পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৫৩
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 14” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- ৪৭তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট⎯১৩
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫৩ প্রশ্ন

.
In the line "Death lays his icy hand on kings," what literary device is being used?
  1. Metaphor
  2. Personification
  3. Irony
  4. Simile
ব্যাখ্যা

• "Death lays his icy hand on kings." —
- এখানে Death (মৃত্যু) কে মানুষের মতো গুণ দেওয়া হয়েছে।
- মৃত্যুর আসলে হাত নেই, কিন্তু এখানে বলা হয়েছে সে তার "বরফের মতো ঠান্ডা হাত" রাজাদের গায়ে রাখছে।
- অর্থাৎ অমানবীয় (abstract) ধারণা "Death" কে মানুষসদৃশ রূপ দেওয়া হয়েছে।
- তাই এটি Personification.

• Personification: (ব্যক্তিরূপ দান)
- A figure of speech in which lifeless objects or ideas are given imaginary life.
- অর্থাৎ নির্জীব বা জড় বস্তুকে ব্যক্তিরূপে প্রয়োগ করার কৌশল।
- Personification এর মাধ্যমে কোন জড় বস্তুকে কাল্পনিক জীবন দান করে সেগুলোকে উপমা হিসাবে লেখায় ব্যবহার করা হয়। 

যেমন:
''There lies the port: the vessel puffs her sail:
(Tennyson: ''Ulysses'')
The vessel has been used as a living being.

Other options,
• Metaphor:
- Metaphor involves - Implicit comparison.
- Metaphor is an implicit comparison between two different things.
- যখন কোনো বাক্যে দুটি ভিন্ন বা বিজাতীয় জিনিসের মাঝে পরোক্ষভাবে বা রূপকার্থে তুলনা করা হয় তাকে বলা হয় Metaphor.
- সাধারণত Metaphor দ্বারা এমন দুইটি জিনিসের মধ্যে তুলনা দেওয়া হয় যারা একই রকম বা সদৃশ নয় কিন্তু তাদের মধ্যে কিছু সাধারণ মিল থাকে।

​• Irony:
​- 'Irony' is an Expression or statement where real meaning is concealed or contradicted.
​- 'Irony' বলতে মূলত বক্তব্য জোরালো করতে নিজ চিন্তার সম্পূর্ণ বিপরীত কিছু বলে মনোভাব ব্যক্তকরণকে বুঝায়।
​- প্রশংসার আদলে নিন্দা কিংবা নিন্দার আদলে প্রশংসা করা হয় এরূপ রচনা দ্বারা।
​- অর্থাৎ এ ধরনের উক্তি দ্বারা যা বলা হয়, প্ৰকৃত অর্থ তার সম্পুর্ন বিপরীত বুঝানো হয়। 

​• Simile:
- A simile is an explicit comparison between two different things.
- Usually as and like are used in it.
- In simile the resemblance is explicitly indicated by the words.
- দুটি ভিন্নধর্মী জিনিসের মধ্যে As ও Like দ্বারা তুলনা বোঝালে তাকে Simile বলে।
- উপমেয়ের সাথে উপমানের সাদৃশ্য কল্পনা করা।
- যেমন: She is as innocent as a lamb.

Source: An ABC of English Literature, Dr M Mofizar Rahman.

.
The Romantic Age in English literature is generally said to have begun in—
  1. 1768
  2. 1758
  3. 1798
  4. 1885
ব্যাখ্যা

The Romantic Age in English literature is generally said to have begun in — 1798.

• Romantic period:
- (1798-1832) is known as the Romantic period of English literature.
- The Romantic Period is the shortest period of English Literature.
-  ১৭৯৮ সালে William Wordsworth রচিত Lyrical Ballads এর প্রকাশনার মাধ্যমে Romantic Period এর সূচনা হয়।
- ১৮৩২ সালে Reformation Act এর মাধ্যমে এই যুগের সমাপ্তি ঘটে।
- এই যুগকে 'Revival of Romanticism' ও বলা হয়ে থাকে because the romantic ideals of the Elizabethan Period revived during this period.
- এই যুগের স্থায়িত্বকাল মাত্র ৩৪ বছর (1798-1832).

• English Literature Periods and their sub-ages: 
1. The Old English Period (450 -1066) (longest period).

2. The Middle English Period (1066 -1500)
i) The Anglo-Norman Period.
ii) The Age of Chaucer.

3. The Renaissance Period (1500 -1660),
i) Elizabethan Period (1558-1603), (Golden age),
ii) Jacobean Period (1603-1625),
iii) Caroline Period (1625-1649) and
iv) Commonwealth Period (1649-1660).

4. The Neoclassical Period (1660 -1785),
i) The Restoration Period (1660-1700),
ii) The Augustan Period (1700-1745) (age of Pope),
iii) The Age of Sensibility (1745-1785/1798). (Age of Dr. Samuel Johnson).

5. The Romantic Period (1798 -1832) (shortest period).

6. The Victorian Period (1832 -1901),
i) The Pre-Raphaelites: (1848-1860),
ii) Aestheticism & Decadence: (1880-1901).

7. The Modern Period (1901 -1939),
1. The Edwardian Period (1901-1910),
2. The Georgian Period (1910-1939).

8. The Post Modern Period (1939-present) (latest period).

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.
 

.
Who among the following writers is most famous for using the narrative technique called “Stream of Consciousness”?
  1. W. B. Yeats
  2. T. S. Eliot
  3. James Joyce
  4. Robert Browning
ব্যাখ্যা

James Joyce হলেন "Stream of Consciousness" বা "চেতনাপ্রবাহ" কৌশলের সবচেয়ে বিখ্যাত ও দক্ষ ব্যবহারকারী।

• Stream of consciousness:
- It is a narrative technique in nondramatic fiction intended to render the flow of myriad impressions—visual, auditory, physical, associative, and subliminal—that impinge on the consciousness of an individual and form part of the character’s awareness along with the trend of the character’s rational thoughts.
- শব্দটি সর্বপ্রথম মনোবিজ্ঞানী উইলিয়াম জেমস 'The Principles of Psychology'তে ব্যবহার করেন।
-  As the psychological novel developed in the 20th century, some writers attempted to capture the total flow of their characters’ consciousness, rather than limit themselves to rational thoughts.
- মনের সম্পূর্ণ সমৃদ্ধি, গতি এবং সূক্ষ্মতাকে উপস্থাপন করার জন্য, লেখক তাদের লেখনীতে অসংলগ্ন চিন্তা, অব্যকরণগত নির্মাণ এবং ধারণা, চিত্র এবং শব্দের অবাধ মেলামেশাকে অন্তর্ভুক্ত করেছেন।
- The stream-of-consciousness novel commonly uses the narrative techniques of interior monologue.
- James Joyce এবং Virginia Woolf এর উপন্যাসগুলোতে Stream of consciousness এর উপস্থিতি রয়েছে।
- James Joyce's Ulysses is a complex evocation of the inner states of the characters Leopold and Molly Bloom and Stephen Dedalus.
-  Virginia Woolf’s The Waves (1931), is a complex novel in which six characters recount their lives from childhood to old age.

• Some notable work: 
- A Portrait of the Artist as a Young Man,
- After the Race,
- Chamber Music,
- Dubliners,
- Evelin,
- Exiles,
- Finnegans Wake,
- Stephen Hero,
- The Day of the Rabblement,
- The Dead,
- The Sisters,
- Ulysses.

Source: Britannica.

.
'Four Quartets' was written by the writer of 
  1. The Tower
  2. Sailing to Byzantium
  3. Gerontion
  4. The Road Not Taken
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) Gerontion.

• 'Four Quartets' is a series of poems by T. S Eliot,  
- Gerontion ও T. S. Eliot এর বিখ্যাত কবিতা।

• 'Four Quartets' is a series of poems by T. S Eliot.

- এটি কবির লেখা চারটি কবিতার একটি সিরিজ, যা ১৯৩৬ থেকে ১৯৪২ সালের মধ্যে আলাদাভাবে প্রকাশিত হয় এবং ১৯৪৩ সালে একটি বই আকারে প্রকাশিত হয়।
- এটি এলিয়টের শ্রেষ্ঠ রচনা হিসেবে বিবেচিত হয়।

• প্রত্যেকটি "Quartets'"-এর পাঁচটি "movement" বা "part" রয়েছে এবং প্রতিটি কবিতার নামকরণ একটি স্থান-এর নাম দ্বারা করা হয়েছে। 
- কবিতা চারটি হচ্ছে -
1. Burnt Norton (1936),
2. East Coker (1940)
3. The Dry Salvages (1941),
4. Little Gidding (1942). 

• এই চারটি কবিতার মাধ্যমে এলিয়ট জীবনের চক্রাকার প্রকৃতি সম্পর্কে তার অন্তর্দৃষ্টি প্রকাশ করেছেন, যা থিম এবং চিত্রকল্পের সূক্ষ্ম বিন্যাসে ফুটে উঠেছে।
- এই রচনায় ব্যক্তিগত ও ঐতিহাসিক বর্তমান এবং অতীতের সংযোগ, আধ্যাত্মিক পুনর্জাগরণ, এবং অভিজ্ঞতার প্রকৃতি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এটি এলিয়টের খ্রিস্টান বিশ্বাসের সবচেয়ে স্পষ্ট প্রকাশ হিসেবে বিবেচিত হয়।

• এই কবিতাগুলো সময়, আধ্যাত্মিকতা, মানব অস্তিত্ব, এবং চিরন্তন সত্যের অনুসন্ধান নিয়ে লেখা।
- কবিতাগুলো অতীত, বর্তমান, এবং ভবিষ্যতের ধারণা নিয়ে আলোচনা করে। কবি সময়ের সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করে আধ্যাত্মিক মুক্তি এবং চিরন্তন সত্যের সন্ধান করেন। তিনি ধর্মীয় বিশ্বাস, মানব জীবনের অর্থ, এবং ইতিহাসের পুনরাবৃত্তির ধারণা নিয়ে কথা বলেন। কবিতায় প্রকৃতি, প্রেম, ঈশ্বর, এবং মানবজীবনের সংক্ষিপ্ততার মধ্যে গভীর সম্পর্ক প্রতিফলিত হয়েছে।
- "Four Quartets" আধুনিকতাবাদী সাহিত্যকর্মের একটি মাইলফলক এবং এটি টি. এস. এলিয়টের আধ্যাত্মিক ও দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গির চূড়ান্ত প্রকাশ।
------------------
• Gerontion:
- এটি T.S. Eliot লিখিত একটি কবিতা।
- যুদ্ধের পাশাপাশি এর মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে ধর্ম এবং রাজনৈতিক অভ্যুত্থান।
- কবিতাটি 1919 সালে সংঘটিত বিভিন্ন ঘটনাবলী এবং এসকল বিষয়ে কবির নিজস্ব বিশ্ব, যুদ্ধ, ধর্ম এবং রাজনীতির একটি জটিল দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছে।
- It an eight-stanza poem that's divided into uneven sets of lines.

• T. S. Eliot (Thomas Stearns Eliot)
- He was born in September 26, 1888, St. Louis, Missouri, U.S.
- ১৯৬৫ সালের ৪ জানুয়ারি তিনি লন্ডনে মারা যান।
- Eliot কে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক বিবেচেনা করা হয়। তিনি ১৯৪৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
 
• Best works:
• Poems
- The Waste Land (1922),
- Four Quartets,
- The Hollow Men,
- The Love Song of J. Alfred Prufrock,
- Ash Wednesday (Poem)
 
• His well known plays:
- The Confidential Clerk,
- Murder in the Cathedral,
- The Cocktail Party,
- The Elder Statesman,
- The Trail of a Judge etc.

অন্য অপশনগুলো:

- The Tower – W. B. Yeats, 
- Sailing to Byzantium – W. B. Yeats, 
- The Road Not Taken – Robert Frost. 

Source: An ABC of English Literature, Dr M Mofizar Rahman and Britannica.

.
The lines “Love all, trust a few, Do wrong to none” are from which literary work?
  1. Hamlet
  2. Othello
  3. All's Well That Ends Well
  4. As You Like It
ব্যাখ্যা

"Love all, trust a few,
Do wrong to none" — এই উক্তি William Shakespeare এর নাটক All's Well That Ends Well থেকে নেওয়া।

• All's Well That Ends Well:
- 'All's Well That Ends Well' (১৬০১-০৫) শেক্সপিয়রের একটি কমেডি নাটক, যার মূল কাহিনি Giovanni Boccaccio's Decameron থেকে নেওয়া।
- গল্পের নায়িকা হেলেনা, এক বিখ্যাত চিকিৎসকের কন্যা, যিনি সদ্যপ্রয়াত রসিলিয়নের তরুণ কাউন্ট এর (Bertram) প্রেমে পড়ে।
- Bertram হেলেনার সামাজিক অবস্থান মেনে না নিয়ে ফ্রান্সের রাজদরবারে চলে যায়, কিন্তু হেলেনা তার বাবার ঔষধ দিয়ে অসুস্থ রাজাকে ভালো করে তোলে ও পুরস্কার হিসেবে বর বেছে নিতে চায় সে বেছে নেয় Bertram.
- Bertram বিয়েতে বাধ্য হলেও তাসকানিতে যুদ্ধে পালিয়ে যায়, এবং চিঠিতে জানায় হেলেনা তখনই তার স্ত্রী হবে, যখন সে Bertram-এর আংটি পাবে ও তার সন্তানের মা হবে।
- হেলেনা তীর্থযাত্রীর ছদ্মবেশে তাসকানিতে যায়, দেখে Bertram এক মেয়ের (Diana) প্রেমে পড়ে, তখন সে নিজের মৃত্যুর গুজব ছড়ায় ও রাতে Diana-র জায়গায় Bertram-এর সঙ্গে মিলিত হয়, আংটি পায় ও নিজের আংটি তাকে দেয়।
- শেষমেশ, যখন Bertram রসিলিয়নে ফিরে আসে, রাজা আংটি দেখে সন্দেহ করে, তখন হেলেনা উপস্থিত হয়ে নিজের চালাকি খোলসা করে ও স্বামী হিসেবে Bertram-কে দাবি করে।

• Shakespeare:
- তার জন্মস্থান Stratford Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- তাকে 'Bard of Avon' বলা হয়।
- He is considered by many to be the greatest dramatist of all time. 

• Notable works: 
• Tragedy:
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Julius Caesar.

• Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- A Midsummer Night's Dream etc.

• Famous poem:
- Shall I Compare Thee to a Summer Day/Sonnet 18,
- The Rape of Lucrece,
- Venus and Adonis.

Source: Britannica and An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.

.
Being naturally lazy, I often ________, leaving important tasks until the very last minute.
  1. Procrastinate
  2. Procastinate
  3. Procrastinait
  4. Procrastinatte
ব্যাখ্যা

Answer: ক) Procrastinate.

Complete sentence: Being naturally lazy, I often procrastinate, leaving important tasks until the very last minute.
Bangla: স্বভাবজাতভাবে অলস হওয়ায়, আমি প্রায়ই কাজ পেছনে ফেলে দেই এবং গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত রেখে দেই।

• Procrastinate:

English meaning: to keep delaying something that must be done, often because it is unpleasant or boring.
Bangla meaning: (আনুষ্ঠানিক) কালক্ষেপণ/দীর্ঘসূত্রতা/গড়িমসি করা।

Example: 
- When it comes to housework, I tend to procrastinate.
- They will procrastinate for as long as possible.

Source: Cambridge Dictionary.

.
Fill in the blank: Many accidents at the factory _____ workers who do not read warning signs.
  1. are caused of
  2. is the cause of
  3. are caused by
  4. are a caused
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) are caused by.

Complete sentence: Many accidents at the factory are caused by workers who do not read warning signs.

• ইংরেজিতে যখন কোন কিছু কারো বা কিছুর কারণে ঘটে, তখন আমরা “caused by” ব্যবহার করা হয়।
- “caused by” হলো সঠিক ইংরেজি প্রিপোজিশনাল ফর্ম, যা বোঝায় কোনো কিছুর কারণে কিছু ঘটে।
- এখানে “workers who do not read warning signs” (যারা সতর্কতা চিহ্ন পড়ে না) তাদের কারণে ফ্যাক্টরিতে অনেক দুর্ঘটনা ঘটে।

বিকল্প বিশ্লেষণ:
ক) are caused of
- “caused of” ভুল, সঠিক preposition হলো by.

খ) is the cause of
- “is” → singular, কিন্তু subject “Many accidents” → plural. 

ঘ) are a caused:
 → grammatically ভুল, কারণ “caused” হলো past participle; এখানে noun বা proper verb phrase দরকার।

.
Choose the correct sentence.
  1. His denial on responsibility for the accident was unconvincing.
  2. His denial of responsibility for the accident was unconvincing.
  3. His denial in responsibility for the accident was unconvincing.
  4. His denial to responsibility for the accident was unconvincing.
ব্যাখ্যা

• denial (of):
Meaning: অস্বীকার; প্রত্যাখ্যান।

• Appropriate preposition এর ক্ষেত্রে,
- denial এর সাথে 'অস্বীকার/ প্রত্যাখ্যান' অর্থ বুঝাতে of বসে।
- এই বাক্যটির ক্ষেত্রে of বসালে বাক্যটির অর্থ পরিপূর্ণ হয়।
- তাই এই বাক্যে preposition হিসেবে of বসবে।

Complete sentence: His denial of responsibility for the accident was unconvincing.

Source: Accessible Dictionary.

.
What is the meaning of “Maleficent”?
  1. Kind and generous
  2. Harmful or evil
  3. Brave and heroic
  4. Extraordinary
ব্যাখ্যা

Answer - Harmful or evil.

• Maleficent:
English meaning: bad or harmful.
Bangla meaning: অপরাধজনক; ক্ষতিকর; অমঙ্গলকর; অপরাধপূর্ণ; অমঙ্গলকারী; ক্ষতিকারক।

Example:
- The maleficent plot devised by the antagonist nearly brought the kingdom to ruin.

Source: Cambridge Dictionary.

১০.
Identify the correct sentence.
  1. Many native speakers of a language show indifference on grammatical points.
  2. Many native speakers of a language show indifference of grammatical points.
  3. Many native speakers of a language show indifference in grammatical points.
  4. Many native speakers of a language show indifference to grammatical points.
ব্যাখ্যা

indifference (to):
Meaning: ঔদাসীন্য; উদাসীনতা; অনীহা; নিঃস্পৃহতা; বিতৃষ্ণা; বৈরাগ্য।
 
• Appropriate preposition এর ক্ষেত্রে,
- indifference এর সাথে 'ঔদাসীন্য/ উদাসীনতা/ অনীহা' অর্থ বুঝাতে to বসে।
- এই বাক্যটির ক্ষেত্রে to বসালে বাক্যটির অর্থ পরিপূর্ণ হয়।
- তাই এই বাক্যে preposition হিসেবে to বসবে।

Complete sentence: Many native speakers of a language show indifference to grammatical points.

Source: Accessible Dictionary.

১১.
Peter Bell, a long narrative poem, was written during -
  1. Neoclassical period
  2. Romantic period
  3. Victorian period
  4. Modern period
ব্যাখ্যা

Peter Bell, a long narrative poem, was written during - Romantic period.

• Peter Bell:

- This is a long narrative poem.
- কাহিনীর শুরুতেই দেখা যায়, চাঁদের আলোতে নির্মমভাবে সে একজন গাধাকে প্রহার করছে।
- কবিতায় মূলত: দেখানো হয়, Peter Bell একজন hard-hearted sinner. অনুশোচনায় দগ্ধ হয়ে সে নিজেকে পরিবর্তন করতে চায়।

• William Wordsworth:
- তিনি জন্মগ্রহণ করেন April 7, 1770, Cockermouth, Cumberland, England.
- তাকে 'Poet of Nature' বলা হয়।
- তাকে  Lake poet বলা হয়, কারণ তিনি North England এর Lake District এ জন্মগ্রহণ করেন।
- Wordsworth was born in the Lake District of northern England, which is why he is called the Lake Poet.

• তাঁর বিখ্যাত কবিতা:
- The Solitary Reaper,
- Tintern Abbey,
- Rainbow,
- The Daffodils,
- The Excursion,
- Michael etc.

Source: Britannica.

১২.
Caesar and Cleopatra, which was written by G.B. Shaw, was a ______ play.
  1. one-act
  2. three-act
  3. four-act
  4. five-act
ব্যাখ্যা

Caesar and Cleopatra, which was written by G.B. Shaw, was a four-act play.

• Caesar and Cleopatra:

- এটি George Bernard Shaw রচিত একটি 4 act বিশিষ্ট tragedy play.
- এই ট্র্যাজিডিটি ১৮৯৮ সালে রচিত এবং ১৯০১ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এটি লেখকের first great play হিসেবে বিবেচিত।
- Caesar and Cleopatra was extraordinarily successful, largely because of Shaw’s talent for characterization.

• G. B. Shaw (1856-1950):
- তার পুরো নাম George Bernard Shaw.
- তিনি 'Modern period' এর নাট্যকার।
- George Bernard Shaw একজন Irish নাট্যকার এবং সাহিত্য সমালোচক।
- তিনি ১৯২৫ সালে নোবেল পুরস্কার পান।

• Famous Plays of G.B. Shaw:
- Pygmalion (Romantic play),
- Major Barbara (Social satire),
- Mrs. Warren's Profession;(play),
- Arms and the Man (Romantic comedy),
- Heartbreak House;
- Caesar and Cleopatra; (play/tragedy),
- Man and Superman; (Comedy play),
- The Doctor's Dilemma; (satire drama/play, Epilogue),
- St. Joan of Arc etc.

• উল্লেখ্য যে, Antony and Cleopatra শিরোনামে William Shakespeare এর একটি tragedy play রয়েছে।

Source: An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman; Encyclopedia Britannica and Live MCQ Lecture.

১৩.
In the famous play 'The Merchant of Venice', Shylock was -
  1. A Christian merchant
  2. A Venetian nobleman
  3. A Jewish moneylender
  4. A lawyer from Venice
ব্যাখ্যা

Answer - A Jewish moneylender.

• The Merchant of Venice:
- এটি Shakespeare লিখিত একটি comedy.
- একজন ইহুদি (Jew) সুদখোর 'Shylock' এর কাহিনি নিয়ে এটি রচিত। 
- তিনি ছিলেন একজন moneylender. 
- এটি একটি five acts বিশিষ্ট comedy.
- ১৫৯৬-৯৭ সালের দিকে এই comedy টি লেখা হয়েছিল।

Short Summary:
- জরুরী প্রয়োজনে সুদী ব্যবসায়ী Shylock এর কাছ থেকে টাকা ধার করতে হয় Antonio কে। ধুরন্ধর Shylock শর্ত দেয়, যদি সময়মতো টাকা পরিশোধ করতে না পারে, তাহলে সে ঋনগ্রহীতার শরীর থেকে এক পাউন্ড গোশত কেটে নিবে।
- Antonio নির্দিষ্ট সময়ে টাকা শোধ করতে পারেনা। কিন্তু তার বন্ধুরা তার সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসে এবং বিষয়টি বিচারকের কাঠগড়া পর্যন্ত পৌঁছায়।
- শেষ পর্যন্ত সুদখোর মহাজন Shylock এর শাস্তি হয় যে, তার সমস্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হবে। অভিযোগ: সে Antonio কে হত্যার ষড়যন্ত্র করেছিল।

• Some important quotes of The Merchant of Venice: 
- The devil can cite Scripture for his purpose. 
- It is a wise father that knows his own child. 
- Love is blind, and lovers cannot see the pretty follies that themselves commit.
- All that glisters is not gold.

• Shakespeare:
- জন্মস্থান Stratford Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- তাকে 'Bard of Avon' বলা হয়।
- He is considered by many to be the greatest dramatist of all time. 

• Notable works: 
• Tragedy:
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Julius Caesar.

• Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- The Merchant of Venice,
- A Midsummer Night's Dream etc.

• Famous poem:
- Shall I Compare Thee to a Summer Day/Sonnet 18,
- The Rape of Lucrece,
- Venus and Adonis.

Source: britannica.com

১৪.
What does the idiom “A dime a dozen” mean?
  1. Very rare and valuable
  2. Difficult time or situation
  3. Very common and easily found
  4. On the whole
ব্যাখ্যা

• A dime a dozen
English Meaning: common and not special.
Bangla Meaning: অতি সাধারণ এবং বিশেষ কোনো মূল্য নেই এমন।

• Example:
- Experts in this field are a dime a dozen.
- Dance and reality shows are now outdated and a dime a dozen.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy
2. Cambridge Dictionary.

১৫.
They appointed her captain. - Here, 'appointed' is -
  1. Participle
  2. Factitive Verb
  3. Copulative Verb
  4. Causative Verb
ব্যাখ্যা

They appointed her captain. - Here, the underlined word is - Factitive Verb.

• Factitive Verb:
- যে Verb এর Object বসানোর পরও Objective Complement ছাড়া বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ হয় না, তাকে Factitive Verb বলে।
- Factitive Verb হলো এমন ক্রিয়া যা দুটি object নেয় - একটি direct object এবং একটি object complement। এই verb  direct object কে object complement হিসেবে বর্ণিত অবস্থায় পরিণত করে বা নিয়োগ দেয়।

• They appointed her captain.
- এখানে captain হচ্ছে Objective Complement Factitive Object.
- এখানে, “appointed” এর পর Object her এবং তার সাথে Object Complement captain এসেছে। অর্থাৎ “her” কে নতুন অবস্থায়/পদে নিযুক্ত করা হয়েছে।
- "They appointed her" দ্বারা বাক্যটি সম্পন্ন হচ্ছে না, তাই Objective Complement হিসেবে captain বসানোর পর বাক্যটি সম্পন্ন হয়েছে।
- যেহেতু  Object বসানোর পরও Objective Complement ছাড়া বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ হয়নি তাই Factitive Verb.

Other options,
Participle:
- A participle is a verb that ends in -ing (present participle) or -ed, -d, -t, -en, -n (past participle).
- Participles may function as adjectives, describing or modifying nouns.
- Participle একই সাথে Verb ও Adjective এর কাজ করে।

• Linking verb/ Copulative verb: 
- যে সকল verb সাধারণত subject ও Subjective complement এর মধ্যে যোগসূত্র স্থাপন করে তাদেরকে Linking verb/ Copulative verb বলে।
- Linking verb-এর complement হিসেবে সাধারণত adjective বসে৷
- Subject এবং subjective complement এর মধ্যবর্তী verb কে linking/Copulative verb বলে৷
- অবশ্যই মনে রাখতে হবে - Linking/copulative verb হচ্ছে actionless.
- adverbs can be used before linking verbs if they describe the linking verb and not the subject. 
- Turn, be, become, look, seem, remain, appear, get, grow etc. সাধারণত Linking verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

• Causative Verb:
- Subject যখন নিজে কাজ না করে অন্যকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেয় তখন এই অর্থে causative verb ব্যবহৃত হয়।
- Help, Get, Have, Let, Make ইত্যাদি বহুল প্রচলিত causative verb.
- Make, have, get প্রভৃতি যোগে অনেক verb- কে causative verb এ পরিণত করা যায়।
- যেমন:
- I shall get the work done by him. (আমি তার দ্বারা কাজটি করিয়ে নেব।)

১৬.
Which of the following is the correct plural of 'Bureau'?
  1. Bureaus
  2. Bureaues
  3. Bureauix
  4. Both ক + গ
ব্যাখ্যা

Answer - Bureaus.

• Bureau: [singular]
English meaning: an organization or a business that collects or provides information.
Bangla meaning: অফিস বা দপ্তর ; সংস্থা ; করণ ; লিখবার টেবিল ; দেরাজবিশিষ্ট ডেস্ক।

Plural: Bureaus & Bureaux.

Example:
- Her disappearance was reported to the police department's Missing Persons Bureau.

Source: Cambridge Dictionary.

১৭.
The word 'Mile' is -
  1. Proper Noun
  2. Collective Noun
  3. Common Noun
  4. Material Noun
ব্যাখ্যা

The word 'Mile' is - Common Noun.

• Mile (noun): 

English meaning: a unit of distance equal to 1,760 yards or 1.6 kilometres.
Bangla meaning: দূরত্বের পরিমাপবিশেষ; মাইল (১৭৬০ গজ)। 

• Common Noun:
- A common noun is one that is common to each member of the class of persons or things noun that names a general class of persons, places, or things.
- যে noun কোন এক শ্রেণির ব্যাক্তি বা বস্তুর প্রত্যেকের সাধারণ নাম বুঝায় তাকে common noun বলে।
- যেমন: The words "teacher," "river," and "table" are common nouns.

• Unit এর নাম গুলো Common noun হয়।
- যেমন: Meter, foot, inch, mile etc.

১৮.
A Laconic reply is likely to _______.
  1. be very long-winded
  2. be short and concise
  3. confuse everyone
  4. be very emotional
ব্যাখ্যা

Answer - be short and concise.

Laconic:
English meaning: using very few words to express what you mean.
Bangla meaning: অল্পকথায় প্রকাশিত: a laconic person স্বল্পভাষী ব্যক্তি।

Example: 
- She had a laconic wit.

অপশনগুলোর অর্থ:
ক) be very long-winded
- খুব দীর্ঘ, অপ্রয়োজনীয়ভাবে অনেক কথা বলা।

গ) confuse everyone
- সবাইকে বিভ্রান্ত করা, অস্পষ্ট বা জটিল করে তোলা।

ঘ) be very emotional
- খুব আবেগপূর্ণ, আবেগপ্রবণভাবে বলা।

Source: Cambridge Dictionary.

১৯.
She smiled in a friendly manner.  The underlined part is 
  1. Noun phrase
  2. Adverb phrase
  3. Adjective phrase
  4. Participle phrase
ব্যাখ্যা

She smiled in a friendly manner.  The underlined part is - Adverb phrase.
- 'in a friendly manner' অর্থ বন্ধুত্বপূর্ণ ভঙ্গিতে।
- এটি বাক্যের verb 'smiled' কে মডিফাই করছে।
- verb কে 'how' দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায়।
- তাই এটি Adverbial phrase.

• Adverbial Phrase:
- যে phrase বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে adverb এর মত কাজ করে তাকে Adverbial Phrase বলে ৷
- সাধারণত বাক্যকে কখন ( when), কোথায় ( where), কেন( why) ও কিভাবে (how) দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর হিসেবে যে phrase পাওয়া যায় সেটি Adverbial phrase.

২০.
Complete the sentence:
The new policy opened a Pandora’s box, so—
  1. it solved all the problems.
  2. it created many unexpected troubles.
  3. it solved the mystery.
  4. it distracted from the real issue.
ব্যাখ্যা

The new policy opened a Pandora’s box, so — it created many unexpected troubles.

