পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন২৮
সিলেবাস
[নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২৪০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।] --------------- রিভিশন পরীক্ষা টপিক: পূর্ববর্তী ৬টি পরীক্ষার টপিকের উপর রিভিশন পরীক্ষা।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৮ প্রশ্ন

.
Choose the sentence in the Future Continuous Tense.
  1. I will not give you a pen.
  2. He has read various kinds of books.
  3. She will have cooked dinner by six o'clock.
  4. They will be hosting the event next Saturday.
সঠিক উত্তর:
They will be hosting the event next Saturday.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
They will be hosting the event next Saturday.
ব্যাখ্যা

Correct answer: They will be hosting the event next Saturday.
- যখন ভবিষ্যতে কোনো কাজ চলতে থাকবে, এমন বোঝানো হয়, তখন এই Tense ব্যবহৃত হয়।

• Future Continuous Tense:
- ভবিষ্যৎকালে কোন কাজ চলতে থাকবে এরূপ বোঝালে Future continuous tense হয়।
- Structure: Subject + shall be/ will be + verb + ing + ext.

• Examples:
- He will not be attending classes tomorrow.
- My parents will be visiting us for the holidays

Other options:
ক)I will not give you a pen.
- Future Indefinite Tense.

খ) He has read various kinds of books.
- Present Perfect Tense.

গ) She will have cooked dinner by six o'clock.
- Future Perfect Tense.

Source: A Passage To The English Language, S. M. Zakir Hussain.

.
He could not go to school because of his illness. (make it complex)
  1. Since he is ill, he could not go to school.
  2. Since he was ill, he can not go to school.
  3. Since he was ill, he could not go to school. 
  4. Since he could not go to school, he was ill.
সঠিক উত্তর:
Since he was ill, he could not go to school. 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Since he was ill, he could not go to school. 
ব্যাখ্যা

Correct answer: Since he was ill, he could not go to school.

• Because of যুক্ত Simple Sentence কে Complex Sentence এ পরিণত করার নিয়ম:
- “Because of” সাধারণত noun phrase বা gerund নিয়ে শুরু হয়।
- “Because of” সরিয়ে Since বসাতে হয়।
- তারপরে subject + verb বসাতে হয়।
- বাক্যের শেষে comma দিয়ে মূল clause বসাতে হয়।
- Structure: Since + subject + verb + (adjective/noun/phrase), + main clause.


Other options:
ক) Since he is ill, he could not go to school.
- ভুল কারণ, Principal Clause টি Past tense এ থাকায় Subordinate Clause টিও Past tense এ হবে।

খ) Since he was ill, he can not go to school.
- ভুল কারণ, Principal Clause ও Subordinate Clause একই Tense এ হবে।

ঘ) Since he could not go to school, he was ill.
- ভুল কারণ,  এই বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ বদলে গেছে। এই বাক্যে কারণ এবং ফলাফল উল্টে দেওয়া হয়েছে। মূল বাক্যের অর্থ হলো— অসুস্থতার কারণে সে স্কুলে যেতে পারেনি। এই অপশনের অর্থ হলো— স্কুলে যেতে না পারার কারণে সে অসুস্থ ছিল।

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

.
Though the old man is weak, he can walk fast. (make it compound)
  1. The old man is weak, but he can walk fast.
  2. The old man is weak and he can walk fast.
  3. The old man is weak, or he can walk fast.
  4. The old man is weak, so he can walk fast.
সঠিক উত্তর:
The old man is weak, but he can walk fast.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The old man is weak, but he can walk fast.
ব্যাখ্যা

Complex Sentence: Though the old man is weak, he can walk fast.
Compound Sentence: The old man is weak, but he can walk fast.
-
প্রদত্ত Complex sentence টিতে এই দুটি স্বাধীন clause-কে "but" দিয়ে যুক্ত হয়েছে। যেহেতু মূল বাক্যের "Though" শব্দটি বৈপরীত্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। তাই Compound Sentence-এ একই বৈপরীত্য বোঝানোর জন্য coordinating conjunction "but" ব্যবহার করতে হয়।
 
• Though/ although যুক্ত Complex Sentence কে Compound Sentence এ রূপান্তরের নিয়ম:
- Though/ although উঠে যায়।
- ১ম Clause টি বসে।
- মাঝে But বসে।
- ২য় Clause টি বসে।

খ) The old man is weak and he can walk fast.
- ভুল কারণ, Though/ although যুক্ত Complex Sentence কে Compound Sentence এ রূপান্তরের ক্ষেত্রে দুটি  clause-কে "but" দিয়ে যুক্ত হয়।

গ) The old man is weak, or he can walk fast.
-  ভুল কারণ, Though/ although যুক্ত Complex Sentence কে Compound Sentence এ রূপান্তরের ক্ষেত্রে দুটি  clause-কে "but" দিয়ে যুক্ত হয়।

ঘ) The old man is weak, so he can walk fast.
- ভুল কারণ, Though/ although যুক্ত Complex Sentence কে Compound Sentence এ রূপান্তরের ক্ষেত্রে দুটি  clause-কে "but" দিয়ে যুক্ত হয়।

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

.
The lawyer was debarred __________ practicing law due to unethical conduct.
  1. from
  2. to
  3. on 
  4. for
সঠিক উত্তর:
from
উত্তর
সঠিক উত্তর:
from
ব্যাখ্যা

Correct answer: from.
- Complete sentence: The lawyer was debarred from practicing law due to unethical conduct.
- Bangla meaning: আইনজীবী কতৃক অসদুপায় অবলম্বনের কারনে তাকে আইন পেশা অনুশীলনে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।

Debar someone from (something/ doing something)
- English Meaning: To stop someone from doing something by law or by official agreement.
- Bangla Meaning: নিবারিত করা; বাইরে রাখা; আইনের সাহায্যে কাউকে কোনো অধিকার থেকে বঞ্চিত করা কিংবা কিছু করা থেকে বিরত রাখা।
- অর্থাৎ, কোনো কিছু থেকে নিবারিত করা; বাইরে রাখা অর্থে Debar এর সাথে appropriate preposition হিসেবে from বসে।

Source:
1. Merriam-Webster dictionary.
2. Accessible Dictionary.
3. Cambridge Dictionary.

.
He continued to hanker ______ money because he was greedy.
  1. with
  2. after
  3. to 
  4. over
সঠিক উত্তর:
after
উত্তর
সঠিক উত্তর:
after
ব্যাখ্যা

Complete sentence: He continued to hanker after money because he was greedy.

