পরীক্ষা আর্কাইভ

বিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশন

পরীক্ষাবিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়45 minutes৩৯ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৪০
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১: পরীক্ষার টপিক: ৪২ (সাধারণ অংশ), ৪৩ ও ৪৪তম বিসিএসের প্রশ্নগুলোর উপর রিভিশন পরীক্ষা। [Live MCQ আর্কাইভ থেকে ব্যাখ্যা এবং রেফারেন্সসহ সমাধান পড়ে পরীক্ষা দিন।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশন

বিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ৪০ প্রশ্ন

.
রবীন্দ্রনাথের 'মানসী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত কবিতা নিচের কোনটি?
  1. ক) সােনার তরী
  2. খ) অনন্ত প্রেম
  3. গ) দুই বিঘা জমি
  4. ঘ) অব্যক্ত প্রেম
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৬১-১৯৪১):
- তিনি বাংলা সাহিত্যের ছোট গল্পের জনক। তাঁকে বাংলা ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক মনে করা হয়।

তাঁর রচিত "মানসী" কাব্যগ্রন্থটি ১৮৯০ সালে প্রকাশিত এবং গ্রন্থটি কবির কাব্যকলার পূর্ণ প্রতিষ্ঠামূলক কাব্যগ্রন্থ।
- তাই কবি বুদ্ধদেব বসু "মানসী" কাব্যকে রবীন্দ্র-কাব্যের অনুবিশ্ব বলেছেন।
- এই কাব্যগ্রন্থে মোট ৬৬টি কবিতা রয়েছে।

উল্লেখযোগ্য কবিতা -
- উপহার
- নিস্ফল উপহার
- ক্ষণিক মিলন
- নিস্ফল কামনা
- অহল্যার প্রতি
- নবদম্পতির প্রেমালাপ
- মানসিক অভিসার
- পুরুষের উক্তি
- নারীর উক্তি
- ব্যক্ত প্রেম
- গুপ্ত প্রেম
- অনন্ত প্রেম
- শেষ উপহার ইত্যাদি।

উৎস: মানসী কাব্যগ্রন্থ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, সৌমিত্র শেখর।
.
'মুসলিম সাহিত্য সমাজ' এর প্রতিষ্ঠাকাল-
  1. ক) ১৯ জানুয়ারি ১৯২৭
  2. খ) ২৬ মার্চ ১৯২৬
  3. গ) ১৯ ফেব্রুয়ারি ১৯২৬
  4. ঘ) ১৯ জানুয়ারি ১৯২৬
ব্যাখ্যা

- মুসলিম সাহিত্য-সমাজ  ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন যুক্তিবাদী ও প্রগতিশীল শিক্ষক ও ছাত্রের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুসলিম হল ইউনিয়ন কক্ষে বাংলা ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সভাপতিত্বে ১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি মুসলিম সাহিত্য-সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়।

- সংগঠনটির পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি ও বাণিজ্য বিভাগের অধ্যাপক আবুল হুসেন, মুসলিম হলের ছাত্র এ.এফ.এম আবদুল হক, ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজের ছাত্র আবদুল কাদির প্রমুখের ওপর। তারাই ছিলেন প্রথম কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য।
- নেপথ্যে থেকে দায়িত্ব পালন করতেন ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক কাজী আবদুল ওদুদ ও যুক্তিবিদ্যার অধ্যাপক কাজী আনোয়ারুল কাদীর।
এছাড়াও- 
- মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপাত্র শিখা পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে।
- এই পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন আবুল হোসেন।
- এই পত্রিকার স্লোগান ছিলো - 'জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব'।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
'মৃণালিনী' উপন্যাসের চরিত্র নিচের কোনটি?
  1. ক) অনুপমা
  2. খ) মনােরমা
  3. গ) নিরুপমা
  4. ঘ) বিনোদিনী
ব্যাখ্যা
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৩৮-১৮৯৪) বর্তমান উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার নৈহাটি শহরের নিকটস্থ কাঁঠালপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক এবং বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয়।
- তিনি 'বাংলার স্কট' ও 'সাহিত্য সম্রাট' নামে পরিচিত।

» তাঁর রচিত অন্যতম উপন্যাস - মৃণালিনী।
- এটি ১৮৬৯ সালে প্রকাশিত হয়। ত্রয়োদশ শতাব্দীর বাংলাদেশ এবং তুর্কি আক্রমণের পটভূমিতে উপন্যাসটি রচিত।
- মগধের রাজপুত্র হেমচন্দ্রের সঙ্গে মৃণালিনীর প্রণয় ও দেশরক্ষার জন্য হেমচন্দ্রের সংকল্প ও ব্যর্থতার সঙ্গে এক রহস্যময়ী নারী মনোরমার কাহিনী এ উপন্যাসের মূল কথাবস্তু।
- ঐতিহাসিক ঘটনার অন্তরালে হেমচন্দ্র - মৃণালিনী এবং পশুপতি - মনোরমার প্রেমকাহিনী এই উপন্যাসে প্রধান হয়ে উঠেছে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, সৌমিত্র শেখর।
.
'সবিনয় নিবেদন' কাব্যগ্রন্থের কবি কে?
  1. ক) শঙ্খ ঘােষ
  2. খ) শক্তি চট্টোপাধ্যায়
  3. গ) শামসুর রাহমান
  4. ঘ) প্রেমেন্দ্র মিত্র
ব্যাখ্যা
শঙ্খ ঘোষ বাংলা সাহিত্যের আধুনিক সময়ের একজন প্রতিথযশা কবি।
- শঙ্খ ঘোষের আসল নাম চিত্তপ্রিয় ঘোষ। তার বাবা মণীন্দ্রকুমার ঘোষ এবং মা অমলা ঘোষ। ১৯৩২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের বর্তমান চাঁদপুর জেলায় তাঁর জন্ম।
- তিনি ২০২১ সালের ২০ এপ্রিল মৃত্যবরণ করেন।