• Pandora’s box:
English meaning: something that creates a lot of new problems that you did not expect.
Bangla meaning: অপ্রত্যাশিত বিপদ বা সমস্যা.

Example:
- Sadly, his reforms opened up a Pandora's box of domestic problems.
- This court case could open a Pandora's box of similar claims.

Source: Cambridge Dictionary.

২১.
We must leave early, else we will miss the bus. This is a - 
  1. Compound sentence
  2. Complex sentence
  3. Simple sentence
  4. Imperative Sentence
ব্যাখ্যা

We must leave early, else we will miss the bus. This is a -  compound sentence.

• Compound sentence
- যে বাক্যে একাধিক Principal Clause 'Coordinating Conjunction' দ্বারা যুক্ত থাকে তাকে Compound Sentence বলে।

• Compound Sentence গঠনের শর্ত হচ্ছে-
- বাক্যে একের অধিক Principal Clause থাকবে।
- বাক্যে এক বা একাধিক Coordinating Conjunction থাকবে।
- and, or, but, both, fewer than, neither, and, not only.... but also, no less than, neither... nor, either... or, otherwise, still, yet, else, nevertheless, on the contrary, while, whereas, only, so, therefore, consequently, for- ইত্যাদি Coordinating Conjunction দ্বারা Compound Sentence গঠিত হয়।

Other options,

• Complex sentence: 
- যে sentence এ একটি Principal clause এবং এক বা একাধিক Subordinate clause থাকে, তাকে Complex sentence বলে। 
- Complex sentence এর subordinate clause এর শুরুতে সাধারণত if, though, although, as, because, since, so that, that, until, till, unless, when, why, who, which, where, how, before, after, whether, while বসে।

Imperative Sentence: 
- যে Sentence দ্বারা কোন আদেশ, উপদেশ, নিষেধ, অনুরোধ ইত্যাদি বোঝায় তাকেই Imperative sentence বা অনুজ্ঞাসূচক বাক্য বলে।
- এই ধরনের বাক্যে Subject (you)  গোপন থাকে।

Simple sentence:
- যে sentence-এ একটি মাত্র subject এবং একটি মাত্র finite verb বা সমাপিকা ক্রিয়া থাকে তাকে simple sentence বলে।
- একটি subject এবং একটি finite verb দ্বারা simple sentence গঠিত হয়।
- আর একটি clause এ সাধারণত একটি subject এবং একটি finite verb থাকে।

২২.
The saying 'A rolling stone gathers no moss' is used to indicate –
  1. Moving frequently prevents stagnation
  2. Difficulties have some positive aspects
  3. People with similar interests staying together
  4. People cannot easily change their true nature
ব্যাখ্যা

Answer - ক) Moving frequently prevents stagnation.
Meaning: ঘন ঘন চলাচল স্থবিরতা রোধ করে।

A rolling stone gathers no moss:
English meaning:  a person who moves from place to place, job to job, etc. does not have a lot of money, possessions or friends but is free from responsibilities.
Bangla meaning: স্থিরমস্তিষ্ক না হলে উন্নতি হয় না / চঞ্চলমতি ব্যক্তির প্রতিষ্ঠা বা অর্থ সঞ্চয় হয় না।

Other options;

খ) Difficulties have some positive aspects.
-  কঠিন সময়ের মধ্যে কিছু ভালো দিক থাকে।

গ) People with similar interests staying together.
- যাদের আগ্রহ একই, তারা একসাথে থাকে।

ঘ) People cannot easily change their true nature.
- মানুষের প্রকৃত স্বভাব সহজে পরিবর্তন হয় না।

Source: Oxford Dictionary.

২৩.
Temperatures have been above average. Here 'above' is -
  1. Noun
  2. Adverb
  3. Adjective
  4. Preposition
ব্যাখ্যা

Temperatures have been above average. Here 'above' is - preposition.
- এখানে above average হলো একটি phrase।
- “above” শব্দটি দেখাচ্ছে average এর উপরে অবস্থান বা comparison।
- যেহেতু এটি average (Noun) এর সাথে সম্পর্ক স্থাপন করছে, তাই এটি Preposition হিসেবে কাজ করছে।

above: [preposition]
English meaning: more than something; greater in number, level or age than somebody/something.
Bangla meaning: কোনো জিনিসের থেকে উপরে, বা সংখ্যা, স্তর, বয়স ইত্যাদিতে কিছু চেয়ে বেশি।

Example:
- Inflation is above 6%.
- Temperatures have been above average.
- We cannot accept children above the age of 10.

Source: Oxford Dictionary.

২৪.
Which of the following sentences is correct?
  1. She laughs as though she had heard a funny joke.
  2. She laughed as though she has heard a funny joke.
  3. She laughed as though she heard a funny joke.
  4. She laughed as though she had heard a funny joke.
ব্যাখ্যা

• As if / as though এর পূর্বে present indefinite tense থাকলে as if / as though এর পরে past indefinite এবং be verb থাকলে সবসময় were হয়।
Example:
He behaves as though he owned the house.
He speaks as if he were mad.

• As if / as though এর পূর্বে Past indefinite tense থাকলে as if / as though এর পরে past perfect হয়।
Example:
She smiled at me as if she had known me for years.

Complete sentence: She laughed as though she had heard a funny joke.

Other options,

ক) She laughs as though she had heard a funny joke.
- As if / as though এর পূর্বে present indefinite tense থাকলে as if / as though এর পরে past indefinite হবে।
- তাই এটি ভুল।

খ) She laughed as though she has heard a funny joke.
- “has heard” → Present Perfect, 
- Past tense “laughed” সঙ্গে Present Perfect → ভুল।

গ) She laughed as though she heard a funny joke.
- As if / as though এর পূর্বে Past indefinite tense থাকলে as if / as though এর পরে past perfect হয়।
- এখানে 'had heard' হলে সঠিক হতো।

২৫.
A person who collects coins is called –
  1. Numismatist
  2. Philatelist
  3. Cartographer
  4. Horologist
ব্যাখ্যা

A person who collects coins is called – Numismatist.

Numismatist:
English meaning: someone who studies or collects coins, paper money, or medals.
Bangla meaning: মুদ্রা ও পদক সংগ্রাহক; মুদ্রা ও পদক বিশেষজ্ঞ।

Other options,

খ) Philatelist:
- a person who collects or studies stamps.

গ) Cartographer:
- someone who makes or draws maps.

ঘ) Horologist:
- a person or company that makes or repairs clocks and watches.

Source - Cambridge Dictionary.

২৬.
Change the voice: She was born in 2006.
  1. Her mother bear her in 2006.
  2. Her mother bore her in 2006.
  3. Her mother born her in 2006.
  4. Her mother bored her in 2006.
ব্যাখ্যা

Passive Voice এ যদি by + Object না থাকলে Passive Voice কে Active voice এ রূপান্তর করার নিয়ম: 

• Passive Voice এ যদি by + Object না থাকে এবং verb টি যদি পেশা বা নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুর সাথে Related কাজ হয় তাহলে ঐ পেশা জীবী বা ঐ নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুর নাম Subject হিসেবে বসাতে হবে।

যেমন:
• Passive: Water was irrigated.
Active: Farmers irrigated water.

• Rome was not built in a day.
- The Romans did not build Rome in a day.

Passive: She was born in 2006.
Active: Her mother bore her in 2006.

বিকল্প বিশ্লেষণ:
ক) Her mother bear her in 2006.
- ভুল Tense, Past tense “bore” হওয়া উচিত।

গ) Her mother born her in 2006.
- “born” ভুল, passive form.

ঘ) Her mother bored her in 2006.
- “bored” → বিরক্ত করা, ভুল অর্থ।

Source: Live MCQ English Wizard.

২৭.
Fill in the blank:
It has been returned to the shop from ______ it came.
  1. whence
  2. where of
  3. wherefore
  4. where as
ব্যাখ্যা

উল্লিখিত অপশন গুলোর অর্থ - 

• Whence (adverb)
Bangla Meaning:
(আনুষ্ঠানিক) (১) (প্রশ্নে) কোথা থেকে, কী কারণে:
- Do you know whence he comes?
- Whence comes it that?

(২) (বিবৃতিতে) যেখান থেকে:
- The land whence they are come.

(৩) যেখান থেকে সেখানে:
- Return whence you came,
- যেখান থেকে এসেছিলে সেখানে ফিরে যাও।

• Where of (adverb)
- (আনুষ্ঠানিক) কীসের।

• Wherefore (adverb)
- (প্রাচীন প্রয়োগ) কী কারণে; কেন।

• Where as (conjunction)
- (বিশেষত আইন সম্বন্ধীয়) এই বিবেচনা করে; এই বিচার করে; যেহেতু; কিন্তু এর/তার বিপরীতে; যখন অন্যদিকে; পক্ষান্তরে

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - whence.

Complete Sentence: It has been returned to the shop from whence it came.

Bangla: এটি সেই দোকানে ফেরত পাঠানো হয়েছে, যেখান থেকে এটি এসেছে।

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.

২৮.
Choose the correct sentence.
  1. They need not bring any food to the party.
  2. They need not to bring any food to the party.
  3. They need not bringing any food to the party.
  4. They need not to bringing any food to the party.
ব্যাখ্যা

Complete sentence: They need not bring any food to the party.

• Negative sentence এ ‘need’ modal auxiliary হিসেবে ব্যবহৃত হলে need এর পরে not বসে এবং এর পরে to বসাতে হয়না।
- অর্থাৎ, need not এর সাথে infinitive to এর ব্যবহার উহ্য থাকে।
- এক্ষেত্রে need এর সাথে কখনো s/es যুক্ত হয় না।

•  Need বাক্যে মূল verb হিসেবে ব্যবহৃত হয় আবার modal হিসেবেও ব্যবহৃত হয় তাই এর সাধারণ নাম semi-modal.
- We use need mostly in the negative form to indicate that there is no obligation or necessity to do something:
Example:
- You needn’t take off your shoes.
- You need not spend a lot of money on presents.

Other options,

খ) They need not to bring any food to the party.
- এখানে “to” ব্যবহার করা ভুল।

গ) They need not bringing any food to the party. 
- “bringing” এর continuous/gerund ব্যবহার ভুল।

ঘ) They need not to bringing any food to the party. 
- “to bringing” ব্যবহার সম্পূর্ণ ভুল।

২৯.
Which of the following words is the antonym of Innocuous?
  1. Dangerous
  2. Benign
  3. Immediate
  4. Compliant
ব্যাখ্যা

• Innocuous:
English meaning: completely harmless.
Bangla meaning: অনপকারী; নির্বিষ।

Options,
ক) Dangerous:
-  বিপজ্জনক; বিপৎসংকুল।

খ) Benign:
-  (১) (ব্যক্তি) সদয়; সহৃদয়; নম্র; ভদ্র। (২) (আবহাওয়া ইত্যাদি) শান্ত; অনুকূল। (৩) (ব্যাধি) বিপজ্জনক বা ঝুঁকিপূর্ণ নয় এমন: a benign tumour. 

গ) Immediate:
- (১) (স্থান ও কাল) অব্যবহিত; আসন্ন; নিকট; সন্নিহিত; উপস্থায়ী (২) তাৎক্ষণিক; তাৎকালিক

ঘ) Compliant:
- অন্যের ইচ্ছাপূরণে সম্মত; নমনশীল; ভদ্র।

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়,  the antonym of Innocuous: Dangerous. 

Source - Accessible Dictionary.

৩০.
Identify the correct sentence.
  1. I called him as soon as I had heard the news.
  2. I called him as soon as I heard the news.
  3. I called him as soon as I have heard the news.
  4. I had called him as soon as I hear the news.
ব্যাখ্যা

• As soon as এর পূর্বে past indefinite tense থাকলে এরপরেও past indefinite tense হয়।
- যেহেতু উল্লেখিত প্রশ্নে as soon as এর পূর্বে past indefinite tense, তাই এর এর পরের অংশেও past indefinite হবে।
 
Correct Sentence: I called him as soon as I heard the news.
 
অন্যদিকে, 
• Future Indefinite Tense + As soon as + Present Indefinite Tense.
- Example sentence: I shall ring you up as soon as I arrive.

Other options,
ক) I called him as soon as I had heard the news.
Past Perfect “had heard” প্রয়োজন নেই, কারণ এখানে “called” এবং “heard” দুটোই simple past-এ থাকতে হবে। 

গ) I called him as soon as I have heard the news.
- “have heard” → Present Perfect
- Past Simple “I called” সঙ্গে Present Perfect ব্যবহার করা ভুল।

ঘ) I had called him as soon as I hear the news.
- “I had called” → Past Perfect.
- “I hear” → Present Simple. 
- সময়ের ক্রম ও tense-matching ভুল।

৩১.
They looked at each other and laughed. Here, 'each other' is -
  1. Relative Pronoun
  2. Demonstrative Pronoun
  3. Reciprocal pronoun
  4. Distributive Pronoun
ব্যাখ্যা

They looked at each other and laughed. Here, 'each other' is -Reciprocal pronoun.

• Reciprocal pronoun:
- এই pronoun একাধিক ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক বুঝায়।
- পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে each other এবং one another এই দুইটি pronoun ব্যবহার করা হয়, যারা reciprocal pronoun নামে পরিচিত।
- One another, Each other হচ্ছে Reciprocal pronoun.

• Each other: "Each other" ব্যবহৃত হয় দু'জনের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে।
Example: John and Mary hugged each other. 

• One another: "One another" ব্যবহৃত হয় দু'জনের অধিক জনের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে।
Example: The team members supported one another. 

• Pronoun ৮ প্রকার।
- যথা-
1. Personal Pronoun (I, we, me, it),
2. Demonstrative Pronoun (this, that),
3. Interrogative Pronoun (what, who),
4. Relative Pronoun (what, who, that),
5. Indefinite Pronoun (one, some, any, all, many),
6. Distributive Pronoun (each, every),
7. Reflexive Pronoun (myself, themselves),
8. Reciprocal Pronoun (each other, one another).

৩২.
The criminal’s plan was so _______ that even the experts failed to anticipate it.
  1. perfidious
  2. ingenious
  3. ignoble
  4. mundane
ব্যাখ্যা

উল্লিখিত অপশন গুলোর অর্থ - 

ক) perfidious:
- (আনুষ্ঠানিক) বিশ্বাসঘাতক; দুরাচারী।

খ) ingenious:
- (১) (ব্যক্তি) উদ্ভাবনকুশল; উপায়জ্ঞ; বিচক্ষণ; উদ্ভাবনচতুর): an ingenious mind. (২) (বস্তু সুযুক্তিনিষ্পন্ন; সুযুক্তিকৃত; সুপ্রযুক্ত: an ingenious tool/toy.

গ) ignoble:
- নীচ; জঘন্য; কদর্য; লজ্জাকর; অকীর্তিকর; হীন।

ঘ) mundane:
- (১) জাগতিক; পার্থিব; ইহলৌকিক (আধ্যাত্মিক বা স্বর্গীয়ের বিপরীত)। (২) নীরস; নিরানন্দ; মামুলি; গতানুগতিক: mundane occupations/speeches. 

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, শূন্যস্থানে ingenious বসালে বাক্যটি পরিপূর্ণ হয়। 

Complete sentence: The criminal’s plan was so ingenious that even the experts failed to anticipate it.

Bangla: অপরাধীর পরিকল্পনাটি এত বিচক্ষণ ছিল যে বিশেষজ্ঞরাও তা অনুমান করতে পারেনি।

Source: Accessible Dictionary.

৩৩.
মুসলিম জাগরণের কবি ফররুখ আহমদ রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি? 
  1. সিন্দাবাদ
  2. সাত সাগরের মাঝি
  3. পাখির বাসা
  4. সিরাজাম মুনীরা
ব্যাখ্যা

• 'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থ:
- মুসলিম জাগরণের কবি ফররুখ আহমদ রচিত প্রথম ও শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ 'সাত সাগরের মাঝি', যা ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত হয়। 
- এই কাব্যগ্রন্থে ১৯টি কবিতা রয়েছে, যার মধ্যে- সিন্দাবাদ, পাঞ্জেরি, লাশ, আউলাদ, দরিয়ার শেষরাত্রি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
- বইটি মুসলিম সমাজের পুনর্জাগরণের প্রেরণা হিসেবে বিবেচিত হয় এবং এতে স্বপ্ন, সৌন্দর্যবোধ, আত্মধিক্কার, এবং নির্যাতিত মানুষের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। 
- সাত সাগরের মাঝি নামে একটি কবিতা আছে গ্রন্থের সর্বশেষে।

---------------------
• ফররুখ আহমদ:
- ফররুখ আহমদ ছিলেন মুসলিম পুনর্জাগরণবাদী কবি। ফররুখ আহমদ ১৯১৮ সালের ১০ জুন মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার মাঝাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- 'সাত সাগরের মাঝি' ফররুখ আহমদ রচিত শ্রেষ্ঠ এবং প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
- ১৯৪৪ সালে কলকাতার দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে 'লাশ' কবিতা লিখে তিনি প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন।
- ফররুখ আহমদ তাঁর বিখ্যাত কাহিনী কাব্য 'হাতেমতায়ী' এর জন্য ১৯৬৬ সালে আদমজি পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৬ সালেই 'পাখির বাসা' শিশুতোষের জন্য ইউনেস্কো পুরস্কার লাভকরেন।
- 'মুহূর্তের কবিতা' ফররুখ আহমদ রচিত একটি সনেট সংকলন।

ফররুখ আহমদ রচিত কাব্যগ্রন্থসমূহ হলো:
- সাত সাগরের মাঝি,
- সিরাজাম মুনীরা,
- নৌফেল ও হাতেম,
- মুহূর্তের কবিতা,
- সিন্দাবাদ,
- হাতেমতায়ী,
- নতুন লেখা,
- হাবেদা মরুরকাহিনী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৩৪.
"শ্রীকৃষ্ণকীর্তন" কাব্যের শেষ খণ্ড কোনটি?
  1. তাম্বুল খণ্ড
  2. ভারখণ্ড
  3. হার খণ্ড
  4. বিরহ খণ্ড
ব্যাখ্যা

• "শ্রীকৃষ্ণকীর্তন" কাব্য:
- বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম কাব্য হিসেবে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন স্বীকৃত। ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভপশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার কাকিল্যা গ্রামের শ্রী দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের বাড়ির গোয়ালঘর থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের পুথি আবিষ্কার করেন।

- ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে বসন্তরঞ্জন রায়ের সম্পাদনায় পুথিটি 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।

- পুথির প্রথম দুটি এবং শেষপৃষ্ঠা পাওয়া যায় নি বলে এর নাম ও কবির নাম স্পষ্ট করে জানা যায় নি। কবির ভণিতায় 'চণ্ডীদাস' এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে 'বড়ু চণ্ডীদাস' পাওয়া যাওয়ায় এই গ্রন্থের কবি হিসেবে বড়ু চণ্ডীদাসকে গ্রহণ করা হয়।

- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন গীতি-আলেখ্য। রাধাকৃষ্ণের প্রণয়লীলা এর বিষয়বস্তু।
এই গ্রন্থের প্রধান তিনটি চরিত্র হচ্ছে- কৃষ্ণ, রাধা, বড়ায়ি। কাব্যের চরিত্র-মধ্যে ঘাত-প্রতিঘাত আছে; বাক-বিতণ্ডতা, রাগ-দ্বেষ ইত্যাদি আছে। ফলে কাব্যটি গতিশীল ও নাট্যরসাশ্রিত হয়েছে।

- এতে গীতিরসেরও উপস্থিতি লক্ষণীয়। কাব্যটি শৃঙ্গাররসপ্রধান এবং ঝুমুর গানের লক্ষণাক্রান্ত। এটি পয়ার ও ত্রিপদী ছন্দে রচিত।

শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে মোট ১৩টি খণ্ড রয়েছে। এগুলো হলো -
- জন্মখণ্ড,
- তাম্বুল খণ্ড,
- দানখণ্ড,
- নৌকাখণ্ড,
- ভারখণ্ড,
- ছত্রখণ্ড,
- বৃন্দাবন খণ্ড,
- কালিয়দমন খণ্ড,
- যমুনা খণ্ড,
- হার খণ্ড,
- বাণ খণ্ড,
- বংশী খণ্ড ও
- বিরহ খণ্ড।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞেসা।

৩৫.
'কালপেঁচা' কোন লেখক ব্যবহৃত ছদ্মনাম?
  1. বিমল ঘোষ
  2. রাজশেখর বসু
  3. বিনয় ঘোষ
  4. বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা

• বিনয় ঘোষ:
- বিনয় ঘোষ ছিলেন সাংবাদিক, সমাজতাত্ত্বিক, লেখক, সাহিত্যসমালোচক, বাংলা ভাষা ও লোকসংস্কৃতির গবেষক।
- তাঁর ছদ্মনাম ছিল 'কালপেঁচা'। ১৯১৭ সালের ১৪ জুন কলকাতায় তাঁর জন্ম, পৈতৃক নিবাস ছিল যশোরে।
- বিনয় ঘোষ ইতিহাস ও রাজনীতিবিষয়ক পর্যালোচনায় বিশেষ কৃতিত্বের অধিকারী ছিলেন।
- তিনি মার্কসবাদে বিশ্বাসী ছিলেন; তাই তাঁর রচনায় মার্কসীয় জীবনদর্শনের অনুশীলন লক্ষ করা যায়।

তাঁর রাজনীতিবিষয়ক গ্রন্থ:
- আন্তর্জাতিক রাজনীতি,
- সোভিয়েট সভ্যতা (২ খণ্ড),
- ফ্যাসিজম ও জনযুদ্ধ,
- সোভিয়েট সমাজ ও সংস্কৃতি প্রভৃতি।

তাঁর রচিত গবেষণাগ্রন্থ:
- শিল্প সংস্কৃতি ও সমাজ,
- মেট্রোপলিটন মন,
- বাংলার নবজাগৃতি,
- বিদ্যাসাগর ও বাঙালীসমাজ,
- বিদ্রোহী ডিরোজিও,
- সুতানুটি সমাচার,
- বাংলার সামাজিক ইতিহাসের ধারা,
- মধ্যবিত্ত বিদ্রোহ,
- বাংলার বিদ্বৎ সমাজ,
- কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত,
- বাংলার লোকসংস্কৃতি ও সমাজতত্ত্ব প্রভৃতি।

অন্যদিকে, 
------------------
• রাজশেখর বসুর ছদ্মনাম 'পরশুরাম'।
• বিমল ঘোষের ছদ্মনাম 'মৌমাছি'।
• বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম ছিলো- যাযাবর।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৩৬.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে 'বাংলা গদ্যের যথার্থ শিল্পী' নামে অভিহিত করেন কে?
  1.  রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. প্রমথনাথ বিশী 
  3. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  4. ক ও খ উভয়ই 
ব্যাখ্যা

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ছিলেন সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী। মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

- তিনি বাংলা গদ্যে সুললিত শব্দবিন্যাস, পদবিভাগ ও যতি সন্নিবেশে সুবোধ্য ও শিল্প গুণান্বিত করে তোলেন। বাংলা গদ্যের অন্তর্নিহিত ধ্বনিঝংকার ও সুরবিন্যাস তিনিই প্রথম উপলব্ধি করেন।

- তিনি বাংলা গদ্যকে শ্বাসপর্ব ও অর্থপর্ব অনুসারে ভাগ করে সেখানে যতিচিহ্ন স্থাপন করেন। তিনি বাংলা গদ্যকে সাহিত্য গুণসম্পন্ন ও সর্বভাব প্রকাশক্ষম করেছিলেন।

- বিদ্যাসাগরের সৃষ্ট গদ্যরীতির প্রভাবেই পরবর্তী পর্যায়ে বাংলা গদ্যের পরিণত রূপের সৃষ্টি হয়।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে বাংলা গদ্যের 'প্রথম শিল্পী' বলে অভিহিত করেছেন।
- প্রমথনাথ বিশী বিদ্যাসাগরকে 'বাংলা গদ্যের যথার্থ শিল্পী' নামে অভিহিত করেন।

- তাকে 'বাংলা গদ্যের জনক' বলা হয়। কারণ তিনি প্রথম বাংলা গদ্যকে গতিশীল করে প্রাণ দান করেছেন। সুতরাং, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের পূর্বে অনেকেরই গদ্যের বিকাশে অবদান থাকলেও, বাংলা ভাষার প্রথম সাহিত্যিক গদ্যের স্রষ্টা তাকেই বলা যায়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৩৭.
সাধু ভাষায় লিখিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সর্বশেষ উপন্যাস কোনটি?
  1. চতুরঙ্গ
  2. গোরা 
  3. নৌকাডুবি
  4. রাজর্ষি
ব্যাখ্যা

• 'চতুরঙ্গ' উপন্যাস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত অন্যতম উপন্যাস চতুরঙ্গ। এটি প্রকাশিত হয় ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে।
- এটি সাধু ভাষায় লিখিত রবীন্দ্রনাথের সর্বশেষ উপন্যাস।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাসগুলোর মধ্যে সমালোচকদের সবচেয়ে বেশি বিভ্রান্তিতে ফেলেছে চতুরঙ্গ।
- ১৩২১ বঙ্গাব্দের অগ্রহায়ণ থেকে ফাল্গুন সংখ্যা পর্যন্ত মাসিক 'সবুজপত্রে' এই উপন্যাসটি ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল।
- 'সবুজপত্র'র তৎকালীন পাঠকরা ধরে নিয়েছিলেন যে তাঁরা রবীন্দ্রনাথের কাছ থেকে আলাদা আলাদা গল্প উপহার পাচ্ছেন। বস্তুত পত্রিকায় প্রকাশিত হবার সময় উপন্যাসের অধ্যায়গুলোকে আলাদা আলাদা গল্পের শিরোনাম দিয়ে ছাপা হচ্ছিল।
গল্পগুলোর নাম ছিল যথাক্রমে- জ্যাঠামশায়, শচীশ, দামিনী শ্রীবিলাস।

উপন্যাসের চরিত্রগুলো হলো:
- জ্যাঠামশায়,
- শচীশ,
- দামিনী,
- শ্রীবিলাস। 

অন্যদিকে, 
• 'গোরা' উপন্যাস:
- গোরা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি উপন্যাস। এটি ১৮৮০-এর দশকে ব্রিটিশ রাজত্বকালের সময়কার কলকাতার পটভূমিতে লেখা।
- এটি লেখার ক্রমে পঞ্চম এবং রবীন্দ্রনাথের তেরোটি উপন্যাসের মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘতম। এটি রাজনীতি এবং ধর্ম নিয়ে দার্শনিক বিতর্কে সমৃদ্ধ উপন্যাস।

• 'নৌকাডুবি' উপন্যাস:
- 'নৌকাডুবি' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত- 'উপন্যাস'। উপন্যাসটি ১৩১০-১১ বঙ্গাব্দে বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসটি লেখা হয়েছে জটিল পারিবারিক সমস্যাগুলিকে কেন্দ্র করে।
- উপন্যাসটির মূল চরিত্রগুলো হচ্ছে: রমেশ, হেমনলিনী, কমলা, অন্নদাবাবু।

• 'রাজর্ষি' উপন্যাস:
- 'রাজর্ষি' উপনাসের রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ত্রিপুরার রাজপরিবারের ইতিহাস নিয়ে রচিত ঐতিহাসিক উপন্যাস এটি।
- ১৮৯১ সালে এই উপন্যাসের প্রথম অংশ অবলম্বনে বিসর্জন নাটক রচিত হয়।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৩৮.
'তপসে মাছ ও নীলকর' বিখ্যাত কবিতা দুটি কোন কবির রচনা?
  1. দীনবন্ধু মিত্র 
  2. নির্মলেন্দু গুণ
  3. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  4. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা

• 'তপসে মাছ' ও 'নীলকর' কবিতা দুটি কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের রচনা। 

'তপসে মাছ' কবিতা:
- এই কবিতায় তিনি বাঙালির মাছপ্রীতিকে তুলে ধরেছেন, যেখানে তিনি তপসে মাছের মনোমুগ্ধকর বর্ণনা দিয়েছেন। 
কবিতার কিছু অংশ হলো-

তপসে মাছ
-ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
কষিত-কনককান্তি কমনীয় কায়।
গালভরা গোঁফ-দাড়ি তপস্বীর প্রায়।
মানুষের দৃশ্য নও বাস কর নীরে।
মোহন মণির প্রভা ননীর শরীরে।
পাখি নও কিন্তু ধর মনোহর পাখা।
সমধুর মিষ্ট রস সব-অঙ্গে মাখা।
একবার রসনায় যে পেয়েছে তার।

'নীলকর' কবিতা:
এই কবিতাটির মাধ্যমে তিনি সে সময়কার নীলকরদের শোষণ ও অত্যাচারের চিত্র তুলে ধরেছেন, যা আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শক্তিশালী একটি প্রকাশ। 
কবিতার কিছু অংশ হলো-

নীলকর
- ঈশ্বর গুপ্ত
তুমি মা কল্পতরু, আমরা সব পোষা গরু
শিখিনি শিং বাকানো ,
কেবল খাব খোল বিচালী ঘাস।
যেন রাঙা আমলা, তুলে মামলা,
গামলা ভাঙ্গে না;
আমরা ভুসি পেলেই খুশি হব,
ঘুসি খেলে বাঁচব না।।

---------------------
• ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত:
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত (১৮১২-১৮৫৯): কবি, সাংবাদিক। 'ভ্রমণকারী বন্ধু' ছিল তাঁর ছদ্মনাম।
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে যুগসন্ধির (মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের মিলনকারী) কবি হিসেবে পরিচিত। কারণ তিনি সমকালের সামাজিক ও ঐতিহাসিক বিষয় নিয়ে কবিতা রচনা করলেও তাঁর ভাষা, ছন্দ ও অলঙ্কার ছিলো মধ্যযুগীয়। ব্যঙ্গ-বিদ্রূপই ছিল তাঁর রচনার বিশেষত্ব।
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত প্রথম বাংলা দৈনিক পত্রিকা 'সংবাদ প্রভাকর' সম্পাদনা করেন। তিনি ১৮৩১ সালে সংবাদ প্রভাকর (সাপ্তাহিক) পত্রিকা
প্রতিষ্ঠা করেন। এবং ১৮৩৯ সাল থেকে এটি দৈনিক পত্রিকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি হলো কবিয়ালদের লুপ্তপ্রায় জীবনী উদ্ধার করে প্রকাশ করা।
- ঈশ্বরচন্দ্র সংবাদ প্রভাকর ছাড়াও সংবাদ রত্নাবলী, পাষন্ডপীড়ন ও সংবাদ সাধুরঞ্জন পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া;বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং 'তপসে মাছ' ও  'নীলকর' কবিতা।

