পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়34 minutes
মোট প্রশ্ন২৯
সিলেবাস
পরীক্ষা - ২: বিষয়ের নাম: বাংলাদেশ বিষয়াবলী - [১০০ নাম্বার] পরীক্ষার টপিক: i) বাংলাদেশের ইতিহাস (প্রাচীন - ১৯৪৭ পর্যন্ত), ii) বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি, iii) বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ, iv) বাংলাদেশের অর্থনীতি, v) বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য উৎস: ষষ্ঠ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির সংশ্লিষ্ট বোর্ড বই, বিভিন্ন জাতীয় সমীক্ষা, বাংলাপিডিয়া, সংশ্লিষ্ট সরকারি ওয়েবসাইট ও যেকোনো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৯ প্রশ্ন

.
দেশ ভাগের পূর্বে বাংলাদেশে কয়টি বিভাগ ছিল?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বিভাগসমূহ:
- বাংলাদেশ আটটি প্রধান প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত যাদের বাংলায় বিভাগ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- বাংলাদেশের ৮টি বিভাগগুলো হলো:
• ঢাকা বিভাগ,
• চট্টগ্রাম বিভাগ,
• রাজশাহী বিভাগ,
• খুলনা বিভাগ,
• সিলেট বিভাগ,
• বরিশাল বিভাগ,
• রংপুর বিভাগ,
• ময়মনসিংহ বিভাগ।

উল্লেখ্য,
- দেশ ভাগের পূর্বে বাংলাদেশে বিভাগ ছিল ৩টি: ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী।
- ১৮২৯ সালে ঢাকা বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৮২৯ সালে সালে চট্টগ্রাম বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৮২৯ সালে রাজশাহী বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়।

অন্যদিকে -
- সিলেট বিভাগ: ১৯৫৪ সাল,  
- খুলনা বিভাগ: ১৯৬০ সাল,
- বরিশাল বিভাগ: ১৯৯৩ সাল,
- রংপুর বিভাগ: ২০১০ সাল,
- সর্বশেষ ময়মনসিংহ বিভাগ: ২০১৫ সাল।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
কতজন বাংলাদেশী এভারেস্ট জয় করেছেন?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন
  4. ৫ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশী এভারেস্ট জয়ী:
- বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম এভারেস্ট পর্বত বা মাউন্ট এভারেস্ট (Mount Everest)।
- ১৯৫৩ সালে এডমন্ড হিলারি ও তেনজিং নোরগে নেপালের দিক থেকে দক্ষিণ-পূর্ব শৈলশিরা ধরে প্রথম এই শৃঙ্গ জয় করেন।
- ১৯৬০ সালের ২৫ মে চীনা পর্বতারোহী ওয়াং ফুঝোউ, গোনপো ও চু ইয়িনহুয়া উত্তর শৈলশিরা ধরে প্রথম শৃঙ্গ জয় করেন।
- সবচেয়ে বেশিবার (২০ বার) এভারেস্টের চূড়ায় পা রাখেন নেপালের আপা শেরপা।
- বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশ হচ্ছে ৬৭তম এভারেস্টজয়ী দেশ।
- এখন পর্যন্ত পাঁচজন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন।
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ২৩ মে ২০১০ সালে প্রথম এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহিম।
- নারীদের মধ্যে প্রথম বাংলাদেশি এভারেস্টজয়ী হচ্ছেন নিশাত মজুমদার।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন ও মো. খালেদ হোসাইন।

উৎস: ৬ ডিসেম্বর, ২০২২, কালের কন্ঠ।
.
মৎস্য শিল্পে ‘সাদা সোনা’ বলা হয় কোনটিকে?
  1. ইলিশ
  2. চিংড়ি
  3. কাকড়া
  4. রূপচাঁদা
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি
ব্যাখ্যা
হোয়াইট গোল্ড:
- বাংলাদেশ বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- তাই চিংড়িকে ‘সাদা সোনা’ বা ‘হোয়াইট গোল্ড’ বলা হয়।
- বাংলাদেশে বর্তমানে বিশ্বের মোট চিংড়ির একটা উল্লেখযোগ্য অংশ উৎপাদিত হচ্ছে.
- তবে বছরভেদে এর পরিমান ওঠানামা করে।
- চিংড়ি খাত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাতে পরিণত হয়েছে।

