পরীক্ষা আর্কাইভ

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

পরীক্ষাভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন১৭
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১১ টপিক: রিভিশন [ভূগোল, পরিবেশ ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পূর্ণ সিলেবাস]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা · তারিখ অনির্ধারিত · ১৭ প্রশ্ন

.
প্লেট টেকটোনিক ধারণাটি কোনটির সাথে জড়িত?
  1. ভূমিকম্প
  2. ঘূর্ণিঝড়
  3. খরা
  4. নদী ভাঙন
ব্যাখ্যা
প্লেট টেকটোনিক তত্ত্ব:
- এই তত্ত্বের মূল ধারণা হলো, ভূ-পৃষ্ঠের নিচে পৃথিবীর শিলামণ্ডল কতগুলো অংশে বা খণ্ডে বিভক্ত।
- এগুলোকে প্লেট বলা হয়।

⇒ এই প্লেটগুলো গুরুমণ্ডলের আংশিক তরল অংশের উপরে ভাসমান অবস্থায় আছে।
- এই প্লেটগুলো প্রতিবছরে কয়েক সেন্টিমিটার কোনো একদিকে সরে যায়।
- প্লেটগুলো কখনও একটি থেকে আরেকটি দূরে সরে যায়। আবার কখনও কখনও একে অন্যের দিকে আসে।
- কখনও কখনও প্লেটগুলো বছরে কয়েক মিলিমিটার উপরে ওঠে বা নিচে নামে।

⇒ একটি প্লেটের সাথে আরেকটি প্লেট যেখানে মেশে সেখানেই বেশি ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির উদগীরণের ঘটনা ঘটে।
- প্লেটগুলোর সংযোগস্থলে উঁচু পর্বত থাকলে ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির উদগীরণের ঘটনা আরও বাড়ে।
- ধারণা করা হয়, প্লেটগুলো একটি আরেকটির সাথে ঘষা বা ধাক্কা খেলে সেখানে প্রচুর তাপ সৃষ্টি হয়।
- তাপে ভূ-অভ্যন্তরের পদার্থ গলে যায়।
- এ গলিত পদার্থ চাপের ফলে নিচ থেকে ভূ-পৃষ্ঠ ভেদ করে বেরিয়ে আসে। এ
- কেই আগ্নেয়গিরির উদগীরণ বলে।
- বেরিয়ে আসা গলিত তরল পদার্থ ম্যাগমা নামে পরিচিত।
- একইভাবে প্লেটগুলো একটি অন্যটির সাথে ধাক্কা খেলে পৃথিবী কেঁপে ওঠে।
- একেই ভূমিকম্প বলে।

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
.
সুরমা ও কুশিয়ারা- এই দুই নদীর মিলিত স্রোতের নাম কী?
  1. কুশিয়ারা
  2. নবগঙ্গা
  3. বরাক
  4. কালনী
ব্যাখ্যা
মেঘনা নদী:
- মেঘনা বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রশস্ততম নদী।
- ভারতের নাগা-মনিপুর ইলবিভাঙ্গিকার দক্ষিণ ঢালে উৎপন্ন বরাক নদী সিলেট সীমান্তে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে দুই শাখায় বিভক্ত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- উত্তরের শাখা সুরমা পশ্চিম দিকে ছাতক, সিলেট ও সুনামগঞ্জের উপর দিয়ে ধীর ও সর্পিল গতিতে প্রবাহিত হয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমে অগ্রসর হয়েছে।
- দক্ষিণের থানা মনু মুখের কাছে দুই ভাগে বিভক্ত হয়েছে।
- সুরমা ও কুশিয়ারার মিলিত প্রবাহ কালনী নামে দক্ষিণে অগ্রসর হয়ে মেঘনা নাম ধারণ করেছে।
- মেঘনা ভৈরব বাজারে পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে মিলিত হয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম হয়ে চাঁদপুরের কাছে পদ্মার সাথে মিলিত হয়ে মেঘনা নামে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে।
- উপনদী: ব্রহ্মপুত্র, গোমতী, শীতলক্ষা, ধলেশ্বরী, ডাকাতিয়া।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
গ্রিন হাউজ ইফেক্টের কারণে বাংলাদেশে কোন ধরনের ক্ষতি হতে পারে?
  1. বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়বে
  2. বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমবে
  3. নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
  4. খরা দেখা দিবে
ব্যাখ্যা
গ্রিন হাউজ প্রভাব:
- ওজোন স্তরে ক্ষত সৃষ্টি হলে পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি পেয়ে কৃষি ও পরিবেশের ওপর যে বিরুপ প্রভাব ফেলে একেই গ্রিন হাউজ প্রভাব (Green House Effect) বলা হয়।
- গ্রিন হাউস ইফেক্টের ফলে বায়ুমণ্ডল উত্তপ্ত হচ্চে।
- ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ ক্রমে গলে যাচ্ছে।
- এর ফলে বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর নিম্নভূমি ক্রমশ নিমজ্জিত হবে।

