পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

পরীক্ষাবার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes৭৬ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৭৭
সিলেবাস
Exam - 17 Full Model Test-3 Topic: • BAR Council Full Syllabus
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬ · তারিখ অনির্ধারিত · ৭৭ প্রশ্ন

.
রাজস্ব আদালতে দেওয়ানি কার্যবিধির কোন অংশ প্রযোজ্য হবে না তা কীভাবে নির্ধারণ করে হয়?
  1. সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে
  2. জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে 
  3. রাজস্ব বোর্ডের অনুমোদনের মাধ্যমে
  4. সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫(১) ধারা অনুযায়ী, রাজস্ব আদালতের কার্যপ্রণালীর ক্ষেত্রে যদি কোনো বিশেষ আইনে কোনো বিষয় উল্লেখ না থাকে, তবে দেওয়ানি কার্যবিধির বিধানগুলো রাজস্ব আদালতে প্রযোজ্য হবে। তবে সরকার যদি মনে করে যে, এই বিধানগুলোর কিছু অংশ রাজস্ব আদালতে প্রযোজ্য হওয়া উচিত নয় বা কিছু সংশোধনীর মাধ্যমে প্রযোজ্য হওয়া উচিত, তাহলে সরকার সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে তা নির্ধারণ করতে পারে।

→ অর্থাৎ রাজস্ব আদালতে দেওয়ানি কার্যবিধির কোন অংশ প্রযোজ্য হবে না তা সরকার সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে নির্ধারণ করে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ ধারার বিধান: রাজস্ব আদালতে এই আইনের প্রয়োগ:
১) রাজস্ব আদালতে প্রযোজ্য বিশেষ আইন কার্যক্রম সংক্রান্ত বিষয়ে নীরব থাকার ফলে এই আইনের বিধানসমূহ রাজস্ব আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলে সরকার, সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তির দ্বারা ঘোষণা করতে পারে যে, উক্ত বিধানসমূহের যে-সকল অংশ এই আইন দ্বারা সুস্পষ্টরূপে প্রযোজ্য করা হয়নি, তা উক্ত আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, অথবা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সংশোধনীসহ প্রযোজ্য হবে।
২) (১) উপধারায় “রাজস্ব আদালত” বলতে ঐ আদালত বুঝায়, কৃষির উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত ভূমির খাজনা রাজস্ব বা লাভ সম্পর্কিত মোকদ্দমা অথবা অন্যান্য কার্যধারা গ্রহণ করতে কোন আইনের অধীনে এখতিয়ারভুক্ত আদালতকে বুঝায়। তবে এটা দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা কার্যধারার মত অনুরূপ মোকদ্দমা বা কার্যধারাসমূহ বিচার করতে এই আইনের অধীনে মূল এতিয়ারযুক্ত দেওয়ানি আদালতকে অন্তর্ভুক্ত করে না।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section-5. Application of the Code of Revenue Courts:
(1) Where any Revenue Courts are governed by the provisions of this Code in those matters of procedure upon which any special enactment applicable to them is silent, the Government may, by notification in the official Gazette, declare that any portions of those provisions which are not expressly made applicable by this Code shall not apply to those Courts, or shall only apply to them with such notifications as the Government may prescribe.

(2) "Revenue Court" in sub-section (1) means a Court having jurisdiction under any law to entertain suits or other proceedings relating to the rent, revenue or profits of land used for agricultural purposes, but does not include a Civil Court having original jurisdiction under this Code to try such suits or proceedings as being suits or proceedings of a civil nature.
.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৪, বিধি-১ অনুযায়ী বিবাদি কখন আদালতে টাকা জমা দিতে পারে?
  1. শুধুমাত্র আপিল পর্যায়ে
  2. চূড়ান্ত শুনানির সময়
  3. মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
  4. মোকদ্দমা দায়েরের আগে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৪, বিধি-১ অনুযায়ী, বিবাদি ঋণ বা ক্ষতিপূরণ আদায়ের মোকদ্দমায় তার বিবেচনায় দাবীর সম্পূর্ণ পরিমাণ অর্থ আদালতে জমা দিতে পারে।
- এই জমা প্রদানের সুযোগ মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে পাওয়া যায়, অর্থাৎ মোকদ্দমা দায়েরের পর থেকে শুরু করে চূড়ান্ত নিষ্পত্তির আগ পর্যন্ত যে কোন সময় বিবাদি এই জমা প্রদান করতে পারে।

→ সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো গ) মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে।

⇒ Order-24 Rule-1. Deposit by defendant of amount in satisfaction of claim:
- The defendant in any suit to recover a debt or damages may, at any stage of the suit, deposit in Court such sum of money as he considers a satisfaction in full of the claim.
.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোথায় প্লিডিংস সত্যাখ্যান বা সত্যতা প্রতিপাদন সম্পর্কিত বিধান আছে?
  1. আদেশ-৬ বিধি-১০
  2. আদেশ-৬ বিধি-১৩
  3. আদেশ-৬ বিধি-১৫
  4. আদেশ-৬ বিধি-১৭
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৬ বিধি-১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৬ বিধি-১৫
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬, বিধি-১৫ অনুযায়ী, প্লিডিংস (আরজি বা লিখিত জবাব) সত্যাখ্যান বা সত্যতা প্রতিপাদন সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। এখানে পক্ষদের আরজি বা লিখিত জবাবের সত্যতা প্রতিপাদনের পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৫ আরজি জবাব সত্যতা প্রতিপাদন:
(১) বর্তমানে বলবৎ যেকোন আইনে অন্যরূপ যে বিধান আছে, তা ব্যতিত প্রত্যেক আরজি জবাবের নিম্নে পক্ষ বা আরজি জবাব দানকারী পক্ষদের মধ্যে একজন অথবা অপর কোন ব্যক্তি, যিনি মামলার ঘটনাবলীর সাথে পরিচিত বলে আদালতের সন্তুষ্টিতে প্রমাণিত, তৎকর্তৃক আরজি জবাবের সত্যতা প্রতিপাদন করতে হবে।
(২) সত্যতা প্রতিপাদনকারী ব্যক্তি আরজি জবাবের দফার সংখ্যা উল্লেখ পূর্বক নির্দিষ্ট করে বলবেন যে কোনগুলি সত্যতা তিনি স্বজ্ঞানে প্রতিপাদন করছেন এবং কোনগুলির সত্যতা তিনি অপরের নিকট হতে প্রাপ্ত ও তার বিশ্বাস মতে সত্য তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিপাদন করেছেন।
(৩) যিনি সত্যতা প্রতিপাদন করবেন, তিনি উহাতে স্বাক্ষর দিবেন এবং যে তারিখে ও স্থানে উহা স্বাক্ষরিত হলো তা উল্লেখ করবেন।
--------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-6, Rule-15. (1) Save as otherwise provided by any law for the time being in force, every pleading shall be verified at the foot by the party or by one of the parties pleading or by some other person proved to the satisfaction of the Court to be acquainted with the facts of the case.
(2) The person verifying shall specify, by reference to the numbered paragraphs of the pleading, what he verifies of his own knowledge and what he verifies upon information received and believed to be true.
(3) The verification shall be signed by the person making it and shall state the date on which and the place at which it was signed.
.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি-১২ অনুযায়ী, কৃষকের দখলে থাকা কৃষিজ দ্রব্য সম্পর্কে কী বলা হয়েছে?
  1. রায়ের পূর্বে ক্রোকযোগ্য
  2. রায়ের পূর্বে ক্রোকযোগ্য নয়
  3. শুধুমাত্র আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে ক্রোকযোগ্য
  4. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
রায়ের পূর্বে ক্রোকযোগ্য নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায়ের পূর্বে ক্রোকযোগ্য নয়
ব্যাখ্যা
উত্তর: খ) রায়ের পূর্বে ক্রোকযোগ্য নয়।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি-১২ অনুযায়ী, কৃষকের দখলে থাকা কৃষিজ দ্রব্য রায়ের পূর্বে ক্রোক করা যাবে না। এই বিধান অনুযায়ী, কৃষিজ দ্রব্যের প্রতি কোনো ক্রোক বা জব্দের আবেদন করা বা আদালতের আদেশে কৃষিজ দ্রব্য ক্রোক করা যাবে না যতক্ষণ না রায় ঘোষণা করা হয়।

⇒ আদেশ ৩৮ বিধি-১২: কৃষিজ দ্রব্য রায়ের পূর্বে ক্রোকযোগ্য নয়:
এই আদেশের কোন বিধানই বাদিকে কৃষকের দখলে থাকা কোন কৃষিজ দ্রব্য ক্রোকের জন্য আবেদন করার ক্ষমতা প্রদান করবে বলে বা আদালতকে ক্রোক বা অনুরূপ কৃষিজ দ্রব্য ক্রোকের জন্য হাজির করার আদেশ দানের ক্ষমতা প্রদান করবে বলে গণ্য করা যাবে না।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-38 Rule-12- Agricultural produce not attachable before judgment:
Nothing in this Order shall be deemed to authorise the plaintiff to apply for the attachment of any agricultural produce in the possession of an agriculturist, or to empower the Court to order the attachment or production of such produce.
.
দেওয়ানি কার্যবিধির অধীনে ডিক্রি কার্যকর করার জন্য বিবাদীকে গ্রেপ্তার করার পর তাকে কোথায় আটক রাখা হবে?
  1. পুলিশ কাস্টডিতে
  2. আদালতের কক্ষে
  3. সরকারি আবাসনে
  4. দেওয়ানি কারাগারে
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কারাগারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কারাগারে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ৫৫ ধারা অনুযায়ী, ডিক্রি কার্যকর করার জন্য বিবাদীকে গ্রেপ্তার করার পর তাকে দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা হবে। এই বিধানের উদ্দেশ্য হলো ডিক্রি কার্যকর করার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা এবং বিবাদীর উপস্থিতি নিশ্চিত করা।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ৫৫(১) ধারা অনুযায়ী, দেনাদারকে গ্রেপ্তার করা হলে যত দ্রুত সম্ভব তাকে আদালতে হাজির করতে হবে। এরপর আদালত যদি তার আটকের আদেশ দেয়, তবে তাকে সংশ্লিষ্ট জেলার দেওয়ানি কারাগারে (Civil Prison) রাখা হবে।
তবে, যদি সংশ্লিষ্ট দেওয়ানি কারাগারে উপযুক্ত ব্যবস্থা না থাকে, তাহলে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোনো স্থানে তাকে আটক রাখা যেতে পারে।

⇒ অর্থাৎ দেনাদারকে গ্রেপ্তার করা হলে দেওয়ানি কারাগারেই আটক রাখা হবে, যা দেওয়ানি কার্যবিধির ৫৫(১) ধারার বিধানে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে।
.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১১ বিধি ২১ অনুযায়ী, যদি বাদী আদালতের প্রশ্নমালার উত্তর বা দলিলসমূহ উদ্‌ঘাটন/পরিদর্শন আদেশ পালন না করে, আদালত কী করবে?
  1. বাদীকে জরিমানা করবে 
  2. বাদীর মোকদ্দমা খারিজ করবে
  3. বাদীকে নতুন নোটিশ দেবে
  4. বাদীকে আরেকটি সুযোগ দেবে
সঠিক উত্তর:
বাদীর মোকদ্দমা খারিজ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীর মোকদ্দমা খারিজ করবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১১ বিধি ২১ অনুযায়ী, যদি বাদী আদালতের প্রশ্নমালার উত্তর বা দলিলসমূহ উদ্‌ঘাটন/পরিদর্শন আদেশ পালন না করে, তবে আদালত বাদীর মোকদ্দমা খারিজ করার আদেশ দিতে পারে। এর মানে হল যে, বাদী যদি আদালতের নির্ধারিত আদেশ মেনে না চলে, তাহলে আদালত বাদীর মামলা খারিজ করে দিতে পারে, অর্থাৎ বাদীর মামলা আর চলবে না।

- এটি আদালতের প্রক্রিয়া যাতে যথাযথ অনুসরণ করা হয় এবং কোন পক্ষ যদি আদালতের আদেশ অমান্য করে, তখন তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়, যা বিচারিক প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং সঠিকতা নিশ্চিত করে।

দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১১ বিধি ২১ অনুযায়ী:
যখন প্রশ্নকারী পক্ষ অথবা দলিলসমূহ উদ্‌ঘাটন বা পরিদর্শন প্রার্থনাকারী আদালতে আবেদন করেন, তখন আদালত অপরপক্ষকে নিম্নোক্ত আদেশ দিতে পারেন:
- প্রশ্নমালার উত্তরদান (Answer to interrogatories) এর আদেশ।
- দলিলসমূহ প্রকাশ/উদ্‌ঘাটন (Discovery of documents) এর আদেশ।
- দলিলসমূহ পরিদর্শন (Inspection of documents) এর আদেশ।

যদি সংশ্লিষ্ট পক্ষ উপরিউক্ত আদেশ পালন করতে ব্যর্থ হন বা অমান্য করেন, তবে এর ফলাফল হতে পারে:
বাদী ব্যর্থ হলে: বাদীর মোকদ্দমা খারিজ আদেশ দেওয়া হবে।
বিবাদী ব্যর্থ হলে: বিবাদীর আত্মপক্ষ সমর্থন বাতিল (Strike out defence) আদেশ দেওয়া হবে।

প্রতিকার: দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৪৩ বিধি অনুযায়ী, যেসব আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে, সেগুলি নির্দেশিত আছে। আদেশ ১১ বিধি ২১ অনুযায়ী আদালত যে কোন আদেশ দিলে তা আপিলযোগ্য আদেশ হিসেবে গণ্য হবে। এই আদেশের বিরুদ্ধে Order 43 Rule 1(f) এর অধীনে সংক্ষুব্ধ পক্ষ আপিল করতে পারবে।
.
তামাদি আইনের ১০ ধারায় "Stay of Suit" সংক্রান্ত বিধান অনুযায়ী, যদি মামলার বিষয় একই থাকে এবং একই পক্ষের মধ্যে অন্য আদালতে বিচারাধীন থাকে, তবে তা কীভাবে প্রভাবিত হবে?
  1. আদালত মামলা প্রত্যাহার করবে
  2. আদালত মামলার বিচার করতে পারবে
  3. আদালত মামলার বিচার স্থগিত করবে
  4. আদালত মামলা না করার জন্য পক্ষগুলিকে নির্দেশ দেবে
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি হওয়ার কথা ছিল - দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারায় "Stay of Suit" সংক্রান্ত বিধান অনুযায়ী, যদি মামলার বিষয় একই থাকে এবং একই পক্ষের মধ্যে অন্য আদালতে বিচারাধীন থাকে, তবে তা কীভাবে প্রভাবিত হবে?
প্রশ্নে ভুল থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।
----------------------

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারা (Stay of Suit) অনুযায়ী, যদি কোনো মামলার বিষয় একই থাকে এবং একই পক্ষের মধ্যে অন্য আদালতে বিচারাধীন থাকে, তাহলে আদালত নতুন মামলার বিচার স্থগিত রাখবে। এই বিধানের উদ্দেশ্য হলো একই বিষয়ে একাধিক মামলা চলাকালীন সময়ে আদালতের সম্পদ ও সময়ের অপচয় রোধ করা এবং পক্ষগুলির মধ্যে বিরোধের সমাধানকে সহজতর করা।
এই ধারা অনুযায়ী, আদালত নতুন মামলার বিচার শুরু করার পরিবর্তে তা স্থগিত রাখবে যতক্ষণ না পূর্বে দায়েরকৃত মামলাটির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়। এটি নিশ্চিত করে যে একই বিষয়ে একাধিক মামলা চলাকালীন সময়ে বিরোধের সমাধান দ্রুত ও কার্যকরভাবে করা যায়।
.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৪৯ ধারা অনুযায়ী ডিক্রির অধিকারী যদি তার ডিক্রি অন্যের কাছে হস্তান্তর করে, তবে নতুন অধিকারী কীভাবে ডিক্রি গ্রহণ করবে?
  1. সম্পূর্ণ নতুন শর্তে
  2. কেবলমাত্র বিবাদীর সম্মতির ভিত্তিতে
  3. কেবল আদালতের অনুমোদন পেলে
  4. পূর্ববর্তী ডিক্রি-ধারীর সমস্ত শর্ত মেনে
সঠিক উত্তর:
পূর্ববর্তী ডিক্রি-ধারীর সমস্ত শর্ত মেনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ববর্তী ডিক্রি-ধারীর সমস্ত শর্ত মেনে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৪৯ ধারা অনুসারে, যদি কোনো ডিক্রি হস্তান্তর করা হয়, তবে নতুন ডিক্রি-ধারী (transferee) পুরাতন ডিক্রি-ধারীর সমস্ত শর্ত ও বাধ্যবাধকতা মেনে ডিক্রিটি গ্রহণ করবে। অর্থাৎ, নতুন অধিকারী কোনো অতিরিক্ত সুবিধা বা পরিবর্তিত শর্তের দাবি করতে পারবে না।
এছাড়া, বিবাদী (judgment-debtor) পূর্ববর্তী ডিক্রি-ধারীর বিরুদ্ধে যে প্রতিরক্ষা (defense) গ্রহণ করতে পারত, সেটিই নতুন ডিক্রি-ধারীর বিরুদ্ধেও প্রয়োগ করতে পারবে। অর্থাৎ, নতুন ডিক্রি-ধারী আগের শর্তের বাইরের কোনো সুবিধা দাবি করতে পারবেন না।

ডিক্রি হস্তান্তরের ফলে নতুন অধিকারী পূর্ববর্তী অধিকারীর মতোই ডিক্রিটি কার্যকর করতে পারবে, তবে নতুন শর্ত আরোপ করতে পারবে না। তাই সঠিক উত্তর হলো "ঘ) পূর্ববর্তী ডিক্রি-ধারীর সমস্ত শর্ত মেনে"।
------
→ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-49. Transferee: 
 Every transferee of a decree shall hold the same subject to the equities (if any) which the judgment-debtor might have enforced against the original decree-holder.
.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৫ক অনুযায়ী, অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদানের পর শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে হবে কত দিনের মধ্যে?
  1. ৫ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৯, বিধি ৫ক অনুযায়ী, যদি এক বেসরকারি পক্ষের অনুরোধে অপর বেসরকারি পক্ষের বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদান করা হয়, তবে আদালতকে সেই প্রতিপক্ষের হাজির হওয়ার তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে হবে।
- এটি করার উদ্দেশ্য হলো অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার অপব্যবহার রোধ করা এবং প্রতিপক্ষকে ন্যায়সঙ্গতভাবে তার বক্তব্য উপস্থাপনের সুযোগ দেওয়া।

- অর্থাৎ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ হলে প্রতিপক্ষের উপস্থিতির পর ৭ দিনের মধ্যে শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে হবে।
১০.
সরকার বা সরকারি কর্মকর্তা বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার জন্য কতদিন আগে নোটিশ পাঠানো বাধ্যতামূলক?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
২ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ৮০ ধারা অনুযায়ী, সরকার বা সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার আগে ২ মাসের নোটিশ পাঠানো বাধ্যতামূলক। এই নোটিশে মামলার কারণ, বাদীর নাম, বাসস্থানের বিবরণ এবং দাবিকৃত প্রতিকার উল্লেখ করতে হবে। এই নোটিশ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছানোর পর দুই মাস অপেক্ষা করতে হবে, তারপর মামলা দায়ের করা যাবে।
- এই বিধানের উদ্দেশ্য হলো সরকার বা সরকারি কর্মকর্তাকে মামলার বিষয়ে সচেতন করা এবং সম্ভাব্য বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ দেওয়া। যদি মামলা নোটিশ ছাড়াই দায়ের করা হয়, তাহলে আদালত সরকারকে লিখিত জবাব দাখিলের জন্য ৩ মাস সময় দেবে, তবে বাদী মামলার খরচ পাবে না যদি দুই মাসের মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তি হয় বা সরকার বাদীর দাবি মেনে নেয়।

- সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) ২ মাস।
১১.
সহকারী জজের বিচারিক এখতিয়ার কত টাকার পর্যন্ত মামলা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ?
  1. ১০ লাখ টাকা
  2. ১৫ লাখ টাকা
  3. ২৫ লাখ টাকা
  4. ৫০ লাখ টাকা
সঠিক উত্তর:
১৫ লাখ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ লাখ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সিভিল কোর্টস (সংশোধন) আইন, ২০২১ অনুযায়ী, সহকারী জজ (Assistant Judge) সর্বোচ্চ ১৫ লাখ টাকা মূল্যের মামলা পরিচালনা করতে পারেন।
- অন্যদিকে, সিনিয়র সহকারী জজ (Senior Assistant Judge) ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত মামলার বিচার করতে পারেন।
- এই সীমাবদ্ধতা বর্তমান কার্যকর আইনের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়েছে, যা পূর্ববর্তী সীমার তুলনায় বৃদ্ধি করা হয়েছে।
১২.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১০ বিধি-২ অনুযায়ী, আদালত মৌখিক জবানবন্দি গ্রহণের সময় কী বিবেচনা করে?
  1. সাক্ষীর সুপারিশ
  2. উকিলের সুপারিশ
  3. পক্ষগণের সুপারিশ
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের সুপারিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের সুপারিশ
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১০, বিধি ২ অনুযায়ী, আদালত যখন কোনো পক্ষ বা তার সঙ্গী ব্যক্তির মৌখিক জবানবন্দি গ্রহণ করবে, তখন আদালত চাইলে পক্ষগণের সুপারিশ অনুযায়ী প্রশ্ন জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে।
এটি মানে, পক্ষগণ চাইলে আদালতের কাছে নির্দিষ্ট প্রশ্ন করার প্রস্তাব দিতে পারে, তবে আদালত সেটি গ্রহণ করবে কিনা তা তার নিজস্ব বিবেচনার ওপর নির্ভর করবে। তবে সাক্ষী বা কেবলমাত্র উকিলের সুপারিশের ভিত্তিতে আদালত বাধ্য নয় কোনো প্রশ্ন করতে। 

-অর্থাৎ আদালত মৌখিক জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে প্রথম শুনানিতে বা পরবর্তী যে কোনো শুনানিতে। পক্ষগণ আদালতকে নির্দিষ্ট প্রশ্ন করার সুপারিশ করতে পারে।
আদালত চাইলে সেই সুপারিশকৃত প্রশ্ন করতে পারে, তবে এটি আদালতের বিবেচনার ওপর নির্ভর করে।

Order 10 Rule 2 (Oral examination or party of companion of party)-
At the first hearing of the suit, or at any subsequent hearing, any party appearing in person or present in Court, or any person able to answer any material questions relating to the suit by whom such party or his pleader is accompanied, may examined orally by the Court; and the Court may, if it thinks fit, put in the course of such examination questions suggested by either party.
১৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে কোন ধরনের প্রতিকার নির্ধারণ করা হয়?
  1. আর্থিক প্রতিকার
  2. প্রশাসনিক প্রতিকার
  3. দেওয়ানি মামলায় প্রতিকার
  4. ফৌজদারি মামলায় প্রতিকার
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি মামলায় প্রতিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি মামলায় প্রতিকার
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) দেওয়ানি মামলায় প্রতিকার।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ মূলত দেওয়ানি মামলায় প্রতিকার (Civil Remedies) সংক্রান্ত বিধান নির্ধারণ করে। এই আইনের মাধ্যমে আদালত বিভিন্ন ধরনের অ-আর্থিক প্রতিকার (Non-Monetary Relief) প্রদান করতে পারে, যেমন—
- নির্দিষ্ট কর্ম সম্পাদনের আদেশ (Specific Performance): কোনো পক্ষ যদি চুক্তি অনুযায়ী তার দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ হয়, তবে আদালত তাকে বাধ্য করতে পারে।
- নিষেধাজ্ঞা (Injunction): কারো বিরুদ্ধে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করা থেকে বিরত থাকার আদেশ।
- ঘোষণামূলক প্রতিকার (Declaratory Relief): আদালত কোনো অধিকার বা আইনি অবস্থান ঘোষণা করতে পারে।
- পুনরুদ্ধার (Rescission) ও সংশোধন (Rectification): চুক্তির শর্ত সংশোধন বা বাতিলকরণের ব্যবস্থা।

→ এই প্রতিকারগুলো সাধারণত আর্থিক ক্ষতিপূরণ নয়, বরং কোনো অধিকার প্রতিষ্ঠা বা কোনো অন্যায় কাজ প্রতিরোধ করার জন্য ব্যবহার করা হয়। তাই, এটি ফৌজদারি প্রতিকার বা শাস্তিমূলক আইন নয়, বরং দেওয়ানি আইনের অংশ।
১৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২১ক অনুযায়ী, যদি একটি স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি অরেজিস্ট্রিকৃত হয়, তাহলে তা—
  1. ক্ষতিপূরণ প্রদান করা যাবে
  2. সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যাবে
  3. সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যাবে না
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যাবে না
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২১ক অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করার জন্য দুটি প্রধান শর্ত পূরণ করতে হয়:
১. চুক্তিটি লিখিত হতে হবে।
২. চুক্তিটি রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ এর অধীনে নিবন্ধিত (রেজিস্ট্রিকৃত) হতে হবে।
যদি চুক্তিটি অরেজিস্ট্রিকৃত হয়, তাহলে তা সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যাবে না। অর্থাৎ, ধারা ২১ক অনুযায়ী, অরেজিস্ট্রিকৃত স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য নয়।
- এই ধারা ২০০৪ সালের সংশোধনীর মাধ্যমে যোগ করা হয়েছে এবং এটি ১লা জুলাই ২০০৫ থেকে কার্যকর হয়েছে।
তবে, চুক্তিটি অরেজিস্ট্রিকৃত হলে ক্ষতিপূরণের জন্য মামলা করা যেতে পারে, কিন্তু সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যাবে না।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: গ) সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যাবে না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারার বিধান অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্য: এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রিয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের চুক্তি আইনের অধীন রেজিস্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা তার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।
---------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Section 21A Unregistered contract for sale not specifically enforceable: Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, no contract for sale of any immovable property can be specifically enforced unless– 
(a) the contract is in writing and registered under the Registration Act, 1908, whether or not the transferee has taken possession of the property or any part thereof; and 
(b) the balance amount of consideration of the contract is deposited in the court at the time of filing the suit for specific performance of the contract.
১৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারার অধীনে, যদি বিক্রেতার স্বত্ব বৈধ করার জন্য অন্য ব্যক্তিদের সম্মতির প্রয়োজন হয়, তবে ক্রেতার কী অধিকার থাকে?
  1. চুক্তির শর্ত পরিবর্তন করতে পারেন।
  2. আদালতে চুক্তির অবৈধতা প্রমাণ করতে পারেন।
  3. বিক্রেতার বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা করতে পারেন।
  4. বিক্রেতাকে সেই সম্মতি সংগ্রহ করতে বাধ্য করতে পারেন।
সঠিক উত্তর:
বিক্রেতাকে সেই সম্মতি সংগ্রহ করতে বাধ্য করতে পারেন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্রেতাকে সেই সম্মতি সংগ্রহ করতে বাধ্য করতে পারেন।
ব্যাখ্যা
⇒ সঠিক উত্তর: ঘ) বিক্রেতাকে সেই সম্মতি সংগ্রহ করতে বাধ্য করতে পারেন।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারার অধীনে, যদি বিক্রেতার সম্পত্তির স্বত্ব বৈধ করতে অন্য ব্যক্তিদের সম্মতির প্রয়োজন হয় এবং তারা বিক্রেতার অনুরোধে তা দিতে বাধ্য থাকে, তাহলে ক্রেতা বিক্রেতাকে সেই সম্মতি সংগ্রহ করতে বাধ্য করতে পারেন। এটি ক্রেতার অধিকার, যাতে তিনি বৈধ স্বত্ব সম্পন্ন সম্পত্তি গ্রহণ করতে পারেন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারার বিধান ত্রুটিপূর্ণ স্বত্বসম্পন্ন বিক্রেতার বিরুদ্ধে ক্রেতার অধিকার:
যেখানে এক ব্যক্তি এমন নির্দিষ্ট সম্পত্তি বিক্রয় বা ভাড়া প্রদানের চুক্তিতে আবদ্ধ হয়, যার উপর তার শুধুমাত্র ত্রুটিপূর্ণ স্বত্ব রয়েছে, সেখানে ক্রেতা বা ইজারাদারের (যদি না এই অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধান প্রদান করা হয়) নিম্নলিখিত অধিকার রয়েছে:ঃ
(ক) যদি বিক্রেতা বা ইজারাদাতা বিক্রয় বা ইজারা প্রদানের পর পরই সম্পত্তিতে কোন নতুন স্বত্ব অর্জন করেন, তবে ক্রেতা বা ইজারাদার তাকে তেমন স্বত্বের জন্য চুক্তি পালন করতে বাধ্য করতে পারেন;
(খ) যেখানে স্বত্ব বৈধ করার জন্য অন্যান্য ব্যক্তিদের সম্মতি প্রয়োজন হয় এবং তারা বিক্রেতা বা ইজারাদাতার অনুরোধে তা করতে বাধ্য থাকে, সেখানে ক্রেতা বা ইজারাদার তাকে তেমন সম্মতি সংগ্রহ করতে বাধ্য করতে পারেন;
(গ) যেখানে বিক্রেতা দায়হীন সম্পত্তি বিক্রয়ের কথা প্রকাশ্যে ব্যক্ত করেন, কিন্তু বাস্তবে সম্পত্তিটি এমন পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে বন্ধক রাখা হয়েছে যা ক্রয়মূল্যকে অতিক্রম করে না এবং বিক্রেতার কাছে শুধুমাত্র তা মুক্ত রাখার অধিকার রয়েছে, সেখানে ক্রেতা তাকে তা বন্ধকমুক্ত করতে এবং বন্ধকগ্রহীতার নিকট হতে হস্তান্তর অর্জন করতে বাধ্য করতে পারেন;
(ঘ) যেখানে বিক্রেতা বা ইজারাদাতা চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেন এবং মামলা তার ত্রুটিপূর্ণ স্বত্বের অজুহাতে খারিজ হয়ে যায়, সেখানে প্রতিবাদীর অধিকার রয়েছে, সুদসহ জমাকৃত অর্থ (যদি জমা করে থাকে) এবং মামলার খরচ ফেরত পাওয়ার এবং তেমন জমাকৃত অর্থ, সুদ ও খরচের জন্য বিক্রেতা বা ইজারাদার যে জমি বিক্রয় বা ইজারা দিতে সম্মত হয়েছিলেন, তাতে বিক্রেতা বা ইজারাদাতার স্বত্বের উপর পূর্বস্বত্ব অধিকার থাকবে।
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Sections-18. Purchaser's rights against vendor with imperfect title:
Where a person contracts to sell or let certain property, having only an imperfect title thereto, the purchaser or lessee (except as otherwise provide by this Chapter) has the following rights:- 
(a) if the vendor or lessor has subsequently to the sale or lease acquired any interest in the property, the purchaser or lessee may compel him to make good the contract out of such interest; 
(b) where the concurrence of other persons is necessary to validate the title, and they are bound to convey at the vendor's or lessor's request, the purchaser or lessee may compel him to procure such concurrence; 
(c) where the vendor professes to sell unincumbered property, but the property is mortgaged for an amount not exceeding the purchase-money, and the vendor has in fact only a right to redeem it, the purchaser may compel him to redeem the mortgage and to obtain a conveyance from the mortgagee ; 
(d) where the vendor or lessor sues for specific performance of the contract, and the suit is dismissed on the ground of his imperfect title, the defendant has a right to a return of his deposit (if any) with interest thereon, to his costs of the suit, and to a lien for such deposit, interest and costs on the interest of the vendor or lessor in the property agreed to be sold or let.
১৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৭ ধারায় কী বলা হয়েছে?
  1. দণ্ডমূলক আইনের প্রয়োগে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দেওয়া বাধ্যতামূলক
  2. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার শুধুমাত্র দণ্ডমূলক আইনের প্রয়োগে দেয়া যাবে
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার কেবল আদালত কর্তৃক প্রণীত আইনের জন্য প্রযোজ্য
  4. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার কোনো দণ্ডমূলক আইনের কার্যকর করার জন্য প্রদান করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার কোনো দণ্ডমূলক আইনের কার্যকর করার জন্য প্রদান করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার কোনো দণ্ডমূলক আইনের কার্যকর করার জন্য প্রদান করা যাবে না
ব্যাখ্যা
⇒ সঠিক উত্তর: ঘ) সুনির্দিষ্ট প্রতিকার কোনো দণ্ডমূলক আইনের কার্যকর করার জন্য প্রদান করা যাবে না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৭ ধারা অনুযায়ী, কোনো দণ্ডমূলক আইন (Penal Law) কার্যকর করার উদ্দেশ্যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যাবে না। অর্থাৎ, যখন কোনো আইনে শাস্তি বা দণ্ড প্রদান করার কথা বলা হয়, তখন সেই শাস্তি বা দণ্ড বাস্তবায়ন করতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে আবেদন করা যাবে না। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের উদ্দেশ্য হলো সুনির্দিষ্ট কাজের আদায় বা নিষেধাজ্ঞা প্রদান, কিন্তু দণ্ডমূলক আইনে শাস্তি কার্যকর করার জন্য এটি প্রযোজ্য নয়।
এই ধারা অনুসারে, দণ্ডমূলক আইন বাস্তবায়ন বা শাস্তি আরোপের জন্য অপরাধের প্রেক্ষিতে ফৌজদারি আইন অনুসরণ করতে হবে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে নয়।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-৭ ধারা মতে: দণ্ডমূলক আইনের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের প্রয়োগ (Relief not granted to enforce penal law)-
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৭ ধারামতে দণ্ডমূলক আইন (Penal Laws) বলবৎ বা কার্যকর করার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয়।

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-এর ৭ ধারায় বলা হয়েছে কোনো দণ্ড বা Penal কার্যকর করার জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যাবে না।
---------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 Section-7. Relief not granted to enforce penal law:
Specific relief cannot be granted for the mere purpose of enforcing a penal law.
১৭.
‘ক’ একজন মেডিকেল অ্যাডভাইজার, সে ‘খ’-এর ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের হুমকি দিয়েছে। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে ‘খ’ কী আইনি প্রতিকার চাইতে পারে?
  1. শুধুমাত্র নৈতিক আপত্তি জানাতে পারে
  2. আর্থিক ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে
  3. আদালতে নিষেধাজ্ঞার জন্য মামলা করতে পারে
  4. ‘ক’-এর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করতে পারে
সঠিক উত্তর:
আদালতে নিষেধাজ্ঞার জন্য মামলা করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতে নিষেধাজ্ঞার জন্য মামলা করতে পারে
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: গ) আদালতে নিষেধাজ্ঞার জন্য মামলা করতে পারে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার অধীনে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Permanent Injunction) মঞ্জুর করা যায় যখন কোনো ব্যক্তি অন্যের আইনি অধিকার লঙ্ঘনের হুমকি দেয় বা এমন কোনো কাজ করতে চায় যা অন্যের স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে এবং যেখানে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট প্রতিকার নয়।
এই ক্ষেত্রে, ‘ক’ একজন মেডিকেল অ্যাডভাইজার হিসেবে ‘খ’-এর ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করার নৈতিক ও আইনগত দায়িত্ব বহন করে। কিন্তু যদি ‘ক’ এই তথ্য প্রকাশ করার হুমকি দেয়, তাহলে এটি স্পষ্টতই তার দায়িত্ব লঙ্ঘন এবং ‘খ’-এর গোপনীয়তার অধিকারের ওপর হস্তক্ষেপ।
যেহেতু আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিয়ে ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হওয়ার ক্ষতি পুষিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়, তাই ‘খ’ আদালতে নিষেধাজ্ঞার জন্য মামলা করতে পারে, যাতে ‘ক’ তার ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করতে না পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার বিধান: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়:
-এই অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত বা এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, তা প্রকাশ্য হোক বা অনুমিত হোক ভঙ্গ করাকে নিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী ইনজাংশন মঞ্জুর করা যেতে পারে।
যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভূত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।
যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন:
(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।
ব্যাখ্যা: এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে।

উদাহরণ:
(ঝ) 'ক', 'খ' এর মেডিকেল অ্যাডভাইজার। 'ক' টাকা দাবি করল যা 'খ' প্রদানে অস্বীকৃতি প্রকাশ করল। 'ক' তারপর রোগী হিসাবে 'খ' যে সমস্ত তথ্য তার নিকট প্রকাশ করেছে তা সাধারণ্যে প্রকাশ করার হুমকি প্রদান করল। এটি 'ক' এর কর্তব্যের বিপরীত এবং 'ক' কে তেমন কোন কাজ করা থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য 'খ' মামলা দায়ের করতে পারে।
১৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার অনুসারে, যদি বাদী শুধুমাত্র চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের জন্য মামলা করে এবং আদালত চুক্তির সম্পাদন আদেশ না দেয়, তাহলে আদালত কী করতে পারে?
  1. মামলাটি খারিজ করে দিতে পারে।
  2. শুধুমাত্র প্রতিপক্ষের পক্ষে রায় দিতে পারে।
  3. বাদীকে বিকল্প ক্ষতিপূরণের সুযোগ দিতে পারে।
  4. বাদীকে পুনরায় মামলা করার নির্দেশ দিতে পারে।
সঠিক উত্তর:
বাদীকে বিকল্প ক্ষতিপূরণের সুযোগ দিতে পারে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীকে বিকল্প ক্ষতিপূরণের সুযোগ দিতে পারে।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) বাদীকে বিকল্প ক্ষতিপূরণের সুযোগ দিতে পারে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি বাদী চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের জন্য মামলা করে এবং আদালত চুক্তি সম্পাদন করতে আদেশ না দেয়, তবে আদালত বাদীকে বিকল্প ক্ষতিপূরণের সুযোগ প্রদান করতে পারে।
এখানে আদালত তথ্য এবং প্রমাণের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবে, যদি চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন সম্ভব না হয় বা এটি আদায় করা ন্যায়সঙ্গত না মনে হয়, তবে বাদীকে তার ক্ষতির ক্ষতিপূরণ দিতে আদালত বাধ্য। এই ক্ষতিপূরণ চুক্তির ভঙ্গের জন্য দেওয়া হতে পারে এবং এটি চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের পরিবর্তে দেওয়া হবে।