উৎস: ১৬ আগস্ট ২০২৩, প্রথম আলো।
.
কত তারিখে গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর
  2. ১৯৯৬ সালের ১৪ ডিসেম্বর
  3. ১৯৯৬ সালের ১৬ ডিসেম্বর
  4. ১৯৯৬ সালের ১৮ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি:
- হিমালয়ের হিমবাহে উৎপন্ন গঙ্গা নদী।
- গঙ্গা নদী ভারতের উত্তর প্রদেশ, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের গোয়ালন্দের কাছে ব্রহ্মপুত্র নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- গঙ্গা নদী বাংলাদেশে পদ্মা নামে অভিহিত।
- ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রথম পরিকল্পনা করে ১৯৫১ সালে। 
- এ অঞ্চলের পানিসম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১৯ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী একটি স্থায়ী  যৌথ নদী কমিশন গঠনের উদ্দেশ্যে এক যৌথ ঘোষণায় স্বাক্ষর করেন।
- এ ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭২ সালের নভেম্বরে একটি যৌথ নদী কমিশন গঠিত হয়। 
- ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর গঙ্গার পানি বন্টন সম্পর্কে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়।
- ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর নয়াদিল্লিতে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
ছিয়াত্তরের মন্বন্তর বাংলা কোন সনে হয়েছিল?
  1. ১৭৭০
  2. ১৭৭৬
  3. ১১৭০
  4. ১১৭৬
সঠিক উত্তর:
১১৭৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৭৬
ব্যাখ্যা
ছিয়াত্তরের মন্বন্তর:
- রবার্ট ক্লাইভ দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা প্রণয়ন করলে দেওয়ানি চলে যায় কোম্পানির হাতে।
- প্রশাসনিক ক্ষমতা থাকে নবাবের হাতে।
- যার ফলে বাংলায় এক অভূতপূর্ব প্রশাসনিক জটিলতার সৃষ্টি হয় ।
- এর ফল হিসেবে ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে (১১৭৬ বঙ্গাব্দ) দেখা দেয় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ, যা ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামে পরিচিত।
- এই দুর্ভিক্ষে বাংলার জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মৃত্যুমুখে পতিত হয় ৷

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
পানিপথের প্রথম যুদ্ধে কে পরাজিত হন?
  1. বিক্রমাদিত্য
  2. সম্রাট বাবর
  3. ইব্রাহিম লোদী
  4. সম্রাট আকবর
সঠিক উত্তর:
ইব্রাহিম লোদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইব্রাহিম লোদী
ব্যাখ্যা
পানিপথের প্রথম যুদ্ধ:
- পক্ষ: সম্রাট বাবর বনাম ইব্রাহিম লোদী। 
- সময়কাল: ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দ।
- অপরদিকে ইব্রাহিম লোদীর সৈন্য সংখ্যা ছিল এক লক্ষ। 
- পানিপথ প্রান্তরে বাবর ভিন্ন রকম যুদ্ধ কৌশল গ্রহণ করেছিলেন। 
- প্রতিরক্ষা হিসেবে পরিখা খনন করেন। 
- ভারতবর্ষে প্রথমবারের মতো কামান ও গোলন্দাজ বাহিনী ব্যবহার করেন। 
- শেষ পর্যন্ত যুদ্ধে ইব্রাহিম লোদী পরাজিত ও নিহত হন।

উল্লেখ্য,
- পানিপথের ২য় যুদ্ধ: ১৫৫৬  খ্রিস্টাব্দ।
- পানিপথের ৩য় যুদ্ধ: ১৭৬১ খ্রিস্টাব্দ।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশ কবে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে?
  1. ২০২৬ সালে
  2. ২০৩১ সালে
  3. ২০৩৬ সালে
  4. ২০৪১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০৩১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৩১ সালে
ব্যাখ্যা

LDC:
- ১৯৭১ সালে প্রথম স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা করা হয়।
- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা- এই তিন সূচকে বিচার করা হয় একটি দেশ স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল ধাপে উত্তরণ করবে কি না। 
- উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হতে হলে অন্তত দুটি সূচক পূরণ করতে হয় একটি দেশকে।
- স্বল্পোন্নত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশই প্রথম দেশ হিসেবে তিনটি সূচকের সব কটি পূরণ করে পরবর্তী ধাপে উন্নীত হয়েছে।
- স্বল্পোন্নত দেশের কাতারে থাকা বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে সিডিপির সব শর্ত প্রথমবারের মতো পূরণ করে ২০১৮ সালের ১৫ মার্চ।
- সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৬ সালে এলডিসি থেকে বের হয়ে অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের কাতারে চলে যাবে বাংলাদেশ।
- আশা করা যায়, ২০৩১ সালে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হবে বাংলাদেশ।
-------------------------------- 

মূলত ১ হাজার ৪৬ ডলার থেকে শুরু করে যেসব দেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ১২ হাজার ৭৩৬ ডলার, তারা মধ্যম আয়ের দেশের অন্তর্ভুক্ত। বাংলাদেশের ১০ বছরের প্রেক্ষিত পরিকল্পনায় ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে উত্তীর্ণ হওয়ার কথা।
বলা ছিল। সেই বিবেচনায় অনেক আগেই বাংলাদেশ (২০১৫) লক্ষ্যে পৌঁছায়।

উৎস: i) যুগান্তর, ০৪ এপ্রিল, ২০২১।
         ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

.
শের শাহ নির্মাণ করেন -
  1. কুতুব মিনার
  2. লালবাগ কেল্লা
  3. ছোট কাটরা
  4. গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড
সঠিক উত্তর:
গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড
ব্যাখ্যা
শের শাহ:
- শের শাহের শাসনকালে ভারতবর্ষের যোগাযোগ ব্যবস্থার উপযুক্ত উন্নতি সাধিত হয়।
- এজন্য তিনি সাম্রাজ্যের নানা স্থানে প্রশস্ত সড়ক নির্মাণ করেছিলেন। 
- তাঁর নির্মিত এসব চওড়া রাস্তার মধ্যে ‘গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড' অন্যতম। 
- বিখ্যাত এই গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড বাংলাদেশের সোনারগাঁও থেকে পাকিস্তানের সিন্ধু নদ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- তখনকার দিকে যাতায়াত ও পরিবহনে এই পথের গুরুত্ব ছিল অনেক। 
- তিনি এপথে গমনকারী পথচারীদের সুবিধার জন্য রাস্তার উভয় পার্শ্বে বৃক্ষরোপণ ও সরাইখানা স্থাপন করার নির্দেশ দিয়েছিলেন ।

