পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

পরীক্ষাপ্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১০৬: বিষয়: সাধারণ জ্ঞান টপিক: মানব সম্পদ উন্নয়ন, জাতীয় পুরস্কার, খেলাধুলাবাংলাদেশের বিভিন্ন সংস্থা, স্থাপত্য ও অন্যান্য জাতীয় ইস্যু, বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা, শিক্ষা নীতি, প্রাথমিক শিক্ষা, শিক্ষা প্রশাসন (প্রতিষ্ঠান ও ইনস্টিটিউট), শিক্ষা কার্যক্রম ও উপবৃত্তি প্রকল্প। উৎস: বাংলাপিডিয়া, জাতীয় তথ্যবাতায়ন, বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), যেকোনো ভালো গাইড বই,জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিখ্যাত পত্রিকা রিপোর্ট ও Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
২০১০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতিতে কোন শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষার মেয়াদ সম্প্রসারনের উল্লেখ রয়েছে?
  1. ষষ্ঠ শ্রেণি
  2. সপ্তম শ্রেণি
  3. অষ্টম শ্রেণি
  4. দশম শ্রেণি
ব্যাখ্যা

জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০ :

• প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা:
- শিশুদের জন্য আনুষ্ঠানিক শিক্ষা শুরু করার আগে শিশুর অন্তর্নিহিত অপার বিস্ময়বোধ, অসীম কৌতুহল, আনন্দবোধ ও অফুরন্ত উদ্যমের মতো সর্বজনীন মানবিক বৃত্তির সুষ্ঠু বিকাশ এবং প্রয়োজনীয় মানসিক ও দৈহিক প্রস্তুতিগ্রহণের পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন। 
- কাজেই ৫+ বছর বয়স্ক শিশুদের জন্য প্রাথমিকভাবে এক বছর মেয়াদি প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা চালু করা হবে।
- পরবর্তীকালে তা ৪+ বছর বয়স্ক শিশু পর্যন্ত সম্প্রসারিত করা হবে। 

• প্রাথমিক শিক্ষার মেয়াদ ও বাস্তবায়ন :
- প্রাথমিক শিক্ষার মেয়াদ পাঁচ বছর থেকে বৃদ্ধি করে আট বছর অর্থাৎ অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত সম্প্রসারন করা হবে। এটি বাস্তবায়নে দু'টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো অবকাঠামোগত আবশ্যকতা মেটানো এবং প্রয়োজনীয়সংখ্যক উপযুক্ত শিক্ষকের ব্যবস্থা করা
• ২০১১-১২ অর্থ বছর থেকে প্রাথমিক শিক্ষায় ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত চালু করার জন্য অনতিবিলম্বে নিম্নলিখিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে:
- প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষার নতুন শিক্ষাক্রম, পাঠ্যপুস্তক এবং শিক্ষক নির্দেশিকা প্রণয়ন করা:
- প্রাথমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষকের জন্য শিক্ষাক্রম বিস্তারসহ শিখন-শেখানো কার্যক্রমের ওপর ফলপ্রসূ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা;
- শিক্ষা প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয় পুনর্বিন্যাস করা।

উৎস: জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০।

.
ছোট সোনা মসজিদ কোথায় অবস্থিত?
  1. কুষ্টিয়া
  2. রাজশাহী
  3. বাগেরহাট
  4. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা

ছোট সোনা মসজিদ:
- চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রাচীন ঐতিহ্যের প্রধানতম নিদর্শন হচ্ছে ছোট সোনা মসজিদ।
- ছোট সোনা মসজিদ 'সুলতানি স্থাপত্যের রত্ন' বলে আখ্যায়িত।
- প্রধান প্রবেশ পথের উপরিভাগে স্থাপিত একটি শিলালিপি অনুযায়ী জনৈক মজলিস-ই-মাজালিস মজলিস মনসুর ওয়ালী মুহম্মদ বিন আলী কর্তৃক মসজিদটি নির্মিত হয়।
- শিলালিপিতে নির্মানের সঠিক তারিখ সম্বলিত অক্ষরগুলি মুছে গেছে।
- তবে এতে সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহ এর নামের উল্লেখ থেকে এটা সুস্পষ্ট যে, মসজিদটি তার রাজত্বকালের (১৪৯৪-১৫১৯) কোন এক সময় নির্মিত।
- বিশাল এক দিঘির দক্ষিণপাড়ের পশ্চিম প্রান্ত জুড়ে এর অবস্থান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