তার উল্লেখযোগ্য কবিতার বই:
- মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে
- চুপ করো, শব্দহীন হও
- সবিনয় নিবেদন
- বুক পেতে শুয়ে আছি ঘাসের উপরে চক্রবালে
- হওয়া

উৎস: প্রথম আলো ও বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট।
.
'আমাদের শিক্ষা' প্রবন্ধ গ্রন্থটি রচনা করেন-
  1. ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. খ) প্রমথ চৌধুরী
  3. গ) শেখ ফজলুল করিম
  4. ঘ) মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন
ব্যাখ্যা

• বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হিসেবে পরিচিত প্রমথ চৌধুরী।
• তিনি 'বীরবল' ছদ্মনাম ব্যবহার করে অনেক রচনা প্রকাশ করেন।
• তাঁকে বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক বলা হয়।
• 'বীরবলের হালখাতা' তাঁর রচিত প্রথম চলিত রীতির গদ্য রচনা।
• তিনি মাসিক সবুজপত্র (১৯১৪) পত্রিকা সম্পাদনা করতেন।
তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- তেল-নুন-লাকড়ি 
- বীরবলের হালখাতা,
- নানা কথা,
- রায়তের কথা, 
- নানাচর্চা,
- প্রবন্ধ সংগ্রহ। 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
নিচের কোনটি মাহমুদুল হক রচিত উপন্যাস?
  1. ক) খেলাঘর
  2. খ) অনুর পাঠশালা
  3. গ) জীবন আমার বােন
  4. ঘ) কালাে বরফ
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
অপশনের চারটাই মাহমুদুল হক রচিত উপন্যাস।
তাই প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।
-----------------------

 মাহমুদুল হক 
- তাঁকে বাংলা সাহিত্যের একজন শক্তিমান কথাশিল্পী বলা হয়ে থাকে।
- তাঁর লেখনশৈলী ও শব্দচয়নের মুনশিয়ানা চমকপ্রদ।

জীবন আমার বোন উপন্যাস:

- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস 'জীবন আমার বোন' প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৭৬ সালে।
- জাহিদুল কবির খোকা - নামের এক নির্লিপ্ত ও জীবন পলাতক মানুষকে কেন্দ্রে স্থাপন করে মাহমুদুল হক উপন্যাসটি রচনা করেন।
- অন্যান্য চরিত্র: মুরাদ, রহমান, ইয়াসিন, রঞ্জু প্রমুখ।

- তাঁর রচিত উপন্যাস হচ্ছে:

• কালো বরফ (এই উপন্যাসে দেশবিভাগের কাহিনী ব্যাপকভাবে উঠে এসেছে)
• জীবন আমার বোন (এই উপন্যাস বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে কেন্দ্র করে রচিত)
• খেলাঘর (মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক)
• অনুর পাঠশালা,
• নিরাপদ তন্দ্রা,
• অশরীরী,
• পাতালপুরী,
• মাটির জাহাজ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকা রিপোর্ট।
.
নিচের কোন কাব্যে 'মনসা দেবী'র কথা উল্লেখ্য রয়েছে?
  1. ক) মনসামঙ্গল
  2. খ) পদ্মপুরাণ
  3. গ) পদ্মাবতী
  4. ঘ) মনসাবিজয়
ব্যাখ্যা
- মনসামঙ্গল কাব্যে 'মনসা দেবী'র কথা উল্লেখ্য রয়েছে।
- মনসামঙ্গল কাব্যের অপর নাম - পদ্মাপুরাণ (পদ্মপুরাণ নয়)।
- মনসামঙ্গল কাব্যধারার অন্যতম কবি বিজয়গুপ্ত - পদ্মাপুরাণ নামক মনসামঙ্গল কাব্য রচনা করে তিনি মঙ্গলকাব্যের ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন।
- তিনি মনসামঙ্গলকাব্যের যে পুঁথি পাওয়া গেছে, প্রাপ্ত এই পুঁথিভিত্তিক প্রাচীনতম কবি।

এছাড়া
- মনসামঙ্গলের অন্যতম কবি নারায়ণ দেব
- তাঁর রচিত কাব্যের নামও পদ্মাপুরাণ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
.
Who is the author of 'A Vision of the Last Judgment.'
  1. ক) Charles Lamb
  2. খ) William Blake
  3. গ) Edmund Spenser
  4. ঘ) John Keats
ব্যাখ্যা
- William Blake রচিত 'A Vision of the Last Judgment' একটি essay.