⇒ গ্রীন হাউস গ্যাস:
- গ্রীন হাউজ ইফেক্টের জন্য দায়ী গ্যাসগুলোকে বলা হয় গ্রীন হাউজ গ্যাস।
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রীন হাউজ গ্যাস হচ্ছে -
• জলীয় বাষ্প,
• কার্বন ডাই-অক্সাইড,
• নাইট্রাস অক্সাইড,
• মিথেন,
• ওজোন,
• ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ইত্যাদি।
- কার্বন ডাই সালফাইড এবং কার্বনিল সাইফাইড পরোক্ষ গ্রিন হাউজ গ্যাস।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া। 
ii) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী কোন জেলার সাথে ভারতের কোনো সংযোগ নেই?
  1. রাঙামাটি
  2. বান্দরবান
  3. জয়পুরহাট
  4. মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সীমানা:
- বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত।
- তিনদিকের মূলভাগ ভারত ও মিয়ানমার দ্বারা বেষ্টিত এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সাথে ৩০টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- মিয়ানমারের সাথে ৩টি (কক্সবাজার, রাঙামাটি ও বান্দরবান)।
- বাংলাদেশের রাঙামাটি জেলার সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমানা রয়েছে।

⇒ বান্দরবানের সাথে ভারতের কোন সীমান্ত নেই। 

উল্লেখ্য,
- ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত সাতটি রাজ্যকে সেভেন সিস্টার্স বলা হয়।
- রাজ্যগুলো হলো: আসাম, মেঘালয়, অরুণাচল, মনিপুর, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা এবং মিজোরাম।
- ভারতের মোট ৫টি রাজ্য বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী।
- এগুলো হলো: আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ।

উৎস: i) Britannica.
ii) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
বাংলাদেশের 'লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান' কী ধরনের বনভূমি?
  1. পত্র পতনশীল জাতীয়
  2. ক্রান্তীয় আর্দ্র পত্র পতনশীল জাতীয়
  3. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ জাতীয়
  4. স্রোতজ বনভূমি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বনভূমি:
- যে কোনো দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য মোট ভূমির ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন।
- মাটির গুণাগুণ ও জলবায়ুর তারতম্যের কারণে বাংলাদেশের বনভূমিকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
- যথা :
১. ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
২. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
৩. স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন।

⇔ ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে পাতাঝরা গাছের বনভূমি দেখা যায়।
- বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনভূমি বিস্তৃত।

