ব্যাখ্যা
বাদামী শৈবাল (Phaeophyta)–এ ক্লোরোফিল a, c এবং ফিউকোজ্যান্থিন নামক রঞ্জক থাকে।
- ফিউকোজ্যান্থিন একটি বাদামী রঙের জ্যান্থোফিল, যা ক্লোরোফিলের সবুজ রঙ ঢেকে দিয়ে শৈবালকে বাদামী রঙ প্রদান করে।
৪৯তম বিসিএস ⎯ উদ্ভিদবিদ্যা [৫৮১] · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৯ প্রশ্ন
বাদামী শৈবাল (Phaeophyta)–এ ক্লোরোফিল a, c এবং ফিউকোজ্যান্থিন নামক রঞ্জক থাকে।
- ফিউকোজ্যান্থিন একটি বাদামী রঙের জ্যান্থোফিল, যা ক্লোরোফিলের সবুজ রঙ ঢেকে দিয়ে শৈবালকে বাদামী রঙ প্রদান করে।
ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন হলো জলজ ক্ষুদ্র উদ্ভিদ, যা ফটোসিনথেসিস করে এবং খাদ্য শৃঙ্খলে মূলভিত্তি হিসেবে কাজ করে।
- Cladophora কোষগুলো শাখাযুক্ত ফিলামেন্ট তৈরি করে। এটি একটি filamentous algae।
- Cladophora হলো ফিলামেন্টাস (Filamentous) শৈবালের উদাহরণ।
- Cladophora কোষগুলো একটির পর একটি যুক্ত হয়ে সুতোয়ালা বা থ্রেডের মতো ফিলামেন্ট তৈরি করে।
- এটি সাধারণত freshwater বা সমুদ্রের পৃষ্ঠে লম্বা, শাখাযুক্ত সবুজ ফিলামেন্ট আকারে দেখা যায়।
- কোষগুলো photosynthetic এবং filament পুরোপুরি ভেজেটেটিভ কাঠামোতে কাজ করে।
Diatoms এর সেল ওয়ালকে বলে Frustule, যা সিলিকা দিয়ে গঠিত। এজন্য Diatoms কে বলা হয় “Glass house of nature”। মৃত Diatom জমে গিয়ে গঠন করে Diatomaceous earth, যা ফিল্টার, পালিশ ও শিল্পে বহুল ব্যবহৃত।
- Rhodophyta বা লোহিত শৈবালে উপস্থিত থাকে ফাইকোইরেথ্রিন ও ফাইকোসায়ানিন যা এক ধরনের রঙিন পিগমেন্ট।
- ফাইকোইরেথ্রিন লাল রঙের পিগমেন্ট, যা গভীর পানির মধ্যে সূর্যালোকের নীল তরঙ্গ শোষণ করে। এই পিগমেন্টের কারণেই Rhodophyta শৈবাল লালচে রঙ ধারণ করে।
এদের এই রঞ্জক পদার্থ তাদেরকে গভীর সমুদ্রেও আলোকসংশ্লেষে সক্ষম করে তোলে।
Chlamydomonas একটি এককোষী সবুজ শৈবাল। এতে flagella থাকে এবং সমস্ত জীবনক্রিয়া একটি কোষের মধ্যে সম্পন্ন হয়।
Fritsch’s Classification (1935) মূলত pigment-based। ৭টি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়:
1. Chlorophyceae (Green algae)
2. Phaeophyceae (Brown algae)
3. Rhodophyceae (Red algae)
4. Cyanophyceae (Blue-green algae)
5. Chrysophyceae (Golden algae)
6. Bacillariophyceae (Diatoms)
7. Dinophyceae (Dinoflagellates)
- F.E. Fritsch (1935) শৈবালের pigment, thallus organization, reproduction প্রভৃতির ভিত্তিতে শ্রেণীবিন্যাস দেন।
- F.E. Fritsch-এর pigment-based classification অনুযায়ী শৈবালকে প্রধানত ৭টি ভাগে ভাগ করা হয়।
Pigment-Based Classification of Algae (Fritsch, 1935)
1. Chlorophyceae (Green algae / সবুজ শৈবাল)
Chlorophyll a, b থাকে।
উদাহরণ: Spirogyra, Chlamydomonas, Ulva
2. Phaeophyceae (Brown algae / বাদামী শৈবাল)
Chlorophyll a, c + Fucoxanthin।