অন্যদিকে -
- সুলতান কুতুবউদ্দিন আইবেক দিল্লির কুতুব মিনার নির্মাণ করেন।
- শায়েস্তা খান লালবাগ কেল্লা, ছোট কাটরা, সাতগম্বুজ মসজিদ প্রভৃতি নির্মাণ করেন।

উৎস: ইতিহাস, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
আন্টাঘর ময়দান নামে পরিচিত কোনটি?
  1. ভিক্টোরিয়া পার্ক
  2. আহসান মঞ্জিল
  3. উত্তরা গণভবন
  4. মুক্তাগাছা জমিদারবাড়ি
সঠিক উত্তর:
ভিক্টোরিয়া পার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিক্টোরিয়া পার্ক
ব্যাখ্যা
বাহাদুর শাহ পার্ক:
- বাহাদুর শাহ পার্ক বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার লক্ষ্মীবাজারে অবস্থিত।
- ১৮৫৮ সালে রানি ভিক্টোরিয়ার নামানুসারে এই স্থানের নামকরণ হয় ‘ভিক্টোরিয়া পার্ক’।
- পার্কটি আন্টাঘর ময়দান নামে পরিচিত ছিল।
- ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহের পর এক প্রহসনমূলক বিচারে ইংরেজ শাসকেরা ফাঁসি দেয় অসংখ্য বিপ্লবী সিপাহিকে।
- তারপর জনগণকে ভয় দেখাতে সিপাহিদের লাশ এনে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় এই ময়দানের বিভিন্ন গাছের ডালে।
- ১৯৫৭ সালে (মতান্তরে ১৯৬১) সিপাহি বিদ্রোহের শতবার্ষিকী পালন উপলক্ষে এখানে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করে পার্কের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় বাহাদুর শাহ পার্ক।
- সিপাহী বিদ্রোহ অনুষ্ঠিত হয়েছিল ইংরেজ শাসনের সমাপ্তি ঘটিয়ে মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ এর শাসন পুনরায় আনার জন্য।
- তাই তাঁর নামানুসারে এর নতুন নামকরণ করা হয় ‘বাহাদুর শাহ পার্ক’।

 উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১০.
২০২৩-২৪ বাজেটের লক্ষ্য কত সালের মধ্যে 'স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ'?
  1. ২০২৬ সাল
  2. ২০৩১ সাল
  3. ২০৩৬ সাল
  4. ২০৪১ সাল
সঠিক উত্তর:
২০৪১ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৪১ সাল
ব্যাখ্যা
জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে প্রথম বাজেট।
- বাজেট পেশ: ১ জুন,২০২৩।
- বাজেট পেশ করেন: অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
- বাজেট কার্যকর: ১ জুলাই, ২০২৩।
- বাংলাদেশের অর্থবছর: ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন।
- এ বছরের বাজেট: ৫২তম (অন্তর্বর্তীকালীনসহ ৫৩তম)।
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা।
- বাজেট ঘাটতি: ২ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ADP): ২ লাখ ৬৩ হাজার কোটি টাকা।
- করমুক্ত আয়সীমা: সাড়ে ৩ লাখ টাকা।
- অনুমিত মুদ্রাস্ফীতি হার: ৬ শতাংশ।
- উন্নয়ন বাজেটের পরিমাণ: ২,৭৭,৫৮২ কোটি টাকা।
- পরিচালন বাজেটের পরিমাণ: ৪,৩৬,৫৮২ কোটি টাকা।
- বাজেটের মূল দর্শন হলো ২০৪১ সালের মধ্যে সুখী-সমৃদ্ধ উন্নত স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ। 

উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪।
১১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী, জিডিপিতে সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ২.৬১%
  2. ৫.৮৪%
  3. ৮.১৮%
  4. ১১.২%
সঠিক উত্তর:
৫.৮৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫.৮৪%
ব্যাখ্যা
খাতভিত্তিক GDP প্রবৃদ্ধি:
- কৃষি খাতের অবদান ১১.২০ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ২.৬১ শতাংশ।
- শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৫৬ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৮.১৮ শতাংশ।
- সেবা খাতের অবদান ৫১.২৪ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮৪ শতাংশ।
 
উল্লেখ্য,
-জিডিপিতে সর্ববৃহৎ খাত সেবাখাত এবং সবচেয়ে ছোট খাত কৃষিখাত।
- কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত: কৃষিখাত (৪৫.৩৩% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং ছোট খাত: শিল্পখাত (১৭.০২% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
- অর্থনীতি/ জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার ৮.১৮%।

অন্যদিকে,
- কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার - ২.৬১%।
- সার্বিকভাবে অর্থনীতি/ জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান ক্রমবর্ধমান।
   