.
শিক্ষা ও গবেষণা ক্ষেত্রে ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন কে?
  1. আল মাহমুদ
  2. আবরার ফাহাদ
  3. বদরুদ্দীন উমর
  4. জামাল নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ বাংলাদেশের জাতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার।
- ১৯৭৭ সাল থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫' পেয়েছেন ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি।

পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন-
• বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর)।
• সাহিত্য:  মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর)।
• শিক্ষা ও গবেষণা: জনাব বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর।
• সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর)।
• সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর)।
• মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর)।
• প্রতিবাদী তারুন্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

তথ্যসূত্র- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।

.
মানব সম্পদ উন্নয়নের জন্য নিচের কোনটি অপরিহার্য?
  1. অধিক অর্থ
  2. ভোগবাদী সংস্কৃতি
  3. শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

মানব সম্পদ উন্নয়ন:
- মানব সম্পদ উন্নয়ন একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ এবং অপরিহার্য উপাদান।
- মানব সম্পদ ছাড়া উন্নয়নের অন্যান্য উপাদান অর্থহীন হয়ে পড়ে।
- শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, আধুনিক প্রযুক্তি, স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে মানব সম্পদকে অধিকতর দক্ষ ও উৎপাদনশীল করা যায়।
- কাজেই কর্মক্ষম জনশক্তিকে উপযুক্ত শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তি জ্ঞানে উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে সমৃদ্ধ করার প্রক্রিয়াকে 'মানব সম্পদ উন্নয়ন' বলা যায়। 
- সুতরাং উৎপাদনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে মানুষের কর্মদক্ষতা সুষ্ঠুভাবে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে মানুষের অন্তর্নিহিত কর্মগুণ, সুপ্ত প্রতিভা, উন্নত ও বিকশিত করে তোলাই হল 'মানব সম্পদ উন্নয়ন'।

উৎস:
i) শিক্ষা এবং উন্নয়ন, স্কুল অব এডুকেশন, এমএড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) অর্থনীতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ২০২৪ সালের বার্ষিক প্রাথমিক বিদ্যালয় শুমারি অনুযায়ী, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা কত? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ৬০,৫৬৭ টি
  2. ৬২,৫৬৭ টি
  3. ৬৫,৫৬৭ টি
  4. ৬৭,৫৬৭ টি
ব্যাখ্যা

বার্ষিক প্রাথমিক বিদ্যালয় শুমারি, ২০২৪:
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ২০২৪ সালের বার্ষিক প্রাথমিক বিদ্যালয় শুমারি (এপিএসসি) প্রতিবেদনে ২০২০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিদ্যালয়, শিক্ষার্থীর সংখ্যা ওঠানামাসহ প্রাথমিক শিক্ষার নানা চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

• মোট প্রাথমিক বিদ্যালয়- ১,১৮,৬০৭;
• সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়- ৬৫,৫৬৭;
• মোট শিক্ষার্থী- ২,০১,৮৩,০৪৮;
• সরকারি বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী- ১,০৬,২০,০৬৬;
• মোট শিক্ষক- ৭,০৭,২১৬;
• সরকারি বিদ্যালয়ে শিক্ষক- ৩,৮৩,৬২৪;
• শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত- ১:২৮;
• ঝরে পড়ার হার- ১৬.২৫%;
• বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থী- ১,০২,৬৫৬।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [link]

.
‘জুলাই শহীদ স্মৃতি শিক্ষাবৃত্তি’ চালু হয়েছে কোথায়? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে
  2. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
  3. জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে
  4. চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে
ব্যাখ্যা

জুলাই শহীদ স্মৃতি শিক্ষাবৃত্তি:
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে ১ জুলাই থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি শিক্ষাবৃত্তি’।
- জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে তরুণদের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবছর এই বৃত্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
- এ বৃত্তির অধীনে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন, প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের এককালীন সহায়তা দেওয়া হবে।
- এ বছর ৭২৫টি প্রতিষ্ঠানের ২ হাজার ৪০ জন শিক্ষার্থী এ বৃত্তি পেয়েছেন।