উদাহরণ: Fucus, Laminaria, Sargassum
3. Rhodophyceae (Red algae / লাল শৈবাল)
Chlorophyll a, d + Phycoerythrin।
উদাহরণ: Porphyra, Gracilaria, Gelidium
4. Cyanophyceae (Blue-green algae / নীল-সবুজ শৈবাল)
Chlorophyll a + Phycobilins।
উদাহরণ: Nostoc, Oscillatoria, Anabaena
5. Chrysophyceae (Golden algae / স্বর্ণ শৈবাল)
Chlorophyll a, c + Fucoxanthin।
উদাহরণ: Dinobryon, Ochromonas
6. Bacillariophyceae (Diatoms / ডায়াটম)
Chlorophyll a, c + Fucoxanthin।
উদাহরণ: Navicula, Cyclotella, Pinnularia
7. Dinophyceae (Dinoflagellates / ডাইনোফ্লাজেলেট)
Chlorophyll a, c + Peridinin।
উদাহরণ: Ceratium, Noctiluca
- ৪টি freshwater + marine সাধারণ algae (Chlorophyceae, Cyanophyceae, Chrysophyceae, Bacillariophyceae)
- ৩টি marine-dominant (Phaeophyceae, Rhodophyceae, Dinophyceae)
-Volvox একটি গোলাকার কলোনি গঠন করে যেখানে প্রতিটি কোষ স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে।
-Volvox একটি গোলাকার কলোনি গঠন করে, যা হাজার হাজার ছোট কোষ দিয়ে তৈরি। প্রতিটি কোষে দুটি flagella, একটি নিউক্লিয়াস এবং ক্লোরোপ্লাস্ট থাকে, ফলে তারা স্বাধীনভাবে প্রকাশ-সংশ্লেষণ (photosynthesis), শ্বাসক্রিয়া (respiration) ও চলাচল (movement) করতে পারে।
Rhodophyta বা লোহিত শৈবাল থেকে 'এগার এগার' এবং 'কারাজীনান' নামক জেলি জাতীয় পদার্থ সংগ্রহ করা হয়।
- এগার এগার: এটি একটি জেলির মতো পদার্থ যা মাইক্রোবায়োলজি ল্যাবে কালচার মিডিয়া হিসেবে ব্যবহার হয়।
- কারাজীনান: এটি একটি স্ট্যাবিলাইজার ও থিকেনার, যা আইসক্রিম, টুথপেস্ট, ওষুধ ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়। এই দুটো উপাদান মূলত Polysiphonia, Gracilaria ও Gelidium প্রজাতির Rhodophyta থেকে আহরণ করা হয়।
Cyanobacteria হলো blue-green algae (নীল-সবুজ শৈবাল)। এগুলো প্রোক্যারিওটিক জীব হলেও ক্লোরোফিল a থাকার কারণে ফটোসিন্থেসিস করতে পারে। এরা নাইট্রোজেন স্থিতিশীল করতে সক্ষম এবং পৃথিবীর প্রাচীনতম ফটোসিন্থেটিক জীব হিসেবে ধরা হয়।
শৈবালের শ্রেণীবিন্যাস মূলত pigments বা বর্ণকণিকা এর উপর ভিত্তি করে করা হয়। কারণ:
- বিভিন্ন শ্রেণির শৈবালে বিভিন্ন ধরনের chlorophyll (a, b, c, d), carotenoids (fucoxanthin, β-carotene), এবং phycobilins (phycoerythrin, phycocyanin) পাওয়া যায়। এই পার্থক্যগুলো তাদের আলোর শোষণ ক্ষমতা ও আলোকসংশ্লেষণের ধরণ নির্ধারণ করে।
উদাহরণস্বরূপ:
Chlorophyceae (green algae): Chlorophyll a ও b
Phaeophyceae (brown algae): Chlorophyll a ও c + Fucoxanthin
Rhodophyceae (red algae): Chlorophyll a + d + Phycoerythrin
- Habitat (আবাসস্থল): শৈবাল জলজ, আর্দ্র স্থলভূমি, এমনকি পাথরেও জন্মাতে পারে। কিন্তু শুধু আবাসস্থলের ভিত্তিতে শ্রেণীবিন্যাস করলে বৈজ্ঞানিক ভিত্তি মেলে না।