• William Blake (1757 - 1827):
- William Blake was English engraver, artist, poet, and visionary,

• His Notable Works:
- A Vision of the Last Judgment,
- Auguries of Innocence,
- Jerusalem: The Emanation of the Giant Albion,
- London,
- Milton,
- Songs of Experience,
- Songs of Innocence,
- The Everlasting Gospel,
- The First Book of Urizen,
- The Tyger,
- Vala or The Four Zoas,
- Visions of the Daughters of Albion.

Source: Encyclopedia Britannica.
.
What is the synonym for the word 'magnanimous'?
  1. ক) abominable
  2. খ) honorable
  3. গ) sordid
  4. ঘ) degraded
ব্যাখ্যা
- প্রদত্ত প্রশ্নের 'magnanimous' এর synonym হচ্ছে honorable.

• Magnanimous (adjective):
English Meaning: very kind and generous towards an enemy or someone you have defeated:
Bangla Meaning: মহানুভব, মহানুভবতা।

Synonyms: noble, great, honorable, high, high-minded, elevated, worthy, heroic.
Antonyms: low, degenerate, degraded, wretched, vile, sordid, vicious, hateful, despicable, ugly, offensive, abominable.

Source:
1. Accessible Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.
১০.
Which one is correct sentence?
  1. ক) Razib went to library with a view to reading a book.
  2. খ) Razib went to library with a view to reads a book.
  3. গ) Razib went to library with a view to been read book.
  4. ঘ) Razib went to library with a view to read a book.
ব্যাখ্যা
- উল্লেখিত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হচ্ছে Razib went to library with a view to reading a book.

- 'With a view to' হচ্ছে একটি phrase এর পর কোনো verb আসলে verb+ing হয়।
Example:
• Razib went to library with a view to reading a book.
- বাক্যে with a view to এর পর verb 'read' বসায় এর সাথে (read+ing) বসেছে।

Source: CLIFFS TOEFL.
১১.
  1. ক) 2
  2. খ) 5
  3. গ) 1/5
  4. ঘ) -2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:


সমাধান:
১২.
বৃত্তের ব্যাস চারগুণ বৃদ্ধি করলে পরিধি কতগুণ বৃদ্ধি পাবে?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৪
  3. গ) ১২
  4. ঘ) ১৬
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বৃত্তের ব্যাস চারগুণ বৃদ্ধি করলে পরিধি কতগুণ বৃদ্ধি পাবে?

সমাধান:
ধরি,
বৃত্তের ব্যাস, d একক 
∴ বৃত্তের ব্যাসার্ধ, r = d/2 একক 
∴ বৃত্তের পরিধি, 2πr একক = 2π(d/2) একক = πd একক 

ব্যাস চার গুণ হলে,
বৃত্তের ব্যাস, 4d একক 
পরিধি, π(4d) একক = 4πd একক 

∴ পরিধি চারগুণ বৃদ্ধি পাবে।
১৩.
cosecA - cotA = 5/7 হলে, cosecA + cotA= ?
  1. ক) 5
  2. খ) 7
  3. গ) 2/7
  4. ঘ) 7/5
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: cosecA - cotA = 5/7 হলে, cosecA + cotA= ?

সমাধান:
আমরা জানি,
cosec2A - cot2A = 1
⇒ (cosecA + cotA)(cosecA - cotA) = 1 
⇒ (cosecA + cotA)(5/7) = 1
∴ cosecA -  cotA = 1/(5/7) = 7/5
১৪.
ঢাকা থেকে মানিকগঞ্জ এর দূরত্ব ৬০ কি.মি.। একটি গাড়ি প্রতি ঘন্টায় ৬ কি.মি. বেগে ঢাকা থেকে মানিকগঞ্জ যায়। ঢাকা থেকে মানিকগঞ্জ যেতে গাড়িটির যে সময় লাগে, মানিকগঞ্জ থেকে ঢাকায় ফিরতে এর চেয়ে ২ ঘন্টা সময় বেশি লাগে। মানিকগঞ্জ থেকে ঢাকায় ফিরার সময় গাড়িটির বেগ কত ছিল?
  1. ক) ৪ কি.মি./ ঘণ্টা 
  2. খ) ৭.৫ কি.মি./ ঘণ্টা 
  3. গ) ৫ কি.মি./ ঘণ্টা 
  4. ঘ) ৫.৫ কি.মি./ ঘণ্টা 
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ঢাকা থেকে মানিকগঞ্জ এর দূরত্ব ৬০ কি.মি.। একটি গাড়ি প্রতি ঘণ্টায় ৬ কি.মি. বেগে ঢাকা থেকে মানিকগঞ্জ যায়। ঢাকা থেকে মানিকগঞ্জ যেতে গাড়িটির যে সময় লাগে, মানিকগঞ্জ থেকে ঢাকায় ফিরতে এর চেয়ে ২ ঘণ্টা সময় বেশি লাগে। মানিকগঞ্জ থেকে ঢাকায় ফিরার সময় গাড়িটির বেগ কত ছিল?