উদাহরণ:
ধরা যাক, A একটি গৃহ বিক্রয়ের জন্য B-এর সঙ্গে চুক্তি করেছে। তবে চুক্তির শর্ত অনুযায়ী গৃহটি বিক্রয় করা সম্ভব হয়নি এবং আদালত সুনির্দিষ্ট সম্পাদন আদেশ দেয়নি। এক্ষেত্রে, আদালত A-কে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দিতে আদেশ দিতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুরের ক্ষমতা:
কোন ব্যক্তি যে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেছে, সে হয় তেমন কাজ সম্পাদনের অতিরিক্ত অথবা তার পরিপূরক হিসেবে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে।
যদি তেমন কোন মামলায় আদালত সিদ্ধান্ত করেন যে, সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন মঞ্জুর করা আবশ্যক, কিন্তু মামলার ন্যায়বিচারের জন্য এটুকুই যথেষ্ট নয় এবং চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদীকে কিছু ক্ষতিপূরণ প্রদান করাও প্রয়োজন, তা হলে আদালত সে অনুসারে তার জন্য ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করবেন।
- এই ধারা অনুসারে যে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করা হবে তা আদালত কর্তৃক নির্দেশিত পন্থায় নিরূপণ করা যেতে পারে।
ব্যাখ্যা: চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এমন পরিস্থিতি আদালত কর্তৃক এই ধারা অর্পিত এখতিয়ার প্রয়োগকে বাধাগ্রস্ত করে না।
-----------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 19: Power to award compensation in certain cases:
Any person suing for the specific performance of a contract may also ask for compensation for its breach, either in addition to, or in substitution for, such performance.
If in any such suit the Court decides that specific performance ought not to be granted, but that there is a contract between the parties which has been broken by the defendant and that plaintiff is entitled to compensation for that breach, it shall award him compensation accordingly.
If in any such suit the Court decides that specific performance ought to be granted, but that it is not sufficient to satisfy the justice of the case, and that some compensation for breach of the contract should also be made to the plaintiff, it shall award him such compensation accordingly.
Compensation awarded under this section may be assessed in such manner as the Court may direct.
Explanation - The circumstance that the contract has become incapable of specific performance does not preclude the Court from exercising the jurisdiction conferred by this section.
১৯.
জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কত প্রকার শ্রেণী বিদ্যমান?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৪ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের ৪ প্রকার শ্রেণী বিদ্যমান। সেগুলো হলো: 
১) মেট্রোপলিটন এলাকায় চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (Chief Metropolitan Magistrate) এবং অন্যান্য এলাকায় চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (Chief Judicial Magistrate);
২) প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট (মেট্রোপলিটন এলাকায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নামে পরিচিত);
৩) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট;
৪) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, section-6: Classes of Criminal Courts:
(3) There shall be four classes of Judicial Magistrate, namely: - 
(a) Chief Metropolitan Magistrate in Metropolitan Area and Chief judicial Magistrate to other areas; 
(b) Magistrate of the first class, who shall in Metropolitan area, be known as Metropolitan Magistrate; 
(c) Magistrate of the second class; and 
(d) Magistrate of the third class. 
২০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারার অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কখন অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন?
  1. চার্জ গঠনের পরে
  2. অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রমাণ পর্যাপ্ত হলে
  3. অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে চার্জ গঠনের আগে
  4. অভিযুক্তের জামিন আবেদন মঞ্জুর হলে
সঠিক উত্তর:
অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে চার্জ গঠনের আগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে চার্জ গঠনের আগে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে চার্জ গঠনের আগে।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারা অনুযায়ী, যদি ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগের কোনো যৌক্তিক ভিত্তি নেই, তাহলে চার্জ গঠনের আগে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়া যেতে পারে।
এক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট নিম্নলিখিত বিষয়গুলো বিবেচনা করেন—
- মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র
- এফআইআর, চার্জশিট ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক দলিল
- তদন্তকারী কর্মকর্তার রিপোর্ট ও সাক্ষ্যপ্রমাণ

অর্থাৎ অভিযোগ যদি ভিত্তিহীন হয় এবং চার্জ গঠনের মতো যথেষ্ট কারণ না থাকে, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট চার্জ গঠনের আগেই অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন (ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারা)।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচার কার্যক্রম সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
- ধারা ২৪১(ক)-ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আসামির অব্যাহতি [Discharge of Accused by Magistrate):
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে ২৪১ক ধারায় অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারে। অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিবে। পুলিশ কেসের ক্ষেত্রে মামলার এফআইআর, চার্জশিট, পুলিশের নিকট দেয়া বা সংগ্রহকৃত তথ্য বা প্রস্তুতকৃত ডকুমেন্ট, তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট প্রদত্ত জবানবন্দি, মেডিকেল সার্টিফিকেট এবং নালিশি কেসের ক্ষেত্রে মামলার অভিযোগ, বিচারিক অনুসন্ধান ও মেডিকেল সার্টিফিকেট ইত্যাদি কাগজপত্র আমলে নিবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-241A: When accused shall be discharged:
- When the accused appears or is brought before the Magistrate, and if the Magistrate, upon consideration of the record of the case and the documents submitted therewith and making such examination, if any, of the accused as the Magistrate thinks necessary and after giving the prosecution and the accused an opportunity of being heard, considers the charge to be groundless, he shall discharge the accused and record his reasons for so doing.
২১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় জামিন মঞ্জুর করা এবং জামিনের অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতা সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৪৯৭
  2. ধারা ৪৯৮
  3. ধারা ৪৯৯
  4. ধারা ৪৯৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৯৮
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৮ এ জামিন মঞ্জুর করা এবং জামিনের অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতা সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, মামলার পরিস্থিতি অনুযায়ী জামিনের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হতে হবে না। এছাড়া, হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত যে কোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করতে পারে অথবা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নির্ধারিত জামিনের পরিমাণ হ্রাস করার নির্দেশ দিতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধান: জামিন মঞ্জুর করার এবং অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতা:
- (১) এই অধ্যায়ের অধীন সম্পাদিত প্রত্যেকটি বন্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না, এবং দণ্ডের পর আপিল থাকুক আর না থাকুক, হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবিকৃত জামিন হ্রাস করার নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 498: Power to direct admission to bail or reduction of bail:
- The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.
২২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৫ ধারার অধীনে অধিকতর অনুসন্ধান বা অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি কে নির্ধারণ করে?
  1. জেলা আদালত
  2. দায়রা আদালত
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. পুলিশ কমিশনার
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৫ ধারার অধীনে, হাইকোর্ট বিভাগ নির্ধারণ করে যে, দণ্ডিত ব্যক্তির দোষ বা নির্দোষিতা সম্পর্কে অধিকতর অনুসন্ধান বা অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে কি না। যদি হাইকোর্ট বিভাগ মনে করেন যে, এই ধরনের অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে, তারা তা নিজে করতে পারেন অথবা দায়রা আদালতকে এই কাজ করতে নির্দেশ দিতে পারেন।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 375: Power to direct further inquiry to be made or additional evidence to be taken-
(1) If when such proceedings, are submitted the High Court Division thinks that a further inquiry should be made into, or additional evidence taken upon, any point bearing upon the guilt or innocence of the convicted person, it may make such inquiry or take such evidence itself, or direct it to be made or taken by the Court of Session.
(2) Unless the High Court Division otherwise directs, the presence of the convicted person may be dispensed with when such inquiry is made or such evidence is taken.
(3) When the inquiry and the evidence (if any) are not made and taken by the High Court Division, the result of such inquiry and the evidence shall be certified to such Court.
২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২য় তফসিলের ৬ষ্ঠ কলামে কী উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. দণ্ডবিধির অধীন উল্লিখিত শাস্তি
  2. অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য কিনা
  3. আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ
  4. অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য
সঠিক উত্তর:
অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য কিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য কিনা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২য় তফসিলের ৬ষ্ঠ কলামে "অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা" উল্লেখ করা হয়েছে।
এটি বোঝায় যে, এই কলামে একটি নির্দিষ্ট অপরাধের ক্ষেত্রে এটি নির্ধারণ করা হয় যে, অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (অর্থাৎ, যার জন্য অভিযুক্ত পক্ষ এবং ভুক্তভোগী পক্ষ চুক্তির মাধ্যমে আপস করতে পারে) কিনা।
মীমাংসাযোগ্য অপরাধগুলো সাধারণত অপরাধী এবং ভুক্তভোগীর মধ্যে আপস বা সমঝোতা করার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা যায়, যার ফলে মামলা তুলে নেওয়া হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের ৮টি কলাম নিম্নরূপ দেওয়া হলো:
১ম কলাম - পেনাল কোডের অধীন ধারাসমূহ,
২য় কলাম - অপরাধ,
৩য় কলাম - আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ (পুলিশ পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারে কি না),
৪র্থ কলাম - প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা,
৫ম কলাম - অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য,
৬ষ্ঠ কলাম - অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা,
৭ম কলাম - দণ্ডবিধির অধীনে উল্লিখিত শাস্তি,
৮ম কলাম - যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য।
২৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক(২) ধারা অনুযায়ী, যদি আসামীর জেল হাজতে থাকার সময় কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বেশি হয়, তবে কী হবে?
  1. আসামীকে নতুন করে দণ্ড প্রদান করা হবে
  2. আসামীকে মুক্তি দেয়া হবে, তবে অর্থদণ্ড পরিশোধ করতে হবে
  3. আসামীকে মুক্তি দেয়া হবে এবং অর্থদণ্ড মওকুফ করা হবে
  4. আসামির বিরুদ্ধে নতুন মামলা দায়ের করা হবে
সঠিক উত্তর:
আসামীকে মুক্তি দেয়া হবে এবং অর্থদণ্ড মওকুফ করা হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামীকে মুক্তি দেয়া হবে এবং অর্থদণ্ড মওকুফ করা হবে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) আসামীকে মুক্তি দেয়া হবে এবং অর্থদণ্ড মওকুফ করা হবে।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক(২) ধারার অধীনে, যদি আসামি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকেন এবং তার জেল হাজতে থাকার সময় কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বেশি হয়ে যায়, তবে তাকে "পূর্ণ কারাদণ্ড ভোগ করা" হিসেবে গণ্য করা হবে। এর ফলে, তাকে মুক্তি দেয়া হবে এবং যদি তার বিরুদ্ধে কোনো অর্থদণ্ড থাকে, তবে সেটি মওকুফ হয়ে যাবে।
এটি একটি প্রক্রিয়া যা নিশ্চিত করে যে, কোনো ব্যক্তির অনাকাঙ্ক্ষিত দীর্ঘ সময়ের জেল হাজতকে "কারাদণ্ড" হিসেবে গণ্য করা হয়, এবং সেই সময়ের জন্য তাকে মুক্তি দেয়া হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কীভাবে দণ্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে যা নিম্নরূপ:
- ধারা-৩৫ক (১): ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।
তবে এই বিধানটি আসামি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না। 
- ধারা-৩৫ক (২): যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদণ্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদণ্ড থাকলে সেই অর্থদণ্ড মওকুফ হয়ে যাবে।
--------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-35A: Deduction of imprisonment in cases where convicts may have been in custody:
(1) Except in the case of an offence punishable only with death, when any court finds an accused guilty of an offence and, upon conviction, sentences such accused to any term of imprisonment, simple or rigorous, it shall deduct from the sentence of imprisonment, the total period the accused may have been in custody in the meantime, in connection with that offence.
(2) If the total period of custody prior to conviction referred to in sub-section (1) is longer than the period of imprisonment to which the accused is sentenced, the accused shall be deemed to have served out the sentence of imprisonment and shall be released at once, if in custody, unless required to be detained in connection with any other offence; and if the accused is also sentenced to pay any fine in addition to such sentence, the fine shall stand remitted.
২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৬৪ অনুসারে অভিযুক্তের জবানবন্দি কোন ভাষায় লিপিবদ্ধ করতে হবে?
  1. ইংরেজি ভাষায়
  2. আদালতের ভাষায়
  3. অভিযুক্তের ভাষায়
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৬৪ অনুযায়ী, অভিযুক্তের জবানবন্দি যে ভাষায় গ্রহণ করা হবে, সে ভাষায়ই তা লিপিবদ্ধ করতে হবে। যদি অভিযুক্তের ভাষায় এটি সম্ভব না হয়, তাহলে আদালতের ভাষায় বা ইংরেজি ভাষায় জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা যাবে। এছাড়া, অভিযুক্ত যদি ওই ভাষাটি না বোঝে, তবে তাকে বুঝানোর জন্য অন্যান্য ভাষায় ব্যাখ্যা দিতে হবে। তাই, সঠিক উত্তর হল "উপরের সবকটি" ভাষা ব্যবহার করা হতে পারে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 364. Examination of accused how recorded:
(1) Whenever the accused is examined by any Magistrate, or by any Court other than High Court Division the whole of such examination, including every question put to him and every answer given by him, shall be recorded in full, in the language in which he is examined, or, if that is not practicable, in the language of the Court or in English: and such record shall be shown or read to him, or, if he does not understand the language in which it is written, shall be interpreted to him in a language which he understands, and he shall be at liberty to explain or add to his answers. 
(2) When the whole is made conformable to what he declares is the truth, the record shall be signed by the accused and the Magistrate or Judge of such Court, and such Magistrate or Judge shall certify under his own hand that the examination was taken in his presence and hearing and that the record contains a full and true account of the statement made by the accused. 
(3) In cases in which the examination of the accused is not recorded by the Magistrate or Judge himself, he shall be bound, as the examination proceeds, to make a memorandum thereof in the language of the Court, or in English, if he is sufficiently acquainted with the latter language; and such memorandum shall be written and signed by the Magistrate or Judge with his own hand, and shall be annexed to the record. If the Magistrate or Judge is unable to make a memorandum as above required, he shall record the reason of such inability. 
(4) Nothing in this section shall be deemed to apply to the examination of an accused person under section 263.
২৬.
বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের দায়রা আদালতের বিচারক হিসেবে নিয়োগের ভিত্তি কী?
  1. সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদ
  2. সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ
  3. সংবিধানের ১৩২ অনুচ্ছেদ
  4. সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯(৩এ) ধারায় বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে দায়রা আদালতের বিচারক, যেমন দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ নিয়োগ করা হবে। এই নিয়োগ সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী করা হয়।
সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ বিচার বিভাগের কাঠামো এবং বিচারকদের নিয়োগের নিয়মাবলী নির্ধারণ করে, যার অধীনে সেশনস জজ, অতিরিক্ত সেশনস জজ এবং যুগ্ম সেশনস জজের নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালিত হয়।

⇒ দায়রা আদালতের শ্রেণীবিভাগ- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারামতে দায়রা আদালতে তিন ধরণের বিচারক থাকে। যথা-
ⅰ) দায়রা জজ (Sessions Judge);
ii) অতিরিক্ত দায়রা জজ (Additional Sessions Judge);
iii) যুগ্ম দায়রা জজ (Joint Sessions Judge)।
ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা-৯(৩ক): দায়রা আদালতের বিচারক নিয়োগ- সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দ্বারা প্রণীত বিধি সাপেক্ষে দায়রা আদালতের বিচারকগণকে অর্থাৎ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজকে জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেয়া হয়।
-------------------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 9: Court of Sessions:
(1) The Government shall establish a Court of Session for every sessions division, and appoint a judge of such Court ; and the Court of Session for Metropolitan Area shall be called the Metropolitan Court of Session.
(2) The Government may, by general or special order in the official Gazette, direct at what place or places the Court of Session shall hold its sitting; but, until such order is made, the Courts of Session shall hold their sittings as heretofore.
(3) The Government may also appoint Additional Sessions Judges and Assistant Sessions Judges to exercise jurisdiction in one or more such Courts.
(3A) The members of the Bangladesh Judicial Service shall be appointed as Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Joint Sessions Judge in accordance with the rules framed by the President under the proviso to Article 133 of the constitution to exercise jurisdiction in one or more of such areas.
(4) A Sessions Judge of one sessions division may be appointed by the Government to be also an Additional Sessions Judge of another division, and in such case he may sit for the disposal of cases at such place or places in either division as the Government may direct.
(5) All Courts of Session existing when this Code comes into force shall be deemed to have been established under this Act.

২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০(৫) ধারায়, ক্ষতিপূরণের আদেশের পাশাপাশি কতদিন পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৫০(৫) অনুসারে, মিথ্যা বা তুচ্ছ অভিযোগের জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশের পাশাপাশি, ম্যাজিস্ট্রেট সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি (অভিযোগকারী) কে অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ড বা ৩০০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়ার আদেশ দিতে পারেন।
এখানে উল্লেখযোগ্য যে, এই দণ্ড কেবল ক্ষতিপূরণের আদেশের পরিপূরক হিসেবে হতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারা অনুসারে- কারো বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর হলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে অব্যাহতি প্রদান করবেন এবং সংবাদদাতা বা অভিযোগকারীকে কারণ দর্শাতে বলবেন যে, কেন তার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণের আদেশ দেয়া হবে না।
ফরিয়াদি/সংবাদদাতা/অভিযােগকারীর কারণ দর্শানোর পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন,অভিযােগটি মিথ্যা,তুচ্ছ ও বিরক্তিকর তাহলে ফরিয়াদিকে অনধিক ১০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ বাবদ অভিযুক্তকে প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০(৫) ধারা অনুসারে- এমনকি ক্ষতিপূরণ আদেশ ছাড়াও,ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষতিপূরণ প্রদানকারী ব্যক্তিকে অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ডে বা অনধিক ৩০০০ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার আদেশ দিতে পারেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-250 (5) Notwithstanding anything contained in this section, the Magistrate may, in addition to the order directing payment of the compensation under sub-section (2), further order that the person ordered to pay such compensation shall also suffer imprisonment for a period not exceeding six months or pay a fine not exceeding three thousand Taka.
২৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেটের ব্যক্তিগত স্বার্থ সংশ্লিষ্ট মামলায় বিচার করা নিষিদ্ধ?
  1. ধারা ৫৩৬
  2. ধারা ৪২১
  3. ধারা ৫৫৬
  4. ধারা ৪৯৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৫৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৫৬
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারা অনুযায়ী, কোনো বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি কোনো মামলার একজন পক্ষ হন বা ব্যক্তিগতভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট থাকেন, তবে তিনি উক্ত মামলার বিচার করতে পারবেন না।
তবে, ব্যতিক্রম:
- এই ধারার ব্যাখ্যা অনুযায়ী, যদি কোনো বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট শুধুমাত্র একজন পৌর কমিশনার হন বা কোনো মামলার স্থান পরিদর্শন করেন, তবে শুধুমাত্র এই কারণে তিনি মামলার বিচার থেকে অযোগ্য হবেন না।
- যদি একজন জেলা প্রশাসক (Collector) কোনো তথ্যের ভিত্তিতে কারও বিরুদ্ধে মাদক বা আবগারি (Excise) আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন, তবে তিনি ঐ মামলার বিচার করতে পারবেন না, কারণ তিনি মামলার একজন পক্ষ হয়ে গেছেন।
সুতরাং, ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারাই বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেটের ব্যক্তিগত স্বার্থ সংশ্লিষ্ট মামলার বিচার নিষিদ্ধ করেছে।
২৯.
আদালতের সহজাত বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent Power of the Court) বলতে কী বোঝায়?
  1. আদালতের প্রশাসনিক ক্ষমতা
  2. আদালতের দেওয়ানি মামলা পরিচালনার ক্ষমতা
  3. আদালতের ফৌজদারি মামলা পরিচালনার ক্ষমতা
  4. ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য আদালতের বিশেষ ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য আদালতের বিশেষ ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য আদালতের বিশেষ ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
উত্তর: ঘ) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য আদালতের বিশেষ ক্ষমতা
⇒ আদালতের সহজাত বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent Power of the Court) বলতে আদালতের সেই ক্ষমতাকে বোঝায়, যা আদালত তার সুবিবেচনায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োগ করতে পারে। এই ক্ষমতা আইনে সরাসরি উল্লেখিত না থাকলেও, আদালতের কার্যক্রম পরিচালনা ও অপব্যবহার রোধের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারায় এই ক্ষমতার স্বীকৃতি রয়েছে, যা হাইকোর্ট বিভাগকে নিম্নলিখিত তিনটি ক্ষেত্রে ক্ষমতা প্রদান করে—
১. আদালতের আদেশ কার্যকর করা
২. আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা
৩. ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা

⇒ এটি আদালতের প্রশাসনিক ক্ষমতা (প্রশাসনিক কাজে ব্যবহৃত ক্ষমতা) বা শুধুমাত্র দেওয়ানি বা ফৌজদারি মামলা পরিচালনার ক্ষমতা নয়; বরং এটি আদালতের বিশেষ ক্ষমতা, যা ন্যায়বিচারের স্বার্থে প্রয়োগ করা হয়।
৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারা অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন, তাহলে তিনি কাকে অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. পুলিশ কর্মকর্তা
  2. তার অধীনস্ত ম্যাজিস্ট্রেট
  3. অন্য কোনো উপযুক্ত ব্যক্তি
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: ঘ) উপরের সবকটি।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি ম্যাজিস্ট্রেট তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন, তাহলে তিনি অনুসন্ধান বা তদন্তের জন্য তার অধীনস্ত অন্য ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন, এমন অন্য কোনো ব্যক্তিকে নির্দেশ দিতে পারেন।
- এর মানে, ম্যাজিস্ট্রেট এই কাজের জন্য বিভিন্ন পক্ষকে নিযুক্ত করতে সক্ষম, যেমন পুলিশ কর্মকর্তা, তার অধীনস্থ ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য যেকোনো উপযুক্ত ব্যক্তি।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার বিধান: পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা (Postponement for issue of process)-
১) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধ আমলে নেওয়ার জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন সেই অপরাধের নালিশ পাওয়ার পর অথবা ১৯২ ধারার অধীন তা তার নিকট হস্তান্তরিত হওয়ার পর,তিনি যদি উপযুক্ত মনে করেন তাহলে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে নালিশ করা হয়েছে তাকে হাজির হতে বাধ্য করার জন্য সমন বা পরোয়ানা প্রদান স্থগিত রাখতে পারেন এবং নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন, অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীনস্ত অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোনো ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন।
তবে শর্ত এই যে,যেক্ষেত্রে আদালত নালিশ করেন সেক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে ২০০ ধারার বিধান পালন না করে এরূপ কোন নির্দেশ দেয়া যাবে না।আরও শর্ত এই যে-যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য নালিশ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে হাজির হতে বাধ্য করার পরোয়ানা স্থগিত রাখতে পারবেন এবং নালিশের সত্যতা ও অসত্যতা নিরূপণের উদ্দেশ্যে এই উপধারায় উল্লিখিত অনুসন্ধান বা তদন্ত করবেন বা করাবেন।
২) এই ধারার অধীন অনুসন্ধান বা তদন্ত যে ব্যক্তি করবেন তিনি যদি ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তা না হন,তাহলে তিনি এই কার্যবিধি অনুসারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া) কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।
(২ক) এই ধারার অধীন কোন ঘটনা অনুসন্ধানকারী ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে শপথ করিয়ে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন তবে শর্ত এই যে, ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য অভিযোগ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য,তাহলে তিনি ফরিয়াদীকে তার সকল সাক্ষীদেরকে হাজির করতে বলবেন এবং তাদের শপথ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।
(২খ) পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত রিপোর্ট গ্রহণ করতে এবং অভিযুক্তদেরকে অব্যাহতি দিতে পারবেন।
৩১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২১ ধারার অনুযায়ী আপিল আদালত কখন আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ করতে পারেন?
  1. আপিলকারীকে শুনানির সুযোগ না দিয়ে
  2. আপিলকারীর জরিমানা পরিশোধের পর
  3. আপিলকারীর জামিন আবেদন মঞ্জুর করার পর
  4. আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দেওয়ার পর
সঠিক উত্তর:
আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দেওয়ার পর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দেওয়ার পর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২১ ধারা অনুযায়ী, আপিল আদালত আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ করতে পারেন, তবে শর্ত থাকে যে, আপিলকারী বা তার আইনজীবীকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিতে হবে।
মূল বিষয়বস্তু:
- আপিল আদালত যখন ধারা ৪১৯ বা ৪২০ এর অধীনে দাখিল করা আপিল পর্যালোচনা করেন, তখন যদি দেখেন যে আপিলে হস্তক্ষেপ করার মতো পর্যাপ্ত কারণ নেই, তিনি সংক্ষিপ্তভাবে আপিল খারিজ করতে পারেন।
- তবে, ধারা ৪১৯ অনুযায়ী দাখিল করা আপিলের ক্ষেত্রে, আপিলকারী বা তার আইনজীবীকে শুনানির সুযোগ না দিয়ে আপিল খারিজ করা যাবে না।
- আদালত চাইলে মামলার নথি তলব করতে পারেন, তবে এটি বাধ্যতামূলক নয়।

⇒ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২১ ধারা অনুযায়ী, আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ করতে হলে আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিতে হবে। তাই সঠিক উত্তর: ঘ) আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দেওয়ার পর।
৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় প্রকাশনা বাজেয়াপ্ত ঘোষণা এবং তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু করার বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৯৯
  2. ধারা ৯৯ক
  3. ধারা ৯৯খ
  4. ধারা ৯৯গ
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯৯ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯৯ক
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯ক ধারা অনুযায়ী, সরকার বা আদালত যখন মনে করেন যে কোন সংবাদপত্র, গ্রন্থ, বা দলিলে এমন কিছু বিষয়বস্তু রয়েছে যা দণ্ডনীয় বা মানহানিকর, অথবা যা অশ্লীল বা উত্তেজক, তখন সেই প্রকাশনাগুলো বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করতে পারেন। এর জন্য তারা তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন, যাতে পুলিশ সেই প্রকাশনাগুলো খুঁজে এবং বাজেয়াপ্ত করতে পারে। এই ধারায় মূলত গণমাধ্যম বা প্রকাশনা সম্পর্কিত বিষয়গুলোর নিয়ন্ত্রণ এবং তল্লাশি পরোয়ানার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯ক ধারার বিধান: কতকগুলি প্রকাশনা বাজেয়াপ্ত করা হলো বলে ঘোষণা করার ও উহার জন্য তল্লাশি পরোয়ানা দিবার ক্ষমতা:
(১) যেক্ষেত্রে সরকারের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, কোন সংবাদপত্রে বা গ্রন্থে বা কোন দলিলে, তা যেখানেই মুদ্রিত হোক না কেন, নিম্নে বর্ণিত বিষয়াদি অন্তর্ভুক্ত হয়েছে-
(ক) কোন বিষয়বস্তু, যার প্রকাশনা দণ্ডবিধি (১৮৬০ সনের ৪৫নং আইন)-এর ধারা-১২৩এ অথবা ১২৪এ অথবা ১৫৩এ অথবা ২৯২ অথবা ২৯৫এ অথবা ৫০৫ অথবা ৫০৫এ মতে দণ্ডনীয়,
(খ) কোন বিষয়বস্তু যা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, সরকারের প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের স্পীকার, অথবা বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির জন্য মানহানিকর, অথবা
(গ) এরূপ কোন বিষয়বস্তু রয়েছে যা অত্যন্ত শিষ্ঠাচারহীন বা অশ্লীল অথবা কুৎসিত, অথবা
(ঘ) কোন কথা, বা দৃষ্টিগোচর আচরণ, যা কোন ব্যক্তিকে বা কোন শ্রেণীর ব্যক্তিবর্গকে আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনে উত্তেজিত করে বা করতে পারে,

সেক্ষেত্রে সরকার, সরকারি গেজেট গেজেট নোটিফিকেশন কর্তৃক, উহার অভিমতের ভিত্তি বিবৃতি করে, অনুরূপ বিষয়বস্তু, কথা বা দৃষ্টিগোচর আচরণ সম্বলিত গ্রন্থ অথবা অন্য কোন প্রকার দলিল সরকারে বাজেয়াপ্ত বলে ঘোষণা করতে পারবেন, এবং অতঃপর যে কোন পুলিশ অফিসার বাংলাদেশের যে স্থানে পরিদৃষ্ট হোক না কেন, সে স্থানেই তা আটক করতে পারবেন এবং যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট পরোয়ানা জারি দ্বারা সাব-ইন্সপেক্টর-এর চেয়ে নিম্নের পদাধিকারী নহেন এরূপ যে কোন পুলিশ অফিসারকে ক্ষমতা দিতে পারবেন এরূপ সকল প্রাঙ্গণে তল্লাশি করার, যেখানে উক্ত গ্রন্থ বা অন্য কোন দলিলের যেকোনো সংখ্যা খুঁজে পাওয়া যাবে অথবা পাওয়া যাবার সংগত সন্দেহ করা যেতে পারে।

(২) উপধারা (১) এ "সংবাদপত্র", "গ্রন্থ" এবং "দলিল" শব্দগুলো মুদ্রণালয় ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধীকরণ) আইন, ১৯৭৩ (১৯৭৩ সনের ২৩নং আইন)-এ যে অর্থ দেয়া আছে, সেই একই অর্থ বহন করবে।
৩৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটগণ জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনস্থ থাকবেন?
  1. ধারা ১৬
  2. ধারা ১৭
  3. ধারা ১৮
  4. ধারা ১৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৭
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭ ধারা অনুযায়ী, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটগণ (Executive Magistrates) জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের (District Magistrate) অধীনস্থ থাকবেন। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট প্রয়োজন অনুযায়ী তাদের কার্যভার বণ্টন করতে পারেন এবং সময় সময় বিশেষ নির্দেশ প্রদান করতে পারেন, তবে তা ফৌজদারি কার্যবিধির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭(১) ধারা:
"সকল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, যাদের ১০ ও ১২(১) ধারা অনুসারে নিয়োগ করা হয়, তারা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনস্থ থাকবেন, এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সময়ে সময়ে এই ম্যাজিস্ট্রেটদের মধ্যে কার্যভার বণ্টন সংক্রান্ত বিশেষ আদেশ প্রদান করতে পারবেন।"

অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭(১) ধারা অনুযায়ী, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটগণ জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনস্থ থাকেন এবং তিনি প্রয়োজন অনুসারে তাদের কাজের বণ্টন করতে পারেন।
৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশন নিয়োগের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৫০১
  2. ধারা ৫০২
  3. ধারা ৫০৩
  4. ধারা ৫০৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫০৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫০৩
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৩-এ সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশন নিয়োগের বিধান রয়েছে।
- এই ধারার অধীনে, যদি কোনো আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে, সাক্ষীকে আদালতে উপস্থিত করা সম্ভব নয় বা এতে বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা হবে, তখন তারা ওই সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশন নিয়োগ করতে পারেন। কমিশনটি সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত, যার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে সাক্ষী বসবাস করেন, তাকে দেওয়া হবে। এছাড়া, যদি সাক্ষী বিদেশে থাকেন, তবে সরকারের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দেশের আদালত বা বিচারককে কমিশন দেওয়া হতে পারে।
৩৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ ধারা অনুযায়ী, অনুপস্থিতিতে বিচার করার জন্য আদালতের কী বিশ্বাস করা প্রয়োজন?
  1. অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রমাণ অপর্যাপ্ত
  2. অভিযুক্ত পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে
  3. অভিযুক্তের পরিবার আদালতে হাজির হয়েছে
  4. অভিযুক্তের আইনজীবী আদালতে হাজির হয়েছেন
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) অভিযুক্ত পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ ধারা অনুযায়ী, আদালত তখনই কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে বিচার (Trial in Absentia) করতে পারেন, যখন আদালতের বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ থাকবে যে—
১) অভিযুক্ত পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে, যেন তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব না হয় বা বিচার প্রক্রিয়ায় হাজির করা না যায়।
২) অভিযুক্তকে গ্রেফতারের কোনো তাৎক্ষণিক সম্ভাবনা নেই।
৩) ৮৭ ও ৮৮ ধারার বিধানসমূহ প্রতিপালন করা হয়েছে (অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ঘোষণা ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত সংক্রান্ত বিধান)।
৪) জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে অভিযুক্তকে আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছে, কিন্তু তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাজির হননি।
- এই শর্তগুলো পূরণ হলে আদালত অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতেই বিচার চালিয়ে যেতে পারেন। একে বলা হয় "Trial in absentia" বা অনুপস্থিতিতে বিচার।

⇒ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ ধারা অনুযায়ী, অনুপস্থিতিতে বিচার শুরু করতে হলে আদালতকে বিশ্বাস করতে হবে যে অভিযুক্ত পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে, এবং তাকে গ্রেপ্তারের তাৎক্ষণিক সম্ভাবনা নেই।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯-খ ধারার বিধান আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার:
(১) যেক্ষেত্রে ৮৭ ও ৮৮ ধারার বিধান পালন করার পর আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, আসামিকে যাতে গ্রেফতার ও বিচারে সোপর্দ করা না হয় সেজন্য সে পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে এবং তাকে গ্রেফতার করার আশু সম্ভাবনা নাই, সেক্ষেত্রে নালিশি অপরাধ আমলে গ্রহণকারী আদালত বহুল প্রচারিত কমপক্ষে দুইটি বাংলা দৈনিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত আদেশ দ্বারা উক্ত ব্যক্তিকে আদেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেই আদালতে হাজির হবার নির্দেশ দিবেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি উক্ত নির্দেশে ব্যর্থ হলে তার অনুপস্থিতিতে তার বিচার অনুষ্ঠিত হবে।

(২) আসামিকে হাজির করার পর কিংবা আসামি হাজির হবার পর অথবা জামিনে মুক্ত হবার পর যেক্ষেত্রে আসামি পলায়ন করে কিংবা হাজির হতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে (১) উপধারায় বর্ণিত পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে না এবং নালিশি অপরাধের জন্য এরূপ ব্যক্তির বিচার করতে উপযুক্ত আদালত এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করে তার অনুপস্থিতিতেই এরূপ ব্যক্তির বিচার করবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 339B: Trial in absentia:
(1) Where after the compliance with the requirements of section 87 and section 88, the Court has reason to believe that an accused person has absconded or concealing himself so that he cannot be arrested and produced for trial and there is no immediate prospect of arresting him, the Court taking cognizance of the offence complained of shall, by order published in at least two national daily Bengali Newspapers having wide circulation, direct such person to appear before it within such period as may be specified in the order, and if such person fails to comply with such direction, he shall be tried in his absence.

(2) Where in a case after the production or appearance of an accused before the Court or his release on bail, the accused person absconds or fails to appear, the procedure as laid down in sub-section (1) shall not apply and the Court competent to try such person for the offence complained of shall, recording its decision so to do, try such person in his absence.
৩৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারার অধীনে গর্ভবতী স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করার জন্য কোন আদালত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা আদালত
  3. জেলা আদালত
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারা অনুযায়ী, গর্ভবতী স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করার জন্য শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগ কর্তব্যপ্রণালী প্রয়োগ করতে পারে। এর আওতায়, হাইকোর্ট বিভাগ যদি দেখতে পায় যে, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কোনো মহিলা গর্ভবতী, তবে হাইকোর্ট বিভাগের নির্দেশে মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করা যেতে পারে এবং প্রয়োজনবোধে তা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে রূপান্তরিত করা যেতে পারে।

- এটি স্পষ্টভাবে ৩৮২ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, হাইকোর্ট বিভাগ এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। তাই উত্তর হবে ক) হাইকোর্ট বিভাগ।

অন্য আদালত (যেমন দায়রা আদালত বা জেলা আদালত) এই ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা রাখে না, কারণ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারায় শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগকে এই ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
৩৭.
"অসাধু উদ্দেশ্যে" (Dishonestly) কোনো কাজ করা বলতে কী বোঝায়, তা সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে কোন ধারায়?
  1. দণ্ডবিধির ২৩ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ২৪ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ২৫ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ২৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ২৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ২৪ ধারা
ব্যাখ্যা
উত্তর:খ) দণ্ডবিধির ২৪ ধারা।
⇒ The Penal Code, 1860-এর ২৪ ধারা অনুযায়ী, "অসাধু উদ্দেশ্যে" (Dishonestly) বলতে বোঝায়—
যে কেউ যদি অবৈধভাবে অন্যের ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে বা অন্যকে অবৈধভাবে লাভবান করার উদ্দেশ্যে কোনো কাজ করে, তবে সেটিকে অসাধু উদ্দেশ্যে করা কাজ হিসেবে গণ্য করা হবে।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Sections-24. “Dishonestly”:
- Whoever does anything with the intention of causing wrongful gain to one person or wrongful loss to another person, is said to do that thing "dishonestly".
৩৮.
দণ্ডবিধির ৮৩ ধারা অনুসারে, ৯ থেকে ১২ বছর বয়সের শিশুর ক্ষেত্রে কী বিবেচনা করা হয়?
  1. শিশুটির আর্থিক অবস্থা
  2. শিশুটির শারীরিক অবস্থা
  3. শিশুটির পরিবারের অবস্থা
  4. শিশুটির মানসিক পরিপক্কতা
সঠিক উত্তর:
শিশুটির মানসিক পরিপক্কতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিশুটির মানসিক পরিপক্কতা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৮৩ ধারা অনুসারে, ৯ থেকে ১২ বছর বয়সের শিশুর ক্ষেত্রে মানসিক পরিপক্কতা বিবেচনা করা হয়।
- এই ধারায় বলা হয়েছে, ৯ থেকে ১২ বছরের মধ্যে যেসব শিশু তাদের মানসিক পরিপক্কতা অর্জন করেনি, অর্থাৎ তারা তাদের কর্মের প্রকৃতি এবং পরিণতি বিচার করতে অক্ষম, তাদের কার্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না।
অর্থাৎ, এই বয়সের শিশু যদি তার কাজের প্রকৃতি বা পরিণতি সম্পর্কে সচেতন না থাকে, তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে না।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Sections- 84. Act of a person of unsound mind:
Nothing is an offence which is done by a person who, at the time of doing it, by reason of unsoundness of mind, is incapable of knowing the nature of the act, or that he is doing what is either wrong or contrary to law.
৩৯.
বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রযোজ্য হবে যদি-
  1. অপরাধী বাংলাদেশের নাগরিক হয়
  2. অপরাধটি বাংলাদেশে সংঘটিত হলে দণ্ডনীয় হয়
  3. অপরাধী বাংলাদেশের কোনো জাহাজ বা বিমানে অবস্থান করে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের দণ্ডবিধি, ১৮৬০ (অধীন) ৪ ধারার অধীনে বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের জন্য প্রযোজ্য হবে যদি:
→ অপরাধী বাংলাদেশের নাগরিক হয় (ক):
- যদি বাংলাদেশের নাগরিক বিদেশে কোনো অপরাধ করে, তবে তাকে বাংলাদেশে বিচারের আওতায় আনা যাবে এবং দণ্ডবিধির বিধান অনুসারে তার বিচার হবে।
→ অপরাধটি বাংলাদেশে সংঘটিত হলে দণ্ডনীয় হয় (খ):
- যদি কোনো অপরাধ বিদেশে সংঘটিত হলেও, সেই অপরাধ যদি বাংলাদেশে দণ্ডনীয় হয়, তবে সেই অপরাধে দণ্ডবিধি প্রয়োগ করা যাবে।
→ অপরাধী বাংলাদেশের কোনো জাহাজ বা বিমানে অবস্থান করে (গ):
- যদি অপরাধী বাংলাদেশের জাহাজ বা বিমানে থাকে, এমনকি তা বিদেশে অবস্থান করলে, সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশে দণ্ডবিধি প্রযোজ্য হবে।
⇒ এ কারণে, "উপরের সবগুলো" ক্ষেত্রেই দণ্ডবিধি কার্যকর হবে।
৪০.
দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারা অনুসারে, ডাকাতির ক্ষেত্রে ন্যূনতম কতজন ব্যক্তির অংশগ্রহণ প্রয়োজন?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৫ জন
  4. ৭ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারা অনুযায়ী, ডাকাতি সংঘটিত বা সংঘটন করার চেষ্টা করতে হলে কমপক্ষে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি একত্রিত হতে হবে। এছাড়া, যদি ডাকাতি সংঘটন বা প্রচেষ্টা চালাতে সহায়তা প্রদানকারী ব্যক্তির সংখ্যা পাঁচ বা তার বেশি হয়, তাও "ডাকাতি" হিসেবে গণ্য হবে। তাই, ডাকাতির ক্ষেত্রে ন্যূনতম পাঁচজন ব্যক্তির অংশগ্রহণ প্রয়োজন।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার বিধান ডাকাতি:- যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন প্রচেষ্টারত ব্যক্তির ও অনুরূপ কার্যে বা প্রচেষ্টায় সহায়তাকারী ব্যক্তির মোট সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক হয়, তবে অনুরূপ কাজ সংঘটনকারী বা প্রচেষ্টাকারী বা সহায়তাকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।
--------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 391 Dacoity: When five or more persons conjointly commit or attempt to commit a robbery, or where the whole number of persons conjointly committing or attempting to commit a robbery, and persons present and aiding such commission or attempt, amount to five or more, every person so committing, attempting or aiding, is said to commit "dacoity".
৪১.
নিম্নের কোনটি বলপ্রয়োগের উপায় হিসাবে দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারায় উল্লিখিত নেই?
  1. নিজ দেহের শক্তি প্রয়োগ করা।
  2. বস্তু ব্যবহার করে গতি সৃষ্টি করা।
  3. শব্দ ব্যবহার করে ভয় দেখানো।
  4. পশুকে চালিত করা বা গতি নিয়ন্ত্রণ করা।
সঠিক উত্তর:
শব্দ ব্যবহার করে ভয় দেখানো।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শব্দ ব্যবহার করে ভয় দেখানো।
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারা বলপ্রয়োগ (Force) সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছে। এই ধারা অনুযায়ী, বলপ্রয়োগ তখনই বলা হবে যখন কারও গতি সঞ্চার, গতি পরিবর্তন বা গতি স্তব্ধ করার মাধ্যমে তার শরীরের সঙ্গে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে সংযোগ স্থাপন করা হয়।
- ৩৪৯ ধারায় বলপ্রয়োগের তিনটি উপায় উল্লেখ আছে:
১) নিজ দেহের শক্তি প্রয়োগ করা → যদি কেউ নিজের হাত, পা বা শরীরের অন্য কোনো অংশ ব্যবহার করে কাউকে ধাক্কা দেয়, টেনে নিয়ে যায় বা বাধা দেয়, তাহলে এটি বলপ্রয়োগ হিসেবে গণ্য হবে।
২) কোনো বস্তু ব্যবহার করে গতি সৃষ্টি করা বা গতি স্তব্ধ করা → যদি কেউ একটি পাথর নিক্ষেপ করে বা ধাক্কা দিয়ে কাউকে আঘাত করে, তাহলে এটি বলপ্রয়োগ হবে।
৩) পশুকে চালিত করা বা গতি নিয়ন্ত্রণ করা → যদি কেউ একটি পশুকে উত্তেজিত করে বা চালিত করে, যাতে সে গিয়ে অন্য কাউকে আঘাত করে, তাহলে সেটিও বলপ্রয়োগ হিসেবে ধরা হবে।

