পরীক্ষা আর্কাইভ

Science Expert

পরীক্ষাScience Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১০
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৪ অধাতু ও অধাতুর বৈশিষ্ট্য, জৈব রসায়ন [ক্লাস ৬]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

Science Expert

Science Expert · তারিখ অনির্ধারিত · ১০ প্রশ্ন

.
আর্গনের ইলেকট্রন আসক্তির মান কত?
  1. ক) ০
  2. খ) ১
  3. গ) - ১
  4. ঘ) ৮
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রন আসক্তি :
He ব্যতীত নিষ্ক্রিয় প্রতিটি মৌলের যোজ্যতা স্তরে অষ্টক পূর্ণতা থাকায় এদের ইলেকট্রন আসক্তির মান শূন্য । ফলে, আর্গনের ইলেকট্রন আসক্তির মান শূন্য। 
- He এর যোজ্যতা স্তর ১ম শক্তিস্তরে s অরবিটাল ভিন্ন অন্যকোনো অরবিটাল না থাকায় এটিও ইলেকট্রন দ্বারা পূর্ণ। এ কারণে He- এর ক্ষেত্রে ইলেকট্রন গ্রহণ করার প্রবণতা দেখা যায় না।
- He এর ইলেকট্রন আসক্তির মান 48 kJ. /mol' অর্থাৎ খুবই কম।

উৎস: রসায়ন, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
নিচের কোনটি বারুদ ও দেয়াশলাই তৈরিতে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) কপার
  2. খ) জিঙ্ক
  3. গ) কার্বন
  4. ঘ) সালফার
ব্যাখ্যা
সালফার: প্রকৃতিতে সালফার মুক্ত অবস্থায় পাওয়া যায় 
- একে খনি থেকে উত্তোলন করে প্রক্রিয়াজাত না করেই ব্যবহার করা যায়।
- সাধারণত মাটির গভীরে সালফারের খনি অবস্থান করে। 

সালফারের ব্যবহার
-সালফারের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার রয়েছে।
-রসায়ন শিল্পের অন্যতম প্রধান উপাদান সালফিউরিক এসিড উৎপাদনের কাঁচামাল হিসেবে সালফার ব্যবহার করা হয়।
-তাছাড়া বারুদ, দেয়াশলাই, রাবার ভলকানাইজিং, সালফাড্রাগসহ বিভিন্ন রাসায়নিক যৌগ উৎপাদনে সালফার ব্যবহার করা হয়।


উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান , নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
.
নিচের কোনটি অধাতু?
  1. ক) দস্তা
  2. খ) তামা
  3. গ) আয়োডিন
  4. ঘ) ম্যাগনেসিয়াম
ব্যাখ্যা
- সোডিয়াম, পটাশিয়াম, কপার/তামা, রূপা, সোনা, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, লৌহ, দস্তা, টিন, সীসা, অ্যালুমিনিয়াম ইত্যাদি হলো ধাতু।
- হাইড্রোজেন, ফ্লোরিন, ক্লোরিন, ব্রোমিন, আয়োডিন, অক্সিজেন, সালফার, কার্বন, নাইট্রোজেন, ফসফরাস ইত্যাদি হলো অধাতু।
- অ্যামোনিয়াম, হাইড্রোক্সিল, নাইট্রাইট, নাইট্রেট, কার্বনেট, সালফেট, ফসফেট ইত্যাদি হলো যৌগমূলক।

সূত্র: বিজ্ঞান বোর্ড বই, অষ্টম শ্রেণি।
.
নিচের কোনটি হাইড্রোকার্বন?
  1. ক) C2H4
  2. খ) C6H6
  3. গ) C4H6
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
হাইড্রোকার্বন হলো শুধু কার্বন ও হাইড্রোজেন এর সমন্বয়ে গঠিত যৌগ। যেমন: মিথেন (CH4), ইথিন (C2H4), সাইক্লোহেক্সেন (C6H12), বেনজিন (CH) ইত্যাদি৷  যৌগগুলোতে কার্বন আর হাইড্রোজেন ছাড়া আর কোনো মৌল নেই।
হাইড্রোকার্বন মূলত দুই প্রকার:
(i) অ্যালিফেটিক হাইড্রোকার্বন ও
(ii) অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বন।