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১২.
বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা -
  1. ৮টি
  2. ৯টি
  3. ১০টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯টি
ব্যাখ্যা
ইপিজেড:
- BEPZA প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে।
- প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়।
- যাত্রা শুরু ১৯৮৩ সালে।
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯টি।
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি।
- একমাত্র বেসরকারি ইপিজেড: কোরিয়ান ইপিজেড চট্টগ্রাম। 

সরকারি ইপিজেডগুলো হলো:
• চট্টগ্রাম ইপিজেড: ১৯৮৩,
• ঢাকা: ১৯৯৩,
• মংলা, খুলনা: ১৯৯৮,
• কুমিল্লা: ২০০০,
• উত্তরা, নীলফামারী: ২০০১,
• ঈশ্বরদী, পাবনা: ২০০১,
• আদমজী, নারায়ণগঞ্জ: ২০০৬, 
• কর্ণফুলি, চট্টগ্রাম: ২০০৬।
- এর বাইরে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে রয়েছে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট।
১৩.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী, চাহিদার কত শতাংশ ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়?
  1. ৯৮ শতাংশ
  2. ৭৮ শতাংশ
  3. ৮২ শতাংশ
  4. ৫৬ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৯৮ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৮ শতাংশ
ব্যাখ্যা
ঔষধ শিল্প:
- স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশে ঔষধ প্রাপ্তি মূলত আমদানির ওপর নির্ভরশীল ছিল।
- ফলে অনেক উচ্চ মূল্যে জনগণকে ঔষধ ক্রয় করতে হতো।
- বর্তমানে দেশের চাহিদার প্রায় ৯৮% ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়।
- বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ঔষধ আমদানিকারক দেশ হতে রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে।
- বর্তমানে বাংলাদেশের ৫৪টি ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- এরা বিভিন্ন প্রকারের ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল উন্নত বিশ্বের ইউরোপ ও আমেরিকাসহ রপ্তানি করছে ১৫৭টি দেশে।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১৪.
প্রজনন মৌসুমে ইলিশ ধরা বন্ধ থাকে কত দিন?
  1. ১২দিন
  2. ১৮দিন
  3. ২২দিন
  4. ২৪দিন
সঠিক উত্তর:
২২দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২দিন
ব্যাখ্যা
ইলিশ:
- জাতীয় মাছ ইলিশ আমাদের ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক।
- বর্তমানে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বিশ্বে প্রথম বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশে উৎপাদিত হয় বিশ্বের মোট ইলিশের ৮৬%।
- দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশ মাছের অবদান প্রায় ১১%।
- বাংলাদেশের জিডিপিতে ইলিশের অবদান ১%।
- প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ থাকে ২২দিন।
- সবচেয়ে বেশি ইলিশ ধরা পড়ে ভোলা জেলায়।
- দেশে ইলিশ অধ্যুষিত জেলা ৩৮টি।
- ইলিশের অভয়াশ্রম ৬টি।

উৎস: i) ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প।
          ii) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর। 
১৫.
জাতীয় বীমা দিবস পালিত হয় -
  1. ১ মার্চ
  2. ১ এপ্রিল
  3. ১ মে
  4. ১ জুন
সঠিক উত্তর:
১ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মার্চ
ব্যাখ্যা
জাতীয় বীমা দিবস:
- জাতীয় বীমা দিবস বাংলাদেশে পালিত একটি জাতীয় দিবস।
- জাতীয় বীমা দিবস ১ মার্চ।
- বীমা শিল্পের উন্নয়ন ও বীমা সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ২০২০ সালের ১৫ জানুয়ারি বাংলাদেশ সরকার এটি প্রবর্তন করে।

উল্লেখ্য,
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬০ সালের ১ মার্চ পাকিস্তানের আলফা ইনস্যুরেন্স কোম্পানিতে যোগ দেন।
- তাঁর এ যোগদানের দিনটিকে জাতীয় পর্যায়ে স্মরণীয় রাখতে ২০২০ সালের ১৫ জানুয়ারি বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের সুপারিশক্রমে প্রতিবছর ১ মার্চকে জাতীয় বীমা দিবস ঘোষণা করে বাংলাদেশ সরকার।
- ওই বছরের ১ মার্চ এটি প্রথম দিবস হিসেবে পালিত হয়।

উৎস: সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১৬.
সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচিতে কোন স্কিমটি স্বনির্ভর ব্যক্তির জন্য?
  1. প্রবাস
  2. প্রগতি
  3. সুরক্ষা
  4. সমতা
সঠিক উত্তর:
সুরক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুরক্ষা
ব্যাখ্যা
সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি (স্কিম):
- ১৮ বছরের বেশি বয়সী যেকোনো নাগরিক ৬০ বছর বয়সে না পৌঁছানো পর্যন্ত কিস্তি পরিশোধ করে অবসর জীবনের সময় পেনশন সুবিধা পেতে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
- ১৭ আগস্ট, ২০২৩ তারিখে সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- সরকার মোট ৬টি স্কিমের কথা ঘোষণা করেছে। 
- আপাতত চালু হয়েছে ৪টি স্কিম।

৪টি স্কিম:
প্রবাস
- এটি শুধু বিদেশে কর্মরত বা অবস্থানকারী বাংলাদেশি নাগরিকের জন্য।
- এর মাসিক চাঁদার হার ধরা হয়েছে ৫ হাজার, সাড়ে ৭ হাজার ও ১০ হাজার টাকা করে।

