পরীক্ষা আর্কাইভ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

পরীক্ষাফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins১৮৮ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১৮৯
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 15” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- Live MCQ ফ্রি সাপ্তাহিক ফুল মডেল টেস্ট: বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাসের উপর ২০০ নাম্বারের ফুল মডেল টেস্ট। [Live MCQ - তে প্রতি শুক্রবার সবার জন্য ফ্রি একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮৯ প্রশ্ন

.
'ভেবেছিলেন জজ সাহেব ঘুমিয়েছিল? না, জজ কখনো ঘুমান না।'- সংলাপটি কোন নাটকের অন্তর্ভুক্ত?
  1. তরঙ্গভঙ্গ
  2. বহিপীর
  3. সুড়ঙ্গ
  4. চাঁদের অমাবস্যা 
ব্যাখ্যা

• 'তরঙ্গভঙ্গ' নাটক:
- সৈয়দ ওয়ালীওল্লাহর পাশ্চাত্যরীতি অনুসারী এবসার্ডধর্মী অস্তিত্ববাদী একটি নাটক 'তরঙ্গভঙ্গ'।
- অভাব-দারিদ্র্যের পরিপ্রেক্ষিতে সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম, ঘাত-প্রতিঘাত এ নাটকে প্রতিফলিত হয়েছে।
- এ নাটকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রগুলো হচ্ছে বাদী মৌলবি আব্দুস সাত্তার ও সাক্ষী মতলুব আলী।
- এ নাটকের একটি সংলাপ 'ভেবেছিলেন জজ সাহেব ঘুমিয়েছিল? না, জজ কখনো ঘুমান না।'

নাটকের কাহিনি সংক্ষেপ:
মৌলবি আবদুল সাত্তার নেওলাপুরী বিচারকের কাছে দরিদ্র চব্বিশ-পঁচিশ বছর বয়সী গৃহবধূ আমেনার বিরুদ্ধে শিশু স্বামী হত্যার অভিযোগ আনে। আমেনা অভাবের তাড়নায় অসুস্থ স্বামী কুতুব শেখকে চিকিৎসা করাতে না পেরে, সে ধুতরার বিষ পান করিয়ে স্বামী হত্যা করে। আর চারটি শিশুর আহার সংস্থান করতে না পেরে ছোটটিকেও সে মেরে ফেলে। বিচারক এর বিচার করতে বসেন।

সৈয়দ ওয়ালীওল্লাহ রচিত নাটকগুলো হলো-
- বহিপীর,
- সুড়ঙ্গ,
- তরঙ্গভঙ্গ,
- উজানে মৃত্যু ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; 'তরঙ্গভঙ্গ' নাটক।

.
কোন শব্দটি বিসর্গসন্ধির মাধ্যমে গঠিত?
  1. পরিচ্ছেদ
  2. দুশ্চিন্তা
  3. সংগ্রাম
  4. চলচ্চিত্র
ব্যাখ্যা

• বিসর্গ সন্ধি:
- পূর্বপদের শেষে বিসর্গ ( ঃ) থাকলে এবং পরপদের প্রথমে চ্ বা ছ্‌ থাকলে বিসর্গ পরিবর্তিত হয়ে শ্, ট্‌ বা ঠ্‌ থাকলে ষ্‌; ত থাকলে স্ হয় এবং পরবর্তী ব্যঞ্জনে তা যুক্ত হয়।

যেমন:
- নিঃ + চয় = নিশ্চয়,
- দুঃ + চিন্তা = দুশ্চিন্তা,
- নিঃ + ছিদ্র = নিশ্ছিদ্র,
- শিরঃ + ছেদ = শিরশ্ছেদ ।

• ব্যঞ্জনসন্ধি:
স্বরে - ব্যঞ্জনে , ব্যঞ্জনে - স্বরে ও ব্যঞ্জনে - ব্যঞ্জনে যে সন্ধি হয়, তাকে ব্যঞ্জনসন্ধি বলে ।
স্বর - ব্যঞ্জন : পরি + চ্ছেদ = পরিচ্ছেদ
ব্যঞ্জন - স্বর : দিক্ + অন্ত = দিগন্ত।
ব্যঞ্জন - ব্যঞ্জন : চলৎ + চিত্র = চলচ্চিত্র

• ব্যঞ্জনে + ব্যঞ্জনে = ব্যঞ্জনসন্ধি - ম্-এর পর অন্তঃস্থ ধ্বনি য, র, ল, ব, কিংবা শ, ষ, স, হ থাকলে, ম্ স্থলে অনুস্বার হয়। যেমন- সম্ + সার = সংসার, সম্ + গ্রাম = সংগ্রাম

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

.
উপসর্গ সাধিত শব্দ নয় কোনটি?
  1. সাব-অফিস
  2. প্রভাব
  3. পতঞ্জলি
  4. ইতিকথা
ব্যাখ্যা

• 'পতঞ্জলি' - উপসর্গ সাধিত শব্দ নয়।
- 'পতঞ্জলি' শব্দটিকে বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায়: পতৎ + অঞ্জলি।
- যেখানে দুটি শব্দ ই আলাদা অর্থ প্রকাশ করে।
- কিন্তু, এখানে 'পতৎ' কোনো ধরনের উপসর্গ নয়।

অন্যদিকে,
- 'ইতিকথা' শব্দে - খাঁটি বাংলা উপসর্গ 'ইতি' রয়েছে।
- "সাব-অফিস" শব্দে - বিদেশি উপসর্গ 'সাব' রয়েছে।
- 'প্রভাব' - তৎসম উপসর্গ 'প্র' রয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

.
"জেলমুক্ত" - কোন সমাস?
  1. দ্বন্দ্ব
  2. তৎপুরুষ  
  3. কর্মধারয়
  4. বহুব্রীহি
ব্যাখ্যা

পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস:
পূর্বপদে পঞ্চমী বিভক্তি (হতে, থেকে ইত্যাদি) লোপে যে তৎপুরুষ সমাস হয় তাকে পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস বলে।
যেমন,
বিলাত থেকে ফেরত = বিলাতফেরত।
স্কুল থেকে পালানো = স্কুলপালানো।
জেল থেকে মুক্ত = জেলমুক্ত।
স্নাতক থেকে উত্তর = স্নাতকোত্তর।
সর্ব হতে শ্রেষ্ঠ = সর্বশ্রেষ্ঠ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

.
বুদ্ধদেব বসু কোন কাব্যগ্রন্থটিকে “রবীন্দ্র-কাব্যের অণুবিশ্ব” হিসেবে অভিহিত করেছেন?
  1. গীতাঞ্জলি
  2. সোনার তরী
  3. মানসী
  4. বলাকা
ব্যাখ্যা

• "মানসী" কাব্যগ্রন্থ:
- রবীন্দ্রনাথ রচিত "মানসী" কাব্যগ্রন্থটি ১৮৯০ সালে প্রকাশিত এবং গ্রন্থটি কবির কাব্যকলার পূর্ণ প্রতিষ্ঠামূলক কাব্যগ্রন্থ।
- তাই কবি বুদ্ধদেব বসু ‘মানসী’ কাব্যকে “রবীন্দ্র-কাব্যের অণুবিশ্ব বলেছেন”।
- এই কাব্যগ্রন্থে মোট ৬৬টি কবিতা রয়েছে।
- কাব্যগ্রন্থ সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন, “নূতন আবেষ্টনে এই কবিতাগুলি সহসা যেন নবদেহ ধারণ করল।”
- মানসীর কবিতাগুলো দুই ভাগে বিভক্ত। একদিকে অতীত জীবনের পিছুটানমূলক কবিতা, অন্যদিকে নবযৌবনের নিরুদ্ধ উদ্দীপনার খরদীপ্তি।

• উল্লেখযোগ্য কবিতাগুলো হলো:
- উপহার,
- নিস্ফল উপহার,
- ক্ষণিক মিলন,
- নিস্ফল কামনা,
- অহল্যার প্রতি,
- নবদম্পতির প্রেমালাপ,
- মানসিক অভিসার,
- পুরুষের উক্তি,
- নারীর উক্তি,
- ব্যক্ত প্রেম,
- গুপ্ত প্রেম,
- অনন্ত প্রেম,
- শেষ উপহার ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং ‘মানসী’ কাব্যগ্রন্থ; ‘অনন্ত প্রেম’ কবিতা।

.
'কেলিনু শৈবালে ভুলি কমল-কানন' এখানে 'কমল-কানন শব্দের ব্যঞ্জনার্থ-
  1. ফুলের বাগান
  2. পদ্ম বাগান
  3. বাংলা ভাষা
  4. উপহার
ব্যাখ্যা

• "কেলিনু শৈবালে ভুলি কমল-কানন" পঙ্‌ক্তিটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের "বঙ্গভাষা" কবিতার একটি অংশ।

- এই কবিতায় কবি তাঁর মাতৃভাষা বাংলা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার জন্য গভীর অনুশোচনা প্রকাশ করেছেন। 

• পঙ্‌ক্তিটির ব্যাখ্যা:
• "কেলিনু শৈবালে" অর্থাৎ তিনি শৈবাল (জলজ উদ্ভিদ) নিয়ে খেলেছেন,বলতে কবি ইংরেজি ভাষার ক্ষণস্থায়ী আকর্ষণকে বুঝিয়েছেন।
• "ভুলি কমল-কানন" বলতে তাকে তার মাতৃভাষা/বাংলাভাষা (কমল-কানন) ভুলিয়ে দিয়েছিল।

• এই পঙ্‌ক্তির সারমর্ম হলো, কবি তাঁর মাতৃভাষার বিশুদ্ধতা ও মূল্য ভুলে অন্য ভাষার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে ভুল করেছেন, যা তিনি এখন উপলব্ধি করছেন। শৈবালে (অস্থায়ী ও নিম্নতর ইংরেজি ভাষা) মোহগ্রস্ত হয়ে তিনি কমল-কানন (বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির মহত্ত্ব) থেকে বিচ্যুত হয়েছিলেন।

বঙ্গভাষা
মাইকেল মধুসূদন দত্ত

"হে বঙ্গ, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন;
তা সবে, (অবোধ আমি!) অবহেলা করি,
পর-ধন-লোভে মত্ত, করিনু ভ্রমণ
পরদেশে, ভিক্ষাবৃত্তি কুক্ষণে আচরি।
কাটাইনু বহু দিন সুখ পরিহরি।
অনিদ্রায়, নিরাহারে সঁপি কায়, মনঃ,
মজিনু বিফল তপে অবরেণ্যে বরি;
কেলিনু শৈবালে; ভুলি কমল-কানন!
(সংক্ষিপ্ত)

উৎস: চতুর্দশপদী কবিতাবলী।

.
নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. বিশেষতঃ 
  2. বুভূক্ষু 
  3. ব্যাঙ্গ 
  4. শুশ্রূষা
ব্যাখ্যা

• সঠিক বানানটি হলো - শুশ্রূষা।
- এর অর্থ হলো - পরিচর্যা, সেবা।

অন্য অপশনের শুদ্ধ বানান:
বিশেষতঃ - বিশেষত;
বুভূক্ষু - বুভুক্ষু;
ব্যাঙ্গ- ব্যঙ্গ।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

.
ঘোষীভবন ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ কোনটি?
  1. হাটুয়া > হাউটা
  2. শাক > শাগ
  3. কাদনা > কান্না
  4. কাঠ > কাট
ব্যাখ্যা

• ঘোষীভবন:
অঘোষধ্বনি ঘোষধ্বনি হিসেবে উচ্চারিত হলে তাকে ঘোষীভবন বলে।
যেমন:
- কাক > কাগ,
- শাক > শাগ,
- শালা > হালা।

উল্লেখ্য,
এটি পরাগত সমীভবন বা স্বরসঙ্গতির উদাহরণ নয়। কারণ, সমীভবনে এক ধ্বনিতে রূপ লাভ করে। এগুলো বরং এক ধরনের ব্যঞ্জন বিকৃতি। যে কারণে অনেক গ্রন্থে আলাদা করে এগুলো দেওয়া নেই।

অন্যদিকে,
• অভিশ্রুতি:
বিপর্যস্ত স্বরধ্বনি পূর্ববর্তী স্বরধ্বনির সাথে মিলে গেলে এবং তদানুসারে পরবর্তী স্বরধ্বনির পরিবর্তন ঘটলে তাকে অভিশ্রুতি বলে।
যেমন:
- শুনিয়া > শুনে,
- বলিয়া > বলে,
- হাটুয়া > হাউটা,
- মাছুয়া > মেছো ইত্যাদি।

• সমীভবন:
শব্দমধ্যস্থ দুটি ভিন্ন ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে অল্প-বিস্তর সমতা লাভকরে। এ ব্যাপারকে বলা হয় সমীভবন।
যেমন:
- জন্ম > জম্ম,
- কাদনা > কান্না ইত্যাদি।

• ক্ষীণায়ন:
শব্দ মধ্যস্থিত মহাপ্রাণ ধ্বনি অল্পপ্রাণ ধ্বনিতে পরিণত হলে তাকে ক্ষীণায়ন বলে।
যেমন,
কাঠ > কাট।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
নিচের কোনটি স্ত্রীবাচক প্রত্যয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. আনো
  2. ইনি
  3. অক
ব্যাখ্যা

• 'ইনি' প্রত্যয়:
- স্ত্রীবাচক প্রত্যয়। এই প্রত্যয় পুরুষবাচক শব্দের পরে বসে স্ত্রীবাচক শব্দে পরিণত করে।
যেমন- 
বিজয়ী-বিজয়িনী, যােগী-যােগিনী, তেজস্বী-তেজদ্বিনী।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম (২০১৯ ও ২০২২ সংস্করণ); ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ। 

১০.
প্রায়ই বাংলা কবিতা পাঠ করার সময় পর্বের প্রথম অক্ষরের উপর একটা আলাদা জোর দিয়ে পড়তে হয়। এই অতিরিক্ত জোর দিয়ে পাঠ করা বা আবৃত্তি করাকেই বলা হয় - 
  1. শ্বাসাঘাত
  2. স্তবক
  3. মাত্রা
  4. অক্ষর
ব্যাখ্যা

শ্বাসাঘাত: 
প্রায়ই বাংলা কবিতা পাঠ করার সময় পর্বের প্রথম অক্ষরের উপর একটা আলাদা জোর দিয়ে পড়তে হয়। এই অতিরিক্ত জোর দিয়ে পাঠ করা বা আবৃত্তি করাকেই বলা হয় শ্বাসাঘাত বা প্রস্বর।
যেমন-
আমরা আছি ∣ হাজার বছর ∣ ঘুমের ঘোরের ∣ গাঁয়ে ∣∣
আমরা ভেসে ∣ বেড়াই স্রোতের ∣ শেওলা ঘেরা ∣ নায়ে ∣∣ (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)

এখানে,
প্রতিটি পর্বের প্রথম অক্ষরই একটু ঝোঁক দিয়ে, জোর দিয়ে পড়তে হয়। এই অতিরিক্ত ঝোঁক বা জোরকেই শ্বাসাঘাত বলে।

স্তবক:
অনেকগুলো চরণ নিয়ে একটি স্তবক গঠিত হয়। সাধারণত, একটি স্তবকে একটি ভাব প্রকাশিত হয়।

মাত্রা:
একটি অক্ষর উচ্চারণে যে সময় প্রয়োজন হয়, তাকে মাত্রা বলে।

অক্ষর:
(বাগযন্ত্রের) স্বল্পতম প্রয়াসে বা এক ঝোঁকে শব্দের যে অংশটুকু উচ্চারিত হয়, তাকে অক্ষর বা দল বলে। এই অক্ষর অনেকটাই ইংরেজি Syllable-র মত।
যেমন- 'বিদ্যালয়’ শব্দে ৩ টি অক্ষর রয়েছে (বিদ্‌ + দা + লয়)।
 
উৎস: ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।

১১.
'বাংলাদেশ' - কবিতার রচয়িতা কে?
  1. অন্নদাশঙ্কর রায়
  2. শামসুর রাহমান
  3. অমিয় চক্রবর্তী
  4. হেলাল হাফিজ
ব্যাখ্যা

• 'বাংলাদেশ' কবিতার রচয়িতা অমিয় চক্রবর্তী।
- এটি তাঁর 'অনিঃশেষ' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
- কবিতাটি রচিত অক্ষরবৃত্ত ছন্দে।

অমিয় চক্রবর্তী রচিত কিছু কাব্যগ্রন্থ:
• খসড়া,
• এক মুঠো,
• মাটির দেয়াল,
• অভিজ্ঞান বসন্ত,
• অনিঃশেষ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১২.
"কুম্ভীরাশ্রু" শব্দের অর্থ কী?
  1. অসম্পূর্ণ গোসল
  2. মায়াকন্না
  3. অসম্ভব ব্যাপার 
  4. উভয় সংকট 
ব্যাখ্যা

• ‘কুম্ভীরাশ্রু’ শব্দের অর্থ - মায়াকন্না।
বাক্য গঠন: কুম্ভীরাশ্রু করে লাভ নেই, চুরি করার অপরাধে চোরকে জেলে যেতে হবে।

অন্যদিকে,
কাকস্নান - অসম্পূর্ণ গোসল;
কুমিরের সন্নিপাত- অসম্ভব ব্যাপার ;
জলে কুমীর ডাঙ্গায় বাঘ - উভয় সংকট।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; ভাষাশিক্ষা - ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৩.
"বাজারে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি।" - এখানে 'গিয়ে কোন ক্রিয়া?
  1. প্রযোজক
  2. দ্বিকর্মক
  3. অসমাপিকা
  4. সমাপিকা
ব্যাখ্যা

• অসমাপিকা ক্রিয়া:
- যে ক্রিয়া দ্বারা বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ হয় না, তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে।

যেমন:
আমি বাড়ি গিয়ে .......
সে বই নিয়ে

এখানে 'গিয়ে', 'নিয়ে' ক্রিয়ার দ্বারা কথা শেষ হয় নি। বাক্যের অর্থ অসম্পূর্ণ রয়েছে। বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করার জন্য আরও ক্রিয়া চাই।
যেমন:
আমি বাড়ি গিয়ে খাব।
বাজারে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। (এখানে 'গিয়ে অসমাপিকা ক্রিয়া)

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।

১৪.
'জ্যোৎস্না' এর প্রতিশব্দ কোনটি?
  1. নিশাকর
  2. চন্দ্রিকা
  3. শশী
  4. অন্তরিক্ষ
ব্যাখ্যা

• 'জ্যোৎস্না' এর প্রতিশব্দ: 'চন্দ্রিকা'।

• 'জ্যোৎস্না' এর আরো কিছু প্রতিশব্দ:
- চন্দ্রিমা, চন্দ্রকিরণ, চন্দ্রিকা, জোছনা, চন্দ্রালোক, কৌমুদী।
--------------------------- 
• আকাশ এর কিছু সমার্থক শব্দ: 
- অম্বর, ব্যোম, খ, গগণ, অন্তরিক্ষ

• 'চাঁদ' এর প্রতিশব্দ: 
- চন্দ্র, শশী, শশধর, শশাঙ্ক, বিধু, সোম, নিশাকর, সুধাংশু, ইন্দু, সিতাংশু, হিমাংশু ইত্যাদি।

উৎস:
- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (সর্বশেষ সংস্করণ), বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা

১৫.
"লোকটি চলে যেতে উদ্যত হয়েছিল।" - বাক্যটি কী কারণে অশুদ্ধ?
  1. সন্ধিজনিত  
  2. প্রত্যয়জনিত
  3. বাচ্যজনিত
  4. বানানজনিত
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

• "লোকটি চলে যেতে উদ্যত হয়েছিল।" - বাক্যটিতে কোন ভুল নেই। 
প্রশ্নটি ত্রুটিপূর্ণ হওয়ায় বাতিল করা হয়েছে। 

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান; ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৬.
'Concealment' এর বাংলা পরিভাষা কোনটি?
  1. পরিপক্ব
  2. গোপন
  3. আস্থাবান
  4. সম্মেলন
ব্যাখ্যা

• 'Concealment' এর বাংলা পরিভাষা - গোপন।

অন্যদিকে,
- 'Conference' এর বাংলা পরিভাষা - সম্মেলন।
- 'Confident' এর বাংলা পরিভাষা - আস্থাবান।
- 'Mature' এর বাংলা পরিভাষা - পরিপক্ব।

উৎস: প্রশাসনিক পরিভাষা- বাংলা একাডেমি।

১৭.
'চুরুট' কোন ভাষার শব্দ?
  1. হিন্দি
  2. তামিল
  3. গুজরাটি
  4. মারাঠি
ব্যাখ্যা

• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'চুরুট' — তামিল ভাষার শব্দ।

• 'চুরুট' শব্দের অর্থ: 
- ধূমপানের জন্য তৈরি শুকনো তামাকপাতায় মোড়া তামাকচূর্ণ।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৮.
চর্যাপদের কবি ‘ঢেণ্ডণপা’ পেশায় ছিলেন-
  1. মাঝি
  2. জেলে
  3. তাঁতি
  4. কুলি
ব্যাখ্যা

• ঢেণ্ডণপা:
- ঢেণ্ডণপা নবম শতকের কবি ছিলেন। 
- তিনি পেশায় তাঁতি ছিলেন। 
- চর্যাকার ঢেণ্ডণপা রচিত পদসংখ্যা ১টি (৩৩নং পদ)।
- এই একটি পদে বাঙালি জীবনে চিরায়ত দারিদ্র্যের ছবি চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে।

ঢেণ্ডণপা রচিত ৩৩নং পদটি-

‘টালত মোর ঘর নাহি পড়বেষী।
হাড়ীত ভাত নাঁহি নিতি আবেশী।।’

- অর্থাৎ লোক শূন্য স্থানে প্রতিবেশীহীন আমার বাড়ি। হাঁড়িতে ভাত নেই, অথচ প্রেমিক এসে ভিড় করে।
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৯.
'হানিফা কয়রাপরী' রোম্যান্টিক প্রণয়োপাখ্যানের পর্যায়ভুক্ত কাব্যটি কার রচনা?
  1. আলাওল
  2. সাবিরিদ খান
  3. নওয়াজিস খান
  4. শেখ ফয়জুল্লাহ 
ব্যাখ্যা

• 'হানিফা কয়রাপরী' কাব্য:
- 'হানিফা কয়রাপরী' কাব্যের রচয়িতা সাবিরিদ খান/শাহ বারিদ খান।
- 'হানিফা কয়রাপরী' জঙ্গনামাজাতীয় যুদ্ধকাব্য হলেও প্রেমকাহিনির জন্য তা রোম্যান্টিক প্রণয়োপাখ্যানের পর্যায়ভুক্ত।
- কবির কাব্যটি খণ্ডিত আকারে পাওয়া গেছে কাব্যের নাম নিয়ে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।

----------------
• সাবিরিদ খান:
- সাবিরিদ খান মধ্যযুগের আখ্যানকবি।
- সাবিরিদ খান 'বিদ্যাসুন্দর', 'রসুল বিজয়' ও 'হানিফা-কয়রাপরী' নামে তিনখানি আখ্যানমূলক কাব্য রচনা করেন।
- কাব্যের প্রাপ্ত পাণ্ডুলিপিগুলি খণ্ডিত হওয়ায় কবির ব্যক্তিগত পরিচয় জানা যায় না।
- ভনিতার সামান্য তথ্য থেকে বলা যায়, কবি চট্টগ্রামের নানুপুরের অধিবাসী ছিলেন।
- তিনি ভারতীয় উৎস থেকে বিদ্যাসুন্দর এবং আরব-ইরান উৎস থেকে রসুল বিজয় ও হানিফা-কয়রাপরী কাব্য রচনা করেন।
- বিদ্যাসুন্দর ও হানিফা-কয়রাপরী রোমান্সসূলভ প্রণয়কাব্য, রসুল বিজয় ইসলামের গৌরব-গাথা।
- হানিফা-কয়রাপরী ও রসুল বিজয় কাব্যে যুদ্ধ-বিগ্রহের প্রাধান্য থাকায় উভয় কাব্যকে জঙ্গনামা নামেও চিহ্নিত করা হয়।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।

২০.
‘অলীক‘ এর বিপরীত শব্দ কোনটি?
  1. অদ্ভুত
  2. কল্পনা
  3. বাস্তব
  4. নির্ভীক
ব্যাখ্যা

• অলীক (বিশেষ্য) -
অর্থ: অসত্য; মিথ্যা।

• 'অলীক' এর বিপরীত শব্দ — সত্য বা বাস্তব।

কিছু বিপরীতার্থক শব্দ - 
• অনুগ্রহ - নিগ্রহ, 
• অর্বাচীন - প্রাচীন,
• প্রবীণ - নবীন,
• প্রাকৃতিক - কৃত্রিম,
• অধিত্যকা - উপত্যকা,  
• জ্ঞাত - অজ্ঞাত,  
• অর্থী - প্রত্যর্থী, 
• অনুরাগী - বিরাগী  ইত্যাদি।

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।

২১.
কবি আলাওলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. তোহফা
  2. পদ্মাবতী
  3. সিকান্দরনামা
  4. সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল
ব্যাখ্যা

• আলাওলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ: 'পদ্মাবতী'। 
- ১৬৪৮ সালে গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়।
-----------------
• আলাওল: 
- আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ কবি আলাওল ১৭শতক/ মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ মুসলিম কবি ছিলেন।
- ‘পদ্মাবতী’ তার প্রথম ও শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য, মাগন ঠাকুরের উৎসাহে তিনি এই কাব্য রচনা করেন।
- কবি মালিক মুহম্মদ জায়সির হিন্দি কাব্য পদুমাবৎ অবলম্বনে তিনি এটি রচনা করেন।
- কবি আলাওল আরাকান-রাজা উমাদারের রাজদেহরক্ষী অশ্বারোহীর পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। 
 
তাঁর রচিত গ্রন্থসমূহ:
- সিকান্দার নামা,
- তোহফা,
- সপ্তপয়কর  ,
- সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল, 
- রাগতালনামা।

• ‘পদ্মাবতী’ কাব্য:
- পদ্মাবতী কবি আলাওলের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ কাব্য।
- এটি মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের একটি জনপ্রিয় প্রণয়কাব্য।
- কাব্যটি প্রখ্যাত হিন্দি কবি মালিক মুহাম্মদ জায়সির ‘পদুমাবৎ/ পদুমাবত’ কাব্যের অনুবাদ।
- আলাওল ১৬৫১ সালে আরাকান রাজ সাদ থদোমিন্তারের রাজত্বকালে মন্ত্রী মাগন ঠাকুরের আদেশে ‘পদ্মাবতী’ কাব্য রচনা করেন।
- কাব্যটিতে দুইটি পর্ব রয়েছে।  প্রথম পর্বে সিংহলের রাজকন্যা পদ্মাবতীকে লাভ করার জন্য চিতোররাজ রত্নসেনের সফল অভিযান এবং দ্বিতীয় পর্বে রানি পদ্মাবতীকে লাভ করার জন্য দিল্লির সুলতান আলাউদ্দিন খিলজির ব্যর্থ সামরিক অভিযানের বিবরণ আছে।
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২২.
বাংলা সাহিত্যের প্রথম নাগরিক কবি বলা হয় কাকে?
  1. শামসুর রাহমান
  2. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
  3. ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
  4. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যা

• বাংলা সাহিত্যের প্রথম নাগরিক কবি - ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।
অন্যদিকে,
- আধুনিক যুগের নাগরিক কবি - শামসুর রাহমান।

ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর:
- অন্নদামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।
- তিনি মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কবি।
- তিনি নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন।
- রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের আদেশে তিনি অন্নদামঙ্গলকাব্য রচনা করেন।
- রাজা কৃষ্ণচন্দ্র ভারতচন্দ্রকে 'রায়গুণাকর' উপাধি দেন।
- ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরকে মধ্যযুগের 'শেষ বড় কবি' বলা হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলাপিডিয়া।

২৩.
"কালের কলস" - কাব্যটি কে লিখেছেন?
  1. বন্দে আলী মিয়া
  2. আল মাহমুদ
  3. নির্মলেন্দু গুণ
  4. সুকান্ত ভট্টাচার্য
ব্যাখ্যা

• 'কালের কলস' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা: 'আল মাহমুদ'। 
- গ্রন্থটি ২০০৩ সালে প্রকাশিত হয়।

• আল মাহমুদ:
- কবি আল মাহমুদ ১৯৩৬ সালে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার মোড়াইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম মীর আবদুল শুকুর আল মাহমুদ।
-  তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তীকালে 'দৈনিক গণকণ্ঠ' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- 'সোনালি কাবিন' তাঁর রচিত শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ।
- ২০১৯ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারি ৮২ বছর বয়সে ঢাকার ধানমণ্ডির ইবনে সিনা হাসপাতা‌লে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। 

• তাঁর রচিত প্রধান কাব্যগ্রন্থ:
- লোক লোকান্তর।
- কালের কলস।
- সোনালী কাবিন।
- বখতিয়ারের ঘোড়া।
- অদৃষ্টবাদীদের রান্নাবান্না।
- পাখির কাছে ফুলের কাছে।
- প্রেমের কবিতা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলাপিডিয়া।

২৪.
‘চর্যাপদ’ হলো-
  1. নীতিকথা
  2. সাধন সংগীত
  3. একগুচ্ছ ধর্মোপদেশ
  4. জীবনাচরণ পদ্ধতি
ব্যাখ্যা

• চর্যাপদ -গানের সংকলন বা সাধন সংগীত যা বৌদ্ধ সহজিয়াগণ রচনা করেন।
-------------
• চর্যাপদ:
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যগ্রন্থ/কবিতা সংকলন/ গানের সংকলন।
- এটি বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন।
- ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজ দরবার গ্রন্থাগার থেকে এটি আবিষ্কার করেন।
- চর্যাপদের চর্যাগুলো রচনা করেন বৌদ্ধ সহজিয়াগণ।
- চর্যাপদে বৌদ্ধধর্মের কথা বলা হয়েছে।
- চর্যাপদ তিব্বতি ভাষায় অনুবাদ করেন কীর্তিচন্দ্র।
- ১৯৩৮ সালে প্রবোধচন্দ্র বাগচী চর্যাপদের তিব্বতী ভাষার অনুবাদ আবিষ্কার করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস- মাহবুবুল আলম, বাংলাপিডিয়া।

২৫.
জসীমউদ্‌দীন রচিত ভ্রমণকাহিনি- 
  1. ইস্তাম্বুল যাত্রীর পত্র
  2. জীবন কথা
  3. চলে মুসাফির
  4. বিলেতে সাড়ে সাতশ দিন
ব্যাখ্যা

• 'চলে মুসাফির' ভ্রমণকাহিনির রচয়িতা - জসীমউদ্‌দীন।

• জসীমউদ্‌দীন:
- তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি, শিক্ষাবিদ।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীমউদ্‌দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- জসিমউদ্দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়।

• 'চলে মুসাফির' ভ্রমণকাহিনি:
- ‘চলে মুসাফির’ বইটি মূলত সরলমতি ছাত্রদের জন্য লেখা হয়েছিল, তাই পাঠ্যপুস্তক হিসেবে এর অনেক বিষয় সংক্ষিপ্ত করা হয়েছিল। প্রথম ও দ্বিতীয় সংস্করণে এই ভ্রমণকাহিনী বিস্তারিতভাবে লিখিত হয়েছে, যাতে পাঠ্যপুস্তক পড়া পাঠকদের কাছেও এটি নতুন মনে হয়। এই সংস্করণে করাচি ও মুলতান ভ্রমণের বিবরণও যোগ করা হয়েছে। এই কাহিনীর মাধ্যমে পশ্চিম পাকিস্তানের মানুষদের সঙ্গে পাঠক-পাঠিকাদের মনের বন্ধন গড়ে তোলার আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

- ১৯৫০ সালে পূর্ববঙ্গ সরকারের আর্থিক সহায়তায় লেখক আমেরিকা ভ্রমণ করেন। সেখানে তিনি যে সকল আকর্ষণীয় ও প্রাণবন্ত মানুষের সান্নিধ্যে আসেন, তাঁদের কথা এই বইয়ে ভালোবাসার সঙ্গে লিপিবদ্ধ করেছেন।

তাঁর প্রধান কাব্যগ্রন্থ হলো:
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে,
- বালুচর,
- রাখালী,
- রূপবতী ইত্যাদি।

তাঁর রচিত নাটক:
- পদ্মাপার,
- বেদের মেয়ে,
- পল্লীবধূ,
- মধুমালা,
- গ্রামের মায়া ইত্যাদি।

শিশুতোষ গ্রন্থ:
- এক পয়সার বাঁশী,
- হাসু,
- ডালিম কুমার ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• ‘ইস্তাম্বুল যাত্রীর পত্র’ ইবরাহীম খাঁ রচিত একটি ভ্রমণকাহিনি।
• ‘জীবন কথা’ হলো তার আত্মজীবনী।
• 'বিলেতে সাড়ে সাতশ দিন' ভ্রমণ কাহিনির রচয়িতা- মুহম্মদ আবদুল হাই।

উৎস: বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা, এবং বাংলাপিডিয়া।

২৬.
জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের তরুণ-বংশধরদের সম্পাদিত পত্রিকা কোনটি?
  1. সংবাদ প্রভাকর
  2. সাধনা
  3. কল্লোল
  4. পূর্বাশা
ব্যাখ্যা

• ’সাধনা’ পত্রিকা:
- এটি জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের তরুণ-বংশধরদের সম্পাদিত চতুর্থ পত্রিকা।
- সাধনা প্রথম প্রকাশিত হয় ১২৯৮ বঙ্গাব্দের অগ্রহায়ণ মাসে (ডিসেম্বর, ১৮৯১)।
- ১৮৯১ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভ্রাতুষ্পুত্র সুধীন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্পাদনায় পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশ ঘটে।
- চতুর্থ বছর সম্পাদনার ভার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেই গ্রহণ করেন।
- এই পত্রিকার প্রধান লেখক ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেই।

অন্যদিকে,
- 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত।
- ১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দে আধুনিক লেখকদের সাহিত্যিক মুখপত্র হিসেবে কলকাতা থেকে মাসিক ‘কল্লোল’ প্রকাশিত হয়।
- 'পূর্বাশা' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন সঞ্জয় ভট্টাচার্য।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, এবং বাংলাপিডিয়া।

২৭.
ফররুখ আহমদ কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?
  1. ১৯১১ সালে
  2. ১৯২৮ সালে
  3. ১৯১৮ সালে
  4. ১৯২৩ সালে
ব্যাখ্যা

ফররুখ আহমদ: 
- ফররুখ আহমদ ১৯১৮ সালের ১০ জুন মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার মাঝাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন মুসলিম পুনর্জাগরণবাদী কবি।
- ‘সাত সাগরের মাঝি’ ফররুখ আহমদ রচিত শ্রেষ্ঠ এবং প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। 
- ১৯৪৪ সালে কলকাতার দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে ‘লাশ’ কবিতা লিখে তিনি প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন।
- ফররুখ আহমদ তাঁর বিখ্যাত কাহিনী কাব্য 'হাতেমতায়ী' এর জন্য ১৯৬৬ সালে আদমজি পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৬ সালেই 'পাখির বাসা' শিশুতোষের জন্য ইউনেস্কো পুরস্কার লাভ করেন।
- ‘মুহূর্তের কবিতা’ ফররুখ আহমদ রচিত একটি সনেট সংকলন।

ফররুখ আহমদ রচিত কাব্যগ্রন্থসমূহ হলো:
- সাত সাগরের মাঝি,
- সিরাজাম মুনীরা,
- নৌফেল ও হাতেম,
- মুহূর্তের কবিতা,
- সিন্দাবাদ,
- হাতেমতায়ী,
- নতুন লেখা,
- হাবেদা মরুরকাহিনী।

উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২৮.
'আবোল-তাবোল' - কার লেখা?
  1. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় 
  2. উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরী
  3. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
  4. সুকুমার রায়
ব্যাখ্যা

• শিশুতোষ সাহিত্যে 'আবোল তাবোল' গ্রন্থটি রচনা করেন - সুকুমার রায়।

সুকুমার রায়:
- তিনি ১৮৮৭ সালের ৩০শে অক্টোবর কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল কিশোরগঞ্জ জেলার মাসুয়া গ্রামে।
- তিনি মূলত শিশুসাহিত্যিক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।
- তিনি অনুপম ভাষায় গল্প, নাটক, কবিতা ও প্রবন্ধ লিখে শিশুদের মন জয় করতেন।
- তাঁর পিতার নাম উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী এবং তাঁর ছেলের নাম সত্যজিৎ রায়।

তাঁর রচিত শিশুতোষ গ্রন্থ:
- আবোল তাবোল
- হ-য-ব-র-ল
- পাগলা দাশু
- বহুরূপী
- খাই খাই ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, এবং বাংলাপিডিয়া।

২৯.
'চক্রবাক' - কাজী নজরুল ইসলামের কোন ধরনের রচনা?
  1. প্রবন্ধ
  2. কাব্যগ্রন্থ
  3. গল্পগ্রন্থ
  4. উপন্যাস 
ব্যাখ্যা

• কাজী নজরুল ইসলাম:
- কাজী নজরুল ইসলাম ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে, ১৮৯৯ সাল) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব। 
- তাঁর পিতা কাজী ফকির আহমদ ছিলেন মসজিদের ইমাম ও মাযারের খাদেম।
- কাজী নজরুল ইসলামের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’।
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’ এবং আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।
- ভারত সরকারের অনুমতিক্রমে ১৯৭২ সালের ২৪ মে কবিকে সপরিবারে স্বাধীন বাংলাদেশে আনা হয়। 
-  বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে কবির অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এক বিশেষ সমাবর্তনে কবিকে সম্মানসূচক ডি.লিট উপাধিতে ভূষিত করে। 
- ১৯৭৬ সালের জানুয়ারি মাসে কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান এবং ২১ ফেব্রুয়ারি ‘একুশে পদকে’ ভূষিত করে।
- ২৯ আগস্ট, ১৯৭৬ সালে (১২ ভাদ্র, ১৩৮৩ বঙ্গাব্দে) ঢাকার পিজি হাসপাতালে কবি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। 

• 'চক্রবাক':
- এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত কাব্যগ্রন্থ।
- গ্রন্থটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।

• তাঁর রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ:
- অগ্নিবীণা,
- সর্বহারা,
- ফণি-মনসা,
- সাম্যবাদী,
- জিঞ্জির,
- বিষের বাঁশি,
- ভাঙার গান,
- সন্ধ্যা,
- প্রলয়শিখা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলাপিডিয়া; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

৩০.
Which one is the plural form?
  1. Alumna
  2. Alumnus
  3. Alumni
  4. None of these
ব্যাখ্যা

• The correct answer is: Alumni.

