উত্তর
ব্যাখ্যা
যা সহজে অতিক্রম করা যায় না = দুরতিক্রম্য,
যা অতিক্রম করা যায় না = অনতিক্রম্য,
যা সহজে লঙ্ঘন করা যায় না = অলঙ্ঘ্য,
যেখানে গমন করা কষ্টকর = দুর্গম।
উৎসঃ বাংলা প্রশ্নের টীকা-ভাষ্য, অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখর।
DPE · ৫ মার্চ, ২০২৪ · ৮০ প্রশ্ন
যা সহজে অতিক্রম করা যায় না = দুরতিক্রম্য,
যা অতিক্রম করা যায় না = অনতিক্রম্য,
যা সহজে লঙ্ঘন করা যায় না = অলঙ্ঘ্য,
যেখানে গমন করা কষ্টকর = দুর্গম।
উৎসঃ বাংলা প্রশ্নের টীকা-ভাষ্য, অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখর।
উচ্চারণের সুবিধার জন্য শব্দের আদিতে স্বরধ্বনি এলে তাকে আদি স্বরাগম বলে।
যেমন- স্কুল > ইস্কুল, স্টেশন ˃ ইস্টিশন, স্পর্ধা ˃ আস্পর্ধা।
স্ত্রী ˃ ইস্ত্রী ও আদি স্বরাগমের উদাহরণ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম দশম শ্রেণী।
গজ শব্দের অর্থ হাতি।
হাতির বাসস্থান - গজগৃহ
হাতি রাখার স্থান; হাতির আস্তাবল - পিলখানা।
উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান, শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, মোহসীনা নাজিলা এবং অন্যান্য নির্ভরযোগ্য রেফারেন্স বই
অপশন-(ক):
গীতাঞ্জলি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি কাব্যগ্রন্থ।
অগ্নিবীণা কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
অর্থ্যাৎ উল্লেখিত দুটি গ্রন্থই কাব্যগ্রন্থ।
অপশন-(খ):
ডাকঘর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাটক।
শ্রীকান্ত শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি জীবনচরিত মূলক উপন্যাস।
অপশন-(গ):
নীল দর্পণ হল দীনবন্ধু মিত্র রচিত একটি বাংলা নাটক।
বিষাদ-সিন্ধু মীর মশাররফ হোসেনের ঐতিহাসিক উপন্যাস।
অপশন-(ঘ):
লালসালু সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত একটি উপন্যাস।
বলাকা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গতিচেতনা বিষয়ক কাব্য।
উৎসঃ শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, মোহসীনা নাজিলা, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া
পূর্ণমাত্রার বর্ণ ৩২ টি, অর্ধ্মাত্রার বর্ণ ৮ টি এবং মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা ১০ টি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাস জোরে বের হয়ে যায়, বাতাসের চাপ বেশি থাকে তাকে মহাপ্রাণ ধ্বনি বলে। বর্গের ২য় ও ৪র্থ ধ্বনি হচ্ছে মহাপ্রাণ ধ্বনি। যথা- (খ,ঘ), (ছ,ঝ), (ঠ,ঢ), (থ,ধ), (ফ,ভ) এবং 'হ' ইত্যাদি।
উৎস: নবম - দশম শ্রেণীর বাংলা ব্যাকরণ বই।
পুত্র শব্দের সমার্থক শব্দ ছেলে, সুত, তনয়, নন্দন।
উৎসঃ পৃষ্ঠা নং ১৮৭, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
পুত্র এর সমার্থক শব্দ আত্মজ, দুলাল, নন্দন, তনয়, ছেলে, পোলা, বেটা।
উৎসঃ ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
অন্যদিকে, শৈলজ - শব্দের অর্থ পর্বতজাত; পর্বতীয়।
বাংলা ভাষায় স্বরবর্ণ এগারটি। যথা - অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ।
তবে বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণবিদদের মতে, মৌলিক স্বরধ্বনি মোট - ৭টি।
যথা - অ, আ, ই, উ, এ, অ্যা, ও।
অন্যদিকে, ঐ (অ + ই) এবং ঔ (অ + উ) - এই দুটি যৌগিক স্বরধ্বনির চিহ্ন।
উৎসঃ ড. হায়াৎ মামুদ - এর ভাষা শিক্ষা ও নবম - দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ বই।
ঐশ্বর্য - (বিশেষ্য) ধন; সম্পত্তি; বিভব।
নিঃস্ব - (বিশেষণ) কিছুই নেই এমন; দরিদ্র।
পারত্রিক - (বিশেষণ) পালৌকিক; পরলোক সম্বন্ধীয়; আখেরাতের।
উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান।
কর্মধারয় সমাসের কয়েকটি বিশেষ নিয়ম-
১) দুইটি বিশেষণ একই বিশেষ্য বোঝালে সেটি কর্মধারয় সমাস হয়। যেমন, যে চালাক সেই চতুর = চালাক-চতুর। এখানে পরবর্তী বিশেষ্যটি অপেক্ষাকৃত বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে বলে এটি দ্বন্দ্ব সমাস হবে না।
