পরীক্ষা আর্কাইভ

সহকারী থানা শিক্ষা অফিসার (ATEO)

পরীক্ষাসহকারী থানা শিক্ষা অফিসার (ATEO)তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন২২
সিলেবাস
[ATEO - নিয়োগ প্রস্তুতি: পরীক্ষা -২০] সাধারণ জ্ঞান পরীক্ষা - ৫ টপিক: ১. জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ বনাঞ্চল (ম্যানগ্রোভ, রেইন, পাহাড়ি ইত্যাদি), ২. ভৌগোলিক উপনাম, প্রণালি, ৩. দেশীয় ও বৈশ্বিক স্থান ও স্থাপনা (ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ), ৪. দেশীয় ও বৈশ্বিক ভাষা, জনমিতিক বিষয় ইত্যাদি, ৫. গুরুত্বপূর্ণ সূচক ও সমীক্ষা। উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ সম্পর্কিত অষ্টম, মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক শ্রেণির বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], বাংলাপিডিয়া, ওয়ার্ল্ড এটলাস ওয়েবসাইট, ব্রিটানিকা এবংযেকোনো গাইড বই, সর্বশেষ প্রকাশিত অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থগ্রন্থ, EPB -এর আমদানি-রপ্তানি রিপোর্ট। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সহকারী থানা শিক্ষা অফিসার (ATEO)

সহকারী থানা শিক্ষা অফিসার (ATEO) · তারিখ অনির্ধারিত · ২২ প্রশ্ন

.
কোন অঞ্চলকে ‘পৃথিবীর ফুসফুস’ বলা হয়?
  1. সাভানা তৃণভূমি
  2. সাহারা মরুভূমি
  3. আমাজন রেইনফরেস্ট
  4. কঙ্গো রেইনফরেস্ট
ব্যাখ্যা
আমাজন রেইনফরেস্ট:
- বিশ্বের সর্ববৃহৎ রেইনফরেস্ট আমাজন বনভূমি।
- আমাজন প্রায় ২,১২৩,৫৬২ বর্গ মাইল এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- এই বনভূমি দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- আমাজন রেইনফরেস্ট ৯টি দেশে বিস্তৃত।
- পৃথিবীর জীববৈচিত্র্যের আনুমানিক ১০ শতাংশ রয়েছে আমাজনে।
- এখানে প্রায় ৩৯০ বিলিয়ন গাছের অস্তিত্ব রয়েছে, যা ১৬,০০০ প্রজাতিতে বিভক্ত।

উল্লেখ্য,
- পৃথিবীর ২০ ভাগ অক্সিজেন আসে আমাজন থেকে।
- এই কারনে একে পৃথিবীর ফুসফুস বলা হয়।

তথ্যসূত্র - World Atlas.com
.
'ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ-২০২৪' অনুসারে, বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ জনবহুল দেশ কোনটি? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. চীন
  2. ভারত
  3. রাশিয়া
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

• স্বাধীন অলাভজনক সংস্থা ‘ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ’ নিজেদের ওয়েবসাইটে বিশ্বের জনসংখ্যার লাইভ (তাৎক্ষণিক) তথ্য প্রচার-প্রকাশ করে। ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ- ২০২৪ তথ্য অনুসারে, জনসংখ্যায় বিশ্বের শীর্ষ ১০ দেশের তালিকা-