প্রগতি:
- এই স্কিম বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের জন্য।

সুরক্ষা:
- এই স্কিমটা স্বনির্ভর ব্যক্তির জন্য।
- অর্থাৎ কেউ কোথাও চাকরি করছেন না কিন্তু নিজে উপার্জন করতে পারেন, তারা সুরক্ষা স্কিমে অংশ নিতে পারবেন।
- এর আওতায় পড়েন ফ্রিল্যান্সার, কৃষক, শ্রমিক ইত্যাদি পেশার লোকজন।

• সমতা:
- এই স্কিমে চাঁদার হার একটিই: এক হাজার টাকা।
- তবে এক্ষেত্রে প্রতিমাসে ব্যক্তি দেবে পাঁচশ টাকা আর বাকি পাঁচশো দেবে সরকার।
- মূলত দারিদ্রসীমার নিচে বসবাসরত স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য এই স্কিম।

উৎস: ১৭ আগস্ট, ২০২৩, প্রথম আলো।
১৭.
২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশে ব্যক্তি করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা -
  1. ৩,০০,০০০/- টাকা
  2. ৩,২৫,০০০/- টাকা
  3. ৩,৫০,০০০/- টাকা
  4. ৩,৭৫,০০০/- টাকা
সঠিক উত্তর:
৩,৫০,০০০/- টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩,৫০,০০০/- টাকা
ব্যাখ্যা
করমুক্ত আয়সীমা:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের করমুক্ত আয়সীমা নিম্নরূপ:
- সাধারণ করদাতা: ৩,৫০,০০০ টাকা।
- মহিলা ও ৬৫ বছর বা তদুর্ধ্ব বয়সের করদাতা: ৪,০০,০০০ টাকা।
- প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গ করদাতা: ৪,৭৫,০০০ টাকা।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতা: ৫,০০,০০০ টাকা।
- কোন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পিতামাতা বা আইনানুগ অভিবাবকের ক্ষেত্রে এরূপ প্রত্যেক সন্তান/পোষ্যের জন্য করমুক্ত সীমা ৫০,০০০/- টাকা বেশি। 

ব্যক্তি করদাতা – করহার:
- ৩,৫০,০০০/- টাকা পর্যন্ত: শূন্য
- পরবর্তী ১,০০,০০০/- টাকার: ৫%
- পরবর্তী ৩,০০,০০০/- টাকার: ১০%
- পরবর্তী ৪,০০,০০০/- টাকার: ১৫%
- পরবর্তী ৫,০০,০০০/- টাকার: ২০%
- অবশিষ্ট টাকার উপর: ২৫%

উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪। 
১৮.
দেশে প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় কোনটি?
  1. চাল
  2. তৈলবীজ
  3. গম
  4. তুলা
সঠিক উত্তর:
তুলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুলা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রধান আমদানি দ্রব্য:
- বাংলাদেশের রপ্তানির তুলনায় আমদানির পরিমাণ অনেক বেশি। 
প্রাথমিক পণ্যসমূহ:
- বাংলাদেশ চাল, গম, তৈলবীজ, অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম, তুলা প্রভৃতি প্রাথমিক দ্রব্য আমদানি করে।
শিল্পজাত পণ্য:
- বাংলাদেশে প্রধানত ভোজ্য তেল, পেট্রোলিয়াম সামগ্রী, সার, ক্লিংকার, স্টেপল ফাইবার, সুতা প্রভৃতি আমদানি করে।
মূলধনী দ্রব্য:
- বাংলাদেশে শিল্পের যন্ত্রপাতি ও খুচরা অংশ, কৃষি যন্ত্রপাতি, রেলের ইঞ্জিন ও বগি, বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার, মোটর ইঞ্জিন, রাসায়নিক দ্রব্য, গাড়ির চেসিস, ঔষধ ইত্যাদি মুলধনী দ্রব্য আমদানি করে।
অন্যান্য দ্রব্য:
- বাংলাদেশ মটরগাড়ি, কাপড়, দুধ, মাখন, নারিকেল তৈল, চিনি, ইলেট্রনিক্স দ্রব্যসহ অন্যান্য কতিপয় দর্য আমদানি করে। ২০১৪-১৫ সালে এখাতে ব‍্যয় হয় ২৪০০ কোটি মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
একক পণ্য আমদানি:
- সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: সার।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়: পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়: মূলধন যন্ত্রসামগ্রী।
শিল্পজাত পণ্য আমদানি:
- সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: সার।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়: পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়: ভোজ্যতৈল।
প্রাথমিক পণ্য আমদানি:
- সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়: গম।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়: তৈলবীজ।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১৯.
বারো ভূঁইয়া কাদের বলা হত?
  1. দিল্লীর ১২জন বাদশাহ
  2. সুলতানী আমলের ১২ জন সেনাপতি
  3. মোগল আমলের ১২ জন সেনাপতি
  4. বড় বড় স্বাধীন জমিদার
সঠিক উত্তর:
বড় বড় স্বাধীন জমিদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বড় বড় স্বাধীন জমিদার
ব্যাখ্যা
বারো ভূঁইয়া:
- সম্রাট আকবরের রাজত্বকালে বাংলার স্থানীয় প্রধান ও জমিদার মুগলবিরোধী প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন। 
- প্রকৃতপক্ষে বাংলায় আফগান শাসনামল ও মুগল শক্তির উত্থানের মধ্যবর্তী সময়ে এদেশের বিভিন্ন এলাকা বহু সামরিক প্রধান, ভূঁইয়া এবং জমিদারদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।
- তারা কখনও যৌথভাবে এবং বেশিরভাগ সময় পৃথকভাবে মুগল আগ্রাসন প্রতিহত করেছিলেন এবং স্বাধীন বা অর্ধ-স্বাধীন শাসকরূপে তাঁদের নিজ নিজ এলাকা শাসন করেছিলেন।
- বারো ভূঁইয়া বলা হত বাংলার বড় বড় স্বাধীন জমিদারকে।
- বারো ভূঁইয়া বলতে বারজন প্রসিদ্ধ ভূ-স্বামী বুঝালেও আসলে এসব জমিদারদের সংখ্যা ছিল অনেক।

