পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
[নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।] বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিকসমূহ: ১. জাতীয় পুরস্কার, বাংলাদেশের খেলাধুলাসহ চলচ্চিত্র, গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি। ২. স্বাধীনতা ও অন্যান্য আন্দোলন সংগ্রাম সংশ্লিষ্ট সাহিত্য ও চলচ্চিত্র। উৎস: বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলাপিডিয়া, সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট, দৈনিক পত্রিকা এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
২০২৫ সালে চলচ্চিত্রে অবদান রাখায় একুশে পদক পেয়েছেন কে?
  1. মাহফুজ উল্লা
  2. আজিজুর রহমান
  3. ফেরদৌস আরা
  4. মাহমুদুর রহমান
সঠিক উত্তর:
আজিজুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আজিজুর রহমান
ব্যাখ্যা
একুশে পদক ২০২৫:
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য দেশের ১৭ জন বিশিষ্ট নাগরিক এবং বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলকে ২০২৫ সালের একুশে দেওয়া হয়েছে।
- তাদের মধ্যে ছয়জনই মরণোত্তর এ সম্মাননা পেয়েছেন।

⇒ পুরস্কার প্রাপ্তরা -
- চলচ্চিত্রে আজিজুর রহমান (মরণোত্তর)।

এছাড়াও,
- সংগীতে ওস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া (মরণোত্তর) ও ফেরদৌস আরা।
- সাংবাদিকতা ও মানবাধিকারে মাহমুদুর রহমান।
- আলোকচিত্রে নাসির আলী মামুন।
- চিত্রকলায় রোকেয়া সুলতানা।
- সাংবাদিকতায় মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর)।
- সংস্কৃতি ও শিক্ষায় শহীদুল আলম।
- শিক্ষায় নিয়াজ জামান।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে মেহদী হাসান খান, রিফাত নবী, তানবিন ইসলাম সিয়াম ও শাবাব মুস্তাফা।
- সমাজসেবায় মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী (মরণোত্তর)।
- ভাষা ও সাহিত্যে হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর) ও শহীদুল জহির (মরণোত্তর)।
- গবেষণায় মঈদুল হাসান।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
.
'অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী' চলচ্চিত্রের প্রেক্ষাপট কী?
  1. মুক্তিযুদ্ধ
  2. ভাষা আন্দোলন
  3. ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
  4. রোহিঙ্গা সমস্যা
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধ
ব্যাখ্যা
অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী (১৯৭২):
- স্বাধীনতা-পরবর্তী মুক্তিযুদ্ধের দ্বিতীয় ছবি অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী।
- সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের চলচ্চিত্র ‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’।

উল্লেখ্য,
- মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত হলেও বিষয়বস্তুতে অনন্যসাধারণ এই চলচ্চিত্রটি।
- 'লাঞ্ছিত নারীত্বের মর্যাদা দাও, নিষ্পাপ সন্তানদের বরণ কর'- এই স্লোগানে ১৯৭২ সালে প্রখ্যাত পরিচালক সুভাষ দত্ত নির্মাণ করেন অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী চলচ্চিত্রটি।
- ছবিটি মূলত একজন অভিনেতাকে কেন্দ্র করেই গড়ে ওঠে; যিনি যুদ্ধের বিভীষিকা থেকে রক্ষা পেতে পার্শ্ববর্তী দেশে পালিয়ে যান।
- কিন্তু দেশ স্বাধীন হওয়ার পর শুরু হয় নিজের বিবেকের দংশন।
- এভাবেই এগিয়ে চলে ছবিটির গল্প।
- এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেন ববিতা, উজ্জল, আনোয়ার হোসেনসহ আরো অনেকে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) কালের কন্ঠ।
.
প্রামাণ্যচিত্র ‘A State Is Born’ কে নির্মাণ করেন?
  1. গীতা মেহতা
  2. মোস্তফা কামাল
  3. জহির রায়হান
  4. আলমগীর কবির
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
A State Is Born:
- ‘এ স্টেট ইজ বর্ন’ প্রামাণ্যচিত্রর নির্মাতা জহির রায়হান।
- এটি ‘জাতীয় মুক্তিসংগ্রামভিত্তিক চলচ্চিত্র’-এর দ্বিতীয় খণ্ড।
- ১৯ মিনিটের এ প্রামাণ্যচিত্রটি ৩৫ মি.মি. ফরম্যাটে নির্মাণ করা হয়েছিল।
- চিত্রনাট্য, প্রযোজনা ও পরিচালনা: জহির রায়হান,
- ধারা বর্ণনা রচনা ও পাঠ: আলমগীর কবির,
- চিত্রগ্রহণ– অরুণ রায়, সম্পাদনা: দেবব্রত সেনগুপ্ত।

