পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

পরীক্ষাপ্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১০২: বিষয়: সাধারণ জ্ঞান (আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি) টপিক: আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি ও সম্মেলন (পরিবেশ ও জলবায়ু ব্যতীত); পুরস্কার ও সম্মাননা,আন্তর্জাতিক মুদ্রা সংক্রান্ত ইস্যু, আন্তর্জাতিক রাজনীতি, বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব, খেলাধুলা, বিশ্ব বাণিজ্য ও অর্থনীতি, আনুষঙ্গিক সাম্প্রতিক বিষয়াবলি ইত্যাদি। উৎস: জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিখ্যাত পত্রিকা রিপোর্ট ও Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
দাবা খেলার সর্বপ্রথম সূচনা কোথায় হয়?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. ইরান
  3. জার্মানি
  4. ভারত
ব্যাখ্যা
দাবা:
- দাবা ১৬টি করে ঘুঁটি দ্বারা ৬৪ বর্গক্ষেত্রের একটি বোর্ডে দুইজন খেলোয়াড়ের খেলা।
- এ ১৬টি ঘুঁটির ১টি রাজা, ১টি মন্ত্রী, ২টি ঘোড়া, ২টি হাতি, ২টি নৌকা ও ৮টি বোড়ে (সৈন্য) থাকে।

⇒ এ খেলার সর্বপ্রথম সূচনা হয় ভারতে।
- ষষ্ঠ শতাব্দীর আগেই ভারতের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে গুপ্ত সাম্রাজ্যের সময় খেলাটির উৎপত্তি।
- ভারত থেকে সময়ের পরিক্রমায় খেলাটি ছড়িয়ে পড়ে ইরানে।
- এরপর দাবা খেলার চর্চা শুরু হয় দক্ষিণ ইউরোপে।
- ত্রয়োদশ শতাব্দীতে সমগ্র পশ্চিম ইউরোপে এ খেলা ছড়িয়ে পড়ে।
- আধুনিক দাবার শুরু সেখানেই।

⇒ ভারতীয় পাশা খেলার সঙ্গে এর সাদৃশ্য আছে।
- ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে বিভিন্ন নিয়মে খেলাটি প্রচলিত ছিল।
- ইউরোপে গত একশ বছরে দাবার বিভিন্ন আইনকানুনের বেশ কিছু পরিবর্তন ঘটিয়ে এ খেলাকে সর্বসাধারণের কাছে অধিকতর গ্রহণযোগ্য ও জনপ্রিয় করে তোলা হয়।
- এ বিবর্তনের পথ ধরে দাবাকে ঘিরে গড়ে ওঠে আন্তর্জাতিক দাবা সংস্থা যার প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডে।
- পৃথিবীর অধিকাংশ দেশ আন্তর্জাতিক দাবা সংস্থার সদস্য এবং তারা খেলার আন্তর্জাতিক নিয়ম-কানুন মেনে চলে।

⇒ দাবা মূলত রাজার খেলা বা রাজায় রাজায় যুদ্ধের খেলা।
- এ খেলা হয়ে থাকে দুই দলের রাজার মধ্যে।
- এক রাজাকে কিস্তি দেওয়া বা আক্রমণ করাই অন্য রাজার উদ্দেশ্য।

উৎস: i) Britannica.
ii) বাংলাপিডিয়া।
.
মার্কিন কোন প্রেসিডেন্ট দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় প্রথম 'ডমিনো তত্ত্ব' প্রয়োগ করেছিলেন?
  1. ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার
  2. জর্জ ওয়াশিংটন
  3. থিওডোর রুজভেল্ট
  4. জেমস মনরো
ব্যাখ্যা
ডমিনো তত্ত্ব:
- দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার জন্য 'ডমিনো তত্ত্বটি' প্রযোজ্য ছিল।
- স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে যুক্তরাষ্ট্র যে কয়েকটি পররাষ্ট্র নীতি গ্রহন করেছিল, তার মধ্যে 'ডমিনো তত্ত্ব' অন্যতম।

