পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়24 minutes
মোট প্রশ্ন৩৪
সিলেবাস
সাধারণ বিজ্ঞান - সম্পূর্ণ সিলেবাস [৭০ নম্বর] উৎস: যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণি পর্যন্ত বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৪ প্রশ্ন

.
সর্বপ্রথম কে সূর্যকেন্দ্রিক সৌরজগতের ব্যাখ্যা প্রদান করেন?
  1. ক) কোপার্নিকাস
  2. খ) গ্যালিলিও
  3. গ) আইনস্টাইন
  4. ঘ) নিউটন
ব্যাখ্যা

- নিকোলাস কোপারনিকাস ১৫৪৩ সালে প্রথম আধুনিক সূর্যকেন্দ্রিক সৌরজগতের মতবাদ প্রদান করেন।
- তিনি পৃথিবী নয় বরং সূর্যকে সৌরজগতের কেন্দ্র হিসাবে উল্লেখ করেন।
- তিনি আঠারো শতকের আগে এমন একটি মডেল প্রনয়ন করেন যখন চারিদিকে টলেমী এবং এরিস্টটলের মতবাদ চলছিল।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান

.
বলবিদ্যার সূত্র কয়টি?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা

নিউটনের বলবিদ্যার সূত্র তিনটি। যথা:

প্রথম সূত্র: বাইরে থেকে কোন বস্তুর উপর বল প্রয়োগ না করলে, স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকবে এবং গতিশীল বস্তু চিরকাল সমবেগে সরলরেখায় বা সরল পথে চলতে থাকে।
দ্বিতীয় সূত্র: কোন বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যে দিকে ক্রিয়া করে বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তন সেদিকেই ঘটে।
তৃতীয় সূত্র: প্রত্যেক ক্রিয়ারই সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া রয়েছে৷

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান

.
ক্যালকুলাসের জনক কে?
  1. ক) আইনস্টাইন
  2. খ) নিউটন
  3. গ) কোপার্নিকাস
  4. ঘ) আর্কিমিডিস
ব্যাখ্যা

নিউটন ক্যালকুলাসের আবিষ্কারক।
নিউটন প্রথমে ফ্লাক্সিওন নামে ক্যালকুলাস আবিষ্কার করেছিলেন বটে, কিন্তু তিনি তার আবিষ্কার ঠিকমত প্রকাশও করেননি।
তবে ক্যালকুলাস আবিষ্কারের কৃতিত্ব নিউটন আর লিবনিজ দুজনকেই দেওয়া হয়।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান

.
কয়টি মৌলক উপাদান নিয়ে পরমাণু গঠিত?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা

পরমাণু তিনটি মৌলিক উপাদান নিয়ে গঠিত।
যথা: ইলেকট্রন, প্রোটন এবং নিউট্রন।

- ইলেকট্রন হলো পরমাণুর একটি মূল কণিকা যার আধান ঋণাত্মক। ইলেক্ট্রনকে সর্ব প্রথম নাম করণ করেন স্টোনি। ১৮৯৭ খ্রিষ্টাব্দে স্যার জে. জে. থমসন সর্বপ্রথম ইলেকট্রনের অস্তিত্ব আবিষ্কার করেন।

- প্রোটন ধনাত্মক আধান বিশিষ্ট কণিকা যা নিউক্লিয়াসের মধ্যে থাকে। ১৯১১ খ্রিষ্টাব্দে বিজ্ঞানী আর্নেস্ট রাদারফোর্ড প্রোটনের অস্তিত্ব প্রমাণ করেন।

- ইলেকট্রন ও প্রোটনের ন্যায় নিউট্রনও একটি মৌলিক কণিকা তবে এটি আধানবিহীন। আধানবিহীন (neutral) হওয়ায় এর এই নাম দেয়া হয়েছে।


উৎস: নবম দশম শ্রেণির রসায়ন পাঠ্যবই।

.
আইভরি ব্ল্যাক কি?
  1. ক) রক্ত কয়লা
  2. খ) সক্রিয় কয়লা
  3. গ) কালো রঙ
  4. ঘ) অস্থিজ কয়লা
ব্যাখ্যা

'আইভরি ব্ল্যাক' হলো অস্থিজ কয়লা।

প্রাণিদেহের চর্বিমুক্ত হাড়ের বিধ্বংসী পাতনের ফলে উৎপন্ন হয় প্রাণীজ বা অস্থিজ কয়লা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কয়লার কার্বনের অনুপাত বাড়তে থাকে এবং কয়লার গুণগত মানও বৃদ্ধি পায়। এজন্য খনিজ কয়লার মধ্যেও শ্রেণিবিভাগ করা হয়েছে।
যেমন: পীট কয়লা, লিগনাইট, বিটুমিনাস এবং অ্যানথ্রাসাইট।