• Hanker after/ for something
- English Meaning: to have a strong wish for something, especially if you cannot or should not have it.
- Bangla Meaning: কোনোকিছুর জন্য অত্যন্ত লালায়িত হওয়া/ কোনো কিছুর পেছনে ছোটা।
- যদি টাকা, পয়সা বা সম্পদ এ জাতীয় কোনো কিছুর পেছনে ছোটা বোঝায় তাহলে hanker এর পর after বসবে।
- কিন্তু যদি কোনো কিছুর জন্য আকাঙক্ষা বা ইচ্ছা প্রকাশ করে তবে hanker এর পর for হয়।

Examples:
- You should not hanker after money always.
- Even after all these years, I still hanker for a motorbike.

Source:
1. Merriam-Webster dictionary.
2. Accessible Dictionary.
3. Cambridge Dictionary.

.
What does the idiom "Dodge a bullet" mean?
  1. Feeling energetic
  2. To narrowly avoid a dangerous situation
  3. To achieve something 
  4. Keep something secret
সঠিক উত্তর:
To narrowly avoid a dangerous situation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To narrowly avoid a dangerous situation
ব্যাখ্যা

Correct Answer: To narrowly avoid a dangerous situation.

• Dodge a bullet
- Bangla Meaning: বড় বিপদ এড়ানো।
- English Meaning: manage to avoid something bad, harmful, or unpleasant.

Example sentence:
1. We dodged a bullet when the financial crisis hit.
2. I dodged a bullet by breaking up with him.

Other options:
ক) Feeling energetic
- Translation: মনোযোগ দিয়ে কাজ করা।

গ) To achieve something 
- Translation: কোন কিছু অর্জন করা।

ঘ) Keep something secret
Translation: কোন কিছু গোপন রাখা।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

.
What is the meaning of "kick the bucket"?
  1. To die
  2. To give up
  3. To take revenge
  4.  Listen attentively
সঠিক উত্তর:
To die
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To die
ব্যাখ্যা

Correct answer: To die.

• Kick the bucket (Idiom)
- Bangla Meaning: মৃত্যুবরণ করা; অক্কা পাওয়া।
- English Meaning: die.

Example sentence:
1. My grandfather kicked the bucket last year, and we all miss him dearly.
2. The old man down the street has kicked the bucket

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

.
What is the meaning of the idiom 'Pros and cons' phrase?
  1. Poor and rich.
  2. Advantages and disadvantages.
  3. Light and dark.
  4. In and out.
সঠিক উত্তর:
Advantages and disadvantages.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Advantages and disadvantages.
ব্যাখ্যা

Correct answer: Advantages and disadvantages.

Pros and cons (idiom)

- English meaning: the advantages and disadvantages of something, especially something that you are considering doing.
- Bangla Meaning: পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তিসমূহ।

Example Sentence
1. We're just weighing up the pros and cons of moving to a bigger house.
2. We looked at the financial pros and cons of the deal.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

.
There is no doubt about what you said. The underlined part is-
  1. Verbal Clause
  2. Adjective Clause
  3. Adverbial Clause
  4. Noun Clause
সঠিক উত্তর:
Noun Clause
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Noun Clause
ব্যাখ্যা

Correct answer: Noun Clause.
 - There is no doubt about what you said.
- The underlined part is noun clause.
- প্রদত্ত Clause টি  Preposition এর object হিসেবে বসায় এটি noun clause.

• Noun Clause:
- যে সব Subordinate Clause Noun এর কাজ করে থাকে, অর্থাৎ Subject, Object, Compliment বা Case in Apposition- এর কাজ করে থাকে তাকে Noun Clause বলে।
- Noun Clause বিভিন্নভাবে ব্যবহার হতে পারে। যেমন:
- Verb এর Subject হিসেবে।
- Verb এর Object হিসেবে।
- Object এর complement হিসেবে। 
- Verb এর Subject এর Complement হিসেবে।
- Preposition এর object হিসেবে।

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

১০.
'অরণ্যে রোদন’ বাগ্‌ধারাটির সঠিক অর্থ কোনটি?
  1. নিঃসঙ্গ অবস্থায় কান্না
  2. নিষ্ফল আবেদন বা বৃথা চেষ্টা
  3. অনাবশ্যক অভিযোগ
  4. একাকীত্বে হতাশা প্রকাশ
সঠিক উত্তর:
নিষ্ফল আবেদন বা বৃথা চেষ্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিষ্ফল আবেদন বা বৃথা চেষ্টা
ব্যাখ্যা

 'অরণ্যে রোদন' বাগধারাটির অর্থ হলো নিষ্ফল আবেদন বা বৃথা চেষ্টা।
- এর মানে হলো এমন কোনো আবেদন বা চেষ্টা করা যা কোনো ফল দেবে না

• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা:
- অকাল কুষ্মাণ্ড: অপদার্থ, অকেজো,
- অক্কা পাওয়া: মারা যাওয়া,
- অগস্ত্য যাত্রা: চিরকালের জন্য প্রস্থান,
- অগাধ জলের মাছ: সুচতুর ব্যক্তি,
- অর্ধচন্দ্র: গলা ধাক্কা,
- অন্ধের নড়ি: একমাত্র অবলম্বন,
- আকাশ কুসুম: অসম্ভব কল্পনা,
- আকাশ পাতাল: অনেক পার্থক্য,
- অতি লোভে তাঁতি নষ্ট: লোভে ক্ষতি,
- অন্ধের যষ্টি: একমাত্র অবলম্বন,
- আঙুল ফুলে কলাগাছ: অপ্রত্যাশিত ধনলাভ,
- আষাঢ়ে গল্প: আজগুবি কথা,
- উভয় সংকট: দুই দিকেই বিপদ,
- উড়ে এসে জুড়ে বসা: অনধিকার চর্চা,
- এক চোখা: পক্ষপাতদুষ্ট,
- কচুকাটা করা: নির্মমভাবে ধ্বংস করা,
- কূপমণ্ডুক: সীমাবদ্ধ জ্ঞানসম্পন্ন,
- করায় গণ্ডায়: পুরোপুরি,
- গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল: আগেই আয়োজন,
- গোবর গণেশ: মূর্খ,
- গুড়ে বালি: আশায় নৈরাশ্য,
- চোখে ধুলো দেওয়া = প্রতারণা করা,
- ঝোপ বুঝে কোপ মারা: সুযোগ বুঝে আঘাত,
- টনক নড়া: চৈতন্যোদয় হওয়া,
- তিলকে তাল করা = বাড়িয়ে বলা,
- সাপের পাঁচ পা দেখা : অহঙ্কারী হওয়া,
- সোনায় সোহাগা : উপযুক্ত মিলন,
- সাক্ষী গোপাল : নিষ্ক্রিয় দর্শক,
- সখাত সলিলে : ঘোর বিপদে পড়া,
- সব শেয়ালের এক রা : ঐকমত্য,
- হাটে হাঁড়ি ভাঙা : গোপন কথা প্রকাশ করা,
- হাতটান : চুরির অভ্যাস,
- হ য ব র ল : বিশৃঙ্খলা,
- হরি ঘোষের গোয়াল : বহু অপদার্থ ব্যক্তির সমাবেশ,
- হরিলুট : অপচয়,
- হাড়ে দুর্বা গজানো : অত্যন্ত অলস হওয়া,
- হাতের পাঁচ : শেষ সম্বল,
- হীরার ধার : অতি তীক্ষ্ণবুদ্ধি,
- হোমরা চোমরা : গণ্যমান্য ব্যক্তি,
- হিতে বিপরীত : উল্টো ফল,
- হাড় হদ্দ : নাড়ি নক্ষত্র/সব তথ্য,
- হাড় হাভাতে : হতভাগ্য।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর।