৩৯.
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস নয় কোনটি?
  1. অশনি সংকেত
  2. দেবযান
  3. যাত্রাবদল
  4. দৃষ্টি প্রদীপ 
ব্যাখ্যা

• 'যাত্রাবদল' গল্পগ্রন্থ:
- 'যাত্রাবদল' বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত ছোটগল্প সংকলন। 

- 'যাত্রাবদল' প্রকাশিত হয় ১৯৩৪ সালে।

গল্পগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত গল্পসমূহ হলো -
- ভণ্ডুলমামার বাড়ি,
- পেয়ালা,
- উইলের খেয়াল,
- কনে দেখা,
- সার্থকতা,
- একটি দিন,
- বাইশ বছর,
- বৈদ্যনাথ,
- ডানপিটে,
- যাত্রাবদল। 

------------------------
• বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়:
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১৮৯৪ খ্রিস্টাব্দের ১২ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁচরাপাড়ার নিকটবর্তী ঘোষপাড়া-মুরারিপুর গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম।
- ১৩২৮ বঙ্গাব্দের (১৯২১) মাঘ প্রবাসীতে প্রথম গল্প 'উপেক্ষিতা' প্রকাশের মধ্য দিয়ে বিভূতিভূষণের সাহিত্যিক জীবন শুরু হয়। বাংলা কথাসাহিত্যে শরৎচন্দ্রের পরে বিভূতিভূষণই সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় সাহিত্যিকের মর্যাদা পেয়েছেন।
- হেমন্তকুমার গুপ্তের সঙ্গে যৌথভাবে তিনি 'দীপক' (১৯৩২) পত্রিকা সম্পাদনা করেন।

তাঁর রচিত সাহিত্যকর্মগুলো হলো:
• উপন্যাস:
- পথের পাঁচালী,
- অপরাজিত,
- অশনি সংকেত,
- আরণ্যক,
- আদর্শ হিন্দু হোটেল,
- দেবযান,
- ইছামতী,
- দৃষ্টি প্রদীপ ইত্যাদি।

• ছোটগল্প:
- মেঘমল্লার,
- মৌরীফুল,
- যাত্রাবদল,
- কিন্নরদল ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; 'যাত্রাবদল' গল্পগ্রন্থ এবং বাংলাপিডিয়া।

৪০.
'ক্ষুদিরামের মা' প্রবন্ধটি কাজী নজরুল ইসলামের কোন প্রবন্ধগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
  1.  যুগ-বাণী 
  2.  দুর্দিনের যাত্রী
  3. রাজবন্দির জবানবন্দি
  4. রুদ্র-মঙ্গল
ব্যাখ্যা

• 'ক্ষুদিরামের মা' প্রবন্ধ: 
- কাজী নজরুল ইসলাম রুদ্রমঙ্গল প্রবন্ধগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত ক্ষুদিরামের মা প্রবন্ধে দেশপ্রেমিক মায়েদেরকে উজ্জীবিত করার প্রকৃত আবেদনই উদ্ভাসিত হয়ে উঠেছে।

- ক্ষুদিরামের অনন্য দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের সূত্র ধরে ভারতীয় যুব সম্প্রদায়কে আত্মোৎসর্গে উজ্জীবিত হতে বলেছেন। পরাধীন ভারতমাতা বা ভারতবর্ষকে স্বাধীন করার আহ্বানই জানানো হয়েছে আলোচ্য প্রবন্ধের মাধ্যমে।

- প্রবন্ধ পাঠে জানা যায় ক্ষুদিরাম পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। বিদ্যালয়ে পড়ার সময় সে স্বাধীনতাকামী এক বিপ্লবীর সাথে যোগ দেন। ব্রিটিশ শষণের পক্ষের লোক ম্যাজিস্ট্রেট কিংস ফোর্ড সাহেবকে হত্যার জন্য ক্ষুদিরাম ও প্রফুল্ল চাকি মুজফ্ফরপুর গ্রামে যান। সেখানে ভুলবশত কিংস ফোর্ডের গাড়ির পরিবর্তে অন্য এক সরকারি কর্মচারির গাড়িতে বোমা নিক্ষেপ করেন। গাড়িতে বোমা নিক্ষেপের পরে গাড়িতে অবস্থানকারী রাজকর্মচারী ও তার মেয়ের মৃত্যু হয়। গাড়িতে বোমা নিক্ষেপের অপরাধে শাস্তি স্বরূপ ক্ষুদিরামকে ফাঁসি দেয়া হয়। আঠারো বছরের ক্ষুদিরাম দেশের শৃঙ্খল-মুক্তি ও বন্ধন মুক্তির জন্যই গাড়িতে বোমা মেরেছিলো। দেশের শৃঙ্খল মুক্তির জন্য যারা নির্ভয়ে জীবন দিতে চান, যারা ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে উঠে মৃত্যুকে সাদরে বরণ করে নিতে চান, ক্ষুদিরাম ছিলেন তাদেরই একজন পথ প্রদর্শক প্রতিনিধি।

- স্বাধীনতাকামী ও মুক্তকামী দেশমাতৃকার কবি নজরুল ক্ষুদিরামের আত্মত্যাগের অনুপ্রেরণায় অনুপ্রাণিত হয়ে প্রবন্ধটি রচনা করেছেন। 

উৎস: 'ক্ষুদিরামের মা' প্রবন্ধ এবং 'রুদ্রমঙ্গল' প্রবন্ধগ্রন্থ। 

৪১.
ধ্বনিব্যঞ্জনা দ্বিরুক্ত শব্দ কোনটি?
  1.  ছমছম
  2. ঝির ঝির
  3. টন টন
  4. মিটি মিটি
ব্যাখ্যা

• ধ্বনিব্যঞ্জনা দ্বিরুক্ত শব্দ হলো- ঝির ঝির। 
এটি বাতাসের শব্দ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। যেমন: ঝির ঝির করে বাতাস বইছে।

--------------------
অব্যয়ের দ্বিরুক্তি:
১. ভাবের গভীরতা বোঝাতে: তার দুঃখ দেখে সবাই হায় হায় করতে লাগল। ছি ছি, তুমি কী করেছ?
২. পৌনঃপুনিকতা বোঝাতে: বার বার সে কামান গর্জে উঠল।
৩. অনুভূতি বা ভাব বোঝাতে: ভয়ে গা ছমছম করছে। ফোঁড়াটা টন টন করছে।
৪. বিশেষণ বোঝাতে: পিলসুজে বাতি জ্বলে মিটি মিটি
৫. ধ্বনিব্যঞ্জনা: ঝির ঝির করে বাতাস বইছে। বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

৪২.
উপসর্গযোগে সব শব্দই-
  1. বহুব্রীহি সমাস
  2. কর্মধারয় সমাস 
  3. তৎপুরুষ সমাস 
  4. অব্যয়ীভাব সমাস
ব্যাখ্যা

• অব্যয়ীভাব সমাস:
'অব্যয়ীভাব' অর্থ অব্যয়ের ভাব বর্তমান। অব্যয় শব্দ পূর্বে বসে যে সমাস হয় এবং যেখানে পূর্বপদের অর্থ প্রাধান্য পায় তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। অব্যয়ীভাব সমাসের পূর্বপদে অব্যয় বা উপসর্গ এবং পরণদে বিশেষ্য থাকে। যেমন: কুলের সমীপে উপকূল, দিন দিন প্রতিদিন ইত্যাদি।
অথবা, পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয় বা উপসর্গের অর্থযোগে ব্যাসবাক্যটি রচিত হয়।

অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়ের অর্থযোগে ব্যাসবাক্য গঠিত হয়। যেহেতু 'উপসর্গ'ও এক ধরনের অব্যয় তাই উপসর্গযোগে সব শব্দই অব্যয়ীভাব সমাস হয়।

যেমন:
- জানু পর্যন্ত লম্বিত (পর্যন্ত শব্দের অব্যয় 'আ') = আজানুলম্বিত (বাহু),
- মরণ পর্যন্ত = আমরণ ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
---------------
• কর্মধারয় সমাস:
বিশেষ্য ও বিশেষণ পদে বা বিশেষ্য ও বিশেষণ ভাবাপন্ন পদে যে সমাস হয় এবং যেখানে পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায় তাকে 'কর্মধারয়' সমাস বলে প্রঅথবা, যেখানে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সঙ্গে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন:
- নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম;
- যা কাঁচা তা-ই মিঠা = কাঁচামিঠা ইত্যাদি।

• বহুব্রীহি সমাস:
'ব্রীহি' মানে ধান। 'বহুব্রীহি' মানে 'বহু ধানা নয়- 'বহু ধান আছে যার এমন অবস্থাসম্পন্ন কোনো মানুষ'। যে সমাসে সমস্যমান পদ দুটির কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অতিরিক্ত অন্য কোনো অর্থ বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে এ দুয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো অর্থ প্রধানহারে প্রতীয়মান হয় তাকে 'বহুব্রীহি' সমাস বলে।
যেমন:
- দশ আনন যার = দশানন।

• তৎপুরুষ সমাস:
যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান বলে বিবেচিত হয় এবং পূর্বপদের দ্বিতীয়াদি বিভক্তি লোপ পায় তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। আরো বিস্তৃতভাবে বললে বলা যায়, পূর্বপদে কর্ম প্রভৃতি কারকের বিভক্তিস্থানীয় অনুসর্গযুক্ত পদের সঙ্গে অথবা সম্মন্যপদের সঙ্গে সমাস হয়ে যদি পরপদের অর্থ-প্রাধান্য থাকে তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে।
যেমন:
- ধানের ক্ষেত = ধানখেত,
- ভাতকে রাঁধা = ভাতরাঁধা ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

৪৩.
'Precision' শব্দের বাংলা পরিভাষা - 
  1. স্বচ্ছতা
  2. বিশ্বাসযোগ্য
  3. শুদ্ধতা
  4. ভরসা
ব্যাখ্যা

• 'Precision' শব্দের বাংলা পরিভাষা - যাথার্থ্য, শুদ্ধতা, নির্ভুলতা, যথাযথতা, স্পষ্টতা।

অন্যদিকে, 
----------------
• 'Transparency' এর বাংলা অর্থ - স্বচ্ছতা।
• 'Reliable' এর বাংলা অর্থ - নির্ভরযোগ্য, বিশ্বাসযোগ্য।
• 'Reliance' এর বাংলা অর্থ - আস্থা, ভরসা, বিশ্বাস।

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা এবং অভিগম্য অভিধান।

৪৪.
উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ নয় কোনটি? 
  1. সংবাদ
  2. বুদ্ধিমান
  3. পরিপূর্ণ
  4. দুরতিক্রম্য
ব্যাখ্যা

সংস্কৃত তদ্ধিত মান্ (মৎ, মতুপ) প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ- বুদ্ধি + মান্ = বুদ্ধিমান।
• সংবাদ, পরিপূর্ণ ও দুরতিক্রম্য শব্দগুলো সম, পরি, দুর তৎসম উপসর্গ যোগে গঠিতশব্দ। 

-----------------
• তৎসম (সংস্কৃত) উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় বহু সংস্কৃত শব্দ হুবহু এসে গেছে। সেই সঙ্গে সংস্কৃত উপসর্গও তৎসম শব্দের আগে বসে শব্দের নতুন রূপে অর্থের সংকোচন সম্প্রসারণ করে থাকে।

তৎসম উপসর্গ বিশটি।
যথা: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অপি, অভি, উপ, আ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

৪৫.
'মার্তণ্ড' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. পৃথিবী 
  2. স্বর্গ 
  3. সূর্য 
  4. পর্বত 
ব্যাখ্যা



'সূর্য' এর সমার্থক শব্দ:
অর্ক, আফতাব, আদিত্য, মিহির, অরুণ, রবি, তপন, মার্তণ্ড, সবিতা ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

৪৬.
বিশেষণ পদ কোনটি?
  1. ধৈর্য
  2. উদারতা 
  3. সরলতা
  4. আলসে
ব্যাখ্যা

• বিশেষণ পদ:
বাংলা ব্যাকরণে বিশেষণ হলো এমন শব্দ যা বিশেষ্য বা সর্বনামের গুণ, পরিমাণ, পরিমাপ, অবস্থা, বা পরিচয় বোঝায় এবং তাকে বিশেষিত করে। বিশেষণ সাধারণত বিশেষ্যের পূর্বে বা পরে ব্যবহৃত হয়।
যেমন:

আলসে (বিশেষণ পদ),
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ। 
অর্থ:
- অলস, কুঁড়ে। 
বাক্য: আলসে নয় সে, ওঠে রোজ সকালে।(কবি নজরুল)

অন্যদিকে, 
-----------------
• গুণবাচক-বিশেষ্য: 
গুণগত অবস্থা ও ধারণার নামকে গুণ-বিশেষ্য বলে। যেমন: সরলতা, দয়া, আনন্দ, গুরুত্ব, উদারতা, দীনতা, ধৈর্য ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

৪৭.
‘বিশ্বজোড়া’ শব্দে কয়টি অক্ষর রয়েছে?
  1. ২টি 
  2. ৪টি 
  3. ৫টি 
  4. ৬টি 
ব্যাখ্যা

• বাংলা ভাষায় অক্ষর বা শব্দাংশ হলো এমন ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছ যা একবারে উচ্চারিত হয়।
- ‘বিশ্বজোড়া’ শব্দে ১টি বদ্ধাক্ষর (‘বিশ্’) এবং ৩টি মুক্তাক্ষর (‘ওয়’, ‘জো’, ‘ড়া’) রয়েছে।
- মোট অক্ষরসংখ্যা ৪টি। অক্ষর বিশ্লেষণ: বিশ্ + ওয় + জো + ড়া = 

--------------
• অক্ষর:
এর ইংরেজি নাম- syllable. অল্প প্রয়াসে যে ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছ একবারে উচ্চারিত হয় তাকে অক্ষর বলে। তাই একে শব্দাংশ ও বলা হয়।

আবার,
সাধারণ অর্থে অক্ষর বলতে বর্ণ বা হরফ (Letter)-কে বোঝালেও প্রকৃত-প্রস্তাবে অক্ষর ও বর্ণ পরস্পরের প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ নয়। অক্ষর হচ্ছে বাগ্যন্ত্রের স্বল্পতম প্রয়াসে উচ্চারিত ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছ। আর বর্ণ বা হরফ হচ্ছে ধ্বনির চক্ষুগ্রাহ্য লিখিতরূপ বা ধ্বনি-নির্দেশক চিহ্ন বা প্রতীক।
ইংরেজিতে আমরা যাকে 'Syllable' বলে অভিহিত করি, তা-ই অক্ষর। উদাহরণস্বরূপ বলা চলে, ইংরেজি 'Incident' শব্দে 'In-ci-dent'-এ তিনটি সিলেবল আছে। এ তিনটি সিলেবল-ই হলো অক্ষর। কিন্তু, আলাদাভাবে 'I-n-c-i-d-e-n-t'-এগুলো অক্ষর নয়; এগুলো বর্ণ বা হরফ। তদ্রুপ, বাংলা 'বন্ধন' শব্দেও বন্ ধন্-এ দুটো অক্ষর, কিন্তু ব-ন-ধ---এগুলো অক্ষর নয়; এগুলো বর্ণ বা হরফ মাত্র।  অক্ষরকে বিভিন্নভাবে

অক্ষর মূলত দুই প্রকার।
যথা;
- মুক্তাক্ষর: টানা যাবে না (যেমন- ক/লা)।
- বদ্ধাক্ষর: টানা যাবে (যেমন- দিন, রাত)।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান; বাংলা কবিতার ছন্দ ও অক্ষর বিশ্লেষণ এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

৪৮.
দ্বিস্বরধ্বনি যুক্ত শব্দ কোনটি?
  1. বউ
  2. লাল 
  3. ঘর 
  4. পাকা 
ব্যাখ্যা

• 'বউ' শব্দে [ও] একটি পূর্ণ স্বরধ্বনি এবং [উ] অর্ধস্বরধ্বনি মিলে দ্বিস্বরধ্বনি [বউ] তৈরি হয়েছে।

অন্যান্য অপশন বিশ্লেষণ:
• লাল: এখানে শুধু একটি স্বরধ্বনি ‘আ’ রয়েছে। কোনো অক্ষরে দুটি স্বরধ্বনির সংমিশ্রণ নেই। তাই এটি দ্বিস্বরধ্বনি নয়।
• ঘর: এখানে ‘ও’ একটি একক স্বরধ্বনি। কোনো অক্ষরে দুটি স্বরধ্বনির সংমিশ্রণ নেই। তাই এটি দ্বিস্বরধ্বনি নয়।
• পাকা: এখানে ‘আ’ একটি একক স্বরধ্বনি। কোনো অক্ষরে দুটি স্বরধ্বনির সংমিশ্রণ নেই। তাই এটি দ্বিস্বরধ্বনি নয়।

-----------------
• দ্বিস্বরধ্বনি:

পূর্ণ স্বরধ্বনি ও অর্ধস্বরধ্বনি একত্রে উচ্চারিত হলে দ্বিস্বরধ্বনি হয়। যেমন 'লাউ' শব্দের [আ] পূর্ণ স্বরধ্বনি এবং [উ] অর্ধস্বরধ্বনি মিলে দ্বিস্বরধ্বনি [লাউ্‌] তৈরি হয়েছে।

দ্বিস্বরধ্বনির কিছু উদাহরণ:
[আই্‌]: তাই, নাই।
[এই্‌]: সেই, নেই।
[আও্‌]: যাও, দাও।
[আএ্‌]: খায়, যায়।
[উই্‌]: দুই, রুই।
[অএ্‌]: নয়, হয়।
[ওউ্‌ ]: মৌ, বউ।
[ওই্‌]: কৈ, দই।
[এউ্‌]: কেউ, ঘেউ।

বাংলা বর্ণমালায় দুটি দ্বিস্বরধ্বনির জন্য আলাদা বর্ণ নির্ধারিত আছে, যথা: ঐ এবং ঔ। ঐ-এর মধ্যে দুটি ধ্বনি আছে, একটি পূর্ণ স্বরধ্বনি [ও] এবং একটি অর্ধস্বরধ্বনি [ই্‌]। একইভাবে ঔ-এর মধ্যে রয়েছে একটি পৃ স্বরধ্বনি [ও] এবং একটি অর্ধস্বরধ্বনি [উ্‌]।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

৪৯.
কোন গ্রন্থ রচনার দায়ে সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজীকে কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়?
  1. স্পেন বিজয় কাব্য
  2. অনল প্রবাহ
  3. নব উদ্দীপনা
  4. আকাঙ্ক্ষা
ব্যাখ্যা

• 'অনল প্রবাহ' কাব্যের পরিচয়:
- সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত মুসলিম জাগরণমূলক কাব্য 'অনল প্রবাহ' প্রকাশিত হয় ১৯০০ সালে।

- 'যা চলে গেছে তার জন্য শোক বৃথা বরং জাতির হৃতগৌরব উদ্ধারের প্রচেষ্টাই মুখ্য'- এই বাণীতে মুসলমানদের দুরবস্থা ও অধঃপতন ব্যক্ত করে ইংরেজদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ও রোষ প্রকাশ করা হয়েছে এই কাবাটিতে।

- 'অনল প্রবাহে' কবি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'ভারত ভিক্ষা', 'ভারত বিলাপ' ইত্যাদি কবিতার সুস্পষ্ট প্রভাব আছে।
- ১৩১৫ বঙ্গাব্দে (১৯০৮) পরিবর্তিত ও পরিবর্ধিত দ্বিতীয় সংস্করণ বের হয়।

- প্রথম সংস্করণে কবিতা ছিল মাত্র নয়টি। এগুলো হচ্ছে: অনল-প্রবাহ, তুর্যধ্বনি, মূর্ছনা, বীর-পুজা, অভিভাষণ: ছাত্রগণের প্রতি, মরক্কো-সঙ্কটে, আমীর- আগমনে, দীপনা, আমীর-অভ্যর্থনা।

- বইটির বর্ধিত সংস্করণ প্রকাশিত হলে তৎকালীন বাংলার সরকার এটি বাজেয়াপ্ত করে এবং তাঁর প্রতি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।

- সিরাজী তখন ফরাসি অধিকৃত চন্দননগরে গিয়ে ৮ মাস আত্মগোপন করে থাকেন। পরে আত্মসমর্পণ করলে বৃটিশ সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ প্রচারের অভিযোগে তাঁকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।

-------------------------
সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী:
- সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী লেখক, বার্থী এবং কৃষক নেতা।
- তিনি সিরাজগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন (এ কারণেই তিনি তাঁর নামের সঙ্গে 'সিরাজী' উপাধি যুক্ত করেন)।
- সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী ১৮৮০ খ্রিস্টাব্দে সিরাজগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন।

• তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ:
- অনল প্রবাহ,
- আকাঙ্ক্ষা,
- উচ্ছ্বাস,
- উদ্বোধন,
- নব উদ্দীপনা,
- স্পেন বিজয় কাব্য,
- সঙ্গীত সঞ্জীবনী,
- প্রেমাঞ্জলি। 

• তাঁর রচিত উপন্যাস,
- রায়নন্দিনী,
- তারাবাঈ,
- ফিরোজা বেগম,
- নূরুদ্দীন।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধ:
- তুর্কি নারী জীবন,
- স্পেনীয় মুসলান সভ্যতা।

• ভ্রমণ কাহিনি: তুরস্ক ভ্রমণ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৫০.
"সংস্কৃতির ভাঙা সেতু" প্রবন্ধগ্রন্থটি কার রচনা?
  1.  বদরুদ্দীন উমর
  2. মোতাহের হোসেন চৌধুরী
  3. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
  4. আহমদ শরীফ
ব্যাখ্যা

• "সংস্কৃতির ভাঙা সেতু" আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের একটি প্রবন্ধগ্রন্থ। এই গ্রন্থটি তার মৃত্যুর পরে প্রকাশিত হয় এবং এতে তিনি সমাজ ও সংস্কৃতির বিভিন্ন সমস্যা, বিশেষ করে অপসংস্কৃতি ও বিভিন্ন মতাদর্শের মধ্যেকার বিচ্ছিন্নতা নিয়ে আলোচনা করেছেন। 

অন্যদিকে, 
---------------
• মোতাহের হোসেন চৌধুরী রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ- সংস্কৃতির কথা। 
• বদরুদ্দীন উমর রচিত গ্রন্থ - সংস্কৃতির সংকট। 
• আহমদ শরীফের সংস্কৃতি বিষয়ক লেখাগুলি মূলত তাঁর 'সংস্কৃতি' নামক বইটিতে সংকলিত হয়েছে। 

----------------------
• আখতারুজ্জামান ইলিয়াস:
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস (১৯৪৩-১৯৯৭) কথাসাহিত্যিক। তাঁর পূর্ণনাম আখতারুজ্জামান মুহম্মদ ইলিয়াস।
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস বাংলাদেশ লেখক শিবিরের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- এদেশের প্রগতিশীল ও মানবতাবাদী সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রতিও তাঁর পরোক্ষ সমর্থন ছিল।
- তাঁর লেখায় সমাজবাস্তবতা ও কালচেতনা গভীরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

তাঁর রচিত গ্রন্থসমূহ হলো:
• উপন্যাস:
- চিলেকোঠার সেপাই,
- খোয়াবনামা।
(এই দুটি হলো তার মহাকাব্যোচিত উপন্যাস)

• ছোটগল্প:
- অন্য ঘরে অন্য স্বর,
- খোয়ারি,
- দুধভাতে উৎপাত,
- দোজখের ওম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলাপিডিয়া এবং 'সস্কৃতির ভাঙা সেতু'।

৫১.
'নিয়ত মন্তাজ' শামসুর রাহমান রচিত কোন ধরনের সাহিত্যকর্ম?
  1. উপন্যাস 
  2. কাব্যগ্রন্থ 
  3. কাব্যনাট্য 
  4. প্রবন্ধ 
ব্যাখ্যা

• 'নিয়ত মন্তাজ' শামসুর রাহমান রচিত উপন্যাস। 
- উপন্যাসটি  ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত হয়।
 
- শামসুর রাহমান উপন্যাস লিখেছেন চারটি। অক্টোপাস (১৯৮৩), অদ্ভুত আঁধার এক (১৯৮৫), নিয়ত মন্তাজ (১৯৮৫) এবং এলো সে অবেলায় ১৯৯৪ চারটি উপন্যাসেই বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অস্থিতিশীলতার পাশাপাশি, তৎকালীন সমাজ ও নগরকেন্দ্রিক মধ্যবিত্ত নাগরিকদের জীবনভাষ্য এক অন্তহীন অসঙ্গতি নবতর সৃজনী ব্যঞ্জনায় উঠে এসেছে। 

---------------------
• শামসুর রাহমান:
- কবি, সাংবাদিক শামসুর রাহমান ১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর পুরান ঢাকার ৪৬ নম্বর মাহুতটুলীতে জন্মগ্রহণ করেন।
- শামসুর রাহমান বিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কবি হিসেবে খ্যাত।
- ১৯৬০ সালে তাঁর প্রথম কাবা "প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে"- এর প্রকাশ কবিতায় তাঁর অধিকার প্রতিষ্ঠা করে।
- তাঁর অত্যন্ত জনপ্রিয় কবিতা 'স্বাধীনতা তুমি' ও 'তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা'।
- যুদ্ধকালীন লেখা কবিতাগুচ্ছ মুক্তিযুদ্ধ শেষে 'বন্দী শিবির থেকে' নামে কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়।
- একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের ফসল অজস্র গল্প, উপন্যাস কবিতার মধ্যে 'বন্দী শিবির থেকে' কবিতাগুচ্ছ এক অনন্য মর্যাদার অধিকারী।

শামসুর রাহমান রচিত কিছু উপন্যাস:
- অক্টোপাস,
- নিয়ত মন্তাজ,
- এলো সে অবেলায়।

শামসুর রাহমান রচিত কিছু উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে,
- প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে,
- রৌদ্র করোটিতে,
- বিধ্বস্ত নীলিমা,
- নিরালোকে দিব্যরথ,
- নিজ বাসভূমে,
- বন্দী শিবির থেকে,
- ফিরিয়ে নাও ঘাতক কাঁটা,
- আমি অনাহারী,
- প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে,
- উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ,
- বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়,
- হরিণের হাড়,
- তুমি নিঃশ্বাস তুমি হৃদস্পন্দন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিতা জিজ্ঞাসা; 'নিয়ত মন্তাজ' উপন্যাস এবং বাংলাপিডিয়া।

৫২.
স্যাটায়ার ধর্মী সাহিত্যিক পত্রিকা কোনটি?
  1. সংবাদ প্রভাকর
  2. বঙ্গদর্শন
  3. শনিবারের চিঠি
  4. পূর্বাশা
ব্যাখ্যা

• 'শনিবারের চিঠি' পত্রিকা:
- শনিবারের চিঠি স্যাটায়ার ধর্মী সাহিত্যিক পত্রিকা। প্রথম দিকে এটি সাপ্তাহিক পরে মাসিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হয়।
- এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল হাস্য কৌতুকের মাধ্যমে সমসাময়িক সাহিত্য-চর্চাকে আক্রমণ করা। প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৪ সালে।

- পত্রিকাটি ১৯৩০-৪০ এর দশকে কলকাতা কেন্দ্রিক বাংলা সাহিত্যের জগতে বেশ আলোড়ন তুলেছিলো। এই পত্রিকার সঙ্গে কল্লোল গোষ্ঠীর দ্বন্দ ছিলো আক্রমণাত্মক; তবে তৎকালীন সাহিত্যকে বিশেষভাবে পত্রিকাটি অনুপ্রাণিত করেছিল।

- পত্রিকার প্রাণপুরুষ ছিলেন সজনীকান্ত দাস। তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত পত্রিকাটির প্রকাশনার সাথে জড়িত ছিলেন। এছাড়া তিনি দীর্ঘদিন পত্রিকাটি সম্পাদনা করেন।

অন্যদিকে, 
---------------------
• 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকা:
- ১৮৭২ সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৩৮-১৮৯৪) কর্তৃক 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
- উনিশ শতকের বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, বিশেষত বাংলা গদ্যের গঠনে এর অবদান অবিস্মরণীয়।
- পত্রিকাটি ১৮৭৬ পর্যন্ত মাত্র চার বছর প্রকাশিত হয়।

• 'পূর্বাশা' পত্রিকা:
- এটি কুমিল্লা থেকে প্রথম প্রকাশিত পত্রিকা। এর প্রকাশকাল ছিল ১৯৩২ সাল।
- পূর্বাশা' ছিল মাসিক পত্রিকা। আধুনিক বিখ্যাত লেখকদের প্রায় সবাই এই পত্রিকায় লিখেছেন।
- টানা সাত বছর চলার পর বন্ধ হয়ে আবার পুনরায় কলকাতা থেকে ১৯৪৩ সালে প্রকাশিত হয়। ১৯৭১ সালে স্থায়ীবভাবে বন্ধ হয়ে যায় পত্রিকাটি।

• 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকা:
- 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত। তিনি ১৮৩১ সালে সংবাদ প্রভাকর (সাপ্তাহিক) পত্রিকা প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৮৩৯ সাল থেকে এটি দৈনিক পত্রিকায় হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৫৩.
'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র কোনটি?
  1. মজিদ
  2. আরেফ আলী 
  3. খালেক ব্যাপারী
  4.  আওয়াল
ব্যাখ্যা

• 'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাস:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ রচিত বিখ্যাত উপন্যাস 'চাঁদের অমাবস্যা'। প্রকাশিত হয় ১৯৬৪ সালে।
- উপন্যাসে কেন্দ্রীয় চরিত্র  আরেফ আলী নামের এক স্কুল মাস্টার। স্কুল মাস্টারকে অবলম্বন করে মানুষের অন্তর্জীবনের জটিলতা উল্লেখ প্রসঙ্গে সামন্ত সমাজ প্রাভাবিত গ্রামীণ জীবনের নানা অসঙ্গতি তলে ধরেছেন।

'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাসের কাহিন  সংক্ষেপ:
 উপন্যাসে কোপন নদীর তীরবর্তী চাঁদপাড়া গ্রামের জনৈক যুবক শিক্ষিত আরেফ আলী শীতের এক উজ্জ্বল জ্যোৎস্না রাতে ঘর ছেড়ে বেরিয়েছিল প্রকৃতির প্রয়োজনে। প্রয়োজন মিটিয়ে ঘরে ফিরে না গিয়ে সে। চন্দ্রলোকিত রজনীর রূপরাশিতে মোহাবিষ্ট হয়। হঠাৎ ছায়া শরীরের আকর্ষণে সে গ্রামের পথে বেরিয়ে পড়ে। বাঁশঝাড়ে নিহত এক রমণীর লাশ দেখে সে ঘটনাটি আরেফ আলীর মনোলোকে আলোড়ন তোলে।

