পরীক্ষা আর্কাইভ

জব সল্যুশন [৯ম - ১৩তম গ্রেড]

পরীক্ষাUnlistedতারিখ২৩ জানুয়ারি, ২০২৩সময়45 minutes৭৮ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৮০
সিলেবাস
বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড পদের নাম: সহকারী সচিব/সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) (গ্রেড-৯ম) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ: ২০ জানুয়ারি, ২০২৩
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

জব সল্যুশন [৯ম - ১৩তম গ্রেড]

Unlisted · ২৩ জানুয়ারি, ২০২৩ · ৮০ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন জনপদের নাম কী?
  1. ক) গৌড়
  2. খ) পুন্ডু নগর
  3. গ) হরিকেল
  4. ঘ) সমতট
ব্যাখ্যা
পুন্ড্র জনপদ
• প্রাচীন বাংলার অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদের নাম পুন্ড্র। পুন্ড্র ‘জন’ বা জাতি এ জনপদ গঠন করেছিল। পুন্ড্ররা বঙ্গসহ অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নিকটজন ছিল।
• পুন্ড্রদের রাজ্যের রাজধানীর নাম পুন্ড্রনগর। বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত। পরবর্তী কালে এর নাম মহস্থানগড় হয়।
• সম্ভবত মৌর্য সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে (খ্রি. পু. ২৭৩-২৩২ অব্দ) প্রাচীন পুন্ড্র রাজ্য স্বাধীনসত্তা হারায়। এ রাজ্যের বিস্তৃতি বর্তমান বগুড়া, রংপুর ,রাজশাহী ও দিনাজপুর পর্যন্ত ছিল।
• পুন্ড্র রাজ্যের উত্তর অংশের নাম বরেন্দ্র, বরেন্দ্রী অথবা বরেন্দ্রভূমি ছিল। রাজশাহী অঞ্চলকে এখনও বরেন্দ্র বলা হয়ে থাকে।
• ক্রমবর্ধমান সমৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পুন্ড্র ৫ম-৬ষ্ঠ শতকে পুন্ড্র বর্ধন নামে পরিচিত হয়। গুপ্ত যুগে (৪র্থ- ৬ষ্ঠ শতকে) পুন্ড্র নগর ছিল গুপ্তদের প্রাদেশিক রাজধানী।
• পুন্ড্র জনপদে একটি উন্নত নগর সভ্যতা ছিল। প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুন্ড্রই ছিল বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন ও সমৃদ্ধ রাজ্য।

অন্যদিকে,              
• সমতট জনপদ বর্তমান বৃহত্তর নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত ছিলো।
• গৌড়- মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, বর্ধমান ও চাপাইনবাবগঞ্জ।
• হরিকেল -  সিলেট, চট্রগ্রাম, পার্বত্য চট্রগ্রাম।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
.
অবিভুক্ত প্রাচীন বাংলার সর্বপ্রথম রাজা কে ছিলেন?
  1. ক) অশোক
  2. খ) ন্যায়পাল
  3. গ) শশাঙ্ক
  4. ঘ) রামপাল
ব্যাখ্যা
- সপ্তম শতকের প্রারম্ভে বাংলার প্রথম স্বাধীন নৃপতি শশাঙ্ক উত্তর বাংলায় একটি শক্তিশালী স্বাধীন রাজ্য গড়ে তোলেন যা ‘গৌড়রাজ্য’ নামে পরিচিত।
- এই রাজ্যের রাজধানী ছিলো মুর্শিদাবাদ জেলার নিকটবর্তী কর্ণসুবর্ণ।
- উত্তর বাংলা থেকে উড়িষ্যা পর্যন্ত স্বাধীন গৌড়রাজ্যের বিস্তৃতি ছিলো।
- ৫৯৪-৬৩৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত শশাঙ্ক গৌড়রাজ্য শাসন করেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
.
কীসের ভিত্তিতে পূর্ব বাংলা তথা পূর্ব পাকিস্তান ভাষা আন্দোলন সংঘটিত হয়েছিল?
  1. ক) দ্বি জাতি তত্ত্ব
  2. খ) সামাজিক চেতনা
  3. গ) অসম্প্রদায়িকতা
  4. ঘ) বাঙালি জাতীয়তাবাদ
ব্যাখ্যা
- বাঙালির ‍মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন। ভাষা আন্দোলনের ফলশ্রুতিতে পূর্ব বাংলার জনগণের মধ্যে নিজস্ব জাতীয়তাবোধ তথা বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- এই জাতীয়তাবোধের ভিত্তি ছিলো বাংলা ভাষা ও বাঙালি সংস্কৃতি।
- বাঙালি জাতীয়তাবাদের মাধ্যমে পূর্ব বাংলার মানুষের মধ্যে যে জাতীয় ঐক্যের সূচনা হয় তা-ই পরবর্তীতে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিসংগ্রামের মুখ্য প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছিলো।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণি। 
.
১৯৫৪ সালের যুক্তফন্ট মন্ত্রীসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব লাভ করেন?
  1. ক) কৃষি সমবায় ও স্থানীয় সরকার
  2. খ) পরিবেশ ও বন
  3. গ) শিল্প ও বাণিজ্য
  4. ঘ) গনপূর্ত
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৪ সালে প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে ৩রা এপ্রিল এ কে ফজলুল হককে মুখ্যমন্ত্রী করে ৫ সদস্যের যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রীসভা গঠন করা হয়। ১৪ মে এ মন্ত্রিসভায় আওয়ামী ‍মুসলিম লীগ যোগদান করলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি, বন, সমবায় এবং পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী হন। তবে ৩০শে মে মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় এ মন্ত্রিসভা ভেঙে দেওয়া হয়।
- ১৯৫৬ সালে আতাউর রহমান খানের মন্ত্রিসভায় বঙ্গবন্ধু শিল্প, বাণিজ্য ও শ্রমমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

তথ্যসূত্র: অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।
.
ঐতিহাসিক ‘ছয়দফা’ কে কিসের সঙ্গে তুলনা করা হয়?
  1. ক) বিল অব রাইটস
  2. খ) মাগনাকাটা
  3. গ) পিটিশন অব রাইটস
  4. ঘ) মূখ্য আইন
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক রচিত ‘ছয়দফা’ দাবী কে ‘ম্যাগনাকর্টা’ বা ‘বাঙালির মুক্তির সনদ’ বলা হয়।
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারী পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ‘ছয়দফা’ দাবী উত্থাপন করেন।
- একই বছরের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহিত হয় এবং ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়দফা উত্থাপন করেন।
- ৭ জুন ‘ছয়দফা দিবস’ হিসেবে পালিত হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।
.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান প্রবর্তিত হয়-
  1. ক) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
  2. খ) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
  3. গ) ৭ মার্চ ১৯৭২
  4. ঘ) ২৬ মার্চ ১৯৭৩
ব্যাখ্যা
সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় এবং একই বছর ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে বলবৎ হয়।
 -গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি,
- তফসিল আছে ৭টি,
- মূলনীতি আছে ৪টি,
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।

তথ্যসূত্র: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ও বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণাপত্র সংবিধানের কোন তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?
  1. ক) চতুর্থ
  2. খ) পঞ্চম
  3. গ) ষষ্ঠ
  4. ঘ) সপ্তম
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট সাতটি তফসিল রয়েছে। এগুলো হলো:
- প্রথম তফসিল : অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন
- দ্বিতীয় তফসিল : রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বিলুপ্ত)
- তৃতীয় তফসিল : শপথ ও ঘোষণা
- চতুর্থ তফসিল : ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী
- পঞ্চম তফসিল : বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ
- ষষ্ঠ তফসিল : বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা
- সপ্তম তফসিল : মুজিবনগর সরকার জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
- বাহাত্তরের মূল সংবিধানে প্রথম চারটি তফসিল ছিলো। ২০১১ সালে সংবিধানের ১৫তম সংশোধনী দ্বারা সংবিধানে নতুন করে ৫ম, ৬ষ্ঠ ও ৭ম তফসিল যুক্ত করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।
.
মুজিব নগর সরকার গঠিত হয় কবে এবং শপথ গ্রহণ করে কবে?
  1. ক) ১০ এপ্রিল এবং ১২ এপ্রিল
  2. খ) ১১ এপ্রিল ও ১৩ এপ্রিল
  3. গ) ১৩ এপ্রিল ও ১৭ এপ্রিল
  4. ঘ) ১০ এপ্রিল ও ১৭ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- যা বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাজধানী।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।
- মুজিবনগর সরকারের কর্মকান্ড বাংলাদেশ ভূখন্ডের বাইরে থেকে পরিচালিত হয়েছিল বলে এ সরকার প্রবাসী মুজিবনগর সরকার হিসেবেও খ্যাত।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলাদেশের জাতীয় দিবস -
  1. ক) ১৬ ডিসেম্বর
  2. খ) ৭ মার্চ
  3. গ) ২৬ মার্চ
  4. ঘ) ১৭ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস যা ২৬শে মার্চ তারিখে পালিত বাংলাদেশের জাতীয় দিবস।
• ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে (কাল রাত) তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের স্বাধীনতার সংগ্রাম শুরু করে।
• ১৯৭২ সালের ২২ জানুয়ারি প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এই দিনটিকে বাংলাদেশে জাতীয় দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয়।  

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
১০.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের কত তম সদস্য রাষ্ট্র?
  1. ক) ১৪৬ তম
  2. খ) ১৩৬ তম
  3. গ) ১২৬ তম
  4. ঘ) ১১৬ তম
ব্যাখ্যা
▪ স্বাধীনতার পর ৮ আগস্ট, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদের জন্য আবেদন করে।
▪ ১০ আগস্ট, ১৯৭২ সালে চীন বাংলাদেশের সদস্যপদের বিরুদ্ধে ভেটো প্রদান করে। স্থায়ী সদস্য হওয়ার পর এটি ছিল চীনের প্রথম ভেটো।
▪ ১৯৭২ সালের ১৭ অক্টোবর জাতিসংঘে পর্যবেক্ষকের মর্যাদা লাভ করে।
▪ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সংস্থাটির ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ করে।
▪ একই অধিবেশনে একই দিন ১৩৭তম সদস্য হিসেবে গ্রানাডা এবং ১৩৮তম সদস্য হিসেবে গিনি বিসাউ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১১.
প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা বাংলাদেশের কার কর্তৃত্বে প্রযুক্ত হয়?
  1. ক) সচিব
  2. খ) মন্ত্রী
  3. গ) প্রধানমন্ত্রী
  4. ঘ) রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
চতুর্থ ভাগ: নির্বাহী বিভাগ
২য় পরিচ্ছেদ: প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা
অনুচ্ছেদ-৫৫: মন্ত্রিসভা
(১) প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরূপ স্থির করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী লইয়া এই মন্ত্রিসভা গঠিত হইবে। 
(২) প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তাঁহার কর্তত্বে এই সংবিধান-অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হইবে। 
(৩) মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকিবেন। 
(৪) সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হইয়াছে বলিয়া প্রকাশ করা হইবে। 
(৫) রাষ্ট্রপতির নামে প্রণীত আদেশসমূহ ও অন্যান্য চুক্তিপত্র কিরূপে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত হইবে, রাষ্ট্রপতি তাহা বিধিসমূহ-দ্বারা নির্ধারণ করিবেন এবং অনুরূপভাবে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত কোন আদেশ বা চুক্তিপত্র যথাযথভাবে প্রণীত বা সম্পাদিত হয় নাই বলিয়া তাহার বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না। 
(৬) রাষ্ট্রপতি সরকারী কার্যাবলী বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করিবেন।

