পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১২
সিলেবাস
বাংলা সাহিত্য: টপিকসমূহ: বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের লেখকগণ: [গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের জীবনী, সাহিত্য-কর্ম, অবদান, স্বীকৃতি ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত পড়তে হবে। অন্যান্য লেখকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে পড়লেই হবে।] ১. গুরুত্বপূর্ণ লেখকগণ: নীলিমা ইব্রাহিম, প্রমথ চৌধুরী, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মীর মশাররফ হোসেন, মুনীর চৌধুরী। ২. অন্যান্য লেখকগণ: বদরুদ্দীন ওমর, বন্দে আলী মিয়া, বিজন ভট্টাচার্য, বিষ্ণু দে, মনোএল দা আস্‌সুম্পসাঁউ, মামুনুর রশিদ, মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার, মোতাহের হোসেন চৌধুরী, মোহাম্মদ নজিবর রহমান, মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক। উৎস: ষষ্ঠ থেকে উচ্চ-মাধ্যমিক শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা সাহিত্যপাঠ বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], যেকোনো একজন ভালো একাডেমিক লেখকের বই; বাংলাপিডিয়া; বাজারে প্রচলিত যেকোনো ভালো গাইড বই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন

.
নিচের কোন পত্রিকাটি প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত নয়?
  1. ক) বিশ্বভারতী
  2. খ) ভারতী
  3. গ) রূপ ও রীতি
  4. ঘ) অলকা
ব্যাখ্যা
ভারতী পত্রিকাটি প্রকাশিত হয় ১৮৭৭ খ্রিষ্টাব্দে, রবীন্দ্র-ভ্রাতা দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুরের সম্পাদনায়।

- ‘সবুজপত্র’ ১৯১৪ সালে প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত বিশিষ্ট সাহিত্য পত্রিকা।
- বৈশাখ ১৩২১ বঙ্গাব্দে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং তের বছর চলে।
- তাঁর ‘বীরবল’ ছদ্মনাম থেকে তখন বাংলা সাহিত্যে বীরবলী ধারা প্রবর্তিত হয়।

তাঁর সম্পাদিত অন্যান্য পত্রিকা হলো : 
- বিশ্বভারতী
- রূপ ও রীতি এবং 
- অলকা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
প্রমথ চৌধুরী রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ কোনটি?
  1. ক) সভ্যতা
  2. খ) সংস্কৃতি কথা
  3. গ) নানাচর্চা 
  4. ঘ) পদচারণ
ব্যাখ্যা
‘পদচারণ’ প্রমথ চৌধুরী রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ নয় এটি প্রমথ চৌধুরী রচিত কাব্যগ্রন্থ।
অন্যদিকে’ সংস্কৃতি কথা ও সভ্যতা মোতাহের হোসেন চৌধুরী রচিত প্রবন্ধ।

প্রমথ চৌধুরী :
- তিনি সাহিত্যিক, বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক। ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে তাঁর জন্ম।
- ১৯১৪ সালে মাসিক  সবুজপত্র প্রকাশনা এবং তার মাধ্যমে বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তন তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ কীর্তি।
- প্রমথ চৌধুরী ‘বীরবল’ ছদ্মনামে এ পত্রিকায় ব্যঙ্গরসাত্মক প্রবন্ধ ও নানা গল্প প্রকাশ করেন। তাঁর এ ছদ্মনাম থেকে তখন বাংলা সাহিত্যে বীরবলী ধারা প্রবর্তিত হয়।

প্রমথ চৌধুরী রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ : 
- প্রবন্ধ সংগ্রহ,
- নানাকথা,
- নানাচর্চা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- বীরবলের হালখাতা,
- তেল-নুন-লকড়ি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
নিচের কোনটি ‘পথের পাঁচালি’ উপন্যাসের চরিত্র নয়?
  1. ক) সর্বজয়া
  2. খ) হরিহর
  3. গ) দুর্গা
  4. ঘ) ভানুমতী
ব্যাখ্যা
ভানুমতী চরিত্রটি ‘পথের পাঁচালি’ উপন্যাসের চরিত্র নয় এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত ‘আরণ্যক’ উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র।

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় : 
- তিনি একজন কথাসাহিত্যিক।
- ১৮৯৪ খ্রিস্টাব্দের ১২ সেপ্টম্বর পশ্চিমবঙ্গের চবিবশ পরগনা জেলার কাঁচরাপাড়ার নিকটবর্তী ঘোষপাড়া-মুরারিপুর গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- পিতা মহানন্দ বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন সংস্কৃত পন্ডিত, পণ্ডিত ও কথকতার জন্য তিনি ‘শাস্ত্রী’ উপাধিতে ভূষিত হন।
- ‘পথের পাঁচালি’ উপন্যাসটি ১৯২৯ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।

