পরীক্ষা - ১২:
বিষয়ের নাম: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি - সম্পূর্ণ সিলেবাস [৭০ নম্বর]
উৎস:
- যেকোনো গাইড বই,
- ষষ্ঠ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণি পর্যন্ত বোর্ড বই।
BCD এর পূর্ণ রূপ হলো Binary Coded Decimal. ডেসিমেল সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে (০ থেকে ৯ পর্যন্ত) সমতুল্য চার-বিট বাইনারি দ্বারা উপস্থাপন করার পর প্রাপ্ত কোডকে BCD কোড বলে।
(592)10 এর BCD কোড: 010110010010
২.
বুলিয়ান অ্যালজেবরায় ০ দ্বারা কোনটি বুঝায় না?
ক
False
খ
Low
গ
Negative
ঘ
Positive
ব্যাখ্যা
বুলিয়ান অ্যালজেবরা: - বুলিয়ান অ্যালজেবরার উদ্ভাবক হলেন প্রখ্যাত ইংরেজ গণিতবিদ জর্জ বুল। - জর্জ বুল সর্বপ্রথম গণিত ও যুক্তির মধ্যে সম্পর্ক আবিষ্কার করেন এবং গণিত ও যুক্তির ওপর ভিত্তি করে এক ধরণের অ্যালজেবরা তৈরি করেন, যাকে বুলিয়ান অ্যালজেবরা বলা হয়। - বুলিয়ান অ্যালজেবরা মূলত লজিকের সত্য অথবা মিথ্যা এ দুটি স্তরের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। - বুলিয়ান অ্যালজেবরার সত্য ও মিথ্যাকে যথাক্রমে বাইনারি "১" এবং "০” দ্বারা লেখা হয়। • 1 ⇒ True/Positive/High • 0 ⇒ False/Negative/Low - বুলিয়ান এ ০ মানে হচ্ছে কোন ইনপুট/আউটপুট কাজ করছে না। - বুলিয়ান এ ১ মানে হচ্ছে কোন ইনপুট/আউটপুট কাজ করছে। - যেমন কোন সুইচ অফ (বন্ধ) আছে মানে সুইচের মান ০, কোন লাইট জ্বলছে (সুইচ অন) মানে তার মান ১।
উৎস: Live MCQ Lecture-03, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ১ম পত্র, এইচ এস সি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩.
নর গেইট কোন কোন গেইটের সমন্বিত রুপ?
ক
অ্যান্ড গেইট ও নট গেইট
খ
অর গেইট ও নট গেইট
গ
অ্যান্ড গেইট ও অর গেইট
ঘ
দুটি নট গেইট
ব্যাখ্যা
নর গেইট - নর (NOR) গেইট হচ্ছে অর গেইট ও নট গেইটের সমষ্টি। - অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে নর গেইট তৈরি হয়। - অর গেইট যে কাজ করে নর গেইট তার বিপরীত কাজ করে।
এক্স অর গেইট - Exclusive OR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স অর (XOR) গেইট বলে। - মৌলিক গেইট দিয়ে এক্স অর গেইট তৈরি করা হয় বলে একে প্রকৃত অর গেইট বলে। - এটি অ্যান্ড, অর, নট, ন্যান্ড, নর ইত্যাদি গেইটের সাহায্যেও তৈরি করা যায়। - এই গেইটের দুটি ইনপুট সমান না হলে আউটপুট 1 হয়, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।
এক্স নর গেইট - Exclusive NOR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স নর (XNOR)গেইট বলে। - এক্স অর গেইট এবং নট গেইটের সমন্বয়ে এক্স নর গেইট গঠিত হয়। - এক্স অর গেইটর বিপরীত কাজ করে। - দুইটি ইনপুট সমান হলেই কেবলমাত্র আউটপুট 1 হবে, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৪.
OMR এর পূর্ণরূপ কী?
ক
Optical Mark Recorder
খ
Optimum Mark Reader
গ
Optimum Mark Recognition
ঘ
Optical Mark Reader
ব্যাখ্যা
অপটিক্যাল রিডার (Optical Reader): এই ধরনের যন্ত্র কোন পাঠ্য বিষয়কে আলোর সাহায্যে পড়ে থাকে। বিশেষ ধরনের লিখিত চিঠিপত্র, ডকুমেন্টের উপর অপটিক্যাল রিডার ধরলে কম্পিউটার সেটা পড়ে মনিটরে ফলাফল প্রদর্শন করে।
বিভিন্ন ধরনের অপটিক্যাল রিডার হচ্ছেঃ (1) Optical Mark Reader (OMR), (2) Optical Character Recognotion (OCR), (3) Bar Code Reader/Recognition (BCR).
উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫.
নিচের কোনটি প্রক্রিয়াকরণ অংশের অন্তর্ভুক্ত নয়?