• Alumnus (singular noun) [masculine]
- English Meaning: someone who studied at a particular school, college, or university.
- Bangla Meaning: স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র।

- এর plural form হলো- Alumni.
- যেমন: He often contributed to his high school alumni newsletter.

অন্যদিকে,
• Alumna (singular noun) [feminine]
- English Meaning: a woman who studied at a particular school, college, or university.
- Bangla Meaning: স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রী।

- এর plural form হলো- Alumnae.
- যেমন: She is one of the legendary comedy show's many alumnae.

- সুতরাং, অপশনগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র Alumni হলো plural form.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

৩১.
The antonym of 'Accolade' is-
  1. Economical
  2. Commendation
  3. Censure
  4. Abscond
ব্যাখ্যা

• The antonym of 'Accolade' is- Censure.

• Accolade (noun)
- English Meaning: an award or privilege granted as a special honour or as an acknowledgement of merit; an expression of praise or admiration.
- Bangla Meaning: কাঁধে তরবারির চেটালো দিকের মৃদু আঘাত দিয়ে নাইট খেতাব-প্রদান। (২) (লাক্ষণিক) প্রশংসা; সমাদর; অনুমোদন।

• Given options:
ক) Economical - মিতব্যয়ী; হিসাবি।

খ) Commendation - প্রশংসা; অনুমোদন।

গ) Censure - তিরস্কার; আপত্তি; কাউকে (কোনো কিছুর জন্য) সমালোচনা করা।

ঘ) Abscond - ফেরার হওয়া; আত্মগোপন করা।

• সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায় যে, The antonym of 'Accolade' is- Censure.

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৩২.
The job ad said they wanted proficiency ____ Mathematics and English.
  1. over
  2. in
  3. with
  4. at
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: The job ad said they wanted proficiency in mathematics and English.
- Bangla meaning: চাকরির বিজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল যে তারা গণিত এবং ইংরেজিতে দক্ষতা চায়।

• Proficiency in (a subject/skill)
- English Meaning: a high standard of skill in a particular job or knowledge of a particular subject; great skill, ability, and experience.
- Bangla Meaning: ব্যুৎপত্তি; দক্ষতা; কুশলতা; নিপুণতা।

- ইংরেজিতে proficiency শব্দের সঙ্গে সাধারণত preposition 'in' ব্যবহৃত হয় যখন কোনো বিষয়ে দক্ষতা বা পারদর্শিতা বোঝানো হয়।
- এটি একটি স্ট্যান্ডার্ড collocation: (যেমন: proficiency in English, proficiency in computer skills).

অন্যদিকে,
• Proficiency with (অপ্রচলিত) - কোনো কিছুতে দক্ষতা অর্জন।
- সাধারণত tools/instruments এর সাথে ব্যবহৃত হয় (কম প্রচলিত).
- যেমন: He spent days just gaining a proficiency with the typewriter.

• Proficiency at (অপ্রচলিত)
- at → "good at" বা "skilled at" ব্যবহৃত হতে পারে (যেমন: good at mathematics), কিন্তু subject এর ক্ষেত্রে "proficiency at" সাধারণত ব্যবহৃত হয় না।

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Longman Dictionary.

৩৩.
Choose the correct spelling:
  1. Hallocination
  2. Halucination
  3. Hellucenation
  4. Hallucination
ব্যাখ্যা

• The correct spelling: ঘ) Hallucination.

• Hallucination (Noun)
- English Meaning: an experience involving the apparent perception of something not present.
- Bangla Meaning: দৃষ্টিভ্রম; অবর্তমান বা কল্পিত কিছু দেখার প্রক্রিয়া বা দৃষ্টান্ত।

• Example Sentences:
- He continued to suffer from horrific hallucinations.
- He has been having hallucinations due to the medication.

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Oxford Dictionary.

৩৪.
The soldier fought a brave fight. Here, "fought" is-
  1. Cognate verb
  2. Linking verb
  3. Causative verb
  4. Factitive verb
ব্যাখ্যা

• The soldier fought a brave fight. Here, "fought" is- Cognate verb.

• Cognate Verb:

- বাক্যের verb এবং object যখন একই root থেকে উৎপন্ন হয় তখন সেই verb কে cognate verb বলা হয় এবং এর object কে বলা হয় cognate object.
- অর্থাৎ, যে Intransitive verb তারই noun form কে object হিসেবে গ্রহণ করে তখন সেই verb কে cognate verb বলা হয়।
- আর object টি কে বলা হয় Cognate object.
- যেমন: The soldier fought a brave fight.
- এখানে "fought" হলো cognate verb ও "fight" হলো cognate object.

অন্যদিকে,
• Linking verb:
- যে সকল verb সাধারণত subject ও Subjective complement এর মধ্যে যোগসূত্র স্থাপন করে তাদেরকে Linking verb/ Copulative verb বলে।
- Linking verb-এর complement হিসেবে সাধারণত adjective বসে।
- Subject এবং subjective complement এর মধ্যবর্তী verb কে linking/Copulative verb বলে।
- অবশ্যই মনে রাখতে হবে Linking/copulative verb হচ্ছে actionless.
- যেমন: He became a doctor.

• Causative Verb:
- Subject যখন নিজে কাজ না করে অন্যকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেয় তখন এই অর্থে causative verb ব্যবহৃত হয়।
- Help, Get, Have, Let, Make ইত্যাদি বহুল প্রচলিত causative verb.
- যেমন: She makes me happy

• Factitive verb:
- Transitive verb এর Object থাকা সত্ত্বেও যদি object পরবর্তী noun অথবা adjective (complement) এর সাহায্য ছাড়া বাক্য পূর্ণ না হয়, তখন ঐ বাক্যে ব্যবহৃত verb কে Factitive verb বলে।
- কিছু factitive verbs হলো: Elect, Select, Make, Appoint, Call, Name ইত্যাদি।
- যেমন: They elected him captain.

৩৫.
"Your heart is in the right place but your head is in the clouds." means you are-
  1. very kind but reasonable
  2. kind but impractical
  3. intelligent and logical
  4. always angry
ব্যাখ্যা

• "Your heart is in the right place but your head is in the clouds." means you are kind but impractical.

• Have your head in the clouds (idiom)
- (also with your head in the clouds, someone's head is in the clouds)
- Used to say that someone's ideas or plans are not practical or reasonable, or that they are thinking about something that is not important or not connected with what needs to be done.
- অর্থাৎ, কারো ধারণা বা পরিকল্পনা বাস্তবসম্মত বা যুক্তিসংগত নয়, অথবা তারা এমন কিছু নিয়ে ভাবছে যা গুরুত্বপূর্ণ নয় বা যা করা দরকার তার সঙ্গে সম্পর্কিত নয় — তা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।

More examples:
- He was often criticized for not being realistic, for having his head in the clouds.
- I was aware of what was going on. I didn't walk around with my head in the clouds.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Collins Dictionary.

৩৬.
Fill in the blank with the right form of the verb:
He registered to vote as soon as he _____ eighteen.
  1. turn
  2. turned
  3. will turn
  4. turns
ব্যাখ্যা

• Complete Sentence: He registered to vote as soon as he turned eighteen.
- Bangla meaning: আঠারো বছর বয়স হওয়ার সাথে সাথেই সে ভোটার হিসেবে নিবন্ধন করে।

• As soon as
- English Meaning: at the same time or a very short time after.
- Bangla Meaning: যেইমাত্র; যখনি; একই সময়ে; সাথে সাথে।

• As soon as এর পূর্বে past indefinite tense থাকলে এরপরেও past indefinite tense হয়।
- অর্থাৎ, অতীতকালের দুইটি কাজ যদি As soon as দ্বারা যুক্ত থাকে তবে দুইটি কাজই past indefinite tense -এ হবে।
- তাই নিয়মানুযায়ী, শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে- turned.

অন্যদিকে, 
- Future Indefinite Tense + As soon as + Present Indefinite Tense
- Example: I shall ring you up as soon as I arrive.

Source:
1. A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.
2. Cambridge Dictionary.

৩৭.
Choose the correct passive form:
The committee elected her chairperson.
  1. Chairperson was elected her by the committee.
  2. She was elected chairperson in the committee.
  3. She was elected chairperson by the committee.
  4. Her was elected chairperson by the committee.
ব্যাখ্যা

- Active: The committee elected her chairperson.
- Passive: She was elected chairperson by the committee.

• Factitive object (Select, elect, nominate, make, call, name) ইত্যাদি transitive verb গুলোর object থাকা সত্ত্বেও সম্পূর্ণরূপে অর্থ প্রকাশ করতে পারে না। পরিপূর্ণ অর্থ প্রকাশ করার জন্য অতিরিক্ত object complement আনতে হয়। এইরূপ অতিরিক্ত object কে Factitive object বলে।

• Factitive object/complementary object যুক্ত active voice কে passive voice এ পরিবর্তন করার নিয়ম:
- প্রদত্ত Pronominal object-টি (me, us, you, them, him, her) / নামবাচক object টির Subjective form বসে।
- Tense ও person অনুযায়ী auxiliary verb বসে।
- মূল verb এর past participle বসে।
- Factitive object টি বসে।
- by বসে + Subject টির objective form বসে।

More examples:
- Active: They elected him president.
- Passive: He was elected president by them.

৩৮.
Identify the correct sentence:
  1. Each of the girls attends the class regularly.
  2. Each of the girls attend the class regularly.
  3. Each of the girl attended the class regularly.
  4. Each of the girls attending the class regularly.
ব্যাখ্যা

• Correct sentence: ক) Each of the girls attends the class regularly.

• Subject-Verb Agreement অনুযায়ী,
- One of, Any of, Each of, Either of, Neither of বাক্যের subject হিসেবে ব্যবহৃত হলে verb টি singular হবে।
- অর্থাৎ, One of/Each of ইত্যাদির পরে plural noun + singular verb বসে।
- কারণ Each দ্বারা প্রত্যেককেই আলাদা আলাদাভাবে বুঝানো হয়।
- আবার, এখানে regularly (regularly: habitual action) থাকায় Simple Present Tense হবে।
- তাই সঠিক উত্তর হবে- attends.

- Structure: One of/Each of…+ plural noun + singular verb + ext.
- যেমন: Each of the girls attends the class regularly.

• More Examples:
- Each of the athletes has been training for months, even years.
- Each of the students was present at the field.

৩৯.
Writing daily is a very good practice to improve your writing skills.
Here, the underlined part is a/an-
  1. Adverbial phrase
  2. Adjective phrase
  3. Noun phrase
  4. Verbal phrase 
ব্যাখ্যা

Writing daily is a very good practice to improve your writing skills.
- Here, the underlined part is a Noun phrase.

- এই বাক্যে 'Writing daily' phrase টি verb এর Subject হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, তাই এটি Noun phrase এবং একই সাথে এটি একটি Gerund phrase.
- কারণ, এটি gerund দিয়ে শুরু হয়েছে।
- তাই, 'Writing daily' হচ্ছে Noun phrase.
--------

• Noun phrase:
- যে phrase বা শব্দগুচ্ছ noun -এর কাজ করে তাই মূলত Noun phrase.
- অর্থ এবং বাক্যে অবস্থান অনুযায়ী Noun phrase বিভিন্ন ভূমিকা পালন করে।
- যেমন:
- Subject হিসেবে; (এই বাক্যে 'Writing daily' phrase টি Subject হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, তাই এটি Noun Phrase.)
- Object of a verb হিসেবে;
- Object of a preposition হিসেবে;
- Subject complement হিসেবে;
- Object complement হিসেবে।

• The three types of noun phrases are:
i. Appositive phrase:
- It renames another noun in the sentence.
- যে noun phrase অন্য একটি noun সম্মন্ধে comma ব্যবহার করে নতুন তথ্য যোগ করে তাকে appositive বলে।
- যেমন: Mr. Alam, my favorite English teacher, is doing this assignment for me.

ii. Gerund phrase:
- Gerund phrase starts with a gerund.
- Gerund (verb + ing) দিয়ে শুরু হওয়া phrase কে gerund phrase বলে।
- যেমন: The ringing of the phone during the prayers in the mosque disturbs me much.

iii. Infinitive phrase:
- It has an infinitive (to + the present form of the verb) and modifiers linked to the infinitive.
- Infinitive (to+verb) দিয়ে শুরু হওয়া phrase কে infinitive phrase বলে।
- যেমন: I took a determination to pass the exam.

Source: Cliff's TOEFL.

৪০.
There ______ some changes recently.
  1. have been
  2. has been
  3. had been
  4. are
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: There have been some changes recently.
- Bangla meaning: সাম্প্রতিক কালে কিছু পরিবর্তন হয়েছে।

- "There" দিয়ে শুরু হওয়া বাক্যে existential structure ব্যবহৃত হয়, যেখানে subject হলো মূলত পরের noun বা noun phrase.
-  Here/There দিয়ে কোনো বাক্য শুরু হলে তার পরের noun/pronoun অনুযায়ী verb বসে।
- Subject এখানে 'some changes' - যা plural countable noun, তাই verb টিও plural হবে।
- আবার, এখানে 'recently' থাকায় বাক্যটি Present Perfect Tense নির্দেশ করছে।
- Plural subject-এর সঙ্গে Present Perfect -এ verb হিসেবে 'have been' (passive) ব্যবহৃত হয়।

Structure:
- Here/There + singular verb + singular subject.
- Here/There + plural verb + plural subject.

অন্যান্য অপশন বিশ্লেষণ:
খ) has been → Singular subject-এর জন্য (যেমন: There has been a change).
গ) had been → Past Perfect Tense, কিন্তু recently-এর সঙ্গে মানানসই নয়।
ঘ) are → Simple Present, কিন্তু recently-এর সঙ্গে Present Perfect Tense হবে।

- সুতরাং, সঠিক উত্তর: ক) have been.

৪১.
Eight people including two children were injured in the explosion.
The underlined word is a/an-
  1. Noun
  2. Adjective
  3. Preposition
  4. Conjunction
ব্যাখ্যা

• Eight people including two children were injured in the explosion.
- The underlined word is a Preposition.

- 'including' এখানে "two children"-কে "eight people"-এর সঙ্গে সংযুক্ত করছে এবং বোঝাচ্ছে যে "two children" এই "eight people"-এর অন্তর্ভুক্ত।
- Preposition সাধারণত noun বা pronoun (এখানে "two children")-কে বাক্যের অন্য অংশের সঙ্গে সম্পর্কিত করে।

• Including (preposition)
- English Meaning: Used for saying that a person or thing is part of a particular group or amount.
- Bangla Meaning: সহ/সহিত: অন্তর্ভুক্ত/অন্তর্গত।

More examples:
- Their new house has four storeys including the attic.
-  I've got three days' holiday including New Year's Day.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Oxford Dictionary.

৪২.
Select the correct comparative form of the sentence:
"A string of pearls was not so bright as her teeth."
  1. A string of pearls was brighter than her teeth.
  2. A string of pearls were very bright than her teeth.
  3. Her teeth was more brighter than a string of pearls.
  4. Her teeth were brighter than a string of pearls.
ব্যাখ্যা

→ (41st BCS Preli)
- Positive: A string of pearls was not so bright as her teeth.

- Comparative: Her teeth were brighter than a string of pearls.

• যখন not -যুক্ত কোন Positive degree-এর বাক্যে দুটি ব্যক্তি/বস্তুর মধ্যে বৈশিষ্ট্যর তারতম্য বোঝায়, তখন নিচের নিয়মে সেটিকে Comparative করতে হয়।
- প্রথমে ২য় noun/noun phrase বসে।
- Tense অনুযায়ী auxiliary verb বসে।
- Positive degree-এর comparative form বসে।
- than + ১ম noun/noun phrase বসে।

• Structure: ২য় noun/noun phrase + be + adjective (comparative) + than + ১ম noun/noun phrase.

- তাই, সঠিক উত্তর হবে- Her teeth were brighter than a string of pearls (তাঁর দাঁতগুলো মুক্তা মালার চাইতেও উজ্জ্বলতর ছিল।)

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

৪৩.
Identify the correct sentence:
  1. This poem closely resembles to an earlier one.
  2. This poem closely resembles an earlier one.
  3. This poem closely resembles with an earlier one.
  4. This poem resembles closely to an earlier one.
ব্যাখ্যা

• Correct sentence: খ) This poem closely resembles an earlier one.

• সাধারণত resemble (transitive verb হিসেবে) এর পর কোনো preposition বসে না, সরাসরি object বসে।
- Correct structure is: Subject + resemble + direct object.

- আবার, "resembled" verb টিকে modify করার জন্য adverb "closely" সাধারণত subject এবং main verb এর মাঝে বসে।
- তাই সঠিক বাক্য হবে- This poem closely resembles an earlier one.

• এই রকম আরো কিছু verb হচ্ছে-
- Reach, resemble, violate, discuss, investigate, recommend, order, command, enter, ইত্যাদি verb গুলো transitive বলে এদের পরে কোনো preposition বসে না।
- এদের পর সরাসরি object বসে।

৪৪.
The road slopes gently downwards for a mile or two.
Here, 'gently' does the function of-
  1. Noun
  2. Adjective
  3. Adverb
  4. Verb
ব্যাখ্যা

• The road slopes gently downwards for a mile or two.
- Here, 'gently' does the function of- Adverb.

- এখানে "gently" শব্দটি verb "slopes"-কে modify করছে, অর্থাৎ কীভাবে (how) road-টি slope করছে তা বর্ণনা করছে (মৃদুভাবে বা gently)।
- এটি একটি adverb of manner.
- ইংরেজি গ্রামারে adverbs সাধারণত verb, adjective বা অন্য adverb-কে modify করে, এবং প্রায়শই -ly দিয়ে শেষ হয় (যেমন: gently, quickly, slowly).

• Gently (adverb)
- English Meaning: slightly or gradually; calmly, kindly, or softly.
- Bangla Meaning: আলতোভাবে; ধীরে।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

৪৫.
Who composed the elegiac poem "Rugby Chapel"?
  1. Thomas Gray
  2. Matthew Arnold
  3. John Milton
  4. John Donne
ব্যাখ্যা

• The composer of the elegiac poem "Rugby Chapel" is Matthew Arnold.

• Rugby Chapel:
- Matthew Arnold's "Rugby Chapel' is an elegy.
- এটি ১৮৬৭ সালে প্রকাশিত হয়।
- “Rugby Chapel” কবিতাটি তাঁর বাবা, Dr. Thomas Arnold -কে স্মরণ করে লেখা।
- তার বাবা ছিলেন Rugby School -এর famous headmaster.
- কবিতায় কবি তাঁর বাবার উচ্চ আদর্শ, নৈতিকতা, মানবপ্রেম এবং নেতৃত্বের গুণাবলিকে শ্রদ্ধার সঙ্গে তুলে ধরেছেন।
- কবিতায় আর্নল্ড মানুষের জীবনকে একটি কঠিন যাত্রার সঙ্গে তুলনা করেছেন, যেখানে অনেকেই দিক হারিয়ে ফেলে।
- কিন্তু কিছু মানুষ আছেন—যাঁরা আলোর মতো পথ দেখান, সাহস জোগান এবং অন্যদের জীবনে দিশা তৈরি করেন। তাঁর বাবা ছিলেন এমনই একজন পথপ্রদর্শক।

• Matthew Arnold (1822-1888):
- তিনি একজন বিখ্যাত English Victorian poet এবং literary ও social critic.
- তিনি সমসাময়িক সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির রুচি ও আচরণের সমালোচনার জন্য পরিচিত।
- তিনি শুরুতে inspector of schools হিসেবে কাজ করেন, পরে তিনি professor of poetry হিসেবে যোগ দান করেন Oxford -এ।
- তিনি সংস্কৃতির একজন প্রচারক হিসেবে খ্যাত, বিশেষ করে তাঁর বিখ্যাত criticism রচনা Culture and Anarchy (1869)-এর জন্য।
- Matthew was the eldest son of the renowned Thomas Arnold.

• Notable Works:
• Famous elegies: 
- Thyrsis,
- Rugby Chapel.

• Famous poems:
- Cromwell
- Dover Beach,
- The scholar gypsy (lyric poem),
- Sohrab and Rustom,
- The Forsaken Merman,
- Empedocles on Etna.

• Famous books:
- Culture and Anarchy,
- The Study of Poetry,
- Literature and Dogma,
- Essays in Criticism,
- On Translating Homer (lectures),
- On the Study of Celtic Literature (lectures), etc.

Source:
1. Britannica.
2. English Essence by Live MCQ.

৪৬.
"If love be rough with you, be rough with love; Prick love for pricking, and you beat love down." 
This is quoted by-
  1. Francis Bacon
  2. Christopher Marlowe
  3. William Shakespeare
  4. Robert Browning
ব্যাখ্যা

• "If love be rough with you, be rough with love; Prick love for pricking, and you beat love down." 
- This is quoted by William Shakespeare.
- এটি তার Romeo and Juliet নাটক থেকে উদ্ধৃত।

• Romeo and Juliet:
- এটি William Shakespeare -এর একটি বিখ্যাত রোমান্সধর্মী ট্র্যাজেডি নাটক, যা দুই প্রেমিক-প্রেমিকার করুণ পরিণতি নিয়ে রচিত।
- এ নাটকটির প্রেক্ষাপট ইতালির Verona.
- রোমিও হচ্ছে Montague এবং জুলিয়েট Capulet পরিবারের সদস্য। এই দুই পরিবারের মাঝে শত্রুতা বিদ্যমান। 
- নানা ঘটনা, দূর্ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নাটকের শেষে ট্রাজিক পরিণতি বরণ করে নায়ক নায়িকা দুুজনেই।
- এই নাটক বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম সেরা প্রেমের কাহিনি, যা যুগ যুগ ধরে ভালোবাসা ও ট্র্যাজেডির প্রতীক হয়ে আছে।

• Main characters:
- Juliet,
- Romeo,
- Count Paris,
- Tybalt,
- Friar Lawrence, etc.
 
• Famous quotations of Romeo and Juliet:
- "If love be rough with you, be rough with love; Prick love for pricking, and you beat love down." 
- "Good night, good night! parting is such sweet sorrow,
That I shall say good nighttill it be morrow."
- "Too swift arrives as tardy as too slow."
- "My only love sprung from my only hate!"
- "These violent delights have violent ends."
 
• William Shakespeare
- William Shakespeare was born on 23 April 1564 AD and died on 23 April 1616 AD.
- তার জন্মস্থান Stratford Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- তাকে 'Bard of Avon' বা Swan of Avon বলা হয়।
- Shakespeare wrote a total of 37 plays and 154 sonnets.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

৪৭.
"Roads of Destiny" is a-
  1. Novel
  2. Short story
  3. Poem
  4. Drama
ব্যাখ্যা

• 'Roads of Destiny' is a short story.

• Roads of Destiny:
- "Roads of Destiny" হলো মার্কিন লেখক O. Henry–র লেখা একটি বিখ্যাত ছোটগল্প।
- গল্পে তিনি মানব ভাগ্য, নির্বাচনের ক্ষমতা, এবং জীবনের অনিবার্য পরিণতি নিয়ে লেখকসুলভ মেধায় উপস্থাপন করেছেন।
- গল্পটি তার "twist ending" বা চমকপ্রদ পরিণতির জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
- O. Henry এই গল্পের মাধ্যমে বোঝাতে চেয়েছেন যে- "মানুষ যাই ভাবুক, তার নিয়তি নির্ধারিত হয়ে আছে। সে চাইলেও তা এড়াতে পারে না।"

• Summary:
- গল্পের মূল চরিত্র হল David Mignot, একজন তরুণ কবি, যিনি একজন মেয়েকে ভালোবাসেন। কিন্তু সেই মেয়েটির বাবা তাকে অপছন্দ করেন এবং চান না David তার মেয়েকে বিয়ে করুক। এই অবস্থায়, David নিজের ভাগ্য পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয় এবং বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে পড়ে।
- গল্পটি তখন তিনটি সম্ভাব্য পথ বা "Roads of Destiny"–তে বিভক্ত হয়- ঠিক যেন একটি মানবজীবনের তিনটি বিকল্প ভবিষ্যৎ:
- Three Roads:
- প্রথম Roads: সে সেনাবাহিনীতে যোগ দেয় এবং এক সাহসী সৈনিক হয়। কিন্তু তার জীবন শেষ হয় এক সংঘর্ষে।
- দ্বিতীয় Roads: সে একজন চোর-ডাকাত হয়ে পড়ে, এবং অন্যায় কাজে জড়িয়ে পড়ে, যার ফলেও তার মৃত্যু ঘটে।
- তৃতীয় Roads: সে বাড়িতে ফিরে আসে এবং পূর্বের জীবনেই থেকে যায়, কিন্তু এক দুঃখজনক দুর্ঘটনায় সেখানেও সে মারা যায়।

• O. Henry (1862-1910):
- O. Henry-এর প্রকৃত নাম ছিল William Sydney Porter.
- O. Henry is best known for his short stories.
- তিনি নিউ ইয়র্ক সিটির সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে তিনি ছোটগল্প লিখতেন।
- তার গল্পগুলোতে হাস্যরস, কাকতালীয়তা এবং চমকপ্রদ উপসংহার ছিল।
- এই চমকপ্রদ সমাপ্তিই তার গল্পের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

• Notable Short Stories:
- Heart of the West,
- The Gift of the Magi,
- Roads of Destiny,
- The Last Leaf,
- The Ransom of Red Chief,
- The Furnished Room,
- The Trimmed Lamp,
- The Four Million,
- Sixes and Sevens,
- Strictly Business,
- Whirligigs,
- The Trimmed Lamp,
- The Voice of the City.

Source: Britannica.

৪৮.
Who wrote the play 'Rape Upon Rape'?
  1. Henry Fielding
  2. Joseph Conrad
  3. William Congreve
  4. Ben Jonson
ব্যাখ্যা

• Henry Fielding wrote the play 'Rape Upon Rape'.

• Rape Upon Rape:
- In full, Rape upon Rape; Or, The Justice Caught in his own Trap, A Comedy.
- "Rape Upon Rape" হলো আঠারো শতকের ইংরেজি লেখক ও নাট্যকার Henry Fielding -এর রচিত একটি নাটক।
- নাটকের কাহিনী একটি ধর্ষণ মামলাকে কেন্দ্র করে, যেখানে বিচার, নৈতিকতা, এবং সমাজে নারীদের ভূমিকা পরীক্ষা করা হয়।
- Henry Fielding হাস্যরস ও ব্যঙ্গের মাধ্যমে যৌন সহিংসতা এবং আইন ব্যবস্থার বৈপরীত্যকে তুলে ধরেন।
- নাটকটি যৌন রাজনীতি, সম্মতি, এবং সমাজের নারীর প্রতি নৈতিক দ্বিচারিতা নিয়ে আলোচনা করে।
- এটি একটি Rape মামলার মাধ্যমে মানব সম্পর্কের জটিলতাগুলি সমালোচনার মাধ্যমে প্রকাশ করে।

• Henry Fielding (1707-1754):
- Henry Fielding একজন ইংলিশ উপন্যাসিক এবং নাট্যকার ছিলেন, যিনি Samuel Richardson -এর সঙ্গে ইংরেজি উপন্যাসের founder হিসেবে বিবেচিত হন।
- তিনি মূলত কমেডি এবং সামাজিক সমালোচনা নিয়ে লেখা তার কাজের জন্য পরিচিত।
- Fielding ইংরেজি সাহিত্যে উপন্যাসের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
- He is famous for the Picaresque Novel.
- তার ছদ্মনাম (pen name) হলো Captain Hercules Vinegar.

• Famous plays:
- Rape Upon Rape,
- The Temple Beau,
- The Miser,
- The Tragedy of Tragedies,
- The Modern Husband, etc.

• Famous Novels of Henry Fielding:
- Tom Jones,
- Amelia,
- Joseph Andrews.

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.

৪৯.
Prose romance “Le Morte d'Arthur” is a literary creation of-
  1. The Renaissance Period
  2. The Elizabethan Period
  3. The Middle English Period
  4. The Old English Period
ব্যাখ্যা

• Prose romance “Le Morte d'Arthur” is a literary creation of the Middle English Period.

• Le Morte d'Arthur:
- Le Morte d'Arthur হল Sir Thomas Malory রচিত একটি কাহিনী, যা ১৫ই শতকে প্রকাশিত হয়।
- ইংরেজি সাহিত্যের প্রথম রোমান্সধর্মী রচনা বা English prose version of the Arthurian legend হচ্ছে 'Le Morte d' Arthur'/ Morte d' Arthur.
- Sir Thomas Malory এটি 1470 সালে সালে রচনা করেন এবং ১৪৮৫ সালে William Caxton এটি প্রকাশ করেন।
- এটি কিং আর্থার এবং তার রাউন্ড টেবিলের নাইটদের কিংবদন্তির উপর ভিত্তি করে লেখা হয়েছে এবং এটি ইংরেজি সাহিত্যের একটি শ্রেষ্ঠ উপন্যাস হিসেবে গণ্য হয়।
- It retells the adventures of the knights of the Round Table in chronological sequence from the birth of Arthur.
- সাহিত্যটির একটি মাত্র সংস্করণ বর্তমানে বিদ্যমান যেটি British Library, London এ সংরক্ষিত আছে।

• Sir Thomas Malory 'Middle English Period' -এর লেখক। 
- 'Middle English Period' এর সময়কাল হচ্ছে ১০৬৬-১৫০০ সাল।
- এ যুগের অন্যান্য লেখক হচ্ছে: John Wycliffe, John Gower, Geoffrey Chaucer, William Langlad. 

• Note: 'Morte D' Arthur' নামে ভিক্টোরিয়ান যুগের কবি Alfred Tennyson -এর একটি কবিতা রয়েছে।

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M Mofizar Rahman.

৫০.
Who created the famous character 'Adela Quested'?
  1. Charles Dickens
  2. E. M. Forster
  3. Ernest Hemingway
  4. Jane Austen
ব্যাখ্যা

• The famous character 'Adela Quested' was created by E. M. Forster.
- এটি তার novel 'A Passage to India' -এর অন্যতম চরিত্র।

• A Passage to India:
- এটি E.M. Forster লিখিত একটি novel.
- এটি ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি ব্রিটিশ উপনিবেশিক ভারতে বসবাসরত ইংরেজ ও ভারতীয়দের মধ্যে সম্পর্ক এবং সাংস্কৃতিক বিভেদের জটিলতা নিয়ে লেখা হয়েছে।
- The tensions that arise when a visiting Englishwoman, Adela Quested, accuses a well-respected Indian man, Dr. Aziz, of having attacked her during an outing.

• Main characters:
- Dr. Aziz,
- Mrs. Moore,
- Adela Quested,
- Rony Hislop,
- Cyril Fielding, etc.

• E. M. Forster (1879-1970):
- তার পুরো নাম Edward Morgan Forster.
- তিনি একাধারে একজন British novelist, essayist এবং social ও literary critic.
- তিনি মূলত মানবিক সম্পর্ক, শ্রেণিবিভেদ ও সাংস্কৃতিক সংঘর্ষ নিয়ে লেখালেখি করেছেন।

• Notable works:
- A Passage to India,
- A Room with a View,
- Aspects of the Novel,
- The Longest Journey,
- Marianne Thornton,
- Howards End, etc.

Source: Britannica.

৫১.
The poem "Locksley Hall" was composed by-
  1. Alfred Lord Tennyson
  2. Walt Whitman
  3. Alexander Pope
  4. Robert Browning
ব্যাখ্যা

• The poem "Locksley Hall" was composed by Alfred Lord Tennyson.

• Locksley Hall:
- এটি Alfred Lord Tennyson রচিত।
- এটি একটি কবিতা।
- Poems (1842) collection এ এই কবিতাটি প্রকাশিত হয়।
- বক্তা এখানে বস্তুগত লাভ এবং পার্থিব সম্পদ লাভের জন্য করা বিবাহের বিরোধিতা করেন।

• Alfred, Lord Tennyson (1809-1892):
- তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত ইংরেজ কবি এবং ভিক্টোরিয়ান যুগের অন্যতম প্রধান সাহিত্যিক ব্যক্তিত্ব।
- He was a representative/ Lyric poet of the Victorian Age.
- তাকে ভিক্টোরিয়ান যুগের Chife representative বলা হয়ে থাকে।
- তিনি 1850 সালে যুক্তরাজ্যের Poet Laureate (রাজকবি) হিসেবে নিযুক্ত হন এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এই পদে ছিলেন।
- Tennyson তার গভীর জীবনদর্শন, অতুলনীয় ভাষার সৌন্দর্য এবং আবেগময় কাব্যিক ধারা দিয়ে ইংরেজি সাহিত্যে এক বিশেষ স্থান অধিকার করে আছেন।

• Notable Works:
- Ulysses,
- Lotus Eaters,
- Locksley Hall,
- In Memoriam (Elegy),
- Crossing the Bar,
- Tithonus,
- Enoch Arden,
- The Two Voices,
- The Lady of Shalott,
- Morte D'Arthur,
- The Falcon,
- Queen Mary (Comedy),
- Harold, etc.

