১.
'ইব্রাহিম কার্দি' - চরিত্রটি কোন নাটকের?
ব্যাখ্যা
‘রক্তাক্ত প্রান্তর’:
- এটি মুনীর চৌধুরীর প্রথম পূর্ণাঙ্গ মৌলিক নাটক।
- পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের (১৭৬১) ঘটনা অবলম্বনে তিন অঙ্ক বিশিষ্ট নাটকটি রচিত।
- 'রক্তাক্ত প্রান্তর' ঐতিহাসিক নাটক নয়, এটি ইতিহাস-আশ্রিত নাটক।
- নাটকের একটি জনপ্রিয় উক্তি: ‘মানুষ মরে গেলে পচে যায়। বেঁচে থাকলে বদলায়।'
- এই নাটকের চরিত্র: ইব্রাহিম কার্দি, জোহরা, হিরণবালা ইত্যাদি।
মুনীর চৌধুরী:
- তিনি একজন শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সাহিত্যসমালোচক ছিলেন।
- ১৯২৫ সালের ২৭ নভেম্বর মানিকগঞ্জ শহরে তাঁর জন্ম।
- তাঁর সাহিত্যকর্ম:
অনুবাদ নাটক:
- কেউ কিছু বলতে পারে না,
- রূপার কৌটা ও
- মুখরা রমণী বশীকরণ।
মৌলিক নাটক:
- রক্তাক্ত প্রান্তর,
- চিঠি,
- কবর,
- দন্ডকারণ্য।
প্রবন্ধগ্রন্থ:
- মীর মানস,
- তুলনামূলক সমালোচনা ও
- বাংলা গদ্যরীতি।
উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।
- এটি মুনীর চৌধুরীর প্রথম পূর্ণাঙ্গ মৌলিক নাটক।
- পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের (১৭৬১) ঘটনা অবলম্বনে তিন অঙ্ক বিশিষ্ট নাটকটি রচিত।
- 'রক্তাক্ত প্রান্তর' ঐতিহাসিক নাটক নয়, এটি ইতিহাস-আশ্রিত নাটক।
- নাটকের একটি জনপ্রিয় উক্তি: ‘মানুষ মরে গেলে পচে যায়। বেঁচে থাকলে বদলায়।'
- এই নাটকের চরিত্র: ইব্রাহিম কার্দি, জোহরা, হিরণবালা ইত্যাদি।
মুনীর চৌধুরী:
- তিনি একজন শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সাহিত্যসমালোচক ছিলেন।
- ১৯২৫ সালের ২৭ নভেম্বর মানিকগঞ্জ শহরে তাঁর জন্ম।
- তাঁর সাহিত্যকর্ম:
অনুবাদ নাটক:
- কেউ কিছু বলতে পারে না,
- রূপার কৌটা ও
- মুখরা রমণী বশীকরণ।
মৌলিক নাটক:
- রক্তাক্ত প্রান্তর,
- চিঠি,
- কবর,
- দন্ডকারণ্য।
প্রবন্ধগ্রন্থ:
- মীর মানস,
- তুলনামূলক সমালোচনা ও
- বাংলা গদ্যরীতি।
উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।