উৎস: নবম দশম শ্রেণির রসায়ন পাঠ্যবই।

.
লোহার কুরি তাপমাত্রা কত?
  1. ক) 7700℃
  2. খ) 770℃
  3. গ) 650℃
  4. ঘ) 6500℃
ব্যাখ্যা

- যে তাপমাত্রায় কোন একটি চুম্বকের চুম্বকত্ব সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত হয়, তাকে উক্ত চুম্বকের উপাদানের কুরি বিন্দু বলে।
- লোহার কুরি বিন্দু বা কুরি তাপমাত্রা ৭৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

সূত্র: ১১-১২শ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান 

.
পরম শূন্য তাপমাত্রায় গ্যাসের আয়তন কত?
  1. ক) শূন্য
  2. খ) অসীম
  3. গ) ১০০০ সিসি
  4. ঘ) ২৭৩ সিসি
ব্যাখ্যা

পরম শূন্য তাপমাত্রা: যে তাপমাত্রায় চার্লস বা গে-লুসাকের সূত্রানুসারে কোনো গ্যাসের আয়তন তাত্ত্বিকভাবে শূন্য হয় তাকে পরম শূন্য তাপমাত্রা বলে। এ পরম শূন্য তাপমাত্রা হলো -২৭৩°C ।

সূত্রঃ রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় 

.
নিচের কোন আলোকযন্ত্রটির সাথে চোখের মিল আছে?
  1. ক) ক্যামেরা
  2. খ) দূরবীক্ষণ যন্ত্র
  3. গ) অণুবীক্ষণ যন্ত্র
  4. ঘ) টেলিভিশন
ব্যাখ্যা

আলোক অণুবীক্ষণ যন্ত্র এমন একটি যন্ত্র, যেটি দৃশ্যমান আলোতে ক্রিয়া করে।
লেন্সের সাহায্যে যন্ত্রটি ছোট জিনিসকে বড় করে দেখতে সাহায্য করে। আলোক অণুবীক্ষণ যন্ত্র সবচেয়ে পুরাতন অণুবীক্ষণ যন্ত্র।
সপ্তদশ শতাব্দীতে যৌগিক অণুবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কৃত হয়।

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান

.
অক্সিজেনের পারমাণবিক ভর কত?
  1. ক) ৩২
  2. খ) ১৬
  3. গ) ১৮
  4. ঘ) ২৪
ব্যাখ্যা

কোন মৌলের একটি পরমাণুর ভর কার্বন 12 আইসোটোপের 1/12 অংশের তুলনায় যত গুণ ভারী,সেই সংখ্যাকে ওই মৌলের আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর (বা সংক্ষেপে পারমাণবিক ভর) বলা হয়।

আণবিক ভর (ইংরেজি: Molecular mass, সংক্ষেপে m) হল সংশ্লিষ্ট কোন পদার্থের একটি অণুর ভর: এটিকে ডাল্টন এককে (Da বা u) পরিমাপ করা হয়। একই যৌগের বিভিন্ন অণুর বিভিন্ন আণবিক ভর থাকতে পারে, কারণ তারা একটি পদার্থের ভিন্ন ভিন্ন আইসোটোপ দ্বারা গঠিত হয়ে থাকতে পারে।

বায়ুমণ্ডলীয় অক্সিজেনের আণবিক ভর হল 32 একক। অক্সিজেনের রাসায়নিক সংকেত O2 এতে ২টি পরমাণু উপস্থিত রয়েছে। সুতরাং, অক্সিজেনের পারমাণবিক ভর ১৬।

উৎস: নবম দশম শ্রেণির রসায়ন

১০.
নাসার সবচেয়ে বৃহৎ এবং শক্তিশালী টেলিস্কোপের নাম কি?
  1. ক) Fermi Gamma-ray Space Telescope
  2. খ) James Webb Telescope
  3. গ) SpitzerSpace Telescope
  4. ঘ) HerschelSpace Observatory
ব্যাখ্যা