সমাধান:
ঢাকা থেকে মানিকগঞ্জ যেতে সময় লাগে (৬০ ÷ ৬)  ঘণ্টা  = ১০ ঘণ্টা 
মানিকগঞ্জ থেকে ঢাকায় ফিরতে সময় লাগে (১০ + ২)  ঘণ্টা = ১২ ঘণ্টা 

মানিকগঞ্জ থেকে ঢাকায় ফিরতে বেগ প্রতি ঘণ্টায় (৬০ ÷ ১২) কি.মি. = ৫ কি.মি.
১৫.
  1. ক) ১/২
  2. খ) ১
  3. গ) ২
  4. ঘ) নেই
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:


সমাধান:
১৬.
A = {x ∈ N | 2 < x ≤ 8}
B = {x ∈ N | x বিজোড় এবং x ≤ 9} হলে, A ∪ B এর উপাদান সংখ্যা কতটি?
  1. ক) 3টি
  2. খ) 6টি
  3. গ) 8টি
  4. ঘ) 11টি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:
A = {x ∈ N | 2 < x ≤ 8}
B = {x ∈ N | x বিজোড় এবং x ≤ 9} হলে, A ∪ B এর উপাদান সংখ্যা কতটি?

সমাধান:
A = {x ∈ N | 2 < x ≤ 8}
   = {3, 4, 5, 6, 7, 8}

B = {x ∈ N | x বিজোড় এবং x ≤ 9}
   = {1, 3, 5, 7, 9}

সুতরাং, A ∪ B = {3, 4, 5, 6, 7, 8} ∪ {1, 3, 5, 7, 9}
                    ={1, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9}
A ∪ B এর উপাদান সংখ্যা ৮টি
১৭.
আপনার ঘরের মাসিক বিদ্যুৎ বিল এসেছে ৬০০ টাকা। যদি ১ বছর পর বিদ্যুৎ বিল ১০% বৃদ্ধি পায় এবং ৬ মাস পর আরও ১০% বৃদ্ধি পায়, তাহলে ১৮ মাস পর আপনার ঘরের বিদ্যুৎ বিল কত হবে?
  1. ক) ৬৫০ টাকা
  2. খ) ৬৬০ টাকা
  3. গ) ৬৬৬ টাকা
  4. ঘ) ৭২৬ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: আপনার ঘরের মাসিক বিদ্যুৎ বিল এসেছে ৬০০ টাকা। যদি ১ বছর পর বিদ্যুৎ বিল ১০% বৃদ্ধি পায় এবং ৬ মাস পর আরও ১০% বৃদ্ধি পায়, তাহলে ১৮ মাস পর আপনার ঘরের বিদ্যুৎ বিল কত হবে?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
মাসিক বিদ্যুৎ বিল ৬০০ টাকা।

১ বছর পর ১০% বৃদ্ধিতে,
বিল = ৬০০ + ৬০০ এর ১০/১০০ টাকা
= ৬০০ + ৬০ টাকা
= ৬৬০ টাকা

আরো ৬ মাস পর ১০% বৃদ্ধিতে,
বিল = ৬৬০ + ৬৬০ এর ১০/১০০ টাকা
= ৬৬০ + ৬৬ টাকা
= ৭২৬ টাকা
১৮.
একজন মেয়েকে দেখিয়ে ফরিদ বললাে, 'সে আমার নানার একমাত্র মেয়ের মেয়ে' মেয়েটির সাথে ফরিদের সম্পর্ক কী?
  1. ক) মা
  2. খ) বোন
  3. গ) খালা
  4. ঘ) ভাগ্নী
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একজন মেয়েকে দেখিয়ে ফরিদ বললাে, ''সে আমার নানার একমাত্র মেয়ের মেয়ে" মেয়েটির সাথে ফরিদের সম্পর্ক কী?

সমাধান:
নানার একমাত্র মেয়ে ⇒ মা
মায়ের মেয়ে ⇒ বোন
১৯.
প্রশ্নবােধক চিহ্নিত স্থানে কোন সংখ্যা বসবে?
  1. ক) 13
  2. খ) 15
  3. গ) 17
  4. ঘ) 19
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: প্রশ্নবােধক চিহ্নিত স্থানে কোন সংখ্যা বসবে?

সমাধান:
১ম চিত্রে, √16 + √25 = 4 + 5  = 9
২য় চিত্রে, √25 + √36 = 5 + 6 = 11

∴ ৩য় চিত্রে, √64 + √81 = 8 + 9 = 17
২০.
Tiger : Carnivore : : Deer :?
  1. ক) Omnivore
  2. খ) Hunter
  3. গ) Nocturnal
  4. ঘ) Herbivore
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: Tiger : Carnivore : : Deer :?

Tiger -> বাঘ, Carnivore -> মাংসাশী
বাঘ মাংসাশী প্রাণী।

Omnivore -> সর্বভুক 
Nocturnal -> নিশাচর 

Herbivore -> তৃণভোজী , Deer -> হরিণ

হরিণ তৃণভোজী প্রাণী।
২১.
পানিতে দ্রবীভুত ভিটামিন কোনটি?
  1. ক) রেটিনল
  2. খ) টোকোফেরল
  3. গ) ফাইলোকুইনন
  4. ঘ) ফলিক এসিড
ব্যাখ্যা
• পানিতে দ্রবীভূত ভিটামিন ফলিক এসিড

দ্রবণীয়তার ওপর ভিত্তি করে ভিটামিনকে প্রধানত দু'ভাগে ভাগ করা যায়:
১. পানিতে দ্রবীভুত ভিটামিন এবং
২. তৈল জাতীয় পদার্থে দ্রবীভুত ভিটামিন।



