পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১১
সিলেবাস
বিষয় - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি টপিকসমূহ: ১. আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি: [গুরুত্বপূর্ণ মহাদেশ, দেশ (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, চীন, ফ্রান্স, রাশিয়ার, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি, কানাডা, অস্ট্রেলিয়ার, দক্ষিণ আফ্রিকা, জাপান প্রভৃতি) ইত্যাদি সম্পর্কিত সাধারণ তথ্য, ইতিহাস ও রাজনীতি] ২. আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক: [নিরস্ত্রীকরণ, নিরাপত্তা ও কূটনীতি সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিসমূহ (অর্থনৈতিক ও পরিবেশ সংক্রান্ত চুক্তি বাদে)] ------------- নির্দেশনা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ] · তারিখ অনির্ধারিত · ১১ প্রশ্ন

.
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মোট ইলেক্টোরাল কলেজ ভোটের সংখ্যা কত?
  1. ৫৩৬টি
  2. ৫৩৭টি
  3. ৫৩৮টি
  4. ৫৩৯টি
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন পদ্ধতি:
- ‘ইলেক্টোরাল কলেজ’ পদ্ধতিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই পদ্ধতিতে ভোটাররা সরাসরি প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অংশগ্রহণ করেন না।
- নির্বাচনের ফলাফল ভোটারদের দেওয়া ভোটে সরাসরি নির্ধারিত হয় না। জাতীয় স্তরের নির্বাচনি লড়াইয়ের বদলে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হবে একেকটি অঙ্গরাজ্যের নির্বাচনি লড়াইয়ের মাধ্যমে।
- যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যের একটিতে জয়ী হওয়ার অর্থ একজন প্রার্থী সেই অঙ্গরাজ্যের সবকটি ‘ইলেক্টোরাল কলেজ’ ভোট পেয়ে যাবেন।
- ইলেক্টোরাল কলেজের মোট ভোটের সংখ্যা ৫৩৮টি।
- মাইন ও নেব্রাসকা এই দুটো অঙ্গরাজ্য বাদে বাকি সবগুলো রাজ্যের ইলেকটোরাল ভোট যোগ দিলে যে প্রার্থী ২৭০টি বা তারও বেশি ভোট পাবেন তিনিই প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবেন।
- প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের বেশ কয়েকটি করে ইলেক্টোরাল ভোট থাকে, যা ওই অঙ্গরাজ্যের জনসংখ্যার মোটামুটিভাবে সমানুপাতিক হয়।
- ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে সর্বাধিক ৫৪টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট রয়েছে।

তথ্যসূত্র - যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট।
.
ব্রিটিশ রাজপরিবারের বাসভবনের নাম -
  1. বাকিংহাম প্যালেস
  2. হোয়াইট হাউজ
  3. হোয়াইট হল
  4. ডাউনিং স্ট্রিট
ব্যাখ্যা
যুক্তরাজ্য:
- সরকার ব্যবস্থা - সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।
- সরকার প্রধান - প্রধানমন্ত্রী।
- রাষ্ট্র প্রধান - রানি বা রাজা।
- ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন - ১০ নং ডাইনিং স্ট্রিট।
- বৃটেনের অর্থমন্ত্রীর বাসভবন - ১১ নং ডাইনিং স্ট্রিট।
- ব্রিটিশ রাজপরিবারের বাসভবন - বাকিংহাম প্যালেস (লন্ডন)।
- সংবিধান - অলিখিত।
- প্রথম প্রধানমন্ত্রী - রবার্ট ওয়ালপল।
- রাষ্ট্রপ্রধান - রাজা তৃতীয় চার্লস।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী - কিয়ার স্টারমার। (ডিসেম্বর, ২০২৪)
- প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী - মার্গারেট থ্যাচার।
- যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী উইনস্টোন চার্চিল রাজনীতিবিদ হয়েও সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