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.

৫২.
_________ is an example of 'Oxymoron'.
  1. Pretty stunning
  2. Silently silence
  3. Open secret
  4. Life’s but a walking shadow
ব্যাখ্যা

Open secret is an example of 'Oxymoron'.

​• Oxymoron:
- A figure of speech in which incongruous or contradictory terms appear side by side.
- Oxymoron হলো একটি অলঙ্কারশাস্ত্রের কৌশল যেখানে দুটি বিপরীতধর্মী বা পরস্পরবিরোধী শব্দ বা ধারণা একসঙ্গে ব্যবহার করা হয়, যা বিশেষ অর্থ তৈরি করে।
- Two words or phrases used together that have, or seem to have, opposite meanings.
- অর্থাৎ, দুটি বিপরীতার্থক শব্দ পাশাপাশি বসলে Oxymoron হয়।
- When we use phrases like male-female, host-guest, civil war, an open secret, magic realism, or wise fool, we use oxymorons.

• ​Oxymoron -এর বৈশিষ্ট্য:
- বিপরীতধর্মী শব্দ: দুটি পরস্পরবিরোধী বা সাংঘর্ষিক শব্দ পাশাপাশি বসানো হয়।
- অসঙ্গত সম্পর্ক: শব্দগুলো একে অপরের বিপরীত হলেও একত্রে বিশেষ অর্থ তৈরি করে।
- শব্দচাতুরী: লেখকের সৃজনশীলতা প্রকাশ করে এবং ভাষায় গভীরতা আনে।
- কাব্য ও সাহিত্যিক ব্যবহার: এটি কবিতা, নাটক, গল্প এবং অন্যান্য সাহিত্যকর্মে অর্থবহ করে তোলে।

• ​Oxymoron -এর আরো কিছু উদাহরণ:
- "Living dead" 
- "Seriously funny"
- "Open secret"
- "Bitter sweet" 
- "Alone together"
- "Act naturally"
- "Awfully good"
- "Original copy".

Source:
1. Literary terms.net
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

৫৩.
Henrik Ibsen wrote the famous play-
  1. The Devil’s Disciple
  2. Bury the Dead
  3. The Birthday Party
  4. A Doll’s House
ব্যাখ্যা

• Henrik Ibsen wrote the famous play, A Doll’s House.

• A Doll's House:
- 'A Doll's House' হলো প্রখ্যাত নরওয়েজিয়ান নাট্যকার এবং কবি Henrik Ibsen -এর একটি বিখ্যাত নাটক।
- এটি ১৮৭৯ সালে প্রকাশিত হয়৷
- এটি আধুনিক নাট্যকলার একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হিসেবে বিবেচিত এবং নারীবাদের প্রতি নির্দেশিত একটি সমালোচনা ৷
নাটকটির কেন্দ্রবিন্দু একটি সাধারণ পরিবার – Torvald Helmer, একজন ব্যাংকের আইনজীবী, এবং তার স্ত্রী, Nora, এবং তাদের
তিনটি ছোট সন্তান ৷
- A Doll's House নারীর স্বাধীনতার জন্য একটি শক্তিশালী মেসেজ প্রদান করে এবং এটি আধুনিক নাটকের একটি পাথেয় হিসেবে
প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

• Main characters:
- Nora Helmer (Heroine),
- Torvald Helmer (Husband of Nora),
- Krogstad,
- Mrs. Linde, etc.

 • Henrik Ibsen (1828-1906):
- তার পুরো নাম Henrik Johan Ibsen.
- Henrik Ibsen ছিলেন একজন প্রখ্যাত নরওয়েজিয়ান নাট্যকার এবং কবি, যিনি আধুনিক নাট্যকলার জনক হিসেবে পরিচিত।
- Henrik Ibsen আধুনিক নাটকের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

• Notable Works (plays):
- A Doll's House,
- Love's Comedy,
- An Enemy of the People,
- Ghosts,
- The Lady from the Sea,
- The Master Builder,
- The Pretenders,
- The Wild Duck, etc.

অন্যদিকে,
ক) 'The Devil’s Disciple' is a play written by George Bernard Shaw.

খ) 'Bury the Dead' is a play written by Irwin Shaw.

গ) 'The Birthday Party' is a play written by Harold Pinter.

Source: Britannica.

৫৪.
"Tis strange - but true; for truth is always strange; Stranger than fiction."
This quote is taken from a poem of _____.
  1. Robert Herrick
  2. Lord Byron
  3. Elizabeth Barrett Browning
  4. Franz Kafka
ব্যাখ্যা

→ (47th BCS Preli)
• "Tis strange - but true; for truth is always strange; Stranger than fiction."

- This quote is taken from a poem of Lord Byron.
- উদ্ধৃতিটি নেওয়া হয়েছে Lord Byron -এর রচিত ব্যঙ্গাত্মক মহাকাব্যিক কবিতা Don Juan থেকে।
- Byron এখানে বলেছেন, সত্য ঘটনা প্রায়ই কল্পনার চেয়েও অদ্ভুত।

• সম্পূর্ণ উদ্ধৃতিটি হলো-
- "Tis strange,-but true; for truth is always strange;
Stranger than fiction: if it could be told,
How much would novels gain by the exchange!
How differently the world would men behold!"

• Don Juan:
- Romantic period এর অন্যতম poet and satirist Lord Byron এর অনবদ্য সৃষ্টি Don Juan হচ্ছে a satire in the form of a picaresque verse tale.
- এটি  Lord Byron রচিত একটি unfinished satirical epic poem.
- তার জন্ম স্পেনের সেভিল শহরে।
- এই কবিতার কেন্দ্রীয় চরিত্র হচ্ছে Don Juan যাকে ঘিরে কবিতার মূল কাহিনী আবর্তিত হয়েছে এবং তার নামেই কবিতাটির নামকরণ করা।
- Don Juan কে এখানে চিত্রায়িত করা হয়েছে womanizer এবং easily seduced by women হিসেবে।
- কবিতাটি প্রায় পাঁচ হাজার লাইন বিশিষ্ট।

• এই কবিতার কিছু বিখ্যাত উক্তি হচ্ছে -
- "Sweet is revenge—especially to women."
- "Pleasure's a sin, and sometimes sin's a pleasure."
- "Man’s love is of man’s life a thing apart, Tis woman’s whole existence."
- "Tis strange,-but true; for truth is always strange;
Stranger than fiction: if it could be told,
How much would novels gain by the exchange!
How differently the world would men behold!"

• Lord Byron ((1788-1824):
- তার পুরো নাম George Gordon Byron.
- তিনি একজন British Romantic Poet এবং Satirist ছিলেন।
- তার কন্যা Lady Ada Augusta (প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার)। 
- তার বিখ্যাত epic (মহাকাব্য) Don Juan.

• Best Works:
Poetry:
- Childe Harold’s Pilgrimage,
- Don Juan,
- English Bards and Scotch Reviewers,
- Hours of Idleness,
- Heaven and Earth.

• Poem:
- She walks in Beauty,
- The Vision of Judgement.

Source: Britannica.

৫৫.
The poem "In Memory of W. B. Yeats" was written by-
  1. Dylan Thomas
  2. T. S. Eliot
  3. W. H. Auden
  4. Ezra Pound
ব্যাখ্যা

• The poem "In Memory of W. B. Yeats" was written by W. H. Auden.

• In Memory of W. B. Yeats:
- W. H. Auden রচিত “In Memory of W. B. Yeats” একটি শোকগাথা (elegy), যা কবি W. B. Yeats -এর মৃত্যুকে স্মরণ করে লেখা।
- ১৯৩৯ সালে জানুয়ারিতে আইরিশ কবি W. B. Yeats এর মৃত্যুর পর এটি লেখা হয়েছিল।
- কবিতাটি তিনটি অংশে বিভক্ত এবং এতে Auden ইয়েটসের জীবন, মৃত্যু, এবং তাঁর কবিতার দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব সম্পর্কে গভীরভাবে মন্তব্য করেছেন।

• W. H. Auden:
- তাঁর পুরো নাম হচ্ছে Wystan Hugh Auden.
- তিনি একজন British-American poet.
- তাঁর কবিতার জন্য বিংশ শতাব্দীর একজন Leading literary figure হিসেবে পরিচিত।
- তিনি "The Age of Anxiety" কবিতার জন্য ১৯৪৮ সালে Pulitzer Prize জিতেছিলেন।
 
• Notable works (Poems):
- Homage to Clio,
- Journey to Iceland,
- The Shield of Achilles,
- September 1, 1939,
- The Age of Anxiety,
- The Double Man,
- Spain (1937).

- The Dance of Death (play).

Source: Britannica.

৫৬.
"I am a man more sinned against than sinning."
This extract is taken from-
  1. King Lear
  2. Hamlet
  3. Macbeth
  4. Othello
ব্যাখ্যা

 • "I am a man more sinned against than sinning."
- This extract is taken from the play 'King Lear'.

• King Lear:
- এটি  William Shakespeare রচিত একটি 5 acts বিশিষ্ট Tragedy.
- এই Tragedy টি ১৬০৫-০৬ সালের মধ্যে রচিত এবং ১৬০৮ সালে প্রকাশিত হয়।
- বয়স্ক রাজা Lear তার রাজত্বকে তিন কন্যার মধ্যে ভাগ করার সিদ্ধান্ত নেন, প্রত্যেককের জন্য তার প্রতি ভালোবাসার পরিমাণের ভিত্তিতে বা প্রেমের ঘোষণার বাগ্মীতার অনুপাতে সম্পত্তির অংশ বরাদ্দ করেন।
- The hypocritical first daughter, Goneril, and the second daughter, Regan, make grand pronouncements and are rewarded.
- Cordelia, the youngest daughter, who truly loves Lear, refuses to make an insincere speech to prove her love and is disinherited.

• Main characters:
- King Lear,
- Goneril,
- Regan,
- Cordelia,
- Edgar, etc.

• Some Important quotations from King Lear:
- "How sharper than a serpent's tooth it is
 To have a thankless child!"
- "Nothing will come of nothing: speak again."
- "O! let me not be mad, not mad, sweet heaven;
Keep me in temper; I would not be mad!"
- "I am a man more sinned against than sinning."
- "My love is richer than my tongue."
- "Speak what we feel, not what we ought to say."

• William Shakespeare (1564-1616):
- William Shakespeare একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে 'English National Poet' বলা হয়।
- Stratford-upon-Avon -এ জন্মগ্রহণ করেছেন বলে তাকে Bard of Avon বা Swan of Avon বলা হয়।
- তাকে অনেকেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে বিবেচনা করেন।
- Shakespeare occupies a unique position in world literature.
- William Shakespeare মূলত তাঁর Drama and Sonnet -এর জন্য পরিচিত।
- তিনি মোট ১৫৪ টি sonnet এবং ৩৭ টি play লিখেছেন।
- এছাড়া তিনি Long narrative poem ও লিখেছেন।

• Notable works: 
• Tragedy:
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Julius Caesar.

• Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- A Midsummer Night's Dream, etc.

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.

৫৭.
Who authored the novel 'Under the Greenwood Tree'?
  1. Oscar Wilde
  2. Thomas Hardy
  3. Virginia Woolf
  4. William Faulkner
ব্যাখ্যা

• Thomas Hardy authored the novel 'Under the Greenwood Tree'.

​• Under the Greenwood Tree:
​- Thomas Hardy এর জনপ্রিয় উপন্যাসের মধ্যে এটি উল্লেখযোগ্য।
- বিয়ে, সামাজিক বিভিন্ন পরিবর্তন হচ্ছে এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু।
- এই Novel টিকে Hardy's most gentle and pastoral novel হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- ​এই উপন্যাসে ইংল্যান্ডের গ্রামীণ জীবনের সৌন্দর্য ও সরলতা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
​- কাহিনির মূল কেন্দ্র হলো স্কুলশিক্ষিকা Fancy Day এবং গ্রামীণ যুবক Dick Dewey-এর প্রেম। গ্রামের সামাজিক প্রথা, ধর্মীয় জীবন ও সঙ্গীতগোষ্ঠীর কার্যকলাপের পটভূমিতে তাদের প্রেম ধীরে ধীরে বিকশিত হয়।

​• Main ​characters:
- Dick Dewy,
- Reuben Dewy,
- William Dewey
- Fancy Day,
- Mr Maybold,
- Robert Penny,
- Geoffrey Day,
- Frederic Shiner, etc.

​• Thomas Hardy (1840-1928):
- Thomas Hardy ছিলেন একজন ইংরেজ ঔপন্যাসিক এবং কবি।
- তিনি প্রধানত Pessimistic (নিরাশাবাদী) ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিচিত।
- Hardy একজন আঞ্চলিক ঔপন্যাসিকও ছিলেন, কারণ তার সাহিত্যকর্মগুলো প্রধানত একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের জীবন এবং পরিবেশের ওপর ভিত্তি করে রচিত।
- তিনি Victorian যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক এবং ছোটগল্পকার।
- তার অধিকাংশ উপন্যাস Victorian যুগে রচিত হলেও, তিনি আধুনিক যুগেও ছোটগল্প লিখেছেন।
- পাশাপাশি, তিনি কবিতাও রচনা করেছেন।

​• Notable works (Novels):
- Tess of the d'Urbervilles,
- Far from the Madding Crowd,
- The Return of the Native,
- The Poor Man and the Lady,
- The Mayor of Casterbridge,
- Jude the Obscure,
- A Pair of Blue Eyes,
- Under the Greenwood Tree, etc.

- ​উল্লেখ্য যে, 'Under the Greenwood Tree' শিরোনামে William Shakespeare এর একটি গান রয়েছে, যেটি তাঁর কমেডি As You Like It এর অন্তর্ভুক্ত।

Source:
​1. Britannica.
​2. Goodreads.

৫৮.
"A thing of beauty is a joy forever:
Its loveliness increases; it will never 
Pass into nothingness."
This line occurs in Keats's notable poem _____ .
  1. Ode on Melancholy
  2. To Autumn
  3. Endymion
  4. Hyperion
ব্যাখ্যা

• "A thing of beauty is a joy forever:
Its loveliness increases; it will never 
Pass into nothingness."
- This line occurs in Keats's notable poem Endymion.

- এই বিখ্যাত লাইনটি John Keats -এর কবিতা “Endymion”-এর প্রথম লাইনে পাওয়া যায়।
- এখানে কবি বলতে চেয়েছেন—সৌন্দর্য চিরন্তন, যা মানুষের মনে আনন্দ এনে যায় এবং কখনো ম্লান হয় না। সৌন্দর্য আমাদের দুঃখ-কষ্ট ভুলিয়ে শক্তি ও শান্তি দেয়।

• Endymion:

- এই কবিতাটি John Ketas এর first long poem.
- কবিতাটিকে poetic epic ও বলা হয়ে থাকে।
- গ্রীক মিথ অনুযায়ী Endymion একজন অনিন্দ্য সুন্দর যুবকের নাম।
- কবিতায় দেখানো হয়েছে Endymion একজন রাখাল যে তার প্রেমিকার সন্ধান করে, যার নাম Cynthia.
- এই কবিতায় কবি truth of beauty এর অনুসন্ধান করেছেন। 
- সৌন্দর্য চিরস্থায়ী এবং সৌন্দর্যের এই চেতনা আমাদের অন্তরকে আলোকিত করে রাখে।
- কবিতার প্রথম লাইন: A thing of beauty is a joy forever.

• John Keats (1795-1821):
- John Keats ছিলেন একজন বিখ্যাত ইংরেজি রোমান্টিক কবি।
- Keats -এর কবিতাগুলি তার সংবেদনশীলতা, সৃষ্টিশীলতা এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও মানব অভিজ্ঞতার গভীর উপলব্ধির জন্য পরিচিত।
- তিনি ইংরেজি সাহিত্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করেন এবং তার কাজগুলি আধুনিক কবিদের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে।
- তাকে ‘Poet of beauty’ বলা হয়।
- এছাড়া তাকে 'Poet of sensuousness' ও বলা হয়।

• Some of his famous quotations are:
- “Beauty is truth, truth beauty,”—that is all
 Ye know on earth, and all ye need to know."
- "A thing of beauty is a joy forever:
Its loveliness increases; it will never
Pass into nothingness."
- "Heard melodies are sweet, but those unheard Are sweeter."
- "My heart aches, and a drowsy numbness pains
My sense, as though of hemlock I had drunk"
- "Where are the songs of spring? Aye, where are they?"
- "Ever let the Fancy roam,
Pleasure never is at home."

• Famous poems:
- To Autumn,
- Ode to Psyche,
- Ode to a Nightingale
- Ode on Melancholy,
- Ode on a Grecian Urn,
- Bright Star,
- On First Looking into Chapman's Homer,
- Lamia,
- Hyperion,
- The Eve of St. Agnes,
- La Belle Dame Sans Merci, etc.

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.

৫৯.
Fyodor Dostoyevsky is a/an-
  1. Russian author
  2. French author
  3. German author
  4. American author
ব্যাখ্যা

• Fyodor Dostoyevsky is a Russian author.

• Fyodor Dostoyevsky (1821-1881):
- তার পুরো নাম Fyodor Mikhaylovich Dostoyevsky.
- He was a Russian novelist and short-story writer.
- তাকে সর্বকালের সেরা ঔপন্যাসিকদের একজন হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
- যার মানসিক বিশ্লেষণ মানুষের হৃদয়ের অন্ধকারতম গভীরে পৌঁছে যায় এবং যার অতুলনীয় অন্তর্দৃষ্টির মুহূর্তগুলো বিশ শতকের কথাসাহিত্যে অসাধারণ প্রভাব ফেলেছিল।
- Literary modernism, existentialism, and various schools of psychology, theology, and literary criticism have been profoundly shaped by his ideas.

• Notable Works:
- Crime and Punishment,
- The Idiot,
- Poor Folk,
- A Little Hero,
- The Eternal,
- A Raw Youth,
- The Brothers Karamazov,
- Notes from Underground, etc.

Source: Britannica.

৬০.
√3 এবং 5 এর মাঝে কয়টি পূর্ণসংখ্যা আছে?
  1. 5টি
  2. 3টি
  3. 2টি
  4. 4টি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: √3 এবং 5 এর মাঝে কয়টি পূর্ণসংখ্যা আছে?

সমাধান:
আমরা জানি,
√3 ≈ 1.732

অতএব √3 ও 5 এর মাঝখানে যে পূর্ণসংখ্যাগুলো আছে, সেগুলো হলো- 2, 3, 4

∴ মোট পূর্ণসংখ্যা = 3টি

৬১.
যদি 2 + log6(x - 1) = log6(x + 6) হয়, তবে x এর মান কত?
  1. 6/7
  2. 5/6
  3. 7/6
  4. 6/5
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি 2 + log6(x - 1) = log6(x + 6) হয়, তবে x এর মান কত? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
2 + log6(x - 1) = log6(x + 6)
⇒ 2log66 + log6(x - 1) = log6(x + 6)   ; [log66 = 1]
⇒ log636 + log6(x - 1) = log6(x + 6)
⇒ log6{36(x - 1)} = log6(x + 6)
⇒ 36(x - 1) = x + 6
⇒ 36x - 36 = x + 6
⇒ 36x - x = 6 + 36
⇒ 35x = 42
⇒ x = 42/35
∴ x = 6/5

৬২.
'TEACHER' শব্দটির বর্ণগুলোকে কত উপায়ে সাজানো যায়?
  1. ২৫২০
  2. ৭২০ 
  3. ৫০৪০ 
  4. ১২২০ 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 'TEACHER' শব্দটির বর্ণগুলোকে কত উপায়ে সাজানো যায়?

সমাধান:
'TEACHER' শব্দে মোট বর্ণ = ৭টি
যার মধ্যে E = ২ বার আছে। 
বাকি অক্ষর (T, A, C, H, R) প্রতিটি ১ বার করে।

একই অক্ষর থাকলে ভিন্ন ভিন্ন সাজানোর উপায় = ৭!/২!
= (৭ × ৬ × ৫ × ৪ × ৩ × ২)/২ 
= ২৫২০

∴ সাজানোর উপায় ২৫২০

৬৩.
যদি x2 - √20x + 1 = 0 হয়, তবে x - (1/x) এর মান কত? 
  1. 12
  2. 16
  3. 2√5
  4. 4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি x2 - √20x + 1 = 0 হয়, তবে x - (1/x) এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
x2 - √20x + 1 = 0
⇒ x2 + 1 = √20x
⇒ x + (1/x) = √20 [উভয়পাশে x দ্বারা ভাগ করে]

 আমরা জানি, 
{x - (1/x)}2 = {x + (1/x)}2 - 4 . x . (1/x)
⇒ {x - (1/x)}2 = (√20)2 - 4
⇒ {x - (1/x)}2 = 20 - 4
⇒ {x - (1/x)}2 = 16
⇒ x - (1/x) = √16
∴ x - (1/x) = 4

৬৪.
একটি সরল রেখার ওপর অঙ্কিত বর্গ ঐ সরল রেখার এক-তৃতীয়াংশের ওপর অঙ্কিত বর্গের কত গুণ?
  1. 9 গুণ
  2. 18 গুণ
  3. 6 গুণ
  4. 12 গুণ
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সরল রেখার ওপর অঙ্কিত বর্গ ঐ সরল রেখার এক-তৃতীয়াংশের ওপর অঙ্কিত বর্গের কত গুণ?

সমাধান:
ধরি,
সরল রেখার দৈর্ঘ্য a একক
সরল রেখার ওপর অঙ্কিত বর্গ a2 বর্গএকক

সরল রেখার এক-তৃতীয়াংশ = a/3 একক
সরল রেখার এক-তৃতীয়াংশ ওপর অঙ্কিত বর্গ (a/3)2 বর্গএকক
= a2/9 বর্গএকক

এখন,
a2/(a2/9)
= (a2 × 9)/a2
= 9

অর্থ্যাৎ, একটি সরল রেখার ওপর অঙ্কিত বর্গ ঐ সরল রেখার এক-তৃতীয়াংশের ওপর অঙ্কিত বর্গের 9 গুণ।

৬৫.
একজন কর্মচারীর বেতন ১৫% বৃদ্ধি পায় এবং সঞ্চয়ও সমান হারে বৃদ্ধি পায়। বৃদ্ধির পর তার সঞ্চয় ২৩০০ টাকা হলো। পূর্বের সঞ্চয় কত?
  1. ১৭২০ টাকা
  2. ১৮৫০ টাকা
  3. ২০০০ টাকা
  4. ২১০০ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একজন কর্মচারীর বেতন ১৫% বৃদ্ধি পায় এবং সঞ্চয়ও সমান হারে বৃদ্ধি পায়। বৃদ্ধির পর তার সঞ্চয় ২৩০০ টাকা হলো। পূর্বের সঞ্চয় কত?

সমাধান:
ধরি,
কর্মচারীর পূর্বের মাসিক সঞ্চয় = ক টাকা।

সঞ্চয় ১৫% বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে নতুন সঞ্চয় হয়, 
ক + ক এর ১৫% = ২৩০০
অর্থাৎ,
⇒ ক + (১৫/১০০)ক = ২৩০০
⇒ ক × ১.১৫ = ২৩০০
⇒ ক = ২৩০০/১.১৫
⇒ ক = (২৩০০ × ১০০)/১১৫
⇒ ক = ২০০০

∴ কর্মচারীর পূর্বের মাসিক সঞ্চয় ছিল ২০০০ টাকা।

৬৬.
১ + ৫ + ৯ + ......... + ৮৫ = ?
  1. ৯৪৬
  2. ১১২০
  3. ৮৬৪ 
  4. ৯৭২ 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ১ + ৫ + ৯ + ......... + ৮৫ = ?

সমাধান:
এটি একটি সমান্তর ধারা। 
 যার প্রথম পদ, a = ১
সাধারণ অন্তর, d = ৫ - ১ = ৪

আমরা জানি, 
n তম পদ = a + (n - ১)d
a + (n - ১)d = ৮৫
১ + (n - ১) × ৪ = ৮৫
(n - ১) × ৪ = ৮৪ 
n - ১ = ৮৪/৪ 
n - ১ = ২১ 
n = ২২ 

সমান্তর ধারার সমষ্টি, 
Sn = (n/২) × (প্রথম পদ + শেষ পদ)
= (২২/২) × (১ + ৮৫)
= ১১ × ৮৬
= ৯৪৬

৬৭.
একটি মুদ্রাকে তিনবার নিক্ষেপ করা হল। তিনবারই হেড আসার সম্ভাবনা কত? 
  1. 1/2
  2. 7/8
  3. 3/4
  4. 1/8
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি মুদ্রাকে তিনবার নিক্ষেপ করা হল। তিনবারই হেড আসার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
মুদ্রা তিনবার নিক্ষেপ করলে সম্ভাব্য ফলাফলগুলো হবে:
= HHH, HHT, HTH, HTT, THH, THT, TTH, TTT
মোট সম্ভাব্য ফলাফল = 8 টি 

এর মধ্যে সর্বাধিক 3 বার হেড (H) আসলে ফলাফল হয় = HHH অর্থাৎ 1 টি 

মুদ্রাকে 3 বার নিক্ষেপ করা হলে সর্বাধিক বার হেড(H) আসার সম্ভাবনা = 1/8

৬৮.
x + 2y - 7 = 0 এবং 3x - y + 1 = 0 রেখাদ্বয়ের ঢালদ্বয়ের গুণফল কত?
  1. - 1
  2. 1/3
  3. - 3/2
  4. - 2/7
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: x + 2y - 7 = 0 এবং 3x - y + 1 = 0 রেখাদ্বয়ের ঢালদ্বয়ের গুণফল কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
x + 2y - 7 = 0 এবং 3x - y + 1 = 0

আমরা জানি,
সরল রেখার সাধারণ সমীকরণ y = mx + c (যেখানে m = ঢাল)

এখন,
প্রথম রেখার ঢাল, 
x + 2y - 7 = 0
সমীকরণটিকে y = mx + c আকারে সাজালে পাই,
⇒ 2y = - x + 7
y = (- 1/2)x + (7/2)

সুতরাং, প্রথম রেখার ঢাল m1 = - 1/2

দ্বিতীয় রেখার ঢাল,
3x - y + 1 = 0
সমীকরণটিকে y = mx + c আকারে সাজালে পাই,
⇒ y = 3x + 1
সুতরাং, দ্বিতীয় রেখার ঢাল m2 = 3

∴ ঢালদ্বয়ের গুণফল = m1 × m2 = (- 1/2) × (3) = - 3/2

৬৯.
একটি ঘনকের সম্পূর্ণ পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল 72 বর্গমিটার। ঘনকটির কর্ণের দৈর্ঘ্য কত?
  1. 6 মিটার
  2. 12 মিটার
  3. 4√5 মিটার
  4. 2√3 মিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি ঘনকের সম্পূর্ণ পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল 72 বর্গমিটার। ঘনকটির কর্ণের দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
ঘনকের সম্পূর্ণ পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল 72 বর্গমিটার

আমরা জানি, 
ঘনকের সম্পূর্ণ পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল =  6a2, [যেখানে a হলো ঘনকের একটি বাহুর দৈর্ঘ্য।]

প্রশনমতে, 
6a2 = 72
⇒ a2 = 72/6
⇒ a2 = 12
⇒ a = √12 = 2√3 
∴ a = 2√3 মিটার

আবার,
আমরা জানি,
ঘনকের কর্ণের দৈর্ঘ্য = a√3
= (2√3) × √3  ; [a = 2√3]
= 2√(3 × 3)
= 6

সুতরাং, ঘনকটির কর্ণের দৈর্ঘ্য 6 মিটার।

৭০.
১০% হারে কোনো টাকার ২ বছরের সরল ও চক্রবৃদ্ধি মুনাফার পার্থক্য ১৮ টাকা হলে আসল কত?
  1. ২২৫০ টাকা
  2. ১৬৮০ টাকা
  3. ১৪০০ টাকা
  4. ১৮০০ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ১০% হারে কোনো টাকার ২ বছরের সরল ও চক্রবৃদ্ধি মুনাফার পার্থক্য ১৮ টাকা হলে আসল কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
সরল মুনাফা ও চক্রবৃদ্ধি মুনাফার পার্থক্য = ১৮ টাকা
মুনাফার হার r = ১০%
সময় n = ২ বছর
ধরি, আসল = P টাকা

আমরা জানি, 
সরল মুনাফা, SI = Prn/১০০
= (P × ১০ × ২)/১০০
= P/৫
= ০.২P

আবার, 
চক্রবৃদ্ধি মুনাফা, CI = P(১ + r)n - P
= P[(১.১) - ১]
= ০.২১P

∴ পার্থক্য CI - SI = ১৮
⇒ ০.২১P - ০.২P = ১৮
⇒ P(০.২১ - ০.২) = ১৮
⇒ P × ০.০১ = ১৮
⇒ P = ১৮/০.০১ = (১৮ × ১০০) 
∴ P = ১৮০০ টাকা

সুতরাং, আসল ১৮০০ টাকা। 

৭১.
যদি 8x- 2 = 2/25 হয়, তবে x এর মান কত?
  1. - 7
  2. 10
  3. 11
  4. 4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি 8x- 2 = 2/25 হয়, তবে x এর মান কত? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
8x- 2 = 2/25
⇒ x- 2 = 2/(25 × 8)
⇒ x- 2 = 1/(25 × 4)
⇒ x- 2 = 1/100
⇒ 1/x2 = 1/100
⇒ x2 = 100 = 102
∴ x = 10

৭২.
Q = {x ∈ N : x3 ≤ 125} হলে, Q সেটের উপাদান সংখ্যা কত?
  1. 6
  2. 8
  3. 7
  4. 5
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: Q = {x ∈ N : x3 ≤ 125} হলে, Q সেটের উপাদান সংখ্যা কত?

সমাধান:
এখানে
N = স্বাভাবিক সংখ্যার সেট
= {1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8,......}

ধরি,
Q = {x ∈ N : x3 ≤ 125}
এখন,
x = 1 হলে, 13 = 1 ≤ 125
x = 2 হলে, 23 = 8 ≤ 125
x = 3 হলে, 33 = 27 ≤ 125
x = 4 হলে, 43 = 64 ≤ 125
x = 5 হলে, 53 = 125 ≤ 125
x = 6 হলে, 63 = 216 ≤ 125 ; ​যা সত্য নয় ।
 
নির্ণেয় সেট Q = {1, 2, 3, 4, 5}
∴ Q সেটের উপাদান সংখ্যা = 5

৭৩.
4a4 - 25a2 + 36 এর একটি উৎপাদক নিচের কোনটি?
  1. a - 2
  2. a - 3
  3. 2a - 5
  4. a + 6
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 4a4 - 25a2 + 36 এর একটি উৎপাদক নিচের কোনটি?

সমাধান:
4a4 - 25a2 + 36
= 4a4 - 16a2 - 9a2 + 36
= 4a2(a2 - 4) - 9(a2 - 4)
= (a2 - 4)(4a2 - 9)
= (a2 - 22){(2a)2 - 32}
= (a + 2)(a - 2)(2a + 3)(2a - 3)

৭৪.
একটি বৃত্তের পরিধি 42π। ঐ বৃত্তের ভিতরে অঙ্কিত একটি বর্গের পরিসীমা কত?
  1. 88
  2. 42√2
  3. 84√2
  4. 128
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি বৃত্তের পরিধি 42π। ঐ বৃত্তের ভিতরে অঙ্কিত একটি বর্গের পরিসীমা কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
বৃত্তের পরিধি, 2πr = 42π
r = 42π/2π
⇒ r = 21

∴ বৃত্তের ব্যাস d = 2r
= 2 × 21
= 42

ধরি, বর্গের বাহু a এবং বর্গের কর্ণ = বৃত্তের ব্যাস।
d = a√2
⇒ a = d/√2
⇒ a = 42/√2
⇒ a = (42 × √2)/(√2 × √2)
⇒ a = (42 × √2)/2
∴ a = 21√2

∴ বর্গের পরিধি, 4a = 21√2 × 4
= 84√2

∴ বর্গের পরিধি 84√2

৭৫.
একটি ব্যাগে লাল, হলুদ এবং নীল মার্বেলের সংখ্যার অনুপাত ৪ : ৫ : ৭। যদি ১০ টি লাল মার্বেল, ১৫ টি হলুদ মার্বেল এবং কিছু সংখ্যক নীল মার্বেল যোগ করা হয়, তাহলে অনুপাতটি ৩ : ৪ : ৫ হয়। কতটি নীল মার্বেল যোগ করা হয়েছে?
  1. ১৫ টি
  2. ২০ টি 
  3. ১৬ টি 
  4. ২৪ টি 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি ব্যাগে লাল, হলুদ এবং নীল মার্বেলের সংখ্যার অনুপাত ৪ : ৫ : ৭। যদি ১০ টি লাল মার্বেল, ১৫ টি হলুদ মার্বেল এবং কিছু সংখ্যক নীল মার্বেল যোগ করা হয়, তাহলে অনুপাতটি ৩ : ৪ : ৫ হয়। কতটি নীল মার্বেল যোগ করা হয়েছে?

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
অনুপাত ৪ : ৫ : ৭
ধরি, লাল মার্বেল = ৪k টি, হলুদ মার্বেল = ৫k টি এবং নীল মার্বেল = ৭k টি

এখন, 
যোগ করার পর মার্বেলের সংখ্যা হয়,লাল = ৪k + ১০, হলুদ = ৫k + ১৫ এবং নীল = ৭k + x  ; [x = যোগকৃত নীল মার্বেল] 

প্রশ্নমতে, 
(৪k + ১০) : (৫k + ১৫) : (৭k + x) = ৩ : ৪ : ৫

প্রথম দুটি অংশের অনুপাত থেকে পাই, 
⇒ (৪k + ১০)/(৫k + ১৫) = ৩/৪
⇒ ৪(৪k + ১০) = ৩(৫k + ১৫)
⇒ ১৬k + ৪০ = ১৫k + ৪৫
⇒ ১৬k - ১৫k = ৪৫ - ৪০
∴ k = ৫

আবার, 
k = ৫ এর মান দ্বিতীয় ও তৃতীয় অংশের বসিয়ে পাই,
⇒ (৫k + ১৫)/(৭k + x) = ৪/৫
⇒ (৫ × ৫ + ১৫)/(৭ × ৫ + x) = ৪/৫
⇒ ৪০/(৩৫ + x) = ৪/৫
⇒ ৪০ × ৫ = ৪(৩৫ + x)
⇒ ২০০ = ১৪০ + ৪x
⇒ ৪x = ৬০
∴ x = ১৫

সুতরাং, যোগ করা নীল মার্বেলের সংখ্যা = ১৫টি

৭৬.
128 + 64 + 32 + ...... গুণোত্তর ধারাটির দশম পদ কত?
  1. 1/2
  2. 1/8
  3. 1/16
  4. 1/4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 128 + 64 + 32 + ...... গুণোত্তর ধারাটির দশম পদ কত?

সমাধান:
এখানে,
ধারাটির ১ম পদ, a = 128
সাধারণ অন্তর, d = 64/128 = 1/2

আমরা জানি, 
n তম পদ = arn - 1
∴ দশম পদ = 128 × (1/2)10 - 1
= 128 × (1/2)9
= 128 × (1/512)
= 1/4

৭৭.
4, 16 এবং 64 এর জ্যামিতিক গড় কত?
  1. 32
  2. 16 
  3. 8
  4. 64
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 4, 16 এবং 64 এর জ্যামিতিক গড় কত?

সমাধান:
আমরা জানি,
n সংখ্যক সংখ্যার গুণোত্তর গড় বা জ্যামিতিক গড় =

∴ 4, 16 এবং 64 এর জ্যামিতিক গড় = (4 × 16 × 64)1/3
= (22 × 24 × 26)1/3
= (212)1/3
= 24
= 16

৭৮.
5 ≤ 3x + 1 < 16 অসমতাটির সমাধান কোনটি?
  1. (2, 5/8]
  2. [2/3, 6) 
  3. (4/3, 6]
  4. [4/3, 5)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 5 ≤ 3x + 1 < 16 অসমতাটির সমাধান কোনটি?