ফলিক এসিড:
- ফলিক এসিড (Folic acid) অন্যতম ভিটামিন বি কমপ্লেক্স।
- একই জৈবিক গুণসম্পন্ন কয়েক ধরনের ফলিক এসিড পাওয়া যায়।

ফলিক এসিডের উৎস:
- কলিজা, বৃক্ক, মাংস, মাছ, বাদাম, সবুজ শাক-সবজি, যকৃত ও বিচিতে প্রচুর পরিমাণে ফলিক এসিড পাওয়ার যায়।

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান-২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২.
ডায়াস্টোলিক চাপ বলতে কী বোঝায়?
  1. ক) হৃৎপিন্ডের সংকোচন চাপ
  2. খ) হৃৎপিন্ডের প্রসারণ চাপ
  3. গ) হৃৎপিন্ডের সংকোচন চাপ ও প্রসারণ চাপ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ডায়াস্টোলিক চাপ বলতে বোঝায় হৃৎপিন্ডের প্রসারণ চাপ

হৃৎপিন্ডের রক্ত সঞ্চালন:
- মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্র হৃদপিন্ড, ধমনি, শিরা ও কৈশিক জালিকা নিয়ে গঠিত।
- মানুষের হৃদপিন্ড অবিরাম সংকুচিত ও প্রসারিত হয়ে ধমনি ও শিরার মাধ্যমে রক্ত পরিবহন করে।
- হৃদপিন্ডের স্বতঃস্ফুর্ত সংকোচনকে সিস্টোল (Systole) এবং স্বতঃস্ফুর্ত প্রসারণকে ডায়াস্টোল (Diastole) বলে।
- উল্লেখ্য, অলিন্দে যখন সিস্টোল হয়, নিলয়ে তখন ডায়াস্টোল অবস্থায় থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩.
DNA নেই কোনটিতে?
  1. ক) E. coli
  2. খ) TMV
  3. গ) T2 ব্যাকটেরিওফায
  4. ঘ) ছত্রাক
ব্যাখ্যা
• DNA নেই TMV-এ।

টোবাকো মোজাইক ভাইরাস (TMV):
- এটি একটি দন্ডাকৃতির RNA ভাইরাস।
- এর দৈর্ঘ্য প্রস্থের প্রায় ১৭ গুণ।
- এটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২৮০ nm এবং প্রস্থ ১৫ nm.
- RNA এবং প্রোটিন দিয়ে টোবাকো মোজাইক ভাইরাসটি গঠিত।
- এ ভাইরাস তামাক পাতার ক্লোরোফিল নষ্ট করে সাদা সবুজ মোজাইকের মত সৃষ্টি করে বলে এদের টোবাকো মোজাইক ভাইরাস বলা হয়।
- এর বাইরে একটি পুরু প্রোটিনের আবরণ থাকে।
- কিছু সংখ্যক ভাইরাস ছাড়া (যেমন- TMV) প্রায় সব জীব কোষেই DNA বিদ্যমান। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪.
রেডিও এবং টেলিভিশনের মধ্যে কোন পদ্ধতিতে ডেটা ট্রান্সমিশন হয়?
  1. ক) Triplex
  2. খ) Half-Duplex
  3. গ) Full-Duplex
  4. ঘ) Simplex
ব্যাখ্যা
• রেডিও এবং টেলিভিশনের মধ্যে Simplex পদ্ধতিতে ডেটা ট্রান্সমিশন হয়।

ডাটা ট্রান্সমিশন মোড:
- ডাটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থায় উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা পাঠানো হয়।
- উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডাটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডাটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডাটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়।
- ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
১. সিমপ্লেক্স (Simplex)
২. হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩. ফুল-ডুপ্লেক্স (Full - Duplex).

সিমপ্লেক্স (Simplex):
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না।
- উদাহরণ: রেডিও, টিভি, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫.
100101 বাইনারি নাম্বারের সমতুল্য ডেসিমেল নাম্বার কোনটি?
  1. ক) 46
  2. খ) 54
  3. গ) 37
  4. ঘ) 27
ব্যাখ্যা
• 100101 বাইনারি নাম্বারের সমতুল্য ডেসিমেল নাম্বার 37.

বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হয়।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান বা ডেসিমেল নাম্বার পাওয়ার যাবে।

এখানে,
100101
= 1×25 + 0×24 + 0×23 + 1×22 + 0×21 + 1×20 
= 32+0+0+4+0+1
= 37

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২৬.
Prolog প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ কোথায় ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Website Devlopment
  2. খ) Data Analysis
  3. গ) Artificial Intelligence
  4. ঘ) UX/UI Design
ব্যাখ্যা
• Prolog প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ Artificial Intelligence-এ ব্যবহৃত হয়।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলো মানুষের চিন্তাভাবনা গুলোকে কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটার বা কম্পিউটার প্রযুক্তি নির্ভর যন্ত্রের মধ্যে রূপ দেয়ার ব্যবস্থা। 
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সে ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা: LISP, PROLOG, C/C++, CLISP, JAVA, MATLAB, Python, SHRDLU ইত্যাদি।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাস্তব প্রোয়োগ হলো রোবট।

 উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২৭.
মুজিবনগর সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ছিল-
  1. ক) তাজউদ্দীন আহমদ
  2. খ) খন্দকার মুশতাক আহমেদ
  3. গ) এএইচএম কামরুজ্জামান
  4. ঘ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:
- মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।

