পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন২৫
সিলেবাস
বিষয় - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি অধ্যায়: আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক টপিকসমূহ: i) কূটনৈতিক ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি, সনদ ও সম্মেলন, কূটনৈতিক পরিভাষা। উৎস: বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, ওয়ার্ল্ড এটলাস ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।] ------------------------- [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৫ প্রশ্ন

.
তাসখন্দ চুক্তির মধ্যস্থতাকারী কে ছিলেন?
  1. মিখাইল গর্বাচেভ
  2. অ্যালেক্সি কোসিগিন
  3. লালবাহাদুর শাস্ত্রী
  4. জোসেফ স্টালিন
ব্যাখ্যা

তাসখন্দ চুক্তি:
- চুক্তির স্থান: তাসখন্দ, উজবেকিস্তান।
- তাসখন্দ চুক্তির তারিখ: ১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬।
- পক্ষ: ভারত ও পাকিস্তান।
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য: ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা।
- মধ্যস্থতা করেন: তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রধানমন্ত্রী অ্যালেক্সি কোসিগিন।
- এই চুক্তির মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে চিরবৈরী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।

• স্বাক্ষরকারী:
- ভারতের পক্ষ থেকে: প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী।
- পাকিস্তানের পক্ষ থেকে: প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি.কম।

.
CTBT-এর প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. নতুন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা
  2. আঞ্চলিক শান্তি চুক্তি করা
  3. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বৃদ্ধি
  4. পারমাণবিক অস্ত্রের সব ধরনের পরীক্ষা নিষিদ্ধ করা
ব্যাখ্যা

Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty (CTBT):
- CTBT একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি যা সব ধরনের পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধ করে- মিলিটারি ও সিভিলিয়ান উভয়ের জন্যই।
- ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।

উল্লেখ্য,
- ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ CTBT স্বাক্ষর করে।
- CTBT অনুমোদন করে: ৮ মার্চ, ২০০০ সালে।
- বাংলাদেশ CTBT অনুমোদনকারী ৫৪ তম দেশ।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।

.
নিম্নে কোন চুক্তিটি Good Friday Agreement নামে পরিচিত?
  1. আলজিয়ার্স চুক্তি
  2. শেনজেন চুক্তি
  3. বেলফাস্ট চুক্তি
  4. উই রিভার চুক্তি
ব্যাখ্যা

বেলফাস্ট চুক্তি (Belfast Agreement):
- স্বাক্ষরিত হয়: ১০ এপ্রিল ১৯৯৮।
- স্থান: বেলফাস্ট, উত্তর আয়ারল্যান্ড।
- চুক্তিটি কার্যকর হয়: ডিসেম্বর, ১৯৯৯ সাল।
- চুক্তির উদ্দেশ্য: উত্তর আয়ারল্যান্ডে দীর্ঘদিনের সহিংস সংঘাত অবসান  এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠা।
- চুক্তির পক্ষ: ব্রিটিশ সরকার, আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের কয়েকটি রাজনৈতিক দল।
- বেলফাস্ট চুক্তি Good Friday Agreement নামেও পরিচিত।
- উত্তর আয়ারল্যান্ডে যুদ্ধ পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বেলফাস্ট চুক্তিটি একটি মাইলফলক হিসাবে বিবেচিত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

.
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় কোন দেশে?
  1. অস্ট্রিয়া
  2. জার্মানি
  3. সুইজারল্যান্ড
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন:
- এই সম্মেলন জার্মানির মিউনিখ শহরে সাধারণত প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হয়।
- বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র/সরকার প্রধান, আন্তর্জাতিক ও বেসরকারি সংগঠনের প্রতিনিধি, বিভিন্ন পেশাজীবী, একাডেমিশিয়ান, বিশেষজ্ঞ প্রমুখ অংশগ্রহণ করেন এই সম্মেলনে।
- বৈশ্বিক নিরাপত্তাগত পলিসি, চ্যালেঞ্জ ও সহযোগিতা বিষয়ে আলোচনা হয় এই সম্মেলনে।
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে ১৯৬৩ সাল থেকে।
- স্নায়ুযুদ্ধের অবসানের পর মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের প্রধান দুই উদ্যোক্তা এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক এই সম্মেলনকে বিশ্বজনীন রূপ দেওয়ার প্রয়াসে নতুন রূপরেখা তৈরি করেন। 