তথ্যসূত্র: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান
১২.
কোন আন্তর্জাতিক ম্যাগাজিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘Poet of Politics' হিসেবে অভিহিত করেছিল?
  1. ক) Times
  2. খ) Readers' Digest
  3. গ) Newsweek
  4. ঘ) The Economist
ব্যাখ্যা
• ২০০৪ সালে বিবিসির এক জরিপে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান 'হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি' খেতাব বা উপাধি পান।
• ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেন তোফায়েল আহমেদ।
• ৩ মার্চ, ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'জাতির জনক' উপাধি দেন আ. স. ম. আবদুর রব।
• ৫ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'রাজনীতির কবি' উপাধি দেন নিউজউইক ম্যাগাজিন।

তথ্যসূত্র: আওয়ামী-লীগ ওয়েবসাইট
১৩.
কোনো রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে আমাদের জাতীয় সংঙ্গীতের কত চরণ বাজানো হয়?
  1. ক) প্রথম ১০ টি
  2. খ) প্রথম ৪ টি
  3. গ) প্রথম ৬ টি
  4. ঘ) প্রথম ৫ টি
ব্যাখ্যা
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক ১৯০৬ সালে রচিত কবিতা ‘আমার সোনার বাংলা’র প্রথম দশ চরণ বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত।
- প্রথম ৪ লাইন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে বাজানো হয়।
- কবিতাটিতে মোট ২৫টি লাইন আছে।
- বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের অফিশিয়াল বা সরকারিভাবে স্বীকৃত ইংরেজি অনুবাদ করেন সৈয়দ আলী আহসান।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ সংবিধান।
১৪.
UNESCO কোন তারিখে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়?
  1. ক) ১৮ ডিসেম্বর ১৯৯৯
  2. খ) ১৭ নভেম্বর ১৯৯৯
  3. গ) ২৯ ডিসেম্বর ১৯৯৯
  4. ঘ) ২০ নভেম্বর ১৯৯৯
ব্যাখ্যা
২১ ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি
- প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩০তম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাস হয়।
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে পৃথিবীর ১৮৮টি দেশে এই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন শুরু হয়।
- ২০০৭ সালের ১৬ মে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপন হয় যেখানে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের আহবান জানানো হয় এবং একই প্রস্তাবে ২০০৮ সালকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা বর্ষ ঘোষণা করা হয়।
- পরবর্তীতে ২০১০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাস হয়।

তথ্যসূত্র: ইউনেস্কো ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১৫.
বাংলাদেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা হলেন -
  1. ক) আইনমন্ত্রী
  2. খ) আইন সচিব
  3. গ) অ্যাটর্নী জেনারেল
  4. ঘ) প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
এটর্নি জেনারেল
- রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা, বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন পরামর্শক এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী হলেন এটর্নি জেনারেল। 
- অ্যাটর্নি জেনারেল হল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান ও মুখ্য আইন পরামর্শক এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রাথমিক আইনজীবী।
- অ্যাটর্নি জেনারেল সাধারণত সম্মানিত জেষ্ঠ আইনানুজ্ঞদের মধ্য থেকে শাসিত সরকার কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত হন।
- বাংলাদেশের বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন এ এম আমিন উদ্দিন। তিনি ১৬তম অ্যাটর্নি জেনারেল।

এছাড়াও, 
- অ্যাটর্নি জেনারেল তার পদাধিকার বলে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- অ্যাটর্নি জেনারেলকে কিছু সংখ্যক যুগ্ম অ্যাটর্নি জেনারেল, উপ অ্যাটর্নি জেনারেল, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সহায়তা করেন।

তথ্যসূত্র: এটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের ওয়েবসাইট। 
১৬.
বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয় কোন সালে?
  1. ক) ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে
  2. খ) ১৩৫৫ বঙ্গাব্দে
  3. গ) ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দে
  4. ঘ) ১৩৫২ বঙ্গাব্দে
ব্যাখ্যা
- বাংলা একাডেমী বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৩৬২ বঙ্গাব্দের ১৭ অগ্রহায়ণ (৩ ডিসেম্বর ১৯৫৫) ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫৬ সালের ১ ডিসেম্বর মুহম্মদ এনামুল হক (১৯০২-১৯৮২) একাডেমীর প্রথম পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- বাংলা একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক প্রফেসর মাযহারুল ইসলাম (১৯৭২ সাল)।
- বাংলা একাডেমির প্রথম সভাপতি মাওলানা আঁকরাম খাঁ (১৯৬১ সাল)।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
১৭.
১৯৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌ কমান্ড গঠিত হয় কোন সেক্টরের অধীনে?
  1. ক) ১০ নং সেক্টর
  2. খ) ১১ নং সেক্টর
  3. গ) ৯ নং সেক্টর
  4. ঘ) ৮ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের জুলাই মাসে ‍মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
এর মধ্যে ১০ নং সেক্টর ছিলো একমাত্র নৌ সেক্টর। দেশের সমুদ্রঅঞ্চল ও নদীপথ নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। এই সেক্টরে কোন নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৮.
বাংলায় ‘ছিয়াত্তরের মনন্তর’ এর সময় কাল -
  1. ক) ১৭৭০ খ্রিঃ
  2. খ) ১৭৬০ খ্রিঃ
  3. গ) ১৭৬৫ খ্রিঃ
  4. ঘ) ১৭৫৬ খ্রিঃ
ব্যাখ্যা
ছিয়াত্তরের মন্বন্তর
• ১১৭৬ বঙ্গাব্দ অর্থাৎ ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে
• খাদ্যের অভাবে মােট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ ( ১ কোটি ) মৃত্যুমুখে পতিত হয়।
• তখন দিল্লীর সম্রাট ছিলেন শাহ আলম।
• জন কার্টিয়ার ১৭৬৯ থেকে ১৭৭২ সাল পর্যন্ত বাংলার ফোর্ট উইলিয়ম কাউন্সিলের গভর্নর ছিলেন।
• বাংলার ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনা ১৭৬৯-৭০ সালের মহাদুর্ভিক্ষের দ্বারা জন কার্টিয়ারের শাসনকাল সমালোচনার মুখে পড়ে।
• নায়েব দীউয়ান ও নায়েব নাজিম সৈয়দ মুহম্মদ রেজা খান আসন্ন দুর্ভিক্ষ সম্পর্কে বারবার জন কার্টিয়ারকে অবহিত করা সত্ত্বেও তিনি তার সতর্কবাণীকে তেমন গুরুত্ব দেন নি।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
১৯.
বাংলার কোন সুলতানের আমলকে স্বর্ণযুগ বলা হয় ?
  1. ক) শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ
  2. খ) শের-শাহ
  3. গ) আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
  4. ঘ) গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
ব্যাখ্যা
হাবসি শাসন উচ্ছেদ করে ১৪৯৩ সালে বাংলার সিংহাসনে বসেন - সৈয়দ হোসেন। সুলতান হয়ে তিনি ''আলাউদ্দিন হুসেন শাহ'' উপাধি গ্রহণ করেন।
- এভাবেই বাংলায় ''হুসেন শাহী বংশ'' নামে এক নতুন বংশের শাসনপর্ব শুরু হয়। রাজধানী ছিল - গৌড়।
- বাংলার স্বাধীন সুলতানদের মধ্যে হুসেন শাহী আমল (১৪৯৩ - ১৫৩৮) ছিল সবচেয়ে গৌরবময়।
- তিনি বাংলার শ্রেষ্ঠ শাসক হিসাবে পরিগণিত হন।

আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
- মধ্যযুগের বাংলার ইতিহাসে হোসেন শাহের রাজত্বকাল একটি অত্যুজ্জ্বল অধ্যায়। তার রাজত্বকালে বাংলার সালতানাতের ব্যাপক সম্প্রসারণ ঘটে।
- তিনি কামরূপ ও কামতা জয় করেন। ঊড়িষ্যা ও ত্রিপুরা  রাজ্যের কিছু অংশ তার শাসনভুক্ত হয়। তিনি আরাকানীদের চট্টগ্রাম থেকে বিতারিত করেন।
- বাংলার রাজনীতি হাবসি দাসদের প্রভাবমুক্ত করেন। প্রশাসন ব্যবস্থা সুদৃঢ় করেন।
- ক্ষমতা গ্রহনের অল্প সময়ের মধ্যে রাজ্যের অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা দূর করে শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনেন।
- দিল্লীর লোদী আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য রাজ্যের সবরকম নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেন।
- হিন্দু-মুসলমান সম্প্রীতি তৈরিতে তার প্রচেষ্টা তৎকালীন সমাজ জীবনকে প্রভাভিত করেছিল।
- তিনি ছিলেন সাহিত্যানুরাগী। তার পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলা সাহিত্যের ব্যাপক উন্নতি ও বিকাশ লাভ করে। তার সময়ের বিখ্যাত কবিরা ছিলেন - রূপ গোস্বামী, মালাধর বসু, বিজয়গুপ্ত, বিপ্রদাস পিপিলাই, পরাগল খান প্রমুখ।

তথ্যসূত্র: মাধ্যমিক বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ও বাংলাপিডিয়া।
২০.
পলাশীর যুদ্ধ কবে সংঘটিত হয়েছিল?
  1. ক) ২২ জুন ১৭৫৭
  2. খ) ২৪ জুন ১৭৫৭
  3. গ) ২৩ জুন ১৭৫৭
  4. ঘ) ১৫ জুন ১৭৫৭
ব্যাখ্যা
- ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন বাংলার নবাব সিরাজুদ্দৌলা এবং রবার্ট ক্লাইভ নেতৃত্বাধীন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাহিনীর মধ্যে পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর আম্রকাননে সংঘটিত এই যুদ্ধে নবাব সিরাজুদ্দৌলা পরাজিত হন এবং এর ফলে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য স্তিমিত হয়।
- বাংলায় প্রায় দুইশ বছরের ইংরেজ শাসনের সূত্রপাত ঘটে।
- এই যুদ্ধে নবাবের পক্ষে ছিলেন দেশপ্রেমিক মীরমদন, মোহন লাল এবং ফরাসি সেনাপতি সিন ফ্রে। 
- জেতার সবধরণের সুযোগ সুবিধা এবং এদের প্রাণপাত লড়াইয়ের পরও নবাব পরাজিত হন তার সেনাপতি মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
২১.
’মৃত্তিকা ‍দিয়ে তৈরি’ কথাটি সংকোচন করলে হবে -
  1. ক) তন্ময়
  2. খ) মন্ময়
  3. গ) মৃন্ময়
  4. ঘ) চিন্ময়
ব্যাখ্যা
• ’মৃত্তিকা ‍দিয়ে তৈরি’ এক কথায় বলে - মৃন্ময়