উল্লেখ্য,
- প্রামাণ্যচিত্রটি আমাদের জাতীয় ইতিহাসকে চলচ্চিত্রের পর্দায় প্রতিফলিত করার চেষ্টা করে। এতে নির্মাতা স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুত্থানের ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস চিত্রায়িত করেছেন। প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের গঠন, যাবতীয় কর্মকাণ্ড ও ভবিষ্যৎ কর্মপন্থার কথা এ ছবিতে প্রতিফলিত হয়েছে। ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে এ ছবির গুরুত্ব অপরিসীম। ছবিটির ইংরেজি ধারাভাষ্য বর্ণনা করেন আলমগীর কবির। 

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো।
.
নিম্নের কোনটি থেকে ‘জয়যাত্রা’ চলচ্চিত্রের কাহিনী রচিত হয়েছে?
  1. আমজাদ হোসেনের গল্প থেকে
  2. হুমায়ূন আহমেদের গল্প থেকে
  3. সেলিনা হোসেনের গল্প থেকে
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
আমজাদ হোসেনের গল্প থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমজাদ হোসেনের গল্প থেকে
ব্যাখ্যা
‘জয়যাত্রা’ চলচ্চিত্র:
- মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত চলচ্চিত্র জয়যাত্রা।
- চলচ্চিত্রটির পরিচালক তৌকির আহমেদ।
- জয়যাত্রা সিনেমায় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সম্পৃক্ততা ছিল। 
- ২০০৪ সালে চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায়। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের বিখ্যাত সম্পাদক, কাহিনীকার ও চলচ্চিত্র পরিচালক আমজাদ হোসেন এর কাহিনী নিয়ে সংলাপ, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন তৌকির আহমেদ।
- এটি তার পরিচালিত প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ ভিত্তিক এই ছবিটি প্রযোজনা করেছে ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিঃ।
- চলচ্চিত্রটিতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিপাশা হায়াত, আজিজুল হাকিম, মাহফুজ আহমেদ, হুমায়ুন ফরীদি, তারিক আনাম খান, আবুল হায়াত, চাঁদনী।
- চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করে শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি স্বরূপ পরিচালক তৌকির আহমেদ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এ শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র ও শ্রেষ্ঠ পরিচালক ২০০৪ পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: প্রথম আলো।
.
বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেলের নাম কী?
  1. একুশে টিভি
  2. এনডিটিভি
  3. এটিএন বাংলা
  4. একাত্তর টেলিভিশন
সঠিক উত্তর:
এটিএন বাংলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটিএন বাংলা
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল:
- স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে টেলিভিশনের অনুষ্ঠান সম্প্রচার ব্যবস্থা।
- স্যাটেলাইট চ্যানেল ১৯৯০ সালের পূর্বে বাংলাদেশে প্রচলিত ছিল না। 
- বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেলের নাম এটিএন বাংলা। 

উল্লেখ্য,
- স্যাটেলাইট এই দেশে বাণিজ্যিকভাবে শুরু হয় ১৯৯৫ সালে।
- বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি টিভি চ্যানেল এটিএন বাংলা।
- এটি চালু হয় ১৯৯৭ সালের ১৫ জুলাই।
- বিশ্বব্যাপী প্রথম বাংলাভাষা সম্প্রচার ঘটলো স্যাটেলাইট চ্যানেল এটিএন বাংলার মাধ্যমে।
- ‘অবিরাম বাংলার মুখ’ স্লোগানটি নিয়ে ১৯৯৭ সালে চ্যানেলটি যাত্রা শুরু করে। 