সমাধান:
5 ≤ 3x + 1 < 16
= 5 - 1 ≤ 3x + 1 - 1 < 16 - 1
= 4 ≤ 3x < 15
= 4/3 ≤ x < 15/3
= 4/3 ≤ x < 5

∴ অসমতাটির সমাধান [4/3, 5)

৭৯.
একটি সিলিন্ডারের বৃত্তীয় তলের ব্যাসার্ধ ৪ সে.মি এবং উচ্চতা ৯ সে.মি হলে, উহার তলগুলোর মোট ক্ষেত্রফল কত?
  1. ১২৪π বর্গ সে.মি.
  2. ১০৪π বর্গ সে.মি.
  3. ৮৮π বর্গ সে.মি.
  4. ১০৪ বর্গ সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সিলিন্ডারের বৃত্তীয় তলের ব্যাসার্ধ ৪ সে.মি এবং উচ্চতা ৯ সে.মি হলে, উহার তলগুলোর মোট ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে
সিলিন্ডারের ব্যাসার্ধ, r = ৪ সে.মি.
উচ্চতা, h = ৯ সে.মি.

আমরা জানি,
সিলিন্ডারের সমগ্র তলের ক্ষেত্রফল = 2πr(r + h)
= ২π × ৪(৪ + ৯)
= ২π × ৪ × ১৩
= ৮π × ১৩
= ১০৪π বর্গ সে.মি.

৮০.
একটি ছবির দিকে ইঙ্গিত করে দীনেশ বলল, 'ওর বাবা আমার মায়ের একমাত্র পুত্র।' ছবিটি কার?
  1. দীনেশ
  2. দীনেশের বাবা
  3. দীনেশের ছেলে
  4. দীনেশের ভাই
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি ছবির দিকে ইঙ্গিত করে দীনেশ বলল, 'ওর বাবা আমার মায়ের একমাত্র পুত্র।' ছবিটি কার?

সমাধান:
দীনেশ বলছে 'ওর বাবা আমার মায়ের একমাত্র পুত্র।'

অর্থাৎ, 'ওর বাবা' = দীনেশের মায়ের একমাত্র ছেলে = দীনেশ নিজে

সুতরাং, 'ওর বাবা' = দীনেশ
⇒ 'ও = দীনেশের ছেলে

∴ ছবিটি দীনেশের ছেলের।

৮১.
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে? 
  1. 3
  2. 9
  3. 4
  4. 11
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে? 

সমাধান: 
মাঝের সংখ্যা = চার পাশের সংখ্যা গুলোর সমষ্টি
১ম চিত্রে, 
9 + 16 + 18 + 11 = 54

২য় চিত্রে,
14 + 14 + 13 + 7 = 48

৩য় চিত্রে,
12 + 7 + x + 14 = 36
⇒ 33 + x = 36
⇒ x = 36 - 33
∴ x = 3

সুতরাং, প্রশ্নবোধক স্থানে 3 সংখ্যাটি বসবে। 

৮২.
Choose the correct spelling.
  1. Manueuvre
  2. Menoeuvre
  3. Manoeuvre
  4. Manoevre
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: Choose the correct spelling.

সমাধান:
• The correct spelling is - Manoeuvre. (অপশন 'গ')
Bangla Meaning: কৌশলী নড়াচড়া; দক্ষতার সাথে সম্পন্ন পরিকল্পিত পদক্ষেপ।
English Meaning: A movement or series of moves requiring skill and care; a carefully planned action. 

Example Sentence:
1. The pilot executed a difficult manoeuvre to avoid the storm. 
2. The soldiers practiced a complex manoeuvre during the drill session.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.

৮৩.
ভারসাম্য রক্ষা করতে "?" নির্দেশিত স্থানে কত কেজি ওজন রাখতে হবে?
  1. 10 kg
  2. 5.14 kg
  3. 7 kg
  4. 4.26 kg
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:  ভারসাম্য রক্ষা করতে "?" নির্দেশিত স্থানে কত কেজি ওজন রাখতে হবে?

সমাধান:
শর্তমতে,
12 × 0.6 = 1.4 × ?
⇒ ? = (12 × 0.6)/1.4
⇒ ? = 7.2/1.4
∴ ? = 5.14

∴ নির্দেশিত স্থানে 5.14 kg ওজন রাখতে হবে।

৮৪.
কোনো একটি বছরের এপ্রিল মাসের ৩ তারিখ যদি রবিবার হয় তাহলে মে মাসের ২ তারিখ কী বার হবে? 
  1. বৃহস্পতিবার
  2. শনিবার
  3. শুক্রবার
  4. সোমবার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোনো একটি বছরের এপ্রিল মাসের ৩ তারিখ যদি রবিবার হয় তাহলে মে মাসের ২ তারিখ কী বার হবে?

সমাধান:
এপ্রিল মাসে ৩০ দিন থাকে।
এপ্রিল ৩ তারিখ = রবিবার
এপ্রিল ৩০ তারিখ পর্যন্ত দিনের সংখ্যা = ৩০ - ৩ = ২৭ দিন
২৭ দিন = ৩ সপ্তাহ (২১ দিন) + ৬ দিন অতিরিক্ত
৩ সপ্তাহ পরেও একই বার (রবিবার) আসবে ।

অতিরিক্ত ৬ দিন পর, 
রবিবার → সোমবার → মঙ্গলবার → বুধবার → বৃহস্পতিবার → শুক্রবার → শনিবার
∴ এপ্রিল ৩০ তারিখ = শনিবার

পরের দিন মে ১ তারিখ = রবিবার
মে ২ তারিখ = সোমবার

সুতরাং, মে মাসের ২ তারিখ = সোমবার

৮৫.
নাহিদ তার বাড়ির সামনের একটি নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে উত্তর দিকে 7 কি.মি হেঁটে গেলো এবং অতঃপর পূর্বদিকে 24 কি.মি দৌড়ে গেলো। যাত্রা শুরুর স্থান থেকে সে এখন কত দূরত্বে আছে?
  1. 31 কি.মি
  2. 25 কি.মি
  3. 17 কি.মি
  4. 35 কি.মি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নাহিদ তার বাড়ির সামনের একটি নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে উত্তর দিকে 7 কি.মি হেঁটে গেলো এবং অতঃপর পূর্বদিকে 24 কি.মি দৌড়ে গেলো। যাত্রা শুরুর স্থান থেকে সে এখন কত দূরত্বে আছে?

সমাধান:


ধরি,
যাত্রা শুরুর স্থান A থেকে উত্তর দিকে 7 কি.মি হেঁটে B বিন্দুতে পৌছায়।
সেখান থেকে পূর্বদিকে 25 কি.মি দৌড়ে C বিন্দুতে পৌছায়।

AB = 7 কি.মি
BC = 25 কি.মি
AC = ?

এখন,
AC2 = AB2+ BC2
⇒ AC2 = 72 + 242
⇒ AC2 = 49 + 576
⇒ AC2 = 625 = 252
⇒ AC = 25

সুতরাং, যাত্রা শুরুর স্থান থেকে সে এখন 25 কি.মি দূরত্বে আছে।

৮৬.
'X' চিত্রটিকে পানিতে কেমন দেখাবে? 
  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 'X' চিত্রটিকে পানিতে কেমন দেখাবে?

সমাধান:

সঠিক উত্তর খ) 2 নং 

৮৭.
B, A-এর থেকে খাটো, A-এর থেকে C লম্বা, D-এর থেকে C খাটো। E, C-এর থেকে খাটো কিন্তু A-এর  থেকে বড়। সবচেয়ে লম্বা কে? 
  1. D
  2. B
  3. E
  4. C
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: B, A-এর থেকে খাটো, A-এর থেকে C লম্বা, D-এর থেকে C খাটো। E, C-এর থেকে খাটো কিন্তু A-এর  থেকে বড়। সবচেয়ে লম্বা কে?

সমাধান:
এখানে,
A > B
C > A
D > C
C > E
E > A

লম্বা থেকে খাটোর ক্রমটি হবে,
B < A < E < C < D

অর্থাৎ সবচেয়ে লম্বা হলো D।

৮৮.
Find the missing number: 3, 7, 15 ,? , 63 ,127
  1. 30
  2. 52
  3. 47
  4. 31
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: Find the missing number: 3, 7, 15 ,? , 63 ,127

সমাধান:
ধারার প্রতিটি সংখ্যা তার পূর্ববর্তী পদের দ্বিগুণের চেয়ে 1 বেশি।
১ম সংখ্যা = 3
২য় সংখ্যা = (3 × 2) + 1 = 7
৩য় সংখ্যা = (7 × 2) + 1 = 15
৪র্থ সংখ্যা = (15 × 2) + 1 = 31
৫ম সংখ্যা = (31 × 2) + 1 = 63
৬ষ্ঠ সংখ্যা = (63 × 2) + 1 = 127

সুতরাং, প্রশ্নবোধক স্থানে 31 সংখ্যাটি বসবে। 

৮৯.
ধারাটির পরবর্তী পদটি কত? 
QAR, RAS, SAT, TAU, ___
  1. UAT
  2. TAS
  3. UAV
  4. TAT
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ধারাটির পরবর্তী পদটি কত? 
QAR, RAS, SAT, TAU, ___

সমাধান: 
মাঝের অক্ষর A সবসময় স্থির থাকে।
প্রথম ও তৃতীয় অক্ষর ক্রমান্বয়ে বর্ণমালায় + 1 করে বাড়ে,
১ম বর্ণের ধারা, (Q → R → S → T → U)

৩য় বর্ণের ধারা,(R → S → T → U → V)।

∴ পরবর্তী পদ = UAV

৯০.
E নং চাকাটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরলে A নং চাকাটি কোন দিকে ঘুরবে?
  1. ঘড়ির কাঁটার বিপরীতি দিকে ঘুরবে
  2. ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরবে
  3. স্থির থাকবে 
  4. যেকোনোটিই হতে পারে 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: E চাকাটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরলে A চাকাটি কোন দিকে ঘুরবে?

সমাধান:
দুটি চাকা পরস্পর সংলগ্নভাবে সংযুক্ত থাকলে একটি অপরটির বিপরীত দিকে ঘুরবে।প্রদত্ত চিত্রে,
E চাকাটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরলে D চাকাটি ঘড়ির কাঁটার বিপরীতি দিকে ঘুরবে।
D চাকাটি ঘড়ির কাঁটার বিপরীতি দিকে ঘুরলে C চাকাটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরবে।
C চাকাটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরলে B চাকাটি ঘড়ির কাঁটার বিপরীতি দিকে ঘুরবে।
B চাকাটি ঘড়ির কাঁটার বিপরীতি দিকে ঘুরলে, A চাকাটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরবে।

সুতরাং, A চাকাটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরবে।

৯১.
গ্রিনিচ মান সময় (GMT) দুপুর ৩ : ০০ টা। ৬০° পূর্ব দ্রাঘিমাংশে স্থানীয় সময় কত?
  1. সকাল ১১ : ০০
  2. সন্ধ্যা ৬ : ০০ 
  3. বিকাল ৫ : ৩০ 
  4. সন্ধ্যা ৭ : ০০
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: গ্রিনিচ মান সময় (GMT) দুপুর ৩ : ০০ টা। ৬০° পূর্ব দ্রাঘিমাংশে স্থানীয় সময় কত?

উত্তর:
পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
৪৫° দ্রাঘিমার জন্য সময়ের প্রার্থক্য হবে = ৬০ × ৪ = ২৪০ মিনিট বা ৪ ঘণ্টা।

পূর্বদিকে সময় বাড়ে,
সুতরাং স্থানীয় সময় = ৩ : ০০  + ৪ : ০০ = সন্ধ্যা  ৭ : ০০

সুতরাং, ৬০° পূর্ব দ্রাঘিমাংশে স্থানীয় সময় = সন্ধ্যা ৭ : ০০ টা

৯২.
নিচের চিত্রে কয়টি ত্রিভুজ আছে? 
  1. 8 টি
  2. 6 টি
  3. 10 টি
  4. 7 টি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের চিত্রে কয়টি ত্রিভুজ আছে? 

সমাধান:

একটি করে ফাঁকা ঘর নিয়ে ত্রিভুজ আছে - 1, 2, 3 = 3 টি 
দুইটি করে ফাঁকা ঘর নিয়ে ত্রিভুজ আছে - 34, 35 = 2 টি 
সবগুলো ফাঁকা ঘর নিয়ে ত্রিভুজ আছে - 12345 = 1 টি 

∴ মোট ত্রিভুজ আছে = 3 + 2 + 1 = 6 টি

৯৩.
Thermometer : Temperature : : Glucometer : ?
  1. Body sugar
  2. Body resistance
  3. Blood
  4. Blood sugar
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: Thermometer : Temperature : : Glucometer : ?

সমাধান: 
Thermometer দিয়ে Temperature(তাপমাত্রা) পরিমাপ করা হয়।
Glucometer দিয়ে Blood sugar (শর্করার) মাত্রা পরিমাপ করা হয়।

সুতরাং, সঠিক উত্তর ঘ) Blood sugar

৯৪.
যদি TELEPHONE কে ENOHPELET লেখা হয়, তাহলে  ALIGATOR কে লেখা হবে?
  1. ROTEGILA
  2. ROTAGILE
  3. ROTAGAIL
  4. ROTAGILA
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি TELEPHONE কে ENOHPELET লেখা হয়, তাহলে  ALIGATOR কে লেখা হবে?

সমাধান:
শব্দটির অক্ষরগুলোকে উল্টো ক্রমে সাজিয়ে লেখা হয়।
TELEPHONE → ENOHPELET (উল্টো করে লিখয়ে পাই)

একইভাবে, 
ALIGATOR-এর জন্য উল্টো ক্রমে লখে পাই, 
A L I G A T O R R O T A G I L A

∴ ALIGATOR = ROTAGILA

৯৫.
আইবিএমের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স প্ল্যাটফর্মটির নাম কী?
  1. Watson
  2. Cortana
  3. Blue Brain
  4. DeepMind
ব্যাখ্যা

• আইবিএমের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স প্ল্যাটফর্মটির নাম হলো Watson। Watson আইবিএমের তৈরি একটি উন্নত AI সিস্টেম, যা প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ, ডেটা বিশ্লেষণ এবং মেশিন লার্নিং ব্যবহার করে মানুষের প্রশ্নের উত্তর দিতে সক্ষম। এটি স্বাস্থ্যসেবা, ব্যবসা, শিক্ষা ও গবেষণাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। অন্য অপশন গুলোর মধ্যে Cortana হলো মাইক্রোসফটের ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট, Blue Brain একটি গবেষণা প্রকল্প এবং DeepMind গুগলের মালিকানাধীন একটি AI কোম্পানি। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) Watson.

​আইবিএম:
- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- IBM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে International Business Machines Corporation.
- আইবিএম কোম্পানিকে বিগ ব্লু নামে ডাকা হয়।
- IBM এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন চার্লস র‍্যানলেট ফ্লিন্ট।
- এটি ১৯১১ সালের ১৬ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি শুরুতে কম্পিউটিং-ট্যাবুলেটিং-রেকর্ডিং কোম্পানি হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- পরে ১৯২৪ সালে নাম দেওয়া হয় 'ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস'।
- IBM এর সদরদপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- IBM এর বর্তমান লোগোটি ১৯৭২ সাল থেকে ব্যবহার করা হচ্ছে।
- আইবিএম কোম্পানির তৈরি প্রথম কম্পিউটারের নাম মেইনফ্রেম কম্পিউটার।

উৎস: IBM [link]

৯৬.
ডিনায়াল অব সার্ভিস আক্রমণের প্রধান লক্ষ্য কোনটি?
  1. মুক্তিপণের জন্য ডেটা এনক্রিপশন করা
  2. প্রশাসনিক অধিকার দখল করা
  3. ব্যবহারকারীদের সিস্টেমে প্রবেশে বাধা দেওয়া
  4. সংবেদনশীল ডেটা হাতিয়ে নেওয়া
ব্যাখ্যা

• ডিনায়াল অব সার্ভিস (Denial of Service বা DoS) আক্রমণের প্রধান লক্ষ্য হলো বৈধ ব্যবহারকারীদের কোনো সিস্টেম, সার্ভার বা নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া। এই আক্রমণে আক্রমণকারী অতিরিক্ত ট্রাফিক বা অনুরোধ পাঠিয়ে সিস্টেমকে অকার্যকর বা অত্যন্ত ধীর করে দেয়, ফলে সাধারণ ব্যবহারকারীরা প্রয়োজনীয় সেবা পায় না। এখানে ডেটা এনক্রিপশন, প্রশাসনিক অধিকার দখল বা সংবেদনশীল তথ্য চুরি মূল উদ্দেশ্য নয়। বরং সিস্টেমের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করাই মূল লক্ষ্য। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) ব্যবহারকারীদের সিস্টেমে প্রবেশে বাধা দেওয়া।
 
• সাইবার অপরাধ (Different cyber crimes):
কোন অপরাধমূলক কাজ যেখানে কম্পিউটারকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয় কিংবা অপরাধের জন্য কম্পিউটারকে টার্গেট করা হয় অথবা কম্পিউটারের দ্বারা অপরাধ করার পরবর্তীতে তার সাপেক্ষে অন্য কোনো অপরাধ করা হয়, এ সকল অপরাধই সাইবার ক্রাইমের অন্তর্ভুক্ত।

বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
১. কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
২. ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
৩. ই-মেইল বম্বিং।
৪. বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা।

৫. Data didling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
৬. Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
৭. Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ কর।
৮. ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।

৯. লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
১০. ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা)।
১১. ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
১২. ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৯৭.
IPv6 কীভাবে IPv4 এর তুলনায় ব্রডকাস্ট ট্রাফিক পরিচালনা করে?
  1.  IPv4-এর মতো একই ব্রডকাস্ট পদ্ধতি ব্যবহার করে
  2. ব্রডকাস্ট সমর্থন করে না, মাল্টিকাস্ট ব্যবহার করে
  3. ব্রডকাস্টের জন্য ইউনিকাস্ট ব্যবহার করে
  4. BroadIPv6 নামে নতুন প্রোটোকল ব্যবহার করে
ব্যাখ্যা

• IPv6, IPv4-এর মতো ব্রডকাস্ট ট্রাফিক সমর্থন করে না; বরং এটি মাল্টিকাস্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে একই কাজ আরও কার্যকরভাবে সম্পন্ন করে। IPv4-এ ব্রডকাস্ট ব্যবহারের ফলে নেটওয়ার্কের সব ডিভাইসে অপ্রয়োজনীয় ট্রাফিক পৌঁছে যায়, যা ব্যান্ডউইথ নষ্ট করে। এই সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য IPv6 ব্রডকাস্ট সম্পূর্ণভাবে বাদ দিয়েছে। এর পরিবর্তে মাল্টিকাস্ট ব্যবহার করা হয়, যেখানে নির্দিষ্ট একটি গ্রুপের ডিভাইসই কেবল বার্তাটি গ্রহণ করে। ফলে নেটওয়ার্ক আরও দক্ষ, দ্রুত এবং স্কেলযোগ্য হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) ব্রডকাস্ট সমর্থন করে না, মাল্টিকাস্ট ব্যবহার করে।

• আইপি এড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি এড্রেস নামে পরিচিত। আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল। বিশ্বের প্রতিটি মানুষকে আলাদা করার জন্য যেমন নাম আছে, ইন্টারনেটে তেমনি প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি এড্রেস ব্যবহৃত হয়।

• আইপি এড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত। এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)। তবে একটি আইপি এড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-
১। ডটেড ডেসিমেল নোটেশন,
২। হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন,
৩। বাইনারি নোটেশন।

- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত। IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4 × 8 বা 32 বিটের। যার 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।

- তবে আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6; যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৮.
MAC অ্যাড্রেসগুলো কোন OSI লেয়ারে ব্যবহৃত হয়?
  1. Transport Layer
  2. Data Link Layer
  3. Network Layer
  4. Physical Layer
ব্যাখ্যা

• MAC অ্যাড্রেসগুলো OSI মডেলের Data Link Layer (ডাটা লিংক লেয়ার)-এ ব্যবহৃত হয়। সঠিক উত্তর হলো খ) Data Link Layer। MAC (Media Access Control) অ্যাড্রেস হলো একটি ইউনিক হার্ডওয়্যার অ্যাড্রেস, যা নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড (NIC)-এর সাথে যুক্ত থাকে। এটি মূলত লোকাল নেটওয়ার্কের ভেতরে ডিভাইস শনাক্ত করতে সাহায্য করে এবং ফ্রেম আকারে ডেটা সঠিক ডিভাইসে পৌঁছাতে ব্যবহৃত হয়। Transport Layer ডেটা ট্রান্সপোর্ট নিয়ন্ত্রণ করে, Network Layer IP অ্যাড্রেস ব্যবহার করে রাউটিং করে এবং Physical Layer কেবল ও সিগন্যালের সাথে সম্পর্কিত।
- তাই MAC অ্যাড্রেসের কাজ Data Link Layer-এই সীমাবদ্ধ।

 
OSI মডেলের ৭টি লেয়ার:
Physical Layer – ডেটা বাইনারি সিগন্যাল হিসেবে ট্রান্সমিট করে।
Data Link Layer – MAC Address ও Frame Transmission পরিচালনা করে।
Network Layer – IP Addressing এবং প্যাকেট রাউটিং নিয়ন্ত্রণ করে।
Transport Layer – End-to-end Communication নিশ্চিত করে (TCP, UDP)।
Session Layer – সেশন কন্ট্রোল এবং ডাটা এক্সচেঞ্জ ব্যবস্থাপনা করে।
Presentation Layer – ডাটা এনক্রিপশন, ডিক্রিপশন ও কম্প্রেশন পরিচালনা করে।
Application Layer – ব্যবহারকারী ও নেটওয়ার্কের মধ্যে ইন্টারফেস তৈরি করে (HTTP, FTP, SMTP ইত্যাদি)।

Source: 
- AWS [link] 
- IBM [link]

৯৯.
ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT)-এর একটি বড় চ্যালেঞ্জ কী?
  1. নিম্ন-গতির প্রক্রিয়াকরণ
  2. হার্ড ডিস্ক স্টোরেজ
  3. নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তা 
  4. উচ্চ-গতির প্রক্রিয়াকরণ
ব্যাখ্যা

• ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT)-এর একটি বড় চ্যালেঞ্জ হলো নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তা (গ)। IoT ব্যবস্থায় অসংখ্য ডিভাইস ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং নিয়মিত তথ্য আদান-প্রদান করে। এসব ডিভাইস ব্যক্তিগত, আর্থিক ও সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করে, যা সাইবার আক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়। হ্যাকাররা যদি এই ডিভাইসগুলোতে অনুপ্রবেশ করতে পারে, তবে তথ্য চুরি, সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ বা বড় ক্ষতি ঘটতে পারে। তাই শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও গোপনীয়তা রক্ষা IoT-এর ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
 
 ইন্টারনেট অফ থিংস (Internal of things - IoT):
- ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) হলো পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত এমন একটি সনাক্তকারী কম্পিউটিং ডিভাইস, যা একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষের সাথে মানুষের বা মানুষের সাথে কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করতে সাহায্য করে।
- একাধিক প্রযুক্তি যেমন মেশিন লার্নিং, কমোডিটি সেন্সর, এমবেডেড সিস্টেম এবং রিয়েল-টাইম অ্যানালিটিকস, একত্রিত করার কারণে ইন্টারনেট অফ থিংস বাস্তবায়িত হয়েছে।

IoT ডিভাইসের বৈশিষ্ট্য:
- কম শক্তি ব্যবহার করে কাজ করে, 
- ছোট আকারের কম্পিউটার চিপ ব্যবহার করে, 
- নির্দিষ্ট কাজের জন্য প্রোগ্রাম করা হয়, 
- সেন্সর, একচুয়েটর এবং ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত থাকে। 

উৎস:
১। Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। আইবিএম ওয়েবসাইট।

১০০.
কোনটি এম্বেডেড সিস্টেমের প্রধান বৈশিষ্ট্য?
  1. উচ্চ মানের গ্রাফিক্স পারফরম্যান্স
  2. পূর্ণ কীবোর্ড ও মাউস প্রয়োজন
  3. বিস্তৃত ও জটিল ইউজার ইন্টারফেস
  4. রিয়েল-টাইম অপারেশন
ব্যাখ্যা

• এম্বেডেড সিস্টেমের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ঘ) রিয়েল-টাইম অপারেশন। এম্বেডেড সিস্টেম সাধারণত নির্দিষ্ট একটি কাজের জন্য তৈরি হয় এবং সেই কাজটি সঠিক সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করাই এর মূল লক্ষ্য। এখানে প্রতিক্রিয়ার সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সামান্য দেরি হলে পুরো সিস্টেম ব্যর্থ হতে পারে, যেমন ওয়াশিং মেশিন, ট্রাফিক সিগন্যাল, মেডিকেল ডিভাইস বা গাড়ির ব্রেকিং সিস্টেমে। এসব সিস্টেমে উচ্চ মানের গ্রাফিক্স, পূর্ণ কীবোর্ড বা জটিল ইউজার ইন্টারফেসের প্রয়োজন হয় না। বরং নির্ভুলতা, নির্ভরযোগ্যতা এবং সময়ানুবর্তিতাই এম্বেডেড সিস্টেমের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- LED লাইটে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় না। 

​উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

১০১.
কোনটি BIOS-এর মূল কার্যাবলী?
  1. ইন্টারনেট সংযোগ পরিচালনা করা
  2. ব্যবহারকারীর ফাইল সংরক্ষণ করা
  3. অপারেটিং সিস্টেম বুট করা
  4. অ্যাপ্লিকেশন চালানো
ব্যাখ্যা

• BIOS-এর মূল কার্যাবলী হলো অপারেটিং সিস্টেম বুট করা, তাই সঠিক উত্তর হলো গ)। BIOS (Basic Input/Output System) কম্পিউটার চালু হওয়ার সাথে সাথে হার্ডওয়্যার উপাদানগুলো পরীক্ষা করে, যাকে POST বলা হয়। এরপর এটি স্টোরেজ ডিভাইস থেকে অপারেটিং সিস্টেম খুঁজে বের করে মেমোরিতে লোড করে এবং সিস্টেমের নিয়ন্ত্রণ অপারেটিং সিস্টেমের কাছে হস্তান্তর করে। BIOS ইন্টারনেট সংযোগ পরিচালনা করে না, ব্যবহারকারীর ফাইল সংরক্ষণ করে না এবং অ্যাপ্লিকেশনও চালায় না। এসব কাজ অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।

• BIOS:
- BIOS এর পূর্ণরূপ হলো- Basic Input/Output System.
- কম্পিউটার Boot হওয়ার পরপরই যে প্রোগ্রামটি Run হয় সেটি হল BIOS.
- অর্থাৎ, BIOS এর প্রাথমিক কাজ হচ্ছে Boot process নিয়ন্ত্রণ করা।
- এটি System BIOS, ROM BIOS, PC BIOS হিসেবে পরিচিত।
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হল BIOS.
- BIOS মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১০২.
কোনটি MICR-এর প্রধান সুবিধা?
  1. শুধু ডিজিটাল ডকুমেন্টের জন্য কার্যকর
  2. বিশেষ কালির প্রয়োজন নেই
  3. প্রক্রিয়াকরণ ধীর
  4. উচ্চ ত্রুটি শনাক্তকরণ হার 
ব্যাখ্যা

• MICR (Magnetic Ink Character Recognition)-এর প্রধান সুবিধা হলো এর উচ্চ ত্রুটি শনাক্তকরণ হার, যা অপশন ঘ-এর সঙ্গে সঠিকভাবে মিলে যায়। ব্যাংকিং ব্যবস্থায় চেক প্রক্রিয়াকরণের সময় MICR প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়, কারণ এটি খুব নির্ভুলভাবে তথ্য পড়তে সক্ষম। বিশেষ চৌম্বকীয় কালি ব্যবহারের ফলে যন্ত্র সহজেই অক্ষর শনাক্ত করতে পারে এবং ভুলের সম্ভাবনা অনেক কমে যায়। এর ফলে দ্রুত ও নিরাপদ লেনদেন সম্ভব হয়। অন্য বিকল্পগুলো MICR-এর প্রকৃত সুবিধা নয়, কারণ এটি শুধু ডিজিটাল ডকুমেন্টের জন্য নয়, প্রক্রিয়াকরণ ধীরও নয় এবং বিশেষ কালি অবশ্যই প্রয়োজন।

• MICR:
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
- ব্যাংকের চেক বইয়ে MICR টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১০৩.
কোনটি প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয় না?
  1. Excel
  2. Rust
  3. Fortran
  4. Kotlin
ব্যাখ্যা

• উল্লিখিত অপশন গুলোর মধ্যে Excel প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। Excel মূলত একটি স্প্রেডশিট সফটওয়্যার, যা তথ্য সংরক্ষণ, হিসাব-নিকাশ, চার্ট তৈরি এবং ডেটা বিশ্লেষণের কাজে ব্যবহৃত হয়। যদিও Excel-এ কিছু ফাংশন ও ফর্মুলা ব্যবহার করা যায় এবং VBA নামে একটি স্ক্রিপ্টিং সুবিধা আছে, তবুও Excel নিজে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রোগ্রামিং ভাষা নয়। অন্যদিকে Rust, Fortran এবং Kotlin সবই প্রকৃত প্রোগ্রামিং ভাষা, যেগুলো সফটওয়্যার, অ্যাপ্লিকেশন ও সিস্টেম ডেভেলপমেন্টে ব্যবহৃত হয়।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ক) Excel.

 
 • প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- কম্পিউটার সিস্টেমে প্রোগ্রাম রচনার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, বর্ণ, অঙ্ক, সংকেত এবং এগুলো বিন্যাসের নিয়মগুলোকে একত্রে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।

• বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
1. Machine Language,
2. Assembly Language,
3. High Level Language,
4. Very High Level Language and
5. Natural Language.

উল্লেখযোগ্য প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:

• জাভা (Java):
- জাভা (Java) একটি হাই লেভেল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৯১ সালে সান মাইক্রো সিস্টেম জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের সূচনা করে।
- ১৯৯৫ সালে জেমস গসলিং জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।

• পাইথন (Python):
- পাইথন(Python) একটি হাই লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৮৯ সালে ভ্যান রোসাম পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।

• C#:
- C# একটি অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড, কম্পোনেন্ট-ভিত্তিক প্রোগ্রামিং ভাষা।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২) সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

১০৪.
নিচের কোনটি লিনাক্সের একটি মূল বৈশিষ্ট্য?
  1. ওপেন-সোর্স প্রকৃতি 
  2. শুধু প্রোপ্রাইটারি সফটওয়্যার
  3. সীমিত হার্ডওয়্যার সমর্থন
  4. ব্যয়বহুল লাইসেন্স ফি
ব্যাখ্যা

• লিনাক্সের একটি মূল ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো এর ওপেন-সোর্স প্রকৃতি। এর অর্থ হচ্ছে, লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের সোর্স কোড সবার জন্য উন্মুক্ত, যে কেউ এটি দেখতে, পরিবর্তন করতে এবং নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারে। এই বৈশিষ্ট্যের কারণে লিনাক্স বিশ্বজুড়ে ডেভেলপার ও ব্যবহারকারীদের মধ্যে জনপ্রিয়। এটি শুধু প্রোপ্রাইটারি সফটওয়্যারের ওপর নির্ভরশীল নয় এবং এর জন্য ব্যয়বহুল লাইসেন্স ফি দিতে হয় না। পাশাপাশি, লিনাক্স বিস্তৃত হার্ডওয়্যার সমর্থন দেয়।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ক) ওপেন-সোর্স প্রকৃতি।

লিনাক্স (LINUX) অপারেটিং সিস্টেম:
- লিনাক্স হচ্ছে একটি মাল্টি টাস্কিং ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা বিশ্বব্যাপী হাজার হাজার প্রোগ্রামার দ্বারা উন্নতি লাভ করেছে।
- এটি UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশেষ সংস্করণ।
- ১৯৯০ সালে ফিনল্যান্ডের যুবক লিনাস টারভোল্ডাস লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন।
- লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম বর্ণভিত্তিক ও চিত্রভিত্তিক উভয় পরিবেশের সুবিধা প্রদান করে এবং এটির সিকিউরিটি ও গ্রাফিক্স অত্যন্ত শক্তিশালী।

লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের অন্যতম সুবিধাসমূহ হলো:
১। লিনাক্স বর্ণভিত্তিক ও চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
২। লিনাক্স ওপেন সোর্স কোডভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
৩। ইন্টারনেট হতে সহজেই লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম ডাউনলোড করা যায়।
৪। নেটওয়ার্ক সাপোর্ট সার্ভিস উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের তুলনায় অধিকতর শক্তিশালী।
৫। এটির সিকিউরিটি ও গ্রাফিক্স অত্যন্ত শক্তিশালী।
৬। লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা যায় ইত্যাদি।

উৎস:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
- IBM [link]

১০৫.
নিচের কোন পদ্ধতিটি দিয়ে আপনি IMEI চেক করতে পারবেন?
  1. ক্যামেরা অ্যাপ ওপেন করা
  2. ফোনে কল করা
  3. *#06# ডায়াল করা
  4. মেসেজ পাঠানো
ব্যাখ্যা

• IMEI চেক করার জন্য সবচেয়ে সহজ ও নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি হলো *#06# ডায়াল করা।
IMEI (International Mobile Equipment Identity) হলো প্রতিটি মোবাইল ফোনের একটি ইউনিক নম্বর, যা ডিভাইস শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। ফোনের ডায়ালার ওপেন করে *#06# কোডটি ডায়াল করলে সঙ্গে সঙ্গে স্ক্রিনে IMEI নম্বর প্রদর্শিত হয়। এই পদ্ধতিতে ইন্টারনেট, ক্যামেরা বা মেসেজের কোনো প্রয়োজন হয় না এবং এটি সব ধরনের মোবাইল ফোনে কাজ করে। ক্যামেরা অ্যাপ ওপেন করা, সাধারণ কল করা বা মেসেজ পাঠানোর মাধ্যমে সরাসরি IMEI জানা যায় না।
- তাই সঠিক উত্তর হলো গ) *#06# ডায়াল করা।

• IMEI:
- প্রতিটি স্বতন্ত্র ফোনের জন্য একটি করে স্বতন্ত্র IMEI নাম্বার থাকে যার সাহায্যে ওই ফোনটি সনাক্ত করা যায়।
- IMEI: IMEI-এর পূর্ণরূপ International Mobile Equipment Identity.
- এটি একটি নাম্বার যা নির্দিষ্ট ধরনের মোবাইল এবং স্যাটেলাইট ফোন সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।
- স্মার্টফোনে এটি বেশিরভাগ অপারেটিং সিস্টেমের সেটিংস মেনুতে পাওয়া যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১০৬.
কোনটি P2P অ্যাপ্লিকেশনের উদাহরণ?
  1. Facebook
  2. Google Drive
  3. Gmail
  4. BitTorrent 
ব্যাখ্যা

• উল্লিখিত অপশন গুলোর মধ্যে P2P (Peer-to-Peer) অ্যাপ্লিকেশনের উদাহরণ হলো ঘ) BitTorrent.
P2P অ্যাপ্লিকেশনে কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভারের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভর না করে ব্যবহারকারীরা সরাসরি একে অপরের সঙ্গে ডেটা আদান-প্রদান করে। BitTorrent এই পদ্ধতিতে কাজ করে, যেখানে একটি ফাইল ছোট ছোট অংশে ভাগ হয়ে বিভিন্ন ব্যবহারকারীর কাছ থেকে একসঙ্গে ডাউনলোড হয়।
- অন্যদিকে Facebook, Google Drive এবং Gmail হলো ক্লায়েন্ট-সার্ভার ভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশন, যেখানে সব তথ্য একটি কেন্দ্রীয় সার্ভারে সংরক্ষিত থাকে এবং ব্যবহারকারীরা সেই সার্ভারের মাধ্যমেই সেবা গ্রহণ করে।
- তাই সঠিক উত্তর BitTorrent.