⇒ লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান:
- মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান।
- ১৯২৫ সালে বনায়ন করে সৃষ্ট বনরাজি এখন ঘন প্রাকৃতিক বনের আকার ধারণ করেছে।
- লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান বাংলাদেশে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ জাতীয় বনের একটি উল্লেখযোগ্য নমুনা।
- এটি একটি সংরক্ষিত বনাঞ্চল।
- এর আয়তন ১২৫০ হেক্টর।
- বাংলাদেশের ৭টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ও ১০টি জাতীয় উদ্যানের মধ্যে এটি অন্যতম।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে এই বনকে 'জাতীয় উদ্যান' হিসেবে ঘোষণা করে।
- বিলুপ্তপ্রায় উল্লুকের জন্য এ বন বিখ্যাত।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলের চিরহরিৎ বর্ষাবন বা রেইন ফরেষ্টের মতো এখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- সূর্যের আলোর জন্য প্রতিযোগিতা করে এ বনের গাছপালা খুব উঁচু হয়ে থাকে, এবং অনেক ওপরে ডালপালা ছড়িয়ে চাঁদোয়ার মত সৃষ্টি করে।
- এই বন এতই ঘন যে মাটিতে সূর্যের আলো পড়েনা বললেই চলে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
বাংলাদেশে প্রথম জিআইএস এর ব্যবহার শুরু হয় -
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯৩ সালে
  3. ১৯৯৯ সালে
  4. ২০০১ সালে
ব্যাখ্যা
জিআইএস (GIS):
- GIS-এর পূর্ণরূপ: Geographic information systems.
- GIS হলো ভৌগোলিক তথ্য সংরক্ষণ এবং বিশ্লেষণ ব্যবস্থা।
- সাধারণ অর্থে জিআইএস বলতে স্থানিক ও অস্থানিক উপাত্ত সংগ্রহ করে কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে তথ্য সমন্বয় করে তা মানচিত্রে উপস্থাপন করাকে বুঝায়।
- অর্থাৎ জিআইএস হলো কম্পিউটারের মাধ্যমে কোনো তথ্য ধারণ করে ভূ-পৃষ্ঠের কোনো অবস্থানের চিত্র বর্ণনা করা।
 
উল্লেখ্য,
- ১৯৬৪ সালে কানাডিয়ান The Canadian Geographic Information System (CGIS)' এর মাধ্যমে জিআইএস এর ব্যবহার শুরু হয়।
- সত্তরের দশকে নগর পরিকল্পনায় প্রথম কম্পিউটারভিত্তিক জিআইএস ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৮০ সালের পর জিআইএস এর ব্যাপক প্রসার ঘটে।
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালে প্রথম জিআইএস এর ব্যবহার শুরু হয়

⇔ জিআইএসের উপাদান (Elements of GIS):
- জিআইএস পাঁচটি উপাদানের সমন্বয়ে কাজ করে থাকে।
১. হার্ডওয়্যার
২. সফট্ওয়্যার
৩. উপাত্ত
৪. উপাত্ত ভিত্তি এবং
৫. প্রশিক্ষিত ও দক্ষ মানুষ৷

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি সুপ্ত আগ্নেয়গিরির উদাহরণ?
  1. ইতালির ভিসুভিয়াস
  2. পোপো আগ্নেয়গিরি
  3. জাপানের ফুজিয়ামা
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
আগ্নেয়গিরির শ্রেণিবিভাগ:
- পৃথিবীর আগ্নেয়গিরিসমূহকে প্রধানত তিনটি ভাগে বিভক্ত করা যায়। যেমন:
ক. সক্রিয় আগ্নেয়গিরি (Active Volcano),
খ. সুপ্ত আগ্নেয়গিরি (Dormant Volcano) এবং,
গ. মৃত আগ্নেয়গিরি (Extinct Volcano).