উৎস: সিকিউরিটি কনফারেন্স সংস্থা ওয়েবসাইট, প্রথম আলো।

.
অটোয়া চুক্তি কার্যকর হয় কত তারিখে?
  1. ৩ ডিসেম্বর ১৯৯৭
  2. ১ জানুয়ারি ১৯৯৮
  3. ১ মার্চ ১৯৯৯
  4. ৩ মার্চ ২০০০
ব্যাখ্যা

অটোয়া চুক্তি (Ottawa Treaty):
- এর অপর নাম: Anti-Personnel Mine Ban Convention.
- স্বাক্ষরিত হয়: ৩ ডিসেম্বর ১৯৯৭।
- এই চুক্তি কার্যকর হয়: ১ মার্চ ১৯৯৯।
- স্বাক্ষর স্থান: অটোয়া, কানাডা।
- এটি একটি স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক চুক্তি।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৬৪টি।
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সব ধরনের স্থলমাইন ব্যবহার, উৎপাদন, মজুদ, নিষিদ্ধকরণ এবং ধ্বংস করা।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ৭ মে, ১৯৯৮ সালে চুক্তিটি স্বাক্ষর করে।
- ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে তা অনুমোদন করে।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

.
অসলো-১ শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কোন স্থানে?
  1. অসলো, নরওয়ে
  2. তেল আবিব, ইসরায়েল
  3. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  4. ওয়াশিংটন ডিসি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

অসলো-১ শান্তি চুক্তি:
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০ আগস্ট ১৯৯৩।
- স্থান: ওয়াশিংটন ডিসি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- অসলো শান্তি চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের পূর্বে নরওয়ের রাজধানী অসলোতে চুক্তিটি নিয়ে আলোচনা হওয়ায় চুক্তিটি অসলো চুক্তি নামে পরিচিত।
- অসলো-১ চুক্তির ফলে ইসরাইল ও ফিলিস্তিন পরস্পরকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন এতে মধ্যস্থতা করেন।
- ইস্রায়েলের প্রধানমন্ত্রী ইতিজহাক রাবিন এবং পিএলও চেয়ার ইয়াসির আরাফাত ওয়াশিংটন ডিসিতে চুক্তির স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন। 

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

.
আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল কত সালে?
  1. ১৯৭৩
  2. ১৯৭৫
  3. ১৯৭৭
  4. ১৯৮০
ব্যাখ্যা

আলজিয়ার্স চুক্তি:
- আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ইরাক-ইরান দুই দেশের মধ্যে।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৭৫ সালের ১৩ জুন।
- স্বাক্ষরের স্থান: আলজিয়ার্স, আলজেরিয়া।
- মধ্যস্থতাকারী দেশ: আলজেরিয়া।
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য: ইরাক ও ইরান সীমান্ত বিরোধ সমাধান ও শান্তি প্রতিষ্ঠা।

• চুক্তি স্বাক্ষরকারী:
- শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী (ইরান)।
- সাদ্দাম হোসেন (ইরাক)।

উল্লেখ্য,
- ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৮০ সালে ইরাক কর্তৃক ইরান আক্রমনের মধ্য দিয়ে এই চুক্তিটি অকার্যকর হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

.
যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষার স্থান কোনটি?
  1. ক্যালিফোর্নিয়া
  2. টেক্সাস
  3. নিউ মেক্সিকো
  4. জাপান
ব্যাখ্যা