মুজিবনগর সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দীন আহমদ
(তার অতিরিক্ত দায়িত্ব ছিলো - প্রতিরক্ষা, তথ্য, সম্প্রচার ও যোগাযোগ, অর্থনৈতিক বিষয়াবলি, পরিকল্পনা বিভাগ, শিক্ষা, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, শ্রম, সমাজকল্যাণ, সংস্থাপন এবং অন্যান্য যেসব বিষয় কারও ওপর ন্যস্ত হয়নি তার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী)
- অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী : এম মনসুর আলী
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী : এএইচএম কামরুজ্জামান
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মুশতাক আহমেদ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়ত
২৮.
কোন সংস্থা বিশ্বব্যাপী দুর্নীতি সূচক প্রকাশ করে?
  1. ক) বিশ্ব করাপশন এনালাইসিস সোসাইটি
  2. খ) এন্টি- করাপশন
  3. গ) ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
  4. ঘ) দ্যা ফোরাম ফর জাস্টিস
ব্যাখ্যা
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল: 
- ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বার্লিনভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী সংস্থা।
- এটি ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রতিষ্ঠাতা পিটার ইজেন।
- সদরদপ্তর - বার্লিন, জার্মানি। 
- এটি ১৯৯৫ সাল থেকে প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী দুর্নীতি ধারণা সূচক (CPI) প্রকাশ করে আসছে।
- বাংলাদেশ প্রথম ২০০১ সালে টিআই এর দুর্নীতি ধারণা সূচক রিপোর্টে অন্তর্ভুক্ত হয় ।

উৎস: টিআই ওয়েবসাইট।
২৯.
বাংলাদেশ গণপরিষদে সংবিধান পাশ হয়-
  1. ক) ১১ এপ্রিল, ১৯৭২
  2. খ) ১২ অক্টোবর, ১৯৭২
  3. গ) ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
  4. ঘ) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংবিধান খসড়া তৈরীর উদ্দেশ্যে গণপরিষদে ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে ৩৪ সদস্য বিশিষ্ঠ সংবিধান প্রনয়ন কমিটি গঠন করা হয়। এর সভাপতি ছিলেন - ড. কামাল হোসেন।
- এই কমিটি ৭০টি বৈঠক করে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন করেন এবং ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ তারিখে গণপরিষদে উত্থাপন করা হয় সাধারন আলোচনার জন্য।
- গণপরিষদ সদস্যরা সাধারন আলোচনার পর ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর তা গণপরিষদে পাশ হয়। ৪ নভেম্বরকে তাই সংবিধান দিবস হিসাবে পালন করা হয়।
- সংবিধান ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সাল থেকে কার্যকর হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধানের ইতিহাস।
৩০.
চাকমা মৌজার প্রধানকে কি নামে ডাকা হয়?
  1. ক) কারবারি
  2. খ) হেডম্যান
  3. গ) চাকমা রাজা
  4. ঘ) সর্দার
ব্যাখ্যা
চাকমা: বাংলাদেশের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় বসবাসকারী প্রধান ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হলো চাকমা নৃতাত্ত্বিক বিচারে চাকমারা মঙ্গোলীয় নৃগোষ্ঠীর লোক। বাংলাদেশের বাইরেও চাকমারা ভারতের ত্রিপুরা, মিজোরাম ও অরুণাচলে বসবাস করে .

- সামাজিক জীবন: চাকমা সমাজে মূল অংশ পরিবার। কয়েকটি চাকমা পরিবার নিয়ে গঠিত হয় ‘আদাম' বা 'পাড়া'। পাড়ার প্রধানকে বলা হয় কারবারি। কয়েকটি পাড়া নিয়ে গঠিত হয় মৌজা। মৌজার প্রধানকে বলা হয় হেডম্যান। কার্বারি ও হেডম্যান মিলে যথাক্রমে পাড়া ও মৌজার শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা করে। কয়েকটি মৌজা মিলে চাকমা সার্কেল গঠিত হয় এবং এর প্রধান হলেন চাকমা রাজা। চাকমা সমাজে রাজার পদটি বংশানুক্রমিক। চাকমা সমাজ পিতৃতান্ত্রিক । চাকমা পরিবারে পিতাই প্রধান। তারপরে মা ও জ্যেষ্ঠপুত্রের স্থান ।

- অর্থনৈতিক জীবন: চাকমাদের জীবিকার প্রধান উপায় হচ্ছে কৃষিকাজ। যে - পদ্ধতিতে তারা চাষ করে তাকে বলা হয় ‘জুম’। তবে বর্তমান সময়ে তারা হালচাষেও অভ্যস্ত হয়েছে।

- ধর্মীয় জীবন: চাকমারা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। তাদের অধিকাংশ গ্রামে ‘কিয়াং' বা বৌদ্ধ মন্দির রয়েছে। চাকমারা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিনকে ভক্তি সহকারে পালন করে। এর মধ্যে গৌতম বুদ্ধের জন্ম, মৃত্যু ও বুদ্ধত্ব প্রাপ্তির দিনটি তারা সাড়ম্বরে বৈশাখী পূর্ণিমা' হিসাবে পালন করে। তাছাড়া ‘মাঘী পূর্ণিমার' রাতে কিয়াং বা প্যাগোডার প্রাঙ্গণে গৌতম বুদ্ধের সম্মানে ফানুস উড়ায় । চাকমা সমাজে মৃতদেহ দাহ করা অর্থাৎ পোড়ানো হয় ।