- জেমস ওয়েব মহাকাশ দূরবীক্ষণ যন্ত্র বা জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ (ইংরেজি: James Webb Space Telescope বা JWST) মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা, কানাডীয় মহাকাশ সংস্থা ও ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার যৌথ প্রচেষ্টায় নির্মিত একটি মহাকাশ দূরবীক্ষণ যন্ত্র।
- উৎক্ষেপণের তারিখ: ২৫শে ডিসেম্বর, ২০২১।
- ১০ বিলিয়ন ডলারের জেমস ওয়েব নামধারী স্পেস টেলিস্কোপটি ফ্রেঞ্চ গায়ানা থেকে ইউরোপিয়ান আরিয়ান রকেটে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে।
- হাবল টেলিস্কোপ ছিল মহাকাশে ভাসমান প্রথম কোনো টেলিস্কোপ।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট

১১.
নিচের কোনটিতে রেডিও আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) গলগণ্ড রোগ নির্ণয়ে
  2. খ) পিত্ত পাথর গলাতে
  3. গ) কিডনির পাথর গলাতে
  4. ঘ) পরমাণু অস্ত্র তৈরিতে
ব্যাখ্যা

কোন কোন আইসোটোপ অস্থিতিশীল হয়ে থাকে। অর্থাৎ এদের নিউক্লিয়াসের মধ্যে পরিবর্তন ঘটে থাকে। ফলস্বরূপ, এই আইসোটোপ থেকে কিছু কণা বিচ্ছুরিত হয়, কখনো কখনো ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক রশ্মি বিচ্ছুরিত হয়ে থাকে। এই প্রকার আইসােটোপকে রেডিও আইসোটোপ (radio isotope) বলা হয়।

An exceptionally useful radioactive isotope is iodine-131, which has a half-life of eight days. It is employed in medicine to monitor thyroid gland functioning, to treat goitre and thyroid cancer, and to locate tumours of the brain and of the liver.

সূত্র: নবম দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান ও Britannica

১২.
শ্রেণিবিন্যাসের জনক কে?
  1. ক) এরিস্টটল
  2. খ) লুই পাস্তুর
  3. গ) ক্যারোলাস লিনিয়াস
  4. ঘ) উইলিয়াম হার্ভে
ব্যাখ্যা

- প্রাণিদেহে বিদ্যমান বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য ও বিভিন্ন প্রাণীর মধ্যে মিল, অমিল ও পরস্পরের মধ্যে যে সম্পর্ক রয়েছে তার উপর ভিত্তি করে শ্রেণিবিনাস করা হয়। এদের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী বিভিন্ন স্তর বা ধাপে সাজানো হয়। জীবজগৎকে ধাপে ধাপে বিন্যস্ত করার এই পদ্ধতিকে শ্রেণিবিন্যাস বলে।

- শ্রেণিবিন্যাসের জনক বলা হয় ক্যারোলাস লিনিয়াসকে।

উৎস: অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান বই

১৩.
ব্যাকটেরিয়ায় কোন ধরনের কোষ বিভাজন সংগঠিত হয়?
  1. ক) অ্যামাইটোসিস
  2. খ) মাইটোসিস
  3. গ) মায়োসিস
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

- কোষ বিভাজন একটি মৌলিক ও অত্যাবশ্যকীয় প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে জীবের দৈহিকবৃদ্ধি ও বংশ বৃদ্ধি ঘটে ।

- অ্যামাইটোসিস হল জীবদেহের এক ধরনের কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া, যা প্রধানত নিম্ন শ্রেনির জীবে (যেমন- এক কোষী প্রাণী - ব্যাক্টেরিয়া, ইস্ট, অ্যামিবা ইত্যাদি) দেখা যায়। একে ক্যারিওস্টেনোসিস বা প্রত্যক্ষ কোষ বিভাজনও বলা হয়। একে অনেক সময় দ্বিবিভাজনও বলা হয়।

- কোষবিদ্যায় মাইটোসিস (/maɪˈtoʊsɪs/) হল কোষ চক্রের একটি ধাপ যেখানে প্রতিলিপিকৃত ক্রোমোজোম দুটি নতুন নিউক্লিয়াসে বিভক্ত হয়। মাইটোসিস দ্বারা কোষ বিভাজন জিনগতভাবে সমবৈশিষ্ট্যসম্পন্ন অভিন্ন কোষের জন্ম দেয় যেখানে ক্রোমোজোমের মোট সংখ্যা বজায় থাকে।

- মিয়োসিস বা মায়োসিস ( ইংরেজি-meiosis) এক বিশেষ ধরনের কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া যাতে মাতৃকোষের নিউক্লিয়াসটি পরপর দুবার বিভাজিত হলেও ক্রোমোজোমের বিভাজন ঘটে মাত্র একবার, ফলে অপত্য কোষের ক্রোমোজোম সংখ্যা মাতৃকোষের ক্রোমোজোম সংখ্যার অর্ধেক হয়ে যায়।