উল্লেখ্য,
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন মোট শিক্ষার্থী ৩১ লাখ ৭০ হাজারের বেশি, যা দেশে উচ্চশিক্ষায় মোট শিক্ষার্থীর প্রায় ৭২ শতাংশ।
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন কলেজ আছে ২ হাজার ২৫৭টি।
- জুলাই গণ-অভ‍্যুত্থানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ৩২ জন শিক্ষার্থী শহীদ হয়েছেন।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [link]

.
বাংলাদেশের প্রথম নারী শিক্ষা সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন কে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ফাহমিদা সুলতানা
  2. রেহানা পারভীন
  3. শাহিদা আক্তার
  4. সাবরিনা খাতুন
ব্যাখ্যা

প্রথম নারী শিক্ষা সচিব:
- বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম নারী শিক্ষা সচিব রেহানা পারভীন।
- ১৮ আগস্ট, ২০২৫ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে রেহানা পারভীন আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের প্রথম নারী শিক্ষা সচিব হিসেবে দায়িত্ব পান।
- তিনি এর আগে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) নির্বাহী চেয়ারম্যান (সচিব) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

উল্লেখ্য,
- শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ২০১৬ সালের নভেম্বরে দুটি বিভাগে ভাগ করা হয়।
- একটি হলো মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং অন্যটি কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ।
- ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পর থেকে অবিভক্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মোট ৩৩ জন সিনিয়র সচিব ও সচিব দায়িত্ব পালন করেছেন।
- বিভাগ বিভক্ত হওয়ার পর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে এখন পর্যন্ত সাতজন সিনিয়র সচিব ও সচিব দায়িত্ব পালন করলেও তাদের কেউ নারী ছিলেন না। 

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন কোনটি?
  1. আকরাম খান কমিশন
  2. শরীফ শিক্ষা কমিশন
  3. সামসুল হক কমিশন
  4. কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন
ব্যাখ্যা

 কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন-১৯৭২:
- বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের নাম কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন।
- দেশের খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ এবং বিজ্ঞানী কুদরত-ই-খুদা-কে প্রধান করে কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন ১৯৭২ সালে গঠন করা হয়।
- এই কমিশন ১৯৭২ সালে তাদের রির্পোট দাখিল করে।
- দেশের আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতির উপর ভিত্তি করে এই রির্পোট প্রণয়ন করা হয়।
- এই কমিশনের সুপারিশের আলোকে জাতীয় শিক্ষাক্রম এবং সিলেবাস প্রণয়নের জন্য দেশের ৪৭ জন সুনামধন্য শিক্ষাবিদকে নিয়ে প্রফেসর সামছুল হুদা কে প্রধান করে ১৯৭৬ সালে একটি জাতীয় কমিটি গঠন করা হয়।
- এই কমিটি ১৯৭৬, ১৯৭৭ এবং ১৯৮৮ সালে মোট ৭টি ভলিউমে  রির্পোট সরকারের নিকট দাখিল করে।

তথ্যসূত্র - শিক্ষা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

.
নায়েম (NAEM)-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. National Authority for Education Monitoring
  2. National Alliance for Education Management
  3. National Academy for Educational Management
  4. National Association for Education Management
ব্যাখ্যা

জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (NAEM):
- নায়েম বাংলাদেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা ক্ষেত্রে একটি উৎকৃষ্ট কেন্দ্র এবং এটি শিক্ষার উৎকর্ষ সাধনে কাজ করে যাচ্ছে।
- NAEM- এর পূর্ণরুপ: National Academy for Educational Management.
- শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৫৯ খ্রিষ্টাব্দে এডুকেশন এক্সটেনশন সেন্টার (EEC) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- একটি বিবর্তন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দে এটিকে জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম)-এ রূপান্তর করা হয়।
- নায়েমের চূড়ান্ত লক্ষ্য হচ্ছে শিক্ষা ক্ষেত্রে জাতীয় ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য শিক্ষক এবং শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তাগণকে জ্ঞান, পেশাগত দক্ষতা, ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও নেতৃত্বের গুণাবলি দ্বারা সমৃদ্ধ করা।

উৎস: NAEM ওয়েবসাইট।