⇒ ডমিনো তত্ত্বে বলা হয়েছে, কোনো একটি রাষ্ট্রে যদি সমাজতন্ত্রীরা ক্ষমতাসীন হয়, তাহলে পাশের রাষ্ট্রটিও সমাজতন্ত্রীদের দখলে চলে যাবে।

⇒ সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস. ট্রুম্যান এই তত্ত্বের উদ্যোক্তা হলেও তার পরবর্তী প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার প্রথম এই অঞ্চলে প্রয়োগ করেন।
- ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার ১৯৫৪ সালের ৭ এপ্রিল এক সংবাদ সম্মেলনে ইন্দোচিনে কমিউনিজমের কথা উল্লেখ করার সময় তত্ত্বটি বর্ণনা করেছিলেন।
- দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় 'ভিয়েতনাম যুদ্ধ' ও স্নায়ুযুদ্ধের সময়ও যুক্তরাষ্ট্র এই ডমিনো তত্ত্ব প্রয়োগ করা হয়েছিল।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিংশ শতাব্দীর সত্তরের দশকে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় বিশেষ করে ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওসে এই তত্ত্ব প্রয়োগ করে সেখানে সমাজতন্ত্রের উত্থান ঠেকাতে সামরিক হস্তক্ষেপ করেছিল।
- তিনি এন্টি-কমিউনিস্ট দক্ষিণ ভিয়েতনাম সরকারকে সহায়তা করেন।
- ডমিনো তত্ত্বটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জন্য প্রযোজ্য ছিল।
- ১৯৫০-৮৯ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র তত্ত্বটি প্রচার করেছিল।

উৎস: History.com
.
২০২৪ সালে আইসিসি T20 বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ৯ম আসরে সর্বাধিক রান কে করেন?
  1. ভিরাট কোহলি
  2. রহমানউল্লাহ গুরবাজ
  3. জসপ্রীত বুমরাহ
  4. শুবমন গিল
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

আইসিসি T20 বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০২৪:

- আয়োজক দেশ: আমেরিকা এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
- এটি T20 ক্রিকেট বিশ্বকাপের ৯ম আসর।
- অংশগ্রহণকারী দেশ: ২০টি।
- মোট ম্যাচ: ৫৫টি।
- অনুষ্ঠিত হয়: ২-২৯ জুন।
- চ্যাম্পিয়ন: ভারত।
- রানার্স আপ: দক্ষিণ আফ্রিকা।
- প্লেয়ার অব দ্যা টুর্নামেন্ট: জসপ্রীত বুমরাহ (ভারত)।
- প্লেয়ার অব দ্যা ফাইনাল: ভিরাট কোহলি (ভারত)।
- সর্বাধিক রান: রহমানউল্লাহ গুরবাজ (আফগানিস্তান)।
- সর্বাধিক উইকেট: ফজলহক ফারুকি ও আর্শদীপ সিং।

উল্লেখ্য,
- মোট ৯টি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।
- ২০টি দেশকে ভাগ করা হয়েছে ৪টি গ্রুপে, প্রতিটি গ্রুপে ৫টি করে দল রয়েছে।

উৎস: ICC Cricket ওয়েবসাইট।
.
Non-Aligned Movement-এর প্রথম সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. হাভানা
  2. বেলগ্রেড
  3. কায়রো
  4. বান্দুং
ব্যাখ্যা
NAM:
- NAM-এর পূর্ণরূপ: Non-Aligned Movement বা জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলন।
- এটি উন্নয়নশীল দেশগুলির স্বার্থ এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিত্ব করার জন্য নিবেদিত আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- এটি একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন যা তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর স্বার্থ এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিত্ব করার জন্য গঠিত হয়।
- এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর স্নায়ুযুদ্ধকালীন পুঁজিবাদী দেশসমূহের জোট ন্যাটো এবং সমাজতান্ত্রিক দেশসমূহের জোট ওয়ারশ থেকে নিরপেক্ষ হিসাবে আন্দোলনের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫৫ সালের ১৮-২৪ এপ্রিল বান্দুং কনফারেন্সের প্রেক্ষিতে ন্যাম গঠিত হয়।
- ১৯৬১ সালে পুরোনো যুগোস্লাভিয়ার রাজধানী বেলগ্রেড-এ জন্ম হয় জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের।
- প্রথম কনফারেন্স হয় বেলগ্রেড, ১৯৬১ সালের ১ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৬১।
- বর্তমান সদস্য: ১২১টি।
- চেয়ারম্যান: ইলহাম ইলিয়েভ।
- ন্যামের প্রথম প্রেসিডেন্ট: ইয়োসিপ ব্রোজ টিটো (মার্শাল টিটো)।

