঞ্চল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল খরার জন্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ।
-  এ অঞ্চলের রাজশাহী, চাপাইনবাবগঞ্জ, দিনাজপুর, বগুড়া, কুষ্টিয়া, যশোর প্রভৃতি জেলা খরার জন্যে অত্যধিক ঝুঁকিপূর্ণ।
- অনাবৃষ্টি, দীর্ঘদিন শুষ্ক আবহাওয়া, বৃষ্টিপাত অপেক্ষা বাষ্পীভবন ও প্রস্বেদনের হার অধিক হলে সাধারণত খরা দেখা দেয়।

উৎস: মাধ্যমিক সাধারণ বিজ্ঞান
১১.
ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলার উঁচু ভূমিকে কী বলা হয় ?
  1. ক) লালমাই পাহাড়
  2. খ) ভাওয়াল গড়
  3. গ) মধুপুর গড়
  4. ঘ) খ ও গ
ব্যাখ্যা
আজ থেকে প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিন কাল বলা হয়। ঐ সময়ে গঠিত ভূমিরূপ প্লাইস্টোসিন কালের ভূমি নামে পরিচিত।
বাংলাদেশে অবস্থিত প্লাইস্টোসিন কালের ভূমিরূপগুলো হলো:
- রাজশাহী, বগুড়া, দিনাজপুর, রংপুর ও জয়পুরহাট জেলার বরেন্দ্রভূমি
- ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলায় অবস্থিত - মধুপুর এবং গাজীপুর জেলায় অবস্থিত ভাওয়াল গড়।
- কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড়।
- দেশের মোট ভূখণ্ডের প্রায় ৮ শতাংশ হলো প্লাইস্টোসিন কালে গঠিত ভূমিরূপ।

- ভাওয়াল ও মধুপুর বনাঞ্চলের আয়তন - ৪,১০৩ বর্গকিঃমিঃ।
- সমভূমি থেকে এর উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার। এর মাটির রং - লালচে ও ধূসর।
- প্রধান বৃক্ষ - শাল/গজারি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ বই, নবম-দশম শ্রেণি।
১২.
প্রথমবার 'দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়' নামকরণ করা হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৮২ সালে
  2. খ) ১৯৮৮ সালে
  3. গ) ১৯৯৪ সালে
  4. ঘ) ২০০৪ সালে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরবর্তি সময়ে ১৯৭২ সালে ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয় এবং খাদ্য মন্ত্রণালয় নামে দুটি পৃথক মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়।
- ১৯৮২ সালে দুটি মন্ত্রণালয় একীভূত হয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে খাদ্য বিভাগ এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিভাগ নামে দুটি বিভাগ হয়।
- ১৯৮৮ সালে পুনরায় ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিভাগকে ত্রাণ মন্ত্রণালয় নামকরণ করা হয়।
- ১৯৯৪ সালে ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের নাম হয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।
- ২০০৪ সালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়কে একীভূত করে খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় করা হয়।
- ২০০৯ সালে খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের অধীন খাদ্য বিভাগ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ বিভাগ গঠন করা হয়।
- ২০১২ সালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ  বিভাগকে পুনরায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় হিসেবে রূপান্তর করা হয়।
 
উৎস: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১৩.
বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা কয়টি?
  1. ক) ২৮
  2. খ) ৩০
  3. গ) ৩২
  4. ঘ) ৩৩
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সাথে ২টি দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে।
- একটি ভারত এবং অপরটি মিয়ানমার।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের একমাত্র জেলা রাঙামাটি।

উৎস: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের ওয়েবসাইট।
১৪.
বাংলাদেশে প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র কোথায় স্থাপিত হয়?
  1. ক) বেতবুনিয়া
  2. খ) গাজীপুর
  3. গ) মহাখালী
  4. ঘ) তালিবাবাদ
ব্যাখ্যা
• বর্তমানে বাংলাদেশে ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র ৪টি। যথা-
- রাঙ্গামাটি (বেতবুনিয়া)
- গাজীপুর (তালিবাবাদ)
- মহাখালী
- সিলেট
- বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রটি ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উদ্বোধন করেন।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র।

উৎস: আবহাওয়া অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট।
১৫.
বাংলাদেশের গড় তাপমাত্রা কত?
  1. ক) ২৮.০১°
  2. খ) ২৬.০১°
  3. গ) ২৮.০৭°
  4. ঘ) ২৬.০৭°
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের বার্ষিক গড় তাপমাত্রা ২৬.০১° সেলসিয়াস।
- বাংলাদেশের গড় বৃষ্টিপাত ২০৩ সেন্টিমিটার বা ২০৩০ মিলিমিটার।
- জানুয়ারি মাসে গড় তাপমাত্রা থাকে ১৭.৭° সেলসিয়াস।
- ডিসেম্বরের শেষে এবং জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে তাপমাত্রা থাকে ৪-৭° সেলসিয়াস।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।