১১.
Octroi Duty শব্দের বাংলা পরিভাষা কী?
  1. নগরশুল্ক
  2. ভূমিশুল্ক
  3. শুল্ককর
  4. আবগারি শুল্ক
সঠিক উত্তর:
নগরশুল্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নগরশুল্ক
ব্যাখ্যা

 বাংলা অ্যাকাডেমিক-প্রশাসনিক পরিভাষা অনুযায়ী Octroi duty শব্দের অর্থ নগর শুল্ক — অর্থাৎ শহরে প্রবেশকারী পণ্য থেকে আদায়কৃত শুল্ক।

অন্যদিকে,
• Land revenue শব্দের বাংলা পরিভাষা ভূমিশুল্ক ;
- অর্থাৎ জমি বা ভূমির উপর আরোপিত সরকার-নির্ধারিত কর।

• Tariff Duties শব্দের বাংলা পরিভাষা - শুল্ককর;
- বিদেশ থেকে দেশে কোনো পণ্য আমদানি বা দেশে উৎপাদিত পণ্য বিদেশে রপ্তানি করার সময় সরকার যে কর আদায় করে, তাকে শুল্ককর বলা হয়।

• Excise Duty শব্দের বাংলা পরিভাষা আবগারি শুল্ক;
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত বা বিক্রিত নির্দিষ্ট পণ্য (যেমন তামাক, মদ, সিগারেট, বিলাসপণ্য) এর ওপর সরকার যে কর আরোপ করে তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়।

- কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা:
• Accuracy (নির্ভুলতা),
• Precision (যথাযথতা),
• Anti-corruption (দুর্নীতি দমন),
• Reliable (নির্ভরযোগ্য / বিশ্বাসযোগ্য),
• Reliability (নির্ভরযোগ্যতা),
• Invoice (চালান),
• Equation (সমীকরণ),
• Edition (সংস্করণ),
• Appendix (পরিশিষ্ট),
• Memorandum (স্মারকলিপি),
• Adviser (উপদেষ্টা),
•  Agenda (কার্যসূচি),
•  Affidavit (হলফনামা),
•  Democracy (গণতন্ত্র),
•  Subsidy (ভর্তুকি),
•  Biography (জীবনচরিত),
• Goods (পণ্য),
• Manifesto (ইশতেহার),
•  Acting (ভারপ্রাপ্ত),
• War crime (যুদ্ধাপরাধ),
•  Significant (গুরুত্বপূর্ণ),
• Design (নকশা),
• Designation (পদমর্যাদা),
• Debate (বিতর্ক),
• Agent (প্রতিনিধি),
• Law (আইন),
• Adaptation (উপযোগীকরণ),
• Admission (ভর্তি),
• Admit-card (প্রবেশপত্র),
• Advice (পরামর্শ),
• Act (আইন),
• Ballot (ভোটপত্র),
• Principle (নীতি),
• Fiction — কথাসাহিত্য,
• Register — নিবন্ধক,
• Ad-hoc — অনানুষ্ঠানিক / অস্থায়ী,
• Executive — কার্যানির্বাহী,
• Keynote — মূলভাব,
• Archetype — আদিরূপ,
• Constituency — নির্বাচনী এলাকা,
• Up-to-date — হালনাগাদ,
• Circular — পরিপত্র,
• Educationist — শিক্ষাবিদ,
• Consultant — উপদেষ্টা,
Affidavit — হলফনামা,
• Unprecedented — অভূতপূর্ব,
• Bugger — জঘন্য ব্যক্তি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

১২.
‘He is out for your blood’ - বাক্যটির যথাযথ বাংলা অনুবাদ কোনটি?
  1. সে তোমার জন্য রক্ত খুঁজছে
  2. সে তোমার জন্য রক্ত খুঁজতে বের হয়েছে
  3. তোমাকে আক্রমণ করতে কৃতসংকল্প
  4. সে তোমার সাথে সমঝোতা করতে চাইছে
সঠিক উত্তর:
তোমাকে আক্রমণ করতে কৃতসংকল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তোমাকে আক্রমণ করতে কৃতসংকল্প
ব্যাখ্যা

 “Out for your blood” মানে কারো ক্ষতি করা বা আক্রমণ করতে প্রস্তুত/কৃতসংকল্প হওয়া।

• কিছু গুরুত্বপূর্ণ অনুবাদ:
1. He earns that much money which is necessary to keep body and soul together :
জীবন ধারণের জন্য যতটুকু অর্থ প্রয়োজন সেই পরিমাণ অর্থ সে রোজগার করে।
2. The rose is a fragrant flower : গোলাপ সুগন্ধি ফুল।
3. He has gone to the dogs : সে গোল্লায় গেছে।
4. There is no rose but thorn : দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে।
5. He is out of luck : তার পোড়া কপাল।
6. The baby is always smiling : শিশুটির মুখে হাসি লেগেই আছে।
7. Run with the hare and hunt with the hounds : চোরকে বলে চুরি করতে, গৃহস্থকে বলে সজাগ থাকতে।
8. Self-preservation is the first law of nature : চাচা আপন প্রাণ বাঁচা।
9. I can’t help doing it : আমি এটা না করে পারি না।
10. He is out for your blood : তোমাকে আক্রমণ করতে কৃতসংকল্প।

উৎস: বাংলা ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩.
বাংলা কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ কোনটি?
  1. ঝলক
  2. মোড়ক
  3. ক ও খ
  4. কোনোটাই নয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা

• বাংলা কৃত্-প্রত্যয়:
- বাংলা কৃত্-প্রত্যয় হলো সংস্কৃত ধাতু থেকে উদ্ভূত এমন প্রত্যয়, যা ক্রিয়া বা ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়ে কৃদন্ত  শব্দ তৈরি করে।
- এই প্রত্যয় যুক্ত শব্দকে কৃত্-প্রত্যয় সাধিত শব্দ বলা হয়।
- কৃত্-প্রত্যয় মূলত ধাতু বা ক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হয়।
- 'ঝলক' এবং 'মোড়ক' শব্দ দুটি বাংলা কৃৎ প্রত্যয়ের উদাহরণ।
- 'ঝলক' শব্দটির গঠন হলো 'ঝল্' (ধাতু) + 'অক' (কৃৎ প্রত্যয়) এবং
- 'মোড়ক' শব্দটির গঠন হলো 'মোড়' (ধাতু) + 'অক' (কৃৎ প্রত্যয়)।
- এখানে 'অক' হলো বাংলা কৃৎ প্রত্যয়।

• কৃৎ প্রত্যয়ের উদাহরণ:
- মিশ + উক = মিশুক: 'মিশ' ধাতুর সাথে 'উক' প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
- দুল্ + অনা = দোলনা: 'দুল্' ধাতুর সাথে 'অনা' প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
- ডুব্ + উরি = ডুবুরি: 'ডুব্' ধাতুর সাথে 'উরি' প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
- ধর্ + আ = ধরা: 'ধর্' ধাতুর সাথে 'আ' প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
- দৃশ্ + য = দৃশ্য: 'দৃশ' ধাতুর সাথে 'য' প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
- কৃ + তব্য = কর্তব্য: 'কৃ' ধাতুর সাথে 'তব্য' প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
- পচ্ + অ = পাচক: 'পচ্' ধাতুর সাথে 'অ' প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে, যেখানে 'অ' প্রত্যয়ের প্রভাবে 'পচ' ধাতুর সাথে 'আ' যুক্ত হয়ে 'পাচ' হয়েছে।
- ভৌ + উক = ভাবুক ; উক/ ঊক প্রত্যয় যোগে কৃদন্ত পদ গঠিত হয়েছে। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেনি (২০১৯ সংস্করণ)।

১৪.
নিচের ইংরেজি বাক্যগুলোর মধ্যে কোনটি  ‘কর্তৃপক্ষ তাকে তিরস্কার করল’ – এর সর্বোত্তম অনুবাদ?
  1. The authorities criticised him
  2. The authorities gave reins to him 
  3. The authorities took him to task
  4. The authorities took him to book
সঠিক উত্তর:
The authorities took him to task
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The authorities took him to task
ব্যাখ্যা

- Take someone to task মানে কাউকে কঠোরভাবে তিরস্কার বা ভর্ৎসনা করা।

• কিছু গুরুত্বপূর্ণ অনুবাদ:
- Brevity is the soul of wit : মানিকের খানিক ভাল।
- A golden key can open any door :  টাকায় বাঘের দুধ মেলে।
- Barking dogs seldom bite : যত গর্জে তত বর্ষে না।
- I cannot spare an instant : আমার তিলমাত্র সময় নেই।
-  Put out the lamp : প্রদীপটি নিভাও।
- I do not take tea : আমি চা পান করি না।
- No man can live alone : মানুষ একা বাস করতে পারে না।
- Like priest, like pupil : যেমন গুরু, তেমন চেলা।
- Call it a day : পুনরায় শুরু করা।
- The authorities took him to task: কর্তৃপক্ষ তাকে তিরস্কার করল।

উৎস: বাংলা ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫.
"এনেছিলে সাথে করে মৃত্যুহীন প্রাণ, মরণে তাহাই তুমি করে গেলে দান" – পংক্তিটির রচয়িতা-
  1. চিত্তরঞ্জন দাশ
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 
  3. কাজী নজরুল ইসলাম
  4. জীবনানন্দ দাশ 
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 
ব্যাখ্যা

• দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের মৃত্যু ও কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শ্রদ্ধা: 
- কবি, সাংবাদিক ও রাজনীতিক দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস ১৯২৫ সালের ১৬ জুনে মাত্র পঞ্চান্ন বছর বয়সে মারা যান।
- দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের মৃত্যুর পর কবিগুরু — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে বলেছিলেন, ‘এনেছিলে সাথে করে মৃত্যুহীন প্রাণ, মরণে তাহাই তুমি করে গেলে দান।'
- যা আর্ট কাগজে ছাপা প্রয়াত চিত্তরঞ্জন দাসের ছবির নিচে রবীন্দ্র-হস্তাক্ষর লিখিত কবিতা হিসেবে স্থান পায়।

- এ পংক্তিটির মাধ্যমে কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে দেশবন্ধু তাঁর জীবদ্দশায় কর্ম, জীবন ও আদর্শের মাধ্যমে এক "মৃত্যুহীন প্রাণ" সৃষ্টি করেছিলেন, এবং  তিনি তাঁর মৃত্যুর মাধ্যমেও সেই অমর কর্মকে দেশবাসীর জন্য দান করে গিয়েছিলেন, যা মূলত তাঁর জীবনের বিশালতাকে তুলে ধরে।

-----------------------

দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাসের জীবনপরিচয়:
- ১৮৭০ সালের ৫ নভেম্বর কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। 
- তিনি সি.আর দাশ নামে সমধিক পরিচিত এবং সাধারণ্যে — দেশবন্ধু বলে আখ্যায়িত।
- সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ঐক্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯২৩ সালের ডিসেম্বরে বাংলার হিন্দু ও মুসলিম নেতাদের মধ্যে — ‘বেঙ্গল প্যাক্ট’ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এ চুক্তি সম্পাদনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস।
- ১৯২৩ সালে তিনি স্বরাজ্য দলের মুখপত্র হিসেবে সাপ্তাহিকী দ্য ফরওয়ার্ড প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯২৪ সালে তিনি কলকাতা কর্পোরেশনের মুখপত্র মিউনিসিপ্যাল গেজেটও প্রতিষ্ঠা করেন। 
- মাত্র পঞ্চান্ন বছর বয়সে ১৯২৫ সালের জুন মাসে দেশবন্ধুর  মৃত্যু হয়।

উল্লেখ্য,
রবীন্দ্রনাথ-নজরুল-জীবনানন্দ – এই তিন কবির কলমেই উঠে এসেছিল চিত্তরঞ্জনের প্রয়াণ।