এছাড়াও,
- তাঁরা সম্মিলিতভাবে মুঘল আধিপত্যের বিরুদ্ধে সম্রাট আকবরের খ্যাতনামা সমর নায়কদের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হন।
- মুসলমান এবং হিন্দু উভয় সম্প্রদায়ভুক্ত ছিলেন এ জমিদারগণ।

উৎস: i) ইতিহাস, এসএএস এইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) বাংলাপিডিয়া।
২০.
সেন বংশের কোন রাজা ‘গৌড়েশ্বর’ উপাধি ধারণ করেন?
  1. সামন্ত সেন
  2. হেমন্ত সেন
  3. লক্ষ্মণ সেন
  4. বিজয় সেন
সঠিক উত্তর:
লক্ষ্মণ সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লক্ষ্মণ সেন
ব্যাখ্যা
লক্ষ্মণ সেন:
- লক্ষ্মণসেন (আনু. ১১৭৮-১২০৬ খ্রি)  সেন বংশের তৃতীয় শাসক।
- লক্ষ্মণসেন প্রায় ২৮ বছর রাজত্ব করেন।
- বল্লাল সেন ও রমাদেবীর পুত্র লক্ষ্মণ সেন ১১৭৯ সালে প্রায় ৬০ বছর বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- লক্ষ্মণ সেন গৌড়, কলিঙ্গ, কামরূপ ও কাশীতে বিজয় অভিযান পরিচালনা করেছিলেন।
- গৌড় লক্ষ্মণসেনের রাজত্বকালেই পুরোপুরি সেন সাম্রাজ্যভুক্ত হয়েছিল।
- তিনিই সেনদের মধ্যে প্রথম রাজা যিনি ‘গৌড়েশ্বর’ উপাধি ধারণ করেন।
- ১২০৪ সালে বখতিয়ার খিলজি বাংলা আক্রমণ করেন।
- লক্ষ্মণ সেনের নদীয়া ত্যাগের মাধ্যমেই বাংলায় হিন্দুশাসনের পতন হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- লক্ষ্মণ সেন একজন বিদ্বান ও কবি ছিলেন।
- তিনি বল্লাল সেনের অসমাপ্ত অদ্ভুতসাগর সমাপ্ত করেছিলেন।
- ভারত প্রসিদ্ধ পণ্ডিত হলায়ূধ তাঁর প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) বাংলাপিডিয়া।
২১.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২ অনুযায়ী, অতি দারিদ্রের হার -
  1. ৫.৬ শতাংশ
  2. ৬.৫ শতাংশ
  3. ১৮.১ শতাংশ
  4. ১৮.৭ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৫.৬ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫.৬ শতাংশ
ব্যাখ্যা
২০২২ সালের খানা আয় ও ব্যয় জরিপ:
- ২০২২ সালের খানা আয় ও ব্যয় জরিপ অনুযায়ী,
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭ শতাংশ।
- অতি দারিদ্রের হার: ৫.৬ শতাংশ। 
- দারিদ্র্যের হারে শীর্ষ বিভাগ: বরিশাল।

অন্যদিকে -
- বরিশাল বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ২৬.৯%।
- রংপুর বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ২৪.৮%। 
- ময়মনসিংহ বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ২৪.২%।
- ঢাকা বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৭.৯%।
- সিলেট বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৭.৪%।
- রাজশাহী বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৬.৭%।
- চট্টগ্রাম বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৫.৮%। 
- খুলনা বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৪.৮%।