- Cell wall composition (কোষ প্রাচীর): যদিও কারও কোষপ্রাচীর সেলুলোজ, কারও সিলিকা (diatoms), কিন্তু এটি শ্রেণীবিন্যাসের প্রধান মানদণ্ড নয়।
- Storage product (সঞ্চিত পদার্থ): সঞ্চিত পদার্থ যেমন starch, laminarin, floridean starch ভিন্ন হলেও এগুলো সহায়ক মানদণ্ড, প্রধান নয়।
- Bio-pharmaceuticals হলো জৈবিক উৎস থেকে উৎপন্ন ঔষধ বা কার্যকরী যৌগ, যা মানুষের বা পশুর চিকিৎসা, প্রতিরোধ ও স্বাস্থ্য উন্নয়নে ব্যবহার করা হয়।
- শৈবাল থেকে বিভিন্ন প্রোটিন, পলিস্যাকারাইড, ভিটামিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অন্যান্য বায়োএকটিভ যৌগ সংগ্রহ করে Bio-pharmaceuticals তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।
মূল উদাহরণ: Spirulina, Chlorella, Fucus, Red algae, Nostoc, Ulva।
ব্যবহার: Immunity booster, antioxidant, antiviral, drug delivery, functional foods।
• যে শৈবাল অন্য উদ্ভিদের টিস্যুর ভিতরে জন্মায় তাদের বলে Endophytes.
- সম্পূর্ণ ভাসমান শৈবালকে ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন বলা হয়।
• যে শৈবাল পাথর বা শিলার উপর জন্মায় তাদের বলা হয় Lithophytes.
- যে শৈবাল পাথর বা শিলার উপর জন্মায় তাদের বলা হয় Lithophytes.
সম্পূর্ণ ভাসমান শৈবালকে ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন বলা হয়। এরা প্রধানত জলাশয়ের উপরিভাগে ভাসমান অবস্থায় থাকে।
- Fire algae হলো সেই শৈবালের প্রজাতি, যা রাতের সময় বা অন্ধকারে bioluminescence (আলো নিঃসরণ) ঘটায়।
• আলো তৈরি করার প্রক্রিয়াটি chemical reaction–এর মাধ্যমে হয়।
• Dinoflagellates কিছু প্রজাতি (যেমন Gonyaulax) রাতে bioluminescence তৈরি করে, এজন্য এগুলোকে fire algae বলা হয়।
Bioluminescence ঘটে luciferin-luciferase reaction–এর মাধ্যমে।
Luciferin → light-producing substrate
Luciferase → enzyme যা reaction ত্বরান্বিত করে।
Green algae (Chlorophyceae) তে ক্লোরোফিল a ও b, স্টার্চ জমা হয়, এবং সেল ওয়াল সেলুলোজ দ্বারা গঠিত — যা উচ্চতর স্থল উদ্ভিদের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাই বিবর্তনের দিক থেকে Green algae কে land plants এর পূর্বপুরুষ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- Fucus (brown algae) তে diplontic life cycle থাকে, যেখানে vegetative body diploid।
- Diplontic life cycle মানে হলো শৈবালের vegetative body (thallus) diploid (2n) অবস্থায় থাকে।
• Spirulina হলো উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ শৈবাল, যা পশুখাদ্য বা মানুষের সাপ্লিমেন্ট হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।