প্রকৃত ব্যাপরটি ছিল আরেফ আলী গ্রামের যে বড়বাড়িতে আশ্রিত গৃহশিক্ষক সেই বড়বাড়িরই অন্যতম কর্তাপুরুষ কাদের আলী নিম্ন শ্রেণির এক রমণীকে সম্ভোগের উদ্দেশ্যে বাঁশঝাড়ে যায়; আরেফ সেই কাদেরকেই অনুসরণ করেছিল। আরফের পদশব্দে ভয় পেয়ে কাদের রমণীটিকে গলাটিপে হত্যা করে।
উপন্যাসের সিংহভাগ ব্যয়িত হয়েছে আরেফ আলীর মনে উক্ত ঘটনার প্রতিক্রিয়া বর্ণনায়। শেষ পর্যন্তই ঘটনাটি সে প্রথমে দাদাসাহেবকে
এবং পরে পুলিশকে জানায়। পুলিশ জেনে-শুনেই কাদেরের বদলে তাকে খুনী সাব্যস্ত করে।

-----------------
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ রচিত অন্যান্য উপন্যাস:
- লালসালু,
- কাঁদো নদী কাঁদো,
- দি আগলি এশিয়ান ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং 'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাস।

৫৪.
মহাকাব্যিক ব্যাপ্তি আছে শওকত আলী রচিত কোন উপন্যাসে?
  1. ওয়ারিশ
  2. উত্তরের খেপ
  3. যাত্রা
  4.  পিঙ্গল আকাশ
ব্যাখ্যা

• 'ওয়ারিশ' উপন্যাস;
- শওকত আলী রচিত 'ওয়ারিশ' (১৯৮৯) উপন্যাসটিতে মহাকাব্যিক ব্যাপ্তি আছে।
- অতীত থেকে বর্তমান হয়ে ভবিষ্যতের দিকে যেতে হয়। এরই নাম মানব সভ্যতার ইতিহাস, যাকে বলা যায় ক্রমবিকাশ।
- কথাশিল্পী শওকত আলী রনজু চরিত্রের মাধ্যমে উপর্যুক্ত ব্যক্তি, সমাজ ও -জাতির ধারাবাহিকতাই প্রকাশ করেছেন অনবদ্য গদ্যশৈলীতে।

---------------
শওকত আলীরচিত উপন্যাস:
- পিঙ্গল আকাশ,
- যাত্রা,
- প্রদোষে প্রাকৃতজন,
- দক্ষিণায়নের দিন,
- কুলায় কালস্রোত,
- পূর্বরাত্রি পূর্বদিন,
- যেতে চাই,
- ওয়ারিশ,
- বাসর মধুচন্দ্রিমা,
- উত্তরের খেপ,
- হিসাবনিকাশ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৫৫.
"দিবসহি বহুড়ী কাউহি ডর ভাই। 
রাতি ভইলে কামরু জাই।।" চর্যার কত নং পদ?
  1. ৩৩নং 
  2. ২নং 
  3. ৪৯নং 
  4. ১নং 
ব্যাখ্যা

• কুক্কুরীপা:
- কুক্কুরীপা চর্যাগীতির তিনটি গানের রচয়িতা। এদের মধ্যে একটি গান [৪৮ সংখ্যক পুথির লুপ্ত অংশ ছিল।
- তিনি উচ্চবংশীয় ছিলেন বলে ধারণা করা হয়। তাঁর চর্যার ভাষা সে ইঙ্গিত বহন করে। তাঁর রচিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে 'যোগভাবনাপ্রদেশ', 'স্রবপরিচ্ছদ'।
- কুক্কুরীপা তান্ত্রিক নাম কিংবা ছদ্মনাম। কুলীন বা উচ্চবংশীয় হলেও কাব্যমূর্তির কারণে বা তান্ত্রিকতার আকর্ষণে তিনি এ নাম ব্যবহার করে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হয়। নামের সঙ্গে 'পা' যুক্ত থাকায় কেউ কেউ একে গুরুর প্রতি শ্রদ্ধাসূচক ছদ্মনাম বলে মনে করেন। তারানাথের মতে, সঙ্গে সবসময় একটি কুকুরী থাকত বলে তাঁর নামকরণ হয়েছে কুক্কুরীপা।
- কুক্কুরীপা বাংলার উত্তরখণ্ডের অধিবাসী ছিলেন বলে ধারণা করা হয়। অবশ্য হিন্দিভাষীরা তাঁকে কপিলাবস্তু বা বুদ্ধের জন্মস্থান নেপালের লোক বলেছেন।
- সংস্কৃত রচনা 'মহামায়াসাধন'-এর রচয়িতা হিসেবে কুকুরীপার নাম পাওয়া গেছে। এ থেকে অনুমিত হয়, তিনি মহামায়ার উপাসক ছিলেন। ড. শহীদুল্লাহ্ মতে, কুকুরীপা ৭৪০ থেকে ৮২০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে জীবিত ছিলেন। ধারণা করা হয়, ৮০৯ খ্রিষ্টাব্দে রাজা ধর্মপালের শাসনামলে কুক্কুরীপা তাঁর পৃষ্ঠপোষকতা পেয়েছিলেন।

- কুক্কুরীপা চর্যাপদের ২, ২০ ও ৪৮নং পদের রচয়িতা। তাঁর রচিত ৪৮নং পদটি খুঁজে পাওয়া যায় নি।

কুক্কুরীপা রচিত পদ:
"দিবসহি বহুড়ী কাউহি ডর ভাই।
রাতি ভইলে কামরু জাই।।" চর্যাপদের ২নং পদ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং উৎস: চর্যাগীতি পাঠ, ড. মাহবুবুল হক।

৫৬.
'দেওয়ান ভাবনা' কোন সাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত?
  1. পূর্ববঙ্গ গীতিকা
  2. নাথ গীতিকা 
  3. মর্সিয়া সাহিত্য 
  4. মৈমনসিংহ গীতিকা
ব্যাখ্যা

• 'দেওয়ান ভাবনা' মৈমনসিংহ গীতিকার অন্তর্ভুক্ত।

--------------------
• মৈমনসিংহ গীতিকা:
- মৈমনসিংহ গীতিকা ময়মনসিংহ অঞ্চলের প্রাচীন পালাগানের সংকলন।
- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক দীনেশচন্দ্র সেন বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলা থেকে স্থানীয় সংগ্রাহকদের সহায়তায় প্রচলিত এ পালাগানগুলো সংগ্রহ ও সম্পাদনা করে মৈমনসিংহ গীতিকা (১৯২৩) নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশ করেন।
- মৈমনসিংহ গীতিকা বিশ্বের ২৩টি ভাষায় মুদ্রিত হয়।

গীতিকা গুলো হলো:
- চন্দ্রাবতী (নয়ানচাঁদ ঘোষ),
- দেওয়ানা মদিনা (মনসুর বয়াতি),
- মহুয়া (দ্বিজ কানাই),
- মলুয়া (চন্দ্রাবতী),
- কমলা (দ্বিজ ঈশান),
- দস্যু কেনারামের পালা (চন্দ্রাবতী),
- দেওয়ান ভাবনা,
- রূপবতী,
- কাজল রেখা,
- কঙ্ক ও লীলা, 
- বিদ্যাসুন্দর উল্লেখযোগ্য।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া। 

৫৭.
সুকান্ত ভট্টাচার্যের  'দুর্মর' কবিতাটি কোন পটভূমিতে রচিত?
  1. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের 
  2. ভাষা আন্দোলনের
  3. তেভাগা আন্দোলনের
  4. উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের 
ব্যাখ্যা

• 'দুর্মর' সুকান্ত ভট্টাচার্যের 'পূর্বাভাস' কাব্যগ্রন্থভুক্ত কবিতা। 'পূর্বাভাস' কাব্যগ্রন্থের শেষ কবিতা 'দুর্মর' তেভাগা আন্দোলনের পটভূমিকায় লেখা।

--------------
• সুকান্ত ভট্টাচার্য:
- ১৯২৬ সালের ১৫ আগস্ট কলকাতায় মাতুলালয়ে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন মার্কসবাদী ভাবধারায় বিশ্বাসী এবং প্রগতিশীল চেতনার অধিকারী তরুণ কবি। তাঁকে কিশোরকবি বলা হয়।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল ফরিদপুর জেলার কোটালিপাড়ায়।
- সুকান্ত ভট্টাচার্য কমিউনিস্ট পার্টির পত্রিকা দৈনিক স্বাধীনতা-র (১৯৪৫) 'কিশোর সভা' বিভাগ সম্পাদনা করতেন।
- 'এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাবো আমি' সুকান্ত ভট্টাচার্যের বিখ্যাত উক্তি।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- ছাড়পত্র,
- ঘুম নেই,
- পূর্বাভাস,
- অভিযান,
- মিঠেকড়া,
- হরতাল,
- গীতিগুচ্ছ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলাপিডিয়া।

৫৮.
'উজানের কৈ' বাগ্‌ধারার অর্থ কী?
  1. উচ্ছৃঙ্খল
  2. গুরুত্বহীন লোক
  3. সহজলভ্য
  4.  অচেনা লোক
ব্যাখ্যা

• 'উজানের কৈ' বাগ্‌ধারার অর্থ- সহজলভ্য। 

অন্যদিকে, 
-------------
• 'উলুখাগড়া' অর্থ- গুরুত্বহীন লোক। 
• 'উড়নচণ্ডী' অর্থ- অমিতব্যয়ী / উচ্ছৃঙ্খল। 
• 'উটকো লোক' অর্থ- অচেনা লোক। 

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ;  বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-২০২২ সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৫৯.
শুদ্ধ বানান কোনটি?
  1. বৃশিঙ্খল
  2. বিশৃঙ্খল
  3. বিশৃঙ্ক্ষল 
  4. বৃিশিঙ্খল
ব্যাখ্যা

• শুদ্ধ বানান: বিশৃঙ্খল।
- শব্দটি বিশেষণ পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
- এটি সংস্কৃত ভাষার শব্দ।
অর্থ:
- অরাজক,
- নিয়মহীন।
- বিপর্যস্ত।
- উচ্ছৃঙ্খল। 

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। 

৬০.
'জ্যাঠামি' কোন ধরনের শব্দ?
  1. যৌগিক 
  2. যোগরূঢ়
  3. মৌলিক 
  4. রূঢ়ি
ব্যাখ্যা

• জ্যাঠামি = জেঠার ভাব (মূল অর্থ) চাপল্য (পরিবর্তিত অর্থ)। এটি একটি রূঢ়ি শব্দ।
- জেঠা অর্থ বয়স্ক ব্যক্তি আর জেঠামি অর্থ পাকামি; জেঠামি; বৃদ্ধ না হয়েও তদ্রূপ আচরণ বা ব্যবহার।

------------
• রূঢ়ি শব্দ: 
যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গযোগে মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে, তাকে রূঢ়ি শব্দ বলে। যেমন-হস্তী-হস্ত + ইন, অর্থ-হস্ত আছে যার; কিন্তু হস্তী বলতে একটি পশুকে বোঝায়। গবেষণা (গো+এষণা) অর্থ- গরু খোঁজা। বর্তমান অর্থ ব্যাপক অধ্যয়ন। 

এ রকম-
বাঁশি: বাঁশ দিয়ে তৈরি যে কোনো বস্তু নয়, শব্দটি সুরের বিশেষ বাদ্যযন্ত্র, বিশেষ অর্থে প্রযুক্ত হয়।
তৈল: শুধু তিলজাত স্নেহ পদার্থ নয়, শব্দটি যে কোনো উদ্ভিজ্জ পদার্থজাত স্নেহ পদার্থকে বোঝায়। যেমন-বাদাম-তেল।
প্রবীণ: শব্দটির অর্থ হওয়া উচিত ছিল প্রকৃষ্ট রূপে বীণা বাজাতে পারেন যিনি। কিন্তু শব্দটি 'অভিজ্ঞতাসম্পন্ন বয়স্ক ব্যক্তি' অর্থে ব্যবহৃত হয়।
সন্দেশ: শব্দ ও প্রত্যয়গত অর্থে 'সংবাদ'। কিন্তু রুঢ়ি অর্থে 'মিষ্টান্ন বিশেষ'।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ) এবং মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬১.
'বাক্য হলো এক বা একাধিক শব্দের সুবিনাস্ত সমস্টি, যা বত্তার মনোভাবকে সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করে।' বাক্যটিতে কয়টি ভুল আছে?
  1. দুইটি
  2. তিনটি 
  3. চারটি 
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

প্রশ্নে প্রদত্ত বাক্যে তিনটি ভুল রয়েছে। এখানে সুবিনাস্ত, সমস্টি ও বত্তা শব্দের বানানগুলো ভুল। 

বানানগুলোর শুদ্ধ রূপ হলো-
সুবিন্যস্ত, 
- শব্দটি বিশেষণ পদ। 
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- সুশৃঙ্খলভাবে সজ্জিত।
- উত্তমরূপে স্থাপিত।

সমষ্টি,
- শব্দটি বিশেষ্য পদ। 
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- সংখ্যার যোগফল, মোট।
- সাকুল্য, সমগ্রতা।

বক্তা, 
- শব্দটি বিশেষ্য ও বিশেষণ উভয় পদ। 
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- যে বলে বা ভাষণ দেয়।
-  বাকপটু, বাগ্মী।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

৬২.
'তদ্ভব' শব্দের শুদ্ধ সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি? 
  1.  তৎ + ভব
  2.  তদ্‌ + ভব
  3.  তৎ + দ্ভব
  4.  তৎ + দব 
ব্যাখ্যা

• ব্যঞ্জন সন্ধির নিয়ম:
বর্গের প্রথম ধ্বনি (ক/চ/ট/ত/প্) আগে থাকলে এবং বর্গের তৃতীয় ও চতুর্থ ধ্বনির যে-কোনোটি পরে থাকলে প্রথম ধ্বনিটি সন্ধিতে তৃতীয় ধ্বনিতে পরিণত হয়। 
যেমন:
- দিক্ + গজ = দিগ্‌গজ;
- বাক্ + জাল = বাজ্জাল;
- দিক্ + দর্শন = দিগ্‌দর্শন, 
- তৎ + ভব = তদ্ভব,
- উৎ + ভব = উদ্ভব,
- সৎ + ভাব = সম্ভাব। 

উৎস: ভাষা শিক্ষ, ড. হায়াৎ মামুদ। 

৬৩.
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু নয় কোনটি?
  1. তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল
  2. সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন ৪৫-এর স্থলে ৫০
  3. 'বাঙালি' শব্দটির পরিবর্তে 'বাংলাদেশী'
  4. রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ গ্রহণ
ব্যাখ্যা

পঞ্চদশ সংশোধনী:
- ২০১১ সালের ৩০শে জুন জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী আইন পাস হয় এবং রাষ্ট্রপতির অনুমোদন হয় ২০১১ সালের ৩ জুলাই।
• সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয় এবং রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
• এই সংশোধনীর মাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
• এই সংশোধনীর দ্বারা 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল' করা হয়।
•  জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়।
• সংবিধানে ৭ অনুচ্ছেদের পরে ৭ (ক) ও ৭ (খ) অনুচ্ছেদ সংযোজন করে সংবিধান বহির্ভূত পন্থায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের পথ রুদ্ধ করা হয়।

উল্লেখ্য,
- পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ৫৪টি ক্ষেত্রে সংযোজন, পরিমার্জন ও প্রতিস্থাপন আনা হয়েছিল।
- পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকার ১৪২ অনুচ্ছেদ থেকে ‘গণভোটের’ বিধান বাদ দিয়েছিল।
- এ ছাড়া পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে অসাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলকে রাষ্ট্রদ্রোহ অপরাধ বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে রাষ্ট্রদ্রোহের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধানও যুক্ত করা হয়। আগে মেয়াদ শেষ হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনে নির্বাচন করার বিধান থাকলেও পঞ্চদশ সংশোধনীতে পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার বিধান সংযোজন করা হয়।

অন্যদিকে, 
-  'বাঙালি' শব্দটির পরিবর্তে 'বাংলাদেশী' এটি সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীতে গৃহীত হয়। 

উৎস: i) BBC.
ii) প্রথম আলো।

৬৪.
ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান কততম? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ১ম 
  2. ২য়
  3. ৩য় 
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা

ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি:
- বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার ইইউ। বাংলাদেশের মোট পোশাক রপ্তানির অর্ধেকের গন্তব্য হচ্ছে ইইউভুক্ত দেশগুলো। এই বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ দুই অবস্থানে রয়েছে চীন ও বাংলাদেশ।
- ১ম স্থানে রয়েছে চীন এবং ২য় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।
- ইইউর বাজারে তৃতীয় শীর্ষ তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশ তুরস্ক।

⇒ বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের রপ্তানির রিপোর্ট অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এ খাতের সবচেয়ে বড় বাজার হিসেবে অবস্থান করছে। ইউরোপীয় বাজারে বাংলাদেশের আরএমজি রপ্তানি হয়েছে ১৯.৭১ বিলিয়ন ডলার যা দেশে মোট আরএমজি রপ্তানির ৫০.১০ শতাংশ।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৭.৫৪ বিলিয়ন ডলার (১৯.১৮ শতাংশ)।
- কানাডা ও যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হয়েছে যথাক্রমে ১.৩০ বিলিয়ন ডলার (৩.৩১ শতাংশ) এবং ৪.৩৫ বিলিয়ন ডলার (১১.০৫ শতাংশ)।
- ইউরোপের মধ্যে জার্মানি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাজার, যেখানে রপ্তানি হয়েছে ৪.৯৫ বিলিয়ন ডলার। এরপর রয়েছে স্পেন (৩.৪০ বিলিয়ন ডলার), ফ্রান্স (২.১৬ বিলিয়ন ডলার), নেদারল্যান্ডস (২.০৯ বিলিয়ন ডলার), পোল্যান্ড (১.৭০ বিলিয়ন ডলার), ইতালি (১.৫৪ বিলিয়ন ডলার) এবং ডেনমার্ক (১.০৪ বিলিয়ন ডলার)।

উৎস: i) BIDA ওয়েবসাইট।
ii) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
iii) প্রথম আলো। [link]

৬৫.
মুক্তিযুদ্ধের সময় নারী যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণের স্থান 'গোবরা ক্যাম্প' কোথায় অবস্থিত?
  1. কলকাতা
  2. চট্টগ্রাম
  3. আগরতলা
  4. আসাম
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধের সময় নারী যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণের স্থান 'গোবরা ক্যাম্প' কলকাতায় অবস্থিত।

মুক্তিযুদ্ধে নারী:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় কলকাতার পার্ক সার্কাস ও পদ্মপুকুরের মাঝামাঝি গোবরা নামক স্থানে শুধু নারী যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণের জন্য একটি ট্রেনিং ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছিল। 
- সেটি পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন আওয়ামী লীগ নেত্রী সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী। 
- নারী যোদ্ধাদের জন্য অনুরূপ আরো তিনটি ক্যাম্প প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল আসাম, ত্রিপুরা ও মেঘালয়ে।
- গোবরা ক্যাম্পে মেয়েদের দেওয়া হতো তিন রকম ট্রেনিং: ১. সিভিল ডিফেন্স, ২. নার্সিং, ৩. অস্ত্র চালনা ও গেরিলা আক্রমণ।

এছাড়াও,
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও নানাভাবে মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখেন।
- আগরতলার লেম্বুচোরা ক্যাম্পে মহিলা গেরিলা স্কোয়াড-এর আধুনিক অস্ত্রের উচ্চতর ট্রেনিং হয়।
- রণাঙ্গনের যোদ্ধা তারামন বিবি বীরপ্রতীক খেতাবে ভূষিত হন।
- চিকিৎসার কাজে মহিলা চিকিৎসকগণের গৌরবময় দৃষ্টান্ত ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম। তিনিও বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) দৈনিক ইত্তেফাক।

৬৬.
নিম্নের কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক?
  1. মুক্তির গান
  2. শ্যামলছায়া
  3. নদীর নাম মধুমতি
  4. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
ব্যাখ্যা

পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়:
- সৈয়দ শামসুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' ।

⇒ পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি কাব্যনাট্য।
- এখানে মুক্তিযুদ্ধকে মহাকাব্যিক ব্যঞ্জনায় তুলে ধরা হয়েছে।
- নাটকটিতে ১৯৭১ সালের বাংলাদেশ শত্রু মুক্ত হওয়ার সময়কালে একটি প্রত্যন্ত গ্রামের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
- পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় মূলত মুক্তিযোদ্ধাদের আগমনের পদধ্বনি।

অন্যদিকে -
- তারেক মাসুদ ও তার স্ত্রী ক্যাথেরিন মাসুদ পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র হলো 'মুক্তির গান'।
- হুমায়ূন আহমদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘শ্যামলছায়া’।
- তানভীর মোকাম্মেলের মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘নদীর নাম মধুমতি’।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো। 

৬৭.
নিচের কোন বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা বেশি?
  1. বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
  2. রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র
  3. রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র
  4. মাতারবাড়ি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
ব্যাখ্যা

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- বাংলাদেশের একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- এটি পাবনা জেলায় অবস্থিত। 
- দেশে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয় ১৯৬১ সালে।
- পাবনা জেলার রূপপুরে প্রকল্প এলাকার জন্য প্রায় ২৬০ একর জমি এবং বৈদ্যুতিক সাব-ষ্টেশন নির্মাণসহ ৭২টি আবাসিক ইউনিটের নির্মাণ কাজও আংশিকভাবে সম্পন্ন করা হয়। 
- বাংলাদেশ সরকার ও রাশিয়ান ফেডারেশনের মধ্যে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন সংক্রান্ত সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়।
- ৩০ নভেম্বর ২০১৭ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নং ইউনিটের প্রথম কংক্রিটের উদ্বোধন করা হয়।
- এর মোট উৎপাদন ক্ষমতা (১২০০×২) ২৪০০ মেগাওয়াট।
 
অন্যদিকে,
• বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র দেশের প্রথম কয়লা নির্ভর বিদ্যুৎ কেন্দ্র। দিনাজপুর জেলাধীন পার্বতীপুর উপজেলার অন্তগত ভবানীপুরে বড়পুকুরিয়ায় তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি অবস্থিত।
- এটি দেশের প্রথম কয়লা খনি থেকে কয়লা আহরন করে কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়।
- মোট উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট।

• রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র: 
- রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার রামপালে অবস্থিত।
- এটি একটি কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- উৎপাদন ক্ষমতা: ১,৩২০ (২×৬৬০) মেগাওয়াট(সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি)।

• মাতারবাড়ি তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- মাতারবাড়ি তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র হলো বাংলাদেশের একটি কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলায় মাতারবাড়ী ও ধলঘাটা ইউনিয়নে অবস্থিত।
- মোট উৎপাদন ক্ষমতা: ১২০০ মেগাওয়াট।

উৎস: i) বিদ্যুৎ বিভাগ ওয়েবসাইট।
          ii) বিবিসি বাংলা।

৬৮.
'গ্রানোলা' কৃষিতে কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. ধান 
  2. গম 
  3. ভুট্টা 
  4. আলু
ব্যাখ্যা

আলুর উন্নত জাত গ্রানোলা মূলত বারি আলু-১৩ (BARI Alu-13) নামে পরিচিত।

উন্নত জাতের আলু:
- হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।

এছাড়াও,
• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি। 
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।
• উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা, ক্ষীরসাপাতি ও মােহনভােগ।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• উন্নত জাতের মরিচ: যমুনা।
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
• উন্নত জাতের তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ।
• উন্নত জাতের আনারস: জায়ান্ট কিউ, হানি কুইন, ঘোড়াশাল, জলঢুপি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

৬৯.
ঢাকা কত সালে প্রথম বাংলার রাজধানী হিসেবে স্থাপিত হয়েছিল?
  1. ১৬০১ সালে 
  2. ১৬০২ সালে 
  3. ১৬১০ সালে 
  4. ১৬১২ সালে
ব্যাখ্যা

ঢাকা ১৬১০ সালে প্রথম বাংলার রাজধানী হিসেবে স্থাপিত হয়েছিল।

রাজধানী ঢাকা:
- রাজধানী ঢাকা বাংলাদেশের বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত বৃহত্তম শহর।
- মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের ইচ্ছানুযায়ী ১৬১০ সালে ঢাকাকে সর্বপ্রথম সুবাহ বাংলার রাজধানী ঘোষণা করা হয়। সম্রাট জাহাঙ্গীর-এর নাম অনুসারে রাজধানীর নাম জাহাঙ্গীরনগর রাখা হয়।

⇒ মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের ফরমান অনুযায়ী ১৬ জুলাই ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে ঢাকাকে সুবা বাংলার রাজধানী ঘোষণা করা হয়। সম্রাট জাহাঙ্গীর-এর নাম অনুসারে রাজধানীর নাম জাহাঙ্গীরনগর রাখা হয়। 
- এর আগে সম্রাট আকবরের আমলে বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার প্রাদেশিক রাজধানী ছিলো বিহারের রাজমহল।
- বারো ভূইয়ার নিয়ন্ত্রণ থেকে বাংলাকে করতলগত করতে ১৫৭৬ থেকে ১৬০৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বারবার চেষ্টা চালানো হয়। এরপর সম্রাট জাহাঙ্গীরের শাসনামলে ১৬০৮ খ্রিস্টাব্দে ইসলাম খান চিশতীকে রাজমহলের সুবেদার নিযুক্ত করেন। তিনি ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনা করে রাজধানী রাজমহল থেকে সরিয়ে ঢাকায় স্থানান্তর করেন।

উল্লেখ্য,
- জনপদ হিসেবে ঢাকার গোড়াপত্তন হয় ৭৫০ খ্রিস্টাব্দে।
- শহর হিসেবে এর গোড়াপত্তন হয় ১২২৯ খ্রিস্টাব্দে।
- ১৬৫০ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার শাহ সুজা রাজধানী আবার রাজমহলে স্থানান্তর করেছিলেন। শাহ সুজার পতনের পর ১৬৬০ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার মীর জুমলা আবার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন।
- ১৭১৭ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার মুর্শিদ কুলি খান রাজধানী মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন।
- বঙ্গভঙ্গের পর ১৯০৫ সালে ঢাকাকে আসাম ও বাংলার রাজধানী করা হয়।
- কংগ্রেসের বাধার মুখে ব্রিটিশ রাজ আবার ১৯১১ সালে রাজধানী কলকাতায় ফিরিয়ে নেয়। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান এবং স্বাধীন পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার পর পূর্ব বাংলা নামে নতুন প্রদেশের রাজধানী হওয়ায় ঢাকার উথানে অধিকতর স্থায়ী উন্নয়ন সাধিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে। একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে ঢাকা রাজনৈতিক , প্রশাসনিক কার্যকলাপ এবং অর্থনৈতিক, সামাজিক, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্ররূপে মর্যাদা লাভ করে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) The Business Standard.