কাজী নজরুল ইসলামের শ্রদ্ধাঞ্জলি:
• দেশবন্ধুর মৃত্যুর খবর পেয়ে কাজী নজরুল ইসলাম লিখলেন ‘অর্ঘ্য’ নামক একটি গান— 
“হায় চিরভোলা! হিমালয় হতে
অমৃত আনিতে গিয়া
ফিরিয়া এলে যে নীলকণ্ঠের
মৃত্যু গরল পিয়া!”।

জীবনানন্দ দাশের শ্রদ্ধাঞ্জলি:
• জীবনানন্দদাশ চিত্তরঞ্জনের প্রয়াণ উপলক্ষ্যে লিখেছিলেন—
“বাংলার অঙ্গনেতে বাজায়েছ নটেশের রঙ্গমল্লী গাঁথা
অশান্ত সন্তান ওগো, বিপ্লবিনী পদ্মা ছিল তব নদীমাতা।
কাল বৈশাখীর দোলা অনিবার দুলাইতে রক্তপুঞ্জ তব
উত্তাল ঊর্মির তালে-বক্ষে তবু লক্ষ কোটি পন্নগ-উৎসব
উদ্যত ফণার নৃত্যে আষ্ফালিত ধূর্জটির কন্ঠ-নাগ জিনি,
ত্র্যম্বক-পিনাকে তব শঙ্কাকুল ছিল সদা শত্রু অক্ষৌহিণী।”

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া। 

১৬.
"জন্মিলে মরিতে হবে, অমর কে কোথা কবে" - চরণটি কার লিখা?
  1. মাইকেল মধুসূধন দত্ত
  2. জীবনানন্দ দাশ
  3. আব্দুল হাকিম
  4. আল মাহমুদ
সঠিক উত্তর:
মাইকেল মধুসূধন দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইকেল মধুসূধন দত্ত
ব্যাখ্যা

বঙ্গভূমির প্রতি-
মাইকেল মধুসূধন দত্ত।

"জন্মিলে মরিতে হবে
অমর কে কোথা কবে?
চিরস্থির কবে নীড়
হায় রে জীবন নদে"?
"জন্মিলে মরিতে হবে, অমর কে কোথা কবে" এই চরণটি  মধুসূধন দত্তের 'বঙ্গভূমির প্রতি' কবিতার অংশ।
- এটি একটি গীতিকবিতা এবং 'বিবিধ কাব্য' নামক কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। 

• মাইকেল মধুসূধন দত্ত:
- মাইকেল মধুসূদন একজন মহাকবি, নাট্যকার, বাংলাভাষার সনেট প্রবর্তক, অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক।
- ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর জেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামে, এক জমিদার বংশে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তার পিতা রাজনারায়ণ দত্ত ছিলেন কলকাতার একজন প্রতিষ্ঠিত উকিল।
- মা জাহ্নবী দেবীর তত্ত্বাবধানে মধুসূদনের শিক্ষার পর্ব শুরু হয়। 
- মাদ্রাজে অবস্থানকালে Timothy Penpoem ছদ্মনামে তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ The Captive Ladie (১৮৪৮) প্রকাশিত হয়।
- ১৮৫৮ সালে পাশ্চাত্য রীতিতে রচিত তার শর্মিষ্ঠা নাটক বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মৌলিক নাটক হিসেবে বিবেচিত হয়।

• ১৮৫৯ সালে মধুসূদন রচনা করেন দুটি প্রহসন: 
- একেই কি বলে সভ্যতা;
- বুড় সালিকের ঘাড়ে রোঁ। 

• মধুসূধন দত্তের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ:
- তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য,
- মেঘনাদবধ কাব্য,
- বীরাঙ্গনা কাব্য,
- ব্রজাঙ্গনা কাব্য,
- চতুর্দশপদী  কবিতাবলি,
- বিবিধ কাব্য।
• মাইকেল মধুসূধনের একমাত্র গদ্য গ্রন্থ হল- হেক্টরবধ (অসমাপ্ত)।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; 
বাংলাপিডিয়া।

১৭.
'ফুল ফুটুক আর না ফুটুক আজ বসন্ত' --- এই লাইনটির রচয়িতা কে?
  1. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
  2. সুভাষ মুখোপাধ্যায়
  3. কায়কোবাদ 
  4. রামনিধি গুপ্ত
সঠিক উত্তর:
সুভাষ মুখোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুভাষ মুখোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা

"ফুল ফুটুক"-
সুভাষ মুখোপাধ্যায়।

"ফুল ফুটুক না ফুটুক
আজ বসন্ত।
শান-বাঁধানো ফুটপাথে
পাথরে পা ডুবিয়ে এক কাঠখোট্টা গাছ
কচি কচি পাতায় পাঁজর ফাটিয়ে
হাসছে।
ফুল ফুটুক না ফুটুক
আজ বসন্ত"।
- "ফুল ফুটুক আর না ফুটুক আজ বসন্ত" এই চরণটি কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায় এর লেখা।
- এটি তার "ফুল ফুটুক" কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত একটি বিখ্যাত পঙক্তি। 
--------------------------------
সুভাষ মুখোপাধ্যায়:
- সুভাষ মুখোপাধ্যায় শ্রমজীবী জনসাধারণের মুক্তিপ্রয়াসী কবি ও রাজনীতিবিদ ছিলেন। কেবল কবি নন, গদ্য লেখক হিসেবেও তিনি ছিলেন শক্তিমান।
- তিনি পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগর, ১৯১৯ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন।তার  পিতা ক্ষিতীশচন্দ্র মুখোপাধ্যায় ছিলেন আবগারি বিভাগের প্রসিকিউটর, এবং মাতা ছিলেন যামিনী দেবী।
- সুভাষ মুখোপাধ্যায় ভবানীপুর মিত্র স্কুল থেকে প্রবেশিকা (১৯৩৭), স্কটিশ চার্চ কলেজ থেকে আইএ (১৯৩৯) পাস করেন। এ সময় তিনি কবি সমর সেনের সান্নিধ্যে মার্কসীয় রাজনীতি ও লেবার পার্টির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন।
- ১৯৪০ সালে তাঁর পদাতিক কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হলে তিনি শ্রমজীবী জনসাধারণের মুক্তিপ্রয়াসী কবি হিসেবে বাংলা কবিতাঙ্গনে পরিচিতি লাভ করেন।
- ১৯৫০ সালে তাঁর চিরকুট কাব্য প্রকাশিত হলে তিনি মার্কসীয় বস্তুবাদী ধারার কবিরূপে খ্যাতি লাভ করেন।
- পরের বছর ১৯৫১ সালে তিনি পরিচয় পত্রিকার সম্পাদনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- ফুল ফুটুক,
- যত দূরেই যাই,
- কাল মধুমাস,
- এই ভাই,
- ছেলে গেছে বনে ও
- ধর্মের কল।