ক
গাণিতিক যুক্তি অংশ
খ
নিয়ন্ত্রণ অংশ
গ
মেমোরি অংশ
ঘ
শক্তি প্রবাহ অংশ
ব্যাখ্যা
প্রক্রিয়াকরণ অংশ: - কম্পিউটারের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল প্রক্রিয়াকরণ অংশ। - ইহা কম্পিউটারের মস্তিস্কস্বরূপ। - নিয়ন্ত্রণ, গাণিতিক যুক্তি অংশ এবং মেমোরি কম্পিউটারের এ তিনটি অংশকে প্রক্রিয়াকরণ অংশ বলে।
গাণিতিক যুক্তি অংশ: এ অংশে গাণিতিক সমস্যার সমাধান করে। প্রয়োজন হলে গণনার ফলাফল ALU তেই জমা থাকে অথবা প্রধান মেমোরিতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
নিয়ন্ত্রণ অংশ: নিয়ন্ত্রণ অংশ কম্পিউটারের সকল কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। ব্যবহারকারী কর্তৃক প্রদত্ত এবং RAM ও ROM এ সঞ্চিত নির্দেশ অনুযায়ী নিয়ন্ত্রণ অংশ কম্পিউটারের অন্যান্য অংশকে নিয়ন্ত্রণ ও ডাটা সংরক্ষণ করে।
মেমোরি অংশ: মেমোরি বা স্মৃতি হচ্ছে কম্পিউটারের একটি অংশ, যেখানে তথ্য জমা থাকে। কম্পিউটারে সাধারণত প্রধান মেমোরি ও সহায়ক মেমোরি অংশ বিদ্যমান। তথ্যকে স্থায়ী ভাবে সংরক্ষণ করতে হলে সহায়ক মেমোরির প্রয়োজন হয়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬.
নিচের কোনটি প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে?
ক
হার্ডডিস্ক
খ
র্যাম
গ
সিডি
ঘ
পেনড্রাইভ
ব্যাখ্যা
• স্টোরেজ ডিভাইস: - স্টোরেজ ডিভাইস বা স্টোরেজ হার্ডওয়্যারে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। - স্টোরেজ ডিভাইসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১. প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস (Primary Storage Device): - প্রাইমারি স্টোরেজ হলো মাইক্রোপ্রসেসরের কর্মক্ষেত্র বা ওয়ার্কপ্লেস। - প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে কম্পিউটারে প্রোগ্রামের বিভিন্ন তথ্য ও ফলাফলকে অস্থায়ীভাবে সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত ডিভাইসসমূহকে প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস বলা হয়। যেমন- র্যাম।
• প্রাইমারি স্টোরেজের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো- - এ ধরনের স্টোরেজ সাধারণত সিপিইউয়ের সাথে সরাসরি সংযোগ থাকে। - প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা এবং কম্পিউটারের নিজস্ব নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত কিছু প্রোগ্রাম প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস ধারণ করে। - অ্যাকসেস সময় কম। - ধারণক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম থাকে। - ডেটা স্থানান্তরের গতি বেশি। - বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে এ ধরনের স্টোরেজে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় ইত্যাদি।
২. সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস (Secondary Storage Device): - কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণে তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারসমূহকে বলা হয় সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস। - হার্ডডিস্ক, সিডি, ডিভিডি, পেনড্রাইভ, জিপ ড্রাইভ, ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইসের উদাহরণ।
• সেকেন্ডারি স্টোরেজের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো- - এ ধরনের স্টোরেজ সিপিইউয়ের সাথে সরাসরি সংযোগ থাকে না। - ধারণক্ষমতা তুলনামূলভাবে অনেক বেশি। - দাম তুলনামূলকভাবে অনেক কম। - অ্যাকসেস সময় প্রাইমারি স্টোরেজের চেয়ে অনেক বেশি। - বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে এ ধরনের স্টোরেজে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় না ইত্যাদি।
উৎস : মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭.
ডেটাবেজের উপাদান নয় কোনটি?
ক
রেকর্ড
খ
রোম
গ
ফিল্ড
ঘ
টেবিল
ব্যাখ্যা
Database: Data শব্দের অর্থ হচ্ছে উপাত্ত এবং Base শব্দের অর্থ হচ্ছে সমাবেশ। শাব্দিক অর্থে ডেটাবেজ হচ্ছে কোনো সম্পর্কিত বিষয়ের ওপর ব্যাপক উপাত্তের সমাবেশ। - অন্যভাবে বলা যায়, পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ফাইল বা টেবিল নিয়ে গঠিত হয় ডেটাবেজ।
ডেটাবেজের বিভিন্ন উপাদানসমূহ হলো- ১. ডেটা (Data) ২. রেকর্ড (Record) ৩. ফিল্ড (Field) ৪. ডাটা টেবিল (Data Table)
• রোম (ROM) হলো স্টোরেজ ডিভাইস।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
৮.
নিচের কোনটি সার্চ ইঞ্জিন?