উল্লেখ্য,
- ব্রিটিশ রাজপরিবারের বাসভবন: বাকিংহাম প্যালেস (লন্ডন)।
- যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব: ভিক্টোরিয়া ক্রস।
- যুক্তরাজ্যের পতাকে বলা হয়: ইউনিয়ন জ্যাক।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
.
'মসুল' শহরটি কোন দেশে অবস্থিত?
  1. সিরিয়া
  2. ইরাক
  3. ইয়েমেন
  4. ইরান
ব্যাখ্যা
মসুল:
- উত্তর-পশ্চিম ইরাকের প্রধান শহর মসুল।
- মসুল ইরাকের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর।
- এটি দেশের উত্তর-পশ্চিম অংশের প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র।
- মসুল আরব বিশ্বের বৃহত্তর এবং ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলির মধ্যে একটি।

ইরাক:
- ইরাক দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া একটি দেশ।
- আয়তন: ১৬৭,৯৭৪ বর্গ মাইল (৪৩৫,০৫২ বর্গ কিমি)।
- ইরাক বিশ্বের ৫৮তম বৃহত্তম দেশ।
- সীমান্তবর্তী দেশ: সৌদি আরব, জর্ডান, সিরিয়া, তুরস্ক, কুয়েত, ইরান।
- রাজধানী: বাগদাদ।
- ভাষা: আরবি, কুর্দি (অফিসিয়াল)।
- ধর্ম: ইসলাম (সরকারি, বেশিরভাগ শিয়া), এছাড়াও খ্রিস্টান ধর্ম।
- মুদ্রা: দিনার।
- ইরাকে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পেট্রোলিয়ামের মজুদ রয়েছে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
.
ভারতের সেভেন সিস্টারস খ্যাত রাজ্যগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন কোনটি?
  1. মণিপুর
  2. আসাম
  3. অরুণাচল
  4. নাগাল্যান্ড
ব্যাখ্যা
সেভেন সিস্টার্স:
- উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য সেভেন সিস্টার্স নামে পরিচিত।
- রাজ্যগুলো হচ্ছে -আসাম, অরুণাচল, মেঘালয়, ত্রিপুরা, মণিপুর, মিজোরাম ও নাগাল্যান্ড।
- ভারতের সেভেন সিস্টারস খ্যাত রাজ্যগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন নয় মণিপুর, নাগাল্যান্ড এবং অরুণাচল রাজ্য।
- ভারতের মোট ৫টি রাজ্য বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী।
- এগুলো হলো: আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ।