 
• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১। ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network), 
২। পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network) ও 
৩। হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network)। 

• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে। 

• পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক:
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট। 

• হাইব্রিড নেটওয়ার্ক:
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে।
- তবে এর পাশাপাশি অল্প বিস্তারে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের অংশ থাকে। 

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট। 

১০৭.
ডিজিটাল যোগাযোগের ক্ষেত্রে “স্প্যাম” বলতে কী বোঝায়?
  1. অপ্রয়োজনীয় বা অনাকাঙ্ক্ষিত বার্তা
  2. নিরাপদ নোটিফিকেশন
  3. ব্যক্তিগত বার্তা
  4. বন্ধুদের পাঠানো সহায়ক ইমেইল
ব্যাখ্যা

• ডিজিটাল যোগাযোগের ক্ষেত্রে “স্প্যাম” বলতে অপ্রয়োজনীয় বা অনাকাঙ্ক্ষিত বার্তাকে বোঝায়, যা ব্যবহারকারীর সম্মতি ছাড়াই বারবার পাঠানো হয়। সাধারণত ইমেইল, এসএমএস, সোশ্যাল মিডিয়া বা মেসেজিং অ্যাপে এই ধরনের বার্তা দেখা যায়। স্প্যাম বার্তার উদ্দেশ্য হতে পারে বিজ্ঞাপন প্রচার, প্রতারণা, ভুয়া তথ্য ছড়ানো বা ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করা। এসব বার্তা ব্যবহারকারীর সময় নষ্ট করে এবং কখনো কখনো নিরাপত্তার ঝুঁকিও সৃষ্টি করে।
- তাই প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে ক) অপ্রয়োজনীয় বা অনাকাঙ্ক্ষিত বার্তাই স্প্যামের সঠিক সংজ্ঞা।

 
ই-মেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়৷
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- মেইল পাঠানোর জন্য SMTP( Simple Mail Transfer Protocol) প্রোটোকল এবং গ্রহণের জন্য POP3(Post Office Protocol), IMAP(Internet Message Access Protocol) প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়। 

ই-মেইল ঠিকানায় ব্যবহৃত-
- CC এর পূর্ণ রূপ Carbon Copy;
- BCC এর পূর্ণ রূপ Blind Carbon Copy

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।

১০৮.
যে পদার্থে মুক্ত ইলেকট্রন থাকে না তাকে কী বলা হয়?
  1. অন্তরক
  2. পরিবাহী
  3. অর্ধপরিবাহী
  4. সুপারকন্ডাকটর
ব্যাখ্যা

পরিবাহী পদার্থ:
- যে সব পদার্থের মধ্য দিয়ে খুব সহজেই আধান বা তড়িৎ এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে প্রবাহিত হতে পারে, সে সব পদার্থকে পরিবাহী বলে।
যেমন- রূপা, তামা, লোহা ইত্যাদি।
- মূলতঃ সকল ধাতব পদার্থই পরিবাহী।
- পরিবাহীতে অনেক মুক্ত ইলেকট্রন থাকে।

অপরিবাহী পদার্থ:
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান প্রবাহিত হতে পারে না সে সব পদার্থকে অপরিবাহী বলে।
যেমন- কাঁচ, কাঠ, প্লাস্টিক ইত্যাদি।
- মূলত প্রায় সকল অধাতব পদার্থই অপরিবাহী।
- অপরিবাহীতে মুক্ত ইলেকট্রন থাকে না

অর্ধপরিবাহী পদার্থ:
- যে সব পদার্থের তড়িৎ পরিবহণ ক্ষমতা পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি তাদেরকে বলা হয় অর্ধপরিবাহী পদার্থ।
যেমন- জার্মেনিয়াম, সিলিকন ইত্যাদি।
অর্থাৎ, যার মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ করতে পারে কিন্তু তা পরিবাহীর চেয়ে অনেক কম, কিন্তু অপরিবাহীর চেয়ে বেশী এদেরকে অর্ধপরিবাহী বলে।
- পরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা হ্রাস পায়, কিন্তু অর্ধপরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
- এর অর্থ হলো তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে পরিবাহীর রোধ বৃদ্ধি পায়, আর অর্ধপরিবাহীর রোধ হ্রাস পায়।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০৯.
ব্রেইন ক্যন্সার নিরাময়ে কোন আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়?
  1. ফসফেট
  2. আয়োডিন
  3. টেকনেশিয়াম
  4. ইরিডিয়াম
ব্যাখ্যা

তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ:
- শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়।
- আবার নিরাময়ের জন্য কোবাল্ট-60 থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়।
- থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-131 তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়।
- রক্তের লিউকোমিয়া রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-32 এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়।
- দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কি কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য টেকনেশিয়াম-99 আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।
- ব্রেইন ক্যন্সার নিরাময়ে ইরিডিয়াম আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

১১০.
পৃথিবীর সঙ্গে একটি বইয়ের আকর্ষণকে কী হিসেবে অভিহিত করা হয়?
  1. পীড়ন
  2. তাড়িতচৌম্বক বল
  3. অভিকর্ষ বল
  4. দুর্বল নিউক্লিয় বল
ব্যাখ্যা

অভিকর্ষ:
- পৃথিবী পৃষ্ঠের উপর বা পৃষ্ঠ সংলগ্ন কোনো বস্তু এবং পৃথিবীর মধ্যে যে মহাকর্ষ বল ক্রিয়াশীল তাকে অভিকর্ষ বলে।
- মূলত এই বলের প্রভাবে বস্তু পৃথিবীর দিকেই আকৃষ্ট হয়।
- পৃথিবীর বিশালত্বের কারণে অন্য বস্তুটির বলের প্রভাব অনুভূত বা পরিলক্ষিত হয় না।
- তাই পৃথিবী ও চাঁদের মধ্যে আকর্ষণ বা পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যের আকর্ষণ মহাকর্ষ।
- কিন্তু পৃথিবীর সঙ্গে এক খন্ড পাথরের বা একটুকরো ইটের বা একটি বইয়ের যে আকর্ষণ তা অভিকর্ষ বলে অভিহিত হয়
- মূলত অভিকর্ষ এক ধরণের মহাকর্ষ।

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১১.
সাবানকে শক্ত করতে কোন যৌগ ব্যবহার করা হয়?
  1. গ্লিসারিন
  2. সোডিয়াম সিলিকেট
  3. সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  4. ক্যালসিয়াম কার্বনেট
ব্যাখ্যা

সাবান:
- সাবান হচ্ছে উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের সোডিয়াম বা পটাশিয়াম লবণ।
- সাবান বহুল প্রচলিত পরিষ্কারক সামগ্রী হিসেবে দেহ এবং কাপড়-চোপড় পরিষ্কারের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে।
- সাবান এবং প্রাকৃতিক উপাদান ছাড়াও আধুনিক জীবনে পরিষ্কারক হিসেবে ডিটারজেন্ট, ইমালশান, পলিশ ইত্যাদি ব্যবহৃত হচ্ছে।
- সাবান তৈরির প্রধান কাঁচামাল হচ্ছে তেল বা চর্বি।
- তেল বা চর্বিকে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড বা পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড দ্রবণ দ্বারা আর্দ্র বিশ্লেষণ করলে সোডিয়াম সাবান বা পটাশিয়াম সাবান উৎপন্ন হয়।
- সাবান তৈরির সময় উপজাত হিসেবে গ্লিসারিন পাওয়া যায়।
- 'সোডিয়াম সিলিকেট' সাবানকে শক্ত করতে ব্যবহার করা হয়

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

১১২.
কোষ ও কোষাঙ্গাণুর গঠন ও কাজ নিয়ে জীববিজ্ঞানের কোন শাখায় আলোচনা করা হয়?
  1. Physiology
  2. Embryology
  3. Morphology
  4. Cytology
ব্যাখ্যা

জীববিজ্ঞানের বিশেষ শাখা:
- জীবের তথা জীববিজ্ঞানের কোন দিকটি নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে তার উপর ভিত্তি করে জীববিজ্ঞানকে বিভিন্ন শাখায় বিভক্ত করা হয়ে থাকে।
- এখানে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য শাখার সংক্ষিপ্ত পরিচিতি দেয়া হলো-
অঙ্গসংস্থান (Morphology):
- এ শাখায় জীবের গঠন বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- বাহ্যিক গঠনকে বহিঃঅঙ্গসংস্থান (External morphology) এবং অভ্যন্তরীণ গঠনকে অন্তঃঅঙ্গসংস্থান (Internal morphology) বলে।

শারীরবিদ্যা (Physiology):
- জীবের শ্বসন, রেচন, প্রজনন, পরিপাক ও আত্তীকরণ, সবুজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণ এসব জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়াসমূহ এ শাখায় আলোচনা করা হয়।

ভ্রূণবিদ্যা (Embryology):
- ভ্রূণ সৃষ্টি ও বিকাশের মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ জীবের সৃষ্টি হয়।
- জীবের ভ্রূণ গঠন ও বিকাশ নিয়ে এ শাখায় আলোচনা করা হয়।

কোষবিদ্যা (Cytology):
- জীবদেহের গঠন ও কার্যের একক হলো কোষ।
- কোষ ও কোষাঙ্গাণুর গঠন, কাজ ও বিভাজন সম্বন্ধে এ শাখায় আলোচনা করা হয়

বংশগতিবিদ্যা (Genetics):
- মাতা-পিতার বৈশিষ্ট্য সন্তানে স্থানান্তরিত হয়।
- বংশগতির এ ধারা সম্বন্ধে এ শাখায় আলোচনা করা হয়।

বাস্তুবিদ্যা (Ecology):
- জীবসমূহ যে পরিবেশে বাস করে সেই পরিবেশ এবং সেই পরিবেশের সাথে ঐ জীবসমূহের আন্তঃসম্পর্ক সম্বন্ধে এ শাখায় আলোচনা করা হয়।

বিবর্তন (Evolution):
- আদি কালের অনেক জীবই বর্তমান কালের জীবসমূহ থেকে অন্য রকম ছিল, কালের বিবর্তনের মাধ্যমে বর্তমান পর্যায়ে এসেছে।
- জীবসমূহের সূচনা ও বিবর্তন নিয়ে এ শাখায় আলোচনা করা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১৩.
যদি ট্রান্সফরমারে বিভব বৃদ্ধি পায় তাহলে তড়িৎ প্রবাহ কেমন হয়?
  1. হ্রাস পায়
  2. বৃদ্ধি পায়
  3. শূন্য হয়ে যায়
  4. অপরিবর্তিত থাকে
ব্যাখ্যা

ট্রান্সফরমার:
- ট্রান্সফরমার একটি তড়িৎ যন্ত্র।
- এটি পরিবর্তি প্রবাহে কাজ করে।
- এই যন্ত্রটি তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- এখানে মূলতঃ দুটি কুন্ডলী থাকে।
- কুন্ডলী দুটিকে একটি আয়তাকার কাঁচা লোহার মজ্জা বা কোরের উপর সারিবদ্ধ ভাবে জড়ানো হয় যেন অধিক পরিমান চৌম্বক বল রেখার সৃষ্টি হয়।
- একটি কুন্ডলীতে পরিবর্তি প্রবাহ করে অপর কুন্ডলীতে আবিষ্ট তড়িচ্চালক শক্তি সৃষ্টি করাই এর মূল কাজ।
- এই যন্ত্র উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে, কিন্তু শক্তির পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে। ফলে বিভব বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহ হ্রাস পায় এবং বিভব হ্রাস করলে তড়িৎ প্রবাহ বৃদ্ধি পায়
- যে যন্ত্র পর্যাবৃত্ত উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে তাকে ট্রান্সফরমার বলে।
- ট্রান্সফরমার সাধারণত দুই প্রকারের হয়।
যথা- স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ও স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১৪.
অধাতুর উদাহরণ কোনটি?
  1. আয়রন
  2. জিংক
  3. ক্লোরিন
  4. অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা

খনিজ পদার্থ:
- ভূ-পৃষ্টের উপরিভাগের যে অংশ তুলনামূলক নরম, সহজেই গুড়ো হয়ে যায়, পানিতে ভিজলে নরম হয়ে যায় এবং গাছ পালা জন্মে তাকে মাটি বলে।
- আবার, যে অংশ শক্ত, ভিজলে নরম হয় না, আকৃতিতে বড় বড় এবং গাছ পালা জন্মায় না তাকে শিলা বলে।
- ভূপৃষ্টের উপরিভাগ বিভিন্ন রকম যৌগিক পদার্থ দিয়ে তৈরি যেমন- সিলিকন ডাই অক্সাইড (বালি), ক্যালসিয়াম কার্বনেট (চুনাপাথর) ইত্যাদি।
- এসকল পদার্থ দুই প্রকার মৌলিক পদার্থ দিয়ে গঠিত।
যথা- ধাতু ও অধাতু।
- প্রকৃতিতে প্রায় সকল ধাতু ও অধাতু যৌগিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়।
- তবে কয়লা, সালফার ও অল্প পরিমাণ গোল্ড মৌলিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়।
- যে সকল ধাতু ও অধাতু বেশি সক্রিয় তাদের যৌগ বেশি পরিমাণে এবং যে সকল যৌগ কম সক্রিয় তাদের যৌগ কম পরিমাণে প্রকৃতিতে পাওয়া যায়।

ধাতু:
- ধাতু হচ্ছে ক্যালসিয়াম, আয়রন, অ্যালুমিসিয়াম, পটাসিয়াম, সোডিয়াম, সিলভার, গোল্ড, কপার ও জিংক ইত্যাদি।

অধাতু:
- অধাতু হচ্ছে কয়লা (কার্বন), সালফার, ক্লোরিন, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, ও অক্সিজেন ইত্যাদি।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১৫.
হিমোগ্লোবিন কোন জাতীয় পদার্থ?
  1. আমিষ
  2. আয়োডিন
  3. স্নেহ
  4. লৌহ
ব্যাখ্যা

হিমোগ্লোবিন:
- হিমোগ্লোবিন এক ধরনের আমিষ বা প্রোটিন জাতীয় পদার্থ
- হিমোগ্লোবিন নামক রঞ্জক পদার্থের উপস্থিতির জন্য রক্তের রং লাল হয়।
- এর প্রধান কাজ হলো ধমনি থেকে দেহের সব স্থানে অক্সিজেন ও বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান সরবরাহ করা।
- হিমোগ্লোবিনের প্রতিটি অণুতে চারটি আয়রন পরমাণু থাকে। আর প্রতিটি আয়রন পরমাণু একটি করে অক্সিজেন গ্রহণ করে।
- রক্তে ৯৭-৯৮% অক্সিজেন পরিবাহিত হয় লোহত কণিকার অক্সিজেনের মাধ্যমে।
- একটি হিমোগ্লোবিন অণু একই সাথে ৪টি অক্সিজেন অণুর সাথে যুক্ত হতে পারে।

- অক্সিজেনের সাথে হিমোগ্লোবিনের রাসায়নিক বিক্রিয়া উভমুখী।

উৎস: জীববিজ্ঞান, দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. গাজী আজমল) এবং প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১৬.
নিরক্ষরেখার উপর সূর্য কিভাবে কিরণ দেয়?
  1. কৌণিকভাবে
  2. লম্বভাবে
  3. আড়াআড়িভাবে
  4. তির্যকভাবে
ব্যাখ্যা

নিরক্ষরেখা:
- সূর্যকিরণের মাত্রা অক্ষাংশভেদে বিভিন্ন রকম হয়।
- নিরক্ষরেখার উপর সারাবছর সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয়
- নিরক্ষরেখা থেকে যতই উত্তর বা দক্ষিণে যাওয়া যায়, সূর্যকিরণ তির্যকভাবে পড়তে থাকে।
- এর ফলে নিরক্ষরেখা থেকে উত্তর ও দক্ষিণ উভয় মেরুর দিকে তাপমাত্রা ক্রমশ কমতে থাকে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।

১১৭.
ইলেকট্রনের ক্ষেত্রে কোনটি সত্য নয়?
  1. এটি হাইড্রোজেন পরমাণুর তুলনায় ১৮৪০ গুণ হালকা
  2. এটি পরমাণুর ক্ষুদ্রতম কণিকা
  3. এটির আপেক্ষিক আধান -1
  4. এটি একক ধনাত্মক তড়িৎধর্মী কণা
ব্যাখ্যা

ইলেকট্রন:
- পরমাণুর ক্ষুদ্রতম কণিকা ইলেকট্রন।
- সকল মৌলের পরমাণুর একটি সাধারণ উপাদান হলো ইলেকট্রন।
- ইলেকট্রনের ভর অতি সামান্য।
- একটি ইলেকট্রন একটি হাইড্রোজেন পরমাণুর তুলনায় ১৮৪০ গুণ হালকা।
- ইলেকট্রন একক ঋণাত্মক তড়িৎধর্মী কণা
- ইলেকট্রনের সংকেত e-.
- ইলেকট্রনের আসল ভর ও প্রকৃত আধান যথাক্রমে 9.11×10-28 g ও -1.60 ×10-19 C.
- ইলেকট্রনের আপেক্ষিক আধান (-1)।

উৎস: রসায়ন, এসএসএসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১৮.
উদ্ভিদ কোষের সঞ্চিত খাদ্য কোনটি?
  1. শ্বেতসার
  2. লিপিড
  3. গ্লাইকোজেন
  4. কাইটিন
ব্যাখ্যা

উদ্ভিদ কোষ বৈশিষ্ট্য:
- উদ্ভিদ কোষের চারদিকে সেলুলোজ নির্মিত জড় কোষ প্রাচীর বিদ্যমান থাকে। এর নিচে প্লাজমা ঝিল্লী থাকে।
- কিছু নিম্নশ্রেণির উদ্ভিদ ব্যতীত অধিকাংশ উদ্ভিদ কোষে প্লাস্টিড থাকে। ব্যতিক্রম- ছত্রাক, ব্যাকটেরিয়া ইত্যাদিতে প্লাস্টিড থাকে না।
- উদ্ভিদ কোষের সঞ্চিত খাদ্য সাধারণত শ্বেতসার
- উদ্ভিদ কোষে কোন সেন্ট্রোসোম থাকে না, ব্যতিক্রম- কিছু শৈবাল, মস ও ছত্রাকে সেন্ট্রোসোম থাকে।
- উদ্ভিদ কোষে সাধারণত বড় আকারের এক বা একাধিক কোষ গহ্বর থাকে এবং স্থায়ী।
- পূর্ণাঙ্গ উদ্ভিদ কোষের আকার সাধারণত পরিবর্তিত হয় না।
- প্লাজমা পর্দায় মাইক্রোভিলাই থাকে না।
- নিউক্লিয়াস সাধারণত কোষের পরিধির দিকে থাকে।
- শুধুমাত্র ভাজক কোষেই লাইসোসোম থাকে।
- স্নেহ দ্রব্য তরল অবস্থায় থাকে।

অন্যদিকে,
- প্রাণী কোষের সঞ্চিত খাদ্য- গ্লাইকোজেন।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১৯.
RADAR-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Radio Data And Relay
  2. Rapid Detection And Ranging
  3. Radio Detection And Ranging
  4. Radio Direction And Response
ব্যাখ্যা

রাডার (RADAR):
- 'RADAR' এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Radio Detection And Ranging.
- এটি এমন একটি যন্ত্র যার সাহায্যে দূরবর্তী কোনো বস্তুর উপস্থিতি, দূরত্ব ও দিক নির্ণয় করা যায়।
- রাডার হলো এমন একটি কৌশল বা ব্যবস্থা যার সাহায্যে রেডিও প্রতিধ্বনির মাধ্যমে কোন বস্তুর উপস্থিতি জানা যায়।
- যুদ্ধে শত্রু বিমানের উপস্থিতি ও গতিবিধি, বিমানের পথ নির্দেশ, ঝড়ের পূর্বাভাস ইত্যাদি কাজে এটি ব্যবহৃত হয়।
- ১৯২২ সালে এ.এইচ. টেলর এবং লিও সি ইয়ং রাডার উদ্ভাবন করেন।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।

১২০.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ-২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, শহরে উচ্চ দারিদ্র্যের হার কত?
  1. ১৪.৭%
  2. ১৬.২%
  3. ১৯.৪%
  4. ২৩.৬%
ব্যাখ্যা

খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) Household Income and Expenditure Survey (HIES) 2022 শিরোনামে ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ প্রকাশ করে।
- জনপ্রতি দৈনিক ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ - ২,৩৯৩ কিলোক্যালোরি।
- খানাপ্রতি মাসিক গড় আয় - ৩২,৪২২ টাকা (শহুরে ৪৫,৭৫৭ টাকা, গ্রামীণ ২৬,১৬৩ টাকা)।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর এবং তদূর্ধ্ব) - ৭৪% (পুরুষ ৭৫.৮%, নারী ৭২.৬%)।
- দেশে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৮.৭%।
- শহরে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৪.৭%।
- গ্রামে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ২০.৫%।

এছাড়াও,
- দেশে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৫.৬%।
- শহরে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৩.৮%।
- গ্রামে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২।

১২১.
কুষাণদের শ্রেষ্ঠ সম্রাট কে ছিলেন?
  1. কুজলা
  2. কদফিসেস
  3. কণিষ্ক
  4. বাসুদেব
ব্যাখ্যা

কুষাণ যুগ:
- যে সকল বিদেশি জাতি ভারতবর্ষে সাম্রাজ্য স্থাপন করেছিল তাদের মধ্যে কুষাণদের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- কুষাণরা ছিল ইউ-চি জাতির একটি শাখা।
- কুষাণ শাখার নেতা কুজলা কদফিসেস কর্তৃক খ্রিস্টপূর্ব ৩০ অব্দ নাগাদ পাঁচটি শাখায় বিভক্ত ইউ-চিরা ঐক্যবদ্ধ হয়।
- তিনি কাবুল, সোমায়ার, কাশ্মির অধিকার করেন।
- তাঁর পুত্র বিম কদফিসেস সিংহাসনে বসেন।
- তাঁর সাম্রাজ্য মধ্য এশিয়ার তুর্কিস্থান থেকে সিন্ধু উপত্যকা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- কুষাণ বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট ছিলেন কণিষ্ক।
- ৭৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং একটি অব্দ বা সম্বৎ প্রবর্তন করেন যা পরবর্তীতে শকাব্দ নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ভারতে তিনি এক বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন, এটি উত্তর- পশ্চিমে পেশোয়ার থেকে পূর্বে পশ্চিমবাংলা, উত্তরে কাশ্মির থেকে দক্ষিণে মধ্যপ্রদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- ভারতের বাইরে বর্তমান সোভিয়েত তুর্কিস্থানের এবং আফগানিস্তানের কিছু অংশও তাঁর সাম্রাজ্যভুক্ত ছিল।
- পুরুষপুর বা বর্তমান পেশোয়ার তাঁর রাজধানী ছিল।
- বিশাল সাম্রাজ্যকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করে বিভিন্ন রাজকর্মচারীদের মাধ্যমে এখান থেকেই তিনি শাসনকার্য পরিচালনা করতেন।
- তাঁর আমলেই বৌদ্ধ ধর্ম 'মহাযান' ও 'হীনযান' -এ দুভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। 
- ২৩ বছর রাজত্ব করার পর কণিষ্ক ১০১ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২২.
সুজন পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. দলনিরপেক্ষতা
  2. একতা
  3. সমতা
  4. দলীয় সমর্থন
ব্যাখ্যা

সুজন:
- সুজন দেশের সচেতন নাগরিকদের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি নাগরিক সংগঠন।
- গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া-সহ রাষ্ট্রের সকল স্তরে গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং বাংলাদেশকে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলাই সুজন-এর মূল লক্ষ্য।
- ‘সুজন’ পরিচালনার মূলনীতি হলো দলনিরপেক্ষতা, একতা, সততা, স্বচ্ছতা, সমতা ও অসাম্প্রদায়িকতা।
- ১২ নভেম্বর ২০০২ তারিখে আয়োজিত একটি সংবাদ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে ‘সিটিজেন্স ফর ফেয়ার ইলেকশন্স (সিএফই)’ নামে সংগঠনটি প্রথম আত্মপ্রকাশ করে।
- প্রারম্ভিক পর্যায়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সৎ, যোগ্য ও জনকল্যাণে নিবেদিত প্রার্থীরা যাতে নির্বাচিত হতে পারেন, সে লক্ষ্যে কাজ করলেও, পরবর্তীতে দেশের গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করা হয় এবং লক্ষ্যের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ২০০৩ সালের ২১ ডিসেম্বর সংগঠনটির নামকরণ করা হয় ‘সুশাসনের জন্য নাগরিক’, সংক্ষেপে ‘সুজন’।
- ‘সুজন’ দাতাদের অর্থে পরিচালিত কোনো এনজিও নয়।
- এটি একটি নির্দলীয় স্বেচ্ছাব্রতী নাগরিক উদ্যোগ।
- একদল সচেতন নাগরিকের সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার চেতনা থেকেই এর সৃষ্টি।
- এই উদ্যোগের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত ব্যক্তিবর্গের নেতৃত্বে ও অর্থায়নেই এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

তথ্যসূত্র - সুজন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১২৩.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সর্বাধিনায়কতার উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৬১
  2. অনুচ্ছেদ ৬২
  3. অনুচ্ছেদ ৬৩
  4. অনুচ্ছেদ ৬৪
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৬১ - সর্বাধিনায়কতা।
- অনুচ্ছেদ ৬২ - প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগে ভর্তি প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৬৩ - যুদ্ধ।
- অনুচ্ছেদ ৬৪ - অ্যাটর্নি-জেনারেল।
- অনুচ্ছেদ ৬৫ - সংসদ-প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ৬৬ - সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা।
- অনুচ্ছেদ ৬৭ - সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া।
- অনুচ্ছেদ ৬৮ - সংসদ-সদস্যদের [পারিশ্রমিক] প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৬৯ - শপথগ্রহণের পূর্বে আসন গ্রহণ বা ভোট দান করিলে সদস্যের অর্থদণ্ড।
- অনুচ্ছেদ ৭০ - রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া।
- অনুচ্ছেদ ৭১ - দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা।
- অনুচ্ছেদ ৭২ - সংসদের অধিবেশন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

১২৪.
GDP থেকে নিচের কোনটি বাদ দেওয়া হয়?
  1. দেশের অভ্যন্তরে দেশীয় নাগরিকদের আয়
  2. দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত চূড়ান্ত সেবা
  3. বিদেশে অবস্থানরত দেশীয় নাগরিকদের প্রেরিত অর্থ
  4. বিদেশিদের দেশে বিনিয়োগ থেকে অর্জিত আয়
ব্যাখ্যা

মোট দেশজ উৎপাদন:
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে মোট যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদিত হয়, তার বাজার দামের সমষ্টিকে মোট দেশজ উৎপাদন বা GDP বলে।
- মোট দেশজ উৎপাদনে দেশের অভ্যন্তরীণ আয় এবং দেশের অভ্যন্তরে বিদেশিদের আয় অন্তর্ভুক্ত (includes) হয় এবং দেশীয় নাগরিক যারা প্রবাসে, তাদের প্রেরিত অর্থ ধরা হয় না।
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবার বাজার মূল্য এবং উক্ত দেশে অবস্থানরত বিদেশিদের উপার্জিত আয় এর সমষ্টি (includes) থেকে বিদেশে অবস্থানকারী দেশীয় নাগরিক কর্তৃক বিদেশ হতে প্রেরিত অর্থ বাদ (excludes) দেয়ার পর অবশিষ্ট আর্থিক মূল্যকে মোট দেশজ উৎপাদন বলে।
- অর্থাৎ GDP = মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP)+ উক্ত দেশে অবস্থানকারী বিদেশিদের অর্জিত আয় বিদেশে অবস্থানকারী দেশীয় নাগরিকদের আয়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২৫.
নিচের কোন জেলায় পাংখোয়া ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে?
  1. সিলেট
  2. রংপুর
  3. রাঙামাটি
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা

পাংখোয়া:
- পাংখোয়া বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মধ্যে পাংখোয়া অন্যতম।
- পার্বত্য রাঙামাটি জেলার সাজেক উপত্যকা থেকে বান্দরবানের রুমা পর্যন্ত এবং পাশ্ববর্তী ভারতের মিজোরাম রাজ্য সংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় পাংখোয়া জাতির বসবাস রয়েছে।
- পাংখোয়া জনগোষ্ঠী নিজেদের ধর্মবিশ্বাসে বৌদ্ধ।
- প্রকৃতি উপাসনাও পাংখোয়া সমাজে প্রচলিত।
- তাদের সৃষ্টিকর্তার নাম ‘পত্যেন’।
- তাদের প্রধান উপাস্য দেবতার নাম ‘খোজিং’।
- খোজিং পূজা শ্রাবণ মাসে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।
- এই পূজা পাংখোয়া সমাজে সবচেয়ে বড় উৎসব হিসেবে বিবেচিত হয়।
- পাংখোয়া সমাজে পিতাই পরিবারের প্রধান।
- পিতার মৃত্যুর পর পুত্রসন্তানরা পারিবারিক বিষয়-আশয়ের উত্তরাধিকারী হয়ে থাকে।
- পাংখোয়া জনগোষ্ঠী দুটো গোত্রে বিভক্ত পাংখোয়া ও ভানজাঙ।
- ধর্মীয় বিশ্বাস, সামাজিক আচার-অনুষ্ঠান ও পূজাপার্বণ নিয়ে পাংখোয়াদের নিজস্ব সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে।
- পাংখোয়া জনগোষ্ঠীতেই মৃতদেহ কবর দেওয়ার রীতি প্রচলিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১২৬.
মুঘল আমলে পরগনার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কে ছিলেন?
  1. ফৌজদার
  2. শিকদার
  3. মুনসিফ
  4. কোটোয়াল
ব্যাখ্যা

মুঘল যুগের প্রশাসনিক ব্যবস্থা:
- মুঘল শাসনব্যবস্থা এক-কেন্দ্রিক ও স্বৈরতন্ত্রী হলেও জনকল্যাণকামী ছিল।
- এই শাসনব্যবস্থা ছিল প্রধানত সামরিক শক্তি নির্ভর।
- একমাত্র সদর ও কাজী ছাড়া অন্যসব কর্মচারিকে সামরিক দায়িত্ব পালন করতে হত।
- মুঘল শাসন ব্যবস্থার মূল ভিত্তি রচিত হয় তুর্কি-পারস্য শাসন ব্যবস্থার অনুকরণে।
- মুঘলরা একটি শক্তিশালী কেন্দ্রীয় শাসন ব্যবস্থার পাশাপাশি স্থানীয় প্রাদেশিক শাসন কাঠামোও গড়ে তুলেছিল।
- মুঘল শাসন ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের সর্বময় ক্ষমতার উৎস ছিলেন 'পাদশাহ' বা সম্রাট।
- তিনি একাধারে রাষ্ট্রীয় প্রধান, সামরিক প্রধান এবং প্রধান বিচারক হিসেবে রাজ্য পরিচালনা ও প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ করতেন।
- সম্রাটের পরই প্রধানমন্ত্রী বা ওয়াজিরের স্থান ছিল।
- বিশাল মুঘল সাম্রাজ্যের সুষ্ঠু শাসনের জন্য সমগ্র সাম্রাজ্যকে কতগুলো 'সুবাহ' বা প্রদেশে ভাগ করা হয়েছিল।
- সুবাহদার ছিলেন সুবাহর প্রধান কর্ম নির্বাহক।
- মুঘল আমলে প্রতিটি প্রদেশ কয়েকটি সরকার বা জেলায় এবং প্রতিটি সরকার কয়েকটি পরগনায় বিভক্ত ছিল।
- ফৌজদার ছিলেন সরকারের প্রধান নির্বাহীকর্তা।
- শিকদার ছিলেন পরগণার প্রধান নির্বাহীকর্তা।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২৭.
কামরুল হাসানের বিখ্যাত চিত্রকর্ম কোনগুলো?
  1. তিনকন্যা ও নাইওর
  2. সোনার তরী ও ভোরের আলো
  3. মায়ের কোলে ও যুদ্ধের ছবি
  4. গ্রামীণ জীবন ও শহরের আলো
ব্যাখ্যা

শিল্পী কামরুল হাসান:
- তাঁর প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার নারেঙ্গা গ্রামে।
- কামরুল হাসানের শিক্ষাজীবন কাটে কলকাতায়।
- তিনি কলকাতার মডেল এম ই স্কুল (১৯৩০-৩৫) এবং কলকাতা মাদ্রাসায় (১৯৩৬-৩৭) প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন।
- ১৯৩৮ সালে তিনি কলকাতার গভর্নমেন্ট স্কুল অব আর্টস-এ ভর্তি হন এবং ১৯৪৭ সালে চিত্রকলায় স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
- ‘তিনকন্যা’ ও ‘নাইওর’ তাঁর বিখ্যাত চিত্রকর্ম।
- ১৯৮৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১২৮.
জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত কোনটি?
  1. ব্রি ধান ৫১
  2. ব্রি ধান ৫২
  3. ব্রি ধান ৫৬
  4. ব্রি ধান ৬২
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২, ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান  ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

১২৯.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ১ নং আসন কোনটি?
  1. পঞ্চগড়-১
  2. সিলেট-১
  3. ঢাকা-১
  4. কক্সবাজার-১
ব্যাখ্যা

সংসদীয় আসন:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা: ৩৫০টি।
- মহিলাদের জন্য সংসদে সংরক্ষিত আসন: ৫০টি।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে সংসদীয় আসন সংখ্যা: ৩টি।
• বান্দরবান।
• রাঙ্গামাটি।
• খাগড়াছড়ি।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যেক জেলায় একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে। 

- জাতীয় সংসদের ১ নং আসন: পঞ্চগড়-১।
- জাতীয় সংসদের ৩০০ নং আসন: বান্দরবান।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি সংসদীয় আসন রয়েছে ঢাকা জেলায়।
- ঢাকা জেলায় ২০টি সংসদীয় আসন রয়েছে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৩০.
মুদ্রাস্ফীতির ফলে একই পরিমাণ পণ্য ক্রয়ে কোনটি ঘটে?
  1. কম অর্থ ব্যয় হয়
  2. সমান অর্থ ব্যয় হয়
  3. সঞ্চয় বৃদ্ধি পায়
  4. অধিক অর্থ ব্যয় হয়
ব্যাখ্যা

মুদ্রাস্ফীতি:
- যদি পণ্যের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ অনেক বেড়ে যায় অর্থাৎ দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক অতিরিক্ত মাত্রায় টাকা ছাপায় তখনই মুদ্রাস্ফীতি ঘটে।
- বাজারে উৎপাদনের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ বেড়ে গেলে মুদ্রাস্ফীতি ঘটে। অর্থাৎ মুদ্রাস্ফীতি হলো মুদ্রার সরবরাহ বৃদ্ধি।
- এতে করে টাকা তথা মুদ্রার মান হ্রাস পায়, পক্ষান্তরে দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পায়।
- একই পরিমাণ পণ্য ক্রয়ে পূর্বাপেক্ষা অধিক অর্থ ব্যয় হয়।
- উৎপাদনের তুলনায় বাজারে মুদ্রার সরবরাহ কমে গেলে মুদ্রা সংকোচন ঘটে।
- উন্নয়নশীল দেশগুলিতে মুদ্রাস্ফীতির জন্য সর্বজনীনভাবে নির্ধারিত সহনীয় স্তর নেই।
- তবে, উন্নয়নশীল দেশের জন্য মূল্যস্ফীতির সহনশীল মাত্রা ধরা হয় ৬-৮%।
- মুদ্রাস্ফীতি ৬-৮% এর বেশি হলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন, মূল্য স্থিতিশীলতা এবং দারিদ্র্যের জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