সূত্র: নবম দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

১৪.
প্রতিসাম্য এর ভিত্তিতে প্রাণী প্রধানত কত প্রকারের হয়ে থাকে?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা

কোন প্রাণী দেহকে জ্যামিতিক নকশায় কেটে সমান ও সাদৃশ্যপূর্ণ একাধিক খণ্ডে বিভক্ত করার প্রক্রিয়াকে প্রতিসাম্যতা বলে।

প্রকারভেদ:
১। দ্বিপার্শ্বিয় প্রতিসাম্য
২। অরীয় প্রতিসাম্য
৩। অপ্রতিসাম্য

সূত্র: নবম দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান পাঠ্যবই।

১৫.
Flora বলা হয় কোনটিকে?
  1. ক) উদ্ভিদকূলকে
  2. খ) প্রাণীকুলকে
  3. গ) পক্ষিকুলকে
  4. ঘ) মৎস্যকুলকে
ব্যাখ্যা

- প্রাণিকুল (ইংরেজি: fauna) বলতে একটি নির্দিষ্ট অঞ্চল বা সময়ে প্রাকৃতিকভাবে জীবিত প্রাণি এবং তাদের জীবনকে বোঝায়।
- উদ্ভিদের জন্য সংশ্লিষ্ট শব্দটি হলো উদ্ভিদকুল (flora)।
- উদ্ভিদকুল, প্রাণিকুল এবং জীবনের অন্যান্য রূপ যেমন ছত্রাককে সম্মিলিতভাবে জীবন হিসাবে উল্লেখ করা হয়।

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক জীববিজ্ঞান

১৬.
প্লেগরোগের ব্যাকটেরিয়ার নাম কি?
  1. ক) Plagie vincenna
  2. খ) Yarsenia indinna
  3. গ) Yersenia pestis
  4. ঘ) Plagia tropica
ব্যাখ্যা

- প্লেগ একটি জীবনঘাতী রোগ যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার দ্বারা সৃষ্ট।
- এই ব্যাকটেরিয়াটি ফ্রান্স-সুইস ব্যাকটেরিওলজিস্ট আলেকজেন্ডার ইরসিন কর্তৃক আবিস্কৃত।

উৎস: সপ্তম শ্রেণির বিজ্ঞান

১৭.
কচুরিপানা কেন পানিতে ভাসে?
  1. ক) কাণ্ড ফাঁপা বলে
  2. খ) শিকড় বেশি বলে
  3. গ) পাতা হালকা বলে
  4. ঘ) পানির ঘনত্ব বেশি বলে
ব্যাখ্যা

জলজ উদ্ভিদ যেমন কচুরীপানা সহজে ভাসতে পারে কারণ এরা আকারে অনেক ছোট হয়, এদের কাণ্ডে অনেক বায়ু কুঠুরী থাকে বলে কাণ্ড ফাপা থাকে, এদের পাতা অনেক কম থাকে।

উৎসঃ জীব বিজ্ঞান-নবম দশম শ্রেণী

১৮.
কোনটির মাধ্যমে ধানের ফুলে পরাগায়ন সংগঠিত হয়?
  1. ক) বাতাসের সাহায্যে
  2. খ) পতঙ্গের সাহায্যে
  3. গ) ফুলে ফুলে সংস্পর্শের মাধ্যমে
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

- যে প্রক্রিয়ায় পরাগধানী হতে পরাগরেণু কোনো মাধ্যম বা বাহক দ্বারা একই প্রজাতির অন্য একটি গাছের ফুলের গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তরিত হয় তাকে পর-পরাগায়ন বলে। আর যে মাধ্যম পরাগ বহন করে গর্ভমুন্ড পর্যন্ত নিয়ে যায় তাকে পরাগায়নের মাধ্যম বলে। উদাহরণ- বাতাস, পোকামাকড়, পাখি ইত্যাদি।
- যেসব ফুলের পরাগায়ন বায়ুর মাধ্যমে হয়ে থাকে তাদের বায়ুপরাগী ফুল বলে। যেমন- ধান, গম, ভুট্টা, ইক্ষু ইত্যাদি।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১৯.
গোদ রোগের জন্য কোন জীবাণুটি দায়ী?
  1. ক) এমিবা
  2. খ) ফাইলোরিয়া কৃমি
  3. গ) সালমোনেলা
  4. ঘ) প্লাজমোডিয়াম
ব্যাখ্যা