• তাঁর গদ্যগ্রন্থ:
- ক্ষমা নেই,
- খোলা হাতে খোলা মনে।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া।

১৮.
'যাযাবর' কোন লেখক এর ছদ্মনাম?
  1. রাজশেখর বসু
  2. মধুসূধন মজুমদার
  3. হরীনাথ মজুমদার
  4. বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা

• বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়:
- যাযাবর' ছদ্মনামটি সাহিত্যিক বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়ের।
-  
বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় একজন বিখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক, সাংবাদিক এবং গীতিকার।
- তিনি ১৯০৮ সালের ১০ জানুয়ারি বাংলাদেশের ঢাকার ফেগুনামার গ্রাম, ব্রিটিশ ভারত (বর্তমানে বাংলাদেশ) এ জন্মগ্রহণ করেন।
- যাযাবর নামে "দৃষ্টিপাত" রম্যরচনা লিখে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ জনপ্রিয় লেখক হয়ে ওঠেন।

• ছোটগল্প, উপন্যাস ও প্রবন্ধ সংকলন মিলিয়ে বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়ের গ্রন্থগুলো:
- 'দৃষ্টিপাত',
- 'জনান্তিকে',
- 'ঝিলম নদীর তীরে',
- 'লঘুকরণ',
- 'হ্রস্ব ও দীর্ঘ্‌
- 'যখন বৃষ্টি নামল',
- যাযাবর অমনিবাস।

অন্যদিকে, 
- রাজশেখর বসুর ছদ্মনাম ছিল "পরশুরাম"
- মধুসূদন মজুমদার এর ছদ্মনাম ছিল "দৃষ্টিহীন”।
- হরীনাথ মজুমদার ছিলেন একজন সাংবাদিক, কবি, লেখক এবং বাউল শিল্পী, যিনি ‘কাঙ্গাল হরিনাথ’ নামে পরিচিত ছিলেন। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৯.
"চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা" - পঙক্তিটি  কোন অলঙ্কার দ্বারা গঠিত?
  1. যমক  
  2. শব্দালঙ্কার
  3. সরল অনুপ্রাস
  4. অনুপ্রাস
সঠিক উত্তর:
অনুপ্রাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুপ্রাস
ব্যাখ্যা

- "চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা" পঙক্তিটি  অনুপ্রাস অলঙ্কার দ্বারা গঠিত।

• অনুপ্রাস: 
- একই রকম বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি বারবার ব্যবহৃত হয়ে যে শব্দসাম্য সৃষ্টি করে তাকে অনুপ্রাস বলে।
- অনুপ্রাস অলংকার সাধারণত বাংলা সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধ্বনিগত অলংকার, যার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো একটি নির্দিষ্ট ব্যঞ্জনবর্ণ বা বর্ণগুচ্ছের বারবার পুনরাবৃত্তি, যা কবিতার বা গদ্যের শ্রুতিমাধুর্য এবং সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
- চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা" - এখানে 'অন্ধকার' এবং 'নিশা' শব্দ দুটির মধ্যে একই ধরনের ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছের ('ন' ধ্বনি) পুনরাবৃত্তির মাধ্যমে শব্দের মধ্যে এক ধরনের মাধুর্য সৃষ্টি হয়েছে, যা অনুপ্রাস অলংকারের বৈশিষ্ট্য।

• প্রয়োগের ধরন অনুযায়ী অনুপ্রাস বিভিন্ন প্রকারের হয়, যেমন:
- বৃত্ত্যনুপ্রাস: একটি ব্যঞ্জনধ্বনি একাধিকবার ধ্বনিত হলে।
- ছেকানুপ্রাস: দুই বা ততোধিক ব্যঞ্জনধ্বনি যুক্ত বা বিযুক্তভাবে একই ক্রমে মাত্র দু'বার ধ্বনিত হলে।
- আদ্যানুপ্রাস: শব্দের শুরুতে একই ধ্বনির মিল থাকলে।
- অন্ত্যানুপ্রাস: পঙক্তির শেষে একই ধ্বনির মিল থাকলে।
- লাটানুপ্রাস: একই শব্দ বা বাক্য পরপর একাধিকবার ব্যবহৃত হলে, কিন্তু অন্বয় বা অর্থ ভিন্ন হলে। 

অন্যদিকে, 
- যমক:
- যমক হল শব্দালঙ্কারের একটি প্রকারভেদ।
-যমক এমন এক ধরনের অলঙ্কার যেখানে একই শব্দ একই স্বরধ্বনিসহ একাধিকবার ব্যবহৃত হয়ে ভিন্ন ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে।
- যেমন: 'ভারত, ভারত খ্যাত আপনার গুণে'।

- শব্দালঙ্কার:
- চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা" - এই পঙক্তিটি অনুপ্রাস নামক শব্দালঙ্কারের একটি উদাহরণ।
- শব্দের ধ্বনি প্রকাশে যে অলঙ্কার গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে তাই শব্দালঙ্কার, শব্দের ধ্বনিরূপের আশ্রয়ে এর সৃষ্টি। 
- শব্দালঙ্কারের  বৈশিষ্ট্য এই যে সৃষ্ট শব্দের ধ্বনিরূপ পালটে গেলে বা বদলে দিলে এর অঙ্গহানি ঘটে।
- যেমন: বাঘের বিক্রমসম মাঘের রজনী। 

- সরল অনুপ্রাস:
- একটি বা দুইটি বর্ণ বারবার ধ্বনিত হলে তাকে বলে সরল অনুপ্রাস, এটি অনুপ্রাস এর একটি প্রকারভেদ।
- এর উদাহরণ: ঝুলিছে ঝলি ঝালরে মুকুতা।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া।

২০.
নিচের কোন মেমরিটি বিদ্যুৎ না থাকলে ডেটা ধরে রাখতে পারে না?
  1. RAM
  2. HDD
  3. SSD
  4. ROM
সঠিক উত্তর:
RAM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
RAM
ব্যাখ্যা

• বিদ্যুৎ না থাকলে যে মেমরি ডেটা ধরে রাখতে পারে না, সেটি হলো RAM (Random Access Memory)। RAM একটি অস্থায়ী বা ভোলাটাইল মেমরি, যা কম্পিউটার চালু থাকা অবস্থায়ই শুধু তথ্য সংরক্ষণ করে। কম্পিউটার বন্ধ হয়ে গেলে বা বিদ্যুৎ চলে গেলে RAM-এ থাকা সব ডেটা মুছে যায়। বর্তমানে চলমান প্রোগ্রাম, সফটওয়্যার ও প্রসেসিং-এর জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য RAM-এ সাময়িকভাবে রাখা হয়, যাতে দ্রুত কাজ করা যায়। অন্যদিকে HDD, SSD ও ROM হলো নন-ভোলাটাইল মেমরি, যেগুলো বিদ্যুৎ না থাকলেও ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) RAM.
 