গুরুত্বপূর্ণ কিছু এক কথায় প্রকাশ:
-  'লাভ করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ- লিপ্সা,
- 'প্রবেশ করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ- বিবিক্ষা,
- 'বলার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - বিবক্ষা,
- 'বমন করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - বিবমিষা
- 'বাস করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - বিবৎসা
- 'জয় করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ- জিগীষা,
- 'ভোজন করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ- বুভুক্ষা,
- 'দেখবার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ- দিদৃক্ষা,
- 'মুক্তি লাভে/পেতে ইচ্ছুক এর এক কথায় প্রকাশ- মুমুক্ষা।

উৎস:- ভাষা-শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ, বাংলা একাডেমি অভিধান।
২২.
’জিজীবিষা’ শব্দের অর্থ কী?
  1. ক) জীবন নাশের ইচ্ছা
  2. খ) বেঁচে থাকার ইচ্ছা
  3. গ) জীবনকে জানার ইচ্ছা
  4. ঘ) জীবন-জীবিকার পথ
ব্যাখ্যা
• জিজীবিষা ( বিশেষ্য)
অর্থ:
১. বেঁচে থাকার ইচ্ছা;
২. জীবনের আকাঙ্খা ( ‘তখনকার মরণাতঙ্ক নিরুপম জিজীবিষার উত্তরসাক্ষ্য নয়‘ -সুধীন্দ্রনাথ দত্ত)।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
২৩.
’চিকিৎসাশাস্ত্র’ কোন সমাস?
  1. ক) কর্মধারয়
  2. খ) বহুব্রীহি
  3. গ) অব্যয়ীভাব
  4. ঘ) তৎপুরুষ
ব্যাখ্যা
• বিশেষ্য ও বিশেষণ পদে বা বিশেষ্য ও বিশেষণ ভাবাপন্ন পদে যে সমাস হয় এবং যেখানে পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায় তাকে ‘কর্মধারয়’ সমাস বলে।
- কর্মধারয় সমাসে প্রথম পদটি দ্বিতীয় সমাসের বিশেষণরূপে অবস্থান করে ( এমনকি বিশেষণ পদ না হয়েও) এবং সমস্তপদে দ্বিতীয় বা পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায়। ব্যাসবাক্যের মাঝে ‘যে’ থাকবে।
যেমন:
ফুলের মতো কুমারী = ফুলকুমারী
নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম
যা কাঁচা তা-ই মিঠা = কাঁচামিঠা
যা মিঠা তা-ই কড়া = মিঠাকড়া
[ যে, সে, যেই, সেই, যিনি, তিনি, যা, তা, ইত্যাদি ব্যাসবাক্য কর্মধারয় সমাসে ব্যবহৃত হয়]

তেমনিভাবে,
চিকিৎসা বিষয়ক যে শাস্ত্র = চিকিৎসাশাস্ত্র।
এটি একটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৪.
’অভাব’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে কোন উপসর্গটি?
  1. ক) অকাজ
  2. খ) আবছায়া
  3. গ) আলুনি
  4. ঘ) নিখুঁত
ব্যাখ্যা
• অভাব বা না অর্থে বাজে, নিকৃষ্ট অর্থে ‘আ’ উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ: আলুনি, আকাঁড়া, আধোয়া, আচালা, আকাঠ উত্যাদি।

• উপসর্গ ৩ প্রকার। যথা- বাংলা উপসর্গ, তৎসম উপসর্গ এবং বিদেশী উপসর্গ।
• বাংলা উপসর্গ ২১ টি। যথাঃ অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।
• তৎসম উপসর্গ ২০ টি। যথাঃ প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।
• বাংলা উপসর্গের মধ্যে আ, সু, বি, নি এই চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়।
বাংলা ও সংস্কৃত উপসর্গের মধ্যে পার্থক্য এই যে, যে শব্দটির সঙ্গে উপসর্গ যুক্ত হয় সেই শব্দটি বাংলা হলে উপসর্গটি বাংলা আর সেই শব্দটি তৎসম হলে উপসর্গটিও তৎসম হয়। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা।
২৫.
’যিনি বিদ্বান, তিনি সর্বত্র আদরণীয়’ _____ এটি কোন ধরনের বাক্য?
  1. ক) সরল বাক্য
  2. খ) জটিল বাক্য
  3. গ) যৌগিক বাক্য
  4. ঘ) খন্ড বাক্য
ব্যাখ্যা
জটিল বাক্য:
- কোন কোন বাক্যে উদ্দেশ্য ও বিধেয় অর্থাৎ কর্তা ও সমাপিকা ক্রিয়া ছাড়া এক বা একাধিক অপ্রধান খণ্ডবাক্য থাকতে পারে।
- এ অপ্রধান খণ্ডাংশ মূল বাক্যেরই অংশ। এ ধরনের বাক্যকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে।
যেমন -
- যে পরিশ্রম করে, সেই সুখ লাভ করে।
- যে ভিক্ষা চায় তাকে দান করো।
- যদি বৃষ্টি হয়, তবে বের হব না।

তেমনিভাবে,
- যিনি বিদ্বান, তিনি সর্বত্র আদরণীয়।
- যদি তোমার কিছু বলার থাকে, তবে এখনই বলে ফেলো।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বই (২০২১সংস্করণ)।
২৬.
’ঊর্ণনাভ’ শব্দটি দিয়ে বুঝায় -
  1. ক) টিকটিকি
  2. খ) তেলাপোকা
  3. গ) মাছি
  4. ঘ) মাকড়সা
ব্যাখ্যা
• ঊর্ণনাভ, ঊর্ণনাভি ( বিশেষ্য)
- সংস্কৃত শব্দ।
- প্রকৃতি প্রত্যয়= [√ঊর্ণ+অহমিয়া(অচ্) ]=[ঊর্ণ+নাভি; বহুব্রহী সমাস]
অর্থ: মাকড়সা ( ঊর্ণনাভ জাল বুনে চলে- আহসান হাবীব)।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
২৭.
'Custom' শব্দের বাংলা পরিভাষা কোনটি?
  1. ক) আইন
  2. খ) প্রথা
  3. গ) শুল্ক
  4. ঘ) রাজস্বনীতি
ব্যাখ্যা
‘Custom’ শব্দের যথার্থ পারিভাষিক অর্থ: প্রথা, অভ্যাস, সামাজিক রীতিনীতি।

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পারিভাষিক হচ্ছে:
Manuscript - পাণ্ডুলিপি
Gazette -ঘোষণাপত্র
Apprentice - শিক্ষানবিশ
Manual - সারগ্রন্থ
Manifesto - ইশতেহার

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৮.
বাংলা সনেটের প্রবর্তক কে ?
  1. ক) দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
  2. খ) রজনীকান্ত সেন
  3. গ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  4. ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত, (১৮২৪-১৮৭৩) মহাকবি, নাট্যকার, বাংলাভাষার সনেট প্রবর্তক, অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক।
- ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর জেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামে, এক জমিদার বংশে তাঁর জন্ম।
- মধুসূদনের কৃতিত্ব এখানেই যে, তিনি যাকিছু রচনা করেছেন তাতেই নতুনত্ব এনেছেন। তিনিই প্রথম পাশ্চাত্য সাহিত্যের আদর্শ বাংলা সাহিত্যে সার্থকভাবে প্রয়োগ করেন।
- ১৮৬০ সালে তিনি গ্রিক পুরাণ থেকে কাহিনী নিয়ে রচনা করেন পদ্মাবতী নাটক। এ নাটকেই তিনি পরীক্ষামূলকভাবে ইংরেজি কাব্যের অনুকরণে অমিত্রাক্ষর ছন্দ ব্যবহার করেন। বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের ব্যবহার এটাই প্রথম এবং এর ফলে তিনি বাংলা কাব্যকে ছন্দের বন্ধন থেকে মুক্তি দেন।

মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত অন্যান্য গ্রন্থগুলো হলো:
প্রহসন
- একেই কি বলে সভ্যতা ও
- বুড় সালিকের ঘাড়ে রোঁ।

নাটক
- পদ্মাবতী
- কৃষ্ণকুমারী

কাব্য
-মেঘনাদবধ
- বীরঙ্গনা
- তিলোত্তমাসম্ভব

উৎস: বংলাপিডিয়া ও বাংলা ভাষার সাহিত্য ও জিজ্ঞাসা।
২৯.
He parted _____ his friends in tears.
  1. ক) with
  2. খ) from
  3. গ) against
  4. ঘ) of
ব্যাখ্যা
• Part যদি আলাদা হওইয়া অর্থে ব্যবহৃত হয় তবে এরপর  সাধারণত preposition from বসে।
Part from 
English meaning: “to leave someone”/ “to separate from someone
Bangla Meaning: আলাদা হওয়া।
তাই সঠিক উত্তর হবে - from.
Complete Sentence: He parted from his friends in tears.
৩০.
As the sun ______ I decided to go out.
  1. ক) shines
  2. খ) has shone
  3. গ) shine
  4. ঘ) was shining
ব্যাখ্যা
• অতীতে কোনো একটি কাজ চলার সময় অন্য একটি কাজ ঘটলে যে কাজটি চলছিল সে কাজটি past continuous tense এ হয়।
- Main clause টি past tense এ থাকলে subordinate clause টি অবশ্যই past tense হবে
- সুতরাং নিয়মানুযায়ী  শূন্যস্থানে was shining বসবে।
- সম্পূর্ণ বাক্য - As the sun was shining I decided to go out.
৩১.
The synonym of 'resentment is ______
  1. ক) fear
  2. খ) anger
  3. গ) indignation
  4. ঘ) panic
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
Resentment (noun) -
- (towards/against somebody) a feeling of anger or unhappiness about something that you think is unfair
- রাগ, বিরক্তি।

Anger (noun) -
- the strong feeling that you have when something has happened that you think is bad and unfair
- রাগ, ক্ষোভ।

Bitterness (noun) -
- angry and unhappy feelings caused by the belief that you have been treated unfairly.
- অসদাচরণ ইত্যাদি কারণে রাগ, ক্ষোভ, তিক্ততা।

Merriam-Webster Dictionary অনুসারে Resentment এর synonym হিসেবে Anger এবং Indignation দুটিই সঠিক।
অপশনে একাধিক সঠিক উত্তর থাকায় উত্তর তুলে দেয়া হয়েছে। 

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy, Oxford Dictionary and Merriam-Webster Dictionary
৩২.
Three-fourths of the work ______ finished.
  1. ক) have been
  2. খ) had
  3. গ) has been
  4. ঘ) were
ব্যাখ্যা
• সাধারণত ভগ্নাংশের ক্ষেত্রে প্রথমটি One এর বেশি হলে দ্বিতীয়টির সঙ্গে 's' যোগ হয় (যেমন- Two-thirds).
- কিন্তু প্রথমটি One হলে দ্বিতীয়টির সঙ্গে 's' যোগ হয় না (যেমন- One-third).