১. ভারত:
জনসংখ্যা: ১৪৫ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার।

২. চীন:
জনসংখ্যা: ১৪১ কোটি ৯৩ লাখ ২০ হাজার।

৩. যুক্তরাষ্ট্র:
জনসংখ্যা: ৩৪ কোটি ৫৪ লাখ ২৭ হাজার।

৪. ইন্দোনেশিয়া:
জনসংখ্যা: ২৮ কোটি ৩৪ লাখ ৮৮ হাজার।

৫. পাকিস্তান:
জনসংখ্যা: ২৫ কোটি ১২ লাখ ৬৯ হাজার।

৬. নাইজেরিয়া:
জনসংখ্যা: ২৩ কোটি ২৬ লাখ ৭৯ হাজার।

৭. ব্রাজিল:
জনসংখ্যা: ২১ কোটি ১৯ লাখ ৯৯ হাজার।

৮. বাংলাদেশ:
জনসংখ্যা: ১৭ কোটি ৩৫ লাখ ৬২ হাজার।

৯. রাশিয়া:
জনসংখ্যা: ১৪ কোটি ৪৮ লাখ ২০ হাজার।

১০. ইথিওপিয়া:
জনসংখ্যা: ১৩ কোটি ২০ লাখ ৬০ হাজার।

সূত্র: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট, ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ- ২০২৪। [Link]
.
কোন প্রণালিটি ইউরোপ ও আফ্রিকার মাঝে অবস্থিত?
  1. বেরিং প্রণালী
  2. জিব্রাল্টার প্রণালী
  3. বসফরাস প্রণালী
  4. বাব এল মান্দেব প্রণালী
ব্যাখ্যা
জিব্রাল্টার প্রণালী (Strait of Gibraltar):
- জিব্রাল্টার প্রণালী হচ্ছে ইউরোপ এবং আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে অবস্থিত জলপথ।
- এটি ভূমধ্যসাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করে।
- এই প্রণালীটি স্পেনের দক্ষিণ প্রান্তে এবং মরক্কোর উত্তর প্রান্তে অবস্থিত।
- প্রণালীটি মরক্কো ও স্পেনকে পৃথক করে।
- এর গড় গভীরতা ১,২০০ ফুট (৩৬৫ মিটার)।

অন্যদিকে -
- বেরিং প্রণালী: এশিয়া থেকে আমেরিকাকে পৃথক করেছে।
- বসফরাস প্রণালী: এশিয়া এবং ইউরোপের মধ্যে অবস্থিত।
- বাব এল-মান্দেব প্রণালী: এশিয়া থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে।

তথ্যসূত্র - Britannica.
.
গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার প্রকাশিত 'বৈশ্বিক সামরিক শক্তি সূচক- ২০২৫'- এ বাংলাদেশের অবস্থান কত? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. ২৫তম
  2. ৩৫তম
  3. ৪৫তম
  4. ৫৫তম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

• বৈশ্বিক সামরিক শক্তি সূচক- ২০২৫:

প্রতিবেদনের শিরোনাম: 2025 Military Strength Ranking.
প্রকাশ: জানুয়ারি, ২০২৫। 
প্রকাশক: গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার।
অন্তর্ভুক্ত দেশ: ১৪৫টি। 
প্রতিবেদন অনুযায়ী-
• সামরিক ব্যয়ে শীর্ষ দেশ: যুক্তরাষ্ট্র।
• সর্বনিম্ন দেশ: ভুটান।
• বাংলাদেশের অবস্থান: ৩৫তম।

সার্কভুক্ত অন্যান্য দেশের অবস্থান-
ভারত- ০৪, শ্রীলংকা- ৬৯, পাকিস্তান- ১২, নেপাল- ১২৯, আফগানিস্তান- ১১৮ ও ভুটান- ১৪৫।

তথ্যসূত্র - গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার ওয়েবসাইট।
.
'ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল' বলতে কী বোঝায়?
  1. মরুভূমির শুষ্ক বনাঞ্চল
  2. উপকূলীয় স্রোতজ বনভূমি
  3. চিরসবুজ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় বন
  4. পাহাড়ি অঞ্চলের বনভূমি
ব্যাখ্যা
ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল:
- ম্যানগ্রোভ বলতে সমুদ্র উপকূলে জোয়ার-ভাটায় প্লাবিত বিস্তীর্ণ জলাভূমিকে বোঝায়।
- এই বন মূলত জোয়ার-ভাটায় বিধৌত লবণাক্ত সমতলভূমি।
- গ্রীষ্মমন্ডলীয় অঞ্চলের উষ্ণ ও উপউষ্ণ (Tropical and Sub-tropical) উপকূলীয় এলাকায় ম্যানগ্রোভ জাতীয় বনাঞ্চল দেখা যায়।
- ম্যানগ্রোভ বনের প্রধান বৈশিষ্ট্য এটি লবণ, তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা সহনশীল।
- তথ্যমতে, বর্তমানে পৃথিবীতে এ বনাঞ্চলের আয়তন প্রায় ১,৫০,০০০ বর্গ কিমি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে অবস্থিত সুন্দরবন পৃথিবীর একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন হিসেবে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
.
'জাতীয় স্মৃতিসৌধ' বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের কয়টি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার চিহ্ন বহন করে?
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
ব্যাখ্যা
জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- ঢাকার সাভার থানার নবীনগরে জাতীয় স্মৃতিসৌধ অবস্থিত।
- বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিসৌধ 'সম্মিলিত প্রয়াস' নামেও পরিচিত।
- ১৯৮২ সালের ১৬ ডিস্বেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে এটি উদ্বোধন করা হয়।
- এর স্থপতি সৈয়দ মইনুল হোসেন।
- স্মৃতিসৌধের সর্বোচ্চ উচ্চতা ১৫০ ফুট।
- জাতীয় স্মৃতিসৌধে সাতটি ফলক রয়েছে, যা বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের সাতটি গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট কে নির্দেশ করে।