৭০.
'বিচারবিভাগীয় কর্মচারীগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন'-সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত? 
  1. ১০৬ নং 
  2. ১১২ নং 
  3. ১১৬ক নং 
  4. ১২২ নং
ব্যাখ্যা

বিচারবিভাগীয় কর্মচারীগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন:
- সংবিধানের ১১৬ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, বিচারবিভাগীয় কর্মচারীগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন। 
- অনুচ্ছেদ অনুসারে, বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিগণ এবং ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকবেন।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৬ নং অনুচ্ছেদ: সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার: যদি কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হয় যে, আইনের এমন কোন প্রশ্ন উত্থাপিত হয় বা উত্থাপনের সম্ভাবনা দেখা দেয়, যা এমন ধরনের ও এমন জনগুরুত্বসম্পন্ন যে, সেই সম্পর্কে সুপ্রীম কোর্টের মতামত গ্রহণ করা প্রয়োজন, তা হইলে তিনি প্রশ্নটি আপীল বিভাগের বিবেচনার জন্য প্রেরণ করিতে পারবেন এবং উক্ত বিভাগ স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত শুনানীর পর প্রশ্নটি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে স্বীয় মতামত জ্ঞাপন করতে পারবেন।
- ১১২ নং অনুচ্ছেদ" বলতে সাধারণত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদটিকে বোঝায়, যা সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা সংক্রান্ত। 
- সংবিধানের ১২২ নং অনুচ্ছেদে বর্ণনা করা হয়েছে, ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৭১.
জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে, কুটির শিল্পে সর্বোচ্চ জনবল কত হতে পারে?
  1. ১০ জন
  2. ১২ জন
  3. ১৫ জন
  4. ২০ জন
ব্যাখ্যা

জাতীয় শিল্পনীতি:
- সর্বশেষ জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে এসএমই ও অন্যান্য শিল্প প্রতিষ্ঠান/উদ্যোগ এর শ্রেণিবিন্যাস -

⇒ কুটির শিল্প (Cottage Industry):
- ‘কুটির শিল্প’ (Cottage Industry) বলতে পরিবারের সদস্যদের প্রাধান্যভুক্ত সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১০ লক্ষ টাকার নীচে এবং যা পারিবারিক সদস্যসহ অন্যান্য সদস্য সমন্বয়ে গঠিত এবং সর্বোচ্চ জনবল ১৫ এর অধিক নয়।

অন্যদিকে, 
⇒ বৃহৎ শিল্প (Large scale industries): উৎপাদনের ক্ষেত্রে ‘বৃহৎ শিল্প’ (Large Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ (Replacement Cost) ৫০ কোটি টাকার অধিক কিংবা তৈরী পোশাক/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠান ব্যতীত যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ৩০০ জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

⇒ মাঝারি শিল্প (Medium scale industries): ম্যানুফ্যাকচারিং এর ক্ষেত্রে ‘মাঝারি শিল্প’ (Medium Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১৫ কোটি টাকা থেকে ৫০ কোটি টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ১২১-৩০০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে। তবে তৈরি পোশাক প্রতিষ্ঠান/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে মাঝারি শিল্পে শ্রমিকের সংখ্যা সর্বোচ্চ ১০০০ জন।

⇒ ক্ষুদ্র শিল্প (Small industries): ম্যানুফ্যাকচারিং এর ক্ষেত্রে ‘ক্ষুদ্র শিল্প’ (Small Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৭৫ লক্ষ টাকা থেকে ১৫ কোটি টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ২৬-১২০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

উৎস: ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট।

৭২.
বিবিএস-এর সর্বশেষ রিপোর্ট অনুযায়ী, জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান - [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ১১.১২ শতাংশ
  2. ১১.৪৪ শতাংশ
  3. ১১.৬২ শতাংশ
  4. ১১.৭৮ শতাংশ
ব্যাখ্যা

২০২৪-২৫ অর্থবছরে খাতভিত্তিক GDP প্রবৃদ্ধি:
- কৃষি খাতের অবদান ১১.৬২ শতাংশ।
- শিল্প খাতের অবদান ৩৪.৮১ শতাংশ।
- সেবা খাতের অবদান ৫৩.৫৬ শতাংশ।

⇒ সর্বশেষ মে, ২০২৫-এ ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব প্রাক্কলন করা হয়েছে।
- সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩.৯৭% [উল্লেখ্য, চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৪.২২%]।
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।

⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব অনুসারে -
- কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ১.৭৯%।
- শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ৪.৩৪।
- সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ৪.৫১%।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট।

৭৩.
সর্বশেষ জনশুমারি অনুসারে পার্বত্য চট্টগ্রামে কয়টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৩টি
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী:
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশে ‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর’ সংখ্যা ৫০টি।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা ১৩টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষ বসবাস করে। তাদের মধ্যে চাকমা, ত্রিপুরা, ম্রো, খুমি, লুসাই, মারমা, রাখাইন, চাক, বম, খেয়াং, পাঙ্খোয়া জাতিগোষ্ঠী উল্লেখযোগ্য। 

⇒ ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা ১৬,৫০,৪৭৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৪৯.৯৮% ও নারী ৫০.০২%।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করে রাঙামাটিতে। এ জেলায় এসব জাতিগোষ্ঠীর মানুষের সংখ্যা ৩ লাখ ৭২ হাজার ৮৬৪। 
- জেলার দিক দিয়ে -দ্বিতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।
- এর মধ্যে ৬০.০৪% চট্টগ্রাম বিভাগে বসবাস। এছাড়াও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ১৪.৮২% রাজশাহী, ৮.২৮% সিলেট, ৫.৫২% রংপুর ও ৪.৯৯% ঢাকা বিভাগে বসবাস করে।
- সংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হলো চাকমা। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে মারমা। তৃতীয় অবস্থানে আছে ত্রিপুরা।

উৎস: i) জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
ii) প্রথম আলো।

৭৪.
আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পাদনে রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করেন কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী 
  2. বাণিজ্যমন্ত্রী
  3. পররাষ্ট্রমন্ত্রী
  4. অর্থমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

প্রধানমন্ত্রী:
- প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্তম্ভ।
- তাঁর নেতৃত্বেই সরকার পরিচালিত হয়।
- সংবিধান অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী।
- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার প্রধান। তিনি তাঁর প্রয়োজন অনুসারে মন্ত্রি নিয়ে মন্ত্রিসভা গঠন করেন এবং দপ্তর বন্টন করেন। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তিনি মন্ত্রীদেও পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তিনি মন্ত্রণালয়ের কাজের সমন্বয় করেন।
- প্রধানমন্ত্রী যেকোন সময়ে যেকোন মন্ত্রীকে পদত্যাগের অনুরোধ করতে পারেন। এ অনুরোধ এক ধরনের নির্দেশের মত কাজ করে। প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে মন্ত্রিসভার অস্তিত্ব থাকে না।
- প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদ নেতা। সংসদ অধিবেশন আহবান, স্থগিত বা ভেঙ্গে দিতে রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দেন। তার নেতৃত্বে সংসদে আইন প্রণীত হয়।
- আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পাদনে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করে থাকেন।
- বিভিন্ন সাংবিধানিক পদে নিয়োগ রাষ্ট্রপতির এখতিয়ার হলেও তিনি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে নিয়োগ দিয়ে থাকেন।
- প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ঐক্যের প্রতীক। তিনি একটি দলের প্রধান হলেও প্রধানমন্ত্রী সকল নাগরিকের। জাতীয় ঐক্য ও স্বার্থ রক্ষায় প্রধামন্ত্রী সর্বদা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।
- প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ বা প্রতি-স্বাক্ষরে রাষ্ট্রপতি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। এক্ষেত্রে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত প্রয়োজন হয় না।
- মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী প্রভূত ক্ষমতার অধিকারী। তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে এককভাবে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তাছাড়া মন্ত্রিসভা প্রধানমন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণে থাকায় মন্ত্রিগণ তাঁর নির্দেশনা ছাড়া কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না।

⇒ পরিশেষে বলা যায় মন্ত্রিপরিষদ বা সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীই সর্বোচ্চ নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী। তিনি আইন বিভাগ ও শাসন বিভাগের মধ্যমনি।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৫.
রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫ অনুসারে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. প্রচারণা মাইক ব্যবহারের সময়কাল দুপুর ২টা - রাত ৮টা
  2. মাইকে শব্দের মাত্রা ৬০ ডেসিবেলে রাখতে হবে
  3. ধর্মীয় উপাসনালয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালানো যাবে না
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫:
- ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদ, যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সংশোধন সাপেক্ষে, নির্বাচন কমিশন ‘রিপ্রেজেন্টেশন অব দ্য পিপল অর্ডার, ১৯৭২ (পি.ও নং ১৫৫ অফ ১৯৭২)’ এর আর্টিকেল ৯১বি এর আলোকে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫ এর একটি খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে।
- ২৯ জুন, ২০২৫ তারিখে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫ এর খসড়া চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ‘রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০০৮’-এর আলোকে এ খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। যেখানে সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের আচরণ কেমন হবে, তা নিয়ে বেশ কিছু নতুন বিষয় সংযোজন করেছে কমিশন।

• মাইকে গণসংযোগের সময় শব্দের মাত্রা ৬০ ডেসিবেলে রাখতে হবে। প্রচারণার সময় তিন সপ্তাহ থাকছে। টিভিতে সংলাপের সুযোগ রাখা হয়েছে।
• যেসব প্রার্থী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতি বা সদস্য হিসেবে পরিচালনা পর্ষদে থাকবেন বা মনোনীত হয়েছেন বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে, প্রার্থিতা চূড়ান্ত হওয়ার পর সেখান থেকে তাদের পদত্যাগ করতে হবে।
•  নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা লঙ্ঘনে যে নরমাল শাস্তি ছিল, ছয় মাস কারাদণ্ড ও সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, এবার জরিমানা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ দেড় লাখ টাকার প্রস্তাব রয়েছে।
• নির্বাচনি প্রচারণায় অপচনশীল দ্রব্য যেমন- রেক্সিন, পলিথিন, প্লাস্টিকসহ পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কোন উপাদানে তৈরি কোন নির্বাচনি প্রচারপত্র, লিফলেট, হ্যান্ডবিল, ফেস্টুন ও ব্যানার ব্যবহার করা যাবে না। 
• নির্বাচনে প্রার্থীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে নির্বাচনি প্রচার প্রচারণা চালাতে পারবে না। তবে প্রার্থী বা তার এজেন্টের অ্যাকাউন্ট আইডি, ই-মেইল আইডি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নাম রিটার্নিং অফিসারের নিকট দাখিল করতে হবে।
• প্রার্থীরা নির্বাচনি প্রচারণায় দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মাইক ব্যবহার করতে পারবেন। তবে ৩টির অধিক মাইক্রোফোন বা লাউড স্পিকার ব্যবহার করতে পারবে না।
• মসজিদ, মন্দির, গির্জা বা অন্য কোন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কোন প্রকার নির্বাচনী প্রচারণা চালানো যাবে না। 

উৎস: i) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট। [link]
ii) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।

৭৬.
মন্ত্রিপরিষদ সচিব কতজন?
  1. ১ জন 
  2. ২ জন 
  3. ৩ জন 
  4. ৫ জন 
ব্যাখ্যা

মন্ত্রিপরিষদ সচিব:
- মন্ত্রিপরিষদ সচিব ১ জন। 

⇒ বর্তমান মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ।
- ড. শেখ আব্দুর রশীদ মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে ১৬ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে যোগদান করেন।
- তিনি বাংলাদেশ সরকারের ২৫তম মন্ত্রিপরিষদ সচিব। 

উল্লেখ্য,
- মন্ত্রিপরিষদ সচিব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আনুষ্ঠানিক প্রধান। তিনি শীর্ষপদের সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে মনোনীত হন। পদমানক্রমে তাঁর পদমর্যাদা অন্যান্য সচিবের পদের চার ধাপ ঊর্ধ্বে। তিনি আন্তঃমন্ত্রণালয় আলোচনা বিষয়ক কয়েকটি সচিব পর্যায়ের কমিটিরও প্রধান। তিনি প্রশাসন উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটি ও সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ডেরও চেয়ারম্যান। বস্ত্তত মন্ত্রিপরিষদ সচিব প্রধানমন্ত্রী/মন্ত্রিসভার প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেন। তার অবস্থান অনেকটা সিভিল সার্ভিস ও স্থায়ী আমলাতন্ত্রের প্রধানের অনুরূপ। কেননা, সকল সচিব তাঁর পরামর্শ ও নির্দেশনার মুখাপেক্ষী।
- মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও তার ঊর্ধ্বতন সহযোগিবৃন্দ মন্ত্রিসভার প্রায় সকল বৈঠকে উপস্থিত থাকেন। তিনি নৈর্ব্যক্তিকভাবে এসব বৈঠকের সংক্ষিপ্ত বিবরণ লিপিবদ্ধ করে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের জন্য তার কাছে পেশ করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন লাভের পর মন্ত্রিসভার বৈঠকের কার্যবিবরণীর অনুলিপি মন্ত্রীদের মধ্যে বিলি করেন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের উদ্ধৃতাংশ বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবের নিকট পাঠান। এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের প্রতি অবিরত নজর রাখাও তার দায়িত্ব।

উৎস: i) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া। 

৭৭.
স্বাধীনতার পর কত সালে প্রথম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে 
  2. ১৯৭৩ সালে 
  3. ১৯৭৪ সালে 
  4. ১৯৭৫ সালে 
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে প্রথম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীর প্রতিনিধিত্বকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ সংগঠন।
- ১৯২১ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরপরই স্যার এ. এফ. রহমানের উদ্যোগে তিন আবাসিক হলে (মুসলিম হল, জগন্নাথ হল ও ঢাকা হল) ছাত্র সংসদ গঠন করা হয়।
- এরই ধারাবাহিকতায় পরে গঠিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদকে (ডাকসু) তার ঐতিহাসিক ভূমিকার কারণে বাংলাদেশের 'দ্বিতীয় সংসদ' হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- ভাষা আন্দোলন, ছয় দফা দাবি, ১৯৬৯ সালের গণ–অভ্যুত্থান কিংবা নব্বইয়ের এরশাদবিরোধী আন্দোলন—প্রতিটি ঐতিহাসিক সংগ্রামে ডাকসু গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব দিয়েছে এবং ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে জাতীয় রাজনীতিকে প্রভাবিত করেছে।

⇒ হল ছাত্র সংসদের সাফল্যের পর ১৯২২-২৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (Dacca University Student's Union) গঠিত হয়। প্রত্যেক হল থেকে তিনজন ছাত্র এবং একজন শিক্ষক আর উপাচার্যের মনোনীত একজন শিক্ষক এই নিয়ে সংসদ। শিক্ষকদের মধ্যে একজন সভাপতি হতেন।
- ১৯৪৪-৪৫ সালে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ছাত্র সংসদের নতুন গঠনতন্ত্র অনুমোদন করে। এই গঠনতন্ত্রের অধীনে ১৯৪৫-৪৬ সালে উপাচার্য পিজে হার্টগ পদাধিকারবলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের সভাপতি হন।

⇒ স্বাধীনতার পর ডাকসুর প্রথম নির্বাচন হয় ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ডাকসুর সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন থেকে মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন মাহবুবুর জামান।

উলেখ্য,
- ২০২৫ সালে ৩৮তম ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উৎস: i) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট। 
ii) The Daily Star Bangla.

৭৮.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী 'অর্থ বিল' (Money Bill)-এর সংজ্ঞায় কোন ধরনের বিল অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সরকারের হিসাব ও নিরীক্ষা
  2. জরিমানা বা লাইসেন্স ফি
  3. সরকার কর্তৃক ঋণগ্রহণ
  4. প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব বাবদ অর্থপ্রাপ্তি
ব্যাখ্যা

অর্থবিল:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৮১ নং অনুচ্ছেদে 'অর্থবিল' নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
- সরকার যদি দেশের উন্নয়নের জন্য কোন ঋণ গ্রহণ করেন এবং এই সম্পর্কিত কোন বিল সংসদে উত্থাপন করেন তাহলে সেই বিলকে অর্থবিল বলে। 
- প্রতি বছর পরবর্তী বছরের জন্য সরকারের আর্থিক প্রস্তাবাবলি কার্যকর করার উদ্দেশ্যে অর্থবিল সংসদে উত্থাপন করা হয়। সংসদে উত্থাপনের পর যথানিয়মে বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বিলটি পাস করতে হয়। অর্থবিল রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য উপস্থাপিত হলে পনের দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতি প্রদান করেন। রাষ্ট্রপতি সম্মতি প্রদানে অসমর্থ হলে উক্ত মেয়াদের শেষে বিলটি আইনে পরিণত হয়।

⇒ ৮১ (১) এই ভাগে "অর্থবিল" বলতে শুধুমাত্র নিম্নলিখিত বিষয়সমূহের সকল বা যে কোন একটি সম্পর্কিত বিধানাবলী-সংবলিত বিল বুঝবে:
- (ক) কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণ;
- (খ) সরকার কর্তৃক ঋণগ্রহণ বা কোন গ্যারান্টি দান, কিংবা সরকারের আর্থিক দায়-দায়িত্ব সম্পর্কিত আইন সংশোধন;
- (গ) সংযুক্ত তহবিলের রক্ষণাবেক্ষণ, অনুরূপ তহবিলে অর্থপ্রদান বা অনুরূপ তহবিল হতে অর্থ দান বা নির্দিষ্টকরণ;
- (ঘ) সংযুক্ত তহবিলের উপর দায় আরোপ কিংবা অনুরূপ কোন দায় রদবদল বা বিলোপ;
- (ঙ) সংযুক্ত তহবিল বা প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব বাবদ অর্থপ্রাপ্তি, কিংবা অনুরূপ অর্থ রক্ষণাবেক্ষণ বা দান, কিংবা সরকারের হিসাব-নিরীক্ষা;
- (চ) উপরি-উক্ত উপ-দফাসমূহে নির্ধারিত যে কোন বিষয়ের অধীন কোন আনুষঙ্গিক বিষয়।

⇒ ৮১ (২) কোন জরিমানা বা অন্য অর্থদণ্ড আরোপ বা রদবদল, কিংবা লাইসেন্স-ফি বা কোন কার্যের জন্য ফি বা উসুল আরোপ বা প্রদান কিংবা স্থানীয় উদ্দেশ্যসাধনকল্পে কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণের বিধান করা হয়েছে, কেবল এই কারণে কোন বিল অর্থবিল বলে গণ্য হবে না।

⇒ ৮১ (৩) রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য তাঁর নিকট পেশ করিবার সময়ে প্রত্যেক অর্থবিলে স্পীকারের স্বাক্ষরে এই মর্মে একটি সার্টিফিকেটে থাকিবে যে, তা একটি অর্থবিল, এবং অনুরূপ সার্টিফিকেট সকল বিষয়ে চূড়ান্ত হবে এবং সেই সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৭৯.
বাংলাদেশের IMF-এর কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. আগারগাঁও, ঢাকা 
  2. মতিঝিল, ঢাকা
  3. জিইসি মোড়, চট্টগ্রাম
  4. আগ্রাবাদ, চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

IMF:
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট IMF-এর সদস্য পদ লাভ করে।
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক ভবনে কার্যালয় স্থাপন করে আইএমএফ।
- সদস্য দেশে আবাসিক প্রতিনিধির নেতৃত্বে নিজস্ব অফিস পরিচালনা করে সংস্থাটি।
- ঢাকায় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ভবনের পঞ্চম তলায় তাদের অফিস ছিল।

⇒ বর্তমানে ঢাকার আগারগাঁও-এ আইএমএফ-এর কার্যালয় অবস্থিত।

উৎস: IMF ওয়েবসাইট। [link]

৮০.
বর্তমানে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত কয়টি? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা

আপিল বিভাগ:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের এখতিয়ার বর্ণিত হয়েছে।
- সংবিধানের ৯৪ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, আপীল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে বাংলাদেশের জন্য সুপ্রীম কোর্ট গঠিত হবে।
- সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগ হলো বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আপীল আদালত।
- এটি হল প্রথম স্তরের আপীল আদালত, যা হাইকোর্ট বিভাগের চূড়ান্ত বিচারিক রায় পর্যালোচনা করার কর্তৃত্ব রাখে।

⇒ ক্ষমতা ও কার্যাবলী:
- হাইকোট বিভাগের রায়, ডিক্রি, আদেশ বা দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল শুনানির ও তাহা নিস্পত্তির এখতিয়ার ও ক্ষমতা রয়েছে। 
- এ বিভাগের কোন ঘোষিত রায় বা প্রদত্ত আদেশ পুনর্বিবেচনা করতে পারে।
- রাষ্ট্রপতির প্রয়োজন মোতাবেক আপিল বিভাগ আইন বিষয়ে মতামত জ্ঞাপন করতে পারে।
- সম্পূর্ণ ন্যায় বিচারের স্বার্থে কোন ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করা ও কাগজপত্র পেশ করার আদেশ দিতে পারে। 

⇒ বর্তমানে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত ২টি।
- প্রধান বিচারপতি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের মামলাসংক্রান্ত জরুরি বিষয়াদি নিষ্পত্তির জন্য ২০ জুলাই (আজ রোববার) থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত চেম্বার জজ–১ হিসেবে আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হককে এবং চেম্বার জজ–২ হিসেবে আপিল বিভাগের বিচারপতি ফারাহ মাহবুবকে মনোনীত করেছেন।
- চেম্বার জজ–১ আদালত দেওয়ানি ও ফৌজদারি প্রকৃতির মামলা থেকে উদ্ভূত মামলাগুলো রবি থেকে বৃহস্পতিবার প্রতিদিন বেলা সোয়া একটা থেকে শারীরিক উপস্থিতিতে যথারীতি শুনানি করবেন। চেম্বার জজ–২ আদালত হাইকোর্ট বিভাগের রিট ও আদিম অধিক্ষেত্রাধীন বিষয় থেকে উদ্ভূত মামলাগুলো প্রতি রবি, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত শারীরিক উপস্থিতিতে যথারীতি শুনানি গ্রহণ করবেন।
-  দুটি চেম্বার আদালত সুপ্রিম কোর্টের ইতিহাসে প্রথম। দুটি আদালতের অধিক্ষেত্র আলাদা করে দেওয়া হয়েছে, খুবই ভালো হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে আপিল বিভাগের বিচারকের সংখ্যা ৭ জন।
- মোট বিচারক: প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ, বিচারপতি মোঃ আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক, কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি ফারাহ মাহবুব শপথ ।

উৎস: i) সুপ্রীম কোর্ট ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

৮১.
আন্তর্জাতিক কোন সংস্থা ২০২৪ সালে বাংলাদেশে সংগঠিত জুলাই গণহত্যার তদন্ত কার্যক্রম করে?
  1. Human Rights Watch
  2. OHCHR
  3. Amnesty International
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

জুলাই গণহত্যা:
- জাতিসংঘ মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশন (OHCHR) ২০২৪ সালে বাংলাদেশে সংগঠিত জুলাই গণহত্যার তদন্ত কার্যক্রম করে।
- OHCHR : Office of the United Nations High Commissioner for Human Rights।
- এটি জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা যা ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর কাজ হলো মানবাধিকার রক্ষা, লঙ্ঘন পর্যবেক্ষণ, রিপোর্ট তৈরি, আন্তর্জাতিক আইন প্রয়োগে সহায়তা এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
- এর সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।

⇒ বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের আমন্ত্রণে OHCHR স্বাধীনভাবে জুলাই গণহত্যার তদন্ত করেছে।
- ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি, জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশন একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। 
- ১ জুলাই - ১৫ আগস্টের ঘটনা বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদন চূড়ান্ত করেছে ওএইচসিএইচআর। 
- প্রতিবেদনে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের দ্বারা সংগঠিত বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, নির্বিচার গ্রেপ্তার, নির্যাতন এবং অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের মতো ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা উঠে এসেছে। এসব ঘটনায় আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন গোষ্ঠী, সংগঠন এবং বিভিন্ন নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা জড়িত ছিল বলে প্রতিবেদনটিতে তুলে ধরা হয়েছে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) UN ওয়েবসাইট।

৮২.
কত তারিখে কৃষক দিবস পালিত হয়?
  1. ৩০ জানুয়ারি
  2. ৩১ জানুয়ারি
  3. ১৫ নভেম্বর
  4. ১৬ নভেম্বর
ব্যাখ্যা

কৃষক দিবস:
- ৩০ জানুয়ারি কৃষক দিবস পালিত হয়।

⇒ দেশে প্রথমবারের মতো ৩০ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে কৃষক দিবস পালিত হয়।
- বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ও এর সম্প্রসারণ কেন্দ্রের (বাউএক) উদ্যোগে এই দিবস পালিত হয়।
- দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল 'কৃষকবান্ধব প্রযুক্তির সম্প্রসারণই হোক আমাদের অঙ্গীকার'।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশে প্রতি বছর ১ অগ্রহায়ণ জাতীয় কৃষি দিবস পালিত হয়। 

উৎস: প্রথম আলো।

৮৩.
‘OPEC+’ জোটের সদস্য দেশ হিসেবে নিম্নের কোন দেশকে গণ্য করা হয়?
  1. কাতার
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. চীন
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা

রাশিয়া ওপেক প্লাস (OPEC+)-এর সদস্য রাষ্ট্র।

OPEC:

- OPEC-এর পূর্ণরূপ: Organization of the Petroleum Exporting Countries.
- OPEC তেল রপ্তানীকারক দেশসমূহের একটি আন্তঃরাষ্ট্রীয় সংগঠন।
- প্রধান উদ্দেশ্য: সদস্য দেশসমূহের পেট্রোলিয়ামের নীতি নির্ধারণ ও সমন্বয় এবং বৈশ্বিক তেলের দাম নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রন করা।
- ওপেক গঠনের প্রস্তাবক দেশ ভেনেজুয়েলা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: সেপ্টেম্বর, ১৯৬০ সালে। 
- প্রতিষ্ঠার স্থান: বাগদাদ, ইরাক।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৫টি (ইরাক, ইরান, কুয়েত, সৌদি আরব ও ভেনিজুয়েলা)।
- বর্তমান সদস্য: ১২টি (আলজেরিয়া, কঙ্গো, নিরক্ষীয় গিনি, গ্যাবন, ইরান, ইরাক, কুয়েত, লিবিয়া, নাইজেরিয়া, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ভেনিজুয়েলা।)।
- সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।

• OPEC Plus (OPEC+):
- তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জোট ও তাদের সহযোগীরা ওপেক প্লাস হিসেবে পরিচিত।
- গঠিত হয়: ২০১৬ সালে (আলজেরিয়া)। 
- OPEC+ দেশ: ৮টি (সৌদি আরব, রাশিয়া, ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাজাখস্তান, আলজেরিয়া এবং ওমান)। 
- এরা বিশ্বের তেল উৎপাদনের প্রায় ৫৯% নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: OPEC ওয়েবসাইট।

৮৪.
নিম্নের কোন স্থানে UNEP এর সদরদপ্তর অবস্থিত?
  1. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  2. মাদ্রিদ, স্পেন
  3. রোম, ইতালি
  4. নাইরোবি, কেনিয়া
ব্যাখ্যা
UNEP:
- UNEP - এর পূর্ণরূপ - United Nations Environment Programme।
- এটি জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি।
- UNEP এর প্রধানের পদবী- নির্বাহী পরিচালক। 
- প্রতিষ্ঠিত হয় - ১৯৭২ সালে্র ৫ জুন।
- প্রতিষ্ঠার তারিখ ধরে ৫ জুন প্রতিবছর বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন করা হয়।
- সদরদপ্তর - নাইরোবি, কেনিয়া।
- এর সদস্য দেশ - ১৯৩টি।

উৎস: UNEP এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৮৫.
নিম্নের কোন দেশে প্রাচীন নগরী 'পালমিরা' অবস্থিত?
  1. মেক্সিকো
  2. সিরিয়া
  3. ব্রাজিল
  4. ইরাক
ব্যাখ্যা
পালমিরা:
- বিশ্বের অন্যতম সবচেয়ে প্রাচীন ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের শহর পালমিরা।
- পালমিরা বর্তমান সিরিয়ার হমস প্রদেশে অবস্থিত।

সিরিয়া:
- আনুষ্ঠানিকভাবে সিরিয়ান আরব প্রজাতন্ত্র।
- সিরিয়া মধ্যপ্রাচ্যের ভূমধ্যসাগরের পূর্ব উপকূল বরাবর অবস্থিত।
- আয়তন: ৭১,৪৯৮ বর্গ মাইল (১৮৫,১৮০ বর্গ কিমি)।
- রাজধানী: দামেস্ক।
- ভাষা: আরবি (অফিসিয়াল), কুর্দি, আর্মেনিয়ান।
- ধর্ম: ইসলাম (প্রধানত সুন্নি), এছাড়াও খ্রিস্টান।
- মুদ্রা: সিরিয়ান পাউন্ড।
- দেশটি ১৯৬২ সালে স্বাধীনতা লাভ করে।

সূত্র - Britannica.com
৮৬.
'ফ্রি তিব্বত' কিসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. তিব্বতের স্বাধীনতা আন্দোলন
  2. তিব্বত ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা
  3. একটি প্রামাণ্য চিত্র
  4. কোনটি নয় 
ব্যাখ্যা

ফ্রি তিব্বত:
- ১৯৫০ সালে চীন তিব্বতে সামরিকভাবে প্রবেশ করে এবং ১৯৫১ সালে কার্যত দেশটিকে দখলে নেয়।
- এরপর থেকে তিব্বতের রাজনৈতিক স্বাধীনতা হারিয়ে যায়।
- এটি তিব্বতের স্বাধীনতা আন্দোলন নামে পরিচিত।
- "ফ্রি তিব্বত" আন্দোলন দাবি করে যে তিব্বত একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হওয়া উচিত অথবা অন্ততপক্ষে তাদের সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিতে হবে।
- দালাই লামার নেতৃত্বে বহু তিব্বতী ভারতে ও অন্যান্য দেশে আশ্রয় নিয়েছেন এবং সেখান থেকেই "Free Tibet" আন্দোলন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ছড়িয়ে দিয়েছেন।

উৎস-  freetibet [লিঙ্ক]

৮৭.
'সুইস গার্ড' নিম্নের কার নিরাপত্তা নিশ্চিত করে?
  1. সুইস প্রেসিডেন্ট
  2. জাতিসংঘ মহাসচিব
  3. সেক্রেটারি জেনারেল
  4. পোপ
ব্যাখ্যা

• পোপ:
- পোপ হলেন রোমান ক্যাথলিক গির্জার সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক প্রধান।
- তাকে খ্রিস্টান ধর্মের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- পোপের আসন ভ্যাটিকান সিটিতে অবস্থিত এবং তিনি সাধারণত বিশ্বজুড়ে ক্যাথলিকদের ধর্মীয় ও নৈতিক নেতৃত্ব প্রদান করেন।
- পোপের দেহরক্ষী বাহিনীকে বলা হয় - সুইস গার্ড।
- বর্তমানে (২০২৫ সাল পর্যন্ত), পোপ হলেন পোপ ফ্রান্সিস।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৮৮.
রোমানরা কোন ধরনের সংখ্যাকে দুর্ভাগ্য মনে করত?
  1. জোড় সংখ্যা
  2. বিজোড় সংখ্যা
  3. ভগ্নাংশ
  4. কোনটি নয় 
ব্যাখ্যা

আধুনিক গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের উৎপত্তি:
- আধুনিক গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার মূলত প্রায় ২,০০০ বছরের পুরনো রোমান ক্যালেন্ডারের ওপর ভিত্তি করে তৈরি কর হয়।
- প্রাথমিক রোমান ক্যালেন্ডার সম্ভবত গ্রীক মডেলের ওপর তৈরি, যা চন্দ্রচক্রের ওপর নির্ভর করত।
- রোমানরা জোড় সংখ্যাকে দুর্ভাগ্য মনে করত, তাই মাসের দিন বিজোড় সংখ্যা রাখা হতো।
- এই প্রথা ৪৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত চলেছিল।
- জুলিয়াস সিজার এবং জ্যোতির্বিজ্ঞানী সোসিজেনেস সৌর বছরের সঙ্গে ক্যালেন্ডার সামঞ্জস্য করতে জুলিয়ান ক্যালেন্ডার চালু করেন।
- জুলিয়াস সিজার বছরে দিনের সংখ্যা ৩৫৫ থেকে ৩৬৫ দিনে বৃদ্ধি করেন এবং ১২ মাস অন্তর্ভুক্ত করেন।
- জুলিয়ান ক্যালেন্ডারে সৌর বছরের সাথে সামঞ্জস্যের জন্য ১১ মিনিটের ত্রুটি ছিল, যা বছরের পর বছর জমা হয়ে ক্যালেন্ডারকে কয়েকদিন পিছিয়ে দিত।
- ১৫৮২ সালে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার চালু করা হয় এবং লিপ বছরের নিয়ম পরিবর্তন করে ত্রুটি দূর করা হয়।

উৎস: History.com [লিঙ্ক]

৮৯.
নিচের কোন বিষয়টি দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতির ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম সংশ্লিষ্ট?
  1. ধর্ম
  2. সংস্কৃতি 
  3. জাতি
  4. ভাষা
ব্যাখ্যা

দক্ষিণ এশিয়া:
- দক্ষিণ এশিয়া বা দক্ষিণাঞ্চলীয় এশিয়া বলতে এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত ভারতীয় উপমহাদেশ ও তার সন্নিকটস্থ অঞ্চলকে বোঝায়।
- দক্ষিণ এশিয়া নিচের রাষ্ট্রগুলো নিয়ে গঠিত: নেপাল, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ভারত, ভুটান, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা।
- সংস্কৃতি দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম সংশ্লিষ্ট বিষয়।
- সংস্কৃতি হলো সেই জটিল সামগ্রিকতা যাতে অন্তর্গত আছে জ্ঞান, বিশ্বাস, নৈতিকতা, শিল্প, আইন, আচার এবং সমাজের একজন সদস্য হিসেবে মানুষের দ্বারা অর্জিত অন্য যেকোনো সম্ভাব্য সামর্থ্য বা অভ্যাস।
- দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় সবদেশে জাতিগত দাঙ্গা বিক্ষুদ্ধ অবস্থায় রয়েছে।
- ভাষাগত ও ধর্মগত বিরোধও রয়েছে।
- বাংলাদেশে ‘৫২’ সালে ভাষা আন্দোলন হয়েছে।
- কেবল সাংস্কৃতিক বিরোধ ততটা উল্লেখ্য নয় এবং কখনো সাংস্কৃতিক বিপ্লবও ঘটেনি।

উৎস: Britannica এবং প্রথমআলো পত্রিকা রিপোর্ট। 

৯০.
'OIC Statistical Commission' এর সদরদপ্তর নিচের কোথায় অবস্থিত?
  1. আঙ্কারা
  2. আম্মান
  3. রিয়াদ
  4. কায়রো
ব্যাখ্যা
OIC StatCom:
OIC পরিসংখ্যান কমিশন (OIC-StatCom) 
- এটি ২০১১ সালে সদস্য দেশগুলির জাতীয় পরিসংখ্যান সংস্থাগুলির (NSOs) মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে তাদের জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যবস্থাকে আরও ভাল জাতীয় কৌশল বিকাশের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- OIC StatCom এর সদর দপ্তর হচ্ছে - আঙ্কারা, তুর্কিয়ে।

সূত্র: OIC StatCom ওয়েবসাইট।
৯১.
নাইন-ইলেভেন ধ্বংসস্তূপটি কোন নামে পরিচিত?
  1. ফ্ল্যাটার গ্রাউন্ড
  2. হোমল্যান্ড জোন
  3. ট্রেড জোন
  4. গ্রাউন্ড জিরো
ব্যাখ্যা

নাইন-ইলেভেন:
- ১১ সেপ্টেম্বরের হামলা যা নাইন/ইলেভেন নামেও পরিচিত।
- ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকালে যুক্তরাষ্ট্রের উপর আল কায়েদার একইসাথে চারটি সমন্বিত সন্ত্রাসী হামলা।
- ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০১ সালে তৎকালীন আল-কায়দা চারটি যাত্রীবাহী বিমান ছিনতাই করে।
- হামলার পরিকল্পনা অনুযায়ী ২টি বিমান দিয়ে আঘাত করে নিউইয়র্কে অবস্থিত ১১০ তলা বিশিষ্ট ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে।
- ১ টি পেন্টাগনে ও ১ টি পেনসিলভেনিয়ায় ।
- ধ্বংসস্তূপটি কে গ্রাউন্ড জিরো বলা হয়।
- ২০০১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন জর্জ ডব্লিউ বুশ।
- এই হামলার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বুশ সরকার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য Department of Homeland Security বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন।

সূত্র - Britannica.com. 