কয়েকটি দেশের পারমানবিক পরিক্ষার স্থান ও সাল:
- যুক্তরাষ্ট্র প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষা চালায় ১৯৪৫ সালে নিউ মেক্সিকোতে।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন (রাশিয়া) ১৯৪৯ সালে সেমিপালাটিনস্কে পারমাণবিক পরীক্ষা করে।
- যুক্তরাজ্য ১৯৫২ সালে অস্ট্রেলিয়ার মন্টে বেলো দ্বীপপুঞ্জে প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষা চালায়।
- ফ্রান্স ১৯৬০ সালে আলজেরিয়ার সাহারা মরুভূমিতে পারমাণবিক পরীক্ষা চালায়।
- চীন ১৯৬৪ সালে লোপ নুরে প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষা করে।
- ভারত ১৯৭৪ ও ১৯৯৮ সালে পোখরানে পারমাণবিক পরীক্ষা চালায়।
- পাকিস্তান ১৯৯৮ সালে চাগাই পাহাড়ে পারমাণবিক পরীক্ষা করে।
- উত্তর কোরিয়া ২০০৬ সালে পুঙ্গগ্যে-রিতে পারমাণবিক পরীক্ষা চালায়।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

.
OPCW -এর প্রধান লক্ষ্য কোনটি?
  1. পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ
  2. বৈশ্বিক তেল উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ
  3. রাসায়নিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ
  4. জৈব অস্ত্র উৎপাদন
ব্যাখ্যা

Organization for the Prohibition of Chemical Weapons (OPCW):
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৭ সালে।
- এর সদর দপ্তর দ্য হেগ, নেদারল্যান্ডসে অবস্থিত।
- OPCW -এর প্রধান লক্ষ্য রাসায়নিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ।
- এর সদস্য দেশের সংখ্যা ১৯৩টি।
- দক্ষিণ সুদান, মিশর ও উত্তর কোরিয়া OPCW চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি।
- ইসরাইল OPCW চুক্তিতে স্বাক্ষর করলেও চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়নি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৯৩ সালে স্বাক্ষর করে।
- ১৯৯৭ সালে চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।
- OPCW ২০১৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।

উৎস: OPCW ওয়েবসাইট।

১০.
‘নেকড়ে যোদ্ধা কূটনীতি’ কোন দেশের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট?
  1. রাশিয়া
  2. চীন
  3. উত্তর কোরিয়া
  4. ভিয়েতনাম
ব্যাখ্যা

নেকড়ে যোদ্ধা কূটনীতি:
- নেকড়ে যোদ্ধা কূটনীতি চীনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি পররাষ্ট্রনীতি কৌশল।
- 'নেকড়ে যোদ্ধা' পরিভাষাটি চীনা অ্যাকশন চলচ্চিত্র ‘উলফ ওরিয়র–২ (Wolf Warrior 2)’ থেকে নেওয়া।
- এই কূটনৈতিক ধারা প্রথম জোরালোভাবে প্রয়োগ করেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।
- এর লক্ষ্য চীনের মর্যাদা ও প্রভাব বৃদ্ধি করা এবং জাতীয়তাবাদী অনুভূতি জোরদার করা।
- আন্তর্জাতিক সমালোচনার মুখে আক্রমণাত্মক ও আত্মবিশ্বাসী কূটনৈতিক ভাষা ব্যবহারের বৈশিষ্ট্য দেখা যায়।
- যুক্তরাষ্ট্রের চাপের প্রেক্ষিতে জি-৭ দেশগুলোর নতুন নিষেধাজ্ঞা ঠেকাতে চীন এই কৌশল গ্রহণ করে।

উৎস: The National Bureau of Asian Research (NBR).

