পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১২
সিলেবাস
শব্দ ও প্রত্যয়। সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই, যেকোনো একাডেমিক ব্যক্তির বই এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন

.
যে সব শব্দাংশ পদের সাথে যুক্ত হয়ে পদকে নির্দিষ্ট করে সেগুলোকে কী বলে?
  1. ক) বিভক্তি
  2. খ) বচন
  3. গ) বলক
  4. ঘ) নির্দেশক
ব্যাখ্যা
পদে পরিণত হওয়ার সময়ে শব্দের সঙ্গে কিছু শব্দাংশ যুক্ত হয়, এগুলোর নাম লগ্নক।
লগ্নক চার ধরনের

বিভক্তি:
ক্রিয়ার কাল নির্দেশের জন্য এবং কারক বোঝাতে পদের সঙ্গে যে সব শব্দাংশ যুক্ত থাকতে সেগুলোকে বিভক্তি বলে।
বিভক্তি দুই প্রকার। ক্রিয়া বিভক্তি ও কারক বিভক্তি

নির্দেশক:
যে সব শব্দাংশ পদের সাথে যুক্ত হয়ে পদকে নির্দিষ্ট করে সেগুলোকে নির্দেশক বলে।
'লোকটি' বা 'ভালোটুকু' পদের 'টি' না 'টুকু' হলো নির্দেশকের উদাহরণ।

বচন:
যে শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পদের সংখ্যা বুঝায়, সেগুলোকে বচন বলে।
'ছেলেরা' বা 'বইগুলো' পদের 'রা' বা 'গুলো' হলো বচনের উদাহরণ।

বলক:
যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হলে বক্তব্য জোরালো হয়, সেগুলোকে বলক বলে।
'তখনই' বা 'এখনই' পদের 'ই' বা 'ও' হলো বলকের উদাহরণ

প্রত্যয় :
যেসব শব্দাংশ শব্দমূলের পরে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে প্রত্যয় বলে।
'সাংবাদিক' শব্দের 'ইক' অংশ একটি প্রত্যয়

[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, সংস্করণ-২০২১]
 
.
নিচের কোনটি নিপাতনে সিদ্ধ কৃদন্ত শব্দ?
  1. ক) উক্তি
  2. খ) শক্তি
  3. গ) ভক্তি
  4. ঘ) শান্তি
ব্যাখ্যা
ক্তি - প্রত্যয় ( ক ইৎ তি থাকে )
গম্ + ক্তি = √গম্ + তি = গতি

বিশেষ নিয়ম
ক্তি - প্রত্যয় যোগ করলে কোনো কোনো ধাতুর অন্ত ব্যঞ্জন লোপ পায়।
যথা:-
√মন্ + ক্তি = মতি
√রম্ + ক্তি = রতি

খ) কোনো কোনো ধাতুর উপধা অ- কারের বৃদ্ধি হয়, অর্থাৎ আ-কার হয়।
যেমন:-
√শ্রম্ + ক্তি = শ্রান্তি
√শম্ + ক্তি = শান্তি

গ)'চ' ও 'জ' স্থলে 'ক' হয়।
যেমন:-
√বচ্ + ক্তি = উক্তি
√মুচ্ + ক্তি = মুক্তি
√ভজ্ + ক্তি = ভক্তি

 
নিপাতনে সিদ্ধ:
√ গৈ + ক্তি = গীতি
√সিধ্ + ক্তি = সিদ্ধি
√ বুধ্ + ক্তি = বুদ্ধি
√ শক্ + ক্তি = শক্তি

[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম - দশম শ্রেণি, ২০১৯ সংস্করণ]  
 
.
'মালিকা' কোন অর্থে ব্যবহৃত স্ত্রীবাচক শব্দ?
  1. ক) সমার্থে
  2. খ) ক্ষুদ্রার্থে
  3. গ) বৃহদার্থে
  4. ঘ) বিপরীতার্থে
ব্যাখ্যা
ইকা - প্রত্যয়:
ক. যে সব শব্দের শেষে অক্ রয়েছে সেসব শব্দে 'অক্' স্থলে 'ইকা' হয়।
যেমন-
বালক - বালিকা
অধ্যাপক - অধ্যাপিকা

কিন্তু
নর্তক- নর্তকী
চাতক- চাতকী
রজক- রজকী

ক্ষুদ্রার্থে 'ইকা' যোগ হয়
যেমনঃ
- নাটক- নাটিকা
- মালিকা- মালিকা
- গীত - গীতিকা
- পুস্তক - পুস্তিকা
 (এগুলো স্ত্রী প্রত্যয় নয়, ক্ষুদ্রার্থক প্রত্যয়)