⇒ সক্রিয় আগ্নেয়গিরি:
- সক্রিয় আগ্নেয়গিরি থেকে এখনও অগ্ন্যুৎপাত হয়।
- সক্রিয় আগ্নেয়গিরি দুই ধরনের।
- যেমন যে সকল আগ্নেয়গিরি থেকে অবিরত লাভা নির্গত হয় সেগুলো অবিরাম আগ্নেয়গিরি।
- অন্যদিকে যে সকল আগ্নেয়গিরি থেকে সাময়িকভাবে বন্ধ থাকার পর মাঝে মাঝে অগ্ন্যুৎপাত হয়, তাকে সবিরাম আগ্নেয়গিরি বলে।
- যেমন: ইতালির ভিসুভিয়াস আগ্নেয়গিরি।

⇒ সুপ্ত আগ্নেয়গিরি:
- সুপ্ত আগ্নেয়গিরি থেকে বহু বছর অগ্ন্যুৎপাত না হলেও যে কোনো সময়ে অগ্ন্যুৎপাত হবার সম্ভাবনা থাকে।
- যেমন: জাপানের ফুজিয়ামা

⇒ মৃত আগ্নেয়গিরি:
- সুপ্ত আগ্নেয়গিরি থেকে পুনরায় অগ্ন্যুৎপাত হবার সম্ভাবনা থাকে না।
- যেমন: পোপো আগ্নেয়গিরি।
- মৃত আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখে বৃষ্টির পানি জমে হ্রদ সৃষ্টি হলে, তাকে আগ্নেয় হ্রদ (Vent) বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিম্নের কোনটি জলবায়ুর উপাদান নয়?
  1. বায়ুর আর্দ্রতা
  2. সমুদ্রস্রোত
  3. বৃষ্টিপাত
  4. বায়ুর উষ্ণতা
ব্যাখ্যা
জলবায়ু:
- কোনো একটি নির্দিষ্ট স্থানের বায়ুর তাপ, চাপ, আর্দ্রতা, মেঘাচ্ছন্নতা, বৃষ্টিপাত ও বায়ুপ্রবাহের দৈনন্দিন সামগ্রিক অবস্থাকে সেই দিনের আবহাওয়া বলে।
- কোনো একটি অঞ্চলের সাধারণত ৩০-৪০ বছরের গড় আবহাওয়ার অবস্থাকে জলবায়ু বলে।
- কাজেই জলবায়ু কোন একটি অঞ্চলের অনেক দিনের বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তর বা ট্রপোমন্ডলের সামগ্রিক অবস্থা।

⇒ আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদানগুলো হলো -
- বায়ুর তাপ/উষ্ণতা,
- বায়ুর চাপ,
- বায়ুর আর্দ্রতা ও
- বারিপাত।

এছাড়া,
- সমুদ্রস্রোত আবহাওয়ার বা জলবায়ুর উপাদান নয় এটি জলবায়ুর নিয়ামক।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
পশ্চিম আফ্রিকার সাব সাহারা অঞ্চল কী নামে পরিচিত?
  1. প্রেইরি
  2. সাহেল
  3. তুন্দ্রা
  4. ল্যানোস
ব্যাখ্যা
সাহেল (Sahel):
- সাহেল অঞ্চল বলে অভিহিত পশ্চিম আফ্রিকার সাব সাহারা অঞ্চল।
- এই অঞ্চলের উল্লেখযোগ্য দেশগুলো হচ্ছে মৌরিতানিয়া, মালি ও নাইজার প্রভৃতি।
- এই অঞ্চলে সাভানা বনভূমি রয়েছে।

অন্যদিকে,
- প্রেইরি (Prairie): উত্তর আমেরিকার উর্বর তৃণভূমি।
- তুন্দ্রা: সব থেকে উত্তরের স্থল বায়োম হলো তুন্দ্রা।
- ল্যানোস (Llanos): দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত তৃণভূমি।