⇒ ন্যামের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন সেই সময়কার পাঁচ বিশ্ব রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব:
১. ইন্দোনেশিয়ার প্রথম প্রেসিডেন্ট ড. আহমদ সুকর্ণ।
২. ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু।
৩. যুগোস্লাভিয়ার প্রেসিডেন্ট মার্শাল জোসিপ টিটো।
৪. মিসরের দ্বিতীয় প্রেসিডেন্ট জামাল আবদুল নাসের।
৫. ঘানার প্রেসিডেন্ট ড. কাওয়ামে ন্ক্রুমা।

⇒ ১৯৬১ সালে পুরোনো যুগোস্লাভিয়ার রাজধানী বেলগ্রেডে যুগোস্লাভিয়ার মার্শাল জোসিপ টিটো, মিশরের জামাল আবদুল নাসের, ভারতের জওহরলাল নেহেরু , ঘানার কাওয়ামে ন্ক্রুমা এবং ইন্দোনেশিয়ার সুকর্ণর নেতৃত্বে Non-Aligned Movement-এর প্রথম সম্মেলন এবং অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং NAM প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৩ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত ন্যাম-এর ৪র্থ শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে।
- NAM-এর ১৯তম শীর্ষ সম্মেলন ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে উগান্ডায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উৎস: NAM ওয়েবসাইট।
.
ইসরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে যে শান্তিচুক্তি হয়, তার নাম -
  1. ক্রস সার্ভিসিং চুক্তি
  2. আব্রাহাম অ্যাকর্ড
  3. এয়ার বাবল চুক্তি
  4. ওয়াশিংটন অ্যাকর্ড
ব্যাখ্যা
আব্রাহাম অ্যাকর্ডস:
- আব্রাহাম অ্যাকর্ডস হলো ইসরায়েল, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বাহরাইনের মধ্যে একটি শান্তি চুক্তি।
- ‘সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন এই চুক্তির মধ্যমে ইসরাইলের সঙ্গে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক তৈরি করে।
- কার্যকর হয়: ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০।
- ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যস্থতাতেই এই চুক্তিটি সম্পন্ন হয়।
- সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চুক্তির দিনটিকে 'নতুন মধ্যপ্রাচ্যের ভোর' নামে অভিহিত করেন।

উৎস: Britannica.
.
২০২৪ সালে ৪৪তম ASEAN শীর্ষ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. আজারবাইজান
  2. ইন্দোনেশিয়া
  3. লাওস
  4. সামোয়া
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

ASEAN:

- ASEAN এর পূর্ণরূপ: Association of Southeast Asian Nations.
- এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি অর্থনৈতিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৮ আগস্ট, ১৯৬৭ সালে।
- এর সদরদপ্তর: জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া।
- এর বর্তমান সদস্য দেশ ১০টি।
- সদস্য দেশগুলো: মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, ভিয়েতনাম, লাওস, মিয়ানমার ও কম্বোডিয়া।
- ASEAN জোটের বর্তমান সভাপতি দেশ: ইন্দোনেশিয়া (জাকার্তা)।