[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, সংস্করণ-২০১৯]
.
'নয়ন' এর সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় কী?
  1. ক) √নী + অনট
  2. খ) √নী + অণট
  3. গ) √নে + অণট
  4. ঘ) √নি + অনট
ব্যাখ্যা
অনট্ - প্রত্যয়: ( ট ইৎ (বিলুপ্ত) হয়, 'অন' থাকে)
√ নী + অনট্ =√ নী + অন > নে + অন ( গুণসূত্রে) = নয়ন,
√ শ্রু + অনট্ = √শ্রু + অন ( গুণ ও সন্ধির ফলে) = শ্রবণ
√ স্থা + অন = স্থান
√শী + অন = শয়ন

[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, সংস্করণ-২০১৯]
.
সংখ্যাবাচক শব্দ কত প্রকার?
  1. ক) দুই প্রকার
  2. খ) চার প্রকার
  3. গ) তিন প্রকার
  4. ঘ) পাঁচ প্রকার
ব্যাখ্যা
সংখ্যা শব্দ দুই রকম:
যথা-
- ক্রমবাচক শব্দ
- পূরণবাচক শব্দ

ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ:
একের পর এক যে সংখ্যাগুলো আসে, সেগুলো ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ বলে।
যেমন: এক, দুই, তিন, চার, পাঁচ ইত্যাদি। 

পূরণ বাচক সংখ্যাশব্দ:
পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ দিয়ে কোনো সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ও পরিমাণকে বোঝায়।
পূরণবাচক শব্দ তিন ধরণের হয়।
- সাধারণ পূরণবাচক: প্রথম , দ্বিতীয় , তৃতীয় , চতুর্থ ইত্যাদি। 
- তারিখ পূরণবাচক: পহেলা , দোসরা , তেসরা, চৌঠা ইত্যাদি। 
- ভগ্নাংশ পূরণবাচক: আধ, সাড়ে পোয়া, দেড় আড়াই তেহাই, চৌথ ইত্যাদি।

[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১-সংস্করণ]
.
অর্থগতভাবে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে কয়ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) দুই ভাগে
  2. খ) তিন ভাগে
  3. গ) চার ভাগে
  4. ঘ) পাঁচ ভাগে
ব্যাখ্যা
অর্থগতভাবে শব্দসমূহ তিন ভাগে বিভক্ত:
যথা-
- যৌগিক শব্দ
- রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ
- যোগরূঢ় শব্দ

উৎসগতভাবে শব্দসমূহ চার ভাগে বিভক্ত:
- তৎসম শব্দ
- তদ্ভব শব্দ
- দেশি শব্দ
- বিদেশি শব্দ


গঠনগতভাবে শব্দসমূহ দুই ভাগে বিভক্ত:
- মৌলক শব্দ
- যৌগিক শব্দ

[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ]
.
ধাতুর সঙ্গে 'অন্ত' প্রত্যয় হয় যোগ করলে কোন পদ গঠিত হয়?
  1. ক) বিশেষ্য
  2. খ) বিশেষণ
  3. গ) ক্রিয়া
  4. ঘ) অব্যয় 
ব্যাখ্যা
অন্ত- প্রত্যয় বিশেষণ গঠনে অন্ত প্রত্যয় হয়।
যেমন -
√উড় + অন্ত= উড়ন্ত
√ডুব্ + অন্ত = ডুবন্ত

[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি; ২০১৯সংস্করণ]
.
আ-কারান্ত ধাতুর সঙ্গে অন্ স্থলে কী হয়?
  1. ক) আন্
  2. খ) আনো
  3. গ) ওন
  4. ঘ) অনো
ব্যাখ্যা
আ- কারান্ত ধাতুর সঙ্গে অন্ স্থলে 'ওন' হয়।
যেমন -
√খা + অন= খাওন
√ছা + অন = ছাওন
√দে + অন = দেওন

[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি; ২০১৯সংস্করণ]
.
'গবেষণা' কোন শ্রেণির শব্দ?
  1. ক) মৌলিক শব্দ
  2. খ) যৌগিক শব্দ
  3. গ) রূঢ়ি শব্দ
  4. ঘ) যোগরূঢ় শব্দ
ব্যাখ্যা
যৌগিক শব্দ:
যে সকল শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ একই রকম, সেগুলোকে যৌগিক শব্দ বলে।
যেমন-
গায়ক = গৈ + ণক ( অক) অর্থ গান করে যে
কর্তব্য = কৃ + তব্য - অর্থ যা করা উচিত
বাবুয়ানা = বাবু + আনা অর্থ বাবুর ভাব
মধুর = মধু + র অর্থ মধুর মত মিষ্টি গুণ যুক্ত
দৌহিত্র = দুহিতা + ষ্ণ - অর্থ কন্যার পুত্র বা নাতি। 