- পর্যায়গুলো হলো :
১. ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন।
২. ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের নির্বাচন।
৩. ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র আন্দোলন।
৪. ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন।
৫. ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন।
৬. ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান এবং
৭. ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
.
বিশ্বের কোন দেশে সর্বাধিক ভাষা ব্যবহৃত হয়?
  1. ভারত
  2. ইন্দোনেশিয়া
  3. রাশিয়া
  4. পাপুয়া নিউ গিনি
ব্যাখ্যা
পাপুয়া নিউ গিনি:
- পাপুয়া নিউ গিনি প্রশান্ত মহাসাগরের একটি দ্বীপরাষ্ট্র।
- দেশটি ওশেনিয়া মহাদেশে অবস্থিত।
- পাপুয়া নিউগিনিতে বিশ্বের সর্বাধিক ভাষা ব্যবহৃত হয়।
- এদেশে মোট ভাষার সংখ্যা ৮৩৯ টি।
- এর মধ্যে 'টোক পিসিন (Tok Pisin)', ইংরেজি দেশের সরকারি ভাষা হিসেবে স্বীকৃত।

তথ্যসূত্র: Britannica.
.
‘Human Development Index (HDI)’ কোন সংস্থা প্রকাশ করে?
  1. বিশ্বব্যাংক
  2. আইএমএফ
  3. ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম
  4. জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি
ব্যাখ্যা
মানব উন্নয়ন সূচক (HDI):
- মানব উন্নয়ন সূচক একটি দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নতির সামগ্রিক সূচক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- একে সংক্ষেপে HDI (Human Development Index) বলা হয়।
- এটি একটি দেশের মানুষের জীবনের মান এবং উন্নতি নির্ধারণ করে।

উল্লেখ্য,
- UNDP ১৯৯০ সাল থেকে প্রতি বছর Human Development Index (HDI) প্রকাশ করে।
- UNDP এর পূর্ণরূপ: United Nations Development Programme.
- এটী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের একটি সহায়ক সংস্থা।
- UNDP বিশ্বের ১৭০টি দেশ ও অঞ্চলে দারিদ্র্য দূরীকরণে কাজ করছে।

তথ্যসূত্র: UNDP ওয়েবসাইট।
.
'ওয়াল স্ট্রিট' কোন শহরে অবস্থিত?
  1. লন্ডন
  2. নিউইয়র্ক
  3. প্যারিস
  4. ওয়াশিংটন ডি.সি
ব্যাখ্যা
ওয়াল স্ট্রিট (Wall Street):
- ওয়াল স্ট্রিট নিউ ইয়র্ক শহরের একটি প্রখ্যাত সড়ক।

- এই রাস্তা নিউ ইয়র্ক সিটির ম্যানহাটন বরো'র দক্ষিণ অংশে অবস্থিত।
- আমেরিকান গৃহযুদ্ধের আগেও এই রাস্তাটি জাতির আর্থিক রাজধানী হিসেবে স্বীকৃত ছিল।