তথ্যসূত্র - ওয়ার্ল্ড এটলাস।
.
অসলো-১ শান্তি চুক্তি মধ্যস্থতা করেন -
  1. বিল ক্লিনটন
  2. জন টাইলার
  3. জেরাল্ড ফোর্ড
  4. রিচার্ড নিক্সন
ব্যাখ্যা
অসলো-১ শান্তি চুক্তি:
- ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে অসলো শান্তি চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৩ সেপ্টেম্বর ১৯৯৩ সালে চুক্তিটি সাক্ষরিত হয়।
- অসলো-১ শান্তি চুক্তিটি ১৯৯৩ সালে যুক্তরাস্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের পূর্বে নরওয়ের রাজধানী অসলোতে চুক্তিটি নিয়ে আলোচনা হওয়ায় চুক্তিটি অসলো চুক্তি নামে পরিচিত।
- অসলো-১ চুক্তির ফলে ইসরাইল ও পিএলও পরস্পরকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন এতে মধ্যস্থতা করেন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com
.
ফ্রান্সের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কে? (ডিসেম্বর, ২০২৪)
  1. ইমানুয়েল মাক্রোঁ
  2. ফ্রাঁসোয়া বাইরু
  3. মিশেল বার্নিয়ে
  4. এলিজাবেথ বর্নি
ব্যাখ্যা
ফ্রান্স:
- ফ্রান্স উত্তর-পশ্চিম ইউরোপের দেশ।
- এটি ইউরোপের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৃষি উৎপাদনকারী এবং বিশ্বের অন্যতম প্রধান শিল্প শক্তি।
- দেশটির আয়তন প্রায় ৫৪৩,৯৪০ বর্গ কিমি (২১০,০২০ মাইল)।
- দেশটির উত্তর-পূর্বে বেলজিয়াম এবং লুক্সেমবার্গে, পূর্বে জার্মানি, সুইজারল্যান্ড এবং ইতালি ও দক্ষিণ-পূর্বে, মোনাকো এবং ভূমধ্যসাগর অবস্থিত।
- দেশটি পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি টাইম জোনে বিভক্ত।
- দেশটিতে মোট ১৩টি টাইম জোন রয়েছে।
- রাজধানী ও বৃহত্তম নগরী: প্যারিস।
- মুদ্রা: ইউরো।
- ভাষা: ফরাসি (অফিসিয়াল)।
- ধর্ম: খ্রিস্টধর্ম (প্রধানত রোমান ক্যাথলিক; এছাড়াও প্রোটেস্ট্যান্ট); এছাড়াও ইসলাম, ইহুদি ধর্ম।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: ফ্রাঁসোয়া বাইরু। (ডিসেম্বর, ২০২৪)
- বর্তমান রাষ্ট্রপতি: ইমানুয়েল মাক্রোঁ। (ডিসেম্বর, ২০২৪)

তথ্যসূত্র - Britannica.com & Worldatlas.com
.
সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (CTBT) স্বাক্ষরিত দেশ কয়টি?
  1. ১৮১টি
  2. ১৮৩টি
  3. ১৮৭টি
  4. ১৯০টি
ব্যাখ্যা
CTBT:
- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি। (ডিসেম্বর, ২০২৪)
- বাংলাদেশ CTBT স্বাক্ষর করে ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে (এশিয়ায় ১ম)।
- CTBT অনুমোদন করে- ৮ মার্চ, ২০০০ সালে।
- বাংলাদেশ CTBT অনুমোদনকারী ৫৪ তম দেশ।

তথ্যসূত্র - Arms Control Association ওয়েবসাইট।
.
আরব দেশসমূহ পাশ্চাত্যের ওপর তেল অবরোধ করে কত সালে?
  1. ১৯৭৩ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
আরব-ইসরাইল যুদ্ধ:
- এটি আরব ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘটিত ৪র্থ যুদ্ধ।
- সংঘটিত হয় ১৯৭৩ সালে।

• তেল অস্ত্র:
- ১৯৭৩ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে যখন যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সমর্থনে বিমানযোগে অস্ত্র পাঠাতে শুরু করলো তখন মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলো পাল্টা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছিল তেলকেই।
- তারা তখন তেলের উৎপাদন কমিয়ে দেয় এবং তেলের দাম বাড়িয়ে দেয়।
- তারা ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তাদানকারী সব দেশে তেল সরবরাহ কমিয়ে দেয়।
- ১৯৭৩ সালে ইরাকের তেল সংক্রান্ত ফেডারেল আন্ডার সেক্রেটারি ছিলেন ড. ফাদিল চালাবি।
- তিনি বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেয়, তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো একতরফাভাবে তেলের দাম নির্ধারণ করবে।
- এতে তেল কোম্পানিগুলোর কোন ভুমিকাই থাকবে না।