উৎস: রসায়ন, নবম - দশম শ্রেণি। 
.
সালফারের যোজনী কত?
  1. ক) ২
  2. খ) ৪
  3. গ) ৬
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন মৌলের পরমাণুসমূহ একে অপরের সাথে সর্বশেষ কক্ষপথের ইলেকট্রন বর্জন, গ্রহণ অথবা ভাগাভাগির মাধ্যমে অণু গঠন করে। অণু গঠনকালে কোনো মৌলের একটি পরমাণুর সাথে অপর একটি মৌলের পরমাণু যুক্ত হওয়ার ক্ষমতাকে যোজনী বা যোজ্যতা বলা হয়।

সাধারণত সব সময় হাইড্রোজেনের যোজনী এক (1) ধরা হয়। কোনো মৌলের একটি পরমাণু যতগুলো ঐ পরমাণু বা H পরমাণু বা Cl পরমাণুর সাথে যুক্ত হতে পারে সেই সংখ্যাই হলো ঐ মৌলের যোজনী বা যোজ্যতা।

হাইড্রোজেনের একটি পরমাণু ক্লোরিনের একটি পরমাণুর সাথে যুক্ত হয়ে HCl অণু গঠিত হয়, তাই ক্লোরিনের যোজনীও 1 (এক)। আবার অক্সিজেনের একটি পরমাণু হাইড্রোজেনের দুটি পরমাণুর সাথে যুক্ত হয়ে H2O তৈরি করে, এজন্য অক্সিজেনের যোজনী 2 (দুই)। একটি Na পরমাণু একটি Cl পরমাণুর সাথে যুক্ত হয়ে NaCl গঠিত হয়। সুতরাং Na এর যোজনী 1 (এক)।
একটি পরমাণুর সাথে যতটি অক্সিজেন পরমাণু যুক্ত হয় তার সেই সংখ্যার দ্বিগুণ করলে ঐ পরমাণুর যোজনী বা যোজ্যতা হয়। যেমন : ক্যালসিয়াম (Ca) এর একটি পরমাণু একটি অক্সিজেন (O) পরমাণুর সাথে যুক্ত হয়ে ক্যালসিয়াম অক্সাইড (CaO) তৈরি করে। এখানে অক্সিজেন পরমাণুর সংখ্যা 1 এই সংখ্যাকে 2 দ্বারা গুণ করলে হয় 2। কাজেই ক্যালসিয়ামের যোজনী 2 ।
কিছু কিছু মৌলের একাধিক যোজনী থাকে। কোনো মৌলের একাধিক যোজনী থাকলে সেই মৌলের যোজনীকে পরিবর্তনশীল যোজনী বলা হয়। যেমন: Fe এর পরিবর্তনশীল যোজনী 2 এবং 3। সালফারের পরিবর্তনশীল যোজনী ২, ৪, ৬। 

কোনো মৌলের সর্বোচ্চ যোজনী এবং সক্রিয় যোজনীর পার্থক্যকে ঐ মৌলের সুপ্ত যোজনী বলা হয়। যেমন: FeCl2 যৌগে Fe এর সক্রিয় যোজনী 2 কিন্তু Fe এর সর্বোচ্চ যোজনী 3 অতএব FeCl2 যৌগে Fe এর সুপ্ত যোজনী 3 – 2 = 1। আবার FeCl, যৌগে Fe এর সক্রিয় যোজনী ও কিন্তু Fe এর সর্বোচ্চ যোজনী 3. অতএব FeCl, যৌগে Fe এর সপ্ত যোজনী 3 - 3=0 |

উৎস: রসায়ন, নবম - দশম শ্রেণি
.
কার্বনের পারমাণবিক ভর কত?
  1. ক) ৬
  2. খ) ১০
  3. গ) ১২
  4. ঘ) ২৪
ব্যাখ্যা
- কার্বন (Carbon) এর প্রতীক C ;
- কার্বনের পারমাণবিক সংখ্যা ৬ ;
- এর পারমাণবিক ভর ১২ ;