উল্লেখ্য,
- পৃথিবীর অন্যতম গুরুত্ববহ বিনিয়োগ বাজার নিউ ইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ এই সড়কে অবস্থিত।
- নিউ ইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ ছাড়াও বহু গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক প্রতিষ্ঠান এই সড়কে অবস্থিত।
- এর মধ্যে রয়েছে আমেরিকান স্টক এক্সচেঞ্জ এবং ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক।

তথ্যসূত্র: Britannica.
১০.
'কিউবা' কী দেশ হিসেবে পরিচিত?
  1. প্রাচীরের দেশ
  2. নিষিদ্ধ দেশ
  3. মুক্তার দেশ
  4. ভূমিকম্পের দেশ
ব্যাখ্যা
দেশ ও উপনাম:
• ক্যাঙ্গারুর দেশ- অস্ট্রেলিয়া।
• প্রাচীরের দেশ- চীন।
• পিরামিডের দেশ- মিশর।
• নিষিদ্ধ দেশ- তিব্বত।
• মুক্তার দেশ- কিউবা।
• পঞ্চম ড্রাগনের দেশ- তাইওয়ান।
• ভূমিকম্পের দেশ- জাপান।
• ভাটির দেশ- বাংলাদেশ।
• ম্যাপল পাতার, লিলি ফুলের দেশ- কানাডা।
• সোনালি প্যাগোডার দেশ- মায়ানমার।
• শ্বেতহস্তীর দেশ- থাইল্যান্ড।
• হাজার হ্রদের দেশ- ফিনল্যান্ড।

তথ্যসূত্র: Britannica.
১১.
বাংলাদেশের কোন বনাঞ্চল বিশ্ব ঐতিহ্যের অন্তর্ভুক্ত?
  1. সুন্দরবন
  2. পার্বত্য চট্রগ্রামের বনাঞ্চল
  3. সিলেটের পাহাড়ি বনভূমি
  4. রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্ট
ব্যাখ্যা
• ইউনেস্কো কর্তৃক বাংলাদেশের ৩টি স্থানকে বিশ্ব ঐতিহ্যস্থল হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
এগুলো হলো -
১) বাগেরহাট জেলার ষাটগম্বুজ মসজিদ - ১৯৮৫ সালে ঘোষিত ৩২১ তম বিশ্ব ঐতিহ্য।
২) নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার - ১৯৮৫ সালে ঘোষিত ৩২২ তম বিশ্ব ঐতিহ্য।
৩) সুন্দরবন - ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো ঘোষিত ৭৯৮ তম বিশ্ব ঐতিহ্য।

সুন্দরবন:
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি ।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।
- সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
- সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে গরান, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

তথ্যসূত্র: বনবিভাগ ওয়েবসাইট।
১২.
বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ভবন 'বুর্জ খলিফা' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. কাতার
  2. কুয়েত
  3. সৌদি আরব
  4. সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা
বুর্জ খলিফা:
- বুর্জ খলিফা পৃথিবীর সর্বোচ্চতম টাওয়ার।
- সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ভবন বুর্জ খলিফার অবস্থান।
- এই বহুতল ভবনের নামকরণ করা হয়েছে আমিরাতের সাবেক প্রেসিডেন্ট খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের নামে।
- ১৬৩ তলাবিশিষ্ট এই ভবনের উচ্চতা ২,৭১৬.৫ ফুট বা ৮২৮ মিটার।
- স্থাপত্যপ্রতিষ্ঠান স্কিডমোর ও ওয়িংস অ্যান্ড মেরিলের স্থপতি অ্যাড্রিয়ান স্মিথ আকাশচুম্বী ভবনটির নকশা করেছেন।

উল্লেখ্য,
- ২০০৪ সালে বুর্জ খলিফা তৈরির কাজ শুরু হয়।
- ২০১০ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ভবনের উদ্বোধন করা হয়।