- আবার সব ধরনের ভগ্নাংশের পরে noun - singular হলে verb - singular এবং noun - plural হলে verb - plural হয়।
- উল্লিখিত প্রশ্নে work হচ্ছে uncountable noun এবং singular.

- তাই, নিয়মানুযায়ী বুঝা যাচ্ছে সঠিক উত্তর হচ্ছে - has been finished.
- Three-fourths of the work has been finished.
- যেহেতু কোনো কাজ নিজে নিজে করা সম্ভব নয়, কারো দ্বারা সংঘটিত হয় তাই তা pasive sense প্রকাশ করছে বিধায় has been অধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর।
- had না হয়ে had been হলে দ্বৈত উত্তর হত।
 
• Correct complete Sentence:
- Three-fourths of the work has been finished.
৩৩.
Shakespeare is mostly famous for his _____
  1. ক) poetry
  2. খ) novels
  3. গ) plays
  4. ঘ) songs
ব্যাখ্যা
• Shakespeare is mostly famous for his - plays.

• William Shakespeare was an English dramatist.
- He was born on 23 April, 1564 AD and died on 23 April, 1616 AD.
- Birth place: Stratford Avon.
- '1590-1616' is called Shakespearean period.

• William Shakespeare is widely known as The Bard of Avon , National Poet of England এবং The Great Dramatist of All Time.
- Dr. samuel Johnson Shakespeare কে Poet of Human Nature হিসাবেও আখ্যায়িত করেছেন। 
- Shakespeare তাঁর সাহিত্যি জীবনে মোট ১৫৪ টি Sonnet এবং  ৩৭টি Drama লিখেছেন।
- তাঁর সাহিত্য কর্মগুলোর মধ্যে অধিক পরিচিত এবং পঠিত হচ্ছে তাঁর Drama গুলো
- Drama গুলো Tragedy and Comedy এই দুইভাগে বিভক্ত। 

• Shakespeare এর  বিখ্যাত কিছু Tragedy হচ্ছে-
- Hamlet
- Othello
- King Lear
- Macbeth 
- Julius Caesar 

• Shakespeare এর  বিখ্যাত কিছু Comedy-
- As You Like It 
- The Tempest 
- Twelfth Night 
- A Midsummer Night’s dream 
- The Merchant of Venice 


৩৪.
'By and large' means ____
  1. ক) everywhere
  2. খ) very large
  3. গ) mostly
  4. ঘ) far away
ব্যাখ্যা
'By and large' (Phrase)
Meaning: On the whole/ Everything considered/ mostly
Bengali Meaning: সাধারনভাবে বলতে গেলে/সবকিছু বিবেচনায়/ প্রায় সবই।

• প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে - 
mostly - প্রধানত,  প্রায় সবই; সাধারণত; সচরাচর; বেশির ভাগ
everywhere - সর্বত্র
very large - অনেক বড়
far away - অনেক দূরে

 - সুতরাং, বোঝা যাচ্ছে যে প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে - mostly শব্দটি By and Large, phrase টির সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে।
- তাই সঠিক উত্তর - mostly.

Source: Live MCQ Lecture.
৩৫.
He could not win but learnt a lot. Which parts of speech is the word 'but' ?
  1. ক) an adverb
  2. খ) a verb
  3. গ) an adjective
  4. ঘ) a conjunction
ব্যাখ্যা
- প্রশ্ন প্রদত্ত বাক্যে but দ্বারা "He could not win" এবং "learnt a lot." দুইটি independent clause কে সংযুক্ত হয়েছে।
- তাই এখানে but হচ্ছে conjunction.

• There are three basic types of conjunctions:
1. Coordinating conjunctions:
যা সমমানের দুইটি word, phrase বা clause এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
যেমনঃ and, or, but, etc…

2. Subordinating Conjunctions:
যে Conjunction একটি clause এর শুরুতে বসে অন্য clause এর স্থান, কাল, ধরণ, মাত্রা, ইত্যাদি বুঝানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, তাকে Subordinating Conjunction বলে।
যেমনঃ when, how, if, lest, etc…

3. Correlative Conjunctions: পরস্পর সম্পর্কযুক্ত জোড়ায় জোড়ায় ব্যবহৃত conjunction গুলোই Correlative Conjunctions.
যেমনঃ as ….. as ; either ….. or ; not only ….. but also ; etc.
৩৬.
'September on Jessore Road' was written by ____
  1. ক) Madhusudan Dutt
  2. খ) Kaiser Huq
  3. গ) Allen Ginsberg
  4. ঘ) Vikram Seth
ব্যাখ্যা
• 'September on Jessore Road' was written by Allen Ginsberg.
• সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড

- সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড - বিখ্যাত যুক্তরাষ্ট্রের কবি এলেন গিন্সবার্গ রচিত একটি কবিতা যা থেকে পরে গান করা হয়েছিল।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের সাথে যশোর রোডে সীমান্তের ওপারে শরণার্থী শিবির ঘুরে যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন তা নিয়ে তিনি লিখেন বিখ্যাত কবিতা ‘সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড’।

- এই কবিতার লাইন সংখ্যা ১৫২ টি। এই দীর্ঘ কবিতার সাথে সুর দিয়ে এটিকে গানে রূপ দিয়েছিলেন তিনি।
- আমেরিকায় ফিরে গিয়ে তার বন্ধু বব ডিলান ও অন্যান্য বিখ্যাত গায়কদের সহায়তায় এই গান গেয়ে কনসার্ট করেছিলেন। এভাবেই বাংলাদেশী শরণার্থীদের জন্য অর্থ সংগ্রহ করেন গিন্সবার্গ।
- এই কবিতার বাংলা ভাষান্তর করেন খান মোহাম্মদ ফারাবি।     

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো।
৩৭.
'Panacea' means ____
  1. ক) cure-all
  2. খ) pancreatic
  3. গ) a gland
  4. ঘ) widespread disease
ব্যাখ্যা
• Panacea (Noun)
English Meaning: A solution or remedy for all difficulties or diseases.
Bangla Meaning: সব ধরনের রোগ নিরাময়কারী ওষুধ; সব ধরনের সংকট মোচনের উপায়।

Synonym: universal cure, cure-all, cure for all ills, universal remedy, sovereign remedy, heal-all
 
Source: Oxford Dictionary, Bangla Academy Dictionary
৩৮.
He gave up ________ football when he got married.
  1. ক) to play
  2. খ) playing
  3. গ) play
  4. ঘ) of playing
ব্যাখ্যা
• সাধারণত দুটি verb পাশাপাশি থাকলে ২য় টিতে ing যুক্ত হয়।
- এছাড়াও preposition এর পর verb এর সাথে ing যুক্ত হয়। 
- তাই সঠিক উত্তর হবে - playing
- সম্পূর্ন বাক্য: He gave up playing football when he got married.
৩৯.
১ থেকে ৪৯ পর্যন্ত সংখ্যাগুলোর গড় কত?
  1. ক) ২৫
  2. খ) ৩০
  3. গ) ৩৫
  4. ঘ) ৪৯
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১ থেকে ৪৯ পর্যন্ত ক্রমিক সংখ্যার গড় কত?

সমাধান:
১ থেকে n পর্যন্ত স্বাভাবিক সংখ্যার সমষ্টি = n(n + ১)/২
১ থেকে ৪৯ পর্যন্ত সংখ্যার সমষ্টি = ৪৯(৪৯ + ১)/২
 = ৪৯ × ২৫ 

১ থেকে ৪৯ পর্যন্ত ক্রমিক সংখ্যার গড় = (৪৯ × ২৫)/৪৯
 = ২৫
 
৪০.
একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ৫% বৃদ্ধি করলে তার ক্ষেত্রফল শতকরা কত বৃদ্ধি পাবে?
  1. ক) ৫%
  2. খ) ১০%
  3. গ) ২০%
  4. ঘ) ২৫%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ৫% বৃদ্ধি করলে তার ক্ষেত্রফল শতকরা কত বৃদ্ধি পাবে?

সমাধান: 
মনেকরি,
আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য x এবং প্রস্থ y
∴ আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = xy

৫% বৃদ্ধিতে,
 আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ১০৫x/১০০
 আয়তক্ষেত্রের  ক্ষেত্রফল = (১০৫x/১০০) × y
= ১০৫xy/১০০

∴ আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি = (১০৫xy/১০০) - xy
= (১০৫xy - ১০০xy)/১০০
= ৫xy/১০০

∴ আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল বৃদ্ধির হার = {৫xy/(১০০ × xy) × ১০০}%
= ৫%
৪১.
বার্ষিক ১০% মুনাফায় ৮০০ টাকার ২ বছরের চক্রবৃদ্ধি মূলধন কত?
  1. ক) ৯৪০ টাকা
  2. খ) ৯৬০ টাকা
  3. গ) ৯৬৮ টাকা
  4. ঘ) ৯৮০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বার্ষিক ১০% মুনাফায় ৮০০ টাকার ২ বছরের চক্রবৃদ্ধি মূলধন কত?

সমাধান: 
এখানে,
মূলধন, P = ৮০০ টাকা
মুনাফায় হার, r = ১০% = ১০/১০০
সময়, n = ২ বছর
∴ চক্রবৃদ্ধি মূলধন, c = P(১ + r)n
= ৮০০(১ + ১০/১০০)
= ৮০০ × (১১০/১০০)
= ৯৬৮ টাকা
৪২.
১০০ থেকে ২০০ এর মধ্যে ৩ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা কয়টি ?
  1. ক) ৩১ টি
  2. খ) ৩২ টি
  3. গ) ৩৩ টি
  4. ঘ) ৩৪ টি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:  ১০০ থেকে ২০০ এর মধ্যে ৩ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা কয়টি ?