গোদ রোগ বা ফাইলেরিয়াসিস এক প্রকার পরজীবী ঘটিত রোগ।
এটি ক্রান্তীয় অঞ্চলের সংক্রামক রোগ যা সূতার মতো একজাতের (ফাইলেরিওয়ডিয়া Filarioidea পরিবারভুক্ত নিমাটোড) গোলকৃমি দ্বারা সংঘটিত হয়।

উৎস: নবম দশম শ্রেণির বিজ্ঞান

২০.
নিচের কোনটি মানবদেহের রাসয়নিক দূত হিসেবে কাজ করে?
  1. ক) উৎসেচক
  2. খ) হরমোন
  3. গ) স্নায়ুতন্ত্র
  4. ঘ) পেশী
ব্যাখ্যা

যে জৈব-রাসায়নিক তরল শরীরের কোনো কোষ বা গ্রন্থি থেকে শরীরের একটি নির্দিষ্ট অংশে নিঃসরিত হয়ে রক্তরস বা ব্যাপন প্রক্রিয়ায় উৎপত্তিস্থল থেকে দূরে বাহিত হয়ে দেহের বিভিন্ন বিপাকীয় ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে এবং ক্রিয়ার পর ধ্বংস প্রাপ্ত হয় তাদের হরমোন বলে।

সে হিসেবে হরমোনকে রাসায়নিক দূত বলা যায়।

উৎস: নবম দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

২১.
কোন রক্তকণিকা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে ব্লাড ক্যান্সার হয়?
  1. ক) অণুচক্রিকা
  2. খ) লোহিত কণিকা
  3. গ) শ্বেতকণিকা
  4. ঘ) লোহিত ও শ্বেতকণিকা
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন বয়সের মানব দেহে প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে লোহিত কণিকার সংখ্যা হচ্ছে:
- ভ্রূণ দেহে: ৮০-৯০ লাখ,
- শিশুর দেহে: ৬০-৭০ লাখ,
- পূর্ণ বয়স্ক পুরুষ দেহে: ৪.৫ - ৫.৫ লাখ এবং
- পূর্ণ বয়স্ক নারীর দেহে: ৪ - ৫ লাখ।

মানুষের রক্তের বিভিন্ন উপাদানের তারতম্য ঘটলে যে অবস্থার সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা বলা হয়। যেমন-
১. অ্যানিমিয়া: লোহিত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যায় অথবা হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিক অবস্থার তুলনায় কমে যায়।
২. পলিসাইথিমিয়া: লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বৃদ্ধি পায়।
৩. লিউকোসাইটোসিস: শ্বেত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিক অবস্থার মান থেকে বেড়ে যদি ১ ঘন মি.লি. রক্তে ২০,০০০- ৩০,০০০ হয়।
৪. লিউকেমিয়া: নিউমোনিয়া, প্লেগ, কলেরা, প্রভৃতি রোগে শ্বেত কণিকার সংখ্যা বেড়ে যায়। কিন্তু যদি শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যাধিক হারে বেড়ে ১ ঘন মি.লি. রক্তে ৫০,০০০ - ১,০০০,০০০ হয়, তাহলে তাকে লিউকেমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলে।

উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর জীববিজ্ঞান (প্রাণিবিজ্ঞান) দ্বিতীয় পত্র বই (উন্মুক্ত)।

২২.
উচ্চ রক্তচাপের জন্য নিচের কোনটি দায়ী?
  1. ক) অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি
  2. খ) পিটুইটারি গ্রন্থি
  3. গ) ঘর্ম গ্রন্থি
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

- অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি থেকে হরমোন তৈরি হওয়া বেড়ে গেলে হাইপার টেনশন বা উচ্চ-রক্তচাপ হয়।
- অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি হলো একটি অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি যা অ্যাড্রেনালিন, অ্যালডোস্টেরন ও কর্টিসলসহ নানাবিধ হরমোন তৈরি করে থাকে। এটি সুপ্রারিনাল গ্রন্থি (suprarenal gland) নামেও পরিচিত। এরা বৃক্কের উপরিভাগে অবস্থিত।

- পিটুইটারি গ্রন্থি মস্তিষ্কের পাদদেশে অবস্থিত মটর দানার মতো দেখতে একটি অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি । পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে গোনাডোট্রপিক, সোমাটোট্রপিক, TSH ইত্যাদি হরমোন নিঃসৃত হয় । এই গ্রন্থি অন্যান্য গ্রন্থিকে প্রভাবিত করা ছাড়াও মানবদেহের বৃদ্ধির হরমোন নির্গত করে ।
- ঘাম গ্রন্থিগুলিকে সাধারণত তথাকথিত একক্রাইন ঘাম গ্রন্থি বলা হয়। তাদের কাজটি ঘাম নিঃসরণ করা, যা তাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে ভারসাম্য আমাদের শরীরের।