‘পথের পাঁচালি’ উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলো হলো :
- সর্বজয়া,
- ঠাকরুন,
- দুর্গা,
- ইন্দির ঠাকরুন এবং
- অপু।

উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায় কোন উপন্যাসের জন্য মরণোত্তর ‘রবীন্দ্র-পুরস্কার’ লাভ করেন?
  1. ক) দেবযান
  2. খ) ইছামতী
  3. গ) পথের পাঁচালি
  4. ঘ) অপরাজিত
ব্যাখ্যা
ইছামতী উপন্যাসের জন্য বিভূতিভূষণ মরণোত্তর ‘রবীন্দ্র-পুরস্কার’ লাভ করেন।

- বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায় রচিত ‘ইছামতী’ উপন্যাসটি ১৯৫০ সালে প্রকাশিত হয়। নীলকরদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আছে এ উপন্যাসে।

তাঁর রচিত উপন্যাসগুলো হলো :
- দৃষ্টি প্রদীপ,
- দেবযান,
- ইছামতী,
- পথের পাঁচালি,
- অপরাজিত,
- আরণ্যক,
- অশনি সংকেত ইত্যাদি।

উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
মীর মশাররফ হোসেন কোন প্রবন্ধ লিখে স্ব-সমাজ কর্তৃক নিগৃহীত হন?
  1. ক) গো-জীবন
  2. খ) গোকুল নির্মূল আশঙ্কা
  3. গ) বিষাদ-সিন্ধু
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• মীর মশাররফ হোসেন সাম্প্রদায়িক মনোভাব থেকে মুক্ত ছিলেন।
- উদার দৃষ্টিকোণ থেকে ‘গোকুল নির্মূল আশঙ্কা’ প্রবন্ধ লিখে তিনি স্ব-সমাজ কর্তৃক নিগৃহীত হন।

- মীর মশাররফ হোসেন  ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়ায় তাঁর জন্ম গ্রহণ করেন।
- তিনি গাজী মিয়াঁ ছদ্মনাম নিয়ে বিভিন্ন লিখা প্রকাশ করতেন।

তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য রচনা হলো : 
- গোরাই-ব্রিজ অথবা গৌরী-সেতু , 
- বসন্তকুমারী নাটক, 
- জমিদার দর্পণ, 
- এর উপায় কি, 
- বিষাদ-সিন্ধু, 
- সঙ্গীত লহরী, 
- গো-জীবন, 
- বেহুলা গীতাভিনয়, 
- উদাসীন পথিকের মনের কথা,
- তহমিনা, 
- টালা অভিনয়, 
- নিয়তি কি অবনতি , 
- গাজী মিয়াঁর বস্তানী ইত্যাদি।

• বিষাদ-সিন্ধু গ্রন্থটির জন্য মূলত মীর মশাররফ হোসেন খ্যাতি লাভ করেন। বিষাদ-সিন্ধু একটি ইতিহাস আশ্রিত উপন্যাস।
- বিষাদ-সিন্ধু উপন্যাসটি তিনটি পর্বে সম্পর্ণ হয়।
- মহরম পর্ব্ব
- উদ্ধার পর্ব্ব
- এজিদ-বধ পর্ব্ব।

 • গো-জীবন মীর মশাররফ হোসেন রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ। এটি রচনার দায়ে তাঁকে মামলায় জড়িয়ে পড়তে হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
‘যত বড় ক্ষতি ততো বড় লাভ
এই তো জগতের নিয়ম’ - এ উক্তিটি কার ?
  1. ক) সুজাউদ্দৌলা
  2. খ) নজীবদ্দৌলা
  3. গ) জোহরা বেগম
  4. ঘ) ইব্রাহিম কার্দি
ব্যাখ্যা
‘যত বড় ক্ষতি ততো বড় লাভ এই তো জগতের নিয়ম’ উক্তিটি রক্তাক্ত প্রান্তর নাটকের চরিত্র নজীবদ্দৌলার।