২) দুইটি বিশেষ্য একই ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝালে সেটিও কর্মধারয় সমাস হয়। যেমন, যিনি জজ তিনিই সাহেব = জজসাহেব। যিনি রাজা তিনিই ঋষি = রাজর্ষি।
৩) কার্যে পরম্পরা বোঝাতে দুটি কৃদন্ত বিশেষণ বা ক্রিয়াবাচক বিশেষণ পদেও কর্মধারয় সমাস হয়। যেমন, আগে ধোয়া পরে মোছা = ধোয়ামোছা। এখানে ‘মোছা’ কাজটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
৪) পূর্বপদে স্ত্রীবাচক বিশেষণ থাকলে তা পুরুষবাচক হয়ে যাবে। যেমন, সুন্দরী যে লতা = সুন্দরলতা
৫) বিশেষণবাচক মহান বা মহৎ শব্দ পূর্বপদ হলে মহা হয়। মহৎ যে জ্ঞান = মহাজ্ঞান
৬) পূর্বপদে ‘কু’ বিশেষণ থাকলে এবং পরপদের প্রথমে স্বরধ্বনি থাকলে ‘কু’, ‘কৎ’ হয়। যেমন, কু যে অর্থ = কদর্থ।
৭) পরপদে ‘রাজা’ থাকলে ‘রাজ’ হয়। যেমন, মহান যে রাজা = মহারাজ।
৮) বিশেষণ ও বিশেষ্য পদে কর্মধারয় সমাস হলে কখনো কখনো বিশেষ্য আগে এসে বিশেষণ পরে চলে যায়। যেমন, সিদ্ধ যে আলু = আলুসিদ্ধ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গসমূহ তিনভাগে বিভক্ত। এগুলো হলো: খাটি বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ।
এর মধ্যে খাটি বাংলা উপসর্গ হলো একুশটি। এগুলো হলো: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন, কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু এবং হা।
(সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী)
বাংলা বর্ণমালায় ১টি “ব” আছে। এটি প - বর্গের অন্তর্গত ওষ্ঠধ্বনি।
বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ = ৫০টি (স্বরবর্ণ - ১১ ও ব্যঞ্জনবর্ণ - ৩৯টি)।
তারমধ্যে,
- পূর্ণমাত্রার বর্ণ - ৩২টি (স্বরবর্ণ - ৬ ও ব্যঞ্জনবর্ণ - ২৬টি)
- অর্ধমাত্রার বর্ণ - ৮টি (স্বরবর্ণ - ১ ও ব্যঞ্জনবর্ণ - ৭টি) ও
- মাত্রাহীন বর্ণ - ১০টি (স্বরবর্ণ - ৪ ও ব্যঞ্জনবর্ণ - ৬টি)
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলমান কবি শাহ মুহম্মদ সগীর। তাঁর রচিত একটি রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান 'ইউসুফ জুলেখা'।
গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে এ কাব্য রচনা করেন। পরবর্তীতে মধ্যযুগের আরো অনেক কবি ইউসুফ জুলেখা নাম দিয়ে কাব্য রচনা করেছেন।
উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।
একাধিক পদ একত্রে মিলিত হয়ে বক্তার মনের ভাব প্রকাশ করলে তাকে আমরা বাক্য বলি।
আবার কখনো কখনো এই একাধিক পদ বা উপবাক্যের সমষ্টি অর্থাৎ বাক্যের মনের ভাব বা অর্থকে অক্ষুণ্ন রেখে তাকে একটি শব্দেও প্রকাশ করা যায়। তাহলে পুরো একটি বাক্য না বলে তার বিকল্প ঐ শব্দটি বলাই ভালো। এতে সময়ও কম লাগে, আর বাক্যটিও শ্রুতিমধুর হয়।
এভাবে পুরো একটি বাক্যের বা উপবাক্যের অর্থকে সংকোচন করে বা সংক্ষিপ্ত করে একটি শব্দে প্রকাশ করাই হলো - এক কথায় প্রকাশ।
যেহেতু এতে বাক্যের অর্থ সংকুচিত বা সংক্ষিপ্ত হয় সেজন্য একে আমরা বাক্য-সংকোচন বা বাক্য-সংক্ষেপণও বলতে পারি।
উৎসঃ এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। [Click here to get pdf file]।
রূপক কর্মধারয় সমাস:
উপমান ও উপমেয় পদের মধ্যে অভিন্নতা কল্পনা করা হলে, তাকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে। এটির ব্যাসবাক্যে উপমেয় ও উপমান পদের মাঝে ‘রূপ’ শব্দটি অথবা ‘ই’ শব্দাংশটি ব্যবহৃত হয়। যেমন, ‘মন রূপ মাঝি = মনমাঝি’। এখানে ‘মন’ উপমেয় ও ‘মাঝি’ উপমান। কিন্তু এখানে তাদের কোন নির্দিষ্ট গুণের তুলনা করা হয়নি। মনকেই মাঝি হিসেবে কল্পনা করা হয়েছে।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
বাংলা সাহিত্যের হাজার বছরের ইতিহাস প্রধানত তিনটি পর্যায়ে বিভক্ত।
আদিযুগ বা প্রাচীন যুগ (আনুমানিক ৬৫০ খ্রি. মতান্তরে ৯৫০ খ্রি.–১২০০ খ্রি.)