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক জীববিজ্ঞান

২৩.
Biotechnology শব্দটি সর্বপ্রথম প্রবর্তন করেন কে?
  1. ক) কার্ল এরেকি
  2. খ) জেমস হুইটনার
  3. গ) জেনিস বার্গার
  4. ঘ) রবার্ট থম্পসন
ব্যাখ্যা

- জৈবপ্রযুক্তি হলো বৈজ্ঞানিক ও প্রকৌশলগত নীতি অনুসরণ ও প্রয়োগ করে জীবদের ব্যবহার করার মাধ্যমে মানুষের জন্য কল্যাণকর ও ব্যবহারযোগ্য প্রয়োজনীয় মালামাল তৈরির বিশেষ প্রযুক্তি। এটি মূলত জীববিদ্যাভিত্তিক প্রযুক্তি, বিশেষ করে যখন প্রযুক্তি কৃষি, খাদ্য বিজ্ঞান, এবং ঔষধশিল্পে ব্যবহৃত হয়।
- কার্ল এরেকি ছিলেন একজন হাঙ্গেরিয়ান কৃষি প্রকৌশলী।
- 'বায়োটেকনোলজি' শব্দটি ১৯১৯ সালে তিনি সর্বপ্রথম প্রবর্তন করেন।
- কেউ কেউ তাকে জৈবপ্রযুক্তির ''পিতা'' বলে মনে করেন।

উৎস: নবম দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

২৪.
হ্যালির ধূমকেতু আবার কত সালে দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে?
  1. ক) ২০৬০
  2. খ) ২০৬১
  3. গ) ২০৬২
  4. ঘ) ২০৬৩
ব্যাখ্যা

- ধূমকেতু হলো ধুলো, বরফ ও গ্যাসের তৈরি এক ধরনের মহাজাগতিক বস্তু। এই বস্তু মূলত সৌরজগতের একটি ছোট্ট অংশ, যেটি সূর্যকে কেন্দ্র করেই ঘোরে।
- ক্ষণস্থায়ী ধূমকেতুর প্রতি ঘূর্ণনকাল ২০০ বছরের নিচে হয়, আর দীর্ঘস্থায়ী ধূমকেতুর ক্ষেত্রে সেটা ২০০ বছরেরও অধিক।
- হ্যালির ধূমকেতু প্রতি ৭৫ বছর পর পর দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
- হ্যালির ধূমকেতু সর্বশেষ ১৯৮৬ সালে দেখা গিয়েছিল এবং ২০৬১ সালে আবার দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সূত্র: Spcae.com এবং somoynews.tv

২৫.
সৌরজগতে সূর্যকে কেন্দ্র করে আবর্তনশীল গ্রহের সংখ্যা কত?
  1. ক) ৬
  2. খ) ৭
  3. গ) ৮
  4. ঘ) ৯
ব্যাখ্যা

- সৌরজগতে সূর্যকে কেন্দ্র করে আবর্তনশীল গ্রহের সংখ্যা আটটি।
যথা: বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন।

উৎস: অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

২৬.
মহাকাশ যাত্রার প্রথম পদক্ষেপটির সূচনা হয়েছিল কত সালে?
  1. ক) ১৯৫৫
  2. খ) ১৯৫৬
  3. গ) ১৯৫৭
  4. ঘ) ১৯৫৮
ব্যাখ্যা

- মহাকাশ যাত্রার প্রথম পদক্ষেপটির সূচনা হয়েছিল ১৯৫৭ সালের ৪ঠা অক্টোবর।
- তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন এই যাত্রার সূচনা করেছিলেন স্পুটনিক-১ কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে উৎক্ষেপণ করে।
- স্পুটনিক শব্দের অর্থ হল- ভ্রমণসঙ্গী
- ১৯৫৭ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন স্পুটনিক-২ কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করেন।

উৎস: অষ্টম শ্রেণি বিজ্ঞান

২৭.
সিএফসি বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরের ক্ষতি করছে?
  1. ক) আয়নোস্ফিয়ার
  2. খ) স্ট্রাটোস্ফিয়ার
  3. গ) মেসোস্ফিয়ার
  4. ঘ) থার্মোস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা

- সিএফসি এর পুরো নাম হল ক্লোরো ফ্লোরো কার্বন। সিএফসি একটি কার্বন, হাইড্রোজেন, ক্লোরিন ও ফ্লোরিন এর সমন্বয়ে গঠিত একটি গ্যাস। সিএফসি গ্রিনহাউস গ্যাস যা ওজন স্তরের সঙ্গে বিক্রিয়ায় ওজোন স্তর ফুটো করে দেয়। বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় স্তর স্ট্রাটোমণ্ডল, এই স্তরে ওজোন গ্যাসের স্তর বেশি পরিমাণে আছে।

- মেসোস্ফিয়ার স্তরের শেষ সীমা হল মেসোপজ। আর এই মেসোপজের ওপরে প্রায় ৫০০ কিমি. উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত বায়ুমণ্ডলের স্তরকে আয়নোস্ফিয়ার বলে। এই স্তরে গ্যাসীয় কণাগুলি তড়িৎ-আধানযুক্ত বা আয়নিত অবস্থায় থাকে বলে, এই স্তরটিকে আয়নোস্ফিয়ার বলা হয়।

- ট্রপোপজের ওপরে নিরক্ষীয় অঞ্চলে ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৮০ কিমি. উচ্চতা পর্যন্ত এবং মেরু অঞ্চলে প্রায় ৫০ কিমি. উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত বায়ুস্তরকে স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার বলে। এটি বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় স্তর।

- মেসোস্ফিয়ার হল পৃথিবীর প্রতিরক্ষামূলক স্তর কারণ এটি বেশিরভাগ উল্কা এবং গ্রহাণুকে পৃথিবীর পৃষ্ঠে পৌঁছানোর আগেই ধ্বংস করে। এটি সবার বায়ুমণ্ডলের শীতলতম স্তর।

- তাপমণ্ডল (থার্মোস্ফিয়ার নামেও পরিচিত) প্রায় ৮০ কিলোমিটার (৫০ মাইল;২৬০.০০০ ফুট) উপরে অবস্থিত।

উৎস: নবম দশম শ্রেণির বিজ্ঞান

২৮.
এসিড বৃষ্টিতে কোনটির পরিমাণ বেশি থাকে?
  1. ক) সালফিউরিক এসিড
  2. খ) কার্বনিক এসিড
  3. গ) ইথানয়িক এসিড
  4. ঘ) হাইড্রোক্লোরিক এসিড
ব্যাখ্যা

- এসিড বৃষ্টি বা অম্ল বৃষ্টি হলো একধরণের বৃষ্টিপাত যেক্ষেত্রে পানি অম্লীয় প্রকৃতির হয়। এক্ষেত্রে পানির pH 7 এর চেয়ে কম হয়ে থাকে। এটি এমন এক ধরনের বৃষ্টি যাতে এসিড উপস্থিত থাকে।
- এসিড বৃষ্টিতে সালফিউরিক এসিড এবং নাইট্রিক এসিডের পরিমাণ বেশি থাকে।
- অপরদিকে, হাইড্রোক্লোরিক এসিড অল্প পরিমাণে থাকে।

উৎস: নবম দশম শ্রেণির বিজ্ঞান

২৯.
ক্রোমােজোমে অবস্থিত জিনের রাসায়নিক রূপ-
  1. ক) DNA
  2. খ) RNA
  3. গ) নিউক্লিক এসিড
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

- নিউক্লিক এসিড ২ ধরনের। যথা - DNA এবং RNA।
- ক্রোমোজোমের প্রধান উপাদান DNA।
- DNA হলো ক্রোমোজোমে অবস্থিত জিনের রাসায়নিক রূপ।
- DNA এর পূর্ণনাম- Deoxyribonucleic acid.
- ইংরেজ বিজ্ঞানী ক্রিক ১৯৫৩ সালে DNA অণুর ডাবল হেলিক্সের বর্ণনা দেন।

উৎস: নবম দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

৩০.
ডিডিটি বলতে কী বোঝায়?
  1. ক) কীটনাশক
  2. খ) সার
  3. গ) বিস্ফোরক পদার্থ
  4. ঘ) পানি বিশোধক
ব্যাখ্যা

- ডিডিটি হলো একটি কীটনাশক।
- ডিডিটি'র পূর্ণ নাম ডাইক্লোরোডাইফিনালট্রাইক্লোরোমিথেন (Dichlorodiphenyltrichloroethane – DDT)
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে ১৯৪০ সালে DDT আবিষ্কৃত হলে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয় যে কৃত্রিম রাসায়নিক পদার্থ কীটনাশক হিসেবে অজৈব ও উদ্ভিদজাত পদার্থ থেকে গুণগত মানের দিক থেকে উন্নত।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া