উৎস: Britannica.
১০.
চন্দ্রগ্রহণ কখন হয়?
  1. যখন সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যে চাঁদ অবস্থান করে
  2. যখন চাঁদ ও সূর্যের মধ্যে পৃথিবী অবস্থান করে
  3. ক ও খ
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• সূর্যগ্রহণ:
- যখন সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যে চাঁদ অবস্থান করে তখন হয় সূর্যগ্রহণ।
- চাঁদ যখন পৃথিবীর কক্ষপথে ঘোরে, তখন তার প্রদক্ষিণ করার পথে কখনও কখনও সে এসে পড়ে সূর্য এবং পৃথিবীর মাঝখানে।
- তখন সূর্য থেকে আলোর বিচ্ছুরণ বাধাগ্রস্ত হয় এবং সূর্যের গ্রহণ ঘটে।
- অন্যভাবে বললে বলা যায়, চাঁদ এই সময় পৃথিবীকে তার ছায়ায় ঢেকে ফেলে। 

• চন্দ্ৰগ্ৰহণ:
- চন্দ্রগ্রহণ হয় যখন চাঁদ ও সূর্যের মধ্যে পৃথিবী অবস্থান করে।
- পৃথিবী তখন আলোর উৎস বন্ধ করে দেয়।
- চন্দ্রগ্রহণের সময় আমরা দেখি চাঁদের পিঠে পৃথিবীর ছায়া।

এছাড়্রাও, 
• পূর্ণিমা:
- পূর্ণিমা তখনই হয়, যখন পৃথিবীর এক পাশে সূর্য এবং তার উল্টো পাশে চাঁদ অবস্থান করে।

• অমাবস্যা:
- চাঁদ ও পৃথিবী আবর্তনকালে যখন চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরলরেখায় অবস্থান করে।
- চাঁদের অবস্থান হয় পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে, সেই অবস্থাকে বলে অমাবস্যা।

উৎস: ৪ ডিসেম্বর ২০২১, বিবিসি বাংলা।
১১.
বাংলাদেশে বর্তমানে কয়টি প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা রয়েছে? (সেপ্টেম্বর, ২০২৪)
  1. ৯টি
  2. ১১টি
  3. ১৩টি
  4. ২১টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা:
- অপরিণামদর্শী কর্মকাণ্ডের ফলে দেশের প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক ক্ষতি হয়ে গিয়েছে।
- এর ফলে দেশের জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কোনো কোনো প্রতিবেশের উৎপাদনশীলতাও কমে গিয়েছে।
- দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিবেশগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে কিছু এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area-ECA/ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

⇒ এ-পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।
- এলাকাগুলো: সুন্দরবন, কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকত, সেন্টমাটিন দ্বীপ, সোনাদিয়া দ্বীপ, হাকালুকি হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর, মারজাত বাওড়, গুলশান-বারিধারা লেক, বুড়িগঙ্গা নদী, তুরাগ নদী, বালু নদী, শীতলক্ষ্যা নদী, জাফলং-ডাউকি নদী।

উৎস: পরিবেশ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। 
১২.
গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি কোনটি?
  1. কিয়োটো প্রটোকল
  2. মন্ট্রিল প্রটোকল
  3. কার্টাগেনা প্রটোকল
  4. নাগোয়া প্রটোকল
ব্যাখ্যা
কিয়োটো প্রটোকল:
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত শিল্পোন্নত দেশগুলো গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন বাধ্যতামূলকভাবে হ্রাসকরণের আন্তর্জাতিক চুক্তি হচ্ছে কিয়োটো প্রটোকল।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: কিয়োটো, জাপান।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৮৩টি।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৯২টি।
- প্রটোকলের মেয়াদ শেষ হয় ২০২০ সালে।