উৎস: নবম দশম শ্রেণির রসায়ন বই।
.
ডেকেনে হাইড্রোজেনের সংখ্যা কয়টি?
  1. ক) ১২
  2. খ) ১৮
  3. গ) ২২
  4. ঘ) ২৬
ব্যাখ্যা
অ্যালকেনের সাধারণ সংকেত CnH2n + 2

ডেকেন হলে, n = 10

CnH2n + 2
= C10 H2 × 10 + 2
= C10H22


উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
.
ফেরাস ক্লোরাইডে আয়রনের সক্রিয় যোজনী কত?
  1. ক) ০
  2. খ) ১
  3. গ) ২
  4. ঘ) ৩
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন মৌলের পরমাণুসমূহ একে অপরের সাথে সর্বশেষ কক্ষপথের ইলেকট্রন বর্জন, গ্রহণ অথবা ভাগাভাগির মাধ্যমে অণু গঠন করে। অণু গঠনকালে কোনো মৌলের একটি পরমাণুর সাথে অপর একটি মৌলের পরমাণু যুক্ত হওয়ার ক্ষমতাকে যোজনী বা যোজ্যতা বলা হয়।

সাধারণত হাইড্রোজেনের যোজনী এক (1) ধরা হয়। কোনো মৌলের একটি পরমাণু যতগুলো ঐ পরমাণু বা H পরমাণু বা Cl পরমাণুর সাথে যুক্ত হতে পারে সেই সংখ্যাই হলো ঐ মৌলের যোজনী বা যোজ্যতা।

হাইড্রোজেনের একটি পরমাণু ক্লোরিনের একটি পরমাণুর সাথে যুক্ত হয়ে HCl অণু গঠিত হয়, তাই ক্লোরিনের যোজনীও 1 (এক)। আবার অক্সিজেনের একটি পরমাণু হাইড্রোজেনের দুটি পরমাণুর সাথে যুক্ত হয়ে H2O তৈরি করে, এজন্য অক্সিজেনের যোজনী 2 (দুই)। একটি Na পরমাণু একটি Cl পরমাণুর সাথে যুক্ত হয়ে NaCl গঠিত হয়। সুতরাং Na এর যোজনী 1 (এক)।

কিছু কিছু মৌলের একাধিক যোজনী থাকে। কোনো মৌলের একাধিক যোজনী থাকলে সেই মৌলের যোজনীকে পরিবর্তনশীল যোজনী বলা হয়। যেমন: Fe এর পরিবর্তনশীল যোজনী 2 এবং 3। 

কোনো মৌলের সর্বোচ্চ যোজনী এবং সক্রিয় যোজনীর পার্থক্যকে ঐ মৌলের সুপ্ত যোজনী বলা হয়।
যেমন: FeCl2 যৌগে Fe এর সক্রিয় যোজনী 2 কিন্তু Fe এর সর্বোচ্চ যোজনী 3 অতএব FeCl2 যৌগে Fe এর সুপ্ত যোজনী 3 – 2 = 1। আবার FeCl3, যৌগে Fe এর সক্রিয় যোজনী 3  কিন্তু Fe এর সর্বোচ্চ যোজনী 3. অতএব FeCl3, যৌগে Fe এর সুপ্ত যোজনী 3 - 3=0 |