ক
Yahoo
খ
Google
গ
Alta Vista
ঘ
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- ইন্টারনেটকে তথ্যের মহাসমুদ্র বলা হয়। ইন্টারনেটের বিশাল সমুদ্র থেকে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেখা বা খুঁজাকে ইন্টারনেট ব্রাউজিং বলা হয়। ইন্টারনেটে ব্রাউজ করার জন্য প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web) একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম। এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়। এসব ওয়েব সার্ভার ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোন ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম। এ তথ্য হতে পারে প্রচলিত টেক্সট, ফাইল, ছবি, শব্দ বা অন্য কোন ফর্মেটের ডাটা।
- সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের তথ্য দ্রুত সার্চিংয়ের জন্য বেশ কিছু স্পেশাল চিহ্ন ও ক্যারেক্টার ব্যবহার করলে স্বল্প সময়ে সর্বোৎকৃষ্ট সদ্ধান পাওয়া যায়। ইন্টারনেটে সংযোগ স্থাপন করে সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে বিভিন্ন বিষয়ের ওয়েবপেজের তালিকা পাওয়া যায়।
- ব্রাউজার উইন্ডোতে সার্চ ইঞ্জিনের ঠিকানা লিখে এন্টার কী চাপলে ঐ সার্চ ইঞ্জিনের ওয়েবপেজটি ওপেন হবে। বিভিন্ন প্রকার সার্চ ইঞ্জিন রয়েছে। যেমন: Yahoo, Google, Alta Vista, Mamma, Hotbot, Go ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার দক্ষতা, মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ-বি এড।
৯.
১৯৭৩ সালে মার্টিন কুপার আধুনিক সেল ফোনের অগ্রদূত হিসেবে কোন যন্ত্রটি উদ্ভাবন করেন?
ক
Brick phone
খ
Pager
গ
Cordless phone
ঘ
Walkie-Talkie
ব্যাখ্যা
ব্রিক ফোন: - মার্টিন কুপারকে মোবাইল ফোনের জনক বলা হয়। - মটোরোলার গবেষক মার্টিন কুপারের আবিষ্কৃত ফোন ডায়না টিএসি যা ব্রিক ফোন নামে পরিচিত। - ১৯৭৩ সালের ৩ এপ্রিল মোবাইল ফোন থেকে প্রথমবার কল করা হয়েছিল। - কুপার সেই মোবাইল ফোন দিয়ে প্রথম কথা বলেছিলেন তার প্রতিদ্বন্দ্বী বেল ল্যাবসের গবেষক জোয়েল এনজেলের সঙ্গে। - মার্টিন কুপার প্রথমবারের মতো সেলুলার টেলিফোনে বিশ্বের প্রথম ফোনকলটি করেছিলেন।
উল্লেখ্য, - সোয়া এক কেজি ওজনের সেই সেলুলার ফোনটি লম্বায় ছিল ১০ ইঞ্চি। - একবার ব্যাটারি চার্জ হলে ২০ মিনিট কথা বলা যেত। - আর ব্যাটারি চার্জ করতেও লাগত অনেক সময়। - এরপর একসময় এর পরিচিত দাঁড়ায় ব্রিক ফোন বা ইট আদলের ফোন।
উৎস: i) ৫ অক্টোবর ২০২২, সময় নিউজ। ii) Britannica.
১০.
Peer-to-Peer Network এর বৈশিষ্ট্য নয় -
ক
১০ জন বা তার কম ইউজারের জন্য সুবিধাজনক
খ
ইউজাররা তাদের কম্পিউটারের বিভিন্ন রিসোর্স শেয়ার করতে পারে।
গ
ডেডিকেটেড অ্যাডমিনিস্ট্রেটরের প্রয়োজন হয় না।
ঘ
পুরো নেটওয়ার্কের ইউজার ও সিকিউরিটি কেন্দ্রীয়ভাবে ম্যানেজ করা সম্ভব।
ব্যাখ্যা
Peer-to-Peer Network: প্রত্যেক ইউজার তাদের রিসোর্স অন্যের সাথে শেয়ার করতে পারে এবং প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার ও ওয়ার্কস্টেশনে ভূমিকা পালন করে।
বৈশিষ্ট্য: - ইউজাররা তাদের কম্পিউটারের বিভিন্ন রিসোর্স শেয়ার করতে পারে। - ১০ জন বা তার কম ইউজারের জন্য সুবিধাজনক। - ডেডিকেটেড অ্যাডমিনিস্ট্রেটরের প্রয়োজন হয় না। - বিশেষ কোনো সফটওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেমের প্রয়োজন নেই। - পুরো নেটওয়ার্কের ইউজার ও সিকিউরিটি কেন্দ্রীয়ভাবে ম্যানেজ করা সম্ভব নয়।
উৎস: Live MCQ লেকচার।
১১.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকার নয়?