১১.
INF-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. International Nuclear Force
  2. Intermediate Nuclear Framework
  3. International Range of Nuclear Forces
  4. Intermediate-Range Nuclear Forces
ব্যাখ্যা

INF:
- INF-এর পূর্ণরূপ হলো Intermediate-Range Nuclear Forces।
- এটি মাঝারি পাল্লার পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ৮ ডিসেম্বর ১৯৮৭ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: যুক্তরাষ্ট্র ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- স্বাক্ষরকারী নেতা: মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগান ও সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভ।
- চুক্তির মাধ্যমে ভূমিতে স্থাপিত ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ক্রুজ মিসাইল নিষিদ্ধ করা হয়।
- সমুদ্রে ও আকাশে ব্যবহৃত মিসাইল চুক্তির আওতায় অন্তর্ভুক্ত হয়নি।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০ অক্টোবর ২০১৮ সালে চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করেন।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২ আগস্ট ২০১৯ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে INF চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করে।

উৎস: Arms Control Association।

১২.
New START চুক্তি কোন দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও চীন
  2. যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত
  3. যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া
  4. রাশিয়া ও ইউক্রেন
ব্যাখ্যা

New START চুক্তি:
- New START চুক্তি হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ার মধ্যে পারমাণবিক অস্ত্র হ্রাস চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ৮ এপ্রিল ২০১০ সালে।
- চুক্তি কার্যকর হয় ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১১ সালে।
- স্বাক্ষরকারী নেতা: প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও দিমিত্রি মেদভেদেভ।
- চুক্তি মস্কো ও ওয়াশিংটনের মোট কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করে।
- ২০২৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি চুক্তি স্থগিতের ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

উৎস: Nuclear Threat Initiative

১৩.
Persona non grata শব্দের আক্ষরিক অর্থ কী?
  1. গোপন প্রতিনিধি
  2. কূটনৈতিক অতিথি
  3. স্বাগতপ্রাপ্ত ব্যক্তি
  4. অবাঞ্ছিত বা অগ্রহণযোগ্য ব্যক্তি
ব্যাখ্যা

Persona non grata:
- Persona non grata শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো অবাঞ্ছিত বা অগ্রহণযোগ্য ব্যক্তি।
- এটি একটি ল্যাটিন শব্দ।
- এই পদবী ব্যবহৃত হয় কোনো ব্যক্তিকে কোনো দেশে প্রবেশ বা অবস্থানের জন্য অগ্রহণযোগ্য ঘোষণা করার জন্য।
- কূটনৈতিক প্রেক্ষাপটে এটি সাধারণত বিদেশী কূটনীতিকদের জন্য প্রযোজ্য।
- যদি কোনো দেশের সরকার কোনো কূটনীতিককে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে, তাকে Persona non grata হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং সেই দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়।

উৎস: The National Museum of American Diplomacy (.gov)

১৪.
আন্তর্জাতিক গুমবিরোধী দিবস কবে পালিত হয়?
  1. ২৯ আগস্ট
  2. ৩০ আগস্ট
  3. ১ সেপ্টেম্বর
  4. ১৪ আগস্ট
ব্যাখ্যা

গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদ (ICPPED):
- ICPPED-এর পূর্ণরূপ হলো International Convention for the Protection of All Persons from Enforced Disappearance।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ২০ ডিসেম্বর, ২০০৬ সালে।
- চুক্তি কার্যকর হয় ২৩ ডিসেম্বর, ২০১০ সালে।
- ICPPED হলো জাতিসংঘের আওতাধীন একমাত্র আন্তর্জাতিক কনভেনশন যা Enforced Disappearance বিষয়ক।
- চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো গুম বন্ধ করা, দায়মুক্তি রোধ করা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের সহায়তা প্রদান।
- সনদে মোট ৪৫টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ২৯ আগস্ট, ২০২৪ সালে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে।
- প্রতি বছর ৩০ আগস্ট আন্তর্জাতিক গুমবিরোধী দিবস হিসেবে পালিত হয়।

উৎস: i) OHCHR ওয়েবসাইট। ii) UNTC ওয়েবসাইট।

১৫.
The Treaty on the Prohibition of Nuclear Weapons (TPNW) চুক্তির বিপক্ষে ভোট দেয় কোন দেশ?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. রাশিয়া
  3. চীন
  4. নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা

TPNW:
- TPNW-এর পূর্ণরূপ হলো The Treaty on the Prohibition of Nuclear Weapons।
- এটি একটি পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি।
- চুক্তিতে পারমাণবিক অস্ত্রের বিকাশ, পরীক্ষা, উৎপাদন, অধিগ্রহণ, অধিকার, মজুদ, ব্যবহার বা হুমকি না দেওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আছে।
- চুক্তিটি গৃহীত হয় ৭ জুলাই ২০১৭ সালে, পরমাণু অস্ত্র মুক্ত বিশ্ব গড়ার লক্ষ্যে।
- এই চুক্তির পক্ষে ভোট দেয় ১২২টি দেশ।
- আর বিপক্ষে ভোট দেয় ১টি দেশ (নেদারল্যান্ডস)।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে।
- আর চুক্তি কার্যকর হয় ২২ জানুয়ারি ২০২১ সালে।
- চুক্তিতে মোট স্বাক্ষরকারী দেশ ৯৪টি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে স্বাক্ষর করে।
- ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ সালে অনুমোদন করে।

উৎস: United Nations Treaty Collection ওয়েবসাইট।

১৬.
Arms Trade Treaty (ATT) চুক্তি কবে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ২৪ ডিসেম্বর ২০১৪
  2. ১ জানুয়ারি ২০১৩
  3. ২ এপ্রিল ২০১৪
  4. ২ এপ্রিল ২০১৩
ব্যাখ্যা

Arms Trade Treaty (ATT):
- Arms Trade Treaty (ATT) হলো প্রচলিত আন্তর্জাতিক অস্ত্র বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ চুক্তি।
- এর প্রস্তাবক হলো জাতিসংঘ।
- ATT চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ২ এপ্রিল ২০১৩ সালে (জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে)।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ২৪ ডিসেম্বর ২০১৪ সালে।
- অনুমোদনকারী দেশ সংখ্যা: ১১৬টি।
- স্বাক্ষর করেছে কিন্তু এখনও অনুমোদন দেয়নি: ২৬টি দেশ।
- চুক্তির উদ্দেশ্য: প্রচলিত অস্ত্রের অবৈধ বাণিজ্য রোধ ও মানবাধিকার রক্ষা।
- ATT ধারণার মূল প্রবক্তা: নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী কোস্টারিকার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি অস্কার অ্যারিয়াস (Oscar Arias)।
- যুক্তরাজ্য ২০০৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ATT প্রস্তাব জাতিসংঘে উত্থাপন করে।
- অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং অক্সফাম ATT-এর পক্ষে ব্যাপক প্রচারণা চালায়।
- ATT ২০১৩ সালে চূড়ান্তভাবে স্বাক্ষরিত হয়।

উৎস: UN ওয়েবসাইট এবং Arms Trade Treaty ওয়েবসাইট।

১৭.
Anti Ballistic Missile Treaty কোন দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও চীন
  2. রাশিয়া ও ভারত
  3. যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য
  4. যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা

ABM Treaty:
- ABM-এর পূর্ণরূপ: Anti Ballistic Missile Treaty।
- এটি একটি ক্ষেপণাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti-Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- স্বাক্ষরিত হয় ২৬ মে ১৯৭২ সালে।
- কার্যকর হয় ৩ অক্টোবর ১৯৭২ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: মস্কো, রাশিয়া।
- চুক্তির বিষয়: দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তিটি বাতিল হয় ১৩ জুন ২০০২ সালে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের ৬ মাস পরে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৩ ডিসেম্বর ২০০১-এ চুক্তি থেকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।

১৮.
WMD-তে কোন ধরনের অস্ত্র অন্তর্ভুক্ত?
  1. Nuclear Weapon
  2. Chemical Weapon
  3. Biological Weapon
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

