ব্যাখ্যা
- গুজরাটি শব্দ।
অর্থ:
- প্রতিবাদ বা শক্তি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে বিরোধী রাজনৈতিক দলের আহূত ধর্মঘট।
- দাবি আদায়ের উদ্দেশ্যে শ্রমিক সংগঠনের আহূত ধর্মঘট।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
Unlisted · ৬ নভেম্বর, ২০২৩ · ১০০ প্রশ্ন
• আলাওল:
- আরাকান (রোসাঙ্গ) রাজসভার শ্রেষ্ঠ কবি আলাওল ১৭শতক/ মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ মুসলিম কবি ছিলেন।
- ‘পদ্মাবতী’ তার প্রথম ও শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য, মাগন ঠাকুরের উৎসাহে তিনি এই কাব্য রচনা করেন।
- কবি মালিক মুহম্মদ জায়সির হিন্দি কাব্য পদুমাবৎ অবলম্বনে তিনি এটি রচনা করেন।
- কবি আলাওল আরাকান-রাজা উমাদারের রাজদেহরক্ষী অশ্বারোহীর পেশায় নিয়োজ্জিত ছিলেন।
• তাঁর রচিত গ্রন্থসমুহ:
- সিকান্দার নামা।
- তোহ্ফা।
- সপ্তপয়কর।
- সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামান।
- রাগতালনামা।
- সতীময়ান ও লোরচন্দ্রাণী।
উল্লেখ্য, প্রশ্নটি হওয়া উচিত ছিল - কবি আলাওল কোন রাজসভার কবি ছিলেন?
রিয়াল জবের প্রশ্নে কবির নাম ভুল লেখা ছিল। তবে আলাওল নামে মধ্যযুগে একজন কবি রয়েছেন। সে হিসেবে সঠিক উত্তর হিসেবে অপশন ‘ক’ গ্রহণ করা হয়েছে।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
• উল্লেখিত বাক্যের শুদ্ধ রূপ: দৈন্য সর্বদা মহত্ত্বের পরিচায়ক নয়।
অন্যদিকে,
- দৈন্যতা সর্বদা মহত্বের পরিচায়ক নয়। - এ বাক্যে দৈন্য শব্দে তা-প্রত্যয়ের অশুদ্ধ প্রয়োগ ঘটেছে এবং মহত্ত্ব বানান অশুদ্ধ।
- দৈন্য সর্বদা মহত্বের পরিচায়ক নয়। - এ বাক্যে ‘মহত্বের’ বানানটি অশুদ্ধ। শুদ্ধ বানান হবে মহত্ত্বের।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
[খাঁটি বাংলা উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ ‘অবেলা’ ও ‘আকাঁড়া’। অপশনে দুইট সঠিক উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।]
⇒ খাঁটি বাংলা উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজেস্ব উপসর্গকে খাঁটি বাংলা উপসর্গ বলা হয়। খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১ টি।
- যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।
• নিন্দিত অর্থে ‘অ’ উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ - অকাজ, অকেজো, অবেলা, অপয়া।
• অভাব অর্থে ‘আ’ উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ - আধোয়া, আলুনি, আকাঁড়া।
অন্যদিকে,
• বিপরীত অর্থে ‘অপ’ উপসর্গয়োগে গঠিত শব্দ - অপমান, অপবাদ, অপকার।
• অতিশয় অর্থে ‘অতি’ উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ - অতিকায়, অতিশয়, অতিবৃষ্টি, অতিমাত্রা।
=================
"অবেলা" সম্পর্কিত কনফিউশন:
• বোর্ড বই (২০১৯ সংস্করণ) অনুসারে - সংস্কৃত উপসর্গ ‘অব’ যোগে গঠিত শব্দ অবেলা।
• বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ অনুসারে - অবেলা শব্দটি বাংলা অ-উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ।
• আবার আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে অবেলা সংস্কৃত শব্দ। (প্রকৃতি-প্রত্যয় - ন + বেলা)
-------------------
উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• ‘সাথি’ শব্দের অর্থ: সঙ্গী, সহচর।
- সঙ্গী শব্দের স্ত্রীবাচক শব্দ হচ্ছে সঙ্গিনী। তবে সাথি শব্দের কোনো স্ত্রীবাচক শব্দ নেই।
বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এ চার প্রকার লিঙ্গ হলাে
ক) পুংলিঙ্গ
খ) স্ত্রীলিঙ্গ
গ) ক্লীবলিঙ্গ ও
ঘ) উভয়লিঙ্গ
⇒ যেসব শব্দের সাহায্যে পুরুষ ও স্ত্রী লিঙ্গ উভয়ই বোঝায় তাদেরকে উভয়লিঙ্গ বলে।
উভয়লিঙ্গের উদাহরণ- শিল্পী, সন্তান, শিশু, কবি ইত্যাদি।
⇒ 'সাথী' শব্দটি দ্বারা পুরুষ ও স্ত্রী উভয় বোঝানো যায়। সুতরাং সাথি/'সাথী' শব্দটি উভয় লিঙ্গ।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।