অর্থাৎ অপশন (গ) শব্দ ব্যবহার করে ভয় দেখানো দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারায় বলপ্রয়োগের উপায় হিসাবে উল্লিখিত নেই।
কারণ, শব্দ বা মৌখিক ভয় প্রদর্শন করলে কোনো গতি সঞ্চার বা পরিবর্তন ঘটে না।
এটি যদি শারীরিক ক্ষতি বা আঘাতের উদ্দেশ্যে করা হয়, তাহলে এটি ‘আতঙ্ক সৃষ্টির হুমকি’ (Criminal Intimidation) হিসেবে দণ্ডবিধির ৫০৩ ধারার অধীন বিচার্য হতে পারে, তবে বলপ্রয়োগ হিসেবে গণ্য হবে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারার বিধান: বলপ্রয়োগ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে কোন বস্তুতে এমন গতি সঞ্চার করে, বা গতি স্তব্ধ করে, যাতে উহা অপর কোন ব্যক্তির দেহের কোন অংশের সংস্পর্শে আসে, অথবা যদি সে অপর কোন ব্যক্তির পরিহিত বা বাহিত কোন দ্রব্যে অনুরূপ গতি সঞ্চার, গতি পরিবর্তন বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে এমন কোন বস্তুর সাথে উহা করে যা এমনভাবে সংস্থিত যে, উহার সংস্পর্শ দ্বিতীয়োক্ত ব্যক্তির অনুভব-শক্তি ব্যাহত করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির প্রতি বলপ্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়:-
তবে শর্ত থাকে যে, যে ব্যক্তি গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, সে ব্যক্তির গতি সঞ্চারের, গতি পরিবর্তনের বা গতি স্তব্ধকরণের পদ্ধতি নিম্নোক্ত তিনটি উপায়ের যেকোন একটি হতে হবে-
প্রথমত:- তার নিজ দেহের শক্তি প্রয়োগ করে।
দ্বিতীয়ত:- কোন বস্তু এমনভাবে ব্যবহার করে, যার ফলে তার নিজের বা অপর কোন ব্যক্তির কোন কাজ ব্যতীত গতি বা গতির পরিবর্তন বা গতির স্তব্ধতা সাধিত হয়।
তৃতীয়ত:- কোন পশুকে চালিত করে গতি পরিবর্তন বা পশুটির গতি স্তব্ধ করে।
---------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 349: Force:
- A person is said to use force to another if he causes motion, change of motion, or cessation of motion to that other, or if he causes to any substance such motion, or change of motion, or cessation of motion as brings that substance into contact with any part of that other's body, or with anything which that other is wearing or carrying, or with anything so situated that such contact affects that other's sense of feeling:
Provided that the person causing the motion, or change of motion, or cessation of motion, causes that motion, change of motion, or cessation of motion in one of the three ways hereinafter described:
Firstly. By his own bodily power.
Secondly. By disposing any substance in such a manner that the motion or change or cessation of motion takes place without any further act on his part, or on the part of any other person.
Thirdly. By inducing any animal to move, to change its motion, or to cease to move.
৪২.
দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারা অনুযায়ী, কোন কাজ করলে শাস্তিযোগ্য নরহত্যার অপরাধ সংঘটিত হয়?
  1. মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্যে কোনো কাজ করা
  2. কোনো কাজ করা, যা মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে জানা থাকে
  3. কোনো কাজের মাধ্যমে দৈহিক আঘাত করা, যা মৃত্যু ঘটাতে পারে
  4. উপরের সবগুলো সঠিক
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো সঠিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো সঠিক
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারায় শাস্তিযোগ্য নরহত্যার অপরাধের শর্তগুলো বর্ণিত হয়েছে, এবং সেখানে যেকোনো কাজের মাধ্যমে মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে কিংবা এমন কাজ যা মৃত্যু ঘটাতে পারে, সে অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য নরহত্যা হতে পারে।
- মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্যে কোনো কাজ করা (ক):
যদি কোনো ব্যক্তি মৃত্যুর উদ্দেশ্যে কোনো কাজ করে এবং তার ফলস্বরূপ মৃত্যু ঘটে, তবে সেটা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা হবে। এটি সরাসরি হত্যার উদ্দেশ্যে কাজ করার প্রমাণ।
- কোনো কাজ করা, যা মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে জানা থাকে (খ):
যদি ব্যক্তি জানে যে তার কাজের মাধ্যমে মৃত্যু ঘটাতে পারে, এবং সে তাতে সজ্ঞানে কাজ করে, তাও শাস্তিযোগ্য নরহত্যা হবে। এখানে অভিপ্রায় বা উদ্দেশ্য থাকলেও, তিনি জানতেন যে তার কাজের ফলস্বরূপ মৃত্যু ঘটতে পারে।
- কোনো কাজের মাধ্যমে দৈহিক আঘাত করা, যা মৃত্যু ঘটাতে পারে (গ):
যদি কোনো ব্যক্তি এমন কাজ করে যা মৃত্যু ঘটাতে পারে, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যার অপরাধ বলে গণ্য হবে। অর্থাৎ, শরীরের এমন আঘাত করা, যা মৃত্যুর কারণ হতে পারে, সেক্ষেত্রেও অপরাধ হতে পারে।
⇒ এই তিনটি শর্ত পূর্ণ হলে, ব্যক্তিটি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার জন্য দায়ী হতে পারে।

⇒ কোন ব্যক্তি যদি:
- মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে এবং তার ফলস্বরূপ মৃত্যু ঘটে,
- যে কাজের মাধ্যমে দৈহিক জখম হতে পারে এবং সেই জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, এমন কাজ করে এবং তার ফলস্বরূপ মৃত্যু ঘটে,
- যে কাজ মৃত্যুর কারণ হতে পারে বলে সে জানে, সেই কাজ করে এবং তার ফলে মৃত্যু ঘটে, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারা- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):
কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।
- ব্যাখ্যা (Explanation) ১:
যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।
- ব্যাখ্যা (Explanation) ২:
যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।
- ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:
মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভূমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।
৪৩.
দণ্ডবিধির ৩৪ ধারায় কোন বিষয়টি গুরুত্ব পায়?
  1. ব্যক্তিগত অভিপ্রায়
  2. সাধারণ অভিপ্রায়
  3. হঠাৎ অপরাধ সংঘটন
  4. একক অপরাধী দ্বারা সংঘটিত অপরাধ
সঠিক উত্তর:
সাধারণ অভিপ্রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাধারণ অভিপ্রায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারায় সাধারণ অভিপ্রায় (Common Intention) একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যখন একাধিক ব্যক্তি একটি অপরাধ সংঘটনের জন্য একত্রিত হয় এবং তারা একই উদ্দেশ্য (অভিপ্রায়) বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে, তখন প্রত্যেক ব্যক্তি সেই অপরাধের জন্য সমানভাবে দায়ী হন, যদিও অপরাধটি প্রত্যেকে ব্যক্তিগতভাবে সম্পাদন না করে থাকে।
এই ধারার প্রয়োগের জন্য নিম্নলিখিত শর্তগুলো পূরণ হতে হবে—
- একাধিক ব্যক্তি (কমপক্ষে ২ জন বা তার বেশি) অপরাধে অংশগ্রহণ করবে।
- সাধারণ অভিপ্রায়ের (common intention) উপস্থিতি থাকতে হবে।
- অপরাধ সংঘটিত করতে সকলে মিলিতভাবে কাজ করবে।
এটি ব্যক্তিগত অভিপ্রায়ের (Individual Intention) উপর নির্ভর করে না, বরং সকলের সম্মিলিত পরিকল্পনা ও উদ্দেশ্যই মূল বিবেচ্য বিষয়।

উদাহরণ:
ধরা যাক, ছয় ব্যক্তি পরিকল্পনা করে একটি বাড়িতে ডাকাতি করতে যায় এবং তাদের মধ্যে একজন খুন করে। যদি এটি প্রমাণিত হয় যে তারা একই অভিপ্রায়ে অপরাধ করেছিল, তবে প্রত্যেকে খুনের জন্য দায়ী হবে, যদিও খুনটি একজন ব্যক্তি সরাসরি করেছে।

সুতরাং, দণ্ডবিধির ৩৪ ধারা অনুযায়ী, সাধারণ অভিপ্রায় থাকা অপরাধীদের প্রত্যেককে এমনভাবে দায়ী করা হয় যেন সে এককভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছে।
৪৪.
দণ্ডবিধির ৭৫ ধারা অনুসারে, পূর্বে অপরাধের জন্য ৩ বছর বা তার বেশি সময় দণ্ডিত হওয়ার পর আবার একই ধরনের অপরাধ করলে সর্বোচ্চ শাস্তি কত হতে পারে?
  1. ৩ বছর কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১০ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৭৫ ধারা অনুসারে, পূর্বে অপরাধের জন্য ৩ বছর বা তার বেশি সময় দণ্ডিত হওয়ার পর যদি একই ধরনের অপরাধ করা হয়, তবে সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে: ঘ) ১০ বছর কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৭৫ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি পূর্বে বাংলাদেশে দণ্ডিত হন এবং সেই অপরাধের জন্য ৩ বছর বা তার বেশি সময়ের শাস্তি পান, তবে পরবর্তী সময়ে যদি সেই ব্যক্তি একই ধরনের অপরাধ করেন, তাহলে তার শাস্তি বৃদ্ধি পাবে এবং তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা ১০ বছরের মধ্যে কোনো মেয়াদের শাস্তি দেওয়া হবে।

⇒ The Penal Code, 1860-Section -75. Enhanced punishment for certain offences under Chapter XII or Chapter XVII after previous conviction:
Whoever, having been convicted,
(a) by a Court in Bangladesh of an offence punishable under Chapter XII or Chapter XVII of this Code with imprisonment of either description for a term of three years or upwards;
shall be guilty of any offence punishable under either of those Chapters with like imprisonment for the like term, shall be 
subject for every such subsequent offence to imprisonment for life, or to imprisonment of either description for a term which may extend to ten years.
৪৫.
দণ্ডবিধির ২৩০ ধারা অনুসারে, নিচের কোনটি মুদ্রা নয়?
  1. বাংলাদেশি টাকা
  2. কড়ি
  3. স্ট্যাম্পযুক্ত ধাতবদ্রব্য
  4. ফারুখাবাদ টাকা
সঠিক উত্তর:
কড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কড়ি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৩০ ধারা অনুসারে, 'মুদ্রা' বলতে সেই ধাতব দ্রব্যকে বোঝায় যা অর্থরূপে ব্যবহৃত হয় এবং কোনো রাষ্ট্র বা সার্বভৌম শক্তি কর্তৃক স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত হয়।
ক) বাংলাদেশি টাকা: এটি মুদ্রা, কারণ এটি বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত এবং অর্থরূপে ব্যবহৃত হয়।
খ) কড়ি: এটি মুদ্রা নয়, কারণ এটি ধাতব দ্রব্য নয় এবং কোনো রাষ্ট্র বা সার্বভৌম শক্তি কর্তৃক স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত হয়নি।
গ) স্ট্যাম্পযুক্ত ধাতবদ্রব্য: এটি মুদ্রা হতে পারে যদি এটি কোনো রাষ্ট্র বা সার্বভৌম শক্তি কর্তৃক স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত হয় এবং অর্থরূপে ব্যবহৃত হয়।
ঘ) ফারুখাবাদ টাকা: এটি মুদ্রা, কারণ এটি পূর্বে ভারত সরকার কর্তৃক স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত হয়েছিল এবং অর্থরূপে ব্যবহৃত হতো।

উদাহরণ:
দণ্ডবিধির ২৩০ ধারার উদাহরণ (Illustration) অনুসারে, কড়ি (Cowries) মুদ্রা নয়, কারণ এটি ধাতব দ্রব্য নয় এবং কোনো রাষ্ট্র বা সার্বভৌম শক্তি কর্তৃক স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত হয়নি।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) কড়ি।

⇒ দণ্ডবিধির ২৩০ ধারার বিধান: 'মুদ্রার' সংজ্ঞা:- বর্তমানে অর্থরূপে ব্যবহৃত এবং অনুরূপে ব্যবহৃত হওয়ার জন্য কোন রাষ্ট্রে বা সার্বভৌম শক্তির ক্ষমতাধীনে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতব দ্রব্যকে মুদ্রা বলে।
বাংলাদেশি মুদ্রা (Bangladesh Coin):-
বাংলাদেশি মুদ্রা বলতে বাংলাদেশের সরকারের ক্ষমতাধীন অর্থরুপে ব্যবহারের জন্য স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বুঝাবে, এবং অর্থরুপে, ব্যবহার রহিত হওয়া সত্ত্বেও এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যাবলীর দিক হতে অনুরূপভাবে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতব দ্রব্য বাংলাদেশি মুদ্রা বলে পরিচিত হবে।
উদাহরণ:
(ক) কড়িগুলো মুদ্রা নয়।
(খ) স্ট্যাম্পবিহীন তাম্রখণ্ড অর্থরুপে ব্যবহৃত হয়ে থাকলেও মুদ্রা নয়।
(গ) পদকগুলো মুদ্রা নয়, যেহেতু উহা অর্থরুপে ব্যবহারের জন্য নির্মিত হয় নাই।
(ঘ) কোম্পানির টাকা বলে অঙ্কিত মুদ্রা রানীর মুদ্রা বলে পরিগণিত হবে।
(ঙ) "ফারুখাবাদ” টাকা যা পূর্বে ভারত সরকারের ক্ষমতাধীনে অর্থরুপে ব্যবহৃত হত-তবুও বাংলাদেশি মুদ্রা, যদিও এটা আজও অনুরূপভাবে ব্যবহৃত হয় না।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 230: “Coin” defined Bangladesh coin: Coin is metal used for the time being as money, and stamped and issued by the authority of some State or Sovereign Power in order to be so used.
- Bangladesh coin is metal stamped and issued by the authority of the Government in order to be used as money; and metal which has been so stamped and issued shall continue to be Bangladesh coin for the purposes of this Chapter, notwithstanding that it may have ceased to be used as money.

Illustration:
(a) Cowries are not coin.
(b) Lumps of unstamped copper, though used as money, are not coin.
(c) Medals are not coin, inasmuch as they are not intended to be used as money.
(d) The coin denominated as the Company's taka is the Queen's coin.
(e) The "Farukhabad" taka, which was formerly used as money under the authority of the Government of India, is Bangladesh coin although it is no longer so used.
৪৬.
According to the Penal Code, the words "______" denote any testamentary document.
  1. a deed
  2. a will
  3. a contract
  4. a document
সঠিক উত্তর:
a will
উত্তর
সঠিক উত্তর:
a will
ব্যাখ্যা
⇒ The Penal Code, 1860- Sections- 31.“A will” The words "a will" denote any testamentary document.