তথ্যসূত্র: Britannica.
১৩.
নিম্নের বাংলাদেশের কোন অঞ্চল শাল বৃক্ষের জন্য বিখ্যাত?
  1. সুন্দরবন
  2. পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল
  3. মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়
  4. সিলেটের পাহাড়ি বনভূমি
ব্যাখ্যা
মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়:
- টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলায় মধুপুর এবং গাজীপুর জেলায় ভাওয়ালের গড় অবস্থিত।
- এটি প্লাইস্টোসিনকালের দ্বিতীয় বৃহত্তম উচ্চভূমি।
- এর আয়তন প্রায় ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার।
- সমভূমি থেকে এর উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার।
- এই বনভূমির প্রধান বৃক্ষ হলো শাল বা গজারি। শাল গাছের আধিক্যের কারণে এই বনভূমি শালবন নামে পরিচিত।
- শুষ্ক মৌসুমে (ফেব্রুয়ারি-মার্চ) শাল গাছের পাতা ঝরে যায় বলে একে পত্রঝরা বনও বলা হয়।
- এ ছাড়া রয়েছে হরিতকি, বহেরা, কড়ই, শিমুল, অর্জুন ইত্যাদি প্রজাতির বৃক্ষ।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪.
'ঢাকা গেইট' নির্মাণ করেন কে?
  1. মীর কাশেম
  2. লর্ড কার্জন
  3. মীর জুমলা
  4. ইসলাম খান
ব্যাখ্যা
ঢাকা গেইট:
- ঢাকা গেইট ঐতিহাসিক মোগল স্থাপত্য নিদর্শন।
- এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দোয়েল চত্বর এলাকায় অবস্থিত।
- 'ঢাকা গেইট' এর নির্মাতা হলেন 'মীর জুমলা'।
- মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের সময়ে বাংলার গভর্নর হয়ে আসেন মীর জুমলা।
- জানা যায়, ১৬৬০ থেকে ১৬৬৩ সালের মধ্যে তিনি ঢাকা গেইট নির্মাণ করেছিলেন।

উল্লেখ্য,
- সীমানা চিহ্নিত করতে এবং স্থলপথে শত্রুদের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে এটি নির্মাণ করা হয়।
- এটি মীর জুমলা গেইট, ময়মনসিংহ গেইট বা রমনা গেইট নামেও পরিচিত ছিল।

তথ্যসূত্র: ২৬ জানুয়ারি ২০২৪, বিবিসি বাংলা।
১৫.
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালন করা হয় কবে?
  1. ৮ মার্চ
  2. ৭ এপ্রিল
  3. ১১ জুলাই
  4. ১০ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস:
- প্রতি বছর ১১ জুলাই পালিত হয় বিশ্ব জন্যসংখ্যা দিবস।
- ১৯৮৯ সালে জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচির তৎকালীন গভর্নিং কাউন্সিল এই দিনটি পালন করার কথা বিবেচনা করেন।
- ১৯৯০ সালের ১১ জুলাই প্রথম এই দিনটি পালন করা হয়।
- বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের লক্ষ্য হলো পরিবার পরিকল্পনা, লিঙ্গসমতা, দারিদ্র, মাতৃস্বাস্থ্য এবং মানবাধিকারের মতো জনসংখ্যা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

উল্লেখ্য,
বিশ্ব নারী দিবস- ৮ মার্চ।
বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস- ৭ এপ্রিল।
বিশ্ব মানবাধিকার দিবস- ১০ ডিসেম্বর।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১৬.
হেনলি পাসপোর্ট সূচক- ২০২৫ অনুসারে, বিশ্বের কোন দেশের পাসপোর্ট সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. জাপান
  3. রাশিয়া
  4. সিঙ্গাপুর
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

হেনলি পাসপোর্ট সূচক- ২০২৫:

প্রতিবেদনের শিরোনাম: The Henley Passport Index: Q1 2025 Global Ranking.
প্রকাশ: ৮ জানুয়ারি, ২০২৫।
প্রকাশক: যুক্তরাজ্যভিত্তিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান Henley & Partners.
অন্তর্ভুক্ত দেশ: ১৯৯টি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী-
• সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট: সিঙ্গাপুর।
• সর্বনিম্ন দেশ: আফগানিস্তান।
• বাংলাদেশের অবস্থান: ৯৩তম।