সমাধান: 
৩ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা = ৩৩টি
সংখ্যাগুলো হলো 
∴ {১০২, ১০৫, ১০৮, ১১১, ১১৪, ১১৭, ১২০, ১২৩, ১২৬, ১২৯, ১৩২, ১৩৫, ১৩৮, ১৪১, ১৪৪, ১৪৭, ১৫০, ১৫৩, ১৫৬, ১৫৯, ১৬২, ১৬৫, ১৬৮, ১৭১, ১৭৪, ১৭৭, ১৮০, ১৮৩, ১৮৬, ১৮৯, ১৯২, ১৯৫, ১৯৮}
মোট = ৩৩টি
৪৩.
.১ × ৩.৩৩ × ৭.১ = ?
  1. ক) ৭.১৫
  2. খ) ৫.১৮
  3. গ) ২.৩৬
  4. ঘ) ১.৯৮
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: o.১ × ৩.৩৩ × ৭.১ = ?

সমাধান:
.১ × ৩.৩৩ × ৭.১ = ২.৩৬৪৩
৪৪.
দুইটি সংখ্যার অনুপাত ২ : ৩ এবং গ. সা. গু. ৪ হলে বৃহত্তর সংখ্যাটি কত?
  1. ক) ৬
  2. খ) ১২
  3. গ) ৮
  4. ঘ) ১৬
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুইটি সংখ্যার অনুপাত ২ : ৩ এবং গ. সা. গু. ৪ হলে বৃহত্তর সংখ্যাটি কত?

সমাধান: 
দুইটি সংখ্যার অনুপাত ২ : ৩ 

ধরি,
সংখ্যা দুইটি ২x ও ৩x
∴এদের গ.সা.গু. = x.

প্রশ্নমতে,
x = ৪
∴ বৃহত্তর সংখ্যাটি ৩ × ৪ = ১২
৪৫.
১৭ সে. মি., ১৫ সে. মি. ও ৮ সে. মি. বাহু বিশিষ্ট ত্রিভুজ হবে -
  1. ক) সমবাহু ত্রিভুজ
  2. খ) সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ
  3. গ) সমকোণী ত্রিভুজ
  4. ঘ) স্থূলকোণী ত্রিভুজ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১৭ সে. মি., ১৫ সে. মি. ও ৮ সে. মি. বাহু বিশিষ্ট ত্রিভুজ হবে -

সমাধান: 
এখানে,
১৭ =২৮৯
১৫ + ৮ =  ২২৫ + ৬৪ = ২৮৯

অর্থাৎ, ত্রিভুজের বাহুগুলো অতিভুজ= ভূমি + লম্ব সূত্রটি মেনে চলে। 

সুতরাং, ত্রিভুজটি হবে সমকোণী ত্রিভুজ।
৪৬.
যদি a + b = 2, ab = 1 হয়, তবে a ও b এর মান কত?
  1. ক) 0, 2
  2. খ) 1, 1
  3. গ) -1, 3
  4. ঘ) - 3, 4
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:  যদি a + b = 2, ab = 1 হয়, তবে a ও b এর মান কত?

সমাধান: 
দেওয়া আছে,
a + b = 2
ab =1 

b = 2 - a ........... (1)

এখন 
ab = 1
⇒ a (2 - a) = 1
⇒ 2a - a2 = 1
⇒ 1 - 2a + a2 = 0
⇒ a2 - 2a + 1 = 0
⇒ a2- 2.a.1 + 12 = 0
⇒ (a - 1)2 = 0
⇒ (a -1) (a - 1) = 0
⇒ a = 1

(1) নং থেকে,
b = 2 - 1
⇒ b = 1

সুতরাং, a = 1, b = 1.
৪৭.
দুটি সংখ্যার যোগফল 48 এবং তাদের গুণফল 432 হলে বড় সংখ্যাটি কত?
  1. ক) 36
  2. খ) 37
  3. গ) 38
  4. ঘ) 40
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুটি সংখ্যার যোগফল 48 এবং তাদের গুণফল 432 হলে বড় সংখ্যাটি কত?

সমাধান: 
ধরি,
সংখ্যা দু’টি x ও y
১ম শর্তমতে, x + y = 48
২য় শর্তমতে, xy = 432

আমরা জানি,
(x - y)2 = (x + y)2- 4xy
⇒ (x - y)2 = (48)2- 4 × 432
⇒ (x - y)2 = 2304 - 1728
⇒ (x - y)2 = 576
∴ x - y = 24

এখন, (x + y) + (x - y) = 48 + 24
⇒ 2x = 72
∴ x = 36

আবার,
x - y = 24
⇒ 36 - y = 24
∴ y = 12
অর্থাৎ, বড় সংখ্যাটি 36
৪৮.
0, 1, 2 ও 3 দ্বারা গঠিত চার অঙ্কের বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম সংখ্যার বিয়োগফল কত?
  1. ক) 3147
  2. খ) 2287
  3. গ) 2987
  4. ঘ) 2187
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:  0, 1, 2 ও 3 দ্বারা গঠিত চার অঙ্কের বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম সংখ্যার বিয়োগফল কত?

সমাধান: 
 0, 1, 2 ও 3 দ্বারা গঠিত চার অঙ্কের বৃহত্তম সংখ্যা = 3210
 0, 1, 2 ও 3 দ্বারা গঠিত চার অঙ্কের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা =1023

 বিয়োগফল = 3210 - 1023 = 2187
৪৯.
বাংলাদেশের সংবিধানে কোন অনুচ্ছেদে গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতের কথা বলা হয়েছে?
  1. ক) ১০
  2. খ) ১২
  3. গ) ১৬
  4. ঘ) ২০
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ১৬ অনুচ্ছেদে গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব এর কথা বলে হয়েছে।

অনুচ্ছেদ অনুসারে -
"নগর ও গ্রামাঞ্চলের জীবন যাত্রার মানের বৈষম্য ক্রমাগতভাবে দূর করিবার উদ্দেশ্যে কৃষিবিপ্লবের বিকাশ, গ্রামাঞ্চলে বৈদ্যুতীকরণের ব্যবস্থা, কুটিরশিল্প ও অন্যান্য শিল্পের বিকাশ এবং শিক্ষা, যোগাযোগ-ব্যবস্থা ও জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলের আমূল রূপান্তরসাধনের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন৷"

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান
৫০.
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ মন্ত্রীর নাম কি?
  1. ক) জনাব নসরুল হামিদ
  2. খ) ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী
  3. গ) মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
  4. ঘ) জনাব মো. ফরহাম হোসেন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ মন্ত্রী - মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রীর অধীনে রয়েছে ছয়টি মন্ত্রণালয়।
এগুলো হলো-
১. মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ,
২. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়,
৩. প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়,
৪. সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ,
৫. বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং
৬. মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

এছাড়া, 

• ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, বীর বিক্রম - মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা (মন্ত্রী)
• নসরুল হামিদ, এমপি - মাননীয় প্রতিমন্ত্রী; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।

সূত্র: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এর ওয়েব সাইট।
৫১.
SDG'র কত নম্বর Goal এ ‘সাশ্রয়ী, নির্ভরযোগ্য, টেকসই ও আধুনিক বিদ্যুৎ সরবরাহ’ এর কথা বলা হয়েছে?
  1. ক) Goal-03
  2. খ) Goal-07
  3. গ) Goal-09
  4. ঘ) Goal-12
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের উদ্যোগে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৬-২০৩০ সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্যে ১৭টি টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (SDG) নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর মধ্যে SDG এর ৭ নং লক্ষ্যমাত্রায় সাশ্রয়ী, নির্ভরযোগ্য, টেকসই ও আধুনিক বিদ্যুৎ সরবরাহের কথা বলা হয়েছে।
 
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- SDG - এর পূর্ণরূপ Sustainable Development Goals বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য।
- SDGs-এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল। এতে মোট ১৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য (Goals) এর আওতায় ১৬৯টি টার্গেট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 

লক্ষ্যমাত্রাসমূহ হলো:
১. দারিদ্র্য নির্মূল
২. ক্ষুধামুক্তি
৩. সুস্বাস্থ্য
৪. মানসম্মত শিক্ষা
৫. লিঙ্গ সমতা
৬. বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন
৭. সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি
৮. উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো
১০. বৈষম্য হ্রাস
১১. টেকসই শহর ও জনগণ
১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন
১৩. জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ
১৪. সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান
১৫. স্থলভাগের জীবন
১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং
১৭. অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব।

তথ্যসূত্র: SDG ওয়েবসাইট।
৫২.
বৈদ্যুতিক মিটারে এক ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ বলতে বুঝায় -
  1. ক) এক কিলোওয়াট ঘন্টা
  2. খ) এক ওয়াট ঘন্টা
  3. গ) এক মেগাওয়াট
  4. ঘ) এক ওয়াট
ব্যাখ্যা
বিদ্যুৎ এক প্রকার শক্তি যা ''কিলোওয়াট'' হিসাবে পরিমাপ করা হয়। ১ কিলোওয়াট = ১০০০ ওয়াট।
এর মানে হচ্ছে ১ সেকেন্ডে ১০০০ ওয়াট বৈদ্যুতিক শক্তি আলোতে রূপান্তরিত হচ্ছে। প্রতি ঘণ্টায় ১ কিলোওয়াট শক্তি ব্যবহার করা হলে তা ''কিলোওয়াট-ঘণ্টা'' দ্বারা প্রকাশ করা হয়।১ অশ্বক্ষমতা = ৭৪৬ ওয়াট।

- আন্তর্জাতিকভাবে, তড়িৎ সরবরাহকে কিলােওয়াট-ঘণ্টা এককে পরিমাপ করা হয়।
- এই একককে বাের্ড অব ট্রেড (BOT) ইউনিট বা সংক্ষেপে ইউনিট বলে। 
- আমরা যে বিদ্যুৎ বিল পরিশােধ করি তা এই এককেই হিসাব করা হয়।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণির বিজ্ঞান ও পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
৫৩.
বাংলাদেশে সাবমেরিন কেবলের মাধ্যমে প্রথম কোন উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়?
  1. ক) হাতিয়া
  2. খ) সন্দ্বীপ
  3. গ) চর আলেকজেন্ডার
  4. ঘ) সেন্ট মার্টিন
ব্যাখ্যা
- সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে প্রথম সন্দীপ (চট্টগ্রাম) উপজেলায় বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয়।
- সাগর তলদেশে সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনের মাধ্যমে সাগর দ্বীপ সন্দ্বীপকে জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডের আওতায় আনা হয়েছে।
- ‘চট্টগ্রাম বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থেকে সন্দ্বীপ পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ সাগর তলদেশে এই সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন করা হয়েছে।
- এতে সন্দ্বীপের চার লাখ অধিবাসী গ্রিড বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এলো।
- সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনের ফলে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সরবরাহের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় এখানে শিল্প কারখানা স্থাপনসহ বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের ব্যাপক প্রসার ঘটবে।’
- সর্বশেষ রাঙ্গাবালি (পটুয়াখালী) উপজেলা বিদ্যুতের আওতায় আসে।