উৎস: i) এটিএন বাংলা ওয়েবসাইট।
ii) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
.
কার গল্প অবলম্বনে 'হাঙর নদী গ্রেনেড' চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়েছে?
  1. চাষী নজরুল ইসলাম
  2. হুমায়ূন আহমেদ
  3. সেলিনা হোসেন
  4. সৈয়দ শামসুল হক
সঠিক উত্তর:
সেলিনা হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেলিনা হোসেন
ব্যাখ্যা
হাঙর নদী গ্রেনেড:
- সেলিনা হোসেনের গল্প অবলম্বনে মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত চলচ্চিত্র হাঙর নদী গ্রেনেড।
- এর পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম।
- এর কাহিনিতে দেখা যায়, মুক্তিযোদ্ধাদের বাঁচাতে একজন মা তার বাক্প্রতিবন্ধী ছেলেকে তুলে দেয় পাকিস্তানি মিলিটারির হাতে।

উল্লেখ্য,
- মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষিতে বেশ কিছু উপন্যাস লিখেছেন সেলিনা হোসেন।
- তার মধ্যে ভীষণ আলোচিত উপন্যাস 'হাঙর নদী গ্রেনেড'।
- মুক্তিযুদ্ধের এক আবেগী ও প্রতিবাদী উপন্যাস এটি।
- হলদী গ্রামের এক বয়স্ক নারীর জীবন এই উপন্যাসে মূর্ত হয়ে ওঠে।
- এই নারী তাঁর নিজের ছেলেদের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে যেমন উদ্বুদ্ধ করেন, তেমনি মুক্তিযোদ্ধাদের বাঁচাতে নিজের মানসিক প্রতিবন্ধী ছেলেকে তুলে দেন পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে।
- উপন্যাসে এই মায়ের আত্মসংগ্রাম, দেশের জন্য ত্যাগের অপার মহিমা ভাস্বর হয়ে ওঠে।
- আর উপন্যাসে বর্ণিত গ্রামটিও যেন মুক্তিযুদ্ধের প্রতীকী এক বাংলাদেশ।

উৎস: প্রথম আলো।
.
২০২৫ সালের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (BPL) ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন হয় কোন দল?
  1. চিটাগাং কিংস
  2. ঢাকা ক্যাপিটালস
  3. খুলনা টাইগার্স
  4. ফরচুন বরিশাল
সঠিক উত্তর:
ফরচুন বরিশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরচুন বরিশাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ ২০২৫:
- ২০২৫ সালের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ১১তম আসর অনুষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এই লিগের আয়োজন করে।
- অংশগ্রহণকারী দল: ৭টি।
- চ্যাম্পিয়ন: ফরচুন বরিশাল।
- রানার্সআপ: চিটাগাং কিংস।
- টুর্নামেন্ট সেরা: মেহেদী হাসান মিরাজ (খুলনা টাইগার্স)।
- সর্বাধিক উইকেটধারী: তাসকিন আহমেদ (২৫) (দুর্বার রাজশাহী)।
- সর্বাধিক রান সংগ্রহকারী: মোহাম্মদ নাইম (৫১১) (খুলনা টাইগার্স)।

উৎস: Bangladesh Premier League ওয়েবসাইট।
.
রবীন্দ্র-সাহিত্যের গবেষণায় বাংলা একাডেমি কোন ব্যক্তিকে ২০২৪ সালে ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ প্রদান করে?
  1. আবদুল হাকিম
  2. রাজিয়া সুলতানা
  3. ভীষ্মদেব চৌধুরী
  4. সমীর কুমার সরকার
সঠিক উত্তর:
ভীষ্মদেব চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভীষ্মদেব চৌধুরী
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্র পুরস্কার:
- রবীন্দ্রসাহিত্যের গবেষণা ও সমালোচনা এবং রবীন্দ্রসংগীতের আজীবন সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- বাংলা একাডেমি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ২০১০ সাল থেকে রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তন করে।
- প্রতিবছর দুই বা তিনজনকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়। এ পুরস্কারের অর্থমূল্য ৫০ হাজার টাকা।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালে বাংলা একাডেমির ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ পেয়েছেন অধ্যাপক ভীষ্মদেব চৌধুরী ও শিল্পী লাইসা আহমদ।
- বাংলা একাডেমি রবীন্দ্র-সাহিত্যের গবেষণায় অবদানের জন্য অধ্যাপক ভীষ্মদেব চৌধুরীকে এবং রবীন্দ্রসংগীত-চর্চায় অবদানের জন্য অধ্যাপক লাইসা আহমদ লিসাকে রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২৪-এ ভূষিত করেছে।