এছাড়াও,
⇒ অতি মুদ্রাস্ফীতি নিম্নলিখিত প্রভাব সৃষ্টি করে:
• সঞ্চয় হ্রাস করে
• বিনিয়োগ হ্রাস করে।
• অর্থনৈতিক পছন্দগুলিকে বিকৃত করে।
• আয়ের বৈষম্য আরও বাড়ায়।

তথ্যসূত্র -  অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।

১৩১.
সংবিধানের প্রস্তাবনায় কোনটি ঘোষণা হিসেবে উল্লেখিত?
  1. সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা
  2. মূলনীতি গ্রহণ
  3. শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা
  4. গণপ্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা

প্রস্তাবনা:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১টি প্রস্তাবনা রয়েছে। 
- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার ৫টি ভাগ রয়েছে।
• ১ম- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।
• ২য়- মূলনীতি গ্রহণ (অঙ্গীকার)। 
• ৩য়- শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা (অঙ্গীকার)। 
• ৪র্থ- সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা (ঘোষণা)। 
• ৫ম- গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার নিশ্চয়তা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

১৩২.
সন্ন্যাসীরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ শুরু করে কোন জেলায়?
  1. মুর্শিদাবাদ
  2. বর্ধমান
  3. রংপুর
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ:
- ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহের ব্যাপ্তিকাল প্রায় ৪০ বছর (১৭৬০-১৮০০ খ্রিস্টাব্দে)।
- ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গে ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ শুরু হয়।
- বর্ধমান জেলায় সন্ন্যাসীরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ শুরু করে।
- ১৭৭১ খ্রিস্টাব্দে মজনু শাহ সারা উত্তর বাংলায় ইংরেজ বিরোধী তৎপরতা শুরু করেন।
- ১৭৭৭ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, দিনাজপুর, বগুড়া, ঢাকা, ময়মনসিংহ মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, মালদহসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে। এ আন্দোলনের তীব্রতা ছিল উত্তর বঙ্গে।
- এ সব সংঘর্ষে বিদ্রোহীরা অনেক ব্রিটিশ সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করে এবং কোম্পানির বহু কুঠি লুঠ করে।
- ফকির মজনু শাহর যুদ্ধ কৌশল ছিল গেরিলা পদ্ধতি।
- তিনি ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যবরণ করলে বিদ্রোহের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন মুসা শাহ, সোবানশাহ, চেরাগ আলী শাহ, করিম শাহ, মাদার বক্স প্রমুখ ফকির।
- ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে তারা চূড়ান্তভাবে পরাজিত হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩৩.
বাংলাদেশের প্রথম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. জুয়েল গার্মেন্টস
  2. ইয়াংওয়ান গার্মেন্টস
  3. স্টাইলক্রাফট লিমিটেড
  4. রিয়াজ গার্মেন্টস
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল শিল্প খাত হচ্ছে তৈরি পোশাক।
- বর্তমানে মোট রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি এই খাতটি থেকেই আসে।
- বাংলাদেশের প্রথম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান 'রিয়াজ গার্মেন্টস লিমিটেড'।
- ১৯৭৮ সালের ২৮ জুলাই রিয়াজউদ্দিন ফরাসি ক্রেতা হল্যান্ডার ফ্রঁসের কাছে দশ হাজার শার্ট রপ্তানি করেন।
- স্বাধীনতার পর রিয়াজউদ্দিন ব্যবসা শুরু করেন, ১৯৭৩ সালে তিনি এর নাম দেন রিয়াজ গার্মেন্টস লিমিটেড এবং স্বাধীন বাংলার প্রথম তৈরি পোশাক কারখানা হিসেবে স্বীকৃতি পান।
- ২৮ জুলাই, ১৯৭৮ সালে রিয়াজউদ্দিন ১০ হাজার রিয়াজ শার্ট ফরাসি ক্রেতা হলান্ডার ফ্রঁসের কাছে রপ্তানী করলেন।
- শার্টের ওই চালানের ফরাসী মুদ্রায় দাম ছিল ১৩ মিলিয়ন ফ্রা, বাংলাদেশী টাকায় যা ছিল ৪ লাখ ২৭হাজার টাকা।
- সেটিই ছিল বাংলাদেশ থেকে প্রথম পোশাক রপ্তানি।
- ১৯৯৮ সালে গাজীপুরের বোর্ডবাজারে তৈরি হয় পাঁচ হাজার শার্ট তৈরির ক্ষমতাসম্পন্ন রিয়াজ এক্সপোর্ট অ্যাপারেল।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো ও বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

১৩৪.
বাংলাদেশে প্রথম গণভোট কোন উদ্দেশ্যে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. সংবিধান সংশোধনের জন্য
  2. সংসদীয় ব্যবস্থা প্রবর্তনের জন্য
  3. জিয়াউর রহমানের শাসনকার্যের বৈধতা দানের জন্য
  4. স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে
ব্যাখ্যা

⇒ গণভোট:
- বাংলাদেশে ৩ বার গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৭, ১৯৮৫ ও ১৯৯১ সালে এই গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।
- এর মধ্যে ২ বার অনুষ্ঠিত হয় প্রশাসনিক গণভোট।
- এবং ১ বার অনুষ্ঠিত হয় সাংবিধানিক গণভোট।

⇒ প্রথম গণভোট:
- প্রশাসনিক গণভোট হয় ১৯৭৭ সালে।
- প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাসন কার্যের বৈধতা দান।
- ফলাফল ৯৮.৮০% 'হ্যাঁ' ভোট।

⇒ দ্বিতীয় গণভোট:
- প্রশাসনিক গণভোট ১৯৮৫ সালে।
- হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের সমর্থন যাচাইয়ের লক্ষ্যে হ্যাঁ-না ভোট।
- ফলাফল ৯৪.১৪% হ্যাঁ ভোট।

⇒ তৃতীয় গণভোট:
- সাংবিধানিক গণভোট অনুষ্ঠিত হয়- ১৯৯১ সালে।
- এটি সর্বশেষ গনভোট।
- সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী আইন প্রস্তাব।
- ফলাফল ৮৪.৩৮% হ্যাঁ ভোট।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩৫.
সংবিধান অনুযায়ী কোন অপরাধে ন্যূনতম কত বছরের জন্য সাজাপ্রাপ্ত নাগরিক সংসদ সদস্য হতে পারবেন না?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৪ বছর
ব্যাখ্যা

সংসদ সদস্য হবার যোগ্যতা:
- সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ২৫ বছর বয়স্ক বাংলাদেশী যেকোন নাগরিক সংসদ সদস্য হবার যোগ্যতা রাখে।
- অপ্রকৃতিস্থ, দেউলিয়া, বিদেশী নাগরিকত্ব অর্জন, কোন অপরাধে ২ বছরের জন্য সাজাপ্রাপ্ত নাগরিক সংসদ সদস্য হতে পারবেন না।
- সংসদের মেয়াদ ৫ বছর। তবে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে রাষ্ট্রপতি সংসদ ভেঙ্গে দিতে পারেন।
- অধিবেশন আরম্ভ করার জন্য ৬০ সদস্যের উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হতে হয়।
- সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী দল সরকারি দলের এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসনে বিজয়ী দল বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করে। সংসদ সদস্যগণ অনেকে একই সাথে হুইপ, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, বিভিন্ন সংসদীয় কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে থাকেন।
- কোন সংসদ সদস্য নিজের ইচ্ছায় পদত্যাগ দাখিল করলে অথবা একাধারে ৯০ কার্যদিবস সংসদে অনুপস্থিত থাকলে তাঁর সদস্যপদ বাতিল হবে।
- তাছাড়া তিনি যে দল থেকে সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন সেই দল থেকে পদত্যাগ করলে অথবা সংসদে সে দলের বিপক্ষে ভোট দান করলেও তাঁর সদস্যপদ বাতিল হবে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩৬.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা -
  1. ময়মনসিংহ
  2. ঠাকুরগাঁও
  3. দিনাজপুর
  4. ফরিদপুর
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী:
শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

শীর্ষ বিভাগ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রাজশাহী।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ ঢাকা।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ সিলেট।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১৩৭.
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন কে?
  1. খালেদ মাসুদ
  2. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
  3. নাইমুর রহমান
  4. হাবিবুল বাশার
ব্যাখ্যা

টেস্টে প্রথম:
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
- প্রথম টেস্ট উইকেট শিকার করেছেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম হাফ সেঞ্চুরি করেন হাবিবুল বাশার।
- প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি: মুশফিকুর রহিম।
- প্রথম ৫ উইকেট শিকার করেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম ১০০ উইকেট মোহাম্মদ রফিকের।
- প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।
- একমাত্র ১০ উইকেট’ শিকার করেন এনামুল হক জুনিয়র।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।

১৩৮.
মুক্তিযুদ্ধে মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর কোন সেক্টরের অধীনে যুদ্ধ করেন?
  1. ৪নং সেক্টর
  2. ৫নং সেক্টর
  3. ৬নং সেক্টর
  4. ৭নং সেক্টর
ব্যাখ্যা

মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর:
- মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের জন্ম ৭ মার্চ ১৯৪৯, বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রহিমগঞ্জ গ্রামে.
- ১৯৫৩ সালে পাতারচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তার শিক্ষা জীবনের সূচনা হয়।
- ১৯৬৪ সালে মুলাদি মাহমুদ জান পাইলট হাইস্কুল থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি এবং ১৯৬৬ সালে বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিসংখ্যান বিভাগে অধ্যয়নরত অবস্থায় ১৯৬৭ সালের ৩রা অক্টোবর ১৫তম শর্ট সার্ভিস কোর্সে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন।
- ১৯৬৮ সালের ২রা জুন তিনি ইঞ্জিনিয়ারিং কোরে কমিশন লাভ করেন।
- তিনি ৭নং সেক্টর-এর মহোদিপুর সাব-সেক্টরের অধীনে যুদ্ধে অংশ নেন।
- তিনি অসামান্য বীরত্বের সাথে আরগরারহাট, কানসাট, শাহপুর এলাকায় যুদ্ধ পরিচালনা করেন এবং মুক্তাঞ্চল গঠন করেন।
- ১২ই ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী তার নেতৃত্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জ আক্রমণ করে।
- যুদ্ধে অপরিসীম বীরত্ব প্রদর্শন করে ১৪ ডিসেম্বর সকালে পাকিস্তানী বাহিনীর স্নাইপার বুলেটের আঘাতে তিনি শহীদ হন।
- পরদিন সহযোদ্ধারা লাশ উদ্ধার করে তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ চত্বরে সমাহিত করে।

তথ্যসূত্র -  মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

১৩৯.
জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬ অনুযায়ী, বর্তমানে মাথাপিছু আয় কত?
  1. ২,৬৩০ মার্কিন ডলার
  2. ২,৭১০ মার্কিন ডলার
  3. ২,৮২০ মার্কিন ডলার
  4. ২,৯৬০ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেটের ক্রম: ৫৪তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৫তম)।
- বাজেটের শিরোনাম: 'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়'।
- বাজেট উত্থাপনকারী: ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ (অর্থ উপদেষ্টা)।
- বাজেট উত্থাপন: ২ জুন, ২০২৫।
- অনুমোদন হয় : ২২ জুন, ২০২৫।
- কার্যকর হয়: ১ জুলাই, ২০২৫।
- জিডিপির আকার: ৬২ লাখ ৪৪ হাজার ৫৭৮ কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৫%।
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান ব্যতিত বাজেট ঘাটতি: ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান সহ বাজেট ঘাটতি: ২,২১,০০০ কোটি টাকা।
- সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত (পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেট): জনপ্রশাসন।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: পরিবহন ও যোগাযোগ।
- অনুন্নয়ন (পরিচালন) বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত: সুদ।
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৭%)।
- উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ: ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা।
- অনুমিত মুদ্রাস্ফীতির হার: ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।

১৪০.
খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন -
  1. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২
  2. ১১ অক্টোবর, ১৯৭২
  3. ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
  4. ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়: ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়: ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন: ১১ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপিত হয়: ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়: ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদের সদস্যগণ হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেনঃ ১৪ ডিসেম্বর ও ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়: ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১৪১.
নিচের কোনটি বিরোধী দলের কাজ?
  1. গণতন্ত্র রক্ষা
  2. অধিকার বাস্তবায়ন
  3. রাজনৈতিক সংযোগ সাধন
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

বিরোধী দলের কাজ:
• গঠনমূলক সমালোচনা:
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে সরকারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।
- সরকার বিরোধী দলের সমালোচনার চাপে একক কোন সিদ্ধান্ত জনগণের উপর চাপিয়ে দিতে পারে না।
- বিরোধী দল সুপরিকল্পিতভাবে সরকারের সমালোচনা করে সরকারের ত্রুটি-বিচ্যুতি জনসাধারণের সামনে তুলে ধরে।

• অধিকার বাস্তবায়ন:
- জনগণের অধিকার বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিরোধী দল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- সরকার যাতে জনগণের অধিকার খর্ব করে কোন সিদ্ধান্ত নিতে না পারে সে ব্যাপারে বিরোধী দলকে সচেষ্ট থাকতে হয়।

• গণতন্ত্র রক্ষা:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না।
- গণতন্ত্র মানেই বিভিন্ন মতামতের সংমিশ্রণ।
- এক্ষেত্রে বিভিন্ন দলের সহাবস্থান অবশ্যই থাকতে হয়।
- শক্তিশালী বিরোধী দলের অভাবে সরকার স্বৈরাচারী হয়ে যেতে পারে।

• প্রার্থী মনোনয়ন:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তর হয়ে থাকে।
- এ ক্ষমতা হস্তান্তরের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য মাধ্যম হল সাধারণ নির্বাচন।
- তাই নির্বাচনের সময় বিরোধী দল নিজ-আদর্শ সংশ্লিষ্ট প্রার্থী মনোনয়ন করে এবং প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারকার্য চালায়।

• রাজনৈতিক সংযোগ সাধন:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিরোধী দলের অন্যতম কাজ হল রাজনৈতিক সংযোগ সাধন।
- বিরোধী দল জনগনের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া বা মতামতকে সরকারের নিকট পেশ করে থাকে।
- এভাবে বিরোধী দলের সাথে জনগণের সংযোগ সাধন হয়ে থাকে।

• রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ:
- রাজনৈতিক সামাজিকীকরণের ক্ষেত্রে বিরোধী দল তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
- জনগণকে রাজনীতির সাথে একত্রীকরণ, মূল্যবান ভোট সম্পর্কে সচেতন করাসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিরোধী দল কাজ করে থাকে।

• জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা:
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সাধারণ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল মন্ত্রিসভা গঠন করে।
- মন্ত্রিসভা তাদের কার্যের জন্য ব্যক্তিগত ও যৌথভাবে আইনসভার নিকট দায়ী থাকে।
- মন্ত্রিসভার যেকোন সিদ্ধান্ত বা নীতি সম্পর্কে বিরোধীদলের সদস্যরা জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন। মন্ত্রীগণ তার জবাব দিতে বাধ্য থাকেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪২.
‘ওরা এগারো জন’ চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন কে?
  1. আলমগীর কবির
  2. জহির রায়হান
  3. খান আতাউর রহমান
  4. চাষী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

ওরা এগারো জন:
- প্রথম মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র 'ওরা এগারো জন'।
- 'ওরা এগারো জন' চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেন মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা।
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ওরা ১১ জন চলচ্চিত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের দিয়ে অভিনয় করিয়েছিলেন নির্মাতা-প্রযোজক।
- “ওরা এগারো জন” চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন চাষী নজরুল ইসলাম।
- একাত্তরে ১১টি সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিলেন বাঙালিরা। বিষয়টি মাথায় রেখেই সিনেমার নাম রাখা হয়েছে ওরা ১১ জন।
- পরিচালক হিসেবে চাষী নজরুল ইসলামের প্রথম সিনেমা ছিল এটি।
- ওরা ১১ জন-এর শুটিং হয়েছিল জয়দেবপুরে।
- চিত্রগ্রাহক ছিলেন আবদুস সামাদ।
- ওরা ১১ জন সিনেমা শুরু হয় সাইফুল ইসলামের কণ্ঠে রবীন্দ্রসংগীত 'ও আমার দেশের মাটি' দিয়ে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৩ আগস্ট ২০২২।

১৪৩.
‘Blue Chips’ শব্দটি কোন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়?
  1. স্টক মার্কেট
  2. বন্ড মার্কেট
  3. কমোডিটি মার্কেট
  4. ক্রিপ্টোকারেন্সি মার্কেট
ব্যাখ্যা

Blue Chips:
- 'Blue Chips' শব্দটি শেয়ার বাজার বা স্টক মার্কেটের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমন কোম্পানির শেয়ারকে বোঝায় যারা আর্থিকভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী, দীর্ঘদিন ধরে লাভজনক, বাজারে সুনামধন্য এবং স্থিতিশীল।
- Blue Chip হলো শেয়ার বাজারের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও প্রতিষ্ঠিত কোম্পানির শেয়ার।
- এগুলো দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ বলে বিবেচিত হয়।
- অর্থনৈতিক মন্দা বা সংকটের সময়ও এদের শেয়ারের দাম তুলনামূলকভাবে কম ওঠানামা করে। উদাহরণ: Apple, Microsoft, Amazon, Coca-Cola, Google, Johnson & Johnson। বাংলাদেশে গ্রামীণফোন, ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো, স্কয়ার ফার্মা, ইউনিলিভারকে Blue Chip বলা হয়।

তথ্যসূত্র - ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও বিটানিকা।

১৪৪.
জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি কোনটি?
  1. কার্টাগেনা প্রটোকল
  2. মন্ট্রিল প্রটোকল
  3. প্যারিস চুক্তি
  4. কিয়েটো প্রটোকল
ব্যাখ্যা

• কার্টাগেনা প্রটোকল:
- কার্টাগোনা প্রোটোকল এর পূর্ণরূপ: Cartagena Protocol on Biosafety to the convention on Biological Diversity।
- এটি জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল।
- এর উদ্দেশ্য হলো জৈব জ্বালানি সংরক্ষণ।
- কার্টাগেনা প্রোটকল অনুমোদন: ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৯, কলম্বিয়ার কার্টাগেনা শহরে। তাই শহরের নামানুসারে এর নাম কার্টাগেনা প্রটোকল।
- কার্টাগেনা প্রোটকল গৃহীত ও কার্যকর: কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত ও কার্যকর হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সালে।
- কার্যকর হয়: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সালে।
- চুক্তির পক্ষে স্বাক্ষরকারী দেশ: ১০৩টি।
- অনুমোদনকারী: ১৭৩টি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে ২০০০ সালে এবং অনুমোদন করে ২০০৪ সালে।

অন্যদিকে,
• কিয়োটো প্রটোকল:
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত শিল্পোন্নত দেশগুলো গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন বাধ্যতামূলকভাবে হ্রাসকরণের আন্তর্জাতিক চুক্তি হচ্ছে কিয়োটো প্রটোকল।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭।
- সেই সময় সুদান জাতিসংঘের সদস্য ছিলো না, তাই স্বাক্ষর করেনি।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: কিয়োটো, জাপান।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৮৩টি।
- প্রটোকলের মেয়াদ শেষ হয় ২০২০ সালে।

• মন্ট্রিল প্রটোকল:
- প্রটোকলটি গৃহীত হয়: ১৯৮৭ সালে।
- উদ্দেশ্য: ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক ক্ষতিকর পদার্থ সীমিতকরণ।
- চুক্তির স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- কার্যকর হওয়ার তারিখ: ১ জানুয়ারি, ১৯৮৯।
-  এটি ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFC) নিষিদ্ধ করার লক্ষ্যে কাজ করে।
- মন্ট্রিল প্রটোকল চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য বর্তমানে সিএফসি গ্যাসের উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে।

প্যারিস জলবায়ু চুক্তি-২০১৫:
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তি একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর প্যারিসে কপ–২১ সম্মেলনে স্বাক্ষরিত হয়। 
⇒ চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান:
- বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম করা।
- গাছ, মাটি ও সমুদ্র প্রাকৃতিকভাবে যতটা শোষণ করতে পারে, ২০৫০ সাল থেকে ২১০০ সালের মধ্যে কৃত্রিমভাবে গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ সেই পর্যায়ে নামিয়ে আনা।
- প্রতি ৫ বছর অন্তর ক্ষতিকর গ্যাস নিঃসরণ রোধে প্রত্যেকটি দেশের ভূমিকা পর্যালোচনা করা।
- জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নিতে এবং নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করতে গরিব দেশগুলোকে ধনী দেশগুলোর ‘জলবায়ু তহবিল’ দিয়ে সাহায্য করা।

উৎস: UNTC ওয়েবসাইট।

১৪৫.
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে Armistice বলতে কী বুঝায়?
  1. মানবাধিকার চুক্তি
  2. যুদ্ধবিরতি চুক্তি
  3. স্বার্থ হাসিল
  4. শরণার্থী চুক্তি
ব্যাখ্যা

• আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে Armistice বলতে বুঝায়- যুদ্ধবিরতি চুক্তি।

• যুদ্ধবিরতি চুক্তি ,
- দুই বা ততোধিক যুদ্ধরতদের মধ্যে সক্রিয় যুদ্ধবিরতির অবসানের জন্য একটি চুক্তি ।
- সাধারণত, যুদ্ধবিরতির শর্তাবলী, সুযোগ এবং সময়কাল চুক্তিবদ্ধ যুদ্ধবিরতি দ্বারা নির্ধারিত হয়।
- একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে আংশিক বা অস্থায়ীভাবে যুদ্ধবিরতি অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
- স্থানীয় যুদ্ধবিরতি বিভিন্ন নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়।, যেমন মৃতদের সংগ্রহ করা। অথবা এর মধ্যে একটি সাধারণ যুদ্ধবিরতি অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে যেমন ১৯৪০ সালের ফরাসি যুদ্ধবিরতি চুক্তি।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৪৬.
IPCC-এর প্রধান কাজ কী?
  1. জলবায়ু পরিবর্তনের অবস্থা মূল্যায়ন করা
  2. নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন
  3. জাতীয় অর্থনীতি উন্নয়ন
  4. জলাভূমি ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা

• IPCC (Intergovernmental Panel on Climate Change):
- জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত আন্তঃসরকারি প্যানেল (IPCC) হল জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত বিজ্ঞান মূল্যায়নের জন্য জাতিসংঘের একটি সংস্থা।
- এটি বৈজ্ঞানিক তথ্য সংগ্রহ ও মূল্যায়নের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং এর সম্ভাব্য সমাধান সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা বৃদ্ধি করে।
- IPCC নিয়মিতভাবে "Assessment Reports" প্রকাশ করে, যা জলবায়ু পরিবর্তনের বৈজ্ঞানিক, প্রযুক্তিগত এবং সামাজিক-অর্থনৈতিক দিকগুলো তুলে ধরে।
- ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) এবং বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) দ্বারা তৈরি IPCC (Intergovernmental Panel on Climate Change।
- আইপিসিসির ১৯৫টি সদস্য দেশ রয়েছে।
• মূল কাজ ও লক্ষ্য:
- বৈজ্ঞানিক মূল্যায়ন: জলবায়ু পরিবর্তনের বর্তমান অবস্থা, ভবিষ্যৎ পূর্বাভাস এবং প্রভাব নিয়ে গবেষণা।
- নীতিনির্ধারণ: বিশ্বব্যাপী নীতি ও পদক্ষেপ গ্রহণে তথ্যভিত্তিক সহায়তা প্রদান।
- বিশ্বব্যাপী সহযোগিতা: বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞদের একত্রিত করে জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলা করা।

উৎস: IPCC Official Website.

১৪৭.
‘মাসাকো’ আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বাস কোন অঞ্চলে?
  1. পূর্ব আফ্রিকা
  2. আন্দামান দ্বীপপুঞ্জ 
  3. আমাজন বন
  4. নিউ গিনি
ব্যাখ্যা

• ‘মাসাকো’ আদিবাসী:
- লাতিন আমেরিকার আমাজন জঙ্গলের গহিনে বাস করে মাসাকো নদীর নামে পরিচিত একটি বিচ্ছিন্ন জনগোষ্ঠী।
- আধুনিক বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন এক জনগোষ্ঠী, তাদের ভাষা, সামাজিকতা, এবং বিশ্বাস রহস্যময়।
- আমাজনের গভীরে মৌসুমভিত্তিক বসতি স্থানান্তর করে।
- বহিরাগতদের প্রবেশ ঠেকাতে মাটিতে ধারালো গজাল পুঁতে রাখে।
- সম্প্রতি (ডিসেম্বর, ২০২৪) ব্রাজিল সরকারের স্বয়ংক্রিয় ক্যামেরার মাধ্যমে মাসাকো জনগোষ্ঠীর কিছু ছবি ধরা পড়েছে।
- ছবিগুলো ব্রাজিলিয়ান ন্যাশনাল ইনডিজেনাস পিপলস ফাউন্ডেশন (ফিউনাই) সংগঠনের মাধ্যমে ধারণ করা হয়েছে।
- ব্রাজিলের সরকারি সংস্থা ফিউনাই এই জঙ্গলের সুরক্ষার জন্য দশকের পর দশক ধরে কাজ করছে।
- ফিউনাইয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯০-এর দশক থেকে মাসাকোদের সংখ্যা অন্তত দ্বিগুণ বেড়ে ২০০ থেকে ২৫০ জনে দাঁড়িয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।

১৪৮.
‘দ্য আর্ট অব ওয়ার’ গ্রন্থের লেখক?
  1. কনফুসিয়াস
  2. সান জু
  3. লাওজি
  4. মেনসিয়াস
ব্যাখ্যা

সান জু
- সান জু (খ্রিস্টপূর্ব ৫ম শতাব্দী) ছিলেন চীনা ধ্রুপদী বিংফা (যুদ্ধের শিল্প), যুদ্ধবিষয়ক প্রাচীনতম গ্রন্থ ও সামরিক বিজ্ঞানের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব।
- তিনি বসন্ত ও শরৎকালের শেষভাগে (৭৭০–৪৭৬ খ্রি.পূ.) উ রাজ্যের সামরিক কৌশলবিদ ও জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তার রচিত বই- "দ্য আর্ট অফ ওয়ার"।
- তবে ধারণা করা হয় বইটি যুদ্ধরত রাষ্ট্রযুগের (৪৭৫–২২১ খ্রি.পূ.) শুরুর দিকে রচিত, যখন চীন ৬–৭টি রাজ্যে বিভক্ত ছিল এবং প্রায়শই যুদ্ধে লিপ্ত হতো।

• দ্য আর্ট অফ ওয়ার – সারাংশ:

- এটি শাসক ও সেনাপতিদের জন্য কৌশল ও সামরিক পদক্ষেপের একটি পদ্ধতিগত নির্দেশিকা।
- বইটিতে কৌশল, ভূখণ্ডের প্রভাব এবং যুদ্ধের ফলাফলের ওপর পরিবেশের ভূমিকা আলোচনা করা হয়েছে।
- সঠিক গোয়েন্দা তথ্য, শত্রুর অবস্থান ও গতিবিধি সম্পর্কে জ্ঞানকে এতে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। 
- বিখ্যাত নীতি: “শত্রুকে জানো ও নিজেকে জানো; তাহলে শত যুদ্ধে পরাজয়ের ভয় থাকবে না।”
- বইটি যুদ্ধের অপ্রত্যাশিততা, নমনীয় কৌশল ব্যবহার এবং রাজনৈতিক বিবেচনার সঙ্গে সামরিক নীতির সম্পর্ক ব্যাখ্যা করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৪৯.
'M-23' কোন দেশের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী?
  1. সোমালিয়া
  2. কঙ্গো
  3. কলম্বিয়া
  4. সুদান
ব্যাখ্যা

•  এম ২৩ 
- গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোর জাতিগত তুতসি নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী গোষ্ঠী হচ্ছে 'এম২৩'।
- এটি Congolese Revolutionary Army নামেও পরিচিত।
- ২০১২ সালে কঙ্গোর একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর শাখা হিসাবে গঠিত হয় এম২৩।
- ডিআর কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলের তুতসি জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা করার জন্য এই গোষ্ঠীটি গঠন করা হয়।
- ২০০৯ সালের ২৩ মার্চ কঙ্গো সরকারের সাথে CNDP গেরিলাদের শান্তিচুক্তি হয় এবং এদের কঙ্গো সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- কিন্তু ২০১২ সালে এরা সেনাবাহিনী থেকে বের হয়ে যায় এবং পুনরায় অস্ত্র হাতে তুলো নেয়।

উল্লেখ্য,
- এম-২৩ ও ডিআর কঙ্গোর সামরিক বাহিনীর মধ্যে লড়াই জোরদার হয়েছিলো ২০২৫ সালের শুরু থেকে।
- বিদ্রোহীরা দেশের বেশ কিছু নতুন করে দখল করেছে।
- জাতিসংঘের হিসেবে এই সংঘাতের কারণে ইতোমধ্যেই প্রায় চার লাখেরও বেশি মানুষ ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছে।
- সম্প্রতি, এম২৩ বিদ্রোহী গোষ্ঠীর যোদ্ধারা পূর্বাঞ্চলীয় শহর গোমার বেশিরভাগ অংশ দখলে নিয়েছে এবং সংঘর্ষে জাতিসংঘের ১৩ শান্তিরক্ষী নিহত হয়েছেন।
- কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলীয় শহর গোমা দেশটির গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য ও পরিবহন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

উৎস: বিবিসি নিউজ।

১৫০.
ACU-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Asian Credit Union
  2. Asian Currency Union
  3. Asian Clearing Union
  4. Asian Cooperation Union
ব্যাখ্যা

ACU:
- ACU এর পূর্নরূপ: Asian Clearing Union.
- ACU হলো একটি আন্ত-আঞ্চলিক লেনদেন নিষ্পত্তিকারী সংস্থা।
- এটি এর সদস্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকসমুহ এবং উক্ত অঞ্চলের আন্ত-আঞ্চলিক লেনদেন নিষ্পত্তি করে থাকে।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয়: ৯ ডিসেম্বর, ১৯৭৪ সালে।
- সদর দপ্তর: তেহরান, ইরান।
- জাতিসংঘের এশিয়া অঞ্চলের অর্থনীতি ও সামাজিক কমিশন (ইসক্যাপ)-এর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সদস্য: ৮টি।
- সদস্যদেশ গুলো: বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, ইরান, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান ও মিয়ানমারের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। 

ACU:
- Bangladesh Bank,
- Royal Monetary Authority of Bhutan,
- Reserve Bank of India,
- Central Bank of the Islamic Republic of Iran,
- Maldives Monetary Authority,
- Central Bank of Myanmar,
- Nepal Rastra Bank,
- State Bank of Pakistan.

উৎস:  Asian Clearing Union ওয়েবসাইট।

১৫১.
'নিপ্পন' কোন দেশের পুরাতন নাম?
  1. মিয়ানমার
  2. জাপান
  3. ভুটান
  4. চীন
ব্যাখ্যা

- অতীতকালে জাপান Nippon বা Nihon নামে পরিচিত ছিলো।

- জাপান এশিয়ার অন্যতম ধনী রাষ্ট্র।
- এশিয়ার একমাত্র দেশ হিসাবে জাপান উন্নত দেশের জোট জি-৭ এর সদস্য।

- জাপানের পার্লামেন্টর নাম - ডায়েট।
- জাপানের পার্লামেন্ট 'ডায়েট' দুই কক্ষ বিশিষ্ট।
- উচ্চকক্ষ - হাউস অফ কাউন্সিলর (House of Councillors) - ২৪২ আসন।
- নিম্নকক্ষ - হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস (House of Representatives) - ৪৭৫ আসন।

উৎস: ব্রিটানিকা

১৫২.
বুকার পুরস্কার-২০২৫ জয়ী লেখক কে?
  1. এন্ড্র স্মিথ
  2. এ. এল. বার্কার
  3. এলিজাবেথ বাওয়েন
  4. ডেভিড সালাই
ব্যাখ্যা

• বুকার পুরস্কার (Booker Prize) - একটি সাহিত্য পুরস্কার।
- এটি যুক্তরাজ্য থেকে প্রদান করা হয়।
- পুরস্কারটির পূর্বনাম ছিল - Booker–McConnell Prize ও Man Booker Prize।
- ১৯৬৮ সাল থেকে পুরস্কারটি শুধু ব্রিটিশ লেখকদের প্রদান করা হত।
- পরবর্তীতে তা কমনওয়েলথ দেশ সমূহের ইংরেজি ভাষার লেখক এবং ২০১৪ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী ইংরেজি ভাষার লেখকদের প্রদান করা হয়ে আসছে।

⇒ হাঙ্গেরীয়-ব্রিটিশ লেখক ডেভিড সালাই তার 'ফ্লেশ' উপন্যাসের জন্য এ বছর বুকার পুরস্কার জিতেছেন।
- উপন্যাসটিতে একজন হাঙ্গেরীয় অভিবাসীর অর্থ উপার্জন এবং হারানোর বেদনাদায়ক গল্প তুলে ধরা হয়েছে।

উৎস: বুকার ‍পুরস্কার ওয়েবসাইট।

১৫৩.
দই মই সংস্কার [Doi Moi Reform] কোন দেশের সাথে সম্পর্কিত?
  1. দ. কোরিয়া
  2. জাপান
  3. কম্বোডিয়া
  4. ভিয়েতনাম
ব্যাখ্যা

- ১৯৮৬ সালে ভিয়েতনামে যে সংস্কার নীতি চালু হয়েছিল, যা দই মই সংস্কার [Doi Moi Reform] নামে পরিচিত,
- এর আক্ষরিক অর্থ "পুনরুদ্ধার",
এ সংস্কার দেশেটির গভীর পরিবর্তন এনেছে - ১৯৭৫ সালে দেশটির একীকরণের পর গৃহীত কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা এবং স্ব-বিচ্ছিন্নতার ব্যর্থতা থেকে দেশটিকে উদ্ধার করেছে।

- দোই মোইয়ের অধীনে, ভিয়েতনাম সকল দেশের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই নতুন পদ্ধতিটি ভিয়েতনামের উচ্চ মাত্রার অর্থনৈতিক উন্মুক্ততা এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে একীভূতকরণের সাথেও সঙ্গতিপূর্ণ। উদাহরণস্বরূপ, ২০০০ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত, ভিয়েতনামের বৈদেশিক বাণিজ্য গড়ে বার্ষিক ২৩ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

উৎস: Global Asia.

