পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
বিষয় - বাংলা সাহিত্য টপিক - বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের লেখকগণ [গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের জীবনী, সাহিত্য-কর্ম, অবদান, স্বীকৃতি ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত পড়তে হবে। অন্যান্য লেখকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে পড়লেই হবে।] ১. গুরুত্বপূর্ণ লেখকগণ: নীলিমা ইব্রাহিম, প্রমথ চৌধুরী, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মীর মশাররফ হোসেন, মুনীর চৌধুরী। ২. অন্যান্য লেখকগণ: বদরুদ্দীন ওমর, বন্দে আলী মিয়া, বিজন ভট্টাচার্য, বিষ্ণু দে, মনোএল দা আস্‌সুম্পসাঁউ, মামুনুর রশিদ, মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার, মোতাহের হোসেন চৌধুরী, মোহাম্মদ নজিবর রহমান, মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক। উৎস: ষষ্ঠ থেকে উচ্চ-মাধ্যমিক শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা সাহিত্যপাঠ বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], যেকোনো একজন ভালো একাডেমিক লেখকের বই; বাংলাপিডিয়া; বাজারে প্রচলিত যেকোনো ভালো গাইড বই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
'ইব্রাহিম কার্দি' - চরিত্রটি কোন নাটকের? 
  1. কবর
  2. রক্তাক্ত প্রান্তর 
  3. রক্তকরবী
  4. নীলদর্পণ 
ব্যাখ্যা
‘রক্তাক্ত প্রান্তর’: 
- এটি মুনীর চৌধুরীর প্রথম পূর্ণাঙ্গ মৌলিক নাটক।
- পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের (১৭৬১) ঘটনা অবলম্বনে তিন অঙ্ক বিশিষ্ট নাটকটি রচিত।
- 'রক্তাক্ত প্রান্তর' ঐতিহাসিক নাটক নয়, এটি ইতিহাস-আশ্রিত নাটক।
- নাটকের একটি জনপ্রিয় উক্তি: ‘মানুষ মরে গেলে পচে যায়। বেঁচে থাকলে বদলায়।'
- এই নাটকের চরিত্র: ইব্রাহিম কার্দি, জোহরা, হিরণবালা ইত্যাদি।

মুনীর চৌধুরী:

- তিনি একজন শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সাহিত্যসমালোচক ছিলেন।
- ১৯২৫ সালের ২৭ নভেম্বর মানিকগঞ্জ শহরে তাঁর জন্ম।

- তাঁর সাহিত্যকর্ম:
অনুবাদ নাটক:
- কেউ কিছু বলতে পারে না,
- রূপার কৌটা ও
- মুখরা রমণী বশীকরণ।

মৌলিক নাটক:
- রক্তাক্ত প্রান্তর,
- চিঠি,
- কবর,
- দন্ডকারণ্য।

প্রবন্ধগ্রন্থ:
- মীর মানস,
- তুলনামূলক সমালোচনা ও
- বাংলা গদ্যরীতি।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।
.
‘আনোয়ারা’ - চরিত্রটি কোন লেখকের সৃষ্টি?
  1. নীলিমা ইব্রাহিম
  2. মোজাম্মেল হক
  3. বেগম রোকেয়া
  4. মোহাম্মদ নজিবর রহমান
ব্যাখ্যা
'আনোয়ারা':
- মোহাম্মদ নজিবর রহমান রচিত একটি কালজয়ী সামাজিক উপন্যাস।
- এটি ১৯১৪ সালে প্রকাশিত হয়য়।
- এটি তার রচিত প্রথম ও সর্বাধিক সার্থক উপন্যাস।
- এ উপন্যাসের প্রতিপাদ্য ধর্ম ও সত্যের জয়, অধর্মের পরাজয় ও আনোয়ারার স্বামীনিষ্ঠা। 
- উপন্যাসের চরিত্র: আনোয়ারা, নুরুল এসলাম, খাদেম, আজিমুল্লাহ, গোলাপজান ইত্যাদি। 

মোহাম্মদ নজিবর রহমান:
- তিনি সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের চরবেলতৈল এ জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত ছিলেন ঔপন্যাসিক।