তথ্যসূত্র:- বাংলা ট্রিবিউন এবং সাম্প্রতিক সমাচার এপ্রিল ২০২২।
৫৪.
কোনটি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস নয়?
  1. ক) জলস্রোত
  2. খ) বায়ু প্রবাহ
  3. গ) প্রাকৃতিক গ্যাস
  4. ঘ) সূর্যালোক
ব্যাখ্যা
• শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার। একটি হচ্ছে নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস এবং অন্যটি হচ্ছে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়। নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়।
সমুদ্রস্রোত, বায়ুপ্রবাহ, সৌরশক্তি, ভূ-তাপীয় শক্তি ইত্যাদি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস।

• অনবায়নযোগ্য শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না।
কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৫.
বাংলাদেশের পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড একটি বিদ্যুৎ-
  1. ক) উৎপাদনকারী সংস্থা
  2. খ) বিতরনকারী সংস্থা
  3. গ) সঞ্চালনকারী সংস্থা
  4. ঘ) বিপণনকারী সংস্থা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড একটি বিদ্যুৎ বিতরনকারী সংস্থা।

দেশে বিদ্যুৎ বিতরণের কাজটি করে চারটি কোম্পানি ও দুটি সংস্থা।
১. বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি),
২. ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ওজোপাডিকো),
৩. নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (নেসকো),
৪. বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি),
৫. ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি) ও
৬. ঢাকা ইলেকট্রিসিটি পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো)। 

এছাড়া,
সারাদেশে বিদ্যুৎ সঞ্চালনের দায়িত্বে নিয়োজিত একমাত্র প্রতিষ্ঠান - পিজিসিবি বা পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ।

সূত্র: পিজিসিবি ওয়েবসাইট, ও প্রথম আলো।
৫৬.
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কবে বাংলাদেশের শতভাগ জনগণকে বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আনার ঘোষনা প্রদান করেন?
  1. ক) ২১ মার্চ, ২০২১
  2. খ) ২১ মার্চ, ২০২২
  3. গ) ২২ মার্চ, ২০২২
  4. ঘ) ২৬ মার্চ, ২০২১
ব্যাখ্যা
২১ মার্চ, ২০২২ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের বৃহত্তম ১,৩২০ মেগাওয়াটের পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধনের পর দেশের শতভাগ জনগণকে বিদ্যুতের আওতায় আনার ঘোষণা দেন।

বিদ্যুৎকেন্দ্রটি চালু করার মাধ্যমে বাংলাদেশ মুজিববর্ষে দেশকে শতভাগ বিদ্যুতের আওতায় আনার সরকারের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করে আরেকটি মাইলফলক অর্জন করে।

সূত্র: প্রথম আলো
৫৭.
বিদ্যুৎ আবিষ্কারের সঙ্গে কোন বিপ্লবের সম্পর্ক আছে?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) চতুর্থ
ব্যাখ্যা
শিল্প বিপ্লব (Industrial Revolution)
আঠারো শতকের শেষার্ধে ও উনিশ শতকের প্রথমার্ধে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে যে দ্রুত শিল্পায়ন ও নগরায়ন সংঘটিত হয়, তাকে শিল্প বিপ্লব বলা হয়।

➮ প্রথম শিল্প বিপ্লব
⤇ প্রথম শিল্প বিপ্লব সংঘটন কাল - ১৭৬০ সাল থেকে ১৮৪০ সাল পর্যন্ত।
⤇ ১৭৬০ সাল থেকে ইউরোপের দেশ ইংল্যান্ডে প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়। তাই ইংল্যান্ডকে শিল্প বিপ্লবের জন্মস্থান বলা হয়। ব্রিটিশ অর্থনৈতিক ঐতিহাসিক আর্নল্ড টয়েনবি (Arnold Toynbee) ১৭৬০ সাল থেকে ১৮৪০ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বোঝানোর জন্য ‘শিল্প বিপ্লব’ (Industrial Revolution) শব্দটি ব্যবহার করেন। এর পর থেকে এটি জনপ্রিয় হতে থাকে।
⤇ ইংল্যান্ডে শুরু হলেও খুব দ্রুতই ইউরোপের অন্যান্য দেশ বেলজিয়াম, ফ্রান্স, জার্মানি, রাশিয়া সহ অন্যান্য দেশে তা ছড়িয়ে পড়ে। ইউরোপের পাশাপাশি ১৭৯০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে শিল্প বিপ্লবের ছোঁয়া লাগে।
⤇ শিল্প বিপ্লবের ফলে পণ্য উৎপাদন, বাজারজাতকরণ, অর্থনৈতিক ব্যবস্থা খুব দ্রুত পরিবর্তত হতে থাকে। এই সময় বিভিন্ন ইঞ্জিন, যন্ত্রপাতি ও তত্ত্ব আবিষ্কার হতে থাকে। ফলে বিশ্বের ইতিহাসও খুব দ্রুত পরিবর্তন হতে থাকে।


দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লব
⤇ দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লব সংঘটন কাল - ১৮৭০ সাল থেকে ১৯১৪ সাল পর্যন্ত।
⤇ প্রথম শিল্প বিপ্লবে শিল্পায়ন শুরু হয়। কিন্তু দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লবের সময় প্রযুক্তিগত উন্নতি সাধিত হয়। এই সময়ে প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে পণ্য উৎপাদন ব্যবস্থা উন্নতকরণ, টেলিগ্রাফ, রেলযোগাযোগ ব্যবস্থা, পানিসরবরাহ ইত্যাদির আবিষ্কার হয়। সকল ক্ষেত্রে বিদ্যুতের ব্যবহার এই অগ্রযাত্রাকে আরো বেগবান করে। এসবের ফলে দ্রুত যোগাযোগ স্থাপন ও জীবনযাপন - এর মান বৃদ্ধি পায়। বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্র আবিষ্কার হতে থাকে যা সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে সাহায্য করে।

উৎসঃ হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা.কম
৫৮.
কোনটি অপারেটিং সিস্টেম নয়?
  1. ক) C
  2. খ) DOS
  3. গ) CP/M
  4. ঘ) XENIX
ব্যাখ্যা
C হচ্ছে একটি মধ্যমস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা। এটি অপারেটিং সিস্টেম নয়। 


সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেমঃ
একই সময়ে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী সংখ্যা একজন হয়ে থাকলে তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে। একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়।
যেমন- CP/M, Android, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।

মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেমঃ
আবার একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে যখন কোনো কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
যেমন- Windows NT Server, Windows 2003/2008 Server, Unix, Zenix, Linux ইত্যাদি।

বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম:
এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম হলো কমান্ড লাইন ইউজার ইন্টারফেস। ডিস্ক ফর্মেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ কি-বোর্ডের মাধ্যমে কমান্ডের সাহায্যে করতে হয়। তাই বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে অনেক ̧লো কমান্ড মুখস্থ করতে হয়। Linux, Unix, MS-DOS, PC DOS, CP/M ইত্যাদি এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেমঃ
গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে। এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুলডাউন মেনু ব্যবহার করে। প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের ওপর মাউস দিয়ে ডবল ক্লিক করলে প্রোগ্রামটি চালু হয়। তবে বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের মতো কমান্ড মুখস্থ ̄ করতে হয় না। Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৯.
নিচের কোনটি Open Source Software?
  1. ক) Google Chrome
  2. খ) MS Windows
  3. গ) Zoom
  4. ঘ) Adobe Photoshop
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
Google Chrome, Microsoft Windows, Zoom, Adobe Photoshop - এর কোনোটিই ওপেন সোর্স সফটওয়্যার নয়। 

অনেকেই Google Chrome কে Open Source Software মনে করেন যেটা আসলে ভুল।

আগে আমাদের জানতে হবে ওপেন সোর্স ও ক্লোজ সোর্স সফটওয়্যার কী?

1. Open Source Software:
Open source software refers to the computer software which source is open means the general public can access and use. In short it is referred as OSS. The source code of open source software is public. It uses the code freely available on the Internet.

Some examples of open source software are: Firefox, OpenOffice, Gimp, Alfresco, Android, Zimbra, Thunderbird, MySQL, Mailman, Moodle, TeX, Samba, Perl, PHP, KDE etc.

2. Closed Source Software:
Closed source software refers to the computer software which source code is closes means public is not given access to the source code. In short it is referred as CSS. Closed source software is software for which the source code is not freely available. It is developed and provided to the user as a fully compiled, executable set of files. The developer often provides support to users after purchase and ensures that the software works as expected.

Some examples of closed source software are Skype, Google earth, Java, Adobe Flash, Virtual Box, Adobe Reader, Microsoft office, Microsoft Windows, WinRAR, mac OS, Adobe Flash Player etc.

---------------------------------
তবে, জেনে রাখা উচিত যে,
গুগুলের বিখ্যাত The Chromium Projects এর দুটি অংশ হচ্ছে Chromium and Chromium OS হচ্ছে দুটি Open Source Software. 
কিন্তু Google Chrome ব্রাউজারটি মোটেও ওপেন সোর্স নয়। Google Chrome ব্রাউজারটি একটি Freeware.
এটা গুগুলের Proprietary Software. এটা ফ্রি; কিন্তু যে কেউ এটার পরিবর্তন করে নিজের মতো অবাণিজ্যিক বা বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করতে পারবেন না। কপিরাইট Google LLC এর।

Chromium:
Chromium is an open-source browser project that aims to build a safer, faster, and more stable way for all users to experience the web. 

Chromium OS:
Chromium OS is an open-source project that aims to provide a fast, simple, and more secure computing experience for people who spend most of their time on the web. 
 
তথ্যসূত্র: ক্রোমিয়াম ওয়েবসাইট
৬০.
নিচের কোন Protocol টি ইন্টারনেট এর মাধ্যমে তথ্য আদান প্রদান নিরাপত্তা নিশ্চিত করে?
  1. ক) FTP
  2. খ) HTTPS
  3. গ) TCP
  4. ঘ) DNS
ব্যাখ্যা
- কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়।
- https এর পূর্ণরূপ Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে। 
৬১.
ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্যের দ্বিগুণ হলে শতকরা লাভ বা ক্ষতির পরিমাণ কত?
  1. ক) লাভ ২৫%
  2. খ) ক্ষতি ২৫%
  3. গ) লাভ ১০%
  4. ঘ) ক্ষতি ৫০%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্যের দ্বিগুণ হলে শতকরা লাভ বা ক্ষতির পরিমাণ কত?