৯২.
নিচের কোনটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা?
  1. আসিয়ান
  2. সার্ক
  3. কমনওয়েলথ
  4. ব্রিকস
ব্যাখ্যা
আসিয়ান (ASEAN):
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা হচ্ছে আসিয়ান। 
- আসিয়ান (ASEAN) ৮ আগস্ট ১৯৬৭ সালে ব্যাংকক, থাইল্যান্ডে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর মূল লক্ষ্য দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক সহযোগিতা বৃদ্ধি।
- সদস্য দেশসমূহ: ১০টি দেশ। 
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য (১৯৬৭):ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড।
- পরবর্তীতে যোগদান করে:ব্রুনাই, ভিয়েতনাম, লাওস, মিয়ানমার ও কম্বোডিয়া।
- বর্তমানে আসিয়ান দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১০টি দেশ নিয়ে গঠিত এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

উৎস: আসিয়ান ওয়েবসাইট। 
৯৩.
নিম্নের কে  ইউএস ওপেন নারী একক- ২০২৫ এ গ্র্যান্ড স্লাম জয়ী হয়েছেন? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. সেরেনা উইলিয়ামস
  2. আরিনা সাবালেঙ্কা
  3. জেসিকা পেগুলা
  4.  আমান্ডা আনিসিমোভা
ব্যাখ্যা

ইউএস ওপেন নারী একক- ২০২৫:
- ইউএস ওপেন নারী একক- ২০২৫ এ গ্র্যান্ড স্লাম জয়ী হয়েছেন বেলারুশের টেনিস তারকা আরিনা সাবালেঙ্কা।
- ফাইনালে তিনি আমেরিকান তারকা আমান্ডা আনিসিমোভাকে সরাসরি সেটে ৬-৩, ৭-৬ (৭/৩) গেমে হারান।
- সাবালেঙ্কার এটি ক্যারিয়ারের টানা দ্বিতীয় ইউএস ওপেন এবং ক্যারিয়ারের চতুর্থ গ্র্যান্ড স্লাম। 
- তিনি ২০২২ সালের পর থেকে কোনো হার্ডকোর্ট গ্র্যান্ড স্ল্যামের ফাইনাল মিস করেননি।
- তাই তাকে আধুনিক হার্ডকোর্টের রানি বলা হয়।

সূত্র- প্রথম আলো পত্রিকা প্রতিবেদন।

৯৪.
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুসারে, মাথাপিছু জিডিপিতে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান কত? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. ৫ম
  2. ৪র্থ
  3. ৩য়
  4. ২য়
ব্যাখ্যা

মাথাপিছু জিডিপি:
- মাথাপিছু জিডিপি হলো দেশের মোট উৎপাদিত সম্পদের মধ্যে প্রত্যেক নাগরিকের জন্য গড় কতটুকু অর্থ বা সম্পদ তৈরি হয়েছে, সেটি হলো মাথাপিছু জিডিপি।
- সম্প্রতি এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর প্রধান অর্থনৈতিক সূচক নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। 
- এডিবির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত দেড় দশকে বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি প্রায় তিন গুণ বেড়েছে। 
- তারপরও দক্ষিণ এশিয়ার আটটি দেশের মধ্যে মাথাপিছু জিডিপির দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান পঞ্চম।
- ২০২৪ সালের সর্বশেষ হিসাবে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু জিডিপি এখন ২ হাজার ৬২৫ মার্কিন ডলার।

অন্যদিকে,
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে মাথাপিছু জিডিপিতে শীর্ষে রয়েছে মালদ্বীপ।
- এই দ্বীপরাষ্ট্রের নাগরিকদের মাথাপিছু জিডিপি হচ্ছে ১১ হাজার ডলারের বেশি।
- তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে শ্রীলঙ্কা; দেশটির মাথাপিছু জিডিপি প্রায় ৪ হাজার ৫১৬ ডলার।
- এ ছাড়া প্রায় ৪ হাজার ডলার নিয়ে ভুটান তৃতীয় ও ২ হাজার ৮০০ ডলার নিয়ে ভারত চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে।
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সর্বনিম্নে আফগানিস্তানের (৪০০ ডলারের বেশি) অবস্থান।

সূত্র- প্রথম আলো পত্রিকা প্রতিবেদন।

৯৫.
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদর দপ্তরের নতুন নাম কী রাখা হয়েছে? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. মিলিটারি দপ্তর
  2. যুদ্ধ দপ্তর
  3. প্রতিরক্ষা দপ্তর
  4. সুরক্ষা দপ্তর
ব্যাখ্যা

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর:
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তরের নাম পরিবর্তন করে '‘ডিপার্টমেন্ট অব ওয়ার (যুদ্ধ দপ্তর)' রেখেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। 
- ৫ সেপ্টেম্বর তিনি এ সংক্রান্ত একটি নির্বাহী আদেশে সই করেন।
- সেই সাথে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের পদবিকে 'যুদ্ধমন্ত্রী' এবং তার পরের কর্মকর্তা স্টিভ ফেইনবার্গের পদবিকে 'উপ-যুদ্ধমন্ত্রী' করা হয়েছে।
- তবে দপ্তরটির নাম আইনগতভাবে প্রতিরক্ষা দপ্তরই থাকছে।

সূত্র- কালের কণ্ঠ পত্রিকা প্রতিবেদন।

৯৬.
নিম্নোক্ত কোন দেশটি ইসরাইলকে প্রথম স্বীকৃতি প্রদান করে?
  1. জার্মানি
  2. ব্রিটেন
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ইতালি
ব্যাখ্যা

ইসরাইলকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ যুক্তরাষ্ট্র।

ইসরাইল:
- মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোর মাঝখানে ছোট্ট একটি দেশ ইসরাইল।
- রাজধানী: জেরুজালেম।
- মুদ্রা: শেকেল।
- ইসরাইলের ভাষা হিব্রু।
- ফিলিস্তিন অংশের ভূমি দখল করে রাষ্ট্র গঠন করে ইসরাইল।
- মুসলমান, ইহুদি ও খ্রিস্টান এই তিন ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্রভূমি ফিলিস্তিনের জেরুজালেম।
- বেলফোর ঘোষণা ইসরায়েল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত।

এছাড়াও,
- ১৯৪৮ সালের ১৪ই মে ব্রিটিশ ও মার্কিনদের সহায়তায় ইহুদিরা আরব ভূমিতে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে।
- ইসরায়েলের স্বপ্নদ্রষ্টা অস্ট্রিয়ান সাংবাদিক থিওডর হার্জেল।
- ইহুদিবাদ আন্দোলনের প্রবক্তা থিওডোর হার্জল।
- যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে প্রথম স্বীকৃতি দেয়।
- ইসরাইলকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম আরব দেশ মিসর।
- ইসরাইলকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ তুরস্ক।

উৎস:Britannica ওয়েবসাইট এবং U.S. Embassy in Israel (.gov). 

৯৭.
নিচের কোনটি সামরিক জোট নয়?
  1. INTERPOL
  2. Warsaw Pact
  3. NATO
  4. ANZUS
ব্যাখ্যা

 • INTERPOL
- পূর্ণরূপ: The International Criminal Police Organization।
- এটি পুলিশের একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠা: ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩ সাল।

অন্যদিকে: 
• NATO:
- পূর্ণরুপ-The North Atlantic Treaty Organization. 
- NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- এটি সামরিক জোট। 

• ANZUS:
-চুক্তি  স্বাক্ষরিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১।
- কার্যকর হয়: ১৯৫২ সালে।
- এটি সামরিক জোট। 

• Warsaw Pact:
- Warsaw Pact বলতে বোঝায় Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের ৮টি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি।
- উদ্দেশ্য: মূলত, আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও কূটনীতিতে সোভিয়েত প্রভাব বৃদ্ধিই ছিলো এর মূল উদ্দেশ্য।
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়ারশ, পোল্যান্ড।
- এটি সামরিক জোট। 
- সদস্য সংখ্যা ছিলো: ৮টি; সোভিয়েত ইউনিয়ন, আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লাভিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙেরি, পোল্যান্ড ও রোমানিয়া।
- বিলুপ্ত: ১ জুলাই, ১৯৯১।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

৯৮.
গ্যাবন ও টোগোকে অন্তর্ভুক্ত করার পর বর্তমানে কমনওয়েলথের সদস্য সংখ্যা কত?
  1. ৫৪টি
  2. ৫৫টি
  3. ৫৬টি
  4. ৫৭টি
ব্যাখ্যা

• Commonwealth:
- ১৯৪৯ সালে ঐতিহাসিক লন্ডন ঘোষণার মাধ্যমে আধুনিক কমনওয়েলথের যাত্রা শুরু হয়।
- লন্ডন ঘোষণার দিনটিকে অর্থাৎ মার্চের দ্বিতীয় সোমবারকে প্রতিবছর কমনওয়েলথ দিবস পালন করা হয়।
- কমনওয়েলথের বর্তমান - প্রধান রাজা তৃতীয় চার্লস।
- এর সচিবালয় অবস্থিত মার্লবোরো হাউজ, লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
- কমনওয়েলথের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৬ টি
- সর্বশেষ সদস্য দেশ গ্যাবন ও টোগো।
- বাংলাদেশ‌ কমনওয়েলথের সদস্য পদ লাভ করে ১৮ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশ কমনওয়েলথের সদস্য হওয়ায় কমনওয়েলথ ত্যাগ করেছিল পাকিস্তান পরবর্তীতে ১৯৮৯ সালে পুনরায় যোগদান করে।
- কমনওয়েলথের বর্তমান মহাসচিব - Rt Hon Patricia স্কটল্যান্ড।

উৎস: কমনওয়েলথের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৯৯.
পশ্চিম এশিয়ার সবচেয়ে কম জনবহুল দেশের নাম কী?
  1. ইয়েমেন
  2. বাহরাইন
  3. আর্মেনিয়া
  4. তুরস্ক
ব্যাখ্যা
• পশ্চিম এশিয়ার দেশ:
- পশ্চিম এশিয়া এশিয়ার একটি উপ-অঞ্চল যা মধ্য এশিয়া এবং দক্ষিণ এশিয়ার পশ্চিমে, পূর্ব ইউরোপের দক্ষিণে, দক্ষিণ ইউরোপের পূর্বে এবং আফ্রিকার উত্তরে অবস্থিত।
- পশ্চিম এশিয়ায় ১৮টি দেশ রয়েছে।
- আরব এবং তুর্কি পশ্চিম এশিয়ার দুটি বৃহত্তম জাতিগোষ্ঠী।
- পশ্চিম এশিয়ার সবচেয়ে জনবহুল দেশ তুরস্ক। 
- সবচেয়ে কম জনবহুল বাহরাইন।
- পশ্চিম এশিয়ার সবচেয়ে উত্তরের অঞ্চল হল ককেশাস, যেখানে বর্তমান জর্জিয়া, আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজান অবস্থিত।
- ককেশাসের দক্ষিণ-পশ্চিমে হচ্ছে আনাতোলিয়া, যা এশিয়া মাইনর নামে পরিচিত।

• পশ্চিম এশিয়ার দেশসমূহ:
- আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, বাহরাইন, সাইপ্রাস, জর্জিয়া, ইরাক, ইসরায়েল, জর্ডান, কুয়েত, লেবানন, ওমান, প্যালেস্টাইন, কাতার, সৌদি আরব, সিরিয়া, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইয়েমেন।

সূত্র: worldpopulationreview.com।[লিংক]
১০০.
IBM Watson মূলত কী ধরনের প্রযুক্তি হিসেবে পরিচিত?
  1. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
  2. নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি টুল
  3. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক সিস্টেম
  4. মাল্টিমিডিয়া গেমিং সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা

◉ IBM Watson হলো একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং ক্লাউড-ভিত্তিক সিস্টেম, যা ডেটা বিশ্লেষণ, প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ (NLP) এবং মেশিন লার্নিং এর মাধ্যমে জটিল সমস্যা সমাধান করে।

আইবিএম (IBM):
- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- IBM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে International Business Machines Corporation.
- IBM এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন চার্লস র‍্যানলেট ফ্লিন্ট।
- এটি ১৯১১ সালের ১৬ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি শুরুতে কম্পিউটিং-ট্যাবুলেটিং-রেকর্ডিং কোম্পানি হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- পরে ১৯২৪ সালে নাম দেওয়া হয় 'ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস'।
- এর সদরদপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- IBM এর বর্তমান লোগোটি ১৯৭২ সাল থেকে ব্যবহার করা হচ্ছে।
- আইবিএম কোম্পানির তৈরি প্রথম কম্পিউটারের নাম মেইনফ্রেম কম্পিউটার।
- আইবিএম কোম্পানিকে বিগ ব্লু নামে ডাকা হয়।

উৎস: আইবিএম অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১০১.
বিশ্বের প্রথম কমার্শিয়াল কম্পিউটার হলো- 
  1. ENIAC
  2. UNIVAC
  3. IBM 701
  4. Mark I
ব্যাখ্যা

UNIVAC-এর প্রধান পরিচয় হলো এটি ইতিহাসের প্রথম বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত ও বিক্রিত কম্পিউটার যা আধুনিক কম্পিউটার শিল্পের ভিত্তি স্থাপন করেছিল।

UNIVAC:
- UNIVAC এর পূর্ণরূপ Universal Automatic Computer.
- ১৯৫১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে হোয়ার্লউইন্ড-১ কম্পিউটার নির্মাণের কাজ শেষ হয়।
- একই বছরে ENIAC- এর নির্মাতা ড. জন মউসলি ও প্রেসপার UNIVAC কম্পিউটারের নির্মাণকাজ শেষ করেন।
- ইউনিভ্যাকই ছিল সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার এবং এ যন্ত্রেই সর্বপ্রথম চুম্বক-ফিতা ব্যবহার করা হয়েছিল।
- UNIVAC কম্পিউটারে একই সঙ্গে পড়া, গণনা ও তথ্য লেখার কাজ করা যেত।

• কিছু গুরুত্বপূর্ণ পূর্ণরূপ:
- ENIAC: Electronic Numerical Integrator and Computer.
- EDVAC: Electronic Discrete Variable Automatic Computer.
- ASSC (MARK-1): Automatic Sequence Control Calculator.
- ABC: Atanasoff-Berry Computer.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০২.
Arduino সাধারণত কোন ধরনের প্রকল্পের জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং
  2. সার্ভার অ্যাপ্লিকেশন
  3. গ্রাফিক্স প্রসেসিং
  4. IoT এবং রোবটিক্স
ব্যাখ্যা

Arduino একটি ওপেন-সোর্স মাইক্রোকন্ট্রোলার প্ল্যাটফর্ম, যা সহজ প্রোগ্রামিং ও হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণের জন্য তৈরি। সাধারণত IoT (Internet of Things), সেন্সর ভিত্তিক প্রজেক্ট, ছোট রোবটিক্স, হোম অটোমেশন, তাপমাত্রা/আলো/আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি প্রকল্পে Arduino বেশি ব্যবহৃত হয়।

Arduino: 
- ওপেন-সোর্স ইলেকট্রনিক্স প্ল্যাটফর্ম যা সহজে ব্যবহারযোগ্য হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের উপর ভিত্তি করে তৈরি।
- এটি বিভিন্ন সেন্সর, মোটর এবং অন্যান্য ডিভাইসের সাথে সংযুক্ত হয়ে অটোমেশন, রোবোটিক্স, এবং IoT প্রকল্পে ব্যবহৃত হয়।
- বিভিন্ন ইনপুট পড়তে সক্ষম, যেমন: সেন্সরে আলো পড়া, বোতামে আঙুলের চাপ, টুইটার মেসেজ গ্রহণ ইত্যাদি। 
- প্রোগ্রামিংয়ের জন্য Arduino IDE সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- বহুমুখী প্রয়োগ— রোবোটিক্স, IoT (Internet of Things), অটোমেশন, শিক্ষা, প্রোটোটাইপ ডেভেলপমেন্ট, এবং গবেষণা।

উৎস: Arduino ওয়েবসাইট। 

১০৩.
কোয়ান্টাম কম্পিউটারে কিউবিট হিসেবে সাধারণত কোন কণাকে ব্যবহার করা হয়?
  1. Photon, Electron
  2. Proton, Neutron
  3. Molecule
  4. Atomic Nucleus
ব্যাখ্যা

◉ কোয়ান্টাম কম্পিউটারের মৌলিক গাঠনিক একক হলো কিউবিট (Qubit)। এই কিউবিট সাধারণত উপপারমাণবিক কণা (subatomic particles) দিয়ে তৈরি করা হয়। যেমন—
- Photon (আলোর কণা): এর polarization (পোলারাইজেশন) দ্বারা তথ্য প্রকাশ করা যায়।
- Electron (ইলেকট্রন): এর spin (স্পিন) বা চার্জের মাধ্যমে কিউবিট বাস্তবায়ন করা হয়।

কোয়ান্টাম কম্পিউটিং:
- কোয়ান্টাম কম্পিউটিং আধুনিক কম্পিউটার বিজ্ঞান এবং গাণিতিক সমস্যাগুলির সমাধানে একটি বিপ্লবী ধারণা।
- এটি কোয়ান্টাম মেকানিক্স এর ধারণা ব্যবহার করে, যেখানে কোয়ান্টাম বিট (Qubit) একাধিক অবস্থানে থাকতে পারে, এবং তার ফলে এটি নির্দিষ্ট কাজগুলো খুব দ্রুত এবং দক্ষভাবে সম্পাদন করতে সক্ষম হয়।
- ক্লাসিকাল কম্পিউটারের বিট (bit) যেখানে শুধুমাত্র ১ অথবা ০ হয়, সেখানে কিউবিট সুপারপজিশন (superposition) এবং এনট্যাঙ্গলমেন্ট (entanglement) এর কারণে একইসাথে একাধিক অবস্থায় থাকতে পারে।
- কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের জন্য যে অ্যালগরিদমগুলি তৈরি হয়েছে, সেগুলি সাধারণত ক্লাসিক্যাল কম্পিউটারের তুলনায় কিছু সমস্যা সমাধানে অনেক দ্রুত কাজ করে।
- এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ কোয়ান্টাম অ্যালগরিদমের মধ্যে একটি হল Shor’s Algorithm, যা বড় সংখ্যার গুণফল বের করা (Integer Factorization) এর জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

১০৪.
নিচের কোন সংখ্যাটি অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির অন্তর্গত?
  1. 76
  2. 85
  3. 58
  4. 9A
ব্যাখ্যা

◉ অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি একটি 8-ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি, যেখানে শুধুমাত্র 0 থেকে 7 পর্যন্ত অঙ্ক ব্যবহার করা হয়। 76 হল একটি বৈধ অক্টাল সংখ্যা, কারণ এর উভয় অঙ্ক (7 এবং 6) 0-7 এর মধ্যে পড়ে।

অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো একটি সংখ্যাগত পদ্ধতি যেখানে মোট ৮টি সংখ্যা ব্যবহৃত হয়।
- এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- কম্পিউটারের বিভিন্ন লো-লেভেল অপারেশনে অক্টাল সংখ্যা ব্যবহৃত হয়।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বাইনারি ও হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

উদাহরণ:
(২০৪), (৫১৫) ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১০৫.
ক্যাশ মেমোরি ব্যবহারের মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. ডেটা ব্যাকআপ সংরক্ষণ করা
  2. ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা
  3. প্রসেসরের কাজের গতি বাড়ানো
  4. ডিলিট হওয়া ফাইল পুনরুদ্ধার করা
ব্যাখ্যা

◉ Cache Memory হলো একটি অতি দ্রুতগতির মেমোরি, যা সাধারণত CPU এবং প্রধান মেমোরি (RAM)-এর মধ্যে অবস্থান করে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো প্রায়ই ব্যবহৃত ডেটা এবং নির্দেশনা অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা। এর ফলে প্রসেসরের গতি বাড়ে এবং সিস্টেম পারফরম্যান্স উন্নত হয়।

ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়।
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

১০৬.
ওয়্যারলেস যোগাযোগে MIMO শব্দটির পূর্ণরূপ কী?
  1. Mixed Internet Multi Operation
  2. Multiple Input Multiple Output
  3. Maximum Input Minimum Output
  4. Mobile Integrated Modem Output
ব্যাখ্যা

MIMO (Multiple Input Multiple Output) হলো একটি ওয়্যারলেস প্রযুক্তি, যেখানে একাধিক অ্যান্টেনা দিয়ে একই সময়ে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা হয়। এটি বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয় Wi-Fi (802.11n, 802.11ac) এবং 4G/5G মোবাইল নেটওয়ার্কে।

পঞ্চম প্রজন্ম (Fifth Generation-5G: 2020-...): 
- 5G বা পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক সিস্টেম মোবাইল ফোনের মধ্যে অত্যাধুনিক ও সর্বশেষ সংস্করণ। 
- এ ধরনের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়‍্যারলেস ওয়েব (World Wide Wireless Web) বা সংক্ষেপে WWWW নামে পরিচিত। 
- এ ধরনের মোবাইল ফোনের স্ট্যান্ডার্ডগুলোর মধ্যে 5G NR (New Radio), RAT (Radio Access Technology), MIMO (Multiple input and multiple output) অন্যতম। 
- এই প্রজন্মের মোবাইল ফোনের পারফর্ম্যান্স 4G'র তুলনায় অনেকগুণ বেশি এবং অনেক দ্রুতগতিতে ডেটা ট্রান্সফার করতে সক্ষম, এর মাধ্যমে 4K টিভি বা ভিডিও উপভোগ করা যায়। 
- যুগের সাথে আধুনিক জীবন ব্যবস্থার উৎকর্ষের চাহিদার প্রতি লক্ষ রেখে মোবাইল যোগাযোগ ব্যবস্থার চরম এবং সর্বোত্তম ব্যবহারের বিষয় বিবেচনা করে বিশ্বসেরা মোবাইল ফোন কোম্পানি এবং অন্যান্য বেশ কটি প্রতিষ্ঠান এর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।

১০৭.
Video Streaming এর জন্য কোন Protocol বেশি উপযুক্ত?
  1. SMTP
  2. TCP
  3. FTP
  4. UDP
ব্যাখ্যা

◉ Video Streaming-এর জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত প্রোটোকল হলো UDP (User Datagram Protocol).

User Datagram Protocol (UDP):
- UDP হলো ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) সুইটের অন্যতম মৌলিক প্রোটোকল। এটি এমন একটি যোগাযোগ প্রোটোকল, যা ইন্টারনেট জুড়ে সময়-সংবেদনশীল ডেটা আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়—যেমন ভিডিও প্লেব্যাক বা DNS লুকআপ।
- এতে latency কম হয়, ফলে ভিডিও স্ট্রিমিং মসৃণভাবে চলে।
- এজন্য YouTube, Netflix, Online Gaming, Live Streaming সাধারণত UDP ব্যবহার করে।

অন্যদিকে, 

- TCP ডেটা নির্ভরযোগ্যভাবে পৌঁছানো নিশ্চিত করে। কিন্তু এতে error checking, acknowledgment, retransmission প্রক্রিয়ায় দেরি হয়।
- FTP (File Transfer Protocol): ফাইল ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়, streaming-এর জন্য নয়।
- SMTP (Simple Mail Transfer Protocol): ইমেইল ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়, streaming-এর জন্য নয়।

উৎস: ব্রিটানিকা ও বিভিন্ন টেক ওয়েবসাইট। 

১০৮.
“Code Red” দ্বারা কম্পিউটার জগতে কী বোঝানো হয়?
  1. সাইবার নিরাপত্তা সতর্কবার্তা
  2. অপারেটিং সিস্টেম আপডেট
  3. সার্ভার ম্যানেজমেন্ট কোড
  4. কম্পিউটার ওয়ার্ম
ব্যাখ্যা

◉ Code Red ছিল ২০০১ সালের একটি কুখ্যাত কম্পিউটার ওয়ার্ম, যা Microsoft IIS ওয়েব সার্ভার আক্রমণ করত। এটি Denial of Service (DoS) আক্রমণ চালিয়ে সার্ভার ডাউন করে দিত।

কম্পিউটার ভাইরাস:
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
- সাধারণত ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য, ফাইল, সফটওয়্যার, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারের সাথে আদান-প্রদানের ফলে ভাইরাস আক্রমণ হতে পারে।

কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- কোড রেড,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. kaspersky.com

১০৯.
Amazon CloudFront মূলত কোন কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. সিকিউরিটি কী বা পাসওয়ার্ড ম্যানেজ করার জন্য
  2. ইমেইল মার্কেটিং পরিচালনা করার জন্য 
  3. কনটেন্ট ডেলিভারি নেটওয়ার্ক (CDN) হিসেবে
  4. সফটওয়্যার প্রোগ্রামিং করা
ব্যাখ্যা

◉ Amazon CloudFront হলো AWS-এর Content Delivery Network (CDN) সেবা, যা ওয়েবসাইট, ভিডিও, অ্যাপ ইত্যাদির কনটেন্ট ব্যবহারকারীর কাছে দ্রুত পৌঁছে দেয়। এটি বিশ্বব্যাপী অবস্থিত edge location ব্যবহার করে, যাতে ব্যবহারকারীরা নিকটবর্তী সার্ভার থেকে কনটেন্ট পান → ফলে লেটেন্সি কমে যায় এবং স্পিড বাড়ে।

ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশকে। ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত অ্যামাজোন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে। ২০১০ সালে The Rackspace Cloud এবং NASA মুক্ত অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস শুরু করে।

Amazon Web Services (AWS):
- অ্যামাজনের ক্লাউড প্লাটফর্ম হলো AWS.
- AWS এর পূর্ণ রূপ Amazon Web Services.
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশক থেকেই।
- তবে ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।

AWS মূলত তিনটি key cloud service model-এ কাজ করে:
- IaaS (Infrastructure as a Service) → Example: EC2, S3.
- PaaS (Platform as a Service) → Example: AWS Elastic Beanstalk.
- SaaS (Software as a Service) → Example: AWS WorkSpaces.