মধ্যযুগ (১২০১ খ্রি.–১৮০০ খ্রি.)
আধুনিক যুগ (১৮০১ খ্রি.–বর্তমান কাল)
তবে মধ্যযুগের প্রথম অংশ (১২০১ - ১৩৫০ পর্যন্ত)-তে তেমন কোন সাহিত্যিক নিদর্শন পাওয়া যায় নি। তাই এই সময়কে বাংলা সাহিত্যের 'অন্ধকার যুগ' নামে অভিহিত করা হয়।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর।
অধিকরণ কারকের প্রকারভেদ
অধিকরণ কারক তিন প্রকার। যথা-
১. কালাধিকরণ,
২. আধারাধিকরণ এবং
৩. ভাবাধিকরণ।
কালাধিকরণঃ
যে কালে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, তাকে কালাধিকরণ কারক বলে। উদাহরণ-
শরতে শাপলা ফোটে।
সকালে সে চলে যাবে।
প্রভাতে উঠিল রবি লোহিত বরণ।
ভাবাধিকরণঃ
যদি কোনো ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য অন্য ক্রিয়ার কোনোরূপ ভাবের অভিব্যক্তি প্রকাশ করে, তবে তাকে ভাবাধিকরণ বলে। ভাবাধিকরণে সর্বদাই সপ্তমী বিভক্তির প্রয়োগ হয় বলে একে ‘ভাবে সপ্তমী’ বলা হয়। যেমন-
সূর্যোদয়ে অন্ধকার দূরীভূত হয়।
কান্নায় শোক মন্দীভূত হয়।
হাসিতে মুক্তা ঝরে।
জলে কুমির, ডাঙায় বাঘ।
আধারাধিকরণঃ
আধারাধিকরণ বা স্থানাধিকরণ কোন কোন স্থানকে বুঝায়। এটি তিন ভাগে বিভক্ত। যথা:- ১. ঐকদেশিক, ২. অভিব্যাপক এবং ৩. বৈষয়িক।
১. ঐকদেশিকঃ
বিশাল স্থানের যে কোনো এক অংশে ক্রিয়া সংঘটিত হলে তাকে ঐকদেশিক আধারাধিকরণ বলে। যেমন-
পুকুরে মাছ আছে। (পুকুরের যে কোনো একস্থানে)
বনে বাঘ আছে। (বনের যে কোনো এক অংশে)
আকাশে চাঁদ উঠেছে। (আকাশের কোনো এক অংশে)
সামীপ্য(নৈকট্য) অর্থেও ঐকদেশিক অধিকরণ হয়। যেমন-
ঘাটে নৌকা বাঁধা আছে। (ঘাটের কাছে)
‘দুয়ারে দাঁড়ায়ে প্রার্থী, ভিক্ষা দেহ তারে। (দুয়ারের কাছে)
রাজার দুয়ারে হাতি বাঁধা।
২. অভিব্যাপকঃ
উদ্দিষ্ট বস্তু যদি সমগ্র আধার ব্যাপ্ত করে বিরাজমান থাকে, তবে তাকে অভিব্যাপক আধারাধিকরণ বলে। যেমন-
তিলে তৈল আছে। (তিলের সারা অংশব্যাপী)
নদীতে পানি আছে। (নদীর সমস্ত অংশ ব্যাপ্ত করে)
৩. বৈষয়িকঃ
বিষয় বিশেষে বা কোনো বিশেষ গুণে কারও কোনো দক্ষতা বা ক্ষমতা থাকলে সেখানে বৈষয়িক অধিকরণ হয়। যেমন-
রাকিব অঙ্কে কাঁচা, কিন্তু ব্যাকরণে ভালো।
আমাদের সেনারা সাহসে দুর্জয়, যুদ্ধে অপরাজেয়।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
উপমান এবং উপমিত কর্মধারয় সমাস হতে হলে বাধ্যতামূলক তুলনা বুঝাবে। যদি প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ বস্তুর সাধারণ ধর্ম, গুণ, মিল থাকে বা বাস্তবসম্মত মনে হয় তাহলে তো উপমান আর তা মনে না হলে উপমিত কর্মধারয় সমাস।
কর পল্লবের ন্যায় =করপল্লব – উপমিত কর্মধারয় সমাস। শশকের ন্যায় ব্যস্ত = শশব্যস্ত, হরিণের ন্যায় চপল =হরিণচপল, ইস্পাতের ন্যায় কঠিন= ইস্পাতকঠিন (উপমান কর্মধারয় সমাস)।
রেফারেন্সঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- সৌমিত্র শেখর এবং ভাষা শিক্ষা-হায়াৎ মামুদ।
কিছু প্রবাদবাক্য এবং ইংরেজি অনুবাদঃ
লোভে পাপ পাপে মৃত্যু।
Greed leads to sin and sin to death.