উল্লেখ্য,
- এই সম্মেলনে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নসহ ১৯২টি দেশের মধ্যে কানাডা, দক্ষিণ সুদান ও যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া জাতিসংঘের অন্তর্ভুক্ত ১৯১টি দেশ উপস্থিত ছিল।
- কিয়োটো চুক্তির ভিত্তিতে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন ২০১২ সালের মধ্যে ৫.২ শতাংশ কমানোর বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- চুক্তি বাস্তবায়নের শর্ত অনুযায়ী বিশ্বের মোট গ্রিনহাউস গ্যাসের ৫৫ শতাংশ উৎপাদনকারী দেশগুলোর স্বাক্ষরের প্রয়োজন ছিল।
- প্রাথমিক পর্যায়ে নিজ নিজ দেশে উৎপন্ন গ্রিনহাউস গ্যাসের পরিমাণ কমানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
- ক্তিভুক্ত দেশগুলো যে ছয়টি গ্যাস নিঃসরণ কমানোর উদ্যোগ নেয় সেগুলো হলো কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, হাইড্রোফ্লোরোকার্বন, পারফ্লোরোকার্বন ও সালফার।

অন্যদিকে,
- মন্ট্রিল প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা।
- কার্টাগোনা প্রোটোকল জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল।
- জীববৈচিত্র্য বিষয়ক কনভেনশনের সম্পূরক হিসেবে নাগোয়া প্রটোকল গৃহীত হয়।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
১৩.
কোনটি বাল্টিক রাষ্ট্র?
  1. লাটভিয়া
  2. লিথুয়ানিয়া
  3. এস্তোনিয়া
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাল্টিক রাষ্ট্র:
- বাল্টিক রাষ্ট্র বলতে ইউরোপের উত্তর-পূর্ব অঞ্চল তথা বাল্টিক সাগরের পূর্ব তীরে অবস্থিত রাষ্ট্রসমূহকে বুঝায়।
- এই অঞ্চলে তিনটি দেশ রয়েছে।
- দেশগুলো হলো: এস্তোনিয়া, লাটভিয়া এবং লিথুয়ানিয়া।

এছাড়াও,
- বাল্টিক রাষ্ট্রসমূহে আঞ্চলিক পর্যায়ে সহযোগিতার জন্য কিছু আন্তঃসরকার সংস্থা রয়েছে।

⇒ বাল্টিক সাগর:
- বাল্টিক সাগর ইউরোপের উত্তরাংশে অবস্থিত।
- এর চারদিকে স্ক্যান্ডিনেভীয় উপদ্বীপ, ইউরোপ মহাদেশের মূল ভূখণ্ড এবং ডেনমার্কের দ্বীপসমূহ অবস্থিত।
- পূর্বে এটি উত্তর মহাসাগরের সাথে যুক্ত।
- কৃত্রিম শ্বেত সাগর খালের মাধ্যমে এটি শ্বেত সাগরের সাথে যুক্ত।
- বাল্টিক সাগরের সাথে যেসব দেশের সরাসরি সীমানা রয়েছে: ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, জার্মানি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, পোল্যান্ড, রাশিয়া, সুইডেন।

উৎস: Britannica.
১৪.
নিচের কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. গোবি মরুভূমি মঙ্গোলিয়ায় অবস্থিত
  2. মোজাবে মরুভূমি ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত
  3. ভিক্টোরিয়া মরুভূমি অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থিত
  4. আতাকামা মরুভূমি পাকিস্তানে অবস্থিত
ব্যাখ্যা
⇒ গোবি মরুভূমি (Gobi Desert):
- গোবি মরুভূমি মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত একটি বিশাল মরুভূমি।
- মরুভূমিটির অবস্থান চীন ও মঙ্গোলিয়া এই দুই দেশে বিস্তৃত।
- এর আয়তন আনুমানিক ১৩ লক্ষ বর্গকিলোমিটার।

⇒ ভিক্টোরিয়া মরুভূমি (Great Victoria Desert):
- গ্রেট ভিক্টোরিয়া মরুভূমি দক্ষিণ ও পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থিত।
- একে বলা হয় Great Victoria Desert।
- এটি ১৮৭৫ সালে অস্ট্রেলিয়ান অনুসন্ধানকারী Ernest Giles একে মহারানী ভিক্টোরিয়ার নামানুসারে Great Victoria Desert নামকরণ করেন।
- এর আয়তন ৩৫০,০০০ বর্গকিলোমিটার।
- এটি বিশ্বের ৭ম বৃহৎ ও অস্ট্রেলিয়ার বৃহত্তম মরুভূমি।