• তেল অবরোধ:
- বড় বড় তেলক্ষেত্রগুলো ছিল সৌদি আরব, ইরাক, ইরান, কুয়েত এসব মধ্যপ্রাচ্যের দেশে।
- কিন্তু সেই তেল উত্তোলন করছিল সেই বড় পশ্চিমা কোম্পানিগুলো, তেলের দামও নির্ধারণ করছিল তারাই।
- আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে যখন যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সমর্থনে বিমানযোগে অস্ত্র পাঠাতে শুরু করলো তখন মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলো পাল্টা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছিল তেলকেই।
- তারা কমিয়ে দিল তেলের উৎপাদন, বাড়িয়ে দিল তেলের দাম, আর ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তাদানকারী সব দেশে তেল সরবরাহ কমিয়ে দিল।
- ১৯৭৩ সালে তেল রপ্তানিকারী আরব দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রসহ বেশ কিছু শিল্পোন্নত দেশের বিরুদ্ধে তেল নিষেধাজ্ঞা জারি করে।
- তারা ঠিক করলো, তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোই তেলের দাম নির্ধারণ করবে।
- আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে ইসরায়েলকে সমর্থন দেয়ায় তারা এই পদক্ষেপ নিয়েছিল।
- এর পরিণামে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে গিয়েছিল কয়েকগুণ।
- এর সুদুরপ্রসারী প্রভাব পড়েছিল বিশ্ব রাজনীতি এবং অর্থনীতিতে।
- এভাবেই আরবরা তেল অবরোধ করে।

তথ্যসূত্র - World Atlas.com & BBC.
.
'এক দেশ দুই নীতি' কোন দেশে চালু আছে?
  1. ভারতে
  2. যুক্তরাষ্ট্রে
  3. চীনে
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
‘একদেশ, দুই নীতি’:
- ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে হংকংয়ের নিয়ন্ত্রণ পায় চীন।
- হংকং শাসনের ক্ষেত্রে যে ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থা’ নীতি অনুসরণ করা হয়ে থাকে, তা বজায় থাকবে।
- হংকং ও চীনের 'এক দেশ দুই নীতি' চালু করে ১৯৯৭ সালে যা থাকবে ২০৪৭ সাল পর্যন্ত।
- যুক্তরাজ্যের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী হংকংয়ে ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থা নীতি’ বাস্তবায়ন করা হয়েছিল।
- ব্রিটেন হংকংকে ১৫৬ বছর পর চীনের কাছে হস্তান্তর করে - ১৯৯৭ সালে।

তথ্যসূত্র - চীনের সরকারি ওয়েবসাইট।
১০.
কোন চুক্তির কারণে ভিয়েতনাম যুদ্ধের অবসান হয়?
  1. প্যারিস শান্তি চুক্তি
  2. রোম শান্তি চুক্তি
  3. ভিয়েনা শান্তি চুক্তি
  4. অসলো শান্তি চুক্তি
ব্যাখ্যা
প্যারিস শান্তি চুক্তি:
- প্যারিস শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়- ২৭ জানুয়ারি, ১৯৭৩ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান-প্যারিস, ফ্রান্স।
- পক্ষসমূহ- ভিয়েতনাম-যুক্তরাষ্ট্র।
- উদ্দেশ্য: ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বন্দ্বের অবসান ঘটানো।
- ফলাফল: ভিয়েতনাম যুদ্ধের অবসান।

তথ্যসূত্র - ash.harvard.edu & History.com
১১.
ভারত ও পাকিস্তানের পক্ষে তাসখন্দ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন কে?
  1. ইন্দিরা গান্ধী ও জুলফিকার আলী ভুট্টো
  2. লালবাহাদুর শাস্ত্রী ও আইয়ুব খান
  3. জওহরলাল নেহেরু ও ইউসুফ রেজা গিলানি
  4. শরণ সিং ও নওয়াজ শরীফ
ব্যাখ্যা
তাসখন্দ চুক্তি:
- ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি ঐতিহাসিক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে চিরবৈরী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এই চুক্তি সম্পন্ন হয় বিধায় ইতিহাসে এটি তাসখন্দ চুক্তি নামেই বহুল পরিচিত।
- তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী এ্যালেক্সি কোসিজিনের মধ্যস্থতায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান দুই দেশের পক্ষে চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি.কম।