• ভোলাটাইল মেমরি:
- যে সকল মেমরিতে সংরক্ষিত ডাটা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে মুছে. যায় তাকে ভোলাটাইল মেমরি বলে।

• RAM:
- RAM-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Random Access Memory. র‍্যামে অত্যন্ত সহজে তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং প্রয়োজনে তথ্য মুছে ফেলা যায়। তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায়। 
- কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
- কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়। তাই একে ভোলাটাইল স্মৃতি বা অস্থায়ী স্মৃতিও বলা হয়।

• RAM-এর বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো-
- র‍্যাম এক ধরনের ভোলাটাইল মেমরি (Volatile Memory) ।
- তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায়।
- র‍্যামের তথ্য বা প্রোগ্রামকে পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করে পুনরায় সংরক্ষণ করা যায়।
- কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২১.
সাধারণত ফুল ডুপ্লেক্স মোডে কোন কম্পিউটার ডিভাইস ব্যবহার করা হয়?
  1. Printer
  2. Monitor
  3. Mouse
  4. NIC
সঠিক উত্তর:
NIC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NIC
ব্যাখ্যা

• সাধারণত ফুল ডুপ্লেক্স (Full Duplex) মোডে যে কম্পিউটার ডিভাইসটি ব্যবহার করা হয় তা হলো ঘ) NIC (Network Interface Card)। ফুল ডুপ্লেক্স মোডে একই সময়ে ডেটা প্রেরণ (send) ও গ্রহণ (receive) করা যায়। নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকার সময় একটি কম্পিউটার একসাথে তথ্য পাঠায় এবং গ্রহণ করে, আর এই কাজটি সম্পন্ন করে NIC। Printer, Monitor বা Mouse একমুখী বা হাফ ডুপ্লেক্স যোগাযোগে কাজ করে; তারা একই সময়ে ডেটা পাঠানো ও গ্রহণ করতে পারে না। তাই ফুল ডুপ্লেক্স যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত ডিভাইস হলো NIC.
 
• ডাটা ট্রান্সমিশন মোড:
- ডাটা ট্রান্সমিশন মোডের উপর ভিত্তি করে মোবাইল কমিউনিকেশন সিস্টেমকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১. সিমপ্লেক্স মোড:
- ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ডাটার একদিকে প্রবাহকে সিমপ্লেক্স মোড বলে।
- সিমপ্লেক্সের উদাহরণ- রেডিও-টিভি, PABX, কীবোর্ড, মাউস, পেজার ইত্যাদি।

২. ফুল-ডুপ্লেক্স মােড:
- ফুল-ডুপ্লেক্স মােডে একই সময়ে উভয় প্রান্তের দুটি ডিভাইস একই সাথে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে।
- ফুল-ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- মোবাইল ফোন, টেলিফোন, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ইত্যাদি।

৩. হাফ-ডুপ্লেক্স মোড:
- যখন এক প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় , আবার যখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন প্রথম প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় তাকে হাফ ডুপ্লেক্স মোড বলে।
- হাফ ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এসএমএস, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২.
DNS-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ কোনটি?
  1. কম্পিউটারের মধ্যে ডাটা এনক্রিপশন করা
  2. ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগ সিগন্যালে রূপান্তর করা
  3. ইমেইল প্রেরণ ও গ্রহণ করা
  4. ওয়েব ঠিকানাকে IP ঠিকানায় রূপান্তর করা
সঠিক উত্তর:
ওয়েব ঠিকানাকে IP ঠিকানায় রূপান্তর করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়েব ঠিকানাকে IP ঠিকানায় রূপান্তর করা
ব্যাখ্যা

• DNS-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো ওয়েব ঠিকানাকে IP ঠিকানায় রূপান্তর করা, যা সঠিক উত্তর ঘ। DNS (Domain Name System) মূলত ইন্টারনেটের ফোনবুকের মতো কাজ করে। মানুষ সহজে মনে রাখার জন্য www.google.com-এর মতো ডোমেইন নাম ব্যবহার করে, কিন্তু কম্পিউটার ও সার্ভার একে অপরকে শনাক্ত করে সংখ্যাভিত্তিক IP ঠিকানার মাধ্যমে। DNS এই ডোমেইন নামকে সংশ্লিষ্ট IP ঠিকানায় অনুবাদ করে, ফলে ব্যবহারকারীর ব্রাউজার সঠিক সার্ভারের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে পারে। DNS ছাড়া ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ত।
 
• DNS সার্ভার:
- যে পদ্ধতিতে ডোমেইন নেমকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় তাকে ডোমেইন নেইম সিস্টেম বলে।
- DNS Server ডোমেইন নেমকে আইপি অ্যাড্রেসে অনুবাদ করে।
- DNS এর পূর্ণরূপ Domain Name System.
- এর মূল কাজই হলো মানুষের পড়তে সহজ ডোমেইন নাম যেমন- www.google.com কে কম্পিউটারের বোঝার মতো IP ঠিকানা যেমন 142.250.190.14-এ রূপান্তর করা।
- একজন ব্যবহারকারী যখন একটি ওয়েবসাইটে ক্লিক করে, তখন এই নির্দেশ DNS Server এ গিয়ে পৌঁছায়।
- ডোমেইন নেম এর বিভিন্ন অংশ থাকে এবং ডট (.) অপারেটর দ্বারা অংশগুলো বিভক্ত থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৩.
ট্রান্সমিশন লাইনের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের সময় তথ্য চুরি করাকে কী বলা হয়?
  1. স্নিকিং
  2. স্নিফিং
  3. স্প্যামিং
  4. ফিশিং
সঠিক উত্তর:
স্নিফিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্নিফিং
ব্যাখ্যা