⇒ আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরাম (ASEAN Regional Forum- ARF) এর সদস্য সংখ্যা ২৭টি।
- দেশগুলো হলো: ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ব্রুনাই, ভিয়েতনাম, মায়ানমার, কম্বোডিয়া, লাওস, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, চীন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ভারত, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, উত্তর কোরিয়া, মঙ্গোলিয়া, নিউজিল্যান্ড, পাপুয়া নিউগিনি, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, পাকিস্তান, পূর্ব তিমুর, বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কা (সর্বশেষ সদস্য)।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৯৪ সালে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালের অক্টোবরে ৪৪তম ASEAN শীর্ষ সম্মেলন লাওসে অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: ASEAN ওয়েবসাইট।
.
APEC-এর প্রতিষ্ঠাতা দেশ কোনটি?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. কানাডা
  3. ইরান
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
APEC:
- APEC-এর পূর্ণরূপ Asia-Pacific Economic Cooperation.
- APEC এশীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের একটি বাণিজ্যিক জোট।
- এটি গঠিত হয় ১৯৮৯ সালে।
- সদর দপ্তর: সিঙ্গাপুর সিটি, সিঙ্গাপুর।
- প্রতিষ্ঠাতা দেশ: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ২১টি।

⇒ প্রতিষ্ঠিত হয়: অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরায়।
- এর প্রতিষ্ঠাতা দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
- অস্ট্রেলিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী বর হক APEC -এর উদ্যোক্তা ছিলেন।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালে ৩১তম APEC শীর্ষ সম্মেলন ১০-১৬ নভেম্বর পেরুতে অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: APEC ওয়েবসাইট।
.
Ping Pong Diplomacy-এর সাথে কোন দেশ জড়িত?
  1. চীন
  2. ভিয়েতনাম
  3. যুক্তরাজ্য
  4. জাপান
ব্যাখ্যা
Ping Pong Diplomacy:
- পিং পং ডিপলোমেসির ইংরেজি প্রতিশব্দ Shuttle Diplomacy.
- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চীনের সম্পর্ক উন্নয়নে টেবিল টেনিস বা পিংপং খেলা গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 
- ইতিহাসে এই ঘটনা পিংপং ডিপ্লোমেসি নামে পরিচিত।
- পিং পং ডিপ্লোম্যাসির (Ping pong diplomacy) মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে চলা ২০ বছরের বৈরি সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটে।

⇒ ১৯৪৯ সালে মাও সেতুং এর নেতৃত্বে চীনে কমিউনিজম প্রতিষ্ঠার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের অবনতি হয়।
- ১৯৭১ সালে জাপানের নাগোয়াতে অনুষ্ঠিত ৩১তম বিশ্ব টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ প্রতিযােগীতায় আসা যুক্তরাষ্ট্রের টীমকে চীনে আমন্ত্রন জানিয়ে এই অচলবস্থা সহজ হয়ে আসে।
- ১৯৪৯ সালের পর কোনো মার্কিন প্রতিনিধির এটাই প্রথম চীন সফর।
- সেই ঐতিহাসিক সফরের পর চীন-মার্কিন সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হয়।

⇒ ১৯৭১ সালের জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা উপদেষ্টা হেনরি কিসিঞ্জার এক গােপন সফরে চীন যান।
- ১৯৭২ সালে চীন তাদের টেবিল টেনিস টীম যুক্তরাষ্ট্র সফরে পাঠায়।
- ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট নিক্সন চীন সফরে যান এবং তারপর থেকে চীনের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়ে আসে।
- এটি চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক উন্নয়নে বড় অবদান রেখেছে।

উল্লেখ্য,
- টেবিল টেনিস খেলাটি ২০ শতকের প্রথম দিকে ইংল্যান্ডে উদ্ভাবিত হয়েছিল এবং টেবিল টেনিস নামটি ১৯২১-২২ সালে গৃহীত হয়েছিল।
- প্রথম বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ ১৯২৬ সালে লন্ডনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, এবং তারপর থেকে ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত খেলায় মধ্য ইউরোপের খেলোয়াড়দের দ্বারা আধিপত্য ছিল।