• Spirulina হলো উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ ব্লু-গ্রিন অ্যালজি, যা মানুষের খাদ্য সম্পূরক এবং পশুখাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এতে ভিটামিন, খনিজ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। Spirulina শরীরের ইমিউনিটি বৃদ্ধি, অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কার্য প্রদানে সহায়ক। এই কারণে এটি নিউট্রাসিউটিক্যাল ও স্বাস্থ্য সম্পূরক শিল্পে অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
Navicula হলো Chrysophyta বা গোল্ডেন ব্রাউন শৈবালের একটি উদাহরণ।
• Chara কে 'stoneworts' বলা হয়, কারণ এর শরীরে ক্যালসিয়াম জমা হয়ে শক্ত হয়।
• Chara হলো freshwater green algae, যা Charophyceae শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। Chara কে সাধারণত stoneworts বলা হয়। কারণ Chara এর থ্যালাস (vegetative body) তে calcium carbonate (CaCO₃) জমে। এই কারণে শরীর কঠিন বা পাথরের মতো লাগে।
• জলাশয়ের তলদেশে মাটির সাথে যুক্ত হয়ে জন্মানো শৈবালকে বলে Benthos বা বেথনিক শৈবাল।
• যে শৈবাল পাথর বা শিলার উপর জন্মায় তাদের বলা হয় Lithophytes।
- Ulva একটি green algae (সবুজ শৈবাল), যাকে সাধারণত Sea Lettuce বলা হয়।
- এটির দেহ flat, leaf-like sheet (পাতার মতো চ্যাপ্টা শীট) আকারে গঠিত।
- শীটটি মূলত দুই স্তরের কোষ (bilayer of cells) দ্বারা তৈরি।
- এটি সমুদ্রের অগভীর স্থানে পাথর, শামুকের খোলস বা অন্য কোনো শক্ত জিনিসের সাথে লেগে থাকে।
- সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে এটি নিজেই খাদ্য উৎপাদন করে।
- পাতার মতো গঠন (sheet-like thallus) থাকার কারণে এর surface area বেশি হয়, ফলে আলো শোষণ এবং photosynthesis কার্যকরভাবে সম্পন্ন হয়।
- এটি মানুষের খাদ্য হিসেবেও ব্যবহৃত হয় (বিশেষ করে এশিয়ায় sea weed salad আকারে)।
- Ulva সমুদ্রের একটি সবুজ শৈবাল। এর থ্যালাস পাতার মতো সমতল শীট আকারে থাকে, যা ২ স্তরের কোষ দ্বারা গঠিত। এজন্য একে 'Sea Lettuce' বলা হয়।
বেশিরভাগ শৈবালের সঞ্চিত খাদ্য হলো শর্করা (starch)। যদিও কিছু বিশেষ গ্রুপে (যেমন ব্রাউন অ্যালগি-তে ল্যামিনারিন, রেড অ্যালগি-তে ফ্লোরাইডিয়ান স্টার্চ) ভিন্ন সঞ্চিত খাদ্য থাকে।
Green algae-তে Chlorophyll a ও b, Brown algae তে Chlorophyll a, c ও fucoxanthin, আর Red algae তে Chlorophyll a ও phycoerythrin থাকে। এটাই তিনটি শ্রেণিকে পৃথক করে।
- Brown algae (Phaeophyceae)-তে খাদ্য সঞ্চিত থাকে ল্যামিনারিন ও ম্যানিটল আকারে।
- লাল শৈবাল (Rhodophyta) এ বিশেষ ধরনের শর্করা ফ্লোরাইডিয়ান স্টার্চ সঞ্চিত থাকে। এটি সবুজ বা বাদামী শৈবালের মতো সাধারণ স্টার্চ নয়।
Chlorophyll-a হলো ফটোসিন্থেসিসে ব্যবহৃত প্রধান রঞ্জক পদার্থ। এটি সূর্যের আলো শোষণ করে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তর করে। ফাইটোপ্লাঙ্কটনগুলো মূলত এই রঞ্জকের মাধ্যমে খাদ্য উৎপাদন করে।