উৎস: খানা আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২।
২২.
কাকে প্রাচীন ভারতের নেপোলিয়ান বলা হয়?
  1. সমুদ্রগুপ্ত
  2. বিজয়গুপ্ত
  3. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
  4. হর্ষবর্ধন
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রগুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রগুপ্ত
ব্যাখ্যা
সমুদ্রগুপ্ত:
- সমুদ্রগুপ্ত ছিলেন গুপ্ত বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা।
- চন্দ্রগুপ্তের মৃত্যুর পর সমুদ্রগুপ্ত পাটালিপুত্রের সিংহাসনে বসেন।
- তাঁকে প্রাচীন ভারতের নেপোলিয়ান বলা হয়।
- তার রাজত্বকালে সমগ্র বাংলা জয় করা হলেও সমতট একটি করদ রাজ্য ছিল।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মধ্যযুগীয় মসজিদ কোনটি?
  1. সাতগম্বুজ মসজিদ
  2. ষাটগম্বুজ মসজিদ
  3. সোনা মসজিদ
  4. তারা মসজিদ
সঠিক উত্তর:
ষাটগম্বুজ মসজিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষাটগম্বুজ মসজিদ
ব্যাখ্যা
 ষাট গম্বুজ মসজিদ:
- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
- ১৫শ শতাব্দীতে এটি নির্মাণ করা হয়।
- এটি মধ্যযুগীয় সবচেয়ে বড় মসজিদ।
- সুলতান নসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহের (১৪৩৫-৫৯) আমলে খান আল-আজম উলুগ খানজাহান সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে খলিফাবাদ রাজ্য গড়ে তোলেন। 
- খানজাহান বৈঠক করার জন্য একটি দরবার হল গড়ে তোলেন, যা পরে ষাট গম্বুজ মসজিদ হয়। 
- তুঘলকি ও জৌনপুরী নির্মাণশৈলী এতে সুস্পষ্ট।
- মসজিদের নাম ষাট গম্বুজ হলেও এর গম্বুজের সংখ্যা আসলে ৭৭টি। 
- মিনারের চারটি গম্বুজ যুক্ত করলে এর মোট গম্বুজের সংখ্যা দাঁড়ায় ৮১টিতে।
- মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই। 
- এটি বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের একটির মধ্যে অবস্থিত।
- বাগেরহাট শহরটিকেই বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়া হয়েছে। 
- ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো এই সম্মান প্রদান করে।

উৎস: i) বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।
         ii) ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, প্রথম আলো।
২৪.
বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন বিহার কোনটি?
  1. সোমপুর বিহার
  2. শালবন বিহার
  3. আনন্দ বিহার
  4. সীতাকোট বিহার
সঠিক উত্তর:
সীতাকোট বিহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সীতাকোট বিহার
ব্যাখ্যা
সীতাকোট বিহার:
- সীতাকোট বিহার একটি বৌদ্ধ বিহার।
- বিহারটি দিনাজপুর জেলার নওয়াবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত।
- বিহারটিতে মোট কক্ষের সংখ্যা ৪১টি।
- এখানে পাহাড়পুর, শালবন বিহার এবং আনন্দ বিহারের মত ঐতিহ্যবাহী পোড়ামাটির ফলক দেখা যায়না।
- তবে আকার আয়তনের দিক থেকে এই বিহারের সংগে বগুড়ায় অবস্থিত ভাসু বিহার এর অনেক মিল রয়েছে।
- সীতাকোট বিহার থেকে প্রাপ্ত দুইটি ব্রোঞ্জ মূর্তির গঠন শৈলী থেকে অনুমান করা যায় যে, এগুলি ৭ম-৮ম শতাব্দীতে তৈরী।
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন বিহার।

অন্যদিকে -
- শালবন বিহার দেব বংশের চতুর্থ রাজা ভবদেব কর্তৃক আনুমানিক ৮ম শতাব্দীতে নির্মিত হয়েছে।
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- অষ্টম শতকে দেবরাজা আনন্দদেব 'আনন্দ বিহার' নির্মাণ করেন।

 উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৫.
ফা-হিয়েনের ভ্রমণ কাহিনী থেকে কোন সাম্রাজ্য সম্পর্কে জানা যায়?
  1. সুলতানি সাম্রাজ্য
  2. পাল সাম্রাজ্য
  3. গুপ্ত সাম্রাজ্য
  4. সেন সাম্রাজ্য
সঠিক উত্তর:
গুপ্ত সাম্রাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুপ্ত সাম্রাজ্য
ব্যাখ্যা
ফা-হিয়েন:
- ফা-হিয়েন প্রাচীন চৈনিক বৌদ্ধ তীর্থযাত্রী।
- তিনি মধ্য এশিয়া, ভারত ও শ্রীলংকা ভ্রমণ করেন ও তাঁর ভ্রমণ বৃত্তান্ত লিপিবদ্ধ করেন।
- ৩৯৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি যখন ভারতের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন তখন তাঁর বয়স সম্ভবত ৬৪ বছর।
- তিনি তাঁর ভ্রমণের অধিকাংশ সময়ই মধ্য ভারত বা মগধ পরিভ্রমণ অতিবাহিত করেন।
- তাঁর গন্তব্যস্থল ছিল সে সময়ের বিখ্যাত আন্তর্জাতিক বন্দর তাম্রলিপ্তি (বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার অন্তর্গত তমলুক)।

উল্লেখ্য,
- চিনা পরিব্রাজক ফা-হিয়েন গুপ্ত সম্রাট দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের শাসনকালে গৌতমবুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলি পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে ভারত অভিমুখে যাত্রা করেন।
- ফা-হিয়েনের বর্ণনায় পাটলীপুত্র, তাম্রলিপ্তি, তক্ষশীলা, সারনাথ, মথুরা, পেশোয়ার, কুশীনগরসহ বেশ কিছু প্রসিদ্ধ স্থানের বিবরণ আছে।
- তাঁর ভ্রমণ কাহিনী থেকে গুপ্তযুগীয় ভারতের আর্থ-সামাজিক, ধর্মীয় এবং পরোক্ষভাবে রাজনৈতিক অবস্থার কিছু চিত্র পাওয়া যায়, যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
- ফা-হিয়েন গুপ্ত শাসনের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন। 