তথ্যসূত্র: Henley & Partners ওয়েবসাইট। [Link]
১৭.
"প্রবাল দ্বীপ" নামে পরিচিত কোনটি?
  1. সন্দ্বীপ
  2. মহেশখালী
  3. সেন্টমার্টিন
  4. কুতুবদিয়া
ব্যাখ্যা
প্রবাল দ্বীপ:
- দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ হলো সেন্টমার্টিন।
- সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত।
- মায়ানমারের উত্তর-পশ্চিম উপকূল থেকে ৮ কিমি পশ্চিমে নাফ নদীর মুখে দ্বীপটি অবস্থিত।
- স্থানীয়দের কাছে এটি ''নারিকেল জিঞ্জিরা'' নামে পরিচিত।
- সমস্ত দ্বীপ জুড়ে ভাটার পানি স্তরের অত্যন্ত কাছাকাছি ক্ষুদ্র খাড়িসমূহে বিভিন্ন ধরনের জীবিত ছোট ছোট প্রবাল গোষ্ঠী দেখা যায়।
- মৃত প্রবাল গোষ্ঠীগুলি ক্ষুদ্র জলমগ্ন নিম্নভূমিতে জোয়ারভাটা উভয় সময়েই দেখা যায়।
- দেশের এই একমাত্র প্রবাল দ্বীপটির উত্থানের শুরু হয়েছিল কমপক্ষে গত সর্বোচ্চ হিমবাহ যুগ থেকে (অর্থাৎ আনুমানিক ৪০,০০০ বৎসর পূর্বে)।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ী দ্বীপ হলো মহেশখালী। এই দ্বীপে আদিনাথ পাহাড় রয়েছে।
- কুতুবদিয়া দ্বীপে বাতিঘর রয়েছে।
- সন্দ্বীপে প্রাচীনকালে বাণিজ্যিক জাহাজ নির্মাণ হতো।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।
১৮.
ঐতিহাসিক 'পানাম নগর' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. নারায়ণগঞ্জ
  3. মুন্সীগঞ্জ
  4. গাজীপুর
ব্যাখ্যা
পানাম নগর:
- পানাম নগর নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত একটি ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন শহর।
- তেরো শতকের শেষপাদে সোনারগাঁয়ে হিন্দু আমলের রাজধানী শহরটি এখানেই অবস্থিত ছিল বলে ধারণা করা হয়।
- পরবর্তী সময়ে পুরনো রাজধানী শহরের দক্ষিণে যে মুসলিম রাজধানী শহর গড়ে ওঠে, তারও অংশ ছিল এ পানাম এলাকা।
- গড়ে ৫ মিটার প্রশস্ত ও ৬০০ মিটার দীর্ঘ একটিমাত্র সড়কের দুপাশ ঘিরে গড়ে উঠেছে শহরটি।
- বর্তমানে পানাম নগরের দু’ধারে ঔপনিবেশিক আমলের মোট ৫২টি স্থাপনা রয়েছে।
- পানামে এখনও মুগল আমলের তিনটি ইটনির্মিত সেতু রয়েছে। এগুলি হলো পানাম সেতু, দালালপুর পুল ও পানামনগর সেতু।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৯.
মাতৃভাষা হিসেবে পৃথিবীতে কোন ভাষাভাষীর সংখ্যা সর্বোচ্চ?
  1. ইংরেজি
  2. ম্যান্ডারিন
  3. স্প্যানিশ
  4. ফরাসি
ব্যাখ্যা
বিশ্বের সর্বাধিক কথ্য ভাষা:
- যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সামার ইন্সটিটিউট অফ লিঙ্গুইস্টিক্‌স (এসআইএল) ইন্টারন্যাশনাল-এর ভাষা নিয়ে গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান ‘এথনোলগ'।
- এর তথ্যানুসারে, পৃথিবীতে বর্তমানে সাত হাজার ১৬৮টি ভাষা আছে।
- শুধুমাত্র মাতৃভাষার কথা বিবেচনা করা হয়, তাহলে পৃথিবীতে ম্যান্ডারিন চাইনিজ ভাষাভাষীর সংখ্যাই সর্বোচ্চ।
- এটি চীনের বিশাল জনসংখ্যার কারণে সম্ভব হয়েছে।
- ম্যান্ডারিন মূলত এশিয়ায় সীমিত।
- এশিয়ার ৮৩টি দেশে এটি প্রচলিত।