লেখকের অন্যান্য রচনা: 
- চাঁদতারা বা হাসান গঙ্গা বাহমনি,
- পরিণাম,
- গরীবের মেয়ে,
- দুনিয়া আর চাই না ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।
.
'বাংলার কবি মধুসূদন' রচনা করেন-
  1. দক্ষিণারঞ্জন মিত্র
  2. নীলিমা ইব্রাহিম
  3. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
  4. হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
নীলিমা ইব্রাহিম:
- নীলিমা ইব্রাহিম ১৯২১ সালে খুলনায় জন্মগ্রহণ করেন। 
- তিনি একজন শিক্ষাবিদ ছিলেন।

- তাঁর সাহিত্যকর্ম:
প্রবন্ধ-গবেষণা: 
- শরৎ প্রতিভা,
- বাংলার কবি মধুসূদন,
- বাঙালী মানস ও বাংলা সাহিত্য,
- অগ্নিস্নাত বঙ্গবন্ধুর ভস্মাচ্ছাদিত কন্যা আমি,
- আমি বীরাঙ্গনা বলছি ইত্যাদি।

উপন্যাস:
- বিশ শতকের মেয়ে,
- এক পথ দুই বাঁক,
- কেয়া বন সঞ্চারিণী,
- বহ্নিবলয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'উর্বশী ও আর্টেমিস' কাব্যগ্রন্থ কতসালে প্রকাশিত হয়?
  1. ১৯৪১
  2. ১৯৩৮
  3. ১৯৩২
  4. ১৯৩৫
ব্যাখ্যা
উর্বশী ও আর্টেমিস:
- বিষ্ণু দে রচিত এই কাব্যগ্রন্থে দেশি ও বিদেশি মিথের প্রয়োগ আছে।
- সনাতন রোমান্টিকতার বিরোধী বিষ্ণু দে-র প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'উর্বশী ও আর্টেমিস' প্রকাশিত হয় ১৯৩২ সালে।
- তিনি ঐতিহ্য সচেতন ব্যক্তি ছিলেন বলে আর্টেমিসের চিত্রকল্পের সঙ্গে উর্বশীর চিত্রকল্পের পাশাপাশি স্থান দিয়েছেন।
- গ্রন্থটির কয়েকটি উল্লেখযোগ্য কবিতা হলো: উর্বশী, উর্বশী ও আর্টেমিস, প্রেম, ছেদ, পলায়ন, রাত্রিশেষ ইত্যাদি।

বিষ্ণু দে: 
- তিনি ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক, চিত্রসমালোচক ও শিল্পানুরাগী।
- ১৯০৯ সালের ১৮ জুলাই  কলকাতার পটলডাঙ্গায় জন্মগ্রহণ করেন।  
- কল্লোল সাহিত্যগোষ্ঠীর লেখক।
- 'পরিচয়' পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর একজন ছিলেন।

- তাঁর সাহিত্যকর্ম:
কাব্যগ্রন্থ:
- উর্বশী ও আর্টেমিস,
- চোরাবালি,
- সাত ভাই চম্প,
- স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যত ইত্যাদি।

অনুবাদ সাহিত্য:
- এলিয়টের কবিতা।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।
.
‘অশনি সংকেত’ - উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক
  2. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
  3. বদরুদ্দীন ওমর
  4. সত্যজিৎ রায়
ব্যাখ্যা
‘অশনি সংকেত’: 
- উপন্যাসের রচয়িতা বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
- এর পটভূমি দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের বিষম ফল ১৩৫০ বঙ্গাব্দের দুর্ভিক্ষ।
- আর এই দুর্ভিক্ষের করাল গ্রাস গ্রাম বাংলায় কীভাবে বিস্তার লাভ করেছে তার নিখুঁত বর্ণনা দিয়ে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচনা করেন এই উপন্যাসটি।
- এটা প্রথম প্রকাশ হয় ১৯৫৯ সালে।
- তবে পুস্তকাকারে প্রকাশের ১৯৪৪-৪৬ সাল পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে মাসিক মাতৃভূমি পত্রিকায় প্রকাশিত।