১৫৪.
জাতিসংঘের পতাকার নীল রং কীসের প্রতীক?
  1. সাম্য
  2. শান্তি
  3. শক্তি
  4. সমতা
ব্যাখ্যা

• জাতিসংঘের পতাকা প্রতীক :
- ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সংস্থার সম্মেলনের সময় ডিজাইনারদের একটি দল জাতিসংঘের মূল প্রতীকটি তৈরি করেছিল।

- জাতিসংঘের পতাকা এবং জাতিসংঘের প্রতীক (যা জাতিসংঘের পতাকা নকশার অংশ) সংগঠনের কাজ পরিচালনার সময় এর প্রতীক হয়ে উঠেছে।

- জলপাই গাছের ডাল এবং বিশ্বের মানচিত্র সহ, প্রতীক এবং পতাকাটি যেটির উপর এটি অবস্থিত, তা সারা বিশ্বের মানুষের জন্য উচ্চাকাঙ্ক্ষী প্রতীক, কারণ তারা শান্তি ও ঐক্যের তাদের আশা এবং স্বপ্নের কথা বলে।

- "জাতিসংঘের পতাকার নীল" রঙটিও এই সময়ে বেছে নেওয়া হয়েছিল এবং এটি সংস্থার চাক্ষুষ পরিচয়ের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে। নীল রঙ যুদ্ধের জন্য লালের বিপরীতে শান্তির প্রতিনিধিত্ব করে।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।

১৫৫.
The International Seabed Authority (ISA)-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. নাইরোবি
  2. কিংস্টন
  3. লন্ডন
  4. জেনেভা
ব্যাখ্যা

• The International Seabed Authority (ISA):
- আন্তর্জাতিক সমুদ্রতল কর্তৃপক্ষ (ISA) একটি স্বায়ত্তশাসিত আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত জাতিসংঘ কনভেনশন (UNCLOS) এবং ১৯৯৪ সালের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত - জাতিসংঘ কনভেনশন (১৯৯৪ সালের চুক্তি) এর একাদশ অংশ বাস্তবায়ন অধীনে।
- ISA সমুদ্রতলের খনিজ-সম্পদ-সম্পর্কিত কার্যকলাপ সংগঠিত ও নিয়ন্ত্রণ করে।
- এই কার্যক্রমের উদ্দেশ্য হলো মানবজাতির সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিত করা।
- ISA গভীর সমুদ্রতল কার্যকলাপের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সামুদ্রিক পরিবেশ সুরক্ষার দায়িত্ব পালন করে।
- ISA-এর সদর দপ্তর জ্যামাইকার কিংস্টনে অবস্থিত।
- ১৬ নভেম্বর ১৯৯৪ সালে UNCLOS কার্যকর হওয়ার পর ISA অস্তিত্ব লাভ করে।
- জুন ১৯৯৬ সালে ISA সম্পূর্ণরূপে কার্যকরী হয়।
- ১ নভেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত ISA-এর মোট সদস্য সংখ্যা ১৭১ (১৭০টি রাষ্ট্র + ইউরোপীয় ইউনিয়ন)।

উৎস: ISA Website [লিংক]

১৫৬.
ন্যাটোর কত নং অনুচ্ছেদ অনুসারে ইউরোপ বা উত্তর আমেরিকায় তাদের এক বা একাধিকের বিরুদ্ধে সশস্ত্র আক্রমণ তাদের সকলের বিরুদ্ধে আক্রমণ হিসাবে বিবেচিত হবে?
  1. Article 3
  2. Article 2
  3. Article 6
  4. Article 5
ব্যাখ্যা

NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

• NATO - এর অনুচ্ছেদ বা ধারা মোট ১৪টি।

⇒ Article 5 বা ধারা ৫
পক্ষগুলি সম্মত হয় যে ইউরোপ বা উত্তর আমেরিকায় তাদের এক বা একাধিকের বিরুদ্ধে সশস্ত্র আক্রমণ তাদের সকলের বিরুদ্ধে আক্রমণ হিসাবে বিবেচিত হবে এবং ফলস্বরূপ তারা সম্মত হয় যে, যদি এই ধরনের সশস্ত্র আক্রমণ ঘটে, তবে তাদের প্রত্যেকে, জাতিসংঘের সনদের ৫১ অনুচ্ছেদে স্বীকৃত ব্যক্তিগত বা সম্মিলিত আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করে, আক্রমণকারী পক্ষ বা পক্ষগুলিকে তাৎক্ষণিকভাবে, ব্যক্তিগতভাবে এবং অন্যান্য পক্ষের সাথে একত্রে, উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলের নিরাপত্তা পুনরুদ্ধার এবং বজায় রাখার জন্য সশস্ত্র শক্তি ব্যবহার সহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে সহায়তা করবে।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

১৫৭.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ‘অপারেশন সাউদার্ন স্পিয়ার’ সামরিক অভিযান কোন দেশের বিরুদ্ধে পরিচালনার ঘোষণা দিয়েছে?
  1. কানাডা
  2. ভেনেজুয়েলা
  3. কলম্বিয়া
  4. মেক্সিকো
ব্যাখ্যা

• ‘অপারেশন সাউদার্ন স্পিয়ারের’
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলাকে লক্ষ্য করে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন সাউদার্ন স্পিয়ারের’ ঘোষণা দিয়েছে।
- বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর-২০২৫) মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এই ঘোষণা দেন।
- অভিযান মূলত ‘নার্কো বা মাদক সন্ত্রাসীদের’ লক্ষ্য করে পরিচালনা করা হবে।
- ‘সাউদার্ন স্পিয়ার’ অভিযানটি আংশিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সাউদার্ন কমান্ড (সাউথকম) দ্বারা পরিচালিত হবে।
- এই সাউথকম মধ্য আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা এবং তার আশপাশের সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করে।

উৎস: প্রথম আলো।

১৫৮.
বিতর্কিত ‘স্যার ক্রিক অঞ্চল’ কোন দুটি দেশের সীমানায় অবস্থিত?
  1. ভারত–পাকিস্তান
  2. পাকিস্তান–আফগানিস্তান
  3. আফগানিস্তান-ভারত
  4. আর্মেনিয়া–আজারবাইজান
ব্যাখ্যা

• ‘স্যার ক্রিক অঞ্চল’
- স্যার ক্রিক প্রায় ৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ খাঁড়িবেষ্টিত অঞ্চল।
- এই অঞ্চলের সীমান্ত চিহ্নিতকরণ নিয়ে ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে বিবাদ দীর্ঘদিনের।
- এই সংকীর্ণ খাঁড়ি আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত। আগে এর নাম ছিল বনগঙ্গা।
- পরে ভারতে ব্রিটিশ শাসনকালে এর নাম বদলে 'স্যার ক্রিক' রাখা হয়।

⇒ ভারতে ব্রিটিশ শাসনকালে সিন্ধু (বর্তমান পাকিস্তান প্রদেশ) এবং কচ্ছ (ভারতের গুজরাট রাজ্যের অঞ্চল) দুইই বোম্বে প্রেসিডেন্সির অংশ ছিল। কিন্তু স্যার ক্রিক নিয়ে দুই প্রদেশের মধ্যে সেই সময়েও বিরোধ ছিল।

- ১৯১৩-১৪ সালে বোম্বে প্রেসিডেন্সি একটা প্রস্তাব জারি করে। সেখানে বলা হয়েছিল স্যার ক্রিক একটা জলাভূমি। এর মধ্যে দিয়ে জাহাজ চলাচল করতে পারে না। তাই এর সীমানা মাঝখান থেকে নয় বরং উপকূল অর্থাৎ পূর্ব তীর থেকে হবে। ফলে স্যার ক্রিকের পুরো অংশ সিন্ধ প্রদেশের দিকে চলে যায়।

-স্বাধীনতার পর পাকিস্তান এই সিদ্ধান্ত মেনে চলতে চাইলেও ভারত রাজি হয়নি। ভারত জানায় সীমান্ত খাঁড়ি অঞ্চলের মাঝখানে অর্থাৎ মিড চ্যানেল-এ হওয়া উচিত।

- যুক্তি হিসাবে ভারত আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইন এবং জাতিসংঘের সমুদ্র আইন সম্পর্কিত কনভেনশন (ইউএনসিএলওএস) এর নীতির কথা উল্লেখ করে। একে থালওয়েগ নীতি বলা হয়।

- এই নীতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে যদি একটা নদী বা উপসাগর দুই দেশের মধ্যে অবস্থিত হয়, তবে সাধারণ পরিস্থিতিতে তার মাঝখান দিয়েই সীমানা স্থির করা হবে।
- অন্যদিকে, পাকিস্তানের যুক্তি যেহেতু এই অংশ নাব্য নয়, তাই ওই নীতিটি এক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

উৎস: বিবিসি [লিংক]

১৫৯.
ফিনিশিয়া সভ্যতার বর্তমান ভৌগোলিক অবস্থান-
  1. মিশর
  2. লেবানন
  3. জর্ডান
  4. ইরাক
ব্যাখ্যা

• ফিনিশিয়া সভ্যতার অবস্থান ও পরিচয়:
⇒ ভূমধ্যসাগর এবং লেবানন পর্বতের মাঝে একশত পঁচিশ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য এবং পনের কিলোমিটার প্রস্থ সম্বলিত একখণ্ড সরু উপকূল অঞ্চলে ফিনিশীয় নামের ক্ষুদ্র রাষ্ট্রটি গড়ে উঠেছিল।
- ফিনিশীয় একটি সম্প্রদায়ের নাম।
- কৃষিকাজ করার মতো কোন উর্বর ভূমি না থাকায় তাদের আয়ের একমাত্র উৎস ছিল বাণিজ্য।
- ফিনিশীয়রা ছিল শান্তিপ্রিয়। যুদ্ধ পছন্দ করত না বলে তারা সাম্রাজ্য গড়তে পারেনি।
- আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ অব্দে তাদের উত্থান হয়েছিল।
- নানা ঘটনা প্রবাহের পর ৩৩২ খ্রিস্টপূর্বাব্দে গ্রিক বীর আলেকজান্ডার টায়ার নগরী দখল করে একে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেন।
- আর তখনই ফিনিশীয় সভ্যতার পতন ঘটে।

• ইতিহাসে ফিনিশিয়দের অবদান:
- প্রাচীন সভ্যতার ইতিহাসে ফিনিশীয়দের পরিচয় শ্রেষ্ঠতম নাবিক ও জাহাজ নির্মাতা হিসেবে।
- মূলত ফিনিশীয়রাই প্রথম পৃথিবীর ইতিহাসে সমৃদ্ধ বাণিজ্যিক সভ্যতা গড়ে তোলে।
- ফিনিশীয় নাবিকরা রাতে তারা দেখে জাহাজ চালাত।
- এ কারণে ধ্রুবতারাকে অনেকে ফিনিশীয় তারা বলে থাকে।
- সভ্যতার ইতিহাসে ফিনিশীয়দের বড় অবদান হলো বর্ণমালার উদ্ভাবন।
- তারা ২২টি ব্যঞ্জনবর্ণের উদ্ভাবন করে।
- আধুনিক বর্ণমালার সূচনা এখান থেকে।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং ইতিহাস, বাংলাদেশে উন্মুক্তবিশ্ববিদ্যালয়।

১৬০.
ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের সময় কোন শাসকের পতন ঘটে?
  1. জোসেফ স্টালিন
  2. জার নিকোলাস দ্বিতীয়
  3. আলেকজান্ডার কেরেনস্কি
  4. মিখাইল সের্গেইভিচ গর্বাচেভ
ব্যাখ্যা

• ’রুশ বিপ্লব’
⇒ ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়। এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে “১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব” (Russian Revolution of 1917) বলা হয়।


ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
• রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়।
• ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে - রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
• ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিলেন - আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি (Aleksandr F. Kerensky)।

বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
• রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
• বলশেভিক বিপ্লবের ফলে - রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
• বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন - ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

উৎস: হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা.কম এবং প্রথম আলো।

১৬১.
সম্প্রতি, গাজায় যুদ্ধবিরতি নিশ্চিতকরণে ‘গাজা ঘোষণাপত্র’ কোথায় স্বাক্ষরিত হয়? (ডিসেম্বর-২০২৫)
  1. শারম আল-শেখ
  2. দোহা
  3. জেদ্দা
  4. কায়রো
ব্যাখ্যা

⇒ গাজায় যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও আঞ্চলিক নেতারা একটি ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেছেন।
-  মিশরের শারম আল-শেখ শহরে এ ঘোষণাপত্র স্বাক্ষরিত হয়।
- গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতির যৌথ ঘোষণায় সই করেছে যুক্তরাষ্ট্র, মিশর, কাতার ও তুরস্ক।।

⇒ ঘোষণা পত্রে বলা হয়- আমরা চাই সহনশীলতা ও মর্যাদা এবং সবার জন্য সমান সুযোগ, যেন এই অঞ্চলটিতে জাতি, ধর্ম নির্বিশেষে সবাই শান্তি, নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য তাদের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারে।

উল্লেখ্য,

• গাজা উপত্যকায় যুদ্ধ:

⇒ গাজায় ২০০৮, ২০১২, ২০১৪ ও ২০২১ সালে চারটি দীর্ঘস্থায়ী সামরিক হামলা করেছে ইসরাইল।
- হামলায় হাজার হাজার ফিলিস্তিনি নিহত ও কয়েক হাজার বাড়ি, স্কুল ও অফিস ভবন ধ্বংস হয়েছে।

উৎস: আল জাজিরা এবং প্রথম আলো।

১৬২.
পরিবেশ বিষয়ক প্রথম বিশ্ব সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. বার্লিন
  2. প্যারিস
  3. স্টকহোম
  4. জেনেভা
ব্যাখ্যা

• পরিবেশ বিষয়ক প্রথম বিশ্ব সম্মেলন:
- স্থান: সুইডেনের স্টকহোম। 
- সময়: ৫-১৬ জুন, ১৯৭২। 
- ১৯৭২ সালে স্টকহোমে অনুষ্ঠিত হয় জাতিসংঘের মানব পরিবেশ বিষয়ক প্রথম বিশ্ব সম্মেলন।
- অংশগ্রহণকারীরা পরিবেশের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য বেশ কয়েকটি নীতি গ্রহণ করে, যার মধ্যে রয়েছে স্টকহোম ঘোষণাপত্র এবং মানব পরিবেশের জন্য কর্মপরিকল্পনা এবং বেশ কয়েকটি প্রস্তাব।

- স্টকহোম ঘোষণাপত্র, যার মধ্যে ২৬টি নীতি ছিল, আন্তর্জাতিক উদ্বেগের শীর্ষে পরিবেশগত বিষয়গুলিকে স্থান দেয়।
- এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বায়ু, জল এবং মহাসাগরের দূষণ এবং বিশ্বজুড়ে মানুষের কল্যাণের মধ্যে যোগসূত্র নিয়ে শিল্পোন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশগুলির মধ্যে একটি সংলাপের সূচনা করে।

- কর্মপরিকল্পনাটিতে তিনটি প্রধান বিভাগ ছিল:
ক) বিশ্বব্যাপী পরিবেশগত মূল্যায়ন কর্মসূচি (পর্যবেক্ষণ পরিকল্পনা);
খ) পরিবেশগত ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম;
(গ) জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচালিত মূল্যায়ন ও ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমকে সমর্থন করার জন্য আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা।

- স্টকহোম-১৯৭২ সম্মেলনের অন্যতম প্রধান ফলাফল ছিল জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) তৈরি করা।

উৎস: United Nations website.

১৬৩.
‘টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র’কোন দেশের তৈরি?
  1. রাশিয়া
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ইউক্রেন
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

- টমাহক হলো যুক্তরাষ্ট্রের একটি দূরপাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ভূমি এবং সাগর— উভয় জায়গা থেকেই ছোড়া যায়।
- সাধারণত সাগরে যুদ্ধজাহাজ থেকে এটি ছোড়া হয়।
- টমাহক সর্বোচ্চ ১ হাজার ৬০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুকে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম,
- ব্যাপক শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রকে ঠেকাতে পারে না।
- যে কোনো দেশ বা ভূখণ্ডের গভীরে হামলার জন্য টমাহক আদর্শ ক্ষেপণাস্ত্র।
- এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ২০ ফুট লম্বা।
- বিমানের মতো টমাহকেও দু’টি পাখা থেকে।
- ক্ষেপণাস্ত্রের মাঝামাঝি জায়গায় থাকা দুই পাখার প্রস্থ সাড়ে ৮ ফুট এবং ওজন ১ হাজার ৫১০ কেজি।
- এটি নন-নিউক্লিয়ার, অর্থাৎ পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র নয়।

উৎস: রয়টার্স এবং দৈনিক যুগান্তর [লিংক]

১৬৪.
সম্প্রতি সুদানের এল-ফাশের শহরে সংঘটিত গণহত্যার জন্য দায়ী কোন গোষ্ঠী?
  1. আরএসএফ
  2. বোকো হারাম
  3. আইএসএফ
  4. আল-শাবাব
ব্যাখ্যা

Rapid Support Forces (RSF):
- উত্তর আফ্রিকার দেশ সুদানের দারফুর অঞ্চলে আধাসামরিক গোষ্ঠী The Rapid Support Forces (RSF)।
- এটি মূলত ২০১৩ সালে গঠিত হয়।
- ২০২৩ সালের ১৫ এপ্রিল সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)-এর মধ্যে ক্ষমতা ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়।
- সুদানের সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে রয়েছেন সেনাপ্রধান আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহান, আরএসএফের নেতৃত্বে রয়েছেন তার সাবেক ডেপুটি মোহাম্মদ হামদান দাগলো।
- এই যুদ্ধের ফলে ১ কোটি ৩০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ মানবিক সংকট সংকটের জন্ম দিয়েছে।

সম্প্রতি,
- আরএসএফ এল-ফাশের শহরটি দখল করার পর সেখানে গণহত্যা চালায়।
- এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত সারা দেশে দেড় লাখের বেশি মানুষ মারা গেছেন এবং প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ মানুষ নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন। জাতিসংঘ এটিকে বিশ্বের বৃহত্তম মানবিক সংকট বলে অভিহিত করেছে।

অন্যদিকে,
- নাইজেরিয়ার সন্ত্রাসী সংগঠন- বোকো হারাম।
- ইথিওপিয়ার সন্ত্রাসী সংগঠন- আল-শাবাব।

উৎস: প্রথম আলো।

১৬৫.
প্রথম জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP) কত সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. ১৯৯৩ সালে
  2. ১৯৯৫ সালে
  3. ১৯৯৭ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা

⇒ UNFCCC (United Nations Framework Convention on Climate Change) ১৯৯২ সালের ৩-১৪ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও শহরে অনুষ্ঠিত The United Nations Conference on Environment and Development সম্মেলনে গৃহিত হয়।
- এটি কার্যকর হয় ১৯৯৪ সালের ২১ মার্চ।
- এটির অংশীদার ১৯৭টি দেশ।
- এই চুক্তির বাস্তবায়ন ও পর্যালোচনার জন্যে ১৯৯৫ সাল থেকে UNFCCC প্রতিবছর Conference of Parties (CoP) আয়োজন করে আসছে। এতে UNFCCC তে স্বাক্ষরকারী দেশ ও সংস্থাসমূহ অংশ নেয়।

উল্লেখ্য,

- প্রথম কপ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৯৫ সালে জার্মানির বার্লিন শহরে।
- ১৯৯৫ সালের ২ মার্চ - ৭ এপ্রিল জার্মানির বার্লিনে প্রথম কপ-১ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

- কপ- ৩০ (COP-30) সম্মেলন ২০২৫ সালের নভেম্বরে ব্রাজিলের বেলেম ডো প্যারাকে অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

১৬৬.
মন্ট্রিল প্রোটোকলের অধীনে এইচএফসি নিয়ন্ত্রণে ২১০০ সালের মধ্যে কত ডিগ্রি সেলসিয়াস বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি এড়ানো যাবে?
  1. ০.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস
  2. ০.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস
  3. ০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস
  4. ০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা

• মন্ট্রিল প্রটোকল:
- প্রটোকলটি গৃহীত হয়: ১৬ সেপ্টেম্বর ১৯৮৭ সালে।
- উদ্দেশ্য: ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক ক্ষতিকর পদার্থ সীমিতকরণ।
- চুক্তির স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- কার্যকর হওয়ার তারিখ: ১ জানুয়ারি, ১৯৮৯।
- এটি ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFC) নিষিদ্ধ করার লক্ষ্যে কাজ করে।
- মন্ট্রিল প্রটোকল চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য বর্তমানে সিএফসি গ্যাসের উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে।

- প্রোটোকলের পক্ষগুলি ১৯৯০ সালের স্তরের তুলনায় বিশ্বব্যাপী ৯৮% ODS পর্যায়ক্রমে বাদ দিয়েছে।
- ১৯৯০ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত, চুক্তির নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাগুলি গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনকে ১৩৫ গিগাটন CO2 এর সমতুল্য হ্রাস করেছে বলে অনুমান করা হয়, যা বছরে ১১ গিগাটনের সমতুল্য।

⇒ কিগালি সংশোধনীর অধীনে, মন্ট্রিল প্রোটোকলের অধীনে এইচএফসি-এর ব্যবহার সীমিত করার পদক্ষেপগুলি গ্রিনহাউস গ্যাসের সমতুল্য ১০৫ বিলিয়ন টন কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমন রোধ করবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা ২১০০ সালের মধ্যে ০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি এড়াতে সাহায্য করবে।

উৎস: UNEP ওয়েবসাইট এবং Britannica.

১৬৭.
দেশের প্রথম সংরক্ষিত সামুদ্রিক এলাকা হিসেবে কত সালে ‘দ্য সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড সংরক্ষিত সামুদ্রিক এলাকা’ প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ২০১২ সালে
  2. ২০১৩ সালে
  3. ২০১৪ সালে
  4. ২০১৬ সালে
ব্যাখ্যা

সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড:
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড (Swatch of No Ground) খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত।
- এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত।
- গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের প্রস্থ ৫ থেকে ৭ কিলোমিটার, তলদেশ তুলনামূলকভাবে সমতল এবং পার্শ্ব দেয়াল প্রায় ১২ ডিগ্রি হেলানো।
- মহীসোপানের কিনারায় খাদের গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের ওপর গবেষণায় দেখা গেছে যে, সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড অবক্ষেপপূর্ণ ঘোলাটে স্রোত এনে বেঙ্গল ফ্যানে ফেলছে।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের অধিকাংশ পলল গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র সঙ্গমস্থলে উদ্ভূত।
- এগুলো যথাক্রমে হিমালয়ের দক্ষিণ ও উত্তর দিক থেকে আসছে।
- বর্তমান অবস্থায় স্বল্প পরিমাণের ঘোলাটে স্রোত আর বালি সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের মাধ্যমে মহীসোপান থেকে গভীর সমুদ্রে পলল পরিবহণের প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করছে।

উল্লেখ্য,
- দেশের প্রথম সংরক্ষিত সামুদ্রিক এলাকা হিসেবে সরকার ২০১৪ সালের ২৭ অক্টোবর ‘দ্য সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড সংরক্ষিত সামুদ্রিক এলাকা’ প্রতিষ্ঠা করে।
- এটি তিমি, ডলফিন, সামুদ্রিক কচ্ছপ, হাঙর ও অন্যান্য সামুদ্রিক প্রাণীর সুরক্ষায় ভূমিকা রাখবে।
- বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২-এর আওতায় বঙ্গোপসাগরের সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড এবং সামুদ্রিক মত্স্যসম্পদ অধ্যাদেশ ১৯৮৩-এর আওতায় বঙ্গোপসাগরের মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলকে দেশের প্রধান দুটি সংরক্ষিত সামুদ্রিক এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, যার বিস্তৃত জলসীমার পরিমাণ ২৪৩ হাজার ৬০০ হেক্টর (২ হাজার ৪৩৬ বর্গকিলোমিটার), যা দেশের মোট সামুদ্রিক জলসীমার প্রায় ২ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বণিক বার্তা।

১৬৮.
নিম্নের কোন জেলায় চীনামাটির মজুত রয়েছে?
  1. নেত্রকোনা
  2. চট্টগ্রাম
  3. শেরপুর
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

চীনামাটি:
- চীনামাটি কেওলিন কর্দম মণিক দ্বারা গঠিত উন্নতমানের কর্দম; প্রধানত সিরামিক শিল্পে ব্যবহূত হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে গৃহস্থালি সামগ্রী হিসেবে চীনামাটির তৈরী তৈজসপত্রের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
- বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।
- নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুর ও গোপালপুরে, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায়, চট্টগ্রাম জেলার হাইটগাঁও ও সাতকানিয়া উপজেলার বাইতুল ইজ্জতে চীনামাটির মজুত রয়েছে।
- এ ছাড়া দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়া, বড়পুকুরিয়া ও দীঘিপাড়া এবং নওগাঁ জেলার পত্নীতলাতে ভূ-পৃষ্ঠের নিকটে চীনামাটি মজুতের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৭ সালে বর্তমান নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর থানার অন্তর্গত ভেদিকুরা নামক স্থানে প্রথম চীনামাটির সন্ধান লাভ করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৬৯.
লিভিংস্টোন জলপ্রপাত কোন দেশে অবস্থিত?
  1. সুইজারল্যান্ড
  2. ভেনিজুয়েলা
  3. কঙ্গো
  4. জিম্বাবুয়ে
ব্যাখ্যা

লিভিংস্টোন জলপ্রপাত:
- লিভিংস্টোন জলপ্রপাত গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে অবস্থিত।
- এটি কঙ্গো নদীর একটি বিশাল জলপ্রপাতের ধারা যা কঙ্গোর কিনশাসা এবং মাটাডি শহরের মধ্যে অবস্থিত।
- এটি কঙ্গো নদীর নিম্ন প্রবাহে অবস্থিত।
- এই জলপ্রপাতটি ৩৫০ কিলোমিটার অঞ্চল জুড়ে ৩২টি ছোট-বড় জলপ্রপাত এবং র‌্যাপিডের সমন্বয়ে গঠিত।

এছাড়াও, স্ট্যানলি জলপ্রপাত:
- স্ট্যানলি জলপ্রপাত কঙ্গোতে অবস্থিত।
- স্ট্যানলি জলপ্রপাত ২০০ ফুট উচ্চতা থেকে পতিত হয় ।
- এটি বর্তমানে বোয়ামা নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- স্টবাক জলপ্রপাত: সুইজারল্যান্ড।
- অ্যাঞ্জেলস জলপ্রপাত: ভেনিজুয়েলা।
- ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত: জিম্বাবুয়ে।

উৎস: Britannica.

১৭০.
মেঘনা নদী কোথায় পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের সাথে মিলিত হয়?
  1. ভৈরববাজারে
  2. আজমিরীগঞ্জে
  3. চাঁদপুরে
  4. গোয়ালন্দে
ব্যাখ্যা

মেঘনা নদী:
- মেঘনা নদী বাংলাদেশের প্রশস্ত ও গভীরতম নদী।
- উৎপত্তিস্থলে মেঘনার নাম ছিল বরাক নদী।
- ভারতের আসাম রাজ্যের নাগা-মনিপুর পার্বত্য অঞ্চলে উৎপন্ন বরাক নদী দুইটি শাখায় বিভক্ত হয়ে বাংলাদেশের সিলেট জেলার সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করেছে।
- এর মধ্যে একটি সুরমা নামে এবং অন্যটি কুশিয়ারা নামে প্রবাহিত হয়ে হবিগঞ্জের কালনী নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- এরপর মেঘনা নদী কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরববাজারের নিকট পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের সাথে মিলিত হয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয়েছে।
- অত:পর চাঁদপুরের কাছে পদ্মার সাথে মিলিত হয়ে মেঘনা নামে আরো দক্ষিণে অগ্রসর হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- মেঘনার উপনদীসমূহের মধ্যে মনু, বাউলাই, গোমতী, তিতাস, কাসনি অন্যতম।
- জাঙ্গালিয়া ও ডাকাতিয়া মেঘনার শাখানদী।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ভূগোল, HSC প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
iii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
iv) বাংলাপিডিয়া।

১৭১.
সুনামির প্রধান কারণ কোনটি?
  1. সমুদ্রতলের ভূমিকম্প
  2. আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত
  3. ভূমিধ্বস
  4. উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

সুনামি:
- সুনামির (Tsunami) কারন হলো সমুদ্রতলের ভূমিকম্প।
- সুনামি (Tsunami) জাপানি শব্দ। এর শাব্দিক অর্থ পোতাশ্রয়ের ঢেউ।
- সুনামির উৎপত্তি সমুদ্রতলে।
- সমুদ্র তলদেশে প্রবল ভূমিকম্প সংঘটিত হলে সমুদরপৃষ্ঠে বিশাল যে ঢেউয়ের সৃষ্টি হয় তাকে সুনামি বলে।
- সর্বপ্রথম সুনামির কথা লিপিবদ্ধ হয় খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অব্দে।

⇒ সুনামি সৃষ্টির কারণ ও সুনামির গতিবিধি:
- সুনামির সৃষ্টির প্রধান কারণ সমুদ্রের তলদেশের ভূমিকম্প। আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণেও সুনামি সৃষ্টি হয়ে থাকে। এছাড়া পারমানবিক বিস্ফোরণ, ভূমিধ্বস, উল্কাপিন্ডের পতন ইত্যাদি কারণেও সুনামি হতে পারে।
- সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্পের ফলে যে ঢেউয়ের সৃষ্টি করে তা প্রবলবেগে উপকূলের দিকে অগ্রসর হয়।
- সুনামির একেকটি ঢেউ ঘন্টায় ৬৪০- ৯৬০ কি.মি বেগে প্রবাহিত হয়। সুনামির ঢেউ উপকূলের দিকে আসতে থাকলে ঢেউয়ের গতির প্রচন্ডতা কমলেও ঢেউয়ের উচ্চতা বেড়ে যায় বহুগুণে।
- গভীর সমুদ্রে সুনামির উৎপত্তিস্থলে সুনামির উচ্চতা মাত্র কয়েক সে.মি. উঁচু কিন্তু উপকূলে সুনামির ঢেউয়ের উচ্চতা ৩০-৫০ মিটার উঁচু আকার ধারণ করে।
- এ ছাড়া ভূ-অভ্যন্তরে টেকটোনিক প্লেটের নড়াচড়া হতে থাকে। এভাবে কখনো কোনো একটি প্লেট অপর প্লেটের দিকে অনবরত ধাক্কা দিতে থাকলে সমুদ্রের তলদেশে সুনামির সৃষ্টি হয়।

⇒ সুনামির ঢেউ সাধারণত হয় ধারাবাহিক এবং একটি ঢেউয়ের চূড়া থেকে আরেকটি ঢেউয়ের চূড়ার দূরত্ব ১০০ মাইলের (১৬০ কিলোমিটার) মতো হতে পারে। তাই একটি বড় ঢেউ আঘাত করার মোটামুটি এক ঘণ্টা বা সামান্য বেশি সময় পর দ্বিতীয় আরেকটি ঢেউ ভূ-ভাগে এসে আঘাত করে।
- ২০০৪ সালে ভারত মহাসাগরে সৃষ্ট সুনামিতে উপকূলবর্তী ১২টিরও বেশি দেশে দুই লক্ষাধিক মানুষ প্রাণ হারায়। এর পর থেকে ‘সুনামি’ শব্দটি ব্যাপকভাবে পরিচিতি পায়।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭২.
বাংলাদেশের মোট আয়তনের কত শতাংশ এলাকা টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ নিয়ে গঠিত?
  1. প্রায় ৮%
  2. প্রায় ১২%
  3. প্রায় ৫৬%
  4. প্রায় ৭৯%
ব্যাখ্যা

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২ শতাংশ এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- এ যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা:
ক. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এবং
খ. উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ

⇒ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এ পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।
- সাম্প্রতিককালে আবিস্কৃত তাজিনডং (বিজয়) পর্বতশৃঙ্গটি দেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ যার উচ্চতা ১,২৩১ মিটার।
- এটি আবিস্কৃত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ছিল কিওক্রাডং (উচ্চতা ১,২৩০ মিটার)।

⇒ উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর- পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- এখানকার পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।
- উত্তরের পাহাড়গুলো স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত।
- এগুলোর উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

১৭৩.
বাংলাদেশের কোন বিভাগের সবগুলো জেলা সীমান্তবর্তী?
  1. ময়মনসিংহ
  2. চট্টগ্রাম
  3. রংপুর
  4. খুলনা
ব্যাখ্যা

সীমান্তবর্তী জেলা:
- বাংলাদেশে মোট বিভাগ ৮টি তার মধ্যে ২টি বিভাগের সবগুলো জেলা সীমান্তবর্তী।
- বিভাগগুলো হলো - ময়মনসিংহ ও সিলেট।
- ময়মনসিংহ বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলো হলো- জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা।
- সিলেট বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলো হলো- সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ।

উল্লেখ্য,
- এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণে বাংলাদেশের অবস্থান।
- বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম; পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম এবং মিয়ানমার; দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে। ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি।
- বাংলাদেশের রাঙামাটি জেলার সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমানা রয়েছে।
- ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত সাতটি রাজ্যকে সেভেন সিস্টার্স বলা হয়। রাজ্যগুলো হলো: আসাম, মেঘালয়, অরুণাচল, মনিপুর, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা এবং মিজোরাম।
- ভারতের মোট ৫টি রাজ্য বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী। এগুলো হলো: আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৭৪.
UDMC-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Union Disaster Management Committee
  2. Union Development Management Council
  3. Urban Development Monitoring Council
  4. Urban Disaster Monitoring Committee
ব্যাখ্যা

UDMC:
- UDMC-এর পূর্ণরূপ: Union Disaster Management Committee.
- ইউনিয়ন পর্যায়ে দুর্যোগ মোকাবেলায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে সভাপতি করে এবং বিভিন্ন পর্যায়ের কয়েকজন সদস্য নিয়ে গঠিত হয় UDMC।
- এই কমিটি দুর্যোগের ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ, পূর্বপ্রস্তুতি, সাড়াদান, পুনরুদ্ধার প্রভৃতি কর্মকাণ্ড করে থাকে।
- স্বাভাবিক সময়ে প্রতি মাসের অন্তত একবার UDMC এর সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- DMC গঠিত হয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেম্বার এনজিও কর্মকর্তা দুর্যোগের বিপর্যস্ত গ্রুপের প্রতিনিধি সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব, এবং ইউনিয়ন পরিষদের সচিবের সমন্বয়ে।
- স্বাভাবিক সময়ে এ কমিটি একটি করে মিটিং করে এবং দুর্যোগ কালীন সময়ে একাধিক মিটিংয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি সম্পর্কে সবাইকে অবহিত করে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

⇒ বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট কয়েকটি বিষয়ের পূর্ণরূপ:
- NDMC: National Disaster Management Council.
- NDMAC: National Disaster Management Advisory Committee.
- DDMC: District Disaster Management Committee.
- UZDMC: Upazila Disaster Management Committee.