উল্লেখ্য,
- যদি মাতৃভাষী ও অ-মাতৃভাষী (second, third language speakers) উভয়কেই গণনা করা হয়, তাহলে ইংরেজি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি প্রচলিত ভাষা।
- ইংরেজি ১৮৬টি দেশে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে আফ্রিকা ও অন্যান্য মহাদেশে।
- তাই, মাতৃভাষী হিসাবে ম্যান্ডারিন প্রথম, কিন্তু সর্বমোট বক্তার দিক থেকে ইংরেজি বিশ্বে শীর্ষে।

তথ্যসূত্র: এথনোলগ ওয়েবসাইট। [Link]
২০.
কোন দেশ 'বজ্রপাতের দেশ' হিসেবে পরিচিত?
  1. ভুটান
  2. জাপান
  3. থাইল্যান্ড
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ভৌগোলিক উপনাম:
• নিশীথ সূর্যের দেশ: নরওয়ে।
• সূর্যোদয়ের দেশ: জাপান।
• নিষিদ্ধ দেশ: তিব্বত।
• বজ্রপাতের দেশ: ভুটান।
• সাদা হাতির দেশ: থাইল্যান্ড।
• হাজার হ্রদের দেশ: ফিনল্যান্ড।
• নীল নদের দেশ: মিশর।
• চীর সবুজের দেশ: নাটাল (দ: আফ্রিকা)।
• লিলি ফুলের দেশ: কানাডা।
• ক্যাঙ্গারুর দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
• মার্বেলের দেশ: ইতালি।
• পঞ্চম ড্রাগনের দেশ: তাইওয়ান।
• পিরামিডের দেশ: মিশর।

তথ্যসূত্র: Britannica.
২১.
নিম্নের কোন অঞ্চলে 'ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি' দেখা যায়?
  1. মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়
  2. খুলনা, সাতক্ষীরা
  3. খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি
  4. দিনাজপুর ও রংপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বনভূমি:
জলবায়ু ও মাটির গুণাগুণের তারতম্যের কারণে বাংলাদেশের বনভূমিকে তিন শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়-
১) ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি;
২) ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি;
৩) স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন।

⇒ ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে পাতাঝরা গাছের বনভূমি দেখা যায়।
- বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনভূমি বিস্তৃত।
- চাপালিশ, তেলসুর, ময়না, গর্জন, জারুল, গামার, কড়ই, সেগুন প্রভৃতি এই বনভূমির প্রধান বৃক্ষ।

অন্যদিকে,
ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- বাংলাদেশের পাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ যেমন ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর জেলার মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি, দিনাজপুর ও রংপুর জেলার বরেন্দ্র বনভূমিকে ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি বলা হয়।
- এই বনভূমির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে শীতকালে এই বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝরে যায় এবং গ্রীষ্মকালে আবার নতুন পাতা গজায়।

স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন:
- বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, উত্তরে খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট জেলা, পূর্বে হরিণঘাটা নদী, পিরোজপুর ও বরিশাল জেলা এবং পশ্চিমে রাইমঙ্গল, হাড়িয়াভাঙ্গা নদী ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের আংশিক প্রান্তসীমা পর্যন্ত এ বনভূমি বিস্তৃত।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২২.
'NIPORT' কোন বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান?
  1. জনসংখ্যা
  2. প্রাথমিক শিক্ষা
  3. নদী রক্ষা
  4. পরিবেশ রক্ষা
ব্যাখ্যা
NIPORT (নিপোর্ট):
- এর পূর্নরূপ: National Institute of Population Research and Training.
- NIPORT বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক একটি জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৭৭ সালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- রাজধানী ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত এ প্রতিষ্ঠানটি জনসংখ্যা, স্বাস্থ্য এবং পরিবার পরিকল্পনা খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা খাতের দক্ষ জনবল তৈরি এবং এ সংক্রান্ত নীতিমালা উন্নয়নে অবদান রাখে।

তথ্যসূত্র: NIPORT ওয়েবসাইট।