A varice begets sin, sin begets death.
one sin is followed by another and leads to destruction.
অপেক্ষার সময় শেষ হয় না।
A watched pot never boils.
Seemingly long time it takes water to boil when you are waiting for it.
দিল্লীর লাড্ডু - খেলেও পস্তাবে, না খেলেও পস্তাবে।
A wish, gained or lost, leaves one unsatisfied in either case.
ছদ্মবেশী শত্রু; বাইরে দেখতে ভালো, ভিতরে খারাপ।
A wolf in sheep’s clothing.
A dangerous person pretending to be harmless; a serpent under flower.
অবলার মুখই বল।
A woman's weapon is her tongue.
মুখ দিয়ে যে কথা একবার বেরিয়ে যায় তা আর ফিরিয়ে আনা সম্ভব না।
A word once spoken is past recalling.
Once you have said something, you cannot under the result of having said it.
জ্ঞানীরা অল্প কথাতেই বোঝে।
A word to the wise is sufficient.
Wise people do not need long explanation.
ভক্তি হলো অজ্ঞতার কন্যা; অজ্ঞতাই ভক্তি করে।
Admiration is the daughter of ignorance.
Sometimes people admire someone or something because they don’t have any idea about that.
শব্দের শুরুতে Vowel এর উচ্চারণ যদি ওয়া বা ইউ হয় তবে a হবে। যেমনঃ A one-eyed man. A European country.
In speaking, we use ‘a’ before a consonant sound: a car, a house, a big truck, a wheel, a grey day.
Warning:: Some words that begin with a vowel letter in writing have a consonant sound:
a united group, a university, a european, a one-year-old child.
We use ‘an’ before a vowel sound: an apple, an old shoe, an orchestra, an umbrella.
Source: Cambridge Dictionary.
Infant- Common noun
Salt- Material noun
Studentship - Abstract noun
Army- Collective noun
Pragmatic (adjective) ব্যবহারিক ফল ও মূল্য সম্বন্ধীয়; সবকিছু প্রয়োগসিদ্ধতার দিক থেকে বিবেচনা করে এমন; কার্যসিদ্ধিমূলক; কার্যসাধনাত্মক; প্রয়োগবাদী; ব্যবহারবাদী।
Pragmatically (adverb) কার্যসিদ্ধতার/প্রয়োগসিদ্ধতার/কার্যোপযোগিতার দিক থেকে।
Extend (verb transitive), (verb intransitive)
(১) প্রসারিত করা বা হওয়া; (স্থান বা সময়) বাড়ানো; সম্প্রসারিত করা বা হওয়া।
(২) ছড়িয়ে দেওয়া; বাড়িয়ে দেওয়া: extend one’s hand to somebody.
কারো সঙ্গে করমর্দন করা।
(৩) extend something (to somebody) প্রদান করা: extend an invitation; extend a warm welcome to somebody.
(৪) বিস্তৃত হওয়া বা পৌঁছানো।
(৫) পৌঁছে দেওয়া।
(৬) (সাধারণত কর্মবাচ্যে) অতিরিক্ত খাটানো: The horse was fully extended.
Sovereign
(adjective)
(১) (ক্ষমতা) সর্বোচ্চ; সার্বভৌম; অসীম; (জাতি, রাষ্ট্র, শাসক) সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী: a sovereign state.
(২) উৎকৃষ্ট; কার্যকর; There is (yet to be a) sovereign remedy for cancer.
(noun)
(১) সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী শাসক, যেমন রাজা, রানি বা সম্রাট।
(২) (১ পাউন্ডের সমমানের) অধুনা অপ্রচলিত ব্রিটিশ স্বর্ণমুদ্রা।
Sovereignty (noun) [uncountable noun] সার্বভৌম ক্ষমতা।
সঠিক উত্তরঃ Principle verb এবং Transitive verb উভয়ই।
Principal বা Main verb দুই প্রকার। যথা- Transitive verb এবং Intransitive verb.
যে verb এর object থাকে তাকে Transitive verb বলে। যেমন- He writes a letter. এই বাক্যে writes এর object 'a letter'। তাই, 'write' একই সাথে Principle verb এবং Transitive verb.