ফাইটোপ্লাঙ্কটন নিজ শক্তিতে সাঁতার কাটতে পারে না। তারা পানির স্রোতের সাথে ভেসে থাকে। এজন্য সমুদ্র ও হ্রদে প্রবাহ তাদের বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সবুজ শৈবাল (Chlorophyta)-এ ক্লোরোফিল a ও b থাকে এবং খাদ্য হিসেবে স্টার্চ জমা হয়।
ফাইটোপ্লাঙ্কটন বা মাইক্রোঅ্যালজি থেকে বায়োফুয়েল উৎপাদন করা হয়। এতে নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস পাওয়া যায় এবং এটি পরিবেশবান্ধব জ্বালানি হিসেবে গুরুত্ব পাচ্ছে।
Cyanobacteria (নীল-সবুজ শৈবাল) নাইট্রোজেন স্থিতিশীলকরণ করতে পারে। তারা বায়ুমণ্ডলীয় নাইট্রোজেনকে ব্যবহারযোগ্য যৌগে রূপান্তর করে, যা জলজ পরিবেশে পুষ্টির যোগান দেয়।
Dinoflagellates (যেমন Gonyaulax, Karenia brevis) অতিবৃদ্ধি ঘটালে পানির রং লালচে হয়ে যায়, একে বলা হয় Red tide। এরা বিষাক্ত টক্সিন উৎপাদন করে, যা মাছ ও শামুকের মৃত্যু ঘটাতে পারে এবং মানুষের জন্য খাদ্য বিষক্রিয়ার কারণ হয়।
ফাইটোপ্লাঙ্কটনের উপস্থিতি ও প্রাচুর্য জল দূষণ এবং পানিতে পুষ্টির মাত্রা নির্দেশ করে। তাই তারা পরিবেশগত গুণমানের একটি জৈব সূচক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
ফাইটোপ্লাঙ্কটন স্বপোষী (autotrophic) জীব। তারা সূর্যালোক ব্যবহার করে ফটোসিন্থেসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অজৈব উপাদান থেকে জৈব খাদ্য তৈরি করে। এ কারণেই এরা জলজ খাদ্যশৃঙ্খলের প্রাথমিক উৎপাদক (primary producer)।
Red algae (Rhodophyceae) তে ক্লোরোফিল a থাকলেও প্রধান রঞ্জক হলো Phycoerythrin, যা লাল আলো শোষণ করে এবং নীল-সবুজ আলো প্রতিফলিত করে। এজন্য এদের লালচে রঙ দেখা যায়। সমুদ্রের গভীরে যেখানে আলো কম পৌঁছায়, সেখানে Red algae সহজে বেঁচে থাকতে পারে কারণ Phycoerythrin গভীর পানির নীল আলো শোষণ করে ফটোসিন্থেসিস চালায়।
লাল শৈবাল (Rhodophyta) এ বিশেষ ধরনের শর্করা ফ্লোরাইডিয়ান স্টার্চ সঞ্চিত থাকে। এটি সবুজ বা বাদামী শৈবালের মতো সাধারণ স্টার্চ নয়।
Chrysophyta বা গোল্ডেন ব্রাউন শৈবালে ক্রাইসোল্যামিনারিন সঞ্চিত খাদ্য হিসেবে থাকে।
ফ্ল্যাজেলার সংখ্যা, দৈর্ঘ্য, অবস্থান ও গঠন শৈবালের একটি গুরুত্বপূর্ণ শ্রেণিবিন্যাস ভিত্তি। যেমন: Euglenophyta তে 2 unequal flagella থাকে।
- Lichen হলো fungus + algae এর সহবাস, যেখানে সাধারণত Cyanobacteria বা green algae থাকে।
- Lichen = Fungus + Algae (Symbiosis)
- Lichen হলো একটি mutualistic symbiotic association, যেখানে –
Fungus (Mycobiont) + Alga বা Cyanobacteria (Phycobiont) একসাথে থাকে।
Fungus = দেহের গঠন (thallus), পানি শোষণ ও সুরক্ষা প্রদান করে।
Alga/Cyanobacteria = সালোকসংশ্লেষণ করে খাদ্য (carbohydrate) সরবরাহ করে।
বেশিরভাগ শৈবালের কোষ প্রাচীর সেলুলোজ দ্বারা গঠিত। তবে কিছু ক্ষেত্রে পেকটিন, সিলিকা বা ক্যালসিয়াম কার্বোনেটও থাকতে পারে।
Ulothrix হলো Chlorophyta বা সবুজ শৈবালের একটি উদাহরণ।