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
         ii) বাংলাপিডিয়া। 
২৬.
মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরী সিডিএ ফ্লাইওভার কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. ঢাকা
  3. কুমিল্লা
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরী সিডিএ ফ্লাইওভার:
- চট্টগ্রাম নগরের প্রথম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নাম 'মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরী সিডিএ ফ্লাইওভার'।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৪ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে গণভবন থেকে বন্দরনগরীর প্রথম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন করেন।
- এক্সপ্রেসওয়েটি ৪ হাজার ২৯৮ কোটি ৯৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত।
- এই এক্সপ্রেসওয়ের দৈর্ঘ্য ১৫.২০ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ১৬.৫০ মিটার।

উল্লেখ্য,
- বঙ্গবন্ধু টানেলের সঙ্গে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সরাসরি সংযোগ স্থাপিত হওয়ার মাধ্যমে দক্ষিণ চট্টগ্রামের সঙ্গে চট্টগ্রাম শহরের নতুন সড়ক নেটওয়ার্ক সৃষ্টি হবে। 
- এর মাধ্যমে চট্টগ্রাম শহর থেকে যাত্রীরা মাত্র ২০ মিনিটে বিমানবন্দরে যাতায়াত করতে পারবে।
- এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে আখতারুজ্জামান চৌধুরী ফ্লাইওভারের সংযোগের ফলে উত্তর ও দক্ষিণ চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলার মধ্যে সংযোগ স্থাপিত হওয়ার পাশাপাশি দক্ষিণ চট্টগ্রামের যানজট সমস্যা নিরসন হবে।

উৎস: ১৪ নভেম্বর ২০২৩, দৈনিক ইত্তেফাক।
২৭.
কোনটিকে ‘বাণিজ্যিক রাজধানী’ বলা হয়?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. সিলেট
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম:
- চট্টগ্রামকে ‘বাণিজ্যিক রাজধানী’ বলা হয়। 
- বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের শতকরা প্রায় ৯০ ভাগ সম্পন্ন হয় চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর দিয়ে।
- যার কারণে চট্টগ্রামে গড়ে উঠেছে প্রচুর শিল্প-কারখানা ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।
- এর মাধ্যমে ত্বরান্বিত হয়েছে হয়েছে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন।
- এই অর্থনৈতিক গুরুত্বের কারনেই চট্টগ্রাম দেশের বাণিজ্যিক রাজধানীর মর্যাদা লাভ করেছে।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৮.
বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যানের সময়সীমা কত সাল নাগাদ?
  1. ২০৪১ সাল
  2. ২০৫০ সাল
  3. ২১০০ সাল
  4. ২১৫০ সাল
সঠিক উত্তর:
২১০০ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১০০ সাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান:
- ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যান ১০০ বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়।
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে: বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বন্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন ।
- ২০২০ সালের ১ জুলাই ১২ সদস্যের এই কাউন্সিল গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
- সরকারের পরিকল্পনামন্ত্রীকে ডেল্টা কাউন্সিলের ভাইস-চেয়ারম্যান করা হয়েছে।
- ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য এই মহাপরিকল্পনার প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০৩০ সাল নাগাদ বাস্তবায়নের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে ৮০টি প্রকল্প।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
২৯.
বরেন্দ্র জনপদ বলতে কোনটি বোঝায়?
  1. উত্তরবঙ্গ
  2. দক্ষিণবঙ্গ
  3. পূর্ববঙ্গ
  4. পশ্চিমবঙ্গ
সঠিক উত্তর:
উত্তরবঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তরবঙ্গ
ব্যাখ্যা
জনপদ:
বরেন্দ্র:
- উত্তরবঙ্গের জনপদ বরেন্দ্র।
- রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর এবং ভারতের মালদহ, মুর্শিদাবাদের কিছু অংশ, দার্জিলিং ও কোচবিহার এক সময় এ জনপদের আওতায় ছিল।
পুণ্ড্র:
- প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো পুণ্ড্র।
- এ অঞ্চলের রাজধানী পুণ্ড্রনগর।
- এর বর্তমান নাম মহাস্থানগড়।
গৌঢ়:
- পাল রাজাদের আমলে গৌঢ়ের নাম-ডাক ছিল।
- অনেকের মতে, ভারতের মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও বর্ধমানের কিছু অংশ আগে গৌঢ়ের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
বঙ্গ:
- বৃহত্তম ঢাকা ও ময়মনসিংহ, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, ফরিদপুর আগে বঙ্গ জনপদের অধীনে ছিল।
সমতট:
- অনেকের মতে, বর্তমানের কুমিল্লা ও নোয়াখালী একসময় সমতট নামে পরিচিত ছিল।
- কুমিল্লা শহর থেকে ১২ মাইল দূরে বড় কামতা এ জনপদের রাজধানী ছিল।
হরিকেল:
- শ্রীহট্ট (সিলেট) থেকে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার পর্যন্ত হরিকেল জনপদের সীমানা ছিল।

উৎস: ২৯ আগস্ট, ২০১৭, কালের কন্ঠ।