• ট্রান্সমিশন লাইনের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের সময় গোপনে তথ্য সংগ্রহ বা চুরি করার প্রক্রিয়াকে স্নিফিং (Sniffing) বলা হয়। এই পদ্ধতিতে একজন আক্রমণকারী নেটওয়ার্কে চলমান ডেটা প্যাকেট পর্যবেক্ষণ করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যেমন ইউজারনেম, পাসওয়ার্ড বা ব্যক্তিগত ডেটা সংগ্রহ করে। সাধারণত এটি নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে করা হয়। স্নিফিং বৈধভাবেও ব্যবহৃত হতে পারে, যেমন নেটওয়ার্ক ট্রাবলশুটিং বা মনিটরিংয়ের জন্য, তবে অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে এটি সাইবার অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) স্নিফিং।
 
বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
• স্নিফিং (Sniffing):
- ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে তথ্য যাওয়ার সময় হাতিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় স্নিফিং।

• ফিশিং (Phishing):
ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

• স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৪.
সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৮-২৩
  2. অনুচ্ছেদ ৯-২৪
  3. অনুচ্ছেদ ৮-২৫
  4. অনুচ্ছেদ ৭-২৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৮-২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৮-২৫
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগ
- রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ (৮-২৫)।
৮৷ মূলনীতিসমূহ;
৯। জাতীয়তাবাদ;
১০। সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি;
১১৷ গণতন্ত্র ও মানবাধিকার;
১২। ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা;
১৩৷ মালিকানার নীতি;
১৪৷ কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি;
১৫৷ মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা;
১৬৷ গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব;
১৭৷ অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা;
১৮৷ জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা;
১৮ক। পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন। 
১৯৷ সুযোগের সমতা।
২০৷ অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম।
২১৷ নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য। 
২২৷ নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ।
২৩৷ জাতীয় সংস্কৃতি।
২৩ক। উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি।
২৪৷ জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি।
২৫৷ আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

২৫.
নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয় কোন সংশোধনীর মাধ্যমে?
  1. নবম
  2. একাদশ
  3. ত্রয়োদশ
  4. পঞ্চদশ
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ
ব্যাখ্যা

ত্রয়োদশ সংশোধনী:
- ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। 
- সংবিধানের ৫৮ অনুচ্ছেদে খ, গ এবং ঘ ধারা সংযোজনের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু করা হয়।
- এই সংশোধনী মোতাবেক, একজন প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে অনধিক ১০ জন উপদেষ্টার দ্বারা নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক
সরকারের কথা বলা হয়।
- ১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ এ সংশোধনী জাতীয় সংসদে পাস হয়।

অন্যদিকে,
• নবম সংশোধনী (জুলাই, ১৯৮৯)।
- জনগণের সরাসরি ভোটে উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান করা হয়।
- রাষ্ট্রপতি পদে কোনো ব্যক্তি পর পর দুই মেয়াদের অধিক অধিষ্ঠিত না হতে পারার নিয়ম করা হয়।

• একাদশ সংশোধনী (আগস্ট, ১৯৯১)।
- অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ কর্তৃক প্রয়োগকৃত সকল কার্যক্রম বৈধ করা হয় এবং পুনরায় তাঁর প্রধান বিচারপতি পদে ফিরে যাবার বিধান করা হয়।

• পঞ্চদশ সংশোধনী (জুলাই, ২০১১)।
- তত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করা হয়।
- ১৯৭২ সালের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি পুনঃস্থাপন করা হয় এবং সংরক্ষিত মহিলা আসন ৫০ এ উন্নীত করা হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৬.
প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম কত নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত?
  1. অনুচ্ছেদ ১
  2. অনুচ্ছেদ ২ক
  3. অনুচ্ছেদ ২
  4. অনুচ্ছেদ ৪ক
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২ক
ব্যাখ্যা

প্রথম ভাগ- প্রজাতন্ত্র: 
- ১নং অনুচ্ছেদঃ প্রজাতন্ত্র।
- অনুচ্ছেদ ২৷ প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা সম্পর্কে বলা হয়েছে। 
- অনুচ্ছেদ ২ক এ রাষ্ট্রধর্ম নিয়ে বলা আছে।
- [২ক। প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম, তবে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টানসহ অন্যান্য ধর্ম পালনে রাষ্ট্র সমমর্যাদা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করিবেন]

অন্যদিকে,
- ৩নং অনুচ্ছেদঃ রাষ্ট্রভাষা।
- ৪নং অনুচ্ছেদঃ জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক।
- ৪ক। জাতির পিতার প্রতিকৃতি।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

২৭.
১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে সংরক্ষিত মহিলা আসন ছিল কতটি?
  1. ১০
  2. ১৫
  3. ৩০
  4. ৫০
সঠিক উত্তর:
১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫
ব্যাখ্যা

১৯৭২ সালের মূল সংবিধানের বৈশিষ্ট্য:
- ১৯৭২ সালের মূল সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের একটি মূল দলিল।
- এ সংবিধানটি উৎকৃষ্ট এবং বিভিন্ন দিক দিয়ে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত।
- মূল সংবিধান একটি সুলিখিত দলিল।
- এতে ১টি প্রস্তাবনা, ৪টি তফসিল, ১১টি ভাগ এবং ১৫৩টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানে দেশের জন্য একটি এক-কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভার বিধান করা হয়।
- এতে ৩০০ জন নির্বাচিত আসন রাখা হয়।
- এবং ১৫ জন সংরক্ষিত মহিলা আসন।
- মোট ৩১৫ জন সদস্য নিয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হবে।
- পরবর্তীতে সংরক্ষিত মহিলা আসন বৃদ্ধি করে ৩০ জন।
- এবং চতুর্দশ সংশোধনীতে বৃদ্ধি করে তা ৪৫ জন এবং বর্তমানে ৫০ জন করা হয়েছে।

উৎস: পৌরনীতি (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৮.
মৌলিক অধিকারসমূহ সংবিধানের কোন ভাগে বর্ণিত আছে?
  1. প্রথম ভাগ
  2. দ্বিতীয় ভাগ
  3. তৃতীয় ভাগ
  4. চতুর্থ ভাগ
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় ভাগ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধান:
- সংবিধানের ১১টি ভাগ রয়েছে। যথা:-
- প্রথম ভাগে: প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় ভাগে: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ,
- তৃতীয় ভাগে: মৌলিক অধিকারসমূহ,
- চতুর্থ ভাগে: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে: মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে: সরকারী কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে: সংবিধান সংশোধন ও
- একাদশ ভাগে: বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।