৩১.
IC এর পূর্ণরূপ কি?
  1. ক) Integrated Circuit
  2. খ) Integrated Circle
  3. গ) Integrated Cycle
  4. ঘ) Internal Coil
ব্যাখ্যা

- IC এর পূর্ণরূপ - Integrated Circuit
- আইসি হল একটি সংকর সমন্বিত বর্তনী যার উপরে একাধিক ভিন্ন ভিন্ন অর্ধপরিবাহী বস্তু ও নিষ্ক্রিয় (প্যাসিভ) উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত ক্ষুদ্র ইলেক্ট্রনিক বর্তনী।
- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটকে মাইক্রোইলেক্ট্রনিক সার্কিট, মাইক্রোচিপ বা চিপও বলা হয়।

উৎস: Britannica

৩২.
ইউরিয়া সারের কাঁচামাল কোনটি?
  1. ক) ক্লিংকার
  2. খ) অ্যামোনিয়া
  3. গ) অপরিশোধিত তেল
  4. ঘ) মিথেন গ্যাস
ব্যাখ্যা

ইউরিয়া একটি নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ রাসায়নিক সার, যা ব্যাপক হারে ফসলি জমিতে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
- এর প্রধান উপাদান মিথেন গ্যাস।
- ইউরিয়া সার ক্লোরোফিল উৎপাদনের মাধ্যমে কাজকে গাঢ় সবুজ রং প্রদান করে থাকে।
- কুশি বরসহ ফলের আকার বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক কৃষি শিক্ষা বোর্ড বই।

৩৩.
নিচের কোনটি একটি আদর্শ ফুল?
  1. ক) লাউ
  2. খ) কুমড়া
  3. গ) ধুতুরা
  4. ঘ) শসা
ব্যাখ্যা

একটি আদর্শ ফুলের পাঁচটি অংশ থাকে।
যথা- পুষ্পাক্ষ, বৃতি, দলমন্ডল, পুংস্তবক এবং স্ত্রীস্তবক।
যে ফুলে এই পাঁচটি স্তবকই উপস্থিত থাকে তাকে সম্পূর্ণ ফুল বলে। যেমন- জবা, ধুতুরা ইত্যাদি।

এবং এর যেকোনো একটি স্তবক না থাকলে সে ফুলকে অসম্পূর্ণ ফুল বলে। যেমন- লাউ, কুমড়া ইত্যাদি।

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩৪.
‘মহাজাগতিক মাইক্রোওয়েব বিকিরণ’ (Cosmic Microwave Background Radiation- CMB) - এর অস্তিত্ব আবিষ্কার করেন কোন বিজ্ঞানী?
  1. ক) এডউইন হাবল
  2. খ) অ্যান্থনি এডওয়ার্ড স্টার্ক
  3. গ) রবার্ট উইলসন
  4. ঘ) জর্জ গ্যামো
ব্যাখ্যা

মহাজাগতিক- মাইক্রোওয়েভ পশ্চাৎপট বিকিরণ (Cosmic Microwave Background Radiation- CMB):

যেহেতু গ্যালাক্সিগুলো পরষ্পর হতে দূরে সরে যাচ্ছে, সুতরাং অতীতে কোনো একসময় সেগুলো অবশ্যই একসাথে ছিল। প্রাথমিক অবস্থায় মহাবিশ্ব অকল্পনীয় ঘনত্বের বস্তু ও বিকিরণ দ্বারা গঠিত ছিল। মহাবিশ্বের সম্প্রসারণের ফলে, এই বস্তু ও বিকিরণ ততোই শীতল হতে থাকল। এর প্রেক্ষিতে বিকিরণের কণা বা ফোটনের তরঙ্গদৈর্ঘ্য ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেতে থাকল।
মহাবিশ্বের বিকিরিত শক্তির একটি নির্দিষ্টমাত্রা বা পরিমাণ আছে এবং সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্বে ঐ নির্দিষ্ট শক্তিও সম্প্রসারিত অংশে বিকিরিত হচ্ছে। এখনো, ঐ বিকিরিত অবশিষ্ট শক্তির অস্তিত্ব নির্ণয় করা যায়। এই বিকিরণকে মহাজাগতিক মাইক্রোওয়েভ পশ্চাৎপট বিকিরণ বলে।

ষাটের দশকের মাঝামাঝি ১৯৬৫ সালে এই জাতীয় বিকিরণের প্রথম সন্ধান পান আর্নো অ্যালান পেনজিয়াস (Arno Allan Penzians) এবং রবার্ট উইলসন (Robert Wilson) নামের দুইজন মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী।

উৎস: একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র বই (উন্মুক্ত)