উৎস: Amazon Web Services (AWS) ওয়েবসাইট।

১১০.
Digital Wallet এর উদাহরণ কোনটি?
  1. Credit card
  2. Google Pay
  3. Cash on delivery
  4. Bank transfer
ব্যাখ্যা

◉ Digital Wallet (ই-ওয়ালেট) হলো একটি সফটওয়্যারভিত্তিক সিস্টেম, যেখানে ব্যবহারকারী তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড বা মোবাইল পেমেন্ট তথ্য সংরক্ষণ করে সহজে অনলাইন বা অফলাইন লেনদেন করতে পারে। উদাহরণ: Google Pay, Apple Pay, PayPal, bKash, Nagad ইত্যাদি।

ডিজিটাল ওয়ালেট: 
- ডিজিটাল ওয়ালেট (E-wallet) হলো একটি সফটওয়্যার বা অনলাইন সেবা, যা ব্যক্তি বা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে ইলেকট্রনিক লেনদেন করার সুযোগ দেয়।
- সাধারণত স্মার্টফোন অ্যাপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তবে ডেস্কটপ সংস্করণও থাকতে পারে।
- বিভিন্ন ওয়েবসাইটে লেনদেনের জন্য ব্যবহারকারীর পেমেন্ট তথ্য সংরক্ষণ করে। 
- কিছু ক্ষেত্রে এটি প্রচলিত ওয়ালেটের চেয়ে নিরাপদ, কারণ এতে ডেটা এনক্রিপশন ও পাসওয়ার্ড/বায়োমেট্রিক সিকিউরিটি থাকে।
- উদাহরণ: PayPal, Google Pay, বিকাশ ইত্যাদি। 

উৎস: কর্পোরেট ফিন্যান্স ইন্সটিটিউশন। 

১১১.
pH স্কেলের সর্বাধিক সীমা কত? 
  1. 0
  2. 14
  3. 7
  4. 10
ব্যাখ্যা

pH স্কেল: 
- কোনো পদার্থ অম্লীয় না ক্ষারীয় নাকি নিরপেক্ষ তা নির্দেশক ব্যবহার করে জানা যায়। কিন্তু কোনো পদার্থ কতটা অম্লীয় বা ক্ষারীয় তা বোঝার জন্য ১৯১৯ সালে বিজ্ঞানী সোরেনসেন pH স্কেল ব্যবহার করেন। 
- pH স্কেল ব্যবহার করে কোনো দ্রবণ কতটা অম্লীয় না ক্ষারীয় না নিরপেক্ষ তা বোঝা যায়। 
- pH কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রা প্রকাশ করে। 
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণের pH বলে। 
অর্থাৎ, pH = - log[H+
- pH মিটার দ্বারা কোনো দ্রবণের pH মাপা হয়। 
- pH মিটারে pH স্কেল থাকে। 
- দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা কম হয় তবে দ্রবণটি হবে অম্লীয়। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা বেশি হয় তবে দ্রবণটি হবে ক্ষারীয়। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 এর সমান হয় তবে দ্রবণটি হবে নিরপেক্ষ। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১২.
অক্সিন ও ইথিলিন কিসের উদাহরণ? 
  1. হরমোন 
  2. প্রোটিন 
  3. ভিটামিন 
  4. এনজাইম 
ব্যাখ্যা

ফাইটোহরমোন: 
- যে জৈব রাসায়নিক পদার্থ উদ্ভিদদেহে উৎপন্ন হয়ে উদ্ভিদের বৃদ্ধি এবং বিকাশ, বিভিন্ন অঙ্গ সৃষ্টি ইত্যাদি কাজ নিয়ন্ত্রণ করে, তাকে হরমোন বা প্রাণরস বলে। 
- উদ্ভিদ হরমোনকে ফাইটোহরমোন (Phytohormones) বলা হয়। কেউ কেউ ফাইটোহরমোনকে উদ্ভিদ বৃদ্ধিকারক বস্তু হিসেবেও আখ্যায়িত করেছেন। 
- যে রাসায়নিক বস্তুটি কোষে উৎপন্ন হয় এবং উৎপত্তিস্থল থেকে বাহিত হয়ে দূরবর্তী স্থানের কোষ বা কোষপুঞ্জের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে, তাকে হরমোন (Hormone) বলে। 
- উদ্ভিদের প্রতিটি কোষই হরমোন উৎপন্ন করতে পারে। 
- এই হরমোনগুলো কোনো পুষ্টিদ্রব্য নয় তবে ক্ষুদ্রমাত্রায় উৎপন্ন হয়ে উদ্ভিদের বিভিন্ন জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 
যেমন: অক্সিন (Auxin), জিবেরেলিন (Gibberellin), সাইটোকাইনিন (Cytokinin), অ্যাবসিসিক এসিড (Abscisic acid), ইথিলিন (Ethylene) ইত্যাদি। 

- এসব হরমোন ছাড়াও উদ্ভিদে আরও কিছু হরমোন রয়েছে, যাদের আলাদা করা বা শনাক্ত করা যায়নি, এদের পসটুলেটেড হরমোন (Postulated hormones) বলে। 
- এরা প্রধানত উদ্ভিদের ফুল ও জনন সংশ্লিষ্ট অঙ্গের বিকাশে সাহায্য করে। 
যেমন- ফ্লোরিজেন (Florigen) এবং ভার্নালিন (Vernalin) প্রধান। 
- ফ্লোরিজেন পাতায় উৎপন্ন হয় এবং তা পত্রমূলে স্থানান্তরিত হয়ে পত্রমুকুলকে পুষ্পমুকুলে রূপান্তরিত করে। 
- ফ্লোরিজেন উদ্ভিদে ফুল ফোটাতে সাহায্য করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১৩.
পড়ন্ত বস্তু সম্পর্কিত সূত্রগুলো কোন বিজ্ঞানী প্রদান করেন? 
  1. গ্যালিলিও 
  2. কেপলার 
  3. নিউটন 
  4. আইনস্টাইন
ব্যাখ্যা

পড়ন্ত বস্তুর সূত্র (Laws of Falling Bodies):
- সমত্বরণের একটি চমকপ্রদ উদাহরণ হচ্ছে মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ g, এর প্রভাবে যেকোনাে বস্তু উপর থেকে ছেড়ে দিলে এটি গতিশীল হয়ে নিচের দিকে নামতে থাকে। 
- সূত্রগুলো একমাত্র স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাঁধায় পড়ন্ত বস্তুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। 
- পড়ন্ত বস্তু সম্পর্কে বিজ্ঞানী গ্যালিলিও তিনটি সূত্র প্রদান করেন। 
যেমন- 
১। প্রথম সূত্র: 
- স্থির অবস্থান ও একই উচ্চতা থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তু সমান সময়ে সমান পথ অতিক্রম করবে। 

২। দ্বিতীয় সূত্র: 
- স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তুর নির্দিষ্ট সময়ে (t) প্রাপ্ত বেগ (v) ঐ সময়ের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, v ∝ t. 

৩। তৃতীয় সূত্র: 
- স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তু নির্দিষ্ট সময়ে যে দূরত্ব (h) অতিক্রম করে তা ঐ সময়ের (t) বর্গের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, h ∝ t2

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১৪.
নিচের কোন রোগটি রোগাক্রান্ত ব্যক্তির মাধ্যমে অন্য কোনো সুস্থ দেহে ছড়ায় না? 
  1. ইনফ্লুয়েঞ্জা 
  2. ডায়াবেটিস 
  3. বসন্ত 
  4. জন্ডিস 
ব্যাখ্যা

সংক্রামক রোগ: 
- যেসব রোগ আক্রান্ত ব্যক্তির দেহ হতে কোনো মাধ্যমে আশেপাশের অন্য ব্যক্তির দেহে ছড়িয়ে পড়ে তাদের সংক্রামক রোগ বলে। 
যেমন- সর্দি-কাশি, ভাইরাস জ্বর, ইনফ্লুংয়েঞ্জা, হাম, বসন্ত, জন্ডিস ইত্যাদি। 

অসংক্রামক রোগ: 
- যেসব রোগ রোগাক্রান্ত ব্যক্তির মাধ্যমে অন্য কোনো সুস্থ দেহে ছড়ায় না তাদের অসংক্রামক রোগ বলে। 
যেমন- ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, ক্যান্সার, হৃদরোগ ইত্যাদি। 

- সংক্রামক বা অসংক্রামক সব ধরনের রোগ প্রতিকার করার চাইতে প্রতিরোধ করাই সকলের দায়িত্ব। 
- টিকা গ্রহণ, ব্যক্তিগত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা রক্ষা, ব্যক্তিগত সুঅভ্যাস গঠন, খাদ্য প্রস্তুত, সংরক্ষণ ও পরিবেশনে সতর্কতা, নিরাপদ খাদ্য গ্রহণ, কীট-পতঙ্গ ও বিষাক্ত প্রাণি হতে সাবধানতা অবলম্বন, স্বাস্থ্য সম্পর্কিত অজ্ঞতা দূর, রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টি ইত্যাদি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারলে রোগ প্রতিরোধ করা সহজ হবে। 

উৎস: শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১৫.
১ মেগাওয়াট কত ওয়াটের সমান? 
  1. ১০ ওয়াট 
  2. ১০ ওয়াট
  3. ১০ ওয়াট
  4. ১০ ওয়াট 
ব্যাখ্যা

কিলোওয়াট: 
- কোনো রোধ বা তড়িৎ যন্ত্রের দুই পাশের বিভব পার্থক্য এক ভোল্ট হলে যদি এর মধ্য দিয়ে এক অ্যাম্পিয়ার তড়িৎ প্রবাহিত হয়, তবে ঐ যন্ত্রের ক্ষমতা এক ওয়াট। 
• এক ওয়াট = ১ ভোল্ট × ১ অ্যাম্পিয়ার 
- যখন অনেক বেশি তড়িৎ ক্ষমতা ব্যবহৃত হয় তখন সেটাকে কিলোওয়াট বা মেগাওয়াটে প্রকাশ করা সুবিধাজনক।
• ১ কিলোওয়াট = ১০০০ ওয়াট বা ১০ওয়াট এবং 
১ মেগা ওয়াট = ১০ ওয়াট। 

কিলোওয়াট-ঘণ্টা: 
- এক ওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো তড়িৎ যন্ত্রের মধ্যে দিয়ে এক ঘণ্টা ধরে তড়িৎ প্রবাহিত হলে যে পরিমাণ তড়িৎ শক্তি অন্য শক্তিতে রূপান্তরিত হয় (যেমন- বাতি জ্বললে আলোক শক্তি বা পাখা ঘোরালে যান্ত্রিক শক্তি পাওয়া যায়) সেটি হচ্ছে এক ওয়াট-ঘণ্টা। 
• ১ ওয়াট-ঘণ্টা = ১ ওয়াট × ১ ঘণ্টা 
- অনেক সময় ওয়াট ঘণ্টার পরিবর্তে কিলোওয়াট ঘণ্টাও ব্যবহার করা হয়। 
১ কিলোওয়াট-ঘণ্টা = ১০০০ ওয়াট × ৩৬০০ সেকেন্ড 
= ৩,৬০,০০০০ ওয়াট-সেকেন্ড 
= ৩,৬০,০০০০ জুল 
অর্থাৎ, শক্তির এককে এটি ৩.৬ মেগা জুল। 
- আন্তর্জাতিকভাবে, তড়িৎ সরবরাহকে কিলোওয়াট-ঘণ্টা এককে পরিমাপ করা হয়। এই একককে বোর্ড অব ট্রেড (BOT) ইউনিট বা সংক্ষপে ইউনিট বলে। 
- বিদ্যুৎ বিল কিলোওয়াট-ঘণ্টা এককেই হিসাব করা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১৬.
রাবার কোন পদার্থের সঙ্গে বিক্রিয়া করলে ধীরে ধীরে নষ্ট হয়? 
  1. ওজোন 
  2. পানি 
  3. অ্যামোনিয়া 
  4. মিথেন 
ব্যাখ্যা

রাবার: 
- পেনসিলের লেখা মোছার জন্য যে ইরেজার ব্যবহার কর, সেটি এক ধরনের রাবার। 
- সাইকেল, রিকশা বা অন্যান্য গাড়ির টায়ার, টিউব, জন্মদিনে ব্যবহৃত বেলুন এসবই রাবারের তৈরি। 
- পানির পাইপ, সার্জিক্যাল মোজা, কনভেয়ার বেল্ট, রাবার ব্যান্ড, বাচ্চাদের দুধ খাওয়ানোর নিপল এগুলোও রাবারের তৈরি সামগ্রী। 
- রাবার এবং রাবারজাত পণ্যসামগ্রী জীবনের অনেক কাজের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। 

রাবারের ভৌত ধর্ম: 
- প্রাকৃতিক রাবার পানিতে অদ্রবণীয় একটি অদানাদার কঠিন পদার্থ। 
- রাবার কিছু কিছু জৈব দ্রাবকে (যেমন-এসিটোন, মিথানল) অদ্রবণীয় হলেও টারপেন্টাইন, পেট্রোল, ইথার, বেনজিন এগুলোতে সহজেই দ্রবণীয়। 
- রাবার সাধারণত সাদা বা হালকা বাদামি রঙের হয়। 
- রাবার একটি স্থিতিস্থাপক পদার্থ অর্থাৎ একে টানলে লম্বা হয় এবং ছেড়ে দিলে আগের অবস্থায় ফিরে যায়। 
- বেশিরভাগ রাবারই তাপ সংবেদনশীল অর্থাৎ তাপ দিলে গলে যায়। 
- বিশুদ্ধ রাবার বিদ্যুৎ এবং তাপ কুপরিবাহী, তবে আজকাল বিজ্ঞানীরা বিশেষভাবে তৈরি বিদ্যুৎ পরিবাহী রাবার আবিষ্কার করেছেন। 

রাবারের রাসায়নিক ধর্ম: 
- প্রায় প্রতিটি পদার্থ তাপ দিলে আয়তনে বাড়ে। কিন্তু রাবারের বেলায় ঠিক উল্টোটি ঘটে অর্থাৎ তাপ দিলে রাবারের আয়তন কমে যায়। 
- রাবারের একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক ধর্ম হলো এটি বেশ কিছু রাসায়নিক পদার্থ যেমন- দুর্বল ক্ষার, এসিড, পানি এগুলোর সাথে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে না। যে কারণে কোনো কিছু রক্ষা করার জন্য প্রলেপ দেওয়ার কাজে এটি ব্যবহৃত হয়। 
- রাবার দীর্ঘদিন রেখে দিলে সেটি ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়, কারণ রাবার বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে। অক্সিজেন ছাড়াও আরও কিছু রাসায়নিক পদার্থ বিশেষ করে ওজোন (O3) প্রাকৃতিক রাবারের সাথে বিক্রিয়া করে, যার কারণে রাবার ধীরে ধীরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে নষ্ট হয়ে যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১৭.
হাইড্রোজেনের তুলনায় কোন মৌল কম সক্রিয়? 
  1. সোডিয়াম 
  2. সিলভার 
  3. লিথিয়াম 
  4. আয়রন 
ব্যাখ্যা

- হাইড্রোজেন অপেক্ষা কম সক্রিয় মৌল- সিলভার (Ag)। 

সক্রিয় ধাতুর সাথে এসিডের বিক্রিয়া: 
- ধাতুর সাথে এসিডের বিক্রিয়া সক্রিয়তার সিরিজ অনুসারে সম্পন্ন হয়। 
- পর্যায় তালিকা অনুসারে, কোনো মৌল তড়িৎ ধনাত্মক, কোনো মৌল তড়িৎ ঋণাত্মক আবার কোনো কোনো মৌল রাসায়নিকভাবে নিষ্কিয়। 
- তড়িৎ ধনাত্মক মৌল রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় জারিত হয়ে ধনাত্মক আয়নে পরিণত হয়। 
- হাইড্রোজেনসহ সকল ধাতু তড়িৎ ধনাত্মক মৌল। 
- যে মৌলের ইলেকট্রন ত্যাগের প্রবণতা যতো বেশি সে মৌল ততো বেশি সক্রিয়। আর যে মৌলের ইলেকট্রন ত্যাগের প্রবণতা যতো কম সে মৌলটি ততো কম সক্রিয়। - মৌলের সক্রিয়তার নিম্ন ক্রমানুসারে সাজালো যে মৌল শ্রেণীর উদ্ভব ঘটে, তাকে সক্রিয়তা সিরিজ বলে।

- কোনো ধাতুর অবস্থান সক্রিয়তার সিরিজে হাইড্রোজেনের উপরে হলে তার সক্রিয়তা হাইড্রোজেন অপেক্ষা অধিক।
- এরা এসিডের লঘু দ্রবণ থেকে হাইড্রোজেনকে প্রতিস্থাপিত করবে। 
অর্থাৎ, হাইড্রোজেন অপেক্ষা অধিক সক্রিয় ধাতু ও লঘু এসিডের বিক্রিয়ায় ধাতুর লবণ ও হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন হয়। 
- হাইড্রোজেন অপেক্ষা অধিক সক্রিয় ধাতু + লঘু এসিড → লবণ + হাইড্রোজেন। 
যেমন- অধিক সক্রিয় জিংক ধাতু ও লঘু হাইড্রোক্লোরিক এসিড বা লঘু সালফিউরিক এসিড বা লঘু নাইট্রিক এসিডের বিক্রিয়ায় ধাতুর লবণ ও হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন হয়। 
• Zn(s) + 2HCl(aq) → ZnCl2(aq) + H2(g) 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১৮.
গর্ভাবস্থায় রক্তস্বল্পতা দেখা দিলে কোন ধরনের ট্যাবলেট সাধারণত খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়?
  1. ভিটামিন 
  2. জিংক 
  3. আয়রন 
  4. আয়োডিন 
ব্যাখ্যা

গর্ভকালীন বিভিন্ন সমস্যা ও সচেতনতা: 
- প্রতিবছর গর্ভকালীন জটিলতায় অনেক নারী মৃত্যুবরণ করেন। 
- গর্ভকালীন সমস্যা সম্পর্কে অজ্ঞতা ও সচেতনতার অভাব মা ও শিশুর উভয়ের জন্য জীবনঘাতী হতে পারে। 
- তাই সঠিক পরিচর্যা ও চিকিৎসা মায়ের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 

গর্ভকালীন রক্তস্বল্পতা: 
- গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত রক্ত প্রবাহ ও পুষ্টির ঘাটতির কারণে রক্তস্বল্পতা হতে পারে।
- গর্ভকালীন সময় রক্তস্বল্পতা দেখা দিলে ডাক্তারের নিচের পরামর্শগুলো মেনে চলার পরামর্শ দেন- 
• প্রথম মাস থেকে ফলিক অ্যাসিড ট্যাবলেট গ্রহণ করতে হয়। 
তৃতীয় মাস থেকে আয়রন ও ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। 
• আয়রনযুক্ত খাবার খেতে হবে। যেমন: কচুশাক, কলিজা, তেঁতুল, তরমুজ, ডিম ইত্যাদি। 
• ভিটামিন C সমৃদ্ধ খাবার খেলে আয়রনের শোষণ বৃদ্ধি পায়। যেমন: আমলকি, লেবু, কাঁচামরিচ, পেয়ারা, আনারস, কাঁচা ফলমূল ইত্যাদি। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১৯.
(২/৩), (৪/৫), (৫/৬) ভগ্নাংশগুলোর গ.সা.গু নিচের কোনটি?
  1. ১/৩০
  2. ১/১৫
  3. ১/২০
  4. ১/৬০
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (২/৩), (৪/৫), (৫/৬) ভগ্নাংশগুলোর গ.সা.গু নিচের কোনটি?

সমাধান:
(২/৩), (৪/৫), (৫/৬) ভগ্নাংশগুলোর গ.সা.গু = লব গুলোর গ.সা.গু/হর গুলোর ল.সা.গু

এখন,
২, ৪ ও ৫ এর গ.সা.গু = ১
৩, ৫ ও ৬ এর ল.সা.গু = ৩০

∴ নির্ণেয় গ.সা.গু = ১/৩০।

১২০.
x এর কোন মানের জন্য logx(1/256) = - 4 হবে?
  1. 3
  2. 4
  3. 2
  4. 1
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: x এর কোন মানের জন্য logx(1/256) = - 4 হবে?

সমাধান: 
logx(1/256) = - 4
⇒ x-4 = 1/256
⇒ 1/x4 = 1/256
⇒ x4 = 256
⇒ x4 = 44
∴ x = 4

১২১.
আটার মূল্য ২০% কমে গেলে আটার ব্যবহার ২০% বৃদ্ধি পেল। এতে সুজন সাহেবের আটা বাবদ ব্যয় শতকরা কত বাড়লো বা কমলো?
  1. ৪% ব্যয় বাড়লো
  2. ৫% ব্যয় বাড়লো
  3. ৪% ব্যয় কমলো
  4. ৩% ব্যয় কমলো
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: আটার মূল্য ২০% কমে গেলে আটার ব্যবহার ২০% বৃদ্ধি পেল। এতে সুজন সাহেবের আটা বাবদ ব্যয় শতকরা কত বাড়লো বা কমলো?

সমাধান: 
২০% কমে যাওয়ায় আটার বর্তমান মূল্য = (১০০ - ২০) = ৮০ টাকা
আটার ব্যবহার ২০% বৃদ্ধি পাওয়ায়, বর্তমানে আটা ব্যবহৃত হয় = (১০০ + ২০) = ১২০ টাকা

১০০ টাকার আটার স্থানে ব্যবহার হয় ১২০ টাকার আটা
১ টাকার আটার স্থানে ব্যবহার হয় = ১২০/১০০ টাকার আটা।
৮০ টাকার আটার স্থানে ব্যবহার হয় = (১২০× ৮০)/১০০
= ৯৬ টাকা।

আটা বাবদ শতকরা ব্যয় কমে (১০০ - ৯৬)= ৪ টাকা
∴ ৪% ব্যয় কমলো।

১২২.
একটি বৃত্তাকার মাঠের ব্যাস 112 মিটার। মাঠের বাহিরের সীমানা ঘেষে 4 মিটার প্রশস্ত একটি রাস্তা আছে। রাস্তাটির ক্ষেত্রফল কত? 
  1. 446π বর্গমিটার
  2. 364π বর্গমিটার
  3. 464π বর্গমিটার
  4. 454π বর্গমিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বৃত্তাকার মাঠের ব্যাস 112 মিটার। মাঠের বাহিরের সীমানা ঘেষে 4 মিটার প্রশস্ত একটি রাস্তা আছে। রাস্তাটির ক্ষেত্রফল কত? 

সমাধান:
ধরি,
বৃত্তাকার মাঠের ব্যাস 112 মিটার
∴ ব্যাসার্ধ, r = 112/2 = 56 মিটার

∴ রাস্তাসহ মাঠের ব্যাসার্ধ, R = (56 + 4) মি. = 60 মি.

এখন, বৃত্তাকার মাঠের ক্ষেত্রফল = πr2 = π × 56 × 56 বর্গমিটার
= 3136π বর্গমিটার

রাস্তাসহ বৃত্তাকার মাঠের ক্ষেত্রফল = πR2 = π × 60 × 60 বর্গমিটার
= 3600π বর্গমিটার

∴ নির্ণেয় রাস্তার ক্ষেত্রফল = (3600π - 3136π) বর্গমিটার
= 464π বর্গমিটার।
১২৩.
x2 - x - (a2 + 5a + 6) রাশির একটি উৎপাদক নিচের কোনটি? 
  1. (x - a + 3)
  2. (x - a - 3)
  3. (x + a + 5)
  4. (x + a - 2)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: x2 - x - (a2 + 5a + 6) রাশির একটি উৎপাদক নিচের কোনটি? 

সমাধান:
x2 - x - (a2 + 5a + 6)
= x2 - x - (a2 + 3a + 2a + 6)
= x2 - x - {a(a + 3) + 2(a + 3)}
= x2 - x - (a + 3)( a + 2)
= x2 - (a + 3)x + (a + 2)x - (a + 3)(a + 2)
= x{x - (a + 3)} + (a + 2){x - (a + 3)
= {x - (a + 3)} {x + (a + 2)}
= (x - a - 3)(x + a + 2)

১২৪.
একটি গুণোত্তর ধারার ১ম পদ 5, চতুর্থ পদ 135 হলে, ধারাটির নবম পদ কত? 
  1. 3285
  2. 32815
  3. 3645
  4. 32805
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি গুণোত্তর ধারার ১ম পদ 5, চতুর্থ পদ 135 হলে, ধারাটির নবম পদ কত? 

সমাধান:
দেওয়া আছে,
গুণোত্তর ধারার ১ম পদ, a = 5
সাধারণ অনুপাত = r 
এবং গুণোত্তর ধারার চতুর্থ পদ = 135
⇒ ar4 - 1 = 135
⇒ 5 × r3 = 135
⇒ r3 = 135/5
⇒ r3 = 27
∴ r = 3 

∴ নবম পদ = ar9 - 1
= 5 × (3)8
= 32805

১২৫.
কোন ত্রিভুজের যে কোন বাহুকে উভয়দিকে বর্ধিত করলে উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণদ্বয়ের সমষ্টি কোনটি? 
  1. দুই সমকোণ অপেক্ষা বৃহত্তর
  2. দুই সমকোণের সমান
  3. দুই সমকোণের অর্ধেক
  4. দুই সমকোণ অপেক্ষা ক্ষুদ্রতর
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোন ত্রিভুজের যে কোন বাহুকে উভয়দিকে বর্ধিত করলে উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণদ্বয়ের সমষ্টি কোনটি? 

সমাধান: 
ত্রিভুজের একটি বাহুকে বর্ধিত করলে যে বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হয়, তা এর বিপরীত অন্তঃস্থ কোণদ্বয়ের সমষ্টির সমান।

ΔABC এর BC বাহুকে উভয় দিকে বর্ধিত করা হলো এবং বহিঃস্থ কোণ ∠ABD  ও ∠ACE উৎপন্ন হলো। 
বহিঃস্থ কোণ ∠ABD = ∠A + ∠C
বহিঃস্থ কোণ ∠ACE = ∠A + ∠B

এখন 
∠ABD  + ∠ACE = ∠A + ∠C + ∠A + ∠B
= (∠A + ∠C + ∠B) + ∠A
= 180° + ∠A

∴ত্রিভুজের যে কোন বাহুকে উভয়দিকে বর্ধিত করলে উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণদ্বয়ের সমষ্টি দুই সমকোণ অপেক্ষা বৃহত্তর।

১২৬.
যদি sin(θ + 15°) = 3/√12 হয়, তবে cosθ/√2 = কত?
  1. 1
  2. 1/√2
  3. 1/2
  4. √2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি sin(θ + 15°) = 3/√12 হয়, তবে cosθ/√2 = কত?

সমাধান:
sin(θ + 15°) = 3/√12
⇒ sin(θ + 15°) = 3/(2√3)
⇒ sin(θ + 15°) = (√3 . √3)/2√3
⇒ sin(θ + 15°) = √3/2
⇒ sin(θ + 15°) = sin60°
⇒ θ + 15° = 60°
⇒ θ = 45°

এখন,
cosθ/√2 = (cos 45°)/√2
= (1/√2) (1/√2)
= 1/2

১২৭.
4(2 - a) ≥ 2(5 - 3a) অসমতাটির সমাধান সেট নিচের কোনটি?
  1. {a ∈ R: a ≥ - 1}
  2. {a ∈ R: a ≤ 2}
  3. {a ∈ R: a ≤ 1}
  4. {a ∈ R: a ≥ 1}
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 4(2 - a) ≥ 2(5 - 3a) অসমতাটির সমাধান সেট নিচের কোনটি?

সমাধান:
4(2 - a) ≥ 2(5 - 3a)
বা, 8 - 4a ≥ 10 - 6a
বা, 8 - 4a + 6a ≥ 10 - 6a + 6a
বা, 8 + 2a ≥ 10
বা, 8 + 2a - 8 ≥ 10 - 8
বা, 2a ≥ 2
∴ a ≥ 1

∴ সমাধান সেট = {a ∈ R: a ≥ 1}

১২৮.

  1. 21
  2. 27
  3. 36
  4. 18
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
a2 + 1 = 3a
⇒ a + 1/a = 3

প্রদত্ত রাশি = a3 + 1/a3 = (a + 1/a)3 - 3 . a . (1/a) . (a + 1/a)
= (3)3 - 3 × 3
= 27 - 9
= 18

১২৯.

উপরের চিত্রানুসারে (A ∩ B)c = কত?
  1. {a, b}
  2. {a, b, c, f}
  3. {a, b, d, f}
  4. {a, b, e, f}
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:
উপরের চিত্রানুসারে (A ∩ B)c = কত?

সমাধান:
প্রদত্ত ভেনচিত্র হতে আমরা পাই,
U = {a, b, c, d, e, f}
A = {a, b, c, d}
B = {c, d, e, f}

এখন, A ∩ B = {a, b, c, d} ∩ {c, d, e, f}
= {c, d}

∴ (A ∩ B)c = U - (A ∩ B)= {a, b, c, d, e, f} - {c, d}
= {a, b, e, f}

১৩০.
যদি কোন বহুভুজের অন্তঃস্থ কোণ ও বহিঃস্থ কোণের মানের অনুপাত ৩ : ১ হয়, তবে বহুভুজটিতে মোট কতটি বাহু আছে?
  1. ৬ টি
  2. ৮ টি
  3. ১০ টি
  4. ১২ টি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি কোন বহুভুজের অন্তঃস্থ কোণ ও বহিঃস্থ কোণের মানের অনুপাত ৩ : ১ হয়, তবে বহুভুজটিতে মোট কতটি বাহু আছে?

সমাধান:
ধরি, বহুভুজটির প্রতিটি বহিঃস্থ কোণের পরিমাণ = ক
∴ বহুভুজটির প্রতিটি অন্তঃস্থ কোণের পরিমাণ = ৩ক

প্রশ্নমতে,
৩ক + ক = ১৮০°
⇒ ৪ক = ১৮০°
∴ ক = ৪৫°

∴ বহুভুজটির প্রতিটি বহিঃস্থ কোণের পরিমাণ = ৪৫°

আমরা জানি,
বহুভুজটির বাহুর সংখ্যা = ৩৬০°/বহিঃস্থ কোণ
= ৩৬০°/৪৫°
= ৮ টি

১৩১.
যদি (2a + 3b, 16) = (36, 2a + b) হয়, তবে a এর মান কত?
  1. 2
  2. 3
  3. 4
  4. 5
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি (2a + 3b, 16) = (36, 2a + b) হয়, তবে a এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
2a + 3b = 36 .............. (1)
2a + b = 16 ............... (2)

(1) নং সমীকরণ থেকে (2) নং সমীকরণ বিয়োগ করে পাই,
(2a + 3b - 2a - b) = 36 - 16
বা, 2b = 20
∴ b = 10

b এর মান (2) নং সমীকরণে বসিয়ে পাই,
2a = 16 - 10
বা, 2a = 6
বা, a = 6/2
∴ a = 3

∴ নির্ণেয় সমাধান, a = 3

১৩২.
কোন সমবায় সমিতির সদস্যদের মধ্যে 10 জন পুরুষ ও 8 জন মহিলা থেকে 4 জন পুরুষ ও 5 জন মহিলা মোট কত উপায়ে বেছে নেয়া যায়?
  1. 11670 উপায়ে
  2. 11760 উপায়ে
  3. 13760 উপায়ে
  4. 760 উপায়ে
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোন সমবায় সমিতির সদস্যদের মধ্যে 10 জন পুরুষ ও 8 জন মহিলা থেকে 4 জন পুরুষ ও 5 জন মহিলা মোট কত উপায়ে বেছে নেয়া যায়?

সমাধান:
10 জন পুরুষ হতে প্রতিবার 4 জন পুরুষ বেছে নেয়া যায় = 10C4 উপায়ে
= 210 উপায়ে

আবার, 8 জন মহিলা হতে প্রতিবার 5 জন মহিলা বেছে নেয়া যায় = 8C5 উপায়ে
= 56 উপায়ে

∴ মোট বেছে নেয়া যায় = (210 × 56) উপায়ে
= 11760 উপায়ে

১৩৩.
একটি বিষমবাহু ত্রিভুজের তিন বাহুর দৈ‍‍র্ঘ্য যথাক্রমে 6 সে.মি., 8 সে.মি. এবং 10 সে.মি.হলে, ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত ব‍‍র্গ সে.মি.?
  1. 24 
  2. 18
  3. 32
  4. 48
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি বিষমবাহু ত্রিভুজের তিন বাহুর দৈ‍‍র্ঘ্য যথাক্রমে 6 সে.মি., 8 সে.মি. এবং 10 সে.মি.হলে, ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত ব‍‍র্গ সে.মি.?