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়: 
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১৮৯৪ খ্রিস্টাব্দের ১২ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁচরাপাড়ার নিকটবর্তী ঘোষপাড়া-মুরারিপুর গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম।
- ১৩২৮ বঙ্গাব্দের (১৯২১) মাঘ প্রবাসীতে প্রথম গল্প ‘উপেক্ষিতা’ প্রকাশের মধ্য দিয়ে বিভূতিভূষণের সাহিত্যিক জীবন শুরু হয়। 
- বাংলা কথাসাহিত্যে শরৎচন্দ্রের পরে বিভূতিভূষণই সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় সাহিত্যিকের মর্যাদা পেয়েছেন।
- হেমন্তকুমার গুপ্তের সঙ্গে যৌথভাবে তিনি দীপক (১৯৩২) পত্রিকা সম্পাদনা করেন।

- তাঁর সাহিত্যকর্ম: 
উপন্যাস:
- পথের পাঁচালী,
- অপরাজিত, 
- অশনি সংকেত,
- আরণ্যক,
- আদর্শ হিন্দু হোটেল,
- দেবযান,
- ইছামতী,
- দৃষ্টি প্রদীপ ইত্যাদি।

ছোটগল্প:
- মেঘমল্লার, 
- মৌরীফুল, 
- যাত্রাবদল, 
- কিন্নরদল ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।
.
বিজন ভট্টাচার্য রচিত ‘নবান্ন’ নাটকটির প্রেক্ষাপট হচ্ছে -
  1. মুক্তিযুদ্ধ
  2. পঞ্চাশের মন্বন্তর
  3. ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন
  4. ভাষা আন্দোলন
ব্যাখ্যা
'নবান্ন' নাটক:
- নবান্ন হল বিজন ভট্টাচার্যের লেখা একটি বাংলা নাটক
- নাটকটির বিষয় পঞ্চাশের মন্বন্তর। 
- বন্যা, দুর্ভিক্ষ ও মহামারীর পটভূমিকায় রচিত এই নাটকে দুঃস্থ-নিপীড়িত কৃষকজীবন প্রতিফলিত হয়েছে।

বিজন ভট্টাচার্য:
- তিনি নবনাট্য আন্দোলনের প্রধান পুরোহিত ছিলেন।
- তাঁর জন্ম ১৯০৬ সালে, ফরিদপুর জেলার খানখানাপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

বিজন ভট্টাচার্য রচিত অপরাপর নাটকগুলো হলো:
- জনপদ,
- কলঙ্ক,
- মরাচাঁদ,
- অবরোধ,
- গোত্রান্তর।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
বিষ্ণু দে কোন পত্রিকা প্রকাশের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন?
  1. প্রগতি
  2. কালিকলম
  3. পরিচয়
  4. সাহিত্যপত্র
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[পরিচয় ও সাহিত্যপত্র দুটিই সঠিক উত্তর। অপশনে একাধিক সঠিক উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।]

-----------------
বিষ্ণু দে: 

- কবি, প্রাবন্ধিক, চিত্রসমালোচক ও শিল্পানুরাগী বিষ্ণু দের জন্ম ১৯০৯ সালের ১৮ জুলাই কলকাতার পটলডাঙ্গায় ।
- ১৯২৩ সালে কল্লোল পত্রিকা প্রকাশের ফলে যে নতুন সাহিত্য উদ্যম ও ব্যতিক্রমী শিল্প চেতনার সৃষ্টি হয়, বিষ্ণু দে ছিলেন তার অন্যতম উদ্যোক্তা।
- ১৯৪৮ সালে তিনি চঞ্চলকুমার চট্টোপাধ্যায়ের সহযোগিতায় সাহিত্যপত্র প্রকাশ করেন।

- তাঁর সাহিত্যকর্ম:
কাব্যগ্রন্থ:
- সাত ভাই চম্পা,
- উর্বশী ও আর্টেমিস,
- চোরাবালি,
- তুমি শুধু পঁচিশে বৈশাখ,
- স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যৎ,
- সেই অন্ধকার চাই ইত্যাদি। 

অন্যদিকে: 
- বুদ্ধদেব বসুর সম্পাদিত পত্রিকার নাম 'প্রগতি'।
- সুধীন্দ্রনাথ দত্তের সম্পাদিত পত্রিকার নাম 'পরিচয়'।
- প্রেমেন্দ্র মিত্র সম্পাদিত পত্রিকার নাম 'কালিকলম'।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।