সমাধান: 
ধরি,
বিক্রয়মূল্য x টাকা সুতরাং, ক্রয়মূল্য 2x টাকা
ক্ষতি = (2x - x) = x টাকা

এখন, 
2x টাকায় ক্ষতি হয় x টাকা
∴ 1 টাকায় ক্ষতি হয় x/2x টাকা
∴ 100 টাকায় ক্ষতি হয় (x × 100)/2x টাকা
= 50 টাকা
৬২.
নিচের ধারার শেষ সংখ্যাটি কত হবে? ৩, ৯, ২৭, ৮১, _____।
  1. ক) ২৪১
  2. খ) ২৪৩
  3. গ) ২৪৫
  4. ঘ) ২৪৭
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের ধারার শেষ সংখ্যাটি কত হবে? ৩, ৯, ২৭, ৮১, _____।

সমাধান: 
১ম পদ = ৩ = ৩
২য় পদ = ৩ = ৯
৩য় পদ = ৩ = ২৭
৪র্থ পদ = ৩ = ৮১
৫ম পদ = ৩ = ২৪৩
৬৩.
কোনটি তার বিহীন দ্রুত গতির ইন্টারনেট সংযোগের জন্য উপযোগী?
  1. ক) Wi-MAX
  2. খ) c-MOS
  3. গ) Bluetooth
  4. ঘ) Broadband
ব্যাখ্যা
- ওয়াইম্যাক্স এর পুরো অর্থ হলো ওয়ার্ল্ডওয়াইড ইন্টারঅপেরিবিলিটি ফর মাইক্রোওয়েভ অ্যাকসেস (Worldwide Interoperability for Microwave Access) এবং এর IEEE নাম হলো 802.16।
- ওয়াইম্যাক্স (Wimax) এর মাধ্যমে মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক সৃষ্টি করা যায় স্ট্যান্ডার্ড বা IEEE নাম হলো 802.16।
- ওয়াইম্যাক্স নামটি দিয়েছে ওয়াইম্যাক্স ফোরাম যা গঠিত হয়েছিল ২০০১ সালের জুনে।
- ওয়াইম্যাক্স এর মাধ্যমে উচ্চ গতির ব্রডব্যান্ড সেবা, তারবিহীন ব্যবস্থা বিস্তৃত এলাকা এমনকি প্রত্যন্ত অঞ্চলেরও ইন্টারনেট অ্যাকসেস সুবিধা পাওয়া যায়।
৬৪.
Computer থেকে Computer এ তথ্য আদান - প্রদানের প্রযুক্তিকে বলা হয় -
  1. ক) Email
  2. খ) Intercom
  3. গ) Internet
  4. ঘ) e-communication
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদান প্রযুক্তিকে ইন্টারনেট বলে।
• ইন্টারনেট এর ব্যবহার- 
১. দ্রুত ফাইল বা তথ্যের আদান প্রদান করা ।
২. তথ্য সংরক্ষণ করা।
৩. ই-কমার্স ব্যবহার করা।
৪. তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা।
৫. ঘরে বসে ক্রয়-বিক্রয় করা।
৬. ব্যক্তিগত বা সমষ্টিগতভাবে বুলেটিন বোর্ড গঠন করা যায়।
৭. মেসেজ বা ই-মেইল আদান প্রদান করা ইত্যাদি।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৫.
নিচের কোন উক্তিটি সঠিক -
  1. ক) ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট
  2. খ) ১ মেগাবাইট = ১০২৪ বাইট
  3. গ) ১ কিলোবাইট = ১০০০ বাইট
  4. ঘ) ১ মেগাবাইট = ১০০০ বাইট
ব্যাখ্যা
- ১ বাইট সমান ৮ বিট
- ১ কিলোবিট = ১০২৪ বিট
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট বা ১০,৪৮,৫৭৬ বাইট বা ১০২৪×১০২৪ বাইট।

তথ্যসূত্র: আইসিটি নবম-দশম শ্রেণি এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি(মাহবুবুর রহমান)।
৬৬.
বিশ্ব পরিবেশ দিবস কবে?
  1. ক) ৫ মে
  2. খ) ১৫ মে
  3. গ) ৫ জুন
  4. ঘ) ১৫ জুন
ব্যাখ্যা
কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিবস: 

- ৫ জুন : বিশ্ব পরিবেশ দিবস।
- ২১ মার্চ - বিশ্ব বন দিবস।
- ৮ জুন - বিশ্ব সমুদ্র দিবস।
- ৫ ডিসেম্বর - বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস।
- ৪ অক্টোবর : বিশ্ব প্রাণী দিবস।
- ৮ মার্চ : বিশ্ব নারী দিবস।
- ৭ এপ্রিল : বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস।
- ১১ জুলাই : বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস।

(তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
৬৭.
SDG এর Goal মোট কয়টি এবং Target কয়টি?
  1. ক) ১৫ টি এবং ১৫৫ টি
  2. খ) ১৭ টি এবং ১৬৯ টি
  3. গ) ১৮ টি এবং ১৬৫ টি
  4. ঘ) ১৯ টি এবং ১৭১ টি
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের উদ্যোগে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৬-২০৩০ সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্যে ১৭টি টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (SDG) নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর মধ্যে SDG এর ১৪ নং লক্ষ্যমাত্রায় মহাসাগর, সমুদ্র এবং সামুদ্রিক সম্পদ সংরক্ষণ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে।
 
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- SDG - এর পূর্ণরূপ Sustainable Development Goals বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য।
- SDGs-এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল। এতে মোট ১৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য (Goals) এর আওতায় ১৬৯টি টার্গেট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 

লক্ষ্যমাত্রাসমূহ হলো:
- দারিদ্র্য নির্মূল
- ক্ষুধামুক্তি
- সুস্বাস্থ্য
- মানসম্মত শিক্ষা
- লিঙ্গ সমতা
- বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন
- সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি
- উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি
- শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো
- বৈষম্য হ্রাস
- টেকসই শহর ও জনগণ
- পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন
- জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ
- সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান
- স্থলভাগের জীবন
- শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং
- অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব।

তথ্যসূত্র: SDG ওয়েবসাইট।
৬৮.
’Black Lives Matter' কী ?
  1. ক) একটি গ্রন্থের নাম
  2. খ) একটি পানীয়ের নাম
  3. গ) বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন
  4. ঘ) একটি NGO
ব্যাখ্যা
The Black Lives Matter Global Network is a chapter-based, member-led organization whose mission is to build local power and to intervene in violence inflicted on Black communities by the state and vigilantes.

blacklivesmatter.com
৬৯.
জাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ক) রাশিয়া
  2. খ) বেলারুশ
  3. গ) চেচনিয়া
  4. ঘ) ইউক্রেন
ব্যাখ্যা
- ইউরোপের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি ইউক্রেনের জাপোরিঝিয়া শহরে অবস্থিত। 
- গত মার্চ থেকে ইউরোপের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি রাশিয়ার দখলে রয়েছে।
- ইউক্রেনীয় প্রযুক্তিবিদরা এখন রাশিয়ার নির্দেশে এটি পরিচালনা করছে।
 
তথ্যসূত্র: যুগান্তর।
৭০.
নিচের কোনটি ‘Bretton Woods Institutions' এর অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) IDB
  2. খ) IMF
  3. গ) WTO
  4. ঘ) ADB
ব্যাখ্যা
- ১ থেকে ২২ জুলাই ১৯৪৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারের ব্রেটন উডসের মাউন্ট ওয়াশিংটন হোটেলে অনুষ্ঠিত ৪৫ টি দেশের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে গৃহীত চুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয় আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক।
- তাই আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংককে ব্রেটন উডস ইনস্টিটিউট বলা হয়।

তথ্যসূত্র: বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের ওয়েবসাইট।
৭১.
আন্তর্জাতিক আদালতে মিয়ানমার কর্তৃক রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগে মামলা করেছে কোন দেশ?
  1. ক) নাইজেরিয়া
  2. খ) বাংলাদেশ
  3. গ) গাম্বিয়া
  4. ঘ) আলজেরিয়া
ব্যাখ্যা
রোহিঙ্গা সংকট
রোহিঙ্গা মুসলিম ও অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য ২৭ ডিসেম্বর ২০১৯ মিয়ানমারের বিরুদ্ধে একটি নিন্দা প্রস্তাব পাশ করেছে জাতিসংঘ।
জাতিসংঘে নিন্দা প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয় ১৩৪টি দেশ, বিপক্ষে ভোট দেয় ৯টি দেশ ও ভোট দেয়া থেকে বিরত ছিল ২৮টি দেশ।
২৫ আগস্ট ২০১৭ রোহিঙ্গা সংকট শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত মিয়ানমারের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে তিনটি প্রস্তাব পাশ হয়।
১১ নভেম্বর ২০১৯ মিয়ানমারের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (ICJ) রোহিঙ্গা গণহত্যার মামলা করে আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া।
গাম্বিয়াকে তথ্য প্রমাণ দিয়ে সহায়তা করে বাংলাদেশ, কানাডা ও নেদারল্যান্ডস।
২৩ জানুয়ারি ২০২০ মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগে গাম্বিয়ার করা মামলার অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ ঘোষণা করে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (ICJ)।
ICJ’র প্রেসিডেন্ট বিচারপতি আবদুলকোয়াই আহমেদ ইউসুফ আদালতের আনুষ্ঠানিক অধিবেশনে এ আদেশ জারি করেন।
মিয়ানমারের রাখাইনে গণহত্যা থেকে রোহিঙ্গাদের সুরক্ষা দিতে চার দফা নির্দেশ দেয় ICJ। অন্তর্বর্তী চার নির্দেশ হলো-
• গণহত্যা সনদ অনুযায়ী, রোহিঙ্গাদের হত্যাসহ সব ধরনের নিপীড়ন থেকে নিবৃত্ত থাকতে হবে।
• সেনাবাহিনী বা অন্য কেউ যাতে গণহত্যা সংঘটন, ষড়যন্ত্র বা উসকানি দিতে না পারে, সেটা নিশ্চিত করতে হবে।
• গণহত্যার অভিযোগের সঙ্গে সম্পর্কিত সব সাক্ষ্যপ্রমাণ রক্ষা করতে হবে।
• চার মাসের মধ্যে আদেশ আনুযায়ী, মিয়ানমার যেসব ব্যবস্থা নিয়েছে, তা আদালতকে জানাতে হবে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো। 
৭২.
স্টিফেন হকিন্স ছিলেন বিশ্বের একজন অতিশয় বিখ্যাত -
  1. ক) দার্শনিক
  2. খ) পদার্থবিদ
  3. গ) রসায়নবিদ
  4. ঘ) গণিতক
ব্যাখ্যা
- স্টিফেন হকিং বিশ্বের একজন প্রথিতযশা পদার্থবিজ্ঞানী।
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের ব্যাখ্যা সম্বলিত স্টিফেন হকিং এর বিখ্যাত বই – A Brief History of Time.
- তিনি ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত Centre for Theoretical Cosmology এর পরিচালক ছিলেন। 

- He was director of research at the Centre for Theoretical Cosmology at the University of Cambridge, where he was a Lucasian professor of mathematics.