রূঢ়ি শব্দ:.
যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গযোগে মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, তাকে রূঢ়ি শব্দ বলে।
যেমন -
- হস্তী = হস্ত + ইন অর্থ - হস্ত আছে যার কিন্তু হস্তী বলতে একটি পশুকে বোঝায়।
- গবেষণা ( গো + এষণা) অর্থ গরু খোঁজা। বর্তমান অর্থ ব্যাপক অধ্যয়ন ও পর্যালোচনা।  

যোগরূঢ় শব্দ:
সমাস নিষ্পন্ন যে সকল শব্দ সম্পূর্ণভাবে সমস্যমান পদ সমূহের অনুগামী না হয়ে কোনো বিশিষ্ট অর্থ গ্রহন করে, তাদের যোগরূঢ় শব্দ বলে।
যেমন- পঙ্কজ - পঙ্কে জন্মে যা।
শৈবাল, শালুক, পদ্মফুল প্রভৃতি নানাবিধ উদ্ভিদ পঙ্কে জন্মে থাকে।
কিন্তু পঙ্কজ শব্দটি একমাত্র পদ্মফুল অর্থে ব্যবহৃত হয়। তাই পঙ্কজ একটি যোগরূঢ় শব্দ।

[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, ২০১৯ -সংস্করণ]
 
১০.
'কেষ্টা' কী অর্থে ব্যবহৃত তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ?
  1. ক) সদৃশ অর্থে
  2. খ) বৃহদার্থে
  3. গ) অবজ্ঞার্থে
  4. ঘ) সমষ্টি অর্থে
ব্যাখ্যা
শব্দে সঙ্গে যে সব প্রত্যয় যোগে নতুন শব্দ গঠিত হয় তাদের তদ্ধিত প্রত্যয় বলা হয়।

আ- প্রত্যয়:

ক) অবজ্ঞার্থে: চোর + আ = চোরা, কেষ্ট + আ = কেষ্টা
খ) বৃহদার্থে: ডিঙ্গি + আ = ডিঙ্গা
গ) সদৃশ অর্থে: বাঘ + আ = বাঘা হাত + আ = হাতা।
ঘ) সমষ্টি অর্থে : বিশ + আ = বিশা বাইশ + আ = বাইশা
ঙ স্বার্থে : জট + আ = জটা চোখ + আ = চোখা চাক + আ = চাকা
চ) ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য গঠনে:  হাজির + আ = হাজিরা চাষ + আ = চাষা


[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি; ২০১৯সংস্করণ]
১১.
কৃৎপ্রত্যয়ে সাধিত শব্দকে বলে-
  1. ক) ক্রিয়াপদ
  2. খ) ক্রিয়া প্রকৃতি
  3. গ) প্রকৃতি
  4. ঘ) কৃদন্ত শব্দ
ব্যাখ্যা
শব্দের পরে যে সব প্রত্যয় যুক্ত হয়, সেগুলোকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
তদ্ধিত প্রত্যয় দিয়ে সাধিত শব্দকে বলে তদ্ধিতান্ত শব্দ।
'শিক্ষক' ও 'দৈনিক' হলো তদ্ধিতান্ত শব্দ।

অন্যদিকে,
ধাতুর পরে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়, সেগুলোকে কৃৎপ্রত্যয় বলে।
- কৃৎপ্রত্যয় দিয়ে সাধিত শব্দকে কৃদন্ত শব্দ বলে।
'- দোলনা' ও 'কর্তব্য' হলো কৃদন্ত শব্দ।

[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি; ২০২১সংস্করণ]
১২.
নিচের কোনটি তদ্ধিতান্ত শব্দ?
  1. ক) মাতাল
  2. খ) চালানো
  3. গ) বেতানো
  4. ঘ) পঠিত
ব্যাখ্যা
শব্দের পরে যে সব প্রত্যয় যুক্ত হয়, সেগুলোকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
তদ্ধিত প্রত্যয় দিয়ে সাধিত শব্দকে বলে তদ্ধিতান্ত শব্দ।
'শিক্ষক' ও 'দৈনিক' হলো তদ্ধিতান্ত শব্দ।
অন্যদিকে,
ধাতুর পরে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়, সেগুলোকে কৃৎপ্রত্যয় বলে।
কৃৎপ্রত্যয় দিয়ে সাধিত শব্দকে কৃদন্ত শব্দ বলে।
'দোলনা' ও 'কর্তব্য' হলো কৃদন্ত শব্দ।


বেত + আনো = বেতানো (তদ্ধিত)
চাল্ + আনো = চালানো  (কৃৎ)
মাত্ + আল = মাতাল (কৃৎ)
পঠ্ + ইত = পঠিত (কৃৎ)


[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি; ২০২১সংস্করণ]