⇒ মোজাবে মরুভূমি:
- মোজাবে মরুভূমি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের দক্ষিণ-পূর্বাংশ জুড়ে অবস্থিত।
- কিছু অংশ নেবাদা, এরিজোনা, উতাহ অঙ্গরাজ্যে জুড়ে বিস্তৃত।
- মোজাবে মরুভূমির আয়তন ২৫০০০ বর্গ মাইল (৬৫০০০বর্গ কিমি)।

⇒ আতাকামা মরুভূমি:
- আতাকামা মরুভূমি চিলির উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত।
- এটি উত্তর থেকে দক্ষিণে ৬০০ থেকে ৭০০ মাইল (১০০০ থেকে ১১০০ কিমি) পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এর সুনির্দিষ্ট সীমানা নির্ধারিত নয়, তবে এটি মূলত লোয়া নদীর দক্ষিণ বাঁক এবং সালাডো-কোপিয়াপো জলাধারের মধ্যবর্তী পর্বতমালার মধ্যে অবস্থিত।
- উত্তরে, মরুভূমি পেরুর সীমানা পর্যন্ত বিস্তৃত।

এছাড়াও -
⇔ কয়েকটি মরুভূমি ও এদের অবস্থান:
- পাতাগোনিয়া মরুভূমি: চিলি ও আর্জেন্টিনা,
- থর মরুভূমি: ভারত ও পাকিস্তান,
- সাহারা মরুভূমি: আফ্রিকা,
- কালাহারি মরুভূমি: নামিবিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা,

উৎস: Britannica.
১৫.
মহাকাশের কোন জ্যোতিষ্ককে 'Pillars of Creation' বলা হয়?
  1. নীহারিকা
  2. ছায়াপথ
  3. ধূমকেতু
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
নীহারিকা (Nebula):
- সৃষ্টি জগতের সকল উপাদানকে একত্রে মহাবিশ্ব বলা হয়।
- মহাকাশে বিরাজমান সকল নক্ষত্র, গ্রহ-উপগ্রহ, গ্যালাক্সি, ছায়াপথ, উল্কা, ধূমকেতু এবং জৈব ও অজৈব জগতের সকল মহাজাগতিক পদার্থসমূহকে ব্যাপক মহাবিশ্ব ও জ্যোতিষ্কমন্ডলী অর্থে 'জ্যোতিষ্ক' বলে। 

⇒ সনীহারিকা বা নেবুলা (Nebula) হলো ধুলা, হাইড্রোজেন, হিলিয়াম ও আয়নিত গ্যাসের আন্তর্মহাকাশীয় মেঘ।
- নীহারিকা হলো নক্ষত্রের জন্মস্থান।
- মহাকর্ষের টানে গ্যাসীয় কণাগুলো একত্র হয়ে ধীরে ধীরে নক্ষত্র গঠন করে।
- নীহারিকা প্রধানত গ্যাস, ধুলা ও প্লাজমা দ্বারা গঠিত।
- নীহারিকাগুলো মূলত অবস্থিত আন্ত নাক্ষত্রিক শূন্যস্থান বা interstellar medium (ISM)-এ।
- নীহারিকার মেঘস্তম্ভকে নক্ষত্র সৃষ্টির আধার হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
- তাই নাসার বিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছেন "Pillars of Creation"। 

⇒ পৃথিবী থেকে দূরত্বের কারণে ছোট দেখা গেলেও মূলত নীহারিকা অনেক বড়।
- এগুলো সাধারণত ০.১ আলোকবর্ষ থেকে শুরু করে অনেক বৃহৎ এলাকাজুড়ে অবস্থান করে।
- এখানে এক বছরে আলো যত পথ অতিক্রম করে তাকে ১ আলোকবর্ষ বলে।