ক
পাবলিক ক্লাউড
খ
প্রাইভেট ক্লাউড
গ
ওয়াইড ক্লাউড
ঘ
হাইব্রিড ক্লাউড
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং: ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা। ক্লাউড কম্পিউটিং কোনো নির্দিষ্ট টেকনোলজি নয়, বেশ কয়েকটি টেকনোলজিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা একটা ব্যবসায়িক মডেল বা বিশেষ পরিসেবা। আমজান বাণিজ্যিকভাবে ২০০৬ সালে এর ব্যবহার শুরু করে।
সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a Service - IaaS), প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা (Platform as a service - PaaS) ও সফটওয়্যার সেবা (Software as a service - SaaS)।
ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। পাবলিক ক্লাউড প্রাইভেট ক্লাউড মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড
- নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠান সার্ভিস বা হার্ডওয়্যার ভাড়া নেওয়াকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে। - ক্লাউড কম্পিউটিং এর ইতিহাস শুরু ১৯৬০ এর দশক থেকেই। - ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
উৎস: Live MCQ Lecture.
১২.
সাধারণত কোন অর্ধপরিবাহীটি IC তৈরিতে ব্যবহৃত হয়?
ক
সোডিয়াম
খ
সিলভার
গ
সিলিকন
ঘ
কার্বন
ব্যাখ্যা
IC(Integrated Circuit) : - আই.সি. এর পূর্ণ নাম ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট। - আই.সি. কে সিলিকন চিপ বা চিপ বলা হয়। - এটি এক ধরনের মাইক্রো ইলেকট্রনিকস ডিভাইস, যাতে অনেকগুলো ট্রানজিস্টর, ডায়োড, রেজিস্টর, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি কম্পোনেন্ট সিলিকন চিপের উপর নির্মাণ করে জোড়া লাগানো হয়। - এটি দেখতে চ্যাপটা, ছোট, কালো বা ধুসর রঙের হয়। - আই.সি. ডিজিটাল ঘড়ি, ক্যালকুলেটর, মোবাইল ফোন, কম্পিউটার ইত্যাদিতে ব্যবহার করা হয়। - আই.সি. ব্যাবহারের ফলে সার্কিট অনেক ছোট এবং অধিক কর্মক্ষমতা সম্পন্ন হয়।
উৎস: ব্রিটানিকা।
১৩.
নিচের কোনটি প্রিন্টিং এর গুণগত মানের পরিমাপক?
ক
PPM
খ
DPI
গ
CPI
ঘ
CPS
ব্যাখ্যা
Printing quality বলতে একটি প্রিন্টার দ্বারা উৎপাদিত হার্ড কপি বা প্রিন্ট আউটের গুণগতমানকে বোঝায়। Printing quality অনেকভাবে নির্ণয় করা যায়।
DPI (dots per inch) হল একটি প্রিন্টারের মুদ্রণের মানের একটি পরিমাপ। এক ইঞ্চি আনুভূমিক রেখা পরিমাণ জায়গায় প্রিন্টার মোট কতটি বিন্দু প্রিন্ট আউট করতে পারে তাকে DPI (dots per inch) বলে।
অন্যদিকে, PPM (pages per minute) প্রিন্টারের প্রিন্টিং স্পীডকে বুঝায়। CPI (characters per inch) হলো প্রিন্টেড ডকুমেন্টের ফন্ট সাইজের পরিমাপ। CPS (characters per second) কী-বোর্ডের টাইপিং স্পীডের পরিমাপ।
উৎস: www.techopedia.com.
১৪.
হার্ডওয়্যার উপাদান নয় কোনটি?
ক
Microprocessor
খ
Mother-Board
গ
Mouse
ঘ
Adobe Photoshop
ব্যাখ্যা
হার্ডওয়্যার: - হার্ডওয়্যার হলো কম্পিউটারের ভৌত সংগঠন। কম্পিউটার তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস বা যন্ত্র এবং যন্ত্রাংশসমূহকে বলা হয় কম্পিউটার হার্ডওয়্যার। - সাধারণত কম্পিউটার হার্ডওয়্যারকে আমরা দেখতে পারি এবং স্পর্শ করতে পারি। - কি-বোর্ড, মাউস, মাইক্রোপ্রসেসর, মাদারবোর্ড, ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদি হলো কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের উদাহরণ।
সফটওয়্যার: - সাধারণত সফটওয়্যার বলতে কম্পিউটারের প্রোগ্রামসমূহের সমষ্টিকে বোঝানো হয়। অর্থাৎ সফটওয়্যার হলো কতকগুলো প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে কর্মক্ষম করে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল প্রদান করে। - সফটওয়্যারের মাধ্যমে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারকে কার্যোপযোগী করা হয়। - DOS, Windows, MS Office, Adobe Photoshop, Vedio Player Pagemaker, Mac OS ইত্যাদি হলো সফটওয়্যারের উদাহরণ।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
নিচের কোনটি ধ্বংসাত্মক মেমোরি?