উৎস: অষ্টম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বই।
৩১.
সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের মাধ্যমে কয়টি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?
  1. ক) ১৪ টি
  2. খ) ১৫ টি
  3. গ) ১৬ টি
  4. ঘ) ১৭ টি
ব্যাখ্যা
- ১৯২২ সালের ৩০ ডিসেম্বর ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিনের নেতৃত্বে চারটি সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত রিপাবলিক (রাশিয়া, ট্রান্স ককেশাসিয়ান ফেডারেশন, ইউক্রেন ও বেলারুশ) একত্রিত হয়ে ইউনিয়ন অব সোভিয়েত স্যোশালিস্ট রিপাবলিক (ইউএসএসআর) বা সোভিয়েত ইউনিয়ন গঠন করে।
- পরবর্তীতে আরো বেশ কিছু দেশ ও অঞ্চল সোভিয়েত ইউনিয়নে যোগ দেয়।
- ১৯৯১ সালের ২৫ ডিসেম্বর সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন ঘটে।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে ১৫টি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়। এগুলো হলো:
- রাশিয়া
- ইউক্রেন
- বেলারুশ
- মোলদাভিয়া
- লিথুয়ানিয়া
- লাটভিয়া
- এস্তোনিয়া
- জর্জিয়া
- আর্মেনিয়া
- আজারবাইজান
- কাজাখস্তানত
- কিরগিজস্তান
- উজবেকিস্তান
- তাজিকিস্তান এবং
- তুর্কমেনিস্তান।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি ওয়েবসাইট
৩২.
কপ-২৭ সম্মেলন কোন শহরে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) বার্লিন
  2. খ) গ্লাসগো
  3. গ) শারম আল শেখ
  4. ঘ) আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা
COP:
- COP -এর পূর্ণরূপ Conferences of the Parties.
- জলবায়ু সংক্রান্ত জাতিসংঘ রূপরেখা সম্মেলন কার্যকর হয় ১৯৯৪ সালে।
- প্রথম সম্মেলন কপ-১ অনুষ্ঠিত হয়- জার্মানির বার্লিন শহরেত ১৯৯৫ সালে।
- UNFCC ভুক্ত সদস্য দেসসমূহ জলবায়ু সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে।
- কপ ২৭ অনুষ্ঠিত হয় মিসরের শারম আল শেখ শহরে - ৬- ১৮ নভেম্বর ২০২২ সালে।
- কপ ২৮ অনুষ্ঠিত হবে ১২ নভেম্বর- ৩০ ডিসেম্বর ২০২৩ সালে আরব আমিরাত, দুবাই।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৩৩.
কোন জেলায় বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি অবস্থিত?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) রংপুর
  3. গ) সিলেট
  4. ঘ) দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
 বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি: 
- এটি দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত।
- এটি আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৫ সালে।
- এর থেকে প্রাপ্ত কয়লা দিয়ে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।

উৎস: দিনাজপুর জেলা ওয়েবসাইট।
৩৪.
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য নয়-
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) স্পেন
  3. গ) ফ্রান্স
  4. ঘ) রাশিয়া
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্য ৫টি দেশ। দেশগুলো নিরাপত্তা পরিষদেরও স্থায়ী সদস্য।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ১৫টি।
- এর মধ্যে ৫টি স্থায়ী সদস্য এবং ১০টি অস্থায়ী সদস্য।
- স্থায়ী সদস্য ৫টি দেশ হলো: যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স।
- অস্থায়ী সদস্যরা ২ বছরের জন্য নির্বাচিত হয়। 
- নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের ভেটো ক্ষমতা রয়েছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে যেকোন প্রস্তাব পাশের জন্যে এই ৫টি দেশের সম্মতির প্রয়োজন হয়।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ দু’বার নির্বাচিত হয়, প্রথমবার জাপানকে পরাজিত করে ১৯৭৯-১৯৮০ সালে এবং দ্বিতীয়বার ২০০০-২০০১ সালে।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া। 
৩৫.
নিচের কোনটি ভূট্টার উন্নত জাত নয়?
  1. ক) রতন
  2. খ) শুভ্র
  3. গ) বর্ণালী
  4. ঘ) উত্তরণ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের উন্নতমানের ফসলের জাত:
ধান - ইরাটম, ব্রিশাইল, সোনার বাংলা-১, ময়না, হরিধান, চান্দিনাম, নারিকা-১,মালাইরি।
গম - অগ্রণী-সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, বরকত।
ভুট্টা - উত্তরণ, বর্ণালী, শুভ্র;
তুলা - রূপালী ও ডেলফোজ।
টমেটো - মিন্টু, বাহার, মানিক, রতন, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
তামাক - সুমাত্রা ও ম্যানিলা;
বেগুন - ইওরা, শুকতারা, তারাপুরী।
কলা - অগ্নিশ্বর, কানাইবাঁশী, মোহনবাঁশী, বীট জবা, অমৃতসাগর, সিংগাপুরী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
৩৬.
কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব না?
  1. ক) বন্যা
  2. খ) ভূমিকম্প
  3. গ) ঘূর্ণিঝড়
  4. ঘ) খরা
ব্যাখ্যা
- কোন ধরনের আগাম সতর্ক সংকেত ব্যতীত অর্থাৎ কার্যকর পূর্বাভাস ছাড়া সংঘটিত দুর্যোগ হলো ভূমিকম্প।
- ভূমিকম্প সংঘটনের ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল চিহ্নিত করা সম্ভব হলেও ভূমিকম্প সংঘটনের পূর্বে সতর্কতা প্রাপ্তি এখনো সম্ভব হয়নি।
অন্যদিকে,
- বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ও শৈত্যপ্রবাহের ক্ষেত্রে পূর্বাভাস পাওয়া যায়।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাকৃতিক ভূগোল।
৩৭.
ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষিতে রচিত 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
  1. ক) জহির রায়হান
  2. খ) ড. মুনীর চৌধুরী
  3. গ) আবদুল লতিফ
  4. ঘ) হুমায়ূন আহমেদ
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষিত রচিত সাহিত্যকর্ম:

- আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী রচনা করেন ‘আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি'।
- সঙ্গীতশিল্পী আবদুল লতিফ রচনা ও সুর করেন 'ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়' এবং ‘তোরা ঢাকা শহর রক্তে ভাসাইলি'র মতো সঙ্গীত।
- ড. মুনীর চৌধুরী জেলে বসে রচনা করেন 'কবর' নাটক।
- জহির রায়হান রচনা করেন ‘আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসটি।
- ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে পূর্ব বাংলায় শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চায় পাকিস্তান রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৮.
বেলেপাথর কোন ধরনের শিলা?
  1. ক) পাললিক শিলা
  2. খ) আগ্নেয় শিলা
  3. গ) রূপান্তরিত শিলা
  4. ঘ) মিশ্র শিলা
ব্যাখ্যা
পাললিক শিলা:
- পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠন করে তাকে পাললিক শিলা বলে। যেমন: চুনাপাথর, বেলেপাথর, পাথুরিয়া কয়লা, সৈন্ধব লবণ, খড়িমাটি প্রভৃতি।
- পলল বা তলানি থেকে গঠিত হয় বলে এরূপ শিলাকে পাললিক শিলা বলে।
- এ শিলার পলি সাধারণত স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয়। আর স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয় বলে এ শিলাকে স্তরীভূত শিলাও বলা হয় ।
- পাললিক শিলা ভূ-ত্বকের মোট আয়তনের শতকরা ৫ ভাগ।
- তবে মহাদেশীয় ভূ-ত্বকের উন্মুক্ত অংশের প্রায় ৭৫ ভাগই পাললিক শিলায় গঠিত।
- পাললিক শিলার প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে স্তরীভূত, জীবাশ্ম বিশিষ্ট, অকেলাসিত, তরঙ্গচিহ্ন ও কোমলতা ইত্যাদি।
- মানুষের দৈনন্দিন জীবনে পাললিক শিলা সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।
পাললিক শিলা প্রধানত তিন প্রকার। যথা:
১। যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় গঠিত পাললিক শিলা। যেমন- বেলেপাথর
২। রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় গঠিত পাললিক শিলা। যেমন- চুনাপাথর এবং
৩। জৈবিক উপায়ে গঠিত পাললিক শিলা। যেমন- বাংলাদেশের জামালগঞ্জের কয়লা ও গোপালগঞ্জের পিট কয়লা।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৯.
প্রশান্ত মহাসাগর এবং আটলান্টিক মহাসাগরকে যুক্ত করেছে-
  1. ক) পানামা খাল
  2. খ) সুয়েজ খাল
  3. গ) কিয়াল খাল
  4. ঘ) গোটা খাল
ব্যাখ্যা
- আটলান্টিক মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে পানামা খাল
- পানামা খালটির নির্মাণ ১৯০৪ সালে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে শুরু হয়েছিল এবং ১৯১৪ সালে শেষ হয়েছিল।
- ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত পানামা খালটি আমেরিকার নিয়ন্ত্রণে ছিল।
- ১৯৭৯ সালের পর থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পানামা প্রজাতন্ত্রের যৌথ সংস্থা খালটির নিয়ন্ত্রণ করে।
- ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৯৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র পানামার কাছে খালটি পুরোপুরি হস্তান্তর করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪০.
বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা কয়জন?
  1. ক) ৪২৬ জন
  2. খ) ৪২৪ জন
  3. গ) ৪২২ জন
  4. ঘ) ৪২৮ জন
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়:
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন
- বীর উত্তম - ৬৮ জন
- বীর বিক্রম - ১৭৫ জন
- বীর প্রতীক - ৪২৬ জন

তাদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত চারজন ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকায় গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় তাদের খেতাব বাতিল করে।
এরা হলেন:
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম) [সেনাবাহিনী]
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)

∴ বর্তমানে (২০২১) মুক্তিযুদ্ধের খেতাবধারীর সংখ্যা - মোট ৬৭২ জন।
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৭ জন
- বীর বিক্রম - ১৭৪ জন
- বীর প্রতীক - ৪২৪ জন

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো রিপোর্ট।