উৎস: Britannica.
.
BENELUX দেশগুলো মুদ্রা হিসেবে নিম্নের কোনটি ব্যবহার করে?
  1. ডলার
  2. পাউন্ড
  3. ইউরো
  4. ক্রোনা
ব্যাখ্যা
BENELUX:
- BENELUX-এর পূর্ণনাম: ‘Benelux Economic Union’।
- পশ্চিম ইউরোপের ৩টি দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বিষয়ক সংগঠন বেনেলাক্স।
- এর পূর্ণনাম: ‘Benelux Economic Union’।
- ১৯৪৪ সালে ‘BENELUX’ একটি ‘কাস্টমস ইউনিয়ন’ হিসেবে আত্নপ্রকাশ করে যা ১৯৪৮ সালের ১ জানুয়ারি বাস্তবায়ন করা হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষর: ৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৮ সাল।
- চুক্তি কার্যকর: ১৯৬০ সাল।
- সদস্য সংখ্যা: ৩টি দেশ (বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ড ও লুক্সেমবার্গ)।
- সদরদপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- BENELUX-এর দেশগুলোর ব্যবহৃত মুদ্রা ইউরো।

উল্লেখ্য,
- ১৭ জুন, ২০০৮ সালে একটি নতুন ‘BENELUX’ চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়।
- এটি ১ জানুয়ারি, ২০১২ সালে কার্যকর করা হয়।

⇒ BENELUX গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন বেলজিয়ামের সাবেক শীর্ষস্থানীয় রাষ্ট্রনায়ক Paul-Henri Spaak।
- BENELUX বিশ্বের প্রথম ফ্রি শ্রম বাজার।
- মূলধন এবং সেবা - ও বিনাশুল্কে স্থানান্তরিত হয় এবং ১৯৭০ সালে BENELUX এর দেশগুলোর মধ্যে সীমান্ত কড়াকড়ি উঠিয়ে দেয়া হয়।
- BENELUX এর বর্তমান মহাসচিব Mr Frans Weekers (লুক্সেমবার্গ)।
- তিনি ১ জানিয়ারি, ২০২৩ সালে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- তিনি জিন-ক্লদ মেয়ার (LU) এবং মিশেল-এটিন টাইলেম্যানস (BE) এর সাথে কলেজ গঠন করেন।
- এই কলেজ তিন বছরের জন্য নিয়োগ করা হয়।

উৎস: BENELUX ওয়েবসাইট।
১০.
কোন প্রতিষ্ঠান চিকিৎসা শাস্ত্রে নোবেল পুরস্কার প্রদান করে?
  1. নোবেল কমিটি অব দি নরওয়েজিয়ান পার্লামেন্ট
  2. রয়েল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্স
  3. ক্যারোনিস্কা ইনস্টিটিউট
  4. সুইডিশ একাডেমি
ব্যাখ্যা
নোবেল পুরস্কার:
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় পুরস্কার হিসেবে বিবেচিত নোবেল পুরস্কার।
- এটি নরওয়ে ও সুইডেন থেকে দেওয়া হয়।
- সুইডিশ বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেলের নামে ও তাঁর রেখে যাওয়া অর্থ থেকে নোবেল পুরষ্কার প্রদান করা হয়।
- আলফ্রেড নোবেলের মৃত্যুর পাঁচ বছর পর ১৯০১ সাল থেকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়।

⇒ শুরুতে পাঁচটি শাখায় নোবেল পুরস্কার দেওয়া হতো।
- পরে এর সাথে যুক্ত হয় অর্থনীতি।
- চিকিৎসা, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, সাহিত্য, শান্তি ও অর্থনীতি।
- মোট ৬টি শাখায় নোবেল পুরষ্কার প্রদান করা হয়।
- অক্টোবরের প্রথম সোমবার থেকে ছয় দিনব্যাপী সারা বিশ্বের পুরস্কার বিজয়ীর নাম ঘোষণা শুরু হয়।