ক
চৌম্বক টেপ
খ
রম
গ
চৌম্বক কোর
ঘ
ডিস্ক
ব্যাখ্যা
পরিবর্তনযোগ্য মেমোরি: যে ধরণের মেমোরিতে সঞ্চিত তথ্যবলী মুছে নতুন করে লেখা যায়, তাকে পরিবর্তনযোগ্য মেমোরি বলে। যেমন: RAM, Magnetic Disk ইত্যাদি।
অপরিবর্তনীয় মেমোরি: যে ধরণের মেমোরিতে সঞ্চিত তথ্যবলী মুছে যায় না, তাকে অপরিবর্তনীয় মেমোরি বলে। যেমন: পাঞ্চ কার্ড, ROM ইত্যাদি।
উদ্বায়ী মেমোরি: বিদ্যুৎপ্রবাহ বন্ধ হলে যে মেমোরি মেমোরির সঞ্চিত তথ্য মুছে যায়, তাকে উদ্ধায়ী মেমোরি বলে। যেমন: RAM।
অনুদ্বায়ী মেমোরি: বিদ্যুৎপ্রবাহ বন্ধ হলে যে মেমোরি মেমোরির সঞ্চিত তথ্য মুছে যায় না, তাকে অনুদ্বায়ী মেমোরি বলে। যেমন: ROM, Disk ইত্যাদি।
ধ্বংসাত্মক মেমোরি: যে মেমোরি পাঠ করবার পর পরই এতে সঞ্চিত তথ্য মুছে যায়, তাকে ধ্বংসাত্মক মেমোরি বলে। যেমন: চৌম্বক কোর।
অধ্বংসাত্মক মেমোরি: যে মেমোরি পাঠ করবার পর পরই এতে সঞ্চিত তথ্য মুছে যায় না, তাকে অধ্বংসাত্মক মেমোরি বলে। যেমন: রম, চৌম্বক টেপ, ডিস্ক ইত্যাদি।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
১৬.
উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা কোনটি?
ক
Machine Language
খ
Assembly Language
গ
BASIC
ঘ
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
- নিম্নস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা: মেশিন ভাষা ও অ্যাসেম্বলি ভাষা। - মধ্যমস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা: C - উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা: BASIC, COBOL, FORTRAN, PASCAL, C++, JAVA, PROLOG ইত্যাদি।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।
১৭.
ওয়েব পেইজ চালু করার সময় ডেটার মান পরিবর্তন করা যায় -
ক
স্ট্যাটিক ওয়েবসাইটে
খ
ডাইনামিক ওয়েবসাইটে
গ
ক ও খ উভয়
ঘ
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ওয়েব সাইটকে মূলত দুইভাগে ভাগ করা যায়। যথা - (১) স্ট্যাটিক ওয়েব সাইট (২) ডাইনামিক ওয়েবসাইট
- যে সকল ওয়েব সাইটের ডেটার মান ওয়েব টেকনোলজি লোডিং বা ওয়েব পেইজ চালু করার সময় পরিবর্তন করা যায় না তাকে স্ট্যাটিক ওয়েব সাইট বলে। - যে সকল ওয়েব সাইটের ডেটার মান ওয়েব টেকনোলজি লোডিং বা ওয়েব পেইজ চালু করার সময় পরিবর্তন করা যায় তাকে ডাইনামিক ওয়েবসাইট বলে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি , পৃষ্ঠা নং -২৯৭।
১৮.
নেটওয়ার্কের প্রতিটি ডিভাইস একে অপরের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকলে তাকে কী বলে?
ক
ট্রি টপোলজি
খ
হাইব্রিড টপোলজি
গ
স্টার টপোলজি
ঘ
মেশ টপোলজি
ব্যাখ্যা
মেশ টপোলজি: - যদি কোনো নেটওয়ার্কে ডিভাইস বা পিসিসমূহ একে অপরের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে, তাহলে তাকে মেশ টপোলজি বলা হয়। - এতে ডেটা কমিউনিকেশনে অনেক বেশি নিশ্চয়তা থাকে এবং নেটওয়ার্কের সমস্যা খুব সহজে সমাধান করা যায়। - মেশ টপোলজিতে কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভার বা ডিভাইস প্রয়োজন পড়ে না। - নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সংযোগকে পয়েন্ট টু পয়েন্ট বা পিয়ার টু পিয়ার লিংক বলা হয়। একে সম্পূর্ণরূপে আন্তসংযুক্ত বা Completely interconnected টপোলজিও বলা হয়ে থাকে। - এই টপোলজিতে n সংখ্যক নোডের জন্য প্রতিটি নোডে (n - 1) টি সংযোগের প্রয়োজন হয়। - ফলে নেটওয়ার্কে মোট তারের সংখ্যা হবে n(n - 1)/2 - প্রতিরক্ষা বা ব্যাংক ইত্যাদি ক্ষেত্রে মেশ টপোলজি ব্যবহৃত হয়।
চিত্র: মেশ টপোলজি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১৯.
