বাংলাদেশের প্রধান আমদানি পণ্য হলো পেট্রোলিয়াম ও খনিজ জ্বালানি। দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্প কারখানা ও পরিবহন ব্যবস্থার জন্য এটি অপরিহার্য।
বাংলাদেশের আমদানি পণ্যের তালিকা (সাম্প্রতিক প্রবণতা অনুযায়ী)
বাংলাদেশ তার অভ্যন্তরীণ ভোগ ও শিল্পের চাহিদা মেটাতে বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি করে থাকে। সময়ের সাথে সাথে আমদানির ধরণ বদলাতে পারে, তবে সেপ্টেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত সাধারণত যেসব পণ্য আমদানি করা হয়েছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—
পেট্রোলিয়াম ও পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য: অপরিশোধিত তেল ও পরিশোধিত তেল—বাংলাদেশের জ্বালানি চাহিদার বড় অংশ এ ধরনের আমদানির ওপর নির্ভরশীল।
যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম: শিল্পের জন্য বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রপাতি, যেমন—টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস শিল্পের মেশিনারি, নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম, ও অন্যান্য শিল্পযন্ত্র।
বিদ্যুৎ ও ইলেকট্রনিক্স পণ্য: গৃহস্থালী যন্ত্রপাতি, কনজিউমার ইলেকট্রনিক্স, ও ইলেকট্রনিক কম্পোনেন্ট।
রাসায়নিক পদার্থ: সার, শিল্পের রাসায়নিক দ্রব্য, ও ঔষধ তৈরির কাঁচামাল।
লোহা ও ইস্পাত: নির্মাণ ও উৎপাদন খাতে ব্যবহার করার জন্য কাঁচামাল হিসেবে।
খাদ্যপণ্য: ভোজ্যতেল, গম, চাল, ডাল ইত্যাদি।
প্লাস্টিক ও প্লাস্টিকজাত পণ্য: প্লাস্টিক শিল্পের কাঁচামাল ও তৈরি পণ্য।
যানবাহন: ব্যক্তিগত গাড়ি, মোটরসাইকেল ও বাণিজ্যিক যানবাহন।
খনিজ জ্বালানি ও তেলজাত পণ্য: পেট্রোলিয়ামের পাশাপাশি প্রাকৃতিক গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি।
টেক্সটাইল কাঁচামাল: দেশ টেক্সটাইল রপ্তানিকারক হলেও পর্যাপ্ত কাঁচামাল না থাকায় তুলা, সুতা ইত্যাদি আমদানি করে।
ধাতু ও ধাতুজাত পণ্য: অ্যালুমিনিয়াম, তামা প্রভৃতি শিল্পে ব্যবহৃত ধাতু।
কাঠ ও কাঠজাত পণ্য: নির্মাণকাজ ও আসবাবপত্র শিল্পে ব্যবহারের জন্য।
ঔষধ ও ফার্মাসিউটিক্যালস: দেশীয় ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্প বাড়লেও কিছু কাঁচামাল ও প্রস্তুত ওষুধ আমদানি করতে হয়।
বিলাসবহুল পণ্য: ডিজাইনার পোশাক, গহনা, বিলাসবহুল ইলেকট্রনিক্স ইত্যাদি।