Amicable (adjective) - শান্তিপ্রবণ; শান্তিপূর্ণ; বন্ধুত্বপূর্ণ বা শান্তিপূর্ণভাবে সাধিত।
Ex: We demand an amicable settlement of the issues.
Amicability (noun) - শান্তিময়।
Amicably (adverb) শান্তি ও সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে: Live together amicably.
From our English Mentor Mr. Saleh:
Participle ও Adjective ২টাই সঠিক।
তবে, more specific হিসেবে এটা participle ধরা যেতে পারে। কারণ, participle এর Definition হচ্ছে, যে verb form- adjective এর কাজ করে, এর পাশাপাশি verb এর কিছু features ও এর মধ্যে বিদ্যমান থাকে।
যেমন, verb+ing এর মধ্যে continuous tense এর বৈশিষ্ঠ্য থাকে, যদিও এটা adjective হয়।
Verb এর pp এর মধ্যে perfect tense এর বৈশিষ্ঠ্য থাকে। সাধারণ adjective এর মধ্যে এসব feature পাওয়া যায় না।
উপরোক্ত আলোচনার ভিত্তিতে এটা বলা যায় যে, যদি অপশনে Participle ও Adjective দুটিই থাকে, তাহলে Participle উত্তর করাটাই যুক্তিযুক্ত।
Carcass, carcase (noun)
(১) (বিশেষত টুকরো করে মাংসরূপে ভক্ষণের জন্য তৈরি পশুপাখির) মৃতদেহ: carcass meat, তাজা মাংস (টিনে সংরক্ষিত নয়)।
(২) (অবজ্ঞাসূচক) ধড়; বপু।
(৩) (অসমাপ্ত বাড়ি, জাহাজ ইত্যাদির) কাঠামো; খোলস।
Corpse (noun) মৃতদেহ; শব (বিশেষত মানুষের)।
Corps (Noun)
(১) সৈন্যবাহিনীর ভাগবিশেষ: Army Engineering corps.
(২) দুই বা ততোধিক ডিভিশন নিয়ে গঠিত সামরিক বাহিনী।
(৩) Corps de ballet (ফরাসি) ব্যালে-নৃত্যের নর্তক দল।
the Diplomatic Corps একটি রাজধানী বা রাজদরবারে বিদেশি রাষ্ট্রসমূহের সব রাষ্ট্রদূত; অ্যাটাচি ও দূতাবাসাধ্যক্ষদের সমষ্টিগত নাম।
Seismograph (noun) ভূমিকম্পের শক্তি, স্থায়িত্ব ও দূরত্ব মাপার যন্ত্রবিশেষ; ভূকম্পলিখ।
Seismology (noun) [uncountable noun] ভূকম্পবিদ্যা।
Seismologist (noun) ভূকম্পবিদ।
বাংলাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে সাড়ে তেইশ ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখা বা কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে। এর প্রভাবে বাংলাদেশে সমভাবাপন্ন জলবায়ু বিরাজ করে এবং এখানকার জলবায়ু ক্রান্তিয় জলবায়ুর অন্তর্গত।
(সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি)
BRICS হলো ৫টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত একটি অনানুষ্ঠানিক ফোরাম। দেশসমূহ হলো ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন এবং দক্ষিণ আফ্রিকা। দেশগুলোর আদ্যাক্ষর দ্বারা BRICS শব্দটি গঠিত। ২০০১ সালে BRICS সম্পর্কে অর্থনীতিবিদ জিম ও’নিল প্রথম ধারনা দেন। ২০০৬ সালে ব্রিকস গঠনের প্রচেষ্টা শুরু হয় এবং ২০০৯ সালে রাশিয়ার ইকেতারিনবার্গে প্রথম BRICS Summit অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমে এ্রর নাম ছিলো BRIC. ২০১১ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা যোগ দিলে এর নাম হয় BRICS. সর্বশেষ ২০১৯ সালে ব্রাসিলিয়ায় BRICS Summit অনুষ্ঠিত হয়। ব্রিকস এর মূলমন্ত্র সদস্য দেশের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
সূত্রঃ BRICS Website [Click here]
বিমসটেক (BIMSTEC-Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Co-Operation) বঙ্গোপসাগর তীরবর্তী দেশগুলোর আঞ্চলিক অর্থনৈতিক জোট।
এটি ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর স্থায়ী সদরদপ্তর অবস্থিত ঢাকায়। এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৭টি। এগুলো হলো- বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, নেপাল ও ভূটান। এর মধ্যে প্রথম চারটি দেশ প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য।
উৎসঃ বিমসটেক ওয়েবসাইট।
৭ মার্চ এর ভাষণটিকে পরোক্ষভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষনা হিসেবেই বিবেচনা করা হয়ে থাকে।
