মনোবিজ্ঞানের প্রধান শাখাগুলো:
স্বাস্থ্য মনোবিজ্ঞান:
শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্যের মধ্যে সংযোগ নিয়ে কাজ করে। রোগ প্রতিরোধ, চিকিৎসা এবং সুস্থ জীবনযাপনে মনোবিজ্ঞানের ভূমিকা কী, তা নিয়ে গবেষণা করে।
শিক্ষাগত মনোবিজ্ঞান (Educational Psychology):
শিক্ষা প্রক্রিয়ার সকল দিক, যেমন শেখা, শেখানো এবং শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশের ওপর মনোবিজ্ঞানের প্রভাব বিশ্লেষণ করে।
শিল্প ও সাংগঠনিক মনোবিজ্ঞান (Industrial-Organizational Psychology):
কর্মক্ষেত্রে মানুষের আচরণ, কর্মীদের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি, উৎপাদনশীলতা বাড়ানো এবং কর্মপরিবেশ উন্নত করার কৌশল নিয়ে আলোচনা করে।
অস্বাভাবিক মনোবিজ্ঞান (Abnormal Psychology):
মানসিক ব্যাধি, অস্বাভাবিক আচরণ ও মানসিক স্বাস্থ্যের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে গবেষণা ও তার নিরাময়ের উপায় খোঁজে।
ক্লিনিক্যাল মনোবিজ্ঞান (Clinical Psychology):
মানসিক ও আচরণগত অসুস্থতার নির্ণয়, চিকিৎসা ও প্রতিরোধের ওপর গুরুত্ব দেয়। এটি মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে সবচেয়ে পরিচিত একটি শাখা।
জ্ঞানীয় মনোবিজ্ঞান (Cognitive Psychology):
স্মৃতি, চিন্তা, সমস্যা সমাধান, বুদ্ধি ও ভাষার মতো মানসিক প্রক্রিয়াগুলি নিয়ে কাজ করে।