⇒ অধ্যাপক ভীষ্মদেব চৌধুরী মূলত সাহিত্য-গবেষক, সমালোচক। সিলেট শহরের সুরমা নদীর তীর ঘেঁষা তোপখানায় তার জন্ম ১৯৫৭ সালের ৩০ নভেম্বর। তার শিক্ষকতা দিয়ে চাকরি জীবনের সূচনা ১৯৮৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। তিরিশোত্তর বাংলা কথাসাহিত্য, রবীন্দ্র ছোটগল্প এবং বাংলাদেশের সাহিত্য ছিল তার পাঠদান, চিন্তা-চর্চা আর লেখার প্রধান বিষয়।

⇒ সংগীতশিল্পী লাইসা আহমদ লিসা। রবীন্দ্রনাথের গানসহ সুস্থধারার সংগীত পরিবেশনের মধ্যদিয়ে জয় করে চলেছেন শ্রোতার মন। তিনি ছায়ানটের সাধারণ সম্পাদক।

উৎস: i) বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
.
'নদীর নাম মধুমতি' চলচ্চিত্রটি কোন প্রেক্ষাপটে নির্মিত?
  1. মুক্তিযুদ্ধ
  2. ভাষা আন্দোলন
  3. গ্রামীন জীবন
  4. ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধ
ব্যাখ্যা
নদীর নাম মধুমতি:
- মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘নদীর নাম মধুমতি’।
- 'নদীর নাম মধুমতি' এর পরিচালক তানভীর মোকাম্মেল।
- চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় ১৯৯৫ সালে।
- এতে অভিনয় করেছেন তৌকীর আহমেদ, আফসানা মিমি, আলী যাকের, সারা যাকের, রাইসুল ইসলাম আসাদ, ঝুনা চৌধুরী প্রমুখ।

উৎস: প্রথম আলো।
১০.
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭০ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৭৩ সালে
  4. ১৯৭৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা:
- ১৯৭২ সালের জানুয়ারি মাসে এক সরকারি আদেশবলে জাতীয় সংবাদ সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রায় যন্ত্রসরঞ্জামহীন অবস্থায় প্রাক্তন এপিপি-র অল্পসংখ্যক কর্মকর্তা নিয়ে এই সংস্থা কার্যক্রম শুরু করে।

⇒ দেশ তখন বহির্বিশ্ব থেকে ছিল বিচ্ছিন্ন, কিন্তু শীঘ্রই ইন্ডিয়ার পিটিআই-এর সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে সংস্থাটি সংবাদ সংগ্রহ শুরু করে এবং পরপরই ইউপিআই, এএফপি ও রয়টারের সংস্থাগুলির মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী তার যোগাযোগের সঙ্গে যুক্ত হয়।
- সংশ্লিষ্ট ঘটনাক্রম ও জাতীয় সংবাদ সহজলভ্য করা এবং আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলির সার্ভিসের সহজপ্রাপ্যতা ও দেশের সংবাদ সংস্থাগুলির সার্ভিসের জন্য ১৯৭৯ সালে বাসস অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে এ সংস্থাকে জাতীয় সংবাদ সংস্থা হিসেবে দায়িত্ব পালনের ক্ষমতা দেওয়া হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১.
আলমগীর কবির নিম্নের কোন চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেছেন?
  1. রূপালী সৈকতে
  2. সংগ্রাম
  3. আবার তোরা মানুষ হ
  4. অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী
সঠিক উত্তর:
রূপালী সৈকতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপালী সৈকতে
ব্যাখ্যা
আলমগীর কবির:
- বাংলাদেশের চলচ্চিত্র আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ আলমগীর কবির।
- আলমগীর কবিরের জন্ম রাঙামাটি শহরে ১৯৩৮ সালের ২৬ ডিসেম্বর।
- ১৯৮৯ সালের ২০ জানুয়ারি তাঁর মৃত্যু হয়।

⇒ প্রামাণ্যচিত্র দিয়ে পরিচালনা শুরু করলেও স্বাধীনতার পরে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করা শুরু করেন।
- মুক্তিযুদ্ধ-উত্তর বাংলাদেশে তিনি বেশ কটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন।
- তাঁর নির্মিত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র হলো ধীরে বহে মেঘনা (১৯৭৩), সূর্যকন্যা (১৯৭৬), সীমানা পেরিয়ে (১৯৭৭), রূপালী সৈকতে (১৯৭৯), মোহনা (১৯৮২), পরিণীতা (১৯৮৪) ও মহানায়ক (১৯৮৫)।
- তাঁর পরিচালিত তিনটি চলচ্চিত্র ‘ধীরে বহে মেঘনা’, ‘সীমানা পেরিয়ে’ ও ‘রূপালী সৈকতে’ ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউটের ‘বাংলাদেশের সেরা ১০ চলচ্চিত্র’র তালিকায় স্থান পেয়েছে।