উৎসঃ বিবিসি নিউজ।
৭ মার্চ ‘জাতীয় ঐতিহাসিক দিবস’
- ভাষণকালঃ ৭ মার্চ, ১৯৭১
- স্থানঃ রেসকোর্স ময়দান (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান)
- ভাষণ শুরুঃ বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে
- মোট সময়ঃ ১৮ মিনিট (মতান্তরে ১৯ মিনিট)
- ভিডিও রেকর্ডকারীঃ পাকিস্তান চলচ্চিত্র বিভাগের পরিচালক ও অভিনেতা আবুল খায়ের
- অডিও রেকর্ডকারীঃ এ এইচ খন্দকার
- প্রথম লাইনঃ ভাইয়েরা আমার, আজ দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি।
- শেষ লাইনঃ এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয় বাংলা।
- শব্দ সংখ্যাঃ ১,১০৮টি
- ভাষণে দাবি ছিলঃ ৪টি
- সংবিধানের তফসিলে সংযুক্ত হয়ঃ ৩০ জুন ২০১১ জাতীয় সংসদে পাশ হওয়া সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে পঞ্চম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- ভাষণটিকে UNESCO বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য ঘোষণা করেঃ ৩০ অক্টোবর ২০১৭
- ভাষণটি অনুদিত হয় (জুলাই ২০২০ পর্যন্ত): ১২টি ভাষায়।
উৎসঃ Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার – আগস্ট ২০২০
বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
তাজউদ্দিন আহমেদ প্রথম প্রধানমন্ত্রী।
ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী প্রথম অর্থমন্ত্রী।
সৈয়দ নজরুল ইসলাম মুজিবনগর সরকার তথা বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি বা উপ-রাষ্ট্রপতি ছিলেন।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
২০১৬ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন- বব ডিলান।
উৎসঃ নোবেল প্রাইজ ওয়েবসাইট।
১৯৭১ সালের ১ আগস্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির ম্যাডিসন স্কয়ারে 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' অনুষ্ঠিত হয়। এর উদ্দেশ্য ছিলো কনসার্ট থেকে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে বাংলাদেশের শরনার্থীদের সহায়তা করা। এর মূল উদ্যোক্তা ছিলেন বিখ্যাত ভারতীয় সেতারবাদক পণ্ডিত রবিশংকর। তার আহবানে সাড়া দিয়ে ব্যান্ডদল বিটলস এ কনসার্ট আয়োজনে অংশ নেয়। এতে জর্জ হ্যারিসন, বব ডিলান, রিঙ্গে স্টার প্রমুখ অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশর আকবর আলী খাঁ, তবলাবাদক ওস্তাদ আল্লারাখা প্রমুখ এতে যুক্ত ছিলেন।
সূত্রঃ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ওয়েবসাইট।
মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন নগরী। প্রসিদ্ধ এই নগরী ইতিহাসে পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর নামেও পরিচিত ছিল।
প্রাচীন নগরী পুন্ড্রবর্ধনের রাজধানী মহাস্থানগড় বগুড়ায় অবস্থিত করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত ছিল।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
NAFTA উত্তর আমেরিকা মহাদেশের তিনটি দেশ মেক্সিকো, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডার মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি যা ১৯৯৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।
২০১৮ সালের ৩০ নভেম্বর NAFTA চুক্তি সংশোধন করে আরেকটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যা USMCA চুক্তি নামে পরিচিত। এটি ১ জুলাই ২০২০ থেকে কার্যকর হয়।
(সূত্রঃ মার্কিন বাণিজ্য বিভাগ ওয়েবসাইট)
বেলফোর ঘোষণা ইসরায়েল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার সাথে জড়িত। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জয়ের ফলে অটোমান সাম্রাজ্যের হাত থেকে ফিলিস্তিন ভূখণ্ড ব্রিটেনের অধিকারে আসে।