- রক্তাক্ত প্রান্তর (১৯৫৯) সালে পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের পটভূমিকায় লেখা মুনীর চৌধুরীর মৌলিক নাটক।
- পানি পথের তৃতীয় যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৭৬১ সালে।
- এর মূল চেতনায় আছে যুদ্ধবিরোধী এবং সাম্প্রদায়িক ভেদাভেদের উর্ধ্বে নরনারীর প্রেম।
- রক্তাক্ত প্রান্তরের কাহিনি কায়কোবাদের ‘মহাশ্মশান’ গ্রন্থ থেকে ১৯০৫ সালে নেওয়া হয়।
রক্তাক্ত প্রান্তর নাটকের চরিত্র সমূহ : 
- ইব্রাহিম কার্দি
- জোহরা বেগম
- নজীবদ্দৌলা
- আহমদ শাহ আব্দালি।
- মুনীর চৌধুরী রক্তাক্ত প্রান্তর নাটকের জন্য বাংলা একাডেমী পুরস্কার (১৯৬২) লাভ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
‘যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশ’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. ক) বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়
  2. খ) বদরুদ্দীন উমর
  3. গ) বন্দে আলী মিয়া
  4. ঘ) বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
‘যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশ’ গ্রন্থটির রচয়িতা বদরুদ্দীন উমর।

• বদরুদ্দীন উমর ১৯৩১ সালের ২০শে ডিসেম্বর পশ্চিম বঙ্গের বর্ধমানে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি মূলত অধ্যাপক এবং রাজনীতিক।
- তিনি ‘সংস্কৃতি’ সাময়িকী সম্পাদনা করেন।

তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থগুলো হলো : 
- সাম্প্রদায়িকতা।
- সংস্কৃতির সাম্প্রদায়িকতা।
- পূর্ব বাংলার ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ও উনিশ শতকের বাঙালী সমাজ।
- যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশ।
- যুদ্ধপূর্ব বাংলাদেশ।
- ভাষা আন্দোলন ও অন্যান্য প্রসঙ্গ।
- বঙ্গভঙ্গ ও সাম্প্রদায়িক রাজনীতি।
- বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত ও সাংস্কৃতিক পরিস্থিতি ইত্যাদি।

উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
নিচের কোনটি বন্দে আলী মিয়া রচিত কাব্যগ্রন্থ?
  1. ক) কুচঁবরণ কন্যা
  2. খ) অনুরাগ
  3. গ) জ্ঞানের আলো
  4. ঘ) রূপকথা
ব্যাখ্যা
‘অনুরাগ’ হলো বন্দে আলী মিয়া রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ।

তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম :
- ময়নামতির চর,
- অনুরাগ।

- জ্ঞানের আলো বন্দে আলী মিয়া রচিত একটি পত্রিকা।
তাঁর সম্পাদিত পত্রিকাগুলোর নাম :
- কিশোর পরাগ,
- জ্ঞানের আলো,
- শিশুবার্ষিকী।

- কুচঁবরণ কন্যা ও রূপকথা বন্দে আলী মিয়া রচিত শিশুতোষ গ্রন্থ।
- তাঁর রচিত শিশুতোষ গ্রন্থগুলোর নাম :
- চোর জামাই, 
- মৃগপরী, 
- ডাইনী বউ,
- রুপকথা।

 শিশুসাহিত্যে অবদানের জন্য যে সকল পুরস্কার লাভ করেন : 
- বাংলা একাডেমী পুরস্কার (১৯৬২),
- প্রেসিডেন্ট পুরস্কার (১৯৬৫) এবং 
- উত্তরা সাহিত্য মজলিস পদক (১৯৭৭) লাভ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
নিচের কোন লেখক কল্লোল গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত ছিলেন?
  1. ক) বিষ্ণু দে
  2. খ) প্রমথ চৌধুরী
  3. গ) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
  4. ঘ) বিহারীলাল চক্রবর্তী 
ব্যাখ্যা
• বিষ্ণু দে কল্লোল সাহিত্য গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
- বিষ্ণু দে ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত কবি, প্রাবন্ধিক ও চিত্র সমালোচক।

• কল্লোল যুগের একটি প্রধান বৈশিষ্ট ছিল রবীন্দ্র বিরোধিতা।
- যে সময়ে কল্লোলের আবির্ভাব, তখন বাংলা সাহিত্যের সর্বকোণ কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রভাবে প্রোজ্জ্বল।
- কল্লোল যুগের লেখকদের মূল লক্ষ্য ছিল রবীন্দ্র বৃত্তের বাইরে এসে সাহিত্যর একটি মৃত্তিকাসংলগ্ন জগৎ সৃষ্টি করা।
- মূলত বাংলা কবিতায় গদ্যধারার প্রবর্তন শুরু হয় কল্লোল যুগেই।