ক্লাউড কম্পিউটিং এর সার্ভিস মডেল নয় কোনটি?
ক
IaaS
খ
EaaS
গ
PaaS
ঘ
SaaS
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং এর সার্ভিস মডেল:
- অবকাঠামোগত পরিষেবা ( Infrastructure as a service- IaaS) এখানে ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী ক্লাউড সেবাদানকারী তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিউ, স্টোরেজসহ মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
- প্লাটফর্মভিত্তিক পরিষেবা ( Platform as a service - Paas) ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার , ডেটাবেজ থাকে। অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্লাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
- সফটওয়্যার পরিষেবা ( Software as a service - SaaS) প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
উৎস: ১. HSC Programme, Bangladesh Open University. ২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২০.
(111011)2, (101011)2 সংখ্যা দুটি যোগ করুন।
ক
1100110
খ
010000
গ
111011
ঘ
101011
ব্যাখ্যা
• বাইনারি যোগ (Binary Addition): - বাইনারি যোগ দশমিক সংখ্যার যোগের মত বাইনারি সংখ্যায় বিটগুলো যোগের পর হাতে যে সংখ্যা থাকে, তা বামের বিটের সাথে যোগ হয়। - দুটি বাইনারি অংক বা বিটের যোগের সময় চারটি ভিন্ন ভিন্ন অবস্থা দেখা যায়। যেমন: 0 + 0 = 0 0 + 1 = 1 1 + 0 = 1 1 + 1 = 0 এবং হাতে থাকে 1 (ক্যারি 1), যা বাম দিকের সারিতে যোগ করতে হয়। আবার 1 + 1 + 1 = 1 বসে এবং হাতে থাকে 1 (ক্যারি 1)।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১.
ডি মরগ্যানের উপপাদ্য,=?
ব্যাখ্যা
- ডি মরগ্যানের উপপাদ্য:
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
২২.
একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে কোন গেইটে?
ক
নট গেইটে
খ
বাফার গেইটে
গ
অ্যান্ড গেইটে
ঘ
ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
নট গেইট: এই গেইট যৌক্তিক উল্টানো পদ্ধতিতে কাজ করে। যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে। এই গেইটের ইনপুট ১ হলে আউটপুট হবে ০ এবং ইনপুট ০ হলে আউটপুট হবে ১।
বাফার গেইট: - বাফার গেইট এক ধরনের লজিক গেইট যা নট গেইটের বিপরীত আচরণ করে। - এতে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট রয়েছে। এই গেইটে ইনপুট ০ দিলে আউটপুট ০ এবং ইনপুট ১ দিলে আউটপুটও ১ হবে। উল্লেখ্য,
উৎস: এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী)--প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৩.
WMA কোন ধরনের ফাইল এক্সটেনশন?
ক
Video
খ
Audio
গ
Flash
ঘ
Image
ব্যাখ্যা
WMA হচ্ছে Audio ধরনের ফাইল এক্সটেনশন। - The WMA file extension is short for Windows Media Audio, which is an audio file container. - ফাইল এক্সটেনশন হচ্ছে ফাইলের ফরম্যাট নির্দেশকারী একটি সুচক যা ফাইলের নামের শেষে যুক্ত থাকে।
- আরও কিছু ফাইল এক্সটেনশন এর উদাহরণসমূহ- Picture files- .bmp .gif .jpg .png
Music and sound files- .mp3 .wav Operating system files .dll .exe
Text and word processing documents- .doc .docx .rtf .txt
Spreadsheet files- .xls .xlsx .xlr .csv
Web Page files- .htm .html
উৎস: Computer Hope Website.
২৪.
কোনটি ওয়েব ব্রাউজার নয়?
ক
Microsoft Edge
খ
Firefox
গ
Brave
ঘ
Gopher
ব্যাখ্যা
- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়। - ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে।
-ক্রোম হলো প্রধান আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. দ্বারা প্রকাশিত একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার। -২০১৩ সাল নাগাদ ক্রোম প্রভাবশালী ব্রাউজারে পরিণত হয়েছিল, জনপ্রিয়তায় মাইক্রোসফটের ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার এবং মজিলার ফায়ারফক্সকে ছাড়িয়ে যায়।
• কিছু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারের নাম- - Google Chrome, - Mozilla Firefox, - Safari, - Opera, - Microsoft Edge, - Maxthon, - Brave, - UC Browser.
অন্যদিকে Gopher হল এক ধরণের প্রটোকল।
সূত্র: ব্রিটানিকা।
২৫.
দেশের তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন কোনটির সাথে সংযুক্ত হবে?