⇒ নোবেল পুরস্কার প্রদানকারী সংস্থা ৪টি। যথা:
- নোবেল কমিটি অব দি নরওয়েজিয়ান পার্লামেন্ট (নরওয়ে): শান্তি,
- সুইডিশ একাডেমি (সুইডেন): সাহিত্য,
- রয়েল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্স (সুইডেন): পদার্থ, রসায়ন ও অর্থনীতি,
- ক্যারোনিস্কা ইনস্টিটিউট (সুইডেন): চিকিৎসা শাস্ত্র।

উৎস: Nobel Prizes ওয়েবসাইট।
১১.
কত তারিখে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ২ জুন, ১৯৭২
  2. ২ জুলাই, ১৯৭২
  3. ৪ জুন, ১৯৭২
  4. ৪ আগস্ট, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
সিমলা চুক্তি (Simla Agreement):
- ১৯৭১ সালে ভারত পাকিস্তান সমঝোতার মাধ্যমে যে নিয়ন্ত্রণ সীমা তৈরি হয় তার নাম এল.ও.সি বা লাইন অব কন্ট্রোল।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে পরবর্তী সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এবং যুদ্ধবন্দীদের হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির অধীনেই ভারত সব যুদ্ধবন্দিকে বিনা বিচারে পাকিস্তানে ফেরত পাঠায়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২ জুলাই, ১৯৭২।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: সিমলা, হিমাচল প্রদেশ, ভারত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ভারত ও পাকিস্তান।
- ভারতের পক্ষে স্বাক্ষরকারী: প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।
- পাকিস্তানের পক্ষে স্বাক্ষরকারী: প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো।
- চুক্তির লক্ষ্য: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ বিষয়াবলীর শান্তিপূর্ণ সমাধান, বন্ধুত্বপূর্ণ পারস্পারিক সহাবস্তান, যুদ্ধবন্দী বিনিময়, লাইন অব কন্ট্রোলকে বিরোধপূর্ণ কাশ্মীরের সীমানা হিসাবে পুনঃনির্ধারণ ইত্যাদি।

উল্লেখ্য,
- মূলত বাংলাদেশে স্বাধীনতা যুদ্ধের পর ৯৩ হাজার পাকিস্তানী সেনাদের ভারত বন্দী বানিয়ে নিয়ে যায় তাদের দেশে।
- আর তখন পাকিস্তান ভেঙ্গে হয়ে গেল বাংলাদেশ ।
- সিমলা চুক্তির মাধ্যমে পাকিস্তানী ৯৩ হাজার বন্দী সেনাদের ভারত ছেড়ে দিল, এই শর্তে যে তাদের বিচার পাকিস্তান নিজেই করবে যারা পূর্বপাকিস্তান তথা বর্তমান বাংলাদেশে যুদ্ধকালীন অপরাধে জড়িত ছিল।
- এই চুক্তিতে ভারত ও পাকিস্তান জম্মু ও কাশ্মীরে স্থিতাবস্থা স্থাপনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করে।

অন্যদিকে,
- ‘ইন্ডাস ওয়াটার ট্রিটি’ (সিন্ধু জল চুক্তি) নামে পরিচিত এই সমঝোতাটি ১৯৬০ সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

উৎস: i) Ministry of External Affairs.
ii) UN Peacemaker.
১২.
ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক কবে EU অঞ্চলে একক মুদ্রা 'ইউরো' চালু করে?
  1. ১ জানুয়ারি, ১৯৯৪
  2. ৩ জানুয়ারি, ১৯৯৪
  3. ১ জানুয়ারি, ১৯৯৯
  4. ৩ জানুয়ারি, ১৯৯৯
ব্যাখ্যা
ইউরো:
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহের একক মুদ্রার নাম ইউরো।
- ইউরো মুদ্রার জনক হলেন রবার্ট মুন্ডেল।
- ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১ জানুয়ারি, ১৯৯৯ সালে EU অঞ্চলে একক মুদ্রা 'ইউরো' চালু করে।
- ইউরো মুদ্রা € প্রতীক দ্বারা উপস্থাপিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯৯ সালে ইউরোপের ১৪টি দেশ (অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, জার্মানি, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবুর্গ, মোনাকো, নেদারল্যান্ডস, পর্তুগাল, স্পেন, সান মারিনো এবং ভ্যাটিকান সিটি) ইউরো প্রথম ব্যবহার করে।
- পরে ইউরোপের অন্যান্য দেশ ইউরো গ্রহণ করে।
- ২০০৮ সালে সাইপ্রাস ও মাল্টা এবং ২০১৫ সালে লিথুয়ানিয়া ইউরো গ্রহণ করে।
- সর্বশেষ ক্রোয়েশিয়া ২০১৩ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগদান করে এবং ১ জানুয়ারী ২০২৩ তারিখে ইউরো গ্রহণ করে।
- ক্রোয়েশিয়া ২০তম দেশ হিসেবে ইউরো মুদ্রা গ্রহণ করে।