উৎস: রসায়ন, নবম - দশম শ্রেণি
.
নিচের কোনটি হ্যালোজেন মৌল নয়?
  1. ক) ক্লোরিন
  2. খ) ব্রোমিন
  3. গ) আয়োডিন
  4. ঘ) রেডন
ব্যাখ্যা
হ্যালোজেন মৌল: 
- মৌলসমূহের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন সময়ে তাদের বিশেষ নাম দেওয়া হয়েছিল। যেমন: ক্ষার ধাতু, মৃৎক্ষার ধাতু, মুদ্রা ধাতু, হ্যালোজেন, নিষ্ক্রিয় ধাতু ইত্যাদি।
- পর্যায় সারণির গ্রুপ-17 এর 6 টি মৌলকে হ্যালোজেন (Halogen) বলে। 
- এই হ্যালোজেন গ্রুপের 6 টি মৌল হচ্ছে: ফ্লোরিন (F), ক্লোরিন (Cl), ব্রোমিন (Br), আয়োডিন (I), অ্যাস্টাটিন (At) এবং টেনেসিন (Ts)।
- সকল হ্যালোজেন মৌলকে X দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- হ্যালোজেন মানে লবন উৎপাদনকারী এবং এর মূল উৎস সামুদ্রিক লবণ।
- হ্যালোজেন মৌলগুলোর সাথে ধাতু যুক্ত হয়ে লবণ গঠিত হয়। যেমন: F এর সাথে Na যুক্ত হয়ে সোডিয়াম ফ্লোরাইড লবণ কিংবা Cl এর সাথে Na যুক্ত হয়ে সোডিয়াম ক্লোরাইড লবণ (NaCl) বা খাদ্য লবণ গঠিত হয়।
- হ্যালোজেন মৌলগুলো নিজেরাই নিজেদের মধ্যে ইলেকট্রন ভাগাভাগি করে দ্বি-মৌল অণু গঠন করে। যেমন: Cl₂, I₂ ইত্যাদি।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১০.
ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করার কাজে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) নিয়ন
  2. খ) হিলিয়াম
  3. গ) আর্গন
  4. ঘ) রেডন
ব্যাখ্যা
• আর্গন (Argon):
আর্গন প্রধানত ইলেকট্রিক বাল্বে ব্যবহৃত হয়। বাল্বে আর্গন থাকার কারণে টাংস্টেন ফিলামেন্ট সহজে  বাষ্পীভূত হয় না।
- রেডিও-এর বাল্ব ও রেকটিফায়ার-এ আর্গন ব্যবহৃত হয় ৷
- ঝালাই-এর কাজে নিষ্ক্রিয় পরিবেশ সৃষ্টি করতে আর্গন ব্যবহৃত হয়।
-গ্যাস ক্রোমাটোগ্রাফিতে এর ব্যবহার আছে। 
তেজস্ক্রিয়তা মাপার যন্ত্র আর্গন গ্যাস ব্যবহার হয়।

• ক্রিপটন (Krypton):
- আর্গনের মত ক্রিপটনও টিউব বাতিতে ব্যবহৃত হয়।
- কসমিক রশ্মি পরিমাপে আয়নীকরণ প্রকোষ্ঠে ক্রিপটন ব্যবহৃত হয়।
- খনি-শ্রমিকদের ‘ক্যাপ-ল্যাম্পে' ক্রিপটন ব্যবহার করা হয়৷
- তীব্র আলো সৃষ্টির জন্য ফটোগ্রাফিক ফ্ল্যাশ বাল্বে ক্রিপটন ব্যবহার করা হয়।
- বিভিন্ন তেজস্ক্রিয়তা পরিমাপক পরিমাপক যন্ত্রে ক্রিপটন ব্যবহার করা হয়।

• জেনন (Xenon):
- দ্রুত গতিসম্পন্ন ফ্লাশ-লাইটে জেনন ব্যবহার করা হয়।
- গামা রশ্মি, নিউটন ও ও অন্যান্য নিউক্লিয় কণা শনাক্তকরণের জন্য বুদবুদ প্রকোষ্ঠে জেনন গ্যাস ব্যবহার করা হয়।

• রেডন (Radon):
- রেডিও-থ্যারাপি চিকিৎসায় শরীরে ক্ষতিকর বৃদ্ধি নাশে এটি ব্যবহৃত হয়।
- ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করার কাজে রেডন ব্যবহার করা হয়।
- তেজস্ক্রিয় গবেষণার কাজে এটি ব্যবহার করা হয়।

উৎস: LiveMCQ Lecture.