⇒ এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত সবচেয়ে ছোটো নীহারিকা NGC 7027 মাত্র ০.১ আলোকবর্ষ।
- অন্যদিকে, আবিষ্কৃত সর্ববৃহৎ ট্যারান্টুলা নেবুলা প্রায় ১৮৬২ আলোকবর্ষ।

উৎস: i) NASA ওয়েবসাইট।
ii) ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
বাংলাদেশের খরাপ্রবণ অঞ্চল কোনটি?
  1. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  2. টাঙ্গাইল
  3. কুষ্টিয়া
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
খরা:
- সাধারণত খরা বলতে কোনো এলাকায় দীর্ঘসময় ধরে ভূমিতে পানির অনুপস্থিতিকে বুঝায়।
- অর্থাৎ কোনো এলাকা বৃষ্টিহীন অবস্থায় থাকলে বা অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হলে মাটির স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমে গিয়ে শুষ্ক হয়ে পড়ে।
- এর ফলে মাটি ফেটে চৌচির হয়ে যায় এবং পানির স্তর নিচে নেমে যায়।
- এরূপ অবস্থাকে খরা বলে।
- বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের জেলাসমূহে খরার প্রবণতা বেশি দেখা যায়।
- বিগত অর্ধ শতকের ১৯৭৩, ১৯৭৫, ১৯৭৮, ১৯৭৯, ১৯৮১, ১৯৮২, ১৯৮৯, ১৯৯২, ১৯৯৪, ১৯৯৫ এবং ২০১৬ সালে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অধিক মাত্রায় খরা দেখা দেয়।

বাংলাদেশের খরাপ্রবণ অঞ্চল:
- অতি তীব্র: রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ,
- তীব্র: দিনাজপুর, বগুড়া, কুষ্টিয়া, যশোর জেলা এবং টাঙ্গাইল জেলার অংশবিশেষ,
- মাঝারি: রংপুর ও বরিশাল জেলা এবং দিনাজপুর, কুষ্টিয়া ও যশোর জেলার অংশবিশেষ,
- সামান্য: তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র এবং মেঘনার পললভূমি এলাকা।

⇒ খরার কারণ:
১. সময়মতো বৃষ্টিপাতের অভাব;
২. পরিবেশের ভারসাম্যহীনতা;
৩. অপরিকল্পিতভাবে বনভূমি উজাড়;
৪. নদীর উজানে অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ;
৫. এল নিনো ও লা নিনোর প্রভাব প্রভৃতি।

উৎস: ভূগোল ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
কোন দুটি প্লেটের সংযোগস্থল বরাবর মাউন্ট এভারেস্ট অবস্থিত?
  1. ইন্ডিয়ান ও আফ্রিকান
  2. ইন্ডিয়ান ও বার্মিজ
  3. ইন্ডিয়ান ও ইউরেশিয়ান
  4. বার্মিজ ও ইউরেশিয়ান
ব্যাখ্যা
এভারেস্ট পর্বত:
- মাউন্ট এভারেস্ট পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বত।
- এটি দক্ষিণ এশিয়ার গ্রেট হিমালয়ের চূড়ায় অবস্থিত পর্বত যা চীন ও নেপালের সীমান্ত অঞ্চলে অবস্থিত।
- তিব্বত এবং নেপালের সীমান্তে উত্থিত, লক্ষ লক্ষ বছর আগে ভারতীয় এবং ইউরেশিয়ান টেকটোনিক প্লেটের মধ্যে একটি টেকটোনিক সংঘর্ষ থেকে মাউন্ট এভারেস্ট তৈরি হয়েছিল। 
- মাউন্ট এভারেস্ট হিমালয়ের মাঝের অংশে অবস্থিত।
- এভারেস্টের উচ্চতা ৮,৮৪৮.৮৬ মিটার বা ২৯,০৩২ ফুট।

উৎস: i) Britannica।
ii) National Geographic।