⇒ এখন পর্যন্ত ২০টি দেশ একক মুদ্রা হিসেবে ইউরো মুদ্রা গ্রহণ করেছে।
- দেশগুলো হল: অস্ট্রিয়া, গ্রিস, জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন, পর্তুগাল, নেদারল্যান্ড, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, আয়ারল্যান্ড, মাল্টা, সাইপ্রাস, লিথুনিয়া, লাটভিয়া, এস্তোনিয়া, স্লোভেনিয়া, স্লোভাকিয়া, ইতালি, ফিনল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়া।

উৎস: EU ওয়েবসাইট।
১৩.
২০২৪ সালে অর্থনীতিতে কে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
  1. ডেভিড বেকার
  2. জন জে. হপফিল্ড
  3. ড্যারন অ্যাসেমোগলু
  4. ভিক্টর অ্যামব্রোস
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

২০২৪ সালের নোবেল বিজয়ী:

• সাহিত্য: হান কাং।
- অবদান: নিজের সাহিত্যকর্মে ‘ইতিহাসের ট্রমা ও মানবজীবনের ভঙ্গুরতা’কে তীব্র কবিতাময় গদ্যের মাধ্যমে উন্মোচিত করার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

• শান্তি: জাপানি সংস্থা নিহন হিদানকিও।
- অবদান: হিবাকুশা নামেও পরিচিত জাপানি সংস্থা হিদানকিওকে পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব গড়ার প্রচেষ্টা এবং পারমাণবিক অস্ত্র যে আর কখনো ব্যবহার করা উচিত নয়, তা প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্যের মাধ্যমে বিশ্বের সামনে তুলে ধরার জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

• চিকিৎসাবিজ্ঞান: ভিক্টর অ্যামব্রোস, গ্যারি রাভকান।
- অবদান: ‘মাইক্রোআরএনএ আবিষ্কার এবং পোস্ট-ট্রান্সক্রিপশনাল জিন নিয়ন্ত্রণে এর ভূমিকার জন্য’ তাদের এ পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

• পদার্থবিজ্ঞান: জন জে. হপফিল্ড, জিওফ্রে ই. হিন্টন।
- অবদান: ‘কৃত্রিম নিউরাল নেটওয়ার্কের সাথে মেশিন লার্নিং সক্ষম করে তোলোর বুনিয়াদি আবিষ্কার ও উদ্ভাবনের জন্য’ তাদেরকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

• রসায়ন: ডেভিড বেকার, ডেমিস হ্যাসাবিস, জন এম. জাম্পার।
- অবদান: মার্কিন বিজ্ঞানী ডেভিড বেকারকে কম্পিউটেশনাল প্রোটিন ডিজাইনের জন্য’ এবং ব্রিটিশ বিজ্ঞানী ডেমিস হ্যাসাবিস ও জন এম. জাম্পারকে ‘প্রোটিন গঠন পূর্বাভাসের জন্য’ যৌথভাবে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

• অর্থনীতি: ড্যারন অ্যাসেমোগলু, সাইমন জনসন, জেমস এ. রবিনসন।
- অবদান: গণতান্ত্রিক এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রতিষ্ঠানগুলো কিভাবে দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে অবদান রাখে তা নিয়ে কার্যকরী গবেষণা করার জন্য।

উৎস: Nobel Prize ওয়েবসাইট।