WMD:
- WMD-এর পূর্ণরূপ হলো Weapons of Mass Destruction।
- WMD বলতে বোঝায় গণবিধ্বংসী অস্ত্র।
- ২০০৩ সালে মার্কিন জোট ইরাকে আক্রমণ করেছিল WMD থাকার আশঙ্কায়।
- ‘WMD’ শব্দটি প্রথম ব্যবহার করা হয় ১৯৩৭ সালে, বোমারু বিমানের ব্যাপক ধ্বংস ক্ষমতা বর্ণনা করতে।
- Weapons of Mass Destruction-এ অন্তর্ভুক্ত অস্ত্রগুলো হলো: Nuclear Weapon, Chemical Weapon, Biological Weapon।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৯.
ডলার কূটনীতি প্রয়োগ করেছিলেন কোন প্রেসিডেন্ট?
  1. উড্রো উইলসন
  2. বারাক ওবামা
  3. রোনাল্ড রিগান
  4. উইলিয়াম হাওয়ার্ড ট্যাফট
ব্যাখ্যা

ডলার কূটনীতি (Dollar Diplomacy):
- ডলার কূটনীতি হলো একটি কূটনৈতিক কৌশল যা অর্থনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে রাজনৈতিক বা কৌশলগত লক্ষ্য অর্জন করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- শব্দটি প্রথমত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবহৃত হয়।
- ডলার কূটনীতি প্রধানত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশল হিসেবে পরিচিত।
- এই কৌশল প্রয়োগ করেন প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম হাওয়ার্ড ট্যাফট এবং তার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফিল্যান্ডার নক্স।
- ডলার কূটনীতি অর্থনৈতিক প্রভাবের মাধ্যমে অন্য দেশগুলোর ওপর রাজনৈতিক প্রভাব সৃষ্টি করার চেষ্টা করে।
- ১৯০০ থেকে ১৯১০ সালের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কিউবা, হন্ডুরাস এবং ডোমিনিকান রিপাবলিক এর মতো দেশগুলিতে এই নীতি ব্যবহার করেছিল।
- পরবর্তীতে ২৮তম প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন আগ্রাসী নীতি থেকে সরে আসেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২০.
নানকিং চুক্তির মাধ্যমে কোন অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ ব্রিটিশদের দেওয়া হয়?
  1. সাংহাই
  2. মাকাও
  3. তাইওয়ান
  4. হংকং
ব্যাখ্যা

নানকিং চুক্তি:
- আফিম চোরাচালানকে কেন্দ্র করে চীন ও ব্রিটেনের মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধে প্রথম আফিম যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৮৩৯-১৮৪২ সালে।
- এই যুদ্ধে পরাজয়ের পর চীনের শাসকগোষ্ঠী ব্রিটিশদের সঙ্গে একটি অপমানজনক চুক্তি স্বাক্ষর করতে বাধ্য হয়।
- এই চুক্তির নাম হলো নানকিং চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ২৯ আগস্ট ১৮৪২ সালে।
- এই চুক্তিই প্রথম আফিম যুদ্ধের অবসান ঘটায়।
- নানকিং চুক্তির মাধ্যমে ব্রিটিশদের হংকংয়ের নিয়ন্ত্রণ দেওয়া হয়।
- চীনের সরকার ব্রিটেনকে বিভিন্ন বাণিজ্যিক সুবিধা প্রদানে বাধ্য হয়।
- পরবর্তীতে ১৮৯৮ সালে চীন সরকার ৯৯ বছরের জন্য হংকংকে ব্রিটেনের নিকট লিজ দেয়।
- লিজের মেয়াদ শেষে ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই হংকং ব্রিটেন থেকে পুনরায় চীনের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২১.
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তিতে মধ্যস্থতা করেন কোন মার্কিন প্রেসিডেন্ট?
  1. রিচার্ড নিক্সন
  2. জিমি কার্টার
  3. রোনাল্ড রিগান
  4. বারাক ওবামা
ব্যাখ্যা

ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি:
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ইসরাইল ও মিশরের মধ্যে।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৮ সালে।
- এই চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: ক্যাম্প ডেভিড, যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডে অবস্থিত অবকাশ যাপন কেন্দ্র।
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তিতে মধ্যস্থতা করেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।
- এই চুক্তির ফলে মিশরকে আরব লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২২.
‘দাঁতাত’ শব্দের আক্ষরিক অর্থ কী?
  1. অর্থনৈতিক সহায়তা
  2. সামরিক শক্তি বৃদ্ধি
  3. রাজনৈতিক সমঝোতা
  4. উত্তেজনা প্রশমন ও বন্ধুত্বের পুনঃপ্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা

দাঁতাত (Detente)
- ‘দাঁতাত’ একটি ফরাসি শব্দ।
- দাঁতাতের অর্থ হলো উত্তেজনা প্রশমন ও বন্ধুত্বের পুনঃপ্রতিষ্ঠা।
- এটি সাধারণত দুটি দেশের মধ্যে উত্তেজনা বা শত্রুতা কমিয়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে গৃহীত হয়।
- শীতল যুদ্ধের সময় দাঁতাতের উদাহরণ হলো: SALT চুক্তি এবং হেলসিংকি চুক্তি।
- দাঁতাতের মাধ্যমে দেশগুলো সম্পর্ক উন্নয়ন, সামরিক উত্তেজনা হ্রাস, এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২৩.
ANZUS চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কোথায়?
  1. ওয়াশিংটন, ডিসি
  2. সান ফ্রান্সিসকো
  3. প্যারিস
  4. নিউইয়র্ক
ব্যাখ্যা

আনজুস (ANZUS) চুক্তি:
- ANZUS পূর্ণরূপ: The Australia, New Zealand and United States Security Treaty.
- স্বাক্ষরিত দেশ: অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরের তারিখ: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১।
- স্বাক্ষরের স্থান: সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া।
- আনুষ্ঠানিক নাম: Pacific Security Treaty (প্রশান্ত মহাসাগরীয় নিরাপত্তা চুক্তি)।
- উদ্দেশ্য: আগ্রাসনের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহায়তা এবং শান্তিপূর্ণভাবে বিরোধ নিষ্পত্তি।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২৪.
মিনস্ক চুক্তিতে মধ্যস্থতাকারী দেশ কারা ছিল?
  1. চীন ও জাপান
  2. জার্মানি ও ফ্রান্স
  3. রাশিয়া ও ইউক্রেন
  4. যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

মিনস্ক চুক্তি:
- স্বাক্ষরিত: ২০১৪
- স্থান: মিনস্ক, বেলারুশ।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: রাশিয়া ও ইউক্রেন।
- মধ্যস্থতাকারী: জার্মানি ও ফ্রান্স।
- উদ্দেশ্য: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করা।
- পূর্ব ইউক্রেন থেকে সব সামরিক স্থাপনা ও ভাড়াটে সেনা সরানো।
- বিচ্ছিন্নতাবাদী অঞ্চলগুলোকে বিশেষ মর্যাদা প্রদান।
- চুক্তির ফলে প্রায় ৮ বছরের জন্য যুদ্ধ স্থগিত ছিল।
- রাশিয়া ২০২২ সালে চুক্তি বাতিল করে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান পরিচালনা করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২৫.
NATO -এর চুক্তিপত্রে আর্টিকেল বা অনুচ্ছেদ সংখ্যা কতটি?
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৪টি
ব্যাখ্যা

North Atlantic Treaty Organization  (NATO):
- স্বাক্ষর: ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র।
- শুরুতে সদস্য দেশ: ১২টি।
- NATO চুক্তিপত্রে মোট ১৪টি অনুচ্ছেদ (Article) রয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ হলো 'আর্টিকেল - ৫'।

• ন্যাটোর অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
- অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
- অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
- অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
- অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা ,
- অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
- অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
- অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
- অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
- অনুচ্ছেদ.১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
- অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
- অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,
- অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।