উৎস: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।

১৭৫.
'সমুদ্রস্রোত' সৃষ্টির প্রধান কারণ কী?
  1. নিয়ত বায়ুপ্রবাহ
  2. পৃথিবীর আবর্তন
  3. সমুদ্রজলের লবণাক্ততার তারতম্য
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

সমুদ্রস্রোত:
- শীতল বা উষ্ণ সমুদ্রস্রোতের প্রভাবে উপকূল সংলগ্ন এলাকার বায়ু ঠান্ডা বা উষ্ণ হয়।
- যেমন- উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোতের প্রভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলবর্তী এলাকার উষ্ণতা বেড়ে যায়।
- অর্থাৎ সমুদ্রস্রোত বায়ুর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করে।
- উদাহরণস্বরূপ বলা যায় উত্তর আমেরিকার উত্তর-পূর্ব উপকূলকে শীতল রাখে শীতল ল্যাব্রাডার স্রোত, এ কারণে শীতল ইউরোপীয় স্রোত ও উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোতের প্রভাবে একই অক্ষাংশে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও উত্তর আমেরিকার পূর্ব উপকূল ও পশ্চিম ইউরোপীয় উপকূলের তাপমাত্রার ব্যাপক পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়।

⇒ সমুদ্রস্রোতের কারণ:
- বায়ুপ্রবাহ,
- পৃথিবীর আবর্তন,
- উষ্ণতার তারতম্য,
- লবণাক্ততার তারতম্য,
- স্থলভাগের অবস্থান,
- শৈলশিরার অবস্থান,
- বাষ্পীভবনের তারতম্য,
- সমুদ্রের গভীরতা।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭৬.
কোন সংস্থার অভিমত অনুযায়ী, সুশাসনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো মৌলিক স্বাধীনতার উন্নয়ন?
  1. বিশ্বব্যাংক
  2. জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচী
  3. জাতিসংঘ
  4. এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ ও সুশাসন:
- জাতিসংঘ ১৯৯৭ সালে 'শাসন ও ক্রমবর্ধমান উন্নয়ন' শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
- এই প্রতিবেদনে সর্বপ্রথম সুশাসন সম্পর্কে স্বীয় দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে।
- জাতিসংঘের অভিমত অনুযায়ী, সুশাসনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে মৌলিক স্বাধীনতার উন্নয়ন। 

⇒ কারণ:
- মৌলিক স্বাধীনতার উন্নয়ন ঘটাতে পারলে একদিকে যেমন মৌলিক অধিকারসমূহ রক্ষিত হয়।
- অন্যদিকে তেমনি নারীর উন্নয়ন ও সুরক্ষা নিশ্চিত হয়।
- ফলে দেশের সার্বিক উন্নয়ন ঘটে এবং দারিদ্র্য দূরীভূত হয়।

উল্লেখ্য,
- জাতিসংঘ সুশাসনের ক্ষেত্রে ৮টি উপাদানের কথা উল্লেখ করেছে। উপাদানগুলো হলো: অংশগ্রহণ; মতামতের উপর নির্ভরশীলতা; জবাবদিহিতা; স্বচ্ছতা; দায়বদ্ধতা; কার্যকরী ও দক্ষ প্রশাসন ব্যবস্থা; ন্যাযতা; এবং আইনের শাসন।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

১৭৭.
'মানুষের মৌলিক শক্তির বলিষ্ঠ, অব্যাহত ও বিভিন্নমুখী প্রকাশই স্বাধীনতা'- জন স্টুয়ার্ট মিল তাঁর কোন গ্রন্থে এটি উল্লেখ করেন?
  1. Moral and others
  2. Utilitarianism
  3. Political Ideals
  4. On Liberty
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতা:
- ইংরেজি Liberty শব্দের বাংলা অর্থ স্বাধীনতা।
- শব্দটি ল্যাটিন শব্দ Liber থেকে এসেছে, যার অর্থ 'free' বা স্বাধীন।
- যদিও স্বাধীনতা মানে যা খুশি তা বা স্বেচ্ছাচারিতা করা নয়।
- রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ভাষায়, অন্যের অধিকার বা কার্যাবলির ওপর হস্তক্ষেপ না করে, স্ব-ইচ্ছানুসারে নিজের কার্য করার অধিকারকে স্বাধীনতা বলে।
- জন স্টুয়ার্ট মিল (John Stuart Mill) তার বিখ্যাত 'On Liberty' গ্রন্থে বলেন, 'মানুষের মৌলিক শক্তির বলিষ্ঠ, অব্যাহত ও বিভিন্নমুখী প্রকাশই স্বাধীনতা।'

⇒ স্বাধীনতার বিভিন্ন রুপ: রাজনৈতিক স্বাধীনতা, ব্যক্তিগত স্বাধীনতা, সামাজিক স্বাধীনতা, আইনগত স্বাধীনতা, প্রাকৃতিক স্বাধীনতা, জাতীয় স্বাধীনতা, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা।

• ব্যক্তিগত স্বাধীনতা বা পৌর স্বাধীনতা:
- এই স্বাধীনতা একান্তই ব্যক্তিগত।
- যে সব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে ব্যক্তি তার ব্যক্তিত্বের পূর্ণাঙ্গ বিকাশ ঘটাতে পারে তাকে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা বলে।
- ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ভোগে অন্যের উপর কোন প্রভাব পড়ে না।
- এ স্বাধীনতা ব্যক্তিগত সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য ব্যক্তির বাহ্যিক কিছু আচরণের ওপর এক ধরনের নিয়ন্ত্রণবিহীনতা।
- যেমন ইচ্ছামতো রাষ্ট্রীয় ভূখন্ডে চলাফেরার অধিকার, নিজ নিজ ধর্ম পালনের অধিকার, সম্পত্তি ভোগের অধিকার প্রভৃতি।

• প্রাকৃতিক স্বাধীনতা:
- সামাজিক চুক্তিবাদী দার্শনিক হবস, সক এবং রুশো বিশ্বাস করতেন, রাষ্ট্র পূর্বাবস্থায় প্রকৃতির রাজ্যে মানুষ কতকগুলো সুযোগ-সুবিধা বা স্বাধীনতা ভোগ করত।
- কিন্তু স্বাধীনতার এরকম ধারণা অলীক, অসার ও অবাস্তব বলেই প্রতিপন্ন হয়।
- দার্শনিক রুশো তাঁর বক্তব্যে তাই স্বাধীনতাকে চমৎকারভাবে বর্ণনা করে বলেছেন, ‘মানুষ স্বাধীন হয়ে জন্মায়, কিন্তু সর্বত্রই যে শৃঙ্খলাবদ্ধ” (“Man is born free but everywhere he is in chain.”)

• আইনগত স্বাধীনতা:
- রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত, সংরক্ষিত ও নিয়ন্ত্রিত স্বাধীনতাকে আইনগত স্বাধীনতা বলা হয়।
- স্বাধীনতা নির্দিষ্ট, সুস্পষ্ট এক আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত।

• সামাজিক স্বাধীনতা:
- মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকার জন্য সামাজিক স্বাধীনতা অপরিহার্য।
- যেমন, জীবন ধারণ, সম্পত্তি ভোগ কিংবা সামাজিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণের স্বাধীনতা।
- সামাজিক স্বাধীনতা মানুষকে সুন্দর জীবনের পথ দেখায়।
- তার মনের সুকুমার বৃত্তির বিকাশ ঘটায়।

• রাজনৈতিক স্বাধীনতা:
- ভোটার হবার স্বাধীনতা, ভোটদানের স্বাধীনতা, রাজনৈতিক দল গঠনের স্বাধীনতার মতো বিষয়গুলো রাজনৈতিক স্বাধীনতার অন্তর্গত।
- ন্যায়সঙ্গতভাবে একজন নাগরিক সব ধরনের স্বাধীনতা ভোগের অধিকার রাখে।
- নেতৃত্বের বিকাশের জন্য রাজনৈতিক স্বাধীনতা থাকা উচিত।
- একনায়কতান্ত্রিক, সামরিক ও স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থায় নাগরিকগণ রাজনৈতিক স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত হয়।

• অর্থনৈতিক স্বাধীনতা:
- এ ধরনের স্বাধীনতার মধ্যে পেশা বাছাই ও জীবিকার স্বাধীনতা অন্যতম।
- মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য অর্থনৈতিক স্বাধীনতার বিকল্প নেই।
- তাছাড়া অর্থনৈতিক স্বাধীনতা না থাকলে শ্রেণি-বৈষম্য বেড়ে গিয়ে যেকোন শ্রেণি শোষণ-বঞ্চনার পরিস্থিতি তৈরি হয়।
- অর্থনৈতিক স্বাধীনতার আইনগত ভিত্তি রয়েছে।
- অর্থনৈতিক স্বাধীনতা না থাকলে অন্যান্য স্বাধীনতাও খর্ব হয়।

• জাতীয় স্বাধীনতা:
- বৈদেশিক শাসনের নাগপাশ থেকে মুক্তি লাভ করে যখন একটি জাতি সার্বভৌমত্ব অর্জন করে তখন তাকে জাতীয় স্বাধীনতা বা সার্বভৌমত্ব বলে।
- জাতীয়তাবোধে উদ্বুদ্ধ একটি জনসমষ্টি পৃথক রাজনৈতিক সংগঠন ও রাষ্ট্র গড়ে তুলে জাতীয় স্বাধীনতা অর্জন করে।
- জাতীয় স্বাধীনতা ব্যতীত অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক স্বাধীনতা মূল্যহীন।
- জাতীয় স্বাধীনতা সব স্বাধীনতার মূলভিত্তি।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।

১৭৮.
কোনটি ‘সার্বভৌম ও সর্বোচ্চ’ ক্ষমতার অধিকারী?
  1. রাষ্ট্র 
  2. রাজনৈতিক দল
  3. সরকার
  4. আমলাতন্ত্র 
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্র:
- রাষ্ট্র একটি রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক প্রতিষ্ঠান।
- প্রত্যেকটি মানুষ কোন না কোন রাষ্ট্রের সদস্য।
- রাষ্ট্রের স্থায়িত্বের জন্য জনমত ও জনগণের ইচ্ছা একান্ত প্রয়োজন।
- প্রকৃতপক্ষে রাষ্ট্রের অস্তিত্ব ও স্থায়িত্ব নির্ভর করে জনগণের ইচ্ছার উপর।
- রাষ্ট্র হচ্ছে নাগরিক জীবনের অন্যতম একটি সংঘ।
- সভ্যতার বিকাশে মানুষ যত রকম সংঘ গঠন করছে তার মধ্যে সর্বোচ্চ এবং শক্তিশালী সংঘ হচ্ছে রাষ্ট্র।

উল্লেখ্য,
- রাষ্ট্র সর্বোচ্চ ও সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী।
- এটি একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন।
- রাষ্ট্র একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্থায়ী এবং একটি বলপ্রয়োগকারী প্রতিষ্ঠান।

⇒ রাষ্ট্রের ৪টি উপাদান রয়েছে- (১) জনসমষ্টি (২) নির্দিষ্ট ভূখণ্ড (৩) সরকার ও (৪) সার্বভৌমত্ব।
- এই চারটি উপাদান রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য। এর কোন একটি না থাকলে রাষ্ট্র গঠিত হতে পারে না।

উৎস: i) রাষ্ট্রবিজ্ঞান: রাষ্ট্রতত্ত্ব, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১৭৯.
আমলাতন্ত্র পেশাগত ও নিম্নের কোন মূল্যবোধের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করে?
  1. নৈতিক
  2. রাজনৈতিক
  3. অর্থনৈতিক
  4. সামাজিক
ব্যাখ্যা

আমলাতন্ত্র:
- আমলাতন্ত্র হলো স্থায়ী, বেতনভুক্ত, দক্ষ ও পেশাদার কর্মচারিদের সংগঠন।
- আমলাতন্ত্র সরকারের নীতি ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে থাকে।
- আমলাতন্ত্রের ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Bureaucracy।
- তাই Bureaucracy এর উৎপত্তিগত অর্থ হলো Desk Government.
- জার্মান দার্শনিক ম্যাক্স ওয়েভারকে আমলাতন্ত্রের জনক বলা হয়।

⇒ আমলাতান্ত্রিক সংগঠন বহুমুখী বৈশিষ্ট্যের অধিকারী।
- সরকারের নীতি ও কর্মসূচি দল নিরপেক্ষভাবে বাস্তবায়ন করাই আমলাদের মূল দায়িত্ব।
- প্রশাসনের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে আমলারা জনগণের সার্বিক কল্যাণ সাধন করে থাকেন।
- আমলাগণ পেশাগত ও নৈতিক মূল্যবোধের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করে।
- একজন আমলার সিদ্ধান্ত যেমন ব্যক্তিগত মূল্যবোধ ধারা প্রভাবিত হয় তেমনি পেশাগত মূল্যবোধ দ্বারা ও প্রভাবিত হয়।
- এই উভয় প্রকার মূল্যবোধের ভারসাম্য কেবলমাত্র আমলাতন্ত্রের মধ্যেই পরিলক্ষিত হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।

১৮০.
'নিরঙ্কুশ ক্ষমতা নিরঙ্কুশভাবে দুর্নীতিগ্রস্ত'- উক্তিটি কার?
  1. লর্ড ডিপটন
  2. লর্ড ব্রাইস
  3. ইমানুয়েল কান্ট
  4. লর্ড এ্যাকটন
ব্যাখ্যা

নিরঙ্কুশ ক্ষমতা নিরঙ্কুশভাবে দুর্নীতিগ্রস্ত:
 'নিরঙ্কুশ ক্ষমতা নিরঙ্কুশভাবে দুর্নীতিগ্রস্ত'-উক্তিটি করেন লর্ড অ্যাকটন।
- নিরঙ্কুশ ক্ষমতা ও নিরঙ্কুশ দুর্নীতির পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে ব্রিটিশ রাজনীতিক লর্ড অ্যাকটনের (১৮৮৭) এই উক্তি খুবই প্রাসঙ্গিক।
- তার মতে, ‘পাওয়ার টেন্ড্স টু করাপ্ট, অ্যান্ড অ্যাবসলিউট পাওয়ার করাপ্ট অ্যাবসলিউটলি।’
- বর্তমানকালে বিভিন্ন দেশে দুর্নীতিগ্রস্ত শাসকগোষ্ঠীর রাজনৈতিক চরিত্রের সঙ্গে এ উক্তির যথেষ্ট মিল খুঁজে পাওয়া যায়।

উল্লেখ্য,
- দেশে দেশে কর্তৃত্ববাদী শাসকগোষ্ঠীর শ্রেণি-চরিত্র সবসময় প্রায় একই রকমের হয়ে থাকে।
- সেটা গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা হোক কিংবা অগণতান্ত্রিক সরকার হোক, তাতে শ্রেণিচরিত্রের খুব একটা পার্থক্য থাকে না।
- এর প্রধান কারণ জনগণের ওপর ক্ষমতা প্রয়োগের নিরঙ্কুশ ক্ষমতা।

⇒ অনেক সময় নিরঙ্কুশ ক্ষমতা শাসকশ্রেণিকে নিরঙ্কুশভাবে স্বৈরাচারী করে তোলে।
- একইভাবে তারা নিরঙ্কুশ ক্ষমতার বলয়ে থেকে নিরঙ্কুশ দুর্নীতিগ্রস্তও হয়ে ওঠে।

উৎস: i) Britannica.
ii) যুগান্তর।

১৮১.
সরকার ও জনগণের ‘Win Win Game’ বলা হয় কোনটিকে?
  1. সুশীল সমাজ 
  2. রাজনৈতিক দল
  3. সুশাসন
  4. নৈতিকতা
ব্যাখ্যা

সুশাসন:
- সুশাসন একটি সামাজিক ধারণা।

⇒ ‘সুশাসন’ হলো একটি কাঙ্ক্ষিত রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার প্রতিফলন। ‘সুশাসন’ হলো ন্যায়নীতি অনুসারে উত্তমরূপে, সুষ্ঠভাবে ও নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে দেশ বা রাষ্ট্র শাসন। অন্যকথায় সুশাসন বলতে রাষ্ট্রের সাথে সুশীল সমাজের, সরকারের সাথে শাসিত জনগণের, শাসকের সাথে শাসিতের সম্পর্ককে বুঝায়। সুশাসন হচ্ছে অংশগ্রহণমূলক, স্বচ্ছ, দায়িত্বশীল ও ন্যায়সংগত ব্যবস্থা যা আইনের শাসনকে নিশ্চিত করে। সুশাসনকে সরকারের উচ্চতর দক্ষতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

⇒ মূলত: ল্যাটিন আমেরিকা ও আফ্রিকা মহাদেশে বিশ্বব্যাংকের ব্যর্থতার ফলে ১৯৮৯ সালে বিশ্বব্যাংক কর্তৃক সুশাসনের ধারণাটি উদ্ভব হয়।
- এটি বিশ্বব্যাংকের প্রেসক্রিপশন নামে পরিচিত।
- আশির দশকের দ্বিতীয়ার্ধে বিশ্বব্যাংক সুশাসনকে উন্নয়নের এজেন্ডাভুক্ত করে।
- এতে সরকার ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয় ও উভয়েই লাভবান হয় বলে সুশাসনকে সরকার ও জনগণের ‘Win Win Game’ বলা হয়

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
ii) সুশাসন বনাম সামাজিক ও পারিবারিক মূল্যবোধ, ndicia24.com।

১৮২.
অ্যারিস্টটলের 'নিকোমেকীয়ান এথিক্স' অনুযায়ী, সদ্গুণ অর্জনের জন্য কোনটি গুরুত্বপূর্ণ?
  1. ন্যায়বান হওয়া
  2. সাহসী হওয়া
  3. মধ্যপন্থা অবলম্বন করা
  4. মিতাচারী হওয়া
ব্যাখ্যা

সদ্গুণ:
- ইংরেজিতে যাকে Virtue বলে বাংলায় তাকেই আমরা সদ্গুণ বলি।
- Virtue শব্দটির আভিধানিক অর্থ হচ্ছে Excellence বা উৎকর্ষতা।
- এই হিসেবে মানুষের চরিত্রের যে সব লক্ষণগুলো তার চরিত্রের উৎকর্ষতা প্রমাণ করে তাদেরকেই সদ্গুণ বলা হয়।

⇒ অ্যারিস্টটলের মতে এই সদ্গুণগুলো অভ্যাসের মাধ্যমে অর্জিত হয় এবং কম বেশি স্থায়ী মেজাজের রূপ নেয়।
- তিনি বুদ্ধিবৃত্তিক সদ্গুণ এবং নৈতিক সদগুণের মধ্যে পার্থক্য করেছিলেন।
- নৈতিক সদ্গুণের একটা বড় বৈশিষ্ট্য হলো এই যে, সময় এবং সমাজভেদে এগুলোর গ্রহণযোগ্যতা ভিন্ন হতে পারে। 
- অ্যারিস্টটল তাঁর বিখ্যাত পুস্তক 'নিকোমেকীয়ান এথিক্স' এ সদ্গুণ উদ্ভবের কারণ হিসেবে জীবনে মধ্যপথ অবলম্বনের ওপর জোর দেন।

⇒ প্লেটো ৪টি প্রধান সদ্গুণের (Cardinal Virtues) কথা উল্লেখ করেছেন।
- এগুলো হচ্ছে: প্রজ্ঞা, সাহস, মিতাচার ও ন্যায়।
- এদের মধ্যে ন্যায়কেই তিনি রাষ্ট্র ও ব্যক্তি উভয়ের ক্ষেত্রেই সর্বোচ্চ অত্যাবশ্যকীয় সদ্গুণরূপে অভিহিত করেন।
- তবে ব্যক্তি বা রাষ্ট্রের মধ্যে যখন অন্য তিনটি সদ্গুণের অস্তিত্ব থাকে তখনই ন্যায়রূপ সদ্গুণের অভ্যুদয় ঘটে।

উৎস: নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮৩.
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ফলে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে কী প্রশমিত হয়?
  1. উত্তেজনা
  2. জাতীয় ঐক্য 
  3. শৃঙ্খলাবোধ
  4. দায়িত্বশীল আচরণ
ব্যাখ্যা

গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ (Democratic Values):
- একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে যেসব চিন্তাভাবনা, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও সংকল্প মানুষের গণতান্ত্রিক আচার-ব্যবহার ও দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডকে নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত করে তাকে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বলে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে এসব মূল্যবোধ মানুষের ইচ্ছার একটি প্রধান মানদণ্ড। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের নাগরিকদেরকে অন্যের মতামত ও মনোভাবকে শ্রদ্ধা জানাতে হয়। কেননা সহনশীলতা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের নাগরিকদের অন্যতম গুণ। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের নাগরিককে দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে ক্ষুদ্র ব্যক্তিস্বার্থ, গোষ্ঠীস্বার্থ ও দলীয় স্বার্থকে বিসর্জন দিতে হয়। গঠনমূলক সমালোচনা করার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং সমালোচনা সহ্য করার মানসিকতা ও সংযম গড়ে তুলতে হবে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মানুষকে পারস্পরিক সুখে-দুঃখে একে অপরের পাশে দাঁড়াতে হবে। সবসময় ভাবতে হবে ‘সকলের তরে সকলে আমরা, প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।’ শৃঙ্খলাবোধে বিশ্বাসী হতে হবে। অধিকার ও কর্তব্য সচেতন হতে হবে। সরকারকে তাদের নীতি ও সিদ্ধান্তের জন্য দায়িত্বশীল ও জবাবদিহিমূলক আচরণ বা মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে। নির্বাচনে জয়- পরাজয়কে মেনে নিতে হবে। আইনসভাকে কার্যকর করতে হবে। হরতাল, জ্বালাও-পোড়াও নয়, বরং আইনসভায় বসে আলোচনার মাধ্যমে জাতীয় সব সমস্যার সমাধান খুঁজতে হবে।

⇒ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের গুরুত্ব:
১. জাতীয় সভ্যতা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের ভিত্তি:
- গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ হলো একটি জাতির রাজনৈতিক সম্পদ।
- গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর একটি জাতির সভ্যতা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য গড়ে ওঠে।

২. জাতীয় উন্নতির চাবিকাঠি:
- গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ জাতীয় উন্নতির চাবিকাঠি। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধসম্পন্ন জাতি কর্মঠ ও পরিশ্রমী হয়।
- গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ জাতি দ্রুত উন্নতি লাভ করে।

৩. দেশাত্মবোধ জাগ্রত করে:
- গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ দেশাত্মবোধ জাগ্রত করে।
- গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ নিজের প্রতি, দেশের প্রতি প্রেম-ভালোবাসার সৃষ্টি করে। দেশকে ভালোবাসা ও দেশের মঙ্গলের জন্য কর্তব্য পালন করার তাগিদ সৃষ্টি হয় গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের কারণে।

৪. সামাজিক বন্ধন ও জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করে:
- গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রত্যেকের প্রতি প্রত্যেকের সৌভ্রাতৃত্ববোধ, সহানুভূতি ও সহমর্মিতা সৃষ্টি করে। এর ফলে সামাজিক বন্ধন এবং জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় হয়।

৫. নাগরিকের ব্যক্তিত্ব বিকাশে সাহায্য করে:
- গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ নাগরিকের ব্যক্তিত্ব বিকাশে সাহায্য করে এবং পরিপূর্ণতা প্রদান করে।

৬. উদারতা ও সহনশীলতার শিক্ষা দেয়:
- গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ফলে রাজনৈতিক সততা, শিষ্টাচার ও সৌজন্যবোধ, রাজনৈতিক সহনশীলতা, পরমতসহিষ্ণুতা, সংখ্যাগরিষ্ঠের মতের প্রতি সংখ্যালঘিষ্ঠের শ্রদ্ধাজ্ঞাপন, সংখ্যালঘিষ্ঠের মতের প্রতি সংখ্যাগরিষ্ঠের সহিষ্ণু আচরণ, বিরোধী মতকে প্রচার ও প্রসারের সুযোগ প্রদান, নির্বাচনে জয়পরাজয়কে মেনে নেয়ার মানসিকতা তৈরি হয়। এর ফলে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে উত্তেজনা প্রশমিত হয়।

৭. জবাবদিহিতার মানসিকতা ও দায়িত্বশীল আচরণ:
- গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ফলে নাগরিকদের মধ্যে জবাবদিহিমূলক মানসিকতা দায়িত্বশীল আচরণের সৃষ্টি হয়। যারা সরকার পরিচালনা করেন তারা তাদের কাজের জন্য জনপ্রতিনিধিদের নিকট তথা জনগণের নিকট তাদের কাজের জন্য জবাবদিহি করেন, আইনসভায় জনপ্রতিনিধিদের প্রশ্নের উত্তর দেন বা কৈফিয়ত প্রদান করেন। সরকার এবং বিরোধী দল দায়িত্বশীল আচরণ করে।

৮. শৃঙ্খলাবোধ জাগ্রত করে:
- সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে অগ্রগতির অন্যতম প্রধান ধাপ বা সোপান হলো শৃঙ্খলাবোধ। যে জাতি যত বেশি সুশৃঙ্খল সে জাতি তত বেশি উন্নত। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ একটি জাতিকে শৃঙ্খলাবদ্ধ হতে উদ্বুদ্ধ করে। এর ফলে রাষ্ট্রের উন্নতি ও অগ্রগতি ত্বরান্বিত হয়।

৯. নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে সরকার পরিবর্তন:
- গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ নির্বাচনি রায় বা জনগণের ম্যান্ডেটকে মেনে নেওয়ার মানসিকতা, সরকারকে নির্দিষ্ট মেয়াদে কাজ করতে দেওয়া এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে সরকার গঠন ও পরিবর্তনে বিশ্বাসী করে তোলে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১৮৪.
অর্থনৈতিক সাম্য ব্যতীত কোন স্বাধীনতা অর্থহীন?
  1. সামাজিক
  2. রাজনৈতিক
  3. আইনগত
  4. অর্থনৈতিক
ব্যাখ্যা

সাম্যের প্রকারভেদ:
- সাম্য বিভিন্ন রকমের হতে পারে।
- যথা: (ক) সামাজিক সাম্য, (খ) রাজনৈতিক সাম্য, (গ) অর্থনৈতিক সাম্য, (ঘ) আইনগত সাম্য। 

⇒ সামাজিক সাম্য:
- সামাজিক সাম্য হচ্ছে এমন একটি পরিস্থিতি যখন কোন একটি সমাজে প্রত্যেক ব্যক্তি বিশেষ কতগুলো ক্ষেত্রে সমান সুযোগ ভোগ করে।
- বাক-স্বাধীনতা, সম্পত্তির অধিকার, সামাজিক নিরাপত্তা ভোগ কিংবা নাগরিক অধিকার চর্চার ক্ষেত্রে সমান সুযোগ লাভ করতে পারাটা সামাজিক সাম্যের নির্দেশক।

⇒ রাজনৈতিক সাম্য:
- প্রত্যেক নাগরিক রাষ্ট্র কর্তৃক নির্ধারিত কিছু সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকে।
- জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এইসব সুযোগ-সুবিধা লাভ করাই রাজনৈতিক সাম্য।
- সংগঠন করার স্বাধীনতা, নির্বাচনে অংশগ্রহণ এর সুবিধা, ভোটাধিকার ইত্যাদি রাজনৈতিক সাম্যের পর্যায়ে পড়ে।
- রাজনৈতিক সাম্য না থাকলে রাষ্ট্রে নেতৃত্বের সংকট তৈরি হবার সম্ভাবনা থাকে।

⇒ অর্থনৈতিক সাম্য:
- অর্থনৈতিক সাম্যের অর্থ সকল সম্পদ সবার মাঝে সমানভাবে ভাগ করে দেয়া নয়।
- অর্থনৈতিক সাম্য বলতে বোঝায়- জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে রাষ্ট্রের সব নাগরিককে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যোগ্যতা অনুযায়ী সমানভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া।
-  যোগ্যতা অনুযায়ী প্রত্যেকের কাজ করার ও ন্যায্য মজুরি পাওয়ার সুযোগকে অর্থনৈতিক সাম্য বলে।
- বেকারত্ব থেকে মুক্তি, বৈধ পেশা গ্রহণ ইত্যাদি অর্থনৈতিক সাম্যের অন্তর্ভুক্ত।
- কোল এজন্যই বলেছেন, 'অর্থনৈতিক সাম্য ব্যতীত রাজনৈতিক স্বাধীনতা অর্থহীন'

⇒ স্বাভাবিক সাম্য:
- স্বাভাবিক বা প্রাকৃতিক সাম্যের অর্থ হলো জন্মগতভাবে প্রত্যেক মানুষ স্বাধীন এবং সমান'।
- জন্মগতভাবে মানুষে মানুষে কোন পার্থ্যক্য নেই।
- আমেরিকার স্বাধীনতা ঘোষণায় স্বাভাবিক সাম্যের তত্ত্ব প্রচারিত হয়।
- কিন্তু জংতভাবে সব মানুষ দৈহিক ও মানসিক দিক থেকে সমান হতে পারেনা।
- এজন্য স্বাভাবিক সাম্যের ধারণা বর্তমানে প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।

⇒ আইনগত সাম্য:
- ইতোপূর্বে আলোচিত সাম্যের কিছু কিছু আবার আইনের দ্বারা স্বীকৃত।
- যেমন, চাকুরিতে সমান সুযোগ লাভের অধিকার, সংগঠন ও সমাবেশ করার অধিকার।
- বাংলাদেশের মত দেশে আইনগত সাম্য সংবিধান দ্বারা সুরক্ষিত।
- সংবিধান ছাড়াও দেশের বিদ্যমান অন্যান্য আইন দ্বারাও সাম্য স্বীকৃত হতে পারে।
- আইনের শাসন নিশ্চিত করার জন্য আইনের সাম্য থাকা উচিত।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১৮৫.
নিম্নের কোনটি সুশীল সমাজের দায়িত্ব?
  1. প্রশাসনিক নিয়োগ
  2. নির্বাচনে বিজয় নিশ্চিত করা
  3. নীতি নির্ধারণ
  4. সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা
ব্যাখ্যা

সুশীল সমাজ:
- ইংরেজি ‘সিভিল সোসাইটি’ কথাটির বাংলা অর্থ হল ‘সুশীল সমাজ’।
- সুশীল সমাজের মধ্যে বেসরকারি সংস্থাসমূহ, পেশাজীবী সংস্থাসমূহ, ব্যবসায়ী সংগঠনসমূহ, আইনজীবী সংগঠনসমূহ এবং ব্যক্তি মালিকানাধীন গণমাধ্যমসমূহ অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।
- সাধারণভাবে বলা যায়, সুশীল সমাজ হলো একটি সংগঠিত গোষ্ঠী, যার সদস্যরা সরকারের কাছ থেকে নাগরিক অধিকার অর্জনের জন্য স্বতঃস্ফূর্তভাবে একত্রিত হয়।
- সুশীল সমাজ ব্যক্তি ও সরকারের মধ্যে একটি মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।
- সুশীল সমাজ কখনও কখনও সরকার ও জনগণের মধ্যকার দ্বান্দ্বিক সম্পর্ক নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- এরা সাধারণত বহুদলীয় গণতন্ত্রে বিশ্বাসী।
- সর্বসাধারণের উন্নতি বিধান, রাজনৈতিক সংস্কৃতি, সুশাসন এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য গৃহীত কার্যক্রমে স্বাধীনভাবে অথবা সরকারের সহযোগিতায় সুশীল সমাজ অংশগ্রহণ করে থাকে।
- বলা হয়ে থাকে, রাষ্ট্রের ক্ষমতা কিংবা প্রভাব যেখানে শেষ সেখানেই সুশীল সমাজের শুরু।

⇒ সুশীল সমাজের রয়েছে চারটি মৌলিক উপাদান -
১. বহুত্ববাদ বা বহুদলীয় গণতন্ত্র বা উদার গণতন্ত্র,
২. জনমত প্রকাশের অবাধ স্বাধীনতা,
৩. গোপনীয়তা ও
৪. বৈধতা।

উল্লেখ্য,
- সুশীল সমাজ চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অংশ।
- বর্তমানে সুশীল সমাজ মানব পুঁজি গঠন, সমাজসেবা এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষার উন্নয়নে গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- সুশীল সমাজ সরকারের দায়িত্বশীলতা, জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণে সচেষ্ট।
- সুশীল সমাজ সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে এবং সরকার সুশীল সমাজের বক্তব্য বা সুপারিশসমূহকে উপেক্ষা করতে পারে না।
- সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সাহায্য করা ও মানবাধিকার রক্ষায় সোচ্চার হওয়া সুশীল সমাজের দায়িত্ব।

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ১ম পত্র, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
ii) Britannica. 

১৮৬.
'Nihilism' শব্দটির প্রতিশব্দ -
  1. উপযোগবাদ
  2. উদারতাবাদ
  3. অস্তিত্ববাদ
  4. শূন্যবাদ
ব্যাখ্যা

শূন্যবাদ:
- 'Nihilism' শব্দটির প্রতিশব্দ শূন্যবাদ।
- যার অর্থ হলো সবই মিথ্যা।
- এই শব্দটি ল্যাটিন Nihil থেকে এসেছে।
- যার অর্থ কিছুই না (Nothing)।
- শূন্যবাদের মূলকথা হলো সবকিছুই শূন্য বা শূন্য থেকেই সব কিছুর সৃষ্টি।

⇒ শূন্যবাদ মূলত একটি সংশয়বাদী দার্শনিক মতবাদ।
- পশ্চিমা সমাজে প্রথাগত মূল্যবোধ ও নৈতিকতার অবমূল্যায়ন প্রসঙ্গে ফ্রেডেরিখ নীটশে উনিশ শতকে এই প্রত্যয়টি ব্যবহার করেন।

উৎস: Britannica.

১৮৭.
প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের প্রাণ হিসেবে কোনটিকে অভিহিত করা হয়েছে?
  1. আইনসভা
  2. নির্বাচন
  3. জনমত
  4. রাজনৈতিক দল
ব্যাখ্যা

প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র:
- আধুনিক গণতন্ত্র হলো পরোক্ষ বা প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র।
- বর্তমান সময়ের বিশালায়তন রাষ্ট্রগুলোর বিপুল জনগোষ্ঠীর পক্ষে প্রত্যক্ষভাবে শাসনকার্যে অংশগ্রহণ করা সম্ভব নয়।
- বর্তমানে তাই জনগণ প্রতিনিধি নির্বাচন করে তাদের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে শাসনকার্যে অংশগ্রহণ করে থাকে।
- এই নির্বাচনকার্য সম্পন্ন হয় দলীয় ভিত্তিতে।
- বর্তমান প্রতিনিধিত্বমূলক গণতান্ত্রিক সরকারকে তাই দলীয় সরকার বলা হয়।
- প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের মূল ভিত্তিই হলো রাজনৈতিক দল।
- রাজনৈতিক দল হলো আধুনিক প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের প্রাণ।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১৮৮.
মূল্যবোধ কীসের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়?
  1. নৈতিকতা
  2. অভ্যাস
  3. ধর্ম
  4. আচরণ
ব্যাখ্যা

মূল্যবোধ:
- মূল্যবোধ হলো মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী মানদণ্ড ও নীতি।
- মূল্যবোধ নির্ধারিত হয় আচরণের মাধ্যমে।
- শিক্ষার মাধ্যমে মূল্যবোধকে সুদৃঢ় করা যায়।
- জন্মের পর থেকেই মানুষ মূল্যবোধের শিক্ষা লাভ করতে শুরু করে যা আমৃত্যু চলে।
- তবে বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে মূল্যবোধ শিক্ষারও পরিবর্তন ঘটে।

⇒ শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য হলো মূল্যবোধ অর্জন।
- জ্ঞানার্জন বা শিক্ষার মাধ্যমেই মূল্যবোধ সুদৃঢ় হয়।
- মানুষের শিক্ষাজীবনকে ব্যক্তিগত মূল্যবোধ অর্জনের শ্রেষ্ঠ সময় বলা হয়।
- মূল্যবোধ শিক্ষার প্রাথমিক উৎস হলো পরিবার।
- পরিবার থেকেই মূল্যবোধ শিক্ষার সূচনা হয়।
- মূল্যবোধ শিক্ষার প্রধান প্রাতিষ্ঠানিক উৎস হলো বিদ্যালয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১৮৯.
'ন্যায়পরায়ণতা' কোন ধরনের মূল্যবোধ?
  1. ব্যক্তিগত
  2. সামাজিক
  3. রাজনৈতিক
  4. ধর্মীয়
ব্যাখ্যা

সামাজিক মূল্যবোধ:
- যে চিন্তা-ভাবনা, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য মানুষের সামাজিক আচার-আচরণ ও কর্মকাণ্ডকে নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত করে তাই সামাজিক মূল্যবোধ।
- সমাজবিজ্ঞানী ফ্রান্সিস ই.মেরিল (Francises E. Meril) এর মতে, "সামাজিক মূল্যবোধ হলো মানুষের দলীয় কল্যাণের জন্য আচরণ সংরক্ষণ করা, যা মানুষ গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করে।"
- ন্যায়পরায়ণতা, সততা ও শিষ্টাচার সামাজিক মূল্যবোধের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। বড়দের সম্মান করা, সহনশীলতা, দানশীল হওয়া, আতিথেয়তা ইত্যাদি হচ্ছে সামাজিক মূল্যবোধ।

উৎস: কৌশলগত মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনায় নৈতিকতার বিষয়সমূহ, এমবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।