কবিতার ক্ষেত্রে যাদের নাম কল্লোল যুগের শ্রেষ্ঠ নায়ক বিবেচনায় প্রচারিত তাঁরা হলেন :
- কবি জীবনানন্দ দাশ।
- বুদ্ধদেব বসু।
- বিষ্ণু দে ।
- কাজী নজরুল ইসলাম।
- অমিয় চক্রবর্তী।
- অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত।
- সুধীন্দ্রনাথ দত্ত। 
- প্রেমেন্দ্র মিত্র।
- সঙ্গয় ভট্টাচার্য সহ অনেকের ভুমিকা উল্লেখযোগ্য। 

উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং কবিতার ব্লগ।
১০.
‘ইবলিশ’ নাটকটির রচয়িতা-
  1. ক) মামুনুর রশিদ
  2. খ) মাহমুদুল হক
  3. গ) মীর মশাররফ হোসেন
  4. ঘ) মমতাদি
ব্যাখ্যা
• ‘ইবলিশ’ নাটকটির রচয়িতা মামুনুর রশিদ।

- মামুনুর রশিদ ১৯৪৮ সালের ১৯শে ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে জন্ম গ্রহণ করেন।
- মামুনুর রশিদ মূলত একজন নাট্যকার হিসেবে পরিচিত।

তাঁর প্রকাশিত নাটকগুলো হলো : 
- ওরা কদম আলী
- ওরা আছে বলেই
- মে দিবস
- ইবলিশ
- এখানে নোঙর
- গিনিপিগ
- সমতট
- পাথর
- লেবেদেফ ইত্যাদি।

- ১৯৭৮ সালে ‘ওরা কদম আলী’ প্রকাশের মধ্য দিয়ে মামুনুর রশিদের আবির্ভাব ঘটে নাট্যকার হিসেবে।
- তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৮২) এবং আলাওল সাহিত্য পুরস্কার (১৯৯০)।

উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১১.
‘রাজাবলী’ গ্রন্থের রচিয়তা কে?
  1. ক) মোতাহের হোসেন চৌধুরী
  2. খ) মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
  3. গ) মোজাম্মেল হক
  4. ঘ) প্যারীচাঁদ মিত্র
ব্যাখ্যা
‘রাজাবলী’ গ্রন্থের রচিয়তা মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার।

• মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার সংস্কৃত পন্ডিত, ভাষাবিদ, লেখক। তৎকালীন ওড়িষা প্রদেশের মেদিনীপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।

- ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে থাকার সময়ে তিনি যেসব গ্রন্থ রচনা করেন সেগুলো হলো:
• বত্রিশ সিংহাসন
• হিতোপদেশ
• রাজাবলী
• প্রবোধচন্দ্রিকা 
• বেদান্তচন্দ্রিকা। 

তিনি সংস্কৃত পন্ডিত ছিলেন বলে অনেকেই তাঁকে সামাজিক বিষয়ে রক্ষণশীল বলে বিবেচনা করতেন। বাংলা গদ্যের সূচনা পর্বে তিনি অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রেখেছেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১২.
নিচের কোনটি মোহাম্মদ মোজাম্মেল হকের কাব্যগ্রন্থ নয়?
  1. ক) হযরত মুহাম্মদ
  2. খ) জাতীয় ফোয়ারা
  3. গ) অপূর্ব দর্শন
  4. ঘ) জোহরা
ব্যাখ্যা
মোহাম্মদ মোজাম্মেল হকের জোহরা কাব্যগ্রন্থ নয় এটি উপন্যাস।

মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক : 
- তিনি কবি, সাংবাদিক। পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার শান্তিপুরের বাউইগাছি গ্রামে তাঁর জন্ম।
- তিনি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ কর্তৃক ‘কাব্যকণ্ঠ’ উপাধি লাভ করেন।
- তিনি মোজাম্মেল হক লহরী (১৮৯৯), মোসলেম ভারত (১৯২০) ও শান্তিপুর মাসিক সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক ছিলেন।

তাঁর প্রকাশিত কাব্য গ্রন্থগুলোর নাম : 
- কুসুমাঞ্জলি,
- অপূর্বদর্শন , 
- হযরত মুহাম্মদ,
- জাতীয় ফোয়ারা।

তাঁর রচিত উপন্যাসগুলো নাম : 
- জোহরা
- দরাফ খান গাজী।

তাঁর রচিত গ্রন্থগুলোর নাম : 
- ফেরদৌসী-চরিত
- মহর্ষি-মনসুর।

উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।