ক
SEA-ME-WE-8
খ
SEA-ME-WE-7
গ
SEA-ME-WE-6
ঘ
SEA-ME-WE-3
ব্যাখ্যা
- দেশের তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপিত হবে - কক্সবাজারে। - দেশের তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন SEA-ME-WE-6 এর সাথে সংযুক্ত হবে। - এটি বাস্তবায়িত হবে ২০২৪ সালে। - এর আগে ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তারিখে দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন SEA-ME-WE-5 এর সাথে সংযুক্ত হয়। - ২০০৬ সালে বাংলাদেশ প্রথম সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন SEA-ME-WE-4 এর সাথে সংযুক্ত হয়। - SEA-ME-WE এর পূর্নরূপ South East Asia-Middle East-Western Europe।
উৎস: প্রথম আলো।
২৬.
সেবার বিস্তৃতি অনুসারে কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর শ্রেণিবিভাগ নয়?
ক
পাবলিক ক্লাউড
খ
প্রাইভেট ক্লাউড
গ
হাইব্রিড ক্লাউড
ঘ
সিকিউরড ক্লাউড
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং - ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা। - ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
• সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- - অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a Service - IaaS), - প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা (Platform as a service - PaaS) ও - সফটওয়্যার সেবা (Software as a service - SaaS).
• ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- - পাবলিক ক্লাউড, - প্রাইভেট ক্লাউড, - মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড।
• ক্লাউড কম্পিউটিং মডেলের বৈশিষ্ট্য তিনটি। যথা - - Resource Scalability, - On Demand, - Pay as you go.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৭.
কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত সফটওয়্যার অনুমতি ব্যতিত নকল করাকে কী বলে?
ক
সফটওয়্যার কপি
খ
সফটওয়্যার স্ক্যানিং
গ
সফটওয়্যার পাইরেসি
ঘ
সফটওয়্যার এনালাইসিস
ব্যাখ্যা
সফটওয়্যার পাইরেসি: - কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত সফটওয়্যার অনুমতি ব্যতিত নকল করাকে সফটওয়্যার পাইরেসি বলে । - পাইরেসি সৃজনশীল কাজের অন্যতম প্রধান অন্তরায়। - কম্পিউটারের বেলায় যে কোনো কিছুর কপি বা অবিকল প্রতিলিপি করা খুবই সহজ কাজ। এ কারণে কম্পিউটার সফটওয়্যার, কম্পিউটারে করা সৃজনশীল কর্ম যেমন ছবি, এনিমেশন ইত্যাদির বেলায় কপিরাইট সংরক্ষণ করার জন্য বাড়তি ব্যবস্থা নিতে হবে। - বিশ্বব্যাপী বড় বড় কোম্পানিগুলো তাদের মেধাসত্ত্ব সংরক্ষণ ও পাইরেসি নজরদারির জন্য বিজনেস সফটওয়্যার এলায়েন্স(BSA) নামে একটি সংস্থা তৈরী করেছে৷ - যখনই এরূপ কপিরাইট আইনের আওতায় কোনো কপিরাইট হোল্ডারের অধিকার ক্ষুন্ন হয় তখনই কপিরাইট বিঘ্নিত হয়েছে বলে ধরে নেওয়া যায়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই ( এইচ এস সি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮.
'Shift + Del' কমান্ডটি কোন ফাইলকে কোথায় প্রেরণ করে?
ক
My document
খ
Control Panel
গ
Recycle Bin
ঘ
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• Shift + delete key combination is used to permanently delete a file or folder. - কম্পিউটারে কোনো ফাইল মুছে ফেলতে ডিলিট বোতামে চাপলেই সেটি মুছে যায়, তবে অস্থায়ীভাবে। ফাইলটি জমা হয় রিসাইকেল বিনে। - স্থায়ীভাবে কিছু মুছে ফেলতে চাইলে একসঙ্গে SHIFT ও DEL বোতাম চাপলেই তা মুছে যাবে।
∴ সঠিক উত্তর হবে, কোনটিই নয়।
উৎস: Microsoft Support.
২৯.
Bluetooth এ কোন টেকনোলজি ব্যবহৃত হয়?
ক
লেজার টেকনোলজি
খ
রেডিও টেকনোলজি
গ
ম্যাগনেটিক টেকনোলজি
ঘ
অপটিক্যাল টেকনোলজি
ব্যাখ্যা
ব্লুটুথ (Bluetooth) - ব্লুটুথ Radio technology ব্যবহার করে। ১৯৮৯ সালে ‘Bluetooth’ প্রবর্তন করা হয়। - ব্লুটুথ হচ্ছে তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) প্রটোকল যা স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়। - এর দূরত্ব সাধারণত ১০ থেকে ১০০ মিটার হয়ে থাকে। - RS-232 ডেটা ক্যাবলের বিকল্প হিসেবে সুইডিশ এর এরিকসন কোম্পানি ১৯৯৪ সালে ব্লুটুথ উদ্ভাবন করে। - ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth-এর নাম অনুসারে ব্লুটুথের নামকরণ করা হয়। - ব্লুটুথ নেটওয়ার্ককে পিকোনেটও বলা হয়। - এর মধ্যে একটি মাস্টার ডিভাইস এবং বাকিগুলাে স্লেভ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। - কতকগুলাে পিকোনেট মিলে আবার একটি স্ক্যান্টারনেট গঠিত হতে পারে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৩০.