⇔ রূপালী সৈকতে:
- আলমগীর কবিরের চতুর্থ সিনেমা “রূপালি সৈকতে”।
- আলমগীর কবির “রুপালি সৈকতে” চলচ্চিত্রটি নির্মান করেছিলেন ১৯৭৯ সালে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১২.
২০২৫ সালে সমাজসেবায় কে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন?
  1. স্যার ফজলে হাসান আবেদ
  2. আজম খান
  3. নভেরা আহমেদ
  4. আবরার ফাহাদ
সঠিক উত্তর:
স্যার ফজলে হাসান আবেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্যার ফজলে হাসান আবেদ
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন।
- পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে পাঁচ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়েছে।

⇒ স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ প্রাপ্ত:
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর),
- সাহিত্য: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর),
- সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর),
- সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর),
- মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর),
- শিক্ষা ও গবেষণা: বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর,
- প্রতিবাদী তারুণ্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১৩.
সুতরাং চলচ্চিত্রটি কে পরিচালনা করেছেন?
  1. সুভাষ মুখোপাধ্যায়
  2. এনায়েত করিম বাবুল
  3. মোরশেদুল ইসলাম
  4. সুভাষ দত্ত
সঠিক উত্তর:
সুভাষ দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুভাষ দত্ত
ব্যাখ্যা
সুতরাং:
- সুতরাং ১৯৬৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতাপূর্ব একটি পাকিস্তানি বাংলা ভাষার চলচ্চিত্র।
- ছবিটি পরিচালনা করেছেন সুভাষ দত্ত। 
- তিনি এই ছবিতে একটি গ্রামের ছেলের চরিত্রে অভিনয় করেছেন।
- সুভাষ দত্ত ছাড়াও ছবির প্রধান প্রধান চরিত্রগুলোতে অভিনয় করেছেন কবরী, রানী সরকার, বেবী জাসমীন, বেবী জামান, মেছবাহ, আকবর, মঞ্জুর, ইনাম, সিরাজ, মেহেদী, খান জইনুলসহ আরো অনেকে।
- সৈয়দ শামসুল হক এই চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য, সংলাপ রচনা করেছিলেন এবং সকল গানের গীতিকার ছিলেন.

উল্লেখ্য,
- এটি সুভাষ দত্তের প্রথম পরিচালিত চলচ্চিত্র।
- এই চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সত্য সাহার চলচ্চিত্র সংগীত পরিচালনার অভিষেক ঘটে।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম চলচ্চিত্র হিসেবে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র সম্মাননা লাভ করেছিল।
- ১৯৬৫ সালে ফ্রাংকফুর্ট চলচ্চিত্র উৎসবে দ্বিতীয় শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র হিসেবে পুরস্কার লাভ করে।

উৎস: BBC.
১৪.
ভাষা শহিদ আবুল বরকতকে কত সালে (মরণোত্তর) একুশে পদক প্রদান করা হয়?
  1. ১৯৯৮ সালে
  2. ১৯৯৯ সালে
  3. ২০০০ সালে
  4. ২০০১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০০ সালে
ব্যাখ্যা
আবুল বরকত:
- ভাষা আন্দোলনের একজন শহিদ আবুল বরকত। 
- আবুল বরকত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন।

⇒ ভাষা শহিদ আবুল বরকত ১৯২৭ সালের ১৩ জুন অবিভক্ত বাংলার মুর্শিদাবাদ জেলায় গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ভারত বিভাগের পর ১৯৪৮ সালে সপরিবার ঢাকায় চলে আসেন।
- তিনি ১৯৫১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে চতুর্থ হয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন। পরে একই বিভাগে স্নাতকোত্তর শ্রেণীতে ভর্তি হন।
- বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতির দাবিতে সংগঠিত আন্দোলনে ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি পুলিশের গুলিতে আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শাহাদাত বরণ করেন।

উল্লেখ্য,
- ভাষা আন্দোলনে আত্মদানের স্বীকৃতি স্বরূপ আবুল বরকতকে ২০০০ সালে একুশে পদকে (মরণোত্তর) ভূষিত করা হয়।

উৎস: i) Dhaka University ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।