Source: britannica, www.theguardian.com
৭৩.
নিচের কোনটি Green House Gas নয়?
  1. ক) নাইট্রাস অক্সাইড
  2. খ) কার্বন-ডাই অক্সাইড
  3. গ) অক্সিজেন
  4. ঘ) মিথেন
ব্যাখ্যা
গ্রীন হাউজ ইফেক্টের জন্য দায়ী গ্যাসগুলোকে বলা হয় গ্রীন হাউজ গ্যাস।
কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রীন হাউজ গ্যাস হচ্ছে -
- জলীয় বাষ্প,
- কার্বন ডাই অক্সাইড,
- নাইট্রাস অক্সাইড,
- মিথেন,
- ওজোন,
- ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ইত্যাদি।

- কার্বন ডাই সালফাইড (CS2) এবং কার্বনিল সাইফাইড (COS) পরোক্ষ গ্রিন হাউজ গ্যাস।
- অক্সিজেন গ্রীন হাউস গ্যাস নয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি - বোর্ড বই, ব্রিটানিকা এবং Royal Society of Chemistry।
৭৪.
Belt and Road Initiative (BRI) এর প্রস্তাব করেছে কোন দেশ?
  1. ক) জাপান
  2. খ) ভারত
  3. গ) চীন
  4. ঘ) রাশিয়া
ব্যাখ্যা
- BRI এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Belt of Road Initiative.
 - চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই) ঘোষণা করেছিলেন।
- সমুদ্র ও সড়কপথে চীনের সঙ্গে ইউরোপ ও এশিয়াকে বাণিজ্যসূত্রে গাঁথার প্রকল্প বিআরআই।
- চীনের আনুষ্ঠানিক ভাষ্য হলো, বিআরআই বেইজিংয়ের সঙ্গে বিশ্ব অর্থনীতির সরাসরি সংযোগ।
 
তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা  ও প্রথম আলো 
৭৫.
স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২২ প্রাপ্ত কোনটি?
  1. ক) জ্বালানী বিভাগ
  2. খ) বিদ্যুৎ বিভাগ
  3. গ) স্রেডা
  4. ঘ) পিজিসিবি
ব্যাখ্যা
- ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২২’ লাভ করে - বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BWMRI) ও বিদ্যুৎ বিভাগ
- ১৮ মার্চ, ২০২২ তারিখে জাতীয় পর্যায়ে গৌরবােজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৫টি ক্যাটাগরিতে ৯ জন বিশিষ্ট নাগরিক ও একটি প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২২' প্রদান করে বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ।
- ‘স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশের জাতীয় এবং “সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার”।
- দেশ ও জাতির কল্যাণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৭ সাল থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।
- বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।

তথ্যসূত্র: মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ।
৭৬.
পায়রা থার্মাল পাওয়ার প্লান্টের মোট উৎপাদন ক্ষমতা কত?
  1. ক) ৮০০ মে. ও
  2. খ) ৪০০ মে. ও
  3. গ) ১৩০০ মে. ও
  4. ঘ) ১৩২০ মে. ও
ব্যাখ্যা
পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:

- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ও সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র “পায়রা তাপবিদ্যুৎ” কেন্দ্র উদ্বোধন করেন - ২১ মার্চ ২০২২।
- এর অবস্থান পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ধানখালীতে।
- পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি হয়েছে বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ উদ্যোগে। ৯ জুন ২০১৪ এই সংক্রান্ত চুক্তি হয়েছিল।
- এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয় ১৪ অক্টোবর ২০১৬।
- এটি ১,০০০ একর জমির উপর নির্মিত।

- এই কেন্দ্র থেকে প্রতিদিন ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে।
- পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট (৬৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন) বাণিজ্যিক উৎপাদনে আসে ১৫ মে ২০২০ এবং দ্বিতীয় ইউনিট বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে ৮ ডিসেম্বর ২০২০। 
- এটি নির্মাণের কাজ করেছে বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (BCPCL)। 
- ২৪৮ কোটি ডলার ব্যয়ে এই কেন্দ্র নির্মাণের সিংহভাগ (১৯৬ কোটি ডলার) অর্থায়ন করেছে চীনের এক্সিম ব্যাংক।
- পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের আগে দেশে সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ছিল ৪৫০ মেগাওয়াট। 
- পরিবেশ রক্ষায় যে বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কয়লাভিত্তিক প্রকল্প বা প্ল্যান্টের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা হয়, তাকে বলা হয় আলট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি।
- পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এই বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রতিদিন ১২ হাজার টনের বেশি কয়লা পোড়ানো হচ্ছে।
- ইন্দোনেশিয়া থেকে বঙ্গোপসাগরের রামনাবাদ চ্যানেল হয়ে কয়লা আসে। পরবর্তীতে অস্ট্রেলিয়া ও অন্যান্য দেশ থেকেও আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে।
- আরও তিনটি বিদ্যুৎকেন্দ্র আগামী কয়েক বছরের মধ্যে উৎপাদনে যাবে বলে আশা রয়েছে। সেগুলো হলো ২,৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, ১,৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ও কক্সবাজারের মাতারবাড়ীর ১,২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।


সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, এপ্রিল ২০২২
৭৭.
Ultra Super Critical Technology ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনে বাংলাদেশ পৃথিবীতে কততম দেশ ?
  1. ক) ১০ম
  2. খ) ৩৩ তম
  3. গ) ১৩ তম
  4. ঘ) ৩৫ তম
ব্যাখ্যা
বিশ্বের ১৩ তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে আলট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে।

পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:

- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ও সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র “পায়রা তাপবিদ্যুৎ” কেন্দ্র উদ্বোধন করেন - ২১ মার্চ ২০২২।
- এর অবস্থান পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ধানখালীতে।
- পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি হয়েছে বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ উদ্যোগে। ৯ জুন ২০১৪ এই সংক্রান্ত চুক্তি হয়েছিল।
- এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয় ১৪ অক্টোবর ২০১৬।
- এটি ১,০০০ একর জমির উপর নির্মিত।
- এই কেন্দ্র থেকে প্রতিদিন ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে।
- পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট (৬৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন) বাণিজ্যিক উৎপাদনে আসে ১৫ মে ২০২০ এবং দ্বিতীয় ইউনিট বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে ৮ ডিসেম্বর ২০২০। 
- এটি নির্মাণের কাজ করেছে বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (BCPCL)। 
- ২৪৮ কোটি ডলার ব্যয়ে এই কেন্দ্র নির্মাণের সিংহভাগ (১৯৬ কোটি ডলার) অর্থায়ন করেছে চীনের এক্সিম ব্যাংক।
- পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের আগে দেশে সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ছিল ৪৫০ মেগাওয়াট। 
- পরিবেশ রক্ষায় যে বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কয়লাভিত্তিক প্রকল্প বা প্ল্যান্টের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা হয়, তাকে বলা হয় আলট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি।
- পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এই বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রতিদিন ১২ হাজার টনের বেশি কয়লা পোড়ানো হচ্ছে।
- ইন্দোনেশিয়া থেকে বঙ্গোপসাগরের রামনাবাদ চ্যানেল হয়ে কয়লা আসে। পরবর্তীতে অস্ট্রেলিয়া ও অন্যান্য দেশ থেকেও আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে।
- আরও তিনটি বিদ্যুৎকেন্দ্র আগামী কয়েক বছরের মধ্যে উৎপাদনে যাবে বলে আশা রয়েছে। সেগুলো হলো ২,৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, ১,৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ও কক্সবাজারের মাতারবাড়ীর ১,২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।


সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, এপ্রিল ২০২২
৭৮.
নিচের কোনটি বিদ্যুৎ সঞ্চলন কোম্পানি?
  1. ক) ডেসকো
  2. খ) নেসকো
  3. গ) ডেসা
  4. ঘ) পিজিসিবি
ব্যাখ্যা
বিদ্যুৎ সঞ্চলন কোম্পানি হচ্ছে - পিজিসিবি বা পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ।

পিজিসিবি সারাদেশে বিদ্যুৎ সঞ্চালনের দায়িত্বে নিয়োজিত একমাত্র প্রতিষ্ঠান। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সবার নিকট মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য নির্ভরযোগ্য সঞ্চালন ব্যবস্থা গড়ে তোলার রূপকল্প নিয়ে ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিনিয়ত বিদ্যুৎ সঞ্চালন সিস্টেমের পরিবর্ধন করে যাচ্ছে। কোম্পানির মূল লক্ষ্য হচ্ছে- ন্যাশনাল গ্রিডকে ক্রমোন্নয়নের মাধ্যমে আরও দক্ষ ও কার্যকর করে গড়ে তোলা।

অন্যদিকে,
দেশে বিদ্যুৎ বিতরণের কাজটি করে চারটি কোম্পানি ও দুটি সংস্থা।
১. বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি),
২. ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ওজোপাডিকো),
৩. নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (নেসকো),
৪. পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি),
৫. ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি) ও
৬. ঢাকা ইলেকট্রিসিটি পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো)। 

২০০৮ সালের ১ জুলাই ঢাকা ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই অথরিটি (ডেসা) এর স্থলাবিষিক্ত হয় - ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি)।

সূত্র: পিজিসিবি ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
৭৯.
কোনটি বায়ুর উপাদান নয় ?
  1. ক) নাইট্রোজেন
  2. খ) হাইড্রোজেন
  3. গ) কার্বন ডাই অক্সাইড
  4. ঘ) ফসফরাস
ব্যাখ্যা
ফসফরাস বায়ুর উপাদান নয়।

বায়ুর উপাদানের শতকরা সংযুক্তি:
নাইট্রোজেন - ৭৮.০২%
অক্সিজেন - ২০.৭১%
আর্গন - ০.৮০%
জলীয় বাষ্প - ০.৪১%
কার্বন ডাই অক্সাইড - ০.০৩%
অন্যান্য গ্যাস - ০.০২%
ধূলিকণা ও কণিকা - ০.০১%

উৎসঃ নবম - দশম শ্রেণীর ভূগোল ও পরিবেশ বই (উন্মুক্ত)
৮০.
The very first English Dictionary was Compiled by -
  1. ক) Izaak Walton
  2. খ) Samuel Johnson
  3. গ) Samuel Butler
  4. ঘ) S. T. Coleridge
ব্যাখ্যা
• The very first English Dictionary was Compiled by - Samuel Johnson.
• A Dictionary of the English Language was first published on 15 April 1755 which was written by Samuel Johnson.
- এই কারণে তাকে Father of English Dictionary বলা হয়।
- তিনি ১৭৬৪ সালে ইংরেজি সাহিত্য ক্লাব প্রতিষ্ঠা করেন।

Source: Britannica