সমাধান:
আমরা জানি,
কোন ত্রিভুজের তিনটি বাহু a, b, c সে.মি. হলে,
এর অর্ধপরিসীমা s = (a + b + c)/2 সে.মি.
= (6 + 8 + 10)/2 সে.মি.
= 24/2 সে.মি.
= 12 সে.মি.

∴ ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল = √s(s - a)(s - b)(s - c) 
= √{12(12 - 6)(12 - 8)(12 - 10)}
= √(12 × 6 × 4 × 2)
= √576 বর্গ সে.মি.
= 24 বর্গ সে.মি.

১৩৪.
P, Q, R, S এবং T এর মধ্যে P, Q থেকে লম্বা। R, T থেকে খাটো। P, S থেকে খাটো। Q, T থেকে লম্বা। সবচেয়ে লম্বা কে?
  1. Q
  2. S
  3. P
  4. R
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: P, Q, R, S এবং T এর মধ্যে P, Q থেকে লম্বা। R, T থেকে খাটো। P, S থেকে খাটো। Q, T থেকে লম্বা। সবচেয়ে লম্বা কে?

সমাধান:
সম্পর্কগুলো:
P > Q
T > R
S > P
Q > T

∴ R < T < Q < P < S
অতএব, সবচেয়ে লম্বা S.

১৩৫.
শাওন একটি নির্দিষ্ট স্থান থেকে দক্ষিণ দিকে 18 কি.মি. গেল। আবার সেই পূর্ব দিকে 7 কি.মি. গেল এবং গতি পরিবর্তন করে পুনরায় দক্ষিণ দিকে 6 কি.মি. গেল। তার গন্তব্য ও যাত্রা স্থানের মধ্যে সরাসরি দূরত্ব কত?
  1. 30 কি.মি.
  2. 24 কি.মি.
  3. 34 কি.মি.
  4. 25 কি.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: শাওন একটি নির্দিষ্ট স্থান থেকে দক্ষিণ দিকে 18 কি.মি. গেল। আবার সেই পূর্ব দিকে 7 কি.মি. গেল এবং গতি পরিবর্তন করে পুনরায় দক্ষিণ দিকে 6 কি.মি. গেল। তার গন্তব্য ও যাত্রা স্থানের মধ্যে সরাসরি দূরত্ব কত?

সমাধান:

দক্ষিণ দিকে মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = (18 + 6) = 24 কি.মি.
পূর্ব দিকে মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = 7 কি.মি.

∴ সরাসরি দূরত্ব = √{(দক্ষিণে দূরত্ব)2 + (পূর্বে দূরত্ব)2}
= √{(24)2 + (7)2}
= √(576 + 49)
= √625
= 25

∴ যাত্রা শুরুর স্থান এবং গন্তব্যের মধ্যে সরাসরি দূরত্ব 25 কি.মি.।

১৩৬.
Love for the whole world is called-
  1. Philosophy
  2. Philately
  3. Misanthropy
  4. Philanthropy
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: Love for the whole world is called-

সমাধান:
Philanthropy এর অর্থ -  মানবপ্রেম / মানবকল্যাণ
কারণ Philanthropy মানে হলো মানবপ্রেম, মানুষের কল্যাণের জন্য ভালোবাসা ও দানশীলতা।

অন্য অপশন গুলো -
ক) Philosophy এর অর্থ - দর্শন
খ) Philately এর অর্থ - ডাকটিকিট সংগ্রহ ও অধ্যয়ন
গ) Misanthropy এর অর্থ -  মানুষবিদ্বেষ

সঠিক উত্তর হবে: ঘ) Philanthropy

১৩৭.
স্রোতের প্রতিকূলে যেতে যে সময় লাগে, অনুকূলে যেতে তার এক-তৃতীয়াংশ সময় লাগে । যাতায়াতে যদি ১৬ ঘন্টা সময় লাগে, তাহলে স্রোতের অনুকূলে যেতে সময় লাগবে -
  1. ৪ ঘণ্টা
  2. ৬ ঘণ্টা
  3. ১২ ঘণ্টা
  4. ৮ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: স্রোতের প্রতিকূলে যেতে যে সময় লাগে, অনুকূলে যেতে তার এক-তৃতীয়াংশ সময় লাগে । যাতায়াতে যদি ১৬ ঘন্টা সময় লাগে, তাহলে স্রোতের অনুকূলে যেতে সময় লাগবে -

সমাধান: 
মনে করি, 
স্রোতের অনুকূলে যেতে সময় লাগে = ক ঘণ্টা 
∴ স্রোতের প্রতিকূলে যেতে সময় লাগে = ৩ক ঘণ্টা  

প্রশ্নমতে,
ক + ৩ক = ১৬ 
⇒ ৪ক = ১৬ 
⇒ ক = ১৬/৪
∴ ক = ৪

∴ স্রোতের অনুকূলে যেতে সময় লাগবে = ৪ ঘণ্টা।

১৩৮.
১, ৩, ৬, ১০, ১৫, ২১,........... ধারাটির দশম পদ কত?
  1. ৭৫
  2. ৬৫
  3. ৪৫
  4. ৫৫
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ১, ৩, ৬, ১০, ১৫, ২১,........... ধারাটির দশম পদ কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
প্রদত্ত ধারা, ১, ৩, ৬, ১০, ১৫, ২১,...........

প্রথম পদ = ১
দ্বিতীয় পদ = ১ + ২ = ৩
তৃতীয় পদ = ৩ + ৩ = ৬
চতুর্থ পদ = ৬ + ৪ = ১০
পঞ্চম পদ = ১০ + ৫ = ১৫
ষষ্ঠ পদ = ১৫ + ৬ = ২১
সপ্তম পদ = ২১ + ৭ = ২৮
অষ্টম পদ = ২৮ + ৮ = ৩৬
নবম পদ = ৩৬ + ৯ = ৪৫
দশম পদ = ৪৫ + ১০ = ৫৫

সুতরাং, ধারাটির দশম পদ হলো ৫৫।

১৩৯.
Glacier : Ice : :  ?
  1. Desert : Sand
  2. River : Water
  3. Mountain : Rock
  4. Volcano : Lava
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: Glacier : Ice : :  ?

সমাধান:
Glacier : Ice
Glacier হলো বরফের একটি বিশাল ভাণ্ডার বা উৎস।
Glacier থেকে মূলত Ice পাওয়া যায়।
অর্থাৎ এটি উৎস → উৎপাদিত পদার্থ বা উপাদান সম্পর্ক।

Volcano : Lava
Volcano হলো লাভার উৎস। ঠিক Glacier : Ice এর মতো, Volcano : Lava
সঠিক উত্তর - Volcano : Lava

অন্য অপশনগুলো -
ক) Desert : Sand
Desert হলো Sand-এর সংস্থান বা পরিসর, কিন্তু Glacier : Ice-এর মতো সরাসরি উৎপাদিত সম্পর্কিত নেই।

খ) River : Water
River হলো Water-এর বহনকারী বা প্রবাহিত মাধ্যম, উৎস নয়।

গ) Mountain : Rock
Mountain হলো বড় পাথরের ভূপৃষ্ঠ, কিন্তু এটি 'উৎস → উপাদান' সম্পর্কিত নয়।

১৪০.
9 × 3 = 6321 এবং 5 × 4 = 3528 হলে 8 × 2 = ?
  1. 8020
  2. 6416
  3. 5614
  4. 3628
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 9 × 3 = 6321 এবং 5 × 4 = 3528 হলে 8 × 2 = ?

সমাধান:
9 × 3 = 6321 এবং 5 × 4 = 3528 হলে 8 × 2 =  5614

9 × 7 = 63 [7 দ্বারা গুণ করে]
3 × 6 = 18 [7 দ্বারা গুণ করে]
∴ 9 × 3 = 6321 [গুণফলদ্বয়কে পাশাপাশি বসিয়ে]
এবং
5 × 7 = 35 [7 দ্বারা গুণ করে]
4 × 7 = 28 [7 দ্বারা গুণ করে]
∴ 5 × 4 = 3528 [গুণফলদ্বয়কে পাশাপাশি বসিয়ে]

অনুরূপভাবে,
8 × 7 = 56 [7 দ্বারা গুণ করে]
2 × 7 = 14 [7 দ্বারা গুণ করে]
∴ 8 × 2 = 5614 [গুণফলদ্বয়কে পাশাপাশি বসিয়ে]

১৪১.
What is the antonym of famous?
  1. Illiterate
  2. Opaque
  3. mmature
  4. Inconspicuous
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: What is the antonym of famous?

সমাধান:
Inconspicuous এর অর্থ - অদৃশ্য / নজরে না পড়া
কারণ Famous (খ্যাতনামা, সুপরিচিত) এর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলো Inconspicuous (যে পরিচিত নয় বা নজরে পড়ে না)।

অন্য অপশন গুলো -
ক) Illiterate এর অর্থ - নিরক্ষর
খ) Opaque এর অর্থ - অস্বচ্ছ
গ) Immature এর অর্থ - অপরিণত

সঠিক উত্তর: ঘ) Inconspicuous

১৪২.
আজ যদি রবিবার হয় তবে আজ থেকে ৫২ দিন পর কোন দিনটি আসবে?
  1. মঙ্গলবার
  2. বৃহস্পতিবার
  3. শুক্রবার
  4. বুধবার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: আজ যদি রবিবার হয় তবে আজ থেকে ৫২ দিন পর কোন দিনটি আসবে?

সমাধান:
আমরা জানি,
যে কোনো তারিখ হতে ৭ দিন পর পর (৮ম দিনে) একই বার পাওয়া যায়।অর্থাৎ, রবিবারের ৭ দিন পর বা ৮ম দিনে গিয়ে আবার রবিবার পাওয়া যাবে।
৫২ দিনের পরের দিন = ৫৩ তম দিন।
এখানে,
৭ × ৭ = ৪৯ দিন পর অর্থাৎ ৫০ তম দিন হবে রবিবার।
• ৫০তম দিন হচ্ছে - রবিবার।
• ৫১ তম দিন হচ্ছে - সোমবার।
• ৫২ তম দিন হচ্ছে - মঙ্গলবার।
• ৫৩ তম দিন হচ্ছে - বুধবার।

∴ ৫২ দিন পর অর্থাৎ ৫৩ তম দিন হলো - বুধবার।

১৪৩.
'মামলুক' শব্দের অর্থ কি?
  1. অভিজাত 
  2. সেনাপতি 
  3. সওদাগর 
  4. ক্রীতদাস
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 'মামলুক' শব্দের অর্থ কি?

সমাধান:
'মামলুক' শব্দের অর্থ হলো 'অধিকৃত'  বা 'ক্রীতদাস', যা মূলত সেইসব দাস-সৈন্যদের বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যারা মুসলিম শাসক কর্তৃক ক্রীতদাস হিসেবে কেনা হতো এবং পরে সামরিক ও রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠত, এমনকি মিশর ও সিরিয়ার মতো মুসলিম রাজ্যে নিজস্ব শাসনও প্রতিষ্ঠা করত। 

-ভারতীয় উপমহাদেশে ১২০৬-১৫২৬ পর্যন্ত সুলতানী আমলে ৫টি আলাদা আলাদা রাজ বংশ শাসন করে।
-তার মধ্যে মামলুক বা দাস বংশ সর্ব প্রথম শাসন শুরু করে।
-তাদের শাসন কাল হচ্ছে ১২০৬-১২৯০ খ্রি. পর্যন্ত।
-পরবর্তীতে মিশরেও ১২৬০সালে মামলুক বংশ প্রতিষ্ঠা করেন সাজারুদ্দার। 

১৪৪.
শৈবাল সাগর (Sargasso Sea) কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. আর্কটিক মহাসাগর
  2. আটলান্টিক মহাসাগর
  3. ভারত মহাসাগর
  4. দক্ষিণ মহাসাগর
ব্যাখ্যা

শৈবাল সাগর (Sargasso Sea):
- মহাসাগরের মাঝখানে বিভিন্ন স্রোত মিলিত হয়ে কয়েক হাজার বর্গ কিলোমিটার বিস্তৃত এলাকা জুড়ে একটি ঘূর্ণস্রোত বা জলাবর্তের সৃষ্টি করে।
- এই বিশাল জলাবর্তের মাঝখানে কোনোরকম জলপ্রবাহ থাকে না বলে স্রোতবিহীন এই অঞ্চলে নানারকম শৈবাল বা শেওলা, আগাছা ও জলজ উদ্ভিদ জন্মায়।
- এইজন্য এই অঞ্চলকে শৈবাল সাগর বলা হয়।

⇒ শৈবাল সাগর (Sargasso Sea) উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্যভাগে অবস্থিত একটি অনন্য সামুদ্রিক অঞ্চল।
- এটি বিশ্বের একমাত্র 'সমুদ্র' যার কোনো স্থল সীমানা নেই।
- এটি সম্পূর্ণরূপে চারটি প্রধান সমুদ্রস্রোত দ্বারা বেষ্টিত: গালফ স্ট্রিম (Gulf Stream), উত্তর আটলান্টিক স্রোত (North Atlantic Current), ক্যানারি স্রোত (Canary Current), উত্তর বিষুবীয় স্রোত (North Equatorial Current)।
- এই স্রোতগুলো মিলিত হয়ে কয়েক হাজার বর্গ কিলোমিটার বিস্তৃত এলাকা জুড়ে একটি ঘূর্ণস্রোত বা জলাবর্তের সৃষ্টি করে।
- এই বিশাল জলাবর্তের মাঝখানে কোনোরকম জলপ্রবাহ থাকে না বলে স্রোতবিহীন এই অঞ্চলে নানারকম শৈবাল বা শেওলা, আগাছা ও জলজ উদ্ভিদ জন্মায়।

⇒ ​আটলান্টিক মহাসাগর:

- এটি পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগর।
- পৃথিবীর পৃষ্ঠের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ জুড়ে এটি অবস্থিত।
- আয়তনের দিক থেকে আটলান্টিক মহাসাগরের স্থান দ্বিতীয় এবং গভীরতার দিক থেকে আটলান্টিক মহাসাগরের স্থান তৃতীয়।
- এর আয়তন ৮,৫১,৩৩,০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- অবস্থান: আমেরিকা, ইউরোপ ও আফ্রিকা।
- আটলান্টিক মহাসাগরের গভীরতম স্থান পোয়ের্তোরিকা ট্রেঞ্চ।
- এর গড় গভীরতা ১১,৯৬২ ফুট এবং সর্বোচ্চ গভীরতা ২৭,৪৯৩ ফুট।

উৎস: i) Britannica.
ii) ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪৫.
পৃথিবীতে ছুটে আসা উল্কার বেশির ভাগই কোন স্তরে এসে পুড়ে যায়?
  1. স্ট্রাটোমণ্ডল
  2. মেসোমণ্ডল
  3. এক্সোমণ্ডল
  4. তাপমণ্ডল
ব্যাখ্যা

উল্কা ও উল্কাপিন্ড (Meteors & Meteoroids):
- উল্কা মহাশূন্যে বিচরণরত ক্ষুদ্রাকৃতি বিশিষ্ট কঠিন বস্তু।
- ক্ষুদ্রায়তনের এই উল্কাপিন্ড একত্রে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে প্রবেশ করে বাতাসের সাথে সংঘর্ষে প্রজ্জ্বলিত হয়ে তুষারপাতের মতো ঝরে পড়তে থাকে।
- একে উল্কাবৃষ্টি বলে।
- উল্কা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়ে পৃথিবী পৃষ্ঠে পতিত হলে, তাকে উল্কাপিন্ড বলে।
- মহাকাশ থেকে প্রবেশ করলে উল্কা গুলো বায়ুমন্ডলের মেসোমন্ডল স্তরে পুড়ে যায়।

⇒ মেসোমন্ডল (Mesosphere):
- স্ট্রাটোবিরতির উপরে প্রায় ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত যে স্তর রয়েছে তাকে মেসোমন্ডল বা মেসোস্ফিয়ার বলে।
- এই মন্ডলের প্রায় ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত উষ্ণতা দ্রুত কমতে থাকে।
- ৮০ কিলোমিটারের পরে উষ্ণতা বৃদ্ধি পাওয়া শুরু করে এবং এই অংশকে বলে মেসোপস বা মেসোবিরতি।

⇒ মেসোমন্ডলে বৈশিষ্ট্যসমূহ
ক) মেসোমন্ডলের উর্ধ্বসীমায় বায়ুর তাপমাত্রা প্রায় ৬৫.৫° সেলসিয়াস।
খ) এ মন্ডলের বায়ুচাপ খুব কম।
গ) মেসোমন্ডল বায়ুমন্ডলের সবচেয়ে শীতলতম তাপমাত্রা ধারন করে।
ঘ) সাধারণত যে সব উল্কা মহাকাশ থেকে পৃথিবীর দিকে ছুটে আসে সেগুলো এই স্তরে এসে পড়ে যায়। উল্কাপতন এলাকাটি ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর।

১৪৬.
কোন বায়ুর প্রভাবে বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়?
  1. মৌসুমি বায়ু
  2. বাণিজ্য বায়ু
  3. নিয়ত বায়ু
  4. অয়ন বায়ু
ব্যাখ্যা

ভূ-প্রকৃতি:
- ভূ-প্রকৃতির উপর আবহাওয়া ও জলবায়ু নির্ভরশীল।
- পবর্তের অবস্থান, ভূ-প্রাকৃতিক অবস্থা ইত্যাদির উপর ভিত্তি করে জলবায়ুর প্রকৃতিতে পার্থক্য দেখা যায়।
- উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, উত্তরে পার্বত্য অঞ্চলে বায়ুপ্রবাহ বাধাপ্রাপ্ত হয়ে জলবায়ুতে প্রভাব বিস্তার করে।
- যেমন- গ্রীষ্মকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু যখন হিমালয়ে বাধাপ্রাপ্ত হয় তখন নেপাল, বাংলাদেশ, ভারতে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ অধিক হয়।
- তবে এই বায়ুপ্রবাহ হিমালয় অতিক্রম করতে না পারায় উত্তর পাহাড়ের ঢালে এ সময় বৃষ্টিপাত হয় না।
- একইভাবে শীতকালে শীতল সাইবেরীয় বায়ু উচ্চ হিমালয় পবর্তে বাধাপ্রাপ্ত হয়।
- ফলে উত্তর ঢালে এ সময় বৃষ্টিপাত হয় না।
- এ সময়ে দক্ষিণে শীতের তীব্রতা ইউরোপের থেকে কম হয়।
- হিমালয় পবর্তের অবস্থানের জন্য শীতল সাইবেরীয় বায়ুর প্রভাবে হিমালয়ের উত্তরাংশের চীন ভূ-খন্ডে উষ্ণতা-১০° সেলসিয়াস থেকে -৫° সেলসিয়াস এবং দক্ষিণে ভারতীয় উপমহাদেশে ২০° সেলসিয়াস থেকে ২৫° সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা সৃষ্টি হয়।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪৭.
পৃথিবীর সর্বাধিক বৃষ্টিপ্রবণ স্থান কোনটি?
  1. মৌসিনরাম (ভারত)
  2. লালাখাল (বাংলাদেশ)
  3. তুতেনেন্দো (কলম্বিয়া)
  4. ক্রপ রিভার (নিউজিল্যান্ড)
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর সর্বাধিক বৃষ্টিপ্রবণ স্থান:
​- পৃথিবীর সর্বাধিক বৃষ্টিপ্রবণ স্থান ভারতের মেঘালয়ের মৌসিনরাম।
​- এটি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় মেঘালয় রাজ্যের পূর্ব খাসি পার্বত্য জেলায় অবস্থিত। 
​- মেঘালয় রাজ্যের খাসি পাহাড়ের দক্ষিণ ঢালে এর অবস্থানের কারণে এটি প্রচুর বৃষ্টিপাত গ্রহণ করে। 
​- গড় বৃষ্টিপাত বছরে ১১,৮৭২ মিলিমিটার বা ৪৬৭ ইঞ্চি।

​উল্লেখ্য,
​- কিছুদিন আগেও চেরাপুঞ্জি (যা মাওসিনরামের কাছেই অবস্থিত) কে পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিবহুল স্থান হিসেবে ধরা হতো।

​উৎস: i) The Times of India.
​ii) BBC.

১৪৮.
'বরেন্দ্রভূমি' কোন ভূতাত্ত্বিক কালের সোপান?
  1. প্লাইস্টোসিন
  2. টারশিয়ারি
  3. মায়োসিন
  4. সাম্প্রতিককালের প্লাবন
ব্যাখ্যা

বরেন্দ্রভূমি:
​- বরেন্দ্রভূমি হলো প্লাইস্টোসিন (Pliostocene) কালের সোপান। এটি প্লাইস্টোসিন যুগের পুরোনো পলল দ্বারা গঠিত।
- বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার।
- প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি।

⇒ ​প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে। এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

​• - ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
- প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

​উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪৯.
'পৃথিবীর ফুসফুস' বলা হয় কোন বনকে?
  1. সুন্দরবন
  2. আমাজন বন
  3. কঙ্গো রেইনফরেস্ট
  4. বোর্নিও রেইনফরেস্ট
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর ফুসফুস বলা হয় আমাজন রেইনফরেস্টকে। এই বিশাল রেইনফরেস্ট থেকে পৃথিবীর মোট অক্সিজেনের প্রায় ২০% আসে। 

​আমাজন বন:
- দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত আমাজন বন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বনাঞ্চল।
- আমাজন পৃথিবীর বৃহত্তম রেইন ফরেস্ট।
- এটি মূলত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘনবর্ধন বনাঞ্চল।
- এর আয়তন প্রায় ২.৬ মিলিয়ন বর্গ মাইল।
- আমাজন নদী সহ অনেক নদী বনের পাশ দিয়ে গেছে।
- আমাজন রেইনফরেস্টে পাওয়া গেছে ১৬,০০০ প্রজাতি এবং ৩৯০ বিলিয়ন বিভিন্ন রকমের গাছ যারা প্রায় ৫৫ মিলিয়ন বছর ধরে টিকে রয়েছে।
- ইওসিন যুগে এই বনের বিকাশ ঘটেছিল।
- আমাজন বনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস।

⇒ আমাজন বন ৯টি দেশ জুড়ে বিস্তৃত।
- ৯টি দেশ: ব্রাজিল, ইকুয়েডর, ভেনিজুয়েলা, সুরিনাম, পেরু, কলম্বিয়া, বলিভিয়া, গায়ানা এবং ফ্রেঞ্চ গায়ানা।
- এর মধ্যে আমাজন বনের ৬৪% রয়েছে ব্রাজিলে।

উৎস: World Atlas.

১৫০.
কোন সংস্থার মতে ‘আইনি কাঠামো’ সুশাসনের একটি স্তম্ভ?
  1. বিশ্বব্যাংক
  2. জাতিসংঘ
  3. এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক 
  4. আফ্রিকান উন্নয়ন ব্যাংক
ব্যাখ্যা

বিশ্বব্যাংক ও সুশাসন:
- 'সুশাসন' ধারণাটি বিশ্ব ব্যাংকের উদ্ভাবিত একটি ধারণা।
- ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দে বিশ্ব ব্যাংকের এক সমীক্ষায় সর্বপ্রথম ‘সুশাসন' (Good Governance) প্রত্যয়টি ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়াও একটি রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে সে রাষ্ট্রে টেকসই উন্নয়ন সাধিত হয়।
- ১৯৯৪ সালে বিশ্ব ব্যাংক প্রদত্ত সংজ্ঞায় বলা হয়েছে যে, ‘সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি দেশের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সম্পদের ব্যবস্থাপনার জন্য ক্ষমতা প্রয়োগের পদ্ধতিই হলো গভর্নেন্স।'

⇒ ২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক প্রকাশ করে যে, সুষ্ঠু গভর্নেন্স বা সুশাসন চারটি প্রধান স্তম্ভের ওপর নির্ভরশীল।
​- বিশ্বব্যাংকের ঘোষিত চারটি স্তম্ভ হলো:
১. দায়িত্বশীলতা,
২. স্বচ্ছতা,
৩. আইনি কাঠামো ও
৪. অংশগ্রহণ।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।

১৫১.
উপযোগবাদের মূল ভিত্তি কী হিসেবে বিবেচিত হয়? 
  1. ধর্মীয় বিশ্বাস
  2. সুখ
  3. কর্তব্য
  4. সততা 
ব্যাখ্যা

উপযোগবাদ:
- সুখকে নৈতিকতার মান হিসেবে যে মতবাদ গ্রহণ করে তাকেই সুখবাদ বলে।
- সুখবাদী নিজেদেরকে উপযোগবাদী বলে পরিচয় দিতে ভালবাসতেন।
- এর কারণ হচ্ছে তাঁরা বিশ্বাস করতেন যে, একটি কাজের নৈতিক মূল্য নির্ভর করে সর্বোচ্চ সংখ্যক লোকের সর্বোচ্চ আনন্দ নিশ্চিত করার ব্যাপারে তার উপযোগিতা দিয়ে।
- জন স্টুয়ার্ট মিলের ভাষায় উপযোগবাদ হচ্ছে "একটি বিশ্বাস যা নৈতিকতার ভিত্তি হিসেবে উপযোগিতা বা সর্বোচ্চ আনন্দের নীতিকে গ্রহণ করে এই মনে করে যে কার্যাবলী যথার্থ হয় আনন্দকে উৎসাহিত করার ব্যাপারে তাদের প্রবণতার অনুপাতে"।
- উপযোগবাদের মতে আমাদের কাজের নৈতিক মূল্য নির্ভর করে সর্বোচ্চ সংখ্যক লোকের সর্বোচ্চ আনন্দ নিশ্চিত করার ব্যাপারে।

⇒ উপযোগবাদ একটি দার্শনিক মতবাদ যার মূল বক্তব্য হলো সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষের জন্যে সর্বোচ্চ পরিমাণ সুখ।
- এই মতবাদ অনুসারে নৈতিকতার ভিত্তি হলো সুখ।
- সুখের মাধ্যমেই ন্যায় ও অন্যায়ের পার্থক্য নিরূপিত হয়।
- উপযোগবাদ সম্পর্কে প্রথম ধারণা দেন হাচিসন।
- তবে উপযোগবাদের প্রকৃত প্রবক্তা হলেন জেরেমি বেন্থাম এবং জে এস মিল।

উৎস: i) নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.

১৫২.
এরিষ্টটলের মতে সততা কী?
  1. ধর্মীয় বিশ্বাসের ফল
  2. সামাজিক নিয়মের অনুসরণ
  3. মনের স্থায়ী অবস্থা যা ইচ্ছার দ্বারা গঠিত
  4. জন্মগত প্রবৃত্তি
ব্যাখ্যা

সততা (Honesty):
- নীতিশাস্ত্রে সততা বলতে বুঝায় মানুষের চরিত্রের স্থায়ী প্রবণতা।
- সততা মানুষের স্বভাবজাত প্রবণতা নয়, অর্জিত প্রবণতা।
- কর্তব্য করার অভ্যাসের ফলেই সততা জন্মে।
- সততার স্বরূপ সম্পর্কে এরিষ্টটল বলেন, সততা মনের স্থায়ী অবস্থা যা ইচ্ছার দ্বারা গঠিত এবং যার ভিত্তি বাস্তব জীবনের সর্বোৎকৃষ্ট আদর্শ-যে আদর্শটি বিচারবুদ্ধি স্থির করে দিয়েছে।
- তাই দেখা যায় নৈতিক আদর্শ অনুসারে ভাল কাজ নির্বাচন ও সম্পাদনের মাধ্যমেই যে অভ্যাস গড়ে উঠে তাই সততা।
- কোন মানুষ জন্মগতভাবে সৎ হতে পারে না, মানুষ ভাল কাজ করতে যখন সৎ অভ্যাস গঠন করে, তখন তাকে সৎলোক বলা হয়।
- মানুষ যখন তার প্রবৃত্তি, কামনা ও বাসনাকে বিচার-বুদ্ধির দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করে জীবনযাপন করে তখন সে চরিত্রবান বলে বিবেচিত হয়।
- তাই ম্যাকেনজী বলেন, সততা বলতে বুঝায় চরিত্রের সৎ অভ্যাস এবং তা কর্তব্য থেকে পৃথক।
- কর্তব্য বলতে বুঝায় এক বিশেষ ধরনের কাজ যা আমাদের করা উচিত।

উৎস: i) সিভিক এডুকেশন-১, বিএ/বিএসএস প্রোগ্রাম, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) কৌশলগত মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনায় নৈতিকতার বিষয়সমূহ, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫৩.
জার্মান নীতিবিজ্ঞানী ইমানুয়েল কান্টের রচিত বই নয় কোনটি?
  1. Being and Time
  2. Critique of Practical Reason
  3. Groundwork of the Metaphysics of Morals
  4. Critique of Pure Reason
ব্যাখ্যা

Being and Time জার্মান নীতিবিজ্ঞানী ইমানুয়েল কান্টের রচিত বই নয়।  Being and Time-এর লেখক মার্টিন হাইডেগার।

​ইমানুয়েল কান্ট:
- ইমানুয়েল কান্টকে 'কর্তব্যমুখী নৈতিকতার' প্রবর্তক বলা হয়।
- ইমানুয়েল কান্ট একজন জার্মান নীতিবিজ্ঞানী।
- তাঁর নীতিবিদ্যার মূলকথা তিনটি যথা: সৎ ইচ্ছা, কর্তব্যের জন্য কর্তব্য এবং শর্তহীন আদেশ।
- 'কর্তব্যমুখী নৈতিকতা' বা 'কর্তব্যের নৈতিকতার' দর্শন যে কোনো কর্মের ফল বা পরিণতির বদলে কর্মের ধরনকে গুরুত্ব দেয়।
- 'কর্তব্যের জন্য কর্তব্য'-ধারণাটির প্রবর্তক ইমানুয়েল কান্ট।
- 'সততার জন্য সদিচ্ছা'র কথা বলেছেন ইমানুয়েল কান্ট।

উল্লেখ্য,
- গণতান্ত্রিক শান্তি তত্ত্ব সম্পর্কে রচিত ‘Perpetual Peace’ গ্রন্থটি ইমানুয়েল কান্ট-এর লেখা।
- ‘আ পাপেচুয়াল পিস (১৭৯৫)’ রাজনৈতিক দর্শনের ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ, যা বিভিন্ন দেশের মধ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য একটি কাঠামো প্রদান করে।
- এই বইয়ে কান্ট যুদ্ধ এড়ানোর ও বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবহারিক ও নৈতিক নির্দেশনা উপস্থাপন করেছেন।

​⇒ নীতিশাস্ত্রের উপর তাঁর রচিত বই:
- Groundwork for Metaphysics of Morals.
- Critique of Pure Reason.
- Critique of Practical Reason.
- Critique of Judgement.
- Perpetual Peace.

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.