১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর ব্রিটেনের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী লর্ড আর্থার জেমস বেলফোর ইহুদিবাদী আন্দোলনের নেতা রথসচাইল্ডকে একটি চিঠির মাধ্যমে ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে ইহুদিদের জন্যে একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় ব্রিটেনের সহায়তার কথা জানান। তার এই চিঠিই ইতিহাসে বেলফোর ডিক্লারেশন নামে পরিচিত।
এই ঘোষণার ৩১ বছর পর ১৯৪৮ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে জোরপূর্বক ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
(সূত্রঃ আল জাজিরা ও হিস্টোরি ডটকম)
অ্যাবাকাস(Abacus) হলো সবচেয়ে প্রাচীন গণনা যন্ত্র যার মধ্যে কতগুলো গুটি ব্যবহৃত হয়। অ্যাবাকাস কখন কোন দেশে প্রথম চালু হয় তা সঠিকভাবে জানা যায়নি। তবে খ্রীষ্টপূর্ব পাঁচশত অব্দে চীনে অ্যবাকাসের প্রচলন ছিল বলে অনেকে মনে করেন। প্রাচীন গ্রীসেও এই যন্ত্রের ব্যবহার ছিল। এছাড়া জাপান ও রাশিয়াতেও ভিন্ন নামে অ্যাবাকাসের প্রচলন ছিলো।
[সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)]
কম্পিউটার হল বিভিন্ন গাণিতিক ও যুক্তিমূলক সমস্যা সমাধানের জন্য তৈরি একটি ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র। কম্পিউটারের সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ প্রভৃতি গাণিতিক কাজ অতি দ্রুত ও নির্ভূলভাবে করা যায়। কম্পিউটারের সাথে মানুষের মৌলিক পার্থক্য হল মানুষের মত কম্পিউটারের নিজস্ব কোন বুদ্ধি বা চিন্তা(আইকিউ-Intelligence Quotient) করার ক্ষমতা নেই। মানুষের দেয়া নির্দেশ অনুসারে এই যন্ত্র কাজ করে। কম্পিউটারের নিজস্ব স্মৃতি থাকে। কম্পিউটারের প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য হল- বিপুল পরিমাণ তথ্য স্মৃতিতে সংরক্ষণ করে রাখা, নির্ভূলভাবে কাজ করা এবং অতি দ্রুত গতিতে কাজ সম্পন্ন করা।
[সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)]
ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের চীফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল জ্যাকব পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের খসড়া দলিল নিয়ে অপরাহ্ণ এক ঘটিকায় ঢাকা বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। লেফটেন্যান্ট জেনারেল অরোরা এক হেলিকপ্টার বহরে তাঁর সহকর্মীদের নিয়ে বিকাল চারটায় ঢাকা বিমানবন্দরে পৌঁছেন।
পাক বাহিনীর আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে মুক্তিবাহিনীর প্রতিনিধিত্ব করেন ডেপুটি চীফ অব স্টাফ গ্রুপ-ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকাল পাঁচটা এক মিনিটে রমনা রেসকোর্সে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) যৌথ কম্যান্ডের পক্ষে লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা এবং পাকিস্তান বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কম্যান্ডের পক্ষে লেফটেন্যান্ট জেনারেল নিয়াজী পাকিস্তানের আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করেন।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
বৈদ্যুতিক ঘন্টায় বিদ্যুৎ শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তর হয়।
ব্যাটারিতে রাসায়নিক শক্তি বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
বৈদ্যুতিক মটরে বিদ্যুৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
বৈদ্যুতিক পাখার ক্ষেত্রে বৈদ্যুতিক শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
তাপ ইঞ্জিন তাপশক্তিকে যান্ত্রিকশক্তিতে রূপান্তরিত করে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বই (২০১৪ সংস্করণ)।
মাইক্রোনেশিয়া পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত। এটি অস্ট্রেলিয়ার উত্তরে, ফিলিপাইনের পূর্বে এবং আমেরিকা মহাদেশের পশ্চিমে অবস্থিত।
[গুগল ম্যাপে মাইক্রোনেশিয়ার অবস্থান দেখতে এখানে ক্লিক করুন]
বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১১টি ভাগ, ১৫৩টি অনুচ্ছেদ, একটি প্রস্তাবনা এবং সাতটি তফসিল রয়েছে।
বাংলাদেশের সংবিধান এখন পর্যন্ত মোট ১৭ বার সংশোধিত হয়েছে।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান - আরিফ খান)
এখানে ABC একটি সমকোণী ত্রিভুজ।
∴ AC2 = AB2 + BC2
⇒ AC2 = 402 +92
⇒ AC2 = 1681
∴ AC = 41
২, ৩, ৪, ৫ এবং ৬ এর ল.সা.গু. = ৬০
৯৯৯৯৯ কে ৬০ দ্বারা ভাগ করলে ভাগফল হয় ১৬৬ এবং ভাগশেষ হয় ৩৯।
ভাজক ও ভাগশেষের পার্থক্যই হবে নির্ণেয় ক্ষুদ্রতম সংখ্যা।
∴ নির্ণেয় ক্ষুদ্রতম সংখ্যা (৬০-৩৯) = ২১
১০০ টাকার ১ বছরের সুদ ৫ টাকা
১২০ টাকার ৩ বছরের সুদ = (৫ X ৩ X ১২০)/১০০ টাকা
= ১৮ টাকা
∴ সুদাসল = (১২০+ ১৮ ) টাকা = ১৩৮ টাকা।
গড় = (১ম পদ+শেষ পদ)/২
= (1+99)/2
= 50
পদ সংখ্যা = (শেষ পদ-১ম পদ) / সাধারণ অন্তর + ১
= (99-1)/1 + 1
=99
সমষ্টি = গড় × পদ সংখ্যা
= 50×99
= 4950
মনে করি, আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = x মিটার এবং দৈর্ঘ্য = 2x মিটার।
আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = 2x × x
= 2x2
শর্তমতে, 2x2 = 1250
বা, x2 = 625
বা, x = 25
সুতরাং আয়তক্ষেত্রটির প্রস্থ 25 মিটার এবং দৈর্ঘ্য 50 মিটার।
অনুপাতের রাশিগুলোর যোগফল = ৩ + ৭ + ১০ = ২০
১ম টুকরার সাইজ = ৬০ এর ৩/২০ = ৯ মিটার
২য় টুকরার সাইজ = ৬০ এর ৭/২০ = ২১ মিটার
৩য় টুকরার সাইজ = ৬০ এর ১০/২০ = ৩০ মিটার
প্রশ্ন অনুযায়ী,
৬ জন স্ত্রীলোক = ৮ জন বালক
∴ ৩ জন স্ত্রীলোক = ৪ জন বালক
∴ ৩ জন স্ত্রীলোক ও ১২ জন বালক = ৪+১২ = ১৬ জন বালক।
প্রশ্নমতে,
৮ জন বালক একটি কাজ করতে পারে = ১২ দিনে
১ জন বালক একটি কাজ করতে পারে = ১২ X ৮ দিনে
∴ ১৬ জন বালক একটি কাজ করতে পারে = (১২ X ৮ )/১৬ দিনে।
= ৬ দিনে।
∴ ৩ জন স্ত্রীলোক ও ১২ জন বালক ঐ কাজটি করতে পারবে = ৬ দিনে।
বিক্রয়মূল্য ৮০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা।
বিক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = ১০০/৮০ টাকা।
বিক্রয়মূল্য ৩৬০০০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = (১০০X৩৬০০০)/৮০ টাকা।
= ৪৫০০০ টাকা।
আবার,
ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = ১১৬ টাকা।
ক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = ১১৬/১০০ টাকা।
ক্রয়মূল্য ৪৫০০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = ১১৬X৪৫০০০/১০০ টাকা।
= ৫২২০০ টাকা।
তিন ভাইয়ের মোট বয়স = ১৬ X ৩ = ৪৮ বছর।
পিতাসহ ৩ ভাইয়ের মোট বয়স = ২৫ X ৪ = ১০০ বছর।
∴ পিতার বয়স = ১০০ - ৪৮ = ৫২ বছর।
প্রশ্নে ৩৩ এর স্থানে “তত” কথাটি থাকলে অঙ্কটি শুদ্ধ হতো।
অর্থাৎ প্রশ্নটি এমন হলে- একটি সংখ্যা ৬৫০ থেকে যত বড় ৮২০ হতে তত ছোট। সংখ্যাটি কত?
সেক্ষেত্রে, প্রশ্নটির সমাধান -
পদ্ধতি - ১ঃ
নির্ণেয় সংখ্যাটি = ছোট সংখ্যা + {(বড় সংখ্যা - ছোট সংখ্যা)/২)}
প্রশ্নঅনুসারে, ৬৫০ + {(৮২০ - ৬৫০) / ২}
= ৬৫০ + ৮৫
= ৭৩৫
∴ নির্ণেয় সংখ্যা = ৭৩৫
পদ্ধতি - ২ঃ
(১ম সংখ্যা + ২য় সংখ্যা)/২
= (৬৫০ + ৮২০)/২ = ৭৩৫
মূল প্রশ্নে ভূল থাকায় বাতিল করা হল।
প্রশ্ন অনুসারে,
প্রথম চারটি সংখ্যার সমষ্টি = ৪০০ - (৬ X ৩০) = ২২০
এবং শেষ চারটি সংখ্যার সমষ্টি = ৪০০ - (৬ X ৪০) = ১৬০
∴ প্রথম চারটি এবং শেষ চারটি সংখ্যার সমষ্টি = ২২০ + ১৬০ = ৩৮০
∴ পঞ্চম এবং ষষ্ঠ সংখ্যার যোগফল = (৪০০ - ৩৮০) = ২০
সুতরাং, যদি পঞ্চম সংখ্যাটি ১৫ হয় তাহলে ষষ্ঠ সংখ্যাটি ৫ হবে। আবার উল্টোটাও হতে পারে।
তবে কোনটি কত, তা বের করার জন্য প্রশ্নে পর্যাপ্ত তথ্য নেই।
সুতরাং, এটি নির্দিষ্টভাবে নির্ণয় করা সম্ভব নয়।
5/27 = 0.185
7/36 = 0.194
11/45 = 0.244
2/9 = 0.222
x3 - 1/x3
= (x - 1/x)3 + 3.x.1/x (x - 1/x)
= 13 + 3.1
= 4
(x+3)(x-3)
= x2 - 32
= x2 - 9
= x2 - 6 - 3
যাকে x2− 6 দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ - 3 থাকে।