ডিজিটাল সিস্টেমের ক্ষুদ্রতম একক কোনটি?
ক
Bit
খ
Byte
গ
Character
ঘ
Kilobyte
ব্যাখ্যা
• ১ বাইট = ৮ বিট • ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট = ১০২৪ × ৮ বিট = ৮১৯২ বিট
ক্যারেক্টার একাধিক বিটের সমান। ১ ASCII-code = ১ বাইট = ৮ বিট ১ UTF-16 character = ২ বাইট = ১৬ বিট
∴ সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম একক বিট (Bit)।
উৎস: ব্রিটানিকা
৩১.
Firewall কেন ব্যবহৃত হয়?
ক
ডিভাইসকে আগুন থেকে রক্ষা করতে।
খ
ভাইরাসের আক্রমণ থেকে বাঁচাতে।
গ
ডাটা-ড্রাইভেন আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে।
ঘ
অননুমোদিত ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা করতে।
ব্যাখ্যা
• ফায়ারওয়াল (Firewall): - অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়। - ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে। - কোনো কম্পিউটারের সফ্টওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়। - সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে। - ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gatekeeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে। - ফায়ারওয়াল পদ্ধতি ব্যবহার করে একইসাথে অবৈধ ব্যক্তির প্রবেশ রোধ করা যায় এবং ডেটা বা অন্যান্য সিস্টেমের সিকিউরিটি নিশ্চিত করা যায়। - ফায়ারওয়াল অথোরাইজ অ্যাক্সেসকে যাচাইয়ের মাধ্যমে অ্যাক্সেস করার অনুমোদন দেয়।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৩৩.
'Facebook' কোম্পানি বর্তমানে কী নামে পরিচিত?
ক
Facebook
খ
Meta
গ
Beta
ঘ
Alpha
ব্যাখ্যা
• মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড: - ফেসবুক ইনকর্পোরেটেড এর বর্তমান নাম মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড। - অক্টোবর ২০২১ সালে ফেসবুক তার নাম পরিবর্তন করে। - এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি সংগঠন। - CEO: মার্ক জাকারবার্গ - প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪ - বাণিজ্যিক নাম: মেটা - সদরদপ্তর: মেনলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র - মেটার অধীনস্ত কোম্পানিগুলো হলো - ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটস্ অ্যাপ, ফেসবুক , ম্যাসেঞ্জার ইত্যাদি।
উৎস: ব্রিটানিকা।
৩৪.
একটি ই-মেইল সিস্টেমে কত ধরনের প্রাপক থাকে?
ক
১ ধরনের
খ
২ ধরনের
গ
৩ ধরনের
ঘ
৪ ধরনের
ব্যাখ্যা
• ই-মেইলে তিনটি প্রাপক ক্ষেত্র রয়েছে। যথা- To, CC এবং BCC.
• To - এখানে যার কাছে মেইল পাঠানো হবে তার মেইল এড্রেস লিখতে হয়। - একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়।
• CC (Carbon Copy) - একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়, তাহলে মেইলটি কাদেরকে পাঠানো হয়েছে তা সকল গ্রাহক দেখতে পারে।
• BCC (Blind Carbon Copy) - একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়, তবে এক্ষেত্রে মেইলটি কাদেরকে পাঠানো হয়েছে তা গ্রাহকের কাছে প্রদর্শিত হয় না।
উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, computerhope.
৩৫.
RAM কে বলা হয় -
ক
Virtual memory
খ
Volatile Memory
গ
Non-volatile memory
ঘ
Cache memory
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার মেমরি: - কম্পিউতার মেমরি প্রধানত ২ প্রকার। যথা: ১) প্রাথমিক/ প্রধান মেমরি (Main Memory) ২) গৌণ/ সহায়ক মেমরি (Secondary Memory)
• প্রাথমিক/ প্রধান মেমরি (Main Memory): - বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে সকল মেমোরিতে সংরক্ষিত ডাটা মুছে যায় তাদেরকে Volatile Memory বলে। - RAM( Random Access Memory) এবং ROM(Read Only Memory) কে প্রাথমিক মেমরি বলা হয়। - RAM কে Volatile Memory বলে। - ROM কে Non Volatile Memory বলে।
• গৌণ/ সহায়ক মেমরি (Secondary Memory): - প্রধান মেমরি ব্যতিত সকল ধরনের মেমরিকে সহায়ক মেমরি বলে। যেমন: Hard Disk, Pem Drive.