শৈবালের স্পোরাঞ্জিয়া সর্বদা এককোষী।
শৈবালের বৈশিষ্ট্য (Characteristics of Algae):
১. সালোকসংশ্লেষণকারী স্বভোজী অপুষ্পক উদ্ভিদ।
২. দেহ সমাঙ্গদেহী (থ্যালয়েড), কখনও প্রকৃত মূল, কাণ্ড ও পাতা থাকে না।
৩. দেহে ভাস্কুলার টিস্যু অনুপস্থিত।
৪. জননাঙ্গ এককোষী বা বহুকোষী, তবে কখনও স্টেরাইল জ্যাকেট দ্বারা আবৃত নয়।
৫. স্পোরাঞ্জিয়া সর্বদাই এককোষী।
৬. জাইগোট বহুকোষী ভ্রূণে রূপান্তরিত হয় না।
৭. কোষ প্রাচীর সাধারণত সেলুলোজ নির্মিত।
৮. যৌন জনন হতে পারে আইসোগ্যামাস, অ্যানাইসোগ্যামাস বা উগ্যামাস।
৯. অধিকাংশ শৈবালের সঞ্চিত খাদ্য হলো শর্করা (starch), যদিও ব্যতিক্রম আছে।
শৈবালের দেহে মূল, কাণ্ড, পাতা বিভাজন থাকে না। এরা থ্যালয়েড (Thalloid) গঠনের।
- শৈবালের বৈশিষ্ট্য (Characteristics of Algae):
১. সালোকসংশ্লেষণকারী স্বভোজী অপুষ্পক উদ্ভিদ।
২. দেহ সমাঙ্গদেহী (থ্যালয়েড), কখনও প্রকৃত মূল, কাণ্ড ও পাতা থাকে না।
৩. দেহে ভাস্কুলার টিস্যু অনুপস্থিত।
৪. জননাঙ্গ এককোষী বা বহুকোষী, তবে কখনও স্টেরাইল জ্যাকেট দ্বারা আবৃত নয়।
৫. স্পোরাঞ্জিয়া সর্বদাই এককোষী।
৬. জাইগোট বহুকোষী ভ্রূণে রূপান্তরিত হয় না।
৭. কোষ প্রাচীর সাধারণত সেলুলোজ নির্মিত।
৮. যৌন জনন হতে পারে আইসোগ্যামাস, অ্যানাইসোগ্যামাস বা উগ্যামাস।
৯. অধিকাংশ শৈবালের সঞ্চিত খাদ্য হলো শর্করা (starch), যদিও ব্যতিক্রম আছে।
- Chlorella একটি এককোষী সবুজ শৈবাল যা একক কোষে সমস্ত জীবনক্রিয়া সম্পন্ন করে।
- Spirogyra ফিলামেন্টাস, Ulva শীট-আকৃতির, এবং Fucus পেরেনকাইম্যাটাস কাঠামোর।
Parenchymatous algae'র কোষগুলো টিস্যুর মতো ত্রিমাত্রিক আকারে সাজানো। এটি সবচেয়ে জটিল ভেজেটেটিভ কাঠামো।
- পেরেনকাইম্যাটাস শৈবাল হলো সংগঠিত বহু-কোষী শৈবাল, যেখানে কোষ একাধিক সমতলে বিভক্ত হয়ে ত্রিমাত্রিক টিস্যুর মতো কাঠামো তৈরি করে।
- এই শৈবালের ভেজেটেটিভ দেহকে থ্যালাস বলা হয়। কিছু সমুদ্র শৈবালে থ্যালাস পাতার মতো, কাণ্ডের মতো বা holdfast-এর মতো ভিন্ন আকারে থাকে। উদাহরণ: Polysiphonia, Fucus।
- কোষগুলো ঘনভাবে সাজানো এবং কিছু কোষ বিশেষায়িত কাজের জন্য পার্থক্যযুক্ত হতে পারে। 3D কাঠামো পুষ্টি ও photosynthetic পণ্য পরিবহনকে কার্যকর করে।
- পেরেনকাইম্যাটাস কাঠামো শক্তি যোগায়, যা সমুদ্রের প্রবল স্রোতের মধ্যে টিকে থাকার জন্য সাহায্য করে। এটি photosynthesis-এর জন্য পৃষ্ঠফলও বৃদ্ধি করে।
- শৈবালের মধ্যে সর্বোচ্চ ভেজেটেটিভ জটিলতার উদাহরণ। filamentous algae থেকে higher plants-এর দিকে কাঠামোগত সেতুবন্ধন তৈরি করে।
Marine phytoplankton (যেমন Diatoms, Dinoflagellates, Cyanobacteria) বিশ্বব্যাপী মোট অক্সিজেনের প্রায় ৫০% উৎপাদন করে। এদেরকে পৃথিবীর "lungs of the ocean" বলা হয়। এদের উপস্থিতি ছাড়া বৈশ্বিক কার্বন-অক্সিজেন চক্র ভেঙে পড়বে।
Pyrrhophyta হলো আগুন শৈবাল, Gymnodinium এর একটি উদাহরণ।