⇒ The Penal Code, 1860-এর ধারা ৩১ অনুযায়ী, "A will" শব্দটি যেকোনো টেস্টামেন্টারি ডকুমেন্ট বা ইচ্ছাপত্র নির্দেশ করে।
- ধারা ৩১ অনুযায়ী, "A will" বলতে যে কোনো টেস্টামেন্টারি ডকুমেন্ট বোঝানো হয়, যা একজন ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার সম্পত্তি বা অধিকার সৃষ্টির জন্য তার ইচ্ছাকে প্রকাশ করে।
- এটি এক ধরনের আইনগত দলিল যা মৃত্যুর পর একজন ব্যক্তির সম্পত্তি কিভাবে বিতরণ হবে, তা নির্ধারণ করে।
৪৭.
'ক' এর দ্বারা 'গ' এর দাঁত ভাঙার ঘটনায় 'ক' এর কৃত অপরাধ কী?
  1. সাধারণ জখম
  2. ইচ্ছাকৃত জখম
  3. মারাত্মক জখম
  4. হত্যা চেষ্টা
সঠিক উত্তর:
মারাত্মক জখম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারাত্মক জখম
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারা অনুযায়ী, দাঁত ভাঙা গুরুতর আঘাত বা মারাত্মক জখম হিসেবে গণ্য হয়।
- এটি ৩২০ ধারার সপ্তম দৃষ্টান্ত, যা বলে যে, "হাড় বা দাঁত ভাঙা" গুরুতর আঘাত হিসাবে পরিগণিত হবে।
- এছাড়া, ইচ্ছাকৃত জখম বা সাধারণ জখম এসবের মধ্যে দাঁত ভাঙার মতো গুরুতর আঘাত অন্তর্ভুক্ত নয়। দাঁত ভাঙার ঘটনা মারাত্মক জখম হিসেবেই বিবেচিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংসকরণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 320: Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":-
Firstly.-Emasculation.
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye.
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly.-Privation of any member or joint.
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint.
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face.
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth.
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
৪৮.
দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারা অনুসারে, নিচের কোনটি অনধিকার গৃহপ্রবেশের উদাহরণ?
  1. কোনো ব্যক্তির বাড়ির সামনে হাঁটা
  2. কোনো ব্যক্তির বাড়ির দরজায় দাঁড়ানো
  3. কোনো ব্যক্তির বাড়ির বাইরে কথা বলা
  4. কোনো ব্যক্তির বাড়ির জানালা দিয়ে হাত ঢোকানো
সঠিক উত্তর:
কোনো ব্যক্তির বাড়ির জানালা দিয়ে হাত ঢোকানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো ব্যক্তির বাড়ির জানালা দিয়ে হাত ঢোকানো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারা অনুসারে, অনধিকার গৃহপ্রবেশ বলতে বোঝায় অন্যের গৃহ, তাঁবু বা জলযানে অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে প্রবেশ করা বা সেখানে অবস্থান করা।
- ব্যাখ্যা অনুসারে, যদি কেউ অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে অন্যের গৃহের দরজা, জানালা বা অন্য কোনো পথ দিয়ে তার দেহের কোনো অংশ প্রবেশ করায়, তবে সেটিও অনধিকার গৃহপ্রবেশের অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
⇒ সুতরাং, "জানালা দিয়ে হাত ঢোকানো" অনধিকার গৃহপ্রবেশের উপযুক্ত উদাহরণ।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারার বিধান অনধিকার গৃহে প্রবেশ:- কোন ব্যক্তি যদি মানুষের আবাসস্থল হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে, তাঁবুতে বা জলযানে অথবা উপাসনালয় হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে অথবা সম্পত্তি হেফাজতের স্থান হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে প্রবেশ করে বা সেখানে অবস্থান করে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ সংঘটন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অনধিকার গৃহে প্রবেশ' অপরাধটি করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা:- অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশকারীর দেহের কোন অংশের প্রবেশই গৃহে অনধিকার প্রবেশ অপরাধ প্রতিদানের পক্ষে যথেষ্ট।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 442- House-trespass:- Whoever commits criminal trespass by entering into or remaining in any building, tent or vessel used as a human dwelling or any building used as a place for worship, or as a place for the custody of property, is said to commit "house-trespass".
Explanation:-The introduction of any part of the criminal trespasser's body is entering sufficient to constitute house trespass.
৪৯.
দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুসারে, প্ররোচনার ক্ষেত্রে "Instigation" বলতে কী বোঝায়?
  1. বস্তু ব্যবহার করা
  2. ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করা
  3. ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করা
  4. কাউকে কোনো কাজ করতে উদ্দীপিত করা
সঠিক উত্তর:
কাউকে কোনো কাজ করতে উদ্দীপিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাউকে কোনো কাজ করতে উদ্দীপিত করা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী "Instigation" বলতে বোঝায় কাউকে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করতে বা না করতে উৎসাহিত করা, প্রভাবিত করা বা প্ররোচিত করা। এটি সরাসরি হতে পারে (যেমন: মুখে বলা, নির্দেশ দেওয়া) অথবা পরোক্ষভাবে হতে পারে (যেমন: মিথ্যা তথ্য প্রদান, কিছু তথ্য গোপন করে অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করা)।
- যদি কেউ অন্য কাউকে ইচ্ছাকৃতভাবে প্ররোচিত করে এবং তার ফলে অপরাধ সংঘটিত হয়, তাহলে প্ররোচনাকারীও অপরাধের জন্য দায়ী হবে।

উদাহরণ:
- কেউ যদি অন্য ব্যক্তিকে হত্যা করতে উসকানি দেয় বা প্ররোচনা দেয়, তবে সে ব্যক্তি Instigation করেছে বলে বিবেচিত হবে।
- কেউ যদি মিথ্যা তথ্য দিয়ে কাউকে বেআইনি কাজ করতে উৎসাহিত করে, তবে সেটিও Instigation হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ যে সমস্ত কাজ করলে অপরাধ হয় সেই সমস্ত কাজ করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কোন ইন্ধন জোগান কিংবা সমর্থন করাকে আইনের ভাষায় প্ররোচনা বা Abetment বলা হয়।
-দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে।
(i) কাউকে প্ররোচিত করে (instigation)
(ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে (engagement)
(iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে (aiding)
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 107: Abetment of a thing: A person abets the doing of a thing, who
Firstly.- Instigates any person to do that thing; or
Secondly.- Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or
Thirdly.- Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing.

Explanation-1: A person who, by wilful misrepresentation, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing.
৫০.
দণ্ডবিধির ১০৯ ধারা অনুসারে, প্ররোচিত অপরাধ সংঘটিত হলে প্ররোচনাকারীর শাস্তি কী হবে?
  1. প্ররোচনাকারীকে অর্ধেক শাস্তি দেওয়া হবে
  2. প্ররোচনাকারীকে কোনো শাস্তি দেওয়া হবে না
  3. প্ররোচনাকারীকে শুধুমাত্র জরিমানা দেওয়া হবে
  4. প্ররোচনাকারীকে অপরাধের জন্য নির্ধারিত শাস্তি দেওয়া হবে
সঠিক উত্তর:
প্ররোচনাকারীকে অপরাধের জন্য নির্ধারিত শাস্তি দেওয়া হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্ররোচনাকারীকে অপরাধের জন্য নির্ধারিত শাস্তি দেওয়া হবে
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: ঘ) প্ররোচনাকারীকে অপরাধের জন্য নির্ধারিত শাস্তি দেওয়া হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ১০৯ ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি কোনো অপরাধে প্ররোচনা (Abetment) দেয় এবং সেই প্ররোচনার ফলে অপরাধটি সংঘটিত হয়, তবে প্ররোচনাকারীকে অপরাধের জন্য নির্ধারিত শাস্তি দেওয়া হবে। এই ধারাটি তখন প্রযোজ্য হয় যখন দণ্ডবিধিতে প্ররোচনার জন্য আলাদা বা স্পষ্ট শাস্তির বিধান নেই।

উদাহরণ:
যদি A, B কে কোনো অপরাধ করতে প্ররোচনা দেয় এবং B সেই অপরাধটি করে, তবে A কেও B এর মতো একই শাস্তি দেওয়া হবে, যদি দণ্ডবিধিতে প্ররোচনার জন্য আলাদা শাস্তির বিধান না থাকে।

সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ঘ) প্ররোচনাকারীকে অপরাধের জন্য নির্ধারিত শাস্তি দেওয়া হবে।
৫১.
দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি একটি লাঠি তুলে বলে, "আমি তোমাকে মারব", তবে এটি কী বলে গণ্য হয়?
  1. অপরাধ নয়
  2. আক্রমণ
  3. বলপ্রয়োগ
  4. শুধুমাত্র মৌখিক হুমকি
সঠিক উত্তর:
আক্রমণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আক্রমণ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি একটি লাঠি তুলে বলে, "আমি তোমাকে মারব", তবে এটি আক্রমণ (assault) হিসেবে গণ্য হবে। কারণ, এই অবস্থায় ব্যক্তি নিজের আচরণের মাধ্যমে ভীতি সৃষ্টি করেছে এবং আক্রমণের প্রচেষ্টা করেছে, যদিও শারীরিক আঘাত বাস্তবে ঘটেনি।
অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারা অনুসারে, আক্রমণ বলতে এমন কোন আচরণকে বোঝানো হয় যা অন্য ব্যক্তিকে শারীরিক আঘাতের আশঙ্কা সৃষ্টি করে। এই ক্ষেত্রে, ব্যক্তি একটি লাঠি তুলে ধরে এবং হুমকি দেয়, যা আক্রমণ হিসেবে পরিগণিত হয়। 

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারার বিধান আক্রমণ:- কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যাখ্যা:- কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।
উদাহরণ:
(ক) ক, চ-এর প্রতি মুষ্টি উত্তোলন করে। ইহার ফলে চ যাতে বিশ্বাস করে যে ক তাকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে, সে জন্যই ক তা করে অথবা ইহার ফলে এইরূপ হতে পারে জানা সত্ত্বেও তা করে। ক আক্রমণ করেছে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 351: Assault:
-Whoever makes any gesture, or any preparation intending or knowing it to be likely that such gesture or preparation will cause any person present to apprehend that he who makes that gesture or preparation is about to use criminal force to that person, is said to commit an assault.
Explanation.- Mere words do not amount to an assault. But the words which a person uses may give to his gestures or preparation such a meaning as may make those gestures or preparations amount to an assault.
Illustrations
(a) A shakes his fist at Z, intending or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that A is about to strike Z. A has committed an assault.
(b) A begins to unloose the muzzle of a ferocious dog, intending, or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that he is about to cause the dog to attack Z. A has committed an assault upon Z.
(c) A takes up a stick, saying to Z, "I will give you a beating". Here, though the words used by A could in no case amount to an assault, and though the mere gesture, unaccompanied by any other circumstances, might not amount to an assault, the gesture explained by the words may amount to an assault.
৫২.
দণ্ডবিধির ৯৬ ধারা অনুসারে, ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করে করা কাজ কী বলে গণ্য হয়?
  1. অপরাধ
  2. অপরাধ নয়
  3. সামান্য অপরাধ
  4. শাস্তিযোগ্য অপরাধ
সঠিক উত্তর:
অপরাধ নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধ নয়
ব্যাখ্যা
⇒ সঠিক উত্তর: খ) অপরাধ নয়।
⇒ দণ্ডবিধির ৯৬ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি তার বা অন্যের শরীর বা সম্পত্তি রক্ষার জন্য ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করে, তাহলে সে কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না।

- অর্থাৎ, যখন একজন ব্যক্তি নিজের বা অন্যের আত্মরক্ষা বা সম্পত্তি রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি প্রয়োগ করে, তখন এটি অপরাধের মধ্যে পড়বে না। এটি আইনের অধীনে স্বীকৃত একটি সুরক্ষা ব্যবস্থা।
-------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 96. Things done in private defence:
Nothing is an offence which is done in the exercise of the right of private defence.
৫৩.
দণ্ডবিধির ৩৯৩ ধারার বিধান অনুযায়ী, ডাকাতি করার চেষ্টা করলে সর্বোচ্চ শাস্তি কতটুকু হতে পারে?
  1. ৫ বছর কারাদণ্ড
  2. ৭ বছর কারাদণ্ড
  3. ১০ বছর কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯৩ ধারার বিধান অনুযায়ী, ডাকাতি করার চেষ্টা করলে সর্বোচ্চ শাস্তি ৭ বছর কারাদণ্ড হতে পারে।
- এটি উল্লেখযোগ্য যে, চেষ্টা করা অপরাধও শাস্তিযোগ্য এবং এটি শেষ পর্যন্ত ডাকাতি সংঘটিত না হলেও শাস্তির আওতায় আসবে। তবে শাস্তির মেয়াদ ৭ বছর পর্যন্ত হতে পারে এবং জরিমানা আরোপিত হতে পারে।
-------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-393. Attempt to commit robbery:
Whoever attempts to commit robbery shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
৫৪.
দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারায়, সরকারি কর্মচারীকে হুমকি দেওয়ার ক্ষেত্রে শাস্তির মেয়াদ কত সময় পর্যন্ত হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কেউ সরকারি কর্মচারীকে বা তার সঙ্গে সম্পর্কিত অন্য কোনো ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের হুমকি দেয়, এবং সেই হুমকি দেওয়ার উদ্দেশ্য যদি সরকারি কর্মচারীকে তার সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধ্য করা অথবা কোনো কাজ করতে বিলম্বিত করার জন্য হয়, তবে সেই ব্যক্তি ২ বছর পর্যন্ত মেয়াদে সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয় শাস্তি হতে পারে।
- এতে নির্দেশিত শাস্তির মেয়াদ ২ বছর পর্যন্ত হতে পারে, এবং শাস্তি কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারার বিধান সরকারি কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি:- কোন সরকারি কর্মচারী হিসেবে তার সরকারি কর্তব্য সম্পাদনের সাথে সংশ্লিষ্ট কোন কাজ করতে প্রবৃত্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন কাজ করা হতে বিরত হওয়ার বা করতে বিলম্ব করার জন্য বাধ্য করার উদ্দেশ্যে, কোন ব্যক্তি যদি উক্ত সরকারি কর্মচারীকে অথবা অন্য যে কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত সরকারি কর্মচারীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট, সে অন্য ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
⇒ The Penal Code, 1860- Section 189. Threat of injury to public servant:- Whoever holds out any threat of injury to any public servant, or to any person in whom he believes that public servant to be interested, for the purpose of inducing that public servant to do any act, or to forbear or delay to do any act, connected with the exercise of the public functions of such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৫৫.
দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারা অনুসারে, চুরির সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারা অনুসারে, চুরি করার জন্য সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ ৩ বছর হতে পারে। এছাড়া, শাস্তি হিসেবে অর্থ দণ্ডও প্রদান করা যেতে পারে বা উভয় দণ্ডও হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারার বিধান চুরি করার সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি চুরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 379 Punishment for theft: Whoever commits theft shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
৫৬.
সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারার অনুসারে, যদি 'A' এবং 'B' কে 'C' এর হত্যার জন্য যৌথভাবে বিচার করা হয় এবং 'A' স্বীকার করে, "'B' এবং আমি 'C' কে হত্যা করেছি," তবে আদালত কী করতে পারে?
  1. স্বীকৃতিটি উপেক্ষা করতে পারে
  2. স্বীকৃতিটি শুধুমাত্র A এর বিরুদ্ধে বিবেচনা করতে পারে
  3. স্বীকৃতিটি শুধুমাত্র B এর বিরুদ্ধে বিবেচনা করতে পারে
  4. স্বীকৃতিটি A এবং B উভয়ের বিরুদ্ধে বিবেচনা করতে পারে
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃতিটি A এবং B উভয়ের বিরুদ্ধে বিবেচনা করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃতিটি A এবং B উভয়ের বিরুদ্ধে বিবেচনা করতে পারে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) স্বীকৃতিটি A এবং B উভয়ের বিরুদ্ধে বিবেচনা করতে পারে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারার অনুসারে, যখন একাধিক ব্যক্তি একই অপরাধের জন্য যৌথভাবে বিচারাধীন থাকে এবং একজন ব্যক্তি তার স্বীকারোক্তিতে অন্যদের অন্তর্ভুক্ত করে, তখন আদালত ঐ স্বীকারোক্তি উভয়ের বিরুদ্ধে বিবেচনা করতে পারে।

⇒  সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারা অনুসারে, যখন একাধিক ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য যৌথভাবে বিচার করা হয় এবং তাদের মধ্যে একজন তার নিজের এবং অন্যান্য সহ-অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একটি স্বীকৃতি দেয়, তখন আদালত সেই স্বীকৃতিকে সহ-অভিযুক্তদের বিরুদ্ধেও বিবেচনা করতে পারে।
- এই ধারার উদ্দেশ্য হলো, যখন একই অপরাধের জন্য একাধিক ব্যক্তিকে একসাথে বিচার করা হয়, তখন একজন অভিযুক্তের স্বীকৃতি শুধুমাত্র তার নিজের বিরুদ্ধে নয়, বরং অন্যান্য সহ-অভিযুক্তদের বিরুদ্ধেও প্রাসঙ্গিক হতে পারে। তবে এই স্বীকৃতিকে অন্যান্য সহ-অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করার আগে আদালতকে সতর্কতার সাথে বিবেচনা করতে হবে এবং অন্যান্য প্রমাণের সাথে মিলিয়ে দেখতে হবে।

উদাহরণ:
যদি A এবং B কে C এর হত্যার জন্য যৌথভাবে বিচার করা হয় এবং A স্বীকার করে, "B এবং আমি C কে হত্যা করেছি," তবে আদালত এই স্বীকৃতিকে শুধুমাত্র A এর বিরুদ্ধে নয়, বরং B এর বিরুদ্ধেও বিবেচনা করতে পারে।
-----------------
⇒ The Evidence Act,1872, Section- 30. Consideration of proved confession affecting person making it and others jointly under trial for same offence:
When more persons than one are being tried jointly for the same offence, and a confession made by one of such persons affecting himself and some other of such persons is proved, the Court may take into consideration such confession as against such other persons as well as against the person who makes such confession.
Explanation.-"Offence", as used in this section, includes the abatement of, or attempt to commit, the offence.

Illustrations: 
(a) A and B are jointly tried for the murder of C. It is proved that A said-"B and I murdered C." The Court may consider the effect of this confession as against B.
(b) A is on his trial for the murder of C. There is evidence to show that C was murdered by A and B, and that B said- "A and I murdered C".
This statement may not be taken into consideration by the Court against A, as B is not being jointly tried.
৫৭.
নিম্নলিখিত কোনটি প্রত্যক্ষ সাক্ষ্যের উদাহরণ?
  1. কোনো সাক্ষীর মৌখিক শোনা কথা
  2. কোনো সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন
  3. কোনো ঘটনা প্রত্যক্ষদর্শীর সরাসরি বিবৃতি
  4. কোনো নথির প্রতিলিপি আদালতে উপস্থাপন
সঠিক উত্তর:
কোনো ঘটনা প্রত্যক্ষদর্শীর সরাসরি বিবৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো ঘটনা প্রত্যক্ষদর্শীর সরাসরি বিবৃতি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) কোনো ঘটনা প্রত্যক্ষদর্শীর সরাসরি বিবৃতি।

⇒ প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য (Direct Evidence) বলতে বোঝায় যে সাক্ষ্য সরাসরি বিচার্য বিষয়ে প্রভাব ফেলে এবং যার মাধ্যমে আদালত কোনো ঘটনার সত্যতা নির্ধারণ করতে পারে। এটি সাধারণত এমন সাক্ষ্য যা সাক্ষী নিজে প্রত্যক্ষভাবে দেখেছে, শুনেছে বা অনুভব করেছে।
- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৬০ ধারায় প্রত্যক্ষ সাক্ষ্যের গুরুত্ব উল্লেখ করা হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য অবশ্যই সাক্ষীর ব্যক্তিগত জ্ঞানের ভিত্তিতে হতে হবে এবং গুজব বা শোনা কথা (Hearsay) গ্রহণযোগ্য নয়।

⇒ অন্য অপশন গুলোর বিশ্লেষণ:
(ক) কোনো সাক্ষীর মৌখিক শোনা কথা:
- এটি প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য নয়, বরং পরোক্ষ বা মাধ্যমিক সাক্ষ্য। কারণ, এটি সাক্ষীর নিজের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং অন্য কারও বলা তথ্যের ভিত্তিতে গঠিত। এটি Hearsay Evidence হিসেবে গণ্য হয়, যা সাধারণত আদালতে গ্রহণযোগ্য নয়।
(খ) কোনো সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন:
- সংবাদপত্রের প্রতিবেদন একটি মাধ্যমিক সাক্ষ্য। কারণ, এটি ঘটনাস্থলে থাকা প্রত্যক্ষদর্শীর বিবৃতি নয়, বরং সাংবাদিক বা প্রতিবেদকের তৈরি একটি ডকুমেন্ট, যা বিভিন্ন সূত্র থেকে সংগৃহীত হতে পারে।
(ঘ) কোনো নথির প্রতিলিপি আদালতে উপস্থাপন:
- কোনো নথির প্রতিলিপি প্রাথমিক সাক্ষ্য নয়, বরং মাধ্যমিক সাক্ষ্য। কারণ, এটি মূল দলিল নয়, বরং তার অনুলিপি, যা প্রাথমিক সাক্ষ্যের অনুপস্থিতিতে ব্যবহৃত হথা

⇒ অর্থাৎ কোনো ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তি যদি সরাসরি আদালতে তার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন, তবে সেটিই প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য।
তাই সঠিক উত্তর: (গ) কোনো ঘটনা প্রত্যক্ষদর্শীর সরাসরি বিবৃতি।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬০ অনুযায়ী, মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে। অর্থাৎ,
যদি এটি এমন একটি বিষয় সম্পর্কে হয় যা দেখা যেতে পারে, তবে সেই সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে যে ব্যক্তি বলবে সে এটি দেখেছে;
যদি এটি এমন একটি বিষয় সম্পর্কে হয় যা শোনা যেতে পারে, তবে সেই সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে যে ব্যক্তি বলবে সে এটি শুনেছে;
যদি এটি এমন একটি বিষয় সম্পর্কে হয় যা অন্য কোনো অনুভূতি বা পদ্ধতিতে অনুভব করা যেতে পারে, তবে সেই সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে যে ব্যক্তি বলবে সে সেই অনুভূতির মাধ্যমে এটি অনুভব করেছে;
যদি এটি কোনো মতামত বা সেই মতামতের ভিত্তি সম্পর্কে হয়, তবে সেই সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে যে ব্যক্তি ওই মতামতটি ধারণ করেছে এবং তার ভিত্তি জানে।
এছাড়া, বিশেষজ্ঞদের মতামত যে কোনো বইয়ে প্রকাশিত থাকে, সেটি যদি সাধারণভাবে বিক্রয়ের জন্য পাওয়া যায় এবং সেই লেখক মৃত অথবা পাওয়া না যায়, অথবা সাক্ষ্য দিতে অক্ষম হয়, বা সাক্ষীকে ডাকার জন্য সময় ও খরচ অধিক হয়, তাহলে আদালত সেই বইটির উত্থাপন করার মাধ্যমে সেই মতামত প্রমাণ করতে পারে।
এছাড়া, যদি মৌখিক সাক্ষ্য কোনো পদার্থের অস্তিত্ব বা অবস্থা সম্পর্কে হয়, যা একটি দলিল ছাড়া অন্য কোনো বস্তু, তবে আদালত, যদি তা প্রযোজ্য মনে করে, তখন সেই বস্তুটির পরিদর্শনের জন্য উত্থাপন করতে পারে।
-------------
⇒ The Evidence Act, 1872: Section-60: Oral evidence must be direct:
- Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say-
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it;
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it;
if it refers to a fact which could be perceived by any other sense or in any other manner, it must be the evidence of a witness who says he perceived it by that sense or in that manner;
if it refers to an opinion or to the grounds on which that opinion is held, it must be the evidence of the person who holds that opinion on those grounds:
Provided that the opinions of experts expressed in any treatise commonly offered for sale, and the grounds on which such opinions are held, may be proved by the production of such treatises if the author is dead or cannot be found, or has become incapable of giving evidence, or cannot be called as a witness without an amount of delay or expense which the Court regards as unreasonable:
Provided also that, if oral evidence refers to existence or condition of any material thing other than a document, the Court may, if it thinks fit, require the production of such material thing for its inspection.
৫৮.
সাক্ষ্য আইনের ৩৫ ধারা অনুসারে, একজন সরকারি কর্মকর্তা তার দায়িত্ব পালনকালে তৈরি করা এন্ট্রির অবস্থা কী?
  1. এটি অপ্রাসঙ্গিক
  2. এটি চূড়ান্ত প্রমাণ
  3. এটি নিজেই একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা
  4. এটির জন্য সমর্থনকারী প্রমাণ প্রয়োজন
সঠিক উত্তর:
এটি নিজেই একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি নিজেই একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: গ) এটি নিজেই একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কোনো সরকারি কর্মকর্তা তার দায়িত্ব পালনকালে কোনো বই, রেজিস্টার বা রেকর্ডে একটি ঘটনা বা বিষয় সম্পর্কে এন্ট্রি তৈরি করেন, তবে তা নিজেই একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা হিসেবে গণ্য হবে। এর জন্য অন্য কোনো সমর্থনকারী প্রমাণের প্রয়োজন নেই।
- এই ধরনের এন্ট্রি প্রাসঙ্গিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে, কারণ এটি সরকারি কর্তৃপক্ষ কর্তৃক তার দায়িত্ব পালনকালে তৈরি করা হয়েছে।

⇒ The Evidence Act, 1872: Section- 35. Relevancy of entry in public record or digital record, made in performance of duty:
An entry in any public or other official book, register or record ,or digital record, stating a fact in issue or relevant fact, and made by a public servant in the discharge of his official duty, or by any other person in performance of a duty specially enjoined by the law of the country in which such book, register , record or digital record is kept, is itself a relevant fact.
৫৯.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৪১ অনুযায়ী, ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন (Leading question) কখন জিজ্ঞাসা করা যাবে?
  1. শুধুমাত্র জেরায়
  2. শুধুমাত্র জবানবন্দিতে
  3. শুধুমাত্র পুনঃজবানবন্দিতে
  4. শুধুমাত্র আদালতের নির্দেশে
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র জেরায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র জেরায়
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ক) শুধুমাত্র জেরায়।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৪১ অনুযায়ী, ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন (Leading question) সাধারণত জেরা (Cross-examination) পর্বে জিজ্ঞাসা করা যাবে। জেরার সময়, প্রশ্নকারী পক্ষ বিরুদ্ধ পক্ষের সাক্ষীকে এমন প্রশ্ন করতে পারে, যেগুলোর মধ্যে উত্তর দেওয়ার ইঙ্গিত থাকে, অর্থাৎ প্রশ্নটি এমনভাবে করা হয় যাতে সাক্ষী সহজে "হ্যাঁ" বা "না" উত্তর দিতে পারে।
তবে, জবানবন্দি বা পুনঃজবানবন্দি পর্বে সাধারণত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা নিষিদ্ধ থাকে, কারণ সেই সময় সাক্ষীর বক্তব্য স্পষ্টভাবে শোনা এবং সত্যতা যাচাই করা দরকার, এবং জেরার সময় ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নের মাধ্যমে সাক্ষীকে প্রভাবিত করা সম্ভব হতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান হলো ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন: প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।
⇒ যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question বলে। সাধারণত হ্যাঁ অথবা না ব্যাজেই এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪৩ ধারার বিধান যখন সেগুলো জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে:
নির্দেশক বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নসমূহ জেরা (cross-examination) এর সময় জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে।
---------
⇒ The Evidence Act, 1872- Section 141. Leading questions:
- Any question suggesting the answer which the person putting it wishes or expects to receive is called a leading question.

⇒ The Evidence Act, 1872- Section 143.When they may be asked:
- Leading questions may be asked in cross-examination.

৬০.
সাক্ষ্য আইনের সংজ্ঞা অনুসারে, 'ফ্যাক্টস ইন ইস্যু' (Facts in Issue) এর উদাহরণ কী?
  1. A, B কে হত্যা করার অভিযোগে অভিযুক্ত
  2. A এর ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য
  3. A এর মানসিক অবস্থা
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের সংজ্ঞা অনুসারে, 'ফ্যাক্টস ইন ইস্যু' (Facts in Issue) বলতে সেই সমস্ত তথ্য বা ঘটনাকে বোঝায়, যা কোনো মামলার মূল বিষয়বস্তু গঠন করে এবং যা থেকে কোনো অধিকার, দায় বা অক্ষমতার অস্তিত্ব বা প্রকৃতি প্রমাণিত হয়।
ক) A, B কে হত্যা করার অভিযোগে অভিযুক্ত: এটি একটি ফ্যাক্ট ইন ইস্যু, কারণ এটি মামলার মূল বিষয়বস্তু।
খ) A এর ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য: এটি একটি ফ্যাক্ট ইন ইস্যু, কারণ A এর ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য হত্যার অভিযোগের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।
গ) A এর মানসিক অবস্থা: এটি একটি ফ্যাক্ট ইন ইস্যু, কারণ A এর মানসিক অবস্থা (যেমন, মানসিক ভারসাম্যহীনতা) হত্যার অভিযোগের প্রমাণ বা খণ্ডনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

উদাহরণ:
যদি A, B কে হত্যা করার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়, তবে নিম্নলিখিত ফ্যাক্টস ইন ইস্যু হতে পারে:
- A কি B কে হত্যা করেছে?
- A এর হত্যার ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য ছিল কি?
- A কি মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় ছিল?
এই সমস্ত তথ্য বা ঘটনা মামলার মূল বিষয়বস্তু গঠন করে এবং আদালতের সিদ্ধান্তের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

⇒  সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ঘ) উপরের সবকটি।
৬১.
সাক্ষ্য আইনের ৮১ক ধারার অনুসারে, যদি একটি ডিজিটাল রেকর্ড অফিসিয়াল গেজেট হিসেবে দাবি করা হয়, তবে আদালত কী ধরে নেবে?
  1. ডিজিটাল রেকর্ডটি অপ্রাসঙ্গিক
  2. ডিজিটাল রেকর্ডটি আদালতে প্রমাণ করতে হবে
  3. ডিজিটাল রেকর্ডটি সঠিকভাবে সঞ্চিত এবং আইনানুগ ফর্মে আছে
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল রেকর্ডটি সঠিকভাবে সঞ্চিত এবং আইনানুগ ফর্মে আছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল রেকর্ডটি সঠিকভাবে সঞ্চিত এবং আইনানুগ ফর্মে আছে
ব্যাখ্যা
উত্তর: গ) ডিজিটাল রেকর্ডটি সঠিকভাবে সঞ্চিত এবং আইনানুগ ফর্মে আছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮১ক ধারার অনুসারে, যদি একটি ডিজিটাল রেকর্ড অফিসিয়াল গেজেট হিসেবে দাবি করা হয়, তাহলে আদালত এটি সঠিকভাবে সঞ্চিত এবং আইনানুগ ফর্মে থাকা হিসেবে ধরে নেবে, যদি এটি প্রমাণিত হয় যে এটি আইন অনুযায়ী সঠিকভাবে সংরক্ষিত এবং যথাযথ হেফাজতে রয়েছে।

⇒ The Evidence Act, 1872: Section- 81A. Presumption as to Gazettes in digital forms
The Court shall presume the genuineness of every digital record purporting to be the Official Gazette, or purporting to be digital record directed by any law to be kept by any person, if such digital record is kept substantially in the form required by law and is produced from proper custody.

Explanation.-Digital records are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable.
৬২.
সাক্ষ্য আইনে ধারা ২৪ অনুযায়ী, স্বীকারোক্তি অগ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য কী প্রয়োজন?
  1. স্বীকারোক্তি স্বেচ্ছামূলক হতে হবে
  2. স্বীকারোক্তি পুলিশের কাছে করা হতে হবে
  3. স্বীকারোক্তি ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে করা হতে হবে
  4. স্বীকারোক্তি ভীতি, প্রলোভন বা প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে আদায় করা হতে হবে
সঠিক উত্তর:
স্বীকারোক্তি ভীতি, প্রলোভন বা প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে আদায় করা হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকারোক্তি ভীতি, প্রলোভন বা প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে আদায় করা হতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ উত্তর: ঘ) স্বীকারোক্তি ভীতি, প্রলোভন বা প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে আদায় করা হতে হবে।

- সাক্ষ্য আইনের ধারা ২৪ অনুযায়ী, যদি কোনো স্বীকারোক্তি ভীতি প্রদর্শন, প্রলোভন বা প্রতিশ্রুতি দেওয়ার মাধ্যমে আদায় করা হয়, তাহলে সেই স্বীকারোক্তি আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে না। অর্থাৎ, যদি স্বীকারোক্তি কোনো ধরনের চাপ বা প্রতারণা দ্বারা নেওয়া হয়, তবে তা প্রমাণ হিসাবে গ্রহণ করা হবে না। তবে, যদি স্বীকারোক্তি স্বেচ্ছামূলকভাবে এবং কোনো প্রলোভন বা ভীতি ছাড়া করা হয় এবং তা ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে বা পুলিশের উপস্থিতিতে হয়, তবে তা গ্রহণযোগ্য হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৪ ধারা - প্রলোভন, ভীতি বা প্রতিশ্রুতি দ্বারা সৃষ্ট স্বীকারোক্তি, যখন ফৌজদারি কার্যবিধিতে অপ্রাসঙ্গিক:
যদি কোনো আসামী তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সাথে সম্পর্কিত কোনো প্রলোভন, ভীতি বা প্রতিশ্রুতি দ্বারা প্রভাবিত হয়ে স্বীকারোক্তি প্রদান করেন এবং আদালত মনে করেন যে, এই স্বীকারোক্তি কোনো কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আসামীকে লাভ বা ক্ষতি থেকে মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা দেখানোর জন্য প্রদান করা হয়েছে, তবে সেই স্বীকারোক্তি ফৌজদারি কার্যবিধিতে প্রাসঙ্গিক হবে না।
--------------------
⇒ The Evidence Act, 1872 section 24. Confession caused by inducement, threat or promise, when irrelevant in criminal proceeding:
A confession made by an accused person is irrelevant in a criminal proceeding, if the making of the confession appears to the Court to have been caused by any inducement, threat or promise having reference to the charge against the accused person, proceeding from a person in authority and sufficient, in the opinion of the Court, to give the accused person grounds which would appear to him reasonable for supposing that by making it he would gain any advantage or avoid any evil of a temporal nature in reference to the proceedings against him.
৬৩.
সাক্ষ্য আইনের ৬৫খ ধারা অনুসারে, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু প্রমাণ করার জন্য কোন তথ্য প্রাসঙ্গিক নয়?
  1. মৌখিক সাক্ষ্য
  2. কম্পিউটার সঠিকভাবে কাজ করেছে
  3. তথ্য নিয়মিত কম্পিউটারে ইনপুট করা হয়েছে
  4. ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু মূল তথ্য থেকে তৈরি বা উদ্ধার করা হয়েছে
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
⇒ সঠিক উত্তর: ক) মৌখিক সাক্ষ্য।
- সাক্ষ্য আইনের ৬৫খ ধারার অধীনে, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু প্রমাণ করতে যেসব শর্ত পূর্ণ করতে হয়, তার মধ্যে মৌখিক সাক্ষ্য প্রাসঙ্গিক নয়। ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু প্রমাণ করার জন্য যা প্রাসঙ্গিক তা হলো:
- কম্পিউটার সঠিকভাবে কাজ করেছে
- তথ্য নিয়মিতভাবে কম্পিউটারে ইনপুট করা হয়েছে
- ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু মূল তথ্য থেকে তৈরি বা উদ্ধার করা হয়েছে
এখানে মৌখিক সাক্ষ্য কোনো প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হবে না, কারণ ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু প্রমাণ করার জন্য কম্পিউটার ও তার সিস্টেমের নির্ভুলতা সম্পর্কিত তথ্যই গুরুত্বপূর্ণ।
৬৪.
সাক্ষ্য আইনের ৯০ক ধারা অনুসারে, কত বছর পুরানো ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা সম্পর্কে আদালত অনুমান করতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: গ) ৫ বছর।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯০ক ধারার অনুসারে, পাঁচ বছর পুরনো কোন ডিজিটাল রেকর্ডের ক্ষেত্রে আদালত এটি presume করতে পারে যে, যে ডিজিটাল সিগনেচারটি রেকর্ডে রয়েছে, তা ঐ ব্যক্তির বা তার অনুমোদিত অন্য কোনো ব্যক্তির দ্বারা সঠিকভাবে সংযুক্ত করা হয়েছে।

⇒ The Evidence Act, 1872: Section- 90A. Presumption as to digital records five years old:
Where any digital record, purporting or proved to be five years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the digital signature which purports to be the digital signature of any particular person was so affixed by him or any person authorized by him in this behalf.

Explanation.- Digital records are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable.
৬৫.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বেসরকারি দলিল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৭৪ ধারা
  2. ৭৫ ধারা
  3. ৭৬ ধারা
  4. ৭৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
৭৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৫ ধারা
ব্যাখ্যা
→ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৭৫ ধারায় বেসরকারি দলিল (Private Document) সম্পর্কিত আলোচনা করা হয়েছে।
৭৫ ধারার মূল বক্তব্য:
বেসরকারি দলিল হলো সরকারি দলিল ছাড়া যে সকল দলিল থাকে, যেমন ব্যক্তিগত চিঠিপত্র, বিক্রয় চুক্তি, উইল, দানপত্র, কবলা দলিল ইত্যাদি। এগুলি সাধারণত ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয় এবং এগুলি সরকারি সংস্থার কার্যক্রমের অংশ নয়।

অর্থাৎ বেসরকারি দলিল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে সাক্ষ্য আইনের ৭৫ ধারায়। 
৬৬.
'ক' একটি অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত। অপরাধের পরে তার পলাতক হওয়া, অপরাধলব্ধ সম্পত্তি রাখা বা অপরাধে ব্যবহৃত জিনিসপত্র লুকাবার চেষ্টা করা হল:
  1. দুর্বল প্রমাণ
  2. প্রাসঙ্গিক তথ্য
  3. অপ্রাসঙ্গিক তথ্য
  4. চূড়ান্ত প্রমাণিত তথ্য
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক তথ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক তথ্য
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ (The Evidence Act, 1872)-এর ধারা ৮ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি অপরাধের পর যে আচরণ করে, তা প্রাসঙ্গিক (Relevant) হিসেবে গণ্য হতে পারে যদি তা অপরাধ সংঘটিত হওয়া বা অপরাধের সাথে সম্পর্কযুক্ত হয়।
- অভিযুক্তের এই ধরনের আচরণ প্রাসঙ্গিক তথ্য (Relevant Fact) হিসেবে বিচারিক কার্যক্রমে বিবেচিত হয় এবং এটি আদালতের রায়ে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে, এটি একমাত্র ভিত্তিতে দোষী সাব্যস্ত করার জন্য যথেষ্ট নয়, বরং অন্যান্য প্রমাণের সাথে মিলিয়ে বিচার করা হয়।

- সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারা অনুসারে, কোনো ব্যক্তির আচরণ (Conduct) যা কোনো ফ্যাক্টস ইন ইস্যু বা প্রাসঙ্গিক ঘটনার সাথে সম্পর্কিত, তা প্রাসঙ্গিক (Relevant) বলে বিবেচিত হয়। এই ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, কোনো ব্যক্তির আচরণ, যেমন পলায়ন, অপরাধলব্ধ সম্পত্তি রাখা বা অপরাধে ব্যবহৃত জিনিসপত্র লুকানোর চেষ্টা করা, তা প্রাসঙ্গিক তথ্য হিসেবে গণ্য হয়।
ক) দুর্বল প্রমাণ: এটি ভুল, কারণ পলায়ন বা সম্পত্তি লুকানোর চেষ্টা দুর্বল প্রমাণ নয়, বরং তা প্রাসঙ্গিক তথ্য।
খ) প্রাসঙ্গিক তথ্য: এটি সঠিক, কারণ অপরাধের পর পলায়ন, অপরাধলব্ধ সম্পত্তি রাখা বা অপরাধে ব্যবহৃত জিনিসপত্র লুকানোর চেষ্টা করা প্রাসঙ্গিক আচরণ হিসেবে গণ্য হয়।
গ) অপ্রাসঙ্গিক তথ্য: এটি ভুল, কারণ এই ধরনের আচরণ প্রাসঙ্গিক তথ্য হিসেবে বিবেচিত হয়।
ঘ) চূড়ান্ত প্রমাণিত তথ্য: এটি ভুল, কারণ এই ধরনের আচরণ চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, বরং তা প্রাসঙ্গিক তথ্য হিসেবে গণ্য হয়।

সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) প্রাসঙ্গিক তথ্য।

উদাহরণ:
যদি কোনো ব্যক্তি অপরাধের পর পলায়ন করে, অপরাধলব্ধ সম্পত্তি রাখে বা অপরাধে ব্যবহৃত জিনিসপত্র লুকানোর চেষ্টা করে, তবে এই আচরণ আদালতের কাছে প্রাসঙ্গিক তথ্য হিসেবে বিবেচিত হবে এবং তা অপরাধের প্রমাণে সহায়ক হতে পারে।
৬৭.
সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারা অনুসারে, ডিজিটাল সিগনেচার সার্টিফিকেট ইস্যুকারী সার্টিফাইং অথরিটির মতামত কী হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. চূড়ান্ত প্রমাণ
  2. প্রাসঙ্গিক ঘটনা
  3. অপ্রাসঙ্গিক তথ্য
  4. শুধুমাত্র মৌখিক সাক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক ঘটনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক ঘটনা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) প্রাসঙ্গিক ঘটনা।
সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারা অনুসারে, আদালত যখন কোনো ব্যক্তির ডিজিটাল সিগনেচার সম্পর্কে মতামত গঠন করতে চায়, তখন সার্টিফাইং অথরিটি (Certifying Authority)-এর মতামত একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা (Relevant Fact) হিসেবে বিবেচিত হয়। সার্টিফাইং অথরিটি হলো সেই প্রতিষ্ঠান যা ডিজিটাল সিগনেচার সার্টিফিকেট ইস্যু করে এবং ডিজিটাল সিগনেচারের সত্যতা ও বৈধতা যাচাই করে।
অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারার মতে, ডিজিটাল সিগনেচার সার্টিফিকেট ইস্যুকারী সার্টিফাইং অথরিটির মতামত একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি আদালতকে সাহায্য করে ডিজিটাল স্বাক্ষরের বৈধতা সম্পর্কে মতামত গঠন করতে, তবে এটি চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে গণ্য হয় না।
----------
⇒ The Evidence Act, 1872: Section- 47A. Opinion as to digital signature where relevant:
When the Court has to form an opinion as to the digital signature of any person, the opinion of the Certifying Authority which has issued the Digital Signature Certificate is a relevant fact.
৬৮.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে "May Presume" বলতে কী বোঝায়?
  1. আদালত অবশ্যই উক্ত তথ্যকে প্রমাণিত বলে গ্রহণ করবে
  2. আদালত ইচ্ছা করলে উক্ত তথ্যকে প্রমাণিত বলে গ্রহণ করতে পারে
  3. আদালত উক্ত তথ্যকে কোনো প্রকার প্রমাণ ছাড়াই সত্য বলে গণ্য করবে
  4. আদালত কোনো পরিস্থিতিতেই উক্ত তথ্যকে সত্য বলে মেনে নিতে পারবে না
সঠিক উত্তর:
আদালত ইচ্ছা করলে উক্ত তথ্যকে প্রমাণিত বলে গ্রহণ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত ইচ্ছা করলে উক্ত তথ্যকে প্রমাণিত বলে গ্রহণ করতে পারে
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: খ) আদালত ইচ্ছা করলে উক্ত তথ্যকে প্রমাণিত বলে গ্রহণ করতে পারে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪ নং ধারা অনুসারে, "May Presume" এর অর্থ হলো আদালত ইচ্ছা করলে কোনো নির্দিষ্ট তথ্যকে প্রমাণিত বলে ধরে নিতে পারে, অথবা চাইলে সেটির জন্য প্রমাণ চাইতে পারে। তবে, এটি বাধ্যতামূলক নয়—আদালত তার বিবেচনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবে।
অর্থাৎ "May Presume" বলতে বোঝানো হয় যে আদালত ইচ্ছা করলে কোনো তথ্যকে সত্য ধরে নিতে পারে, তবে চাইলে সেটির জন্য প্রমাণও চাইতে পারে। এটি বাধ্যতামূলক নয়।
উদাহরণ:
যদি কোনো দলিল আদালতে উপস্থাপন করা হয়, তবে আদালত ইচ্ছা করলে সেটিকে প্রামাণ্য দলিল বলে ধরে নিতে পারে, অথবা দলিলের সত্যতা সম্পর্কে অতিরিক্ত প্রমাণ চাইতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারার মতে অনুমান করতে পারে (May presume): যেখানেই এই আইনের বিধান আছে যে, আদালত কোন বিষয় ধরে নিতে পারেন, সেখানে আদালত হয় সেই বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন; না হয় তা প্রমাণ করার আহ্বান জানাবেন।
⇒ অনুমান করবে (Shall presume): যেখানেই এই আইনের নির্দেশ আছে যে, আদালত কোন বিষয় অবশ্যই ধরে নিবেন, সেখানে উক্ত বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন।
⇒ চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): এই আইনে যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ বলে গণ্য করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলে অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং তা মিথ্যা প্রমাণিত। করার জন্য সাক্ষ্যদানের অনুমতি দিবেন না।
----------
⇒ The Evidence Act, 1872: Section- 4:
"May presume" - Whenever it is provided by this Act that the Court may presume a fact, it may either regard such fact as proved, unless and until it is disproved, or may call for proof of it:
“Shall presume” - Whenever it is directed by this Act that the Court shall presume a fact, it shall regard such fact as proved, unless and until it is disproved:
“Conclusive proof” - When one fact is declared by this Act to be conclusive proof of another, the Court shall, on proof of the one fact, regard the other as proved, and shall not allow evidence to be given for the purpose of disproving it.
৬৯.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৫০ অনুচ্ছেদ অনুসারে, মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করার জন্য কত দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ২০ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৫০ অনুচ্ছেদ অনুসারে, মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করার জন্য ৭ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে। এই সময়সীমা দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে গণনা করা হয়।
- এই বিধানটি ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
- মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করার সময়সীমা অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত (৭ দিন) হওয়ার কারণ হলো, মৃত্যুদণ্ড একটি গুরুতর শাস্তি এবং এর বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি প্রতিকার পাওয়া জরুরি।
- এই সময়সীমা দায়রা আদালত বা হাইকোর্ট কর্তৃক প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

উদাহরণ:
যদি কোনো ব্যক্তিকে দায়রা আদালত বা হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রদান করে, তাহলে সেই ব্যক্তি বা তার আইনগত প্রতিনিধি দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে আপিল দায়ের করতে পারবেন।

⇒ সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ক) ৭ দিন।
৭০.
তামাদি আইনের ১৭ ধারা অনুসারে, নিচের কোন মোকদ্দমা এই ধারার আওতায় পড়ে না?
  1. অগ্রক্রয়ের মোকদ্দমা
  2. স্থাবর সম্পত্তির দখলের মোকদ্দমা
  3. বংশগত পদের মোকদ্দমা
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: ঘ) উপরের সবকটি।
⇒ তামাদি আইনের ১৭ ধারা অনুসারে, সাধারণত যদি কোনো ব্যক্তি মোকদ্দমা দায়েরের অধিকারী হত কিন্তু অধিকার সৃষ্টির আগেই মারা যায়, তাহলে তামাদির মেয়াদ গণনা করা হবে মৃত ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধি যোগ্য হওয়ার দিন থেকে। একইভাবে, যদি কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়েরের অধিকার সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়, তাহলে তামাদির মেয়াদ গণনা করা হবে মৃত ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধি যোগ্য হওয়ার দিন থেকে।
তবে এই ধারার কিছু ব্যতিক্রম রয়েছে। নিম্নলিখিত মোকদ্দমাগুলো এই ধারার আওতায় পড়ে না:
ক) অগ্রক্রয়ের মোকদ্দমা
খ) স্থাবর সম্পত্তির দখলের মোকদ্দমা
গ) বংশগত পদের মোকদ্দমা
এই মোকদ্দমাগুলোর ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনার জন্য ১৭ ধারা প্রযোজ্য হবে না।

→ ১৭ ধারা সাধারণ মোকদ্দমার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, তবে অগ্রক্রয়, স্থাবর সম্পত্তির দখল এবং বংশগত পদের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রযোজ্য নয়।
এই ব্যতিক্রমগুলো তামাদি আইনের ১৭ ধারার উপধারা (৩) এ উল্লেখ করা হয়েছে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ঘ) উপরের সবকটি।
৭১.
তামাদি আইনের প্রথম তফশিলের কত নং অনুচ্ছেদে অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার কার্যকরের মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ দেওয়া আছে?
  1. ৭ অনুচ্ছেদে
  2. ১০ অনুচ্ছেদে
  3. ১৩ অনুচ্ছেদে
  4. ১৭ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১০ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফশিলের ১০ অনুচ্ছেদে অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার কার্যকরের মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ দেওয়া আছে।
- এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, অগ্রক্রয়ের অধিকার কার্যকর করার জন্য মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ ১ বছর।
এই মেয়াদ গণনা শুরু হয়:
→ ক্রেতা যদি সম্পত্তিতে প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ করে, তাহলে দখল গ্রহণের তারিখ থেকে।
→ যদি ক্রেতা প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ না করে, তাহলে বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ থেকে।

⇒ সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) ১০ অনুচ্ছেদে।
৭২.
তামাদি আইনে উল্লেখ নেই এমন দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ কখন থেকে গণনা করা হয়?
  1. আদালতের নির্দেশনা থেকে
  2. দরখাস্ত দাখিলের তারিখ থেকে
  3. অধিকার উদ্ভবের তারিখ থেকে
  4. মামলা নিষ্পত্তির তারিখ থেকে
সঠিক উত্তর:
অধিকার উদ্ভবের তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিকার উদ্ভবের তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৮১ অনুযায়ী, যদি কোনো দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের তফসিলে উল্লেখ না থাকে, তাহলে সেই দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর ধরা হয়। এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় অধিকার উদ্ভবের তারিখ থেকে। অর্থাৎ, যখন থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অধিকার বা দাবি প্রতিষ্ঠিত হয়, সেই তারিখ থেকে ৩ বছরের মধ্যে দরখাস্ত দাখিল করতে হবে।

উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ব্যক্তির জমি দখল বা সম্পত্তি সম্পর্কিত অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে সেই তারিখ থেকে ৩ বছরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট দরখাস্ত আদালতে দাখিল করতে হবে। যদি এই সময়সীমা অতিক্রম করে যায়, তাহলে দরখাস্তটি তামাদির কারণে বাতিল হয়ে যেতে পারে।

→ সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো গ) অধিকার উদ্ভবের তারিখ থেকে।
৭৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদি আইনের কোন অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হবে?
  1. ১১২ অনুচ্ছেদ
  2. ১২০ অনুচ্ছেদ
  3. ১২৫ অনুচ্ছেদ
  4. ১০২ অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১২০ অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হবে।
→ তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়েরের জন্য তামাদির মেয়াদ ৬ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মানে, ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার ক্ষেত্রে ৬ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে।
৭৪.
তামাদি আইনের ২৯ ধারা অনুসারে, যদি কোনো বিশেষ আইনে তামাদির মেয়াদ নির্ধারণ করা থাকে, তাহলে তামাদি আইনের কোন ধারা প্রযোজ্য হবে?
  1. ধারা ৩
  2. ধারা ৪
  3. ধারা ৯
  4. ধারা ২২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ২৯ ধারা অনুসারে, যদি কোনো বিশেষ আইনে তামাদির মেয়াদ নির্ধারণ করা থাকে, তাহলে তামাদি আইনের ধারা ৩ প্রযোজ্য হবে। ধারা ৩ বলে, যদি কোনো বিশেষ আইন অনুযায়ী তামাদির মেয়াদ নির্ধারণ করা থাকে, তাহলে সেই বিশেষ আইনটি তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রযোজ্য হবে এবং তামাদি আইনের অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিধান, যেমন ধারা ৪, ৯, ১৮, প্রযোজ্য হবে না যদি সেগুলি বিশেষ আইনে এক্সক্লুড করা না থাকে।

⇒ তামাদি আইনের ২৯ ধারা সংরক্ষণ:
(১) এই আইনের কোনো বিধান ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করবে না।
(২) যেক্ষেত্রে কোনো বিশেষ আইনে কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য এই আইনের প্রথম তফসিলে নির্ধারিত মেয়াদ অপেক্ষা ভিন্নতর মেয়াদের বিধান রয়েছে, সেক্ষেত্রে এই আইনের ৩ ধারার বিধানসমূহ এইরূপভাবে প্রযোজ্য হবে, যেন উক্ত ভিন্নতর মেয়াদ এই আইনের উক্ত তফসিলেই নির্ধারিত হয়েছে এবং কোন বিশেষ আইনের বিধান অনুসারে কোন মামলা, আপিল বা দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ গণনার উদ্দেশ্যে-
ক. এই আইনের ৪ ধারা, ৯ হতে ১৮ ধারা ও ২২ ধারার বিধানসমূহ সেই পরিমাণে প্রযোজ্য হবে, যে পরিমাণ তা উক্ত বিশেষ আইনের স্পষ্ট বহির্ভূত নয়; এবং
খ. এই আইনের অবশিষ্ট বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না।
(৩) এই আইনের কোন বিধান বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন, ১৮৬৯ অনুসারে আনীত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
(৪) যে সকল এলাকায় ১৮৮২ সালের সুখাধিকার আইনের আওতায় আপাতত সম্প্রসারিত করা হবে, সেই সকল এলাকা। হতে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত 'সুখাধিকার' এবং সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
----------
⇒ The Limitation Act:- Section- 29. Savings:
(1) Nothing in this Act shall affect section 25 of the Contract Act, 1872. 
(2) Where any special law prescribes for any suit, appeal or application a period of limitation different from the period prescribed therefore by the first schedule, the provision of section 3 shall apply, as if such period were prescribed therefor in that schedule, and for the purpose of determining any period of limitation prescribed for any suit, appeal or application by any special law- 
(a) the provisions contained in section 4, sections 9 to 18, and section 22 shall apply only in so far as, and to the extent to which, they are not expressly excluded by such special  law; and 
(b) the remaining provisions of this Act shall not apply. 
(3) Nothing in this Act shall apply to suits under the Divorce Act. 
(4) Sections 26 and 27 and the definition of “easement” in section 2 shall not apply to cases arising in territories to which the Easements Act, 1882, may for the time being extend.
৭৫.
তামাদি আইনের ১০ ধারা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে ট্রাস্ট হিসেবে থাকা সম্পত্তির মালিকের বিরুদ্ধে মামলা করার ক্ষেত্রে তামাদি আইন কীভাবে প্রযোজ্য?
  1. যেকোনো সময় মামলা করা যাবে
  2. কেবল ১২ বছরের মধ্যে মামলা করা যাবে
  3. নির্দিষ্ট সময়সীমার পর মামলা গ্রহণযোগ্য হবে না
  4. কেবল উত্তরাধিকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে
সঠিক উত্তর:
যেকোনো সময় মামলা করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেকোনো সময় মামলা করা যাবে
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: ক) যেকোনো সময় মামলা করা যাবে।
⇒ তামাদি আইনের ১০ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো সম্পত্তি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে ট্রাস্ট হিসেবে কারও কাছে ন্যস্ত (vested) থাকে, তাহলে সেই সম্পত্তির মালিক বা তার আইনি প্রতিনিধি বা অধিকারী (assigns) – যদি তারা বিনিময়ে কোনো মূল্য পরিশোধ না করে থাকেন – তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার ক্ষেত্রে তামাদি সীমাবদ্ধতা প্রযোজ্য নয়।
এর অর্থ হলো, সুনির্দিষ্ট ট্রাস্টভুক্ত সম্পত্তি উদ্ধার বা তার হিসাব চাওয়ার জন্য মামলা দায়েরের কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই, যেকোনো সময় মামলা করা সম্ভব।
তবে, এই বিধান সাধারণ সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, এটি কেবলমাত্র নির্দিষ্ট ট্রাস্টভুক্ত সম্পত্তি ও ধর্মীয় বা দাতব্য ট্রাস্টভুক্ত সম্পত্তি-এর জন্য প্রযোজ্য।

→ ধারা ১০-এর বিশেষ দিকসমূহ:
- সাধারণ তামাদি সময়সীমা প্রযোজ্য নয় – সাধারণত দেওয়ানি মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদি আইনের বিভিন্ন ধারা নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেয়, তবে ধারা ১০-এর আওতাভুক্ত ট্রাস্ট সম্পত্তির ক্ষেত্রে এই সীমাবদ্ধতা নেই।
- ধর্মীয় বা দাতব্য ট্রাস্টও অন্তর্ভুক্ত – মুসলিম, হিন্দু বা বৌদ্ধ ধর্মীয় বা দাতব্য সংক্রান্ত সম্পত্তিকে নির্দিষ্ট ট্রাস্ট হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং এসব ট্রাস্টের ম্যানেজারকে ট্রাস্টি হিসেবে গণ্য করা হয়।
- অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে মামলা হতে পারে – ট্রাস্টের সম্পত্তি যদি অবৈধভাবে অন্যের দখলে চলে যায়, তাহলে ট্রাস্টি বা তার উত্তরাধিকারী যেকোনো সময় মামলা করতে পারবেন।

→ অন্য অপশনগুলো বিশ্লেষণ:
(খ) কেবল ১২ বছরের মধ্যে মামলা করা যাবে – এটি ভুল, কারণ ধারা ১০-এর আওতায় ট্রাস্টভুক্ত সম্পত্তির জন্য কোনো নির্দিষ্ট তামাদি সীমা নেই।
(গ) নির্দিষ্ট সময়সীমার পর মামলা গ্রহণযোগ্য হবে না – এটি ভুল, কারণ নির্দিষ্ট ট্রাস্টের জন্য সময়সীমা প্রযোজ্য নয়।
(ঘ) কেবল উত্তরাধিকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে – এটি ভুল, কারণ মূল ট্রাস্টির বিরুদ্ধেও মামলা করা যেতে পারে।

→ অর্থাৎ তামাদি আইনের ১০ ধারা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট ট্রাস্টভুক্ত সম্পত্তির বিষয়ে মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে কোনো সময়সীমা নেই। তাই যেকোনো সময় মামলা করা যাবে।
৭৬.
একই মামলায় একাধিক অ্যাডভোকেট নিযুক্ত হলে কে মামলা পরিচালনা করবেন?
  1. মক্কেলের পছন্দ অনুযায়ী
  2. আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী
  3. সিনিয়র অ্যাডভোকেট
  4. জুনিয়র অ্যাডভোকেট
সঠিক উত্তর:
সিনিয়র অ্যাডভোকেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিনিয়র অ্যাডভোকেট
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) সিনিয়র অ্যাডভোকেট।
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette অনুযায়ী, যদি একই মামলায় একাধিক অ্যাডভোকেট নিযুক্ত হয়, তবে সিনিয়র অ্যাডভোকেট মামলাটি পরিচালনা করবেন।
- Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ১ম অধ্যায়ের বিধি-১১ অনুসারে, একই মামলায় একাধিক অ্যাডভোকেট নিযুক্ত হলে, সিনিয়র অ্যাডভোকেট মামলা পরিচালনা করবেন।
- এটি পেশাগত শিষ্টাচার এবং নিয়মের অংশ, যেখানে সিনিয়রিটি এবং অভিজ্ঞতাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়।

⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette CHAPTER 1 - CONDUCT WITH REGARD TO OTHER ADVOCATES:
- Rule-11. Where more than one Advocate is engaged on any side it is the right of the senior member to lead the case and the junior members to assist him.
৭৭.
Canons of Professional Conduct and Etiquette- অনুযায়ী একজন আইনজীবীর সহ-আইনজীবির প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য কয়টি?
  1. ৮টি
  2. ১০টি
  3. ১১টি
  4. ১৪টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ১ম অধ্যায় অনুযায়ী, একজন আইনজীবীর সহ-আইনজীবির প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য মোট ১১টি।
- এই বিধিগুলো আইনজীবীদের পেশাগত আচরণ, শিষ্টাচার এবং সহ-আইনজীবিদের প্রতি সম্মান ও সহযোগিতার নীতিমালা নির্ধারণ করে।

⇒ এই ১১টি বিধি নিম্নরূপ:
১. ব্যক্তিগত ও পেশাগত মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখা।
২. পেশাগত প্রচারণার জন্য বিজ্ঞাপন না দেওয়া।
৩. দালাল বা অন্য ব্যক্তিকে আইন পেশা পরিচালনার অনুমতি না দেওয়া।
৪. প্রতিপক্ষ মক্কেলের সাথে মামলার বিষয় নিয়ে সরাসরি আলোচনা না করা।
৫. প্রতিপক্ষের এডভোকেটের অনুপস্থিতিতে মামলার বিষয়বস্তু উপস্থাপনা না করা (এক তরফা মামলা ব্যতীত)।
৬. অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট নিয়োগের ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী অ্যাডভোকেটের বকেয়া পরিশোধ নিশ্চিত করা।
৭. প্রতিপক্ষের এডভোকেটের ব্যক্তিগত ইতিহাস বা বৈশিষ্ট্য নিয়ে বক্তব্য না দেওয়া।
৮. ফিস বণ্টন নীতিমালা মেনে চলা।
৯. বার কাউন্সিল প্রণীত তালিকাভুক্তির বিধান মেনে চলা।
১০. সিনিয়র ও প্রবীণ আইনজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা।
১১. একাধিক অ্যাডভোকেট নিযুক্ত হলে সিনিয়র অ্যাডভোকেট মামলা পরিচালনা করা।

→ সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো গ) ১১টি।